• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

দেশ

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা, শহিদ ২ জওয়ান

ফের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছেন ২ সিআরপিএফ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ৩ জওয়ানকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরে সোমবার দুপুর নাগাদ এই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়ন ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সেখানে টহল দিচ্ছিলেন। কান্দিজাল সেতুর কাছে আসতেই আচমকাই তাদের ওপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।চলে তল্লাশি।

অক্টোবর ০৫, ২০২০
কলকাতা

ফুলবাগান মেট্রোর উদ্বোধন রেলমন্ত্রীর

ফুলবাগান মেট্রো স্টেশনের ভারচুয়াল উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। রবিবার দুপুর তিনটেয় দিল্লি থেকে তিনি মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন করলেন। সোমবার থেকে শুরু হবে যাত্রী পরিষেবা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, আজ কলকাতা মেট্রোর মুকুটে নয়া পালক যুক্ত হল। কলকাতার একপ্রান্তের সঙ্গে আরেক প্রান্ত জুড়বে এই মেট্রো। এই প্রকল্পে অনেক বাধা ছিল, কিন্তু ইঞ্জিনিয়াররা অসীম দক্ষতায় সব বাধা পেরিয়েছেন। দিল্লি থেকে অনলাইনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরী । অন্যদিকে কলকাতায় ফুলবাগান মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত, মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কৈলাস বিজয়বর্গীয় কলকাতায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। সোমবার থেকে শুরু হবে যাত্রী পরিষেবা। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। প্রসঙ্গত,ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় ফুলবাগানই হতে চলেছে প্রথম ভূগর্ভস্থ স্টেশন। কারণ সেক্টর ফাইভ থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত লাইন ছিল মাটির উপরে। কিন্তু স্টেডিয়াম থেকেই ট্রেন প্রথম সুড়ঙ্গে প্রবেশ করবে। সেক্টর ফাইভ থেকে ফুলবাগান পৌঁছতে সময় লাগবে প্রায় ১৬ মিনিট। ভাড়া পড়বে ২০ টাকা। এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আশাপ্রকাশ করেন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরের আগেই ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়ে যাবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

ফের উত্তরপ্রদেশ, নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার

এক নবালিকার ক্ষত বিক্ষত দেহ উদ্ধার হল একটি ক্ষেতের মধ্যে।গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিল ওই নাবালিকা।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানউর জেলার দেহাত গ্রামে।পুলিশ ওই নাবালিকার দুই আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ খুন করার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল ওই নাবালিকাকে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা দেহের বিভিন্ন অংশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী অনুর্বর মাঠের কিনারায় একটি ঝোপের দিকে মেয়েটির দেহের নানান অংশ ছড়ানো ছিটানো দেখতে পান।দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার।কানপুর দেহাত পুলিশ সুপার কে কে চৌধুরী বলেন, নাবালিকার বাবা জানিয়েছেন তাদের জমির বিরোধ ছিল এবং দুজন লোক আগেই ওই নাবালিকাকে খুন করবে বলে হুমকি দিয়েছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
রাজ্য

পড়ে গেলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী, ভরতি হাসপাতালে

বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এরপরই তাঁকে শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন পরিবারের সদস্যরা।এর জেরে শনিবার নাটাবাড়িতে মন্ত্রীর একাধিক দলীয় কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন সকালে বাসভবনে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যান মন্ত্রী। বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন।ফলে শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর মিটিংয়ের দ্বিতীয় দিন সেখানে না থেকেই বাড়ি ফিরে আসেন।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

শুক্রবার গোটা দেশে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫১ তম জন্মদিন পালন করা হয়। এদিন রাজঘাটে গিয়ে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, আমরা গান্ধী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধেয় বাপুকে প্রণাম জানাই । তাঁর জীবন এবং মহৎ চিন্তা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে । সমৃদ্ধ ভারত গঠনে বাপুর আদর্শ আমাদের পথ দেখায় ।মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ লেখেন, আসুন আমরা সবাই আবার গান্ধীজয়ন্তীর শুভ উপলক্ষে সংকল্প করি যে, আমরা সত্য ও অহিংসার পথ অনুসরণ করে সর্বদা জাতির কল্যাণ ও অগ্রগতির বিষয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাই৷ পরিচ্ছন্ন, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী এবং অন্তর্ভুক্ত ভারত তৈরির মাধ্যমে গান্ধীজীর স্বপ্নগুলি উপলব্ধি করার কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ট্যুইট করেন, গান্ধীজয়ন্তীর দিন আমি জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞ ও সবার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর সত্য, অহিংসা এবং ভালবাসার বার্তা সমাজে সম্প্রীতি ও সম্প্রীতির যোগাযোগ করে সমগ্র বিশ্বের কল্যাণের পথ সুগম করে।মহাত্মা গান্ধীকে প্রণাম জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও৷ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি ট্যুইট করেছেন, গান্ধীজির অসাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং আধ্যাত্মিক জীবন বিশ্বকে শান্তি, অহিংসা এবং সম্প্রীতির পথ দেখিয়েছিল। স্বদেশীর ব্যবহার বাড়ানোর তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ মোদি জি-র স্বনির্ভর ভারতের সংকল্প নিয়ে পুরো দেশ স্বদেশী ভাবধারা গ্রহণ করছে।

অক্টোবর ০২, ২০২০
কলকাতা

কমিশনের দারস্থ বিজেপি নেতারা

কলকাতাঃ রাজ্যে ১০৭ পুরসভার ভোট স্থগিত হয়ে রয়েছে গত এক বছর ধরে। সেই ভোট দ্রুত করানোর দাবিতে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হল বৃহস্পতিবার। তারা দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানায়। এখন প্রশাসকরা পুরসভার কাজ পরিচালনা করছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোট মত দেয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব , এই পুরসভাগুলির ভোট সম্পন্ন করতে হবে। কলকাতা হাইকোটও তাতে সহমত পোষণ করে। এছাড়াও ২০২১ সালের বিধানসভা নিরবাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূণ হয়,সে দাবি জানিয়েছেন তারা।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাক সেনার, শহীদ এক জওয়ান

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা এলোপাথারি গুলি চালায় সীমান্তে এমনটাই জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।পাক সেনার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জম্মুর প্রতিরক্ষা পিআরও, লেঃ কর্নেল দেবেনদার আনন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল রাতে কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ল্যান্স নায়েক কর্ণাইল সিং প্রাণ হারিয়েছেন। সেনা সূত্রে আরও জানানো হয়েছে আরও এক জওয়ান রাইফেলম্যান বীরেন্দ্র সিং আহত হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজৌরির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হোয়াইট নাইট কর্পসের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সমস্ত পর্যায়ের মৃত সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় মানকোট সেক্টরের পুঞ্চে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন শুরু করেছিল। ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও চলতি বছরের শুরু থেকেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আসছে। চলতি বছরে এলওসি-তে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ২৪ জন মানুষ মারা গিয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।মর্টার শেল ছোঁড়ার ফলে কাশ্মীর সীমান্তের মানুষদের জীবন, জীবিকা ও কৃষি কার্যক্রম বিপন্ন। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ১৫০০ বারের বেশী।

অক্টোবর ০১, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০
নিবন্ধ

যারা অদৃশ্য রয়ে গেলেনঃ শ্রমিক ঠিকাদার বা দালালতন্ত্র!

গ্রামীণ ভারতে গরীব মানুষের জীবন, জীবিকা ও অর্থনীতি পরিব্রাজনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে সম্পর্ক যুক্ত। ছদ্ম বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক দুর্বলতার চাপে অনন্যোপায় হয়ে আন্তঃরাজ্য পরিব্রাজনই হয়ে ওঠে তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র জীয়ন কাঠি। গ্রাম থেকে শহরে কাজ করতে গরীব মানুষের যাওয়াটা নতুন কিছু নয়, চিরন্তন কাল ধরেই সেটা হয়ে এসেছে। কিন্তু যেটা নতুন তা হল নব্য-উদারবাদের ভারতে তার সংখ্যাটা। পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে গত শতাব্দির নব্বই এর দশক থেকে বাড়তে শুরু করে ২০১১ সালে দাঁড়ায় প্রায় ৪৫ কোটি যা দেশের মোট জনসখ্যার ৩৭ শতাংশ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির নিরিখে ২০২১ সালে যা আনুমানিক ৫৫ কোটিতে পৌঁছনোর কথা। প্রয়োজনীয়তা বা পছন্দের দ্বৈত কারণে গ্রামের গরীব মানুষের একমাত্র উপায় হলো বছরের বিভিন্ন সময় চক্রাকার বা ক্ষণস্থায়ী আন্তঃরাজ্য পরিব্রাজন। এত দিন সব মোটের উপর ঠিকঠাক চলছিল। বাদ সাধল অতিমারি, যাদের আমরা কোনওদিন দেখতে পেতাম না, তারা এখন দৃশ্যমান। কাতারে কাতারে ঝকঝকে ভারতের সুবর্ণ চতুর্ভুজ ধরে হাঁটছে এবং মরছে। আমরা তো জানতামই না, লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক কি ভাবে শহরের অসংগঠিত অর্থনীতিকে সচল রেখে ছিল তা না কী দেশের সরকারও জানত না। আসলে তারা ছিল, ঠিক প্রদীপের তলায় যেমন অন্ধকার থাকে বড় বড় শহরের ঘিঞ্জি বস্তিতে বা অস্থায়ী ছাউনিতে। তাদের আমরা এখন ফিরে আসতে দেখছি, কিন্ত জানি কী তারা গিয়েছিল কী ভাবে? কে নিয়ে গিয়েছিল তাদের। না জানি না, কারণ যারা নিয়ে গিয়েছিল, তারা কিন্তু অদৃশ্য। তারা শ্রমিক ঠিকাদার বা শ্রমিকদের নিজের ভাষায় দালাল। পরিযায়ী শ্রমিক নির্ভর অসংগঠিত অর্থনীতির মূল তিনটি স্তম্ভঃ পরিযায়ী শ্রমিক, পূঁজিবাদী মালিক বা শিল্পপতি এবং এই দুই পক্ষের মাঝখানে সংযোজক হিসেবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভ হল শ্রমিক ঠিকাদার বা দালাল।তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিযায়ী শ্রমিকদের শোষণ যন্ত্রনার কথা বুঝতে গেলে নব্য-উদারবাদের ভারতে শ্রমিক ঠিকাদারদের ভূমিকার পর্যালোচনা জরুরি। দিল্লি, কেরালা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সারা বছর ধরে অসংগঠিত শ্রমিকদের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। তাই কম খরচে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে এমনকি শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ও অধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই পরিযায়ী শ্রমিকদের জোগান ও সরবরাহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংস্থার কাছে বেশ লাভজনক একটি ব্যবস্থা। আর এখানেই পারস্পারিক বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গ্রামে গ্রামে শ্রমিক ঠিকাদার বা দালালদের আবির্ভাব ঘটে। খাদ্য, বস্ত্র বাসস্থান সহ দৈনন্দিন সামাজিক চাহিদা মেটাতে ও বিনা সুদে টাকা ধার সহ কাজ জোগানোর ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের জুড়ি মেলা ভার। সংবিধান প্রদত্ত কাজের অধিকারের কথা যতই বলি না কেন টালমাটাল অবস্থায় জীবন জীবিকার সংকটময় সময়ে এই ঠিকাদারের ভূমিকা গ্রামের মানুষের কাছে ত্রাতার থেকে কোনো অংশে কম নয়। তাই টাকা ধারের ক্ষেত্রে মহাজনদের মাত্রাতিরিক্ত সুদ এড়াতে তারা ঠিকাদারদের কাছে অগ্রিম টাকা ধার নেয়। শর্ত একটাই চাষের কাজ শেষ হলে ভিন রাজ্যে পরিব্রাজন ও দিন মজুর হিসাবে কাজে নিযুক্তি। প্রথমবার শ্রমিকদের সঙ্গে গন্তব্যে গিয়ে তারা শ্রমিকদের শহরের ঠিকাদারদের হাতে সঁপে দিয়ে গ্রামে ফিরে আসে।পরিযায়ীদের অনেকেরই ব্যাংক একাউন্ট না থাকায় এরা রোজগারের টাকা এই সমস্ত ঠিকাদারদের মাধ্যমে বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করে। সেক্ষেত্রে কিছু টাকা কেটে নিয়ে বাকি পাঠানো টাকা ঠিকাদাররা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। সংকটের সময় দরকার হলে ঠিকাদাররা পরিযায়ীদের বাড়িতে টাকা সাহায্য করে পারস্পরিক বিশ্বাস ও নির্ভরতার পরিবেশ তৈরি করে তাদের লাভের তাগিদে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই ধরনের ঠিকাদাররা হয় সেই গ্রামের অথবা নিকটবর্তী গ্রামের বাসিন্দা। কখনও কখনও অভিজ্ঞ পরিযায়ীদের মধ্যে কেউ কেউ আবার ঠিকাদারে পরিণত হয় শহরে তাদের নিজস্ব চেনাজানার নেটওয়ার্ক তৈরি হলে। সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন প্রাপ্য টাকা এবং শেষ পর্যন্ত যা পরিযায়ীদের হাতে আসে তার মধ্যে বিস্তর ফারাক হয়। এছাড়া নুন্যতম সুরক্ষা সরঞ্জাম, অসুস্থকর পরিবেশে থাকা, কোম্পানির বৈধ কাগজপত্রের অভাব যাতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সহজে চাপা দেওয়া যায় এসব তো আছেই। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো Inter State Migrant Workmen Act 1979, অনুসারে শ্রমিক শোষণ প্রতিরোধে সঠিক নথিভুক্তি করন, ঠিকাদারদের লাইসেন্স, পরিবহণ ভাতা সহ একাধিক নিয়ম নীতির কথা বলা হলেও বাস্তবে এসব খুঁজে পাওয়া মুস্কিল। একবার পরিযায়ীরা বাইরে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে পরবর্তী কালে তারা সেই ঠিকাদারদের অধীন কাজে যেতে অরাজি হন। কিন্তু পারিবারিক দায়বদ্ধতার কথা ভেবে যাওয়া বন্ধ করতেও পারেন না, শুরু হয় বিকল্প ঠিকাদারের সন্ধান। আবার কিছু অগ্রীম টাকা, একটু সুযোগের প্রলোভন এবং একসঙ্গে কমদিনে বেশ কিছু টাকা উপার্জনের সুযোগ বেকার পরিযায়ীরা ঠেলে দিতে পারেন না। এভাবেই দিনের পর দিন চলতে থাকে পরিব্রাজনের ফাঁদ, যার থেকে দুর্ভাগ্যবশত নিজেদেরকে দূরে রাখতে পারাটা মুশকিল। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো আমাদের দেশে পরিযায়ীদের সংখ্যা, তাদের অবস্থান, প্রকৃতি, কাজে যাবার প্রবণতা ইত্যাদির সঠিক সরকারি হিসাব না থাকলেও এই সমস্ত ঠিকাদার ও তাদের মালিক দের কাছে যে যথেষ্ঠ নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে বললে খুব একটা অতিরঞ্জিত হবে না। অনেকটা পুরীর পাণ্ডাদের মত। শারীরিক নিপীড়ন, অধিক সময় ধরে কাজ করানো, দৈহিক অত্যাচার, রোগগ্রস্ত হওয়া এবং তার ফল স্বরূপ অর্জিত মজুরীর অনেকাংশ ব্যয় এসবের ফলে পরিব্রাজনের মূল্য ও লাভের অঙ্কে শেষ পর্যন্ত পড়ে থাকে সামান্যই অবশিষ্ট।কোভিড অতিমারির প্রভাবে দেশ জুড়ে পরিযায়ীদের অস্থি মজ্জায় জর্জরিত নির্মম অবস্থার কথা আজ সবার জানা। ভারতের মোট জিডিপির প্রায় দশ শতাংশ প্রত্যক্ষ ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এই পরিযায়ীদের দ্বারা। ILO-এর সমীক্ষা বলছে সম্ভবত ভারতের প্রাই চল্লিশ কোটি মানুষ গ্রামে ফিরে এসে দারিদ্রতার শিকার হবেন। কিন্তু প্রশ্ন হল এই অবস্থার দায় কার? রাষ্ট্রের দায়িত্ব কতটা ছিল বা কতটা হওয়া উচিত ছিল সেই নিয়ে অনেক যুক্তি তক্ক চলছহে। কিন্তু রাষ্ট্র কে বাদ দিয়ে যারা এই শোষণ যন্ত্রের আড়ালে থেকে এই ব্যাবস্থা কে ছদ্মবেশে অল্প শিক্ষিত অভাবী ঠিকাদারদের দ্বারা পরিচালনা করে এতদিন নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন তারা কোথায় গেলেন? মনে রাখতে হবে যে এই বিপুল সংখ্যার পরিযায়ী মানুষ যদি পরিব্রজনের প্রচলিত ব্যাবস্থার প্রতি মুখ ফিরিয়ে নেয় তাহলে আগামী দিনে তা শিল্পপতিদের জন্য খুব একটা সুখকর হবে না। মালিক এবং ঠিকাদার পক্ষ ভালো করেই জানে দেশে করেনা অতিমারির প্রকোপ কমলেই ওরা আবার শহরে আসতে বাধ্য হবে। আপাত ভাবে দেখলে মনে হবে মাইলের পর মাইল হেঁটে ফেরা পরিযায়ীদের অনেকেই আর এ জীবনে ফিরতে চাইবে না। কিন্তু যে দেশে মোট কর্মক্ষম জনসংখ্যার প্রায় তিরানব্বই শতাংশ মানুষ এখনো অসংগঠিত ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সেখানে সত্যিই কি এই বিপুল সংখ্যক মানুষের গ্রামে কাজ পাওয়া সম্ভব নয়। অতএব কিছু দিনের অপেক্ষার পর আবার গরীব মানুষদের বিশ্বাস অর্জনের পালা শুরু হবে ঠিকাদারদের গ্রাম ও শহর উভয় জায়গাতেই এবং পরিব্রাজনের দুষ্ট চক্রের মাধ্যমে কোনও নতুন রূপে হয়ত শ্রমিক শোষণ চলতেই থাকবে।ডঃ কুণাল চক্রবর্তীসহকারী অধ্যাপকশম্ভুনাথ কলেজ, লাভপুর,ওপ্রফেসার গোপা সামন্তভূগোল বিভাগবর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

প্রয়াত যশবন্ত

প্রয়াত বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তথা বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার সদস্য যশবন্ত সিং। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লির সেনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮২। বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত ২৫ জুন থেকে এই হাসপাতালে ছিলেন। এদিন সকালে প্রয়াত হন। যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "প্রথমে একজন সেনা ও পরে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশসেবা করেছেন। অটলবিহারী বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় সামলেছেন অর্থ, বিদেশ ও প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব।" যশবন্তের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৩৮ সালের ৩ জানুয়ারি রাজস্থানের জসোল গ্রামে জন্ম যশবন্ত সিংয়ের। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। মেজর পদেও কর্মরত ছিলেন। আশির দশকে যোগ দেন রাজনীতিতে। ১৯৯৬ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন। ২০০২ সালে ফের বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্ব পান। ১৯৯৮ সাল থেকে দীর্ঘ ৪ বছর দায়িত্ব সামলান বিদেশ মন্ত্রকেরও। ২০০০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০১-এর অক্টোবর অবধি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। প্রাক্তন সতীর্থর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজ্যসভা ছাড়াও চারবারের লোকসভা সাংসদ ছিলেন যশবন্ত। ২০০৯ সালে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে লোকসভায় যান তিনি। তবে ২০১৪ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন। রাজস্থানের বারমেড় থেকে নির্দল সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। ওই বছরেই বাথরুমে পড়ে যান যশবন্ত। মাথায় গুরুতর চোট পান। ভর্তি করা হয় দিল্লির সেনা হাসপাতালে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে নেমেছে শোকের ছায়া। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে টুইটে পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
দেশ

কাশ্মীরে জঙ্গি মদতে চিনের হাত

লাদাখের পর এবার জম্মু-কাশ্মীরের দিকে হাত বাড়াল চিন। নয়াদিল্লিকে বিপাকে ফেলতে উপত্যকায় বহুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। আর এ ব্যাপারে ইসলামাবাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চিন, গোয়েন্দা সূত্রে এমনই খবর। সম্প্রতি ভূস্বর্গে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছে সেনা। আর সেই অস্ত্রভাণ্ডারেই মিলেছে চিনের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জাম। আর এক্ষেত্রে পাক-চিন যোগসূত্র নিয়ে সন্দেহ আরও জোরদার হয়েছে নয়াদিল্লির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে বারুদের স্তূপ বানাতে ইসলামাবাদকে তোল্লাই দিচ্ছে বেজিং। ভারতের সেনা সূত্রে খবর, সম্প্রতি উপত্যকায় নিরস্ত্র জঙ্গি অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে‌। জঙ্গিদের অস্ত্র পাঠানো হয়েছে ড্রোন মারফত। গত কয়েক মাসে ভূস্বর্গের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেশ কয়েকটি জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াও ড্রোন উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি যে চিনের সেই প্রমাণও মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী করোনা আক্রান্ত

করোনা আক্রান্ত হলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিছু দিন আগে তাঁর এক দাদা ও ভাইপো করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। জানা গেছে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। ঘনিষ্ঠ মহলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তার গতকাল সামান্য জ্বর থাকলেও শুক্রবার তার জ্বর নেই। মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা থাকায় তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসপাতলে ভর্তি হবেন। একইসঙ্গে জানা গেছে, তার মায়েরও রিপোর্ট কোভিড পজেটিভ এসেছে। তিনি ভর্তি রয়েছেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এর আগে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, তৃণমূল বিধায়ক, সাংসদ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় শিশির অধিকারীকে ফোন করেন। তিনি খোঁজ নেন শুভেন্দু অধিকারীর স্বাস্থ্য়ের। তাঁর পরিবারের সকলের খোঁজ-খবর নেন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা

এটিএমে টাকা ভরার সময় দুষ্কৃতী হামলা। বোলেরো গাড়ির চাবি ছিনিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর আসানসোলে ঘটনাটি ঘটে। আসানসোলের ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ৪০-এর মাকসুদ আলম মল্লিক এটিএম-এ টাকা লোড করার এজেন্সিতে কাজ করেন। বুধবার সন্ধ্যায় রিভারসাইডের একটি ব্যাঙ্কের এটিএম-এ একটি গাড়িতে চেপে টাকা লোডিং করতে যান ওই এজেন্সির তিনজন কর্মী। সেই সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই এজেন্সির কর্মীদের উপর গুলি চালিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা ও বোলেরো গাড়ির চাবি নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। গুলি লাগে মাকসুদের বাম হাতের কনুইতে। হীরাপুর থানার পুলিশ আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আহত ব্যক্তির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

কেন্দ্রের জনবিরোধী পদক্ষেপের প্রতিবাদে রিষড়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভ

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সংশোধনী বিল রাজ্যসভায় পাস হওয়ার প্রতিবাদে এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতিকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাল রিষড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সকালে শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়সাগর মিশ্রর নেতৃত্বে গলায় মশলা, তেল, ডালের প্যাকেট এবং আলু, পেঁয়াজের মালা ঝুলিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজয়সাগর মিশ্র বলেন, নরেন্দ্র মোদীর সরকার একের পর এক দেশের আমজনতা, বিশেষ করে গরিব কৃষকদের উপর দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিল, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিলগুলি যেভাবে জোর করে পাস করিয়ে নিল তাতে কিন্তু দেশের গরিব মানুষ গরিব থেকে আরও বেশি গরিব হবে। লাভবান হবে আদানি, আম্বানিদের মতো বড়ো বড়ো শিল্পপতিরা। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সমস্ত বড়ো বড়ো পুঁজিপতিরা কিনে নিয়ে নিয়ে মজুত করবে। ফলে খুচরো বাজারে যে সমস্ত গরিব বিক্রেতা এবং চাষিরা তাঁদের জিনিসপত্র বিক্রি করেন তাঁরা পড়বেন মহা সমস্যায়। বারবার এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আমাদের বিরোধী সাংসদরা যখন রাজ্যসভায় সোচ্চার হয়েছেন তখনই তাঁদের ঘাড়ে নেমে আসছে সাসপেনশনের খাঁড়া। মানুষের বক্তব্য মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যদি জনপ্রতিনিধিদের বলতে না দেওয়া হয় তাহলে কীসের গণতন্ত্র? আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশে বিজয়বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাহিদ হাসান খান, শুভজিৎ সরকার, মনোজ সাউ, সন্ধ্যা দাস, পৌলোমী রায়-সহ তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থকরা। বহু সাধারণ মানুষও তাঁদের এই বিক্ষোভ সমাবেশকে সমর্থন করে সভায় যোগদান করেন। ছবি ও সংবাদ: তরুণ মুখোপাধ্যায়

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০
বিবিধ

নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ অগ্নিমিত্রার

২০১৬ থেকে ২০১৮ অবধি ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বাংলার স্থান যৌন নিগ্রহে চতুর্থ, মহিলাদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ে তৃতীয় এবং অ্যাসিড আক্রমণে শীর্ষে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রশাসনের গাফিলতিতে চলছে অবাধে অ্যাসিড বিক্রি। গত এক দশকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে এমন দাবি করলেন মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। গত ৯ বছরে রাজ্যে নারী নিগ্রহে ঘটনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে 'আর নয় মহিলাদের অসুরক্ষা'-র ডাক দেন তিনি। ৯৭২৭২৯৪২৯৪ 'আর নয় অন্যায়'-এর এই নম্বরে ১ টিপে যে কোনও মহিলা যে কোনও সময় অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ বা এসএমএস করেও তাঁদের উপর ঘটে যাওয়া অন্যায় বা অবিচারের অভিযোগ জানানো যাবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কনকাশন পর্ব কাটিয়ে স্টিভ স্মিথ কি খেলতে পারবেন?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শুরুর আগে নেটে অনুশীলন করার সময় মাথায় চোট পেয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ। কনকাশনে যেতে হয়েছিল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে খেলতে পারেননি। আশঙ্কা ছিল আই পি এলে রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলতে পারবেন কিনা। সব আশঙ্কা দুর করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন স্টিভ স্মিথ। বেন স্টোকস, জস বাটলারের মতো ক্রিকেটারদের প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না। স্টিভ স্মিথকে পাওয়া না গেলে সমস্যায় পড়ে যেত রাজস্থান। আপাতত চিন্তামুক্ত টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড বলেন, শেষ পর্যন্ত স্টিভকে যে প্রথম ম্যাচ থেকেই পাওয়া যাবে, এটা আমাদের কাছে দারুণ খবর। ওর নেতৃত্ব আমাদের দলের কাছে অনেক মূল্যবান। দুবাই পোঁছে বেশ কয়েকদিন বিশ্রামে ছিলেন স্মিথ। সোমবার নেটে অনুশীলন করেন। তিনি বলেন, দুবাইয়ে আসার পর বেশ কিছুদিন বিশ্রামে ছিলাম। রবিবার জিগজ্যাগ দৌড়ঝাঁপ করেছি। এটা ম্যাচে ফেরার প্রোটোকলের অঙ্গ। সোমবার অনুশীলনও করেছি। কোনও সমস্যা হচ্ছে না। আশা করছি খেলতে পারব।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌আই পি এলের প্রথম ম্যাচেই সামির সাফল্যের রহস্য কী?‌

দীর্ঘদিন ক্রিকেটের বাইরে? ছন্দ ধরে রাখতে পারবেন তো? মহম্মদ সামিকে নিয়ে একটা প্রশ্ন ছিল। আই পি এলে নিজের প্রথম ম্যাচেই সামি বুঝিয়ে কোভিড ১৯ অতিমারি তাঁর ছন্দ কেড়ে নিতে পারেনি। বরং আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছেন। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বোলিং অনেকটাই সামি নির্ভর। তাঁর ওপর ভরসা করে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেনি প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিলেন সামি। প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে ৮ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে দিল্লির ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড ভেঙে দেন। পরে আরও ১ উইকেট তুলে নেন। ম্যাচে সামির সংগ্রহ ১৫ রানে ৩ উইকেট। সামির সাফল্যের রহস্য কোথায়? লকডাউন পর্বে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে নিজের খামার বাড়িতে নিজেকে কঠোর অনুশীলনে ডুবিয়ে রেখেছিলেন। ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি খামারবাড়ির নেটে নিয়মিত বোলিং। আই পি এলে পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন। সুনীল গাভাসকার থেকে শুরু করে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার সামির বোলিংয়ে মুগ্ধ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

জঙ্গলমহলের বিপন্ন মানুষের ত্রাতা শুভেন্দু অধিকারী

বেলপাহাড়ি ব্লকের এড়গোদা অঞ্চলের জয়পুর গ্রাম। কোনও এক সংস্থার মাধ্যমে এখানকার বাসিন্দা নবকুমার দাসের অসহায় অবস্থার কথা কানে পৌঁছায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। আর তাতেই মুশকিল আসান। শুনেই ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী। নবকুমার দাস নিজে দৃষ্টিহীন এবং তাঁর দুই মেয়েই জটিল অসুখে ভুগছেন। বড় মেয়ে জয়িতা দাসের ব্রেস্ট টিউমার ও ছোট মেয়ে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। নবকুমারবাবুর স্ত্রী ছোটো এক মুদির দোকান চালান। এই অবস্থায় দুই মেয়ের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে খুবই অসুবিধায় পড়েছেন। জয়িতাকে ১ সেপ্টেম্বর ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে পিজিতে রেফার করা হয়। ৫ তারিখ সেখানে গেলে ফের ১৫ তারিখ আসতে বলা হয়। সেদিন ভর্তি করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়ে জয়িতার পরিবার। এই পরিস্থিতিতে রাত ১২টা অবধি অপেক্ষা করে কোনও সুরাহা না পেয়ে এই পরিবার যোগাযোগ করে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। সঙ্গে সঙ্গে শুভেন্দুবাবু তাঁর প্রতিনিধি মারফত জয়িতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন এবং সমস্ত পরীক্ষা যাতে হয় তার সুব্যবস্থা করেন। আশ্বাস দেন ভবিষ্যতেও পাশে থাকার। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর মানবিক মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ওই পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তাঁর প্রতিনিধি মারফত। স্নেহাশিস ভকত-সহ আমরা দাদার অনুগামীরা গিয়ে শুভেন্দুবাবুর পাঠানো টাকা নবকুমার দাসের হাতে তুলে দিয়ে পাশে থাকার বার্তা আরও একবার জানিয়ে এলেন। বিপদে পাশে থাকায় মানবিক মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এই পরিবার।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
নিবন্ধ

হরসিমরতের ইস্তফার নেপথ্যে

কয়েকদিন আগেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কৃষিনীতির সমর্থন করেছিলেন। এমন কী হলো হঠাৎ সুর বদলে কৃষিনীতিরই বিরোধিতা করে ইস্তফা দিলেন হরসিমরত কউর বাদল? এ নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। মোদী মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফার কারণ হিসেবে প্রধানত তিনটি বিষয়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কউর। কৃষি পরিষেবা ও কৃষিপণ্যের মূল্য নিশ্চয়তার বিষয় যেমন আছে, তেমনই আছে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধন সংক্রান্ত বিষয়টিও। একই সঙ্গে পদত্যাগী মন্ত্রী বিরোধিতা করেছেন কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সংক্রান্ত অধ্যাদেশও। এই তিনটি বিষয় কউর পদত্যাগের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অধ্যাদেশে কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, কৃষকরা নিজেদের এলাকা ছাড়াও অন্যত্র উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ বাংলার কৃষক তাঁর পণ্য যেমন অন্য রাজ্যে বিপণন করতে পারবেন, তেমন উল্টোটাও সত্য। তবে চাল, গম-সহ বেশ কিছু পণ্য নোটিফায়েড এলাকার বাইরে বিক্রি করতে পারবেন না। এ ছাড়া বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চাষিরা চুক্তি করে কৃষিপণ্যের উৎপাদনের সংস্থানের বিষয় রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। কিন্তু গোল বেঁধেছে অন্যত্র। যদি অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি হয় সেক্ষেত্রে কৃষকরা কী করবেন? অন্যত্র বিপণনের সুযোগ তো থাকছেই না, সেই সঙ্গে সরকারের যে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই-ই নয়, বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করলে সেক্ষেত্রেও কৃষক তাঁর জমি তথা ফসলের অধিকার হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে সবচেয়ে ক্ষতির শিকার হতে পারেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা। যদিও অধ্যাদেশ নিয়ে সাফাই দিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। সরকারি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার অধ্যাদেশ উড়িয়ে দিয়ে আশ্বস্ত করেছেন কৃষকদের। সেই সঙ্গে সমর্থন করেছেন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে চুক্তির বিষয়টিও। এতে কৃষি ও কৃষিপণ্যের আধুনিকীকরণ সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তোমর। একই সঙ্গে চুক্তির সুফল হিসেবে একদিকে যেমন কৃষিপণ্যের বেশি দাম পড়বে, তেমনই উন্নতমানের বীজ ও সার মিলবে বলে জানিয়েছেন তোমর। শেষ পর্যন্ত অধ্যাদেশ অর্ডিন্যান্সে পরিণত হলে ফোঁড়েরা সবচেয়ে অসুবিধায় পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তেমনই এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেকেরই কাজ হারানোর আশঙ্কা। যদিও নতুন কৃষিনীতি নিয়ে বসে নেই সরকারও। পাঞ্জাব, হরিয়ানায় নতুন কৃষিনীতির বিরোধিতা করে শুরু হয়েছে আন্দোলন। এক্ষেত্রে বিরোধীরা আন্দোলনকে উস্কানি দিচ্ছে বলে রেকর্ড বাজাচ্ছে। তবে নয়া নীতির পক্ষে যতই সওয়াল করা হোক না কেন, হরসিমরতের ইস্তফা চাপে ফেলেছে মোদী সরকারকে। সামনে বিহার নির্বাচন। কৃষিনীতি জনদরদী হলে, কেন প্রথমে সমর্থন করে পরে সরে দাঁড়ালেন হরসিমরত, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 103
  • 104
  • 105
  • 106
  • 107
  • 108
  • 109
  • 110
  • 111
  • 112
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

ট্রাইবুনালে কেন মাত্র ১৩৯ জনের নাম উঠল! এবার হাইকোর্টে যাওয়ার পথ দেখাল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয় আদালতে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, কিন্তু নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম।এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে মামলাকারীরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে পারেন। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে, প্রথম দফার ভোট নিয়েও এদিন আদালতে আলোচনা হয়। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং বহু পরিযায়ী শ্রমিকও এসে ভোট দিয়েছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বড় ধরনের কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোটদানের হার দেখে তিনি খুশি। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ভোটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন।এই শুনানি ঘিরে একদিকে যেমন ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও সামনে এসেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

আপে বড় ভাঙন! রাঘব চাড্ডা সহ সাত সাংসদের বিজেপিতে যোগ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আম আদমি পার্টি ছাড়লেন রাঘব চাড্ডা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জন সাংসদও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি।দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাঘব এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সংবিধানের নিয়ম মেনেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে আপের দশ জন সাংসদের মধ্যে সাত জনই এই সিদ্ধান্তে সই করেছেন।সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, তিনি দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে দলকে সময় দিয়েছেন। কিন্তু এখন দল তার আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, দল আর দেশের জন্য কাজ করছে না, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এতদিন তাঁর মনে হচ্ছিল তিনি সঠিক ব্যক্তি হলেও ভুল দলে রয়েছেন। তাই তিনি এখন মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চান।এর আগে বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন রাঘব। মূল্যবৃদ্ধি, সস্তায় খাবার, পরিষেবা সংক্রান্ত নানা দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।এই দলবদল ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

জনসভায় চোখে জল মমতার! ফিরহাদকে নিয়ে এমন কথা আগে শোনেননি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানান, তাঁর মায়ের অসুস্থতার সময় তিন বোতল রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন ফিরহাদ হাকিম নিজে এগিয়ে এসে রক্ত দিয়েছিলেন এবং তাঁর মায়ের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করেছিলেন।মমতা বলেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে ফিরহাদের রক্তের গ্রুপ মিলে গিয়েছিল। সেই কঠিন সময়ে তিনি পাশে ছিলেন। শুধু তাই নয়, মায়ের মৃত্যুর সময়ও অনেক দায়িত্ব সামলেছিলেন ফিরহাদ। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি কোনও সমস্যা হলেই প্রথমে ফিরহাদকেই ফোন করেন।তিনি আরও বলেন, ফিরহাদ তাঁর পরিবারের সদস্যের মতো। তাঁর কথায়, ফিরহাদের মা ব্রাহ্মণ এবং বাবা মুসলমান। এই উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়। এটাই ভারতের প্রকৃত চিত্র বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা জানান, তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় শেষকৃত্যের ব্যবস্থার দায়িত্বও তিনি ফিরহাদকেই দিয়েছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনিই সব কিছু দেখাশোনা করেছিলেন।একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবারের একটি ঘটনার কথাও বলেন। তাঁর বাড়িতে একটি ছেলের উপনয়ন অনুষ্ঠানের সময় ফিরহাদ এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন এবং সেই অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশে অংশ নিয়েছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি কখনও এই ধরনের ব্যক্তিগত কথা প্রকাশ্যে বলেন না। তবে তিনি সব সময় সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চান। তাঁর কাছে সকল মানুষ সমান, সে যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক না কেন। সংকীর্ণ রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না বলেও স্পষ্ট জানান।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মোদির বিস্ফোরক অভিযোগ! হাওড়া থেকে পাল্টা তোপ মমতার

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রচার আরও জোরদার হয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার দিয়ে দিন শুরু করলেও পরে একাধিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে গিয়ে জনসভা করেন তিনি। সেখান থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদি বলেন, একসময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সারা বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হত। কিন্তু এখন সেখানে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে এবং ছাত্রদের পড়াশোনার বদলে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি জানান, সেখানে আবার পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।এই বক্তব্যের পরই পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলার গর্ব এবং দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের প্রতিবাদকে অরাজকতা বলা ঠিক নয় বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, ছাত্র-যুবকদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটে তৃণমূল ভালো ফল করতে পারেনি এবং দ্বিতীয় দফায় বিজেপি আরও এগিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, বিজেপি জিতলে রাজ্যে উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, যাদবপুরে শাসক দলের প্রভাব রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের শাসনে বাংলার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

‘ভাইপো ট্যাক্স বন্ধ হবে’! তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহর তীব্র আক্রমণ

উত্তর চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর রাজ্যে আর তৃণমূল সরকার থাকবে না। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, তখন আর কাটমানির নামে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না।প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপি বড় সাফল্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে বিজেপি।বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে এই সভায় এসে শাহ সন্দেশখালির ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।অনুপ্রবেশের বিষয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি সরকার এলে তাদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।গরু পাচারের প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন শাহ। তাঁর দাবি, শাসকদলের আশ্রয়ে এই ধরনের কাজ বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার বদল হলে এইসব বন্ধ করা হবে এবং যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সভা থেকে তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে পরিস্থিতি শান্ত রাখা জরুরি, তবে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।হিঙ্গলগঞ্জের এই সভার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গাবিহার নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার! ‘যমুনায় ডুব দিয়ে দেখুন’

বঙ্গ সফরে এসে শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। এরপর হাওড়ার এক জনসভা থেকে এই বিষয়েই তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বাংলার গঙ্গা পরিষ্কার বলেই সেখানে নৌকাবিহার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি ভোটের সময়ের রাজনীতি এবং ছবি তোলার প্রচার। তিনি মোদিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গঙ্গায় নৌকাবিহার করা ভালো বিষয়, তিনিও বিভিন্ন সময়ে গঙ্গায় যান।এরপরই দিল্লির যমুনা নদীর দূষণের প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেন তিনি। মমতা বলেন, যমুনার দূষণ ভয়াবহ এবং মোদির উচিত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির যমুনা পরিষ্কার রাখতে না পারলেও বাংলায় এসে গঙ্গাবিহার করছেন প্রধানমন্ত্রী।দিল্লিতে দূষণের সমস্যা নতুন নয়। প্রতি বছর শীতের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। নদীর জলে ফেনা দেখা যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। দিল্লির নির্বাচনের সময়ও এই বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল।এই প্রেক্ষিতেই মোদির গঙ্গাবিহারকে ঘিরে রাজনৈতিক বক্তব্য আরও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে কলকাতা পর্যন্ত যোগাযোগ উন্নত করার জন্য করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এর মাঝেই বঙ্গের ভোট আবহে গঙ্গাবিহার নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal