• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

New Drama

বিনোদুনিয়া

বিভাব নাট্য একাডেমির নতুন নাটক

বিভাব নাট্য একাডেমি একাডেমি মঞ্চে এক ঝাঁক নতুন অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের নিয়ে মঞ্চস্থ করলো মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক সাজানো বাগান অবম্বনে বানছা। নাটকটি বানছার সুন্দর বাগানকে ঘিরে গড়ে উঠেছে।তার বাগানের উপর গ্রামের জমিদার নকরির অনেকদিনের লোভ। কিন্তু সে অনেক চেষ্টা করেও বাগানের দখল নিতে পারেনা। অবশেষে সে তার সাথে চুক্তি করলো বানছা মারা যাবার পর বাগানের দখল সে পাবে বিনিময়ে তার সারাজীবনের ভরণ পোষণের দায়িত্ব তিনি নেবেন। কিন্তু আস্তে আস্তে বানছা সুস্থ হয়ে ওঠে এবং সে বাগানের দখল নেয়।একটা মঞ্চ সফল নাটক নুতন করে উপস্থাপন করা খুবই কঠিন কাজ। আর সেই কঠিন কাজকে সুচারুভাবে করেছেন বিপ্লব মুখার্জি। সম্পাদনা ও নির্দেশনার গুনে নাটকটি নুতন ভাবে দর্শকদের কাছে উপস্থাপিত হয়েছে। অভিনয়ের ক্ষেত্রে নান্টু পালের বানছা, নির্মল মৃধার মোক্তার, তারক দাসের ডাক্তার বেশ ভালো। নতুনরা তাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছে। কিন্তু অভিনয়ের ক্ষেত্রে তাদের আরো সাবলীল হতে হবে। সমীর সরকারের মঞ্চ ভাবনা একটা সময়কে ধরেছে যা নাটক উপযোগী। দেবাশিস চক্রবর্তীর আলো নাটকটি কে দর্শকদের দৃশ্যায়নের ক্ষেত্রে সহায়তা করেছে। রবিন দাসের আবহ নাটকটি কে আরো প্রাণবন্ত করেছে। সামান্য ত্রুটি গুলি শুধরে নিলে নাটকটি দর্শকের কাছে আরো গ্রহনযোগ্য হবে।

জুন ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জীবন অধিকারী র নির্দেশনায় নাটকে ভিন্নতা

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের নতুন প্রযোজনা অথ বৃষ মঙ্গল কথা হাসির মোড়কে বর্তমান সময়ের একটি জীবন্ত দলিল। নাট্যকার কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের অসাধারণ লেখনীকে নির্দেশক জীবন অধিকারী হাস্যরসে মালাগেঁথে এই নাটকের প্রতিটি সংলাপ কে করে তুলেছেন জীবন্ত। মঞ্চ ব্যবহার চমকপ্রদ। প্রচলিত অর্থে সেটের ব্যবহার না করে এক ছক ভাঙা আঙ্গিকে নাটকটি উপস্থাপনা করে দর্শকগণকে আপ্লুত করেছেন জীবন অধিকারী।গৌতম সরকার এর আলোক ভাবনা বেশ রুচিশীল। আস্তিক মজুমদারের আবহ সংগীত এই নাটকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পোষাক নির্মাণ করেছেন অনুতোষ ও মহিতোষ দত্ত। সৌরভ পালের পাপেট ও প্রিয়েন্দু শেখর দাসের মুকুট অসাধারণ। অভিনতা ও অভিনেত্রীদের কোনো প্রসংসাই যথেষ্ট নয়। একঝাঁক অভিনেতা ও অভিনেত্রী মঞ্চে দাপিয়ে অভিনয় করেছেন। দলগত অভিনয় এই নাটকের বড়ো সম্পদ। প্রদীপ কুমার সাহা, শ্রাবণী সাহা, অবিন দত্ত, অনিল কুমার মুখার্জি, স্বরূপ দেবনাথ, আল্পনা সরকার, রাখি বিশ্বাস, নিকিতা সরকার, অশোক বিশ্বাস, সুপর্ণা সাধুখাঁ, নবনীতা বিশ্বাস, সৌরজ্যোতি অধিকারী ও জীবন অধিকারী প্রত্যেকের সাবলীল অভিনয় এই নাটক কে একটি ছন্দে বেঁধে রেখেছে। আল্পনা সরকারের ডান্স কম্পোজিশন বেশ চমৎকার। সব মিলিয়ে একটা আধুনিক রুচিশীল নাটক উপহার দিলেন গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম। নির্দেশক জীবন অধিকারী বলেন যে, বর্তমান সময় আমরা হাসতে ভুলে যাচ্ছি, প্রতি মুহূর্ত যাপন করছি নানান মানসিক অবসাদে, তাই ধরণের একটি নাটক দর্শকশ্রোতা বন্ধুদের হয়তো একটু আনন্দ দেবে। নাচ, গান দিয়ে জমজমাট এই নাটকটা দর্শক মহলে সাড়া ফেলেছে।

মে ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘পুরাতন ভৃত্য" নাটক সকল দর্শকদের মুগ্ধ করেছে

রবীন্দ্রনাথের পুরাতন ভৃত্যের প্রতি একটি মমতা আছে--রাজা ও রাণী নাটকের শঙ্কর, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন গল্পের রাইচরণ ইত্যাদি তাহার প্রমাণ।এই কবিতায়-লেখা গল্পটির মধ্যে পুরাতন ভৃত্য কৃষ্ণকান্তের প্রতি প্রভুর কৃত্রিম-বিরক্তি-মিশ্রিত মমতার বর্ণনা এবং অনাড়ম্বর অথচ অব্যর্থ শব্দপ্রয়োগ লক্ষ্যযোগ্য। কথ্য ভাষায় অতিপরিচিত বিষয়ের বর্ণনা পাঠককে মুগ্ধ করে। সমস্ত কবিতাটি হাস্যরসে অভিসিক্ত করিয়া শেষের কলিতে করুণরসের অতর্কিত অকস্মাৎ অবতারণা, গল্পটিকে মর্মস্পর্শী করিয়াছে। দুইটি বিপরীত প্রকৃতির রসকে আশ্চর্য অপূর্বভাবে মিশ্রিত করা হইয়াছে এই কবিতায়।এই রকম একটি কবিতাকে যখন নাটকের আকারে মঞ্চে দেখি।বাস্তবিক বিস্ময়ে অভিভূত হই। চন্ডীতলা প্রম্পটার তাঁর ২৩ তম জন্মদিনের প্রাক্কালে একাডেমিতে পুরাতন ভৃত্য নাটকের চৌষট্টি তম মঞ্চায়ন দেখে দর্শকদের উচ্ছাস, আবেগ ও ঘন ঘন হাততালির বহরে নিজেও আপ্লুত হয়ে যাই। শোনা যায় ভানু চট্টোপাধ্যায় নাট্যরূপ দিয়েছিলেন তথাপি নির্দেশক নিজের মুন্সিয়ানায়, সম্পাদনায় ও কেষ্ট চরিত্রের অভিনয়ের গুনে নাটক টির স্বার্থক রূপায়ন ঘটেছে। নাটকের প্রয়োজনে কয়েকটি চরিত্রের সৃষ্টি তা যে কতোটা দরকার ছিল সেটা বোঝা যায় টানটান উত্তেজনা চরমে পৌঁছানোর পর।কর্তা অরূপ চৌধুরী ও গিন্নী তমসা ঘোষ প্রথম থেকেই ক্লাইমেক্স টিকে হাসির মোড়কে বেঁধে রেখেছিলেন।বাড়ির দুই চাকর নিবারণ ও কেষ্ট। একজনের প্রতি ভালোবাসা আর একজনের প্রতি বিরক্তি সুলভ আচরণ।সৌমিত্র ঘোষ ও প্রদীপ রায় ওঁদের এতোটাই স্বাভাবিক মঞ্চে আধিপত্য বিস্তারের অভিব্যক্তি ঘটিয়েছেন এককথায় অনবদ্য। তবে পুন্ডরী ও অনুকূল চরিত্রে সুরজিৎ কোলে ও কৌশিক মাল নির্দেশকের কথা ষোলোআনাই মেনে চলেন তা তাঁদের অভিনয়ে বোঝা যায়। তবে কুসুম চরিত্রে সপ্তবর্ণা আলু নাটকটি কে যে ভাবে অভিনয় দিয়ে মূল বিষয় সম্পর্কে আমাদের সমাজে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আঘাত হেনেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।ডাক্তার চরিত্রে অনিমেষ পাঁজার অভিনয় সাবলীল।অয়ন রায়ের আবহ, তন্ময় চক্রবর্তী র আলো আর চঞ্চল আচার্য্য র মঞ্চ নাটকের পূর্ণতা পায়। প্রদীপ রায় এর নির্দেশনায় এই নাটকটি সকল দর্শকদের মন জয় করেছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"তোতা কাহিনী" ছোটদের দুর্দান্ত অভিনয় সকল নাট্যমোদি দর্শকদের মন জয় করে নেবে

চণ্ডীতলা প্রম্পটারের আয়োজনে আকাডেমি মঞ্চে নতুন প্রযোজনা তোতা কাহিনী মঞ্চস্থ হলো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প। নাট্যরূপ ,সম্পাদনা ও নির্দেশনায় প্রদীপ রায়। মূলত অন্তঃসারশূন্য বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থার ফাঁদে পড়ে ছাত্রদের ভয়াবহ পরিণতি দেখানো হয়েছে এই নাটকে। ব্যাঙ্গাত্মক হাস্যরস দিয়ে তোতাকাহিনী নাটক টিকে প্রদীপ রায় মঞ্চস্ত করার প্রয়াস নিয়েছেন।সঙ্গে ভাবনা ও পরিকল্পনা রাকেশ ঘোষ, গানে অভিজিৎ আচার্য্য ও কৃষ্ণেন্দু ভট্টাচার্য্ ও কোরিওগ্রাফি প্রিয়াঙ্কা ঘোষ (রায়)। নাচে গানে অভিনয়ে জমজমাট। ছোট থেকে বড় প্রত্যেকেরই অভিনয়ে দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। রাজা সম্প্রীতা চক্রবর্তী, ভাগিনা-আদিত্য রায়, সেনাপতি-নীলাদ্রি রায়, পুরহিতগন - দেবজ্যোতি রায়, সত্যম ঘোষ ও রিতম পান, লিপিকারগন-অন্বেষা মুখার্জী,সৌরিমা তপাদার ও স্নেহা ঘোষ, স্যাকরা- অরূপ চৌধুরী, কমার-অনিমেষ পাঁজা, কমার গিন্নী- সপ্তবর্ণা আলু, নিন্দুকগন- আরাত্রিকা চৌধুরী, সম্মৃদ্ধি চৌধুরী ও শ্রেয়শ্রী আচার্য্য তোতা-পিয়াসা ঘোষ, কতোয়াল ; অর্নব মুখোপাধ্যায়। আলো-তন্ময় চক্রবর্তী ও মঞ্চ- চঞ্চল আচার্য্য একশ শতাংশ সফল হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"স্বীকারোক্তি " দুজনের অনবদ্য অভিনয় সকলের মন ভরাবে

সম্প্রতি গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের প্রযোজিত নাটক স্বীকারোক্তি মঞ্চস্থ হলো কলকাতার তৃপ্তি মিত্র সভা গৃহে। নাটক যখন মানুষের মূল্যবোধকে নাড়া দেয়, নাটক যখন মানুষের মানবিক চেতনাকে স্পর্শ করে তখনই সেই নাটক হয়ে ওঠে আমার আপনার জীবনের গল্প. ঠিক এই রকম একটা বিষয় নিয়ে গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম মঞ্চস্থ করলো তাঁদের নতুন নাটক স্বীকারোক্তি। সুব্রত সরকারের অসাধারণ লেখনীতে নির্দেশক জীবন অধিকারী বাস্তব রূপ দিয়েছেন। এই নাটকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আল্পনা সরকার। তিনি যে একজন দক্ষ অভিনেত্রী, প্রমান করেছেন তার অভিনয়ে। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ এর দক্ষ অভিনেত্রীর তালিকায় তার নাম নথিভুক্ত হলো। তার সাবলীল অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছে। নির্দেশক জীবন অধিকারী দর্শকদের সাথে গল্প বলতে বলতে কখন নাটক শুরু করে দিয়েছেন দর্শকগণ বুঝতেই পারেনি। নাটকের শেষে দর্শকদের অনুভূতি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় নির্দেশকের গল্পবলার ছন্দে। কিছূ সময়ের জন্যে দর্শকমন্ডলী পৌঁছে জান তাঁদের ফেলে আসা জীবনে। জীবন বাবু নাটকে বলেন স্বপ্ন ফেরি করাই হলো তার প্রধান কাজ। নাটকে ব্রেকট, স্থানীস্ল্যাভেসকি র রীতি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এখানেই এই নাটকের স্বার্থকতা। আলো করেছেন অবিন দত্ত, নাটকে বোঝাই যায়নি তার আলোর ব্যবহার দর্শকদের সাথে কখন কিভাবে মিশে গেছে। আবহ নির্মাণ করেছেন আস্তিক মজুমদার, এই নাটকে ভীষণ উপযোগী হয়ে উঠেছে তার আবহ সংগীত। সর্বোপরি এই নাটকের গল্প ও সাবলীল অভিনয় এতোই বুদ্ধিদীপ্ত সেখানে মঞ্চের ব্যবহার নিষ্প্রয়োজন। সেটা নির্দেশক জীবন বাবু অনুভব করেছেন। তিনি এই নাটকের সাথে তাল মিলিয়ে নন্দিতা বাগচীর বার্তাবহ গল্প কে শুনিপুন দক্ষতায় প্রয়গ করেছেন এই নাটকে।এখানেই এই নাটকের সার্থকতা। জীবন অধিকারী যে একজন দক্ষ অভিনেতা বারবার সেটা প্রমাণিত। নির্দেশক জীবন অধিকারী কে কুর্নিশ জানাই তার দক্ষ নির্দেশনার জন্যে। বাংলার সংস্কৃতি কে আরো একধাপ এগিয়ে রাখলেন তরুণ নির্দেশক জীবন অধিকারী।

এপ্রিল ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"খনন আদি" দুটি খুনের রহস্য ও আইনী জটিলতার লড়াই

বেলঘড়িয়া এথিকের নবতম প্রযোজনা খনন আদি অভিনীত হলো, গিরিশ মঞ্চে। নাটকটির বিষয় ভবনা ও নির্দেশনা, চরিত্র নির্মাণ ও সংলাপ- আলো- আবহ চতুষ্কোণে ২ ঘণ্টা চুম্বকের মত আকর্ষণ করে রাখে দর্শকদের, যার রেশ থেকে যায় শেষের পরেও।মূলত রহস্যের আঙ্গিকে উপস্থাপিত হলেও নাটকের শেষে রহস্য উন্মোচিত হয়না , থেকে যায় ওপেন এন্ডেড খুন হয়েছে, রথীন্দ্র প্রতাপ সিংহা,নিজের বেডরুমে।তিনি শহরের সবচেয়ে ক্ষমতা ও প্রভাবশালী ড্ন। তার প্রাসাদের নাম মহাকাব্য । তদন্তের দায়িত্ব পান শহরে নতুন পোস্টিং পাওয়া এ সি পি ইন্টেলিজেন্স সমুদ্র বর্মন। খুনের প্রধান সাসপেক্ট ব্যারিস্টার ঋষি সেন,তাকে রাখা হয় হাউস অ্যারেস্টে। কারণ ঠিক পঁচিশ বছর আগে তার একমাত্র মেয়ে ভূমিকা খুন হয়েছিল রথীন্দ্র প্রতাপের হাতে।কিন্তু মৃত্যুর অসংখ্য কারণ ছড়িয়ে চার পাশে, রথীন্দ্র এর তিন স্ত্রী,চার ছেলে,বিপুল সম্পত্তি এর মালিকানা, রিভাল গ্যাং, দক্ষিণের বিজনেস এক্সটেনশনএবং তিনি খুন হন, নিজের সুরক্ষিত বেডরুমেই। হটাৎ সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত এক ব্যক্তি সামনে এসে খুনের দায় ভার স্বীকার করেন। কিন্তু কেনো? তাকে এই অপরাধী কে বাঁচাতে ঋষি সেন নামেন আইনি লড়াইয়ের শেষপর্যন্ত অপরাধী কে? নাটকের সংলাপ অত্যন্ত শক্তিশালী, যা ভাবতে ও ভাবাতে বাধ্য করে। সমুদ্র বর্মণের চরিত্রে শান্তনু দাস, ঋষি সেন এর চরিত্রে দেবাশিস সেনগুপ্ত, কস্তুরী সিংহা এর চরিত্রে কাকলি মজুমদার ও ভিকি এর চরিত্রে শুভম মিত্র এর অভিনয় নাটকের মেরুদন্ড। এছাড়াও নাটকের প্রত্যেকটি চরিত্র নিজের মত করে সম্পূর্ন, নতুন এক ঝাঁক তরুণ অভিনেতা মৃত্যুঞ্জয় রায়,তাপস সরকার, সুরঞ্জনা দাস,কেয়া কুন্ডু, অর্ণব দত্ত ও এষনা সেন এর কাজেও রয়েছে যত্নের ছাপ। সৌমেন চক্রবর্তী এর আলোক ভাবনা ও প্রয়োগ নাটকটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়, তিনি মঞ্চে নতুন ব্যাকরণ সৃষ্টি তে সফল। তপন বিশ্বাসের আবহ নির্মাণ ও মদন হালদার এর মঞ্চ ভাবনা সৃষ্টি কে সম্বৃদ্ধ করে।প্রথম অভিনয় এর পর এই নাটক টির আরো বেশি করে দর্শকদের মস্তকে- মননে পৌঁছানোর দাবিদার তা প্রমাণিত। ততাকথিত তারকাহীন ভাবে বেলঘরিয়া এথিকের এই ছন্দবদ্ধ নির্মাণ আরো সফল হবে, নতুন অভিনেতা দের অভিনয় কুশল আরো ধারালো হবে এই ভরসা রাখি। নাট্যকার ও নির্দেশক দেবাশিস সেনগুপ্ত র নির্দেশনায় এই নাটক সকল নাট্যমোদি দর্শকদের ভালো লাগবে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal