• ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ৩১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manolo Diaz

খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Beengal-Perosevic : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কে হলেন?‌ রেফারিকে মেরে ৫ ম্যাচ নির্বাসিত পেরোসেভিচ

দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। বেশ কয়েকজন কোচের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডার, মারিও রিবেরো, আলেজান্দ্রো মেন্ডেজদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তারপর কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে আরও কয়েকটা দিন কেটে যাবে। এই পরিস্থিতিতে দলের সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বতী কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁকে সাহায্য করবেন ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা মৃদুল ব্যানার্জি। মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। লালহলুদে যোগ দেওয়ার সময় সহকারী হিসেবে স্পেনেরই অ্যাঞ্জেল পাবলো গার্সিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন মানোলো দিয়াজ। তিনিও পদত্যাগ করেছেন। দুজনই এখন দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার। ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, চলতি মরশুমে অবদানের জন্য হোসে ও অ্যাঞ্জেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ওদের জন্য শুভকামনা রইল।মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করে ক্লাব কর্তাদের স্বস্তি দিলেও আরও বড় অস্বস্তিতে পড়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে ৫ ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মেরেছিলেন পেরোসেভিচ। রেফারি তাঁকে লালকার্ড দেখান। ২৪ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। অর্থাৎ এক ম্যাচ নির্বাসিত ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এখনও ৪ ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন পেরোসেভিচ। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে আবেদন করতে হবে। একেই আইএসএলে এখনও জয় নেই। তার ওপর পেরোসেভিচের নির্বাসন। এসসি ইস্টবেঙ্গলে একমাত্র পেরোসেভিচই ভাল খেলছিলেন। তিনি না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে। সব মিলিয়ে কঠিন সমস্যায় লালহলুদ শিবির।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal-Manolo Diaz : অবশেষে হাবাসের পথ অনুসরণ দিয়াজের, চাপে পড়ে পদত্যাগ করলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ

যাবতীয় জল্পনাকল্পনার অবসান। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মানোলো দিয়াজ। সোমবার রাতে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি। দুই পক্ষ সমঝোতায় আসায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। মঙ্গলবার সকালে সরকারিভাবে তাঁর সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন এই স্প্যানিশ কোচ। রীতিমতো চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন মানোলো দিয়াজ। আদৌও এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে কিনা তা নিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহনা চলছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে নেমেছিলেন ক্লাব কর্তারা। আগের মরশুমে খেলা বিদেশিরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। আগের মরশুমের কোচ রবি ফাউলারের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তি নিয়ে টালবাহনা চলায় তিনি অন্য ক্লাব বেছে নেন। অগত্যা বাধ্য হয়ে নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শেষ পর্যন্ত স্পেনের মানোলো দিয়াজকে কোচ করে নিয়ে আসেন। দিয়াজের পছন্দমতো বিদেশি ও সাপোর্ট স্টাফও নেন লালহলুদ কর্তারা। তাসত্ত্বেও এবারের আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।মানোলো দিয়াজের চাকরি যে যাবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। টানা ৮ ম্যাচে দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি দিয়াজ। ফুটবলারদের ওপরও নিয়ন্ত্রণ নেই। তাঁর রণনীতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যসমর্থকদের চাপ বাড়ছিল শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের ওপর। কর্তারাও দিয়াজকে রাখতে চাইছিলে না। তাঁকে অপসারণ করা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু আর্থিক কারণে দিয়াজকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না কর্তারা। দিয়াজকে মাঝপথে ছেঁটে ফেললে পুরো বছরের বেতন দিতে হত। আবার নতুন কোচকেও বেতন দিতে হবে। সেই কারণে দিয়াজের সঙ্গে রফাসূত্র খুঁজে বার করতে চাইছিলেন কর্তারা। অবশেষে রফাসূত্র বার হওয়ায় দিয়াজ পদত্যাগ করতে রাজি হন। এটিকে মোহনবাগান যেমন চাপে ফেলে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও সেই পথে হাঁটলেন। দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। লড়াইয়ে রয়েছেন একসময়ে লালহলুদকে কোচিং করানো মারিও রিভেরা। কোয়েসের সময়ে তিনি আলেজান্দ্রো মেন্ডেজের সহকারী ছিলেন। এছাড়া এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডারের নামও মাথায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। দুএকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌অপসারনের খাঁড়া মাথায় নিয়েই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামছেন দিয়াজ

এবার কি এটিকে মোহনবাগানের পথে হাঁটবেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা? সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল। চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কা নিয়েই বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দল নিয়ে মাঠে নামছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিলেও যে তাঁর চাকরি থাকবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। লালহলুদে তাঁর যে দিন ঘনিয়ে এসেছে, সেকথা দিয়াজ নিজেও জানেন। ৭ ম্যাচে জয় নেই। মাথায় পাহাড়প্রমাণ চাপ। সেই চাপ নিয়েই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন এই স্প্যানিশ কোচ। মানেলো দিয়াজ নিজেও চাপের কথা স্বীকার করেছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, টানা ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও দল জয় পায়নি। যথেষ্ট চাপে রয়েছি। ক্লাবের পরিবেশ ভাল না হওয়াতে জয় আসছে না। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে নিজের দলকে মেলাতে চান না মানেলো দিয়াজ। তাঁর কথায়, ওদের সঙ্গে আমার দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এটিকে মোহনবাগান গতবছর রানার্স হয়েছিল। এবছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করেছে। আর আমার দলের লক্ষ্য কোনও রকমে লিগে শেষ করা। দুই দলের মানসিকতার অনেক তফাৎ। টানা ৭ ম্যাচ জয়হীন। অষ্টম ম্যাচেও যে জয় পাবেন, তার সম্ভাবনাও যথেষ্ট ক্ষীণ। কারণ এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি দারুণ ছন্দে রয়েছে। কঠিন ম্যাচ, মেনে নিয়েছেন দিয়াজ। তবে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, নিজেও জানেন না। তার ওপর লালকার্ডের জন্য এই ম্যাচে পাবেন না পেরোসেভিচকে। তবে পেরোসেভিচের না থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পেরোসেভিচ অবশ্যই দলের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে অন্যরা আছে। বাকিদের দায়িত্ব নিতে হবে। আগের ৭ ম্যাচে যে কথা শোনা গেছে দিয়াজের মুখে, হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সেই একই কথা। লালহলুদ কোচ বলেন, দল জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে। জয়ের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু জেতাবে কে? একটা হুগো বোমাসও যে দিয়াজের হাতে নেই।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌C East Bengal : আইএসএলের ডার্বির দিকেই চোখ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজের

গত মরশুমে আইএসএলে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আদৌও সফল হবে কিনা সময়ই বলবে। অনেকেই লালহলুদকে নিয়ে ততটা আশাবাদী নন। কারণ শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে সেভাবে দল গঠন করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তা সত্ত্বেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই স্প্যানিশ কোচের চোখ ডার্বির দিকেই।আগের মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল ব্যর্থ হলেও তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। এবছর ফুটবলারদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি ফুটবলারদের আগ্রাসী খেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের ফাঁকেই লালহলুদ কোচ বলেন, সাফল্য পেতে গেলে হিসেবে খেলতে হবে। সবাই যেমন আক্রমণে যাবে, তেমনই রক্ষণ সামলানোর দিকেও নজর দিতে হবে। এই কদিনের অনুশীলনে ফুটবলারদের দক্ষতার পরিচয় পেয়েছি। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রমী। আশা করছি এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। পাশাপাশি আরও একটা লক্ষ্য রয়েছে, সেটা হল ভারতীয় ফুটবলারদের মানের উন্নতি ঘটানো।ইতিমধ্যেই মানেলো দিয়াজের মাথায় ঢুকে পড়েছে ২৭ নভেম্বরের ডার্বি ম্যাচের কথা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানের মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই দলের ডার্বি প্রসঙ্গে লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ বলেন, এই ম্যাচের গুরুত্বের কথা শুনেছি। শুধু ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব না, উদ্দেশ্য থাকবে মর্যদার লড়াইয়ে জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো। আমি ও আমার সহকারী দীর্ঘদিন রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের মানসিকতা খুবই কঠিন। যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। তবে শুধু ডার্বি জিতলে চলবে না। গোটা প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রাখতে হবে। সব ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।আইএসএলে তাঁর যে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেবে, সেকথাও জানিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। দল নিয়ে নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইতিমধ্যেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে লালহলুদ। দুটি ম্যাচেই জয় এসেছে। ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি দিয়াজ। বুধবার আরও একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে। মানোলো দিয়াজ বলেছেন, গোয়ায় আদ্রতা অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাররা ভাল খেলা উপহার দিয়েছে, নিজেদের মেলে ধরেছে। যে যে জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করতে হবে। এপ্রথম দিকে ফুটবলারদের যেরকম ফিটনেস ছিল তার থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আশা করছি আরও উন্নতি করবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

বুলেট থেকে ব্যালট, সন্ত্রাস থেকে স্বপ্ন: মাওবাদ দমনের ভারতীয় মডেল

পরিবর্তন২০০৯ সাল । কেন্দ্রে ইউ পি এ সরকার। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং লেফ্ট উইং এক্সট্রিমিজমকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সবচেয়ে বড় বিপদ বলে চিহ্নিত করেছিলেন। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসকে দমন করা যায় নি। বছর ঘুরতেই ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়ারাতে মাওবাদী সন্ত্রাসের ভয়াবহ চেহারা দেখেছিল ভারতবর্ষ। মাওবাদী আক্রমণে সেদিন ৭৬ জন সিআরপিএফ জোয়ান নিহত হন। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে মাওবাদী সন্ত্রাস। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীদের আক্রমণে নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। মাওবাদী অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা উধাও হয়ে যায়। স্বাধীন দেশে যে সরকারি শাসন থাকে তা ওই সমস্ত অঞ্চলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে । ২০১৪ সালে দেশে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। ক্ষমতায় আসার পরেই মাওবাদী সন্ত্রাস সম্পর্কে জিরো টলারেন্স নীতি নেয় সরকার। মাওবাদী দমনে কৌশলগত নিরাপত্তায় আমূল পরিবর্তন আসায় ক্রমশ মাওবাদীরা কোনঠাসা হতে থাকে। অবশেষে ২০২৬ সালের ৩০ শে মার্চ সংসদের বাজেট অধিবেশনে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ ঘোষণা করেন মাওবাদী সন্ত্রাস থেকে মুক্ত হয়েছে ভারত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণায় যে বিষয়গুলি স্পষ্ট হয় তা হলো, মাওবাদী সন্ত্রাস দমনে কোন কৌশলী নীতির প্রয়োজন ছিল । সেই নীতি সফলভাবে রূপায়ণের জন্য কতটা রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা প্রয়োজন ছিল। সেই দায়বদ্ধতার লক্ষ্য ছিল, মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যের সরকারের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক রঙ নির্বিশেষে রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যৌথ কৌশল রচনা ও নিরাপত্তা অভিযানের সাফল্যকে সুসংগঠিত করে মাওবাদী দমনে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। এই সু-সংহত, নিবিড় ও নিপুণ কৌশলী পরিকল্পনার ফলেই মাওবাদী সন্ত্রাসমুক্ত হয়েছে দেশ।সাফল্যের সুচনাঝাড়খন্ড, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশে, তামিলনাড়ু যেখানে যেখানে মাওবাদীরা ঘাঁটি গেড়েছিল সেখানে সেখানেই তাদের গতিবিধি সংকুচিত হতে থাকে। ক্রমশ তারা পালিয়ে কেন্দ্রীভূত হয় ছত্তিশগড়ে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারের সু- কৌশলী নিরাপত্তা অভিযানে সেখানেও সাফল্য আসতে শুরু করে। ছত্তিশগড়ে ২০২৪ সালে ২,৭৬২ জন মাওবাদী সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২০২৫ এর ৩০শে মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানান। ২০২৪ সাল থেকে দেশ জুড়ে ৪,৮৩৯ জন মাওবাদী সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। ২০২৪-২০২৬ এই দুবছরে ২,২১৮ জন মাওবাদী গ্ৰেফতার হয়। ২০২৫ সালে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদী সন্ত্রাস মুক্ত হবে ভারত। ২০১৩ সালে দেশে ১২৬টি জেলা ছিল মাওবাদী অধ্যুষিত। তথাকথিত রেড করিডোর বিছিয়ে ছিল ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশে, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং উড়িষ্যার কিছু কিছু অঞ্চলে। ২০২১ সালে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকার গভীরে ৪০৬টি নতুন সিআরপিএফ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পরেই মাওবাদী দমন অভিযানে গতি আসে। একসময় এই এলাকাগুলোতে সরকারি প্রশাসনের উপস্থিতি না থাকায় আইনের শাসন ছিল না। ফলে ওই সমস্ত এলাকায় মাওবাদীরা সমান্তরাল প্রশাসন গড়ে তোলে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ছত্তিশগড়ের বস্তারে। বস্তারে প্রায় ৪২,০০০ স্কোয়ার কিলোমিটার জায়গা জুড়ে মাওবাদীদের দাপট চলতে থাকে। কোর এলাকায় নতুন সিএপিফ ক্যাম্পের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় পাকা রাস্তা নির্মাণ, স্কুল স্থাপন এবং পাব্লিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম চালু হয়। রাস্তা তৈরি হওয়ায় খনির কাজেও গতি আসে। মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের নারায়নপুর থেকে বিজাপুরের খনি উত্তোলনের দ্রব্য নিয়ে ট্রাক চলাচল শুরু হয়। মা একসময় কল্পনার বাইরে চলে গিয়েছিল। অতি দূর্গম ও অতি প্রান্তিক এলাকায় বাইরের জগতের এই টাটকা বাতাসের ঝলক পৌঁছতেই সেখানকার বদ্ধ জীবনেও আশা , আকাঙ্খা জাগতে শুরু করে। মাওবাদীদের দমবন্ধ করা পরিবেশ থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও জোরালো হতে থাকে। পুনর্বাসন২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই কেন্দ্রীয় সরকার মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ১৭,৫৮৯ কি মি রাস্তা তৈরি, ৩,৫০০০ মোবাইল টাওয়ার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। অতিদ্রুত সেই কাজ এগোতে থাকে। রাস্তা এবং মোবাইল সংযোগ বিস্তারের ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচল ও পৌর এলাকায় পৌঁছনোর সুবিধা হয়ে যায়। এরফল পাওয়া যায় ২০২০ সাল থেকেই ছত্তিশগড় এলাকায় মাওবাদীদের অবাধ চলাচল বন্ধ হতে শুরু করে। ওই সময় থেকেই মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও অন্যান্য কমিটির বৈঠক এর সংখ্যা কমতে থাকে। মাওবাদীদের দুর্বলতা এবং কোনঠাসা অবস্থা বিচার করে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ ঘোষণা করেন, মাওবাদীদের সম্পর্কে সরকারের নীতি খুব পরিষ্কার। যারা সরকারের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করবে তাদের সঙ্গে কথা হতে পারে, কিন্তু, যারা বুলেটেই বিশ্বাস রাখবে তাদের উত্তর সরকার বুলেটেই দেবে । এরই পাশাপাশি, হিংসা ছেড়ে মূলস্রোতে ফিরলে তাদের জন্য পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করে সরকার। নীতি অনুযায়ী সমর্পন করলে ৫০,০০০ টাকা এবং অবিবাহিতা ও বিধবা মাওবাদী সদস্যা দের জন্য এক লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা বলা হয়। এছাড়াও অস্ত্র সহ সমর্পন করলে অস্ত্রের মান অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করে সরকার। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের সাধারণ সম্পাদক বাসব রাজুর মৃত্যুর পাশাপাশি এই পুনর্বাসন নীতির ফলে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের সংখ্যা অতি দ্রুত বাড়তে থাকে।নতুন ভোরসম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্ সংসদে জানিয়েছেন, ভারতবর্ষ এখন মাওবাদ মুক্ত। মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নের একগুচ্ছ পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারের লক্ষ্য হলো, যে অনুন্নয়নকে হাতিয়ার করে মাওবাদীর প্রভাব বাড়িয়েছিল তা দূর করা, যাতে ভবিষ্যতে কোনোভাবে অন্য নামে, অন্য চেহারায় এই ভুল রাজনীতি আর ফেরার চেষ্টা না করতে পারে। সালিমা টেটে ও মমতা হাঁসদা, নাম দুটো আজ আমাদের অতিপরিচিত। সালিমা ঝাড়খন্ডের আর মমতা পশ্চিম মেদিনীপুরের আদিবাসী কন্যা। এখন প্রথমজন ভারতীয় মহিলা হকি দলের এবং দ্বিতীয় জন ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের অতি গুরুত্বপূর্ণ সদস্যা। দুজনেই প্রমাণ করেছেন জঙ্গল, পর্বত ঘেরা প্রত্যন্ত জায়গায় সুযোগ পৌঁছলে কি হতে পারে। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনায় ওই সব অঞ্চলে উন্নয়নের ধারায় স্কুল, কলেজ, ক্রীড়া কেন্দ্র, মুক্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা, নিবিড় ঘরকন্না ও গর্বিত জীবনবোধ ছড়াতে থাকলেই সন্ত্রাস, হিংসা শেষ করে যে নতুন ভোর এসেছে তার আলো অন্ধকার দূর করে এগোতে থাকবে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

চশমা ভেঙে চোখে আঘাত! শোভনের গাড়িতে মিন্টোপার্কের হাসপাতালে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সোনারপুরে হামলার ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরে তাঁকে মিন্টো পার্ক এলাকার আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাঁকে দেখতে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন অভিষেক। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয়। সেই ঘটনায় তাঁর চশমা ভেঙে যায় এবং চোখে আঘাত লাগে বলে জানা গিয়েছে।প্রথমে বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকদের কাছে অভিষেক জানান, চোখে আঘাত লাগার পাশাপাশি শরীরের একাধিক জায়গাতেও চোট পেয়েছেন তিনি। চিকিৎসকরা প্রথমে তাঁর চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসা করেন। পরে অন্যান্য শারীরিক পরীক্ষাও করা হয়।অভিষেকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময়ও অভিষেককে কিছুটা ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে।দুই হাজার পনেরো সালের পাঁচ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে একটি কর্মসূচিতে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। দুই হাজার তেইশ সালের ছাব্বিশ মে ঝাড়গ্রামে কুড়মি বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। একই বছরের চার অক্টোবর দিল্লিতে আন্দোলনের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে পুলিশ সরিয়ে নিয়ে যায়। ত্রিপুরাতেও একবার তাঁর কনভয় দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।সোনারপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

মে ৩০, ২০২৬
দেশ

অভিষেকের উপর হামলায় সরগরম দেশ! খাড়্গে-অখিলেশের বিস্ফোরক বার্তায় চাপে বিজেপি?

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার জাতীয় রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সোনারপুরের ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি সরব হয়েছে ইন্ডিয়া জোটের নেতারাও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন।সামাজিক মাধ্যমে মল্লিকার্জুন খাড়্গে লিখেছেন, সোনারপুরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তাঁর দাবি, অভিষেক ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করা প্রতিহিংসার রাজনীতিরই উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।খাড়্গে আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত সব বিরোধী দলের নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কখনও হিংসার কারণ হতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি দাবি করেন, এত সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা না থাকা গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর কথায়, ঘৃণা ও হিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।এদিকে আগামী ছয় জুন ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, সেই বৈঠক নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্তরে বিরোধী শিবির আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে। ইন্ডিয়া জোটের আসন্ন বৈঠকের আগে এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ওপরের নির্দেশে অভিষেকের চিকিৎসা হচ্ছে না! বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সোনারপুরে হামলার ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে সেখানে ঠিকমতো চিকিৎসা করা হচ্ছে না বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, উপর মহল থেকে নির্দেশ আসার কারণেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।হাসপাতাল থেকে অভিষেককে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, আমরা এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে চিকিৎসা হচ্ছে না। উপর থেকে বলে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসা না করতে। একই অভিযোগ তিনি একাধিকবার করেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।এরপর হাসপাতাল থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বের করে আনা হয়। তাঁকে বেশ ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল। ধীরে ধীরে গাড়িতে ওঠেন তিনি। গাড়িতে তাঁর পাশে বসেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে বসে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে নিতে দেখা যায় অভিষেককে। তারপর তাঁকে নিয়ে অন্য একটি হাসপাতালে রওনা দেয় গাড়ি।এর আগে সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ধাক্কাধাক্কি করা হয় এবং তাঁর জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। হামলার পরেও তিনি নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন।সেই সময় অভিষেক বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব।পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিষেককে নিরাপদে সেখান থেকে বের করে আনে। এরপর তাঁকে চিকিৎসার জন্য বাইপাস সংলগ্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরই চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

কালো পতাকা, ‘চোর-চোর’ স্লোগান, তারপর ডিম! সোনারপুরে অভিষেককে ঘিরে চাঞ্চল্য

সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হেনস্থার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কালীঘাট থেকে সোনারপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই তাঁর কনভয় ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।কামালগাজি এলাকায় সিগন্যালে অভিষেকের কনভয় দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ তাঁর গাড়ির সামনে এসে কালো পতাকা দেখান। এরপর শুরু হয় চোর-চোর স্লোগান। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এরপর সোনারপুরে যে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে অভিষেক যাওয়ার কথা ছিল, সেই এলাকার রাস্তায় বহু মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। স্থানীয়দের একাংশকে ডিম প্রস্তুত রাখার কথাও বলতে শোনা যায় বলে অভিযোগ।পরে গাড়ি থেকে নেমে বাইকে করে ওই কর্মীর বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তিনি হেলমেট পরেন। তবে ভিড়ের কারণে কিছু দূর যেতেই বাইক আটকে যায়।সেই সময় আচমকাই অভিষেককে লক্ষ্য করে পরপর ডিম ছোড়া শুরু হয়। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে উস্কানিমূলক মন্তব্যও করা হয়।অভিযোগ, পরে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত তাঁকে ঘিরে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দেখুন। আমি হাইকোর্টে যাব। পুলিশের কোনও নিরাপত্তা নেই। এখানে ইট, পাটকেল, ডিম ছোড়া হচ্ছে। আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, আমি কি বাংলাদেশি?ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জামা ছিঁড়ে দিল বিক্ষোভকারীরা, সঞ্জুর বাড়িতে বসেই হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা অভিষেকের

সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, কর্মসূচির কথা আগেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল এবং ই-মেলও করা হয়েছিল। তবু ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ছিল না।সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছনোর পথে অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের মাঝে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।সাদা জামায় ডিমের দাগ নিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। তিনি বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না বাহিনী এসে আমাকে উদ্ধার করছে।তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি চলে গেলে সঞ্জুর বাবা-মায়ের উপর অত্যাচার হতে পারে। তাই বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব।ঘটনার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, আগে থেকে সব জানানো সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি।সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান অভিষেক। তিনি বলেন, এই ঘটনার দিকে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব। দরকার হলে নিজেই আবেদনকারী হিসেবে মামলা করব। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।ঘটনাস্থলে অভিষেকের সঙ্গে মাত্র দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের দাবি, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কোনও রকমে তাঁকে নিরাপদে সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পরে সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতেই স্থানীয় থানার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর আবেদন করা হয়।পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক!’ সোনারপুরে হামলার পর বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, কর্মসূচির কথা আগেই পুলিশকে জানানো হয়েছিল এবং ই-মেলও করা হয়েছিল। তবু ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ছিল না।সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছনোর পথে অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতো ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের মাঝে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনাও ঘটে। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যে তাঁর জামা ছিঁড়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।সাদা জামায় ডিমের দাগ নিয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অভিষেক। তিনি বলেন, ওরা আমাকে প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক। আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে যাব না, যতক্ষণ না বাহিনী এসে আমাকে উদ্ধার করছে।তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারি। কিন্তু আমি চলে গেলে সঞ্জুর বাবা-মায়ের উপর অত্যাচার হতে পারে। তাই বাহিনী না আসা পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব।ঘটনার জন্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর অভিযোগ, আগে থেকে সব জানানো সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি।সোনারপুরের এই ঘটনা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান অভিষেক। তিনি বলেন, এই ঘটনার দিকে উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শুধু উচ্চ আদালত নয়, প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ আদালতেও যাব। দরকার হলে নিজেই আবেদনকারী হিসেবে মামলা করব। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দিয়েছে।ঘটনাস্থলে অভিষেকের সঙ্গে মাত্র দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের দাবি, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কোনও রকমে তাঁকে নিরাপদে সঞ্জুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পরে সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতেই স্থানীয় থানার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর আবেদন করা হয়।পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কার সই কে করল? তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে সন্দেহ, তদন্তে নেমেছে সিআইডি

তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা, উপনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের জন্য জমা দেওয়া সমর্থনপত্রে সই নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কার সই কে করেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যেমন চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, তেমনই তৃণমূলের অন্দরেও বাড়ছে অস্বস্তি।বিধানসভার পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই তদন্তের গতি বাড়ে। বৃহস্পতিবার রাতেই একাধিক বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে যান সিআইডি আধিকারিকরা। তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের স্বাক্ষর যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা।তদন্তের অংশ হিসেবে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতেও পৌঁছয় সিআইডির একটি দল।বাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তকারীরা তাঁকে ৬ মে তিনি কোথায় ছিলেন তা জানতে চান। তিনি জানান, সেদিন তিনি নিজের এলাকায় ছিলেন এবং কোনও বৈঠকে যোগ দেননি। তাঁকে একটি নথিতে থাকা সই দেখানো হলে তিনি দাবি করেন, সেটি তাঁর স্বাক্ষর নয়। এই বক্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।তৃণমূলের প্রবীণ নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, কোনও বেআইনি কাজকে সমর্থন করা হবে না। তাঁর বক্তব্য, বাহারুল ইসলাম যে স্বাক্ষরটি দেখেছেন, সেটিকে তিনি নিজের সই বলে স্বীকার করেননি।অন্যদিকে তাপস মাইতি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট নথিতে থাকা স্বাক্ষরটি তাঁরই। ফলে একই ঘটনায় দুই ধরনের বক্তব্য সামনে আসায় তদন্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এদিকে বোলপুরে গিয়ে বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার স্বাক্ষরের নমুনাও সংগ্রহ করেছে সিআইডি। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ছোট এবং বড় হরফে তাঁর একাধিক নমুনা সই নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণের সময় চন্দ্রনাথ সিনহা বাংলায় স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সমর্থনপত্রে তাঁর নামে অন্য ভাষায় স্বাক্ষর রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সব মিলিয়ে সই বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও। সিআইডির তদন্তে আগামী দিনে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal