• ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Parliament Election 2024

রাজ্য

লোকসভা নির্বাচন!!! স্ট্রিং অপারেশনে কার কতটা সুর কাটল!

চুপ লোকসভা নির্বাচন চলছে । পশ্চিমবঙ্গে দাঁড়িয়ে এই উচ্চারণ করা যাবে কি? রাজনীতি পন্ডিত রা বলে থাকেন লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক পার্থক্য থাকে।এই কারণে অনেক রাজ্যে অনেক সময় ভোটার রা বিধানসভায় যে দলকে ভোট দেন লোকসভায় তাদের দেন না। লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ইস্যুর মধ্যে ও অনেক পার্থক্য থাকে। সোজা কথা, লোকসভা নির্বাচনের ফল স্থির করে দেয় কারা দেশ শাসন করবে। আর বিধান সভা নির্বাচন জানিয়ে দেয় রাজ্যের শাসনভার কোন দলের মধ্যে থাকবে। কিন্তু লোকসভা ভোটের এই ভরা মরশুমে দেখুন পশ্চিমবঙ্গে কি হচ্ছে।রাজ্যের শাসক দল আর প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম কংগ্রেসের জোটের ইস্যু ভিত্তিক প্রচারে চোখ রাখুন অথবা কান পাতুন তাহলেই বিষয়গুলি পরিষ্কার হয়ে যাবে।ভোটের দামামা সজোরে বাজার আগেই দলের প্রচারের সুরটা বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী ভারত। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভাঙ্গা গড়ার মাঝে গুরুত্ব পাওয়া ভারত। এই দুই অক্ষে আগামী দিনে ভারতের আগামী দিনে ভারতের আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠার গ্যারান্টি, তার সঙ্গে বিজেপির সঙ্কল্প পত্রএ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আরও অসংখ্য গ্যারান্টির দীর্ঘ তালিকা । এই তালিকার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চতূর্বণ কৃষক, যুব, নারী ও দরিদ্রের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে CAA এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার অঙ্গীকার। এর ই মাঝে কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া মঞ্চের তীব্র এবং শ্লেষাত্মক আক্রমণ। যদিও দ্বিতীয় পর্বের ভোটের পরে প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সেই পুরোনো চাল ধর্মীয় মেরুকরণের পথেই ফিরেছেন ।অন্য দিকে বিরোধীদের ইস্যূ ভিত্তিক প্রচারে বিজেপির পাল্টা ন্যারেটিভ। বিজেপির দশ বছরের শাসনে দেশের বেড়ে চলা বেকার সমস্যা। অর্থনীতির সুফল মুষ্টিমেয় ধনীর কোষাগারে জমা পড়া। আর্থিক অসাম্য বেড়ে চলা। দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন। মোটামুটি এই ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাতিয়ার করে বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চাইছেন। কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর গ্যারান্টির বিপরীতে বিকল্প হিসেবে নারী, কৃষক,যুব ও দরিদ্রের উন্নয়নের কথা বলছে।এবারে পশ্চিম বঙ্গের ভোট যুদ্ধের দিকে তাকানো যাক। রাজ্যে ৪২ টি লোকসভা আসন। এই আসনগুলির অবস্থান গত দিকে যেমন পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র, রুক্ষ এবং কোমল মাটির বৈচিত্র্য তেমন ই বৈচিত্র্য প্রকৃতিতে এবং সংস্কৃতিতে । এমন বৈচিত্র্যপূর্ণ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ইস্যুতে কোনো বৈচিত্র্য নেই। সেই থোড় বড়ই খাড়া, খাড়া বড়ি থোড় । বিগত এক বছর ধরে টেলিভিশনের খবরে সান্ধ্য তরজায় এবং সমাজ মাধ্যমে যে বিষয়গুলি শুনতে শুনতে কানে লাগার জোগাড় সেই ইস্যুগুলিই বিকট সুরে প্রচারাভিযানে বাজছে। এই প্রতিযোগিতায় শাসক বিরোধী কোন পক্ষ ই পিছিয়ে নেই। শুধু কাটমানির জায়গা নিয়েছে ssc scam আর সামাজিক ইস্যু বলতে সন্দেশখালি । তারা নিজেদের ব্যাতিক্রমী বলে দাবি করে সেই বামেরা ও এই গড্ডালিকাপ্রবাহের সম্পুর্ন বাইরে নেই। তবে আমি বলছিনা রে ssc scam বা সন্দেশখালি আমাদের মুখ কালো করে দেয়নি , কিন্তু এই দুই অনাচারের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মতো বিষয়গুলিতেও বাংলার ভোটার দের মতামত রয়েছে। অথচ তার সম্পূর্ণ উপেক্ষিত।বিশেষ করে বলতে হয় সন্দেশখালির কথা। দ্বীপ কে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যেও বহু কালজয়ী কবিতা, গল্প, উপন্যাস রয়েছে। কিন্তু সন্দেশখালির দ্বীপ ভূমি আমাদের লজ্জার আঁধারে ঢেকেছে। কিন্তু বিজেপির শীর্ষ, মাঝারি, ছোট মাপের নেতারা ভোট জিততে সন্দেশখালিকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাঁদের মুখে নারী সন্মানের কথা আলাদা ভাবে রয়েছে।আসল লক্ষ তৃনমূলের অপশাসন হিসেবে দেখিয়ে ভোট টানা। যে কারনে রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছেন, লোকসভায় তৃনমূলের থেকে বেশি আসন পেলেই সরকার পড়ে যাবে। ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অর্থাৎ বঙ্গের ভোটার দের এই নির্বাচনে দেশের কথা না ভেবে রাজ্যে সরকার বদলের কথা ভাবলেই হবে। এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও ক্লিপ নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। সেই ভিডিও দেখিয়ে তৃনমূল বলছে সন্দেশখালির ঘটনা বিজেপির সাজানো। বিজেপি বলছে সবটাই ভুয়ো। দুপক্ষই নারী সন্মান নিয়ে গলার শির ফোলাচ্ছে। যেন দুপক্ষের লড়াইতেই ফয়সালা হয়ে যাবে। যারা সেখান কার বাসিন্দা, তাদের প্রতিবাদী এবং শাসকপক্ষ পথে নামালো তাঁদের যেন কোনো ভুমিকা নেই। ভোটকে তো জনমত ও বলা হয়। এই প্রবল হুঙ্কার এবং পাল্টা হুঙ্কারের মাঝে তারা অনেক টাই নিশ্চুপ। তাঁরা EVMয়ে সরব হবেন। ততক্ষণ সব পক্ষের দাবি পাল্টা দাবি চলবে।পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে আমি দেবহাসে অন্তর্যামী।

মে ১০, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যে ৭ দফায় দেড় মাস ধরে লোকসভা নির্বাচন, দুই আসনে হবে উপনির্বাচন

লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এবার ৭ দফায় লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ২০১৯ সালেও এরাজ্যে মোট ৭ দফায় লোকসভা ভোট হয়েছিল।এবছর ভোটের একাধিক দফা-ইস্যু নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের। এমনকী রাজ্যে সফররত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের কাছেও ভোটের দফা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল শাসকদল তৃণমূল। তবে শেষমেশ সব দিক বিবেচনা করেই ফের একবার ৭ দফায় লোকসভা ভোটের ঘোষণা কমিশনের।আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শুরু। ওই দিন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে লোকসভা নির্বাচন হবে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ আগামী ২৬ এপ্রিল। ওই দিন ভোটগ্রহণ রায়গঞ্জ, বালুরঘাট ও দার্জিলিঙে।তৃতীয় দফার ভোট আগামী ৭ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ মালদহ দক্ষিণ, মালদহ উত্তর, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদে। বাংলায় চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ আগামী ১৩ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান-পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর, বীরভূমে।আগামী ২০ মে রাজ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ওই দিন ভোটগ্রহণ হবে বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, হুগলি, আরামবাগ, বারাকপুর, শ্রীরামপুরে। আগামী ২৫ মে রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ওই দিন তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যে শেষ অর্থাৎ সপ্তম দফার নির্বাচন আগামী ১ জুন। ওই দিন ভোটগ্রহণ দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।এরই পাশাপাশি রাজ্যের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এরাজ্যের ভগবানগোলা কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও একেবারে শেষ দফার লোকসভা নির্বাচনের অর্থাৎ ১ জুন বরাহনগর কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মার্চ ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলায় লোকসভা নির্বাচন, তৃণমূলের নিশ্চিত জয় ৩০-৩৫ টি আসনে! বিজেপির টার্গেটও ৩৫

আর আগের মতো ৪২ এ ৪২ নয়। বাংলা লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অনুমান তাদের নিশ্চয় জয় ৩০-৩৫ আসনে। ২০১৯এর মতো ২০২৪ এ তৃণমূলের হুঙ্কার ছিল বাংলার ৪২টির মধ্যে সবকটিতেই উড়বে জোড়াফুল পতাকা। ৪২এ ৩৫ টার্গেট বেঁধে দিয়েছিল বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ। সময় এগোতে সেই সংখ্যাই যেন পাখির চোখ তৃণমূলের!লোকসভা ভোটের আগে শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিভিন্ন সংস্থার জনমত সমীক্ষা। আর ভোট ঘোষণার দিনই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলে দিলেন, এবার লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস কটি আসন পেতে পারে।শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষ বলেছেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিতভাবে পাবে। বাম, কংগ্রেস শূন্য পাবে। কোথাও কোনও আসন পাবে না তারা। আর বিজেপিকে কীভাবে দুটি, তিনটি, চারটি আসনে বেঁধে রাখা যায়, তা দেখতে হবে। আমাদের টার্গেট বাংলায় বিয়াল্লিশটার মধ্যে বিয়াল্লিশটা আসন। তবে ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিত। এর পর তা কতটা এগোনো যায়, দেখতে হবে।অর্থাৎ ৪২টির বদলে এখন তৃণমূলের নজরে বাংলার ৩৫ আসন।২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৪২-এর মধ্যে ৩৪ টি আসন পেয়েছিল। ২০১৯-য়ের ভোটে তৃণমূলের আসন সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২-টিতে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাংলার কটি আসন তৃণমূল পায় সেটিই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৪
দেশ

বাংলাই জনসভা সেরে দিল্লি পৌঁছাতেই ঘোষণা ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপি-র পার্থীতালিকা

আরামবাগ ও কৃষ্ণনগরে জনসভা সেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে পৌঁছাতেই বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এরাজ্যের ২০টি আসন আছে। এখনও লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়নি। সর্বভারতীয় দল হিসাবে প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলো বিজেপি।নীচে রইল এরাজ্যের ২০ আসনে বিজেপির ঘোষিত প্রার্থী।পশ্চিমবঙ্গের প্রার্থী তালিকাকোচবিহার - শ্রী নিশীথ প্রামাণিকআলিপুরদুয়ার - শ্রী মনোজ টিগ্গাবালুরঘাট - ড. সুকান্ত মজুমদারমালদা উত্তর - শ্রী খগেন মুর্মুমালদা দক্ষিণ - শ্রীমতী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীবহরমপুর - ড. নির্মল কুমার সাহামুর্শিদাবাদ - শ্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষরানাঘাট - শ্রী জগন্নাথ সরকারবনগা - শ্রী শান্তনু ঠাকুরজয়নগর - শ্রী অশোক কান্ডারীযাদবপুর - ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলিহাওড়া - ড. রথীন চক্রবর্তীহুগলি - শ্রীমতী লকেট চট্টোপাধ্যায়কাঁথি - শ্রী সৌমেন্দু অধিকারীঘাটাল - শ্রী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়পুরুলিয়া - শ্রী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোবাঁকুড়া - ড. সুভাষ সরকারবিষ্ণুপুর - শ্রী সৌমিত্র খাঁআসানসোল - শ্রী পবন সিংবোলপুর - শ্রীমতী প্রিয়া সাহা

মার্চ ০২, ২০২৪
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর নিয়ে বিরাট প্ল্যান শুভেন্দুর, দুই আসনেই কি অধিকারী পরিবারের প্রার্থী?

লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে বিজেপি। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর জেলার দিকে সকলের নজর।২০০৯ থেকে ২০১৯- টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির অধিকারী। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ হয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে সেখানকার সাংসদ শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু।রাজনৈতিক মহলের খবর, এবার লোকসভা নির্বাচনে এই দুটি আসনের অন্তত একটি থেকে অধিকারী পরিবারের কাউকে প্রার্থী করতে চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার লক্ষ্যে কোনও একটি আসন থেকে দাঁড় করানোর প্রস্তাব এলেও শুভেন্দু তা নাকচ করেছেন। শুভেন্দু বারবারই বলে চলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে ছাড়বেন। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে তিনি চলে গেলে বাংলায় যাতে তৃণমূল খোলা ময়দান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক শুভেন্দু। তাঁর বর্তমানে একটাই লক্ষ্য, রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটানো।তবে কাঁথি ও তমলুক লোকসভা আসন দুটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করছেন। সূত্রের খবর, পরিবারতন্ত্রের তির যাতে তাঁর দিকে ধেয়ে না আসে, সে কারণে অধিকারী পরিবারের কেউ প্রার্থী হোন, তা চাননি শুভেন্দু। কিন্তু অনড় বিজেপি নেতৃত্ব।শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে যে তৃণমূল প্রার্থী করবে না তা স্পষ্ট। শিশির অধিকারী বয়সের কারণে আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলেই খবর। তবে তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করবে না তৃণমূল। তাঁর সমর্থন থাকবে শুভেন্দু-সহ ছেলেদের দিকেই।শিশির অধিকারীর চার পুত্র। সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চেয়েছে বলেও অভিযোগ। শুভেন্দুর ছোট ভাই জেলার নানা প্রান্তে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়।দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোদীর কোনও সভাতেই দিব্যেন্দু দল বদল করতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। তবে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করবে না বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে কোনও উচ্চপদ দেওয়া হতে পারে তাঁকে।সেক্ষেত্রে দিব্যেন্দুর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বড় চমক থাকবে বলেই খবর। তা এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। শিশির অধিকারীর কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী। জেলায় বিজেপির প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে। যেভাবে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে নানা কু-কথা বলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব তাতে বীতশ্রদ্ধ শিশির, দিব্যেন্দুরা। তাঁদের নিষ্ক্রিয় করে রেখে আক্রমণ করা হয়েছে লাগাতার। বিশেষ করে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রভূত অবদান রেখেও যে অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে হয়েছে বিগত কয়েক বছরে, তাতে বিরক্ত শিশির অধিকারী। এই আবহে অধিকারী পরিবার যে কত বড় ফ্যাক্টর, আসন্ন লোকসভা ভোটে ফের সেই শিক্ষা তৃণমূল পাবে বলেই উপলব্ধি জেলার রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

আমলকী: বর্ষাকালে কতটা উপকারী? সারা বছর কি খাওয়া যায়? এর গুণাগুণ কী?

আমলকী (Indian Gooseberry) আয়ুর্বেদে অমৃত ফল নামে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এটি ভিটামিন সি, পলিফেনল, ফাইবার ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ। তাই বর্ষাকালসহ সারা বছর পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।বর্ষাকালে আমলকী কেন উপকারী?বর্ষাকালে আর্দ্রতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি, ভাইরাল সংক্রমণ এবং হজমের সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এটি সরাসরি রোগ সারায় না, তবে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খেলে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সময়ে আমলকী কি কি উপকার হতে পারে? ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।২. শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের জোগান দেয়।৩. হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গ্যাস ও অম্বল কমাতে সহায়ক হতে পারে।৪. মৌসুমি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।৫. ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।৬. চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক। চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৮. সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক৯. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ফাইবার সাহায্য করে।১০. অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।১১, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এটি কখনোই ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয়।১২. লিভারের জন্য উপকারী।সরাসরি অ্যালার্জি প্রতিরোধ করেএমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আমলকীর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহ-নিয়ন্ত্রণকারী কিছু উপাদান শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য় করতে পারে।এটি মৌসুমি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। যদি কারও আমলকীতেই অ্যালার্জি থাকে, তবে অবশ্যই তা এড়িয়ে চলতে হবে। অর্থাৎ, আমলকী অ্যালার্জির ওষুধ নয় এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না।কীভাবে খাবেন? কাঁচা আমলকী- আমলকীর রস মোরব্বা (চিনি কম থাকলে ভালো) শুকনো আমলকী- চাটনি বা আচার (কম লবণ ও তেলে) আমলকীর গুঁড়ো হালকা গরম পানিতেপ্রতিদিন কতটা খাওয়া যেতে পারে?সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য১২টি মাঝারি আকারের তাজা আমলকী, অথবাপ্রায় ২০৩০ গ্রাম আমলকী। পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই যথেষ্ট।কারা সতর্ক থাকবেন?যাদের রক্ত পাতলা করার ওষুধ চলছে।যাদের বারবার অম্বল বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।কিডনির বিশেষ রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করলে নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।আমলকী এমন একটি পুষ্টিকর ফল, যা বর্ষাকালসহ সারা বছরই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য় করে, হজম ভালো রাখতে সাহায্য করে, ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা রাখে এবং শরীরকে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সুরক্ষা দেয়। তবে এটি কোনও রোগের নিরাময় বা অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে আমলকী যুক্ত করলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কার্গিল দিবসে বিস্ফোরক মন্তব্য শমীকের! ‘এই স্লোগান দিলে বাড়ি ফেরা কঠিন’, বাড়ল রাজনৈতিক বিতর্ক

কার্গিল দিবস উপলক্ষে কলকাতায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে কড়া মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রবিবার সকালে বিটি রোড এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশবিরোধী স্লোগান বা কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্য, আইন অনুযায়ী এমন ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।কার্গিল যুদ্ধে শহিদ উত্তর কলকাতার জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশভাগ এবং কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তিনি কড়া অবস্থান নেওয়ার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন।সম্প্রতি নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কলকাতায় হওয়া ছাত্র মিছিলের প্রসঙ্গও টানেন বিজেপি সাংসদ। ধর্মতলায় সেই মিছিল চলাকালীন হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী স্লোগানও সেখানে শোনা গিয়েছিল। এই ঘটনায় তিনি বামপন্থীদেরও তীব্র সমালোচনা করেন।শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, দেশবিরোধী স্লোগানকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

আন্দোলনে বড় জয়, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও থামছে না ঝড়! এবার সংসদে কী হতে চলেছে?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি পূরণ হওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর পরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে। তবে আন্দোলন শেষ হলেও প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে চাপে রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী শিবির।বিরোধীদের বক্তব্য, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফায় বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। পাশাপাশি, বিশে জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিতে হবে বলেও বিরোধীরা দাবি তুলেছে।সোমবার প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকা নতুন বিল সংসদে পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা নিজেদের দাবিতে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।এই ইস্যুতে সংসদে যৌথ কৌশল ঠিক করতে সোমবার সকালে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সংসদের দুই কক্ষে বিরোধীদের অবস্থান ও কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, বিজেপি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আগের সরকার এবং বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশ্নফাঁস রোধে আনা নতুন বিলের আলোচনায় সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরতে পারে শাসক দল।এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এবার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনাকেও সংসদে বড় রাজনৈতিক ইস্যু করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। এই বিষয় নিয়ে সংসদের দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব আনার প্রস্তুতিও চলছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার কাণ্ডে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর! ‘গুণ্ডাদমন আইনেই ব্যবস্থা’, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

ধর্মতলায় নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে হওয়া মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার তিনি দাবি করেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কেউই ছাত্র নন। তাঁর অভিযোগ, এরা সমাজবিরোধী এবং মৌলবাদী চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।ধর্মতলার ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি, মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েক জন ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং অশান্তির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। বিধানসভায় তিনি যে কঠোর পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই তদন্ত এগোচ্ছে বলেও জানান।একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত, অবৈধভাবে পাওয়া অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির শংসাপত্র বাতিলের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশ কার্যকর করা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের জেরে একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সেই ক্ষোভ থেকেই কিছু সমাজবিরোধী অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা নষ্টের কোনও চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলার হিংসা মামলায় ধৃতকে নিয়ে নতুন দাবি! সমাজমাধ্যমের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলের সময় হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চৌদ্দ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলেও নানা প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আফরোজ মেটিয়াবুরুজ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাঁকে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেও অনেকে চেনেন। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রোফাইলে একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ছবি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেখানে কয়েক জন তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা হাতে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবিও সামনে এসেছে। তবে এই সব ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।সমাজমাধ্যমে আফরোজের নামে থাকা কিছু ভিডিও ও ছবিতে অস্ত্রসদৃশ বস্তু দেখা গিয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। এছাড়া কয়েকটি পোস্টে নিজেদের মাফিয়া গ্যাং এবং টিম মাফিয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে এই সব সমাজমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ধৃতের সঙ্গে স্থানীয় বিধায়কের পরিচয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক আবদুল খালেক সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশ নেন। সকলকে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা পরিচয় নেই।ধর্মতলার হিংসার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাদমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ তদন্ত করছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে আইন মেনে শাস্তি হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তিনি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

টানা সাঁইত্রিশ দিনের লড়াই শেষে প্রথম শান্তির ঘুম! কিন্তু ঘুম ভাঙতেই অভিজিতের এক কথায় নতুন জল্পনা

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে টানা সাঁইত্রিশ দিন ধরে দেশজুড়ে আন্দোলন চালিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। বিক্ষোভ, মিছিল, অবস্থান এবং প্রতিবাদের মধ্যে দিয়ে লাগাতার কর্মসূচি চলেছে। আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকে ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে বিভিন্ন রাজ্যে এই কর্মসূচি আরও জোরদার হয়। শেষ পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেন। পরে কেন্দ্র আন্দোলনকারীদের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানায়। এরপরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন অভিজিৎ। সেখানে তিনি জানান, দীর্ঘ সাঁইত্রিশ দিনের পর কোনও দুশ্চিন্তা ছাড়াই শান্তিতে ঘুমিয়েছেন। এত দিন প্রতিদিন পরবর্তী কর্মসূচি, আন্দোলনের পরিকল্পনা এবং নানা চাপের মধ্যে থাকতে হয়েছে। কিন্তু এবার কয়েক দিনের জন্য অন্তত সেই উদ্বেগ থেকে মুক্তি মিলেছে বলেই জানান তিনি।তবে ভিডিওর শেষের মন্তব্যই নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিজিৎ বলেন, এটা সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টিকে আরও অনেক দূর যেতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ভবিষ্যতে কি আবার কোনও নতুন ইস্যুতে আন্দোলনের পথে নামতে চলেছে সংগঠন? যদিও এ বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ফলে অভিজিতের এই বার্তা ঘিরে রাজনৈতিক এবং সামাজিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তানকে আর কোনও ছাড় নয়! কার্গিল দিবসে রাজনাথের স্পষ্ট বার্তা ঘিরে তুমুল আলোচনা

কার্গিল দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে যদি কোনও আলোচনা হয়, তবে তা হবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই। তাঁর বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তান অবৈধভাবে তার একটি অংশ দখল করে রেখেছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রের নীতির অংশ হয়ে উঠেছে।রাজনাথ সিং আরও বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশের কোনও চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশ বা সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।তিনি অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, সেই অভিযানে ভারতীয় সেনা নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা ভবিষ্যতেও একইভাবে সতর্ক থাকবে বলেও তিনি জানান।অবসরপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাক্তন কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁর দাবি, সীমান্তে বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ এবং সেই অবস্থান থেকে ভারত কখনও সরে আসবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal