• ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Modi

দেশ

কোভিড টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার সকালেই টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির এইমসে হাসপাতালে গিয়ে টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। নিজেই টুইট করে সেই খবরও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে কোভিশিল্ড নয়, একবারে স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি কোভ্যাক্সিনেই ভরসা রেখেছেন তিনি। এরপরই টুইটারে দেশবাসীকেও কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা পেয়েছেন। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে আজ অর্থাৎ ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে ষাটোর্ধ্ব এবং ৪৫ বছর বয়স্কদের মধ্যে যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাঁরা টিকা পাবেন। সকাল ৯ টা থেকে সেই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। কিন্তু তার আগেই দেশবাসীকে চমক দিয়ে সকাল বেলা কোভিড টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে সেই ছবি পোস্ট করেন তিনি। Took my first dose of the COVID-19 vaccine at AIIMS.Remarkable how our doctors and scientists have worked in quick time to strengthen the global fight against COVID-19.I appeal to all those who are eligible to take the vaccine. Together, let us make India COVID-19 free! pic.twitter.com/5z5cvAoMrv Narendra Modi (@narendramodi) March 1, 2021টুইটারে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, এইমস থেকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিলাম। চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা খুব অল্প সময়ে কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইকে যে ভাবে শক্তিশালী করেছেন তা কুর্নিশযোগ্য। যাঁরা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য মনোনীত তাঁদের সকলের কাছে টিকা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি আমি। আসুন ভারতকে কোভিড-১৯ থেকে মুক্ত করি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত’-‘কিম্ভূতকিমাকার’, নাম না করে শাহ-মোদিকে কটাক্ষ মমতার

এখানেই দুদিন আগে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জের জনসভা থেকে নাম না করে শাহ-মোদিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্তব্য করলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার । গত সোমবার এই মাঠেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা।এই সভাতেই বাংলা চলচ্চিত্রের এক ঝাঁক তারকা তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন ঘাসফুল শিবিরে ভিড়েছেন কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষ, জুন মালিয়া, সুদেষ্ণা রায়, মানালী দে। এছাড়াও তৃণমূলে যোগ দেন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি ও শিক্ষাবিদ অনন্যা চট্টোপাধ্যায়। এদিনও তৃণমূলনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন গোলপোস্টের নীচে তিনিই দাঁড়াবেন। একদিকে থাকবে তৃণমূল, অন্যদিকে সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি। মমতার দাবি, সব ওপর দিয়ে চলে যাবে। একটা বলও গোলপোস্টে ঢুকবে না।তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ভাবা যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। এদেশে এখন দুটো নেতা, একটা হোঁদল কুতকুত। আরেকটা কিম্ভূতকিমাকার। আমি এর ইংরেজি, হিন্দি জানি না। এদিকে মঙ্গলবারই অভিষেকের বাড়িতে কয়লাকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়েছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করে সাংসদপত্নী রুজিরাকে। সিবিআই আসার আগে মমতা পৌঁছান তাঁর ভাইপোর বাড়িতে। এদিন মমতা বলেন, ঘরে ঢুকে বাইশ-তেইশ বছরের এক বউকে কয়লা চোর বলছে। আর কয়লা চোরেদের নিজেরা কোলে করে ঘুরছেন। আমার বাড়ির মা-বোনেরা কয়লা চোর? তোমার সারা গায়ে ময়লা। নোটবন্দির ময়লা।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

আজ হুগলির জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রধান বিষয়সমূহ:

● আজ রেল এবং মেট্রোর বহু প্রকল্পের শিল্যান্যাস এবং বাস্তবায়্ণ হতে চলেছে। আমি বাংলার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভ কামনা দিতে চাই। ● বিশ্বের যেসব দেশগুলি দারিদ্র দূরীকরণ করেছে তাদের ক্ষেতে দেখা গিয়েছে পরিকাঠামোর উন্নয়ন। ● আমাদের দেশেও অনেক আগেই আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন হওয়া দরকার ছিল কিন্তু হয়নি। তাই এখন এই বিকাশের সব সম্ভবনার দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। ● উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য। সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ● পশ্চিমবঙ্গেও একই কাজ হচ্ছে। রেলপথ সম্প্রসারণ, ইলেকট্রিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফ্রেট করিডর থেকে অভূতপূর্ব লাভ পাবে পশ্চিমবঙ্গ। নতুন উদ্যোগ ও সম্ভাবনার দিক খুলে যাবে। ● কিষান ট্রেনের সুবিধা ছোট ছোট কৃষকরাও পাচ্ছেন। ফল, সবজি, দুধ, মাছ ইত্যাদি সামগ্রী দেশের বড় বড় বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে।● হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলির জন্য আজ অনেক বড় দিন। মেট্রোর নতুন পথে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। কলকাতা যাওয়ার জন্য আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে এখন থেকে। ● ঋষি অরবিন্দ, মতিলাল রায়, রাসবিহারী বোস, কানাইলাল দত্তের মত মানুষ এখানে জন্মেছেন। এই মাটিতেই রামকৃষ্ণ পরমহংস জন্মেছেন। বহু মনীষী এই মাটিতেই জন্মেছেন। ● কিন্তু এখানে পরিকাঠামো বেহাল করে দেওয়া হয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র ভবনের অবস্থা খুব খারাপ। সেই বঙ্কিম ভবন যেখানে বন্দে মাতরম রচিত হয়েছিল। যা অনুপ্রাণিত করেছিল বিপ্লবীদের। ● বহু অন্যায় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। এর পিছনে রয়েছে ভোটব্যাংকের রাজনীতি। এই রাজনীতি বাংলায় মানুষকে দুর্গা পূজা করা থেকে বাধা দেয়। এই সব লোকেদের কখনও ক্ষমা করা হবে না। আজ আমি বাংলার মানুষকে আশ্বাস দিতে চাই বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার সংস্কৃতি নিয়ে গর্ব করবেন। কেউ ভয় দেখাবে না। বিজেপি সোনার বাংলা তৈরির জন্য কাজ করবে। এখানে সংস্কৃতি মজবুত হবে। সব কিছুর সম্মান হবে। সবার বিকাশ হবে। তুষ্টিকরণ হবে না। তোলাবাজি মুক্ত বাংলা হবে। ● স্বাধীনতার আগে বাংলা অন্য রাজ্য থেকে এগিয়ে ছিল। কিন্তু যাঁরা বাংলায় শাসন করেছেন তাঁরা বাংলার এই হাল বানিয়েছেন। মা মাটি মানুষ বলে উন্নয়নের পথ রুদ্ধ করেছেন। ● গ্রামে গ্রামে প্রকল্পের টাকা পৌঁছায় না। তোলাবাজি হয়ে যায়। তাই তৃনমূলের নেতাদের অর্থ বেড়েছে। সাধারণ মানুষ গরিব হয়েছে।● এখানে কৃষক সম্মান নিধির টাকা পায়না মানুষ। ● আয়ুষ্মান ভারতের টাকা থেকে আজও বঞ্চিত বাংলার মানুষ। ● বাংলার ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য জল জীবন মিশন প্রকল্প চালু হয়েছে। বাংলার জন্য এই প্রকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারহ দেড়-পৌনে দু-কোটি পরিবারের মধ্যে মাত্র দুলক্ষ ঘরে নল থেকে জলের সুবিধা রয়েছে। এই প্রকল্পে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ঘরে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র সরকার চাপ দেওয়ার পরে মাত্র ৯ লক্ষ ঘরে এই সুবিধা হয়েছে। এর থেকেই স্পষ্ট তৃনমূল সরকার কতটা উদাসীন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের শুদ্ধ পানীয় জল পাওয়ার অধিকার আছে কি নেই? কিন্তু সব ঘরে জল পৌঁছানোর জন্য ১৭০০ কোটি টাকার বেশি টাকা তৃণমূল সরকারকে দিয়েছে। ৬০৯ কোটি টাকা মাত্র তৃণমূল খরচ করেছে। বাকি টাকা কারচুপি করেছে। এটাই প্রমাণ করে তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের জন্য সহানুভূতি নেই। ● পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গড়তে হবে আসল পরিবর্তনের জন্য। যে স্বপ্ন আজকের যুবসমাজ দেখছে। ● বিগত কিছু বছরের অব্যবস্থা কি হাল করেছে রাজ্যের। হুগলি নদীর দুপাশে জুট, স্টিলের কারখানা ছিল। কিন্তু আজ কি হাল তা আপনারা দেখছেন। ● কলকাতা এখন বদলে গিয়েছে। বাংলার মানুষকে এখন কাজ করার জন্য অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে। এর জন্য দায়ী এখানের সরকার। বিজেপি সরকার তৈরি হয়েই সব ঠিক করবে। বিকাশ হবে। ● বন্ধুগণ একটা সময় ছিল যখন পশ্চিমবঙ্গের জুট গোটা দেশে সরবরাহ হত। এর সঙ্গে পাট চাষীদের রোজগার জড়িয়ে ছিল। বিজেপি সরকার কেন্দ্রে এসে জুট নিয়ে ভাবনা চিন্তা করেছে। ● হুগলির আলু চাষি, ধান চাষিদের লুটেছে তৃণমূল। যতদিন না প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে উঠছে, বিক্রি করার স্বাধীনতা পাচ্ছে এই অবস্থা পরিবর্তন হবে না। ● এর জন্য দায়ী সিন্ডিকেট, কাটমানি। ভাড়া বাড়ি নিতে হলেও কাটমানি দিতে হয়। এই ধারনা, এই পরিস্থিতির বদল চাই। ● যতদিন এখানে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি, কাটমানি, শাসন প্রশাসন গুন্ডাদের আশ্রয় দেবে ততদিন এখানে উন্নয়ন হবে না। ● এর বদল ঘটানোর জন্য সব জায়গায় আওয়াজ উঠছে আর নয় অন্যায়। আসল পরিবর্তন চাই। ● আমরা সবাই মিলে এখানে শ্রমিক, কৃষক, যুবকদের সেই সুবিধা দেব।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

আজ বঙ্গে মোদি, বাংলায় টুইট করলেন নিজেই

প্রায় বছর দশেকের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে আজ দরজা খুলছে দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর। সোমবার বিকেলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । মূল অনুষ্ঠান হবে হুগলির সাহাগঞ্জে। সেখানেই থাকবেন মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার মনোজ জোশীও। থাকছেন মেট্রোর ইঞ্জিনিয়ার এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সরকারি প্রোটোকল মেনে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। যদিও তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না বলেই খবর। উদ্বোধনকে সামনে রেখে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনটিকেও সাজানো হয়েছে। বঙ্গে আসার কয়েক ঘণ্টা আগে বাংলায় টুইট করে প্রকল্প উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। সঙ্গে বাংলায় তিনি অন্যান্য প্রকল্পের কথাও জানিয়েছেন।সোমবার থেকেই নোয়াপাড়ার সঙ্গে জুড়বে বরাহনগর এবং দক্ষিণেশ্বর। ফলে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত যুক্ত হয়ে যাচ্ছে পাতালপথে। এ নিয়ে রবিবার বাংলাতে টুইটও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশনদুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা রয়েছে। যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরও সহায়ক হবে। এই স্টেশনগুলোতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া।টুইটে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মা কালীর দুটি পবিত্র মন্দির কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। এই মন্দিরগুলো প্রাণবন্ত ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক।সোমবার উদ্বোধন হলেও যাত্রীদের জন্য ওই স্টেশনগুলি চালু হবে অর্থাৎ মঙ্গলবার। নয়া স্টেশন যুক্ত হলেও সর্বোচ্চ ভাড়ায় কোনও বদল হচ্ছে না। ফলে কবি সুভাষ থেকে ২৫ টাকাতেই পৌঁছনো যাবে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত। আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশন দুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরো সহায়ক হবে । এই স্টেশনগুলিতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া। pic.twitter.com/MLMka3iw01 Narendra Modi (@narendramodi) February 21, 2021

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

মার্চের প্রথমেই ব্রিগেডে মোদির জনসভা

বামেদের ব্রিগেডের এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিগেডে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই বঙ্গ বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার পরিসমাপ্তি হতে চলেছে। তার আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি মোদির রাজ্য সফর রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি বামেদের ব্রিগেড। ওইদিন রাজ্যে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। একটি রাজনৈতিক সভাও তাঁর করার কথা। তার এক সপ্তাহ বাদে ৭ মার্চ মোদি ব্রিগেডে সভা করবেন। ফলে, এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যে দুটি ব্রিগেড। দুসপ্তাহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীরও রাজ্যে তিনটি সফর। মনে করা হচ্ছে রাজ্যের ভোটের সামান্য আগে ব্রিগেডে জনসভা করে নিজেদের শক্তিপ্রদর্শনও করে নিতে চায় গেরুয়া শিবির।সোমবার বঙ্গ সফরে হুগলির সাহাগঞ্জের ডানলপ কারখানার মাঠে জনসভা করবেন। সেদিনের সরকারি কর্মসূচির মধ্যে দক্ষিণেশ্বর মেট্রো রেল প্রকল্পের উদ্বোধন-সহ কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের একটি অনুষ্ঠানও ও প্রকল্পের শিলান্যাস রয়েছে। তার ঠিক পাঁচদিন পরেই আবার প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফর তাৎপর্যপূর্ণ। ভোটের আগে রাজ্যবাসীর মন জিততে কোনওরকম ঘাটতি বিজেপি রাখতে চায় না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দুসপ্তাহের মধ্যেই তিনবার বঙ্গ সফরের পিছনে অন্য রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বামেদের ব্রিগেডে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রাহুল ব্রিগেডে হাজির থাকবেন কি না সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বামেদের ব্রিগেডের দিনই প্রধানমন্ত্রীর জনসভা করাটা কাকতালীয় নাও হতে পারে।এর আগে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগেও ব্রিগেড করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। লোকসভার আগে নজিরবিহীনভাবে রাজ্যে ১৭টি জনসভা করেন মোদি। ভোটবাক্সে তার ফলও পেয়েছিল বিজেপি। বিধানসভাতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাইছে গেরুয়া শিবির।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
কলকাতা

চলতি মাসেই ফের রাজ্যে মোদি-শাহ-নাড্ডা!

একুশের নির্বাচনের প্রচারে অনেকবার বাংলায় আসবেন। আগেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন অমিত শাহ। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশও নিয়েছিলেন। শোনা যাচ্ছে, চলতি মাসে ফের তিনি বঙ্গে আসছেন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি কাকদ্বীপ থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার উদ্বোধন হবে তাঁর হাত দিয়েই। তবে একা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, বঙ্গ দখলের ভিত শক্ত করতে ফেব্রুয়ারিতেই আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি মোদির বাংলায় পা রাখার কথা শোনা যাচ্ছে। যদিও সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবারও সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতেই এরাজ্যে আসবেন তিনি। মোদি-শাহর পাশাপাশি ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলায় আসার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডারও।এখনও পর্যন্ত মোদির সফরের কথা সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও জানা গিয়েছে, নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো রেলের উদ্বোধন করবেন মোদি। হুগলিতে জনসভাও করতে পারেন তিনি। তবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েই বঙ্গ সফরে আসার কথা অমিত শাহর। এর আগে কোচবিহার থেকে পরিবর্তন রথযাত্রার শুভ সূচনা করেছিলেন শাহ। এবার কাকদ্বীপের যাত্রার উদ্বোধনে হাজির থাকতে পারেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা জোনেও জনসভা করতে পারেন তিনি। আবার হুগলির সিঙ্গুরেও অমিত শাহর সমাবেশ চাইছে রাজ্য বিজেপি। ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতে ইতিমধ্যেই চারটি পরিবর্তন রথযাত্রার সূচনা হয়েছে বঙ্গে। নবদ্বীপ, তারাপীঠ ও ঝাড়গ্রাম থেকে যাত্রার উদ্বোধনে ছিলেন জেপি নাড্ডা। কাকদ্বীপ থেকে পঞ্চম রথযাত্রা শুরু হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে তারই উদ্বোধন হবে শাহর হাতে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
কলকাতা

ডিজিটাল প্রচারে বিজেপির মোদিপাড়া অ্যাপ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে নিজেদের ডিজিটাল প্রচারকে জোরদার করতে বৃহস্পতিবার মোদিপাড়া অ্যাপ চালু করল রাজ্য বিজেপি। অ্যাপটি কলকাতায় চালু করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে। মোদিপাড়া অ্যাপ হল বিজেপি কর্মকর্তাদের এবং বিজেপি সমর্থকদের জন্য একটি সবরকম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ডিজিটাল কন্টেন্ট এবং হাব। পার্টির কার্যকর্তারা, সমর্থক এবং ভোটাররা এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক কাজ, সর্বভারতীয় এবং পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবে। ফেসবুক, হোয়্যাটসএপ এমনকী টুইটারের মত সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মোদিপাড়া অ্যাপের বিষয়গুলো শেয়ার করতে পারবে। বিজেপি সমর্থক এই অ্যাপের মাধ্যমে হোয়্যাটসএপ স্ট্যাটাস এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজেদের শুভেচ্ছাবার্তা কন্ট্যাক্টে থাকা মানুষদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারবেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে বাড়ি থেকেই সব মানুষকে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। এই অ্যাপটি ওয়ান স্টপ প্লাটফর্ম হয়ে উঠবে যার মাধ্যমে বিজেপি কার্যকর্তা এবং সমর্থকরা একটি সমষ্টিগতভাবে দলের বার্তা এবং কথা পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দিতে পারে। এই অ্যাপ দলীয় কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করা এবং আসন্ন নির্বাচনে দলের কাজে এবং প্রচারে গতি আনা, সাম্প্রতিক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং সোনার বাংলার স্বপ্নকে সাকার করবে। সম্প্রতি ডিজিটাল প্রচারে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে এই অ্যাপের মাধ্যমে।যার দ্বারা একটি মাত্র বোতাম টিপেই বাড়ি বসে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। বিজেপি এখন এগিয়ে চলেছে অনলাইনে সমর্থকদের শক্তিশালী অন-গ্রাউন্ড সাংগঠনিক নেটওয়ার্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
দেশ

মোদির টুইট খোঁচা

রবিবারই রাজ্যে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রথমবার হলদিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন রাজনৈতিক সভায়। সেই মঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় তোপ দেগেছেন তিনি। তবে সেখানেই শেষ নয়। হলদিয়া থেকে ঘুরে যাওয়ার পর ফের টুইটে বাংলার সরকারকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি নরেন্দ্র মোদি।সোমবার রাতের দিকে ওই টুইটটি করেন নরেন্দ্র মোদি। তাতে তিনি লেখেন, বাংলার মানুষ দুর্নীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এছাড়া ওই টুইটে হলদিয়ায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে রাখা বক্তব্যের একটি অংশও তুলে ধরেন মোদি। ভিডিওর শুরুতেই বাংলা ভাষায় বক্তৃতার অংশটি শোনা যায়। বাংলার সংস্কৃতির কথাও তাঁর টুইট করা ভিডিওতে শোনা গিয়েছে। হলদিয়া ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ সেকথাও তুলে ধরেন তিনি। তবে তারপর থেকেই শুরু হয় আক্রমণ। কেন বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বাম-কংগ্রেসের মতোই তৃণমূলের শাসনকালে রাজ্যে উন্নয়ন হয়নি বলেই দাবি তাঁর। সরাসরি নাম করে ওই ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিতেও শোনা যায়। মমতার বদলে বাংলার মানুষ নির্মমতার শিকার হয়েছেন বলেই দাবি করেন মোদি। এছাড়াও একাধিক ইস্যুতে বাংলার সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।The emerging message from West Bengal is- they have faith in politics of development, not politics of corruption and criminalisation. pic.twitter.com/odyxYj8vFJ Narendra Modi (@narendramodi) February 8, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

হলদিয়ায় চেনা অস্ত্রে রাজ্যসরকারকে আক্রমণ মোদির

হলদিয়ার জনসভা থেকে ফের চেনা অস্ত্রে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র তৃণমূল সরকারের রাজনৈতিক দূরভিসন্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি, আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসী পাননি। মোদির ঘোষণা, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই চালু করা হবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্প। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সরকারের বাধার জন্য রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কৃষক যে দুবছরের কিষাণ সম্মান নিধির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সেটাও দেওয়া হবে রাজ্যবাসীকে।হলদিয়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, বাংলার গরিবরা কি শুধু ভোট নেওয়ার জন্য? এটা সেই সরকার, যারা বিপদের সময়ও দুর্নীতির রাস্তা খোঁজে। আম্ফানের সময় মানুষের সাহায্যের জন্য কেন্দ্র যে টাকা পাঠিয়েছে, সেটা নিয়ে এঁরা কি করেছে তা সকলেই জানে। কেন্দ্রের দেওয়া বিনামূল্যে রেশনও এখানকার গরিবদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনি রাজ্য। আমাদের ভাগ্য ভাল যে বাংলার ৪ কোটি মানুষের জনধন অ্যাকাউন্ট ছিল। সেজন্যই সরাসরি কেন্দ্র টাকা দিতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার খুব কষ্ট হয়, করোনার এই কঠিন সময়েও বাংলার লক্ষ লক্ষ কৃষক কোটি কোটি টাকা পাননি। করোনার সময় দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষক কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার আওতায় হাজার হাজার কোটি টাকা পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলারও লক্ষ লক্ষ কৃষক থাকতে পারতেন। কিন্তু এখানকার একজন কৃষকও এই সুবিধা পাননি। কারণ, এখানকার সরকার এই যোজনায় যুক্তও হয়নি। বাংলার মানুষ ওদের সরিয়ে দেবে এটা বুঝতে পেরেই কদিন আগে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন্দ্রকে সম্মতি দিয়ে চিঠি লিখেছে। কিন্তু এঁরা চায় না সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা যাক। ইতিমধ্যেই বাংলার ২৫ লক্ষ কৃষক রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার কৃষকের নাম এঁরা জমা দদিয়েছে। সেই ৬ হাজার কৃষকেরও ব্যাংক ডিটেল কেন্দ্রকে এখনও দেয়নি রাজ্য সরকার। মা-মাটি-মানুষের কথা বলে অথচ তাঁর সংবেদনহীনতা গোটা রাজ্য দেখেছে। কারা কৃষকদের নাম নিয়ে রাজনীতি করছে, আর কারা কৃষকদের সমস্যার সমাধান করছে, গোটা দেশের লোক দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
কলকাতা

আজ হলদি নদীর তিরে মোদি

রাজ্যের ভোট ঘোষণা যে কোনও মুহূর্তে। তার ঠিক আগেই, বঙ্গ দখলের লক্ষ্যে বিজেপির প্রচার কোন সুরে বাঁধা থাকবে তা ঠিক করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে দিয়েই কার্যত শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভোট প্রচার। কারণ, হোক না রাজ্যের কুর্সি দখলের লড়াই, দলের কাছে তিনিই মুখ। তাই আজ, রবিবার হলদিয়ার হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে তিনি কী বার্তা দেন সে দিকে যেমন তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য বিজেপি, তেমনই শাসকদল তৃণমূলও। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে রাজনৈতিক সভার পর মোদির সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ আছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তবে নবান্ন সূত্রে শনিবার পর্যন্ত তাঁর এই অনুষ্ঠানে আসার কোনও খবর নেই।যে জেলা থেকে মোদির তথা বঙ্গ বিজেপির প্রচার সফর শুরু হচ্ছে, তার এবার বাড়তি গুরুত্ব নন্দীগ্রামের জন্য। এবং এই সভার উপর প্রচারের একটু হলেও বেশি লাইট অবশ্যই যার জন্য, তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি শাসক শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর পর বিভিন্ন জেলায় সভা করলেও হলদিয়ায় নতুন ভূমিকায় প্রথম পা রাখবেন মোদির সভামঞ্চেই। এই সভামঞ্চের লাগোয়া যে অনুষ্ঠানস্থল সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন তিনটি বড় প্রকল্পের, যা কিছুটা বদলে দেবে হলদিয়ার আর্থিক পরিস্থিতি এবং শিলান্যাস করবেন আরও একটি বড় প্রকল্পের। সেই সরকারি মঞ্চে আবার থাকতে পারেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। থাকবেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ একগুচ্ছ নেতা-নেত্রী।তবে কারা থাকবেন মোদির মঞ্চে অথবা কাদের জায়গা হবে লাগোয়া ভিআইপির চেয়ারগুলিতে, তার চেয়েও বড় কথা হল প্রধানমন্ত্রী আজ কী বার্তা দেন এবং কতখানি আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসকদলকে লক্ষ্য করে। তুলে ধরেন কোন কোন ইস্যু।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

মোদি সরকারকে তোপ অমিত মিত্রর

সেস বৃদ্ধি নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। একইসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য বাজেটে যা যা প্রকল্প প্রস্তাব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তার জন্য কেন্দ্রের অনুদানও নিজের দক্ষতায় জোগাড় করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফল পাবে রাজ্যবাসী।কোনও জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর কর নেয় রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকার। কিন্তু সেই একই জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর সেস বসানো থাকলে সেই অংশটুকু সম্পূর্ণরূপে যায় কেন্দ্রের ঘরে। এই ইস্যু তুলেই আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার বারবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেস ও সারচার্জ বাড়াচ্ছে। মোদি সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিল তখন রাজ্য থেকে কেন্দ্রের মোট রাজস্বের ৮ শতাংশ সেস হিসাবে যেত। এখন সেটা বেড়ে ১৬ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যগুলোকে এই বঞ্চনা আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্র কেন সেস বৃদ্ধি করবে। এতে তো রাজ্যের করে ঘাটতি।কেন্দ্র রাজ্য থেকে করের যে টাকা কেটে নিয়ে যায়, তার ৪১ শতাংশ ফেরত দেয় রাজ্যকে। অর্থমন্ত্রীর অভিযোগ, সেই টাকাও তারা দিচ্ছে না। তাঁর কথায়, গত বছর রাজ্যের যা পাওনা ছিল তার মধ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকা কম দিয়েছে। এ বছরও ১০ হাজার কোটি টাকা কম দেবে বলে আশঙ্কা করছি। তাঁর কথায়, সব বিরোধী দল প্রশ্ন করছে টাকা আসবে কোথা থেকে? বাজেট দেখলে বুঝতে পারবেন অর্থ দপ্তরের হাতে ১২ হাজার কোটি টাকা আছে খরচ করার জন্য। এ ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী নিজে পরিকল্পনা খাতে ব্যয়ের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের কাছে প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন। তা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়েছিল। ফলে রাজ্যের দাবিদাওয়া কেন্দ্রের বাজেটে অনুমোদন করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
দেশ

চৌরী-চৌরার ঘটনা নিয়ে আক্ষেপ মোদির

১৯২২ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল চৌরী-চৌরার ঘটনা। সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সেই লড়াইয়ের ১০০ বছর অতিক্রান্ত। আর সেই কারণেই এবার এই ঘটনাকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। বৃহস্পতিবার যার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনা ভারতীয় ইতিহাসের পাতায় সেভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে আক্ষেপ মোদির।এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত থেকে একটি পোস্টাল স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তারপরই মোদির ভাষণে উঠে আসে ১৯২২ সালের সেই লড়াই মর্মস্পর্শী ঘটনার কথা। স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সেই অধ্যায়ের কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, তাঁদের সেই রক্তক্ষয়ী বিপ্লব ইতিহাসের পাতায় সেভাবে গুরুত্ব না পেলেও দেশবাসীর মননে রয়ে গিয়েছে। এবং তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।একইসঙ্গে মোদির ভাষণে উঠে আসে কৃষকদের কথা। দেশে কৃষকদের গুরুত্ব বোঝাতে বিপ্লবীদের সঙ্গেও তাঁদের তুলনা টানেন প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে এও স্পষ্ট করেন, গত কয়েক বছরে দেশ কৃষিতে উল্লেখ্যযোগ্য উন্নতি করেছে। আর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে কৃষকদের জন্য।Centenary celebrations of Chauri Chaura incident. https://t.co/X9yixxmrIX Narendra Modi (@narendramodi) February 4, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজনীতি

৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

৬ দিনের ব্যবধানে বিজেপির ৩জন শীর্ষ নেতৃত্ত্ব এরাজ্যে আসছেন। প্রথমে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা, তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন তার পরে। রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রা ও বিজেপির সার্বিক কর্মসূচি নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের কোর কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি নদিয়া থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ফের একই কর্মসূচিতে ৯ ফেব্রুয়ারি আসবেন এই রাজ্যে। সেদিন দুটো জোন থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূত্রপাত করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটা জোনে পাঁচটা পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করেছে বঙ্গ বিজেপি। সরকারি অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অনুমতি না পেলে আদালতে যাবেন বা বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ পর্যায়ে পরিবর্তন যাত্রা হবে কলকাতা জোনে। সেই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় সরকারী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন হলদিয়ায় বিজেপির সমাবেশেও থাকবেন মোদি। জানিয়েছেন দিলীপ। জনসভায় থাকার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে রথযাত্রা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। জোন ভিত্তিক প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত। কোচবিহার থেকে রথ যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। অন্য রাজ্য থেকে রথও চলে এসেছিল। কিন্তু আইনের গেরোয় সেদিন রথযাত্রার উদ্বোধন করতে রাজ্যেই আসতে পারেননি অমিত শাহ। এবারও তাঁর সেই কোচবিহারেই পরিবর্তন যাত্রা সূচনা করার কথা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
দেশ

দেশের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এই বাজেট: মোদি

বাজেট পেশের পর দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে স্বচ্ছ বাজেট পেশের জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি তিনি বলেন, এদিনের বাজেটের প্রাণকেন্দ্র হল কৃষক এবং গ্রামবাসীরা। তাঁদের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করা হয়েছে এবারে বাজেটে।কোভিড পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা ছিল মূল লক্ষ্য। নির্মলা সীতারমণ সুদক্ষভাবে সেই কাজ সম্পন্ন করেছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির বেঁধে দেওয়া আত্মনির্ভরতার সুর মেনেই পেশ হয়েছে এদিনের বাজেট। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদিনের বাজেট ভারতের আত্মবিশ্বাসকে প্রতিফলিত করল। বিশ্বের কাছে ভারতকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলল। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে এই বাজেট। শুধু তাই নয়, এদিনের বাজেট কৃষকদের আয় বাড়াবে বলেও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষকদের আয় বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ করা হল। এবার ব্যাংক থেকে সহজেই ঋণ পাবেন। কিষানমান্ডিকে সংগঠিত করতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। অনেকে মনে করেছিলেন আমরা আমজনতার উপর কর চাপাব। কিন্তু সেই পথে আমরা হাঁটিনি। বরং আমরা স্বচ্ছ বাজেট পেশ করেছি। কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়নের পথ খুলে দিচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী!

১৫ দিনের মধ্যে ফের রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় এক সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। তবে, মোদির এবারের সফরে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি এখনও নেই।বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত পেট্রোলিয়ামের এক সরকারি কর্মসূচিতে ঝটিকা সফরে রাজ্যে পা রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতা হয়ে সরাসরি তিনি চলে যাবেন শুভেন্দুর গড় হলদিয়ায়। সেখানেই সরকারি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সেখান থেকেই দিল্লি ফিরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বিজেপি সূত্রের খবর, রাজ্য নেতৃত্ব চেষ্টা করছে, সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য সফর দীর্ঘায়িত করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি তাতে অন্তর্ভুক্ত করার। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দুদিনের রাজ্য সফরে আসার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর। কিন্তু শুক্রবার দিল্লিতে ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ হওয়ায় সেই সফর বাতিল হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে হাওড়ার যোগদান মেলায় কেন্দ্রস্তরের বড় কোনও নেতাকে আনার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। তাছাড়া আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি এমনিও রাজ্যে আসতে চলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজ্য

কাটআউটে মোদির পায়ের তলায় মনীষীরা! উত্তেজনা বালুরঘাটে

কাটআউটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পায়ের তলায় মনীষীদের ছবি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ক্ষুদিরাম বসু, ঋষি অরবিন্দ রয়েছে সেই কাটআউটে। বালুরঘাটের বিভিন্ন প্রান্তে এমন কাটআউট ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যদিও ছবির নীচে সৌজন্যে সুকান্ত মজুমদার উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করতে তৃণমূল ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিষয়টি জানতে পেরেই ঘটনাস্থলে যান সাংসদ-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে বোল্লা এলাকায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা।বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, কাটআউটগুলোতে আমার নাম দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাটআউটে পায়ের নিচে মনীষীদের ছবি রয়েছে। এটা দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মনীষীদের অপমান করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাকে এবং বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল এখানে জয়লাভ করতে পারবে না দেখে এই ধরনের কুৎসা করছে। আমরা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেন শীল বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা বার্তার কাটআউট বিজেপির তরফে লাগানো হয়েছে। কিন্ত মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখেই তারা তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যে দলই এই কাজ করে থাকুক না কেন, অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ হয়েছে এটি। রাজনীতিতে সম্প্রতি যেভাবে মনীষীদের ব্যহার পরে ফায়দা লোটার চেষ্টা হচ্ছে, তা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

'তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো শুভেন্দু...'

সামনাসামনি দেখা হতেই সস্নেহে ডাক, আরে শুভেন্দু-উ-উ-উ! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম সাক্ষাৎ হলেও শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে তিনি সব খবর রাখেন। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যখন পৌঁছন, তখন তাঁকে স্বাগত জানাতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের সঙ্গে শুভেন্দুও। সকলকে নমস্কার করে এগোতে এগোতে মোদি আচমকাই শুভেন্দুর সামনে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন। সস্নেহে তরুণ নেতার কাঁধে হাত রাখেন। শুভেন্দুও হাতজোড় করে নমস্কার করেই সামনে ঝুঁকে অবাঙালি কায়দায় মোদির হাঁটু ছুঁয়ে প্রণাম করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, স্মিত হেসে প্রধানমন্ত্রী শুভেন্দুকে বলেন, শুভেন্দু-উ-উ-উ। তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো। হমে সব খবর হ্যায়। শুভেন্দুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শেষে চা চক্রে। বিভিন্ন টেবিলে বসেছিলেন অভ্যাগতরা। প্রধানমন্ত্রী সব টেবিলের সামনে গিয়ে হাতজোড় করে নমস্কার করেন। কিন্তু মুখ খোলেন একটিমাত্র টেবিলের সামনে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সস্নেহ সম্ভাষণ পেলেও তাঁর প্রাক্তন দলনেত্রী কিন্তু এড়িয়েই গিয়েছেন শুভেন্দুকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সহকর্মীকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুকুলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মমতা উপেক্ষা করলেও শুভেন্দু অবশ্য গদগদ। তবে শনিবার প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে শুভেন্দুকে সস্নেহ সম্ভাষণ করেছেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে, তিনি শুভেন্দুর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, রাখলেন না বক্তব্য

তারকাখচিত অনুষ্ঠানের সূচনার পরই তাল কাটল। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে অপমানিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও মন্তব্য না রেখেই মঞ্চ ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠানের পরই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু মমতা মঞ্চে উঠতেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আমার মনে হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিত। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটা সমস্ত দলেরই কর্মসূচি। জনতার কর্মসূচি।এভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজ্জত করা উচিত নয়। সেই জন্যই আমি আর একটি কথাও এখানে বলব না। তবে কলকাতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। একথা বলেই মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য না করা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। যখন এই ঘটনা ঘটছে, তখন সেখানে নীরবে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মমতার পরেই বলতে উঠে মোদি তাঁর ভাষণ শুরু করেন বহেন মমতাজি বলে। কিন্তু তাতেও গোটা অনুষ্ঠানের সুর ফিরে আসেনি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

ভ্যাকসিন পেয়ে কৃতজ্ঞ বলসোনারো

দেশে টিকাকরণের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের বহু দেশকেই করোনা ভ্যাকসিনের ডোজও পাঠাতে শুরু করেছে ভারত। এবার ভারতে তৈরি কোভ্যাক্সিনের ডোজ পৌঁছে গেল ব্রাজিলেও । সারা পৃথিবীতে আমেরিকার পরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুমিছিল দেখা গিয়েছে ব্রাজিলেই। এবার সেদেশেই করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছে দিল ভারত। মুম্বই থেকে ভ্যাকসিন নিয়ে বিমান রওয়ানা হওয়ার পরেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান অভিনব কায়দায়। রামায়ণ থেকে তুলে আনেন হনুমান ও সঞ্জীবনীর প্রসঙ্গ। বলসোনারো তাঁর টুইটে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে কাঁধে গন্ধমাদন পর্বত নিয়ে উড়ন্ত হনুমানের ছবি। ভারত থেকে ব্রাজিলের উড়ে যাচ্ছেন তিনি। সেই ছবির সঙ্গেই বলসোনারো লিখেছেন, নমস্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মহামারির সময় আপনার মতো সহযোগীকে সঙ্গে পেয়ে সম্মানিত অনুভব করছে। করোনা ভ্যাকসিনকে ভারত থেকে ব্রাজিলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।- Namaskar, Primeiro Ministro @narendramodi- O Brasil sente-se honrado em ter um grande parceiro para superar um obstculo global. Obrigado por nos auxiliar com as exportaes de vacinas da ndia para o Brasil.- Dhanyavaad! धनयवाद pic.twitter.com/OalUTnB5p8 Jair M. Bolsonaro (@jairbolsonaro) January 22, 2021

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal