• ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Oath Taking

কলকাতা

ব্রিগেড ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, ড্রোনে নজরদারি গোটা ময়দান চত্বরে

ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত শপথ গ্রহণ এবং বিজয় সমাবেশ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করল প্রশাসন। কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে গোটা ময়দান চত্বরকে কার্যত নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।প্রশাসন সূত্রে খবর, নিরাপত্তার সুবিধার জন্য পুরো ব্রিগেড এলাকা ৩৫টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। কয়েকটি সেক্টর নিয়ে তৈরি করা হয়েছে আলাদা ব্লক। প্রতিটি ব্লকের দায়িত্বে থাকবেন একজন করে আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি করবেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার নিজে।অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনের অংশ মূলত ভিভিআইপিদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৪০ জন ভিভিআইপি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং ব্রিগেড সংলগ্ন এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি মাঠের চারপাশের বহুতল ভবনের ছাদেও মোতায়েন থাকবেন পুলিশ কর্মীরা।অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা প্রত্যেক মানুষকেই কড়া নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্যে দিয়ে মাঠে ঢুকতে হবে। সাধারণ মানুষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, সবার ক্ষেত্রেই একই নিয়ম কার্যকর থাকবে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, মাঠে কোনওভাবেই ছাতা, ব্যাগ বা জলের বোতল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। কেউ এই ধরনের জিনিস নিয়ে এলে তাঁকে গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষকে আগেই সতর্ক করা হয়েছে, যাতে নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোটা ব্রিগেড এলাকা এবং সংলগ্ন অঞ্চলে পুলিশি টহলও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে রয়েছে।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

Firhad Hakim: কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করবে 'টিম কর্পোরেশন', শপথ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের

কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসাবে ফের শপথ নিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেয়ারপার্সন হলেন মালা রায়। মঙ্গলবার পুরসভায় এক অনুষ্ঠানে মেয়র ও তাঁর পারিষদেরা শপথ নেন। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বার কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ। এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে শোভন চট্টোপাধ্যায় মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলে, তৎকালীন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে থাকা ফিরহাদকে কলকাতার মেয়র পদে বসান মমতা।শপথ নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, টিম কর্পোরেশনকে বিশ্বের সেরা শহর হিসাবে কলকাতাকে তুলে ধরতে হবে। ফিরহাদ হাকিমের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক প্রত্যাশা করে এই বোর্ড গড়েছেন। এই বোর্ডকে মনোনীত করেছেন। আমরা টিম কর্পোরেশন অর্থাৎ চেয়ার পার্সন মালা রায়ের সঙ্গে আমরা সবাই, সব কাউন্সিলররা একটাই শপথ নেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে প্রত্যাশা মানুষকে সেবা দেওয়ার, কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করার সেটা আমরা বাস্তবায়িত করব। মানুষকে এমন জায়গায় সেবা দিতে হবে, যাতে মানুষ বলেন এই বোর্ড শ্রেষ্ঠ বোর্ড। আমি নিশ্চিতভাবে মেয়র। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা কেউ প্রশাসনিক বিরাট পদে নয়। আমরা সবাই সেবক এবং প্রধান সেবকের নাম ফিরহাদ হাকিম। আমরা সকলে মিলে কাজ করব।পুরনির্বাচনে ১৩৪টি আসনে জয়ী হয়ে আগেই পুরবোর্ড গঠন নিশ্চিত করেছিল তৃণমূল। এরপর মহারাষ্ট্র নিবাস হলে মেয়র, চেয়ারপার্সন, মেয়র পারিষদ, বরো চেয়ারম্যানদের নাম ঠিক করে দিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারের এই অনুষ্ঠান ছিল নেহাতই উপচার। প্রবীণ কাউন্সিলর হিসাবে ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাম প্যায়ারে রাম। তিনিই মেয়র ও চেয়ারপার্সনকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।ডেপুটি মেয়র পদে শপথ নেন অতীন ঘোষ। মেয়র পারিষদ পদে শপথ নেন দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, তারক সিং, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দার, মিতালি বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, রাম প্যারে রাম, সন্দীপন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ বক্সী, আমিরউদ্দিন ববি। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন মেয়র। শপথবাক্য পাঠ করানোর পর ফিরহাদ বলেন, মেয়র বা মেয়র পারিষদ কিংবা কাউন্সিলর হলেই চলবে না, যখন ডাকি তখন পাই, এমনটাই হতে হবে। সে কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিনিধি করে আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, দায়িত্ব পালন মানে মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের সেবা করা।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Dhankhar: মমতাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল

৭ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, বিধায়ক হিসেবে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় গিয়ে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। মঙ্গলবার বিকেলে টুইট করে ধনখড় এ কথা জানান। একই সঙ্গে বিধায়ক পদে শপথ নেবেন আমিরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন।উল্লেখ্য, বিধায়কদের শপথ পড়ানো নিয়ে প্রবল টানাপোড়েন চলছিল। উপনির্বাচনে জয়ী তিন বিধায়ককে কে শপথবাক্য পাঠ করাবেন, তা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। একই সঙ্গে সূত্রের খবর ছিল, এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কোনওরকম জটিলতা চাইছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বিবাদে, বিনা বিতর্কে এই পর্ব হোক বলেই ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন তিনি।Earlier @itspcofficial had indicated pl administer oath of 3 elected members on 7th October 2021 at 11.45 a.m. and after issuance of order has sought Kindly allow to administer oath at 2 p.m. instead of 11.45 a.m.Now oath will be administered at 2 PM at WBLA by Governor WB. https://t.co/v0qjB0Aq5B pic.twitter.com/RBVA4mdFdG Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) October 5, 2021মমতার শপথ কোথায় হবে, রাজভবন না বিধানসভা, শপথ বাক্যই বা কে পাঠ করাবেন, রাজ্যপাল না অধ্যক্ষ, তা নিয়েও জল্পনা চলছিল। গুঞ্জন ছিল, রাজভবনে মমতার শপথের অনুষ্ঠান হলে সেখানে উপস্থিত নাও থাকতে পারেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আপাতত ধনখড়ের টুইটে সেই জল্পনার অবসান। তবে একই সঙ্গে এটাও স্পষ্ট হল, মমতাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাজ্যপালই, স্পিকার নন।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
কলকাতা

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দলবদলের জল্পনা বাড়ালেন বঙ্গ রাজনীতির 'চাণক্য' মুকুল

তিনি বরাবরই কৌশলী, বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য। দীর্ঘদিন পর সক্রিয় রাজনীতিতে এসেও তারই প্রতিফলন ঘটালেন।শপথ গ্রহণের দিন মুকুল রায়ের আচরণ বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো। শুক্রবার তিনি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান বিধানসভায়। ঠিক ১০ মিনিট সেখানে ছিলেন। শপথগ্রহণের পর বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে না গিয়ে সোজা তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরের দিকে চলে যান তিনি। সেখানে দেখা করলেন শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে, চলল সৌজন্য বিনিময়ও। তারপরই অবশ্য মুখে কুলুপ আঁটলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। বলেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এই কথাই বহুমুখী ইঙ্গিতবাহী।জয়ের পর বিধায়কের শপথ নিতে এসে মুকুলের আচরণ কিন্তু উস্কে দিয়েছে একাধিক জল্পনা। এদিন বিধানসভা কক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তারপরই মুকুল রায়কে ঘিরে ধ্বনি ওঠে, দলনেতা হতে হবে। এসবে বিশেষ কর্ণপাত না করে তিনি তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে যান। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বক্সির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন, অন্যদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে চলে যান। একটিবারও ঢোকেননি তাঁর নিজের দল বিজেপি পরিষদীয় দলের ঘরে। এমনকী পরিষদীয় দলের বৈঠকও এড়িয়ে গিয়েছেন।এরপর মুকুল রায় বিধানসভার বাইরে এলে তাঁকে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে নানা প্রশ্ন করেন। তাতে প্রথমে মুকুল রায় জবাব দেন, মানুষের জীবনে এমন দু-একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়। এ নিয়ে জল্পনা উস্কে ওঠে। এই নীরবতার কী অর্থ। বিজেপি বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে কেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরও অনেকের সঙ্গেই হয়েছে। সুব্রত মুখার্জিকে দেখিনি। কিন্তু সকলে যে তাঁকেই বিরোধী দলনেতা হওয়ার দাবি তুললেন? এ নিয়ে একটি কথাও উচ্চারণ করেননি মুকুল। এমনিতেই এই পদ নিযে মুকুল-শুভেন্দুর একটা অলিখিত লড়াই আছে, যে লড়াইয়ে অনেকেই শুভেন্দুকে এগিয়ে রাখছেন। কারণ, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর নজরকাড়া সাফল্য। তবে কি এই দৌড়ে খানিক পিছিয়ে থেকেই তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন একদা তৃণমূলের ভরসাযোগ্য নেতা মুকুল রায়? তাঁর আজকের আচরণ তুলে দিচ্ছে এমনই বেশ কিছু প্রশ্ন।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

আজ মমতার শপথগ্রহণে বেশ লম্বা আমন্ত্রিতর তালিকা

তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫ মে সকাল পৌনে ১১টায় রাজভবনে শপথগ্রহণ করবেন তিনি। কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ছোট করে সারা হচ্ছে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান। তবে আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে একাধিক চমক।সূ্ত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। যদিও শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি উপস্থিতি থাকবেন না বলেই খবর। আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেও। তিনি আসবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান, কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী, বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্য বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুকেও। এছাড়া শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে তৃণমূলের তরফে হাজির থাকতে পারেন বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক সুব্রত মুখোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তারকা সাংসদ দেব এবং শতাব্দী রায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। তবে এবার অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা নেতা-নেত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। দেশের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

মে ০৫, ২০২১
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা মমতার, ৫ মে শপথ

শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক হতেই রাজভবনে গেলেন রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠক সারলেন তিনি। জমা দিলেন নিজের পদত্যাগপত্রও। যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকেই রাজ্যের দায়িত্ব সামলাতে বললেন রাজ্যপাল। এদিকে এদিন সন্ধেয় রাজ্য থেকে আচরণবিধি প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ আজ থেকে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব ফিরল রাজ্যের হাতে। বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর আসছে। সেই মুহূর্তে রাজ্যের হাতে ক্ষমতা ফেরানো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলপ্রকাশের দিনই মমতা জানিয়েছিলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা করে শপথগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক করবেন। এদিন তৃণমূল ভবনে নির্বাচিত দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন মমতা। তার পরই দলের তরফে জানানো হয়. ৫ তারিখ তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবেন মমতা। বিধায়কদের স্বাক্ষর করা চিঠি নিয়ে রাজভবনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। রাজ্যপালের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান মমতা। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগও করেন তিনি। উল্লেখ্য, নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করাই নিয়ম। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সোয়া একঘণ্টা বৈঠক হয় রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা, কোভিড পরিস্থিতি এবং মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনা হয়। কোভিড টুইট করে সাক্ষাতের কথা জানিয়েছেন রাজ্য ধনখড়ও। তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় মমতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ধনখড়। ছিলেন রাজ্যপালের স্ত্রীও। ধনখড় জানিয়েছেন, ৫ তারিখ সকালে পৌনে ১১টায় শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছোট করে সারতে চাইছেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। এদিন তা নিয়েও রাজ্যপালের সঙ্গে কথা হয় বলে খবর রাজভবন সূত্রে।

মে ০৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দরজা বন্ধ বলেই দাবি ছিল, তবে কেন তৃণমূলের তিন নেতাকে নিল বিজেপি? জানালেন শমীক

রাজ্য রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল বুধবার। এক মাস আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়া তিন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে তাঁরা দলে যোগ দেন। এই যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, তৃণমূলের জন্য দলের দরজা বন্ধ। তবে এ দিন সেই অবস্থানের ব্যাখ্যাও দেন শমীক ভট্টাচার্য।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে এমন রাজনীতি চলেছে, যেখানে কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতার বদলে সংঘাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে রাজ্যের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আস্থা রেখে তৃণমূল ছেড়ে আসা তিন প্রাক্তন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ থাকার পরও কেন এই তিন নেতাকে দলে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, রাজনীতিতে ব্যতিক্রম থাকেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি জানান, যাঁরা দুর্নীতি, কাটমানি, চাকরি বিক্রি, সিন্ডিকেট বা সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা সব সময় খোলা।তিনি আরও বলেন, এই তিন নেতাকে শুধু প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। এখন থেকে তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, তাঁরা বিজেপির সদস্য। তাই তাঁদের নামের আগে দলত্যাগী বা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বলার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।তিন প্রাক্তন সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। আগামী দিনে এই যোগদানের প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, জল্পনার মাঝেই বড় ঘোষণা

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়। সম্প্রতি অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের পর এই বৈঠককে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে নবান্ন থেকে বেরিয়েই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে দেন প্রসেনজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি যদি কোনও দিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই খবর তিনি নিজেই সকলকে জানাবেন। তাঁর কথায়, এ দিনের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উন্নয়ন এবং মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের পরিকল্পনা।অভিনেতা জানান, আগামী তিন সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বড় আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এখনই কোনও ঘোষণা নয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইতিবাচক খবর আসতে পারে বলেও আশাবাদী তিনি।প্রসেনজিৎ আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে অতীতেও কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি, এখনও হয়নি। তিনি শুধু নিজের শিল্প, নিজের ইন্ডাস্ট্রি এবং মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, উত্তম কুমার শুধু বাংলার নন, তিনি গোটা দেশের গর্ব।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে কোনও বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। তবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, তিনি সব সময় পাশে থাকবেন। তাঁর কথায়, এই ইন্ডাস্ট্রিই তাঁর পরিচয়, তাই এর উন্নয়নের জন্য যে কোনও সময় কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

‘আমিই এক নম্বর টার্গেট!’ ইরানকে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, হঠাৎ বিমান বদলে বাড়ল জল্পনা

নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় প্রথম নাম তাঁরই। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্পের হঠাৎ বিমান বদল ঘিরেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।ন্যাটোর শীর্ষ বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অবস্থান আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাঁর দাবি, একের পর এক নেতৃত্বে পরিবর্তন হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, তিনিও যে কোনও সময় হামলার শিকার হতে পারেন। কারণ, ইরানের লক্ষ্যবস্তুদের তালিকায় তাঁর নামই প্রথম।ট্রাম্পের কথায়, তিনি জানেন ইরানের প্রধান নিশানা তিনি নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণ একই রকম রয়েছে। দেশের এবং বিশ্বের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তিনি সেই কাজই করছেন বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে আরেকটি তথ্য। ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিতে যে বিমানে তিনি তুরস্ক গিয়েছিলেন, ফেরার সময় সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। পরিবর্তে অন্য বিমানে ওয়াশিংটনে ফেরেন তিনি। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি। ট্রাম্পও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কার মন্তব্য এবং হঠাৎ বিমান বদলের ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই কি এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চৌদ্দ বছর পর হঠাৎ খুলল বরুণ হত্যা মামলা! সিআইডি পৌঁছতেই জ্যোতিপ্রিয়কে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি পরিবারের

চৌদ্দ বছর আগে নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী আধিকারিকেরা উত্তর চব্বিশ পরগনায় বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।পরিবারের দাবি, আগের তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সিআইডির এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় দাবি করেছেন, তাঁর ভাই তোলাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি এখনও হয়নি।পরিবার জানিয়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্ত চেয়েছে। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal