• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MInister

রাজনীতি

সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠেছিঃ শুভেন্দু

ছোটলোকদের দিয়ে বাজে কথা বলিয়ে ভেবেছে আমি উত্তর দেব। আমার লেভেলটা ওই নাকি ? শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে শহিদ তীর্থ নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে এক বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তাঁকে মঞ্চে পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সেখানে তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করেন। তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে আরও বলেন , কুকুর পায়ে কামড়ালে মানুষ কখনো কুকুরের পায়ে কামড়ায় না। আমি প্যারাসুটে নামিনি এবং লিফটেও উঠিনি। সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে উঠছি। আমাকে ওসব করে লাভ নেই। তিনি আরো বলেন, ভোটের পরে সংকীর্ণ রাজনীতি আমাদের নন্দীগ্রামের প্রতিনিধি করেনি। আমার বিভিন্ন সময়ে পদের পরিবর্তন হয়েছে , হতে পারে। আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব। সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না আমার মুখ থেকে কিছু শুনছেন , ততক্ষণ বাজারি সংবাদপত্র ও ঘরে এসিতে বসে পোর্টাল চালাচ্ছেন, এগুলো উপেক্ষা করুন। নিজের লড়াই নিজে করুন। আরও পড়ুন ঃ জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ এদিন তিনি ঘোষণা করেন , ১০ নভেম্বর রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তি। সাড়ে দশটায় করপল্লিতে আসব। আমার সমস্ত আত্মীয়রা সেখানে থাকবেন। সেখানে পুষ্পার্ঘ্য দেব। তারপরে গোকূলনগরে হাইস্কুলের মাঠে সমাবেশ করব। খেজুরির সাধারণ মানুষকে সেই সভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কোভিড যখন আমার হয়েছিল তখন বহু মানুষ ফোন বা মেসেজ করেছিলেন কিন্তু এমন অনেকেই ফোন করেননি যাঁদের নাম বললে তাঁরা বিপদে পড়বেন। এদিন তিনি বললেন, আশ্চর্য হয়ে যায় কেউ কেউ অতীত ভুলে যায়। তিনি কিভাবে ধাপে ধাপে আন্দোলন করেছেন , সে কথা এদিনের সভা থেকে তিনি তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একক শক্তি দিয়ে কোনও কাজ কেউ করতে পারেন না। স্বামী বিবেকানন্দ এটা বলেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন আমি, আমি করা হল সর্বনাশের মূল। শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে জোরদার জল্পনা শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামা হামলা নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিরোধীরা , তোপ প্রধানমন্ত্রীর

সদ্য পুলওয়ামা হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের সেই স্বীকারোক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাষ্ট্রীয় একতা দিবসে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান তিনি । এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন , আজ পড়শি দেশ থেকে যে খবর পাওয়া গেছে, যেভাবে সেখানকার সংসদে সত্যিটা স্বীকার করা হয়েছে, তা এই লোকগুলির আসল চেহারা দেশের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে। দয়া করে এমন রাজনীতি করবেন না। এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকুন। এতে জেনে বা না জেনে আপনারা দেশবিরোধী শক্তির বোড়ে হয়ে উঠছেন। এভাবে আপনারা দেশের উপকার করতে পারবেন না। নিজেদের দলেরও ভালো করতে পারবেন না। আরও পড়ুন ঃ কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির বিরোধীদের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন , একটু আগে আধা সেনার প্যারেড দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল পুলওয়ামা হামলার কথা। সেই হামলায় আমাদের যে বীর সঙ্গীরা শহিদ হয়েছিলেন, তাঁরা আধা সেনারই অংশ ছিলেন। সেই সময় গোটা দেশ শোকার্ত ছিল। কিন্তু তখনও কিছু লোক নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখছিল। সেই সময় আমার হৃদয়ে বীর শহিদদের গভীর ক্ষত ছিল। তাই বিরোধীদের সমস্ত অশ্লীল অভিযোগ আমি চুপচাপ সহ্য করে গেছি। উল্লেখ্য , চলতি সপ্তাহেই ইমরান খানের মন্ত্রিসভার সদস্য পাকিস্তানের যুক্তরাষ্ট্রীয় মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, পুলওয়ামা আমাদের সাফল্য। ঘরে ঢুকে ভারতকে মেরেছি।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড়

পশ্চিমবঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে । সংবিধান, আইন-প্রশাসনকে উপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী । প্রাশসনকে বারবার চিঠি লিখেও উত্তর পাইনি । শুধু পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । রাজনৈতিক আদেশ পালন করতেই কি রয়েছে পুলিশ? বৃহস্পতিবার দিল্লিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে এমনই অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এদিন তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে কি আলোচনা হয়েছে , সে বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে কিছু জানাননি। সাংবাদিকদের সামনে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আল-কায়দা জঙ্গি মিলেছে, বোমা তৈরির কারখানার হদিশ মিলছে। রাজ্যে প্রায় প্রতিদিন খুন হচ্ছে। রাজনৈতিক হিংসা হচ্ছে। অথচ প্রশাসন ঘুমিয়ে রয়েছে। দেশের সংবাদমাধ্যমের জানা উচিত এই সমস্ত কথা। আরও পড়ুন ঃ ডাঃ সুকুমার হাঁসদার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এখানেই শেষ করেননি তিনি। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিয়েই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন জগদীপ ধনকর। বলেন, রাজ্য প্রশাসন কোনও প্রোটোকল মানে না। সংবিধানকে উপেক্ষা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এখানে আমলারা রাজনৈতিক দলের অনুগত। তাই রাজ্যে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এসব নিয়ে রীতিমতো খবর করার জন্যও সাংবাদিকদের অনুরোধ করলেন রাজ্যপাল। নভেম্ব্র মাসে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি তিনবার উত্তরবঙ্গে গিয়েছি। আবার যাব। উত্তরবঙ্গও পশ্চিমবঙ্গের অংশ। সেখানকার মানুষের সঙ্গে আভাব-অভিযোগ শুনব।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজ্য

কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে নাঃ শুভেন্দু

যার হুঁশ আছে , তাকে মানুষ বলে। আর এই হুঁশযু্ক্ত মানুষই একে অপরের জন্য কাজ করে। বুধবার বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মনীষিদের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন , কো্নও নির্দিষ্ট লক্ষ্যর জন্য কাজ করলে হবে না। সকলের জন্য কাজ করতে হবে। আরও পড়ুন ঃ নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ রাজ্য সরকারের তিনি আরও বলেন , মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে কারও ছাড়পত্র লাগে না। কোনও পদ লাগে না। ভারত সেবাশ্রম সংঘকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের সময় সাড়ে চার হাজার লোককে খাইয়েছি। সব রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নির্দিষ্ট গণ্ডি আছে। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন, চলুন এবার আমরা নিজেদের মানুষের কাজে লাগাই।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

আজ অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যেবেলায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ২৯ অক্টোবর সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে আগামী ৩০ অক্টোবর কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। জগদীপ ধনখড়ের টুইটার অ্যাকাউন্টে এদিন এমনটাই জানানো হয়েছে। তারপরই তিনি পুরো নভেম্বর মাস উত্তরবঙ্গেই থাকবেন বলে রাজভবন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের জানা গিয়েছে , আগামী ১ নভেম্বর শিলিগুড়ি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে চলে যাবেন দার্জিলিংয়ে। জগদীপ ধনকরের পাশাপাশি রাজভবনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও থাকবেন তাঁর সঙ্গে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

ভারত সীমান্তের সমস্যার শেষ চায়ঃ রাজনাথ সিং

সুকনা ওয়ার মেমোরিয়ালে নিহত সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে তিনি অস্ত্র পুজো করেন। এছাড়া অনলাইনে সিকিম বর্ডার রোড অর্গানাইজ়েশনের তৈরি একটি রাস্তারও উদ্বোধন করেন তিনি ৷ আর সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনা বাহিনীর প্রধান এমএন নারাভানে। আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি আর সেখানেই একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সীমান্তের সমস্যার শেষ চান। ভারত সর্বদা তার প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলে। কিন্তু তাতে যদি কেউ মনে করে ভারত দুর্বল তাহলে সেই দেশ ভুল করবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অখণ্ডতা আর সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে সর্বদা মরিয়া প্রয়াস চালায়। কিন্তু ভারতীয় জওয়ানরা মাথা নিচু করবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
দেশ

একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি

মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই উৎসব আমাদের বার্তা দেয়, এই লড়াইয়ে আমরা জিতবই। এদিনের অনুষ্ঠানে সচেতনভাবে উৎসব পালনের জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনারা অন্তত একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালান। আমি আমার বীর জওয়ানদের বলব, আপনারা হয়তো সীমান্তে পাহার দিচ্ছেন। কিন্তু গোটা দেশ আপনাদের পাশে আছে। আমি সেইসব পরিবারকে ধন্যবাদ জানাব যাদের পরিবারের সদস্যরা দেশের সেবার জন্য ঘরে থাকতে পারছেন না। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের এদিনের মন কি বাতে আরও একবার ভোকাল ফর লোকাল আপ্তবাক্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন,দেশে অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি কাজ করছে, যারা বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
উৎসব

গভীর নিম্নচাপ , পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপ বাংলার দিকে। সব পুজো কমিটিগুলিকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো্পাধ্যায়। প্রসঙ্গত , শুক্রবার বিকেলে রাজ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নিম্নচাপের। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের রায় ও বৃষ্টির জের , পুজোর ষষ্ঠীতে চেনা ভিড় উধাও এই মুহূর্তে কলকাতা থেকে ৩৫০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষি্ণ পূর্বে ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৪৯০ কিমি দক্ষিণ - দক্ষিণ পশ্চি্ম দিকে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার প্রভাবে শুক্রবার কলকাতা সহ দক্ষি্ণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। তাই মুখ্যমন্ত্রী এদিন সকল পুজো কমিটিকে সতর্ক করলেন।

অক্টোবর ২২, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের

রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও। এই পরিস্থিতি সোমবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেডের ব্যবস্থা ও রাজ্যের নানা প্রান্তে পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পুজোর আগে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের নবান্নের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিজে উপস্থিত না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে আরও একবার পুজোয় মাস্কের আবশ্যকতার কথাও উল্লেখ করেন। এছাড়া সকলে মাস্ক পরছেন কিনা সেদিকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নজর রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া সকলকে পুজোয় ঠাকুর দেখার সময় মাস্ক (Mask) পরার কথাও বলেন তিনি। সকলে আদৌ মাস্ক পরছেন কিনা তা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সুনিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
কলকাতা

অমিত শাহ সম্পর্কে এ কি বললেন অভিষেক !

অমিত শাহের কাছে বাংলার বোমা কারখানা নিয়ে তথ্য আছে। কিন্তু পরিযায়ী শ্রমিকদের বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। সো্মবার টুইট করে অমিত শাহের অভিযোগের বিরুদ্ধে এভাবেই তোপ দাগলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরের বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ফের প্রশাসনের বিরুদ্ধ তোপ রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , গত শনিবার একটি বেসরকারি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। তাঁর এই মন্তব্যকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য - রাজনীতি। এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। আর এদিন এর প্রতিবাদে তোপ দাগলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। Ironic that Mr @AmitShah has found data on bomb factories but when it comes to data on migrants, his @BJP4India govt is clueless! How dare you threaten the people of Bengal with Presidents Rule to disturb our social harmony. Disgusting poll propaganda!#BengalRejectsTanaShah https://t.co/gZfSImveIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 19, 2020

অক্টোবর ১৯, ২০২০
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর

আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহন বাগানকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লেখেন , আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মোহনবাগান খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সভ্যসমর্থকদের অসংখ্য অভিনন্দন। এটা খুবই আনন্দের দিন। এরপর টুইট করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। এছাড়াও মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লেখেন , মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের জন্য অসংখ্য অভিনন্দন। সবুজমেরুন ব্রিগেড অসাধারণ মাইলস্টোন স্পর্শ করেছে। আইএসএল অভিযানের জন্য তাঁদের অনেক শুভেচ্ছা। Congratulations to the players, staff and fans of the illustrious @Mohun_Bagan for emerging as @ILeagueOfficial Champions! Indeed, a joyful occasion. #Champion5 Narendra Modi (@narendramodi) October 18, 2020 Heartiest congratulations to @Mohun_Bagan for becoming @ILeagueOfficial Champions. Wonderful achievement for the Green Maroon Brigade best wishes as you step into upcoming @IndSuperLeague season as @atkmohunbaganfc.#Champions5 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 18, 2020

অক্টোবর ১৮, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে এ কি বললেন অমিত শাহ !

সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে। সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এমনই মন্তব্য করেন। তবে তিনি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করতেই পারে। কিন্তু, রাষ্ট্রপতি শাসন কোনও রাজনৈতিক দলের নেতার দাবি মেনে হয় না ৷ ভারতীয় সংবিধানে যে নিয়ম রয়েছে , সেই নিয়ম মেনেই একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় ৷ কোথাও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে গেলে আগে রাজ্যপালের রিপোর্ট দেখতে হবে ৷ সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে, তারপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়। তবে, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের মত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত নির্মল মাজি তৃ্ণমূলের সমালো্চনা করে তিনি আরও বলেন, ভারতের আর কোনও রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের মতো পরিস্থিতি নেই। বাংলায় বিরোধীদের উপর অনবরত আক্রমণ চলছে। বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পালাবদল হবেই, প্রত্যয়ী অমিত শাহ। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলায় বদল আসবে। তৃণমূলকে বাংলা থেকে সরানোই প্রধান লক্ষ্য।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাসের উদ্বোধন করবেন তিনি। ১৫ বছর পর এই দোতলা বাস কলকাতার রাস্তায় এই বাস চলবে। ্কলকাতার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক মনে করা হয় এই বাসকে। ২০২০ সালের কোভিড আবহে এই দোতলা বাস পথে নামলে সাধারণ মানুষের মনে খুশির বাতাস বয়ে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। আরও পড়ুন ঃ ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

এবার কোভিড বদলে দিয়েছে সবকিছুই। তাই এবার সব পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন হবে নবান্ন থেকে। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী , আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তর কলকাতার প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হবে। তার পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতা এবং ১৮ অক্টোবর বেহালা ও যাদবপুরের প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,সংক্রমণ আটকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। পুজো প্যান্ডেলে যাওয়ার সময় মাস্ক পরুন। আরও পড়ুন ঃ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , পুড়ে ছাই প্লাস্টিক কারখানা তাঁর কথায় , প্রচুর মানুষ এই সময় কাজ হারিয়েছেন। অনেকেই আট মাস বাড়িতে বসে বসে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন। তাই পুজো উপভোগ করুন। কিন্তু, বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কোভিড প্রটোকল মেনে চলার জন্যও আবেদন করেন তিনি। মাইকে গানের পাশাপাশি কোভিড সতর্কতা জারির কথাও বলেছেন তিনি। পুজো কমিটিগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, মাস্ক না পরলে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজনে প্যান্ডেলে ঢোকার সময় স্যানিটাইজার, মাস্ক দিন। ব্যবস্থাপনা দেখে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে অতিরিক্ত পয়েন্ট দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, দিল্লিতে একটা পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, অন্য রাজ্য তো দেয়ইনি, আমি কিন্তু দিলাম। বাংলায় পুজো হবে, কিন্তু সংক্রমণও আটকাতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
দেশ

প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর

দিল্লির বাসভবনে নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের মরদেহ । তাঁকে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা । অন্যান্য দলের রাজনৈতিক নেতারা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। রামবিলাসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুক্রবার রাষ্ট্রপতিভবন এবং সংসদে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । শনিবার বিহারে তাঁর শেষকৃ্ত্য সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী তথা লোক জনশক্তি দলের নেতা ছিলেন রামবিলাস পাসওয়ান । বৃহস্পতিবার দিল্লির এইমসে তাঁর মৃত্যু হয় । বিগত কয়েকদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বর্ষীয়ান এই নেতা । সম্প্রতি দিল্লির এক হাসপাতালে হার্ট সার্জারিও হয়েছিল তাঁর । টুইট করে তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানান ছেলে চিরাগ পাসোয়ান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে তিনটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী । টুইটে তিনি লেখেন, শোকপ্রকাশ করার ভাষা নেই । আমার এক বন্ধু, এক সহকর্মীকে হারালাম । গরিবরা যাতে সম্মানের সঙ্গে জীবন কাটাতে পারে, তা নিশ্চিত করেছিলেন তিনি ।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, আটক ৩

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক বিজেপির তিন মহিলা কর্মী। জয় শ্রীরাম স্লোগানও তারা দিতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড় শুরু করে দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভে বসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার সমর্থকরা। আরও পড়ুনঃ বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের বিক্ষোভকারীরা কালীঘাট মন্দিরে যাওযার দিকের রাস্তা দিয়ে ঢোকেন বলেই পুলিশ সূ্ত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।এরপর বড় রাস্তার ওপরেই প্ল্যাকার্ড হাতে বসে পড়েন, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তিন বিক্ষোভকারীকে সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

পথশ্রী প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে যেন গন্ডগোল না হয়ঃ মুখ্যমন্ত্রী

চেন্নাই-মুম্বই থেকে লরি আসে। এই লরির চাকায় জীবাণু ছড়াচ্ছে। যেমন কাপড়জামা, বাজারের থলি থেকে ছড়ায়। তেমন হলে মাঝেমধ্যে চাকার ফরেন্সিক পরীক্ষাও করা যেতে পারে। বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে আরও বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা লরি ড্রাইভারদের যদি ধাবায় বসে খেতে হয়, সেক্ষেত্রে কোভিড বিধি মেনে পুরোপুরি স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এই পুরো বিষয়টি নজরে রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেন তিনি। মমতা বলেন,এখানে অনেককেই দেখছি মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাদের বলছি মাস্ক পরুন। যাঁরা গরীব, টাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে পারছেন না, তাঁদের সবাইকে মাস্ক কিনে দেওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের কাজে বাধা দেবেন না। টেন্ডার নিয়ে কোনও গন্ডগোল যেন না হয়। সব পঞ্চায়েত, সব রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বলছি। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কেউ টাকা চাইলে সোজা থানায় যান। সরকার জনগণের। কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঝাড়গ্রামে অনেক কাজ হয়েছে। তা সত্ত্বেও যারা বড় বড় কথা বলছেন তারা আগে নিজেরা একটু কাজ করে দেখান। নির্বাচনের আগে যাতে নতুন করে ঝাড়গ্রামে কোনও অশান্তির পরিবেশ তৈরি না হয় সেদিকে নজর রাখুন। এছাড়াও এদিন মাটির সৃষ্টি প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। এছাড়াও তিনি ঘোষণা করেন, ঝাড়গ্রামে সাংবাদিকদের জন্য ভবন তৈরি হবে। ভবনের জন্য পাঁচ কাটা জমি দেওয়া হয়েছে । খরচ দেবে রাজ্য সরকার।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
কলকাতা

কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর

কোভিড আবহে সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের বোর্ড পরীক্ষার কৃতীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল ভারচুয়ালি।সেখানে কৃতীদের উদ্দেশে একাধিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্কলারশিপ সহ সমস্ত বিষয় নিয়ে বক্তব্য পেশ করেন।নেতাজির বিখ্যাত স্লোগান জয় হিন্দ নামে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হবে বলে জানালেন তিনি।এদিন তিনি কেন্দ্রের নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির সমালোচনা করে বলেন, মেধাতালিকা না থাকলে, কেউ নিজেদের ফলাফল নিয়ে গর্ববোধ করবে কীভাবে? এসব রেজাল্ট তো ছাত্রছাত্রীদের জীবনের সম্পদ। আমার মনে হয়, যে যেভাবেই পাশ করুক, একটা মেধাতালিকা দরকার।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal