• ৬ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Manolo Diaz

খেলার দুনিয়া

ডার্বি নিয়ে কী বললেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ মানোলো দিয়াজ?‌ জানলে চমকে যাবেন

এবারের আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে তিনিই ছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডাগ আউটে। শনিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ খেলতে নামছে লালহলুদ শিবির। এবার আর ডাগ আউটে নয়, সুদূর স্পেনে বসে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে মানোলো দিয়াজকে। তাঁর কোচিংয়েই প্রথম পর্বের ডার্বিতে ৩ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল লালহলুদকে। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না লালহলুদের এই প্রাক্তন কোচ।ডার্বি নিয়ে মানোলো দিয়াজের বক্তব্য, এসসি ইস্টবেঙ্গলের যা অবস্থা, এবারও ডার্বি জেতার কোনও সম্ভাবনা দেখছি না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ভাগ্যের জোরে জিতেছিল। পরের ম্যাচেই হায়দরাবাদ এফসির কাছে হার। দলটার যদি ছন্দ ফিরে আসত তাহলে তো পরের ম্যাচেও জিতত। মানোলো দিয়াজের কোচিংয়ে প্রথম পর্বের ডার্বিতে প্রথমার্ধে একেবারেই দাঁড়াতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করতে হয়েছিল। ৫ গোলের রেকর্ডও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা লড়াই করে ম্যাচে ফিরেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।মানোলো দিয়াজকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন রেনেডি সিং। তাঁর কোচিংয়ে লালহলুদ ফুটবলারদের মধ্যে লড়াইটা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। যা দিয়াজের সময় দেখা যায়নি। তবুও এই স্প্যানিশ কোচের দাবি, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কয়েকজন ফুটবলার ছাড়া বাকিদের আইএসএলে খেলার যোগ্যতাই নেই। এমনকি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও ড্যারেল সিডোল ছাড়া বাকি বিদেশি ফুটবলারদের নাকি কর্তারাই পছন্দ করে দলে নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের তিন মূলত এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দারের দিকে।রেনেডি সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আদিল খান প্রথম একাদশে। নিয়মিত খেলছেন। রক্ষণকে দারুণ নির্ভরতাও দিচ্ছেন। তবু আদিল খানকে ভাল মানের ডিফেন্ডারের স্বীকৃতি দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। তিনি বলেন, আদিল খানের দক্ষতা এমন কিছু আহামরি নয়। ভাল স্ট্রাইকারের সামনে পড়লে ওর দুর্বলতা ফুটে উঠবে। ওকে না খেলানোর জন্য আমার অনেক সমালোচনা হয়েছিল। সবই শুনেছি। ওকে একটা ম্যাচে আমি খেলাতে চেয়েছিলাম। ও খেলতে রাজি হয়নি। একজন পেশাদার ফুটবলারের এইরকম আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। টিমটার মধ্যে শৃঙ্খলা ছিল না। এরজন্য কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্ট দায়ী।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Beengal-Perosevic : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কে হলেন?‌ রেফারিকে মেরে ৫ ম্যাচ নির্বাসিত পেরোসেভিচ

দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। বেশ কয়েকজন কোচের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডার, মারিও রিবেরো, আলেজান্দ্রো মেন্ডেজদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তারপর কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে আরও কয়েকটা দিন কেটে যাবে। এই পরিস্থিতিতে দলের সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বতী কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁকে সাহায্য করবেন ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা মৃদুল ব্যানার্জি। মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। লালহলুদে যোগ দেওয়ার সময় সহকারী হিসেবে স্পেনেরই অ্যাঞ্জেল পাবলো গার্সিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন মানোলো দিয়াজ। তিনিও পদত্যাগ করেছেন। দুজনই এখন দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার। ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, চলতি মরশুমে অবদানের জন্য হোসে ও অ্যাঞ্জেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ওদের জন্য শুভকামনা রইল।মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করে ক্লাব কর্তাদের স্বস্তি দিলেও আরও বড় অস্বস্তিতে পড়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে ৫ ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মেরেছিলেন পেরোসেভিচ। রেফারি তাঁকে লালকার্ড দেখান। ২৪ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। অর্থাৎ এক ম্যাচ নির্বাসিত ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এখনও ৪ ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন পেরোসেভিচ। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে আবেদন করতে হবে। একেই আইএসএলে এখনও জয় নেই। তার ওপর পেরোসেভিচের নির্বাসন। এসসি ইস্টবেঙ্গলে একমাত্র পেরোসেভিচই ভাল খেলছিলেন। তিনি না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে। সব মিলিয়ে কঠিন সমস্যায় লালহলুদ শিবির।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal-Manolo Diaz : অবশেষে হাবাসের পথ অনুসরণ দিয়াজের, চাপে পড়ে পদত্যাগ করলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ

যাবতীয় জল্পনাকল্পনার অবসান। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মানোলো দিয়াজ। সোমবার রাতে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি। দুই পক্ষ সমঝোতায় আসায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। মঙ্গলবার সকালে সরকারিভাবে তাঁর সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন এই স্প্যানিশ কোচ। রীতিমতো চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন মানোলো দিয়াজ। আদৌও এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে কিনা তা নিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহনা চলছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে নেমেছিলেন ক্লাব কর্তারা। আগের মরশুমে খেলা বিদেশিরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। আগের মরশুমের কোচ রবি ফাউলারের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তি নিয়ে টালবাহনা চলায় তিনি অন্য ক্লাব বেছে নেন। অগত্যা বাধ্য হয়ে নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শেষ পর্যন্ত স্পেনের মানোলো দিয়াজকে কোচ করে নিয়ে আসেন। দিয়াজের পছন্দমতো বিদেশি ও সাপোর্ট স্টাফও নেন লালহলুদ কর্তারা। তাসত্ত্বেও এবারের আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।মানোলো দিয়াজের চাকরি যে যাবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। টানা ৮ ম্যাচে দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি দিয়াজ। ফুটবলারদের ওপরও নিয়ন্ত্রণ নেই। তাঁর রণনীতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যসমর্থকদের চাপ বাড়ছিল শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের ওপর। কর্তারাও দিয়াজকে রাখতে চাইছিলে না। তাঁকে অপসারণ করা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু আর্থিক কারণে দিয়াজকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না কর্তারা। দিয়াজকে মাঝপথে ছেঁটে ফেললে পুরো বছরের বেতন দিতে হত। আবার নতুন কোচকেও বেতন দিতে হবে। সেই কারণে দিয়াজের সঙ্গে রফাসূত্র খুঁজে বার করতে চাইছিলেন কর্তারা। অবশেষে রফাসূত্র বার হওয়ায় দিয়াজ পদত্যাগ করতে রাজি হন। এটিকে মোহনবাগান যেমন চাপে ফেলে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও সেই পথে হাঁটলেন। দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। লড়াইয়ে রয়েছেন একসময়ে লালহলুদকে কোচিং করানো মারিও রিভেরা। কোয়েসের সময়ে তিনি আলেজান্দ্রো মেন্ডেজের সহকারী ছিলেন। এছাড়া এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডারের নামও মাথায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। দুএকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌অপসারনের খাঁড়া মাথায় নিয়েই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামছেন দিয়াজ

এবার কি এটিকে মোহনবাগানের পথে হাঁটবেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা? সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল। চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কা নিয়েই বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দল নিয়ে মাঠে নামছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিলেও যে তাঁর চাকরি থাকবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। লালহলুদে তাঁর যে দিন ঘনিয়ে এসেছে, সেকথা দিয়াজ নিজেও জানেন। ৭ ম্যাচে জয় নেই। মাথায় পাহাড়প্রমাণ চাপ। সেই চাপ নিয়েই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন এই স্প্যানিশ কোচ। মানেলো দিয়াজ নিজেও চাপের কথা স্বীকার করেছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, টানা ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও দল জয় পায়নি। যথেষ্ট চাপে রয়েছি। ক্লাবের পরিবেশ ভাল না হওয়াতে জয় আসছে না। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে নিজের দলকে মেলাতে চান না মানেলো দিয়াজ। তাঁর কথায়, ওদের সঙ্গে আমার দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এটিকে মোহনবাগান গতবছর রানার্স হয়েছিল। এবছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করেছে। আর আমার দলের লক্ষ্য কোনও রকমে লিগে শেষ করা। দুই দলের মানসিকতার অনেক তফাৎ। টানা ৭ ম্যাচ জয়হীন। অষ্টম ম্যাচেও যে জয় পাবেন, তার সম্ভাবনাও যথেষ্ট ক্ষীণ। কারণ এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি দারুণ ছন্দে রয়েছে। কঠিন ম্যাচ, মেনে নিয়েছেন দিয়াজ। তবে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, নিজেও জানেন না। তার ওপর লালকার্ডের জন্য এই ম্যাচে পাবেন না পেরোসেভিচকে। তবে পেরোসেভিচের না থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পেরোসেভিচ অবশ্যই দলের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে অন্যরা আছে। বাকিদের দায়িত্ব নিতে হবে। আগের ৭ ম্যাচে যে কথা শোনা গেছে দিয়াজের মুখে, হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সেই একই কথা। লালহলুদ কোচ বলেন, দল জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে। জয়ের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু জেতাবে কে? একটা হুগো বোমাসও যে দিয়াজের হাতে নেই।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : হাবাসের পর এবার দিয়াজ?‌ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচের আসন যথেষ্ট টলমল

স্বপ্ন দেখতেই ভুলে গেছেন লালহলুদ সমর্থকরা। গত বছর আইএসএলে ব্যর্থতা। এবছরও সাফল্য পাওয়ার আশা নেই। শেষ স্থান পাওয়ার জন্য দারুণ লড়ছে। ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয় আসেনি। ৪ ম্যাচে হার, ৩টি ড্র। লিগ টেবিলে রয়েছে ১১ নম্বরে। টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে হতাশা বেড়েই চলেছে। কোচ মানেলো দিয়াজের ওপর বিরক্ত কর্তারা। তাঁর ওপর চাপ বাড়ছে। ব্যর্থতার জন্য শনিবারই দায়িত্ব ছেড়েছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। এবার কি লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজের পালা? হাবাস পদত্যাগ করার পর তাঁকে সরানোর দাবি জোরালো হচ্ছে।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস তো ফুটবলারদের ওপর তবুও ভরসা রেখেছিলেন। খারাপ পারফরমেন্স হলেও কখনও বিরূপ মন্তব্য করেননি। এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানেলো দিয়াজের তো ফুটবলারদের দক্ষতার ওপর কোনও আস্থাই নেই। প্রত্যেক ম্যাচের পরই একই কথা বলে চলেছেন, ফুটবলারদের এর বেশি দক্ষতা নেই। জিততে গেলে এইরকম পারফরমেন্স করলে হবে না। আরও উন্নতি করতে হবে। মুখে উন্নতির কথা বললেও তার রাস্তা খুঁজে বার করতে পারছেন না মানেলো দিয়াজ। কোচ হাল ছেড়ে দেওয়ায় ফুটবলারদের মনোবলও তলানিতে পৌঁছে গেছে।লালহলুদ শিবিরের অন্দরের খবর, কোচের সঙ্গে ফুটবলারদের ইতিমধ্যেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগের ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ ওয়ার্ম আপ করার পরও মাঠে না নামানোয় আদিল খান অসন্তুষ্ট হন। দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচও সতীর্থদের ওপর অসন্তুষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানেলো দিয়াজকে সরানোর দাবি উঠে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা হয়তো চাইবেন না দিয়াজকে সরিয়ে নতুন কোনও কোচ নিয়োগ করতে। কারন, বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই। শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথায় এই বছর আইএসএলে খেলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। পরের মরশুমে কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই অবস্থায় কোচ বদলের রাস্তায় হাঁটবে কিনা বলা কঠিন। তবে দিয়াজকে সরানোর দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌C East Bengal : আইএসএলের ডার্বির দিকেই চোখ এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজের

গত মরশুমে আইএসএলে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আদৌও সফল হবে কিনা সময়ই বলবে। অনেকেই লালহলুদকে নিয়ে ততটা আশাবাদী নন। কারণ শেষ মুহূর্তে মাঠে নেমে সেভাবে দল গঠন করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তা সত্ত্বেও ভাল ফলের ব্যাপারে আশাবাদী লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের এই স্প্যানিশ কোচের চোখ ডার্বির দিকেই।আগের মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল ব্যর্থ হলেও তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ মানোলো দিয়াজ। এবছর ফুটবলারদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি ফুটবলারদের আগ্রাসী খেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। গোয়ায় প্রস্তুতি শিবিরের ফাঁকেই লালহলুদ কোচ বলেন, সাফল্য পেতে গেলে হিসেবে খেলতে হবে। সবাই যেমন আক্রমণে যাবে, তেমনই রক্ষণ সামলানোর দিকেও নজর দিতে হবে। এই কদিনের অনুশীলনে ফুটবলারদের দক্ষতার পরিচয় পেয়েছি। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রমী। আশা করছি এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। পাশাপাশি আরও একটা লক্ষ্য রয়েছে, সেটা হল ভারতীয় ফুটবলারদের মানের উন্নতি ঘটানো।ইতিমধ্যেই মানেলো দিয়াজের মাথায় ঢুকে পড়েছে ২৭ নভেম্বরের ডার্বি ম্যাচের কথা। প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় ম্যাচেই এটিকে মোহনবাগানের মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গল। কলকাতার দুই দলের ডার্বি প্রসঙ্গে লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ বলেন, এই ম্যাচের গুরুত্বের কথা শুনেছি। শুধু ৩ পয়েন্টের লক্ষ্যে মাঠে নামব না, উদ্দেশ্য থাকবে মর্যদার লড়াইয়ে জিতে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো। আমি ও আমার সহকারী দীর্ঘদিন রিয়েল মাদ্রিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের মানসিকতা খুবই কঠিন। যে কোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। সব ম্যাচে জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামি। তবে শুধু ডার্বি জিতলে চলবে না। গোটা প্রতিযোগিতার কথা মাথায় রাখতে হবে। সব ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।আইএসএলে তাঁর যে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেবে, সেকথাও জানিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। দল নিয়ে নানারকম পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। ইতিমধ্যেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে লালহলুদ। দুটি ম্যাচেই জয় এসেছে। ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি দিয়াজ। বুধবার আরও একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে। মানোলো দিয়াজ বলেছেন, গোয়ায় আদ্রতা অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাররা ভাল খেলা উপহার দিয়েছে, নিজেদের মেলে ধরেছে। যে যে জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে, সেগুলো ঠিক করতে হবে। এপ্রথম দিকে ফুটবলারদের যেরকম ফিটনেস ছিল তার থেকে অনেক উন্নতি করেছে। আশা করছি আরও উন্নতি করবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আশঙ্কা! ৮০০ তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হতে পারেন, হাই কোর্টে ছুটল দল

ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বাংলার অন্তত আটশো কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই আশঙ্কা নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে দল। সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলা দায়েরের অনুমতি মিলেছে। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত বারোই এপ্রিল খণ্ডঘোষের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বড়সড় আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট প্রক্রিয়ায় ধীর গতি আনা, গণনায় দেরি করা এবং প্রথমে ভুল ফল দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর দাবি, অনেককে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে এবং মধ্যরাত থেকে অভিযান শুরু হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যদি কোথাও দেখানো হয় যে অন্য দল জিতছে, তাহলে তা মিথ্যে হতে পারে। মমতার অভিযোগ, বিজেপির প্রভাবেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।এরপরই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। সোমবার দলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, জাতীয় নির্বাচন কমিশন পুলিশের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় আটশো তৃণমূল কর্মীর নাম সংগ্রহ করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের আশঙ্কা রয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি। আদালতের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়।আদালত এই আবেদন মেনে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত শুনানির আর্জিও গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আগামী বুধবার এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
বিদেশ

ডলার ছেড়ে ইউয়ান! আমেরিকাকে চরম হুঁশিয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, বিশ্ব অর্থনীতিতে ঝড়

ইরান ও আমেরিকার সংঘাত কবে থামবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বড় সঙ্কটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বিশেষ করে ডলার নির্ভর তেল বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তারা জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি না বদলালে ডলারের বদলে অন্য মুদ্রায় তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন শুরু করতে পারে।খবর অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইতিমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে তারা চিনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে তেল বিক্রির পথে হাঁটতে পারে। এতদিন আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, এবার তারা নিজেদের স্বার্থে আলাদা অবস্থান নিতে চাইছে। তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ডলারের সহায়তা দিতে হবে, না হলে বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে তারা।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এই বিষয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে বিকল্প মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে বলেই মনে করছে তারা। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর ইতিমধ্যেই মার্কিন অর্থ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। ডলারের জোগান কমে গেলে ইউয়ান ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় থাকবে না বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।যুদ্ধের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আর্থিক ক্ষতি সামাল দিতে তারা আমেরিকার কাছে ক্ষতিপূরণও চেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের একটি বেসরকারি সংস্থা চিনা মুদ্রায় ইরানের তেল কিনেছে বলেও জানা গিয়েছে, যা এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব বাজারে তেল কেনাবেচা মূলত ডলারেই হয়ে থাকে। উনিশশো সত্তরের দশক থেকে এই প্রথা চালু। সেই সময় তেলের সঙ্কটের পর আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে তেল বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি সেই ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রায় তেল লেনদেন শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে বড়সড় সংঘাত! ইরানের জাহাজে হামলা চালিয়ে দখল নিল আমেরিকা

হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী একটি ইরান-চিহ্নিত পণ্যবাহী জাহাজ দখল করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়, তারপর সেটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।ট্রাম্প জানান, ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ একটি ইরানি জাহাজকে আটকায়, যখন সেটি আমেরিকার আরোপ করা অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। হামলার ফলে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেটি আর চলতে পারেনি। পরে মার্কিন সেনারা জাহাজটির দখল নেয় এবং সেটির ভেতরে কী আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। সেখানে বলা হয়, ইঞ্জিন কক্ষ খালি করে দিতে, না হলে গুলি চালানো হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের দৃশ্যও দেখা যায়।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন হরমুজ প্রণালিতে ইরানের জাহাজ চলাচলের উপর আমেরিকা কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, তাই এর উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা পরবর্তী বৈঠকে অংশ নেবে না। তাদের অভিযোগ, আমেরিকা অতিরিক্ত শর্ত চাপিয়ে দিচ্ছে এবং অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে, যা চুক্তির পরিপন্থী।ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জমা দিতে হবে এবং হরমুজ প্রণালিকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি খুলে দিতে হবে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ি থেকে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি! “একটা গুলি চালালে দুটো চালাব”—বাংলা রাজনীতিতে আগুন ধরালেন হিমন্ত

জলপাইগুড়ির জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, একটা গুলি চালালে, দুটো গুলি চালাব। বাংলায় পুলিশ থাকলে, অসমেও পুলিশ আছে। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসকে লক্ষ্য করেই এই আক্রমণাত্মক সুর শোনা যায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে হিমন্ত দাবি করেন, তিনি সব সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন। তাঁর কটাক্ষ, মমতার মুখে রাম বা দুর্গার নাম শোনা যায় না, বরং সারাদিন তিনি মোদী-শাহর নামই নেন। একই সঙ্গে হিমন্ত আরও বলেন, গত কয়েক দিন ধরে মমতা তাঁর নামও নিচ্ছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার সামনে দাঁড়াতে পারবে না। টক্কর সমানে সমানে হবে।এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর অভিযোগ, হিমন্ত কার্যত গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের মন্তব্যের পরেও কেন প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব রয়েছেন।জয়প্রকাশ আরও বলেন, একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির মুখে এমন প্ররোচনামূলক কথা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বিপজ্জনক। এর ফলে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও অশান্ত হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন ও জনস্বার্থের ইস্যু ছেড়ে এখন ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পাল্টা হুমকিই রাজনীতির মূল কেন্দ্র হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal