• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Milk

দেশ

৭০% শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি! মাতৃদুগ্ধে ইউরেনিয়াম দেখে স্তম্ভিত গবেষকেরা

মাতৃদুগ্ধকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর খাদ্য। জন্মের পর শিশুর প্রথম সুরক্ষা, প্রথম প্রতিরোধশক্তির ভিত্তি এই দুধই। সেই দুধেই যদি বিষধাতুর উপস্থিতি পাওয়া যায়, তাহলে ভয়াবহতার মাত্রা কতটা হতে পারে, সহজেই অনুমেয়। এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক যৌথ গবেষণায়। পটনার মহাবীর ক্যানসার সংস্থা এবং দিল্লির এইমসের করা সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিহারের ছয়টি জেলায় প্রসূতি মহিলাদের মাতৃদুগ্ধে পাওয়া গেছে ইউরেনিয়াম-২৩৮-এর উপস্থিতিযা সরাসরি নবজাতকের শরীরে প্রবেশ করছে।ভোজপুর, সমস্তীপুর, বেগুসরাই, খাগারিয়া, কাটিয়ার এবং নালন্দার ৪০ জন প্রসূতির স্তন্যদুগ্ধ পরীক্ষা করে গবেষকরা চোখ কপালে তোলার মতো তথ্য পেয়েছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা কাটিয়ার জেলায়, যেখানে প্রসূতি মহিলাদের দুধে ইউরেনিয়ামের মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি। যে মায়েরা তাঁদের সন্তানকে স্তন্যপান করাচ্ছেন বা করিয়েছেন, তাঁদের শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে নন-কারসিনোজেনিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এই সব জেলার ভূগর্ভস্থ জলে স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি ইউরেনিয়াম রয়েছে। সেই জলই পানীয় জল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আবার ক্ষেতের চাষেও যায়। আগের একটি গবেষণায় ভূগর্ভস্থ জলে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। এবার প্রমাণ মিললমাটি ও জল পেরিয়ে সেই ইউরেনিয়াম মানবদেহেও প্রবেশ করেছে, এবং সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে নবজাতকরা। কারণ তাঁদের শরীর এখনও পুরোপুরি গড়ে ওঠে না, ওজন কম থাকে, আর প্রতিটি অঙ্গই থাকে দ্রুত বিকাশের পর্যায়ে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, ইউরেনিয়াম শরীরে ঢুকলে কিডনি মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নিউরোলজিক্যাল সমস্যা, বুদ্ধিবিকাশে ধীরগতি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াএমনকি দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। তবে এ সব সত্ত্বেও চিকিৎসকরা বলছেন, প্রসূতি মায়েদের স্তন্যপান করানো বন্ধ করা উচিত নয়। কারণ মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা এখনও বহুগুণ বেশি, যা কোনও বিকল্প খাবার পূরণ করতে পারে না। মূল সমস্যার উৎস হল ভূগর্ভস্থ জলদূষণ, যা নিয়ন্ত্রণ করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।বিহারের এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সামনে আসতেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেএই জেলাগুলোর বাসিন্দারা ঠিক কতটা নিরাপদ? শিশুদের ভবিষ্যৎ কি অদৃশ্য বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে না আনা গেলে আগামী দিনে আরও বড় স্বাস্থ্য সংকট দেখা দিতে পারে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

ভোরে ভিজে রাস্তায় পাল্টি খেল দুধের গাড়ি

ভোরের শহরে ভিজে রাস্তায় দুধের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা। ই এম বাইপাসে চিংড়িঘাটা থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম যাওয়ার রাস্তায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। সন্তোষপুর থেকে বাইপাস হয়ে রাজাবাজার গামী মিল্ক ভ্যান ভিজে রাস্তায় পিছলে যায়। সপাটে ধাক্কা মারে রাস্তায় মাঝের রেলিংয়ে। তবে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকায় হতাহতের খবর নেই। চালক কোনক্রমে উল্টে যাওয়া গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বেলেঘাটা ট্র্যাফিক গার্ডের পুলিশ রেকার ভ্যান দিয়ে গাড়িটি রাস্তা থেকে টেনে সোজা করে এবং সরিয়ে দেয়। এরপর বাইপাসের উত্তর দিকের লেনে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মে ২২, ২০২৫
টুকিটাকি

Turmeric Milk: মহৌষধি হলুদ দুধের টনিক

আগেকার দিনের মা, ঠাকুমারা দুধের গ্লাসে এক চিমকে হলুদ ফেলে দিয়ে খেতে বলতেন। কেটে যাওয়া, শরীর ব্যথা, যে কোনওরকম অসুস্থতা হলেই এই হলুদ দুধের ব্যবহারের প্রচলন ছিল। হলুদ দুধের উপকারিতার কথঅ মাথায় রেখেই করোনাকালে তার চাহিদা আরও বেড়েছে। আসুন জেনে নিন, মহৌষধি হলুদ দুধের নানাবিধ উপকারের কথা। খাবার হজমে দারুণ কাজ করে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা তাই খাওয়ার পর প্রতিদিন রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। রক্তে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে রক্ত পরিশুদ্ধ রাখে হলুদ দুধ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে, লিভার ভালো রাখতে সবথেকে ভালো টনিক দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়া।আরও পড়ুনঃ বেশি করে সবজি খান, শরীর থাকবে সুস্থ, বাড়বে ইমিউনিটি পাওয়ারকরোনা পরিস্থিতিতে ইনফেকশন একটা বড় চিন্তার বিষয়। যে কোনওরকমের ইনফেকশনের হাত থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করতে হলুদ দুধ খুবই জরুরি। প্রতিদিন হলুদ দুধ খেলে আমাদের হৃদপিন্ড ভালো থাকে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এমনটাই বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের। কিডনি ভালো থাকলে, শরীর থেকে যাবতীয় দূষিত পদার্থ বা টক্সিন বেরিয়ে যায়। আর কিডনিকে সুস্থ রাখতে হলুদ দুধের জুড়ি মেলা ভার। বর্ষাকাল মানেই বিভিন্ন জ্বর, সর্দি, কাশি বা ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা লেগেই থাকে। এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ রাতে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিসক থেকে বিশেষজ্ঞ প্রত্যেকেই।সারাদিন অফিসে কাজ কিংবা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের চাপ। দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে বসেই কেটে যায়। ফলে দেখা দিতে পারে মাথার যন্ত্রণার সমস্যা। এক গ্লাস হলুদ দুধ নিমেষে আপনাকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। হাড়কে শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি হাড় বা গাঁটের যন্ত্রণার উপশম ঘটায়। তাই হাড়ের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস করে হলুদ দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে সবথেকে বেশি যেটা জরুরি, তা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হলুদ দুধের তুলনা হয় না।

আগস্ট ১৫, ২০২১
দেশ

Dudh Durant: "দুধ দুরন্ত"-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়াল

ভারতীয়দের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের তালিকায় দুধ বেশ ওপরের দিকেই থাকবে। দুধের পুষ্টিগুন নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করলে ভারতীয়দের থামানো মুশকিল। ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভাগে দুধ ও দুগ্ধ জাত খাদ্যের প্রতি আগ্রহ নিয়ে অনেক জনশ্রুতি আছে। এহেন উত্তর ভারতের দুগ্ধের আকাল মেটাতে দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এক অভিনব উদ্যোগকে সকলেই সাধুবাদ জানাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ফর্ম বিলির আগেই বিতর্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারঅন্ধ্রপ্রদেশের রেনিগুন্টা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লি পর্যন্ত দুধ দুরন্ত নামে বিশেষ ট্রেনের মাধ্যমে দুধ পরিবহণ দশ কোটি লিটার পার করলো। প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল ২৬ মার্চ ২০২০। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের বিশেষ ট্রেনগুলি নিরবচ্ছিন্নভাবে ভাবে এই মহান কাজটি করে চলেছে এবং আজ পর্যন্ত ৪৩২ টি ট্রিপে ২৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার রাজধানীতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদদেশের চাহিদা পুরনের জন্য রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লি পর্যন্ত রেলপথে দুধ পরিবহণ করা খুবই অপরিহার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কোভিড -১৯ এর আগে, নয়াদিল্লি এবং আশপাশের অঞ্চলে মানুষের দুধের চাহিদা পূরণের জন্য সাপ্তাহিক সুপারফাস্ট ট্রেনের সঙ্গে দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করা হচ্ছিল। যখন দেশে সম্পূর্ণভাবে লকডাউন ঘোষণা করা হল, সেই ব্যবস্থাপনাই ধাক্কা পেল। তখন এই ব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে, দক্ষিণ মধ্য রেল বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে শুধুমাত্র দুধের ট্যাঙ্কার সংযুক্ত করে দুধ দুরন্ত নামে এক বিশেষ ট্রেন চালানোর অভিনব উদ্যোগ নেয়। দীর্ঘক্ষণ রেল যাত্রায় দুধ নষ্ট হওয়ার কথা মাথায় রেখে রেল কতৃপক্ষ এই ট্রেনগুলিকে মেল / এক্সপ্রেস ট্রেনের সমতুল্যভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিচালনা করে আসছে। রেনিগুন্টা থেকে নয়াদিল্লির নিজামুদ্দিন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রাপথটি প্রায় ২৩০০ কিলোমিটার, কিন্তু মেল / এক্সপ্রেস মর্যাদা পাওয়ার যন্য দুগ্ধ পরিবহণকারী ট্রেনটির সমগ্র যাত্রাপথটি অতিক্রান্ত করতে সময় লাগে মাত্র ৩০ ঘণ্টা!আরও পড়ুনঃ এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?দুধ দুরন্ত স্পেশাল ৬ টি দুধের ট্যাঙ্কার দিয়ে সাধারণত চালানো হয়, প্রতিটি দুধের ট্যাঙ্কারের বহন ক্ষমতা ৪০,০০০ লিটার, অর্থাৎ একটি ট্রেনে মোট ২.৪০ লক্ষ লিটার দুধ পরিবহণ করতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেনের ৪৪৩ বার যাত্রা করে ২,৫০২ টি দুধের ট্যাঙ্কার বহন করে দিল্লি পৌছেছে। এর অর্থ দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের এই বিশেষ উদ্যোগে দশ কোটি লিটারেরও বেশি দুধ রাজধানীতে পৌঁছানো গিয়েছে। দক্ষিণ মধ্য রেলওয়ের গুন্টাকাল ডিভিশনের কর্মকর্তারা মালবাহী গ্রাহকদের সঙ্গে অবিরত যোগাযোগ রেখে চলেছেন, যারা দুধের লোডিং অফার করছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখছেন যাতে এই বিশেষ ট্রেন চলাচলে কোনওরকম বাধা না আসে। এই মহান এবং অভিনব উদ্যোগের শুরু থেকে এই ট্রেনগুলির প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ জুড়ে যখন কোভিডের পিক চলছে সেই সময়েও এই বিশেষ ট্রেনটিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য। দেশে এই ধরণের উদ্যোগ প্রথম।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ‌আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ার

মাস দেড়েক আগে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী অ্যাথলিট মিলখা সিং। খুব অল্পের জন্য তিনি স্বপ্নপূরণ করতে পারেননি। ১৯৬০ রোম অলিম্পিকে এগিয়ে থেকেও ২০০ মিটার দৌড়ে ফটো ফিনিশে চতুর্থ হয়েছিলেন। অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন হাতছাড়া হয়েছিল। জীবনের শেষবেলায় চেয়েছিলেন টোকিও অলিম্পিকে তাঁর সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হোক। মৃত্যুর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতীয় অ্যাথলিটদের গলায় সোনার পদক দেখতে চান। তাঁর ইচ্ছে পূরণ হল। কিন্তু দেখে যেতে পারলেন না মিলখা সিং। অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে দেশকে সোনা এনে দিয়ে সেই মিলখা সিংকেই উৎসর্গ করলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া১২১ বছর পর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে জ্যাভেলিনে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন নীরজ চোপড়া। ইতিহাস রচনাকারী জ্যাভলিন থ্রোয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা দেশ। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জয়ের আবেগে ভেসেছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। আবেগতাড়িত হয়েছেন নীরজ নিজেও। শুধু মিলখা সিংকে নিজের সোনা উৎসর্গ করে থেমে থাকেননি, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন আবেগে কেঁদে ফেলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াঅলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে কেবলমাত্র সোনাজয়ী দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। তিন পদকজয়ী দেশের মধ্যে সবার ওপরে থাকে সোনাজয়ী দেশের জাতীয় পতাকা। পুরস্কার বিতরণীর ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় নীরজ নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকটোকিও অলিম্পিকের জ্যাভলিন থ্রো-র ফাইনালে কেবল সোনা জেতাই লক্ষ্য ছিল না নীরজ চোপড়ার। শনিবার তিনি দেশের হয়ে আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। অলিম্পিক রেকর্ড ভাঙতে চেয়েছিলেন। তা না হলেও বিশ্বমঞ্চে ভারতকে সম্মানিত করতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে মনে করছেন নীরজ চোপড়া। নীরজের দুর্দান্ত জয়ে উচ্ছ্বসিত হন স্টেডিয়ামে হাজির তাঁর কোচ সহ অন্যান্য ভারতীয়রা। সেখান থেকেই এক তেরঙা সংগ্রহ করে তা গায়ে জড়িয়ে এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছুটে বেড়ান আনন্দে আপ্লুত নীরজ। জড়িয়ে ধরেন প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও। ভারতীয় অ্যাথলিটকে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানান একে একে সব দেশের জ্যাভলিন থ্রোয়াররা।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

Cadbery: ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থা

ক্যাডবেরিতে রয়েছে গোমাংস! আর এমন গুজব ছড়িয়েই দেশজুড়ে ক্যাডবেরি সংস্থার সব ধরনের চকোলেট না কেনার ডাক দেওয়া হয়েছে। সংস্থার কিছু খাবারে জেলাটিন ব্যবহার করা হয়। সে কথা উল্লেখ করা আছে সংস্থার ওয়েবসাইটে। সে অংশের একটি ছবি ঘুরতে থাকে টুইটারে। তা নিয়েই এই বিতর্ক। আরও পড়ুনঃ বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকেজেলাটিন তৈরি হয় গোমাংস থেকে। এমন জিনিস ভারতীয় হিন্দুরা খাবেন কী না, এমন সব প্রশ্ন তুলে সংস্থার উপরে অনেকেই রাগ উগরে দেন নেটমাধ্যমে। ওয়েবসাইটের সেই অংশের ছবির নীচে জানতে চাওয়া হয় ঘটনাটি সত্যি কিনা। সঙ্গে ট্যাগ করা হয় ক্যাডবেরি ইউকে-কে। এ কথা যদি সত্যি হয়, তবে গোরুর চর্বি থেকে তৈরি কোনও খাবার ভারতের হিন্দুদের খাওয়ানোর জন্য ক্যাডবেরি সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও দাবি ওঠে। এক নেটাগরিক লেখেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নিজেদের প্রাণ দিয়েছেন, তবু গোরুর মাংস মুখে তোলেননি কখনও। এর নীচেই কয়েকশো নেটাগরিকের বক্তব্য জমতে থাকে। এমন কাণ্ডের পরে ব্রিটেনের এই সংস্থার সব খাবার একেবারের বর্জন করা উচিত বলেই বক্তব্য প্রকাশ করেন তাঁরা।pic.twitter.com/798qgPozsF Cadbury Dairy Milk (@DairyMilkIn) July 18, 2021সংস্থার তরফে এর উত্তরও দেওয়া হয়েছে। ক্যাডবেরি ডেয়ারি মিল্ক বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছে, ভারতে যে সব খাবার বিক্রি করে ওই সংস্থা, তা পুরোপুরি নিরামিষ। ওয়েবসাইটের যে অংশের ছবি টুইটারে ঘুরছে, তা আদৌ ভারতের কোনও সামগ্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাদের তরফে উল্লেখ করা হয়, যে কোনও চকোলেটের মোড়কে সবুজ একটি চিহ্ন থাকে। তা বুঝিয়ে দেয় যে সেই খাবারটি নিরামিষ। ভারতে তেমন চকোলেটই পাঠানো হয় বলে দাবি সংস্থার।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Milkha Singh: থেমে গেলেন মিলখা! জীবন যুদ্ধে ফটোফিনিশে হার মানলেন প্রতিদ্বন্দ্বী করোনার কাছে

শরীরে কোভিড থাবা বসানোর ৩০ দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী মিলখা।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১। একমাস লড়াই করার পরে শুক্রবার তার ৯১ বছর বয়সী মিলখা কোভিড -১৯ এর কাছে হেরে যাওয়ার আগে, মিলখা কতরকমের লড়াইয়ে জিতেছিল সেগুলি অনেকের কাছে দঃস্বপ্ন, এক অদম্য লড়াইয়ের কাহিনি ইতি পড়ল।উড়ন্ত শিখ নামেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রোম অলিম্পিকে মাত্র ০.১ সেকেন্ডের জন্য ব্রোঞ্জ পদক জিততে পারেননি। সেই মিলখা সিং (Milkha Singh) আর নেই। বাবার চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছেলে গলফার জীব মিলখা সিং। কিংবদন্তি অ্যাথলিটের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। In the passing away of Shri Milkha Singh Ji, we have lost a colossal sportsperson, who captured the nations imagination and had a special place in the hearts of countless Indians. His inspiring personality endeared himself to millions. Anguished by his passing away. pic.twitter.com/h99RNbXI28 Narendra Modi (@narendramodi) June 18, 2021গত ২০ মে কোভিড (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন মিলখা। তাঁর বাড়ির দুই পরিচারক করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। বাড়ির অন্যান্যদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও, মিলখার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন।করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন মিলখা। এর মধ্যেই দিন পাঁচেক আগে স্ত্রী নির্মল কৌর প্রয়াত হন।তিনিও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন মিলখা। রক্তে কমে যায় অক্সিজেনের মাত্রা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে ছিল জ্বর। চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধে থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত আর যুঝতে পারেনি তাঁর শরীর। চিন্তা করবেন না, আমার মনের প্রচুর জোর, আমি ভাল আছি ... আমি অবাক হচ্ছি, আমি কীভাবে এই করোনা তে সংক্রমিত হলাম? ... আমি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে হারিয়ে দেবো। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে পিটিআইয়ের সাথে শেষ কথাবার্তায় মিলখা বলেছিলেন।তাঁর উত্থানের আগে ভারতে অ্যাথলিটক্স স্বমন্ধে সাধরন মানুষের মধ্যে সেভাবে উৎসাহ চোখে পরত না। তিনি স্বাধীন ভারতের এক অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া আইকন, জীবনের প্রতি পদক্ষপে তাঁকে লড়াই করে যেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনও দিনই সেগুলিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর জীবনের বানী ছিল যন্ত্রণা আড়ালেই সাফল্য লুকিয়ে থাকে পাঞ্জাবের গোবিন্দপুর গ্রামে হতদরিদ্র এক পরিবারে মিলখার জন্ম। দারিদ্র্য এতটাই যে অন্য কিছু ভাবার অবকাশ কারও ছিল না। কোনওভাবে বেঁচে থাকাটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিনি দেখেছিলেন যে দেশভাগের সময় তার বাবা-মা খুন হয়েছেন, দিল্লির শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় ছট্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁকে সেটার জন্য হাজতবাস করতে হয়েছিলো। হাজতবাসের জন্য তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া পূরন হয়নি। কে ভেবে ছিল সেই মিলখাকে নিয়ে তাঁর আত্মজীবনী দ্য ফ্লাইং শিখ লেখা হবে? মিলখা দিনের পর দিন রক্ত ঘাম ঝড়িয়ে এটি অর্জন করেছেন এবং নিজেকে ওই কঠিন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে আরও বড় এবং আরও উন্নত করে মাস্টার-ক্লাস নিয়ে যাওয়াজায় সেটাতেই মগ্ন ছিলেন।এই কিংবদন্তি অ্যাথলিট চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক (১৯৫৮ টোকিও, ১৯৬২ জাকার্তা), এবং ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, মিলখা সিং কে বলতে যে দৌড়ের কথা এক পলকে মনে সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সটি ছিল ১৯৬০ এর রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ফাইনাল, পদক না জিতলেও তা সারা পৃথবীর মানুষের মন জয় করে নিতে পেরে ছিলেন। তিনি চতুর্থ স্থান অর্জনকারী।মিলখা তাঁর ১৬০ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন আমার ক্যারিয়ারের জন্য আমি যে পদকটি জিততে চেয়েছিলাম সেটা হাত ফসকে গেছিলো বিচারকদের এক ছোট্টো ভুলের কারণে। তাঁর সে আত্মজীবনী আধারিত বলিউডের সিনেমা ভাগ মিলখা ভাগ চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে।৪০০ মিটার দৌড়ে তাঁর ইতালীর রাজধানীতে করা সময় ৩৮ বছর ধরে জাতীয় রেকর্ড থেকে যায়। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মসন্মানে ভূষিত করেন ১৯৫৯এ, তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।১৯৫৮ র কমনওয়েলথ গেমসে ৪৪০গজ দৌড়ে তাঁর স্বর্ন পদক প্রাপ্তি বিশ্বে অ্যাথলেটিক্স মানচিত্রে ভারতকে এক আলাদা জায়গা করে দেয়। তবে অন্য কোনও কিছুর চেয়ে বড় কথা, মিলখা তিনিই ছিলেন যিনি ১৯৫৮ সালের ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ গেমসের তৎকালীন ৪৪০ গজ দৌড়ে সোনা জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে রেখেছিলেন। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, মিলখার কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাক্তিগত সাফল্যকে সন্মান ঞ্জাপন করতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন।মিলখা তার দীর্ঘ অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ৮০ টি প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করে তাঁর মধ্যে ৭৭ টিতে জয়লাভ করেন। মিলখার জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে তৈরি হয় বায়োপিক ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milkha Bhaag)। মিলখার ভূমিকায় অভিনয় করেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আখতার। মিলখা সত্যিই দ্রুত গতিতে সব কিছুকে পিছনে ফেলে অস্পুট স্বরে ভাগ মিলখা ভাগ বলতে বলতে চলে গেলেন এক অজানার দেশে।

জুন ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত 'ফ্লাইং শিখ'

কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে তাঁর। সে কারণেই সোমবার তড়িঘড়ি বাড়ি থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল বর্ষীয়ান অ্যাথলিটকে। যদিও কিংবদন্তির ছেলে জিভ মিলখা সিং জানিয়েছেন, তাঁর বাবা আপাতত স্থিতিশীল।গত ২০ মে মিলখা সিংয়ের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি মিলখার বাড়ির দুই কাজের লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরই বাড়ির প্রত্যেকের টেস্ট নেগেটিভ এলেও, তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তাতে বিন্দুমাত্র চিন্তিত হননি মিলখা। জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের মতে তিনি তিন-চারদিনেই সেরে উঠবেন। বুধবার বিকেলে জগিং করে বাড়ি ফেরার পরেই শুনি আমার রিপোর্ট পজিটিভ। কিছুটা অবাকই হয়ে যাই। কারণ আমার দেহে কোনও উপসর্গ নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি। চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত ঠিক হয়ে যাব। একথাই শোনা গিয়েছিল মিলখার গলায়। কিন্তু সোমবার হঠাৎই তাঁর রক্তে অক্সিজেন মাত্রা কমতে শুরু করে।তাঁর স্ত্রী নির্মল কৌর ও ছেলে জিভ জানান, বাড়িতে অসুস্থ বোধ করছিলেন বছর একানব্বইয়ের মিলখা। সম্ভবত ডায়রিয়া ও বমির কারণেই ডিহাইড্রেশনেও ভুগছিলেন। ফলে কোনও ঝুঁকি না নিয়েই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জিভ মিলখা সিং বলেন, গতকাল থেকেই দুর্বল বোঝ করছিলেন। তাই হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে পারবেন বাবা। তবে আপাতত সমস্ত প্যারামিটার স্বাভাবিক রয়েছে। ফ্লাইং শিখ-এর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন অগণিত অনুরাগী।

মে ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডির তলব এড়িয়ে গেলেন ডিসি! শান্তনুকে নিয়ে নতুন রহস্য

ইডির তলব থাকা সত্ত্বেও আজও দফতরে হাজির হলেন না কলকাতা পুলিশের ডিসি স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী ইডি দফতরে গিয়ে জানান, আপাতত তিনি কাজে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারছেন না। সেই কারণে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কিছু সময় চাওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। শুধু তিনি নন, তাঁর দুই ছেলেকেও তলব করা হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বেআইনি জমি জালিয়াতি মামলার তদন্তেই তাঁর নাম সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই এলাকায় তাঁর নামে থাকা আরও কয়েকটি ফ্ল্যাটেও অভিযান চালানো হয়।সূত্রের খবর, এই মামলার সূত্রে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে ইডি। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।এই মামলায় ইতিমধ্যেই এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগেও একাধিক মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর ছেলে সায়ন্তনের নামও এই মামলায় জড়িয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। অভিযোগ, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বারবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা না দেওয়ায় তদন্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই নজর এখন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই বড় ঘোষণা! কবে প্রকাশ উচ্চ মাধ্যমিকের ফল জানুন

ভোটের আবহের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ঘোষণা করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বুধবার জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ মে প্রকাশিত হবে ফল। ওই দিন সকাল সাড়ে দশটায় সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হবে।সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সল্টলেকের বিদ্যাসাগর ভবনে এই সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণার আধ ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের ফল জানতে পারবেন। তবে কোন কোন ওয়েবসাইটে ফল দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। পরে সংসদের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে খবর।প্রতি বছরের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ভোটের আবহের মধ্যেই এই ঘোষণা আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর ১৪ মে-র দিকে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কবি শ্রীজাত গ্রেফতারি! কাঁপছে রাজনৈতিক ও সাহিত্য মহল, কমিশনের দাবি ভুয়ো খবর

বিধানসভা ভোটের আগে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের তরফে পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর লেখালেখি বা বক্তব্য থেকে ভোটের সময় উত্তেজনা ছড়াতে পারে, সেই আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার অভিযোগ করেছেন, বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উপর আঘাত হানার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বিজেপির প্ররোচনায় কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে দেবজিৎ সরকার পাল্টা বলেন, আদালতের নির্দেশেই এই গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ খোঁজা ভুল বলে দাবি করেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই এই ধরনের মন্তব্য করছে তৃণমূল।ঘটনাটি নিয়ে সাহিত্য মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বিনোদ ঘোষাল প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন কবির বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তাঁদের মতে, এতে সংস্কৃতি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।ভোটের মুখে এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে প্রশাসনিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক চাপানউতোরসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারিতে নুসরত! সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা ঘিরে তোলপাড়

ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় ফের ইডির তলব পেয়ে বুধবার সকালে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যশ দাশগুপ্তও। সূত্রের খবর, ইডি যে সব নথি চেয়েছিল, সেগুলিও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন নুসরত।এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালে রাজারহাটের একটি ফ্ল্যাট প্রতারণা অভিযোগকে ঘিরে। অভিযোগ ওঠে, ২০১৪-১৫ সালে একটি সংস্থা চারশোর বেশি প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নেয়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু অভিযোগ, কেউই সেই ফ্ল্যাট পাননি এবং টাকাও ফেরত মেলেনি। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে নুসরত জাহানের নাম ছিল বলে দাবি ওঠে, যদিও তিনি শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।এর আগেও এই মামলায় তাঁকে তলব করেছিল ইডি। প্রথমে নুসরত আবেদন করেছিলেন, যেন তাঁকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয় এবং কলকাতাতেই হাজিরা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন।জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় একজন মহিলা আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি তদন্তকারী আধিকারিক এবং সহকারী ডিরেক্টর স্তরের এক আধিকারিকও থাকবেন। নুসরতের বয়ান রেকর্ড করা হবে এবং সেই ভিত্তিতেই তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে ইডি।এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মামলার অগ্রগতি এখন কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে তাণ্ডব! ট্যাংরায় ৫০ জনের হামলায় রণক্ষেত্র এলাকা

ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ট্যাংরা এলাকায় ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাত প্রায় সোয়া নটা নাগাদ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, একই পরিবারের তিন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিনের মতো নিজের বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করতে যান। কিন্তু সেদিন সেখানে অন্য একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি সরাতে বলতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় এবং প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন একসঙ্গে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়।এই হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক ও সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু মারধরই নয়, অভিযুক্তরা বাড়ির ভিতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলেও দাবি পরিবারের।বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিক অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা এলাকার শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগেও থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিবারের দাবি, তারাও ওই দলের সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খাটিক পরিবার। বিক্রম খাটিকের আর্জি, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক, কারণ তিনি আশঙ্কা করছেন ফের হামলার শিকার হতে পারেন।এই ঘটনায় ট্যাংরা থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
দেশ

“ভুলবে না দেশ!” পহেলগাম হামলা নিয়ে আবেগঘন বার্তা মোদীর

পহেলগাম জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্তিতে নিহত নিরীহ মানুষদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, সেই ভয়াবহ ঘটনার শিকারদের কোনও দিন ভুলবে না দেশ। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে রয়েছে গোটা দেশ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভারত কখনও সন্ত্রাসবাদের কাছে মাথা নত করবে না এবং জঙ্গিদের কোনও চক্রান্তই সফল হবে না।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, গত বছরের এই দিনে পহেলগামে যে নৃশংস হামলা হয়েছিল, তা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, এই শোকের মুহূর্তে দেশ একজোট রয়েছে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।গত বছর ২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জঙ্গিরা নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে তারপর নারী ও শিশুদের সামনেই গুলি চালায়। এই ঘটনা দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সঞ্চার করেছিল।হামলার পর উদ্ধারকাজ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুর্গম রাস্তার কারণে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে অনেক আহত ব্যক্তি রক্তক্ষরণেই প্রাণ হারান। পহেলগাম থেকে বৈসরণ যাওয়ার পথ ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী ছিল না।এই ঘটনার পর ভারত কড়া পদক্ষেপ নেয়। অপারেশন সিঁদুর-এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে অভিযান চালায় এবং বহু জঙ্গিকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে অপারেশন মহাদেব-এর মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত জঙ্গিদের খুঁজে বের করে নির্মূল করা হয় বলে জানানো হয়।তবে এক বছর পরেও পহেলগামের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নিরাপত্তার কারণে বহু পর্যটন কেন্দ্র এখনও বন্ধ রয়েছে। এর ফলে পর্যটনে বড় ধাক্কা লেগেছে এবং পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। স্থানীয়দের জীবিকাতেও এর গভীর প্রভাব পড়েছে, অনেকেই চরম আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal