• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Lata Mangeshkar

বিনোদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকরকে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের শ্রদ্ধার্ঘ্য

উত্তম মঞ্চে অনুষ্ঠিত হল আড্য কলা তীর্থম এবং প্রয়াসের সতেরো তম বার্ষিক অনুষ্ঠান। অভিরূপ সেনগুপ্তের নির্দেশনায় বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি, অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও নৃত্য পরিবেশন করেন। রঙ বাহার আর মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যায় শীর্ষক দুটো বিশেষ প্রযোজনা উপস্থাপনা করা হয়। এরপর সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টদের প্রয়াস সম্মান দেওয়া হয় ক্ষেত্রের বিশিষ্টদের। বিশেষ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অলকানন্দা রায়, রোহন ভট্টাচার্য, দেবলীনা কুমার প্রমুখ। পরে রায়া ভট্টাচার্য, অভিরূপ সেনগুপ্ত, ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় মিলে বিশ্ব শান্তির উপর এক বিশেষ প্রযোজনা পরিবেশন করেন। প্রথম নিবেদনে ছিল সংস্থার ছাত্র-ছাত্রীদের নৃত্য পরিবেশন। মঙ্গলাচরণ, জয় ভগবতী, আঙ্গিকাম, গুরু ব্রহ্ম, মক্ষ, মাণিক্য বীণা তারপর অভিরূপ সেনগুপ্ত লতা মঙ্গেশকরের গান লুকা ছুপি-তে নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর সংস্থাটি দেবলীনা কুমার, দেবযানী কুমার, রোহন ভট্টাচার্য, অর্ণব দত্ত, নিখিল জৈন, সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এবং তাঁর মাকে প্রয়াস সম্মান প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি শেষ হয় ঋদ্ধি বন্দোপাধ্যায়, রায়া ভট্টাচার্য, অভিরূপ সেনগুপ্ত এবং বিশেষ বাচ্চাদের নিয়ে বিশেষ প্রযোজনা মঙ্গল বার্তা এর মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাও মেরি আওয়াজ হি পেহেচান নামে তাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে লতা জিকে তাদের শ্রদ্ধা জানায়। এত ভালো একটি অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে উপস্থিত দর্শকরা সত্যিই খুব খুশি।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

লতা মঙ্গেশকরের স্মরণে বিশেষ কভার প্রকাশ

কিন্নরকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকারের মৃত্যুর খবরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ তথা উপমহাদেশ। অন্তবিহীন... বড়ো শূন্য শূন্য দিন। ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে সুরেলা কণ্ঠ থেমে যাওয়ার দুঃখ ভোলার নয় কখনোই। তবে এটাও ঠিক তিনি যেন মৃত্যুহীন প্রাণ। চির অমর হয়ে থাকবে তাঁর সব গান। অন্তরকে নাড়িয়ে দিয়ে যাওয়া লতা মঙ্গেশকরের গান আরো কয়েক প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। এই কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর স্মরণে এক অনন্য প্রয়াস নিয়েছে শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স - সর্বোত্তম- কাল, আজ ও পরশু। ২১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার জিপিওর রটন্ডায়ে এই অনুষ্ঠানের আসর বসেছিল। লতা মঙ্গেশকরের স্মৃতিতে ইন্ডিয়া পোস্ট এক বিশেষ প্রচ্ছদ প্রকাশ করলো, যা শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স- এর সর্বোত্তম সম্মান - এর অংশ বলা যায়। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স এর উদ্যোগে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রকাশ করল এক স্পেশাল কভার সঙ্গীত সাম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর-এর স্মরণে।উপস্থিত ছিলেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল জে. চারুকেশী,পোস্ট মাস্টার জেনারেল নীরজ কুমার, সংস্থার দুই কর্ণধার অর্পিতা সাহা,রূপক সাহা, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ, সঙ্গীত শিল্পী অন্তরা চৌধুরী,লতা গবেষক স্নেহাশিস চ্যাটার্জি প্রমুখ।জে চারুকেশী এই উদ্যোগে খুশি হয়ে জানান, লতা মঙ্গেশকরের মতো একজন কিংবদন্তির ওপরে এমন কভার প্রকাশ করতে পারাটা আমার কাছে ভীষণ আনন্দের। অন্যদিকে, শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স- এর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান নীরাজ কুমার। গৌতম ঘোষের বক্তব্য, এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উদ্যোগে সামিল হয়েছি। তবে লতা মঙ্গেশকরের ওপরে এই বিশেষ প্রচ্ছদ সত্যিই অনবদ্য ব্যাপার।বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক প্রয়াত সলিল চৌধুরীর মেয়ে অন্তরা চৌধুরী আবেগঘন হয়ে জানান, বাবার সুর করা অসংখ্য গানে লতা মঙ্গেশকর গেয়েছেন। ওঁনার সঙ্গে আমার অসংখ্য স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল। শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স-এর এই উদ্যোগে আমি উচ্ছ্বসিত।প্রতিষ্ঠান অধিকর্তা অর্পিতা সাহা জানান, আমাদের সংস্থা গুণের কদর করে। বিভিন্ন সময় নানা রকম উদ্যোগ নিয়ে আমরা তা আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করি।সংস্থার আরেক অধিকর্তা রূপক সাহার কথায়, পণ্ডিত বিরজু মহারাজ, ড. এল সুব্রহ্মণ্যম ও উস্তাদ আমজাদ আলী খানের মতো কিংবদন্তিদের আমরা সর্বোত্তম সম্মানে ভূষিত করেছি। আজ লতা মঙ্গেশকরের মতো এক অধ্যায়ের ওপর বিশেষ প্রচ্ছদ প্রকাশ করতে পেরে আমরা ধন্য। সত্যি তিনি সর্বোত্তম- কাল,আজ ও আগামীতেও।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

সুরলোকে বিলিন হয়ে যাওয়া লতা,সন্ধ্যা ও বাপ্পি স্মরণে হোম-যজ্ঞ, প্রার্থনা

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারত হারিয়েছে সুরের জগতের তিন নক্ষত্র লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ীকে। সুরের জগতের এই তিন নক্ষত্রের প্রয়াণে আজও শোকাতুর গোটা দেশবাসী। শুক্রবার এই তিন সংগীত শিল্পীকে স্নরণ করে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় হল হোম যজ্ঞ ও প্রার্থনা। যার উদ্যোক্তা পূর্ববর্ধমানের জামালপুরের বসুন্ধরা উৎসব কমিটি। প্রয়াত তিন শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বসুন্ধরা উৎসব কমিটি এদিন তাদের কৃষি, পুষ্প ও হস্ত শিল্প প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে। উৎসব প্রাঙ্গনে উপস্থিত হওয়া সকল সংগীত প্রেমী মানুষজনও এদিন সংগীত জগৎতের তিন নক্ষত্রের ছবিতে পুষ্পার্ষ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান। উৎসব প্রাঙ্গনও মাতোয়ারা থাকে তিন সংগীত শিল্পীর সুর মুর্ছনাতে।জামালপুরের শুঁড়েকালনার বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি প্রতি বছর শীতের মরশুমে কৃষি, পুষ্প, হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা ও মেলার আয়োজন করে। এই বছর তা ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। সিঙ্গারকোন রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ স্বামী মুক্তানন্দ সহ বিশিষ্ট জনেরা এদিন বসুন্ধরা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আগামী ১০ দিন ধরে চলবে বসুন্ধরা উৎসব।বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ পাল বলেন, চলতি মাসে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশ সুরের জগৎতের তিন নক্ষত্রকে হারিয়েছে। তাঁদের কণ্ঠের জাদু যুগের পর যুব মুগ্ধ করে গিয়েছেন ভারত সহ গোট বিশ্বের সংগীত প্রেমীদের। লতা মঙ্গেশকারের মতন সুরসাম্রাজ্ঞীর প্রয়াণ দেশের সুর জগৎতের অপূরণীয় ক্ষতি। সুরসাম্রাজ্ঞীর মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতে চির ঘুমের দেশে চলে যান গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পরের দিনেই চির ঘুমের দেশে চলেযান সংগীত জগৎতের আর এক নক্ষত্র বাপ্পি লাহিড়ী। প্রদীপ পাল জানান, দেশের এই তিন সংগীত নক্ষত্রের স্মরণে এবছরের বসুন্ধরা উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে। তাঁদের স্মরণে প্রার্থনা ও আত্মার শান্তি কামনায় হোম যজ্ঞের মধ্য দিয়েই এদিন উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়। উৎসবে উপস্থিত হয়ে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার, জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামাণিক সহ সকল মানুষজন তিন স্বনামধন্য শিল্পীর ছবিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রদীপ পাল বলেন, উৎসব প্রাঙ্গণ আগামী ১০ দিন এই তিন সংগীত নক্ষত্রের সুর মুর্ছনাতেই মাতোয়ারা থাকবে।হোম যজ্ঞে অংশ নেওয়া দিলীপ ভট্টাচার্য্য জানান, প্রয়াত লতা মঙ্গেশকার, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ী স্মরণে এদিন উৎসব প্রাঙ্গণে হোম যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। সেখানে তাঁরা সাত জন ব্রাহ্মণ মিলে হোম যঞ্জ ও চণ্ডীপাঠের মধ্যদিয়ে কিংবদন্তি শিল্পীদের আত্মার শান্তি কামনায় ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনা করেছেন। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, হোম যজ্ঞ,চণ্ডীপাঠ,শঙ্খ ও উলুর ধ্বনির মধ্যদিয়ে প্রয়াত তিন কিংবদন্তি শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের যে আয়োজন বসুন্ধরা উৎসব কমিটি করেছে তা প্রকৃত অর্থেই নজিরবিহীন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত কিংবদন্তীদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে বিশেষ ভাবনা-"গানের জন্য খেলা"

একের পর এক ইন্দ্রপতন। লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে যখন শিল্পী থেকে শ্রোতা আপামর ভারতবাসী শোকস্তব্ধ, তার রেশ কাটার আগেই চলে গেলেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। একসময় বাংলা গানের সুরে যে সুরজোয়ার এনেছিলেন, বদলে গেছিল গানের গতিপ্রকৃতি, সুরঝঙ্কার, তেমনই আচম্বিতে অমৃতলোকের পথে যাত্রা করলেন বাপ্পি লাহিড়ী। গান যতদিন থাকবে, এই সব শিল্পীদের নামও সমুজ্জ্বল থাকবে ততদিন৷ গান ভালবাসা, গান শেখা সমস্ত ক্ষেত্রেই কিংবদন্তী এই ত্রয়ী একেকটা প্রতিষ্ঠান। সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ তাই আন্তরিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মাধ্যমেই শিল্পীকে মনের মণিকোঠায় চিরকালের জন্য ধরে রাখতে চান৷ গানে গানে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন চিরাচরিত রীতি৷ কিন্তু এই রীতির বাইরে একেবারে অন্যরকমভাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পরিকল্পনা এবং আয়োজন করেছেন তিন সঙ্গীতপ্রেমী কৌশিক রাহুল, গৌরব সরকার এবং তন্ময় কর৷ লতা মঙ্গেশকর ভালোবাসতেন ক্রিকেট, বাপ্পি লাহিড়ীও ছিলেন খেলার অনুরাগী৷ তাই শুধু গান নয়, গানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলাকে সংযুক্ত করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এর আয়োজন করা হয়েছে প্লে ফর মিউজিক অনুষ্ঠানে৷ তিনটি দল এই ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করছেন৷ তিন শিল্পীর পদবী অনুসারে তিনটি দলের নাম মঙ্গেশকর টিম, মুখোপাধ্যায় টিম এবং লাহিড়ী টিম। প্রত্যেকটি টিমে ১৬ জন করে খেলোয়াড় রয়েছেন যাঁরা সকলেই সঙ্গীতের সঙ্গে ওতোপ্রতভাবে যুক্ত৷ কেউ গান করেন, কেউ সুর করেন কেউ বা যন্ত্রশিল্পী৷ এই অভিনব উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই অংশগ্রহণ করেছেন শিল্পীরা৷ খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন, বাবুল সুপ্রিয়, জয় সরকার, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর, মনোময় ভট্টাচার্য, রণজয় ভট্টাচার্য, রথীজিৎ ভট্টাচার্য, আরফিন রানা, আকাশ ভট্টাচার্য, অর্কদীপ মিশ্র।অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং আয়োজকদের অন্যতম কৌশিক রাহুল জানিয়েছেন, যতক্ষণ খেলা চলবে ততক্ষণ মাঠে লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এবং বাপ্পি লাহিড়ী এই তিন শিল্পীর গান বাজবে৷ গানের সঙ্গে খেলার সমন্বয়ে মিউজিক ফ্রেটার্নিটির সদস্যদের নিয়ে আগামীদিনেও এই ধরনের খেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানিয়েছেন কৌশিক রাহুল। প্রবীণ এবং নবীন সঙ্গীতশিল্পীদের এই ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা বিবেকানন্দ পার্ক এর মেইনল্যান্ড সম্বরণ ব্যানার্জী ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে আজ। অভিনব এই উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাই আয়োজক ত্রয়ী কৌশিক রাহুল, গৌরব সরকার এবং তন্ময় কর কে৷

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

যতদিন সঙ্গীত থাকবে, ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে

আমার শৈশবটাই শুরু হয়েছে লতাজির গান শুনে। আমার মা আমাকে ছোটো বেলায় লতাজির গান শোনাতো। সেই স্মৃতি যে কত সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না। কত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে শুনতেই বড় হয়ে উঠেছি। আমি ভাবি আজকের দিনে শৈশবটা এরকম হয় কিনা জানি না। আজকের দিনেও বাচ্ছারা লতাজির গান শুনতে শুনতে বড় হচ্ছে কিনা বলতে পারবো না।আজকের প্রজন্মের কথা না জানলেও আমার শৈশবটা খুবই সুন্দর ছিলো। আমার জীবনে প্রথম লতাজির গাওয়া গান যারে, যারে উরে যারে পাখি। এই গানটি মা-বাবার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে পাড়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতাম। আজকের দিনের মত সেই সময় এত বেশী রিয়েলিটি শো ছিলো না। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন ক্লাবে গানের কম্পিটিশন হত। সেখানে যোগ দিতাম।আমি ছোট বেলায় লতাজির গাওয়া পিয়া বিনা বাসিয়া, দিল হুম হুম করে, এরি পবন আমি গাইতাম। এ ছাড়াও ওনার গাওয়া বিভিন্ন গান আমি মঞ্চে পরিবেসন করতাম। এই কয়েকদিন আগেই আমি ওনার গান ইয়ে শামা শামা হ্যায় প্যার কা...। ওনার গান যেমন শুনতে ভালো লাগে সেরকমই আমরা যাঁরা সঙ্গীত পরিবেশন করি, তাঁদের কাছে ওনার গান গাওয়া-টাও তার থেকে বেশী আনন্দের।আমি ব্যাক্তিভাবে মনে করি ওনার গান শুনেই অনেক কিছু শেখা যায়। আমি নিশ্চিত এই কথাটার সঙ্গে অনেক শিল্পীই সহমত হবেন। তাই আমরা যাঁরা আজও ওনার গান পুনঃনির্মাণ করার চেষ্টা করি সেটা শুধু চেষ্টাই থেকে যাই, তাঁর ধারে কাছে পৌছানো যায় না। একজন শিল্পীকে ওই যায়গায় পৌছাতে গেলে কতটা ডিসিপ্লিনড হতে হয় তাঁর অন্যতম উধাহরণ লতা মঙ্গেশকর। আজকের দিনটা আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ ভীষণ খারাপ লাগছে বলতে, যাকে আমি মন প্রাণ দিয়ে ছোট বেলা থেকে ভালোবেসে গিয়েছি তিনি আর আজ আমাদের মধ্যে নেই এটা ভাবতে পারছি না। কিন্তু তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে আজও আমাদের মধ্যে থেকে গেছেন এবং থেকে যাবেন। উনি আমাদের কাছে অমর। যতদিন সঙ্গীত থাকবে ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে। আমরা সারাজীবন তাঁকে এই ভাবেই ভালোবেসে যাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি", এই কটাক্ষ জেদ বাড়িয়েছে সৌমিতা সাহার

দেবী সরস্বতীর মূর্তি পূজার প্রচলন বাংলা তথা সমগ্র ভারতে আর সকল বাড়ির মতো আমার বাড়িতেও রয়েছে। চতুর্থীর সকাল থেকেই ঘোর অন্ধকার করে বজ্রপাত সহ যে ভীষণ বৃষ্টিপাত হয় তাঁর অর্থ আজ ষষ্টির সকালে বোঝা গেল। মনে হয় দেবীর উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেই মর্ত্যলোক ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিল। কালের অমোঘ নিয়মকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারও নেই, তাই ষষ্টি-র প্রভাতে দেবী সরস্বতীর ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে তাঁর মানস কন্যা লতা কে নিয়ে দেবী পাড়ি দিলেন সুরোলোকে। যেন দেবী এইবারে ধরাধামে এসেছিলেনই তার মানসকন্যা কে নিয়ে যেতে। দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা ভোগ করে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে, সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পরম প্রিয় লতাজি। আজ যেন দেশের প্রতিটি সঙ্গীত প্রেমীর ঘরে নেমে এসেছে প্রিয়জন বিয়োগের শোক। সেই ছেলে বেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের মত লতাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তিনি যেন আমাদের সকল অভিব্যাক্তিতে রয়েছেন। কখনও বা আছেন আমাদের অহেতুক আক্রমণের ভাষায়। রাত বিরেতে রেওয়াজ করায় পাড়া প্রতিবেশী আড়ালে আবডালে প্রায়ই আমার অভিভাবকদের ঠেস দিয়ে শুনিয়েছেন মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি! প্রথম সেই পেটে প্রজাপতি সুরসুরি দেওয়া প্রেমের জিন্দেগী অউর কুছ ভি নেহি, তেরি মেরি কাহানি হ্যায় অনুভুতিতে যেমন ছিলেন তিনি। তেমনিই ছিলেন আষাঢ় শ্রাবণ মানে না এমন এর স্মৃতি চারণে। লতাজির মতো মানুষের মৃত্যু হয় না। গীতায় আছে, न जायते म्रियते वा कदाचि- न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः | अजो नित्यः शाश्र्वतोSयं पुराणो न हन्यते हन्यमाने शरीरे অর্থাৎ আত্মা অবিনশ্বর, তাঁর মৃত্যু হয় না। শিল্পীর মৃত্যু হয়, শিল্পের নয়। আমার মতো যে মানুষগুলো যাঁদের এতো বোঝার মতো জ্ঞান নেই তাঁদের জন্য লতাজি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কবেই সহজ ভাবে গেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নাম গুম জায়েগা, চেহেরা ইয়ে বদল জায়েগা, মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যাই...গর ইয়াদ রহে

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"ইয়ে মেরে বতন কে লোগো..." শুনে চোখে জল এসেছিল নেহেরুর

সঙ্গীতের আকাশ প্রদীপ চলে গেলেন দুূরে তারার দেশে। না যেও না রজনী এখনও বাকি বলে তাঁকে আর আটকানো যাবে না। বসন্ত পঞ্চমী রজনী পার করে সঙ্গীতের বরপুত্রি মা দেবী সরস্বতীর হাত ধরে চললেন সুরের লোকে। করোনার করাল গ্রাসে চলে গেলেন আরও এক কিংবদন্তী। ২০২০ থেকে এই সর্বগ্রাসী অতিমারিতে এক এক করে অনেক মহান শিল্পী, অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারন মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। হিন্দী বাংলা সহ মোট ৩৬ টির-ও বেশী আঞ্চলিক ভাষায় তিনি গান করেছেন। ১৯৬২ তে ভারত চীন যুদ্ধের ঠিক পরের বছর ১৯৬২-র প্রজাতন্ত্র দিবসে পণ্ডিত নেহেরু-র আহ্বানে সুর-সম্রাজ্ঞী দিল্লী-র ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে রাষ্টপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে কবি প্রদীপের লেখা ও রামচন্দ্রর সুরারোপিত ইয়ে মেরে বাতন কে লোগো... পরিবেশন করেন। লতা মঙ্গেশকরের অনবদ্য পরিবেশনায় পণ্ডিত নেহেরুর চখে জল এসে যায়। তিনি লাতাজির কন্ঠে দেশাত্মবোধক আবেদনে মুর্ছিত হয়ে ওই রকম জনবহুল পরিবেশে ও নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই গানটিকে জাতীয় সংহতির এক আদর্শ গান হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে এবং জন গণ মন, বন্দে মাতরম এবং সারে জাহান সে... র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে বিবেচিত হয়।লতা মঙ্গেশকর প্রায় এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় সিনেমায় ও আধুনিক গানের অ্যালবামে গান গেয়েছেন। তাঁর গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তাঁরই দখলে।কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর তার সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। সঙ্গীতে তাঁর অবদানের জন্য ২০০১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পর তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীত শিল্পী যিনি এই সন্মানে ভুষিত হন। ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মননা লেজিওঁ দা ওনার অফিসার খেতাবে ভূষিত করে।এছাড়াও লতাজি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (বিএফজে), ৪টি শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা (Life Time Achivement Award) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লন্ডনে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময় মনে হত তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন তাতে সেই পুরস্কার নিজেই ধন্য হত তাঁর হাতে যেতে পেরে। কারণ পরবর্তী পুরস্কার প্রপকরা বলতে পারবেন এই পুরস্কার লতাজিও পেয়েছেন।লতাজি ১৯৯৯ এ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, ১৯৬৯ এ তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭ এ মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৯ এ এনটিআর জাতীয় পুরস্কার, জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ২০০৯ এ এএন আর জাতীয় পুরস্কার। তিনি ১৯৬৯ রে নতুন প্রতিভাদের উঠে আসতে সাহায্য করার জন্য শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে তিনি ১৯৯৩-এ ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ এ দুবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার তাঁকে প্রদান করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা-ই সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা, ঊষা, মীনা ও একমাত্র ভাই হৃদয়নাথ। স্বয়ং মা সরস্বতীর আশির্বাদ-ধন্যা কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ র ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের (অধুনা মধ্যপ্রদেশ) রাজধানী ইন্দোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ (মারাঠি ও কোঙ্কিণী) এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন। তাঁর মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি হন)। মঞ্চাভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ দীননাথ তাঁর ছোট্ট মেয়ে লতাকে প্রথমে হেমা বলে ডাকতেন। পরে দীননাথের ভাব বন্ধন নাটকের লতিকা নামের এক চরিত্রে অনুপ্রানিত হয়ে সে নাম পরিবর্তন করে লতা রাখা হয়। খুব কম বয়সে লতা তাঁর বাবাকে হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব এসে পরে কিশোরী লতার কাঁধে। তিনি আশা, ঊষা, মীনা এবং হৃদয়নাথকে প্রতিপালনের জন্য এই ছোট্টো বয়সে উপার্জনের জন্য তাকে রাস্তায় বেরিয়ে পরতে হয়। বাবার অকাল মৃত্যুর পর পরিবারিক বন্ধু বিনায়ক দামোদর কর্নাটকি পাশে না থাকলে হয়ত খুবই সমস্যায় প্রতেন কিশোরী লতা ও পরিবার। নবযুগ চিত্রপট ছায়াছবি সংস্থার মালিক বিনায়কের উদ্যোগে লতা মরাঠি ছবিতে গান গাওয়া ও অভিনয়ের সুযোগ পায়। পরিবারের পাশে থাকতেই ছবিতে অভিনয় করেছেন ছোট্টো লতা। তখন সবে মাত্র ১৩! তিনি রুপালি পর্দার জগত তাঁর মন জয় করতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি বেশি দিন থাকেননি। অভিনয় করার কথা মন থেকে ত্যাগ করেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর নিজের জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে এই প্রায়ই নিজের অভিনয় জীবন প্রসঙ্গে বলতেন লতা।বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের নির্দেশে ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কোনও সময়েই কে এল সায়গল ব্যতীত অন্য কোনও গান গাইবার অনুমতি ছিল না লতার। বাবা চাইতেন লতা শুধুমাত্র ধ্রপদী গান নিয়েই বড় হয়ে উঠুক। তাঁর আঠারো বছর বয়েসে তিনি তাঁর উপার্যনের পয়সায় জীবনে যেদিন প্রথম রেডিও কিনে আনলেন, এবং সেই রেডিওতে প্রথম যে খবরটা শুনলেন সেটা কে এল সায়গল-র মৃত্যু সংবাদ। রেডিওটি বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দিয়ে দেন তিনি।পরিবারের তাগিদে উপার্যনের জন্য তিনি বিভিন্ন মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেসন করতেন। প্রথম বার মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে লতা ২৫ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। খেমচাঁদ প্রকাশের সুরে অশোককুমার-মধুবালা অভিনীত মহল-এ আয়েগা আনেওয়ালা গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ সেই যে উর্ধমুখী হয়, তাঁর পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সুরের সরস্বতী লতাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

সোমবার অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ১৫ দিন বাজবে লতার গান

লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে সোমবার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৫ দিন রাজ্যে বাজবে লতার গাওয়া গান, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার সকাল ৮টা ১২ মিনিটে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লতা মঙ্গেশকর। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ অসংখ্য মানুষ।While offering my sincerest condolences to her family and the billions of admirers that she leaves behind all over the world, I express my deepest sadness at the demise of the genius that the Nightingale of India truly was. (2/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের তরফে জারি করা মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় লেখা হয়, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে আমি গভীরতম শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে আমরা রিক্ত হলাম। সুরসম্রাজ্ঞী ও অনন্য প্রতিভাময়ী সর্বজনশ্রদ্ধেয় লতা মঙ্গেশকর দীর্ঘ আট দশক ধরে কণ্ঠের জাদুতে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন। হিন্দি, মরাঠি, বাংলা-সহ ৩৬টিরও বেশি ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায় তাঁর গাওয়া অগণিত ক্লাসিকাল,গজল, ভজন, আধুনিক ও সিনেমার গান আজও সমান জনপ্রিয়। বাংলার সঙ্গীতজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ ছিল। আমাদের নক্ষত্রদের সাধনা ও তাঁর প্রতিভা পরস্পরকে সমৃদ্ধ ও অভিষিক্ত করেছিল।I pay my heart-felt tribute to the departed icon of India, Bharatratna Lata Mangeshkar. (1/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022ভারতরত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, লিজিয়ন অফ অনার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড সহ অজস্র পুরস্কার ও সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমি লতা মঙ্গেশকরের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

কোকিলকণ্ঠীর প্রয়াণে ২ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা, অর্ধনমিত থাকবে জাতীয় পতাকা

সরস্বতী বিসর্জনের দিন বিদায় নিলেন জ্যান্ত সরস্বতী। রবিবার সকালে খবর পাওযা মাত্রই দেশের সঙ্গীত মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে দুদিন জাতীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার।সরকারি সূত্র জানিয়েছে, লতা মঙ্গেশকরের স্মরণে ৬ এবং ৭ ফেব্রুয়ারি এই দুই দিন জাতীয় শোক পালন করা হবে। শ্রদ্ধার চিহ্ন হিসাবে দুই দিন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। শুধু সঙ্গীত মহল বা শিল্পী মহল নয় কোকিল কন্ঠীর এই প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহল তথা গোটা দেশে। লতা মঙ্গেশকারের প্রয়াণে টুইট করে শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, আমি লতাদিদির কাছ থেকে সবসময় অগাধ স্নেহ পেয়েছি। এটাকে আমি আমার সম্মান বলেই মনে করি। তার সঙ্গে আমার কথোপকথন অবিস্মরণীয় থাকবে। লতাদিদির প্রয়াণে আমি ও গোটা ভারত শোকাহত। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানিয়েছি। ওম শান্তি।I consider it my honour that I have always received immense affection from Lata Didi. My interactions with her will remain unforgettable. I grieve with my fellow Indians on the passing away of Lata Didi. Spoke to her family and expressed condolences. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) February 6, 2022তাঁর সাত-দশক-দীর্ঘ কর্মজীবনে, লতা মঙ্গেশকর সঙ্গীত জগতকে অনেক উপহার দিয়েছেন। তাঁর ব্যতিক্রমী প্রতিভার জন্য, তিনি ভারতরত্ন, পদ্ম বিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার সহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। লতা মঙ্গেশকরের মৃতদেহ শ্রদ্ধার জন্য দুপুর ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে তাঁর পেদ্দার রোডের বাসভবন প্রভুকুঞ্জে স্থানান্তরিত করা হবে। পরে বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ তাঁর মৃতদেহ মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে নিয়ে যাওয়া হবে। শিবাজি পার্কে তাঁর মৃতদেহ দাহ করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"না যেওনা রাজনী এখনো বাকি" 'দেবী সরস্বতী'-র বরপুত্র ভারতরত্ন তাঁর সাথেই চললেন সুরলোকে

না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর।তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন সান্থানাম। কোভিড পরবর্তী জটিলতার জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিন সকাল ৮.১২ মিনিটে প্রয়াত হন লতা মঙ্গেশকর। চিকিত্সক প্রতীত সামধানি জানান, মাল্টি অর্গ্যান ফেলিউরের জেরেই মৃত্যু হল লতা মঙ্গেশকরের, কোভিড আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২৮ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ভারতীয় সঙ্গীতে লতা মঙ্গেশকরের অবদান অনস্বীকার্য। ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। দীর্ঘ কেরিয়ারে ত্রিশ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন। ২০০১ সালে তিনি ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ভারত রত্নে ভূষিত হন। এর আগে পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ-এর মতো নাগরিক সম্মানও দেওয়া হয় লতা মঙ্গেশকরকে। চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ পুরস্কার দাদা সাহেব ফালকে দ্বারাও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। ১৯২৯ সালে ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন লতা। সঙ্গীত জগতের অবিসংবাদী সম্রাজ্ঞী হওয়ার আগে শিশু অভিনেতা হিসেবেই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করেছিলেন এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী। ১৯৪২ সালে একটি মারাঠি ছবির সৌজন্যে প্রথম গান রেকর্ড করেন তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জাদু সৃষ্টি করে গেছেন। ছোট-থেকে বড় সকলেই সুরের সরস্বতীর অন্ধভক্ত। করোনায় আমরা হারালাম লতা মঙ্গেশকরকে। তবুও তিনি আমাদের মনের মণিকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

অন্য সুরলোকে পাড়ি দিলেন লতা মঙ্গেশকর

অন্য সুরলোকে পাড়ি দিলেন লতা মঙ্গেশকর। প্রয়াত কোকিলকণ্ঠী। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। প্রায় চার সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন শিল্পী। সম্প্রতি অবস্থার উন্নতিও হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার আচমকা তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। দিতে হয় ভেন্টিলেশনে। সেখান থেকে আর ফেরানো যায়নি লতাকে।কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় গত ১১ জানুয়ারি তাঁকে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন নবতিপর শিল্পী। প্রথম থেকেই তাঁকে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল। ৩০ জানুয়ারি শিল্পীর কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। কিন্তু বয়সজনিত নানা সমস্যার কারণে শেষ পর্যন্ত আর লড়তে পারলেন না তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

শারীরিক অবস্থার অবনতি লতা মঙ্গেশকরের

লতা মঙ্গেশকরের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি। গায়িকাকে নিয়ে দেওয়া হল ভেন্টিলেশনে। কিছু দিন আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। গত মাসের ১১ তারিখ মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় লতাকে। নিউমোনিয়া ধরা পড়ে ৯২ বছরের গায়িকার। শনিবার মুম্বইয়ের ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, লতা মঙ্গেশকরের শারীরিক পরিস্থিতির আবার অবনতি হয়েছে। গায়িকার শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আইসিইউ-তেই রয়েছেন। তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কোভিডমুক্ত লতা মঙ্গেশকর

লতা মঙ্গেশকর ও তাঁর ফ্যানদের জন্য খুশির খবর। করোনা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে থাকার পর অবশেষে আজ তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন।রবিবার বিকেলে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সেই খবরটাই জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপে। রাজেশ টোপে জানিয়েছেন, লতা মঙ্গেশকর যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন, তাঁর সঙ্গে কথা বললাম। তিনি জানালেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১৫ দিন পরে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা হয়েছে তাঁকে। তিনি চোখ খুলে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলছেন। কেবল অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে গায়িকাকে। দুর্বলতা এবং সংক্রমণ রয়ে গিয়েছে তাই সময় লাগছে। তবে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন তিনি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ৮ মার্চ কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন লতা মঙ্গেশকর।পরে ৯২ বছর বয়সী গায়িকার নিউমোনিউয়াও ধরা পরে। আইসিসিউতে রাখতে হয় তাঁকে। অবশেষে কোভিডমুক্ত হলেন লতা মঙ্গেশকর।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেমন আছেন লতা মঙ্গেশকর? তাঁর শারীরিক অবস্থার আপডেট দেওয়া হল

করোনা আক্রান্ত হয়ে লতা মঙ্গেশকরের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছেন। আপাতত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি। ডক্টর প্রতীত সামদানির তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বর্ষীয়ান গায়িকা কেমন আছেন তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট নিয়মিত দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন লতা মঙ্গেশকরের ভক্তরা। এদিনও তাঁর স্বাস্থ্যের আপডেট দিল চিকিৎসকরা। লতা মঙ্গেশকরের টুইটারে এদিন লেখা হয়েছে, মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালেই লতা দিদির চিকিৎসা চলছে। তাঁকে সকালে কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র থেকে বের করার পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্যে উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ডাক্তার প্রতীত সামদানি ও তাঁর টিমের তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চলবে তাঁর। সকলকে ধন্যবাদ সেরে ওঠার জন্য প্রার্থনা ও শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য। এর আগে লতা মঙ্গেশকরের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল তিনি কেমন আছেন এই নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। সেই ভুয়ো খবর দেওয়া যেন বন্ধ করা হয়।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতের বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। আসতে আসতে সুস্থ হচ্ছেন তিনি। তবে এখনও হাসপাতালে থাকতে হবে তাঁকে। চিকিৎসকরা হ্যাঁ বললেই বাড়িতে আসবেন তিনি। লতা মঙ্গেশকরের মুখপাত্র জানিয়েছেন তিনি আপাতত স্থিতিশীল আছেন। লতার চিকিৎসক প্রতীত সমদনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লতাজি এখনও আইসিইউ-তেই আছেন। ওঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য আমরা সব রকমের চেষ্টা করছি আমরা। আপনারা ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন। জানা গেছে এখন তরল খাদ্যের পাশাপাশি ভাত-রুটিও খেতে পারছেন লতা মঙ্গেশকর। বাইরে থেকে এখন আর অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। পুরোপুরি সুস্থ হলেই বাড়ি ফিরবেন তিনি।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন লতা মঙ্গেশকর। মৃদু উপসর্গ নিয়ে ৯২ বছর বয়সী গায়িকা হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি অনেকটাই ভালো আছেন এখন। নিজেকে সুস্থ করে তুলছেন আস্তে আস্তে। চিকিৎসক প্রতীন সমদনি তাঁর দেখভাল করছেন। তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসক বিবৃতি দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন,সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে লতার চিকিৎসক বলেছেন, এই মুহূর্তে উনি আইসিইউ-তে রয়েছেন। ওঁর উপরে সব সময়ে নজর রাখা হচ্ছে। ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন আপনারা। এখন বেশ কিছু দিন উনি আইসিইউ-তেই থাকবেন। তাঁর চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনেকটাই সুস্থ লতা মঙ্গেশকর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বর্ষীয়ান গায়িকা লতা মঙ্গেশকর। তাঁকে আইসিইউতে রাখতে হয়েছে। তবে এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ আছেন। এমনটাই জানিয়েছেন ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক। এক সংবাদমাধ্যম সূত্র মারফত জানা গেছে আগামী ১০-১২ দিন আইসিইউতে থাকবেন তিনি। সর্বক্ষণ কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আপাতত তাঁর অবস্থা স্থিতীশীল। চিকিৎসকরা তাঁর চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না। এদিকে লতা মঙ্গেশকরের বোন আশা ভোঁসলে জানিয়েছেন,তারা ভিতরে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। আমি একবার ভিতরে ঢুকেছিলাম কিন্তু কম্পাউন্ডের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি। করোনার জন্য কিছু বাধানিষেধ মেনে চলা হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Lata Mangeshkar : করোনায় আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, আপাতত স্থিতিশীল

করোনা আক্রান্ত বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে এই কিংবদন্তি গায়িকাকে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতার ভাইঝি রচনা বলেছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাঁকে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। আরও জানা গেছে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন কিন্তু পরিবারের কোনও সদস্যকে এই মুহূর্তে তাঁকে দেখতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের ডাক্তার প্রতীক সামদানি জানিয়েছেন লতা মঙ্গেশকরকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তোলার জন্য ডাক্তাররা চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখছে না। এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি আছেন। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
দেশ

Lata Mangeshkar: করোনা আক্রান্ত লতা মঙ্গেশকর, ভর্তি আইসিইউ-তে

করোনা আক্রান্ত ভারতের নাইটঅ্যাঙ্গেল লতা মঙ্গেশকর। ৯২ বছরের কিংবদন্তি গায়িকাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আপাতত মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে আইসিইউতে তাঁর চিকিৎসা চলছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে লতা মঙ্গেশকরের ভাইঝি রচনা জানিয়েছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য তাঁকে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়াকরে ওঁর জন্য প্রার্থনা করবেন।Legendary singer Lata Mangeshkar admitted to ICU after testing positive for Covid-19. She has mild symptoms: Her niece Rachna confirms to ANI(file photo) pic.twitter.com/8DR3P0qbIR ANI (@ANI) January 11, 2022এমনিতেই লতা বেশ কয়েক বছর ধরে গৃহবন্দি। বাইরে খুব বেশি বেরোন না। তবে নেটমাধ্যমে সক্রিয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করতে দেখা যায় তাঁকে। মনে করা হচ্ছে, তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও ব্যক্তি অথবা পরিচারিকার থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন তিনি।এদিকে দেশে কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬৩ জন। সোমবারই এই সংখ্যাটা ছিল, ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন। সেই নিরিখে কিছুটা হলেও সংক্রমণ কমেছে গোটা দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৬ জন। কেরলে ৩৫০ জন আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। একদিনে দেশে সংক্রমণের পজিটিভিটি রেট ১০.৬৪ শতাংশ।

জানুয়ারি ১১, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal