• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Memory

নিবন্ধ

New Years Eve: বর্ষশেষ যাপন - পুরানো সেই দিনের কথা

পঁচিশে ডিসেম্বর সেন্ট জোসেফস চার্চের রাত ভরানো ডিং ডং -এর রেশ মেলাতে না মেলাতেই জল্পনাকল্পনার শুরু ; কে হবেন অনুষ্ঠানের সূত্রধার এবার ---শেখর সুমন, নাকি রাকেশ বেদী? মজহর খান, নাকি জয়ন্ত কৃপালনী? রঙ্গতামাশায় দুলিয়ে দেবেন কে --- শফি ইনামদার, সতীশ শাহ, যশপাল ভাট্টি, নাকি টুনটুন? ইন্ডিপপের ধুম মচাবেন কে কে --- আলিশা শেনয়, শ্যারন প্রভাকর, প্রীতি সাগর, পিনাজ মাসানি, পার্বতী খান? নাকি নব্যতারকা বাবা সায়গল, ইলা অরুণ,আনাইদা-- এরা কেউ? স্টার অ্যাট্রাকশন হচ্ছেন কে এবার? আশা ভোঁসলে বা শাহরুখ খানের মতো কেউ?আরও পড়ুনঃ কন্যা রুপেন সংস্থিতাসেই নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় দূরদর্শনের বর্ষশেষ যাপন অনুষ্ঠান যে কী পরিমাণ ঔৎসুক্য আর সাসপেন্স জাগাতো, আজকের প্রজন্মকে তা বোঝানো মুশকিল! বোকাবাক্সের জনপ্রিয় কুশীলবদের, আর বলিউডের একটু প্রান্তবাসী শিল্পীদের নিয়ে এই ধামাকা বর্ষশেষের রাত্তিরে আমোদপ্রত্যাশীদের এনে দিত বিনে পয়সায় দুশো মজা!একানব্বইয়ের একত্রিশে ডিসেম্বর, মেডিক্যাল কলেজের শিশুবিভাগে হাউসস্টাফশিপ চলছে তখন। কেমন অনুষ্ঠান হবে এবার? বছরখানেক আগে দূরদর্শনের মেট্রো চ্যানেল শুরু হওয়ায় বর্ষশেষের রাতে দু দুটো সমান্তরাল অনুষ্ঠান তখন। রীতিমতো সাসপেন্স-- কোন চ্যানেল জমিয়ে দেবে বেশি! চ্যানেল বদলানো নিয়ে ঝাড়পিট না লেগে যায়!আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলবনফুল হস্টেলে ডাইনিং হলের পাশেই টি.ভি -র ঘর। শদেড়েক আবাসিকের কজনই বা দুটি ন্যাড়া লোহার খাটে বসতে পায়! বাকিরা সব গান্ধী ক্লাস, মানে সামনের মেঝেয় চটের বস্তায় লম্বমান। তাদের মধ্যে তালেবর কেউ কেউ হাতে নয়, লগার মতো বাড়ানো পায়ের আঙুল দিয়েই টি.ভি. চালাতে অভ্যস্ত। রিমোট -টিমোটের গল্পই নেই তখন!সেদিন আমার অ্যাডমিশন ডে। সারা দিন শিশুবিভাগে ভুতের খাটুনি খেটে, ছুটতে ছুটতে বনফুলে ফিরলাম রাত সাড়ে দশটা নাগাদ। হস্টেলের ঘরে ঘরে তখন বর্ষশেষের রঙ জমজমাট।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী -- আনন্দমেলা ---হস্টেলের আশেপাশে সেন্ট্রাল এভিন্যু-ইডেন হসপিটাল রোড-কলেজ স্ট্রিট থেকে মাইকের অমায়িক আর্তনাদ তখন পাল্লা দিচ্ছে শব্দবাজির সঙ্গে। হস্টেলের কিছু কিছু ঘরে ততক্ষণে জলবিহার শুরু করেছে রসিকজন (মাত্র সতেরোশ টাকা মাসিক স্টাইপেন্ডের সে যুগে সুধা খাই জয় কালী বলে গাওয়ার ক্ষমতা কম হাউসস্টাফেরই ছিল; ব্যতিক্রম সেইসব মুষ্টিমেয় কয়েকজন, যাদের ঘরে প্রাক্তন কোনো আবাসিক দাদা ভাইবেরাদরি উদযাপন করতে আবির্ভূত হয়েছে এই সন্ধ্যায়, বা যারা মাঝেসাঝে নার্সিং হোমে স্যারকে অ্যাসিস্ট করে দুপয়সা বাড়তি উপায় করে, বা যাদের বাবার ব্যাঙ্কের বদান্যতা বজায় আছে তখনো!ঝটপট নৈশাহার সেরে টি.ভি.র সামনে চিৎপাত হওয়া গেল (সেদিন মাংসের ঝোলে বাড়তি খুদে দুটুকরো কুক্কুট-মাস, সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক রসগোল্লা!) দুরদর্শন এক / দুই মিলিয়ে জমিয়ে দিয়েছে মন্দ নয়। হঠাৎ বাইরে হই চই।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যবেরিয়ে দেখি, মেসের চাকর হরিকে জাপটে ধরে সামলানোর চেষ্টা করছে কয়েকজন। বছর একুশের হরি অতিশয় চৌখশ ছোকরা; মেস ম্যানেজার অবন্তীবাবুর বিশ্বস্ত ম্যান ফ্রাইডে সে। তার প্রাইভেট প্র্যাকটিসও আছে --- ধুমপায়ী বাবুদের সুলভে সময় অসময়ে সিগারেট বেচার একচেটিয়া বেওসা করে বেশ দু পয়সা কামাই আছে তার। বলা বাহুল্য, সে ব্যবসায় ধারবাকির কারবার বেশ ভালোই!সেদিন সন্ধ্যে থেকেই বিশেষ বিশেষ কয়েকটি ঘরে দফায় দফায় তরল ও বায়বীয় রসদ সরবরাহে ব্যস্ত ছিল হরি-- সে সব ঘরেই বাবুরা ভালোবেসে তাকে দু চার চুমুক করে সেবার সুযোগ দিয়েছে! ফলতঃ ঘড়ির কাঁটা যখন নতুন বছর ছুঁই ছুঁই, হরির মগজেরও প্রতিটি কোষ টগবগ করে ফুটতে লেগেছে। ভয়ানক উত্তেজিত ও দিগ্বিদিক জ্ঞানশূণ্য হরিকে ধরে রাখা যাচ্ছে না। কে একজন বললো, হরি, ওই ধনুবাবু আসছে!ধনুদা আমাদের এক ব্যাচ সিনিয়র, গম্ভীর প্রকৃতির দাপুটে আবাসিক। এহেন নামোল্লেখ হরির উত্তপ্ত চিত্তপটে কোনো ছায়াবিস্তার করলো না। হুংকার দিল সে , কে ধনুবাবু? নিয়ে আয়; অনেক টাকা বাকি! সেই রক্তচক্ষু আস্ফালন শুনে চোখ গোল গোল হয়ে গেল ধনুদার, আর বাকিরা বুঝলো -- বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে হরি, এখনই কিছু না করলে এবার জ্ঞান হারাতে পারে!আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুজনাপাঁচেক তাকে অতি কষ্টে চেপে ধরলো মেঝেতে; আর দুজন দুবালতি জল এনে হুড়হুড় করে ঢেলে দিল তার মাথায়! জলাভিষেকের ফলে সেই মাঝ-পৌষের মধ্য রাতে কাক-ভেজা হয়ে হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে নেতিয়ে পড়ল হরি।তাকে জামাকাপড় ছাড়িয়ে সাবধানে শুইয়ে আসা হলো। ততক্ষণে টি.ভি.র পর্দায় কাউন্টডাউন হতে হতে এসে গেছে বিরানব্বই সাল। রঙিন বাজির রোশনাই পর্দা জুড়ে। পরস্পর কোলাকুলি, হাত মেলানো চললো বেশ কিছুক্ষণ ধরে।ওদিকে উনিশ নম্বর ঘরে জমে গেছে আরেক নাটক। আমার ব্যাচের চার বন্ধু সন্ধ্যে থেকেই পানি -গ্রহণে ব্যস্ত ছিল। মোটাসোটা সন্দীপ সাড়ে এগারোটা নাগাদ বাহ্যজ্ঞানলুপ্ত হয়ে খাটে চিৎপাত হয়ে পড়ে। তার বিশাল ভুঁড়ি ওঠানামা করছিল সশব্দ শ্বাসপ্রশ্বাসের তালে তালে। সেই বিকট শ্বাসলীলা শুনে হঠাৎই বাকি তিন সুরা-সিক্তের মনে হয়, সন্দীপ নির্ঘাৎ অ্যাসপিরেট করেছে (অর্থাৎ তার পাকস্থলীর মালপত্র খাদ্যনালী দিয়ে উঠে এসে শ্বাসনালী মারফত সেঁধিয়ে গেছে ফুসফুসে -- যা অনেক সময়েই দ্রুত প্রাণঘাতী হয় !) সুতরাং তৎক্ষনাৎ সন্দীপের প্রাণ বাঁচাতে বাকিরা খাটে উঠে পড়ে, ও মরীয়া হয়ে সন্দীপের হার্ট ম্যাসাজ করতে শুরু করে। টলটলায়মান হাতে ও বেপথু শরীরে সেই উদ্দাম ম্যাসাজ চলে বেশ কিছুক্ষণ। তারপর ক্লান্তিতেই হোক বা সন্দীপ বিপন্মুক্ত হয়েছে এই বিচারেই হোক, তারা রণে ভঙ্গ দেয়!এই শুভ সন্দেশ টি.ভি. রুমে পৌঁছোতেই সবার আক্কেল গুড়ুম; কারণ হার্ট ম্যাসাজ করতে গিয়ে দুচারটে পাঁজর ভাঙা সে যুগে ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা, আর এক্ষেত্রে জীবনদাতারা কেউই ঠিক সজ্ঞানে নেই। এক দৌড়ে উনিশ নম্বরে ঢুকে দেখা গেল, দশাসই চেহারার সন্দীপ স্বামী ঘুটঘুটানন্দের মতো মইপাট হয়ে শুয়ে, তার ভুঁড়ি নাচছে ফররফোঁৎ.. ফররফোঁৎ...পরদিন নতুন বছরের সকালে স্নান-প্রাতরাশ সেরে শিশুবিভাগে যাচ্ছি; ইডেন হাসপাতালের তলার রাস্তায় দেখি ফিটফাট সন্দীপ হাতব্যাগ নিয়ে ওয়ার্ডে ঢুকছে। বাব্বা! ক্যালি আছে তো ছেলের! ভয়ে ভয়ে শুধোলাম, কি রে, ঠিক আছিস তো? জবাব এলো,একদম ফিট গুরু! হ্যাপী নিউ ইয়ার! তারপর ঈষৎ গলা নামিয়ে--- খালি বুকে খুব ব্যথা হয়েছে। কেন বুঝতে পারছি না!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকার (বর্ধমান)

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Good Bye 2001: শেষ বেলার চিঠি, ২০২১ কে হাসি কান্নায় বিদায় জানালেন শ্রীলেখা

সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Fake Sign-Arrest: অস্ত্র কিনতে সরকারি আধিকারিকদের সই জাল, পুর্ব-বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার ৬

প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক-সহ একাধিক সরকারি আধিকারিকদের সই জাল করে প্রথমে তৈরি করা হতো নকল স্ট্যাম্প। এরপর সেই স্ট্যাম্পের সাহায্য নিয়ে অস্ত্র কেনা ও বিক্রির কারবার চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ছয় অপরাধী।এদিকে, এই ঘটনার খবর দীর্ঘদিন ধরেই আসছিল পুলিশের কাছে। যার জেরে তৎপর ছিল তারাও। পাশাপাশি তৎপর হয় সিআইডি-র গোয়েন্দারা। সেই সূত্রে গতকাল রাতে বর্ধমান জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালানোর পর মেমারি থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে দুজন হলেন নিরাপত্তারক্ষী। এই গোটা চক্রের কাছ থেকে পাঁচটি অস্ত্র মিলেছে। পাশাপাশি মিলল পাঁচটি ভুয়ো লাইসেন্স, ও ৩৬টি ভুয়ো স্ট্যাম্প পাওয়া গিয়েছে। এই সইজাল করে কারবারটি চলত। জানা গিয়েছে, ওই চক্রের মূল পাণ্ডা হল নিরাপত্তারক্ষীরা। তাদের থেকেই জাল লাইসেন্স কিনে সেই লাইসেন্স দিয়ে অস্ত্র কেনা হয়েছিল। মোটা টাকার বিনিময়ে জেনেশুনেই তারা কেনে।আপাতত, সিআইডি-র দাবি এই চক্রের সঙ্গে দুষ্কৃতী চক্রের সরাসরি কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে সেই সম্ভবনা উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না যেহেতু অস্ত্রের কারবার। সেই কারণে আজই এদের আদালতে তোলা হবে। নেওয়া হবে পুলিশি হেপাজতে। তারপর এদের জেরা করে দেখা হবে কে কে আর এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। কোনও দুষ্কৃতী চক্র এর সঙ্গে জড়িত কিনা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Memory X : মেমোরি এক্স নিয়ে বিক্রম

বলিউডে ডেবিউ করছেন বাঙালি তারকা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। সপ্তমীর দিনই নিজের প্রথম হিন্দি ছবির পোস্টার প্রকাশ করলেন বিক্রম। ছবির নাম মেমোরি এক্স।ভারতের প্রথম সাইকোলজিক্যাল রোমান্টিক ফিল্ম মেমোরি এক্স। পোস্টারের ক্যাপশনে সেকথা জানিয়ে বিক্রম লিখেছেন, প্রথম কাজ বরাবর স্পেশ্যাল। আর এই হচ্ছে আমার প্রথম হিন্দি ছবি মেমোরি এক্স-এর টিজার পোস্টার। ভারতের প্রথম সাইকোলজিক্যাল রোম্যান্স, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা তথাগত মুখোপাধ্যায়ের। ছবিতে রয়েছেন বিনয় পাঠক ও স্মৃতি কালরা। প্রযোজনা করেছেন অভিনব ঘোষ, তানিয়া মুখোপাধ্যায়, তথাগত এবং দেবলীনা প্রযোজনা সংস্থা। আপনাদের ভালবাসা ও শুভেচ্ছা চাই। শুভ সপ্তমী।মৈনাক ভৌমিকের বেডরুম সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে সফর শুরু করেন বিক্রম। তারপর একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সিনেমার পাশাপাশি সিরিয়াল ও সিরিজেও অভিনয় করেছেন। তানসেনের তানপুরায় তাঁর অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। আবার বন্ধু অঙ্কুশের সঙ্গে ডান্স বাংলা ডান্স রিয়ালিটি শোয়ের সঞ্চালনাও করছেন। এর মধ্যেই বলিউড প্রজেক্টের কাজ শুরু করে দিয়েছেন অভিনেতা।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Hool Revolution: হুল দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেমারির চোটখণ্ডে

হুল দিবস উপলক্ষে পূর্ব-বর্ধমান জেলার মেমারির চোটখণ্ড গ্রামে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি এদিন সিধু-কানহুর নতুন মূর্তিও উন্মোচন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিখা রায়, সভাপতি শেখ সাঈম, অর্ক ব্যানার্জি, সন্দীপ প্রামাণিক, মেমারি শহর তৃণমূল যুব সভাপতি সৌরভ সাঁতরা, মেমারি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত (গুটেন) প্রমুখরা। আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনসিধু-কানহুর পুর্নাবয়ব মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ সুশীল মূর্মু। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক ইচ্ছায় আজ চোটখন্ড গ্রামে বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে হুল দিবস পালিত হল। তিনি চোটখন্ড খেরওয়াল সুসৌর গাঁওতার শিল্পী বৃন্দ সহ সমস্ত অংশগ্রহণকারী সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন অনুষ্ঠানটিকে সফল ভাবে চালিত করার জন্য। বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্য তাঁর ছোট্ট বক্তব্যে হুল দিবসের গুরুত্ব ব্যখা করেন। এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রকল্পগুলি চালু করেছেন সেগুলি তুলে ধরেন।আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনউল্লেখ্য, হুল দিবসকে ভারতের প্রথম গণসংগ্রামের দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ভারতের ইতিহাসে প্রথম গণ পদযাত্রার দিন হিসেবেও অভিহিত করা হয় এই দিনটিকে। ভারতের দুই অমর বীর সিধু মুর্মু ও কানহু মুর্মু আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত ইংরেজ বাহিনীর সামনে বুক চিতিয়ে স্বাধীনতা লড়াই লড়েছিলেন। আজও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধায় এই দিনটিকে স্মরণ করা হয়। ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন প্রায় ৩০ হাজার সাঁওতাল কৃষক বীরভূমের ভগনডিহি থেকে কলকাতার দিকে পদযাত্রা করেছিলেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই প্রথম গণপদযাত্রা। এই গণঅভ্যুত্থানই পরবর্তীকালে সাঁওতাল বিদ্রোহের আকার নেয়।

জুন ৩০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিলেতে ফের ‘দাদাগিরি’! ব্যাট হাতে মাঠে সৌরভ, সঙ্গী ব্রায়ান লারা—বাকিংহাম প্যালেসে বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচ

কলকাতা: ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। ফের ব্যাট হাতে ক্রিকেটের বাইশ গজে দেখা যেতে চলেছে মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক নয়, একটি বিশেষ চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আর সেই ম্যাচের মঞ্চও যে কোনও সাধারণ ক্রিকেট মাঠ নয়লন্ডনের ঐতিহাসিক বাকিংহাম প্যালেস।জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে সৌরভকে। এই বিশেষ ম্যাচে তাঁর সঙ্গে মাঠে নামার কথা রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ব্রায়ান লারারও। ফলে দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে একই ম্যাচে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ।প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিনের আমন্ত্রণেই এই বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন সৌরভ। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ক্রিকেটের মাধ্যমে একটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বার্তা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ম্যাচে খেলার জন্য সৌরভের সম্মতি পাওয়ার পরই প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লি থম্পসন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সৌরভের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্বও আরও বেড়েছে।তবে ম্যাচটি ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, সৌরভ ও লারা ছাড়াও আর কোন কোন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে মাঠে দেখা যাবে, কিংবা ম্যাচের ফরম্যাটই বা কী হবেএই মুহূর্তে তার কোনওটাই চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ক্রিকেটজীবনে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তাঁর একাধিক স্মরণীয় অধ্যায় তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিলেতেই ফের ব্যাট হাতে তাঁকে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন তাঁর অনুরাগীরা।আর প্রতিপক্ষ বা সতীর্থদের তালিকায় যদি ব্রায়ান লারার মতো কিংবদন্তির নাম থাকে, তাহলে সেই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যে আরও কয়েক গুণ বাড়বে, তা বলাই যায়। এখন শুধু অপেক্ষা আগামী সপ্তাহের ঘোষণারকবে, কীভাবে এবং কার কার সঙ্গে ফের ক্রিকেটের মঞ্চে দেখা যাবে দাদাকে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
বিদেশ

একদিকে বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে আকাশপথের জট! রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের?

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার পরে ফের শুরু হয়েছে এই জ্বালানি সরবরাহ। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় পৌঁছনোর কথা। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা ছিল একটি বিশেষ কার্গো বিমানের। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় সেই যাত্রা পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশের এক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ে বিমানটি আসতে পারেনি। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিমান চলাচলের অনুমতি এবং রুট সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।জটিলতা কাটার পরে রাশিয়া বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করে। রুশ পরমাণু সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক বিশেষ কার্গো বিমানে ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছবে।বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট নয়টি চালানে রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছনোর কথা। এর মধ্যে সাতটি চালান দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এবং দুটি চালান প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার হবে। রসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট। রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ধাপে ধাপে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।পাকিস্তানের আকাশসীমা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। শেষ পর্যন্ত জট কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুরের জন্য জ্বালানি পাঠানো শুরু হওয়ায় প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

গান্ধী জয়ন্তীতেই বিরাটিতে তাণ্ডব! বামেদের মঞ্চ ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আক্রান্ত দীপ্সিতা—কাঠগড়ায় বিজেপি

গান্ধী জয়ন্তীর দিন বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বণিক মোড়ে সিপিএমের সভা চলাকালীন মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ব্যানার ও ফ্লেক্স। এমনকি গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন বাম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এক কর্মীর চোখেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, সভা চলাকালীন আচমকা কয়েক জন সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। মঞ্চ, চেয়ার ও অন্যান্য সামগ্রী ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ও চেয়ার ছোড়ার অভিযোগও তুলেছে সিপিএম।শুক্রবার বিরাটির বণিক মোড়ে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বামেদের সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অশান্তি শুরু হয়। সভাস্থলে ভাঙচুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।সিপিএমের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ভাঙচুর চললেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাম কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই ঘটনার পর সরব হন সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে সভায় গণ্ডগোল করা হয়েছে এবং বাম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। এক কর্মীর চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দীপ্সিতা বলেন, মঞ্চ ভেঙে দিলেও ওই জায়গাতেই ফের সভা হবে।তবে সিপিএমের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। তাঁর দাবি, সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ফলে বিরাটির এই ঘটনায় হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বিরাটির বণিক মোড়ে বামেদের সভা ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন তদন্তের দিকেই নজর। মঞ্চ ভাঙচুর, কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ এবং পুলিশের ভূমিকাসব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

"২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি! রিপোর্ট রয়েছে!" নন্দীগ্রাম থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় পায়ে চোট নিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ভাঙা পায়ে খেলা হবে স্লোগান। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকেই মমতার সেই চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুর দাবি, ২০২১ সালের ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। তাঁর কথায়, সামান্য চোট লেগেছিল। পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে তিনি প্রচার করেছিলেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছে এই দাবির সমর্থনে নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেই নথি প্রকাশ করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরুলিয়া বাজারের সভা থেকেই ২০২১ সালের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, গাড়ির দরজা একটি লোহার বিমে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে মমতার পায়ে লাগে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই চোট পেয়েছিলেন মমতা। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।শুভেন্দু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের নথিতে মমতার পায়ে ফ্র্যাকচার না থাকার কথা লেখা রয়েছে। সেই নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজন হলে চ্যালেঞ্জের মুখে সেই কাগজ দেখিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।তবে এই বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০২১ সালের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে সে সময় নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এসেছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া রিপোর্টেও ওই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার কথা উঠে এসেছিল।এ দিনের সভায় নিজের বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। পরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরের আসন তিনি ছাড়েননি, কারণ সেখানে মমতা ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন বলে তাঁর দাবি। নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর পরেই দুর্নীতি প্রসঙ্গেও ফের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সুমিত রায়-সহ কয়েক জনের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি তিনি। ফলে বড় চোর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই সভা থেকে ২০২১ সালের পায়ের চোট এবং দুর্নীতিদুই পুরনো প্রসঙ্গ সামনে এনে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে তাই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে আটক অতিশী-সৌরভরা, মুম্বইয়ে শাবানা আজমি! জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কী হচ্ছে দেশজুড়ে?

দিল্লি ও মুম্বইদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে একই দিনে জোরালো বিক্ষোভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক সংগঠন। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা জেল ভরো আন্দোলনেও জড়ো হন বহু মানুষ।দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, সৌরভ ভরদ্বাজ এবং সঞ্জয় সিং-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা অংশ নেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিক্ষোভের আগে নয়াদিল্লি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। অনুমতি ছাড়া জমায়েত, মিছিল ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথেও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল।অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে জেল ভরো আন্দোলন হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অভিজিৎ দীপকের দাবি, আন্দোলন থামবে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার চ্যালেঞ্জ জানান। পুলিশ অবশ্য শিবাজি পার্কে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে।এই আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি। পরে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং গায়ক বিশাল দাদলানিকেও মুম্বইয়ের কর্মসূচিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মুম্বইয়ের আন্দোলন আরও নজর কেড়েছে।দিল্লি ও মুম্বইয়ের এই দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক দিকে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড়, অন্য দিকে মুম্বইয়ে জেল ভরো আন্দোলনএকই দিনে দুই শহরের এই ছবি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

নাম নিলেন না শুভেন্দু, তবু ‘বড় চোর’ নিয়ে কেন এত জল্পনা? নন্দীগ্রাম থেকে বড় বার্তা

বড় চোরও জেলে যাবে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রচারসভা থেকে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। সুমিত রায়ের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তোলার পরই বড় চোর নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুমিত রায়-সহ সব চোর জেলে গিয়েছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, বড় চোর কবে যাবে? তাঁর দাবি, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যের সময় তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নেননি। ফলে কাকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।নন্দীগ্রামের এই প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই কেন্দ্রেই জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে ফের উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।শুভেন্দুর বড় চোর মন্তব্যের পর বিরোধী শিবির থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই ধরনের মন্তব্যকে নির্বাচনী বক্তব্য বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।অন্য দিকে কুণাল ঘোষও শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মদন মিত্র আবার পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, শুভেন্দু কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছেন, তা সামনে আসতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে করা মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে।তবে বড় চোর বলতে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা তিনি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে নন্দীগ্রামের প্রচারসভা থেকে তাঁর এই মন্তব্য আপাতত জল্পনার বিষয় হয়েই থাকছে। উপনির্বাচনের আগে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বক্সায় আজ বাঘিনির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! কখন ছাড়া হবে, সামনে এল পুরো আয়োজন

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হবে বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা তিন বছরের বাঘিনীকে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাকে বিশেষ এনক্লোজার থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।বাঘিনীকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বক্সায়। জঙ্গলের নির্দিষ্ট এলাকায় তাকে ছাড়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বক্সায় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। সেখানে জায়ান্ট পর্দায় বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।তবে মুক্তির আগে বাঘিনীকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। রেডিয়ো কলার নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ফের ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর রেডিয়ো কলার ঠিক করে দেওয়া হয়। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বাঘিনী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও জানিয়েছেন, শুক্রবার বাঘিনীকে কোনও রকম চাপ দেওয়া হবে না। এনক্লোজারের দরজা খুলে রাখা হবে। নিজের ইচ্ছেমতো সে জঙ্গলে বেরিয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাঘিনী।বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনীটিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী আবাস গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঘিনীটির গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার উপর রেডিয়ো কলারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে।বৃহস্পতিবারই বক্সায় পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে বন্যপ্রাণ পর্যটনেরও প্রসার ঘটতে পারে। সুন্দরবনের পাশাপাশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও বাঘকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে মন্ত্রী ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হবে বড় অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই জায়ান্ট পর্দায় দেখা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘিনীকে মুক্ত করার মুহূর্ত।বহু বছর পর বক্সার জঙ্গলে বাঘ ফেরানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে তাই উত্তরবঙ্গে উৎসাহ তুঙ্গে। বিহার থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বক্সায় পৌঁছনোর পর আজ সেই বাঘিনী প্রথম বার নিজের নতুন জঙ্গলে পা রাখবে। এখন নজর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকেই।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পারভিনের চার বছরের অপেক্ষার অবসান! চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা

তিরন্দাজির পর বক্সিং রিংয়েও ভারতের জয়জয়কার। এশিয়ান গেমসে একের পর এক সোনা আসছে ভারতীয় বক্সারদের হাত ধরে। শুক্রবার সকালে লভলিনা বরগোহাঁই সোনা জেতার পর এ বার সেই তালিকায় যোগ হল পারভিন হুডার নাম। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন তিনি।পারভিনের এই জয় আরও বিশেষ। একই এশিয়ান গেমসে প্রথম বার ভারতের দুই মহিলা বক্সার সোনা জিতলেন। লভলিনার পর পারভিনও সোনার পদক জেতায় ভারতীয় বক্সিংয়ে তৈরি হল নতুন নজির।তবে পারভিনের এই সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এশিয়ান গেমসেই পদক জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোপ পরীক্ষার ফলের কারণে সেই পদক কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর তাঁর কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে। প্যারিস অলিম্পিকেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করেছেন পারভিন। প্রচারের আড়ালে থেকে কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়েও সব কিছু তাঁর পক্ষে যায়নি। কমনওয়েলথ গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।তবে সেই সব হতাশা পিছনে ফেলে শুক্রবার বক্সিং রিংয়ে নামেন পারভিন। শুরু থেকেই চিনা প্রতিপক্ষ চেন নিয়েন চিনের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সোনা নিশ্চিত করেন ভারতীয় বক্সার।পারভিনের এই সোনা তাই শুধু একটি পদক নয়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কঠিন প্রত্যাবর্তনেরও ফল। যে প্রতিযোগিতায় এক সময় পদক জিতেও তা হারাতে হয়েছিল তাঁকে, সেই মঞ্চেই আবার সোনার পদক গলায় তুলে নিজের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন পারভিন।এশিয়ান গেমসের ত্রয়োদশ দিনে ভারতীয় দলও একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে। লভলিনা এবং পারভিনের সোনার পর বক্সিংয়ে ভারতের দাপট আরও স্পষ্ট হল।

অক্টোবর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal