• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Polygraph

রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার, জলকামান, লাঠিচার্জ, ইঁট বৃষ্টি, গ্রেফতার বহু

তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের বিচারের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার কাণ্ড কলকাতা ও হাওড়ায়। জলকামান থেকে পুলিশের লাঠিচার্জ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট বৃষ্টি সবই চলল কয়েক ঘন্টা ধরে। নবান্ন অভিযানে পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে আগামিকাল ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এদিনের ঘটনায় ৯৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।নবান্ন অভিযানে অশান্তির অভিযোগে ৯৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ দেখে আরও অনেককে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের কর্তারা। এ়ডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানান, অশান্তিপূর্ণ, দুষ্কৃতীদের আন্দোলন হয়েছে নবান্ন অভিযানের নামে। পুলিশ রক্তাক্ত হয়েও ধৈর্য হারায়নি। বিক্ষোভকারীদের হামলায় বহু পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রসমাজ নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু কোনও ছাত্র এমন গুন্ডামি-অসভ্যতা করতে পারে বলে পুলিশের জানা নেই। এদিকে, নবান্ন অভিযানে পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগে মঙ্গলবার বিকেলে লালবাজার অভিযান করে রাজ্য বিজেপি। আর সেই কর্মসূচিতেও উত্তেজনা ছড়ায়। নবান্ন অভিযানে যাঁদের আটক করা হয়েছে তাঁদের মুক্তির দাবিতে এদিন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে লালবাজার অভিযান করে বিজেপি। সেই কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, পুলিশের গার্ডরেল ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। কিন্তু পুলিশের বাধা পান তাঁরা। ফিয়ার্স লেনে বিজেপির লালবাজার অভিযান আটকাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাল পুলিশ। ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন সুকান্ত মজুমদার এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। কাঁদানে গ্যাসের জেরে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের কর্তারা। এ়ডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানান, অশান্তিপূর্ণ, দুষ্কৃতীদের আন্দোলন হয়েছে নবান্ন অভিযানের নামে। পুলিশ রক্তাক্ত হয়েও ধৈর্য হারায়নি। বিক্ষোভকারীদের হামলায় বহু পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রসমাজ এই অভিযানের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু কোনও ছাত্র এমন গুন্ডামি-অসভ্যতা করতে পারে বলে পুলিশের জানা নেই।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
রাজ্য

আগামিকাল বিজেপির ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ, মোকাবিলায় রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযানে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছে রাজ্য বিজেপি। এরই প্রতিবাদে কাল বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলা বনধের ঘোষণা করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।বুধবার বাংলা বনদের ডাক দিয়েছে বিজেপি। গোটা রাজ্যজুড়ে সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ১২ ঘন্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ নবান্ন অভিযানে পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদে বিজেপির এই বনধ। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ এদিন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই অভিযানকে আগেই বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল রাজ্য পুলিশ। সেইমতো এই অভিযান আটকাতে কলকাতা, হাওড়ার দিকে দিকে জোরদার পুলিশি তৎপরতা চোখে পড়ে সকাল থেকেই।সাঁতরাগাছি, হাওড়া, হাওঢ়া ময়দান, প্রিন্সেপ ঘাট-সহ একাধিক এলাকায় নবান্ন অভিযান শুরু হতেই পুলিশ তুমুল তৎপরতা চোখে পড়ে। জায়গায় জায়গায় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। এমনকী জলকামান ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ। তবে আন্দোলনকারীদের পাল্টা ইট-পাথরের ঘায়ে কয়েকজন পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন। ছাত্র সমাজের ডাকা নবান্ন অভিযানে পুলিশ অত্যাচার চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। এরই প্রতিবাদে আগামিকাল বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধের ডাক দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আগামিকাল এই বনধ সফল করতে বিজেপির কর্মীরা রাস্তায় নামবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির ডাকা বনধের বিরোধিতায় পাল্টা সোচ্চার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। এদিন দলের নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, কাল কোনও বাংলা বনধ হবে না। নবান্ন অভিযান নয়, আজ ছিল সমাজবিরোধীদের অভিযান। বিজেপির কিছু গুন্ডা অরাজকতা তৈরি করছে। সিপিএমের ক্যাডাররা গন্ডগোল করেছে। মমতাকে টার্গেট করে বাংলা দখলের চেষ্টা। পুলিশ এদিন সংযম বজায় রেখেছে। বনধ মোকাবিলা করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক কন্যাকে হুমকি, সরব তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। দিকে দিকে পথে নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে সাধারণ মানুষ। এই আবহে অভিষেক কন্যাকে হুমকির ঘটনায় এক্স-এ ট্যুইট করে ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এবার এনিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়ে নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আজ সহ্যের সব সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে । দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নাবালিকা কন্যাকে আজ হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরণের ঘটনার নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই। অবিলম্বে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন।আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে বিরোধীদের নিশানায় তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির জন্য বিরোধী বাম-বিজেপির আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায় সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের পর সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেষ্ট, আরজি কর এলাকায় নিষেধাজ্ঞা বাড়ল জমায়েতে

ধৃত সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট সম্পন্ন! ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। রবিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিবিআই প্রশ্নমালা হাতে নিয়ে প্রেসিডেন্স জেলে প্রবেশ করে। জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পলিগ্রাফ টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ জেল থেকে বেরিয়ে যান সিবিআই আধিকারিকরা।আরজি করে তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের রহস্যভেদে মরিয়া সিবিআই। আদালতের নির্দেশে সন্দীপ ঘোষ, সঞ্জয় রায় সহ ৭ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকালই সিবিআই আরজি করে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়। এর জন্য দিল্লি থেকে উড়ে আসেন সিবিআইয়ের বিশেষ দল। আজ রবিবার আরজি কর কাণ্ডে এক মাত্র ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষা হয় বলেই জানা গিয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। দীর্ঘ চার ঘন্টা পর জেল থেকে বেরিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা।এদিকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো কলকাতা পুলিশ। পুলিশের তরফে এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ২৫ তারিখ থেকে আগামী সাতদিন অর্থাৎ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে মিটিং করা যাবে না। ওই এলাকায় ৫ বা তার বেশি লোকের জমায়েত হলেই নিয়ম ভাঙা হবে। সেক্ষেত্রে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলেই জানিয়েছে।আরজি কর হাসপাতালে সুষ্ঠ কাজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে গতকাল আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে একদফা আলোচনা করা হয়। যদিও আলোচনা ফল্প্রসু না হওয়ায় রাজ্যের জুনিয়র এবং সিনিয়র ডাক্তাররা আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে নিরাপদ কাজের পরিবেশের দাবিতে, তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। এদিকে চিকিৎসকদের আন্দোলন জারি থাকায় কলকাতা পুলিশ আগামী সাতদিন অর্থাৎ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত হাসপাতাল চত্ত্বরে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে।অন্যদিকে সিবিআই আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগে সিটের হাত থেকে তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সকাল থেকেই আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ডেরা সহ শহরের অন্যান্য ১৪টি জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে।শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তদন্তের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-র হাত থেকে তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে হস্তান্তর করে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতিতে অনড় আন্দোলনরত চিকিৎসকরা, ভরসা নেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে

আরজি কর কাণ্ডে সর্ষের মধ্যে ভূত দেখতে পাচ্ছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তাই সুপ্রিম কোর্টের আবেদন সত্ত্বেও কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন তাঁরা। সিবিআই তদন্তের উপর ভরসা থাকলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের উপর তাঁরা ভরসা রাখতে পারছেন না। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা জানিয়েছেন, আড়াল থেকে ক্ষমতাশীল একটা চক্র সক্রিয় হয়ে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করছে। যাদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করছে স্বাস্থ্যভবনও।আন্দোলনকারী জানিয়েছেন, এই চক্রের কারণেই আসল দোষী বহাল তবিয়তে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মেডিক্যাল কলেজ মুড়ে দিলেও তাঁরা নিরাপদ বোধ করছেন না। সে কারণেই তাঁরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না এখনই। কেন তাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তার স্বপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণ এবং যুক্তি পেশ করেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের উপর। পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।আরজি কর কাণ্ডে ব্যর্থতার জন্য পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলেছেন, হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের ভয় দেখানো এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট এটা কার্যত স্পষ্ট। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সেদিন রাতে এমার্জেন্সি গেট দিয়ে ঢুকে কোথাও কোনও ভাঙচুর না করে সেমিনার রুম খুঁজতে গিয়ে বাকি ফ্লোরগুলিতে ভাঙচুর চালায়। ওই সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল, যা বেদনাদায়ক। তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অত্যন্ত অসংবেদনশীল এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার উপর পুরো দোষ চাপিয়ে আসল দোষীদের আড়াল করেছে। সুবিচার পাওয়ার পথে বাধা দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।দুষ্টচক্র পুলিশের মতোই ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা তৈরি করছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, ২১ আগস্ট আমরা স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক করেছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম, সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকি কর্তৃপক্ষকে প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন এখনও তাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে না। তখন প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়া আর কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় এঁদের বাঁচানোর পিছনে এক অশুভ দুষ্টচক্র প্রবলভাবে সক্রিয়। যারা এতকিছুর পরেও সন্দীপ ঘোষ-সহ কর্তৃপক্ষকে আড়াল করতে ব্যস্ত এবং তাদের চাপের কাছে স্বাস্থ্যভবনও কার্যত অসহায়। যাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে তাঁকে কেন এখনও সাসপেন্ড করা হল না, শুধু হাইকোর্টের নির্দেশে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সমস্ত অভিযোগে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কেন তাঁকে স্বাস্থ্যভবন বরখাস্ত করছে না, কে বা কারা বাধা দিচ্ছে?চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা বেহাল হয়ে পড়েছে বলে যে প্রচার চলছে তা অসত্য বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। জুনিয়র ডাক্তাররা বলেছেন, এমার্জেন্সি-সহ সমস্ত বিভাগ চালু। সিনিয়র চিকিৎসকরা বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। আমরাও কাজে যোগদান করতে চাই। কিন্তু যাঁরা ন্যায়বিচারের পথে বাধা দিচ্ছে, তাঁরা যদি সক্রিয় থাকে তাতে যদি কীভাবে নিরাপদ বোধ করব। সিআইএসএফ দিয়ে আরজি করতে মুড়ে দিয়ে কী হবে যদি আসল অপরাধীদের আড়াল করার জন্য ভিতরেই কোনও চক্র সক্রিয় থাকে?আন্দোলনকারীরা তাঁদের চার দফা দাবি জানিয়েছেনঃ-১। ৯ই আগস্টের ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করা। হয়তো দোষীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাই তাঁরা মোটেও নিরাপদ নন। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।২। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় যে বা যাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত তাঁদের তদন্ত কের বিচারের আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্যভবনকে অবিলম্বে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করতে হবে।৩। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ। এই ব্যর্থদার দায় নিয়ে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রয়োজনে তাঁকেও বিচার এবং তদন্তের আওতায় আনতে হবে।৪। প্রতিটি কলেজে ভয়ের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছভাবে নির্বাচন করতে হবে। সমস্ত কলেজ এবং হাসপাতালে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটিতে জুনিয়র ডাক্তার এবং মেডিক্যাল পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে বেছে নিতে হবে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে সিবিআই হানা, আরজি কর কাণ্ডে অভিযান আরও বেশ কিছু জায়গায়

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন ল।অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে রবিবার সাতসকালে হাজির CBI টিম। আজ সকাল পৌনে ৭টা নাগাদ বেলেঘাটায় সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে যান সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসাররা। এদিন ১ ঘন্টারও বেশি সময় পরও বাড়ির দরজা খোলেননি সন্দীপ। পরে সকাল ৮টার পর হঠাৎই বাড়ির দরজা খুলে বাইরে বেরোতে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে। আরজি কর কাণ্ডে গত টানা ৯ দিন ১০-১২ ঘণ্টা ধরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে সিবিআই। গতকালই তাঁর পলিগ্রাফ টেস্টও হয়েছে বলে খবর সূত্রের।রবিবার আরজি কর কাণ্ডে শহর কলকাতার দিকে দিকে সাঁড়াশি হানা সিবিআইয়ের। শুধু প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতেই নয়, আজ আরজি করের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠের এন্টালির বাড়িতেও হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও হাওড়ায় আরজি কর মেডিক্যালের সাপ্লায়ারের বাড়িতেও অভিযানে যায় সিবিআই দল। হাওড়ার হাটগাছায় বিপ্লব সিংহের বাড়িতে আজ সকালে পৌঁছে যান সিবিআইয়ের কয়েকজন আধিকারিক। আরজি কর মেডিকেল কলেজের সাপ্লায়ার বিপ্লব সিংহ।জানা গিয়েছে, আজ সকালে নিজাম প্যালেস থেকে সিবিআইয়ের বেশ কয়েকটি দল এই অভিযানে বেরোয়। বেলেঘাটায় সন্দীপ ঘোষের বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। একইভাবে এদিন শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। এদিন আরজি করের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দেবাশিস সোমের কেষ্টপুরের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট সিবিআইয়ের, আগামিকাল সঞ্জয়ের পালা

৯ অগাস্ট রাতে ঠিক কী ঘটেছিল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে? রহস্যের সমাধানে মরিয়া সিবিআই। তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে শুরু হল সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট। শনিবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষের।আরজি কর কাণ্ডে পলিগ্রাফ টেস্ট করা শুরু করল সিবিআই। ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট প্রক্রিয়া শুরু করল সিবিআই। রহস্যের সমাধান সূত্রে পলিগ্রাফ টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই। দিল্লি থেকে ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে পৌঁছাছেন সিবিআইয়ের বিশেষ দল।বয়ানের সত্যতা যাচাইয়ে গতকালই সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। আর আজই পলিগ্রাফ টেস্টের প্রক্রিয়া শুরু করে দিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এখন প্রশ্ন কবে কিনারা হবে তরুণী চিকিৎসক খুনের? কখন CBI পলিগ্রাফ টেস্ট করে?এদিন সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়েছে। আগামিকাল এই টেস্ট হবে সঞ্জয় রাইয়ের। তাঁকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে এই টেস্ট করবে সিবিআই। তার জন্য প্রেসিডেন্সি জেল কর। কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে সিবিআই। সেখানে পৃথক ঘরের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। ধাপে ধাপে বাকিদের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এক প্রাক্তন সিবিআই আধিকারিক বলেছেন, যখন অভিযুক্ত তদন্তকারীদের যথেষ্ট তথ্য দেয় না অথবা তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাঁরা অভিযুক্তের থেকে চেয়েও যথেষ্ট তথ্য পাচ্ছেন না, তখনই পলিগ্রাফ টেস্টের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তদন্তকারীরা যখন মনে করেন, অভিযুক্ত আরও কিছু গোপন করে যাচ্ছে, তখন তা বের করে আনতে দরকার হয় এই টেস্টের। এক্ষেত্রে অভিযুক্ত সত্য গোপনের ক্ষমতা হারিয়ে যায়। আর, সেটাই তদন্তকারীদের হাতিয়ার।

আগস্ট ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্ত সিট নয় সিবিআইয়ের হাতে, নির্দেশ আদালতের

শুধু তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের তদন্ত নয়, এবার আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামিকাল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে তদন্তের নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। এর আগে এই তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী কমিটি সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। ফলত কলকাতা হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে পর সিটের আর কোনও গুরুত্ব রইল না।আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ তিনি একবছর আগেই সরকারকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তারপরও অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারই প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ প্রশ্ন তুলেছিলেন, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য একবছর আগে কেন সিট গঠন করা হয়নি? আর, তারপরই তিনি সিবিআইকে আরজি কর হাসপাতালের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।আদালতের এই নির্দেশে আরও বেকায়দায় পড়তে চলেছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের। তাঁর বিরুদ্ধে বেওয়ারিশ লাশ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন আখতার আলি। শুধু তাই নয়, পড়ুয়াদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাঁদের পাশ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও আখতার আলি তুলেছেন সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে সিট গঠন করেছিল, সেই সিটে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্তাও ছিলেন। তার প্রেক্ষিতে বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, এই ঘটনা বড় না হলে কেন এত বড়মাপের পুলিশকর্তাদের ১৬ আগস্ট গঠন করা সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে? এরপরই আদালত আরজি কর দুর্নীতির যাবতীয় তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।এর ফলে রাজ্য সরকারের গঠিত সিট-এর আর প্রয়োজন রইল না। সিবিআইয়ের এই তদন্ত চলবে আদালতের নজরদারিতে। আদালত তদন্তের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সিবিআইকে আদালতে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পর প্রতিক্রিয়ায় আখতার আলি বলেছেন, আমি সন্তুষ্ট। আমি পুলিশের কাছে যাবতীয় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু, অভিযোগের সুরাহা হওয়া দূর, আমাকেই অন্য হাসপাতালে (বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ) বদলি করে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজত, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি

আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। একই সঙ্গে সঞ্জয় রায়েরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমোদন মিলেছে বলে সূত্রের খবর।পাশাপাশি এদিন আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।আরজি করে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের। শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করে সিবিআই।গোটা আদালত চত্বর সিআইএসএফ-এর জওয়ানরা ঘিরে রেখেছিলেন। নিরাপত্তায় ছিল কলকাতা পুলিশও। সঞ্জয়কে সিজিও থেকে বের করার সময় একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তবে কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেয়নি সঞ্জয়।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে গতকালই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনকে শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যায় সিবিআই। তাদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সত্য উদঘাটনে এবার সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হবে। এই ৬ জনের মধ্যে রয়েছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ারও। এর সঙ্গে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে সিবিআই সূত্রের খবর। ৬ জনের মধ্যে রয়েছেন চার জন চিকিৎসক।

আগস্ট ২৩, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal