• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Passenger

দেশ

রাজধানী এক্সপ্রেসের পর ফের ট্রেনে আগুন! বিহারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্কে যাত্রীরা

মধ্যপ্রদেশে রাজধানী এক্সপ্রেসে আগুন লাগার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সামনে এল। সোমবার সকালে বিহারের রোহতাস জেলার সাসারাম স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্টেশন চত্বরে।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাসারাম থেকে পাটনা যাওয়ার প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় হঠাৎ একটি কামরা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে ট্রেনের বগি। আতঙ্কে যাত্রীরা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে আসেন। ফলে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আরপিএফ এবং রেলের কর্মীরা। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। রেল সূত্রে খবর, আগুনে একটি কামরা পুরোপুরি পুড়ে গিয়েছে। আরও একটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।প্রাথমিক তদন্তে রেলের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মতে, সময়মতো যাত্রীদের নামিয়ে না আনতে পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।উল্লেখ্য, রবিবার ভোরেই মধ্যপ্রদেশে তিরুবনন্তপুরম-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় ভয়াবহ আগুন লাগে। লুনি রিছা এবং বিক্রমগড় আলোট স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় চলন্ত ট্রেনে আগুন লাগতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। কয়েকজন যাত্রী চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ারও চেষ্টা করেন। পরে জরুরি ভিত্তিতে ট্রেন থামিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়।একদিনের ব্যবধানে ফের ট্রেনে আগুন লাগার ঘটনায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দেশজুড়ে।

মে ১৮, ২০২৬
দেশ

১২–২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে যাত্রী! ইন্ডিগো নিয়ে কেন্দ্রের তীব্র সতর্কবার্তা

শয়ে শয়ে বিমান বাতিল ও দীর্ঘ দেরির জেরে বিপর্যস্ত ইন্ডিগোর পরিষেবা নিয়ে এবার সরাসরি শোকজ নোটিস পাঠাল ডিজিসিএ। সংস্থার সিইও পিটার এলবার্সকে প্রশ্ন করা হয়েছে কেন টানা এক সপ্তাহ ধরে এত বিমান বাতিল হল এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছল। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশ না মানলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।মঙ্গলবার থেকে দেশের সবচেয়ে বড় বিমান সংস্থা ইন্ডিগোর পরিষেবা কার্যত ধসে পড়েছে। প্রতিদিন শতাধিক বিমান বাতিল হচ্ছে। ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। খাবার, জল, লাগেজকিছুই পাচ্ছেন না তাঁরা। পরিস্থিতি ঘিরে ক্ষোভ বাড়ছে।কেন্দ্র জানতে চেয়েছে, কী কারণে এত বড় সমস্যা তৈরি হল। নোটিসে বলা হয়েছে, কেন্দ্রের নতুন কাজের সময়সীমা সংক্রান্ত নিয়ম মানতে গিয়েই ইন্ডিগোর রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ব্যর্থ হয়। সংস্থার পরিকল্পনার ঘাটতি এবং পরিষেবার ত্রুটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যাত্রীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হয়নি, এমনকি বাতিল বা বিলম্বের ক্ষেত্রে যে পরিষেবাগুলি দেওয়া বাধ্যতামূলকতাও দেওয়া হয়নি।ডিজিসিএ সরাসরি ইন্ডিগোর সিইওকেই দায়ী করেছে এবং তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছে। আজ, রবিবার বিকেলের মধ্যে টিকিটের টাকা যাত্রীদের ফেরত দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি বিশেষ প্যাসেঞ্জার সাপোর্ট ও রিফান্ড সেল তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেটাও জানাতে হবে।ইন্ডিগো জানিয়েছে, পরিস্থিতি ঠিক করতে তারা দ্রুত কাজ করছে। প্রায় ৯৫ শতাংশ পরিষেবাই স্বাভাবিকের পথে। সম্পূর্ণভাবে ফিরতে আরও কয়েক দিন লাগবে। আপাতত দিনে প্রায় ১৫০০টি ফ্লাইট চালানোর ব্যবস্থা করছে তারা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

নতুন বছরের শুরু থেকে পূর্ব রেলওয়ের নতুন টাইম টেবিল, বাড়ছে ট্রেনের গতি

রেলওয়েতে নতুন টাইম টেবিল চালু হতে চলেছে নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে। এর ফলে ট্রেন চালানোর অ্যালগরিদমের যথেষ্ট উন্নতির পাশাপাশি পথের অপ্টিমাইজেশনের ফলে ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা। ভ্রমণের সময় এই হ্রাস পরিচালনমূলক নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও ট্রেনের ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা করবে। কলকাতার পুরাতন কৈলাঘাট বিল্ডিং-এ তার সভা কক্ষে মঙ্গলবার প্রিন্সিপাল চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার, ইস্টার্ন রেলওয়ে, উদয় শঙ্কর ঝা, এক সাংবাদিক বৈঠকে পূর্ব রেলের নতুন টাইম টেবিলের বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করেন।উদয় শঙ্কর ঝা আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই উন্নতি হল সারা বছর ধরে পরিচালিত নিবেদিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলাফল এবং পূর্ব রেলের বিভিন্ন বিভাগে 3য়/4র্থ লাইন চালু করার ফলে যাত্রীরা দ্রুত এবং আরও উন্নতমানের ট্রেনযোগের জন্য অপেক্ষা করতে পারে। যাত্রা অবকাঠামো এবং ট্র্যাকগুলির আপগ্রেডগুলি ভ্রমণের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে, রেল ভ্রমণে আরও আকর্ষণীয় বিকল্পগুলি তৈরি করবে। মেল/এক্সপ্রেস, প্যাসেঞ্জার ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের সময়ে বড় পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন ট্রেনের প্রবর্তন, ডাইভারশন, সময় পরিবর্তন, ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি, ট্রেনের পুনঃসংখ্যা ইত্যাদি যা নতুন সময় সারণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শ্রী ঝা যাত্রীদের সুবিধার জন্য আরও ভাল পরিষেবা বজায় রাখার জন্য বৈধ যাত্রার টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করার জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।নতুন টাইম টেবিলের প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে একটি নতুন কৃষ্ণনগর-রানাঘাট লোকাল এবং দুটি হাওড়া-সিঙ্গুর লোকালের (একটি তারকেশ্বর পর্যন্ত এবং অন্যটি হরিপাল পর্যন্ত) এর বর্ধিতকরণের ব্যবস্থা রয়েছে যা যাত্রীদের শহরতলির বিভাগের প্রয়োজন অনুসারে। ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা হয়েছে। অধিকন্তু, ৭২টি মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সময় ০৫ মিনিট থেকে কমিয়ে ৫৫ মিনিটে এবং ৮টি যাত্রীবাহী ট্রেনের গতি বাড়ানো হবে (EMU/MEMU/DEMU সহ) তাদের যাত্রার সময় ০৬ মিনিট থেকে ২০ মিনিটে কমবে।উল্লেখ্য যে, ৮৬টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৪৪টি DEMU যাত্রী এবং ১৪৬টি MEMU যাত্রী একটি নতুন নম্বর দিয়ে চলবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজ্য

নিত্যযাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, পূর্ব রেলের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা

নিত্যযাত্রীরা বিশেষত অর্থাৎ যারা অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ বা ব্যবসার কাজে রোজই একটু দূরে বিশেষত কলকাতা বা সংলগ্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে থাকেন, তাঁদের দীর্ঘ দিনের চাহিদা পূরণে ইন্টারসিটি ধরণের মাঝারি দূরত্বের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত রিজার্ভড (সংরক্ষিত ) কোচ জুড়তে চলেছে পূর্বরেল। এই রিজার্ভড কোচ সংযুক্তির ফলে তাদের যাতায়াত আরও সুগম হয়ে উঠবে যা আর্থসামাজিক উন্নয়নেরও সহায়ক। পাঁচটি ট্রেন যেমন ১২৩৩৭/১২৩৩৮ হাওড়া - বোলপুর - হাওড়া শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস, ১২৩৩৯/১২৩৪০ হাওড়া - ধানবাদ - হাওড়া কোলফিল্ড এক্সপ্রেস, ১২৩৪১/১২৩৪২ হাওড়া - আসানসোল - হাওড়া অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, ১৩০১১/১৩০১২ হাওড়া - মালদা - হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং ০৩০৪৭/০৩০৪৮ হাওড়া - রামপুরহাট - হাওড়া বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিতে লাগছে একটি করে অতিরিক্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর চেয়ার কার। এই অতিরিক্ত কোচের সংযোজন ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই উভয় প্রান্ত থেকে কার্যকর হবে। এছাড়াও, ১৩০৪৫/১৩০৪৬ হাওড়া - দেওঘর - হাওড়া ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেসে লাগছে একটি অতিরিক্ত সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণীর রিজার্ভড কোচ। এই ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযুক্তি হাওড়া থেকে ৩০শে নভেম্বর এবং দেওঘর প্রান্ত থেকে ১লা ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ২২৩২১/২২৩২২ হাওড়া - সিউড়ি - হাওড়া হুল এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য আরও সুখবর। তারা পাচ্ছেন একটি অতিরিক্ত এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন। এতদিন পর্যন্ত এই গাড়িতে যাত্রীরা কেবলমাত্র বসেই যাতায়াত করতে পারতেন, কিন্তু এখন এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজনের ফলে যাত্রীরা শুয়ে অথবা ঘুমিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। অতিরিক্ত কোচের সংযুক্তির ফলে হুল এক্সপ্রেসের কোচ সংখ্যাও ১৩টি কোচ থেকে ১৪ টি কোচে বৃদ্ধি পেলো। এই এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন উভয় প্রান্ত থেকেই ৩০শে নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। নিত্যযাত্রীদের চাহিদা পূরণে পূর্বরেল সর্বদাই সচেষ্ট। সময়বিশেষে দ্বিতীয় শ্রেণীর অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের ফলে সাধারণ যাত্রীরা সাশ্রয়কারী যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে রেলের উপর বিশেষ নির্ভরশীল। রেলের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নিত্য যাত্রীরা।

নভেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ রেলের, একাধিক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ

পূর্ব রেলওয়ে, যাত্রীদের, বিশেষত নিত্যযাত্রী এবং মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা এবং তাদের মর্যাদা বজায় রাখতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ের সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) মহিলা যাত্রীদের উদ্বেগ দূর করতে এবং সুরক্ষিত ভ্রমণের পরিবেশ সরবরাহ করতে অপারেশন মহিলা সুরক্ষার অধীনে একটি বিস্তৃত প্রচার শুরু করেছে।২০২৪ সালের আগস্ট মাস জুড়ে, পূর্ব রেলওয়ের আরপিএফ বাহিনী বিভিন্ন ট্রেনের মহিলা কামরায় নিয়মিত ভাবে নিখুঁত অভিযান চালিয়েছিল। সেই বগিগুলিতে অবৈধভাবে ভ্রমণকারী পুরুষ যাত্রীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করেছিল। এই এক মাসে রেলওয়ে আইনের ১৬২ ধারায় মোট ১,৭৭৪ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ₹৩,২৪,৪৫০/- জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে বরদাস্ত করা হবে না।নারী ও শিশু সুরক্ষার জন্য যেসব মূল পদক্ষেপগুলি বাস্তবায়িত করা হয়েছে, সেগুলি নিম্নরূপ :ট্রেন এসকর্ট এবং নজরদারি:১। ১২টি মহিলা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন-সহ ৩৩৯টি ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াত করেন আরপিএফ জওয়ানরা।২। ৭৪টি এক্সপ্রেস ট্রেনে পুরুষ ও মহিলা আরপিএফ কর্মীরা যৌথভাবে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ৩। নেটওয়ার্ক জুড়ে ১৭০ টি স্টেশনে মোট ৩,৮৯৪ টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, বিশেষত মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য আরপিএফ দ্বারা ৮৭ টি স্টেশনে ২,২৬৫ টি ক্যামেরা মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।৪। ট্রেন এসকর্ট এবং যাত্রী ইন্টারফেস অপারেশন চলাকালীন আরপিএফ কর্মীদের ১২৭ টি পরিধানযোগ্য ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে যা সুরক্ষা পরিস্থিতির রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়।৫। ৮৮টি ট্রেনে একা যাতায়াতকারী মহিলাদের সহায়তার জন্য ১৫টি স্টেশনে মেরি সহেলি দল মোতায়েন করা হয়েছে। যার ফলে মহিলা যাত্রীরা একা হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ যাত্রা সুরক্ষিত ও নিরাপদ ভাবে যাত্রা করতে পারেন।শহরতলির অঞ্চলগুলিতে প্রায় ২৫টি স্টেশনে যেখানে দৈনিক মহিলা যাত্রীদের যাতায়াত বেশি সেখানে মাতঙ্গিনী স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে যারা সুনিশ্চিত করে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা।৬। অভাবী শিশুদের সাহায্য ও উদ্ধারের জন্য (হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, মালদা টাউন, ভাগলপুর, সাহেবগঞ্জ) ছয়টি চাইল্ড হেল্প ডেস্ক চালু রয়েছে। ব্যান্ডেল, বর্ধমান, বোলপুর শান্তিনিকেতন এবং জামালপুরে চারটি অতিরিক্ত হেল্প ডেস্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।৭। শুধু আগস্ট মাসেই অপারেশন নানহে ফারিশতের আওতায় ১২৫ জন শিশুকে (৮৮ জন ছেলে ও ৩৭ জন মেয়ে) উদ্ধার করে পুনর্বাসনের জন্য শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।৮। অপারেশন এএএইচটি (মানব পাচার রোধ)-এর অঙ্গ হিসেবে শিয়ালদহ, হাওড়া, মালদা টাউন এবং আসানসোলের আরপিএফ পোস্টগুলিতে ৭১টি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। যারা আগস্ট মাসে ৯ জন কিশোরকে উদ্ধার ও ৫ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে ।মহিলা যাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তার ভাব জাগিয়ে তুলতে পূর্ব রেলওয়ের বড় বড় স্টেশনগুলিতে আরপিএফ কর্মীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এই সক্রিয় পদক্ষেপটি যে কোনও সম্ভাব্য দুর্বৃত্তকে প্রতিরোধ করে এবং যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের সময় যাতে নিরাপদ বোধ করে তা সুনিশ্চিত করে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
কলকাতা

জনপ্রিয় হচ্ছে ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো(গ্রিন লাইন), যাত্রী সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি

যাত্রীদের মধ্যে ক্রমশই জনপ্রিয় হচ্ছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো(গ্রিন লাইন)। বর্তমানে শিয়ালদহ থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত চালু এই মেট্রোয় চড়ে শহর ও শহরতলীর যাত্রীরা খুব সহজে ও নিরুপদ্রবে শিয়ালদহ থেকে সল্টলেকের যে কোনও জায়গায় যাতায়াত করতে পারছেন। এই নির্ঝঞ্ঝাট যাত্রায় তাদের সময়ও বাঁচছে অনেক, যা এই মেট্রোর বিপুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ। চলতি আর্থিক বছরের (২০২৩-২৪) প্রথম চার মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর যাত্রী সংখ্যা গত আর্থিক বছরের(২০২২-২৩) প্রথম চার মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রো ০১/০৪/২০২৩ থেকে ৩১/০৭/২০২৩ পর্যন্ত মোট ৩৬.৯৭ লক্ষ যাত্রী পরিবহণ করেছে। গত বছরের একই সময়কালে এই মেট্রো ৬.৮৯ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছিল। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় চলতি আর্থিক বছরের প্রথম চার মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ৪৩৬ %। ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই মাসে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী হয়েছে যথাক্রমে ৯.১৬ লক্ষ ও ১০.০৯ লক্ষ। ২০২২ সালের জুন ও জুলাইতে কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে যাত্রী সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৬১ হাজার ও ৫.৩ লক্ষ। অর্থাৎ চলতি বর্ষার প্রথম দুমাসে ইস্ট-ওয়েস্ট-এ যাত্রী বেড়েছে লাফ দিয়ে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে , গত ১৪/০৭/২০২২ তারিখ থেকে শিয়ালদহ থেকে যাত্রী পরিষেবা শুরু হওয়ার পরেই ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রোয় যাত্রী বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। কলকাতা থেকে সল্টলেকের মধ্যে দ্রুততম এবং সবথেকে সুলভ পরিবহন মাধ্যম হওয়ার কারণেই যাত্রীরা ক্রমশই ইস্ট - ওয়েস্ট মেট্রোকে বেছে নিচ্ছেন। কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক, কৌশিক মিত্র যাত্রীদের মেট্রো রেলওয়ের ওপর ভরসা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইস্ট -ওয়েস্ট মেট্রোর হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড অংশে হুগলি নদীর নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা শুরু করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
কলকাতা

শহিদ দিবসে লাগামছাড়া ভিড় মেট্রোতে, রেকর্ড সংখ্যক যাত্রী

তৃণমূলের শহিদ দিবসে ২১ জুলাই কলকাতা মহানগর যেন ভেঙে পড়েছিল। যাত্রী সংখ্যাতে রেকর্ড করেছে মেট্রো রেল। সম্প্রতি শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ অর্থাৎ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হয়েছে। এছাড়া কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাত্রী পরিষেবা আগে থেকেই চালু রয়েছে।মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ২১ জুলাই নর্থ-সাউথ মেট্রোতে যাত্রী সংখ্যা ছিল ৫, ০২, ০৩0 জন। অন্যদিকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে ছিল ৪১,৯৫৬। মোদ্দা কথা এদিন মেট্রো রেলেই ভিড় ছিল ঠাসাঠাসি। ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে এদিন হাজার মানুষ শহরে এসেছে। তাছাড়া সড়ক পথে যানজট থাকায় অনেকেই মেট্রোতে যাতায়াত করেছেন। বৃহস্পতিবার একমাত্র যাতায়াতের পথ বলতে ছিল মেট্রো। সেই কারণে মেট্রোতে ভিড় অনেকটা বেশি ছিল।

জুলাই ২২, ২০২২
বিদেশ

১৩৩ জন যাত্রী-সহ দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল বিমান

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার মুখোমুখি চিন। দক্ষিণ চিনে ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই বিমানে ১৩৩ জন যাত্রী ছিল। জানা গিয়েছে চিনে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান ছিল। মনে করা বিমান থাকা কোনও যাত্রীরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। সবেমাত্র উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে বিমানটি কুনমিং শহর থেকে গুয়াংজুর দিকে যাচ্ছিল। ভেঙে পড়া বোয়িং বিমানটি চিন ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের বিমান ছিল। চিনের সিভিল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, এখনও অবধি এই বিমান দুর্ঘটনায় কত জন মারা গিয়েছেন তা জানা যায়নি।বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তদন্তের নির্দেশ দিলেন। কীভাবে আচমকা ভেঙে পড়ল সুরক্ষিত বোয়িং ৭৩৭ বিমান, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।Crash site pic.twitter.com/8qJWYK8FhS ChinaAviationReview (@ChinaAvReview) March 21, 2022তবে বিমানে থাকা ১৩৪ জন যাত্রী বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। বিমান সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বিমানটি ৬ বছরের পুরানো। সিএএসি জানিয়েছে, উঝুর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বিমানটিতে মোট ১২৩ জন যাত্রী এবং পাইলট সহ মোট ৯ জন কর্মী ছিলেন। ইতিমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে এবং উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বিমান দুর্ঘটনার সময়ে আগুন দেখা গিয়েছিল। পাহাড়ের কোলে যে এলাকার বিমানটি ভেঙে পড়েছে, সেখানকার বাঁশ বনে আগুন লেগে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

দমদমের পর নদিয়া, শ্লীলতাহানির পর চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মহিলাকে

দমদমের পর এবার নদিয়া। ফের একবার চলন্ত ট্রেনে মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা। শুধু তাইই নয়, এরপর সেই মহিলা তার প্রতিবাদ করলে সুযোগ বুঝে ধাক্কা দেওয়া হয় সেই ট্রেন থেকেই। বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও গুরুতর আহত সেই মহিলা হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার গাংনাপুরে। আরও একবার লোকাল ট্রেনে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।সূত্রের খবর, রানাঘাট-বনগাঁ শাখার গাংনাপুরের কাছে চলন্ত ট্রেনে ছিলেন সেই মহিলা। গাড়ি যখন রায়নগর স্টেশনে ঢুকছে, সেই মুহূর্তে সেই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকেন সেই মহিলাকে। সেই হেনস্থার প্রতিবাদ করায় এরপর চলন্ত লোকাল ট্রেন থেকে ধাক্কা মারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি সেই মহিলাকে। প্ল্যাটফর্মে পড়ে যাওয়ার পরে মহিলাকে উদ্ধার করে জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি গুরুতরভাবে আহত। ঘটনায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও, আরও এক অভিযুক্ত এখনও পলাতক।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Bus Accident: কাদায় চাকা স্লিপ করে ধান জমিতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১২ যাত্রী

যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধান জমিতে উল্টেপড়ায় আহত হলেন ১২ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের বাবুরবাঁধ বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় ।খবর পেয়ে আউসগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ ও এলাকার মানুষজন বাসটির সামনের অংশে থাকা কাচ খুলে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় বন নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলে। পরে ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে জমি থেকে রাস্তায় তোলা হয়। বাসটি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেসরকারী যাত্রীবাহী বাসটি গলসির পারাজ থেকে বোলপুর যাচ্ছিল।বাসটিতে ১৮- ২০ জনের মত যাত্রী ছিল। পথে আউসগ্রামের বাবুরবান্ধ বাস স্ট্যান্ডের কাছে বাঁক কাটানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে জোরে ব্রেক কষেন। তখনই বাসের চাকা কাদায় স্লিপ করলে বাসটি পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা মহিলা সহ ১২ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন একটু বেশী চোট পেয়েছেন।উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাসপ্রত্যক্ষদর্শী সবির হেসেন মোল্লা, একরাম আলী খাঁন বলেন, বুধবার রাতে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ভিজে ছিল। তার উপর চাষের জমির কাদা ট্র্যাক্টর থেকে রাস্তায় পড়তে পড়তে যাওয়ায় রাস্তাও পিচ্ছিল হয়েছিল। সেই কারণে বাস চালক ব্রেক কষার সাথে সাথেই কাদায় চাকা হড়কে গিয়ে বাসটি রাস্তা থেকে ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। তবে বরাত জোরে বাসের কোন যাত্রীর প্রাণহাণির ঘটনা ঘটেনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Local Train: লোকাল চালু হলেও শিকেয় দূরত্ববিধি, চিন্তায় যাত্রীরা

দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার থেকে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে পরিষেবা। সোমবার সপ্তাহের প্রথমদিন কার্যত সবথেকে বড় পরীক্ষা রেলের জন্য। কিভাবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং কিভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ প্রশাসন এবং রেল সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের।বিভিন্ন যাত্রী জানিয়েছেন, ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মানার কথা থাকলেও বেশিরভাগ মানুষই সেই বিধি মানছেন না বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অনেকেই মনে করছেন যে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সময়ে ট্রেন চালানো এবং ১২ বগির ট্রেন চালানোর মধ্য দিয়ে এই বিধি মানা তুলনামূলক বেশি সহজ হবে। সোমবার অফিস টাইমে কিভাবে কোভিড প্রোটোকল মানা হবে সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে শহরবাসী। যদিও প্রথমদিন অর্থাৎ রবিবারে অনেক মানুষই স্টেশনে মাস্ক নিয়েই আসেননি। সোমবারেও বহু স্টেশনে চোখে পড়ার মত ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেকের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। অনেকেই পকেটে ঢুকিয়ে রেখেছেন মাস্ক এবং এই প্রবণতাই ক্রমশ দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Palsit Toll Plaza: বাস যাত্রীদের মারধোর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার পালসিট টোলপ্লাজার ২ কর্মী

টোল আদায় নিয়ে বিবাদ চলাকালীন বাসের কয়েকজন যাত্রীকে মারধর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হল টোল প্লাজার দুই কর্মী। মঙ্গলবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পালসিট টোল প্লাজায়। ধৃতদের নাম রাজু মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রজিৎ ঘোষ। হুগলির উত্তরপাড়া থানার ভদ্রকালীতে রাজুর বাড়ি। অপর ধৃত ইন্দ্রজিৎতের বাড়ি হুগলির ডানকুনি থানা এলাকায়। বাসযাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ এদিনই তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের চিত্তরঞ্জন থেকে একটি বাস যাত্রী নিয়ে হাওড়ার লিলুয়ায় যাচ্ছিল। পালশিট টোল প্লাজার কর্মীরা বাসটির কাছে টোল বাবদ ২৯০ টাকা চায়। ফাস্ট ট্যাগ থাকা সত্বেও কেন বাসের টোল বাবদ নগদে টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাস যাত্রীরা। তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে বাসটিকে তখন ছাড়া হয়। এরপর ফেরার সময় ফের বাসটির চালকের কাছে টোল বাবদ ৩০০ টাকা চায় পালসিট টোল প্লাজার কর্মীরা। কেন এত টাকা চাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন বাসের যাত্রীরা। তা নিয়ে বচসা চলাকালীন টোলের কর্মীরা লাঠি, রড প্রভৃতি নিয়ে বাসের যাত্রীদের উপর হামলা চালায়। যাত্রীদের মারধর করে। বাসের মহিলা যাত্রী ও বৃদ্ধরাও হামলাকারীদের হাত থেকে রেহাই পান না। মহিলা যাত্রীদের শ্লীলতাহানি পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার বিষয়ে রাহুল কুমার বাল্মীকি নামে বাসের এক যাত্রী মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ টোল প্লাজার দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Land Slide: কয়েক সেকেন্ডের তফাতে প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা, কীভাবে জানুন

কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের ভয়ানক স্মৃতি ফের একবার উস্কে দিল শনিবারের ঘটনা। পাহাড়ের উপর থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে এল বিশাল ধস।অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীবোঝাই বাস। আতঙ্কে বাস থেকে লাফ মারলেন অনেকে। কেউ কেউ জানলা দিয়ে গলে বেরোনোর প্রাণপণ চেষ্টাও করলেন। শনিবার সকালে নৈনিতালে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল একটি বাস। হঠাৎ কয়েক হাত দূরে হুড়মুড়িয়ে ধস নামতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চালক কোনওক্রমে বাস থামিয়ে দেন। বাস থামতেই আতঙ্কে বাস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যাত্রীরা। কেউ আবার জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আহত হওয়ারও কোনও খবর নেই। এক মিনিটের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাসটির সামনেই ধস নেমেছে। পাহাড় থেকে লাগাতার পাথর, বোল্ডার ও কাদামাটি নেমে আসছে। ধস কিছুটা কমতেই যাত্রীরা হাতে ব্যাগ নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন ও পিছন দিকে দৌ্ঁড়তে থাকেন। বাসের চালককেও দেখা যায়, রিভার্সে বাসটিকে ধসের জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আনতে।#WATCH | Uttarakhand: A bus carrying 14 passengers narrowly escaped a landslide in Nainital on Friday. No casualties have been reported. pic.twitter.com/eyj1pBQmNw ANI (@ANI) August 21, 2021কয়েক দিন আগেই হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের পাহাড়ি রাস্তায় যাত্রিবোঝাই বাস, বেশ কয়েকটি গাড়ির উপর আছড়ে পড়েছিল ধস। সেই ঘটনায় বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন অনেকে। ধসের ধাক্কা পাহাড়ের খাদে আছড়ে ফেলেছিল বাস এবং কয়েকটি গাড়িকে। ভয়ানক সেই ঘটনার স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই নৈনিতালের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

102 Ambulance: ১০২ অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার চালক, আটক অ্যাম্বুলেন্স

টাকার লোভে আ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে ফের বর্ধমানে গ্রেপ্তার হল ১০২ অ্যাম্বুলেন্সের চালক। বুধবার রাতে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চন্দন বৈরাগ্য।অ্যাম্বুলেন্সটিও পুলিশ আটক করেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে অতিমারির সময়কালে অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণ চালিয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে গত ৫ আগষ্ট মুর্শিদাবাদের চাঁদেমোড় এলাকা থেকে ১০ জন যাত্রীকে নিয়ে একটি ১০২ অ্যাম্বুলেন্স হুগলীর ডানকুনির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ওই দিন বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে থাকা পুলিশ কর্মীরা ওই অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকায়।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশগ্রেপ্তার হন ওই অ্যাম্বুলেন্সের চালক । এরপর হাতে গোনা কয়েকটা দিন কাটতে না কাটতে ফের বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখলো বর্ধমান থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , বুধবার রাতে শহর বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুর এলাকায় ডিউটি করছিলেন কয়েকজন পুলিশ কর্মী। ওই সময়ে যাত্রী বোঝাই ১০২ অ্যাম্বুলেন্সটিকে বর্ধমান-কাটোয়া রোড ধরে যেতে দেখেন পুলিশ কর্মীরা।পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটির পথ আটকানোর সঙ্গে সঙ্গে ভিতরে থাকা ৪-৫ জন যাত্রী অ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। বর্ধমান থানার পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটক করার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সেটির চালক চন্দন বৈরাগ্যকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহণের ঘটনার নিন্দা করেছেন বর্ধমানের মানুষজন। তবে তাঁরা দাবি রেখেছেন ,যেসব মানুষের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায় তাঁদের জন্য প্রশাসন বিকল্প যানবাহণের ব্যবস্থা করুক। তা না হলে হয়তো অ্যাম্বুলেন্সে যাত্রী পরিবহনে লাগাম টানা যাবে না।

আগস্ট ১৯, ২০২১
কলকাতা

Rail Block: সোনারপুরের পর দমদম ক্যান্টনমেন্টে যাত্রীবিক্ষোভ

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পর এবার লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ। সোমবার সকালে দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে সকলের চড়ার দাবিতে অবরোধ (Rail Block) করেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রোজকার কাজকর্ম করার জন্য বেরতেই হচ্ছে। এই স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে শুধু জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদেরই নয়, উঠতে দেওয়া হোক সকলকেই। নয়ত পুরোদমে লোকাল ট্রেন চালু করে দেওয়া হোক। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তাঁদের অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেলপুলিশ ও স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ ওঠে।আরও পড়ুনঃ জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোনগত সপ্তাহে পরপর দুদিন লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে যাত্রী বিক্ষোভের উত্তাল হয়ে উঠেছিল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুর (Sonarpur), মল্লিকপুর স্টেশন। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরপিএফ জওয়ানরা। রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এসব স্টেশন। এর জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে রেলের তরফে ফের রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এখনই ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেননি।এরপর আজ ফের দমদম ক্যান্টনমেন্টে একই ঘটনা। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে অবরোধ শুরু করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে (Staff special trains) সবাইকে ওঠার অনুমতি দিতে হবে, এই দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত রেল নিতে পারবে না বলে জানানো হয়। শেষে ঘণ্টাখানেক পর ওঠে অবরোধ। যদিও বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আজ থেকে শিয়ালদহ শাখায় আরও বাড়তি স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে সোনারপুরের ঘটনার পর থেকে আরও ১০০টি ট্রেন বাড়ানো হয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে বলে শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলকর্তারা জানিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে

সোনারপুর স্টেশনে যাত্রী বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ট্রেন চলাচল। বুধবার সকাল থেকেই লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো মানুষ। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই শহর কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসা পরিচারিকরা ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ।আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতেবুধবার সকালে স্টাফ স্পেশ্যালে চড়তে দেওয়া এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে সোনারপুরে ট্রেন অবরোধ করেন সাধারণ যাত্রীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মূলত কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে যাওয়া পরিচারিকরা এবং শ্রমিকরা রয়েছেন। এদিন সকাল ৭.৩০ থেকে হওয়া প্রতিরোধে আপ ডাউন দুটো লাইনই আটকে গিয়েছে। এর ফলে রেলের কর্মী-সহ বাকিরা কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন না। আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের আবেদন সত্বেও প্রতিবাদকারীরা অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, আমরা খেতে পাচ্ছি না। এভাবে না খেয়ে মরার চেয়ে লড়াই করে মরা ভাল। ট্রেনে চড়তে দিতেই হবে। এই বিষয়ে শিয়ালদহের ডিআরএম এসপি সিং জানিয়েছেন, আমরা ট্রেন চালাতে চাই। রাজ্যের অনুমতি পেলেই ট্রেন চলবে। শিয়ালদহ ডিভিশনে অত্যাধিক চাপ। যার মধ্যে বনগাঁ শাখায় অস্বাভাবিক ভিড়। ফলে কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না। ঝামেলা বাড়ছে। যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এদিকে, বিক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ট্রেন আটকে পড়ে। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েন যাত্রীরা। তারাও পালটা ক্ষোভ দেখিয়েছেন। ট্রেন খোলার দাবি করছেন অনেকেই। যাত্রীদের বক্তব্য, ট্রেনের সংখ্যা বাড়লে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।

জুন ২৩, ২০২১
বিদেশ

পদ্মায় নৌকোডুবি, মৃত অন্তত ২৫

ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলাদেশ । সোমবার পদ্মা নদীতে দুটি নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকার পাঁচজন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাবাজার ফেরিঘাটে বালিবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এক যাত্রীবাহী স্পিডবোটের। এর ফলে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। ওই নৌকাটিতে সওয়ার ছিলেন কমপক্ষে তিরিশ জন যাত্রী। এই ঘটনায় পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহত ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। গুরুতর আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আশিকুর রহমান স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানান, মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ফেরিঘাটের দিকে যাচ্ছিল। স্পিডবোটটি বাংলাবাজার ফেরিঘাটের পুরাতন কাঁঠালবাড়ি ঘাটের কাছাকাছি আসার পর বালুবোঝাই একটি নৌকার সঙ্গে সংঘর্ষ হয় যানটির। সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উলটে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যু হয় ৫ জনের। সেবার মদনগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা সেতুর কাছাকাছি আসার পর এসকে-৩ নামে একটি পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে একটি লঞ্চের। তাতেই ডুবে যায় লঞ্চটি। দুর্ঘটনার পর অনেক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠে যেতে সক্ষম হন। উদ্ধারকাজ চালিয়েও বেশ কয়েকজনের প্রাণরক্ষা করা হয়। তবে এর আগেও একাধিক নৌকা দুর্ঘটনার সাক্ষী ঠেকেছে বাংলাদেশ। এর জন্য জলপুলিশের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অনেকে। তাছাড়া, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ক্ষমতার বেশি যাত্রী বোঝাই করে বিপদ ডেকে আনছে নৌকাগুলি বলেও অভিযোগ অনেকের।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

চলন্ত ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যাওয়া যাত্রীকে বাঁচিয়ে সাহসিকতার পরিচয় আরপিএফ কর্মীর

ফের চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে গেলেন যাত্রী। আরপিএফ কর্মীর চেষ্টায় ওই যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলেন। ডিউটিতে থাকা আরপিএফ কর্মীর নাম মাইকেল সোরেন। যাত্রীর নাম বিপ্লব চ্যাটার্জি। তিনি বর্ধমানের বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় কেপমারি, প্রায় ২লক্ষ টাকার সোনার গহনা লুট হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্সের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে চলতে শুরু করা ৩৬৮৩৭আপ হাওড়া -বর্ধমান(মেন) লোকালে দৌড়ে এসে উঠতে যান তিনি। কিন্তু পা স্লিপ করায় প্ল্যাটফর্মে পড়ে যান বিপ্লববাবু। তাঁর পা কিছুটা চলে যায় ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের ভিতরে। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা আরপিএফ কর্মী মাইকেল সোরেনের নজরে আসে বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গেই ছুটে গিয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে ওই যাত্রীকে উদ্ধার করেন তিনি বলে পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই আরপিএফ কর্মীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন নিত্যযাত্রীরা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার লিলুয়া স্টেশন

ফের স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোল। এবার হাওড়ার লিলুয়া স্টেশনে যাত্রীদের বিক্ষোভ তুমুল আকার ধারণ করল। হল ভাঙচুর। জানা গিয়েছে, সো্মবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ একটি স্পেশাল ট্রেন জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে যাছিল হাওড়ার দিকে। সেই ডাউন ট্রেনে আগেই উঠে পড়েছিলেন কয়েকজন যাত্রী । ট্রেনে চলছিল স্পেশাল চেকিং। ফলে ধরা পড়ে যান তারা। স্পেশাল ট্রেনে ওঠার বৈধতা না থাকায় তাঁদের ফাইন করতে চান টিকিট পরীক্ষকরা । ঘটনায় যাত্রীদের সঙ্গে টিকিট পরীক্ষকদের বচসা শুরু হয় । টিকিট পরীক্ষকরা জানিয়ে দেন, যাত্রীদের জরিমানা দিতে হবে । তবেই তাঁরা ছাড়া পাবেন । এতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা লিলুয়া স্টেশনের একটি ঘরে ভাঙচুর চালান । ঘরের সামনে রাখা ফুলের টব, বাইরে লেখা সাইনবোর্ড সমস্ত কিছু ভেঙে দেন। আরও পড়ুন ঃ ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রেলপুলিশ ও র্যাফ । যদিও তার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান বিক্ষোভকারী যাত্রীরা । খানিকক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। প্রসঙ্গত, এর আগে হুগলির পাণ্ডুয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সো্নারপুর স্টেশনে লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে অবরোধ করেন যাত্রীরা । সো্মবারও চুঁচুড়া স্টেশনে অবরোধ করা হয়।

অক্টোবর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal