• ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Letter To PM

রাজ্য

কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বকেয়া আদায়ে তৃণমূলের লক্ষ লক্ষ চিঠি মোদি সরকাকে

এবার দিল্লির বুকে বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চলেছে তৃণমূল। একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা এবং আবাস যোজনার কাজের টাকা মিলিয়ে বাংলার মোট ১৫ হাজার কোটি বকেয়া টাকা মোদী সরকার আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। জোড়া-ফুলের দাবি, এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের বহু গরিব মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সেই ভুক্তভোগী মানুষদের চিঠি দিল্লিতে নিয়ে যেতে চলছে তৃণমূল।মঙ্গলবার তৃণমূলের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলার থেকে বান্ডিল বান্ডিল চিঠির ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ছবির সঙ্গেই লেখা রয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে বাংলার মানুষ! বিজেপি মনরেগা এবং আবাস যোজনার অধীনে বাংলার জন্য ১৫ হাজার কোটি টাকা নির্মমভাবে আটকে রেখেছে। এর ফলে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন তাদের ন্যায্য পাওনার দাবিতে। ন্যায়বিচার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত বাংলা লড়াই করবে।দলের সেই এক্সবার্তা শেয়ার করে পরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, যা আমাদের অধিকার তা দাবি করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্রে জনগণের ক্ষমতাই সর্বোচ্চ। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বঞ্চিত মানুষদের সব চিঠি এসে জমা হয়েছে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে। এই চিঠিগুলিই পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।গান্ধী জয়ন্তীতে রাজধানীর বুকে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে তৃণমূল। আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ১ অক্টোবরই রাজধানীতে পৌঁছে যাবেন তৃণমূলের বিধায়ক ও সাংসদরা। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে অবস্থান বিক্ষোভ চালাবে ঘাসফুল শিবির। সেই আন্দোলনের মাত্রা কেমন হবে? এ দিন চিঠির ছবি প্রকাশ করে যেন সেই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের বকেয়া দাবি করে ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

ফের রাজ্যের বকেয়া পাওনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্র গত ডিসেম্বর মাস থেকে অর্থ দিচ্ছে না বলে এদিন দুপুরেই টাউনহলে এক সভায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের টাকা না মেলায় অগ্নিমূল্য বাজারদরে তাঁদের কী হাল হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।১০০ দিনের কাজে রাজ্যের ভাল ফল সত্বেও কেন টাকা পাচ্ছেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গত চার মাস ধরে মনরেগা প্রকল্পের ৬৫০০ কোটি টাকা এখনও পায়নি রাজ্য। এর ফলে নিদারুন সমস্যায় পড়েছেন শ্রমিকরা। এই অর্থ দ্রুত রাজ্যের কোষাগারে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছে।পাশাপাশি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলা বঞ্চিত বলেও অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, সারা দেশে আবাস যোজনা প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে ৩২ লক্ষ বাড়ি বানানো হয়েছে। সেখানে প্রথমেই রয়েছে বাংলা। তা সত্বেও এই প্রকল্পে বাংলার জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। মমতার দাবি, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না মেলায় বাংলার উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা।কেন্দ্রের কাছে ৯৭হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে কয়েকদিন আগেই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর দাবি ছিল, ওই টাকা কেন্দ্র দিয়ে দিলে আপাতত পেট্রপন্যের ওপর কর নেবে না রাজ্য সরকার। তারপর এবার ১০০দিনের বকেয়া মেটাতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মমতা।

মে ১২, ২০২২
রাজনীতি

ইউক্রেন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

ইউক্রেন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তার প্রেক্ষিতে বহু সংখ্যক পড়ুয়া সহ ভারতীয় নাগরিকদের সেখানে আটকে পড়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংকট বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা চিঠিতে সমস্ত রাজনৈতিক মতভেদ দূরে সরিয়ে রেখে কেন্দ্রকে নিঃশর্ত সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে সবরকম ভাবে কেন্দ্রের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি ইউক্রেন সংকট নিয়ে একটি সর্বদল বৈঠক ডাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব রকম রাজনৈতিক বিরোধিতা ভুলে সব দলকে একসঙ্গে হতে হবে। ভারত যাতে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে থাকতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেছেন, একজন সিনিয়র মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় দলের নেতা হিসেবে তিনি ইউক্রেন পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক নীতির এই পরম্পরার প্রতি তাঁর আস্থা পুনরায় ব্যক্ত করছেন।তিনি লিখেছেন, যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় আমাদের ভূমিকা বরাবরের মতোই থাকুক। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগের পাশেই থাকবে রাজ্য।মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরানোর জন্য এখানে সকলের ত্রিবর্ণ পতাকার নীচে দাঁড়াতে হবে।অপারেশন গঙ্গা নাম দিয়ে ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে নেমেছে কেন্দ্র। দফায় দফায় কয়েকশো পড়ুয়া, নাগরিককে ফেরানো হয়েছে। দিল্লি কিংবা মুম্বই বিমানবন্দরে যে সব বাঙালি পড়ুয়াদের ভারত সরকার ফেরাচ্ছে তাঁদের নিখরচায় বিমান বা ট্রেনের টিকিট দিয়ে নিজেদের বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। একথা আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ইউক্রেন ইস্যুতে পড়ুয়াদের দ্রুত ভারতে ফেরাতে চিঠি লিখে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজনীতি

আমলা-নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মোদিকে ফের চিঠি মমতার

আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আবারও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় তাঁকে একই সপ্তাহে দ্বিতীয় বার চিঠি লিখতে হল বলেই জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এ বারও মমতা চিঠিতে লেখেন, নয়া ক্যাডার রুল সংশোধনী প্রস্তাব আগের চেয়ে অনেক বেশি দমনমূলক এবং তা সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। আইএএস ক্যাডার রুল সংশোধনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে মমতা লেখেন, এই প্রস্তাবিত সংশোধনী শুধু দেশেরই ক্ষতি করবে না, দেশের গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করে দেবে।আইএএস ক্যাডার আইনে সংশোধন করতে চেয়ে কিছু দিন আগেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রস্তাব, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও আমলাকে তাঁর এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে দিতে পারে কেন্দ্র। চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা, এ ক্ষেত্রে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পুরোটাই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এবং আধিকারিকদেরও মনোবল ভাঙতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, আমলাদের ডেপুটেশনের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মতি থাকা প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্বার্থে।আগের চিঠিতে মমতা লিখেছিলেন, আপনি নিজেও অনেক বছর একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাই আমার বক্তব্যের সত্যতা আপনি বুঝতে পারবেন। দ্বিতীয় চিঠিতেও মোদির উদ্দেশে মমতা লিখেছেন, আমলাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থেকে রাজ্যকে বঞ্চিত করবেন না। তা হলে ভবিষ্যতে দেশের শাসনব্যবস্থার উপর বড় প্রভাব পড়বে। এটা ভুলে গেলে চলবে না, কেন্দ্রে যে দলই ক্ষমতায় থাকবে, তারাই এই প্রস্তাবিত সংশোধনীর অপব্যবহার করবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজনীতি

Jay Bannerjee: রাজীবের পর এবার কী জয়ের পালা? বিজেপি ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন?

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর কি এবার জয় বন্দ্যোপাধ্যায়? ফের দলবদলের সম্ভাবনা তৃণমূলে!এইরকম একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠির শেষ লাইনে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি বিজেপি ছেড়ে দিচ্ছেন তবে কোন দলে যোগদান করছেন সেই বিষয়ে খোলাখুলি কিছু জানাননি।ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জয়ের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। পাশাপাশি খবর মিলেছে জাতীয় কর্মসমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি ছাড়ছেন। যেই দলের সঙ্গে মানুষ নেই সেই দলে থেকে কোনও লাভ নেই। যেই দলে মানুষ রয়েছেন সেখানেই তিনি যাবেন। কারণ সেখানেই কাজ করার সুযোগ পাবেন।এই বিষয়ে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বিজেপিতেই ছিলাম প্রথম থেকে। কিন্তু কিছু বিষয়ে আমার দলের উপর খারাপ লাগা তৈরি হয়েছে। আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি। আমায় জাতীয় কার্যনির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে রাজীব বন্দ্য্যোপাধ্যায়কে করা হয়েছিল। এখন তিনিও দলবদল করে নিয়েছেন। একাধিকবার আমি এই রাজ্যে মার খেয়েছি। তবুও গতকাল আমার নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়া হয়। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীকে আমি জানিয়ে দিয়েছি যে আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিলাম। আর আমি মানুষের কাজ করি। তাই যেই দলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে আমি সেই দলে রয়েছি। যেই দল মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সেই দল আমি ছাড়ছি। বিজেপি নেতা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমি বিগত এক মাস অসুস্থ ছিলাম। দলের তরফে একটাও খোঁজ নেওয়া হয়নি আমার। তবে আমি এখনও বলছি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমায় খুবই ভালোবাসেন। তাঁরা আমাকে বিজেপি থেকে সরিয়ে দেয়নি। আমি নিজেকে বিজেপি থেকে সরিয়ে নিয়েছি।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা, মোদিকে কেন চিঠি দেবেন শুভেন্দু?

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি দায়ী রাজ্য সরকার। দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও রাজ্যের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই নিয়ে একটি চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি নালিশ জানাবেন বলে নিজেই জানিয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি দিকে অভিযোগের আঙুল তুলুন না কেন, শুভেন্দু এ দিনের চিঠিতে লিখেছেন, রাজ্যের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।ডিভিসি-র অতিরিক্ত পরিমাণ জল ছাড়া নিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু এ দিন বলেন, আমিও আরেকটা চিঠি দেব। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য তিনি বলেন, গত ২৭ জুলাই ডিভিসি আপনাকে সাবধান করেছে। কিন্তু আপনার প্রশাসন কোথাও মাইকিং করে কি কাউকে সতর্ক করেছে? কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছে? ডিভিসি-র মনিটরিং কমিটিতে সেচ দফতরের সচিব রয়েছেন। ডিভিসি তো রাজ্য সরকারেরও অংশীদার।উনি প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছেন, আমি আজ পালটা আরেকটা চিঠি পাঠাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীকে। সেই চিঠিতে আমি লিখছি, এই বন্যা এবং জল দুর্ভোগের জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্য সরকার। কলকাতার সল্টলেকে উনি চালু করেছেন দুয়ারে নর্দমার জল প্রকল্প। এর জন্য দায়ী একমাত্র দায়ী এই রাজ্যের অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কটিকাকরণ হোক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজ্যের যে কোনও পরিস্থিতিতেই রাজনৈতিক টানাপড়েনের ঘটনা নতুন নয়। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা যথারীতি দুষেছেন কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ ডিভিসিকে। কিন্তু শুভেন্দু সেই অভিযোগের তির পালটা ঘুরিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের দিকে। মোদিকে দেওয়া চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ডিভিসি-র বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। পাশাপাশি নিজের চিঠিতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, একটা সময়ের পর বাঁধগুলো থেকে জল ছাড়তেই হবে। নয়তো ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। রাজ্য সরকার জল ছাড়ার বিষয়ে পুরোটা জানলেও সতর্কতামূলক কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি, যে কারণে আজ কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলার ডুবুডুবু পরিস্থিতি।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

CM letter to PM: ফের একবার মোদিকে চিঠি মমতার, কী বললেন চিঠিতে?

কেন্দ্র পর্যাপ্ত টিকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যদিকে টিকাকরণের গতি ভাল হলেও চাহিদার তুলনায় বাংলা অনেক কম টিকা পাচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারতবৃহস্পতিবার চিঠিতে মমতা লেখেন, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কর্নাটকের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি পরিমাণে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য বেশি টিকা পেলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত হতে দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারব না। মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, টিকার জোগানে ঘাটতি নিয়ে বার বার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দিল্লি সফরে গিয়েও টিকার প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে সংক্রমণ বাড়ায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর ফলেই প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বাংলায় এই মুহূর্তে প্রতি দিন ৪ লক্ষ টিকাকরণ হচ্ছে। রাজ্য প্রতিদিন ১১ লক্ষ টিকা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সেই তুলনায় অনেক কম টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে টিকা সব থেকে কম নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য ১৪ কোটি টিকা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র মাত্র ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজনীতি

CM letter to PM: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মোদিকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার। আগামী ১০ ও ১১ জুলাই রাজ্যজুড়ে জ্বালানি তেলের মৃল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে তৃণমূল কংগ্রেস। তার আগেই আজ পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান, তৃণমূলেই যোগ দিলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, পেট্রোলের দাম কোনও কোনও রাজ্যে একশো টাকা ছুঁয়েছে। গত ৪ মে থেকে কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত ডিজেলের দাম ৮ বার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে জুনেই দাম বেড়েছে ৬ বার। এর ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কারণ জ্বালানির মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের উপরে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রীকে(Narendra Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০২০ সালের মে মাসের তুলনায় এবছর মে মাসে খুচরো পণ্যের দামের সূচক বেড়েছে ১২.৯৪ শতাংশ। ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ, ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলমূলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এর পেছনে প্রত্যক্ষভাবে দায়ি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট থেকে সরকারের কর আদায় বেড়েছে ৩৭০ শতাংশ। এর পেছনে রয়েছে ওইসব পণ্যের উপরে কেন্দ্রের লাগাতার শুল্ক বৃদ্ধি। এরকম এক পরিস্থিতিতে রাজ্যসরকার পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে শুল্কে কিছুটা ছাড়া দিয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রে সেস বাড়িয়েই চলেছে। আমার অনুরোধ, মানুষের উপর চাপ কমানোর জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে কর কম করুক কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Tweet: তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে মোদিকে চিঠি তৃণমূলের

দিল্লি সফরে গিয়ে নারদকাণ্ডে সিবিআইয়ের আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু! আর এখান থেকেই শুরু বিতর্ক। অবিলম্বে সলিসিটর জেনারেলকে অপসারণের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের এমন দাবিকে অস্বীকার করেছেন মেহতা। তাঁর দাবি, শুভেন্দু এসেছিলেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি।মেহতার এই সাফাই মানতে নারাজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর দাবি, তুষার মেহতার বাসভবনে শুভেন্দু অধিকারী থাকাকালীন সিসিটিভি প্রকাশ্যে আনা হোক। আগাম না জানিয়ে কি শুভেন্দু তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলেন? Reports state that Mr Adhikari entered Honble SGs residence in the presence of a cavalcade of officers and stayed there for nearly 30 minutes. Does that imply that a meeting was indeed due?As the episode gets murkier, one can only hope that the truth shall surface. (2/2) pic.twitter.com/MiVeCz5CB1 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 2, 2021টুইটারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) লেখেস, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গোপন বৈঠকের জল্পনা খারিজ করেছেন মেহতা। অধিকারী মহাশয় থাকাকালীন তাঁর বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করলেই তা বিশ্বাসযোগ্য হবে। সর্বোপরি সলিসিটর জেনারেলকে আগাম না জানিয়ে কি তাঁর বাড়িতে চলে গেলেন শ্রীযুক্ত অধিকারী? অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও লেখেন, জানতে পেরেছি আধিকারিকদের সঙ্গে সলিসিটর জেনারেলের অফিসে প্রায় ৩০ মিনিট কাটিয়েছেন শ্রীযুক্ত অধিকারী। বৈঠক কি আগে থেকে ঠিক করা ছিল? পুরো ঘটনাই অস্পষ্ট। আশা করি সত্য প্রকাশ্যে আসবে। আরও পড়ুনঃ ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোনসলিসিটর জেনারেল পদ থেকে তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে,সারদা ও নারদ মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ওই মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার। দুই মামলায় অভিযুক্তের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছেন তিনি? গোটা ঘটনায় শুক্রবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন,আগে থেকে না জানিয়ে গতকাল দুপুর ৩টে নাগাদ আমার বাসভবনে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় আমার কর্মীরা তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন। তাঁকে চা পানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষের পর আমার ব্যক্তিগত সচিব তাঁর আসার খবর দেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারব না বলে শুভেন্দু অধিকারীকে অনুরোধ করার কথা জানিয়ে দিই ব্যক্তিগত সচিবকে। সে কারণে ক্ষমাও চাই। আমার ব্যক্তিগত সচিবকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। জোরাজুরি না করে রওনা দেন। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

জুলাই ০২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অশান্তিতে জ্বলছে বাংলা! ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী হিংসা আটকাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন । বৃহস্পতিবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট নির্দেশ দেন, যারা অশান্তি ছড়িয়েছে, তাদের আজ রাতের মধ্যেই গ্রেফতার করতে হবে।বুধবার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে আগাম সতর্ক হয়ে উঠেছে কমিশন । বৈঠকে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয় মূলত ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের মতোই ভোটের পরের পরিস্থিতিতেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা গোলমাল করে পালিয়ে রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট শেষ হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢিলেঢালা করা যাবে না। রাজ্যে এখনও ৭০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। গণনার দিন এবং তার পরেও নিরাপত্তা যেন কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে ।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের পর কলকাতার বেহালা ও গড়িয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে। ২০২১ সালের ভোটের পরেও রাজ্যে হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগে থেকেই কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

কসবা গণনা কেন্দ্র নিয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের! হাইকোর্টে জিতল কমিশন

কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা কেন্দ্র পরিবর্তন নিয়ে হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনকে স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জাভেদ খান-এর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানায়, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম থেকে আলিপুরের বিহারীলাল কলেজে গণনা কেন্দ্র সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ম মেনেই নেওয়া হয়েছে।তৃণমূলের তরফে অভিযোগ ছিল, কোনও নিয়ম না মেনেই হঠাৎ করে গণনা কেন্দ্র বদল করা হয়েছে। কিন্তু আদালত সেই অভিযোগ মানেনি। বিচারপতি জানান, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার সঠিক প্রক্রিয়া মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এদিকে, আসন্ন ভোটগণনাকে সামনে রেখে আরও কড়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনা কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এখন থেকে যাঁরা গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তাঁদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্র থাকবে, যাতে একটি কোড যুক্ত থাকবে। সেই কোড স্ক্যান করে তবেই ভিতরে ঢোকার অনুমতি মিলবে ।এই নতুন ব্যবস্থা ২ মে থেকে কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে অননুমোদিত কেউ যাতে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। গণনাকর্মী, এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমসবাইকেই এই নতুন নিয়ম মানতে হবে।সব মিলিয়ে, গণনা কেন্দ্র নিয়ে আদালতের রায় এবং নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে রাজ্যে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

রেজাল্টে চমক! আইএসসি-তে ৪০০-তে ৪০০, বাংলার মেয়েই দেশসেরা

প্রকাশিত হল আইসিএসই দশম ও আইএসসি দ্বাদশ শ্রেণির ফল। এ বছর আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। দুটি ক্ষেত্রেই পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।চলতি বছরে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আইসিএসই (ICSC Result) পরীক্ষায় এবং প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পরীক্ষার্থী আইএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত বছরও একই দিনে ফল প্রকাশ হয়েছিল। তখন আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৯.০৯ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ছিল ৯৯.০২ শতাংশ। সেই তুলনায় এ বছর সামান্য হলেও পাশের হার বেড়েছে।আইএসসি পরীক্ষায় (ICSC Result) এ বছর দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। পানিহাটির বাসিন্দা এই ছাত্রী সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী। জানা গিয়েছে, সে ৪০০-র মধ্যে ৪০০ পেয়েছে। তবে এখনও সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশ হয়নি, ফলে একই নম্বর পেয়ে আরও কেউ প্রথম স্থানে থাকতে পারে।আইএসসি পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ১১৮ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ১৯৮ জন ছাত্রী অংশ নেয়। সেখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৩ জন ছাত্র এবং ১ লক্ষ ২১ হাজার ২১৮ জন ছাত্রী। এখানে মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৮.৯৩ শতাংশ।ফল দেখতে হলে পরীক্ষার্থীদের কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ইউনিক আইডি, ইনডেক্স নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ফলাফল দেখা যাবে এবং তা ডাউনলোড করে রাখা যাবে। ডিজি লকারের মাধ্যমেও ফল দেখা ও মার্কশিট সংগ্রহ করা সম্ভব।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের আগে বড় ধাক্কা! গণনাকেন্দ্র নিয়ে হাইকোর্টে জোড়া মামলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস ও কর্মী নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুটি আলাদা সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।প্রথম মামলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার পদে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী নিয়মের বিরুদ্ধে এবং এতে গণনার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তিনি এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।অন্যদিকে, বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মামলার মূল আপত্তি গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার সংখ্যা কম থাকায় এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবার গণনাকেন্দ্র কমিয়ে এক জায়গায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিশ্বরূপ ভট্টাচার্যের মতে, হঠাৎ করে এইভাবে গণনাকেন্দ্র বদল করা আইনসঙ্গত নয়।নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক দেখা গিয়েছিল। এবার গণনা শুরুর আগেই সেই বিতর্ক আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটোর সময় এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই হাওয়া বদল! কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ভিজছে বাংলা

ভোটের দ্বিতীয় পর্ব চলাকালীন হঠাৎ করেই বদলে গেল আবহাওয়া। তুমুল বৃষ্টি আর কালবৈশাখীর ঝড়ে অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে গরম থেকে। হাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই। তবে আজও রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঝড়-বৃষ্টি বেশি হতে পারে। বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।উত্তরবঙ্গেও পরিস্থিতি বেশ গুরুতর হতে পারে। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়ো হাওয়া, বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার ও শনিবারও দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকবে। রবিবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।সকাল থেকে আকাশ কখনও মেঘলা, কখনও আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। মেঘলা আকাশ ও দমকা হাওয়ার কারণে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal