• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ২৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Notice

কলকাতা

বিস্ফোরক অভিযোগের পর বড় পাল্টা চাল! তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার আইনি নোটিস পাঠালেন সায়নী ঘোষ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলাকে ঘিরে আবারও নতুন বিতর্ক সামনে এল। এবার নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলকে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির আইনি নোটিস পাঠালেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। তাঁর দাবি, কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ প্রকাশ্যে করা হয়েছে, যার ফলে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপস মণ্ডল দাবি করেছিলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে সায়নী ঘোষ বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কুন্তল ঘোষ সায়নী ঘোষের জন্য ফ্ল্যাট ও গাড়ির ব্যবস্থা করেছিলেন এবং বিভিন্ন খরচও বহন করতেন। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।এই অভিযোগের জবাবেই আইনি পদক্ষেপ করেন সায়নী ঘোষ। পাঠানো নোটিসে তিনি উল্লেখ করেছেন, দুই হাজার কুড়ি সালে তিনি প্রায় আশি লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। সেই ফ্ল্যাট কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ষাট লক্ষ টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার চব্বিশ সালে কেনা একটি গাড়ি এবং তার আগের কেনা আর একটি গাড়ির সমস্ত আর্থিক তথ্যও নোটিসে তুলে ধরা হয়েছে। কীভাবে আয় করেন এবং কোন অর্থে সম্পত্তি ও গাড়ি কেনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তাপস মণ্ডলের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তা সাংসদ হিসেবে সায়নী ঘোষের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাই তাঁকে অবিলম্বে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। অন্যথায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই প্রসঙ্গে সায়নী ঘোষ বলেন, তাঁর ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে এই বিষয়ে ডেকেছিল এবং তিনি প্রায় পাঁচশো পাতার নথি জমা দিয়েছিলেন। এরপর আর কখনও তাঁকে ডাকা হয়নি। তিনি জানান, এতদিন বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কাছে তাঁর জবাবদিহি রয়েছে। তাই কোনও প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা তিনি আর মেনে নেবেন না। তাঁর আশা, তাপস মণ্ডল আইনি নোটিসের জবাব দেবেন। তা না হলে আদালতেই পরবর্তী লড়াই হবে।

জুলাই ১১, ২০২৬
কলকাতা

সুরুচি সঙ্ঘের পুজো কি এবার বন্ধ? অরূপ-স্বরূপকে ঘিরে বিস্ফোরক নোটিসে তোলপাড়

সুরুচি সঙ্ঘের দুর্গাপুজোকে ঘিরে এবার বড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় এই পুজোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই পুজো ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।জানা গিয়েছে, সুরুচি সঙ্ঘকে জমি খালি করার নোটিস পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার মালিকানাধীন জমির উপর বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোট প্রায় বাইশ কাঠা জমি নিয়ে এই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী আঠারো জুলাইয়ের মধ্যে জমি খালি না করলে আইনি পদক্ষেপেরও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।সূত্রের দাবি, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর জমি সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরই আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। আরও অভিযোগ, সুরুচি সঙ্ঘ প্রাঙ্গণে একাধিক জায়গায় নোটিস টাঙানো হলেও তার মধ্যে কিছু নোটিস পরে ছিঁড়ে ফেলা হয়। কারা এই কাজ করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এদিকে মেসি-কাণ্ডে তদন্তের মুখে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। অন্যদিকে স্বরূপ বিশ্বাসও আইনি জটিলতার মধ্যে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সুরুচি সঙ্ঘের দুর্গাপুজো আদৌ আগের মতো হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সম্পত্তি দখলের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। তবে সুরুচি সঙ্ঘের তরফে এখনও এই অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।পুজোর আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। তার আগে জমি বিতর্ক, আইনি নোটিস এবং রাজনৈতিক তরজায় সুরুচি সঙ্ঘ এখন রাজ্যের অন্যতম চর্চিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় নতুন মোড়, মৃত পাইলটের আত্মীয়কে তলব ঘিরে তোলপাড়

এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান পাইলটস বা এফআইপি বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরোকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। অভিযোগ, তদন্তের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ ক্যাপ্টেন আনন্দকে জানিয়েছে যে, তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছে।পাইলট সংগঠনের দাবি, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দের সঙ্গে ওই দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের কোনও যোগ নেই। তিনি না তো ওই ফ্লাইটের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, না দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি তিনি কোনও তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিগত বা বিশেষজ্ঞ সাক্ষীও নন। তবু তাঁকে ডাকা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এফআইপি জানিয়েছে, ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দকে তলব করা হয়েছে শুধুমাত্র এই কারণে যে তিনি মৃত পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সভারওয়ালের আত্মীয়। ক্যাপ্টেন সভারওয়ালই ছিলেন ওই বিমানের প্রধান পাইলট। পাইলট সংগঠনের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায় মৃত বিমানকর্মীদের উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা বেআইনি। আরও অভিযোগ, তলবের নোটিসে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে, কোন আইনি ভিত্তিতে ডাকা হচ্ছে বা তিনি কোন ভূমিকায় তদন্তে হাজির হবেন।ক্যাপ্টেন বরুণ আনন্দ বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মরত পাইলট এবং এফআইপির সদস্য। তাঁকে ১৫ জানুয়ারি হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। পাইলট সংগঠনের মতে, এই সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় এবং এতে তাঁর মানসিক ও পেশাগত ক্ষতি হয়েছে। যদিও ক্যাপ্টেন আনন্দ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তদন্তে অংশ নিতে রাজি হয়েছেন।প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বিমানটি একটি হস্টেল ভবনে আছড়ে পড়ে। ওই দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিও। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

নোবেলজয়ীকেও কাগজ দেখাতে হবে! এসআইআর নোটিসে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও এসআইআর বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এক কাউন্সিলর দাবি করেছিলেন, অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব, অভিনেত্রী লাবণী সরকার-সহ একাধিক তারকাকে এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে বলেও খবর ছড়ায়। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অমর্ত্য সেনকেও প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পথে আসতে আসতেই তিনি শুনেছেন যে অমর্ত্য সেনকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে, সেই মানুষকেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।এদিন ফের একবার এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে। বীরভূমের মানুষ এই ঘটনার জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে বীরভূম থেকে তৃণমূলকে জেতানোর আবেদনও জানান সাংসদ।অভিষেক দেব ও মহম্মদ শামিকে নোটিস পাঠানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা দেব এবং দেশের হয়ে খেলা ক্রিকেটার শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একের পর এক মানুষকে আনম্যাপ করার চেষ্টা চলছে। তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনে বিজেপিকেই আনম্যাপ করে দিতে হবে। যদিও দেব এই প্রসঙ্গে টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিসের কথা জানেন না।অন্যদিকে, অমর্ত্য সেনকে এসআইআর নোটিস পাঠানো নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বানানে ভুল থাকতে পারে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। তাঁর দাবি, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেও আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা গিয়েছিলেন এবং শুনানি হয়েছে। একইভাবে প্রয়োজন হলে অমর্ত্য সেনের বাড়িতেও বিএলও যেতে পারেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার নিশানায় ফের কার্তিক মহারাজ, আইনি চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। এদিন আবার বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভা থেকে কার্তিক মহারাজের নাম নিয়ে তুলোধনা করলেন তৃণমূলনেত্রী। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। ভরা মঞ্চ থেকে এভাবেই কার্তিক মাহারাজকে এদিনও আক্রমণ তৃণমূল সুপ্রিমোর।আমি একটি লোকের নাম করে বলেছিলাম, তাঁর নাম কার্তিক মহারাজ। তিনি আমাদের এজেন্ট বসতে দেননি। ভোটের দুদিন আগে মুর্শিদাবাদে যে দাঙ্গাটা করিয়েছিলেন তার হোতা ছিলেন উনি। আমি সেই জন্য বলেছিলাম এবং বলে যাব। আগে অধীর করতেন, এখন বিজেপি করেন।মুর্শিদাবাদের যে জায়গায়টায় রেজিনগরে ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করেছিল। সেখানে ওনার আশ্রম। উনি আশ্রম চালান, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম ওখানে তৃণমূলের এজেন্ট নেই কেন? বলল কার্তিক মহারাজ বলেছেন এখানে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। কিছু লোককে খেপিয়েছে যারা ছানার ব্যবসায়ী। খবর আমিও রাখি। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। লুকিয়ে লুকিয়ে কেন? আমি তাই বলেছি। আমি যেটা বলি সেটা প্রমাণ ছাড়া বলি না। বাংলায় তৃণমূলের এজেন্ট বসবে না, ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করিয়ে দেবে। তাদের আমি ছেড়ে দেব?এদিকে, আইনজীবী মারফত এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে হুগলির গোঘাটের সভা থেকেও কার্তিক মহারাজকে বেনজির নিশানা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই আইনি চিঠি।তিনি আইনি পথে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের মোকাবিলা করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। শেষমেশ আইনজীবী মারফত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্দে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তৃণমূলের তরফেও জানানো হয়েছে আইনি পথেই এর মোকাবিলা করবেন তাঁরা।তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্য ভারত সেবাশ্রম সংঘের অগণিত ভক্তের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘দখলীকৃত’ জমি খালি করার চূড়ান্ত নোটিস বিশ্বভারতীর

বিশ্বভারতী ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব যেন কিছুতেই মেটার নয়। এই গন্ডগোলের মাঝে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সবরকম আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন অর্থনীতিবিদকে। এদিকে ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। একেবারে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর গেটে সেই নোটিস সাঁটিয়ে দিয়ে এসেছে। নোটিসে বলা হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর দখল করা ১৩ ডেসিমেল জায়গা খালি করতে হব। জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ সেই নোটিস জারি করা হয়েছে। নোটিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জমি খালি না করলে উচ্ছেদ করা হবে।এর আগেও অমর্ত্য সেনকে নোটিস দিয়েছিল বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। এবার আর শুধু নোটিস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষান্ত থাকেনি। অমর্ত্য সেনের দখল করা জমি উদ্ধারে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই পদক্ষেপের পাল্টা আইনি যুক্তি দিয়ে বিশ্বভারতীকে চিঠি দিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। অমর্ত্য সেন চিঠিতে জানতে চেয়েছেন যে, কোন আইনে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ তাঁকে উচ্ছেদ করার কথা বলেছে। গত ১৭ এপ্রিল অর্থনীতিবিদ বিশ্বভারতীর যুগ্ম কর্মসচিবকে এই চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠিতেই অমর্ত্য সেন জানিয়েছেন তিনি জুন মাসে শান্তিনিকেতনে ফিরবেন।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

রেলের উচ্ছেদ নোটিশে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের ভাঙ্গা পড়ার খবরে এলাকায় উত্তেজনা

পাল্লা রোড স্টেশনের পর এবার বর্ধমান হাওড়া কর্ড শাখার জৌগ্রাম স্টেশনে উচ্ছেদের নোটিশ পড়লো। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে জৌগ্রাম এলাকায়। দিন তিনেক আগে রেলের পক্ষ থেকে উচ্ছেদের নোটিশ এলাকায় টাঙানো হয়। ২৮ নভেম্বরের মধ্যে তাদের জায়গা খালি করার সময় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।এই জায়গার মধ্যেই আছে একটি আইসিডিএস সেন্টার। সেটিও ভাঙা ফেলা হবে রেলের পক্ষ থেকে। স্থানীয় বাসিন্দা বাসন্তী তুরী জানান, তারা ৪০ বছর ধরে এখানে বাস করছেন। এখন হঠাৎ করে উচ্ছেদের নোটিশ দিলে তারা বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে কোথায় যাবে। এখানে ৪০ টি পরিবার বাস করে। তারা রেলের উচ্ছেদ নোটিশে কার্যত অথৈজলে পড়েছে।আইসিডিএস সেন্টারে ৬২ টি ছেলে পড়াশোনা করে ও পাঁচজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এখানে খাবার নেন। এখন রেলের পক্ষ থেকে আইসিডিএস সেন্টারটি ভেঙে দেওয়া হলে বাচ্চাদের পড়াশোনা ও খাওয়া সবই বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানান এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মৃদুলকান্তি মণ্ডল।স্থানীয় বাসিন্দা সুষমা রায় বলেন, মাস দুয়েক আগে একবার এলাকায় মাইকিং করে বলা হয়, জায়গা ছাড়ার জন্য।তারপর হঠাৎই নোটিশ দেওয়া হয় নভেম্বর মাসের ১৯ তারিখে। স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন তাদের সময় দেওয়া হোক। মাস চারেক সময় দিলে তাদের সুবিধা হয়।এই বিষয়ে পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তীর যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কি করে রেলের জায়গায় আইসিডিএস সেন্টার তৈরী হল বুঝতে পারছি না।তবে যদি বাসিন্দারা রেলের কাছে লিখিত ভাবে জানান যে তারা দুমাসের মধ্যে উঠে যাবেন তাহলে রেল সেটা ভেবে দেখবে।

নভেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

ডিভের্সের নোটিশ পেয়েই স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দিল স্বামী

স্ত্রীর আপত্তিকর ছবি তুলে রেখে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে। অপমানিত বধূ তাঁর স্বামী কামাল শেখের দৃষ্টান্ত মূলক সাজার দাবি করে বৃহস্পতিবার মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক কামাল শেখের বাড়ি মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রাম এলাকায়। তিনি ম্যারেজ রেজিস্ট্রি করে একই এলাকা নিবাসী বছর ২০ বয়সী ওই তরুণীকে বিয়ে করেন। তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি এখন মন্তেশ্বর কলেজে পড়েন। কামাল শেখ নিজেকে উচ্চশিক্ষিত বলে তাঁকে জানিয়েছিল। সেই কথা তিন বিশ্বাস করেছিলেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে ম্যারেজ রেজিস্ট্রি করে তাঁর সঙ্গে কামালের বিয়ে হয়। যদিও রেজিস্ট্রি বিয়ের পর তিনি বাপের বাড়িতেই থাকতেন। কিছুদিন যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন কামাল স্কুলের গন্ডিও পেরোয়নি। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যা কথা বলে তাঁকে বিয়ে করেছে কামাল। তাই সে তার ওই স্বামীকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠায়। আর তার পরেই কামাল বেঁকে বসে।তরুণী দাবী করেছে, ডিভোর্সের নোটিশ পাওয়ার পর তাঁদের বাড়িতে হাজির হয়ে কামাল অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে যায়। পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলে যায়, তাঁর যে সব আপত্তিকর ছবি সে তুলে রেখেছিল সেগুলি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে। হুমকি মতোই কামাল সেই কাজটাই করেছে। তার জন্য তিনি সামাজিক ভাবে অসন্মানিত হয়েছেন বলে তরুণী পুলিশকে জানিয়েছেন। মন্তেশ্বর থানার এক পুলিশ অফিসার বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মে ২১, ২০২২
রাজ্য

২ দিনের ধর্মঘট মোকাবিলায় কড়া রাজ্য, গরহাজির হলেই শোকজ

বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা দুদিনের ধর্মঘটের মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। অর্থ দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ওই দুদিন কোনও কর্মী গরহাজির থাকলে কাটা যাবে তাঁর বেতন।শুধু তাই নয় কর্মজীবনে একদিনের ছেদ পড়বে।আর পাঁচটা ধর্মঘটের মত আগামী সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের ধর্মঘটে রাজ্যের সব সরকারি ও আধা সরকারি অফিস স্কুল কলেজ খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পেট্রোল-ডিজেল রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিলগ্নীকরণের প্রতিবাদ সহ একগুচ্ছ দাবিতে ২৮ ও ২৯ শে মার্চ ধর্মঘট ডেকেছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। শনিবার নবান্নে অর্থ দপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, ওই দুদিন কোনও সরকারি কর্মচারী ছুটি নিতে পারবেন না। সরকারি কর্মচারীদের ওই দুদিন অফিস যেতেই হবে। কোনও কর্মচারী ওই দুদিন অফিসে অনুপস্থিত হলে তার কর্মজীবনে ছেদ পড়বে। অর্থাৎ কর্ম জীবন থেকে দুদিন কাটা যাবে। বেতনও কাটা যাবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, যদি কোনও কর্মচারী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন, কোনো নিকট আত্মীয় মারা যান, ২৫ মার্চের আগে থেকে যারা অসুস্থ হয়ে ছুটিতে আছেন ও ২৫ শে মার্চের আগে থেকে যারা মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিক্যাল লিভ, চাইল্ড কেয়ার লিভে আছেন, তারা ছাড়া বাকি কর্মচারীরা ছুটি নিতে পারবেন না। যদি কোনও কর্মচারী ওই দুদিন উল্লিখিত কারণ ছাড়া ছুটি নেন, তাদের শোকজ করা হবে। শোকজের জবাব যদি সন্তোষজনক না হয় তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাকরিজীবন থেকে ওই দুদিন বাদ যাবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর। কাটা যাবে বেতনও। এই দুদিন সমস্ত ছুটি বাতিল থাকবে। জরুরি অবস্থা ছাড়া অন্য কোনও ছুটি পাওয়া যাবে না। ২৮ এবং ২৯ মার্চ ছুটি করলে সেই কর্মীকে শো-কোজ করা হবে বলেও জানিয়েছে নবান্ন। শোকজ করে জানতে চাওয়া হবে, কেন তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। যাঁরা শোকজের উত্তর দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হল, তার বিস্তারিত রিপোর্ট ১৩ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

কোভিডবিধি বহাল থাকল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত

বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের কোভিড বিধির মেয়াদ। মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে আলগা করা হল না কোভিড বিধিনিষেধ। বর্তমানে রাজ্যে যে কোভিডবিধি কার্যকর রয়েছে, তা-ই ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্দেশিকা জারি করে জানাল নবান্ন।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নবান্নের জারি করা কোভিড বিধিনিষেধে নৈশ কার্ফুর মেয়াদ এক ঘণ্টা কমানো হয়েছিল। সময়সীমা রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। সোমবার জারি করা নির্দেশিকাতেও ওই একই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। আগের মতোই কেবল জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই নৈশ কার্ফুর আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশিই, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম আগের মতোই বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ, বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও আগের মতোই কোভিড নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হল। সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় সাংসদ দেবকে নোটিস সিবিআইয়ের

গোরুপাচার মামলায় তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বুধবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে এই মর্মে একটি নোটিস গিয়েছে দেবের কাছে। ওই নোটিসে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা নাগাদ দেবকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কলকাতার দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।দেবের সঙ্গে গোরু পাচার কাণ্ডের কী সম্পর্ক তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। সিবিআইয়ের নোটিসেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর গোরু পাচারকাণ্ডে যে সমস্ত সাক্ষীদের ইতিমধ্যে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের বয়ানেই উঠে এসেছে অভিনেতা ও সাংসদ দেবের নাম। যদিও তৃণমূল সাংসদ দেব এই নোটিস নিয়ে বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি বা ব্যখ্যা দেননি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

'আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী?' কেন বললেন শুভেন্দু

বিকাশভবনে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেত শুভেন্দু অধিকারীকে। স্কুল-কলেজ কবে খুলবে তা জানতেই ৫-৬ জন দলীয় বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সল্টলেকে বিকাশভবনে স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। পুলিশ তাঁকে বাধা দিতেই শুভেন্দু বলেন, আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী? পুলিশ আধিকারিক আমাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করছেন আমি কোথায় যাব! শুভেন্দুর প্রশ্ন, আমাকে রাস্তায় আটকাচ্ছেন কেন? শিক্ষা সচিব দেখা না করলে আমরা বেরিয়ে আসব। তারপরই তিনি স্লোগান তোলেন স্কুল-কলেজ খুলতে হবে। ১৫টা রাজ্যে স্কুল-কলেজ খুলেছে। এখানে কেন বন্ধ রাখা হচ্ছে।এদিন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গারা রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। ব্যাপক উত্তেজনা উত্তেজনা ছড়ায় সল্টলেকে। পুলিশের সঙ্গে বাক-বিতন্ডা চলতেই থাকে শুভেন্দু অধিকারীর। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোরাল হতে থাকে। পুলিশও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।কোভিড পরিস্থিতিতে একবার স্কুল খুলে কিছু দিনের মধ্যে তা বন্ধ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তৃতীয় ঢেউ একটু স্বাভাবিকের পথে যেতেই স্কুল-কলেজ খোলার দাবি জোরাল হতে থাকে। শুধু বিজেপি নয় সমাজের নানা স্তর থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি উঠতে থাকে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিকাশভবনে শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দেখা করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। তখন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।শুভেন্দুর বক্তব্য, ২০০ জন নিয়ে বিয়েবাড়ি হতে পারে, দিনরাত মদের দোকান খোলা, আর স্কুল খুলতেই এই সরকারের সমস্যা? এদিন আটকালেও ফের তিনি বিকাশভবনে যাবেন বলেও ঘোষণা করেন{ রোজ কেউ না কেউ আসবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের বক্তব্য, স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে ভাবনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র ও কমিশনকে কড়া নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

শিয়রেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলি জোর কদমে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইস্তেহারে ভোটমুখী রাজ্যগুলির প্রতি তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছে। এই আবহে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনগণের উদ্দেশে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবা বা প্রকল্পের ঘোষণা করে। সেই ঘোষণা সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেই নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা এক মামলার শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি হিমা কোহলী। সেখানে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, সীমিত পরিসরের মধ্যে আমরা নির্বাচন কমিশনকে নীতিনির্দেশিকা প্রণয়ন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের নির্দেশের পর তারা একটি মাত্র বৈঠক করে। তারা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চেয়েছে। তবে তার পরে কী হয়েছে, আমি জানি না।সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় বলে অভিহিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, ফ্রিবি বাজেট প্রতিদিনের বাজেটের থেকে অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। তাই এই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে। ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করতে বলেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কেবলমাত্র একটি বৈঠকই করেছে। এবং তার ফলাফল অজানা।মামলাকারীর আবেদন, যে রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের নির্বাচনী প্রতীক বাজেয়াপ্ত করা ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার ব্যাপারে কমিশনকে নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত। হলফনামায় মামলাকারী এ-ও দাবি করেছেন, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের অর্থ অপচয় করে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তা ছাড়া ভোটের আগে এই ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে যাতে রাজনৈতিক দলগুলি বিরত থাকে, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের আর্জি জানান তিনি।শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বাজেট যে ভাবে মূল বাজেটকে ছাপিয়ে যাচ্ছে তা চিন্তারই বটে। এর পর সংশ্লিষ্ট মামলায় কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

ময়নাগুড়িতে দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বেশ কিছু ট্রেন, জেনে নিন সেই সব ট্রেনের তালিকা

ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার জেরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি প্রচুর ট্রেনের রুট বদল হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক বাতিল ও রুট বদল ট্রেনের তালিকা।বাতিল করা হয়েছে১. 13147 শিয়ালদহ-বামন হাট উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। বামন হাট অবধি যাওয়ার কথা থাকলেও এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি অবধি যাবে২. 13148 বামন হাট-শিয়ালদহ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস। এই ট্রেন বামন হাটের পরিবর্তে নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়বে।রুট বদল করা হয়েছে১. 12346 গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেস নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙ্গা- রানীনগর- জলপাইগুড়ি হয়ে চলবে।২. 13171 শিয়ালদহ আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন- শামুকতলা হয়ে চলবে।৩. 12507 ত্রিবান্দ্রাম সেন্ট্রাল শিলচর এক্সপ্রেস রানীনগর- জলপাইগুড়ি- মাথাভাঙা- নিউ কোচবিহার হয়ে চলবে।৪. 12505 কামাখ্যা- আনন্দ বিহার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৫. 15632 গুয়াহাটি- বার্মার স্পেশ্যাল ট্রেন নিউ কোচবিহার- মাথাভাঙা- রানীনগর জংশন হয়ে চলবে।৬. 20502 তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৭. 15910 অবদ অসম এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি- শিলিগুড়ি জংশন- নিউ মাল জংশন- আলিপুরদুয়ার জংশন হয়ে চলবে।৮. 22450 নয়াদিল্লি- গুয়াহাটি এক্সপ্রেস ঘুর পথে চলবে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
রাজনীতি

Mimi-Nusrat: সাসপেন্ড হতে পারেন মিমি-নুসরত!

নির্দেশ সত্ত্বেও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। এ জন্য আগেই শো-কজ করা হয়েছিল তাঁদের। এবার দুই যাদবপুর ও বসিরহাটের সাংসদকে সাসপেন্ড-ও করা হতে পারে। এমনই সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে সূত্রে।জানা গিয়েছে, এবার থেকে দুই সাংসদকে রেজিস্টার্ডে উপস্থিতির রেকর্ড রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তৃণমূলের সব সাংসদদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে দলের গতিপ্রকৃতি কী হবে তার একটি নীল নকশা তৈরি হয় ওই বৈঠকে। তাই দলের সব সাংসদদের উপস্থিতি জরুরি বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুই তারকা সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন সেই এই বৈঠকে। এ নিয়ে ক্ষুণ্ণ হন শীর্ষ নেতৃত্ব। শো-কজ করা হয় মিমি ও নুসরতকে। কী কারণে তাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন তার কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল।তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই সাংসদ যাতে পরবর্তীতে এমন কাজ না করেন তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু মিমি বা নুসরত নন, দলের সমস্ত সাংসদের জন্য এই নির্দেশ বহাল থাকবে বলে খবর। পাশাপাশি সংসদে উপস্থিতির জন্য যে রেজিস্টার থাকে, তাতে যেন নিজেদের উপস্থিতি নিয়মিত রেকর্ড করেন দুই সাংসদ, সে কথাও বলা হয়েছে।তবে আপাতত শো-কজ করা হলেও পরবর্তীতে সাসপেন্ড করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন পদক্ষেপ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দলের সব সাংসদের পক্ষেই যে একি নিয়ম প্রযোজ্য হবে , তারকা বলে যে আলাদা করে কোনও ছাড় নেই, মিমি-নুসরতকে শো-কজের মাধ্যমে যেন সেই বার্তা দিতে চাইলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Kunal Ghosh: কুণালকে ফের তলব আগরতলা পুলিশের

রবিবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর অভিষেকের সফরের আগেই সরগরম ত্রিপুরা। আগরতলা পশ্চিম থানায় ডেকে পাঠানো হল তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষকে। শনিবার খোয়াই থানায় তাঁকে হাজিরা দিতে হয়েছে।টুইটে কুণাল ঘোষের দাবি, শুক্রবার রাতেই তাঁকে নোটিস ধরানো হয়েছে এবং বেনজিরভাবে এক দিনের মধ্যেই অর্থাৎ আজই থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রবিবারের সফর উপলক্ষে বর্তমানে ত্রিপুরাতেই রয়েছেন কুণাল ঘোষ।আমি হিন্দু হয়েও বলছি জয় শ্রীরাম রাজনৈতিক শ্লোগান নয়। ধর্ম রাজনীতি থেকে দূরে থাকুক। মহিলারা মা সীতার পাতালপ্রবেশের যন্ত্রণাটাও মনে রাখবেন।এ কথার জন্য শুক্রবার আগরতলা পুলিশ আমার নামে মামলা করেছে।গভীর রাতে নোটিশ ধরিয়েছে। বেনজিরভাবে এক দিনের মধ্যে আজই থানায় ডেকেছে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) October 30, 2021তৃণমূলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার আগরতলা পুলিশ আমার নামে মামলা করেছে। গভীর রাতে নোটিস ধরিয়েছে। বেনজিরভাবে এক দিনের মধ্যে আজই থানায় ডেকেছে। টুইট করে তিনি বলেন, আমি হিন্দু হয়েও বলছি জয় শ্রীরাম রাজনৈতিক স্লোগান নয়। ধর্ম রাজনীতি থেকে দূরে থাকুক। মহিলারা মা সীতার পাতালপ্রবেশের যন্ত্রণাটাও মনে রাখবেন। এই মন্তব্যের কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

MS Dhoni : ধোনির নামে আইনি নোটিশ!‌ কেন?‌

হাউজিং কমপ্লেক্সে ফ্ল্যাটের টাকা বাকি মহেন্দ্র সিং ধোনির! আর বকেয়া মেটানোর জন্য আইনি নোটিশ? হ্যাঁ, শুনতে খারাপ লাগলে এটাই বাস্তব। প্রাক্তন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মহেন্দ্রে সিং ধোনি এবং আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ১৮০০ বাড়িওয়ালাকে ২ সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত রিসিভার, সিনিয়র আইনজীবী আর ভেঙ্কটারামানি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পাওনা না মেটালে ক্রেতারা যে ফ্ল্যাট বুকিং করেছিলেন, তা বাতিল করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। নয়ডায় সেক্টর ৪৫এ আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ব্র্যান্ড অ্যাম্বসাডর ছিলেন মহেন্দ্রে সিং ধোনি। তিনি এই প্রকল্পে দুটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। এই ফ্ল্যাটগুলি হল সেফার ফেজ ১ নম্বরে সিপি ৫ এবং সিপি ৬। ধোনির সমস্ত কিছু যারা দেখাশোনা করে সেই রিতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান অরুণ পান্ডেও এই আম্রপালি প্রকল্পে ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। ধোনির মতো তাঁরও বকেয়া রয়েছে। তাঁকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে।প্রকল্প স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে আম্রপালির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ধোনি। আম্রপালি স্টলড প্রজেক্টস ইনভেস্টমেন্ট রিকনস্ট্রাকশন এস্টাব্লিশমেন্ট (ASPIRE) নামে একটি সংস্থাও তৈরি করা হয়েছিল যাতে নয়ডা এবং বৃহত্তর নয়ডা এলাকায় স্থগিত প্রকল্পগুলির কাজ সম্পন্ন করা যায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এনবিসিসিকে (NBCC) ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ২০ টিরও বেশি আবাসন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এই প্রকল্পটিকে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।আম্রপালি প্রকল্পগুলি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নেওয়ার পরে, সমস্ত ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের বিবরণ নিবন্ধন করতে এবং বকেয়া অর্থ প্রদানের জন্য বলা হয়েছিল। আদালত ২০১৯ সালের জুলাইয়ে রায় দানের পর ক্রেতারা এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। আদালত নিযুক্ত রিসিভার বিজ্ঞাপন দিয়ে এই নোটিশের উদ্দেশ্য জানিয়েছিল। সম্প্রতি বৃহত্তর নয়ডা এলাকার প্রকল্পগুলির ক্রেতাদের জন্য একটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়ছে। নোটিসে বলা হয়েছে, ক্রেতা ডেটাতে নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ প্রদান না করলে তাদের বুকিং বাতিল করা হবে। এই আগে ২০২১এর ১ আগস্ট শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে সতর্ক করে বলেছিল, ক্রেতাদের বকেয়া অর্থ পরিশোধ এবং নিবন্ধনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ জারি করবে। সময়সীমা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে, ফ্ল্যাটগুলি নিলাম করা হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে ক্লান্তি-ক্ষোভ, তবু জয়ের জেদে মোহনবাগান! ফাইনালের মঞ্চে ‘মোমেন্টাম’-কেই অস্ত্র করছেন প্যানোস

তিন বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। রবিবারের মহারণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে মোহনবাগানদুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের প্রশ্নও জড়িয়ে। কিন্তু ফাইনালের আগে দুই দলের প্রস্তুতির ছবিটা একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে আসার ধকল এবং ঠাসা সূচি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস।সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে শিলং লাজংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান। একইভাবে পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। তবে লাল-হলুদ শিবিরের তুলনায় সবুজ-মেরুনের সমস্যা বেশি। কলকাতায় ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল যেখানে ঘরের পরিবেশেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে, সেখানে শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পথেই মোহনবাগান ফুটবলারদের পেরোতে হয়েছে নানা ঝক্কি।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচের ঘনঘটা। মাত্র ছদিনের মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে মোহনবাগানকে। ফলে অনুশীলন এবং বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রায় মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি কতটা ব্যাহত হয়েছে, তা নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি প্যানোস।গ্রিক কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট, সূচি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ যথেষ্ট গভীর। গ্রুপ পর্বে সবার উপরে থাকার পরেও তাঁর দলকে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। প্যানোসের কথায়, গ্রুপ পর্বে সেরা দল হওয়ার পরও তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তিনি এবং দলের ফুটবলাররা হতাশ।শুধু ম্যাচ খেললেই যে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান কোচ। তাঁর বক্তব্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ম্যাচ খেলে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হয়ে যাওয়া যায় না। শিলংয়ের ম্যাচের পর দলের অনুশীলনের সুযোগও হয়নি। ফলে ফুটবলারদের শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি ম্যাচের আগে কৌশলগত প্রস্তুতির ঘাটতিও থাকছে।তবে সমস্যার কথা বললেও ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই প্যানোসের। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালের মঞ্চে জয়ের জন্যই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে মোমেন্টাম। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্দ নিজেদের দখলে রাখতে পারলে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।এবারের ডুরান্ডে মোহনবাগানের অভিযানও শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই সেই জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। কিন্তু প্যানোস অতীতের ফলাফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর ফাইনাল সম্পূর্ণ আলাদা। এবার এমন একটি ম্যাচ, যার পর আর পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ নেইজিততেই হবে।মোহনবাগানের শক্তি বাড়িয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের যোগদানও। নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ। তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাই যে জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে দলগত পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আসল।আর সেই দলগত লড়াইয়ের অন্যতম বড় ভরসা গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পরপর দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি বাঁচিয়ে মোহনবাগানকে ফাইনালে তুলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ। বিশালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ প্যানোস তাঁকে দেশের সেরা গোলরক্ষকদের একজন বলেই মনে করছেন।অন্যদিকে রবিবারের ডার্বি নিয়ে প্রবল উত্তেজিত মোহনবাগানের নতুন মুখ সমীর জেলকোভিচও। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটি তাঁর তৃতীয় ম্যাচ, আর কেরিয়ারের প্রথম কলকাতা ডার্বি। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বলে মনে করছেন। তবে শুধু ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নয়, ট্রফি জিতেই সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে মাততে চান তিনি।দলে দেরিতে যোগ দিয়েও সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন সমীর। মজার বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের দানি র্যামিরেজের সঙ্গেও তাঁর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ডার্বির প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে তিনি বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে মাঠে বন্ধুত্বের কোনও জায়গা থাকবে নালক্ষ্য একটাই, মোহনবাগানের জয়।সব মিলিয়ে ডুরান্ড ফাইনালের আগে মোহনবাগানের সামনে রয়েছে এক অদ্ভুত সমীকরণ। একদিকে ক্লান্তি, ভ্রমণের ধকল, অনুশীলনের ঘাটতি এবং সূচি নিয়ে কোচের ক্ষোভ; অন্যদিকে ডার্বির উত্তেজনা, আত্মবিশ্বাস এবং ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে কোন দল নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারে, তার উপরই নির্ভর করবে ডুরান্ডের মুকুট কার মাথায় উঠবে। আর প্যানোসের বার্তা একেবারে পরিষ্কারঅজুহাত নয়, ডার্বিতে চাই ১০০ শতাংশ লড়াই এবং জয়।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড় নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বিমল গুরুংদের দীর্ঘ বৈঠক, তৈরি হল ‘শাহী নকশা’! গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

পাহাড়ের উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ পাহাড়ের নেতারা। শনিবার দার্জিলিংয়ে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। পাহাড়ের উন্নয়ন, কর্মসংস্কৃতি, পর্যটন এবং দীর্ঘদিনের গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরবঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহ শনিবার দার্জিলিংয়ে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি-সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দেন। পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন পর এই ধরনের ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ায় বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে অতীতে একাধিকবার আন্দোলন হয়েছে। সেই আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং, এমনকি রক্তপাতের ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাহাড়ের উন্নয়ন এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গতি আনার মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, তা নিয়েও মত বিনিময় হয়েছে।বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পাহাড়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ। গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে আগামী দিনে কী আলোচনা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে এখনই গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। বরং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়েছে।পাহাড়ের সমস্যাগুলি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক পঙ্কজকুমার সিং। কমিটিতে আর কারা থাকবেন, কত জন সদস্য থাকবেন, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।অমিত শাহ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করা হবে। পাশাপাশি দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন নিয়েও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। পাহাড়ে উন্নয়নের গতি বাড়ানো এবং প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য গোর্খা টেরিটোরিয়াল প্রশাসনকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগের সরকারের সময়ে পাহাড়ের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিরাও সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে এই বৈঠকের পর পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
কলকাতা

নোটিস নয়, অনিয়ম দেখলেই হোটেল সিল! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর বড় নির্দেশ অগ্নিমিত্রার

কলকাতায় বেআইনি হোটেল নিয়ে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কয়েক দিন আগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি হোটেল ও অতিথিশালা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী জানান, শুধু নোটিস দিয়ে আর কাজ চালানো হবে না। অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনে সরাসরি হোটেল সিল করে দেওয়া হবে।অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা এলাকায় ইতিমধ্যেই ১৬টি হোটেল সিল করেছে দমকল। আরও ২৫টি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের বিভিন্ন হোটেল ঘুরে দেখেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি বেআইনি হোটেলের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপের কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, শুধু নোটিস দিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। কোনও হোটেলে অনিয়ম ধরা পড়লে সেখানে অতিথিরা থাকলে তাঁদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে। তার পরেও প্রয়োজন হলে হোটেল সিল করে দেওয়া হবে। তবে সমস্ত কাগজপত্র নিয়মমাফিক থাকলে পরবর্তী সময়ে সেই হোটেল আবার খোলার সুযোগ থাকবে বলেও জানান তিনি।শহরে এত দিন ধরে কী ভাবে বেআইনি ভাবে হোটেল ও অতিথিশালা চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। এই বিষয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি কাজকে আর কোনও ভাবেই নিয়মে পরিণত করা যাবে না।অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা যাতে ফের না ঘটে, তার জন্য শহরের হোটেলগুলির নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা জরুরি। কোনও হোটেলে নিয়মের ব্যত্যয় ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশই দিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা বলেন, নোটিসে কোনও কাজ হয় না। অতিথি থাকলে ২৪ ঘণ্টা সময় দিন। তার পর সিল করে দিন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে তখন আবার খুলে দেওয়া যাবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তান থেকে চলত সিম, বাংলাদেশে পৌঁছত হাওয়ালার টাকা! দিল্লিতে ধৃত শিলিগুড়ির প্রদীপ্তকে ঘিরে বড় রহস্য

দিল্লি থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই টাকা পরে পাকিস্তানি গুপ্তচর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের নজরে আসার পর প্রদীপ্তের কাছ থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হত বলে প্রাথমিক তদন্তে দাবি তদন্তকারীদের। বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম কার্ডটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই সিমের মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত এবং এর সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর শিকড় শিলিগুড়িতে। নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জনের সহযোগিতায় এই লেনদেন চলত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।তদন্তকারীদের আরও দাবি, হাওয়ালার টাকার হিসাব মেলাতে প্রদীপ্তকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যেতে হত। সেই সূত্র ধরেই তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। এরপর তাঁর মোবাইল এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।প্রদীপ্তের সঙ্গে জাল নোট এবং সিম পাচার চক্রেরও যোগাযোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তবে এই অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, জাল নোট এবং সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা। শুক্রবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফজলে রাব্বি ইসলামপুরের তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই।ইসলামপুরের পাটাগোরা গ্রাম থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফজলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সাপের বিষ পাচারের একটি মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপ্তের সঙ্গে ফজলে রাব্বির কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্র থাকলে তার মাধ্যমে হাওয়ালা, জাল নোট এবং সিম পাচারের চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। প্রদীপ্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিমের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লার উপর আরও চাপ! চারজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ চাইল এনআইএ

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা-সহ চারজনের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে বিচারক অনুপম মাইতির এজলাসে এই আবেদন করা হয়।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেবাশিস মল্লিক চৌধুরি আদালতে আবেদন জানান। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারা প্রয়োগের আর্জি জানানো হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। এই আবেদন ঘিরে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় নতুন করে চাপ তৈরি হল শওকত মোল্লা-সহ চার অভিযুক্তের উপর।চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় বোমা তৈরির কাজে যুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আরও এক জন গুরুতর আহত হন। ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তের সময় শওকত মোল্লার নাম উঠে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শওকত মোল্লাকে খুঁজছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে সোনারপুরের কামালগাজি সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরিবারের দাবি ছিল, আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গ্রেপ্তারের ৮৭ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে শওকত মোল্লাকেই বিস্ফোরণ মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। মোট চারজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ শওকত মোল্লার নির্দেশেই চলছিল। বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যও তাঁর মোবাইল ফোন থেকে এলাকায় একাধিক নির্দেশ গিয়েছিল বলে দাবি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার। শওকতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বিস্ফোরণের ঘটনায় ধৃত চারজনের মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল চক্রান্তকারী। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।এবার সেই মামলাতেই আরও কড়া আইনের ধারা প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

মুখ থেঁতলানো, শরীরে একাধিক ক্ষত! নিউটাউনে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ ঘিরে রহস্য

নিউটাউনের স্বামীজি নগরে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ থেকে ৩৫ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুতিন দিন আগেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখও থেঁতলানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার সকালে স্বামীজি নগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইকো পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রথমে মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর নাম সৌরভ বিশ্বাস।তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ভাবে ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক যুবক কাঁধে করে বস্তাবন্দি একটি দেহ নিয়ে এসে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাইকের পিছনে রেখে যায়। এরপর দেহের উপর ইট চাপা দিয়ে সে সেখান থেকে চলে যায়। রাতের অন্ধকারের কারণে ওই যুবকের মুখ স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত প্রায় চারটে কুড়ি নাগাদ ওই যুবক সেখানে এসেছিল। দেহ ফেলে যাওয়ার পর প্রায় এক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়েছিল সে। এরপর বাইকটি রেখে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের শরীরে একাধিক ট্যাটু রয়েছে। তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ক্ষতও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৌরভ প্রায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ফলে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, মৃতের পরিচয় এবং গত কয়েক দিনের তাঁর গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল এবং কেন দেহটি বস্তায় ভরে নিউটাউনে ফেলে যাওয়া হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal