• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MP

খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন প্রণতি নায়েক, সুতীর্থা মুখার্জিরা

সব জল্পনার অবসান। করোনার চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে অবশেষে শুক্রবার শুরু হচ্ছে টোকিও ২০২০ অলিম্পিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মার্চপাস্টে ভারতের পতাকা বহন করবেন পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিং ও বক্সার মেরি কম। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের ২০ জন অ্যাথলিট ও ৬ জন কর্তা হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিগতবছরই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার জন্য স্থগিত হয়ে যায়। এবছরও করোনার চোখরাখানি চলতে। তা সত্ত্বেও অলিম্পিক আয়োজন থেকে পিছিয়ে যায়নি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা। টোকিওতে অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে জাপানের স্থানীয় সময় রাত ৮.৩০ মিনিটে। ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ভারতীয় সময় ভোর ৫টায় তীরন্দাজির ব্যক্তিগত ইভেন্টে নামবেন দীপিকা কুমারী। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় নামবেন অতনু দাস, তরুণদীপ রাই, প্রবীণ যাদবরা।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিপ্রথমদিনই ইভেন্ট থাকায় অনেক ভারতীয় অ্যাথলিট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে পারবেন না। শনিবার পুরুষ হকি দলের খেলা থাকায় শুধুমাত্র অধিনায়ক মনপ্রীত সিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন। এছাড়া মার্চপাস্টে অংশ নেবেন মণিকা বাত্রা, শরথ কমল, জি সাথিয়ান ও সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়- এই চার টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। এছাড়া থাকবেন দেশের একমাত্র জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক, ফেন্সার ভবানী দেবী, সাঁতারু সজন প্রকাশের পাশাপাশি লাভলিনা বরগোঁহাই, অমিত পাঙ্ঘল-সহ আটজন বক্সার। জুডো, ব্যাডমিন্টন, ভারোত্তোলন, টেনিস, হকি ও শুটিংয়ের কেউ থাকছেন না পরের দিন ইভেন্ট কিংবা অনুশীলন থাকায়।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনভারত মার্চ পাস্টে রয়েছে ২১তম স্থানে। যে ছয় আধিকারিক মার্চ পাস্টে থাকবেন তাঁরা হলেন শেফ দ্য মিশন বীরেন্দ্র প্রসাদ বৈশ্য। ডেপুটি শেফ দ্য মিশন প্রেম ভার্মা, টিমের চিকিৎসক ডা. অরুণ বাসিল ম্যাথু, টেবিল টেনিস দলের ম্যানেজার এমপি সিং, বক্সিং কোচ মহম্মদ আলি কামার ও জিমন্যাস্টিক্স কোচ লক্ষ্মণ শর্মা।

জুলাই ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashle Barty : টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?‌

অলিম্পিক গেমস ভিলেজে আবার করোনার থাবা। এবার আক্রান্ত চেক প্রজাতন্ত্রের বিচ ভলিবল দলের ট্রেনার। এই নিয়ে গেমস ভিলেজে আক্রান্তর সংখ্যা দাঁড়াল ৬। এভাবে গেমস ভিলেজে একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে খেলোয়াড়দের মধ্যে। আতঙ্কে গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্বের ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা অ্যাশলে বার্টি।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে অংশ নিতে টোকিও পৌঁছে গেছেন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা। তবে তিনি গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়া শেফ দ্য মিশন ইয়ান চেস্টারম্যান বলেছেন, আমাদের সব অ্যাথলিট গেমস ভিলেজে থাকলেও অ্যাশলে বার্টি গেমস ভিলেছে থাকছে না। যেভাবে গেমস ভিলেজে করোনা ছড়াচ্ছে তাতে অ্যাথলিটরা আতঙ্কিত। সংক্রমণের ভয়েই বার্টি গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়াবিদদের কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংচেক প্রজাতন্ত্রের বিচ ভলিবল দলের ট্রেনারকে ধরে গেমস ভিলেজে করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা ৬। আর গেমসের সঙ্গে যুক্ত মোট আক্রান্তর সংখ্যা দাঁড়াল ৬৮। চেক প্রজাতন্ত্রর ওই ট্রেনারকে গেমস ভিলজ থেকে সরিয়ে তাঁকে অন্যত্র আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সোমবার গেমস ভিলেজে চেক বিচ ভলিবল দলের তরফে এক খেলোয়াড়ের কোভিড ১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর জানানো হয়েছিল। ওনড্রেজ পেরুসিচ নামের ওই খেলোয়াড়কে সঙ্গে সঙ্গে গেমস ভিলেজ থেকে সরিয়ে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। দলের বাকি সদস্যের আরও একবার করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার সেই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পায় চেকের বিচ ভলিবল দল। দলের ট্রেনার সিমোন নাওসেচ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দুই জনই দলের চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরঅলিম্পিকে অংশ নিতে আসা মেক্সিকো বেসবল দলের দুই খেলোয়াড়ও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে টোকিও অলিম্পিকের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকা কোনও স্বেচ্ছাসেবক এই প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যে স্বেচ্ছাসেবক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি ইওয়াতে প্রশাসনিক দপ্তরে কাজ করছিলনে। একই সঙ্গে গেমেসের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকা আরও সাত ঠিকাদারের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইওশিহিদে সুগা ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস বাখকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ব যে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে সেখানে অলিম্পিক নিরাপদ ও সুরক্ষিতভাবে আয়োজন করে সদর্থক বার্তা দেবে জাপান। জাপানের নাগরিকদের স্বার্থ ও সুরক্ষা অটুট রেখেই সফলভাবে আয়োজিত হবে অলিম্পিক।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sania Mirza : ‌অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?‌

দেশের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসেবে বক্সার মেরি কমের নাম সকলের আগে ভেসে ওঠে। কিন্তু সানিয়া মির্জা যে কৃতিত্ব অর্জন করতে চলেছেন, মেরি কমও সেই কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। এই নিয়ে চারচারবার অলিম্পিকের আসরে দেখা যাবে সানিয়া মির্জারে। দেশের প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করতে চলেছেন। চার বার অলিম্পিকে নামার সুযোগ পেয়ে গর্বিত ৩৪ বছর বয়সী এই ভারতীয় টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীঅলিম্পিকে অংশ নিতে মঙ্গলবার টোকিও পৌঁছেছেন সানিয়া মির্জা। ডাবলসে অঙ্কিতা রায়নার সঙ্গে তিনি কোর্টে নামবেন। দেশকে পদক এনে দেওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে অল্পের জন্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি। মিক্সড ডাবলসের সেমিফাইনালে মার্কিন জুটি ভেনাস উইলিয়ামস ও রাজীব রাম জুটির কাছে হারতে হয়েছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চেক প্রজাতন্ত্রের লুসি রাদেচেকা ও রাদেক স্টেপানেকের কাছে হেরে পদক জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল সানিয়াদের। স্টেপানেকদের কাছে হার জীবনের অন্যতম বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন সানিয়া। টোকিও অলিম্পিকে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে চান।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়আগের অলিম্পিকে ডাবলসে প্রাথমিক রাউন্ডেই প্রার্থনা গুলাবরাও থমবারেকে সঙ্গে নিয়ে হেরে গিয়েছিলেন। এবার অঙ্কিতা রায়নাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের বিচারে টোকিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছেন সানিয়া। তিনিই বলেন, আগের অলিম্পিকে পদক জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। এবছর সুযোগ আছে। আশা করছি দেশকে গর্বিত করতে পারব।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীবয়স ৩৪ পেরিয়ে গেছে। এই বয়সে কোর্টে দাপানো যথেষ্ট কঠিন। তা সত্ত্বেও এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না সানিয়া মির্জা। তবে এই বয়সে দাপিয়ে টেনিস খেলা যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করছেন তিনি। সানিয়া বলেন, আমি যথেষ্ট ফিট আছি। তাই দৌড়ঝাঁপ করে খেলতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। তবে কোর্টে নামলে বুঝতে পারছি ৩৪ বছর বয়স হয়েছে। তবে এখনই অবসর নেওয়ার কথা ভাবছি না।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Deepika Kumari : দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?‌

টোকিও অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাথলিটের সংখ্যা কম নয়। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ১২৬ জন অ্যাথলিট প্রতিনিধিত্ব করবেন। অনেকের মধ্যেই পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অ্যাথলিটদের মধ্যে পোস্টার গার্ল কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সম্ভাবনা বেশি দীপিকা কুমারীর। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন দেশবাসী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেলএখনও পর্যন্ত ভারতের সবথেকে সফল তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী। যেভাবে তিনি উঠে এসেছেন, তাঁকে কিংবদন্তীর আসনে বসিয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দারুণ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন এই ভারতীয় তীরন্দাজ। ২০১০ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে দুদুটি সোনা। একটা ব্যক্তিগত বিভাগে, অন্যটি । দলগত বিভাগে। ওই বছরই সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন দীপিকা কুমারী। বিশ্বকাপ ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। দ্রুত পৌঁছে গিয়েছিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে। তাঁর আগে কোনও ভারতীয় বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছননি। কঠোর মনসংযোগ দেখিয়ে নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করেছিলেন দীপিকা কুমারী। যেভাবে নিজেকে তিনি শীর্ষস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাতে অনেকেই অনুপ্রাণীত হয়েছিলেন। ২০১০ সাল থেকে ভারতের মহিলা তীরন্দাজ দল রিকার্ভে যতগুলি পদক জিতেছে, প্রত্যেকটাতেই অংশীদার ছিলেন দীপিকা। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি বিশ্বকাপ পদক দীপিকা কুমারীর ঝুলিতে, তার মধে ১১টি সোনার পদক। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এই তীরন্দাজ সত্যিই প্রেরণার।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিদীপিকার মূল লক্ষ্য ছিল অলিম্পিক পদক। প্রথম অলিম্পিক খেলার সুযোগ পান ২০১২ সালে, লন্ডনে। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিতে হয়েছিল দীপিকা কুমারীকে। লর্ডসে গ্রেট ব্রিটেনের অ্যামি অলিভারের কাছে ৬২ ব্যবধানে হেরে হতাশায় ভেঙে পড়ছিলেন। ২০১৬ রিও অলিম্পিকেও সাফল্য আসেনি। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপের ট্যান ইয়াটিংয়ের কাছে ৬০ ব্যবদানে হারতে হয়েছিল। ২০১৯ নভেম্বরে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান কন্টিনেন্টাল কোয়ালিফায়ারে সোনা জিতে টোকিও অলিম্পিকের টিকিট পেয়ে যান দীপিকা। মাঝে শীর্ষস্থান হারালেও প্যারিসে অনুষ্ঠিত স্টেজ থ্রি বিশ্বকাপে তিনতিনটি সোনা জিতে জায়গা ফিরে পেয়েছেন। টোকিও অলিম্পিকে তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে দেশবাসী। সব প্রতিযোগিতায় সাফল্য আছে। এবার অলিম্পিকের পালা। দীপিকা কি পারবেন অলিম্পিকের ভাগ্য বদলাতে?

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ramp Show : দক্ষিণ কলকাতায় কিডস র‍্যাম্প শো

স্পার্ক মুভস প্রেজেন্ট ডিভা মুভস। এটি একটি র্যাম্প শো। যেখানে ৫-১৭ বছর বয়সীরা অংশগ্রহণ করবে। র্যাম্প শো-এর প্রথম বছর বলে এই শো নিয়ে অনেক উন্মাদনা রয়েছে। এই র্যাম্প শো তে অংশগ্রহণকারীরা দুটি গ্রুমিং সেশন পাবে। এছাড়া একদিনের ফটোশুট হবে তাদের। ২৪ জুলাই গ্রুমিং হবে নাকতলা গ্যাস গোডাউনে। যেখানে গ্রুমার হিসাবে উপস্থিত থাকবেন শিঞ্জিনী চৌধুরি ও আরিয়া দন। ২৫ জুলাই ফটোশুট হবে। মূল অনুষ্ঠান অর্থাৎ ফাইনাল হবে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এই র্যাম্প শো তে অফিশিয়াল ফটোগ্রাফার থাকবেন সোমনাথ হাজরা। পুরো শো-এর সঞ্চালনা করবেন সপ্তমী ব্যানার্জি। বিচারকের আসনে দেখা যাবে মনপ্রীত সিং, রাহুল গাঙ্গুলি ও রিশিন মণ্ডল কে। এছাড়া আরও অন্যান্য অতিথিও থাকবেন এই শো-এর ফাইনালের দিন। কোভিডের সময়ে যেহেতু পুরোটা হচ্ছে তাই সব কোভিডের নিয়মাবলী মেনেই পুরো কাজটা করা হচ্ছে। তাই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সীমিত থাকছে। র্যাম্প শোয়ের আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও তারা প্রতিযোগী নিচ্ছেন। তাই কেউ ইচ্ছুক থাকলে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। যোগাযোগ নম্বর 8777509778

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়?‌ জানতে পড়ুন

টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? দৌড়ে এগিয়ে জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। সুদর্শন চেহারার দেশের সেরা এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গোটা দেশ। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ চোপড়া চমক দেখালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।আরও পড়ুনঃ নজিরের সামনে দাঁড়িয়েও শিখর ধাওয়ানের মুখে দেশের কথাবছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিনীরজের কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে ২০১৯ সালে। কাঁধের চোটের জন্য গোটা মরশুম ট্র্যাকের বাইরে কাটাতে হয়েছিল এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। দোহায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও অংশ নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিকের ছাড়পত্র পাবেন তো? অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। গতবছর দারুণভাবে ট্র্যাকে প্রত্যাবর্তন করেন নীরজ। দক্ষিণ আফ্রিকার পোচেস্ট্রুমে এসিএনডব্লু লিগ মিটে ৮৭.৮৬ মিটার ছুঁড়ে অলিম্পিকের ছাড়পত্র আদায় করে নেন। অলিম্পিকের ছাড়পত্রের জন্য যোগ্যতামান ছিল ৮৫ মিটার।আরও পড়ুনঃ আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটিকরোনা ভাইরাসের জন্য বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২১ সালে জাতীয় প্রতিযোগিতায় নেমে দুদুটি সোনা জিতে নেন নীরজ, ফেডারেশন কাপ ও ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রি ৩। ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রি ৩তে জীবনের সেরা পারফরমেন্স করেন। ৮৮.০৭ মিটার ছুঁড়ে জাতীয় রেকর্ড গড়েন নীরজ চোপড়া। তাঁর এই পারপরমেন্স বিশ্বের চতুর্থ সেরা, জোহানেস ভেটের, মার্সিন ক্রুকোস্কি ও কেশরন ওয়ালকটের পর। সুতরাং নিজের পারফরমেন্স ধরে রাখতে পারলে অলিম্পিকের ফাইনালে যাওয়াটা অপ্রত্যাশিত নয়। পদক জয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সোনা জয়ের পথে তাঁর সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন জোহানেস ভেটের। ৯০ মিটার ছুঁড়ে তিনিই এখন সবার থেকে এগিয়ে। ধারাবাহিকভাবে তিনি এই দুরত্ব অতিক্রম করেই চলেছেন। সুতরাং সোনা জিততে গেলে নীরজকে নিজেকে ছাপিয়ে যেতে হবে। জীবনের প্রথম অলিম্পিকে নিজেকে ছাপিয়ে কি পোস্টার বয় হতে পারবেন ভারতের এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার? অপেক্ষায় থাকতেই হবে।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটি

টোকিও অলিম্পিক শুরু হতে বেশিদিন দেরি নেই। মাত্র ৫ দিন বাকি। এর মধ্যেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টা আগেই গেমস ভিলেজে আক্রান্ত হয়েছেন দুই অ্যাথলিট ও এক সাপোর্ট স্টাফ। এবার আরও তিনজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গেমসে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটদের প্রতিদিন কোভিড ১৯ টেস্ট করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংক্রমণে বাড়তে থাকায় প্রশাসনের চিন্তা বেড়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরঅলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার থাবিসো মোনয়ানে ও কামোহেলো মাহলাস্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট মারিও মাশার কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তরা আপাতত দলের ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের বাকি সদস্যদের আরও একবার কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আয়োজক জাপানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের অলিম্পিক অভিযান শুরু। তার আগে দলের দুই ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মেক্সিকো এবং ফ্রান্সের মতো দল।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশুধু অ্যাথলিটরাই নন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য রিয়ু সেয়ুং-মিনের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অলিম্পিক শুরু হতে আর মাত্র ৫দিন বাকি। গেমস ভিলেজে এভাবে ধীরে ধীরে করোনা প্রভাব বিস্তার করায় চিন্তিত আয়োজক কমিটি। জাপানে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই টোকিও সহ সংলগ্ন শহরগুলিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। তা সত্ত্বেও ঠেকানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক অ্যাথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফ। তাই অলিম্পিকে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটের প্রতিদিন করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
ভ্রমণ

Rakhal Raja: রাখাল রাজের দেশে, বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেথায় দিগন্তে গিয়ে মেশে

বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরেএকটি শিশিরবিন্দু।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকবির প্রকৃতি প্রেম খুব সুন্দর করে এই পংক্তি গুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, প্রকৃতি যেখানে জিঅকৃপণ ভাবে নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। লকডাউনের বিধিনিষেধ দূর ভ্রমণে বাধা হলেও, অদূর ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তির স্বাদ খুব অল্প সময়ের হলেও তা প্রাপ্তির ভাণ্ডার কে পরিপূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে অপার আনন্দ অনুভব করার এমনই এক ঠিকানা রাখাল রাজার মন্দির।প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরময় স্থান কালনা। কালনার ই বৈদ্যপুর রথতলা থেকে মিনিট ১৫ গেলেই গোপালদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই রাখাল রাজ মন্দির। নিরিবিলি পরিবেশ, চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, তার মাঝখানে লাল ইটের তৈরি প্রাচীন মন্দিরে রাখাল রাজ বিরাজমান। প্রকৃতি এখানে রাখাল রাজের খেলার উপযুক্ত স্থান হিসাবেই নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। মন্দির এর সামনে বিস্তৃত নাট মন্দির, তার দেয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য লীলার নানান কাহিনী যেমন পুতনা বধ, ননী চুরি, কংস বধ ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে বর্ণিত আছে।মন্দিরের গর্ভগৃহে তিনটি মূর্তি রয়েছে, সবচেয়ে বড় রাখাল রাজের মূর্তি, আকাশী নীল গায়ের রঙ, বড় বড় টানা চোখ, বাম হাতে নাড়ু আর ডান হাতে লাঠি নিয়ে গোপবালকদের দলপতির মত সমস্ত কিছু পরিচালনা করছেন। দুপাশে সাদা গাভী। তাঁর ডানদিকে ছোট রঘুনাথ মূর্তি, গায়ের রঙ সবুজ আর বামদিকে গোপীনাথজী আকাশী নীল গায়ের রঙ। মূর্তিগুলি অপরূপ মায়াময়, তাকিয়ে থাকলে প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। পুরোহিতের সাথে কথা বলে যা ইতিহাস জানা গেল তা প্রায় ৫০০ বছর আগের, বেশিরভাগটাই জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে।কাহিনীটি অনেকটা এরকম, বর্ধমানের খাতুন্দীর বাসিন্দা গোপীনাথ ভক্ত রামকানাই গোস্বামী বর্গী আক্রমণের ভয়ে বা পারিবারিক কলহের কারণে আরাধ্য দেবতাকে সাথে নিয়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।পথে ঘন জঙ্গল পড়ে, এদিকে গোপীনাথকেও ও ভোগ দেওয়ার সময় হয়ে আসায়, রামকানাই গোস্বামী জঙ্গলেই কাঠ কুটো জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করেন। এই সময়েই রাজা গোপালদাস তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মৃগয়া করতে এসেছিলেন, পথে ক্লান্ত হয়ে ফেরার সময় দেখলেন জঙ্গলে এক জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে। রাজা সেখানে সপারিষদ উপস্থিত হতে, গোস্বামী মহাশয় তাদের সাদর অভ্যর্থনা জানান, ও খেয়ে যেতে বলেন। গোপীনাথজী র অসীম কৃপায় একটা ছোট হাঁড়ির ভোগেই সবাই পরিতৃপ্তির সাথে খাওয়া সম্পূর্ণ করেন। রাজা গোপীনাথ এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং উনি রামকানাই গোস্বামীকে কিছু জমি দান করেন। মন্দির নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এই গ্রামের নাম গোপালদাসপুর।সেই দিন রাত্রে রামকানাই গোস্বামী স্বপ্নাদিষ্ট হন যে রাখাল রাজ বালকের বেশে তাকে বলছেন তার আর বৃন্দাবন যাত্রার প্রয়োজন নেই। পরের দিন পাশের যমুনা পুষ্করিণী তে যে কাঠ ভেসে থাকবে তাই নিয়ে নদীয়ার বাঘনাপারার এক পাঁচ বছরের বালকের কাছে গেলে, সে রাখাল রাজার মূর্তি তৈরি করে দেবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রামকানাই পরের দিন পুষ্করিনী থেকে কাঠ সংগ্রহ করে, বাঘনাপাড়ায় গিয়ে সেই বালক, নাম মহাদেব, কে দিয়ে মূর্তি তৈরি করান, সেই মূর্তিই আজও পূজিত হয়ে আসছে। সেই বালকের বংশধরেরাই এখনো মাঘী পূর্ণিমার দিন মূর্তির অঙ্গরাগ করেন। পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন গোপীনাথ।রামনবমী ও জন্মাষ্টমী তে বড় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে। মূল মন্দিরের পাশে আছে দোল মন্দির এখানে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একটু দূরে আছে সাধক রামকানাই গোস্বামী র সমাধি মন্দির।সকাল থেকে মোট চারবার ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে থাকে অন্নভোগ। মন্দিরে এসে আগে থেকে কুপন কেটে রাখলে ভোগ খাবার ব্যবস্থা আছে।বিকেল বেলা শীতল ভোগ হয়ে গেলে, মন্দির ও তার চারপাশে কেউ যায়না, মানা হয় এই সময় রাখাল রাজা স্বয়ং তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে খেলা করেন। ভক্তজনের বিশ্বাস আর ভক্তিতেই তিনি সদা জাগ্রত। এই সব কাহিনী শুনতে শুনতেই রাখাল রাজের লাঞ্চ এর সময় হয়ে গেল। আরতির পর তিনি খেতে বসলেন, সাথীদের নিয়ে। আরতি দর্শন করে ও দুপুরের ভোগ খেয়ে পরিপূর্ণ হৃদয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম আমরা।প্রকৃতি ও ঈশ্বরকে অনুভব করার অপূর্ব অনুভূতি মনের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে অনেকদিন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনবর্ধমান থেকে হাওড়া গামী মেন লাইন লোকাল ট্রেন ধরে নামতে হবে বৈঁচি স্টেশনে। সেখান অম্বিকা কালনা অভিমুখে যে বাস যাচ্ছে সেই বাসে উঠে নামতে হবে বৈদ্যপুর বাজার। সেখান থেকে গোপালদাসপুর যাওয়ার টোটো ধরতে হবে। গোপালদাসপুরে যে কেউ দেখিয়ে দেবে রাখালরাজার মন্দির। কেউ যদি থাকতে চান তাহলে বৈদ্যপুরে হোটেল বা লজে থাকতে পারেন। বৈদ্যপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে কালনা শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল আছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Nishith Pramanik: নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন

প্রশ্ন উঠে গেল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে।রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ রিপুণ বোরার করার অভিযোগের ভিত্তিতে নিশীথ প্রামাণিকের নাদরিকত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। নিশীথ প্রামাণিক কি বাংলাদেশি? শুক্রবার এই মর্মে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লিখেছেন বোরা। শনিবার সেই চিঠিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচনার সুযোগ পেয়ে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন।BarakBanglaNews, RepublicTV Tripura, IndiaToday Business Standard publishes, @NisithPramanik is a Bangladeshi national. Its a matter of grave concern that a foreign national is an incumbent union minister. Urging PM @narendramodi in a letter to conduct an enquiry to clarify it. pic.twitter.com/5Td0xIoG8n Ripun Bora (@ripunbora) July 17, 2021মোদিকে লেখা রিপুণের চিঠি পোস্ট করে তাঁদের দাবি, কোনও বিদেশি নাগরিক দেশের মন্ত্রী হলে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এর জবাবে রাজ্য বিজেপি-র বক্তব্য, কুৎসা না করে কোনও প্রমাণ থাকলে দিক তৃণমূল। অসমের কংগ্রেস নেতা রিপুন মোদিকে পাঠানো চিঠিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর উল্লেখ করে দাবি করেছেন, নিশীথ আদতে বাংলাদেশের পলাশবাড়ির হরিনাথপুরের বাসিন্দা। ভারতে কম্পিউটার কোর্স করার নামে আসার পরে কোচবিহারে থেকে যান। প্রথমে তৃণমূলে এবং পরে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে সাংসদ হন। রিপুন আরও দাবি করেছেন, যে নথি দেখিয়ে নিজেকে কোচবিহারের বাসিন্দা বলে নিশীথ দাবি করেছেন তা ভুয়ো। জালিয়াতি করে তৈরি বলেও অভিযোগ তুলেছেন রিপুণ।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিটসেই চিঠির কথা উল্লেখ করেই ব্রাত্য টুইটারে লিখেছেন, রাজ্যসভার সাংসদ রিপুণ বোরা সঠিক প্রশ্ন তুলেছেন। বহু সংবাদমাধ্যমে নিশীথ প্রামাণিক বাংলাদেশের নাগরিক বলে উল্লেখ রয়েছে। এই ধরনের লোককে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার আগে কি কোনও কিছুই খতিয়ে দেখা হয়নি? ভুলে গেলে চলবে না এই নিশীথের বিরুদ্ধে কতগুলি গুরুতর অপরাধমূলক মামলা চলছে। লজ্জাজনক। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল দেশের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tajinder Pal Singh : ‌ক্রিকেটার থেকে অ্যাথলিট হওয়া তাজিন্দারের চোখে আর এক ২২–এর স্বপ্ন

২২ গজের স্বপ্নপূরণ হয়নি তো কী হয়েছে। ২২ মিটারের স্বপ্ন তো রয়েছে। আর এটাই তাতাচ্ছে তাজিন্দার পাল সিং তুরকে। দেখতে শুরু করেছেন অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন। টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে কি পদক এনে দিতে পারবেন একসময় ২২ গজে দাপট দেখানো ভারতীয় শট পুটার? তাজিন্দারপাল সিং তুরের শটপুটে আসার কাহিনী একটু অন্যরকম। পাঞ্জাবের মোগা জেলার খোসা পান্ডো গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। শৈশবে স্বপ্ন দেখেছিলেন জোরে বোলার হয়ে দেশের হয়ে খেলবেন। সেই মতো নিজেই নিজের কোচ হয়ে বলের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। বলে দারুণ গতি ছিল। ভয়ঙ্কর গতির জন্য অনেকেই তুরের বোলিং এড়িয়ে চলতে ভালবাসতেন। তাজিন্দরের জীবন যে উল্টো দিকে দৌড়ে টোকিও পৌঁছে যাবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবেননি। প্রয়াত বাবা করম সিংয়ের জোরাজুরিতেই অ্যাথলিটে আসা তাজিন্দারপাল সিইংয়ের। সেখান থেকেই অন্যখাতে বইতে শুরু করে তাজিন্দারপাল সিংয়ের জীবন। শটপুটকে বেছে নেন। সেখান থেকেই অন্যখাতে বইতে শুরু করে তাঁর জীবন। দেশের হয়ে অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে চমক দেন। লোহার বল ২০.৭৫ মিটার ছুঁড়ে সোনা জেতেন। এখানেই থেমে না থেকে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন তাজিন্দারপাল সিং তুর। এই মুহূর্তে তাঁকে এশিয়ার সেরা শটপুটার হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। দেশকে অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তাজিন্দারের লক্ষ্য অলিম্পিকে ২২ মিটার অতিক্রম করা। ২০১৮ এশিয়ান গেমসে যাওয়ার আগে তাজিন্দার স্বপ্ন দেখেছিলেন ফিরে এসে বাবার হাতে পদক তুলে দেবেন। পদক জিতলেও বাবার হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সর্দার করম সিং ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই ছেলের পদক জয় দেখেছিলেন। জাকার্তা থেকে দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে সোজা হাসপাতালে বাবার কাছে যাচ্ছিলেন তাজিন্দার। গাড়িতে বসেই বাবার মৃত্যু সংবাদ পান। ২০১৯ সালে এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে প্রয়াত বাবাকে পদক উৎস্বর্গ করেছিলেন। কিন্তু পরের বছর করোনার ধাক্কা অবসাদে ঠেলে দিয়েছিল। তারপর ট্রেনিং শুরু করতেই পড়ে গিয়ে বাঁহাতের কবজিতে চোট পান। অলিম্পিকের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছিলেন। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত অলিম্পিকের ছাড়পত্র আদায়। কঠিন সময়ের এই লড়াইগুলোই তাতাচ্ছে তাজিন্দরকে।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট

দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই আশঙ্কা করে আসছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে হানা দিতে পারে করোনা। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়ে দাঁড়াল। অলিম্পিক শুরুর ৬ দিন আগে গেমস ভিলেজে করোনার হানা। আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ওই অ্যাথলিটের নাম সরকারিভাবে জানানো হয়নি। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা বারবার গেমস ভিলেজ সুরক্ষিত করে রাখার কথা বলছিলেন। তা সত্ত্বেও কীভাবে ওই অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হলেন, বুঝে উঠতে পারছেন না অলিম্পিকের আয়োজকরা। অলিম্পিক চলাকালীন হাজার হাজার অ্যাথলিট এই গেমস ভিলেজে থাকবেন। সেখানে গেমস ভিলেজে করোনার হানা সত্যিই চিন্তার বিষয়। অনেকেই আবার নতুন করে অলিম্পিক বন্ধের দাবি তুলেছেন। অলিম্পিক ভিলেজে অ্যাথলিটের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির মুখপাত্র মাসা টাকায়া বলেছেন, অলিম্পিক ভিলেজে ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। অ্যাথলিটদের স্ক্রিনিং টেস্ট করার সময় এই প্রথম একজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই অ্যাথলিটকে গেমস ভিলেজ থেকে সরিয়ে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। জাপানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গেমস ভিলেজে যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি একজন বিদেশি অ্যাথলিট। টোকিও অলিম্পিক গেমসের আয়োজক কমিটির প্রধান সেইকো হাসিমোতো বলেছেন, করোনার মোকাবিলা করার জন্য আমরা সম্পূর্ণভাবে তৈরি। সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে বর্তমানে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যথেষ্টই চিন্তিত হাসিমোতো। তিনি বলেন, যে সকল অ্যাথলিট জাপানে আসছে, কোভিড নিয়ে প্রত্যেকেই চিন্তিত। যে অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা আমাদের জানা নেই। টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সিইও তোসিরো মুতো বলেছেন, অলিম্পিকে অংশগ্রহনকারী সব অ্যাথলিট ও সাপোর্ট স্টাফের প্রতিদিন কোভিড টেস্ট করা হবে। যদি কোনও অ্যাথলিটের রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাহলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হবে। অলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কোনও কিছু গোপন করা হবে না। সবকিছু জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

3rd Wave warning: আগামী ১২৫ দিনের জন্য সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্কবার্তা জারি করল কেন্দ্র।কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও ভারতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। সেই কারণেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকাতে স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারতিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেশে আসেনি। এখনও নানা জায়গায় সংক্রমণ নজরে পড়ছে। কিন্তু সেই সংক্রমণ আমাদের আটকাতে হবে। সেই কারণেই নিরাপদে থাকা বিশেষ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের সামনে আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। অন্যদেশের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশী একাধিক দেশ, যেমন মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও বড় আকার ধারণ করেছে। এমনকী, মাস্ক ব্যবহারে উদাসিনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। লকডাউনের পরবর্তীতে দেশে মাস্ক ব্যবহার না করার প্রবণতাও ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Djokovic : ‌অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজির

টোকিও অলিম্পিক থেকে একের পর এক নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নামী টেনিস তারকারা। রাফায়েল নাদাল, সেরেনা উইলিয়ামসরা আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন। চোটের জন্য দুদিন আগেই না খেলার কথা ঘোষণা করেছেন রজার ফেডেরার। অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে অলিম্পিক টেনিস। তবে টেনিসের মানরক্ষা করলেন নোভাক জকোভিচ। অলিম্পিকে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জকোভিচ জানিয়েছিলেন তিনি অলিম্পিকে নামতে পারেন। শেষ পর্যন্ত নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দেশের সেরা ক্রীড়াবিদদে সঙ্গে টোকিও অলিম্পিকে পদক জয়ের লড়াইয়ে নামব ভেবেই আমি গর্বিত। টোকিও যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। দেশের হয়ে খেলতে নামাটা আমার কাছে অনুপ্রেরণার। এই বছরে ইতিমধ্যেই তিনতিনটি গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, ইউএস ওপেন জেতারও সম্ভাবনা রয়েছে। অলিম্পিকেও সোনা জিততে পারেন। যদি সোনা জেতেন এবং ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হন, তাহলে একই বছরে অলিম্পিকে সোনা ও ৪টি গ্র্যান্ডস্লাম জেতার নজির গড়বেন।এদিকে, জাপানে করোনার সংক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠায় টোকিও অলিম্পিকের নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। অলিম্পিক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইভেন্ট চলার সময় সব প্রতিযোগী, উপস্থাপক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে থাকতে হবে। সবাইকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে হবে। পুরস্কার বিতরণী শেষে একসঙ্গে ছবি তোলার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এতদিন পোডিয়ামে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পুরস্কার নিয়ে এসেছেন প্রতিযোগীরা। এবার পোডিয়ামে মডিউল লাগানো হবে। এর ফলে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে। সকল উপস্থাপককে অলিম্পিক শুরুর আগে বাধ্যতামূলক করোনার টিকা নিতে হবে। প্রতি ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থাপক ছাড়াও একজন অলিম্পিক সংস্থার সদস্য এবং একজন আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের প্রতিনিধি থাকবেন।বৃহস্পতিবার আন্তর্জতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট থমাস বাখ টোকিওর গভর্নর ইউকে কোইকির সঙ্গে দেখা করেছেন। তার আগে তিনি অলিম্পিক ভিলেজ পরিদর্শন করেন। এবারের অলিম্পিক দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ভিআইপি অতিথি হাজির থাকতে পারেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী, অফিসিয়াল মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। টোকিও পা দেওয়ার আগেই অলিম্পিক জ্বরে আক্রান্ত ভারতীয় মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। তার প্রমাণ সিন্ধুর আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। প্রস্তুতির মাঝেই টুইটারে একটা ছবি শেয়ার করেছেন পিভি সিন্ধু। সেই ছবিতে ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার মধ্যমা ও অনামিকা নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। এই ছবি পোস্ট করে সিন্ধু লিখেছেন, অলিম্পিক ফিভার। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি পিভি সিন্ধু। করোনা তাঁর প্রস্তুতিতে কোনও ব্যাঘাত ঘটায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বরং একা একা অনুশীলনে নিজের দক্ষতা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় হাজির ছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখানে ডায়েট সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলিম্পিকের আগে ডায়েটের কথা মাথায় রাখতেই হচ্ছে। তাই খুব বেশি আইসক্রিম খেতে পারছি না। অন্যান্য খাবারের দিকেও নজর দিতে হচ্ছে।টোকিও অলিম্পিকে তুলনামূলক সহজ গ্রুপে রয়েছেন পিভি সিন্ধু। গ্রুপে তাঁর চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে অনেক নিচের দিকে থাকে ইজরায়েলেন সোনিয়া পোলিকারপোভা ও হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু। শেষ ষোলোয় বিশ্বের ১২ নম্বর মিয়া ব্লিচফেল্টের বিরুদ্ধে খেলতে হতে পারে। রিও অলিম্পিকে সোনার পদকজয়ী ক্যারোলিনা মারিন চোটের জন্য টোকিও অলিম্পিক থেকে ছিটকে গেছেন। তাঁর কাছেই রিওতে ফাইনালে হারতে হয়েছিল সিন্ধুকে। টোকিওতে মারিনকে মিস করবেন বলে জানিয়েছেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।রিও অলিম্পিকে ফাইনালে পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। মারিনের কাছে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। আগের অলিম্পিকে সোনা না জেতার আক্ষেপ টোকিওতে মেটাতে চান সিন্ধু। তাঁর লক্ষ্য দেশকে সোনা এনে দেওয়া। ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায় অনুপ্রানিত এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকে

অলিম্পিকের মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াবেন। ছোট থেকেই মনের মধ্যে স্বপ্নের জাল বুনতেন। কিন্তু প্রাথমিক ভিত ততটা মজবুত ছিল না। তাই বড় জিমন্যাস্ট হওয়ার স্বপ্ন রাজ্য পর্যায়েই থেমে যায় দীপক খাবরার। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটতে চলেছে এই প্রাক্তন জিমন্যাস্টের। টোকিও অলিম্পিকে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সে বিচারক হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। গতবছর মার্চ মাসে টোকিও অলিম্পিকে বিচারক হয়ে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন দীপক কুমার। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আশঙ্কায় ভুগছিলেন। আবার ডাক আসবে তো? এবছর এপ্রিলে আবার চিঠি ইমেল পান অলিম্পিক সংস্থার কাছ থেকে। স্বপ্নপূরণ হওয়ায় খুশি দীপক খাবরা। তিনি বলেন, গতবছর মার্চে অলিম্পিকে বিচারক হিসেবে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় খুব টেনশনে পড়ে গিয়েছিলাম। আশঙ্কা হচ্ছিল, আবার ডাক পাব কিনা। এবছর এপ্রিলে আবার আমন্ত্রণ পাই। অবশেষে অলিম্পিক যাওয়ার স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে যাওয়ার সুযোগ পাইনি। বিচারক হিসেবে তো যেতে পারছি। আমি সত্যিই খুব খুশি। ২০০০ সালে ১২ বছর বয়সে জিমন্যাস্টিক শুরু করেছিলেন দীপক। তিনি থাকতেন গুজরাটের সুরাটে। সুরাটে সেই সময় জিমন্যাস্টিকের পরিকাঠামো একেবারেই ভাল ছিল না। তা সত্ত্বেও নিজেকে তৈরি করছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০০৯, টানা গুজরাটের রাজ্য চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। ২০০৭ গুয়াহাটিতে জাতীয় গেমসেও অংশ নেন। তবে সাফল্য পাননি। তারপরই খেলা ছেড়ে বিচারক হওয়ার রাস্তা বেছে নেন। এই ব্যাপারে তাঁকে অনুপ্রানিত করেন তাঁর কোচ কৌশিক বেদিওয়ালা। তিনিও জিমন্যাস্টিক্সের বিচারক। ২০১০ কমনওয়েলথ গেমসই ছিল বিচারক হিসেবে দীপকের প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কনিষ্ঠ বিচারক। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ২০১৪ এশিয়ান গেমস ও যুব অলিম্পিকে বিচারকের দায়িত্ব পান। ২০১৮তেও এই দুটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত ২০টি বড় প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীপক খাবরা। অলিম্পিকে পৌঁছতে ১২ বছর সময় লাগল।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mimi Chakraborty: বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী

সোমবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তেজগন্নাথ মন্দিরেসাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা। পুরী, ওডিশার পাশাপাশি এই বাংলাতেও জগন্নাথ বন্দনায় মেতেছেন আম আদমি থেকে তারকারা। রথযাত্রার শুভেচ্ছা সকলকে ...জয় জগন্নাথ 🙏🙏 #RathYatra pic.twitter.com/kVBSSnX3tS Mimssi (@mimichakraborty) July 12, 2021জগন্নাথ দেবের পুজোয় সামিল হলেন সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার সাংসদ, অভিনেত্রীর বাড়িতেই আয়োজিত হয় জগন্নাথ দেবের পুজোর। হলুদ প্রিন্টেড সালোয়ার কামিজ পরে মাথায় সাদা ওড়না ঢাকা দিয়ে পুজোয় সামিল হন মিমি। যজ্ঞের আগুনে আহুতি দিতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই ছবি পোস্ট করে মিমি ক্যাপশানে লিখেছেন জয় জগন্নাথ। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মিমির পোস্ট করা ভিডিয়োতে ফুল, লুচি, মিষ্টি, ফল সহকারে দুই পুরোহিতকে পুজো করতে দেখা গিয়েছে। একজন পুরোহিতকে জগন্নাথ দেবের পুজো করতে এবং অন্যজনকে গণেশ আরতি করতে দেখা গিয়েছে। পাশে মাথায় ওড়না ঢাকা দিয়ে পুজোর সামনে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে মিমিকে। মিমির এই পোস্ট দেখে তার ফ্যান থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই কমেন্ট করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020 Champion Italy: ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি

১৯৬৬ সালের পর বড় আসরে সাফল্য নেই ইংল্যান্ডের। এই ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামেই সেবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ববি মুরের ইংল্যান্ড। তারপর আর কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি। এবারের ইউরোর সেমিফাইনালে ডেনমার্ককে হারিয়ে শাপমুক্তি। ইতালিকে হারিয়ে স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় ছিল ইংল্যান্ড। স্বপ্নপূরণ হল না সাউথগেটের দলের। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না ইংল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৩২ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নের সলিল সমাধি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে খেলার ফল ছিলে ১১। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ মিটল।Complimenti Itlia 👏👏🇮🇹🏆 @azzurri https://t.co/gmRug6PjYt Nuno Gomes (@21nunogomes) July 12, 2021ঘরের মাঠে খেলা। ওয়েম্বলির জনসমর্থন নিয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই ইতালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। চিয়েলিনিরা নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই এগিয়ে যায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ২ মিনিটে কর্ণার পায় ইতালি। বল ক্লিয়ার হতেই প্রতিআক্রমণে উঠে আসে ইংল্যান্ড। ডানদিক থেকে ট্রিপিয়ের সেন্টার করেন লুক শর উদ্দেশ্যে। জোরালো হাফভলিতে জালে পাঠান লুক শ। শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর ইতালির ওপর বাড়তি উদ্যম নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন হ্যারি কেন, রাহিম স্টার্লিং, ম্যাসন মাউন্টরা। ইতালির রক্ষণকে চাপে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। প্রচন্ড গতিতে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ইংল্যান্ড। এইরকম পরিস্থিতিতে বিপক্ষকে আটকাতে গেলে খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সেটাই করেছিলেন মানচিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ভেরাত্তি। তাঁর শট আটকে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড। স্টোনসের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড ডিফেন্স প্রথমার্ধে সুবিধা করতে দেয়নি ইম্মোবিলেদের।🇮🇹 For Leonardo Spinazzola 👊#EURO2020 | #ITA pic.twitter.com/Ir1Hp4tnu6 UEFA EURO 2020 (@EURO2020) July 12, 2021সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে ইতালি। ৫৫ মিনিটে দুদুটি পরিবর্তন করেন মানচিনি। বারেল্লাকে তুলে নামান ক্রিস্টান্টেকে। আর ইম্মোবিলের জায়গায় বেরার্ডি। এই দুটি পরিবর্তনই বদলে দেয় ইতালিকে। অনেকবেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আজুরিরা। ৬২ মিনিটে চিয়েসার পুশ আটকে দলকে বাঁচান পিকফোর্ড। অবশেষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় ইতালি। ইনসাইনের কর্ণার ভেরাত্তি হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পিকফোর্ড থাবা দিয়ে বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। লুজ বল পেয়ে জালে পাঠান বোনুচ্চি। ৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। বেরার্ডির ভলি দারুণভাবে বাঁচান পিকফোর্ড। দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় গতি ছিল। ইতালি প্রথমার্ধের তুলনায় নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছিল। ফলে ম্যাচ অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল। তবে কোনও দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।অতিরিক্ত সময়েও সেই প্রাণবন্ত ফুটবল। দুই দলই আক্রমণ শানিয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের চাপ একটু বেশি ছিল। গ্রিলিশ, স্টার্লিংরা বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও চিয়েলিনি, বোনুচ্চিরা সুযোগ দেননি। ১০৭ মিনিটে বার্নার্ডেসচির বাঁপায়ের দুরন্ত ফ্রিকিক বাঁচান পিকফোর্ড। শেষদিকে কোনও দলই আর ঝুঁকি নিতে চায়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে বাজিমাত ইতালির। আজুরিদের হয়ে গোল করেন বেরার্ডি, বোনুচ্চি, বার্নার্ডেস্কি। বেলোত্তি, জর্জিনহোর শট সেভ করেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিকফোর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেন, ম্যাগুয়ের। র্যাশফোর্ড ও স্যাঞ্চো পোস্টে মারেন। সাকার শট সেভ করেন ডোনারুমা।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Messi: চোট নিয়ে ফাইনাল খেলেছেন মেসি!‌ ফাঁস করলেন স্ক্যালোনি

নাসরীন সুলতানাকলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচে খেলার সময় পায়ে চোট পেয়েছিলেন। তাঁর পা দিয়ে রক্ত বার হচ্ছিল। সেই অবস্থাতেও মাঠ ছেড়ে উঠে যাননি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ফাইনালে তুলে মাঠ ছেড়েছিলেন। ফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। স্বপ্নপূরণের ম্যাচে নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখতে পারেননি লিওনেল মেসি। চোট নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন। ম্যাচের পর আসল সত্যটা সামনে নিয়ে এসেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জয়ের পর স্ক্যালোনি বলেন, মেসি পুরোপুরি ফিট ছিল না। তা সত্ত্বেও দলের কথা ভেবে মাঠে নেমেছে। ওকে ছাড়া আমাদের মাঠে নামা সম্ভব ছিল না। মেসিও ফাইনাল খেলার জন্য মুখিয়ে ছিল। কোপা আমেরিকার ফাইনালে মেসি যেভাবে খেলেছে, পুরোটা আপনারা জানলে ওকে আরও বেশি ভালবাসবেন। ও এমন একজন ফুটবলার পুরোপুরি ফিট না থাকলেও ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। তবে মেসির কোথায় চোট রয়েছে, তা অবশ্য খোলসা করে বলেননি আর্জেন্টিনা কোচ। গ্রুপ লিগ থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছেন মেসি। নিজে গোল করেছেন, অনেকগুলি গোল অ্যাসিস্ট করেছেন। ফাইনালে অবশ্য গোল পাননি। দুটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। তবে ডি মারিয়ার গোলে স্বপ্নপূরণ হয়েছে। স্ক্যালোনি আরও বলেন, মেসি কখনও হাল ছাড়েনি বলেই আজ সফল হয়েছে। সবাই জানে, দেশের হয়ে ট্রফি জেতা ওর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটাই করে দেখিয়েছে। আমাদের সম্পর্ক কোচ ও অধিনায়কের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে, অনেকটা বন্ধুর মতো। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে কোপার ফাইনালকে নিজের ফাইনাল হিসেবে দেখেছিলেন মেসি। সেই কথাই জানিয়েছেন সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। ম্যাচের পর জয়ের নায়ক ডি মারিয়া বলেন, মেসি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমিও ওকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। ম্যাচের আগে আমাকে বলেছিল এই ফাইনালটা ওর হতে চলেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পেরে আমি খুশি। আমার স্ত্রীসন্তানরা, বাবামা মাঠে হাজির ছিল। ওদের জন্য খুশি। যারা আমাদের সমর্থন করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

জুলাই ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Back Pain: বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুন

করোনা আবহ আমাদের গৃহবন্দী করে দিয়েছে। আমাদের পড়াশোনা, অফিস আর যাবতীয় কাজকর্ম আজ ল্যাপটপ বা ফোনের মাধ্যমে হচ্ছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি ল্যাপটপ কিংবা ফোনে সময় কাটাতে, আর তত বাড়ছে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা। কাজ যেমন বন্ধ করা যাবে না তেমনি শরীরকে অবহেলা করা যাবে না।কম্পিউটার আমাদের কাজের পরিমান যেমন কমিয়ে দিয়েছে, ঠিক তেমনি এর প্রভূত ব্যবহার আমাদের শরীর এর জন্য অভিশাপ নিয়ে এসেছে। ঘাড় আর কোমরের ব্যথা হামেশাই লেগে থাকে যারা সারাদিনে অনেকটা সময় কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকে। কাজের জন্য যদি আমাদের কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকতে হয় তাহলে আমাদের বসা ঠিক করতে হবে। আমরা যদি সায়েন্টিফিক্যালি বসতে পারি তাহলে আমাদের স্পাইন এর ঠিকমতো খেয়াল আমরা রাখতে পারবো। নাহলে দীর্ঘদিন ভুলভাবে বসার জন্য ডিস্কপ্রলাপস হতে পারে, এবং দীর্ঘদিন তা অবহেলা করলে ক্যানাল স্টেনোসিস এবং অবশেষে সার্জন এর শরণাপন্ন হতে হবে। তাই সুস্থ থাকতে থাকতে সচেতন হওয়াই ভালো।কম্পিউটার এ দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে কী কী অসুবিধা হতে পারে?# মাথা ব্যথা# ঘাড়ে ব্যথা # চোখে স্ট্রেন # পিঠে ব্যথা # কোমরে ব্যথা # হাতের কব্জি এবং আঙুলে ইনজুরি# রিপিটিটিভ স্ট্রেস ইনজুরিজ# ঘুমের অসুবিধাকী কী মেনে চললে আপনি ভালো থাকবেন?১। কোমর এর জয়েন্ট যেন মোটামুটি ১০০ ডিগ্রী ভাঁজ থাকে, তার বেশি নয়। সব সময় মাথায় রাখতে হবে যে হিপ-জয়েন্ট যেন হাঁটুর জয়েন্ট এর ওপর থাকে, তাহলে কোমরের গ্যাপ (লোর্ডটিক কার্ভেচার) ঠিক মতো মেইনটেইন হবে।২। গোটা স্পাইন সমেত মাথা যেন ব্যাক সাপোর্ট পায়। ব্যাক সাপোর্ট পেলে পিঠের মাসল এর বেশি কাজ করতে হবে না,তারা রেস্ট পাবে। তাহলে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও ব্যথা বেদনা কম হবে।৩। চোখের সাথে স্ক্রিন যেন ২০-২৮ ইঞ্চি দুরত্বে থাকে এবং সমান্তরাল থাকে। স্ক্রিন যদি ওপর বা নিচে থাকে তাহলে ঘাড় ওপরে বা নিচে করে এডজাস্ট করতে হবে, তাতে ঘাড়ের ব্যথা বাড়বে।৪। টাইপ করার সময় যেন হাত সোজা থাকে, বেঁকে না যায়। না হলে কার্পেল টানেল সিনড্রোম দেখা দিতে পারে। দীর্ঘক্ষণ টাইপ করার সময় রিস্ট এর ওপর চাপ পড়লে মিডিয়ান নার্ভ কম্প্রেশন হতে পারে। তখন আঙ্গুল ঝিন ঝিন করা বা অবশ হতে পারে।৫। পায়ের তলায় সাপোর্ট রাখুন যাতে পা পুরোপুরি বেকিয়ে না রাখতে হয়, পা নিউট্রাল থাকে।৬। মাউস ধরা ঠিক মতো না হলে রিস্ট জয়েন্ট এ ব্যথা অবশ্যাম্ভাবী। ছবিতে দেখানো অনুযায়ী মাউস ধরারচেষ্টা করুন।একটা জিনিস সবসময় মাথায় রাখতে হবে যখন যেভাবেই বসুন না কেন হিপ জয়েন্ট যেন হাঁটুর জয়েন্ট এর থেকে সবসময় ওপর এ থাকে তাহলে কোমরের লোর্ডটিককার্ভেচার মেইনটেইন হবে আর কোমর নিউট্রাল পসিশন এ থাকবে। নচেৎ ফ্লাট ব্যাক থাকলে কোমর সারাক্ষন ফ্লেক্সন এ থাকবে যা অনবরত নার্ভ রুট কে কম্প্রেশন করতে থাকবে।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Champion!! : শাপমোচন মেসির, ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে কোপা জিতল আর্জেন্টিনা

নাসরীন সুলতানাকোপা আমেরিকার ফাইনাল নিয়ে উত্তেজনায় কাঁপছিল গোটা ফুটবল বিশ্ব। যতই হোক আর্জেন্টিনাব্রাজিল ম্যাচ বলে কথা। লাতিন আমেরিকার দুই মহাশক্তিধর দেশ। বিশ্ব ফুটবলেও সাড়া জাগানো অন্যতম দুই সেরা দল। আবার দুই দলে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়রের মতো তারকা। ম্যাচ যে অন্যমাত্রায় পৌঁছবে সেকথা বলাই বাহুল্য। অবশেষে কোপায় ব্রাজিলের সাম্প্রতিককালের আধিপত্য ভেঙে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফাইনালে জিতল ১০ ব্যবধানে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। ২৮ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন। শাপমোচন লিওনেল মেসিরও।বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। অথচ দেশকে একটাও ট্রফি দিতে পারেননি। এই যন্ত্রণা ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। অধিনায়ক হিসেবেও বাড়তি দায়িত্ব ছিল। এবছর গোটা কোপাতেই অন্য তাগিদ দেখা গেল মেসির মধ্যে। চোট পেয়েছেন, পায়ে রক্ত ঝড়েছে, কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বদনাম ঘোঁচাতে কতটা মরিয়া ছিল, তাতেই প্রমাণ। ফাইনালে গোল পাননি ঠিকই, কিন্তু তাঁর দুরন্ত লড়াই স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবারের কোপায়। ফাইনালে চিরশত্রু ব্রাজিলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। তাই প্রথম একাদশে ৫ জন ফুটবলার বদল করেছিলেন। ভরসা করেছিলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মন্টিয়েল, রোমেরো, অ্যাকুনাদের ওপর। হতাশ করেননি ডি মারিয়ারা। শুরুর দিকে অবশ্য তুলনামূলকভাবে ব্রাজিলের আক্রমণের চাপ বেশি ছিল। নেইমার, রিচারলিসনরা কয়েকবার হানা দিয়ে যান আর্জেন্টিনার রক্ষণে। এরপরই খেলায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ২২ মিনিটে গোলও তুলে নেয়। নিজেদের অর্ধ থেকে রডরিগো ডি পল লম্বা পাস বাড়ান ডানদিকে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে। রেনান লডির ভুলে বল পেয়ে যান ডি মারিয়া। প্রথম টাচে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে দ্বিতীয় টাচে বল লব করে ব্রাজিল গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান।দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে রিচারলিসন আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। মিনিট তিনেক পরেই রিচারলিসনের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমি মার্টিনেজ। নেইমারকে এদিন কড়া নজরে রেখেছিলেন ওটামেন্ডি। তবুও মাঝে মাঝে জ্বলে উঠলেন। শেষদিকে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসেও সমতা ফেরাতে পারেনি ব্রাজিল। তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্ট মেসির। এডারসনকে একা পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি। ফাইনালে গোল না পেলেও ২০২১ কোপার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লিওনেল মেসির নাম। তাঁর কাছে এবারের কোপা সে শাপমোচনের।

জুলাই ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘দাদাগিরি’র পর এবার ‘বিগ বস’, সৌরভের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু আজ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আজ, রবিবার থেকেই বাংলার টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত বিগ বস বাংলা। তবে এবারের আকর্ষণ শুধু প্রতিযোগীদের নিয়ে নয়। এই রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সঞ্চালকের আসনে। ক্রিকেটের মাঠে নেতৃত্ব দিয়ে যিনি এক সময় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবিটাই বদলে দিয়েছিলেন, সেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই এবার দেখা যাবে বিগ বস বাংলার মুখ হিসেবে। প্রায় এক দশক পর বাংলায় ফিরছে অনুষ্ঠানটি।সৌরভের কাছে অবশ্য এই দায়িত্ব একেবারেই নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনা করেছেন তিনি। কিন্তু বিগ বস-এর চরিত্র আলাদা। এখানে শুধু হাসি-ঠাট্টা বা প্রতিযোগিতার সঞ্চালনা নয়, প্রতিদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, মতবিরোধ, আবেগ, কৌশল এবং মানসিক চাপ, সবকিছুর মাঝখানে দাঁড়াতে হবে সঞ্চালককে। সেই জায়গাতেই সৌরভের উপস্থিতি এবারের শোকে অন্য মাত্রা দিতে পারে।এই খেলায় ব্যাট হাতে রান করার সুযোগ নেই। নেই প্রতিপক্ষের বোলিং পড়ে নেওয়ার সুবিধাও। বরং একই ছাদের নীচে থাকা একাধিক মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং পারস্পরিক সমীকরণই হয়ে উঠবে মূল আকর্ষণ। কে বন্ধুত্বকে কাজে লাগাবেন, কে নিজের অবস্থান ধরে রাখবেন, কে চাপের মুহূর্তে ভুল করবেন, সেটাই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে।শোয়ের নির্মাতারা প্রতিযোগীদের পরিচয় নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কৌতূহল ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি বিনোদন এবং সোশ্যাল মিডিয়া জগতের একাধিক নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা জানার জন্য দর্শকদের নজর থাকবে আজকের গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ের দিকে।স্টার জলসা এবং জিওহটস্টারে সম্প্রচারিত হবে এই নতুন অধ্যায়। ফলে আজ রাত থেকেই বোঝা যাবে, দাদা কি পারবেন ক্রিকেটের মাঠের মতোই টেলিভিশনের এই জটিল খেলাতেও নিজের ছাপ রাখতে? উত্তর খুঁজতেই আজ পর্দার সামনে বসবে বাংলা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃতের সংখ্যা সাতশো পেরিয়ে! প্রায় তিন হাজার নিখোঁজ, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

নেপালে হড়পা বানের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সাতশোর বেশি মানুষের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে বহু ভারতীয়ও রয়েছেন বলে খবর।বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পর উদ্ধারকাজ জোরদার হলেও পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদামাটির মধ্যে থেকে একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। অনেক দেহের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আবার বহু দেহ দাবি করার মতো পরিবারের কাউকেও পাওয়া যাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে মৃতদেহ সংরক্ষণ করাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেপাল সরকারের আশঙ্কা, দেহগুলি দ্রুত পচে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। হাসপাতালে এবং অন্যত্র এত বিপুল সংখ্যক দেহ রাখার মতো জায়গাও নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই পরিচয়হীন ও দাবিহীন মৃতদেহ গণকবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলা থেকে। সেখানে ২৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক দেহ একসঙ্গে রাখার কারণে হাসপাতালগুলিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেহ পচতে শুরু করেছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।তবে গণকবর দেওয়া হলেও মৃতদের পরিচয় যাতে পরে জানা যায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি দেহ কবর দেওয়ার আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা নেপালে এসে খোঁজ করলে তাঁদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে এই তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।শুধু ডিএনএ নমুনাই নয়, প্রতিটি মৃতদেহের আলাদা পরিচয় নম্বরও রাখা হচ্ছে। দেহগুলি বিশেষ ব্যাগে ভরে কবর দেওয়ার সময় সেই ব্যাগে পরিচয় নম্বর এবং অবস্থানের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরে কোনও দেহ শনাক্ত হলে ঠিক কোন জায়গায় সেটি কবর দেওয়া হয়েছিল, তা জানা সম্ভব হবে।পরবর্তীকালে দেহ তুলে শনাক্তকরণ বা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগও রাখা হচ্ছে। সেই কারণে গণকবর খুব গভীর করে খোঁড়া হচ্ছে না। প্রতিটি দেহের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট দেহটি আলাদা করে তোলা যায়।গণকবরের কাছেও একটি কংক্রিটের ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে প্রতিটি মৃতদেহের পরিচয় নম্বর নথিভুক্ত থাকবে। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরেও মৃতদের পরিচয় যাতে পুরোপুরি হারিয়ে না যায়, সেই ব্যবস্থাই করছে নেপাল প্রশাসন।এদিকে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও মৃতদেহ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের সন্ধান এবং মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করাই এখন নেপাল প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

দেওয়ালে লেখা ছিল বিতর্কিত স্লোগান, রাত পেরোতেই সব সাদা! যাদবপুরে হঠাৎ কেন বদলে গেল ছবি?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেওয়ালে বিতর্কিত স্লোগান লেখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় এমন কিছু লেখা ছিল, যা নিয়ে আপত্তি উঠেছে। শুক্রবার যাদবপুরের আট বি এলাকায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ধরনের লেখালিখির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তার পরের রাতেই কয়েকটি বিতর্কিত লেখার উপর সাদা চুনকাম করা হয়।যাদবপুরের মুক্তমঞ্চের দেওয়ালে আগে একাধিক রাজনৈতিক ও বিতর্কিত বক্তব্য লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি লেখায় সশস্ত্র হিংসার পক্ষে বক্তব্য এবং মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থনে স্লোগান ছিল বলে অভিযোগ। সেই লেখাগুলি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।ভারতীয় জনতা পার্টির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরেই নকশালপন্থী মতাদর্শের সমর্থনে নানা ধরনের স্লোগান লেখা রয়েছে। সংগঠনের দাবি, ক্যাম্পাসে এমন লেখা থাকার পরেও দীর্ঘদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সংগঠনের এক প্রতিনিধি একটি দেওয়াল দেখিয়ে দাবি করেন, সেখানে কমরেড কিষেণজিকে সমর্থন করে লেখা ছিল। পরে সেই লেখাটিও মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিতর্কিত দেওয়াল লিখনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তার পরেই শনিবার রাতে কয়েকটি দেওয়ালে সাদা চুনকাম করতে দেখা যায়।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের বক্তব্য, দেওয়াল লিখন নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। অধ্যাপক নন্দিনী মুখোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে বিভিন্ন ধরনের লেখা দেখা যায়। সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা লিখছেন, না কি বাইরের কেউ এসে লিখছে, তা সব সময় নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এমন কোনও স্লোগান থাকা উচিত নয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। পড়ুয়াদের লেখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নিয়ম আর আগের মতো কার্যকর থাকেনি বলে তাঁর দাবি।বিতর্কিত লেখাগুলি কে লিখেছিল, কখন লেখা হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাতারাতি কয়েকটি লেখা মুছে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
সম্পাদকীয়

বিদ্রোহের আগুন থেকে সাম্যের গান—নজরুলের যে জীবন আজও আমাদের বিস্মিত করে

কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা চিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে। চিনি সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি হিসেবে। তাঁর কবিতা আবৃত্তি হয়েছে মঞ্চে, তাঁর গান বেজেছে ঘরে ঘরে, তাঁর বিদ্রোহের বার্তা উচ্চারিত হয়েছে দশকের পর দশক। কিন্তু নজরুলকে যতটা আমরা জানি, তার চেয়ে অনেক বেশি অজানা রয়ে গিয়েছে তাঁর বিস্ময়কর জীবনের নানা অধ্যায়।নজরুলের জীবন যেন এক চলমান উপন্যাসযেখানে একদিকে দারিদ্র্য, অন্যদিকে বিদ্রোহ; একদিকে সৈনিকের পোশাক, অন্যদিকে কবির কলম; একদিকে ইসলামী সংগীত ও গজল, অন্যদিকে শ্যামা সংগীত ও ভজন; একদিকে রাজনৈতিক সংগ্রাম, অন্যদিকে চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দা। তিনি কোনও একটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে বন্দি রাখেননি। বরং তাঁর জীবনই হয়ে উঠেছিল বহুত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।লেটো দলের মঞ্চ থেকেই শুরুকৈশোরেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন নজরুল। সংসারের অভাব তাঁকে স্কুলের গণ্ডি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি যুক্ত হন বাংলার লোকনাট্যের জনপ্রিয় ধারা লেটো দলে। সেখানে শুধু অভিনয়ই করেননিগান লিখেছেন, কবিতা লিখেছেন, নাটকের সংলাপ ও পালা রচনা করেছেন, সুর দিয়েছেন, সেই গান গেয়েছেন।এই লেটো-পর্বকে নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণক্ষেত্র বলা যায়। লোকভাষা, ছন্দ, সুর, নাটকীয়তা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণাসবকিছুর সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ পরিচয় ঘটে এই সময়েই। পরবর্তী নজরুল-কাব্যে যে সহজ অথচ তীব্র ভাষা, তার শিকড় অনেকটাই এই লোকজ অভিজ্ঞতায়।সৈনিক নজরুল: যুদ্ধের ময়দান থেকে কবিতার পৃথিবী১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন নজরুল। করাচিতে তাঁর দীর্ঘ সেনাজীবন কাটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষপর্বের এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানসজগতে গভীর ছাপ ফেলে।সেনাবাহিনীতে থাকাকালীনই তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, গল্প-কবিতা লেখাসবই চলত। যুদ্ধ তাঁকে শুধু অস্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করায়নি; মানুষের জীবন, মৃত্যু, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বাস্তবতাকেও নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিল।পরবর্তীকালে তাঁর লেখায় যে যুদ্ধবিরোধী মানবিকতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ দেখা যায়, তার পেছনে এই অভিজ্ঞতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।বিদ্রোহীএক কবিতার বিস্ফোরণ১৯২১ সালের শেষদিকে রচিত বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যে যেন এক ভূমিকম্প ঘটে। এতদিনের কাব্যভাষার বাইরে দাঁড়িয়ে এক তরুণ কবি ঘোষণা করলেন নিজের অদম্য আত্মপরিচয়।কিন্তু বিদ্রোহী কেবল রাজনৈতিক বিদ্রোহের কবিতা নয়। এখানে আছে পুরাণ, ইসলামি ঐতিহ্য, হিন্দু দেবদেবী, প্রকৃতি, প্রেম, ধ্বংস ও সৃষ্টির এক বিস্ময়কর মিশ্রণ। নজরুল যেন বলতে চেয়েছিলেনমানুষকে কোনও একটি ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের খাঁচায় আটকে রাখা যায় না।ধূমকেতু: কলম যখন অস্ত্রনজরুলের সাংবাদিক সত্তাটিও কম বিস্ময়কর নয়। ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু। পত্রিকাটির নামের মধ্যেই যেন ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ইঙ্গিত।ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর লেখাগুলি দ্রুতই প্রশাসনের নজরে আসে। আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাঁকে কারাবন্দি করা হয়।কারাগারেও তিনি নীরব থাকেননি। বন্দিদের অধিকার এবং ঔপনিবেশিক নিপীড়নের প্রতিবাদে তিনি অনশন করেন। দীর্ঘ অনশনের সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে অনশন ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বার্তাও পাঠিয়েছিলেন।এই ঘটনা প্রমাণ করে, নজরুলের কাছে স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক স্লোগান ছিল নাএটি ছিল ব্যক্তিগত বিশ্বাস।খিলাফত প্রশ্নে নজরুলের অবস্থাননজরুলের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তাঁর খিলাফত আন্দোলন সম্পর্কে অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও গভীর হতে পারেএই আশঙ্কা তাঁর চিন্তায় প্রতিফলিত হয়েছিল।নজরুলের মূল অবস্থান ছিল মানুষের মুক্তি। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের বদলে তিনি চেয়েছিলেন শ্রমজীবী, কৃষক, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের ঐক্য।তাই তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে বারবার ফিরে এসেছে মানুষহিন্দু বা মুসলমান নয়, প্রথমত মানুষ।লেবার স্বরাজ পার্টি: কবির রাজনৈতিক সংগঠন১৯২৫ সালে নজরুল শ্রমিক-কৃষকের অধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নেন। হেমন্তকুমার সরকার ও অন্যান্য বামপন্থী নেতাদের সঙ্গে তিনি লেবার স্বরাজ পার্টি অব দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠনের সঙ্গে যুক্ত হন।এই সংগঠনের ভাবনায় ছিল শ্রমিক-কৃষকের অধিকার, ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।নজরুলের রাজনৈতিক লেখায় যে শ্রেণি সচেতনতা দেখা যায়, তার সঙ্গে এই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক ছিল।নির্বাচনের ময়দানেও নজরুলশুধু কবিতা বা বক্তৃতার মধ্যেই তাঁর রাজনীতি সীমাবদ্ধ ছিল না। ১৯২৬ সালে তিনি আইনসভার নির্বাচনে প্রার্থীও হন। অর্থবল ও সাংগঠনিক শক্তির দিক থেকে তিনি পিছিয়ে ছিলেন। ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে সফলতা আসেনি।কিন্তু এই পর্বটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, নজরুল নিজেকে কেবল সাহিত্যিক হিসেবে দেখেননি। সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াতেও তিনি অংশ নিতে চেয়েছিলেন।হিন্দু-মুসলমানের মিলনের এক বিরল শিল্পীনজরুলের সৃষ্টির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকগুলির একটি তাঁর ধর্মীয় বহুত্ববাদ।তিনি লিখেছেন ইসলামী গান, হামদ, নাত, গজল। আবার লিখেছেন শ্যামাসংগীত, ভজন, কীর্তন ও হিন্দু দেবদেবীকে নিয়ে অসংখ্য গান।মা, শ্যামা, কালী, কৃষ্ণ যেমন তাঁর গানে এসেছে, তেমনই এসেছে আল্লাহ, নবী, রমজান, ঈদ ও ইসলামী আধ্যাত্মিকতার নানা অনুষঙ্গ।এখানে কোনও কৃত্রিম সমন্বয় ছিল না। নজরুলের কাছে ধর্ম ছিল মানুষের আত্মিক অনুভূতির ভাষা; বিভেদের অস্ত্র নয়।তাঁর এই অবস্থান আজকের সময়েও অসাধারণ প্রাসঙ্গিক।চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় আর এক নজরুলনজরুলকে আমরা কবি ও গীতিকার হিসেবে যতটা মনে রাখি, চলচ্চিত্রের মানুষ নজরুলকে ততটা মনে রাখি না।কলকাতার চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি চলচ্চিত্রে গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন। নির্বাক যুগ থেকে সবাক চলচ্চিত্রের উত্তরণের সময় বাংলা সিনেমার সংগীতে নতুন মাত্রা আনার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।১৯৩৪ সালের ধ্রুব চলচ্চিত্রে তিনি দেবর্ষি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। একই সঙ্গে ছবিটির সংগীত পরিচালনা ও গীতরচনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। হাতে একতারা, পায়ে খড়ম, মুখে নারদের সাজরুপালি পর্দায় নজরুলের এই উপস্থিতি আজ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক মূল্যবান অধ্যায়। এটি ছিল তাঁর অভিনয়জীবনের একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনয়।রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নজরুলের সুররবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সম্পর্ক বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম সুন্দর অধ্যায়।বয়সে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অনেক বড়। সাহিত্যিক পথও ছিল আলাদা। তবু দুজনের মধ্যে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহ।চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথের রচনায় নজরুলের সুরারোপের ঘটনাটি এই সম্পর্কের এক চমৎকার দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথের রচনায় প্রচলিত সুরের বাইরে গিয়ে নজরুল নতুন সুর নির্মাণ করেছিলেন। সেই সুর কবিগুরুকে শুনিয়ে তাঁর অনুমোদন পাওয়ার ঘটনাটি শুধু দুজন শিল্পীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার নয়, সৃষ্টিশীল স্বাধীনতারও একটি সুন্দর উদাহরণ।নারীদের কণ্ঠে নতুন যুগবাংলা গান ও চলচ্চিত্রে নারী কণ্ঠশিল্পীদের প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নজরুলের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আঙ্গুরবালা দেবী, ইন্দুবালা দেবী, কানন দেবীসহ তৎকালীন বহু শিল্পীর সঙ্গে তাঁর পেশাগত ও সৃষ্টিশীল সম্পর্ক ছিল।বিশেষ করে নারীদের সামাজিক অবস্থান যখন নানা বিধিনিষেধে আবদ্ধ, তখন তাঁদের কণ্ঠকে বৃহত্তর শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরুলের গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।তাঁর সৃষ্ট নারীচরিত্রও ছিল প্রচলিত ধারণার বাইরেস্বাধীন, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং প্রতিবাদী।হাফিজ ও ওমর খৈয়াম থেকে নজরুলের বাংলানজরুলের সাহিত্যিক পরিসর বাংলা ভাষার গণ্ডিতে আটকে ছিল না। ফারসি সাহিত্য, আরবি সংস্কৃতি এবং ইসলামী ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর পরিচয় ছিল।হাফিজ ও ওমর খৈয়ামের রচনার অনুবাদে তিনি বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছিলেন এক অন্যরকম সুর, ভাব ও রোমান্টিকতা। তাঁর অনুবাদে কেবল ভাষান্তর নয়, অনেক সময় দেখা যায় সৃষ্টিশীল পুনর্নির্মাণের প্রবণতা।এই কাজগুলির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্যের সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে।হাজার গানের স্রষ্টা, অথচ কত গান হারিয়ে গেল!নজরুলের গান নিয়ে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় তাঁর জীবনের শেষ পর্ব। নজরুলের অসুস্থতার কারণে পরবর্তী সময়ে তাঁর বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তাঁর অসংখ্য গানের সঠিক সুর, স্বরলিপি ও পরিবেশনরীতি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।আজ আমরা নজরুলগীতির বিপুল ভাণ্ডারের কথা বলি। কিন্তু সেই ভাণ্ডারের কত অংশ হারিয়ে গেছে, কত গান ভুল সুরে বা অসম্পূর্ণভাবে আমাদের কাছে পৌঁছেছেতার সম্পূর্ণ হিসাব করা কঠিন।এই জায়গাতেই নজরুল গবেষণার সামনে এখনও বিশাল কাজ পড়ে রয়েছে।শুধু বিদ্রোহী নন, তিনি ছিলেন সৃষ্টির কবিওনজরুলকে শুধু বিদ্রোহের কবি হিসেবে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। তিনি প্রেমের কবি। তিনি প্রকৃতির কবি। তিনি আধ্যাত্মিকতার কবি। তিনি হাস্যরসের কবি। তিনি শিশুদের কবি। তিনি শ্রমিকের কবি, কৃষকের কবি, নারীর কবি, নিপীড়িত মানুষের কবি।তাঁর সাম্যবাদী উচ্চারণ যেমন রাজনৈতিক, তেমনই গভীর মানবিক। তাঁর নারী কবিতা যেমন নারীমুক্তির কথা বলে, তেমনই তাঁর প্রেমের গান ব্যক্তিমানুষের হৃদয়ের গোপন দরজাও খুলে দেয়।নজরুলের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষানজরুলের জীবনের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠেতিনি কখনও নিজের পরিচয়কে সংকীর্ণ হতে দেননি।দারিদ্র্য তাঁকে থামাতে পারেনি। সেনাজীবন তাঁকে কবিতা থেকে দূরে সরাতে পারেনি। কারাগার তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে পারেনি। রাজনৈতিক ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দেয়নি। ধর্মীয় বিভাজন তাঁকে কোনও একপক্ষের কবি বানাতে পারেনি।তিনি একই সঙ্গে মসজিদের আজান শুনেছেন, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শুনেছেন; ইসলামী গজল লিখেছেন, আবার শ্যামাসংগীতে মাতৃসাধনার ভাষা সৃষ্টি করেছেন।এই কারণেই নজরুল কেবল একটি জাতির, একটি ধর্মের বা একটি সময়ের কবি নন। তিনি বাংলা ভাষার এক অনন্ত মানবিক কণ্ঠ।আজ তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরেও যখন সমাজে বিভাজন বাড়ে, যখন মানুষের পরিচয় ধর্ম ও সম্প্রদায়ের খোপে আটকে যেতে চায়, যখন অন্যায়ের সামনে নীরব থাকার প্রবণতা তৈরি হয়তখন নজরুলের কণ্ঠ আবার ফিরে আসে।সে কণ্ঠ বলেমানুষের চেয়ে বড় কোনও পরিচয় নেই।বিদ্রোহ মানে শুধু অস্ত্র তুলে নেওয়া নয়; অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করাও বিদ্রোহ।আর সাম্য মানে শুধু রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়; অন্যের ধর্ম, ভাষা, পরিচয় ও মর্যাদাকে নিজের মতোই সম্মান করাও সাম্য।তাই নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় উপায় শুধু তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান নয়। তাঁর গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি আবেগঘন বাক্য লেখা নয়।নজরুলকে সত্যিকার অর্থে স্মরণ করতে হলে তাঁর প্রশ্নগুলিকে নিজেদের জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।মানুষ কি সত্যিই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে?অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা কি এখনও কথা বলি?ধর্মের নামে বিভেদের বদলে ভালোবাসার সেতু গড়তে পারি কি?এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যায়নজরুল আজও অমর।তিনি আছেন আমাদের প্রতিবাদে, আমাদের প্রেমে, আমাদের গানে, আমাদের সাম্যের স্বপ্নে।আর যতদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি কণ্ঠ উচ্চারিত হবে, ততদিন সেই কণ্ঠের ভিতরে কোথাও না কোথাও বেঁচে থাকবেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

অভিষেকের বাড়িতে কালীঘাট থানার পুলিশ, ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় হাজিরার নোটিশ সাংসদকে

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ৯ টার পর কালীঘাট থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ১ সেপ্টেম্বর সেকশপিয়ার থানায় তাঁকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে গেলে জোর করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিনই পুলিশ এফআইআর করে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোট তিনটে কেস করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু কাজে বাধা নয় শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। এদিকে ওই বাড়ির দুটি ঘর জোড় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা দখল করে নিয়েছে বলে মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal