• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PC

রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের রাখী উৎসব, আনন্দমুখর বিজয় তোরণ চত্বর

ভাই-বোনের ভালোবাসা, পারস্পরিক আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বর্ধমানে আয়োজিত হল রাখী উৎসব। বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাখীর বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ। উৎসবকে ঘিরে বিজয় তোরণ (কার্জনগেট) চত্বরে এদিন পরিবেশ হয়ে ওঠে আনন্দমুখর। রাখী পরিয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়।রাখী বন্ধন শুধু ভাই-বোনের সম্পর্কের উৎসব নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও এই উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠানের। পথচলতি মানুষের হাতে রাখী পরিয়ে দেন ক্লাবের সদস্যরা। একে অপরের মঙ্গল ও সুস্থ কামনায় সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বিভাজনের নানা প্রবণতার মধ্যে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করা প্রয়োজন। রাখী সেই বন্ধনেরই প্রতীক। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে একসূত্রে বাঁধার বার্তা দিতে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও এ ধরনের অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।রাখী পরানোর পাশাপাশি এদিন শুভেচ্ছা বিনিময় ও মিষ্টিমুখের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন উপস্থিত সকলে। ছোট-বড় সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি কার্যত মিলন উৎসবে পরিণত হয়। বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের এই উদ্যোগে উঠে আসে একটাই বার্তা, সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক, মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমুক এবং সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের সর্বস্তরে। বেঙ্গল প্রেস ক্লাব বছরে নানা ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান করে।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক, ভারত-পাক লড়াই কি বাতিল?

কলম্বোয় ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইসিসি-র নিয়ম মেনে নীরব থাকলেও, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্তে এখনও অনড়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ভারত ম্যাচ খেলার অনুমতি না দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একাধিক মহল থেকে পিসিবি ও পাকিস্তান সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পরিবর্তন হয়নি।কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসেছে পিসিবি। কিন্তু শনিবার সেই সব খবর সরাসরি অস্বীকার করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট করে পিসিবি-র মুখপাত্র আমির মির বলেন, বোর্ড আইসিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এমন দাবি সম্পূর্ণ ভুল। তাঁর কথায়, এক ভারতীয় ক্রীড়া সাংবাদিক এই দাবি করেছেন, কিন্তু তা ভিত্তিহীন।তিনি আরও বলেন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে। সময়ই প্রমাণ করবে, আসলে কে আগে যোগাযোগ করেছে।এর আগে এএফপি-র একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, আইসিসি-র তরফে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়ার পর পিসিবি নাকি আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। আইসিসি এই সমস্যার সমাধান আলোচনার মাধ্যমে করতে চায় বলেও জানা গিয়েছিল।বিতর্কের সূত্রপাত পাকিস্তানের সেই সিদ্ধান্ত থেকেই, যেখানে তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ এ-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি খেলবে না বলে জানায়। পাকিস্তান সরকার দলকে টুর্নামেন্টে খেলতে অনুমতি দিলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের অনুমতি দেয়নি।ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি। সম্প্রচার, স্পনসরশিপ ও বিজ্ঞাপন থেকে বিপুল অর্থ আয় হয় এই ম্যাচকে ঘিরে। ফলে এই ম্যাচ বাতিল হলে আর্থিক দিক থেকেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।শনিবার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে অল্প ব্যবধানে জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে পাকিস্তান। তবে ভারত ম্যাচ না খেললে তারা গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট হারাবে এবং নেট রান রেটেও প্রভাব পড়তে পারে।অন্যদিকে, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব আগেই জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতীয় দল কলম্বোতে ম্যাচ খেলতে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

প্রাক শারদীয়া বস্ত্র উপহার কর্মসূচি বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের

প্রতিবছরের মত এবারও শারদীয়া উৎসবের আগে বস্ত্র উপহার কর্মসূচির আয়োজন করে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব। বর্ধমান শহরের কার্জন গেট চত্বরে জি টি রোডের ধারে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে কয়েকশো মহিলার হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে শাড়ি উপহারস্বরূপ তুলে দেওয়া হয়। ক্লাবের সভাপতি জয়প্রকাশ দাস এবং যুগ্ম সম্পাদক সুজাতা মেহেরা ও বিধান চন্দ্র জানান, মূলত পুজোয় নতুন বস্ত্র পড়ার আনন্দ ভাগ করে নিতে, প্রয়োজন আছে কিন্তু সামর্থ্য নেই এমন মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোঁটাতেই এই উদ্যোগ।এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, বর্ধমান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারপার্সন উজ্জ্বল প্রামানিক, ভাইস চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজ সেবক অচিন্ত্য কুমার মন্ডল, রণজিৎ সাহা, তারক সাহা, আইনজীবী রমেশ সিং ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তন্ময় প্রামানিক। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের দুই প্রয়াত সদস্য সত্যব্রত ঘোষ ও সঞ্জিত সেনের পরিবারের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন সত্যব্রত ঘোষ ও সঞ্জিত সেনের সহধর্মীনীরা। উপস্থিত সকল অতিথিদের হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে তাদের সম্মান জানানো হয়। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি হয় শব্দবিধি মেনে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

রাজ্যে খরচ কমল আরটিপিসিআর টেস্টের

একধাক্কায় অনেকটাই কমানো হল করোনা পরীক্ষার খরচ। রাজ্যে প্রায় অর্ধেক করা হল আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এতদিন পর্যন্ত আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে খরচ হত ৯৫০ টাকা। এবার সেই খরচ কমিয়ে করা হল ৫০০ টাকা। বৃহস্পতিবারই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে খরচ কমানোর কথা জানানো হয়েছে। এ দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নির্দেশিকা।করোনার উপসর্গ সাধারণ মানুষের কাছে মোটামুটি পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নন অনেকেই। পাশাপাশি, খরচ একটা বড় সমস্যা অনেকের কাছেই। সম্ভবত সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই খরচ কমানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।এ দিকে, সারা দেশে করোনার ভ্যাকসিনের দামও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজের দাম কমতে পারে অনেকটাই। প্রতি ডোজ়ের দাম ২৭৫ টাকা করা হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিষেবা চার্জ সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার এই দুই ভ্যাকসিনের জন্য এই দাম কমানোর বিষয়টি ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ak Cricket : পাকিস্তানে খেলার প্রস্তাব নাকচ বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার?‌ কেন

পাকিস্তান ক্রিকেটের সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না। কয়েকদিন আগেই নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও পাকিস্তানে সিরিজ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরমধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল সে দেশে গিয়ে সিরিজ খেলার। কিন্ত এই দুই দেশ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের পক্ষে এই মুহূর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।পাকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার কথা ছিল নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দলের। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার স্বার্থে পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলতে রাজি হয়নি দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। তাতেই দারুণ ক্ষুব্ধ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসিতে লড়াই করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রমিজ রাজা পাকিস্তানকে ব্যবহার করার জন্য অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডসহ পশ্চিমের দেশগুলিকে ব্লক করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।নিউজিল্যান্ড দল পাকিস্তানের সিরিজ থেকে সরে যাওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সংক্ষিপ্ত সিরিজের জন্য শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে প্রস্তাব রেখেছিল। কিন্তু আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে দুই দেশেই সিরিজ খেলতে রাজি হয়নি। যদিও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে ক্রিকেট দল পাঠাতে তাদের কোনও অসুবিধা নেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও ওয়াসিম খান জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সফরে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু তাদের কাছে অন্য প্রতিশ্রুতি থাকায় এই সংক্ষিপ্ত নোটিশে সিরিজ খেলা সম্ভব নয়।ওয়াসিম খান এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান দুই দেশের বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন যাতে সংক্ষিপ্ত সিরিজ খেলতে আসে। দুই দেশের বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানে খেলতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পিত সিরিজ বাতিল করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশ মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর দুটি সিরিজ খেলার পর খেলোয়াড়দের সময় ছিল না। তাই পাকিস্তান যাওয়া সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন যে, সরকারের কাছ থেকে কোনও ধরনের ছাড়পত্র পাওয়ার আগে বোর্ড জাতীয় স্তরের কোনও দল পাকিস্তানে পাঠাতে পারেনি। অন্যদিকে ঘরের মাঠে দুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল হওয়া ভারতের বিরুদ্ধে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তানের কিছু মহল।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pakistan Cricket : পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদের

বিতর্ক আর পাকিস্তান ক্রিকেট যেন সমার্থক শব্দ। কখনও অধিনায়কের বিরুদ্ধে সতীর্থদের বিদ্রোহ। কখনও আবার টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে। বোর্ডের বিরুদ্ধেও বিদ্রোহ অতীতে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে। আবার বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বাবর আজমরা। সূত্রপাত ম্যাচের পারিশ্রমিক বাড়ানো নিয়ে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইপাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিতে এ গ্রেডে রয়েছেন বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ান, হাসান আলি ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা বি এবং সি গ্রেডের ক্রিকেটারদের ম্যাচের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে। অথচ এ গ্রেডে থাকা এই চার ক্রিকেটারের ম্যাচ পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়নি। তাঁদের রিটেনারশিপ ফি ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। শুধু রিটেনারশিপ ফি বাড়ানোতে খুশি হতে পারেননি বাবর আজমরা। তাঁরা বোর্ডের ডিরেক্টর জাকির খানের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ম্যাচ পারিশ্রমিক না বাড়ালে মাঠে না নামারও হুমকি দিয়েছেন এই ৪ ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসজুলাইতে ক্রিকেটারদের গ্রেডেশন ও ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের লক্ষ্য ক্রিকেটারদের আর্থিক ব্যাপারে সমতা নিয়ে আসা। এ গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের রিটেনারশিপ বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ। বি গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের টেস্ট ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে ১৫ শতাংশ, একদিনের ও টি২০ ফি বাড়ানো হয়েছে ২০ ও ২৫ শতাংশ। সি গ্রেডে থাকা ক্রিকেটারদের রিটেনারশিপ ফি বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ, টেস্ট ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে ২৫ শতাংশ, একদিনের ও টি২০ ফি বাড়ানো হয়েছে ৫০ ও ৬৭ শতাংশ।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর

রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর অভিযোগ, অনেক মহিলাই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের ইস্তাহারে যা বলা হয়েছিল তার সঙ্গে এই প্রকল্পের কোনও মিল নেই। তাঁর দাবি, রাজ্যের ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারের মহিলাদের সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল। তাতে ৫ কোটি গৃহবধূর এই প্রকল্পের আওতায় টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে রাজ্যে ১ কোটি ৫৮ লাখ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় আসবেন। এই দাবি জানানোর পাশাপাশি শুভেন্দু বলেন, বিজেপি চায়, রাজ্যের সকল মহিলাকেই এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হোক।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বৈঠকে মমতাকে আমন্ত্রণ সনিয়াররাজ্যের ঘোষণা মতো, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে সাধারণ গৃহবধূরা মাসে ৫০০ এবং তপসিলি জাতি এবং জনজাতিভুক্ত বধূরা ১ হাজার টাকা পাবেন। ২৫-৬০ বছর বয়সের মহিলারা আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে স্থায়ী সরকারি চাকরিরত, পেনশনভোগী, স্বশাসিত সংস্থা, সরকার অধিগৃহীত সংস্থা, পঞ্চায়েত, পুরসভার কর্মী এবং যে সব শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা স্থায়ী বেতন বা পেনশন পান, তাঁদের স্ত্রীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। প্রাণীমিত্রা, আশাকর্মীরা যে এই সুবিধা পাবেন না, এটাও আগে বলা হয়নি বলে এ দিন দাবি করেছেন শুভেন্দু। তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে ৫ টাকার ডিম ভাতও এখন উবে গিয়েছে। অনেক প্রতিশ্রুতির অপমৃত্যু আমরা এই ৩ মাসের মধ্যেই দেখতে শুরু করেছি।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারএখানেই অভিযোগ শুভেন্দুর। তাঁর দাবি, প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া থেকে নানা ভাবে বাদ যাচ্ছেন রাজ্যের বহু মহিলা। খরচ কমাতেই রাজ্য সরকার সেটা করেছে বলে দাবি তাঁর। তিনি বলেন, ভোটের আগের ঘোষণা যা হয়েছিল তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে সরকার। রাজ্য সরকারের আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই প্রকল্প বেশি দিন চলবে কি না তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নামক এই প্রকল্পকে আদতে ন্যূনতম মাসিক আয় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ৫০০ এবং ১০০০ টাকা সেই তুলনায় অতি নগণ্য। যে কারণে বিজেপির তরফে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা যেন তৃণমূল পূরণ করে। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, আমরা সমস্ত জেনারেল ক্যাটাগরির পরিবারকে ৩ হাজার ও এসসি এবং এসটি পরিবারকে ৫ হাজার করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

বাইরে থেকে বাংলায় ঢুকতে হলে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক

ভোটের মরশুমে বহিরাগতরা এসে বাংলায় রোগ ছড়াচ্ছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। জনসভায় একাধিকবার এমন দাবিই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, যাঁরা বাইরে থেকে আসতে চাইবেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করার পর বাংলায় পা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।তৃণমূল নেত্রীর দাবি, অন্তত ১০ হাজার মানুষ অন্য জায়গা থেকে এ রাজ্যে এসেছেন। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সংক্রমিত। আর এঁদের কারণেই বাংলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই বহিরাগতদের নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন মমতা। পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এরপর বড় কোনও অঘটন ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী থাকবে।গত বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট প্রচারে লাগাম টানলেও করোনা রুখতে তা বিরাট কোনও ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না, সে নিয়ে সন্দীহান ওয়াকিবহল মহল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করানোর দাবিও তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে নির্বাচন। ফলে আগের মতোই চলবে জনসভা, রোড শো। আর সেই কারণেই বাড়ছে চিন্তা। স্বাস্থ্যদপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড আক্রান্ত ৭,৭১৩ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ জন। মোট সংক্রমিতের সংখ্যা জানিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেড বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে, মৃদু উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে সেফ হোমে পাঠানো হবে কোভিড রোগীদের।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

ভোটের মুখে তৃণমূলের নতুন স্লোগান

ভোটের মুখে তৃণমূলের নতুন স্লোগান। দিদিকে বলো, বাংলার গর্ব মমতার পর এবার বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে নতুন স্লোগান প্রকাশ্যে আনতে চলেছে তৃণমূল। শনিবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে এই নতুন স্লোগানের উদ্বোধন করবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। উপস্থিত থাকতে পারেন সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ দলের শীর্ষ নেতারা।বাংলার নির্বাচনের আগে স্পষ্টতই বাঙালি আবেগকে হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল। তাঁদের প্রচারের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বাংলা বনাম বহিরাগতর তত্ত্ব। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বহিরাগত বলে দেগে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘরের মেয়ে হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসকদল। সেই লক্ষ্যেই বাংলার গর্ব মমতা নামের প্রচারাভিযান ইতিমধ্যেই শুরু করেছে শাসকদল। এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের মেয়ে ভাবমূর্তিকে কাজে লাগাতে চাইছে শাসকদল। সূত্রের খবর, তৃণমূলের এই নতুন স্লোগানের পিছনেও রয়েছে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। ইতিমধ্যেই বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় শীর্ষক বেশ কিছু ব্যানার পড়েছে শহর কলকাতায়। সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাক এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রচার শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ধুম ৪'-এ খলনায়ক নয়, দেখা যাবে খলনায়িকাকে

দীর্ঘ ৮ বছর পরে ফের শুটিং ফ্লোরে ধুম। ২০১৩-এর পর আবারও দর্শকদের মনোরঞ্জনের রসদ নিয়ে আসতে চলেছে চোর-পুলিশের খেলা। জন আব্রাহাম, হৃত্বিক রোশন ও আমির খানের পর এবার খলনায়ক কে হবেন তা নিয়ে উৎসুক সিনেমাপ্রেমীরা। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। ধুম ৪-এ খলনায়ক নয়, দেখা যাবে খলনায়িকাকে। যে চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন দীপিকা পাড়ুকোন। ইতিমধ্যেই এই ছবি নিয়ে কথা হয়েছে দীপিকার সঙ্গে। তিনিও কাজটি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। হাতে থাকা অন্যান্য ছবির শুটিং শেষ হলেই ধুম ৪-এর কাজে হাত দিতে পারেন দীপিকা পাড়ুকোন। চোর পুলিশের লুকোচুরি নিয়ে অ্যাকশন থ্রিলারে ভরপুর ধুম মুক্তি পায় ২০০৪-এ। সঞ্জয় গান্ধবী পরিচালিত, অভিষেক বচ্চন, উদয় চোপড়া, জন আব্রাহাম ও এষা দেওল অভিনীত ধুম বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ছবির সাফল্য দেখে ২০০৬-এ বড় পর্দায় আসে ধুম-২। তার সাত বছর পর মুক্তি পায় ধুম ৩। এবার পালা নতুন সিক্যুয়েলের। আর নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি দীপিকাও।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
দেশ

কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের

আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সমর্থনে টুইট করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী। এদিন কৃষকদের সমর্থনে টুইট করে অধীর চৌধুরী লিখেছেন, হাজারে হাজারে কৃষক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সপ্তাহের উপর ধরে তাঁরা দিল্লীগামী বিভিন্ন রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আমাদের দেশকে যাঁরা খাবার জোগান দেন, তাঁদের অবশ্যই যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া উচিত। আরও পড়ুন ঃ নয় বছরে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছেঃ ডেরেক তিনি লিখেছেন, খোলা আকাশের নীচে তাঁরা বসে রয়েছেন। দিনের পর দিন ধরে তাঁরা সমস্তরকম অসুবিধার মধ্যে দিল্লির হাড়কাঁপানো ঠান্ডা সহ্য করে চলেছেন। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের সমস্যার সমাধান করুক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমেছেন কৃষকরা। তাঁরা অবিলম্বে নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মান দেওয়ার কথা ভাবেনি রাজ্য সরকারঃ অধীর

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ নিয়ে এই বাংলায় অনেক নাটক হয়ে গেল , রাজনীতি হয়ে গেল। অথচ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে যে যে অধিকার দেওয়া হয়, যে সব পদে বসানো হয়, ২০১১ সালের পর সমস্ত কিছু এক এক করে কেড়ে নেওয়া হয়। বুধবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে পৌ্লমী বসুর সঙ্গে দেখা করার পর এই মন্তব্য করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, ২০২০ সাল পর্যন্ত অনেক ছোটখাটো, মাঝারি, এপাড়ার-সেপাড়ার শিল্পীদের সম্মান দেওয়া হয়েছে। সৌমিত্রর মত আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানুষকে সম্মান দেওয়ার কথা এই সরকার ভাবেনি। ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর যে সমস্ত জায়গায় তাঁকে সম্মানিত করার সুযোগ ছিল, তা থেকে শিল্পীকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এরপরেই তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিকে মানুষের মনে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকার কোনও পদক্ষেপ করুন। একটা ভাল অডিটোরিয়াম করুন তাঁর নামে। আমরা খুশি হব। আমি নিজে ভারত সরকারের কাছে দাবি করতে চলেছি, এসআরএফটিআই-এ যেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হয়। সত্যজিৎ রায়ের অতি প্রিয় অভিনেতার নাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাই একটি চেয়ার প্রদান করার আবেদন জানাব। আরও পড়ুন ঃ সাইবার ক্রাইম নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ সব্যসাচী তিনি আরও বলেন , সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যে কত সাধারণ জীবনযাপন করতেন , তাঁর ঘরে ঢুকলেই বোঝা যায়। মনে হল , যেন তীর্থ দর্শন করলাম। এরকম একজন ব্যক্তিত্ব যিনি বাংলার প্রতীক। শুধু ভারতবর্ষের শিল্প জগৎ নয় , সারা বিশ্বে তাঁর পরিচিতি। সেইরকম একজন মানুষ এত সাধারণ জীবনযাপন করতে পারেন , সেটা এখানে না আসলে , না দেখলে বোঝা যেত না। আজও টেবিলের উপরে তাঁর আঁকা ছবি রয়েছে। যেন একটা তীর্থ দর্শন করে গেলাম।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়েই লড়বে বাম- কংগ্রেস

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেধে লড়বে বাম - কংগ্রেস। মঙ্গলবার জোট নিয়ে আজ আরও এক দফা বৈঠক ছিল বাম ও কংগ্রেসের। বৈঠক পর একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরি ও বিমান বসু। বিমান বসু জানান, বাংলায় জোট শক্তিশালী হচ্ছে। অধীরবাবু বলেন , জোটকে অস্বীকার করা যাচ্ছে না। তবে আসন-বণ্টন কী হবে তা নিয়ে আজকের বৈঠকে কোনও আলোচনা হয়নি। এই বিষয়ে আগামীদিনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান অধীরবাবু। এছাড়াও ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও। ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা । ২৬ নভেম্বর বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে শামিল হবে কংগ্রেসও । ধর্মঘটের সমর্থনে ২৩ নভেম্বর মিছিল করবে বাম ও কংগ্রেস। মেট্রো চ্যানেল থেকে হেদুয়া পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন অধীর-বিমানরা। আরও পড়ুন ঃ শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড় অন্যদিকে , এদিন জাঙ্গিপাড়ায় ফুরফুরা শরিফে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এবং পীরজাদা ইব্রাহিম সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি এবং বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। ফুরফুরায় আসার আগে ডানকুনিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন অধীরবাবু । সেখানে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থে বিজেপি ও তৃণমূলকে দূরে রাখতে হবে এবং সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে কংগ্রেস এবং বামেদের উপর। ফুরফুরায় দুই পীরজাদার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সিদ্দিকী সাহেবরা বাংলার সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন। ফুরফুরা শরিফ একটি পীঠস্থান । বাংলার রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে কংগ্রেস এবং বাম আগামী দিনে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করতে চাইছে। বাংলাকে রক্ষা করার স্বার্থে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির হাত মজবুত করা দরকার। তাই পীরজাদাদের কাছে দোয়া করার আবেদন করেছি ।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর

রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের মাজদিয়াপুরের বাসিন্দা রেণুকার কাছে ফোঁটা নিয়ে মিষ্টিমুখের পর বোনের হাতে শাড়ি, উপহার তুলে দেন অধীর। দাদাকে ব্লেজার উপহার দিয়েছেন রেণুকা। উল্লেখ্য , এই রেণুকা মাণ্ডি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ দফার নির্বাচনের দিন ছেলের মৃত্যুর পরও অধীর চৌধুরী যাতে হেরে না যান, তার জন্য ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছিলেন। সেই খবর শুনে আগেও তাঁর বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন বহরমপুরের সাংসদ। এবার রাখির দিনেও রেণুকার বাড়িতে গিয়ে রাখি পরে এসেছিলেন। এ বার ভাইফোঁটার দিন সবার আগে বোন রেণুকার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন দাদা অধীর। আরও পড়ুন ঃ মহিলাদের কটূক্তির প্রতিবাদ করায় দুই যুবককে বেধড়ক মারধর দুষ্কৃ্তীদের প্রসঙ্গত , গত লোকসভা নির্বাচনের দিন রেণুকার মেজ ছেলে রজত আত্মঘাতী হন। এদিকে সেদিনই ছিল বহরমপুর কেন্দ্রের নির্বাচন। ছেলের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে যেতেই তিনি ভোট কেন্দ্রে চলে যান। প্রিসাইডিং অফিসারকে বলে আগে ভোটে দিয়ে ফের হাসপাতালের মর্গের সামনে এসে দাঁড়ান। রেণুকা জানান, এদিন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি, দাদা যেন আগামী দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
দেশ

রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য , ওবামার কড়া সমালোচনা অধীরের

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁর নিজের লেখা বইতে রাহুল গান্ধী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন , তা নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই বেড়ে চলেছে জাতীয় রাজনীতিতে। লোকসভার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বারাক ওবামার সমালোচনা করে টুইটে লিখেছেন , মিস্টার বারাক ওবামা, আপনাকে বলব এই ধরনের রুক্ষ মন্তব্য করার আগে আমাদের প্রিয় নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একবার কথা বলে নিতে পারতেন। সামনাসামনি কিংবা ভারচুয়াল মাধ্যমে। তাহলেই তাঁর ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক অনুধাবন করতে পারতেন।আমাদের নেতার মূল্যায়ন করার আগে এরপর দুবার ভাববেন। নাহলে অজ্ঞতার মহাবিশ্বেই থাকতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের বসতে চলেছেন নীতিশ কুমার প্রসঙ্গত , ওবামা তাঁর বইতে লিখেছিলেন , প্রাক্তন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট এখনও ঠিক আকার নিয়ে উঠতে পারেননি। এবং এখন শিক্ষককে তুষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনও বিষয়ে সিদ্ধহস্ত হতে যে মানসিকতা বা যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, সেটা হয়তো তাঁর নেই।

নভেম্বর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোর ছুটিতে ১০ হাজারের বাজেটে ঘুরে আসুন! কলকাতার কাছেই রয়েছে ১৪ চোখধাঁধানো ডেস্টিনেশন

শহরের ক্রমাগত ব্যস্ততা, ট্রাফিকের ক্লান্তি আর কাজের একঘেয়েমি চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে চান? উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটিতে একটু ঘুরে আসা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, মানসিক শান্তির অন্যতম ওষুধ বলতে পারেন। রবিঠাকুর থেকে পাহাড়ের ঠান্ডা বাতাস, কলকাতার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু তাকলাগানো ডেস্টিনেশন, যেখানে কয়েকটা দিন কাটালেই ফিরে পাওয়া যাবে কাজের নতুন শক্তি, মনে ফিরবে নয়া সতেজতা।১. গ্যাংটক (সিকিম)সিকিমের এই নয়নাভিরাম রাজধানী শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত গ্যাংটক প্রকৃতির রূপ, অ্যাডভেঞ্চার এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির এক অপরূপ মিলনস্থল।বিশেষ আকর্ষণ: এমজি মার্গ (MG Marg), রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) এবং স্থানীয় সুস্বাদু খাবার থুকপা, সেল রুটি ও ছুরপি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কিমি। সবচেয়ে দ্রত পৌঁছাতে কলকাতা (CCU) থেকে বাগডোগরা (IXB) পর্যন্ত বিমান যাত্রা এবং সেখান থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সিতে গ্যাংটক (সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস (বসন্তের মনোরম আবহাওয়া, তাপমাত্রা ১৫C২৫C)।২. নামচি (সিকিম)সিকিমের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক অপরূপ শহর নামচি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা প্রায় ৭,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।বিশেষ আকর্ষণ: সামদ্রুপসে পাহাড়ে অবস্থিত পদ্মসংভবের বিশাল মূর্তি, চারধাম (সিদ্ধেশ্বর ধাম), তারে ভিড় এবং নামচি মনাস্ট্রি।কীভাবে যাবেন: গ্যাংটক থেকে নামচির দূরত্ব মাত্র ৭৮ কিমি। ট্যাক্সি বা ক্যাবে সময় লাগে প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস।৩. রাভাংলা (সিকিম)নামচি থেকে মাত্র ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত হিমালয়ের কোলে এক শান্ত হিল স্টেশন রাভাংলা। যারা অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা।বাজেট ১০ হাজার? পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন চোখধাঁধানো এই সব ট্র্যাভেল ডেস্টিনেশন থেকে, রইল অ্যাডভেঞ্চারের সেরা ঠিকানাবিশেষ আকর্ষণ: বুদ্ধ পার্ক, মীনাম ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি এবং মীনাম হিল ট্র্যাক। স্থানীয় ভুটিয়া ও লেপচা সংস্কৃতির স্বাদ মিলবে এখানে।কীভাবে যাবেন: ট্রেনযোগে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ট্যাক্সিতে রাভাংলা (সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস (তাপমাত্রা ১০C২০C)।৪. ডুয়ার্স (পশ্চিমবঙ্গ)উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা এক সবুজ জানলা হলো ডুয়ার্স। চা বাগান এবং বন্যপ্রাণীদের মুক্ত বিচরণ এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: বক্সা টাইগার রিজার্ভ, গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া এবং মেচ, বোডো ও টোটো উপজাতিদের বর্ণময় সংস্কৃতি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো নৈশ ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউ মাল জংশন নেমে সহজেই গাড়ি ধরে নেওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা)।৫. দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের রানি দার্জিলিং পর্যটকদের চিরন্তন প্রিয় ডেস্টিনেশন। হিমালয়ের আবহাওয়া, বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা এবং শৈলশহরের ট্র্যাডিশনাল পরিবেশ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট।বিশেষ আকর্ষণ: টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম স্টেশন ও টয় রাইড।কীভাবে যাবেন: বিমান বা ট্রেনে বাগডোগরা বা নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি বা শেয়ার ক্যাবে ৩-৪ ঘণ্টার পথ।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে মে।জনতা দরবারে ৬ মাসের শিশুর বিরল চিকিৎসার আবেদন, ১৭ কোটি টাকার জিন থেরাপিতে সাহায্যের আশ্বাসে রাজ্যবাসীর মন জিতলেন শুভেন্দু৬. মিরিক (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের মাঝে নিস্তব্ধতা পছন্দ করলে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট শহর মিরিক একটি চমৎকার বিকল্প। লেপচা শব্দ মির-ইওক (যার অর্থ আগুনে পোড়া স্থান) থেকে মিরিক নামের উৎপত্তি।বিশেষ আকর্ষণ: সুমেন্দ মাহাল বা মিরিক লেক, লেকের ওপরের ইন্দ্রধনু পুল (ইন্দ্রধনু ব্রিজ) এবং চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত মিরিকে গাড়ি বা বাসে অনায়াসে পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস।৭. কালিম্পং (পশ্চিমবঙ্গ)হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদীর ঠিক ওপরে অবস্থিত কালিম্পং। শান্ত আবহাওয়া ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের জন্য এই শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।বিশেষ আকর্ষণ: দূরপিন মনাস্ট্রি, ফাগু মনাস্ট্রি, বিখ্যাত ক্যাকটাস গার্ডেন এবং ব্রিটিশ আমলের মরগান হাউস।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজিপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৭০ কিমি দূরত্ব।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মে মাস (তবে বর্ষায় পাহাড়ি রূপ দেখতে জুন-সেপ্টেম্বরেও অনেকে যান)।৮. শান্তিনিকেতন (পশ্চিমবঙ্গ)বাঙালির সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন উইকেন্ড ট্রিপের জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পছন্দ।বিশেষ আকর্ষণ: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র ভবন ও মিউজিয়াম, ছাতিমতলা, আমার কুটির এবং সোনাঝুরির শনিবারের হাট।কীভাবে যাবেন: হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে বোলপুরগামী ট্রেন (যেমন কুলিক বা গণদেবতা এক্সপ্রেস)। সময় লাগে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর থেকে মার্চ (পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে)।৯. বিষ্ণুপুর (পশ্চিমবঙ্গ)বাঁকুড়া জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি তার প্রাচীন পোড়ামাটির (টেরাকোটা) মন্দির ও মল্ল রাজাদের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত।বিশেষ আকর্ষণ: রাসমেঞ্চ, জোরবাংলা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, দলমাদল কামান এবং জগৎখ্যাত বালুচরি শাড়ির বুটিক ও বয়ন কেন্দ্র।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বাস বা ট্রেনে খুব সহজেই বিষ্ণুপুর পৌঁছানো যায়। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি।১০. খয়রাবেড়া লেক (পুরুলিয়া)পাহাড়, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক জলাভূমির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পুরুলিয়ার খয়রাবেড়া। শীতের মৌসুমে বহু পরিযায়ী পাখির আস্তানা হয়ে ওঠে এই লেকটি।বিশেষ আকর্ষণ: খয়রাবেড়া ড্যাম, বাঘমুণ্ডি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাঁওতালি নাচ এবং স্থানীয় ভাদু উৎসব।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া স্টেশন (যেমন হাওয়াড়া-রাঁচি এক্সপ্রেস)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা গাড়িতে বাঘমুণ্ডির দিকে খয়রাবেড়া।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল।পর্যটকদের জন্য বড় চমক, জঙ্গলঘেরা পরিবেশে পান শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট-এর ভাইভ! মেগা আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য১১. জয়চণ্ডী পাহাড় (পুরুলিয়া)সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিংয়ের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে জয়চণ্ডী পাহাড়ের এক আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিংপ্রেমীদের জন্য এটি দুর্দান্ত একটি স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ি ও চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন জয়চণ্ডী মন্দির, ফটোগ্রাফির জন্য আদিম প্রকৃতির মনোরম ভিউ।কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সেখান থেকে বাস বা অটোতে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ।১২. বারন্তী (পুরুলিয়া)পঞ্চলকোট ও বিহারীনাথ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এক নিভৃত আদিবাসী গ্রাম বারন্তী। বারন্তী লেক ও তার সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।বিশেষ আকর্ষণ: বারন্তী লেক, পাহাড়ি পথ ধরে ট্রেকিং এবং উপজাতীয় শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ।কীভাবে যাবেন: আসানসোল বা আদ্রা স্টেশন হয়ে রঘুনাথপুর পৌঁছানোর পর সেখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটোয় বারন্তী।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।শুধু পুজো নয়, এযেন রূপকথা! এবার উত্তর কলকাতার এই বিখ্যাত পুজোমণ্ডপে ঢুকলেই শুনবেন গঙ্গার গর্জন!১৩. বামনী জলপ্রপাত (পুরুলিয়া)অযোধ্যা পাহাড়ের মাঝখানে ঘন সবুজের বুক চিরে নেমে আসা বামনী জলপ্রপাত পুরুলিয়ার অন্যতম সেরা আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: জলপ্রপাতের শীতল হাওয়া ও পাইন গাছের সুবাস। মূল জলপ্রপাতে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০টি সিঁড়ি নামতে হয়, যা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের পথে ট্যাক্সি বা ক্যাব ভাড়া করতে হয়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি।১৪. ঘাটশিলা (ঝাড়খণ্ড)ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটির সঙ্গে বহু বাঙালি সাহিত্যিকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: রঙ্কিনী মাতা মন্দির, বুরুডি লেক, ফুলডুংরি পাহাড় এবং ধারাগিরি জলপ্রপাত।কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে মাত্র ২০০ কিমির সামান্য বেশি দূরত্ব। ইস্পাত এক্সপ্রেস বা মেমু ট্রেনে ৩-৪ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে রেকর্ড পতন, দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতায় জলের দরে হলুদ ধাতু

আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার মধ্যে ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বদল লক্ষ্য করা গেল। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে দাঁড়িয়েছে ১,৪৮,৮৬০ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রামে ১,৩৬,৪৪৫ টাকা। একই সময়ে রুপোর দাম প্রতি কেজিতে রয়েছে ২,২৫,৩০০ টাকা। Bullion.co.in-এর তথ্য অনুযায়ী এই দামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনা ও রুপোর দামে আরও পতন দেখা যায়। অক্টোবর মেয়াদের সোনার ফিউচার ১০ গ্রামে ১,৪৬,২৩২ টাকায় লেনদেন শেষ করে। অন্যদিকে রুপোর ফিউচার প্রতি কেজিতে ২,২৫,৪৫০ টাকায় সেশন শেষ করে।বিশ্ববাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বহু বছরের উচ্চতার কাছাকাছি থাকায় সোনা-রুপোর মতো সুদ না দেওয়া সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বাজারে রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে COMEX-এ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,২০৮.৯ ডলার, যা আগের দামের তুলনায় ২৯.২ ডলার বা ০.৭০ শতাংশ বেশি ছিল। একই সময়ে রুপোর দাম ছিল ৬১.৪৫ ডলার প্রতি আউন্স, যা প্রায় ০.৪৯ শতাংশ বেড়েছে।শহরভিত্তিক ২৪ ক্যারেট সোনার দামমুম্বই: ১,৪৮,৫৯০ প্রতি ১০ গ্রামদিল্লি: ১,৪৮,৩৪০ প্রতি ১০ গ্রামচেন্নাই: ১,৪৯,০৩০ প্রতি ১০ গ্রামকলকাতা: ১,৪৮,৪০০ প্রতি ১০ গ্রামবেঙ্গালুরু: ১,৪৮,৭১০ প্রতি ১০ গ্রামহায়দরাবাদ: ১,৪৮,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে মুম্বইয়ে দাম ১,৩৬,২০৮ টাকা, দিল্লিতে ১,৩৫,৯৭৮ টাকা, চেন্নাইয়ে ১,৩৬,৬১১ টাকা, কলকাতায় ১,৩৬,০৩৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ১,৩৬,৩১৮ টাকা এবং হায়দরাবাদে ১,৩৬,৪২৮ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম।আজকের রুপোর দামবুধবার ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,২৫,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯২৫ স্টার্লিং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,০৮,৪০৩ টাকা। শহরভেদে ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম মুম্বইয়ে ২,২৪,৮৯০ টাকা, দিল্লিতে ২,২৪,৫১০ টাকা, চেন্নাইয়ে ২,২৫,৫৫০ টাকা, কলকাতায় ২,২৪,৬০০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ২,২৫,০৭০ টাকা এবং হায়দরাবাদে ২,২৫,২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

১ অক্টোবর থেকে চালু নতুন নিয়ম, LPG-র e-KYC না থাকলেই সর্বনাশ ,কীভাবে চেক করবেন স্টেটাস?

LPG e-KYC: অক্টোবরের শুরুতেই LPG গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অক্টোবর মাস। আর ১ অক্টোবর থেকে LPG সংযোগের e-KYC নিয়ে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। যাঁরা এখনও তাঁদের গ্যাস সংযোগের e-KYC সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা LPG ভর্তুকির সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের বাজারদরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।LPG ভর্তুকির সুবিধা চালু রাখতে গ্রাহকদের e-KYC সম্পূর্ণ করা জরুরি। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু e-KYC করলেই হবে না, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাকি থাকার কারণে অনেক সময় e-KYC করেও স্ট্যাটাসে তা প্রতিফলিত নাও হতে পারে।ইন্ডেন গ্রাহকরা কীভাবে e-KYC স্ট্যাটাস দেখবেন?ইন্ডেনের গ্রাহকরা IndianOil One মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাপে লগইন করে হোম পেজের মেনু অপশনে যেতে হবে। এরপর My Profile বা আমার প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে e-KYC বা Re-KYC Status দেখা যাবে। যদি সেখানে KYC Status Valid লেখা থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে KYC প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।HP Gas গ্রাহকদের জন্য কী নিয়ম?HP Gas-এর গ্রাহকরা myhpgas.in ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্যের অংশে যেতে হবে। সেখানে KYC Status অপশন থেকে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা জানা যাবে।Bharat Gas গ্রাহকরা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন?Bharat Gas গ্রাহকদের e-KYC স্ট্যাটাস জানতে ebharatgas.com-এ গিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর Check KYC Status অপশনে গিয়ে স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে। সেখানে যদি Aadhaar Number Linked এবং KYC Verified দেখা যায়, তাহলে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে।e-KYC স্ট্যাটাস Pending দেখালে কী করবেন?e-KYC স্ট্যাটাস যদি Pending দেখায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট LPG সংস্থার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহকরা অনলাইন এবং অফলাইনদুই মাধ্যমেই e-KYC করার সুযোগ পেতে পারেন। তাই ভর্তুকির সুবিধা নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে e-KYC সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ম্যাচের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ, কলকাতায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ আয়োজন

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। এর তিন দিন পর, ৬ অক্টোবর একই মাঠে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সূচি অনুযায়ী, দুই ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্ড্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, ব্রুনো গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ, মারকুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো একাধিক তারকা ফুটবলার।ব্রাজিলের দলটি ২৬ সদস্যের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির বেছে নেওয়া এই দলে অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন তরুণ ফুটবলারও রয়েছেন। ফলে কলকাতায় ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের প্রতিনিধিদের রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় দলের প্রতিনিধিদেরও ওই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই নৈশভোজের বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। তাই অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত আয়োজন এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হতে পারে।৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও প্রস্তুতি চলছে। গ্যালারি, প্রবেশপথ, মাঠ এবং দর্শকদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে। বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দিন গ্যালারিতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও ম্যাচ দেখতে কলকাতায় আসতে পারেন বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়।ভারতের সামনে অবশ্য কঠিন দুই পরীক্ষা। প্রথমে ৩ অক্টোবর ব্রাজিল এবং তারপর ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। দুই দলই সদ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলি ভারতীয় দলের জন্য উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।ব্রাজিলের দলে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মারকুইনহোস এবং ব্রুনো গিমারায়েসের মতো তারকারা থাকায় ৩ অক্টোবরের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা তুঙ্গে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ৪-২ গোলে জিতেছে। সেই ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ব্রুনো গিমারায়েসও গোল করেন। রাফিনিয়া চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন, তাই কলকাতার ম্যাচে তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকেও নজর থাকবে।সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচকে ঘিরে কলকাতায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ। যুবভারতীর মাঠে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচের আগে সম্ভাব্য বিশেষ আয়োজন এবং গ্যালারিতে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এই ফুটবল সন্ধ্যাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লজেন্স কুড়োতে গিয়ে বিপত্তি! রেজিনগরে প্রচার গাড়ির সামনে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রেজিনগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শিশুটির নাম জাসমিনা খাতুন। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার চলার সময় প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর জখম হয় জাসমিনা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের দাবি, প্রচারের গাড়ি এলাকায় আসার পর বাজনার শব্দ শুনে অন্যদের সঙ্গে জাসমিনাও সেখানে ছুটে গিয়েছিল। সেই সময় গাড়ি থেকে শিশুদের জন্য লজেন্স ছোড়া হচ্ছিল। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত লাগে বলে পরিবারের অভিযোগ।আহত অবস্থায় প্রথমে জাসমিনাকে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানিয়েছে।মৃত শিশুটির আত্মীয় ইউসুফ শেখের দাবি, প্রচার চলাকালীন বাজনার আওয়াজ শুনে শিশুরা সেখানে গিয়েছিল। প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।ঘটনাকে ঘিরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, শিশুদের জন্যই লজেন্স ছোড়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার কথাও বলেছেন প্রার্থী।অন্য দিকে, এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ঘটনা ঘটার পরেই সংশ্লিষ্ট নেতাদের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে মৃত শিশুটির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছে। তার মধ্যেই প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের শিশুর জখম হওয়া এবং পরে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে জাসমিনার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কী ভাবে সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে প্রচার গাড়ির কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক কতটাতা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই স্পষ্ট হবে। পরিবারের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal