• ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

OC

রাজনীতি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াতে বলেছিলেন , তৃণমূল ত্যাগী। আর এখন তাঁদের নেতারা দলত্যাগ করছেন। শনিবার ধনেখালির দশঘড়ায় চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। সেখানে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়াকে সমর্থন শীলভদ্রর তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের ভিতরে দ্বন্দ্ব আগেই শুরু হয়েছিল। যেসব নেতা ভাবছিলেন কী করবেন , তাঁরা তৃণমূল ত্যাগী কথাটা শুনে দলত্যাগ শুরু করেছেন। তৃণমূলকে ত্যাগ করছেন। আগামীদিনে আরও বড় বড় সব মাথারা বের হবেন। তৃণমূলে ২ জন ছাড়া আর কেউ থাকবে না। পিসি আর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না। জোড়া ফুলে জোড়া মালিক ছাড়া আর কেউ থাকবে না। শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তাঁর বক্তব্য, ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপি ১৮টা আসন জিতেছে। আগামীতে বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে। আমরা জানি যে, বিজেপিই সরকারে আসছে। তাই আমরা চাই যে, ভালো ভালো মানুষগুলো বিজেপির সঙ্গে থাকুক। তাহলেও মানুষও আরও বেশিভাবে আমাদের পাশে থাকবে, সঙ্গে থাকবে। বিজেপি আগেও জিতেছে, আগামীতেও জিতবে। সবাইকে নিয়েই আমরা একসাথে ভালোভাবে কাজ করব। এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশগ্রহণ করে ঝাড়ু হাতে ঝাট দেন। লকেট জানান বুথে বুথে, ব্লকে ব্লকে, মণ্ডলে মণ্ডলে এই অভিযান হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধেও স্বচ্ছতা অভিযান জারি রয়েছে। যাঁরা দুর্নীতিযুক্ত নেতা আছেন, তাঁদের এই বাংলা থেকে বের করতে হবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবাদে দফায় দফায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তৃণমূলের অভিযোগ, খেজুরির বীরবন্দরের পাটনা, কন্ঠীবাড়ি, আলিচক-সহ মোট ছয়টি পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া হয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির পতাকা। অনেক দলীয় দফতরে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়াও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ তুলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই। আরও পড়ুন ঃ অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধে থেকেই খেজুরির বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। জনকা, বীরবন্দ-সহ একাধিক এলাকায় মোটর সাইকেল বাহিনী রাতে তৃণমূলের ছটি পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির দলীয় পতাকা। এভাবে দখলের খেলা শুরু করেছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। আরও অভিযোগ, রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তাঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হয়।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী

অবশেষে তৃৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। প্রসঙ্গত, শুক্রবার তিনি তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। এদিন তিনি দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে কেন্দ্রের শাসকদলে যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের সময় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও অর্জুন সিং। কৈলাস বিজয়বর্গীয় তার গলায় উত্তরীয় পড়িয়ে দলে বরণ করে নেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে মিহির গোস্বামী বলেন, আমি ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছি৷ আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে যে অনাচার চলছে, দুর্নীতি ও ঠিকাদারি সংস্থার রাজত্ব তৈরি হয়েছে তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। স্বাধীনতার পর থেকে বাম ও ডানপন্থী উভয় জামানায় উত্তরবাংলার প্রতি যে বঞ্চনা, ধারাবাহিকভাবে যে অবহেলা হয়ে এসেছে তার প্রতিবাদে আমার ধর্মযুদ্ধ বলতে পারেন ৷ রাজনৈতিক জীবনের প্রান্তে এসে, আমি আমার বাংলার নতুন দিনের ভোট দেখতে চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে আমরা উত্তরবঙ্গের মানুষ সুদিন দেখতে পাব ৷ আরও পড়ুন ঃ মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে থেকে দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামীর। বারবার দলের নেতা-মন্ত্রী এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। দলের তরফে প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরবর্তীতে একাধিক নেতা কথা বলেন মিহিরবাবুর সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আসে বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে মিহির গোস্বামীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। তখন থেকেই শুরু কানাঘুষো। অনেকের মনেই ধারণা তৈরি হয়, সাংগঠনিক পদত্যাগের পাশাপাশি এবার মিহিরবাবু দলবদলও করতে চলেছেন। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত এই জল্পনাকে প্রশ্রয় দেননি বিধায়ক। বরং বারবারই জানিয়েছেন, দলবদল নিয়ে কখনওই কিছু ভাবেননি তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দলের প্রতি অভিমান ব্যক্ত করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন বিধায়ক। সেখানেই লেখেন, আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের

রেলের এলাকায় বেআইনি ভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লাঠি হাতে নিয়ে মিছিল করেন বিধায়ক অসিত মজুমদার। মিছিলে মহিলা-পুরুষ সকলের হাতেই ছিল মুঙ্গেরের লাঠি। এর আগে এই উচ্ছেদের প্রতিবাদ করতে তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা ঝাঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে। অসিত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নোটিশ দিয়েছে রেলের এলাকায় চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ধরে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ব্যান্ডেল অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে আজ এখানে লাঠিসহ মিছিল করলাম। এর আগে মেয়েরা ঝাঁটা নিয়ে বেরিয়ে ছিল। আজ আমরা লাঠি নিয়ে বেরিয়েছি। রেলের আরপিএফের ক্ষমতা দেখতে চাই। মানুষের পেটে লাথি মারবার সরকার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের ক্ষমতা বেশী না গরীব মানুষের ক্ষমতা বেশি। আরও পড়ুন ঃ ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি তিনি আরো বলেন, লকেট চট্টোপাধ্যায় নাটক করছেন। যখন এই নোটিশ জারি করা হয়েছিল, তখন তো লকেট চট্টোপাধ্যায় কোনও কথা বলেননি। এই উচ্ছেদ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে রেল কতৃপক্ষ আরও ৬ মাস সময় নিয়েছে বলে প্রচার চলছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সে বিষয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করার কথা রয়েছে। অসিত মজুমদার সেই প্রসঙ্গে বলেন, ব্যান্ডেলের মানুষ প্রতিবাদ করেছে। নির্বাচন সামনে আসছে, এখন নাটক করছে। বিকল্প ব্যবস্থা করে উচ্ছেদ করতে হবে। বিধায়কের জবাব, হ্যা করছি। দরকার হলে গরীব মানুষের জন্য করব। যাদের পেটে লাথি মারছে, এই শীতে তাঁদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করলে যা করতে হয় তাই করব। রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর জেলার তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ

প্রত্যাশামতোই বিজেপিতে যোগ দিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান। বুধবার তিনি মেচেদাতে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। তাঁরা সিরাজ খানের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। কয়েকদিন আগেই তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি একজন মৎস্যজীবী। আমাকে মৎস কর্মাধ্যক্ষ না দিয়ে খাদ্য দফতর দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোন কাজ করতে পারছি না। এছাড়াও খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে তিনি গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছেঃ দিলীপ তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা নিয়ে তোলপাড় পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল। এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে দল বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তলে বহু দিন ধরেই কোনও কর্মসূচিতে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে শুভেন্দুর সঙ্গেই দলের সাংসদ সৌগত রায়ের বৈঠক চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের এক মুসলিম তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী

আমার দল আর আমার নেত্রীর হাতে নেই, অর্থাৎ এই দল আর আমার নয়, হতে পারে না। দিদি এখানে নিস্পৃহ। ফের তৃ্ণমূলের বিরুদ্ধে এ ভাষাতেই তোপ দাগলেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে আরও লেখেন , শ্যামা মায়ের আরাধনালগ্নে আমার এই অনুমান আরও দৃঢ় হয়েছে। তাই এই দলের সঙ্গে সমস্ত রকমের সম্পর্ক ছিন্ন করাটাই কি স্বাভাবিক নয়? তাঁর অভিযোগ , যে দলের অভিধানে সম্মান বলে শব্দটিই অনুপস্থিত , সেই দলে বাইশটা বছর কাটিয়ে দিলাম! কী করে সম্ভব হল, কেন তা সম্ভব হল এসব প্রশ্ন উঠে আসে নিজের মনেই! উত্তর একটাই খুঁজে পাই, দিদি! দলের ভেতর অজস্র অপমান অবমাননা ক্রমাগত সহ্য করে গিয়েছি অকারণে, চুপ করে থাকার জন্য শুভানুধ্যায়ীরাও বিরক্ত হয়েছেন বারবার। কিন্তু আমার উত্তর একটাই ছিল, দিদি! যার উপর বিশ্বাস-আস্থাতেই এতদিন টিকে ছিলাম। আরও পড়ুন ঃ উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ তিনি দলের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আরও লেখেন , ১৯৮৯ সাল থেকে মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়ের নেতৃত্ব মেনে চলেছি। দীর্ঘ তিরিশ বছর অতিক্রম করার পর বোধগম্য হয়েছে, দিদির লোক এখানে অপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বহীন। অন্যায্য সবকিছু মেনে নিয়ে যো হুজুর করে টিকে থাকতে পারলে থাকো, নয়ত তফাৎ যাও। তিনি আরও লেখেন , সংগঠন থেকে আমার অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা করার পর ছয় সপ্তাহ কেটে গেছে। এই বিয়াল্লিশ দিনে আমি সব দলের কাছ থেকে এক বা একাধিক ফোন কল পেয়েছি, কথা বলেছি। বহু পুরনো রাজনৈতিক বন্ধুর ফোন পেয়েছি রাজ্যের বাইরে থেকেও। কিন্তু গত ছয় সপ্তাহে খোদ নেত্রীর কাছ থেকে কোনও ফোন আসেনি। কোনও বরখাস্তনামা কিংবা বহিস্কারের নির্দেশও আসেনি তাঁর কাছ থেকে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

পুলিশ নিয়মমাফিক রাজ্যপালকে গার্ড অব অনার দেয়নি। এবার তা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এ প্রসঙ্গে একটি টুইটও করেন তিনি। রাজ্য পুলিশ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। আরও পড়ুন ঃ দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু বৃহস্পতিবার প্রথমে পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী। এছাড়াও বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও ছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তারপর সেখান থেকে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কোচবিহার রাজবাড়িও ঘুরে দেখার পর সার্কিট হাউসে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এরপর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু্তে ক্ষোভ উগড়ে দেন। উপাচার্যরা তার সঙ্গে দেখা না করায় তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল রেল-রাজ্যের বৈঠকে। বুধবার থেকেই রা্জ্যে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। প্রথমদিনই অফিস টাইমে অনেক স্টেশনেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে ট্রেনগুলিতে। দ্বিতীয় দিনও তার অন্যথা হয়নি। সকলেই কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা করছে। এবার সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় কীভাবে? তা নিয়েই বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে ফের বৈঠকে বসে রেল ও রাজ্য। গত রবিবার রাতেই পূর্ব-রেল ঘোষণা করেছিল, হাওড়া, শিয়ালদা ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬১৫টি লোকাল ট্রেন চলবে। কিন্তু বুধবার ৬৯৬টি লোকাল ট্রেন চলেছে বলে দাবি করে রেল। আরও পড়ুনঃ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ রাজ্যেঃ মমতা এদিন ভবানীভবনের বৈঠক থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অফিস টাইমেই সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। ওইসময় ১০০ শতাংশ ট্রেন চালানোতে সহমত হয়েছে রেল। এখন যা ৭৫ শতাংশ চলছে। রেলের আধিকারিকরা জানান, আগে যেখানে ৩০ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাত্রা করত, এখন তার এক-তৃতীয়াংশ যাত্রী যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ ১০ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করছেন। এক একটি ট্রেনে আগে যেখানে প্রায় ২ হাজার ২০০ যাত্রী উঠতেন, এখন সেখানে মাত্র এক হাজার ২০০ যাত্রী উঠছেন। কিছু কিছু স্টেশনে দেখা গিয়েছে, সাধারণ যাত্রী কোভিড-বিধির তোয়াক্কা করছেন না। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় এদিন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

লোকাল ট্রেন চালু হতেই জনসমুদ্র হাওড়া স্টেশন

রাজ্যের সঙ্গে রেল কতৃপক্ষের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল , ১১ নভেম্ব্র থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। মানতে হবে সমস্ত কোভিডবিধিও। বুধবার সকাল থেকে সেইমতোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু বেলা গড়াতেই অফিস টাইমে ব্যান্ডেল লোকাল হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতেই জন সমুদ্রে ভেসে গেল স্টেশন চত্বর। যাত্রীদের বাস ধরার দৌড়ে সমস্ত বিধিনিষেধই হার মানল। তাই দেখে হতবাক হয়ে পড়েন রেল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকালের অফিস টাইমে পুরনো ছবিই দেখা গেল হাওড়া স্টেশনে। কোভিড নীতি মেনে রেল কর্তৃপক্ষ ট্রেনে এবং হাওড়া স্টেশনে বিভিন্ন ব্যবস্থা করলেও অফিস টাইমের ভিড়ে শিকেয় ওঠে সামাজিক দূরত্ব বিধি। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির রেলের হিসেব অনুযায়ী আগে প্রতিটি লোকাল ট্রেনে কম-বেশি ১২০০জন যাত্রী যাতায়াত করত। কোভিড পরিস্থিতিতে সেই সংখ্যা ৬০০থেকে ৭০০তে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এদিন অফিস টাইমের ভিড় সব পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তিনজনের বসার সিটে দুজনের বসার কথা থাকলেও ভিড়ের সময়ে সেই সিটেই চারজন করে যাত্রীকে বসতে দেখা যায়। উল্লেখ্য , এদিন পরিকল্পনা মতো ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় হাওড়া স্টেশনকে। মাস্ক ছাড়া এদিন যাত্রীদের কাউকেই ট্রেনে যাতায়াত করতে দেওয়া হয়নি। ভীড় এড়াতে রেল পুলিশের তরফ থেকে বারবার মাইকিং করা হয়। হুইসেল বাজিয়ে ভীড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় আরপিএফ কর্মীদের। সকালে হাওড়া স্টেশনে ঘুরে ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার ইশাক খান। আরপিএফের তরফে উপস্থিত ছিলেন রজনীশ ত্রিপাঠী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এদিন লোকাল ট্রেনে হকারদের উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনের ডি আর এম ঈশাখ খান বলেন প্রয়োজন হলে অফিস টাইমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। তিনি আরো বলেন, মানুষকে সচেতন হতে হবে। ফোর্স দিয়ে মানুষকে নিয়ম মানানো সম্ভব নয়। এদিন সকালেও হাওড়া স্টেশনে দফায় দফায় জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়। পরিস্থিতি যা আজ থেকেই ক্রমে ছন্দে ফিরছে হাওড়া স্টেশন। এদিন ভোর চারটে নাগাদ প্রায় সাড়ে সাত মাস পর হাওড়া স্টেশন থেকে প্রথম লোকাল ট্রেন যাত্রা শুরু করে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল

করোনাজনিত কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। সেই থেকে ৮ মাস গড়ায়নি লোকাল ট্রেনের চাকা। মাঝে রেলকর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চললেও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কাছে অধরাই থেকে গিয়েছিল লোকাল ট্রেন। অবশেষে রাজ্য-রেল বৈঠকের পর বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা। বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। বঁনগা স্টেশনেও ভিড় ছিল ভালই। কয়েকটি স্টেশনে কিছুটা হলেও ভিড় দেখা গিয়েছে। আবার কয়েকটি স্টেশনে একদমই ভিড় ছিল না। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই পালন করেছে কোভিডবিধি। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। কিন্তু এদিন যারা ট্রেনে যাতায়াত করেছেন , সকলকে অনেকক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট রেলসুত্রে খবর, প্রতিদিন রাজ্যে ৬৯৬টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদা ডিভিশনে চলবে ৪১৩টি ট্রেন, শিয়ালদা উত্তর ও মেইন শাখায় চলবে ২৭০টি ট্রেন, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলবে ১৪৩টি ট্রেন, হাওড়া স্টেশনে ২০২টি ট্রেন, বাকি ৮১টি ট্রেন চলবে খড়গপুর ডিভিশনে। যাত্রীদের দাবি , আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেন চালানো হলে সকলে কোভিড বিধি মেনে যাতায়াত করতে পারে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

রাশমি রকেট ছবির ফার্স্টলুক প্রকাশ্যে আনলেন তাপসী পান্নু

সদ্য শুরু হয়েছে রাশমি রকেটের শুটিং। শুটিং শুরুর দিন কয়েকের মধ্যেই সিনেমার ফার্স্টলুক প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। এই ছবিতে তিনি একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ছবির ঘোষণার পর অনেকেই অপেক্ষা ্করছিলেন , এই ছবিতে তাপসী পান্নুর লুক কেমন হবে ? সদ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই লুক প্রকাশ করেছেন তাপসী। সেই পোস্টে একটি নীল রঙা স্পোর্টস আউটফিটে দেখা যাচ্ছে তাপসীকে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ট্র্যাকিওস্টমি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের এই ছবির জন্য তিনি যে নিজেকে বেশ ধরে প্রস্তুত করেছেন, তা ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইন্সটাগ্রামে ফার্স্টলুক শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, লেটস ডু দিস , রাশমি রকেট। তাপসী পান্নুর আগের ছবিগুলির মতো এই ছবিও দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়ছেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী

তৃণমূলে আর ফিরবেন না কোনওদিনই। সো্মবার একথা জানিয়ে দিলেন কোচবিহারের দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিদ্রোহী বিধায়ক মিহির গোস্বামী। আগামী দিনে কোন দলে যোগ দেবেন এই প্রশ্নে তাঁর সাফ কথা-- অনেকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিজেপির সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন। তিনি অবশ্য এখনই কিছু ঠিক করেননি। মানসিক প্রস্তুতি নিলে জানাব। তিনি এদিন বলেন , বেড়ালের গলায় ঘণ্টা কে বাঁধবে, এটা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দ্বিধা ছিল, তিনি সেটা বেঁধে দিলেন। সম্প্রতি এক কর্মিসভায় দিনহাটার তৃ্ণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ দলের নেতা - কর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন , অনেক খেয়েছেন। আবার খাবেন। তবে এখন ছ মাস খাওয়া বন্ধ রাখুন। এখন মানুষের খাবার মানুষকে খেতে দিন। এবার মানুষের খাবার কেড়ে নিলে মানুষ পরবর্তী্তে আর খাওয়ার সুযোগ দেবে না। সেই প্রসঙ্গ টেনে মিহিরবাবু বলেন , একজন বিধায়কের মুখে এমন কথা মানায় কি ? শুধু নীচুতলার নেতা-কর্মী কেন, দলের উপরের নেতারাও দুর্নীতিগ্রস্ত। মিহিরবাবু দাবি করেন, দোলা সেনও প্রায় একই ধরনের কথা বলে নীচুতলার দলীয় নেতাকর্মীদের অপমান করেছেন। মিহিরবাবু জানান, দোলার বক্তব্য ছিল , ৭৫ শতাংশ দলকে দিন, ২৫ শতাংশ নিজের রাখুন। মিহিরের আপত্তি, দোলার এই কথায় দলের দুর্নীতিগ্রস্ততার বিষয়টিই সিলমোহর পেয়ে যায়। ফলে তিনি অপমানিত বোধ করছেন। মিহিরবাবুর বক্তব্য, যেসব বিধায়ক ও সাংসদ দলীয়কর্মীদের এভাবে অসম্মান করছেন, তাঁদের এ বার নিজেদের দিকেও তাকানো দরকার। দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করে বলেন, তৃণমূলের অবস্থা উলঙ্গ রাজার মতো। আরও পড়ুন ঃ রাজ্য নেতৃত্বকে উপেক্ষা? মন্ত্রীর সভামঞ্চে হাতের লাঠি বহিষ্কৃত নেতা! তাঁর সবচেয়ে ক্ষোভের জায়গা , উত্তরবঙ্গের প্রতি বঞ্চনা। তাঁর মতে, যা আগেও ছিল, এখনও চলছে। মিহির জানান, সব কিছুই কলকাতাকেন্দ্রিক। কিছু নেতা সব কিছু কলকাতা থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত এখানকার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারীর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি কিছু না বলে মিহিরবাবু জানান, শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ৪০ বছরের সম্পর্ক। প্রসঙ্গত , দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে অক্টোবরের গোড়াতেই দলের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন মিহিরবাবু। এরপর থেকে কখনও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে বৈঠক করে , কখনও রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা না করে তাদের ফিরিয়ে দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

বিভিষণ হাঁসদার মেয়ের চিকিৎসায় সবরকম সাহায্যের আশ্বাস বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকারের

বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপর থেকে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শনিবারই ্তৃ্ণমূলের এক জেলা পরিষদ সদস্যা বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে আর্থি্ক সাহায্য করেছিলেন। সেই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বিভীষণ হাঁসদার পরিবারের কাছে সাহায্যের ডালি নিয়ে হাজির হলেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। রবিবার তিনি বিভীষণবাবুর মেয়ের চিকিৎসার কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, প্রয়োজনে এইমসে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হবে ওই ছাত্রীর। বিজেপির এই সহযোগিতায় আপ্লুত বিভীষণ হাঁসদা। তিনি বলেন , আমি রাজনীতি করি না। কোনওদিন রাজনীতি করিনি। আজ সুভাষবাবু সরকার আসায় মনে হচ্ছে মেয়েটা ফের সুস্থ হয়ে যাবে।বিভীষণবাবুর একটাই আবেদন, তাঁকে নিয়ে যেন রাজনীতি না করা হয়। আরও পড়ুন ঃ বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের জানা গিয়েছে , বিভীষণ হাঁসদার মেয়ে রচনা দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়বেটিস ইনসিপিডাসে আক্রান্ত সে। ২ বছর ধরে চলছে চিকিৎসা। নিয়মিত নিতে হয় ইনসুলিন। ফলে মাসে মেয়ের চিকিৎসার জন্যই বিভীষণের খরচ হয় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। যা জোগাতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় তাঁকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বাড়িতে যাবে জানার পরই তাই বিভীষণ স্থির করেছিলেন, অমিত শাহের কাছে মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকারি সাহায্যের আরজি জানাবেন। ঘটনাচক্রে সেই মুহূর্তে মনের কথা শাহের কাছে প্রকাশ করতে পারেননি বিভীষণ। যদিও পরবর্তীতে তা জানতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানান, ওই পড়ুয়ার খরচ নেবে বিজেপি। এরপরই রবিবার সকালে বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি যান সুভাষ সরকার।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সেদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জো বিডেন। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। শনিবার পঞ্চম দিনের ভোট গণনা শুরু হতেই পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট চলে যায় বিডেনের ঝুলিতে। ফলে সহজেই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের ম্যাজিক ফিগার পার করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা এখন ২৭৩। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আটকে রইলেন ২১৩তেই। ফলে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বয়স্ক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বিডেন। ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ারও নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। জো বিডেন বলেছেন , এ দেশের মানুষ একসঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা একযোগে জয়ের বার্তা দিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ভোটে আমরা জিতেছি। এই জয় মানুষের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। তাই এই জয় আমেরিকাবাসীর জয়। জয়ের যত কাছাকাছি এসেছেন বিডেন ততই আমেরিকার রাস্তায় ভিড় জমতে শুরু করেছে। উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন মানুষ। এতেই আপ্লুত বিডেন। তাঁর কথায়, এটা উন্মাদনা জয়ের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতের শুভ সূচনার আশায় মানুষের আস্থা। আমি এই আশা-আস্থা পূরণের চেষ্টা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আরও পড়ুন ঃ করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের রবিবার একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জো বিডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক মজবুত করতে আপনার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। একইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান মোদি। টুইটারে তিনি লেখেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের জন্য আপনার সফলতা অত্যন্ত গর্বের। আপনার নেতৃত্ব ও সমর্থনে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের

নিশ্চিত জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে প্রথমেই করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। শুক্রবার ডেলাওয়্যারের উইলমিংটনে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে বিডেন বলেন, আমাদের রাজ, দ্বেষ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। এবার সময় এসেছে দেশ হিসাবে আমাদের একজোট হয়ে লড়াই করার। গোটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আসছে আমার ওপর। আমি সবাইকে বলতে চাই, আমার প্রথম কাজই হবে করোন সংক্রমণ প্রতিরোধ। যে প্রাণ চলে গিয়েছে, তা ফেরত পাব না কিন্তু আগামীতে অনেক প্রাণ আমাদের বাঁচাতে হবে। এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমরা। এছাড়া, দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে মজবুত করা যায়, সেই বিষয়টিও দেখতে হবে আমাদের। আরও পড়ুন ঃ ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন তিনি আরও বলেন, আমরা জয়ী হতে চলেছি। নেভাদাতে আমরা এগিয়ে রয়েছি। বিগত ২৪ বছরে প্রথম ডেমোক্র্য়াট প্রার্থী হিসেবে আমি অ্যারিজোনা জিতে নিয়েছি। মাত্র কয়েক বছর আগে যে নীল দেওয়াল ভেঙে পড়েছিল। আমরা তা আবার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান উইসকনসিন- আমেরিকার হৃদয়। আজ পর্যন্ত জীবনে সবার্ধিক ভোট পেয়েছি আমি। ৭৫ মিলিয়ন ভোট পেয়েছি এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে , ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বিডেনকে জয়ী ঘোষণা করল মার্কিন তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ডিসিশন ডেস্ক। ডিসিশন ডেস্ক-এর সদর দপ্তর শুক্রবার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানিয়েছে, জো বিডেনই হচ্ছেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য পেনসিলভেনিয়াতে বিডেনের জয় নিশ্চিত। এর ফলে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় ওই রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট-সহ মোট ২৭৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পাবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজনীতি

দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি , অভিযোগ মিহির গোস্বামীর

ফের দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী। শুক্রবার তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন , আজ যখন দেখছি দিদির দলে কোন ঠিকাদার থিংকট্যাঙ্ক কোম্পানি ঢুকে ঘরবাড়ি তছনছ করে দিচ্ছে, অপমানিত জনপ্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তখন দিদি অন্তরালে নির্বিকার! তাহলে সেই ঘরবারির মতো দিদির প্রতি এতদিনের সব আস্থা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়াটা কী স্বাভাবিক নয়? আরও পড়ুন ঃ দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় তিনি আরও লেখেন , কংগ্রেসকে হারাতেই তৃণমূলে আস্থা রেখেছিলেন। তবে তা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যারা কুকথা বলেছেন, তারাই আবার দলে যোগ দেওয়ায় বিরক্ত হয়েছিলেন তিনি। এত কিছুর পরেও তিনি দলনেত্রীর উপর আস্থা হারাননি। দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। দলে একাধিকবার অপমানিতও হতে হয়েছে তাঁকে। এদিন এভাবেই দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে তিনি দলের বিরুদ্ধে এই একই ইস্যু্তে সুর চড়িয়েছিলেন। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্কও কম হয়নি। এদিন ফের তিনি এই ইস্যুতে মুখ খোলায় নতুন করে এই বিতর্ক মাথাচাড়া দেবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal