• ৯ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Olympics

খেলার দুনিয়া

Manu Bhaier : মহিলাদের শুটিংয়ে ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিসিশন রাউন্ডে পঞ্চম স্থানে মানু ভাকের

১০ মিটার এয়ার পিস্তলের মিশ্র বিভাগে ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ালেন ভারতীয় মহিলা শুটার মানু ভাকের। মহিলাদের ব্যক্তিগত ২৫ মিটার পিস্তল বিভাগে প্রিসিশন রাউন্ডে প্রথম দিনে শেষ করলেন পঞ্চম স্থানে। তবে বিশ্বের ২ নম্বর মহিলা তারকা রাহি সার্নোবত অলিম্পিকের প্রথম ম্যাচেই হতাশ করলেন।প্রিসিশন রাউন্ডে প্রথম দিনে শেষ করলেন ২৫ নম্বর স্থানে।অলিম্পিক শুটিংয়ে অনেক প্রত্যাশা ছিল। সবথেকে বেশি পদক জয়ের সম্ভাবনা ছিল এই ইভেন্টেই। দলগত, মিশ্র বিভাগে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় শুটাররা। এর মধ্যেই অলিম্পিকের ষষ্ঠ দিনে ২৫ মিটার এয়ার পিস্তলের মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগের যোগ্যতা অর্জন পর্বে নেমেছিলেন মানু ভাকের ও রাহি সার্নোবত।রাহি সার্নোবত এই প্রথম টোকিও অলিম্পিকের শুটিং রেঞ্জে কোনও ইভেন্টে নামলেন। মানু ভাকের অবশ্য আগের দলগত ও মিশ্র ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। দুটি বিভাগেই তিনি হতাশ করেছেন। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিসিশন রাউন্ডে অবশ্য ভাল ফল করলেন। মানু ভাকের মোট স্কোর করেন ২৯২। প্রথম স্টেজে তিনি সংগ্রহ করেন ৯৭ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্টেজেও তিনি সংগ্রহ করেন ৯৭ পয়েন্ট। তৃতীয় স্টেজে ৯৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পৌঁছে যান ২৯২ পয়েন্টে। এই বিভাগে মোট প্রতিযোগীর সংখ্যা ৪৪। অন্যদিকে, এই ইভেন্টে রাহি সার্নোবতের ওপর প্রত্যাশা বেশি ছিল ক্রীড়াপ্রেমীদের। এই তরুণ মহিলা শুটার প্রিসিশন রাউন্ডের প্রথম দিনে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। প্রথম স্টেজে তিনি সংগ্রহ করেন ৯৬। দ্বিতীয় স্টেজে ৯৭ এবং তৃতীয় স্টেজে ৯৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ২৮৭ পয়েন্টে থেমে যান। শেষ পর্যন্ত তাঁর স্থান হয় ২৫ নম্বরে। শুক্রবার ভারতের এই দুই শুটার রাপিড ফায়ার রাউন্ডে নামবেন। এই রাউন্ডেও ৩টি সিরিজ। প্রত্যেক সিরিজে ১০ বার করে ফায়ার করার সুযোগ পাবেন। ৪৪ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৮ জন ফাইনাল রাউন্ডে উঠবেন। প্রিসিশন রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ায় রাহি সার্নোবতের কাছে ফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে গেল। মানু ভাকেরের সামনে অবশ্য ভাল সুযোগ রয়েছে। তবে দ্বিতীয় দিন এই দুই শুটারকে জ্বলে উঠতেই হবে।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : তিরন্দাজিতে পদকের আশা জাগিয়ে রাখলেন দীপিকা কুমারী

তিরন্দাজিতে একের পর এক ব্যর্থতার পর আশার আলো দীপিকা কুমারী। মহিলাদের রিকার্ভ সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলেন এই ভারতীয় তিরন্দাজ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ৬৪ ব্যবধানে তিনি হারান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার মুসিনোফার্নান্ডেজকে। অলিম্পিকের শুরু থেকেই একের পর এক ব্যর্থতা ভারতের। মিশ্র বিভাগ, দলগত বিভাগে ব্যর্থতার পর ব্যক্তিগত বিভাগেও ব্যর্থ তরুণদীপ রাই ও প্রবীণ যাদবরা। দেশের সম্মানরক্ষার দায়িত্ব ছিল দীপিকা কুমারীর ওপর। যদিও শুরুটা ভাল হয়নি এই ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজের। আশা জাগিয়েও প্রথম সেট হেরে যান। ২৫ পয়েন্ট (৭+৯+৯) অর্জন করতে সক্ষম হন দীপিকা। অন্যদিকে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জিতে যান।পরের দুই সেটে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন দীপিকা কুমারী। দ্বিতীয় সেটের প্রথম শট থেকে ৮ পয়েন্ট পেলেও দীপিকার পরের দুটি শট লক্ষ্যভেদ করে। মোট কুড়ি পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। ওই সেটে ২৫ পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয় আমেরিকার তিরন্দাজ। তৃতীয় সেট থেকে ২৭ পয়েন্ট (১০+৯+৮) অর্জন করেন দীপিকা। সেখানে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই মোকাবিলা হেরে যান মার্কিন তারকা।ম্যাচের শেষ দুই সেটে দুই প্রতিযোগীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। চতুর্থ সেটে ২৪ পয়েন্ট অর্জন করেন ভারতীয় তিরন্দাজ। তিন শট থেকে যথাক্রমে ৯, ৬ ও ৯ পয়েন্ট পান দীপিকা। অন্যদিকে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ওই সেট জেতেন আমেরিকার তিরন্দাজ। পঞ্চম সেটে দীপিকার হাত থেকে যথাক্রমে ৯, ৯ ও ৮ পয়েন্ট আসে। ২৬ পয়েন্ট অর্জন করে ওই সেট জিতে যান ভারতীয় তিরন্দাজ। পৌঁছে যান কোয়ার্টার ফাইনালে।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani : মহিলা বক্সিংয়ের ৭৫ কেজি বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে পূজা রানি

অন্য ইভেন্টে যখন একের পর এক ব্যর্থতা, ভারতবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বক্সিং। আগের দিনই টোকিও অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গিয়েছিলেন লভলিনা বরগোঁহাই। বুধবার আরও এক ভারতীয় মহিলা বক্সার পৌঁছে কোয়ার্টার ফাইনালে। ৭৫ কেজি বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে হরিয়ানার পূজা রানি বোরা দাপটের সঙ্গে উড়িয়ে দিলেন আলজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে।পূজা রানি ও আচরিকা চাইবের কাছে এটাই প্রথম অলিম্পিক। আর মিডলওয়েট বক্সিংয়ে এদিন তাঁদের ছিল প্রথম বাউট। ৩০ বছরের পূজার চেয়ে চাইব বছর দশেকের ছোট। দুবারের এশিয়া চ্যাম্পিয়ন পূজা রানি শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখেন। তিনটি রাউন্ডেই তিনি পেছনে ফেলে দেন ইচরাক চাইবকে। চাইব জোরালোভাবে পাঞ্চ করতে চাইছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পূজা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখায় চাইব সুবিধা করতে পারেননি। বরং পূজার কাউন্টার অ্যাটাক সামলাতে বারবারই বেগ পেতে হল চাইবকে। শেষে ৫-০ ব্যবধানে জিতে অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গেলেন পূজা। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার তাঁর সামনে চিনের লি কিয়ান।পরিবারের অমতেই বক্সিংয়ে আসা পূজা রানির। হরিয়ানার ভিওয়ানি জেলার নিমড়িওয়ালি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। বাবাকে না জানিয়েই ভর্তি হন হাওয়া সিং বক্সিং আকাদেমিতে। কারণ, তিনি জানতেন পুলিশ অফিসার বাবা কখনোই বক্সার হওয়ার অনুমতি দেবেন না। পূজা আগে জানিয়েছিলেন, তাঁরা বাবা চাননি তিনি বক্সার হোন। বাবা বলতেন, আচ্ছে বাচ্চে বক্সিং নেহি খেলতে। মার লাগ জায়েগি। অর্থাৎ ভাল বাচ্চারা বক্সিংয়ে খেলেনা। এই খেলায় চোট লাগবে! পূজার বাবার ধারণা ছিল, যাঁরা খুব আগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন তাঁদের জন্যই বক্সিং, কিন্তু পূজার মতো মেয়েদের জন্য নয়। কিন্তু পূজা তাঁর বাবামাকে বরাবরই বোঝানোর চেষ্টা করে গিয়েছেন, তিনি বক্সিংয়ে ভালো করবেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বক্সিং রিংয়ে চোট পেলেও বাবা যাতে বুঝতে না পারেন, সে কারণে চোট না সারা অবধি বন্ধুর বাড়িতেও কাটিয়েছেন। বাবাকে রাজি করাতে না পারায় পেশাদার বক্সিংয়ে নামার জন্য প্রস্তুত হয়েও পূজাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে মাস ছয়েক! কিন্তু দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন যে আকাশকুসুম কল্পনা ছিল না সেটা পূজা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। পরিবারের আস্থা পূজা অর্জন করেছিলেন ২০০৯ সালে ৬০ কেজি বিভাগে জাতীয় যুব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ের পর। এর দুই মাস পর হরিয়ানার নামি বক্সার প্রীতি বেনিওয়ালকে হারিয়ে দেন পূজা। এই জয়ের পর আর তাঁকে বক্সিং নিয়েই এগিয়ে যেতে পরিবার বাধা দেয়নি। হরিয়ানা সরকারের আয়কর অফিসারের চাকরিও পান পূজা। ২০১২ ও ২০১৫ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জ জেতেন মিডলওয়েটে। ২০১৪ সালের ইনচেয়ন এশিয়ান গেমসে জেতেন ব্রোঞ্জ। ২০১৯ সালে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে লাইট হেভিওয়েটে সোনা জেতার পর চলতি বছর দুবাইয়ে মিডলওয়েটেই সোনা জেতেন।তবে অলিম্পিকে আসার যাত্রা পথ একেবারেই মসৃণ ছিল না পূজা রানির কাছে। ২০১৭ সালে দেওয়ালির সময় বাজি ফাটাতে গিয়ে হাত পুড়ে যায়, তখনও ছয় মাস বক্সিং অনুশীলন চালাতে পারেননি। এই সময় নষ্টের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ট্রেনিংয়ে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কাঁধে মারাত্মক চোট পান, যা তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে পারত। রানির ইচ্ছা ছিল ৮১ কেজি বিভাগে খেলা চালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে। অলিম্পিকে নেমে পদক জয়ের লক্ষ্যে আপাতত পেরোলেন প্রথম বাধা। অভিজ্ঞতা, অদম্য মানসিকতা আর কৌশলের মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেশের হয়ে পদক আনুন পূজা রানি, এটাই এখন কামনা।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Praveen Yadav : তরুণদীপের পর অলিম্পিক থেকে বিদায় প্রবীণ যাদবেরও

তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকেও শেষরক্ষা হল না ভারতের প্রবীন যাদবের। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাডি এলিসনের কাছে হেরে অলিম্পিকের ব্যক্তিগত বিভাগ থেকেও বিদায় নিলেন।প্রথম রাউন্ডে বিশ্বের ২ নম্বর রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটির গালসান বাজারঝাপভকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিলেন প্রবীন যাদব। প্রথম সেটে প্রবীন যাদব স্কোর করেন ২৯। অন্যদিকে গালসান বাজারঝাপভ করেন ২৭। প্রথম সেট ২৯২৭ স্কোরে জিতে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে যান প্রবীন যাদব। দ্বিতীয় সেটে মরিয়া হয়ে ওঠেন গালসান বাজারঝাপভ। প্রথম দুটি শটে তিনি পারফেক্ট ১০ করেন। কিন্তু শেষ শটে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয় সেটে তাঁর পয়েন্ট দাঁড়ায় ২৭। অন্যদিকে প্রবীন যাদব সংগ্রহ করেন ২৮ পয়েন্ট। ২০ ব্যবধানে জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে যান ভারতীয় এই তিরন্দাজ।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলকিন্তু প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম দুটি সেটে কিছুটা লড়াই করলেও তৃতীয় সেটে জঘন্য পারফরমেন্স প্রবীন যাদবে। প্রথম সেটে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাডি এলিসন করেন ২৮ (৯+১০+৯) স্কোর। অন্যদিকে প্রবীণ যাদব করেন ২৭ (৯+৮+১০)। প্রথম সেট জিতে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যান ব্র্যাডি এলিসন। দ্বিতীয় সেটে প্রবীণ যাদব স্কোর করেন ২৬ (১০+৯+৭)। এলিসন করেন ২৭ (৮+১০+৯)। তৃতীয় সেটে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হন ভারতীয় তিরন্দাজ। এলিসন যেখানে স্কোর করেন ২৮ (৮+৯+৯)। প্রবীণ যাদব স্কোর করেন ২৬ (৮+৮+৭)। ৬০ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান ব্র্যাডি এলিসন।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুপ্রবীণ যাদবের আগে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেন তরুণদীপ রাই। তবে তিনি ইজরায়েলের ইটে সানির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করেছিলেন। প্রবীণ যাদব কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি। মিক্সড ইভেন্টে দীপিকা কুমারীর সঙ্গে জুটি বেঁধে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পুরুষদের দলগত বিভাগেও ব্যর্থতা। তিরন্দাজি থেকে পদকের আশা প্রায় শেষ ভারতের।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tarundeep Rai : তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রি–কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়ের

দলগত ও মিক্সড ইভেন্টের পর ব্যক্তিগত ইভেন্টেও ব্যর্থতা শুরু হল। ব্যক্তিগত ইভেন্টের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছলেও কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ তরুণদীপ রাই। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে ইজরায়েলের। ইটে সানির সঙ্গে দুর্দান্ত লড়াই করেও ৬৫ ব্যবধানে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিতে হল।দলগত ইভেন্টের ব্যর্থতা কাটিয়ে ব্যক্তিগত ইভেন্টের দারুণভাবে শুরু করেছিলেন ভারতের এই অভিজ্ঞ তিরন্দাজ। রাউন্ড অফ ৩২এ তাঁর প্রতিপক্ষ ছিল ইউক্রেনের ওলেক্সি হুনবিন। তাঁকে ৬৪ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন তরুণদীপ রাই। ওলেক্সি হুনবিনের বিরুদ্ধে সেরা ছন্দে ছিলেন তিনি।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুপ্রিকোয়ার্টার ফাইনালে ভারতীয় এই তিরন্দাজকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হয়েছিল। আর শেষ ষোলোর লড়াইয়ে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি তরুণদীপ। প্রথম সেটে তিনটি শটে তিনি সংগ্রহ করেন ২৪ স্কোর। অন্যদিকে ইটে সানি স্কোর করেন ২৮। প্রথম সেট জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন ইজরায়েলি এই তিরন্দাজ। দ্বিতীয় সেটে অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান তরুণদীপ। ২৭২৬ ব্যবধানে জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে সমতা ফেরান। তৃতীয় সেটে লড়াই আরও জমে ওঠে। দুজনই স্কোর করেন ২৭। তৃতীয় সেট অমীমাংসিতভাবে শেষ হওয়ায় দুজনই ১ পয়েন্ট করে পান। চতুর্থ সেট জিতে এগিয়ে যান তরুণদীপ রাই। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের ভিত্তিতে তিনি স্কোর করেন ২৮। অন্যদিকে ইটে সানি স্কোর করেন ২৭। চতুর্থ সেটের শেষে তরুণদীপ ৫৩ এগিয়ে যান।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াপঞ্চম সেটে লড়াই জমে ওঠে। কিন্তু দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি তরুণদীপ রাই। ২৭২৮ ব্যবধানে পঞ্চম সেটে হেরে যান। দুজনের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৫৫। কিন্তু মোট স্কোরের বিচার এগিয়ে থাকার সুবাদে ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে যান ইজরায়েলি তিরন্দাজ। আজই পুরুষদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রবীণ যাদব ও মহিলাদের সিঙ্গলস রিকার্ভে নামবেন দীপিকা কুমারী।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India Women Hockey : গ্রেট ব্রিটেনের কাছেও হার, অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেলেন রানিরা

টানা ৩ ম্যাচ হেরে অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেল ভারতীয় মহিলা হকি দল। পুল এর ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে রানি রামপালরা হারলেন ৪১ ব্যবধানে।প্রথম ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ৫১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে হার ২০ ব্যবধানে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে অনেকটাই ব্যকফুটে চলে গিয়েছিল ভারত। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিততেই হত ভারতকে। কিন্তু রানি রামপালরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াম্যাচের শুরু থেকেই গ্রেট ব্রিটেনের আধিপত্য। ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। হানা মার্টিন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই গোল হজম করে হতদ্যোম হয়ে পড়ের রানি রামপালরা। তবে ১২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। নবনীত কাউর গোলের সামনে ফ্রি হিট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ২ মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। সেই হানা মার্টিন আবার গোল করেন। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। শুরুতেই পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন লিলি ওসলে। এখানেই ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় রানি রামপালদের। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট তিনেক আগে ডি বক্সের মধ্যে শরীর দিয়ে বল আটকালে পেনাল্টি পায় গ্রেট ব্রিটেন। গ্রেস ব্যালসডন পেনাল্টি থেকে ৪১ করেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধু

গ্রুপ লিগে দুটি ম্যাচেই জয়। অলিম্পিকে মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। পদক জয়ের পথে এগোলেন আরও একধাপ। পিভি সিন্ধু গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। জে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখলেন। সিন্ধু এদিন চেয়াংকে হারালেন ২১৯, ২১১৬ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএনগান চেয়াংয়ের পক্ষে খুব বেশি প্রতিরোধ করার সুযোগ ছিল না। প্রথম গেমে এদিন চেয়াংকে দাঁড়াতেই দেননি। শুরু থেকেই ম্যাচে লিড নিতে থাকেন সিন্ধু। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর আস্তে আস্তে লিড বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২১৯ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরেন এনগান চেয়ুং। সিন্ধুর সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করতে থাকেন। একসময় ৬২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। সেখান থেকে টানা ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৭৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান চেয়ুং। দ্বিতীয় গেমের শেষ দিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। কখনও এগিয়ে যান চেয়ুং, কখনও আবার সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বে ৬ নম্বর এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয়। গ্রুপ লিগে সহজ প্রতিপক্ষ পেলেও এবার আসল লড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন পিভি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Badminton : গ্রুপ লিগে শেষ ম্যাচ জিতেও বিদায় সাত্ত্বিকসাইরাজ ও চিরাগ জুটির

গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিতেও শেষরক্ষা হল না। টোকিও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে পুরুষদের ডাবলস থেকে ছিটকে যেতে হল এই ভারতীয় জুটিকে। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি। গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত দুটি করে ম্যাচ জিতলেও বেশি সেট জেতার ব্যাপারে পিছিয়ে থাকায় বিদায় নিতে হলে ভারতীয় জুটিকে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরগ্রুপ লিগে অবশ্য দারুণভাবে শুরু করেছিল সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। গ্রুপ এতে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্ব ডাবলস র্যাঙ্কিংয়ে তিন নম্বরে থাকা চাইনিজ তাইপের ইয়াং লি এবং চিলিন ওয়াং জুটিকে। গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজো বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়েই কোর্টে নেমেছিল। কিন্তু পেরে উঠেননি। হারতে হয় ২১১৩, ২১১২ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচ ছিল গ্রেট ব্রিটেনের বেন লেন ও সিন ভেন্ডির বিরুদ্ধে। শুরু থেকেই ম্যাচে দাপট দেখাতে থাকে সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি। প্রথম সেটে একসময় অনেকটা এগিয়েও যায়। পরের দিকে বেন লেন ও সিন ভেন্ডি খেলায় ফেরেন। ব্যবধান কমালেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য লড়াই বেশ জমে উঠেছিল। কখনও এগিয়ে যায় ভারতীয় জুটি, কখনও আবার গ্রেট ব্রিটেনের জুটি। তবে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেয় সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডি ও চিরাগ শেট্টি জুটি।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতজিতেও হতাশ হতে হল ভারতীয় জুটিকে। কারণ চাইনিজ তাইপের লি ইয়ং এবং ওয়াং চি লিন বিশ্বের ১ নম্বর জুটি ইন্দোনেশিয়ার মার্কাস ফার্নাল্ডো গিডেয়োন ও কেভিন সঞ্জয়া সুকামুলজোকে হারায়। চাইনিজ তাইপে, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতীয় জুটির পয়েন্ট সমান হয়ে যায়। বেশি সেট জেতায় চাইনিজ তাইপের জুটি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে এখন পদকের আশা শুধু পিভি সিন্ধুর।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey : স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। পুল এতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্পেনকে হারাল ৩০ ব্যবধানে। ভারতের জয়ের নায়ক রুপিন্দার পাল সিং। জোড়া গোল করেন তিনি। একটি গোল করেন সিমরণ সিং। স্পেনকে হারিয়ে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরপ্রথম ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৩২ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুর্দান্ত খেলেছিলেন রুপিন্দার ও গোলকিপার শ্রীজেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর দল অস্ট্রেলিয়ার কাছে দাঁড়াতেই পারেনি ভারত। ৭১ ব্যবধানে উড়ে যায়। তিনকাঠির নীচে জঘন্য খেলেন শ্রীজেশ। মূলত তাঁর দোষেই বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল ভারতকে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াস্পেনের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের ভুল শুধরে মাঠে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। এদিন অনেক বেশি সপ্রতিভ ছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুর দিকে স্পেনের প্রাধান্য ছিল। ভারতের লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণ থেকে গোল তুলে নেওয়া। সেই লক্ষ্যে সফল মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সিমরণজিৎ সিং। ২ মিনিট পর পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় ভারত। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান রুপিন্দার পাল সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ২০ ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা স্পেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারেনি। গোলকিপার শ্রীজেশও দক্ষতার পরিচয় দেন।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আবার ভারতকে চেপে ধরে স্পেন। প্রথমার্ধের মতো সেই একই স্ট্র্যাটেজি, মাঝখান দিয়ে আক্রমণ করা। ভারতও পাল্টা চাপ দিতে শুরু করে। এরই মাঝে আম্পায়ার লক্ষ্য করেন স্পেনের ১২ জন খেলোয়াড় মাঠে রয়েছে। আম্পায়ার খেলা থামিয়ে স্পেনের মিগুয়েল ডিলাসকে হলুদ কার্ড দেখান। ৫ মিনিটের জন্য তাঁকে মাঠের বাইরে বসতে হয়। বিপক্ষ ১০ জন হয়ে যাওয়ার সুযোগ নিতে পারেনি ভারত। ম্যাচের ৫১ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩০ করেন রুপিন্দার পাল সিং। ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে তিনতিনটি পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal : অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলের

অলিম্পিক থেকে পদক জিতে দেশে ফিরবেন। এই স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গিয়েছিলেন। স্বপ্নপূরণ হল না শরথ কমলের। তৃতীয় রাউন্ডে চানের মা লংয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক অভিযান শেষ এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ম্যাচের ফল ৪১। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিলেন শরথ কমল। ৪২ ব্যবধানে জিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃতীয় রাউন্ডে। এদিনও চীনের মা লংএর কাছে প্রথম গেম হেরে পিছিয়ে পড়েছিলেন। দ্বিতীয় গেমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেও শেষ রক্ষা হল না।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াপ্রথম গেমের শুরুতেই ৩৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিলেন শরথ কমল। সমতা ফিরিয়ে ৫৫ করেন। এরপর টানা ৪টি পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৯৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি শরথ কমল। ১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে শুরু থেকেই লড়াই জমে ওঠে একসময় ৮৪ পয়েন্টে শরথ কমল এগিয়ে গেলেও সমতা ফেরান মা লং। ৮৮ অবস্থা থেকে টানা ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে গেম জিতে নেন শরথ।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩তৃতীয় গেমেও সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বিশ্বের ২ নম্বর তারকাকে বিন্দুমাত্র জমি ছাড়েননি এই ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা। তবে তিনতিনবার গেম পয়েন্ট বাঁচিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ১৩১১ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। চতুর্থ গেমে শরথ কমলকে একেবারেই দাঁড়াতে দেননি চীনের এই টেবিল টেনিস তারকা। ১১৪ ব্যবধানে গেম জিতে নেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায় শরথ কমলের। পঞ্চম গেমেও একেবারেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। ১১৪ ব্যবধানে উড়ে যান।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal: ‌অলিম্পিক টিটি–র তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমল

অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন নিয়েই এবার টোকিও পাড়ি। সেই স্বপ্নের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা শরথ কমল। পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়াকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের তৃতীয় রাউন্ডে পৌছে গেলেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমলের থেকে বেশ কয়েকধাপ পিছিয়ে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমল রয়েছেন ৩২ নম্বরে। অন্যদিকে, থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া রয়েছেন ৫৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও শরথ কমলকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই তারকা।প্রথম গেমে শরথ কমলকে দাঁড়াতেই দেননি থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। ১১২ পয়েন্টে গেম জিতে নেন। জড়তা কাটিয়ে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন শরথ কমল। ১১৮ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শরথ কমল। ১১৫ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে নেন। চতুর্থ গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। দুর্দান্ত লড়াই করে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান।ম্যাচে সমতা ফেরায় পরই যেন সম্বিত ফেরে শরথ কমলের। পঞ্চম গেমে আবার জ্বলে ওঠেন। ১১৬ পয়েন্টে জিতে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ষষ্ঠ গেমে অবশ্য লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। একসময় স্কোর ছিল ৯৯। সেখান থেকে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান শরথ কমল। তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর সামনে চীনের মা লং।২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিকে প্রথম খেলার সুযোগ পান শরথ কমল। সাফল্য পাননি। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকেও সেই ব্যর্থতা। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি। এশিয়ান কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ইরানের নোশাদ আলামিনানকে হারিয়ে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু রোমানিয়ার আদ্রিয়ান ক্রিসানের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল শরথ কমলকে। ভাল প্রস্তুতি নিয়েই যে এবার টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন শরথ কমল, প্রথম রাউন্ড থেকেই প্রমাম দিয়ে যাচ্ছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Sumit Nagal: মেদডেভেদের কাছে আত্মসমর্পন সুমিত নাগালের, বিদায় অলিম্পিক থেকে

টোকিও অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে থেকেই বিদায় নিলেন সুমিত নাগাল। রাশিয়ার ড্যানিল মেদডেভেদের কাছে ৬২, ৬১ ব্যবধানে হারলেন ভারতের এই টেনিস তারকা। বিশ্বের ২ নম্বর তারকার সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি সুমিত।প্রথম রাউন্ডে উজবেকিস্তানের ডেনিস ইস্টোমিনকে ৬৪, ৬৭ (৬), ৬৪ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সুমিত নাগাল। ২৫ বছর পর অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসে জিতে নজির গড়েছিলেন। ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন লিয়েন্ডার পেস। অলিম্পিকে সেটাই ছিল কোনও ভারতীয় টেনিস তারকার শেষ জয়। সুমিত নাগাল প্রথম রাউন্ডে জিতলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে জ্বলে উঠতে পারলেন না।ড্যানিল মেদডেভেদের সঙ্গে সুমিত নাগালের লড়াই ছিল অসম। মেদডেভেদের বর্তমান বিশ্ব র্যাঙ্কিং ২। আর ভারতের সুমিত নাগাল রয়েছেন ১৪৪ নম্বরে। অসমও লড়াইয়ে পেরে ওঠার কথা ছিল না সুমিতের। মেদভেদেভের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। প্রথম সেট ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন মেদভেদেভ। প্রথম সেটের শুরুতেই সুমিত নাগালের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যান এই রাশিয়ান টেনিস তারকা। পরে আরও ৩ বার সার্ভিস ভাঙেন।দ্বিতীয় সেটেও ছবিটা বদলায়নি। সেই মেদভেদেভের আধিপত্য। সুমিত নাগালের সার্ভিস ভাঙার পর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে এগিয়ে যান। ম্যাচের শুরু থেকেই সার্ভিসে সমস্যা হচ্ছিল সুমিতের। বেশ কয়েকবার ডাবল ফল্ট করেন। শেষ পর্যন্ত ৬১ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন মেদভেদেভ। পৌঁছে গেলেন তৃতীয় রাউন্ডে।এদিকে, অলিম্পিক পদকের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন নাওমি ওসাকা। তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছেন জাপানের এই মহিলা টেনিস তারকা। দ্বিতীয় রাউন্ডে হারিয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের ভিক্টোরিজা গোলুবিচকে। খেলার ফল ৬৩, ৬২। ওসাকার সামনে দাঁড়াতেই পারেননি গোলুবিচ।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Archery : কোয়ার্টার ফাইনালেই অভিযান শেষ ভারতীয় পুরুষ তীরন্দাজ দলের

মহিলাদের তীরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে হতাশ করেছিলেন দীপিকা কুমারী। মিক্সড ইভেন্টেও ব্যর্থতা। র্যাঙ্কিং রাউন্ডেও অনেক পেছনে শেষ করেছিল ভারতীয় তীরন্দাজরা। পুরুষদের দলগত বিভাগে দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না ভারতের। কাজাখস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন অতনু দাসরা। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে রিপাবলিক কোরিয়ার কাছে ০৬ ব্যবধানে হেরে অলিম্পিকে পদক জয়ের আশা শেষ ভারতীয় পুরুষ দলের। এলিমিনেশন রাউন্ডে এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন অতনু দাস, প্রবীণ যাদব ও তরুণদীপ রাই। অতনু দাসরা প্রথম সেটে স্কোর করেন ৫৫। কাজাখস্তানের স্কোর ৫৪। প্রথম সেট জিতে ২ পয়েন্ট ঘরে তোলে ভারত। দ্বিতীয় সেটেও অতনুদের দাপট অব্যাহত ছিল। ভারত স্কোর করে ৫২, অন্যদিকে কাজাখস্তানের স্কোর ৫০। দ্বিতীয় সেট জিতে আরও ২ পয়েন্ট ঘরে তোলেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। তৃতীয় সেটে অবশ্য কাজাখস্তান এগিয়ে যায়। কাজাখস্তান স্কোর করে ৫৭। ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৫৬। তৃতীয় সেট জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে ব্যবধান কমায় কাজাখস্তান। চতুর্থ সেটে অবশ্য প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগই দেননি অতনুরা। ৫৫৫৪ ব্যবধানে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে যান। ৬২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম সেটে ৫৯৫৪ স্কোরে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে এগিয়ে যায় কোরিয়া। দ্বিতীয় সেটেও সেই কোরিয়ার আধিপত্য। কোরিয়া স্কোর করে ৫৯, ভারত ৫৭। তৃতীয় সেটে কোরিয়ার স্কোর ৫৬, ভারতের ৫৪। ৬০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় কোরিয়া। টোকিও অলিম্পিকের যে যে ইভেন্ট থেকে ভারতের পদকে আশা রয়েছে, তার মধ্য তীরন্দাজি অন্যতম। অথচ এই বিভাগের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। র্যাঙ্কিং রাউন্ডে অনেকটাই পিছিয়ে শেষ করেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। মিক্সড ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে হেরে বিদায় নেয় বিশ্বের এক নম্বর মহিলা তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী ও প্রবীণ যাদব জুটি। ফলে পুরুষদের দলগত ইভেন্ট ভারতীয় আর্চারদের কাছে প্রমাণ করার মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপ নিয়েই এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন অতনু রাইরা।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey : অলিম্পিক হকিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে গোলের মালা পড়ল ভারত

টোকিও অলিম্পিকে গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল ভারতীয় হকি দল। অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হল ৭১ ব্যবধানে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়া অবস্থায় দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটাতে পেরেছিল সহঅধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং ও গোলকিপার শ্রীজেশের জন্য। এদিন অবশ্য তেমন জ্বলে উঠতে পারেননি এই দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। আর বিশ্বের সেরা দল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কাজটাও সহজ ছিল না। তবু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রথম কোয়ার্টারের শুরুর দিকে সমানতালে পাল্লা দিচ্ছিল ভারত। ৮ মিনিটের মাথায় একটা পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে নিয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি হরমনপ্রীত কাউর। ২ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার পায় অস্ট্রেলিয়া। জেমস ব্যালে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথম কোয়ার্টারে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া।Not a great day at work for the #MenInBlue, but this will pump us to come back a lot stronger! 💙#INDvAUS #HaiTayyar #IndiaKaGame #TokyoTogether #StrongerTogether #Tokyo2020 #HockeyInvites #TeamIndia #Hockey pic.twitter.com/xdnJpUvivu Hockey India (@TheHockeyIndia) July 25, 2021দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়া আধিপত্য বজায় রেখে ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায়। গোল করেন জেরেমি টমাস। ২ মিনিট পরেই ৩০ করেন অ্যান্ড্রু অজিলভিয়ে। ২৭ মিনিটে ৪০। প্রথমার্ধেই ৪ গোলের পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় ভারতের। অস্ট্রেলিয়ার মুহুর্মুহু আক্রমণের সামনে ভারতীয় রক্ষণ তখন দিশেহারা। গোলকিপার শ্রীজেশও একের পর এক ভুল করতে থাকেন। অস্ট্রেলিয়া আক্রমণে গেলেই মনে হচ্ছিল গোল খেয়ে যেতে পারে ভারত। কেন তারা বিশ্বের ১ নম্বর দল, বারবার বুঝিয়ে দিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেনাল্টি কর্ণার পায় ভারত। রূপিন্দার পাল সিং কাজে লাগাতে পারেননি। ৩৫ মিনিটে দলপ্রীত সিং ভারতের হয়ে ব্যবধান কমান। এরপরই আবার পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ ভারত। অথচ চতুর্থ পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ৫১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৬১ করেন ব্ল্যাক গ্রোভার্স। ৭১ করেন টিম ব্র্যান্ড। ১৯৭৬ সালের পর অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয় নেই ভারতের। সেই ধারা অব্যাহত রাখলেন মনপ্রীতরা।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mary Kom : অলিম্পিকের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন মেরি কম

পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গেছেন। অলিম্পিকে যাওয়ার আগে মেরি কম বলেছিলেন, পদক জিতেই বক্সিংকে বিদায় জানাতে চান। স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপে সফল। টোকিও অলিম্পিকের প্রথম ম্যাচেই নিজের জাত চেনালেন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। মহিলাদের ফ্লাইওয়েট ইভেন্টে ডোমিনিকান রিপাবলিকের মিগুয়েলিনা হার্নান্ডেজকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন মেরি কম। নিজের অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে দাপুটে জয় পেলেন ৬ বারের এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মেরি কম। চোটআঘাতের জন্য ২০১৬ রিও অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। টোকিও অলিম্পিকই মেরি কমের কাছে শেষ অলিম্পিক। ৬ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও অলিম্পিকে সোনা অধরাই থেকে গেছে। মনের মধ্যে অনেকদিন ধরে অলিম্পিকে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। টোকিওতে সেই স্বপ্নপূরণ করতে চান মেরি কম।#TeamIndia | #Tokyo2020 | #BoxingWomens Fly Weight 48-51kg Round of 32 Results@MangteC के पंच में है दम। Mary kick starts her #Olympics campaign on a strong note, dominating Garcia Hernandez. What a power packed bout by our champ #RukengeNahi #EkIndiaTeamIndia #Cheer4India pic.twitter.com/4kE6vfspd2 Team India (@WeAreTeamIndia) July 25, 2021যে কোনও প্রতিযোগিতায় প্রথম বাউট সবসময় কঠিন। তার ওপর আবার অলিম্পিকের মতো আসর। সুতরাং বাড়তি চাপ থাকাই স্বাভাবিক। সেই চাপ উপেক্ষা করে প্রথম বাউটেই দারুণ জয় তুলে নিলেন মেরি কম। প্রথম দুই রাউন্ডে লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। দুই রাউন্ড শেষে স্কোর ছিল সমান সমান। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষের দিতে মেরি কমকে কিছুটা ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। তবে তৃতীয় রাউন্ডের শুরু থেকেই জ্বলে ওঠেন মেরি কম। নিজের স্কোর আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৪১ ব্যবধানে বাউট জিতে নেন ৬ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। দ্বিতীয় রাউন্ডে মেরি কম মুখোমুখি হবেন তৃতীয় বাছাই কলম্বিয়ার ইনগ্রিট ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে। রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ভ্যালেন্সিয়া।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sania Mirza : টোকিও অলিম্পিক থেকে বিদায় সানিয়া মির্জার

টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল সানিয়া মির্জাঅঙ্কিতা রায়না জুটি। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক জুটির কাছে হারতে হল ০৬, ৭৬ (০৭), ৮১০ ব্যবধানে। প্রথম সেটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েও শেষরক্ষা হল না। এদিন আবার মহিলাদের সিঙ্গলসে বড় অঘটন ঘটল। মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি।দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সানিয়া মির্জা ও অঙ্কিতা রায়না। যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনকে প্রথম সেটে দাঁড়াতেই দেয়নি এই ভারতীয় জুটি। ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটেও দারুণভাবে এগোচ্ছিলেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। জয় নিশ্চিত ধরেই সাময়িক মনসংযোগ হারিয়ে ফেলে ভারতীয় জুটি। আর সেই সুযোগেই ঘুরে দাঁড়ান নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক। সমতা ফিরিয়ে সেট টাইব্রেকারে নিয়ে যান। টাইব্রেকারে বাজিমাত করে ইউক্রেনের এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭০) ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক।ম্যাচের ভবিষ্যত গড়ায় টাইব্রেকারে তৃতীয় সেটে। টাইব্রেকারে একসময় ৮০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউক্রেনের জুটি। সেখান থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। টানা ৭ পয়েন্ট জিতে স্কোর ৮৭ করে ফেলেন। কিন্তু ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না সানিয়াদের। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট ৮১০ পয়েন্টে হারতে হয়। ৩৪ বছর বয়সে নিজের চতুর্থ অলিম্পিক খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। গড়েছিলেন অনন্য নজির। কিন্তু স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না টোকিও অলিম্পিক। আর প্রথমবার অলিম্পিক খেলতে নেমে হতাশই হতে হলে অঙ্কিতা রায়নাকে। এদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি। তাঁকে ৬৪, ৬৩ স্ট্রেট সেটে সারিয়ে চমক দেখালেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৪৮ নম্বরে থাকা স্পেনের সারা সরিবেস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pranati Nayek : অলিম্পিকে হতাশ করলেন বাংলার মেয়ে প্রণতি নায়েক

টোকিও অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি দীপা কর্মকার। দেশের জিমন্যাস্টিক্সের ব্যাটন ছিল প্রণতি নায়েকের হাতে। কিন্তু হতাশ করলেন এই বাঙালি জিমন্যাস্ট। সাবডিভিশন রাউন্ড থেকেই বিদায় প্রণতি নায়েকের।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপরের রাউন্ডের জন্য যোগ্যতা অর্জন পর্বে সাবডিভিশন ১এ ১২ নম্বরে শেষ করেন প্রণতি। তাঁর মোট সংগৃহীত স্কোর ৪২.৫৬৫। প্রতিটি সাবডিভিশন থেকে ৮ জন করে জিমন্যাস্ট দ্বিতীয় রাউন্ডের ছাড়পত্র পাবেন। কিন্তু প্রণতি প্রথম আটের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারেননি। ফ্লোর এক্সারসাইজে ১০.৬৩৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন প্রণতি। এর মধ্যে ডিফিকাল্টিতে ৪.৪ ও একজিকিউশনে ৬.২৩৩। তুলনামূলকভাবে ভল্টে বেশি পয়েন্ট তুলে নেন। ভল্টে তাঁর সংগ্রহ ১৩.৪৬৬। ডিফিকাল্টিতে ৫ ও একজিকিউশনে ৮.৪৬৬। এই ভল্ট বিভাগই প্রিয় প্রণতির। আরও একবার ভল্ট দেওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু দ্বিতীয় প্রচেষ্টা নেননি।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টআনইভেন বারে ৯.০৩৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ডিফিকাল্টিতে ৪.১ ও একজিকিউশনে ৪.৯৩৩। এই বিভাগে ২৩ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২২ নম্বরে শেষ করেন প্রণতি। ব্যালান্স বিমে সংগ্রহ করেন ৯.৪৩৩ পয়েন্ট। ডিফিকাল্টিতে ৪.৫ ও একজিকিউশনে ৪.৯৩৩ সব সব মিলিয়ে তাঁর স্কোর দাঁড়ায় ৪২.৫৬৫। প্রথম সাবডিভিশনে তিনি শেষ করেন ১২ নম্বরে। সবচেয়ে বড় কথা সুযোগ থাকলেও দ্বিতীয়বার ভল্ট নেননি। অথচ ছোট থেকে এই ভল্টেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জিতে এসেছেন প্রণতিআরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুযে কোনও জিমন্যাস্টের আসল অস্ত্র হল ভল্ট। এই ভল্ট থেকেই আন্তর্জাতিক পদক আসে। ২০১৪ কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৫ এশিয়ান গেমসে এই ভল্ট থেকেই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন দীপা। ২০১৬ অলিম্পিক টেস্ট ইভেন্টে ও ২০১৮ তুরস্ক বিশ্বকাপে সোনা জিতেছিলেন। প্রণতি নায়েকের প্রথম আন্তর্জাতিক পদক এসেছিল এই ভল্ট থেকেই। ২০১৯ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। সেই ভল্টেই টোকিওতে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তুলে নিয়েও শেষরক্ষা হল না।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধু

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপ দারুণভাবে উতরে গেলেন পিভি সিন্ধু। জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিলেন ইজরায়েলের কেসেনিয়া পোলিকারপোভাকে। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি সিন্ধু, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গেলেন পোলিকারপোভা। ২১৭, ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নিলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরএদিন পোলিকারপোভাকে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা পিভি সিন্ধু। ম্যাচের প্রথম পয়েন্ট অবশ্য তুলে নিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। প্রথম গেমের শুরুর দিকে সিন্ধুকে কিছুটা জড়তা ছিল সিন্ধুর। যতই হোক অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা বলে কথা। তাও আবার প্রথম ম্যাচ। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগও পাননি। জড়তা থাকাই স্বাভাবিক। আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠে নিজের সেরা ছন্দে পৌঁছতেই খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। প্রথম সেটে একসময় ৩১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। সেখান থেকে ৪৪ করেন সিন্ধু। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকাকে। একসময় টানা ১৪ পয়েন্ট তুলে নেন। পোলিকারপোভাকে ৫ পয়েন্টে দাঁন করিয়ে রেখে তিনি পৌঁছে যান ১৯ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ২১৭ ব্যবধানে সেট জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপ্রথম সেট জিতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায় পিভি সিন্ধুর। দ্বিতীয় সেটে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংকে ৫৮ নম্বরে থাকা কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে। প্রতিপক্ষকে ৩ পয়েন্টে দাঁড় করিয়ে ১০ পয়েন্টে পৌঁছে যান সিন্ধু। টানা ৭ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পর পয়েন্ট হারান। তবে সেই সুযোগ নিতে পারেননি ইজরায়েলী পোলিকারপোভা। শেষ পর্যন্ত ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নেন। মাত্র ২৮ মিনিটেই ম্যাচ শেষ। পোলিকারপোভার বিরুদ্ধে এদিন তেমন কোনও ভুল করেননি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। তার একটা ধাপ সবেমাত্র অতিক্রম করলেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। পরের ম্যাচে হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Olympics Hockey : অলিম্পিক হকিতে মিশ্র ফল ভারতের, মনপ্রীতরা দুর্দান্ত, হতাশ করলেন রানিরা

শনিবার অলিম্পিকে মিশ্র দিন ভারতীয় হকির। সকালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভারতীয় পুরুষ হকি দল অলিম্পিক অভিযান দারুণভাবে শুরু করলেও মহিলা হকি দল বড় পরাজয়ের সম্মুখীন। বিকেলে রানি রামপালরা হল্যান্ডের কাছে হারলেন ১৫ গোলে।অলিম্পিক থেকে ভারতীয় হকি দলের শেষ পদক এসেছিল ১৯৮০ সালে। সোনা জিতেছিল ভারত। তারপর থেকে শুধুই খরা। অলিম্পিক থেকে কোনও পদক আনতে পারেনি। পদক জয়ের খরা মেটানোর লক্ষ্যে অবশ্য মনপ্রীত সিংয়ের ভারত জয় দিয়েই অভিযান শুরু করল। গতকাল অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্চ পাস্টের মেরি কম ও মনপ্রীত সিংয়ের হাতেই ছিল দেশের পতাকা। আজ জয় দিয়ে অভিযান শুরু করা আত্মবিশ্বাস বাড়াল ভারতীয় পুরুষ হকি দলের।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপুল এর প্রথম ম্যাচে ভারত হারাল নিউজিল্যান্ডকে। পিছিয়ে পড়েও ৩২ ব্যবধানে জিতলেন মনপ্রীতরা। জোড়া গোল করে ভারতের জয়ের নায়ক হরমনপ্রীত সিং। ম্যাচের ২৬ ও ৩৩ মিনিটে গোল দুটি করেন তিনি। ভারত এদিন জয় ছিনিয়ে নিল পিছিয়ে পড়েও। ৬ মিনিটে কেন রাসেলের করা গোলে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এর ৪ মিনিট পরেই গোল করে সমতা ফেরান রুপিন্দর পাল সিং। হরমনপ্রীতের জোড়া গোল ব্যবধান বাড়ায়। ৪৩ মিনিটে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্টিফেন জেনেস। শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড সমতা ফেরাতে মরণকামড় দিলেও ভারতের জয় আটকাতে পারেনি। রবিবার পুল এর দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেমহিলাদের ম্যাচে হল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুটি কোয়ার্টারে ভারতীয় মহিলা হকি খেলোয়াড়রা দারুণ লড়াই চালান। রক্ষণও বেশ জমাট লাগছিল। সে কারণেই বিরতিতে ফলাফল ছিল ১-১। ম্যাচের ৬ মিনিটে ফেলিস আলবার্সের গোলে ডাচরা এগিয়ে যাওয়ার ৪ মিনিট পরেই গোল করে সমতা ফেরান অধিনায়ক রানি রামপাল। কিন্তু বিরতির পরই ছন্দ হারিয়ে ফেলে ভারতীয় দল।আরও পড়ুনঃ দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?সেই সুযোগ নিয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় তিনবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ও গতবারের রুপোজয়ী নেদারল্যান্ডস। ৩৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মার্গোত ভ্যান গিফেন। এরপর ৪৩ ও ৪৫ মিনিটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান আলবার্স ও ফ্রেডেরিক মাতলা। নেদারল্যান্ডসের পঞ্চম গোলটি আসে ষষ্ঠ পেনাল্টি কর্নার থেকে। এই গোলটি করেন কাইয়া জ্যাকলিন ভ্যান মাসাক্কের। পুল এর পরবর্তী ম্যাচে ২৬ জুলাই ভারত খেলবে জার্মানির বিরুদ্ধে।

জুলাই ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বিয়ের চার দিন আগে প্রি-ওয়েডিং শুটে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পূর্ববর্ধমানের ভাতারে মৃত তিন

বিয়ের বাকি আর মাত্র চার দিন। নতুন জীবনের সূচনার আগে হবু স্ত্রীকে নিয়ে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন যুবক। সেই উদ্দেশ্যেই দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে গুসকরার পথে রওনা দিয়েছিলেন হবু দম্পতি। কিন্তু আনন্দের সেই যাত্রা মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। স্করপিয়ো ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহী। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন হবু দম্পতি। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার ঝর্ণা মোড়ের কাছে ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতেরা হলেন ভাতার থানার ওরগ্রামের বাসিন্দা সাধুজামাল শেখ ওরফে বচ্চন (৪৭), বর্ধমানের কমলসায়েরের শেখ নওয়াজ (২৩) এবং জামালপুরের মশাগ্রামের সুদেব ঘোষ (২৮)। সাধুজামাল মোটরবাইকের আরোহী ছিলেন। অন্যদিকে, স্করপিয়োয় থাকা শেখ নওয়াজ ও সুদেব পেশায় ফটোগ্রাফার ছিলেন। প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য তাঁদের সঙ্গে গুসকরার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন বর্ধমানের দিঘীরপাড় এলাকার বাসিন্দা হবু দম্পতি আসরফ মল্লিক ওরফে রাজা এবং জিন্নাতুর খাতুন।নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানজমিতে উল্টে যায় স্করপিয়োপ্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমানের দিক থেকে একটি স্করপিয়োয় চড়ে গুসকরার দিকে যাচ্ছিলেন হবু দম্পতি ও দুই ফটোগ্রাফার। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে মোটরবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। অন্যদিকে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্করপিয়োটি জাতীয় সড়কের পাশে একটি ধানজমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে।বিকট শব্দে দুর্ঘটনা ঘটতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। মৃতদেহগুলি উদ্ধারের পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িগুলিও আটক করেছে পুলিশ।ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, প্রাথমিক অনুমান পুলিশেরপুলিশের প্রাথমিক অনুমান, জাতীয় সড়কের উপর আচমকা একটি ছাগল চলে আসায় সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে স্করপিয়োর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তার জেরেই মোটরবাইকের সঙ্গে গাড়িটির সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বিয়ের আনন্দের আগে ভয়াবহ অভিজ্ঞতাহবু দম্পতির বিয়ের আর মাত্র চার দিন বাকি। জীবনের অন্যতম বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। গুসকরার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ছবি তোলার জন্য দুই ফটোগ্রাফারকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়েছিলেন আসরফ ও জিন্নাতুর।কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই দুর্ঘটনা তাঁদের সমস্ত পরিকল্পনায় ছেদ টেনে দিল। একদিকে বিয়ের প্রস্তুতির মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার আতঙ্ক, অন্যদিকে দুই ফটোগ্রাফার ও এক বাইক আরোহীর মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। যে যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল নতুন জীবনের স্মৃতি তৈরি করা, সেই যাত্রাই হয়ে উঠল এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরের পর গাইঘাটা! নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে, কী ঘটেছিল ভোররাতে?

উত্তর ২৪ পরগনা: নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের ঘটনার পর এবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল এক অভিযুক্ত যুবকের। মৃতের নাম প্রহ্লাদ দাস, যিনি কল্যাণ দাস নামেও পরিচিত। পুলিশের দাবি, অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায় বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে কী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।লক্ষ্মীপুজোর দিন উদ্ধার কিশোরীর দেহ, ঘনীভূত হয় রহস্যপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত লক্ষ্মীপুজোর দিন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় এক প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহটি ছিল বিবস্ত্র, রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অভিযোগ ছিল, কিশোরীকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্ত শুরু করে গাইঘাটা থানার পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ এবং তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহের তালিকায় আসেন প্রহ্লাদ দাস নামে এক যুবক। তিনি নির্যাতিতার আত্মীয় বলেও জানা গিয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ঠিক কী ঘটেছিল, তার উত্তর খুঁজতে শুরু হয় তদন্ত।ঘটনাস্থলে নিয়ে যেতেই কি বদলে গেল পরিস্থিতি?তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের একটি দল। পুলিশি সূত্রে দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।পুলিশের দাবি, নিজেদের নিরাপত্তা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই পাল্টা গুলি চালানো হয়। তাতেই গুরুতর জখম হন প্রহ্লাদ দাস। এরপর দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।যদিও গোটা ঘটনাক্রম সম্পর্কে পুলিশের এই বক্তব্যই এখনও মূল বিবরণ হিসেবে সামনে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি, গুলি চালানোর প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।বারুইপুরের ঘটনার সঙ্গে মিল, বাড়ছে চর্চাগাইঘাটার এই ঘটনার সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনার তুলনা টানা হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রেও অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশের গুলিতে তাঁর মৃত্যুর খবর সামনে আসার পর এবার গাইঘাটার ঘটনায় একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে।পরপর দুই ঘটনায় অভিযুক্তদের মৃত্যুর ধরন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে মিল থাকলেও, প্রত্যেকটির পরিস্থিতি ও প্রমাণ আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তদন্তের পাশাপাশি উঠছে জবাবদিহির প্রশ্ননাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধের তদন্তে যেমন দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ জরুরি, তেমনই পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনাও যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালানো হয়েছিল। সেই দাবির সত্যতা নির্ধারণে ঘটনার পারিপার্শ্বিক তথ্য, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ এবং তদন্তের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।একদিকে কিশোরীর মৃত্যু ঘিরে ন্যায়বিচারের দাবি, অন্যদিকে পুলিশি অভিযানে অভিযুক্তের মৃত্যুর পরিস্থিতিদুই বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। গাইঘাটার এই ঘটনা তদন্তের পর কোন তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: পুলিশের গুলি চালানোর পরিস্থিতি ঠিক কী ছিল এবং তদন্তে কী কী তথ্য উঠে আসে? তার উত্তর মিলবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের পরেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

তিন সপ্তাহেই বক্সা ছাড়ল বাঘিনী, বাঘ ফেরানোর উদ্যোগে বড় ধাক্কা

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হল নতুন করে অনিশ্চয়তা। বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা বাঘিনী টি ১৩৮ বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত ২ অক্টোবর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অত্যন্ত ঘটা করে বাঘিনীটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নাম রাখা হয় বিটিআর টিএফ-১। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি, পর্যাপ্ত শিকারের ব্যবস্থা এবং জলাশয় গড়ে তোলার কাজ হয়েছে বলে দাবি করেছিল বন দপ্তর। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও বাঘিনীর অন্য জঙ্গলে চলে যাওয়ার ঘটনায় গোটা পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বন দপ্তর সূত্রের খবর, বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার পর প্রথম দেড় সপ্তাহ বাঘিনীটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। পরে ধীরে ধীরে তার বিচরণক্ষেত্র বাড়তে থাকে। একসময় প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ঘুরে অসম ও বাংলার সীমান্তবর্তী সংকোশ নদীর আশপাশে পৌঁছে যায় সে। শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হয় অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান।বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সঙ্গী বা মর্দা বাঘের সন্ধান কিংবা স্বাভাবিক বিচরণ প্রবৃত্তির কারণেই বাঘিনীটি বক্সা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বক্সায় বাঘের বংশবিস্তার ও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে একাধিক বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে মাত্র একটি বাঘিনীকে এনে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।বাঘিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখতে তার গলায় পরানো হয়েছিল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও কলার। স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। তা সত্ত্বেও বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যে সহজ নয়, সেই যুক্তিও সামনে আসছে। তবে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরেও বাঘিনীর গতিপথ নিয়ে বন দপ্তরের পরিকল্পনা ও নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বনকর্তার বক্তব্য, নজরদারির ব্যবস্থা থাকলেও বন্যপ্রাণীকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুযায়ী সে অন্যত্র চলে যেতেই পারে।এদিকে বাঘিনীটিকে ঘিরে বন দপ্তরের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, একবার অসমের জঙ্গলের পথ চিনে নেওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও ভবিষ্যতে সে আবার একই পথে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি বিশেষ দল অসমে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। অন্যদিকে, অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে ইতিমধ্যেই ছয়টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাঘিনীটি স্থায়ীভাবে থেকে যায়, নাকি আরও গভীরে মানস ব্যাঘ্র প্রকল্পের দিকে চলে যায়, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।সব মিলিয়ে, বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার শুরুতেই এই ঘটনা বন দপ্তরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবি এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাঘিনীর অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া নতুন করে ভাবাচ্ছে বনকর্তা ও বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বক্সায় বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বেহালায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে অমানবিকতার চরম নজির, বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

কলকাতার বেহালায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর বাবার উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনজনকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো, মারধর এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়ায়। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সরশুনা থানার অন্তর্গত বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। ওই যুবকের সঙ্গে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। সেই আক্রোশ থেকেই যুবক ও তাঁর বাবাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটি নাবালিকা বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক ও তরুণীকে একসঙ্গে দেখতে পান তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর যুবককে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামার জড়িত থাকার দাবি উঠেছে। পরে যুবকের বাবাকেও ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হয়।অভিযোগ, সেখানে ছেলের সামনেই যুবকের বাবার হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলেকে গুলি করতে হবে, না হলে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হবে, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এরপর যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যুবকের এক বন্ধুকেও মারধর করা হয় এবং একইভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সমাজমাধ্যমে ভিডিও ছড়াতেই উত্তেজনা বাড়েঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তরুণীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই তরুণীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, তরুণীর মামাকে স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অস্ত্র আইন ও বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলাজানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরশুনা থানায় ২২২/২০২৬ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ২৫(১বি)(ক) ধারা-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৯, ১১৮(১), ১১৭(২), ১২৭(২), ৩৫৬(২), ৩৫১(৩), ১৪০(৩) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পাশাপাশি, তরুণীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, ঘটনার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন স্থানীয় সাক্ষীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, নির্যাতনের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জোড়াফুলের দখল কার? ঋতব্রতদের ১০ দিনের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট, পালটা হলফনামার সুযোগ কালীঘাট শিবিরকেও

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি লড়াই এখনও অব্যাহত। এই বিতর্কের নিষ্পত্তির জন্য এবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে (ঋতব্রত শিবির) আরও ১০ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে, প্রতিপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও হলফনামা খতিয়ে দেখে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরও অতিরিক্ত ১০ দিন সময় পাবে। ফলে দুই পক্ষের নথি আদানপ্রদান ও পালটা বক্তব্য পেশের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে, আদালতে নথি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কালীঘাটের তরফে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।নথি জমার সময়সীমা বাড়ল, কী বলল আদালত?সোমবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ মেনে কালীঘাট শিবির তাদের নথি জমা দিলেও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী।আদালতে তাঁদের তরফে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় দরকার। দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করতে সমস্যা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি বলেও যুক্তি দেওয়া হয়। সেই কারণে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেন কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে চাওয়া দুই সপ্তাহের পরিবর্তে ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় আদালত। পাশাপাশি, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরকেও আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।উপনির্বাচনে আলাদা নাম-প্রতীক, কিন্তু স্থায়ী সমাধান কোথায়?তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জেরে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। দলের পরিচিত নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখার প্রশ্নেই মূলত এই আইনি লড়াই।গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করেছিল। সেই সময় অস্থায়ী সমাধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে ফুটবল প্রতীক পায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ হয় খাম প্রতীক।কিন্তু উপনির্বাচনের জন্য করা সেই ব্যবস্থা স্থায়ী সমাধান নয়। দলের পুরনো পরিচয় এবং ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি-পালটা দাবি অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের অধিকার পাবে, তা নির্ধারণের আগে দুই শিবিরের বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখতে চাইছে আদালত।হরিয়ানায় নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতরআদালতে নথি জমা দেওয়া নিয়ে যখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নথিপত্র দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় এবং সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।ঋতব্রতর দাবি, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর, রবিবার রাতে চার্টার্ড বিমানে নিজেদের নথি দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ অক্টোবর, শনিবার সড়কপথে নথিপত্র নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সেই নথি নিয়ে যাওয়ার সময় সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হরিয়ানায় তাঁদের ট্রাক আটকানো হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।তাঁর আরও দাবি, ওই সময় নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে দলের কর্মীরা সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাট শিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।চার্টার্ড সংস্কৃতি বনাম তৃণমূল স্তর, কটাক্ষ বিরোধী দলনেতারঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সুরও চড়িয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একদিকে চার্টার্ড বিমানে নথি পাঠানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে দলের কর্মীদের সড়কপথে নথি নিয়ে যাওয়াএই দুই পরিস্থিতির মধ্যে যেন একটি সংঘাত তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতা ও গায়ের জোর দেখিয়ে সবকিছু দখল করার চেষ্টা করা হলেও তা সবসময় সফল হয় না।যদিও নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেও নজর থাকবে।পুরসভা নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্বকলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে আসায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দলের পরিচয় ও প্রতীকের প্রশ্নে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এখন নজর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারে কি না, তার পরিপ্রেক্ষিতে কালীঘাট শিবির কী পালটা বক্তব্য পেশ করে এবং শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার কার হাতে যায়সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। আপাতত আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় দুই শিবিরই।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
দেশ

মোদির বাবা তুলে খাড়গের কটাক্ষ, দেশজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ! ‘ভারতের অপমান’ বলে তীব্র আক্রমণ রাজনাথের

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া শিবির। বিতর্কে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও।নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজনৈতিক মহল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে রাস্তায় নেমে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে ভারতের অপমান বলে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বিজেপির অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমালোচনা করতে গিয়ে খাড়গে ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মন্তব্যের জন্য তাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনাই নয়, কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশ।বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিক্ষোভে বিজেপিখাড়গের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোমবার বিহারে বড়সড় মিছিল বের করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান তোলা হয়। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খাড়গের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।একই ইস্যুতে উত্তেজনা ছড়ায় জম্মুতেও। সেখানে বিজেপি কর্মীরা খাড়গের পোস্টার পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি, আরও কয়েকটি রাজ্যে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বিজেপির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিরোধিতা করতে গিয়ে কোনও ব্যক্তির পরিবারকে টেনে এনে আক্রমণ করা রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী। সেই কারণেই খাড়গের মন্তব্যের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে দল।এটা ভারতের অপমান, খাড়গেকে নিশানা রাজনাথেরএই বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্য, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। যে দল নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই দলের সভাপতির মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।রাজনাথের কথায়, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে এই মন্তব্যগুলি কোনও সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং এমন এক দলের সভাপতি করেছেন, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।এখানেই থামেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খাড়গের মন্তব্যকে দেশের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, খাড়গের এহেন মন্তব্য আসলে ভারতের অপমান।রাজনাথের আরও অভিযোগ, নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে কংগ্রেসের তরফে খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তিক্ত করে তুলছে। ফলে শুধু খাড়গে নন, গোটা কংগ্রেস নেতৃত্বকেই এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে দাবি বিজেপি শিবিরের।কী বলেছিলেন খাড়গে? কোথা থেকে বিতর্কের সূত্রপাত?এই বিতর্কের সূত্রপাত রবিবার বিহারের পাটনায়। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সভায় বক্তৃতা করার সময়ই ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি।খাড়গে যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তবে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশ খাড়গে শুনতে পাননি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি কথাটির অর্থ বুঝেছিলেন অন্যভাবে। তাঁর কানে পৌঁছয়, মোদি কোথাও যাবেন না।এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সময় তিনি বলেন, মোদির বাপকেও যেতে হবে।খাড়গের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর বাবাকে টেনে এনে এমন মন্তব্য করা অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। এই বক্তব্যের জন্য খাড়গের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কাঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে খাড়গের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করছে বিজেপি। অন্যদিকে, এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত আগামী দিনে কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধিতা নতুন নয়। তবে সেই বিরোধিতা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছলে তা রাজনৈতিক শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। খাড়গের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কেও উঠে এসেছে সেই প্রশ্নই। এখন দেখার, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং বিজেপির ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে ফিরুক পাস-ফেল, মোবাইল নিষিদ্ধের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার উপরে জোর দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি (NCC) এবং এনএসএস (NSS) চালু করার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোও জরুরি।রবিবার রামনগরে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা এবং পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং আধুনিক ভাষার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তোলার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষার পরিসর শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপেও গুরুত্ব দিতে হবে।প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি এবং এনএসএস ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও স্কুলে থাকা উচিত। পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শিক্ষানীতি নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এনসিসি তুলে দিয়ে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করা হয়েছিল। ব্রতচারী কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভাষা ও শব্দের ব্যবহার নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal