• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Loose

খেলার দুনিয়া

এক ডার্বি হেরেই ছন্দপতন! কলকাতা লিগে বড় ধাক্কা মোহনবাগানের

ডার্বির শোক এখনপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি মোহনবাগান। এবার লজ্জার হার হল জাতীয় ক্লাব মোহনবাগানের। রবিবাসরীয় ম্যাচে সাদার্ন সমিতির কাছে ২-০ গোলে হারল সবুজ-মেরুন। কলকাতা লিগে বেশ বড় ধরনের ধাক্কা খেল শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান। রবিবার জোড়া গোল করে দলকে জেতালেন সৌগত হাঁসদা। কলকাতা লিগে চাপের মুখে পড়ল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।এদিন বড় ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ বাস্তব রায়। তাতে সুপার সিক্সে জায়গা করে নিত দল। সেই আশায় জল ঢেলে দিল সাদার্ন সমিতি। এদিন প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন সাদার্নের সৌগত। তারপর শত চেষ্টা করেও বিপক্ষের জালে বল গড়াতে পারেনি মোহনবাগান৷ আর ম্যাচেও ফেরা হয়নি। ম্যাচে বারবার আক্রমণ শানিয়েছে, গোলের সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয়েছে বাগানের স্ট্রাইকাররা। প্রসঙ্গত, চলতি মরশুমের কলকাতা লিগে মোহনবাগান ছিল অপরাজেয়। এক ডার্বি হেরেই কি ছন্দপতন মোহনবাগানের? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ময়দানে।

আগস্ট ২০, ২০২৩
রাজ্য

জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় কি সর্বভারতীয় স্তরে বড় বিপাকে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস?

তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোর আনন্দে কোথাও বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করলেন, কোথাও আবার আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের তকমা পাওয়ায় মিষ্টিমুখ করালেন সাধারণ মানুষকে। এরইমধ্যে জাতীয় দলের তকমা হারানোর ২৪ ঘন্টার মধ্য়েই দলের সাংসদ পদ ছাড়লেন ফেলাইরো। একইসঙ্গে তিনি ছেড়েছেন দলীয় পদ। যদিও কেউ কেউ মনে করছেন গোয়ার এই তৃণমূল নেতাকে আর দলের প্রয়োজন নেই বলেই তাঁকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের এই মর্যাদা হারানো নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের হয়ে ঘোষণা করেছিলেন, এবার ভিন রাজ্যে শাখা বিস্তার করবে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু অন্য রাজ্যে সংগঠন বিস্তার নয়, সেখানে ক্ষমতা দখলের জন্য়ই তৃণমূল লড়াই করবে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, গোয়া ও ত্রিপুরায় একটা বিধানসভা আসন দখল করতে সমর্থ হয়নি। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়কদের ভাঙিয়ে আনলেও ৫টি আসনে থমকে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। সামনেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। এর ফলে জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি বিরোধী জোটে তৃণমূল কংগ্রেস কতটা গুরুত্ব পাবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কংগ্রেসকে সরিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিজেপি বিরোধী জোটের কেন্দ্র বিন্দুতে থাকার চেষ্টা করতে শুরু করে তৃণমূল। এমনকী নানা ইস্যুতে কংগ্রেসকে জোরালো ভাবে আক্রমণ করে ঘাসফুল নেতৃত্ব। কিন্তু জাতীয় দলের মর্যাদা হারানোয় বিজেপি বিরোধী জোটের রাশ হাতে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড়সড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যাওয়ার সঙ্গে আপ সেই মর্যাদা পেয়েছে। তাই এবার বঙ্গ আপ নেতৃত্ব নয়া উদ্য়মে রাজ্য়ব্যাপী সংগঠন জোরদার করতে প্রয়াস নিচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয়, হারল নাইটরা

দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতল ৩ উইকেটে। আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেই ব্যাটিং বিপর্যয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ২০ ওভারও ক্রিজে টিকতে পারল না শ্রেয়স আয়ারের দল! ১৮.৫ ওভারে গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৮ রানে। সর্বোচ্চ রান আন্দ্রে রাসেলের ২৫। দুর্দান্ত বোলিং করে নাইট রাইডার্সকে বিধ্বস্ত করলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। বাংলার আকাশদীপ নিয়েছেন ৩ উইকেট।টস জিতে এদিন নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় শ্রেয়স আয়ারের দল। ৩.১ ওভারে দলের ১৪ রানের মাথায় ভেঙ্কটেশ আয়ার আকাশ দীপের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তিনি ১৪ বলে করেন ১০। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। ১০ বলে ৯ রান করে মহম্মদ সিরাজের বলে শাহবাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অজিঙ্ক রাহানে। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে নীতীশ রানা আকাশ দীপের দ্বিতীয় শিকার। দুরন্ত ক্যাচ ধরেন ডেভিড উইলি। রানা করেন ৫ বলে ১০। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেটটি পড়ে কেকেআরের।এরপরই নাইটদের ইনিংসে ধস নামান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ৪ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ার (১০ বলে ১৩), সুনীল নারিন (৮ বলে ১২), শেল্ডন জ্যাকসন (১ বলে ০) ও টিম সাউদি (৫ বলে ১) হাসারাঙ্গার শিকার। নবম ওভারে সুনীল নারায়ন ও শেলডন জ্যাকসনকে পরপর দুই বলে ফেরান তিনি। স্যাম বিলিংস (১৫ বলে ১৪) ও আন্দ্রে রাসেল (১৮ বলে ২৫) হর্ষল প্যাটেলের শিকার। নাইট রাইডার্সকে লজ্জা থেকে বাঁচান উমেশ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী। জুটিতে ওঠে ২৭ রান। উমেশ যাদব ১২ বলে ১৮ রান করেন। বরুণ চক্রবর্তী ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। আকাশ দীপ ৪৫ রানা ৩ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেলের ৪ ওভারে ২টি মেডেন, ১১ রানের বিনিময়ে তিনি নেন ২ উইকেট। মহম্মদ সিরাজ ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সও শুরুতে বিপর্যয়ে পরে। ১৭ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায়। আউট হন ফাফ ডুপ্লেসি (৫), অনুজ রাওয়াত (০) ও বিরাট কোহলি (১২)। প্রথম ওভারেই অনুজকে তুলে নেন উমেশ যাদব। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে ফেরান টিম সাউদি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে কোহলিকে তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। কিন্তু প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ডেভিড উইলি ও শেরফানে রাদারফোর্ড। একাদশতম ওভারের শেষ বলে ডেভিড উইলিকে (২৮ বলে ১৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে টেনে নিয়ে যান শেরফানে রাদারফোর্ড ও শাহবাজ আমেদ। ২০ বলে ২৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে স্টাম্পড হন শাহবাজ। রাদারফোর্ড (২৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) আউট হলেও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন দীনেশ কার্তিক (অপরাজিত ১৪) ও হর্ষল প্যাটেল ( অপরাজিত ১০)। ৪ বল বাকি থাকতে ১৩২/৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুরের কাছে হেরে লিগ–শিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

A‌TK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে ফিরল কলঙ্কজনক অধ্যায়

বছর দশেক আগে এএফসি কাপে নাসাফ এফসির কাছে ৯০ ব্যবধানে হেরে ভারতীয় ফুটবলকে কালিমালিপ্ত করেছিল ডেম্পো। আবার সেই কলঙ্কজনক অতীত ফিরে এলে। সৌজন্যে এটিকে মোহনবাগান। এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালে নাসাফের কাছে ৬০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হল সবুজমেরুণ শিবির। গ্রুপ লিগে বেঙ্গালুরু এফসি এবং মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে হারিয়ে এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালে ওঠার পর এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। উজবেকিস্তানের নাসাফের কাছে হেরে স্বপ্ন চুরমার। লজ্জার মুখে পড়তে হল হাবাসের দলকে।আরও পড়ুনঃ বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছিসবুজমেরুণের এই বিধ্বস্ত হওয়ার পেছনে দায় এড়াতে পারেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় হাবাস। প্রথমত, ভুল দল নির্বাচন। দ্বিতীয়ত, দলের বোঝাপড়া গড়ে তুলতে পারেননি। নাসাফের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে যে ধরণের প্রস্তুতি নেওয়ার দরকার ছিল, তা নিতে পারেনি। তবে ধারেভারে নাসাফ যে অনেকটাই এগিয়ে ছিল, সেকথা অস্বীকার করে যাবে না। উজবেকিস্তানের সুপার লিগে খেলার মধ্যেই রয়েছে। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগানের সমস্যা ম্যাচ প্র্যাকটিসের অভাব। মাত্র ১৫২০ দিনের অনুশীলন করে ম্যাচ খেলতে নেমেছে। ফলে অনেকটা পার্থক্য যে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ আপনার একটা ভোট না পেলেও ক্ষতি হয়ে যাবে...কেন এমন বললেন মমতা?ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল নাসাফ। ৪ মিনিটে এগিয়েও যায়। বক্সের মধ্যে ভেসে আসা কর্ণার বিপদমুক্ত করতে গেলে প্রীতম কোটালের মাথায় লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মনোবলে ধাক্কা খায় এটিকে মোহনবাগান। নিজেদের সামলাতে পারেননি সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ১৮ মিনিটে নাসাফের হয়ে ব্যবধান বাড়ান খুসায়িন। মিনিট তিনেক পর তিনিই ৩০ করেন। ৩১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন খুসায়িন। ৪০ মিনিটে বাখরমকে বক্সের মধ্যে প্রীতম কোটাল ফাউল করলে পেনাল্টি পায় নাসাফ। বজোরভের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সেই বজোরভই ৫০ করেন।আরও পড়ুনঃ কোভিডে মৃত্যু হলে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্যনাসাফের বিরুদ্ধে প্রথমে ৩৪৩ ছকে শুরু করেছিলেন হাবাস। বিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে না পেরে ৪৩৩ ছকে চলে যান। নাসাফকে মাঝমাঠে আটকতে যার ওপর বেশি ভরসা করেছিলেন সেই জনি কাউকো প্রথমার্ধে একেবারে নিস্প্রভ ছিলেন। ডিফেন্সে তিরি আর সন্দেশ ঝিংঘানের মতো ফুটবলার না থাকাটাও বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। তার ওপর শেখ সাহিলের মতো তরুণ ফুটবলারকে এই ধরণের ম্যাচে নামিয়ে দিয়ে ঠিক করেননি হাবাস। প্রথম একাদশ নির্বাচনে একাধিক ভুল। সবুজমেরুণ ফুটবলারদের প্রথমার্ধে দিশাহীন মনে হচ্ছিল। মাঝমাঠে এটিকে মোহনবাগানকে দাঁড়াতেই দেননি। তাছাড়া শারীরিক দিক দিয়ে নাসাফের ফুটবলারদের থেকে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা অনেক পিছিয়ে।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাদ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান অনেকটা গুছিয়ে নেয়। মাঝমাঠে খেলা ধরতে পরিস্থিতি বদলে যায়। প্রথমার্ধেই ৫ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে তেমন ঘামায়নি নাসফ। ম্যাচ অনেক হালকাভাবে নেয়। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে বজোরভের একটা শট পোস্টে লাগে। ৭১ মিনিটে ৬০ করেন নারজুয়েলভ। শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল নাসাফ। কাজে লাগাতে পারেনি। জনি কাউকো ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচের শেষের দিকে তাঁকে তুলে নেন হাবাস।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Football League : কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডান

জয় দিয়ে দারুণ ভাবে এবছর মরশুম শুরু করেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতা লিগে পরপর দুটি ম্যাচে জয়। আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ডুরান্ড কাপেও সেই আত্মবিশ্বাসের রেশ বজায় ছিল। যুবভারতীতে উদ্বোধনী ম্যাচে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। কিন্তু ৭২ ঘন্টার মধ্যেই উল্টোপূরান। কলকাতা লিগে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে আটকে গেল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার ইউনাইটেড স্পোর্টসের সঙ্গে মহমেডানের খেলা শেষ হল ২২ গোলে। মহমেডানের হয়ে গোল করেন মার্কাস জোসেফ এবং জসকরণপ্রীত সিং। ইউনাইটেডের গোলদাতা সুব্রত মুর্মু এবং জগন্নাথ ওঁরাও। দুদিন পরেই ডুরান্ডের ম্যাচ। টানা খেলার ক্লান্তি এড়াতে প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে প্রথম একাদশে রাখেননি সাদাকালো কোচ। তাসত্ত্বেও ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে এদিন ভালোই শুরু করেছিল মহমেডান। ম্যাচের ৭ মিনিটে এগিয়েও যায়। পেনাল্টি বক্সের বাঁদিক থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন জসকরণপ্রীত সিং। ইউনাইটেড স্পোর্টস গোলকিপার কোনও রকমে বল বাঁচান। ফিরতি বল জালে পাঠিয়ে মহমেডানকে এগিয়ে দেন মার্কাস জোসেফ। এই লিড অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি মহমেডান। ১৭ মিনিটেই সমতা ফেরান ইউনাইটেড স্পোর্টসের সুব্রত মুর্মু। সেন্টার সার্কেলের সামনে থেকে বল ধরে এগিয়ে গিয়ে মহমেডানের দুজন ফুটবলারকে চোখের নিমেষে ইনসাইড এবং আউটসাইড ডজে মাটিতে ফেলে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান সুব্রত। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির প্রত্যন্ত গ্রাম তিলাকুলার দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন সুব্রত মুর্মু। ২০১৮ সালে ইউনাইটেড স্পোর্টস প্রতিভা অন্বেষণের সুফল এই তরুণ ফুটবলার। কলকাতা ফুটবল লিগে মহমেডানের বিরুদ্ধেই এদিন প্রথম মাঠে নেমেছিলেন। আর অভিষেক ম্যাচেই দুরন্ত গোল। সুব্রতর গোল নজর কেড়েছে মাঠে যারা উপস্থিত ছিলেন সকলেরই। স্বয়ং মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভও প্রশংসা করেছেন সুব্রতর গোলের। ম্যাচের ২৯ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় মহমেডান। ইউনাইটেড স্পোর্টসের বক্সের বাঁদিক থেকে সেন্টার করেন মাকার্স জোশেফ। সেই সেন্টারে হেড করে মহমেডানকে আবার এগিয়ে দেন জসকরণপ্রীত সিং। ৪৪ মিনিটে ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান জগন্নাথ ওঁরাও। প্রহ্লাদ রায়ের পাস থেকে গোল করেন তিনি। জয়ের লক্ষ্যে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আজহারউদ্দিন, ফৈয়াজদের নামান মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তিন কাঠি খুঁজে পাননি আজহার, মার্কাসরা। ম্যাচ শেষে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ বলেন, একদিন পরেই ডুরান্ডের ম্যাচ। তাই প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিলাম। ফুটবলাররা চেষ্টা করেছে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার সুযোগও পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারিনি।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal