• ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Middle East Crisis

বিদেশ

ট্রাম্পের বড় ঘোষণা: ইরানের সঙ্গে চুক্তি, খুলছে হরমুজ়—স্বস্তির নিশ্বাস বিশ্ববাজারে

দীর্ঘ কয়েক মাসের উত্তেজনা, সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক উদ্বেগের পর অবশেষে সমঝোতার পথে হাঁটল আমেরিকা ও ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।সোমবার ভোরে প্রথমে পাকিস্তান এই সমঝোতার খবর প্রকাশ করে। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়েই আলোচনায় অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর বাকি, তবুও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই ঘোষণাকে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা প্রশমনের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।ট্রাম্পের ঘোষণা: ইঞ্জিন চালু করুক বিশ্বের জাহাজনিজের সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অভিনন্দন। হরমুজ় প্রণালীর ব্যবহার আবার স্বাভাবিক হবে। মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের সব জাহাজ আবার তাদের যাত্রা শুরু করতে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, বহু মার্কিন প্রশাসন অতীতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তাঁর মতে, এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী?বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। পশ্চিম এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ দেশগুলির জন্য এই জলপথ কার্যত জীবনরেখা। ফলে সেখানে অস্থিরতা তৈরি হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ে।গত কয়েক মাস ধরে ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে এই জলপথে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছিল। বহু বাণিজ্যিক জাহাজ বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, যার ফলে পরিবহণ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।মাইন সরানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জতবে চুক্তি হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তা নয়। সংঘাতের সময় ইরান হরমুজ় প্রণালীর বিভিন্ন অংশে সামুদ্রিক মাইন বা বিস্ফোরক বসিয়েছিল বলে অভিযোগ। এই মাইন এখনও পুরোপুরি অপসারণ করা হয়নি।মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পরই যৌথভাবে মাইন অপসারণের কাজ শুরু হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ধাপে ধাপে পূর্ণমাত্রায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা হবে। ফলে বাস্তবে পরিবহণ স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অগ্রগতিএই সমঝোতা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ রবিবারই সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও সেই সময় ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।পরবর্তীতে একাধিক দফার কূটনৈতিক যোগাযোগের পর দুই দেশই আলোচনায় অগ্রগতির কথা স্বীকার করে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এই প্রথম দুই পক্ষ প্রকাশ্যে সমঝোতার বার্তা দিল।এখনও বাকি পারমাণবিক ইস্যুর সমাধানবিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সমঝোতা মূলত হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে তাৎক্ষণিক সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক কর্মকাণ্ডের মতো জটিল বিষয়গুলি এখনও আলোচনার বাইরে রয়েছে।ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দিনে একাধিক পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে। সেই আলোচনাগুলিই নির্ধারণ করবে দুই দেশের সম্পর্ক স্থায়ীভাবে উন্নতির পথে এগোবে কি না।বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের আশা, হরমুজ় প্রণালী পুনরায় চালু হলে বিশ্ব তেলবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

জুন ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
দেশ

এক বছর সোনা কিনবেন না! দেশবাসীকে হঠাৎ এমন বার্তা কেন দিলেন মোদী?

ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এর মধ্যেই আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।রবিবার এক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আগামী এক বছর সোনা না কেনার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজনে আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আপাতত বিদেশ ভ্রমণ এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এড়িয়ে চলার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দেশের অর্থভাণ্ডার শক্তিশালী রাখা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোদী।প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরেই আজ বিশেষ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অর্থনীতির উপর কতটা প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বৈঠকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে দেশের কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হবে।সূত্রের খবর, বৈঠকে পেট্রোলিয়াম এবং জাহাজ মন্ত্রকের তরফে আলাদা করে রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি রুখতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া আগামী দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

মে ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আশঙ্কা ফিরতেই তেলের দামে আগুন! ভারতে কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজেল?

টানা চলা সংঘর্ষের পর ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল। সেই সময় তেলের দাম কমতেও শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। ফের বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম এবং তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ মেটাতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে আবার উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। একইভাবে ব্রেন্ট তেলের দামও ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে দাম বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে পড়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।কয়েক দিন আগেও ছবিটা অন্যরকম ছিল। এপ্রিলের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হতেই তা কমে প্রায় ৯১ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু নতুন করে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া এবং উত্তেজনা বাড়ার কারণে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের জীবনে। তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে।এদিকে আমেরিকার তরফে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত মিলতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে চরম টানাপোড়েন, চুক্তি ছাড়াই ফিরল আমেরিকা

দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার বৈঠক, তবু মেলেনি কোনও সমাধান। ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ম্যারাথন আলোচনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, তাদের পক্ষ থেকে সব চেষ্টা করা হলেও ইরান শর্ত মানতে রাজি হয়নি। ফলে কোনও চুক্তি ছাড়াই ফিরতে হয়েছে তাঁদের।এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সুর চড়ায় ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকার শর্তগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ছিল এবং সেই কারণেই আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই তারা দীর্ঘ সময় আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি।এই বৈঠকে অন্যতম বড় জট ছিল হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদের অবস্থান বদলাবে না। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, হরমুজ খুলতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।প্রায় এক মাসের উত্তেজনার পর দুই দেশের এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। বৈঠকের পরে ভান্স জানান, আমেরিকা তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেকোন বিষয়ে আপস সম্ভব এবং কোথায় নয়। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, তবুও চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিলই রয়ে গেছে।সূত্রের খবর, আবারও নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। ইসলামাবাদের তরফে বৈঠক বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলেও কোনও সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার ঘণ্টা পেরোতেই যুদ্ধ! ইরান-আমেরিকা চুক্তি প্রশ্নের মুখে

খাতায়কলমে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামল না মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে নতুন করে হামলার খবর সামনে এসেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের লাভান দ্বীপে একটি তেল শোধনাগারে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সকালে এই হামলার পর আগুনে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।অন্যদিকে, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর মিলেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই হামলার দায় এখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান।উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। দুপক্ষ জানিয়েছিল, আগামী দুসপ্তাহ আলোচনা চলবে এবং সেই সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।কিন্তু এই ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘর্ষবিরতি খুবই নড়বড়ে ছিল। কারণ, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, সংঘর্ষবিরতির পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বেড়েছে। এখন বড় প্রশ্ন, এই সংঘাত আদৌ থামবে কি না।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য! ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে মৃত্যু ভারতীয়ের

প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আকাশে বারুদের গন্ধ, দিনরাত সাইরেনের শব্দ আর একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে রক্ষা পাননি ভারতীয়রাও। এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষে আরও এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।সম্প্রতি আবু ধাবি শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়। পাল্টা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে আটকানো সম্ভব হয়। তবে আকাশে দুই ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষের পর তার ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে সুয়েইহান স্ট্রিট এলাকায়। সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ভারতীয় এবং অন্যজন পাকিস্তান-এর নাগরিক।ভারতীয় দূতাবাসের তরফে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পাশে থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।পরে জর্ডন-এর বিদেশ মন্ত্রক হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করে জানায়, এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে মোট সাতজন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এখন পর্যন্ত মোট এগারো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল নয়। সাম্প্রতিক হামলার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এগারোতে। নিহতদের মধ্যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন সদস্যও রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং প্যালেস্টাইনের নাগরিকরাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইরানের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনশোরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারের বেশি ড্রোন হামলা। তবুও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ, তবুও নরম নন ট্রাম্প! কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাত নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি চান না তিনি। তাঁর দাবি, এই সংঘাতে ইরান দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাই এখন যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নই ওঠে না।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু তিনি যুদ্ধবিরতি চান না। তাঁর কথায়, যখন প্রতিপক্ষকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তখন যুদ্ধ থামানো ঠিক নয়।ইজরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর হামলা এবং যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খুব ভালো এবং দুই দেশই একই লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, তারা জয় চায় এবং সেই দিকেই এগোচ্ছে।হরমুজ প্রণালী নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখতে আরও সাহায্যের প্রয়োজন। বিশেষ করে চিন ও জাপানের মতো দেশ এগিয়ে এলে পরিস্থিতি সামলানো সহজ হবে। ইরানের কারণে এই পথ আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা পুনরায় চালু করতে জাহাজের প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার কাছে হরমুজ প্রণালী ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির মতো তারা এই পথের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়।উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় কুড়ি শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বর্তমান সংঘাতের জেরে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় বহু দেশে তেলের সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান ভেঙে পড়ছে! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কার্যত শেষ পরমাণু শক্তি, দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধে নতুন করে বড় দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাঁর কথায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে এই যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা খুব দ্রুত নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করছে। তাঁর দাবি, টানা কুড়ি দিনের হামলার ফলে ইরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে না, এমনকি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামর্থ্যও অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শক্তি কার্যত ধ্বংসের মুখে। এখন মূলত সেই সব কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখান থেকে এই অস্ত্র তৈরি হত। তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।তিনি আরও দাবি করেন, ইরান এখন আগের থেকে অনেক দুর্বল, আর ইজরায়েল এই অঞ্চলের শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রয়োজন হলে এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় চলবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে, নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীনই ইরান ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীও জানায়, নতুন করে হামলা হয়েছে তাদের দিকে।ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই হামলা ইজরায়েল নিজের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার অনুরোধ করেছেন, তাই আপাতত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলছে ইজরায়েল।নেতানিয়াহু আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। কিন্তু সেই কৌশল সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যে আরও জটিল আকার নিতে পারে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ২০, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
বিদেশ

পাঁচ হাজার পাউন্ডের বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা! ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি

হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের উপকূল অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলিতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, এই হামলায় শক্তিশালী বাঙ্কার বিধ্বংসী বোমা ব্যবহার করা হয়েছে, যার ওজন প্রায় পাঁচ হাজার পাউন্ড।আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, এই বোমাগুলি এমনভাবে তৈরি, যা মাটির নিচে বা শক্তভাবে সুরক্ষিত ঘাঁটি ধ্বংস করতে পারে। তারা জানিয়েছে, ইরানের উপকূলবর্তী এলাকায় থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।আমেরিকার দাবি, ওই এলাকায় থাকা জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য বড় বিপদ তৈরি করছিল। তাই সেই হুমকি দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ন্যাটোর বেশিরভাগ দেশ এই যুদ্ধে সরাসরি জড়াতে চায় না। যদিও তারা আমেরিকার পদক্ষেপকে সমর্থন করছে, তবুও সামরিকভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছে না।ট্রাম্প বলেন, সবাই আমেরিকার সঙ্গে একমত হলেও সাহায্য করতে চায় না, যা তাঁর কাছে বিস্ময়কর বলে মনে হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানাননি, এই অবস্থানের জন্য তিনি মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেবেন কি না।এর আগে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারে।কিন্তু জার্মানি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই সংঘাতে অংশ নেবে না। ফ্রান্সও জানিয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনও সামরিক পদক্ষেপে যাবে না।অন্যান্য দেশগুলিও এই বিষয়ে আগ্রহ দেখায়নি, ফলে আমেরিকা কার্যত একাই এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।হরমুজ প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। কিন্তু মার্চের শুরু থেকে চলা যুদ্ধের কারণে এই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে বড় প্রভাব পড়েছে এবং তেলের দাম দ্রুত বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সংঘাত! ইরানের খার্গ দ্বীপে ভয়াবহ বোমাবর্ষণের দাবি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাতের আবহে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। তিনি এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বোমাবর্ষণ বলে উল্লেখ করেছেন।নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তায় ট্রাম্প জানান, তাঁর নির্দেশে আমেরিকার কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে থাকা সমস্ত সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।তবে তিনি এটাও জানান, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেও হামলা করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূল থেকে প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই ইরান বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠায়। তাই এই দ্বীপে বড় আঘাত মানেই ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা বলে মনে করা হয়।এর মধ্যেই আমেরিকার প্রশাসনের দাবি, ইরানের অন্তত পনেরো হাজার সামরিক ঘাঁটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েল একসঙ্গে হামলা চালিয়েছে। তাদের আরও দাবি, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপত্তার কারণে গোপন স্থানে চলে গিয়েছে। এমনকি দেশের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে খার্গ দ্বীপে হামলার খবর সামনে আসতেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে হরমুজ দিয়ে কোনও তেলবাহী জাহাজকে যেতে দেওয়া হবে না।ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার বাইরে এক লিটার তেলও যেতে দেওয়া হবে না। এর জবাবে আমেরিকার পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার চেষ্টা করলে কঠোর সামরিক জবাব দেওয়া হবে।এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপে হামলার দাবি সামনে আসায় সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

মার্চ ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে রহস্য! গুরুতর আহত নতুন সর্বোচ্চ নেতা, নাকি গোপন রাখা হচ্ছে সত্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তা প্রকাশ পেলেও তিনি নিজে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা দেননি।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর প্রথম বক্তব্য প্রচার করা হয়। তবে সেই বার্তাটি একটি সংবাদপাঠক পড়ে শোনান। খামেনেই নিজে ক্যামেরার সামনে আসেননি। কেন তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, সে বিষয়ে ইরানের সরকারি মাধ্যম কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। এরই মধ্যে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের প্রথম হামলাতেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।ছাপ্পান্ন বছর বয়সী এই নতুন আয়াতোল্লা তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাঁর নিহত বাবার নীতিই অনুসরণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলিকে দ্রুত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই হামলাতেই তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী, বোন ও ভাইঝির মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাঁকে রমজানের যোদ্ধা বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্টেও তাঁর আঘাত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি তুলনামূলকভাবে হালকা আহত হয়েছেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর পায়ে চোট লেগেছে, চোখের পাশে আঘাত রয়েছে এবং মুখেও সামান্য ক্ষত রয়েছে।তবে একটি বিদেশি সংবাদপত্রে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি নাকি এখন কোমায় রয়েছেন এবং হামলায় তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর যকৃত ও পেটেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর প্রথম বার্তা প্রকাশ করা হয়েছিল মূলত তাঁর শারীরিক অবস্থা আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে। জানা গিয়েছে, রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একটি অংশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারঘান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। সূত্রের দাবি, হামলায় তাঁর একটি পা হারাতে হয়েছে এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে নানা ধরনের জল্পনা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়াতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশটি নাকি এখন এক অদৃশ্য আয়াতোল্লার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তাটি তিনিই লিখেছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ চলাকালীনই ছাঁটাই কোচ! ফুটবল ইতিহাসে নজির গড়ে লজ্জার রেকর্ড

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। প্রতিযোগিতা চলাকালীনই কোচকে সরিয়ে দিয়ে নতুন নজির গড়ল তিউনিশিয়া। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর কোচ সাব্রি লামৌচিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রতিযোগিতা চলাকালীন চাকরি হারানো প্রথম কোচ হিসেবে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।সাব্রি লামৌচি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিউনিশিয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অধীনে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল দলকে। সেই ব্যর্থতার রেশ কাটার আগেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে একের বিরুদ্ধে পাঁচ গোলে পরাজিত হয় তিউনিশিয়া।এই ফলাফলের পরই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। নতুন কোচ কে হবেন, সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।এর আগে তিউনিশিয়ার ফুটবল মহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছিল। কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক দাবি করেছিলেন, দলের উপর কোচের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছিলেন সাব্রি। তবে শেষ পর্যন্ত দলের খারাপ ফলাফল তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল করে দেয়।এদিকে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে সুইডেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন আয়ারি। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, তাঁর পরিবারের শিকড় তিউনিশিয়ায়। সেই কারণেই গোল করার পর তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি।সুইডেনের জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গিয়োকেরেসও। দুজনেই একটি করে গোল করেন এবং আক্রমণভাগে দাপট দেখান। দলের অন্য গোলটি করেন ম্যাথিয়াস ভ্যানবার্গ। তিউনিশিয়ার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ওমর রেরিক।প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হারের ফলে তিউনিশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কঠিন হয়ে উঠেছে। তার মধ্যেই কোচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দলকে কতটা সাহায্য করবে, এখন সেটাই দেখার।

জুন ১৫, ২০২৬
দেশ

মঞ্চে উঠতেই চড়ের পর চড়! জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, আটক দুই

জয়পুরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং বেকারত্বের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। শহিদ স্মারকে সমর্থকেরা জড়ো হওয়ার পর সেখানে পৌঁছন অভিজিৎ। অভিযোগ, সেই সময়ই কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্তা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমর্থকেরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই জনকে আটক করে।এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংক্রান্ত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্বের মতো বিষয় তুলে ধরে স্লোগানও দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই আচমকা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।গত কয়েক সপ্তাহে ককরোচ জনতা পার্টি নামটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এটি কোনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়, তবু বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তাদের অবস্থান নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।এদিকে, দলটির সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও, অভিজিতের দাবি ছিল তাঁদের তরফে কোনও উসকানিমূলক বা বেআইনি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েই তাঁরা মতামত তুলে ধরছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।জয়পুরের এই ঘটনার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা। ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পুলিশের রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মুকুন্দপুরে তল্লাশি ঘিরে শোরগোল, অফিস থেকে কী কী মিলল তা নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পৌরনিগমের একশো নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুকুন্দপুরের অফিস ঘিরে সোমবার চাঞ্চল্য ছড়ায়। তল্লাশির সময় অফিস থেকে একাধিক ডায়েরি, নথি এবং বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অফিসে থাকা কয়েকটি ডায়েরিতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা ছিল। তাঁদের দাবি, সেখানে কিছু প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের নামও উল্লেখ ছিল। তবে ওই নথির সত্যতা বা সেখানে থাকা তথ্যের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।তল্লাশির সময় উপস্থিত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্প এবং চাকরির নামে অর্থ লেনদেনের হিসাব ওই ডায়েরিগুলিতে নথিভুক্ত ছিল। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও যাচাই এখনও হয়নি।অফিসের উপরের তলা থেকেও বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের দাবি উঠেছে। কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সেখানে প্রসাধনী সামগ্রী, পোশাক এবং আরও কিছু ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিস পাওয়া গিয়েছে। এসব সামগ্রী কী কারণে সেখানে রাখা ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ দাবি করেন, এই ঘটনা দীর্ঘদিনের দুর্নীতির অভিযোগকে আরও জোরালো করছে। তাঁর বক্তব্য, তদন্তের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সামনে আসা প্রয়োজন।অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এটি একটি সরকারি অফিস এবং সেখানে অফিস সংক্রান্ত নথি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীই রয়েছে। বর্ষাকালের ত্রাণসামগ্রী এবং উৎসব উপলক্ষে রাখা কিছু পোশাকও সেখানে থাকতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তল্লাশি চালানোর বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। উদ্ধার হওয়া নথি ও সামগ্রীর প্রকৃত সত্যতা কী, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সকলেই।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনেই কুণালকে লক্ষ্য করে ডিম! মুহূর্তে উত্তপ্ত কালীঘাট, সামনে এল বিস্ফোরক দাবি

কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেই ডিম হামলার মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আচমকাই এক যুবক তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে দেন। নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও কুণালের মাথায় গিয়ে লাগে সেই ডিম। ঘটনাকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম চন্দন। ঘটনার পর তিনি দাবি করেন, কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ রয়েছে। তাঁর কথায়, অনেক অন্যায় হয়েছে। এটা ওনার প্রাপ্য ছিল। এরপর আর কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই সেখান থেকে চলে যান তিনি।ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় দুজন যুবক তাঁর খুব কাছেই ছিল। আচমকা একজন ডিম ছুড়ে পালিয়ে যায়। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ প্রতিবাদ করেননি বা অভিযুক্তকে আটকানোর চেষ্টা করেননি।অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে কুণাল বলেন, কে অত্যাচার করেছে? আমি করেছি, না মমতাদি করেছেন? যদি কোনও পদক্ষেপ হয়ে থাকে, তা প্রশাসন বা পুলিশের মাধ্যমে হয়েছে। তার দায় আমার হতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্ত যুবকের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, তাঁর চাকরি বা সুযোগ-সুবিধা কোথা থেকে এসেছে, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।এই ঘটনার পর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতার বাড়ির একেবারে কাছাকাছি এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডিম হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবার কালীঘাটে কুণাল ঘোষকে ঘিরে একই ধরনের ঘটনার পর নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।ঘটনার শেষে কুণাল ঘোষ বলেন, এক মাঘে শীত যায় না। এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

যে দলে ভিড়ছেন ২০ সাংসদ, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই এক মাস আগে ছেড়েছেন দল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নাম। তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ এই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর ছড়াতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক জল্পনা (NCPI)। বিশেষ করে সদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায়ের মতো অভিজ্ঞ সাংসদদের নাম সামনে আসার পর কৌতূহল আরও বেড়েছে।তবে সবচেয়ে বড় চমক অন্য জায়গায়। যে দলটিকে ঘিরে এত আলোচনা, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই নাকি এক মাস আগে দল ছেড়ে দিয়েছেন (NCPI)। জানা গিয়েছে, হাওড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে ২০২২ সালে এই রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন (NCPI)। হাওড়ার সাঁকরাইলে দলের সূচনা হয়েছিল। পরের বছর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয় দলটি। একই বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অংশ নেয় তারা।দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভানেত্রী ছিলেন শিউলি কুণ্ডু। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত দাস। পরে দলের সাংগঠনিক বিস্তার ঘটাতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। শিউলির স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুও দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।তবে শিউলি কুণ্ডুর ( (NCPI)) দাবি, প্রায় এক মাস আগে তিনি ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে বেশি সময় দিচ্ছেন। বিশেষ করে মহিলাদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।২০ জন সাংসদ এই দলে যোগ দিতে পারেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিউলি কুণ্ডু বলেন, দলটি বড় পরিসরে আলোচনায় আসছে শুনে তাঁর ভালো লাগছে। তবে কোনও সাংসদ এর আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিকে সোমবার সকালে হাওড়ার সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ঘিরেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকেই কয়েক দফায় সেখানে বাহিনীর যাতায়াত দেখা যায়। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, কুণ্ডু দম্পতি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।২০ জন সাংসদের সম্ভাব্য যোগদান এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতার পদত্যাগ এই দুই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৫, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা! তল্লাশির পর বাড়ল চাপ

প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে পুলিশ। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও তাঁর খোঁজ না মেলায় তদন্তকারীরা এই পদক্ষেপ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।শালবনি থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম এবং জমি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছিল বহুচর্চিত কয়লা পাচার মামলায়। সেই মামলায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে চিহ্নিত করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল বলেও জানা যায়।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুমিত রায় দীর্ঘদিনের পরিচিত। স্কুলজীবনে তাঁরা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছিলেন। পরে দুজনের পেশাগত পথ আলাদা হলেও অভিষেকের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাতেন সুমিত। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি অভিষেকের অন্যতম বিশ্বস্ত সহকারী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।গত শনিবার সুমিতের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারী দল। তদন্ত সূত্রে দাবি, তাঁর মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান কালীঘাটের একটি এলাকায় ধরা পড়েছিল। সেই সূত্র ধরেই গভীর রাতে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও সুমিত রায়ের কোনও হদিস মেলেনি।এদিকে, এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিক তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। সম্প্রতি দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। বিভিন্ন মামলায় তাঁর কাছে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য, দ্রুত তাঁর অবস্থান চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

জুন ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন আতঙ্ক! কঙ্গোয় বাড়ছে ইবোলা, চিন্তায় ফুটবল বিশ্ব

কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার খবর ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ফুটবল বিশ্বেও শুরু হয়েছে আলোচনা। কারণ, চলতি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে কঙ্গো। বুধবার তাদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পর্তুগালের মুখোমুখি হওয়ার কথা।সংক্রমণের পরিস্থিতির কারণে কঙ্গো দলের প্রস্তুতিতেও প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে অনুশীলন শিবির করার পরিকল্পনা থাকলেও তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। পাশাপাশি একটি প্রস্তুতি ম্যাচও বাতিল করতে হয়েছে বলে খবর।পরবর্তীতে দলকে নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণে রাখার পরই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। বেলজিয়ামে কিছুদিন কাটানোর পর কঙ্গো দল সম্প্রতি প্রতিযোগিতার জন্য পৌঁছেছে।তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সমর্থকদের যাতায়াত নিয়ে। কঙ্গো থেকে আসা দর্শকদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কড়া স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কঠোর নজরদারির কথাই জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইবোলা ভাইরাস সহজে বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। সেই কারণে বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সংক্রমণের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও কোনও রকম ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।গত মে মাসে প্রথম কঙ্গোয় ইবোলা সংক্রমণের খবর সামনে আসে। তারপর থেকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি নজরদারি বাড়িয়েছে।বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে আয়োজক দেশ এবং স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন নজর থাকবে স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দিকেও।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দিঘা ভ্রমণে বড় স্বস্তি! তুলে নেওয়া হল পর্যটক চাঁদা, উপকূল উন্নয়নে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

দিঘায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে পর্যটকদের জন্য এলো বড় সুখবর। আগামী ১ জুলাই থেকে দিঘায় আর কোনও পর্যটককে অতিরিক্ত ১০ টাকা চাঁদা দিতে হবে না। রবিবার দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে উপকূলীয় পর্যটন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ শিল্পোন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এতদিন হোটেলের বিলের সঙ্গে পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ টাকা করে নেওয়া হত, যা নিয়ে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছিল। তাঁর বক্তব্য, এই অর্থ আদায়ের পদ্ধতি স্বচ্ছ ছিল না এবং এতে পর্যটকদের অযথা আর্থিক বোঝা বাড়ছিল। তিনি বলেন, যাঁরা নিয়ম মেনে আয়কর ও জিএসটি দিচ্ছেন, তাঁদের উপর আবার অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে পর্যটকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই কারণেই এই চাঁদা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে দিঘা-শংকরপুরসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকার পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, গত কয়েক বছরে দিঘার প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। রাজ্যের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং পর্যটক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একাধিক ঘাটতি তৈরি হয়েছে।বিশেষ করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে, একটি আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে যে ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা থাকা প্রয়োজন, তা বর্তমানে পর্যাপ্ত নয়। হাসপাতালের জন্য আইসিইউ বেড, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ট্রমা কেয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।উপকূলীয় অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁথির শৌলা থেকে পেটুয়াঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দেন, শুধুমাত্র সাধারণ সমুদ্রসৈকত নয়, ভবিষ্যতে দিঘাকে চেন্নাই বা মুম্বইয়ের আদলে আধুনিক মেরিন ড্রাইভ কেন্দ্রিক পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই সরকার এগোতে চায়।অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সামনে এসেছে বড় পরিকল্পনা। তাজপুরের কাছে দাদনপাত্রবাড় এলাকায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় ১৭০০ একর জমি ইতিমধ্যেই সরকারের হাতে রয়েছে এবং ওই অঞ্চলে সমুদ্রের গভীরতাও বন্দর নির্মাণের জন্য উপযুক্ত। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয়, গোটা রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোতে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে বলে মত প্রশাসনের।এছাড়াও বনাঞ্চল সংরক্ষণ ও উপকূলীয় পরিবেশ উন্নয়ন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কার্যকর হয়নি। তবে অতীতের সমালোচনায় না গিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দেন তিনি।সামনেই রথযাত্রা। দিঘায় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগমের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার জন্য মুখ্যসচিবকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সব মিলিয়ে, পর্যটক চাঁদা প্রত্যাহার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, পর্যটন ও শিল্পোন্নয়নের একাধিক ঘোষণা দিঘাকে নতুন রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের এই পদক্ষেপ কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর পর্যটন মহল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

জুন ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal