• ২৩ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MRI

খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বিদেশিদের ভিড়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের দায়িত্বে এক বাঙালী

আসন্ন আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যানেজারের ভুমিকায় দেখা যাবে মৃদুল ব্যানার্জিকে। মঙ্গলবারই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শুধু ম্যানেজারের ভুমিকাই পালন করবেন না মৃদুল ব্যানার্জি। দ্বিতীয় সহকারী কোচ হিসেবে স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজ ও গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেলিকেও সাহায্য করবেন। তিনি ছাড়াও ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার রেনেডি সিংও সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করবেন।এই প্রথম নয়, এর আগেও আইএসএলের দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মৃদুল ব্যানার্জির। একসময় দিল্লি ডায়নামোজের সহকারী কোচের ভুমিকা পালন করেছেন। ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্বও সামলেছেন মৃদুল ব্যানার্জি। প্রায় তিন দশক ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও মোহনবাগান, ইন্ডিয়ান অ্যারোজ, ভারতীয় অনূর্ধ্ব ১৬, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের কোচের দায়িত্ব সমলেছেন। এবার আইএসেলে তাঁকে দ্বৈত ভুমিকা পালন করতে হবে। একদিকে যেমন দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাতে হবে, অন্যদিকে, ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে সাহায্য করতে হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের দ্বৈত দায়িত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত এ লাইসেন্সধারী কোচ মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটা রীতিমতো গর্বের ব্যাপার। আমার কাছে এটা নতুন ভুমিকা। দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সহকারী কোচের ভুমিকাও পালন করতে হবে। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি তৈরি। ভারতীয় ফুটবল প্রশাসন সম্পর্কে আমার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে। আগেও ম্যানেজারের ভুমিকা পালন করেছি। মাঠের মধ্যে ও মাঠের বাইরে দলকে পরিচালনা করাই আমার কাছে বেশি গুরুত্ব পাবে। আশা করছি নিজের দায়িত্ব ভালভাবে পালন করতে পারব। এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আস্থার মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী। এএফসির এ লাইসেন্স ডিগ্রি করা আছে মৃদুল ব্যানার্জির। ক্লাব কোচিং ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বাংলা সিনিয়র দল, বাংলা বয়সভিত্তিক দলকে কোচিংও করিয়েছেন। অনূর্ধ্ব ২১ জাতীয় ফুটবলে বাংলাকে ২০০১ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০১৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংকে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে রানার্স করেছিলেন। বাংলা সিনিয়র দলকে সন্তোষ ট্রফিতেও চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। আবার আইএসএলে কাজ করার সুযোগ পেয়ে খুশি মৃদুল ব্যানার্জি। তিনি আরও বলেন, আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং স্টাফকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমার লক্ষ্য প্রতিটা দিন দলের উন্নতি করা। লালহলুদ সমর্থকদের আবেগ আমি জানি। আমি এই পরিবেশেই বড় হয়েছি। কাজ শুরু করার জন্য আমার আর তর সইছে না। গত বছর থেকেই লালহলুদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রেনেডি সিং। রবি ফাউলারের জায়গায় এবছর কর্তারা হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন স্পেনের ম্যানুয়েল মানোলো দিয়াজকে। গোলকিপার কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন চেলসির প্রাক্তন গোলকিপার কোচ লেসলি ক্লিভেজিকে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Punjab CM Resign: মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন 'অপমানিত' অমরিন্দর সিং

কংগ্রেসের ঘরোয়া কোন্দল তুঙ্গে ওঠায় বিধানসভা নির্বাচনের বছরখানেক আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালেই সনিয়া গান্ধিকে জানিয়েছি। আমি অপমানিত বোধ করছিলাম। এত অপমান সহ্য করে দলে থাকা সম্ভব নয়। এই ধরনের অপমান যথেষ্ঠ। তিনবার অপমান করা হল। এই হেনস্থা সহ্য করে আমি দলে থাকতে পারব না। আরও পড়ুনঃ ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহরসূত্রের খবর, দলেরই ৫০ জন বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখেছিলেন অমরিন্দরকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ নিয়ে। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি টুইট করে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে আজ বিকেল পাঁচটায় বিধায়কদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্জাব বিধায়কদের থেকে ইতিমধ্যেই দলকে চাপে রাখা হচ্ছিল যাতে ক্যাপ্টেনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় অন্য কাউকে।সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে গুরুত্ব বেড়েছে সিধুর। গুরুত্ব কমেছে অমরিন্দরের। কয়েকমাস পূর্বে সুনীল জাখরকে সরিয়ে সিধুকে কংগ্রেস সভাপতি করা হয়। তখন থেকেই ক্রমশ দলে ব্রাত্য হতে থাকেন ক্যাপ্টেন সিং। জানা যায়, সেই সময়ই নাকি অমরিন্দরকে ইস্তফা দিতে বলে হাই কমান্ড। অন্যদিকে দলে বাড়তে থাকে সিধুর গুরুত্ব। চারজন মন্ত্রী ও ২৪ জন ক্যাপ্টেন সিংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন যে তাদের অমরিন্দরের নেতৃত্বের উপর ভরসা নেই। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে পঞ্জাবে নির্বাচন। কিন্তু ভোটের প্রচারে মন দেওয়ার বদলে দলের অন্দরে নেতা-মন্ত্রীদের ক্ষোভ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

Hindol Majumdar: হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগো

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পুর্তিতে মেতে উঠল আমেরিকা। সারা ভারত যখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মাতোয়ারা ঠিক সেই উপলক্ষ্যেই আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আজাদী কি অমৃত মহোৎসব।শিকাগো নামটার সাথে ভারতীদের বিশেষ করে বাঙালীর নাড়ির টান। নামটা শুনলেই স্বামী বিবেকানন্দের সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স অব আমেরিকা... গলাটা কানে ভেসে ওঠে। ১৮৯৩র ১১ ই সেপ্টেম্বর, শিকাগোর বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে সনাতন হিন্দু ধর্মের কথা তুলে ধরেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের পরমপ্রিয় শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। এহেন নাস্টালজিক শহরে অবস্থিত শিকাগো কালচারাল সেন্টারে এক মনোজ্ঞ পরিবেশে ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে আজাদী কি অমৃত মহোৎসব অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট অমিত কুমার এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন ও পৌরহিত্য করেন। উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী।অনুষ্ঠান শুরু হয় ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। পতাকা উত্তোলন করেন শিকাগোর ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল অমিত কুমার। তিনি উপস্থিত আমন্ত্রিতদের উদ্দেশে ভারতের রাষ্ট্রপতির ভাষন পাঠ করে শোনান। কনস্যুলেট শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কিছু নির্বাচিত প্রতিনিধি, উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শুরু হয় বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী সঞ্চিতা ভট্টাচার্যর নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।আরও পড়ুনঃ যারা অদৃশ্য রয়ে গেলেনঃ শ্রমিক ঠিকাদার বা দালালতন্ত্র!শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মুল আকর্ষন ছিল বিশিষ্ট তবলিয়া পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদারের তবলা ও সাথে লিয়ন লিফার-র বাঁশরী। হিন্দোল মজুমদার এই প্রজন্মের তরুণ তবলা বাদকদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় তবলিয়া। সঙ্গীত তাঁর রক্তে ছিল। তাঁর মাতামহ প্রয়াত চিত্তরঞ্জন রায়, একজন বিশিষ্ট সঙ্গীত প্রেমী এবং তাঁর মা প্রয়াত সুনন্দা মজুমদার, পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন, এবং তিনি জয়পুর ঘরানার পণ্ডিত রামগোপাল মিশ্রের কাছে কত্থক নৃত্য শিক্ষালাভ করেন। তাঁর মায়ের অকাল প্রয়াণের পর, হিন্দোল মজুমদার প্রতি বছর তাঁর মায়ের স্মরণে বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী, ছাত্র-ছাত্রী ও তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে নিয়ে এক সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজন করেন। পারিবারিক সঙ্গীত আবহে অনুপ্রাণিত হয়ে হিন্দোল ছোট বয়সেই তবলা শেখা শুরু করেন। মাত্র ৫ বছর বয়েসে তাঁর তবলায় হাতে খড়ি, ১০ বছর বয়সে তিনি প্রথম মঞ্চে অনুষ্ঠান করেন। তারপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।আরও পড়ুনঃ দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদনহিন্দোল মজুমদারের তবলা ও সঙ্গে লিয়ন লিফার-এর বাঁশরী এক অনবদ্য সন্ধ্যার উপহার দেয় শিকাগো কালচারাল সেন্টারে। তাঁদের অনুষ্ঠান প্রথম উপস্থাপনা রাগ দেশ। দেশ হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের খম্বাজ ঠাটের অন্তর্ভুক্ত একটি রাগ। বেশ কয়েকটি দেশাত্মবোধক গান দেশ রাগের উপর আধারিত। তার মধ্যে ভারতের জাতীয় সংগীত ও বন্দে মাতরম অন্যতম। লিয়ন লিফার আমেরিকার এক প্রথিতযশা বাঁশরী শিল্পী, তাঁর সঙ্গীত শিক্ষার গুরু ভারত বিখ্যাত বাঁশরী শিল্পী প্রয়াত পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের জামাই ও প্রধান শিষ্য প্রয়াত দেবেন্দ্র মুর্দেশ্বর। দীর্ঘদিন তাঁর কাছে থেকে শিক্ষা লাভ করেন লিয়ন।তাঁদের পরবর্তী উপস্থাপনা কাজরী, কাহারবা তালের উপর আধারিত এই কম্পোজিসন খুবই মনোরম। কাজরি (বা কাজরী), হিন্দি শব্দ কাজরা বা কাজল থেকে এসেছে, (যার অর্থ কোহল বা কালো), কাজরী হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনবদ্য সৃষ্ঠি, এটি উত্তর প্রদেশ এবং বিহারে খুব জনপ্রিয়। তীব্র গরমের দেশে কালো বর্ষার মেঘ তাদের কাছে ভীষন স্বস্তি এবং দারুন আনন্দ নিয়ে আসে। সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ করতে সেই মুহূর্তে কাজরী গাওয়া হয়। তবলায় হিন্দোল মজুমদারের সঙ্গত এক অন্য মাত্রা পায়, তিন ঘরানার মহান গুরুর শিক্ষা তাঁর বাদন শৈলিতে প্রকট। তাঁর তেরেকেটে-এর লয়কারী শুনলে অনেকেরই ফারুকাবাদ ঘরানার মাহান শিল্পী ওস্তাদ কেরামতউল্লাহ খাঁর কথা মনে পরতে বাধ্য। মহান তবলিয়া ওস্তাদ কেরামতউল্লাহ খাঁ-এর সুযোগ্য শিষ্য শিবশঙ্কর কর্মকার-ই তাঁর প্রথম গুরু। তারপর তিনি ফারুকখাবাদ ঘরানার বিশিষ্ট তবলা গুরু পণ্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নাড়া বাধেন।আরও পড়ুনঃ মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার আমি যামিনী তুমি শশীঅনুষ্ঠানের সর্বশেষ অংশে শিল্পী লিয়ন ঠুংরি পরিবেশন করেন। লগী কাহারবা তালের ওপর আধারিত কম্পজিসনটি উপস্থিত বিশিষ্টজন উপভোগ করেন। হিন্দোল মাজুমদারের তবলা সঙ্গত এক কথায় অনবদ্য। তাঁর লয়কারি, সাথ সঙ্গত, সাওয়াল জবাব মনমুগ্ধ করে দেয়। বাঁশরী শিল্পী লিয়নের উপস্থাপনা উপস্থিত দর্শককূলকে মোহিত করে দেয়, আদ্যন্ত ভারতীয় এক বাদ্যযন্ত্র বাঁশরী একজন আমেরিকান শিল্পী যে যেভাবে রপ্ত করেছেন তা এক কথায় অনবদ্য। শিল্পী লিয়ন শিকাগোতে অবস্থিত পূর্ব ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (Northeastern Illinois University, Chicago, IL) প্রাক্তন বাঁশি বিভাগের অধ্যাপক।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহপণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার আমেরিকা থেকে জনতার কথাকে জানান, ভারতের বেশীরভাগ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী-ই বছরের বেশ কিছু সময় আমেরিকা ও ব্রিটেনে কাটান। এই প্রয়াস অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে, সেখানকার মানুষের ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শেখার প্রবল ইচ্ছা, ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের প্রসার ও ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের জন্য তাঁরা সেখানে বছরের বেশ কিছু সময় থেকে যান। ২০২০ র করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাঁরা অনেকেই দেশে ফিরে এসেছিলেন। হিন্দোল বাবু আরও জানান যে, তিনি গত ২০২১ এপ্রিলে আমেরিকা গিয়েছেন। অনেকদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে শিক্ষা দান করেছেন, এখন আমেরিকার মিলওয়াক শহরে তাঁর বাসভবনে শাস্ত্রবিধি মেনে প্রবাসী ভারতীয় ও আমেরিকান কিছু ছাত্র-ছাত্রীকে সরাসরি শিক্ষা দান করছেন। তিন বলেন ভারতীয় কনস্যুলেটের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি গর্বিত বোধ করছি। দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি, তাছাড়া শিকাগো সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (Chicago Cultural Centre) অনুষ্ঠান করা যেকোনও শিল্পীর কাছেই স্বপ্ন। এটা শিল্পীর জীবনপঞ্জিতে লিখে রাখার মত বিষয়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sara : বিবাহ-বিচ্ছেদ সেরা সিদ্ধান্ত ছিল জানালেন সারা

বর্তমানে সইফ আলি খানের স্ত্রী করিনা কাপুর। করিনার আগে সইফ বিয়ে করেছিল অমৃতা সিং কে। যিনি তার থেকে ১২ বছরের বড়। তাদের দুজনের এই বিয়ে দেশজুড়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত বিয়েটা টেকেনি। ১৭ বছর পর বাবা সইফ আলি খান ও মা অমৃতা সিংয়ের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন তাঁদের প্রথম সন্তান, নায়িকা সারা আলি খান। ১৭ বছর পর বাবা সইফ আলি খান ও মা অমৃতা সিংয়ের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন তাঁদের প্রথম সন্তান, নায়িকা সারা আলি খান। তাঁদের সম্পর্কে অনেকরকম সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তাঁরা সুখী ছিলেন না। তাই বিবাহ বিচ্ছেদটাই সেরা সিদ্ধান্ত ছিল বলে জানিয়েছেন সইফ কন্যা। তিনি বলেন, আসলে আমাদের হাতে দুটো অপশন থাকে। এক হল, অসুখী হয়েও একই সঙ্গে চুপচাপ থাকা । আর দুই হল, সম্পর্ক তিক্ত হয়ে গেলে অন্য বাড়িতে দুজনে আলাদা থেকে সুখী থাকা। তা হলে একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় থাকে। বাবা-মা সম্পর্কে সুখী ছিলেন না । তাই বিবাহবিচ্ছেদটাই সেরা সিদ্ধান্ত ছিল। মা যেমন আমার খুব ভাল বন্ধু, বাবাও তাই। যখন খুশি বাবাকে ফোন করতে পারি, তাঁর সঙ্গে গিয়ে থাকতে পারি। সময় কাটাতে পারি। ১৯৯১ সালে বয়সে ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন সইফ।পরিবারের কারও মত ছিল না এই বিয়েতে। ওই সময়ে এ ধরনের অসম বিয়ে দেশবাসীকে একটা নাড়া দিয়ে গিয়েছিল। সইফের বয়স তখন মাত্র ২১ বছর । আর অমৃতা সে সময় ৩৩-এ পা দিয়েছেন । ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় তাঁদের মেয়ে সারার, ২০০১ সালে জন্ম হয় ছেলে ইব্রাহিম আলি খানের । কিন্তু এরপর থেকেই সইফ-অমৃতার সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে। ২০০৪ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০১২ সালে করিনার সঙ্গে বিয়ে হয় সইফের। এখনও তাঁরা সুখে সংসার করছেন। সদ্যই তাঁদের দ্বিতীয় পুত্রসন্তান হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
কলকাতা

পামেলার গাড়িতে মাদককাণ্ডে পুনে থেকে গ্রেপ্তার অমৃত সিং

পামেলা গোস্বামী মাদককাণ্ডে নয়া মোড়। এবার পুলিশের জালে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অমৃত সিং। শনিবার রাতে পুনেতে কলকাতা পুলিশের জালে ধরা পড়েন অমৃত। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, পামেলার গাড়িতে এই অমৃত সিংই মাদক রেখেছিলেন। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ অমৃতের নাম প্রথম থেকেই দাবি করে এসেছিলেন পামেলা। অমৃতের সঙ্গে যোগসাজস করে রাকেশই পামেলা ফাঁসিয়েছিলেন বলে প্রথম থেকে তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত সোমবারই নিউ আলিপুর কোকেনকাণ্ডে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। কলকাতা পুলিশেক অ্যান্টি নারকোটিকস বিভাগ ৭৪ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা করে। চার্জশিটে নাম ছিল না বিজেপি যুব মোর্চা নেত্রী পামেলা গোস্বামী, পামেলার বন্ধু প্রবীর দে ও নিরাপত্তারক্ষী সোমনাথ গোস্বামীর। তাঁদেরকে কার্যত ক্লিনচিট দেওয়া হয়।চার্জশিটে নাম ছিল আট জনের। তাঁরা হলেন, জিতেন্দ্র কুমার সিং, সুরাজ কুমার সা, আরিয়ান দে, অমৃত সিং, দেইম আখতার, ফারহান আহমেদ ও অমৃত রাজ। প্রায় বারোশো পাতার এই চার্জশিটের এই মামলায় সাক্ষী রয়েছেন ৮০ জন। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা উল্লেখ চার্জশিটে।উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারি নিউ আলিপুরে একটি নামী রেস্তোরাঁর সামনে থেকে পামেলা ও তাঁর সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের গাড়ি থেকে উদ্ধার বহু টাকার মাদক। এরপর তদন্ত যত এগোতে থাকে, ঘটনার মোড় নিতে থাকে অন্য।

মে ০৯, ২০২১
কলকাতা

গ্রিন করিডোর করে এসএসকেএম-এ আনা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে, কীভাবে এগোচ্ছে ঘটনাক্রম? জানুন

রাত ৮.৫০: নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত ৮.৫৫: অ্যাম্বুল্যান্স থেকে স্ট্রেচারে করে উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ৯.০০: চোট কতটা গুরুতর, দেখতে পায়ের এক্স-রে করছেন চিকিৎসকরা। রাত ৯.০৫: হাসপাতালের বাইরে মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় জড়ো হয়েছে বহু মানুষ।রাত ৯.০৭: হাসপাতালে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। হাসপাতালের বাইরে তৃণমূল সমর্থকরা স্লোগান দিচ্ছেন।রাত ৯.১৭: হাসপাতালের বাইরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। রাত ৯.১৮: বর্ধমান, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুরের নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে। রাত ৯.২০: হাসপাতালে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সাধন পাণ্ডেরা। রাত ৯.২৫: নন্দীগ্রামে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের নিউ ফরাক্কা ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃনমুল প্রার্থী মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অবরোধ করে বিক্ষোভ।রাত ৯.২৭: এটা চক্রান্ত করে করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে মুখটা খুলতে দিন আমরা ভয়ঙ্কর আন্দোলনে নামব ওরা তখন বুঝতে পারবে। নির্বাচন কমিশন এর জন্য দায়ী। এটা বিজেপির চক্রান্ত। বাংলার মেয়েকে মারবে বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। ভয়ঙ্কর আন্দোলন হবে। হুংকার অনুব্রত মণ্ডলের।রাত ৯.৩৩: মমতা চাইলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।রাত ৯.৩৪: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সিইও আরিজ আফতাবকে ফোন সুদীপ জৈনের। মমতার চোট প্রসঙ্গে জানতে চেয়েছে কমিশন। রাত ৯.৩৫: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ অবরোধ করে বিক্ষোভ তৃণমূল সমর্থকদের। রাত ৯.৪৪: প্রবল যন্ত্রণা উপশম করতে অ্যানাস্থেশিয়া করা হল মুখ্যমন্ত্রীর। তাঁর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাত ৯.৪৯: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কনভয় লক্ষ্য করে জুতো ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। জগদীপ ধনখড়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, স্লোগান।রাত ৯.৫০: চেতলায় রাস্তা অবরোধ। রাত ৯.৫৫: পুলিশ ঘিরে ধরে রাজ্যপালের কনভয় বের করল হাসপাতাল চত্বর থেকে।রাত ৯.৫৭: বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল। গোটা ঘটনার কথা লিখিত আকারে নির্বাচন কমিশনে জমা করবে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। রাত ১০.০০: উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ।রাত ১০.০৪: মুখ্যমন্ত্রীর কাঁধে-কোমরে-মাথায় আঘাত লেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাতে হাসপাতালে থাকতে হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।রাত ১০.২৪: সিটি স্ক্যান করার ভাবনা। হতে পারে এমআরআই-ও। নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঙুরে। জানালেন চিকিৎসকরা।

মার্চ ১০, ২০২১
কলকাতা

মমতাকে আক্রমণ স্মৃতির

ডুমুরজলার মঞ্চ থেকে নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বাংলার দুর্ব্যবস্থার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেন তিনি। সভামঞ্চে বিজেপি সাংসদের নিশানায় ছিলেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, কেন বাংলার গরিব মানুষের এই অবস্থা জবাব দিন দিদি। আপনাকে জবাব দিতেই হবে? তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে বাংলায় বেশ কিছু বক্তব্যও রাখেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
রাজ্য

প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি

প্রয়াত হলেন তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি। মৃত্যুকালে বিধায়কের বয়স হয়েছিল ৭৬। জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন মেদিনীপুরের এই বর্ষীয়ান বিধায়ক। বার্ধক্যজনিত কারনেই মৃত্যু হয়েছে বিধায়কের। হাসপাতাল সূত্র থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে। দুবারের বিধায়ক ছিলেন মৃগেন মাইতি। পাশে থাকার বার্তা দিতে এদিন প্রয়াত বিধায়কের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন পরিজনদের সাথে। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন আদর্শবান মানুষ ছিলেন মৃগেন দা। দীর্ঘদিনের পরিচয়। ওনাকে ছাড়া মেদিনীপুর ভাবাই যায় না। এদিন মেদিনীপুরে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকেও মৃগেন মাইতির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্রুত তাঁর সুস্থতাও কামনা করেন। কিন্তু মমতার সভা শেষের পরেই এদিন মৃগেন মাইতির মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছয়।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
বিদেশ

ভারতের আইন নারী ক্ষমতায়নে সক্ষম: স্মৃতি

আমাদের উন্নয়নের সমস্ত ক্ষেত্রে লিঙ্গ সাম্য ও নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিয়েছে ভারত।রাষ্ট্রপুঞ্জে বললেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।চতুর্থ নারী বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে তিনি বলেন,সংখ্যার দিক থেকে মেয়েরা মানবতার অর্ধেক।কিন্তু তাদের প্রভাব সমাজ, রাজনীতি এবং অর্থনীতির সমস্ত মাত্রায় স্থানান্তরিত হয়।আমরা ভারতে উন্নয়নমুখী যাত্রায় সমস্ত ক্ষেত্রে লিঙ্গ সাম্য ও নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিয়েছি।আমাদের দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে এই পরিবর্তনগুলি পাথেয় করে আমরা নারী উন্নয়নের একটি দৃষ্টান্ত থেকে নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলেছি।বলেন স্মৃতি।মহিলা সংরক্ষণ বিষয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনে মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ নিশ্চিত করেছে যে ১.৩ মিলিয়নেরও বেশি নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধি সামাজিক পর্যায়ে লিঙ্গ-সংবেদনশীল জন নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রয়োগে নেতৃত্ব প্রদান করছেন।২০০ মিলিয়ন মহিলাকে সরকারের উদ্যোগে ব্যাঙ্কিং পরিকাঠামোয় আনা হয়েছে।ডিজিটাল প্রযুক্তির উদ্ভাবনী ব্যবহারে বীমা, ঋণ, সামজিক সহযেগিতায় মেয়েরা এখন সমান সুযোগ পাচ্ছে।বলছেন স্মৃতি।লিঙ্গ সাম্য বিষয়ে তিনি বলেন, জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতাকে ও সমস্ত রকম লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে উচ্চ প্রাথমিকতা দিচ্ছে ভারত।শেষে স্মৃতি বলেন,বেজিং ঘোষণাকে পরিপূর্ণভাবে কার্যকরী করতে ভারত দায়বদ্ধ।২৫ বছর আগে আমরা চতুর্থ বিশ্ব মহা সম্মেলনে যা পেয়েছিলাম,তা আজও আলো দেখায়।জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তা আজও অনুপ্রেরণা যোগায়।ভারত সমস্ত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে কাজ করে আরও সমান ও নায্য পৃথিবী আমাদের ও আমাদের কন্যাদের জন্য বানাতে প্রস্তুত।বলেন স্মৃতি।

অক্টোবর ০২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আজ রাতেই ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি! আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব, ভারতীয়দের জরুরি নির্দেশ কেন্দ্রের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে উঠতেই ইরানে থাকা ভারতীয়দের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেই এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা সবাইকে যেখানে আছেন সেখানেই থাকতে হবে। বিশেষ করে ঘরের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সামরিক স্থাপনা এবং উঁচু বহুতল ভবনের উপরের তলা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও আলাদা করে সতর্কবার্তা দিয়েছে। দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, যারা দূতাবাসের ব্যবস্থায় হোটেলে রয়েছেন, তারা যেন হোটেলের ভেতরেই থাকেন। দূতাবাসের কর্মীরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন নির্দেশ দেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর ও ইমেলও দেওয়া হয়েছে।এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমেরিকার শর্ত না মানলে বড় মূল্য দিতে হবে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি কড়া অবস্থান নেন। মঙ্গলবার তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, একটি সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা আর ফিরিয়ে আনা যাবে না।তবে একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলও হতে পারে। তাঁর কথায়, আমি চাই না এমন কিছু ঘটুক, কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকেই এগোচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হতে চলেছে এবং ইরানের মানুষের জন্য প্রার্থনাও করেন।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার প্রভাব গোটা বিশ্বে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাম বাদ নিয়ে তোলপাড়, হঠাৎ ধর্না স্থগিত! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল। তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করার সময় পাওয়ায় আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে গতকাল দুপুরের পর নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রথমে কোনও উত্তর না মেলায় দলের তরফে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখেল এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে কমিশনের তরফে জানানো হয়, পরের দিন সকাল দশটায় দেখা করার সময় দেওয়া হয়েছে। এর পরেই ধর্নার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রাখা হয়।জানা গিয়েছে, চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে যাবে। সেখানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হবে।এদিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান সামনে আসতেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। হিসেব অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৫০ লক্ষ নামের মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। এর আগে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।জেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লক্ষের বেশি। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় মোট ভোটার ছিল ৫৭ লক্ষের বেশি। নতুন খসড়া তালিকায় সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লক্ষ ৮৫ হাজারে। অর্থাৎ শুধু এই জেলা থেকেই প্রায় ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার নাম বাদ গিয়েছে।সব মিলিয়ে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তৃণমূলের দাবি, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে শাসক দল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গে নিশানা কংগ্রেসের! ‘একই মুদ্রার দুই পিঠ’ মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বাংলার নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোটের শরিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলায় এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কড়া সুর শোনা গেল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মুখে।দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, বাংলায় তারা নতুন বিকল্প দিতে চায়। তাঁর কথায়, কংগ্রেস শুধু অর্থ বিলির প্রতিশ্রুতি দেয় না, বরং রাজ্যের পুনর্গঠন ও সংস্কারের কথা বলে। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে একা লড়াই করছে কংগ্রেস, তাই এই নির্বাচনকে নতুন সুযোগ হিসেবে তুলে ধরছে দল।খাড়গে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের শাসনে এত বছরেও রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি। অন্যদিকে বিজেপি এই বিষয়গুলি নিয়ে কথা না বলে শুধুই বিভাজনের রাজনীতি করে। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যে শূন্যপদ পূরণ করা হবে।রাজ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে শিল্পের জন্য কলকাতার নাম শোনা যেত, এখন এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে কাজের খোঁজে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের কোনও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।দুর্নীতির বিষয়েও সরব হন খাড়গে। তিনি বলেন, রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, এমনকি এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তাঁর মতে, বাংলায় আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা জরুরি।এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি আসলে একই মুদ্রার দুই পিঠ। তাই নতুন পথ দেখাতে কংগ্রেসই একমাত্র বিকল্প। যদিও ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি জানান, জাতীয় স্তরে জোট থাকলেও রাজ্যভেদে লড়াইয়ের কৌশল আলাদা হতে পারে।সব মিলিয়ে বাংলার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই অবস্থান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ, তবু শীর্ষে নয়! তালিকার শীর্ষে কোন রাজ্য জানলে চমকে উঠবেন

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই নিয়ে রাজ্যে ক্ষোভ, বিক্ষোভ এবং উদ্বেগের ছবি সামনে এসেছে। তবে অবাক করার বিষয়, নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় বাংলা শীর্ষে নেই।তথ্য বলছে, এই তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সেখানে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাংলায় মোট ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৪ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।কেরলে প্রায় ৯ লক্ষ নাম বাদ গেছে। পুদুচেরিতে মোট ভোটারের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে এই প্রক্রিয়া হয়নি।বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে গুজরাটে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৭ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে। শতাংশের হিসাবে গুজরাট বাংলাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।মধ্যপ্রদেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ, রাজস্থানে প্রায় ৩১ লক্ষ এবং ছত্তিশগড়ে প্রায় ২৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই সব রাজ্যেও শতাংশের হিসেবে নাম বাদ পড়ার হার বাংলার থেকে বেশি।তবে সব মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেই কারণে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে দেরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সময় নিয়ে এই তালিকা তৈরি করছে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই তথ্যকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের তেলের হৃদয়ে ভয়ংকর হামলা! খার্গ দ্বীপে আঘাত, যুদ্ধ কি এবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে?

ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মঙ্গলবার একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ইরানের সংবাদমাধ্যম এই হামলার খবর প্রকাশ করেছে। একটি মার্কিন সূত্রের দাবি, মার্কিন বাহিনী দ্বীপে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০টিরও বেশি সামরিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছে। এর আগেই তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাদের উপকূল বা দ্বীপে হামলা হলে সমুদ্রপথে মাইন পেতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করা হতে পারে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রফতানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। দেশের মোট তেল রফতানির প্রায় নব্বই শতাংশ এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এই এলাকায় হামলা হলে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তেলের পরিকাঠামোকেও নিশানা করা হতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আমেরিকা।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বড় আকার নিতে পারে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ শিল্পীদের আবার কাজে ফেরানো হবে! দেবের মন্তব্যে পাল্টা কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস

আউটডোরে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর টলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা একসঙ্গে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে জোর দাবি উঠেছে।মঙ্গলবারের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে টলিউডে আগে থেকে চলা নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়েক বছর আগে একাধিক পরিচালকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কিছু শিল্পীকে অলিখিতভাবে কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই তালিকায় পরিচিত পরিচালক, অভিনেতা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরাও রয়েছেন।এই বৈঠকে তাঁদের আবার কাজে ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অভিনেতা দেব জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নিষিদ্ধ রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করবেন।তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কাজ না পেলে তার কষ্ট বোঝা যায় না সহজে। তাই যাঁরা এতদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের সঙ্গে আপাতত কাজ করা হবে না। যতদিন না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছে, ততদিন এই অবস্থানই থাকবে।সব মিলিয়ে রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউডে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর আগামী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের দিকে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সারাদিন আদালতে অপেক্ষা, তবু শুনানি হল না! আর জি কর কাণ্ডে ফের হতাশ অভয়ার পরিবার

আর জি কর কাণ্ডে মঙ্গলবারও হল না শুনানি। সারাদিন আদালতে অপেক্ষা করেও কোনও ফল পেলেন না অভয়ার বাবা-মা। তাঁরা এজলাসে বসে থাকলেও সময়ের অভাবে মামলার শুনানি হয়নি।জানা গিয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে এদিন একের পর এক অন্য মামলার শুনানি চলছিল। সেই কারণেই আর জি কর সংক্রান্ত মামলার জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়নি। এখন আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে হওয়ার কথা। অভয়ার বাবা-মায়ের আবেদন গ্রহণ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী এখন হাইকোর্টেই মামলার শুনানি চলছে।এর আগেই এই মামলায় একটি রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই রায়ে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সঠিক তদন্ত হয়নি এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা রয়ে গিয়েছে।২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর জি কর হাসপাতাল থেকে অভয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে এই মামলার তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তদন্তের গতি ও পদ্ধতি নিয়ে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন অভয়ার পরিবার।তাঁদের দাবি, ঘটনার পূর্ণ সত্য এখনও সামনে আসেনি এবং আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণেই তাঁরা আবারও আইনি লড়াই শুরু করেছেন এবং ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

রিমোট কন্ট্রোল বনাম রিপোর্ট কার্ড! ভোটের আগে নতুন তত্ত্ব অভিষেকের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব সামনে আনলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় )। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচন আসলে রিমোট কন্ট্রোল এবং রিপোর্ট কার্ড-এর লড়াই।অভিষেকের অভিযোগ, বিজেপি দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলাকে চালাতে চায়। তাঁর কথায়, এই রিমোট কন্ট্রোলের লক্ষ্য হল বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে দেওয়া, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং অশান্তি তৈরি করা। তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি বারবার বাঙালিদের অপমান করে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের শক্তি হিসেবে তুলে ধরছে উন্নয়নের খতিয়ান। গত ১৫ বছরে রাজ্যে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেটাকেই রিপোর্ট কার্ড হিসেবে সামনে আনা হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্য সাথীর মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বার্তায় জানান, এই লড়াই আসলে দুই ধরনের ভাবনার মধ্যে। একদিকে বিজেপির রিমোট কন্ট্রোল, অন্যদিকে তৃণমূলের কাজের রিপোর্ট কার্ড। তাঁর দাবি, তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। বাইরের কেউ রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে এই রাজ্য চালাতে পারবে না। এই বার্তা দিয়েই ভোটের ময়দানে নতুন সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal