• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohammad Shami

খেলার দুনিয়া

‌মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের

মহম্মদ সামির প্রথম স্পেল নড়িয়ে দিয়েছিল লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের ভিত। সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারলেন না লোকেশ রাহুলরা। আইপিএলের দুই নতুন দলের লড়াইয়ে বাজিমাত গুজরাট টাইটান্সের। লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে জয় তুলে নিল গুজরাট।টস জিতে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসকে ব্যাট করতে পাঠান গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি লক্ষ্ণৌর। প্রথম বলেই অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন মহম্মদ সামি। তাঁর স্বপ্নের ডেলিভারি রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। আবার সামির হাত থেকে বেরিয়ে আসে স্বপ্নের ডেলিভারি। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল সুইং করে ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে কুইন্টন ডিককের (৭) মিডল ও লেগস্টাম্পের মাথায় আঘাত করে। চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে আবার ধাক্কা খায় লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। চতুর্থ ওভারে বরুণ অ্যারনকে তুলে মারতে গিয়ে আউট হন এভিন লুইস (১০)। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শুভমান গিল। পরের ওভারে মণীশ পান্ডের (৬) স্টাম্প ছিটকে দেন সামি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। মনে হচ্ছিল হয়তো ১০০ রানের গন্ডি টপকাতে পারবে না। এরপর রুখে দাঁড়ান দীপক হুডা ও আয়ূশ বাদোনি। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ১৪.২ ওভারে ১০০ রানের গন্ডি পার করে লক্ষ্ণৌ। অবশেষে দীপক হুডাকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ৪১ বলে ৫৫ রান করে তিনি এলবিডব্লু হন। এরপর আয়ূশের সঙ্গে দলকে টেনে নিয়ে যান ক্রূণাল পান্ডিয়া। ৪১ বলে ৫৪ রান করে আউট হন আয়ূশ। ১৩ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রূণাল। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৮ তোলে লক্ষ্ণৌ। ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সামি। ৪৫ রানে ২ উইকেট বরুণ অ্যারনের। ব্যাট করতে নেমে গুজরাট টাইটান্সের শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই দুষ্মন্ত চামিরার বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। এক ওভার পরে বিজয় শঙ্করকেও (৪) তুলে নেন তিনি। এরপর ম্যাথু ওয়েড ও অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলকে টেনে নিয়ে যান। ২৮ বলে ৩৩ রান করে দাদা ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে আউট হন হার্দিক। পরের ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে (২৯ বলে ৩০) তুলে নেন দীপক হুডা। এর পর গুজরাটকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াটিয়া। ২১ বলে ৩০ রান করে আউট হন মিলার। দলকে জয় এনে দেন তেওয়াটিয়া (২৪ বলে অপরাজিত ৪০) ও অভিনব মনোহর (৭ বলে অপরাজিত ১৫)। ২ বল বাকি থাকতে ১৬১/৫ তুলে জিতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Kohli-Shami : ‌প্রথম টেস্ট জিতে সামি সম্পর্কে কেন একথা বললেন বিরাট কোহলি?‌

বিদেশের মাঠে একসময় দেশের পারপরমেন্সে আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট। এখন বিদেশের মাটিতেও সিরিজ জিততে শুরু করেছে। বিদেশে সিরিজ জয়ে মূল অবদান রাখছেন জোরে বোলাররা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টেও সেই ভারতীয় জোরে বোলারদের দাপট। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন মহম্মদ সামি। সেঞ্চুরিয়নে জয়ের পর জোরে বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কোহলি বলেন, গত দুতিন বছর ধরে বোলাররা একটা ইউনিট হিসেবে বল করে আসছে। এর ফলে বিদেশের মাটিতে সাফল্য আসছে। এটাই হল আমার দলের সাফল্যের মূল রসায়ন। সেঞ্চুরিয়নে টেস্ট ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন মহম্মদ সামি। দলের এই জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অধিনায়ক কোহলি। তিনি বলেন, সামি বিশ্বমানের প্রতিভা। এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৩ জোরে বোলারের মধ্যে ও একজন। যে কোনও উইকেট থেকে সুবিধা আদায় করার দারুণ ক্ষমতা আছে। ওর শক্তিশালী কব্জি, সিমের ব্যবহার এবং ধারাবাহিকভাবে একই জায়গায় বল করার দক্ষতা সামিকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। টেস্টে ও ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর জন্য আমি খুশি। এই টেস্টেও দুর্দান্ত বোলিং করেছে।গোড়ালিতে চোটের জন্য সেঞ্চুরিয়ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে বেশ কিছুক্ষণ বোলিং করতে পারেননি যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় দলের কাছে এটা একটা ধাক্কা ছিল বলে মনে করেন কোহলি। এর ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। কোহলি বলেন, বুমরা প্রথম ইনিংসে বেশি বল করতে পারেনি। এরজন্য দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা সুবিধা পেয়ে গিয়েছিল। ওরা ৪০ রান বেশি তুলে ফেলেছিল। বুমরা যদি চোট না পেত তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে পৌঁছতে পারত না।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‘‌মিশন প্রোটিয়া’‌র শুরুতেই সাফল্য, সেঞ্চুরিয়নে ১১৩ রানে জয় ভারতের

সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট দেখাতে না পারলেও লাল বলের ক্রিকেটে অপ্রতিরোধ্য ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্ককরণে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য সেরার শিরোপা জোটেনি। দ্বিতীয় সংস্করণের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বিরাট কোহলি ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা। তারপর দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল। জয়ের জন্য ৩০৫ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ বলে পরিচিত। সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়াদের পরিসংখ্যান খুবই ভাল। সেই মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৩২৭। জবাবে ১৯৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। ১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ১৭৪। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৫। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ডিন এলগারের দল। চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৪। ডিন এলগার ৫২ রানে ক্রিজে ছিলেন। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য তাংর ব্যাটের দিকেই তাকিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির। ৭৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হন এলগার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৩০। এলগার আউট হওয়ার পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায়। কুইন্টন ডিকক (২১), তেম্বা বাভুমা (অপরাজিত ৩৫) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৮ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ৫০ রানে ও মহম্মদ সামি ৬৩ রানে ৩টি করে উইকেট পান। মহম্মদ সিরাজ ৪৭ রানে ২টি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে ৮ উইকেট নিলেন সামি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‌দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত ভারতীয় বোলারদের, ৫ উইকেট নিয়ে মাইলস্টোনে মহম্মদ সামি

দিনের শুরুটা যদি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের হয়, শেষবেলাটা অবশ্যই ভারতীয় বোলারদের। তৃতীয় দিন সকালে লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাডাদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। শেষবেলায় পাল্টা প্রত্যাঘাত মহম্মদ সামিদের। ভারতের ৩২৭ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৭ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামি। ৪৪ রানে তুলে নিলেন ৫ উইকেট। একই সঙ্গে পৌঁছে গেলেন টেস্টে ২০০ উইকেটের মাইলস্টোনে।বৃষ্টির জন্য মাঠ ভেজা থাকায় দ্বিতীয় দিন একবলও খেলা হয়নি। প্রথম দিনের তোলা ২৭২/৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। আগের দিনের ১২২ রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যোগ করে আউট হন লোকেশ রাহুল। রাবাডার বলে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি। বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। ৪৮ রান করে এনগিডির বলে তিনি সেই উইকেটের পেছনেই ক্যাচ দেন। এদিন শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই জোরে বোলার লুঙ্গি এনগিডি ও কাগিসো রাবাডা। গতি ও সুইং দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন দুজনে। উইকেটের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ অবশ্য কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল এই দুই জোরে বোলারের।লোকেশ রাহুল ও অজিঙ্ক রাহানে আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। প্রথম ঘন্টাতেই ভারত এদিন ৬ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিন সকালে ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ২৯১ রানে। সেখান থেকে ৩০৮ রানের মধ্যে চারটি উইকেট হারায়, মাত্র ১২ রানের ব্যবধানে। ঋষভ পন্থ (৮), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪), শার্দুল ঠাকুর (৪), মহম্মদ সামি (৮) কেউই রান পাননি। যশপ্রীত বুমরার (১৪) সৌজন্যে ভারত ৩২৭ রানে পৌঁছয়। শেষ উইকেটের জুটিতে মূল্যবান ১৯ রান যোগ করেন বুমরা ও মহম্মদ সিরাজ (অপরাজিত ৪)। লুঙ্গি এনগিডি ৭১ রানে ৬টি, কাগিসো রাবাডা ৭২ রানে ৩টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মার্কো জানসেন। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ে ৫৫ রানে।এরপর ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটাররা। ১৩ ওভারের মধ্যে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের পঞ্চম বলে তুলে নেন অধিনায়ক ডিন এলগারকে (১)। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্করাম (১৩), কিগান পিটারসেন (১৫), ভ্যান ডার ডুসেনরা (৩) রান পাননি। কিছুটা লড়াই করেন তেম্বা বাভুমা (৫২) ও কুইন্টন ডিকক (৩৪)। রাবাডা করেন ২৫। ৬২.৩ ওভারে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন সামি। বুমরা ও শার্দুল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ১ উইকেটে ১৬। ৪ রান করে জানসেনের বলে আউট হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। লোকেশ রাহুল ৫ ও শার্দুল ঠাকুর ৪ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিলেতে ফের ‘দাদাগিরি’! ব্যাট হাতে মাঠে সৌরভ, সঙ্গী ব্রায়ান লারা—বাকিংহাম প্যালেসে বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচ

কলকাতা: ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। ফের ব্যাট হাতে ক্রিকেটের বাইশ গজে দেখা যেতে চলেছে মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক নয়, একটি বিশেষ চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আর সেই ম্যাচের মঞ্চও যে কোনও সাধারণ ক্রিকেট মাঠ নয়লন্ডনের ঐতিহাসিক বাকিংহাম প্যালেস।জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে সৌরভকে। এই বিশেষ ম্যাচে তাঁর সঙ্গে মাঠে নামার কথা রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ব্রায়ান লারারও। ফলে দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে একই ম্যাচে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ।প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিনের আমন্ত্রণেই এই বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন সৌরভ। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ক্রিকেটের মাধ্যমে একটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বার্তা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ম্যাচে খেলার জন্য সৌরভের সম্মতি পাওয়ার পরই প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লি থম্পসন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সৌরভের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্বও আরও বেড়েছে।তবে ম্যাচটি ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, সৌরভ ও লারা ছাড়াও আর কোন কোন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে মাঠে দেখা যাবে, কিংবা ম্যাচের ফরম্যাটই বা কী হবেএই মুহূর্তে তার কোনওটাই চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ক্রিকেটজীবনে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তাঁর একাধিক স্মরণীয় অধ্যায় তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিলেতেই ফের ব্যাট হাতে তাঁকে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন তাঁর অনুরাগীরা।আর প্রতিপক্ষ বা সতীর্থদের তালিকায় যদি ব্রায়ান লারার মতো কিংবদন্তির নাম থাকে, তাহলে সেই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যে আরও কয়েক গুণ বাড়বে, তা বলাই যায়। এখন শুধু অপেক্ষা আগামী সপ্তাহের ঘোষণারকবে, কীভাবে এবং কার কার সঙ্গে ফের ক্রিকেটের মঞ্চে দেখা যাবে দাদাকে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
বিদেশ

একদিকে বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে আকাশপথের জট! রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের?

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার পরে ফের শুরু হয়েছে এই জ্বালানি সরবরাহ। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় পৌঁছনোর কথা। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা ছিল একটি বিশেষ কার্গো বিমানের। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় সেই যাত্রা পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশের এক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ে বিমানটি আসতে পারেনি। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিমান চলাচলের অনুমতি এবং রুট সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।জটিলতা কাটার পরে রাশিয়া বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করে। রুশ পরমাণু সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক বিশেষ কার্গো বিমানে ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছবে।বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট নয়টি চালানে রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছনোর কথা। এর মধ্যে সাতটি চালান দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এবং দুটি চালান প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার হবে। রসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট। রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ধাপে ধাপে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।পাকিস্তানের আকাশসীমা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। শেষ পর্যন্ত জট কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুরের জন্য জ্বালানি পাঠানো শুরু হওয়ায় প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

গান্ধী জয়ন্তীতেই বিরাটিতে তাণ্ডব! বামেদের মঞ্চ ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আক্রান্ত দীপ্সিতা—কাঠগড়ায় বিজেপি

গান্ধী জয়ন্তীর দিন বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বণিক মোড়ে সিপিএমের সভা চলাকালীন মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ব্যানার ও ফ্লেক্স। এমনকি গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন বাম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এক কর্মীর চোখেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, সভা চলাকালীন আচমকা কয়েক জন সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। মঞ্চ, চেয়ার ও অন্যান্য সামগ্রী ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ও চেয়ার ছোড়ার অভিযোগও তুলেছে সিপিএম।শুক্রবার বিরাটির বণিক মোড়ে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বামেদের সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অশান্তি শুরু হয়। সভাস্থলে ভাঙচুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।সিপিএমের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ভাঙচুর চললেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাম কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই ঘটনার পর সরব হন সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে সভায় গণ্ডগোল করা হয়েছে এবং বাম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। এক কর্মীর চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দীপ্সিতা বলেন, মঞ্চ ভেঙে দিলেও ওই জায়গাতেই ফের সভা হবে।তবে সিপিএমের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। তাঁর দাবি, সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ফলে বিরাটির এই ঘটনায় হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বিরাটির বণিক মোড়ে বামেদের সভা ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন তদন্তের দিকেই নজর। মঞ্চ ভাঙচুর, কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ এবং পুলিশের ভূমিকাসব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

"২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি! রিপোর্ট রয়েছে!" নন্দীগ্রাম থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় পায়ে চোট নিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ভাঙা পায়ে খেলা হবে স্লোগান। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকেই মমতার সেই চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুর দাবি, ২০২১ সালের ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। তাঁর কথায়, সামান্য চোট লেগেছিল। পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে তিনি প্রচার করেছিলেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছে এই দাবির সমর্থনে নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেই নথি প্রকাশ করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরুলিয়া বাজারের সভা থেকেই ২০২১ সালের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, গাড়ির দরজা একটি লোহার বিমে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে মমতার পায়ে লাগে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই চোট পেয়েছিলেন মমতা। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।শুভেন্দু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের নথিতে মমতার পায়ে ফ্র্যাকচার না থাকার কথা লেখা রয়েছে। সেই নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজন হলে চ্যালেঞ্জের মুখে সেই কাগজ দেখিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।তবে এই বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০২১ সালের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে সে সময় নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এসেছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া রিপোর্টেও ওই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার কথা উঠে এসেছিল।এ দিনের সভায় নিজের বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। পরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরের আসন তিনি ছাড়েননি, কারণ সেখানে মমতা ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন বলে তাঁর দাবি। নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর পরেই দুর্নীতি প্রসঙ্গেও ফের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সুমিত রায়-সহ কয়েক জনের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি তিনি। ফলে বড় চোর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই সভা থেকে ২০২১ সালের পায়ের চোট এবং দুর্নীতিদুই পুরনো প্রসঙ্গ সামনে এনে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে তাই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে আটক অতিশী-সৌরভরা, মুম্বইয়ে শাবানা আজমি! জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কী হচ্ছে দেশজুড়ে?

দিল্লি ও মুম্বইদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে একই দিনে জোরালো বিক্ষোভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক সংগঠন। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা জেল ভরো আন্দোলনেও জড়ো হন বহু মানুষ।দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, সৌরভ ভরদ্বাজ এবং সঞ্জয় সিং-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা অংশ নেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিক্ষোভের আগে নয়াদিল্লি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। অনুমতি ছাড়া জমায়েত, মিছিল ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথেও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল।অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে জেল ভরো আন্দোলন হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অভিজিৎ দীপকের দাবি, আন্দোলন থামবে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার চ্যালেঞ্জ জানান। পুলিশ অবশ্য শিবাজি পার্কে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে।এই আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি। পরে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং গায়ক বিশাল দাদলানিকেও মুম্বইয়ের কর্মসূচিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মুম্বইয়ের আন্দোলন আরও নজর কেড়েছে।দিল্লি ও মুম্বইয়ের এই দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক দিকে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড়, অন্য দিকে মুম্বইয়ে জেল ভরো আন্দোলনএকই দিনে দুই শহরের এই ছবি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

নাম নিলেন না শুভেন্দু, তবু ‘বড় চোর’ নিয়ে কেন এত জল্পনা? নন্দীগ্রাম থেকে বড় বার্তা

বড় চোরও জেলে যাবে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রচারসভা থেকে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। সুমিত রায়ের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তোলার পরই বড় চোর নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুমিত রায়-সহ সব চোর জেলে গিয়েছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, বড় চোর কবে যাবে? তাঁর দাবি, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যের সময় তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নেননি। ফলে কাকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।নন্দীগ্রামের এই প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই কেন্দ্রেই জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে ফের উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।শুভেন্দুর বড় চোর মন্তব্যের পর বিরোধী শিবির থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই ধরনের মন্তব্যকে নির্বাচনী বক্তব্য বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।অন্য দিকে কুণাল ঘোষও শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মদন মিত্র আবার পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, শুভেন্দু কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছেন, তা সামনে আসতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে করা মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে।তবে বড় চোর বলতে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা তিনি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে নন্দীগ্রামের প্রচারসভা থেকে তাঁর এই মন্তব্য আপাতত জল্পনার বিষয় হয়েই থাকছে। উপনির্বাচনের আগে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বক্সায় আজ বাঘিনির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! কখন ছাড়া হবে, সামনে এল পুরো আয়োজন

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হবে বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা তিন বছরের বাঘিনীকে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাকে বিশেষ এনক্লোজার থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।বাঘিনীকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বক্সায়। জঙ্গলের নির্দিষ্ট এলাকায় তাকে ছাড়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বক্সায় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। সেখানে জায়ান্ট পর্দায় বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।তবে মুক্তির আগে বাঘিনীকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। রেডিয়ো কলার নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ফের ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর রেডিয়ো কলার ঠিক করে দেওয়া হয়। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বাঘিনী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও জানিয়েছেন, শুক্রবার বাঘিনীকে কোনও রকম চাপ দেওয়া হবে না। এনক্লোজারের দরজা খুলে রাখা হবে। নিজের ইচ্ছেমতো সে জঙ্গলে বেরিয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাঘিনী।বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনীটিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী আবাস গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঘিনীটির গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার উপর রেডিয়ো কলারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে।বৃহস্পতিবারই বক্সায় পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে বন্যপ্রাণ পর্যটনেরও প্রসার ঘটতে পারে। সুন্দরবনের পাশাপাশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও বাঘকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে মন্ত্রী ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হবে বড় অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই জায়ান্ট পর্দায় দেখা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘিনীকে মুক্ত করার মুহূর্ত।বহু বছর পর বক্সার জঙ্গলে বাঘ ফেরানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে তাই উত্তরবঙ্গে উৎসাহ তুঙ্গে। বিহার থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বক্সায় পৌঁছনোর পর আজ সেই বাঘিনী প্রথম বার নিজের নতুন জঙ্গলে পা রাখবে। এখন নজর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকেই।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পারভিনের চার বছরের অপেক্ষার অবসান! চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা

তিরন্দাজির পর বক্সিং রিংয়েও ভারতের জয়জয়কার। এশিয়ান গেমসে একের পর এক সোনা আসছে ভারতীয় বক্সারদের হাত ধরে। শুক্রবার সকালে লভলিনা বরগোহাঁই সোনা জেতার পর এ বার সেই তালিকায় যোগ হল পারভিন হুডার নাম। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন তিনি।পারভিনের এই জয় আরও বিশেষ। একই এশিয়ান গেমসে প্রথম বার ভারতের দুই মহিলা বক্সার সোনা জিতলেন। লভলিনার পর পারভিনও সোনার পদক জেতায় ভারতীয় বক্সিংয়ে তৈরি হল নতুন নজির।তবে পারভিনের এই সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এশিয়ান গেমসেই পদক জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোপ পরীক্ষার ফলের কারণে সেই পদক কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর তাঁর কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে। প্যারিস অলিম্পিকেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করেছেন পারভিন। প্রচারের আড়ালে থেকে কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়েও সব কিছু তাঁর পক্ষে যায়নি। কমনওয়েলথ গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।তবে সেই সব হতাশা পিছনে ফেলে শুক্রবার বক্সিং রিংয়ে নামেন পারভিন। শুরু থেকেই চিনা প্রতিপক্ষ চেন নিয়েন চিনের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সোনা নিশ্চিত করেন ভারতীয় বক্সার।পারভিনের এই সোনা তাই শুধু একটি পদক নয়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কঠিন প্রত্যাবর্তনেরও ফল। যে প্রতিযোগিতায় এক সময় পদক জিতেও তা হারাতে হয়েছিল তাঁকে, সেই মঞ্চেই আবার সোনার পদক গলায় তুলে নিজের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন পারভিন।এশিয়ান গেমসের ত্রয়োদশ দিনে ভারতীয় দলও একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে। লভলিনা এবং পারভিনের সোনার পর বক্সিংয়ে ভারতের দাপট আরও স্পষ্ট হল।

অক্টোবর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal