• ৬ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Lok Sabha Election

দেশ

বাজার ভোলাতে মেরুকরণ

ছোটবেলায় শুনতাম বিজ্ঞজনেরা বলতেন, খেলার মাঠে রাজনীতি ঢুকলে sportsman spirit নষ্ট হয় । Spirit বলতে তাঁরা বোধহয় নৈতিকতার কথা বোঝাতেন। রাজনীতি তে নৈতিকতার ভাগ কবে থেকে কমতে শুরু করেছে আর এখন তা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত কিনা তা ভিন্ন প্রসঙ্গ। সে যাই হোক, চলমান লোকসভা ভোটের আবহে প্রসঙ্গটা হঠাৎ ই মনে এলো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেমন ধুরন্ধর strategy র জন্য ক্ষুরধার মাথার কোচেরই থাকেন তেমনই একদল দক্ষ পেশাদারের প্রবেশ ঘটেছে রাজনীতিতে। যারা ভোটের প্রচার কৌশল থেকে নেতা নেত্রীর ভাবমূর্তি তৈরির কারিগর। ভোট যুদ্ধে নেপথ্যে থেকে এরা সেই কাজ করে যান।সাত দফা লোকসভা ভোটের পাঁচ দফার অন্তিম যাত্রা শেষ। ভোট শুরুর আগে একরকম প্রচার, প্রথম দফার ভোটের আগে অন্য রকম এবং দ্বিতীয় দফার ভোট থেকে বিজেপির প্রচারে বিভিন্ন সুর। প্রচারের এই নানা স্তর নিয়ে বিতর্ক এবং মতামতের স্রোত বয়ে চলেছে। বিরোধীরা বলছেন ভোট যত এগোচ্ছে তত ই স্নায়ুর চাপ বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের। তাই প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রচারে বারবার বক্তব্য বদলাচ্ছেন। এমনকি অনেক সময় সেই বক্তব্য পরস্পর বিরোধী। আমি এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নই। বিজেপি এখন বিশ্বের সেরা পেশাদার রাজনৈতিক দল। তাই তাদের প্রচারে বিভিন্ন মুখ যে সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই কৌশল শেষ পর্যন্ত কাজে দেবে কি দেবে না তার উত্তর আমার জানা নেই। ভোট শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়ে ছিল তাঁর সরকারের সাফল্য আর বিশ্ব শক্তির নিরিখে ভারতের দৃঢ় অবস্থান। ভোট শুরুর মুখে এলো স্ংকল্প পত্র। যা বহু কল্যানময় প্রকল্পের রূপায়নে মোদী কি গ্যারান্টি বললেই ভালো হয়। আবার ভোটের দ্বিতীয় দফা থেকে চিরাচরিত গেরুয়া রঞ্জিত হিন্দু মুসলিম বিভাজন। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারকে নিশানা করে চলছে এই মেরুকরণ। প্রধানমন্ত্রী বলছেন সব সংরক্ষণ মুসলিমদের দেওয়া হবে, অন্য পিছিয়ে পড়া শ্রেনীর ভাগ কমে যাবে। কংগ্রেস হিন্দু নারীদের মঙ্গলসূত্রও ছিনিয়ে নেবে। এরই সঙ্গে রয়েছে হিন্দুত্ব বনাম সংখ্যালঘুর কড়া dose.বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব জানে, ২০১৪ এবং ২০১৯শে প্রচারে স্বপ্ন দেখানোর জমি এখন আর ঊর্বর নয়। দশ বছর শাসনের পরে শুধু সরকারের সাফল্য প্রচার করে যতটা চাই ততটা ভোট পাওয়া যাবে না। কারণ সেই সাফল্যে অনেক ছিদ্র রয়েছে। এই ছেঁড়া ফাটা সাফল্যের আকাশে নতুন স্বপ্নের তারা টাঙালে ভবি ভুলবে না। তাই বাউলের আলখাল্লার মতো প্রচারের পোশাকে নানান রঙের তালি। এই সবের পাশাপাশি একটি বিষয় বিজেপি কে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। সেটি হলো খাদ্য দ্রব্যের দামে severe heatwave. April মাস থেকে খাদ্য দ্রব্যের খুচরো এবং পাইকারি দামে inflation rate ঊর্ধ্বগামী। গত পাঁচ মাস ধরে আনাজের inflation rate ২৭.৫ শতাংশের উপরে। এছাড়াও pulse, cereals, মাছ, মাংস আর ফলের দাম বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বাড়ছে ভোজ্য তেলের দাম। Crisilয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী বাড়িতে একজনের খাবারের থালার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকার ও বেশি। পেঁয়াজ, টমেটো আর আলুর দাম বাড়ার কারণে গৃহস্থের নাভিস্বাস উঠছে। কেন্দ্রের নিজস্ব পোর্টাল Agmarknet. Agmarknet দেখাচ্ছে টমেটোর খুচরো বাজারে দাম ৬১ শতাংশ বেড়েছে। আলু আর পেঁয়াজের দাম ৫০% বেড়েছে। ১৯৮০তে জনতা সরকারের পতনে ইন্দিরার ক্ষমতায় ফেরা আর ১৯৮৯ তে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের পিছনে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কাহিনী চালু আছে। এর সঙ্গে রয়েছে ২০০৪ সালের বাজপেয়ী সরকারের India Shining স্লোগানের ভরাডুবি। এই প্রেক্ষাপটে খালি পেটে অথবা বাজারের আগুন মুখে নিয়ে বুথে গেলে কি হবে কিচ্ছু বলা যায় না। এই আশঙ্কা থেকেই হয়তো মনহরা হিন্দু মুসলিম মেরুকরণের আদি পথেই ফিরলো বিজেপি।

মে ২১, ২০২৪
দেশ

গন্ডি মুছে উৎসবে কাশ্মীর

আকাশ জুড়ে অশান্তির কালো মেঘ। সেই মেঘের ছায়ায় রাস্তায়,পাকদন্ডিতে, হাঁটে বাজারে, বাড়ির উঠোনে, অন্দরে ওৎ পেতে থাকা কঠিন শীতল ভয়ার্ত পরিবেশ। বিগত ২৫ বছরে এই ছবি ছড়িয়ে থেকেছে হিমালয়ের নিচে লুটিয়ে থাকা কাশ্মীর উপত্যকায়। এবার ২০২৪ য়ের লোকসভা নির্বাচনে সেই কালো মেঘ মুছে গিয়ে প্রখর সূর্যের কিরণ ছড়িয়েছে বললে বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তবে আলোর মুখ যে দেখা গিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে জাতীয় সংবাদ পত্র, টেলিভিশন এবং সমাজ মাধ্যমে অবশেষে ঠাঁই পেয়েছে কাশ্মীরের ভোট আবহ। সৌজন্য শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রের উল্লেখযোগ্য হারে মানুষের ভোট দান। ভোট দান নাগরিকের অধিকার। যোগ্য ভোটার দের ভোট গ্ৰহন কেন্দ্রে টেনে আনতে প্রতি ভোটের আগে এই কথাটা মনে করিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। ভোট দানের হার বাড়াতে চলে নিরলস প্রচার। গত তিন দশক ধরে গনতন্ত্রের এই উৎসবের দিকে এক অদৃশ্য গন্ডিতে আবদ্ধ থেকে তাকিয়ে থেকেছে অধিকাংশ কাশ্মীর বাসী। গত সোমবার শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রে ৩০.৮৯% ভোটের হার এক টানে সেই অদৃশ্য গন্ডি মুছে দিয়েছে। ২১৩৫ টি ভোট গ্ৰহন কেন্দ্রেই ছিল ভোটার দের সবল উপস্থিতি। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগর কেন্দ্রে ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল। সেই ভোট নিয়ে অবশ্য অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে তার পর থেকেই ভোট দানের হার ক্রমশ কমেছে। উজ্জ্বল ব্যতিক্রম ২০২৪। শ্রীনগরে ভোট শেষ। ২৫শে মে ভোট গ্ৰহন হবে অনন্তনাগ-রাজৌলি ও বারামুলা লোকসভা কেন্দ্রে। তিন লোকসভা কেন্দ্র মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা ৮৬.৯ লক্ষ। এর মধ্যে ৩.৪ লক্ষ ভোটার এবার প্রথম ভোট দেবেন। শ্রীনগর যে পথ দেখিয়েছে তাতে অনেকের আশা কাশ্মীর উপত্যকায় এবার মোট ভোট দানের হার ৫০% ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে ৩৭০ ধারা এবং এই statehood বাতিলের পরে ঝিলম ও চেনাব পারে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ভোট। বাতিল পর্বের আগে পরে চিনার, পাইনের ডালে ডালে নানান ওঠা পড়ার হাওয়া ছুঁয়ে গিয়েছে। তবে দুয়েকটি হাতে গোনা serious magazine আর কিছু সংবাদপত্রে ভোট মুখি কাশ্মীরের যে স্পন্দন ধরা পড়ছিল তাতে বোঝাই যাচ্ছিল যে কাশ্মীর বাসী এবার ভোটের দিন বিপুল সংখ্যায় পথে নামবেন। বিভিন্ন প্রচার সমাবেশ এবং মিছিলে মানুষের যে ঢল দেখা গিয়েছে বিশেষজ্ঞ দের মতে তা বিগত তিন দশকে দেখা যায় নি। কাশ্মীর বাসীর এই , intense and vibrating mood নির্বাচন কমিশন কে ও স্বস্তি দিয়েছে।অনেকের মত উপত্যকা বাসীর মনের ভিতরে জমে থাকা বঞ্চনার ক্ষোভ আর আবেগ এবার EVM এ প্রকাশ পাবে। ১৯৯৬ সালের পর থেকেই কাশ্মীরে ভোট এলেই সন্ত্রাস বাদী দের ভোট বয়কটের ডাকে সন্ত্রস্ত থাকতেন সাধারণ মানুষ। এর পাশাপাশি নানান প্রশাসনিক অবিচারের অভিযোগ ও পা টেনে রাখতো সাধারণ ভোটারদের। এবার সেই চিত্রনাট্য উধাও। সম্প্রতি জঙ্গি গোষ্ঠী the resistant front য়ের commander বশিত দার সহ তিন জঙ্গির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয়। অতীতে এই ঘটনার পরেই ভোট বয়কটের ডাক ছড়িয়ে পড়ত। মনের ইচ্ছে মনে রেখে ভোটের দিন দুয়ার এঁটে থাকতেন সাধারণ মানুষ। এবার সবকিছুই অন্যরকম। এই ঘটনার পরেও কাশ্মীরের মানুষের ভোট উদ্দিপনায় ভাঁটা পড়েনি। ৫৪৩ সাংসদের লোকসভায় কাশ্মীরের তিনটি আসন হয়তো বিশেষ কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবু জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের স্বর গেঁথে দেওয়ার সুযোগ হারাতে চাইছেনা কাশ্মীর। সেই স্বরের ই প্রতিধ্বনি শোনা গেল শ্রীনগর কেন্দ্রের ভোটে। প্রায় তিন দশক দূর থেকে দাঁড়িয়ে গনতন্ত্রের উৎসব দেখেছে কাশ্মীর। এবার স্বর্গ সহোদর ভুখন্ডের মানুষ গনতন্ত্রের উৎসবের একেবারে মাঝখানে। আমরা যারা অখন্ড ভারতে বিশ্বাসী তাদের কাছে এ কম সুখের সময় নয়।

মে ১৬, ২০২৪
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচন!!! স্ট্রিং অপারেশনে কার কতটা সুর কাটল!

চুপ লোকসভা নির্বাচন চলছে । পশ্চিমবঙ্গে দাঁড়িয়ে এই উচ্চারণ করা যাবে কি? রাজনীতি পন্ডিত রা বলে থাকেন লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক পার্থক্য থাকে।এই কারণে অনেক রাজ্যে অনেক সময় ভোটার রা বিধানসভায় যে দলকে ভোট দেন লোকসভায় তাদের দেন না। লোকসভা নির্বাচন আর বিধান সভা নির্বাচনের ইস্যুর মধ্যে ও অনেক পার্থক্য থাকে। সোজা কথা, লোকসভা নির্বাচনের ফল স্থির করে দেয় কারা দেশ শাসন করবে। আর বিধান সভা নির্বাচন জানিয়ে দেয় রাজ্যের শাসনভার কোন দলের মধ্যে থাকবে। কিন্তু লোকসভা ভোটের এই ভরা মরশুমে দেখুন পশ্চিমবঙ্গে কি হচ্ছে।রাজ্যের শাসক দল আর প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম কংগ্রেসের জোটের ইস্যু ভিত্তিক প্রচারে চোখ রাখুন অথবা কান পাতুন তাহলেই বিষয়গুলি পরিষ্কার হয়ে যাবে।ভোটের দামামা সজোরে বাজার আগেই দলের প্রচারের সুরটা বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী ভারত। বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভাঙ্গা গড়ার মাঝে গুরুত্ব পাওয়া ভারত। এই দুই অক্ষে আগামী দিনে ভারতের আগামী দিনে ভারতের আরো শক্তিশালী হয়ে ওঠার গ্যারান্টি, তার সঙ্গে বিজেপির সঙ্কল্প পত্রএ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আরও অসংখ্য গ্যারান্টির দীর্ঘ তালিকা । এই তালিকার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চতূর্বণ কৃষক, যুব, নারী ও দরিদ্রের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে CAA এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার অঙ্গীকার। এর ই মাঝে কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া মঞ্চের তীব্র এবং শ্লেষাত্মক আক্রমণ। যদিও দ্বিতীয় পর্বের ভোটের পরে প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপির সেই পুরোনো চাল ধর্মীয় মেরুকরণের পথেই ফিরেছেন ।অন্য দিকে বিরোধীদের ইস্যূ ভিত্তিক প্রচারে বিজেপির পাল্টা ন্যারেটিভ। বিজেপির দশ বছরের শাসনে দেশের বেড়ে চলা বেকার সমস্যা। অর্থনীতির সুফল মুষ্টিমেয় ধনীর কোষাগারে জমা পড়া। আর্থিক অসাম্য বেড়ে চলা। দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন। মোটামুটি এই ইস্যুগুলিকে হাতিয়ার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাতিয়ার করে বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চাইছেন। কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীর গ্যারান্টির বিপরীতে বিকল্প হিসেবে নারী, কৃষক,যুব ও দরিদ্রের উন্নয়নের কথা বলছে।এবারে পশ্চিম বঙ্গের ভোট যুদ্ধের দিকে তাকানো যাক। রাজ্যে ৪২ টি লোকসভা আসন। এই আসনগুলির অবস্থান গত দিকে যেমন পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র, রুক্ষ এবং কোমল মাটির বৈচিত্র্য তেমন ই বৈচিত্র্য প্রকৃতিতে এবং সংস্কৃতিতে । এমন বৈচিত্র্যপূর্ণ রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ইস্যুতে কোনো বৈচিত্র্য নেই। সেই থোড় বড়ই খাড়া, খাড়া বড়ি থোড় । বিগত এক বছর ধরে টেলিভিশনের খবরে সান্ধ্য তরজায় এবং সমাজ মাধ্যমে যে বিষয়গুলি শুনতে শুনতে কানে লাগার জোগাড় সেই ইস্যুগুলিই বিকট সুরে প্রচারাভিযানে বাজছে। এই প্রতিযোগিতায় শাসক বিরোধী কোন পক্ষ ই পিছিয়ে নেই। শুধু কাটমানির জায়গা নিয়েছে ssc scam আর সামাজিক ইস্যু বলতে সন্দেশখালি । তারা নিজেদের ব্যাতিক্রমী বলে দাবি করে সেই বামেরা ও এই গড্ডালিকাপ্রবাহের সম্পুর্ন বাইরে নেই। তবে আমি বলছিনা রে ssc scam বা সন্দেশখালি আমাদের মুখ কালো করে দেয়নি , কিন্তু এই দুই অনাচারের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মতো বিষয়গুলিতেও বাংলার ভোটার দের মতামত রয়েছে। অথচ তার সম্পূর্ণ উপেক্ষিত।বিশেষ করে বলতে হয় সন্দেশখালির কথা। দ্বীপ কে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যেও বহু কালজয়ী কবিতা, গল্প, উপন্যাস রয়েছে। কিন্তু সন্দেশখালির দ্বীপ ভূমি আমাদের লজ্জার আঁধারে ঢেকেছে। কিন্তু বিজেপির শীর্ষ, মাঝারি, ছোট মাপের নেতারা ভোট জিততে সন্দেশখালিকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তাঁদের মুখে নারী সন্মানের কথা আলাদা ভাবে রয়েছে।আসল লক্ষ তৃনমূলের অপশাসন হিসেবে দেখিয়ে ভোট টানা। যে কারনে রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছেন, লোকসভায় তৃনমূলের থেকে বেশি আসন পেলেই সরকার পড়ে যাবে। ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অর্থাৎ বঙ্গের ভোটার দের এই নির্বাচনে দেশের কথা না ভেবে রাজ্যে সরকার বদলের কথা ভাবলেই হবে। এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও ক্লিপ নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। সেই ভিডিও দেখিয়ে তৃনমূল বলছে সন্দেশখালির ঘটনা বিজেপির সাজানো। বিজেপি বলছে সবটাই ভুয়ো। দুপক্ষই নারী সন্মান নিয়ে গলার শির ফোলাচ্ছে। যেন দুপক্ষের লড়াইতেই ফয়সালা হয়ে যাবে। যারা সেখান কার বাসিন্দা, তাদের প্রতিবাদী এবং শাসকপক্ষ পথে নামালো তাঁদের যেন কোনো ভুমিকা নেই। ভোটকে তো জনমত ও বলা হয়। এই প্রবল হুঙ্কার এবং পাল্টা হুঙ্কারের মাঝে তারা অনেক টাই নিশ্চুপ। তাঁরা EVMয়ে সরব হবেন। ততক্ষণ সব পক্ষের দাবি পাল্টা দাবি চলবে।পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,মূর্তি ভাবে আমি দেবহাসে অন্তর্যামী।

মে ১০, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যে ৭ দফায় দেড় মাস ধরে লোকসভা নির্বাচন, দুই আসনে হবে উপনির্বাচন

লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এবার ৭ দফায় লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ২০১৯ সালেও এরাজ্যে মোট ৭ দফায় লোকসভা ভোট হয়েছিল।এবছর ভোটের একাধিক দফা-ইস্যু নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের। এমনকী রাজ্যে সফররত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের কাছেও ভোটের দফা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল শাসকদল তৃণমূল। তবে শেষমেশ সব দিক বিবেচনা করেই ফের একবার ৭ দফায় লোকসভা ভোটের ঘোষণা কমিশনের।আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট শুরু। ওই দিন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে লোকসভা নির্বাচন হবে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ আগামী ২৬ এপ্রিল। ওই দিন ভোটগ্রহণ রায়গঞ্জ, বালুরঘাট ও দার্জিলিঙে।তৃতীয় দফার ভোট আগামী ৭ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ মালদহ দক্ষিণ, মালদহ উত্তর, জঙ্গিপুর, মুর্শিদাবাদে। বাংলায় চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ আগামী ১৩ মে। ওই দিন ভোটগ্রহণ বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বর্ধমান-পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর, বীরভূমে।আগামী ২০ মে রাজ্যে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ওই দিন ভোটগ্রহণ হবে বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, হুগলি, আরামবাগ, বারাকপুর, শ্রীরামপুরে। আগামী ২৫ মে রাজ্যে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। ওই দিন তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর কেন্দ্রে লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যে শেষ অর্থাৎ সপ্তম দফার নির্বাচন আগামী ১ জুন। ওই দিন ভোটগ্রহণ দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।এরই পাশাপাশি রাজ্যের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এরাজ্যের ভগবানগোলা কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও একেবারে শেষ দফার লোকসভা নির্বাচনের অর্থাৎ ১ জুন বরাহনগর কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মার্চ ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলায় লোকসভা নির্বাচন, তৃণমূলের নিশ্চিত জয় ৩০-৩৫ টি আসনে! বিজেপির টার্গেটও ৩৫

আর আগের মতো ৪২ এ ৪২ নয়। বাংলা লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অনুমান তাদের নিশ্চয় জয় ৩০-৩৫ আসনে। ২০১৯এর মতো ২০২৪ এ তৃণমূলের হুঙ্কার ছিল বাংলার ৪২টির মধ্যে সবকটিতেই উড়বে জোড়াফুল পতাকা। ৪২এ ৩৫ টার্গেট বেঁধে দিয়েছিল বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ। সময় এগোতে সেই সংখ্যাই যেন পাখির চোখ তৃণমূলের!লোকসভা ভোটের আগে শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিভিন্ন সংস্থার জনমত সমীক্ষা। আর ভোট ঘোষণার দিনই তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলে দিলেন, এবার লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস কটি আসন পেতে পারে।শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষ বলেছেন, লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিতভাবে পাবে। বাম, কংগ্রেস শূন্য পাবে। কোথাও কোনও আসন পাবে না তারা। আর বিজেপিকে কীভাবে দুটি, তিনটি, চারটি আসনে বেঁধে রাখা যায়, তা দেখতে হবে। আমাদের টার্গেট বাংলায় বিয়াল্লিশটার মধ্যে বিয়াল্লিশটা আসন। তবে ৩০ থেকে ৩৫ আসন নিশ্চিত। এর পর তা কতটা এগোনো যায়, দেখতে হবে।অর্থাৎ ৪২টির বদলে এখন তৃণমূলের নজরে বাংলার ৩৫ আসন।২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূল ৪২-এর মধ্যে ৩৪ টি আসন পেয়েছিল। ২০১৯-য়ের ভোটে তৃণমূলের আসন সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২-টিতে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বাংলার কটি আসন তৃণমূল পায় সেটিই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৪
সম্পাদকীয়

এবার বঙ্গে নানা রঙ

দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে লোকসভা নির্বাচন। এবার লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক চালচিত্রে অনেক রঙ। শুরুতে নির্বাচনী লড়াই তৃনমূল - বিজেপি এই binary তে ঘুরপাক খেলেও নির্বাচনের মুখে এসে তা কিছুটা ফিকে হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের সংবাদ মাধ্যমে ভেসে ওঠা খবরের নীচে তাকালে এই ছবিটি ধরা পড়বে। সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে প্রভাবের দিক থেকে পরিসরে ছোট হলেও নতুন শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছে আই এস এফ। তবে, লোকসভা নির্বাচনের মতো বড় মাঠে তারা কতটা নজর কাড়তে পারবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।যদি তারা রাজ্যের ৪২ টি আসনের মধ্যে কিছু আসনে সংখ্যালঘু ভোট নিজেদের দিকে কিছুটা টানতে পারে তাহলে তৃণমূলের কপালে দুঃখ আছে। রাজ্যের প্রায় ১২০ টি বিধানসভায় ২০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে। ২০০৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে এই ভোট বামপন্থীদের দিক থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করে। ২০১১ র বিধানসভা নির্বাচন থেকে এখনো পর্যন্ত রাজ্যে যে নির্বাচন গুলি হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের প্রায় পুরোটাই কংগ্রেস ও বামেদের থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কেই ইভিএম কে বেছে নিয়েছে। ফলে এই ভোটে ফাটল ধরলে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক আসনই প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়বে।বামপন্থীরা ও এবার দাবি করেছে তাদের স্বাভাবিক মিত্র সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ তাদের ঝোলায় ফিরবে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি দুহাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন রাজ্যের মহিলারা। ২০১৯-র লোকসভা ভোটে কিছুটা কোনঠাসা হয়ে পড়লেও ২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই ক্ষেত্রেই ভোটাররাই তৃণমূল সুপ্রিমোকে বিশাল জয় এনে দিয়েছেন।রাজ্যের মহিলা ভোটারদের সন্তুষ্ট রাখতেই লক্ষ্মীভান্ডার ও কন্যাশ্রীর মত প্রকল্প তৃণমূল সরকারের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। সম্প্রতি, সন্দেশখালির ঘটনায় বিরোধীরা তাই সরকারি এই লোহার ঘরে আঘাত হানাই পাখির চোখ করেছে। রাজ্য বিজেপির ছোট বড় মাঝারি নেতারা পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা নিরাপদ নয় এই প্রচারে যে জোর দিয়েছেন তা সর্বভারতীয় স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রদেশ কংগ্রেস, বামপন্থীরা এবং আই এস এফ ও, এই তিরে তৃণমূল কে বিদ্ধ করা যাবে বলে মনে করছে। গত কয়েক বছর ধরে National Crime Record Bureau র রিপোর্টে মহিলাদের জন্য কলকাতাকে সবচেয়ে নিরাপদ শহর বলা হয়েছে। বিজেপি কে বিঁধতে গেরুয়া শাসিত রাজ্যের তুলনায় এই পরিচিতি কে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনা তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।এর পাশাপাশি বিরোধীরা সন্দেশখালির সঙ্গে নন্দীগ্ৰামের ঘটনার মিল রয়েছে বলে প্রচার শুরু করেছেন। তবে এই প্রচারে তৃণমূলের অবশ্য বিশেষ উদ্বেগ নেই। তাঁর কারণ হলো নন্দীগ্রাম এবং সিঙ্গুরে যে জন-অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল তা ছিল সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। সন্দেশখালিতে অসন্তোষ কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নয়, সেখানে মহিলারা পথে নেমেছেন তৃণমূলের স্থানীয় বাহুবলী নেতাদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই কৌশল করে, জোর করে নেওয়া জমি ফিরে পেতে তাঁরা ভূমি রাজস্ব দপ্তরে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। পাশাপাশি, যে তৃণমূল নেতারা সেখানে রাজত্ব চালিয়েছেন তাদের আশ্রয় দাতা হিসেবে পুলিশ কে তুলোধুনা করলেও পুলিশের কাছে তারা অভিযোগ নথিভুক্ত করেছেন। একই সঙ্গে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও প্রশাসনের দারস্থ হওয়ার মধ্যে সরকার বিরোধিতা কতটা রয়েছে তা আগামী দিনে ইভিএম-ই বলতে পারবে। তবে এখনো পর্যন্ত সন্দেশখালির রেশ রাজ্যের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে যা তৃণমূলকে কিছুটা স্বস্তিতে রেখেছে। সন্দেশখালিতে মোট ১৮টি গ্ৰাম পঞ্চায়েত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত দুটি গ্ৰাম পঞ্চায়েতে প্রতিবাদ বা প্রতিরোধের ছবি দেখা গিয়েছে। তবে তৃণমূল কে অস্বস্তিতে ফেলতে বিজেপি ধারাবাহিক ভাবে সন্দেশখালিকে প্রচারের আলোয় রেখেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে দুবার পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সন্দেশখালি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। এই রাজ্যে মহিলারা তৃণমূলের বাহুবলীদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছেন এই প্রচারই তাঁর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়ে থেকেছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩.৭৩ কোটি। গত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৭টিতে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা বেশি ভোট দিয়েছেন। এই কেন্দ্রগুলির মধ্যে আটটিতে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই তথ্য থেকেই বোঝা যায় পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মহিলা ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এবারে লোকসভা নির্বাচনের মুখে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি তে যোগ দান। অতীতে সুপ্রিম কোর্টের অথবা হাইকোর্টের বিচারপতি পদ ছেড়ে দিয়ে রাজনীতিতে এসে ভোটে দাঁড়ানোর নজির থাকলেও এই রাজ্যে সেই নজির নেই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন রঙ লেগেছে। তাঁর পক্ষে বিপক্ষে মত প্রকাশ শুরু হয়েছে।সাম্প্রতিক কালে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির মামলায় তাঁর বিচার তাঁকে তুমূল জনপ্রিয়তা দিয়েছে। অনেকেই তাকে প্রকাশ্যে ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর এজলাসে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় থাকা অনেক বিচারপ্রার্থী তাঁর এই সিদ্ধান্তে হতাশ হলেও বিরূপ হননি। এই অবস্থায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে বিজেপি যদি প্রার্থী করে তাহলে ভোটযুদ্ধে তাঁর এই জনপ্রিয়তা কতটা ইভিএমে ধরা পড়বে তা দেখার অপেক্ষায় থাকা ছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কোনো পথ নেই।

মার্চ ০৮, ২০২৪
দেশ

বাংলাই জনসভা সেরে দিল্লি পৌঁছাতেই ঘোষণা ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপি-র পার্থীতালিকা

আরামবাগ ও কৃষ্ণনগরে জনসভা সেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে পৌঁছাতেই বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে এরাজ্যের ২০টি আসন আছে। এখনও লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়নি। সর্বভারতীয় দল হিসাবে প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলো বিজেপি।নীচে রইল এরাজ্যের ২০ আসনে বিজেপির ঘোষিত প্রার্থী।পশ্চিমবঙ্গের প্রার্থী তালিকাকোচবিহার - শ্রী নিশীথ প্রামাণিকআলিপুরদুয়ার - শ্রী মনোজ টিগ্গাবালুরঘাট - ড. সুকান্ত মজুমদারমালদা উত্তর - শ্রী খগেন মুর্মুমালদা দক্ষিণ - শ্রীমতী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীবহরমপুর - ড. নির্মল কুমার সাহামুর্শিদাবাদ - শ্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষরানাঘাট - শ্রী জগন্নাথ সরকারবনগা - শ্রী শান্তনু ঠাকুরজয়নগর - শ্রী অশোক কান্ডারীযাদবপুর - ড. অনির্বাণ গাঙ্গুলিহাওড়া - ড. রথীন চক্রবর্তীহুগলি - শ্রীমতী লকেট চট্টোপাধ্যায়কাঁথি - শ্রী সৌমেন্দু অধিকারীঘাটাল - শ্রী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়পুরুলিয়া - শ্রী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোবাঁকুড়া - ড. সুভাষ সরকারবিষ্ণুপুর - শ্রী সৌমিত্র খাঁআসানসোল - শ্রী পবন সিংবোলপুর - শ্রীমতী প্রিয়া সাহা

মার্চ ০২, ২০২৪
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর নিয়ে বিরাট প্ল্যান শুভেন্দুর, দুই আসনেই কি অধিকারী পরিবারের প্রার্থী?

লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে বিজেপি। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর জেলার দিকে সকলের নজর।২০০৯ থেকে ২০১৯- টানা তিনবার তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির অধিকারী। তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ হয়েছিলেন, ২০১৬ সাল থেকে সেখানকার সাংসদ শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু।রাজনৈতিক মহলের খবর, এবার লোকসভা নির্বাচনে এই দুটি আসনের অন্তত একটি থেকে অধিকারী পরিবারের কাউকে প্রার্থী করতে চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার লক্ষ্যে কোনও একটি আসন থেকে দাঁড় করানোর প্রস্তাব এলেও শুভেন্দু তা নাকচ করেছেন। শুভেন্দু বারবারই বলে চলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে ছাড়বেন। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে তিনি চলে গেলে বাংলায় যাতে তৃণমূল খোলা ময়দান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক শুভেন্দু। তাঁর বর্তমানে একটাই লক্ষ্য, রাজ্যে সরকারের পালাবদল ঘটানো।তবে কাঁথি ও তমলুক লোকসভা আসন দুটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। স্ট্র্যাটেজিও তৈরি করছেন। সূত্রের খবর, পরিবারতন্ত্রের তির যাতে তাঁর দিকে ধেয়ে না আসে, সে কারণে অধিকারী পরিবারের কেউ প্রার্থী হোন, তা চাননি শুভেন্দু। কিন্তু অনড় বিজেপি নেতৃত্ব।শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীকে যে তৃণমূল প্রার্থী করবে না তা স্পষ্ট। শিশির অধিকারী বয়সের কারণে আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলেই খবর। তবে তিনি ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করবে না তৃণমূল। তাঁর সমর্থন থাকবে শুভেন্দু-সহ ছেলেদের দিকেই।শিশির অধিকারীর চার পুত্র। সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তৃণমূল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে চেয়েছে বলেও অভিযোগ। শুভেন্দুর ছোট ভাই জেলার নানা প্রান্তে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়।দিব্যেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন। রাজ্যে মোদীর কোনও সভাতেই দিব্যেন্দু দল বদল করতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। তবে তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করবে না বলেই জানা যাচ্ছে। দিল্লিতে কোনও উচ্চপদ দেওয়া হতে পারে তাঁকে।সেক্ষেত্রে দিব্যেন্দুর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বড় চমক থাকবে বলেই খবর। তা এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না। শিশির অধিকারীর কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চলেছেন সৌমেন্দু অধিকারী। জেলায় বিজেপির প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা যেতে পারে বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে। যেভাবে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে নানা কু-কথা বলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব তাতে বীতশ্রদ্ধ শিশির, দিব্যেন্দুরা। তাঁদের নিষ্ক্রিয় করে রেখে আক্রমণ করা হয়েছে লাগাতার। বিশেষ করে দলের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রভূত অবদান রেখেও যে অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে হয়েছে বিগত কয়েক বছরে, তাতে বিরক্ত শিশির অধিকারী। এই আবহে অধিকারী পরিবার যে কত বড় ফ্যাক্টর, আসন্ন লোকসভা ভোটে ফের সেই শিক্ষা তৃণমূল পাবে বলেই উপলব্ধি জেলার রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
রাজ্য

ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বক্তব্য একনজরে

গুরু গোবিন্দ সিং ৪ জন সাহেবজাদা মুঘলদের অনেক অত্যাচার সহ্য করেছিলেন, কিন্তু নিজের ধর্ম ত্যাগ করেননি, তাঁর বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোদীজি তাঁদের শাহাদাত দিবসকে বীর বাল দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন।◈ পশ্চিমবঙ্গে দিদির ভয়ে, প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া জনসাধারণের কাছে বিজেপির মতামত প্রকাশ করতে দেয় না।◈ সোশ্যাল মিডিয়া কর্মীদেরকে কেউই বাংলায় বিজেপির পদ্ম চিহ্ন এবং আবার একবার মোদি সরকারের স্লোগান পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারবে না।◈ ২০১৫ তে দিদি বিজেপিকে গুরুত্ব দেননি, কিন্তু আমাদের কর্মীরা লোকসভায় ১৮টি আসন এবং বিধানসভায় ৭৭টি আসন জিতেছিল।◈ আমরা বিধানসভায় ৩ থেকে ৭৭ টি আসন পেয়েছি। লোকসভায় আমরা শূন্য থেকে ১৮ টি আসন লাভ করেছি। আগামী দিনে ৩৫ টি আসন পাবো সেটা দিদিও ভালো ভাবে জানে। ◈ এ বার মোদী সরকারের পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৫টি আসন আসবে।◈ যদি আপনারা বাংলা থেকে ৩৫ টি পদ্ম দেন তাহলে সোনার বাংলার গ্যারেন্টি মোদীর। ◈ স্বাধীনতার আগে বাংলা সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল, কিন্তু দিদির শাসনে বাংলা কালো টাকা, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে।◈ বাংলায় যেখানে আগে রবীন্দ্রসংগীত শোনা যেত, আজ সেখানে বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।◈ যখন বাংলা থেকে বামপন্থী শাসন উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তখন গোটা দেশ এবং বাংলার মানুষ খুশি হয়েছিল, কিন্তু দিদি যেভাবে শাসন চালিয়েছেন তাতে জনগনের বক্তব্য হলো যে বামপন্থীরা এর চেয়ে ভাল ছিল।◈ যাদের বাড়ি থেকে ৫০-৫০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের কনস্টেবল বলে ডেকেছেন দিদি, যখন কনস্টেবলের কাছে এত টাকা তখন মালিকদের কাছে কত টাকা থাকবে?◈ বাংলায় বিজেপি সরকারের অর্থ - অনুপ্রবেশ এবং গরু চোরাচালান বন্ধ করা এবং শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া।◈ দিদি শরণার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য জিজ্ঞাসা করলেন CAA কার্যকর হবে কি না? CAA দেশের আইন এবং এটি বলবৎ থাকবে।মোদিজির নেতৃত্বে, ভারত সব ক্ষেত্রেই উন্নতি করছে, কিন্তু বাংলাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি, কারণ দিদি ভয় পাচ্ছেন যে যদি মোদির পরিকল্পনাগুলি সবার কাছে পৌছে যায়, তাহলে ওনার ভোট বেস ভেস্তে যাবে।◈ দিদি! আপনার সমর্থনের ভিত্তি কমে গেছে এবং বাংলার মানুষরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এবার মোদি সরকার গঠন করা হবে।◈ দিদি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। এনারা তাদের কাটমানি বিদেশে নিয়ে যায়, বাংলো তৈরি করে এবং তারপর চপ্পল পরে ঘুরে বেড়ায়। এখন আর চপ্পলের ফাঁদে পা দেবে না বাংলার মানুষ। বাংলার মানুষ কোটি টাকার বাংলো, কাটমানি, সিন্ডিকেট, অনুপ্রবেশকারী ও মাফিয়াদের হিসাব চায় এবং এই হিসাব মমতা দিদিকে দিতে হবে।◈ গোটা দেশ জানে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের কী ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সারা দেশে বিজেপি কর্মীরা আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।◈ দিদি ভোট ব্যাংকের জন্য অনুপ্রবেশকারীদের আঁকড়ে ধরে দেশের নিরাপত্তা সাথে খেলা করছেন।◈ TMC সাংসদ সদস্যরা তাদের লোকসভা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড একজন ব্যবসায়ীকে দেন, সাংসদরা যারা টাকা এবং দামি উপহার নিয়ে প্রশ্ন করেন তারা দেশকে নিরাপদ কি করে রাখতে পারবে? তারা বাংলার দারিদ্রতা এবং গ্রামের বিদ্যুৎ নিয়ে প্রশ্ন করেনি, কারণ গরিব মানুষ তাদের দামী উপহার দিতে পারে না।◈ একজন তৃণমূল সাংসদ দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করে সাংবিধানিক পদের অবমাননা করেছেন।◈ ২০০৪-১৪ সালে, দিদির সমর্থিত ইউপিএ সরকার বাংলাকে ২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছিল। ২০১৪-২৩ সালে, মোদী বাংলাকে ৭ লক্ষ ১৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন।◈ বাংলার মানুষ মমতা দিদির কাছে এই নির্বাচনে মোদী সরকারের দেওয়া প্রতিটি টাকার হিসাব চাইবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

২০২৪ লোকসভা বাজিমাত করতে বঙ্গ বিজেপির নয়া টিম ঘোষণা নাড্ডা-শাহর

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে জেপি নাড্ডাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গসফরে অমিত শাহ। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে চব্বিশের লড়াইয়ে ঝাঁপাতে আগেভাগে একাধিক পদক্ষেপ শুরু করে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। তবে এবার অমিত শহ, জেপি নাড্ডারা এসে সেই তৎপরতাকে আরও গতি দিলেন। সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে অলআউট লড়াইয়ে ঝাঁপাতে তৈরি হল নয়া টিম। ১৫ জনের নতুন টিম তৈরি হল শাহ-নাড্ডাদের হাত ধরেই। শাহের সেই ম্যানেজমেন্ট টিম ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বঙ্গ বিজেপির বেশ কয়েকটি অত্যন্ত চেনা মুখেরও ঠাঁই হয়নি সেই ১৫ জনের বিশেষ টিমে।চব্বিশের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে কোমর বেঁধে কাজ শুরু বিজেপির। ভোটের আগে এবার রাজ্য সফরে বিজেপির শীর্ষ সেনাপতি অমিত শাহ, সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। শাহের নির্দেশে ১৫ জনের একটি টিম তৈরি হয়েছে। এই টিমই দলের তরফে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাবেন বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবার এই নতুন টিমের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডা।রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, এই ১৫ জনের টিমে রয়েছেন চার কেন্দ্রীয় অবজার্ভার। তাঁরা হলেন, অমিত মালব্য, সুনীল বনশাল, আশা লাখরা এবং মঙ্গল পান্ডে। তবে টিমের বাকি ১১ জনই এরাজ্যের। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পাল, জগন্নাথ সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্দ, জ্যোতির্ময় মাহাতো, দীপক বর্মনের পাশাপাশি ১৫ জনের টিমে রয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও।তবে ১৫ জনের এই টিমে জায়গা হয়নি এরাজ্য থেকে নির্বাচিত চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার ও জন বার্লা ঠাঁই পায়নি শাহ-নাড্ডাদের ঘোষিত দলে।।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাম শিবিরে অস্বস্তি বাড়ছে, প্রতীক উরের পথেই কি হাঁটবেন আরও তরুণ নেতা

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই এখন তাঁর সহযোদ্ধা। শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক উর রহমান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিক মহলে জোর আলোড়ন ফেলেছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক সময়ের বাম যুবনেতার দলবদলকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠিতে প্রতীক উর রহমান রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান। পরে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী দলীয় নিয়ম মেনে তাঁকে বহিষ্কার করে। তবে তার আগে দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালায় এবং বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়।দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার মতো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতীককে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রতীক উর। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি। অবশেষে শনিবার বিকেলে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে। দুপুরে আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে প্রতীক উরের যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয় এবং দুজনেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, প্রতীক উরের পথ অনুসরণ করে আরও বাম যুবনেতা দলবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধর-এর নাম ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি, তবু আলিমুদ্দিনের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাষা দিবসের মঞ্চে মমতার পাশে অনন্ত, বঙ্গ রাজনীতিতে কি বড় সমীকরণ বদল

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় রাজনৈতিক চমক দেখা গেল। দেশপ্রিয় পার্কের অমর একুশে উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র পাশেই মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। শনিবার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরীয় পরিয়ে ও স্মারক তুলে দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে অনন্ত মহারাজ রাজবংশী ভাষায় মহারাজা চিলা রায়ের লেখা কবিতা পাঠ করেন এবং নিজের জাতিগত পরিচয় ও ভাষার প্রতি আবেগের কথা তুলে ধরেন। ভাষা দিবসের মঞ্চে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।মুখ্যমন্ত্রী ও অনন্ত মহারাজের সম্পর্ক নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার কোচবিহারের দাবিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন অনন্ত মহারাজ এবং পরে বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। কিন্তু গ্রেটার কোচবিহারের দাবি খারিজ হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কোচবিহারে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর অনন্ত মহারাজের সমর্থনের কথাও উঠে আসে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং তাঁর পাশেই বসান। পরে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হলে জল্পনা আরও জোরদার হয়। সম্মান পেয়ে অনন্ত মহারাজ কৃতজ্ঞতা জানালেও নিজের ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে তিনি দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের স্বার্থে তেমন কাজ হয়নি। এর পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের আগে কি তবে রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে পারেন অনন্ত মহারাজ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal