• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manolo Diaz

খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Beengal-Perosevic : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কে হলেন?‌ রেফারিকে মেরে ৫ ম্যাচ নির্বাসিত পেরোসেভিচ

দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। বেশ কয়েকজন কোচের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডার, মারিও রিবেরো, আলেজান্দ্রো মেন্ডেজদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তারপর কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে আরও কয়েকটা দিন কেটে যাবে। এই পরিস্থিতিতে দলের সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বতী কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁকে সাহায্য করবেন ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা মৃদুল ব্যানার্জি। মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। লালহলুদে যোগ দেওয়ার সময় সহকারী হিসেবে স্পেনেরই অ্যাঞ্জেল পাবলো গার্সিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন মানোলো দিয়াজ। তিনিও পদত্যাগ করেছেন। দুজনই এখন দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার। ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, চলতি মরশুমে অবদানের জন্য হোসে ও অ্যাঞ্জেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ওদের জন্য শুভকামনা রইল।মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করে ক্লাব কর্তাদের স্বস্তি দিলেও আরও বড় অস্বস্তিতে পড়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে ৫ ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মেরেছিলেন পেরোসেভিচ। রেফারি তাঁকে লালকার্ড দেখান। ২৪ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। অর্থাৎ এক ম্যাচ নির্বাসিত ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এখনও ৪ ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন পেরোসেভিচ। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে আবেদন করতে হবে। একেই আইএসএলে এখনও জয় নেই। তার ওপর পেরোসেভিচের নির্বাসন। এসসি ইস্টবেঙ্গলে একমাত্র পেরোসেভিচই ভাল খেলছিলেন। তিনি না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে। সব মিলিয়ে কঠিন সমস্যায় লালহলুদ শিবির।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal-Manolo Diaz : অবশেষে হাবাসের পথ অনুসরণ দিয়াজের, চাপে পড়ে পদত্যাগ করলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ

যাবতীয় জল্পনাকল্পনার অবসান। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মানোলো দিয়াজ। সোমবার রাতে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি। দুই পক্ষ সমঝোতায় আসায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। মঙ্গলবার সকালে সরকারিভাবে তাঁর সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন এই স্প্যানিশ কোচ। রীতিমতো চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন মানোলো দিয়াজ। আদৌও এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে কিনা তা নিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহনা চলছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে নেমেছিলেন ক্লাব কর্তারা। আগের মরশুমে খেলা বিদেশিরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। আগের মরশুমের কোচ রবি ফাউলারের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তি নিয়ে টালবাহনা চলায় তিনি অন্য ক্লাব বেছে নেন। অগত্যা বাধ্য হয়ে নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শেষ পর্যন্ত স্পেনের মানোলো দিয়াজকে কোচ করে নিয়ে আসেন। দিয়াজের পছন্দমতো বিদেশি ও সাপোর্ট স্টাফও নেন লালহলুদ কর্তারা। তাসত্ত্বেও এবারের আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।মানোলো দিয়াজের চাকরি যে যাবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। টানা ৮ ম্যাচে দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি দিয়াজ। ফুটবলারদের ওপরও নিয়ন্ত্রণ নেই। তাঁর রণনীতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যসমর্থকদের চাপ বাড়ছিল শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের ওপর। কর্তারাও দিয়াজকে রাখতে চাইছিলে না। তাঁকে অপসারণ করা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু আর্থিক কারণে দিয়াজকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না কর্তারা। দিয়াজকে মাঝপথে ছেঁটে ফেললে পুরো বছরের বেতন দিতে হত। আবার নতুন কোচকেও বেতন দিতে হবে। সেই কারণে দিয়াজের সঙ্গে রফাসূত্র খুঁজে বার করতে চাইছিলেন কর্তারা। অবশেষে রফাসূত্র বার হওয়ায় দিয়াজ পদত্যাগ করতে রাজি হন। এটিকে মোহনবাগান যেমন চাপে ফেলে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও সেই পথে হাঁটলেন। দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। লড়াইয়ে রয়েছেন একসময়ে লালহলুদকে কোচিং করানো মারিও রিভেরা। কোয়েসের সময়ে তিনি আলেজান্দ্রো মেন্ডেজের সহকারী ছিলেন। এছাড়া এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডারের নামও মাথায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। দুএকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌অপসারনের খাঁড়া মাথায় নিয়েই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামছেন দিয়াজ

এবার কি এটিকে মোহনবাগানের পথে হাঁটবেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা? সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল। চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কা নিয়েই বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দল নিয়ে মাঠে নামছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিলেও যে তাঁর চাকরি থাকবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। লালহলুদে তাঁর যে দিন ঘনিয়ে এসেছে, সেকথা দিয়াজ নিজেও জানেন। ৭ ম্যাচে জয় নেই। মাথায় পাহাড়প্রমাণ চাপ। সেই চাপ নিয়েই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন এই স্প্যানিশ কোচ। মানেলো দিয়াজ নিজেও চাপের কথা স্বীকার করেছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, টানা ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও দল জয় পায়নি। যথেষ্ট চাপে রয়েছি। ক্লাবের পরিবেশ ভাল না হওয়াতে জয় আসছে না। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে নিজের দলকে মেলাতে চান না মানেলো দিয়াজ। তাঁর কথায়, ওদের সঙ্গে আমার দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এটিকে মোহনবাগান গতবছর রানার্স হয়েছিল। এবছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করেছে। আর আমার দলের লক্ষ্য কোনও রকমে লিগে শেষ করা। দুই দলের মানসিকতার অনেক তফাৎ। টানা ৭ ম্যাচ জয়হীন। অষ্টম ম্যাচেও যে জয় পাবেন, তার সম্ভাবনাও যথেষ্ট ক্ষীণ। কারণ এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি দারুণ ছন্দে রয়েছে। কঠিন ম্যাচ, মেনে নিয়েছেন দিয়াজ। তবে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, নিজেও জানেন না। তার ওপর লালকার্ডের জন্য এই ম্যাচে পাবেন না পেরোসেভিচকে। তবে পেরোসেভিচের না থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পেরোসেভিচ অবশ্যই দলের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে অন্যরা আছে। বাকিদের দায়িত্ব নিতে হবে। আগের ৭ ম্যাচে যে কথা শোনা গেছে দিয়াজের মুখে, হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সেই একই কথা। লালহলুদ কোচ বলেন, দল জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে। জয়ের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু জেতাবে কে? একটা হুগো বোমাসও যে দিয়াজের হাতে নেই।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌C East Bengal : আইএসএলের ডার্বির দিকেই চোখ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজের

গত মরশুমে আইএসএলে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আদৌও সফল হবে কিনা সময়ই বলবে। অনেকেই লালহলুদকে নিয়ে ততটা আশাবাদী নন। কারণ শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে সেভাবে দল গঠন করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তা সত্ত্বেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই স্প্যানিশ কোচের চোখ ডার্বির দিকেই।আগের মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল ব্যর্থ হলেও তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। এবছর ফুটবলারদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি ফুটবলারদের আগ্রাসী খেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের ফাঁকেই লালহলুদ কোচ বলেন, সাফল্য পেতে গেলে হিসেবে খেলতে হবে। সবাই যেমন আক্রমণে যাবে, তেমনই রক্ষণ সামলানোর দিকেও নজর দিতে হবে। এই কদিনের অনুশীলনে ফুটবলারদের দক্ষতার পরিচয় পেয়েছি। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রমী। আশা করছি এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। পাশাপাশি আরও একটা লক্ষ্য রয়েছে, সেটা হল ভারতীয় ফুটবলারদের মানের উন্নতি ঘটানো।ইতিমধ্যেই মানেলো দিয়াজের মাথায় ঢুকে পড়েছে ২৭ নভেম্বরের ডার্বি ম্যাচের কথা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানের মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই দলের ডার্বি প্রসঙ্গে লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ বলেন, এই ম্যাচের গুরুত্বের কথা শুনেছি। শুধু ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব না, উদ্দেশ্য থাকবে মর্যদার লড়াইয়ে জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো। আমি ও আমার সহকারী দীর্ঘদিন রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের মানসিকতা খুবই কঠিন। যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। তবে শুধু ডার্বি জিতলে চলবে না। গোটা প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রাখতে হবে। সব ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।আইএসএলে তাঁর যে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেবে, সেকথাও জানিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। দল নিয়ে নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইতিমধ্যেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে লালহলুদ। দুটি ম্যাচেই জয় এসেছে। ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি দিয়াজ। বুধবার আরও একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে। মানোলো দিয়াজ বলেছেন, গোয়ায় আদ্রতা অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাররা ভাল খেলা উপহার দিয়েছে, নিজেদের মেলে ধরেছে। যে যে জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করতে হবে। এপ্রথম দিকে ফুটবলারদের যেরকম ফিটনেস ছিল তার থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আশা করছি আরও উন্নতি করবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal