• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Maoist

রাজ্য

ভোটের মুখে জঙ্গলমহলে ‘মাওবাদী’ পোস্টার! তৃণমূল নেতাদের নামে গণ-আদালতের হুঁশিয়ারি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারকে ঘিরে। রবিবার ভোরে বান্দোয়ান থানার কুমড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় এবং যজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কে বা কারা এই পোস্টার সাঁটিয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টারে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ভবতোষ দাস-সহ মোট আট জনের নামে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গণ-আদালতে তাঁদের বিচার হবে। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই পোস্টারে।এর আগেও সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়েছিল। তালডাংরা ও ওন্দা থানা এলাকার গাছের গুঁড়ি এবং বাসস্ট্যান্ডের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা পোস্টার মিলেছিল। সেখানেও নিহত মাওবাদী নেতা হিডমাকে সম্মান জানানো হয়েছিল।ভোটের আগে জঙ্গলমহলে এই ধরনের পোস্টার ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

এবার পুলিশের জালে প্রয়াত মাওবাদী নেতা কিষেনজির স্ত্রী

অবশেষে ১৩ বছর পর পুলিশের জালে ধরা পড়লেন প্রয়াত মাওবাদী নেতা মাল্লেজুল্লা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির স্ত্রী। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে তেলেঙ্গানার গোপন ডেরা থেকে কিষেণজির স্ত্রী তথা মাও নেত্রী পোথুলা কল্পনা ওরফে সুজাতাকে গ্রেফতার করেছে তেলঙ্গানা পুলিশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ।মাওবাদী সংগঠনের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন কিষেণজি। তেলেঙ্গানা পুলিশ সূত্রের দাবি, কিষেণজির মতো তাঁর স্ত্রীও সংগঠনের উচ্চ পদে ছিলেন। সংগঠনের সাউথ সাব জোনাল ব্যুরোর ইনচার্জ ছিলেন সুজাতা। গত এক দশক ধরে ৬০ ছুঁই ছুঁই সুজাতাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছে পুলিশ।সুজাতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে। সূত্রের দাবি, কিষেণজির মতো তিনিও গুলি চালানোতে অত্যন্ত পারদর্শী। দীর্ঘদিন ধরে সুজাতার খোঁজে তল্লাশিও চালানো হচ্ছিল। তবে কোথা থেকে কীভাবে গ্রেফতার তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। এর আগে ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে বাহিনীর এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল মাওবাদী নেতা কিষেণজির।

অক্টোবর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

'আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী?' কেন বললেন শুভেন্দু

বিকাশভবনে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেত শুভেন্দু অধিকারীকে। স্কুল-কলেজ কবে খুলবে তা জানতেই ৫-৬ জন দলীয় বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সল্টলেকে বিকাশভবনে স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। পুলিশ তাঁকে বাধা দিতেই শুভেন্দু বলেন, আমার বিরুদ্ধে কি লুকআউট নোটিশ আছে? আমি কি মাওবাদী? পুলিশ আধিকারিক আমাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করছেন আমি কোথায় যাব! শুভেন্দুর প্রশ্ন, আমাকে রাস্তায় আটকাচ্ছেন কেন? শিক্ষা সচিব দেখা না করলে আমরা বেরিয়ে আসব। তারপরই তিনি স্লোগান তোলেন স্কুল-কলেজ খুলতে হবে। ১৫টা রাজ্যে স্কুল-কলেজ খুলেছে। এখানে কেন বন্ধ রাখা হচ্ছে।এদিন শুভেন্দু অধিকারী, অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গারা রাস্তায় বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান। ব্যাপক উত্তেজনা উত্তেজনা ছড়ায় সল্টলেকে। পুলিশের সঙ্গে বাক-বিতন্ডা চলতেই থাকে শুভেন্দু অধিকারীর। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোরাল হতে থাকে। পুলিশও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।কোভিড পরিস্থিতিতে একবার স্কুল খুলে কিছু দিনের মধ্যে তা বন্ধ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তৃতীয় ঢেউ একটু স্বাভাবিকের পথে যেতেই স্কুল-কলেজ খোলার দাবি জোরাল হতে থাকে। শুধু বিজেপি নয় সমাজের নানা স্তর থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবি উঠতে থাকে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিকাশভবনে শিক্ষা দফতরের সচিবের সঙ্গে কয়েকজন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দেখা করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। তখন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।শুভেন্দুর বক্তব্য, ২০০ জন নিয়ে বিয়েবাড়ি হতে পারে, দিনরাত মদের দোকান খোলা, আর স্কুল খুলতেই এই সরকারের সমস্যা? এদিন আটকালেও ফের তিনি বিকাশভবনে যাবেন বলেও ঘোষণা করেন{ রোজ কেউ না কেউ আসবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তৃণমূলের বক্তব্য, স্কুল-কলেজ খোলা নিয়ে ভাবনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে রেললাইনে বিস্ফোরণ! মিলল মাওবাদী পোস্টার

ধানবাদ-গয়া শাখার রেললাইনে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রুট বদল করতে হয়েছে রাজধানী-সহ বহু ট্রেনের। বুধবার রাত দেড়টা নাগাদ ধানবাদ-গয়া ডিভিশনে এই বিস্ফোরণটি ঘটে। ধানবাদ ডিভিশনের কারামাবাদ ও চিচাকি স্টেশনের মাঝামাঝি এই বিস্ফোরণটি ঘটেছে বলেও জানা গিয়েছে। কিন্তু কোনও প্রাণহানি হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে মাওবাদীদের একাধিক পোস্টার। বড় নাশকতার ছকও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড-বিহার বনধে্র ডাক দেওয়ার পর থেকেই মাওবাদীরা রেলকে টার্গেট করেছে। ২৭ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড-বিহারে বনধে্র ডাক দিয়েছিল মাওবাদীরা। সিপিআই পলিটব্যুরোর সদস্য প্রশান্ত বোস এবং তাঁর স্ত্রী শীলা মারান্ডিকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বনধ্ ডাকা হয়েছিল।Jharkhand | Suspected Naxals blow up a portion of railway tracks on the Howrah-New Delhi line between Chichaki and Chaudharybandh railway stations in Giridih; details awaited pic.twitter.com/9cx7GE14NK ANI (@ANI) January 27, 2022আবার নাশকতার আশঙ্কা থাকায় গতি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রেন চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ সতর্কতাও। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ট্র্যাক মেরামতের কাজ চলছে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ওই রুটে বহু ট্রেন বাতিল করা হয়। রাজধানী-সহ অনেক ট্রেনের রুট পরিবর্তনও করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে, হাওড়া-দিল্লি রেল রুটের গোমো-গয়া (জিসি) রুটের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ধানবাদ-দেহরি এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে গয়া-আসানসোল প্যাসেঞ্জার এবং আসানসোল-বারাণসী প্যাসেঞ্জারও বাতিল করা হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
কলকাতা

মাওবাদীদের অর্থ জোগান, কলকাতায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ

মাওবাদীদের অর্থ জোগানের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। মঙ্গলবার এক ব্যবসায়ীকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ-এর রাঁচির টিম। ধৃতের নাম মহেশ আগরওয়াল।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যবসায়ীকে। তার খোঁজে দীর্ঘদিন ধরেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ধৃতকে বুধবার কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে তোলা হয়।ধৃত মহেশ আগরওয়ালকে রাঁচি নিয়ে যেতে চান তদন্তকারীরা। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত, কোথায় কোথায় অর্থ জোগান করেছে সে, কত টাকা ফান্ডিং করেছে-এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতকে রাঁচিতে নিয়ে গিয়েই জেরা করতে চায় এনআইএ। সূত্রের খবর মাওবাদীদের অর্থ যোগানের প্রমাণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

Lalgarh: ১২ বছর ধরে পথ চেয়ে বসে লালগড়ে অপহৃত পুলিশ কনস্টেবল সাবির ও কাঞ্চনের পরিবার

এক আধ বছরের অপেক্ষা নয়। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ছেলের জন্য পথ চেয়ে বসে আছেন দুই পুলিশ কনস্টেবলের দুই মা। একজন কনস্টেবল সাবির মোল্লার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা মা জাহানারা বেগম। অন্যজন সাবিরের সহকর্মী কাঞ্চন গড়াইয়ের বৃদ্ধা মা মিনতি গড়াই। ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় থেকে অপহৃত হয়ে যায় এই দুই পুলিশ কনস্টেবল। দুই পুলিশ কনস্টেবলের কেউই সেই থেকে আজও আর বাড়ি ফেরেনি।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবাড়িতে বসে চোখের জল মুছতে মুছতে শুক্রবার সাবিরের মা জাহানারা বেগম বলেন, ১২ বছর আগে আমার পুলিশ কনস্টেবল ছেলে সাবির মোল্লা ও তাঁর সহকর্মী কাঞ্চন গড়াই ধরমপুর পুলিশ ক্যাম্প থেকে লালগড় বাজারে ডিউটি করতে যাওয়ার পথে অপহৃত হয়। মাওবাদীরাই সাবির ও কাঞ্চনকে অরহরণ করে। তার পর থেকে দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ওদের হদিশ মেলেনি। এবার হয়তো রাজ্য প্রশাসন দুই মায়ের দুই পুলিশ কনস্টেবল ছেলেকে মৃত বলেই ঘোষণা করে দেবে।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টজাহানারা বেগমের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার তেলসরা গ্রামে। তাঁর স্বামী ইব্রাহিম মোল্লা ২০০২ সালে মারা গিয়েছেন। কৃষিজীবী পরিবার। জাহানারা বেগমের চার ছেলে ও এক কন্যার মধ্যে সাবিরই সবার ছোট। সাবির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র ব্যাটেলিয়নে কস্টবেবল পদে চাকরি পাওয়ায় তাঁদের পরিবারে সুদিন ফেরে। সাবিরের মেজ দাদা সামাদ মোল্লা এদিন বলেন, ২০০৬ সালে ব্যারাকপুরে ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে তাঁর ছোট ভাই সাবির মোল্লা। তারপর মাঝে কয়েক বছর সে অন্যত্র ডিউটি করে। ২০০৯ সালের ১৬ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড়ের ধরমপুর ক্যাম্পে পোস্টিং হয় সাবিরের। একই ক্যাম্পে পোস্টিং হয়েছিল বাঁকুড়ার ছাতনা থানার সুয়ারাবাকড়াআরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?গ্রামের যুবক কাঞ্চন গড়াইয়ের। বাড়িতে রয়েছে কাঞ্চনের বৃদ্ধ বাবা বাসুদেব গড়াই ও মা মিনতি গড়াই। কাঞ্চনই ছিল গড়াই পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। সামাদ মোল্লা জানান, ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই বিকালে একই বাইকে চেপে ধরমপুর পুলিশ ক্যাম্প থেকে লালগড় বাজারে ডিউটিতে যাচ্ছিল সাবির ও কাঞ্চন। মাঝপথে মাওবাদীরা সাবির ও কাঞ্চনকে অপহরণ করে গুম করে দেয়। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রাজ্য প্রশাসনে তোলপাড় পড়ে যায়। পুলিশের তাবড় মহল নড়ে চড়ে বসে। আজকের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সেই সময়ে ছিলেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী নেত্রী। তিনি অপহৃত দুই পুলিশআরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিককনস্টেবলের পরিবারের পাশে দাড়ান। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদানীন্তন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্তী পি চিদাম্বরমের কাছে পৌছান। দুই অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের উদ্ধারের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি পি চিদাম্বরমের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। কিন্তু এত সবের পরেও ১২ বছর পেরিয়ে গেল। দুই পুলিশ কনস্টেবল সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াই কারোরই হদিশ মেলেনি। সামাদ মোল্লা বলেন, এবার হয়তো সরকারী নিয়ম মেনেই রাজ্য প্রশাসন অপহৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াইকে মৃত বলে ঘোষনা করে দেবে!আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়ারাজ্য রাজনীতিতে পালাবদল ঘটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও কিন্তু তিনি দুই অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের পরিবারের কথা ভুলে যাননি ।খাতায়-কলমে আজও সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াই মিসিং অন ডিউটি রয়েছেন।তবে সাবির মোল্লা ও কাঞ্চনের গড়াইয়ের চাকরির বেতনের টাকা প্রতি মাসে তাঁদের অবিভাবকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। ২০১৭ সালে রাজ্য সরকার পুলিশ ডিপার্টমেন্টেই সাবিরের এক দাদা সরিফ মোল্লা ও কাঞ্চনের ভাই তারক গড়াইয়ের চাকরির ব্যবস্থা করে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?তবে অন্য সব সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি হয়নি বলে এদিন হতাশা ব্যক্ত করেছেন সাবির মোল্লার মা জাহানারা বেগম। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও পাঠিয়েছেন। জাহানারা বেগম বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁর ছেলের বেতনের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ রয়েছে। পুরানো বেতনই এখনও পাচ্ছেন। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বিমার কোনও অর্থ এখনও পাননি। এমনকি ২০২০ সালের পে-কমিশনের সুবিধাও তাঁরা পাচ্ছেন না। মাওবাদী এলাকায় কর্মরত পুলিশকর্মীরা অতিরিক্ত ৩০% বেতন পাবে বলে যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেটাও পাচ্ছেন না। আগে ডিএ পেলেও এখন সেটা বন্ধ রয়েছে। এই বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বলে জাহানারা বেগম বলেন। একই বক্তব্য কাঞ্চন গড়াইরের বাবা মায়েরও।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারএই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় অপহৃত দুই পুলিশ কনস্টেবলদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুই পরিবারের একজনের চাকরির ব্যবস্থাও তিনি করে দিয়েছেন। হতাশ হবার কিছু নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই পরিবারগুলির বিষয়ে ওয়াকিবহাল হয়েছেন।

জুলাই ৩০, ২০২১
দেশ

অবশেষে মুক্তি পেলেন কোবরা কম্যান্ডো

অবশেষে মুক্তি পেলেন ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের হাতে বন্দি কোবরা কম্যান্ডো রাকেশ্বর সিং মিনহাস। গত সোমবার স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাছ থেকে জানা যায়, রাকেশ্বর নাকি মাওবাদীদের হেপাজতে রয়েছেন। মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমা নাকি নিজে ফোন করেছিলেন ওই সাংবাদিককে। তাঁর ছবি প্রকাশ করে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালানোর প্রস্তাব দেয় মাওবাদীরা। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে বন্দি জওয়ানের মেয়ের একটি ভিডিও। সেই ভিডিওয় কান্না ভেজা গলায় বছর পাঁচেকের ছোট্ট মেয়েটির আবেদন শোনা গিয়েছে,আমার বাবা যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। টিভি থেকে রাকেশ্বরের নিখোঁজ হওয়ার খবর পান বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী মীনা। রাকেশ্বরের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কার্যত ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। এমনকী জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিংকেও মীনা আবেদন করেছেন, দ্রুত তাঁর স্বামীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
দেশ

বিজাপুরে মাওবাদী হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না, দাবি সিআরপিএফ প্রধানের

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে জওয়ানদের উপর যেভাবে হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা, তাতে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সিআরপিএফের শীর্ষকর্তা কুলদীপ সিং জানিয়ে দিলেন, কোনও গোয়েন্দা বা অভিযান সংক্রান্ত (অপারেশনাল) ব্যর্থতা ছিল না। যদি থাকত তাহলে জওয়ানদের গুলিতে ২৫-৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তাঁর দাবি, জওয়ানদের পালটা গুলিতে প্রায় ৩০ মাওবাদী নিকেশ হয়েছে। সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছত্তিশগড় যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখা করবেন আহত জওয়ানদের সঙ্গে।শনিবার ছত্তিশগড়ে বিজাপুর ও সুকমার মাঝে জঙ্গলে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া সেই সংঘর্ষ চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। মাওবাদীরা যে ভাবে লড়াই চালায়, প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমার লুকিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে কি ফাঁদে ফেলা হল জওয়ানদের! কারণ জওয়ানরা সেখানে পৌঁছনর আগেই ওঁৎ পেতে বসেছিল মাওবাদীরা। এ ছাড়াও মাওবাদীদের হামলার ধরন এবং আরও কিছু বিষয় দেখে সন্দেহ করা হয় গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণেই কি ২২ জওয়ানকে প্রাণ হারাতে হল, আহত হলেন আরও অনেকে। এমনকী, শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে ১ জওয়ান এখনও নিখোঁজ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারই সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে ছত্তিশগড় যাওয়ার নির্দেশ দেন। কুলদীপ এই মুহূর্তে সেখানেই আছেন। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রায়পুরে তিনি বলেন, মাওবাদীরা অন্তত ৩টি ট্রাক্টর ব্যবহার করেছে তাদের আহত ও নিহত সঙ্গীদের নিয়ে যেতে। তা থেকেই মনে করা হচ্ছে, ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। আহত আরও অনেকে। ঠিক কত জন নিহত হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে যদি গোয়েন্দা বা অপারেশনাল ব্যর্থতা থাকত তাহলে এত জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তবে তিনি এও দাবি করেন, মাওবাদীরা ওঁৎ পেতে ছিল। তারা ৩ দিক থেকে ঘিরে জওয়ানদের উপর হামলা চালায়। যাতে প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান জওয়ানরা। কুলদীপ সিং জানিয়েছেন, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ৭ জন সিআরপিএফ সদস্য রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

বিজাপুরে মাওবাদী হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না, দাবি সিআরপিএফ প্রধানের

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে জওয়ানদের উপর যেভাবে হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা, তাতে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সিআরপিএফের শীর্ষকর্তা কুলদীপ সিং জানিয়ে দিলেন, কোনও গোয়েন্দা বা অভিযান সংক্রান্ত (অপারেশনাল) ব্যর্থতা ছিল না। যদি থাকত তাহলে জওয়ানদের গুলিতে ২৫-৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তাঁর দাবি, জওয়ানদের পালটা গুলিতে প্রায় ৩০ মাওবাদী নিকেশ হয়েছে। সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছত্তিশগড় যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখা করবেন আহত জওয়ানদের সঙ্গে।শনিবার ছত্তিশগড়ে বিজাপুর ও সুকমার মাঝে জঙ্গলে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া সেই সংঘর্ষ চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। মাওবাদীরা যে ভাবে লড়াই চালায়, প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমার লুকিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে কি ফাঁদে ফেলা হল জওয়ানদের! কারণ জওয়ানরা সেখানে পৌঁছনর আগেই ওঁৎ পেতে বসেছিল মাওবাদীরা। এ ছাড়াও মাওবাদীদের হামলার ধরন এবং আরও কিছু বিষয় দেখে সন্দেহ করা হয় গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণেই কি ২২ জওয়ানকে প্রাণ হারাতে হল, আহত হলেন আরও অনেকে। এমনকী, শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে ১ জওয়ান এখনও নিখোঁজ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারই সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে ছত্তিশগড় যাওয়ার নির্দেশ দেন। কুলদীপ এই মুহূর্তে সেখানেই আছেন। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রায়পুরে তিনি বলেন, মাওবাদীরা অন্তত ৩টি ট্রাক্টর ব্যবহার করেছে তাদের আহত ও নিহত সঙ্গীদের নিয়ে যেতে। তা থেকেই মনে করা হচ্ছে, ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। আহত আরও অনেকে। ঠিক কত জন নিহত হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে যদি গোয়েন্দা বা অপারেশনাল ব্যর্থতা থাকত তাহলে এত জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তবে তিনি এও দাবি করেন, মাওবাদীরা ওঁৎ পেতে ছিল। তারা ৩ দিক থেকে ঘিরে জওয়ানদের উপর হামলা চালায়। যাতে প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান জওয়ানরা। কুলদীপ সিং জানিয়েছেন, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ৭ জন সিআরপিএফ সদস্য রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত ৫ জওয়ান

মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫ নিরাপত্তা কর্মীর। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে মাওবাদীদের সঙ্গে ব্যাপক গুলির লড়াই হয় যৌথ বাহিনীর। মাওবাদীদেরও কয়েক জনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও গুলির লড়াই চলেছে।শনিবার বিজাপুরের তারেম এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তার পর নিরাপত্তা কর্মীদের একাধিক বাহিনী যৌথ অভিযানে নামে। তাতে ছিল কোবরা (কমান্ডো ব্যাটালিয়ান ফর রেজলিউট অ্যাকশন), ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জওয়ানরা। জঙ্গলের মধ্যে সেখানে বিজাপুর এবং সুকমার মাঝে একটি একটি গ্রামে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারেন অভিযানে নামা জওয়ানরা। এলাকায় পৌঁছতেই মাওবাদীরা নিরাপত্তা কর্মীদের দিকে গুলি চালাতে শুরু করেন। তাতেই মৃত্যু হয় ৫ জওয়ানের। আহত হয়েছেন বিভিন্ন বাহিনীর আরও ২০ জওয়ান। গুলির লড়াইয়ের কথা স্বীকার করেছেন ছত্তিশগড়ের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ ডিএম অবস্তি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার অশোক জুনেজা জানান, ৫ জওয়ান কর্তব্যরত অবস্থায় মাওবাদীদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। যৌথ বাহিনীর জওয়ানদের ছোঁড়া পালটা গুলিতে মাওবাদীদেরও কয়েক জন মারা গিয়েছে বলে জানিয়ছে তিনি। পুলিশের তরফে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা জানানো না হলেও সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, অন্তত ২ জন মাওবাদী মারা গিয়েছে। আহত আরও কয়েকজন।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
দেশ

দলের কর্মীদের হাতে খুন মাওবাদী নেতা

দলের কর্মীদের হাতে খুন হতে হল এক মাওবাদী নেতাকে। ঘটনাটি ঘটেছে,ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুরের চিতাভার জঙ্গলে।মৃত মাওবাদী নেতার নাম মোদিয়াম ভিজ্জা।ছত্তীসগঢ়ের পুলিশের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে।গঙ্গালুর এরিয়ার ডিভিশনাল কমিটি মেম্বার ছিলেন ভিজ্জা। তাঁকেই চিতাভার জঙ্গলে খুন করা হয়েছে সম্প্রতি।ছত্তীসগঢ়ের বস্তার রেঞ্জের আইজি পি সুন্দররাজ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ভিজ্জা ও তার দলেরই গঙ্গালুর এরিয়ায় সেক্রেটারি দীনেশ মোদিয়ামের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তাতেই খুন হন ভিজ্জা। জানা যাচ্ছে, বিজাপুরের নিরাপরাধ উপজাতিদের ওপরে মাওবাদীদের দিনের পর দিন অত্যাচারে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল দলের অন্দরে। উপজাতিদের ওপরে অত্যাচারের মাথা ছিলেন ওই ভিজ্জা। মাওবাদী ওই নেতাকে খুন করার পর তার দেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে দলের ক্যাডাররা। তিনি আরও বলেন,গঙ্গালুর এলাকায় একাধিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ খুনে নাম জড়িয়েছিল ভিজ্জার। তার মাথার দাম ধার্য হয়েছিল ৮ লাখ টাকা।

অক্টোবর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal