• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Memari

রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

‘চাপ সামলাতে পারেননি’— ফর্ম বিলির চাপে ব্রেন স্ট্রোক, মৃত্যু মহিলা বিএলও-র! হইচই মেমারিতে

এসআইআর আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। কোথাও ফর্ম না পেয়ে কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করছেন, আবার কোথাও কাজের চাপে প্রাণ যাচ্ছে সরকারি কর্মীর। এবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে ফর্ম বিলির চাপ সামলাতে না পেরে মৃত্যু হল এক মহিলা বিএলও-র। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসন থেকে রাজনৈতিক মহলে।মৃতার নাম নমিতা হাঁসদা (৩৮)। তিনি পেশায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ছিলেন এবং মেমারি চক বলরামপুরের ২৭৮ নম্বর বুথের বিএলও দায়িত্বে ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর ফর্ম বিলির কাজে তাঁকে অমানবিক চাপের মধ্যে ফেলা হয়েছিল। দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল বারবার। প্রতিদিনই ফোন আসত বিডিও অফিস থেকে কত ফর্ম বিলি হয়েছে? টার্গেট পূর্ণ হল কি?স্বামী মাধব হাঁসদা বলেন, ওকে খুব চাপ দেওয়া হচ্ছিল। আমরা বারবার বলেছি, এতটা মানসিক চাপ নিও না। কিন্তু ওর দায়িত্ববোধটা খুব বেশি ছিল। সব সময় চিন্তা করত কাজ শেষ হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় ফর্ম বিলি করে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন নমিতা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, শেষরক্ষা হয়নি।পরিবারের দাবি, এসআইআর ফর্ম নিয়ে এই অতি তৎপরতার চাপে ওর মৃত্যু। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করছিল। খাওয়া-দাওয়াও ঠিক মতো করত না।এই ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকাও নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মৃতার স্বামী অভিযোগ করেন, ওকে এত কাজ দেওয়া হয়েছিল যে, শরীরটাই ভেঙে গিয়েছিল।বর্ধমানের জেলা শাসক আয়েশা রানি জানিয়েছেন, ঘটনাটা আমরা দেখছি। তদন্ত করে দেখা হবে আসল কারণ কী।অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা কাউকে কোনও চাপ দিইনি। যারা কাজের ওপর চাপ দিচ্ছে, তারা প্রশাসনের লোকজন। সাধারণ মানুষের সামনে এই নাটক তৈরি করা হচ্ছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মৃত্যুর ঘটনা রাজ্যে চলমান এসআইআর বিতর্ককে আরও উসকে দেবে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এবার সরকারি কর্মীর মৃত্যু সেই আতঙ্ককে নতুন মাত্রা দিল।মেমারির এই ট্র্যাজেডি এখন প্রশ্ন তুলছে এসআইআর ফর্ম বিলির নামে কি রাজ্যে প্রশাসনিক অমানবিকতার চিত্রই ফুটে উঠছে?

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

জমিদারবাড়ির কালীপুজোয় নাটকীয় মোড় — মেমারি পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হারানো অলংকার

গতকাল মধ্যরাতের নীরবতা ভেঙে রোমাঞ্চকর এক ঘটনায় সরগরম হয়ে উঠল মেমারি থানার দালুইবাজার গ্রাম। জমিদার ব্যানার্জি পরিবারের ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর মণ্ডপ থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল প্রায় দশ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মেমারি থানার পুলিশের দক্ষ তদন্তে মিলল তার নাটকীয় পরিসমাপ্তি।রাত প্রায় বারোটা ত্রিশ নাগাদ খবর আসে যে, পূজামণ্ডপে মা কালী মূর্তির অলংকার উধাও। মুহূর্তের মধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশে নেমে আসে আতঙ্কের ছায়া। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান মেমারি থানার ওসি, সিআইবি ও ডিএসপি মেমারি, নেতৃত্বে ছিলেন আইসি পালসিট। জমিদারবাড়ির দেউড়িতে তখন এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা ভক্তির আবেশে মিশে সন্দেহ আর শোকের ছায়া।তদন্তে নেমেই পুলিশ শুরু করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সন্দেহভাজন এক যুবকের নাম দেবজ্যোতি চৌধুরী (৩২), পিতা সুপ্রভাত চৌধুরী, বর্ধমানের খোশবাগান এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, তিনি জমিদারবাড়ির এক শরিকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পুজোর সময় উপস্থিতও ছিলেন।কিন্তু খবর পেয়ে পুলিশের আগে তিনিই এলাকা ত্যাগ করেন। এরপরেই তৎপরতায় নামে মেমারি থানার বিশেষ দল। দ্রুত অভিযান চালিয়ে দেবজ্যোতিকে আটক করা হয় এবং দীর্ঘ জেরার পর তিনি স্বীকার করেন নিছক লোভের বশে দেবী মূর্তির গহনা হাতিয়েছিলেন।তার জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ উদ্ধার করে সমস্ত চুরি যাওয়া স্বর্ণালঙ্কার। অভিযুক্তকে আজই বর্ধমান আদালতে পেশ করা হচ্ছে।এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মুখে একটাই কথা মা তাঁর বিভূষণ ফিরে পেয়েছেন, আর অশুভ শক্তির বিনাশ হয়েছে ঠিক কালীপুজোর পূণ্য লগ্নে।পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দ্রুততা ও দক্ষতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এক কথায়, এটি যেন বাস্তব জীবনের এক নাটকীয় যবনিকা পতন যেখানে অপরাধ পরাস্ত হয়েছে, আর ন্যায়ের বিজয় ঘটেছে।

অক্টোবর ২১, ২০২৫
উৎসব

চোটখন্ড উন্নয়নী সংঘ দুর্গোৎসব ঘিরে চার দিনের আয়োজনে আনন্দমুখর পরিবেশ

চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের আয়োজিত দুর্গোৎসব এ বছরও যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো। টানা চারদিন ধরে শিষ্টাচার মেনে পূজা-পার্বণ, বিবিধ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাতৃ আরাধনায় সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা।প্রথামত ষষ্টী-তে দেবীর বোধনের মাধ্যমে পুজারম্ভ হয়। সপ্তমী তিথিতে নবপত্রিকার স্নান, অষ্টমী তিথিতে সন্ধিপূজা ও বলিদান, ও নবমী তিথিতে হোম যজ্ঞ-র আয়োজন কর হয়। দশমী তিথিতে দেবী অপরাজিতার পুজার মাধ্যমে সাঙ্গ হয় এবছরের আরাধনা, অপেক্ষা আরেকটি বছরের।দশমী তিথিতে দেবী দুর্গার পূজা-পর্ব শেষে আয়োজিত হয় সান্ধ্যকালীন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এলাকার কচিকাঁচা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ কৃতী শিল্পীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। এর পাশাপাশি চারদিন ধরে চলতে থাকা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ক্লাবের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হয় স্মারক পুরস্কার।একাদশীর দিনে প্রথা অনুযায়ী দিনের বেলা ঢাক-ঢোল বাদ্যি সহযোগে এলাকার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা দেবী প্রতিমা নিরঞ্জনে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যার পর চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের পক্ষ থেকে প্রায় ২০০০ জন ভক্তের মাঝে চোটখন্ড বারোয়ারী তলায় খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করা হয়। ভোগ প্রাপ্তির আনন্দে চারিদিক মুখরিত হয়ে ওঠে।চোটখন্ড উন্নয়নী সঙ্ঘের সম্পাদক সান্তনু চট্টোপাধ্যায় জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও সকলে মিলেমিশে দুর্গোৎসব পালন করাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। স্থানীয় মানুষজনের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে উৎসবের আমেজ আরও বেড়ে ওঠে। ক্লাবের অপর এক সদস্য চঞ্চল মোহন্ত জনতার কথাকে জানান, সারাবছরই আমরা প্রত্যেকেই নানাবিধ কাজে ব্যস্ত থাকি। এই চারটে দিন পজোর ব্যস্ততায় বারোয়ারী তলায় কি ভাবে কেটে যায় বুঝতেই পারিনা। পাড়ার মা, বোন ও ছোটছোট ছেলেমেয়েরা প্রচুর আনন্দ করে/করেন। তিনি জানান, আবার আরেকটি বছরের অপেক্ষা, তিনি আরও বলেন তাঁরা সামনের বছর আরও ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করবেন। সকলে মিলে বসেই সেই পরিকল্পনা করবেন বলে জানান।

অক্টোবর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

চোখের চিকিৎসা করতে নেপালে আটকে পড়েছিলেন বর্ধমানের বাসিন্দা, সামাজিক মাধ্যমে আবেদন করতেই .....

বিগত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত পরশি দেশ নেপাল। সরকার উপরে ফেলেছে ওই দেশের জনগণ। সেই দেশেই চোখের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন বাংলার বাসিন্দা সৈয়দ আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে কবিতা খাতুন। পূর্ব বর্ধমানের সরাইটিকর গ্রামের বাড়ি আরজাদের। কিন্তু কীভাবে বাড়ি ফিরবেন সেই চিন্তায় আকূল হয়ে পড়েছিলেন। বাড়ি ফেরার পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরেই সমস্যার সমাধান মেলে। ভারতীয় সেনা, দার্জিলিং এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আরজাদ হোসেন ও তাঁর মেয়ে দেশে ফিরছেন। এখন দুশ্চিন্তা মুক্ত বর্ধমানের এই পরিবার। পরিবার সূত্রে খবর, গত ৮ সেপ্টেম্বর মেয়ে কবিতাকে নিয়ে নেপালে যান আরজাদ হোসেন। পরের দিন তাঁরা চক্ষু চিকিৎসকের কাছে পৌঁছান। তাঁরা যখন নেপালে গিয়েছিলেন তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে বাইরে বেরিয়ে তাঁরা হকচকিয়ে যান। গণ বিক্ষোভে আগুনে পুড়তে দেখেন পাহারী দেশকে। সেই পরিস্থিতি দেখে আরজাদ ও তাঁর মেয়ে সোজা হোটেলে ঢুকে পড়েন। হোটেলেই তাঁরা বন্দি হয়ে পড়েন। নেপালের পরিস্থিতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিভাবে বাড়ি ফিরবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।নিরুপায় হয়ে সামাজিক মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন করেন আরজাদ হোসেন। বিষয়টির ওপর নজর দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। তাঁরা উদ্যোগী হয় হোসেন পরিবারকে এই দেশে ফিরিয়ে আনতে। তাঁরা ভারতীয় সেনার সঙ্গে যোগাযোগের পরেই সমস্য সমাধানের পথ তৈরি হয়। সেনার তৎপরতায় বৃহস্পতিবার সকালে যোগবানী সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন আরজাদ হেসেন ও তাঁর মেয়ে। এই পরিবারের বক্তব্য ভারতীয় সেনা ও প্রশাসন ছাড়া তাঁরা এখন ফিরতে পারতেন না। স্বস্তি ফিরেছে সরাইটিকরের হোসেন পরিবারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

'অরুণিমা'র ছটায় স্কুল ড্রপআউট, বাল্যবিবাহ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের সংকট থেকে অন্ধকার দূরীকরণ লড়াই

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এবং বেশ কিছু শহরতলি অঞ্চলে এক নতুন সামাজিক সংকট ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে - স্কুলছুট মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে বাল্যবিবাহ এবং অল্পবয়সে সন্তান ধারণের হারকেও উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তিনটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং রাজ্যের নারী-স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নকেও প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত করছে।রাজ্যের কিছু জেলার ৮ম শ্রেণি বা ১০ম শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলছুট হয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর্থিক অনটন, পরিবারের পুরাতন সামাজিক ধারণা, এবং বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, এই সবই এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS-5) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও প্রতি তিনটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ে ১৮ বছরের আগেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার স্কুলছুট মেয়েদের দায় মনে করে, এবং যত দ্রুত সম্ভব তাদের বিবাহ দিয়ে দিতে চায়।এই বাল্যবিবাহের পরিণতি হিসেবে ১৬-১৮ বছরের বহু কিশোরী মা হয়ে উঠছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত না থাকা অবস্থায় মাতৃত্ব গ্রহণের ফলে বাড়ছে মাতৃমৃত্যুর হার, অপুষ্ট শিশু জন্ম এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতা। সমাজতাত্ত্বিক ও শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, স্কুলশিক্ষার অকাল সমাপ্তি মানে শুধু পড়াশোনার শেষ নয়এটা একসময়ে সেই কিশোরীর আত্মবিশ্বাস, স্বাস্থ্য, স্বপ্ন, এমনকি জীবনের নিরাপত্তার পরিণতিও নির্ধারণ করে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন কন্যাশ্রী ও সবলা মতো সামাজিক প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চালু করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রকল্পগুলি তথ্যের অভাবে সর্বস্তরে পৌঁছায় না। বিদ্যালয়স্তরে মনোবিদ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ঠিক সেই সমস্যার গভীরে গিয়ে তার গুরুত্ব বুঝে জেলার সদর শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এক শিক্ষিকার লড়াইকে সম্বর্ধিত করল স্থানীয় প্রশাসন।১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি-২ ব্লকের পাহাড়হাটী বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়কে মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ-রোধ, স্কুলছুট মেয়েদের আবার পড়াশোনার আবহে ফিরিয়ে আনা ও স্কুলের মেয়েদের বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষিত করা এবং সার্বিক শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সম্বর্ধিত করা হয়। অরুণিমা নিজে একজন প্রথিতযশা নৃত্য শিল্পী। কত্থক নৃত্যে রাজ্যস্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে সুনিপুণ নৃত্যকলা পরিবেশন করেছেন। বর্তমানে তাঁর স্কুল বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলে-ই তাঁর ধ্যানজ্ঞান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে বলেন, আমি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের একজন শিক্ষিকা। গত আট বছর ধরেই আমি স্কুল ছুট এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছি সক্রিয়ভাবে। তিনি আরও বলেন, পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলে একটি কন্যাশ্রী আনন্দ ক্লাব গঠন করেছি। তার সদস্যরা আমাদেরই ছাত্রী। তাদেরকে নিয়ে নিরলসভাবে এই কাজটি করে চলেছি। অরুণিমা বলেন, প্রান্তিক পরিবার এবং গরিব পরিবারের মেয়েরা যেহেতু বাল্যবিবাহে বেশি জড়িয়ে পড়ছে, তাই তাদেরকে স্কুল শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনা আমার মূল লক্ষ্য এবং পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে আমি সচেতন করার চেষ্টা করে চলেছি। চাইল্ড ম্যারেজ এবং চাইল্ড প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে তাদের মেয়ের জীবনটা কতখানি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে পরবর্তীকালে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছি। অনেকজনকেই ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ক্লাসরুমে। তিনি জানান, মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সম্বর্ধনা পেয়েছি এতে আমি খুবই আনন্দিত এবং আপ্লুত। এই পুরস্কার আমাদের লড়াইকে আরও জোড়ালো করতে সাহায্য করবে। অরুণিমা জানান, এই কাজে আমি সবসময়ই মেমারি-২ নম্বর ব্লক প্রশাসন, এসআই অফিস, বিজুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে পাশে পাচ্ছি। সর্বোপরি আমার পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের সহকর্মী ও বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সকল সদস্যদের পাশে পাচ্ছি। অরুণিমা বলেন, আমাদের এই লড়াই যাঁদের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হত না সেই ছাত্রীদের সাহায্য সবচেয়ে বেশী পাচ্ছি। তারা নিজেদের মধ্যেই সচতেনতা প্রসার করছে সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা এবং খুবই আনন্দের বিষয়। তিনি জানান, একজন শিক্ষিকা ও বিদ্যালয়ের প্রধান হিসাবে এটা আমার প্রাথমিক দায়িত্ব। তিনি অঙ্গীকার করেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও শিক্ষা ও সচতেনতা বাড়ানোর এই প্রয়াস তাঁর অব্যহত থাকবে।

জুলাই ১৯, ২০২৫
রাজ্য

মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় গিয়ে তান্ডব, গ্রেফতার গুণধর ছেলে, ধুন্ধুমার কাণ্ড

শুরু মেমারিতে, যার শেষ হল বনগাঁতে। গুনধর ইঞ্জিনিয়ার ছেলে বাবা-মাকে নৃশংস ভাবে খুন করে পালিয়েছিল বনগাঁয়। সেখানে গিয়ে এলোপাথারি ছুরি চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে জখম করেছে। তাকে জোর করে বের করার জন্য থানা আক্রমণ করেছে স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। ধুন্ধুমার কাণ্ড। বুধবার সকালে গলার নলি কাটা অবস্থায় বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার হয় বৃদ্ধ মা ও বাবার রক্তাত মৃতদেহ। মোস্তাফিজুর রহমান (৬৫) ও মমতাজ পারভীন (৫৫)। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়ারা মুক্তারবাগান এলাকায়। জোড়া খুনের খবর পেয়ে জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তবে মৃত দম্পতির ছেলে বাড়িতে না থাকায় পুলিশের সন্দেহ বাড়তে থাকে। তবে এটা যে খুনের ঘটনা তা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিল পুলিশ। খুনের পর বৃদ্ধ দম্পতিকে ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে আনা হয়েছিল। সেই কারণে গোটা নানা জায়গায় রক্তের দাগ দেখা গিয়েছে। রাতে দিকে এই ঘটনার আঁচ গিয়ে পড়ে সীমান্ত এলাকায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়। জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির ছেলে হুমায়ূন কবির বাইরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতো। হুমায়ুনের মানসিক সমস্যা আছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাছাড়া বাড়ির সিসিটিভির হার্ড ডিস্ক উধাও বলে জানা গিয়েছে। বৃদ্ধ দম্পতির দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এদিকে বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি বনগাঁ খান শরীফে ঢুকে বেশ কয়েকজনের ওপরে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। এই ঘটনায় কয়েকজন আহত অবস্থায় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বনগাঁ খান শরীফের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে সংখ্যালঘুরা। জানা গিয়েছে, একদল বনগাঁ থানায় এসে আসামিকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে এবং বনগাঁ থানায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং কয়েকজনকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বনগাঁর এসপি দীনেশ কুমার। পরে পুলিশ জানতে পারে ওই যুবক মেমারিতে বাবা-মাকে খুন করে বনগাঁয় এসে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার সাংবাদিকদের জানান, আক্রমণকারী যুবকের নাম হুমায়ন কবির। বয়স ৩৫ বছর, বাড়ি বর্ধমানের মেমারি। আজ সকালে এই ব্যক্তি তার বাবা-মাকে খুন করে এখানে এসেছে। তারা ছুরির আঘাতে চার জন আহত হয়েছে। এদিকে থানা ভাঙচুরের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আঘাত পেয়েছেন একজন কনস্টেবল ও একজন এএসআই। এদিকে রাতেই মেমারি থানার পুলিশ পৌঁছে গিয়েছে বনগাঁ থানায়।

মে ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অনন্য নজির! ক্লাস রুমে উপস্থিত শ্রীহরিকোটার স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর!

গৌরবময় চন্দ্রাযান ৩ এর সফল অবতরণের ঠিক পরের দিনই বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে ভারচুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত হলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর শ্রী এ রাজারাজন।পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কোন দেশ সফল ভাবে চন্দ্রযান চাঁদে অবতরণ করালো। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি চন্দ্রযান-৩ বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রাখে। চন্দ্রযান-৩ সফল অবত্রণের পর বিজ্ঞানী ডঃ এ রাজারাজন, চেয়ারম্যান, লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) ISRO এবং সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা-র ডাইরেক্টর, গত বৃহস্পতিবার ২৪.0৮.২০২৩ এ বর্ধ্মান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজী মাধ্যম স্কুল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের দের সাথে এক ভারচুয়াল আলোচনায় অংশগ্রহণ করে ছিলেন। স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক দের জন্য এটি ছিল একটি অসাধারণ মুহূর্ত। কারণ তাঁর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারত মহাকাশে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছে। তাঁরা বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়ে চাঁদে প্রথম চন্দ্রযান অবতরণ করিয়েছে।এই ভারচুয়াল আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা অত্যুতসাহী হয়ে চন্দ্রযান-৩ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন বিজ্ঞানীকে। চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে তাঁর মূলবান মতামত এবং মাহাকাশ গবেষণায় ছাত্রদের উতসাহিত করেন।ভারতের প্রথম কোন স্কুল চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এর ঠিক পরেই লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) চেয়ারম্যান তথা ভারতের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা এর ডিরেক্টর এর উপস্থিতিতে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এই ধরনের ভার্চুয়াল সভা করতে সমর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য ইংরেজি মাধ্যম এই স্কুল সবসময় তাদের শিক্ষার্থীদের তাদের সৃজনশীলতার জন্য উত্সাহিত করেছেন।এর আগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছিল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ মান্না। গত ১৪ মে ২০২৩ থেকে ২৭শে ২০২৩ মে অবধি শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
শিক্ষা

বিজ্ঞানে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রামকৃষ্ণ মিশনের বৃত্তি প্রদান বর্ধমানের মেয়েকে

বর্ধমানের মেয়ে দিগন্তিকা কে তাঁর ক্রমাগত বিজ্ঞান সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ বৃত্তি প্রদান রামকৃষ্ণ মিশনের। রামকৃষ্ণ মিশনের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ কালচার এর আর্থিক সহযোগিতায় ও রামকৃষ্ণ মিশন বেলুর মঠের উদ্যোগে সারা ভারত স্টুডেন্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ অনুষ্ঠিত হল। স্টুডেন্ট ইনোভেশন প্রতিযোগিতা অষ্টম শ্রেণি থেকে শুরু করে পিএইচডি স্তর পর্যন্ত নথিভুক্ত শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল। সারা ভারত থেকে বেশ কয়েক জন উদ্ভাবককে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তি প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে।বেলুর মঠে স্বামী বিবেকানন্দ সভাগৃহে (বেলুর মঠ) এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মঠের মহারাজ দের আলোকোজ্জ্বল উপস্থিতিতে উদ্ভাবক বৃত্তি প্রদান করা হয়।এই অনুষ্ঠানে দিগন্তিকা বোসের হাতে বৃত্তি স্বরূপ সাতষট্টি হাজার টাকার অর্থমুল্যের একটি চেক তুলে দেওয়া হয়। বেঙ্গালুরুরর নার্সিং কলেজে দিগন্তিকা এখন বিএসসি নার্সিং পড়ছে, সে কারণেই সে দক্ষিণ ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। শ্রীমৎ স্বামী সুবীরা নন্দজী মহারাজ রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠের সাধারণ সম্পাদক প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন ও মঠের সম্পাদক স্বামী শুকদেবানন্দ মহারাজ উপস্থিতিতে সমগ্ৰ অনুষ্ঠিত হয়।দিগন্তিকা জানায় তার আবিস্কৃত ভাইরাস ডেসট্রয়েড মাস্ক এর আর একটি উন্নত ভার্সন, যা তার আগের উদ্ভাবিত মাস্ক এর সব বৈশিষ্ট্য তো থাকছেই সঙ্গে পাওয়া যাবে পকেট ভেন্টিলেশনে সুবিধা। পকেট ভেন্টিলেশন এমন একটা ব্যবস্থা, হঠাৎ যদি কোনো ব্যক্তির কৃত্রিম শ্বাস চালু রাখাতে পারে, চিকিৎসা কেন্দ্র নিয়ে যাওয়ার আগে বা গ্ৰামিন চিকিৎসা কেন্দ্র এটি ব্যবহার করে মানুষের জীবন রক্ষার সহআয়ক হবে মাস্কের এই উন্নত ভার্সন যা তাকে এনে দিল রামকৃষ্ণ মিশনের দেওয়া জাতীয় উদ্ভাবক শিক্ষা বৃত্তি।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

কাউন্সিলরের পদপ্রার্থীর টিকিট বিক্রি ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকায়! মেমারিতে প্রকাশ্য মঞ্চে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূল নেতার

এত দিন দলের অভ্যন্তরে অভিযোগ উঠছিল টাকা দিয়ে কাউন্সিলরের প্রার্থী হওয়ার টিকিট বিক্রির। এবার প্রকাশ্য মঞ্চে সেই অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই নেতা। টাকার অঙ্ক শুনলে যে কেউ ভিমরি খেতে বাধ্য। তখন মঞ্চে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই মঞ্চেেই তৃণমূল নেতা দাবি করলেন কোটি টাকার ওপরে কাউন্সিলর পদের টিকিট বিক্রি হয়েছে।শনিবার মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস চকদিঘী মোড়ে মেমারি তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা টিকিট কেনাবেচার দাবি করে মেমারির এক কাউন্সিলার ও এক নেতার উদ্দেশ্যে চরম হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখেন এই নেতা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতার এই দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহল। শনিবারের ওই মঞ্চে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল ছাড়াও অন্য বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। মেমারি শহর তৃণমূলের সংখ্যলঘু সেলের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, সই করতে গেলে ক্লাস টু পাশ কাউন্সিলর নাকি কলম ভেঙে ফেলেন। ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনে তুমি কাউন্সিলার হয়েছো। তোমার নেতাও ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছে। আপনার কথা বলা সাজে না। বেশী কথা বলবেন না। নয়তো আপনার কথা আপনার বুকের মধ্যে চেপে দেব। ফারুক আবদুল্লা যখন প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করছেন তখন তার প্রতিবাদ না করে উল্টে মঞ্চে থাকা নেতাদের কেউ কেউ হাততালি দিয়ে ফারুককে সমর্থন জানান।মেমারি শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন, ফারুক যখন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে ওঠে তখন আমি মঞ্চে ছিলাম। একটু পরেই মঞ্চ থেকে আমি নেমে যাই। তবে ফারুক তৃণমূলের কাউন্সিলর পদ প্রার্থী হওয়ার টিকিট কেনাবেচার যে কথা বলেছে সেটা আমিও শুনেছি।ফারুকের বক্তব্য সমর্থন করি না। কারণ ফারুক দলের সম্পর্কে সঠিক বলেনি। তাই ফারুকের মন্তব্যের বিষয়টি নিয়ে তিনি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছে স্বপন ঘোষাল।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

চাইল্ড লাইনের তৎপড়তায় আটকালো নাবালিকার বিবাহ

চাইল্ড লাইনের সহযোগিতায় এক নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির মণ্ডলগ্রামে। এক নাবালিকা পাশের গ্রাম একটা যুবকের সঙ্গে বিয়ে করে তার বাড়িতে চলে যায়। এরপরে চাইল্ড লাইনের কাছে সেই খবর আসে। শনিবার চাইল্ড লাইনের আধিকারিক মেমারি ২ নম্বর ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক এবং মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ি আধিকারিকদের সহযোগিতায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দেন।নাবালিকা মেয়েটিকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে, অপ্রাপ্ত বয়সে বয়সে বিবাহের কুফল বিষদে বোঝান চাইল্ড লাইন টিমের সদস্যরা। পাশাপাশি ১৮ বছরের আগে তার বিয়ে দেওয়া না হয় সে বিষয়ে তার পরিবারকে বোঝান উপস্থিত আধিকারিক।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু মেমারিতে

মেমারি দুনম্বর ব্লকের বিজুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিজুর গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে কন্দপপুর গ্রামে ভাড়া থাকতেন সেখানে নিজ কাজে ইলেকট্রিক তার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং মাটিতে পড়ে যান।তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেরা এবং স্থানীয় ব্যক্তিরা পাড়ারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত ব্যক্তির নাম নীলরতন মুখার্জী, বয়স আনুমানিক 40 বছর।আজ আনুমানিক সকাল(৯) নটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে পরিবার সূত্রে। মৃত ব্যক্তি নীলরতন মুখার্জি পারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ বডি উদ্ধার করে নিয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠান।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজ্য

প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য

বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। এক দিকে ওভার লোডিংয়ের জন্য রাস্তার বেহাল দশা। অপরদিকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি। কার্যত প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অভাধে চলছে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য।পূর্ব বর্ধমানের মেমোরি ২নম্বর ব্লকের ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই কার্যত প্রতিদিনই চলছে অতিরিক্ত বালি বোঝাই ট্রাক ও ডাম্পার। মোটা টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কাদের মদতে অতিরিক্ত বালি পাচার করা হচ্ছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মেমারির দামোদরের বালি ঘাটগুলি থেকে ওভারলোডিং ট্রাক ও ডাম্পার গুলি পাল্লা রোড ধরে বিনা বাধায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কে উঠছে। মেমারী থানার অন্তর্গত পাল্লা রোড সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে চারটি বালিঘাট।রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী মাস তিনেক আগে বর্ধমানে এসে বৈঠকে ওভারলোডিং গাড়ি বন্ধের কথা জানিয়েছিলেন। তার কথায়, অতিরিক্ত বা ওভারলোডিং ট্রাক বা ডাম্পার চললে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাতীয় সড়কের মত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সরকারি রাজস্বের। সুতরাং কোনভাবেই ওভারলোডিং গাড়ি চালানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোথায় সেই নজরদারী? আগের মতই প্রকাশ্যে ওভারলোডিং ট্রাক ও ডাম্পার চলছে। এবিষয়ে ড্রাইভারদের জিজ্ঞাসা করা হলে, তারা অকপটে স্বীকার করে নেয় ডাম্পারে অতিরিক্ত বালি নিয়ে যাছে। প্রশ্ন উঠছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্বেও কিভাবে প্রকাশ্যে চলছে ওভারলোডিং বালি।এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, প্রশাসনকে আরো নজরদারি বাড়াতে বলা হবে। যাতে কেউ কোথাও ওভারলোড করতে না পারে।

নভেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

মদ্যপ ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট দাদার হাতে খুন ভাই!

মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে অশান্তি প্রতিবাদ করায় দাদার হাতে খুন হল ভাই। বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বোহার গ্রামে। মৃতের নাম মাধাই প্রামাণিক (৪৪)। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দাদা জগাই প্রামাণিক পলাতক।বাবা উদয় প্রামাণিক বলেন, বড়ছেলে জগাই প্রায়শই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও বাবা মায়ের সঙ্গে অশান্তি করে। বুধবারও সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করে নেশাগ্রস্ত জগাই। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি থামাতে গেলে বয়স্ক বাবা ও মাও আক্রান্ত হন মদ্যপ ছেলেটা জগাইয়ের কাছে। প্রতিবাদ করে ভাই মাধাই।তখনকারমতো অশান্তি মিটে গেলেও গভীররাতে পিছন থেকে মাধাইয়ের মাথায় ভারীবস্তু দিয়ে আঘাত করে জগাই।ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পরে মাধাই। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও পরে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে। খুনের মামলা রুজু করে মেমারি থানার পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজনীতি

গোষ্ঠী কোন্দলে লাগাম টানা যাচ্ছে না! শীর্ষ নেতৃত্বের হুঁশিয়ারী, নিষেধাজ্ঞা কাজ হচ্ছে না কিছুতেই

দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হুঁশিয়ারী কিংবা নিষেধাজ্ঞা, তবু দলের গোষ্ঠী কোন্দলে লাগাম টানা যাচ্ছে না। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বিরুদ্ধে বুধবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন পূর্ববর্ধমানের মেমারি ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। সিপিএম ও বিজেপির লোকদের নিয়ে গ্রাম দখলের রাজনীতি করতে নেমেছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী । তিনি আরো বলেন, যারা দুর্দিনে মার খেয়ে পার্টি করেছিল তাদেরকে তিনি সরিয়ে দিতে চাইছেন। দলকে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছেন। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই তিনি ময়দানে নেমেছেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মেমারি ২ নম্বর ব্লকে মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুর মেমারি ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হরিসাধন ঘোষের সমর্থনে র্যালিতে অংশ নেন। ওই র্যালি থেকে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন,মুখ্যমন্ত্রী ৭২ টি প্রকল্প চালু করেছেন মানুষের জন্য। বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাবো এসসি, এসটি মা বোন ভাইদের কি পান নি আমাদের জানান। কি করতে হবে আমাদের বলুন। দলের নেতারা কেউ কাটমানি খাবে না। আমরা চাঁদা তুলবো,বলে তুলবো।আমরা চাল আলু দিয়ে খিচুড়ি ভাত খাবো।আমি কাউকে কাটমানি খেতে দেবো না।আমি কাউকে চার পয়সা চাই নি।আপনারাও দেন নি।আমিও চাই নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন,দলের কথা, প্রশাসনের কথা বাইরে বলা উচিত নয়।এটা দল বিরোধী কাজ।দল এসব বরদাস্ত করবে না। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঠাকুর ঘরে কে,আমি তো কলা খায় নি।কাটমানি নিয়ে আমি তো কারো নাম করে কিছু বলে নি।তাহলে ওর এত গায়ে লাগছে কেন। আমার কাছে তথ্য আছে তা যদি আমি প্রকাশ করি তাহলে উনি আর সাতগাছিয়া বাজারে মুখ দেখাতে পারবেন না।পাশাপাশি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও ওর বিরুদ্ধে অনেক তথ্য আছে।আমার কাছে যা খবর দল ওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আর আমি সিপিএমের ত্রাস ছিলাম।সুতরাং আমি বিজেপি বা সিপিএমের সঙ্গে সম্পর্ক রাখি না।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

সিদ্দিকুল্লার 'কাটমানি' প্রসঙ্গে প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মন্ত্রীর দিকেই তোপ দাগলেন

কয়েকদিন আগেই মেমারি-২ এলাকায় জনসংযোগ র্যালি থেকে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী কাটমানি তোলার ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি কাউকে কাটমানি তুলতে দেবেন না বলেও জানিয়েছিলেন। তিনি সেদিন বলেছিলেন চাঁদা তুলে খিচুড়ি খাব, তা-ও কাউকে কাটমানি খেতে দেব না। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মেমারি ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি মোহাম্মদ ইসমাইল। তিনি বুধবার বলেন, মন্ত্রী সিপিএম ও বিজেপির লোকদের নিয়ে গ্রাম দখলে রাজনীতি করতে নেমেছেন। যারা দুর্দিনে মার খেয়ে পার্টি করেছিল তাদেরকে তিনি সরিয়ে দিতে চাইছেন। দলকে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ছেন। দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই তিনি ময়দানে নেমেছেন। প্রসঙ্গত, বুধবার মেমারি-২ ব্লকে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরী রোড শো করেছেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাটমানি ইস্যুতে তিনি দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি পাল্টা তোপ দেগে বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

রেল লাইনে ফেঁসে যাওয়া টোটোকে ঠেলে বিপদমুক্ত করছেন খোদ পুরপিতা

ডাউন হাওড়া লোকাল আগের ষ্টেশন থেকে ছেড়েছে, এদিকে এক টোটো চালক অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে রেলগেট পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ রেললাইনে টোটো-র একটি চাকা ফেঁসে গেল। কিছুতেই সেখান থেকে টোটোটিকে তুলে আনতে পারছিলেন না। পথচলতি মানুষ সেদিকে তাকিয়েও না দেখার ভান করে চলে যাচ্ছিলেন নিজের কাজে। এক ব্যক্তি মটরবাইকে চেপে রেলগেট পার হতে গিয়ে থমকে দাঁড়ালেন। মটরবাইকটিকে রেলগেট পার করে রেখে নিজে হাত লাগালেন টোটোটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করার জন্য। একসময় তিনি উপলব্ধি করলেন একাজ একার দ্বারা সম্ভব নয়, ডাকলেন এক পথচলতি মানুষকে, ততক্ষণে ট্রেন ও শিয়ড়ে! দুজনের প্রচেষ্টায় টোটো রেল লাইনের মৃত্যু ফাঁদ থেকে মুক্ত হয়।ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি শহরের। টোটো চালক মেমারি গ্রামীন হাসপাতাল থেকে অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নুদিপুর অভিমুখে নিয়ে যাচ্ছিলেন। যে ব্যক্তি টোটোটিকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন তিনি মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী। যখন রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক নেতাদের আচার ব্যবহার নিয়ে মানুষ ব্যথিত, ক্ষূব্ধ, মর্মাহত! সেই সময় তাঁর এই মানবিক ব্যবহার জনমানসে এক অন্য ভাবমুর্তির প্রচার পাচ্ছে। যদিও তিনি নিজে এটাকে খুব সাধারণ ঘটনা বলেই আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, মেমারি শহরের পূর্ব দিকের ইলামপুর গেটে এই ঘটনাটি ঘটে। স্বপন বিষয়ী জানান, প্রতিনিয়তই এই ধরনের ঘটনা মেমারি শহরে ঘটে থাকে। রেল গেটের রাস্তার অবস্থা খুবই বেহাল। তিনি আরও জানান, মেমারি শহরের ওপর তিনটি রেলগেট (ইলামপুর, মালগুদাম, পুরসভা) প্রায় সবকটিরই অবস্থা উনিশ-বিশ একই। রেল কর্তৃপক্ষ উদাসীন এই ব্যাপারে। যেকোনও দিন বড় ধরনের কোনও দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তিনি আবেদন করেন এই ধরনের কোনও বিপদে যদি কেউ পড়েন একজন সহনাগরিক হিসাবে তাঁর পাশে থাকুন।টোটোচালক বলেন, অন্তঃস্বত্তা মহিলাকে নিয়ে যেভাবে বিপদে পরেছিলাম চেয়ারম্যান স্যার না থাকলে আজ কি হত ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। চাকাটা লাইনের ফাঁকে আটকে যাওয়ার পর অনেকেই পাশ কাটিয়ে চলে গেল, কেউ ফিরেও তাকালো না। এক ভদ্রলোক লাইন পেরিয়ে তাঁর মটরবাইকটিকে রেখে ফিরে এসে আমার সাথে হাত লাগিয়ে টোটোটাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন। সেই ভদ্রলোক আর কেউ নন আমাদের মেমারি পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

মায়ের সাথে মনোমালিন্য, আত্মহনন কিশোরীর

পড়াশোনায় অমনযোগী হওয়ায় মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে আত্মঘাতী হল কিশোরী। মৃতার নাম শ্রেষ্ঠা সরকার (১৪)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরেকৃষ্ণপল্লীতে।বেশ কয়েক দিন ধরেই ঠিকঠাক পড়াশোনা করছিলো না শ্রেষ্টা তাই মা তাকে গতকাল বকাঝকা করে। অভিমানে বাড়ির ভিতরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শ্রেষ্টা। মেমারি থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়।

নভেম্বর ০৭, ২০২২
রাজনীতি

মেমারির শ্রীধরপুরে বিজেপির প্রকাশ্য সমাবেশে টেট উত্তীর্ণদের চাকরির দাবী

ভারতীয় জনতা পার্টির মেমারি দুনম্বর মন্ডল এর ডাকে শ্রীধরপুর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রকাশ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। এই সভা থেকে দাবি তুলে ধরা হয় তাদের এই দিনের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বেশ কিছু দাবী দাওয়া তুলে ধরা হলো। অন্যতম হলো টেট উত্তীর্ণদের চাকরি দিতে হবে আগামী ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন রাখতে হবে , সন্ত্রাস তোলাবাজ মুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে তো এই দাবিগুলি তুলে ধরা হয়।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল, জেলার মহিলা নেত্রী দিপালী দাস, বর্ধমান পূর্ব কাটোয়া জেলার সাংগঠনিক সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়, জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার, জেলা সদস্য পিন্টু ভান্ডারী, মন্ডল সভাপতি তাপস পাল, সহ অন্যান্যরাও ভারতীয় জনতা পার্টি কর্মীবৃন্দ।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal