• ৩ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kunal Ghosh

কলকাতা

ইডি তল্লাশির আগে গোপন বার্তা? ‘দাদা’কে পাঠানো চ্যাট ফাঁস করে বিস্ফোরক কুণাল

প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর এখনও থামেনি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তদন্তকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে রাস্তায় নেমেছেন, অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ নতুন করে প্রশ্ন তুললেন ইডি-র ভূমিকা নিয়ে।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চ্যাটের স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ। ওই কথোপকথনে দেখা যাচ্ছে, দাদা সম্বোধন করে কাউকে জানানো হচ্ছে যে ১৩ জন ইডি অফিসার কলকাতা যাচ্ছেন। সঙ্গে যাচ্ছেন গুলশন রাই নামে এক সাইবার বিশেষজ্ঞ। এছাড়া সিজিও কমপ্লেক্সে একটি জরুরি বৈঠকের কথাও উল্লেখ রয়েছে। মেসেজের শেষ লাইনে লেখা আছে, এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব সকেত কুমারের সঙ্গে কথা হয়েছে।এই চ্যাটে কে কাকে এই তথ্য দিচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে দাদা শব্দটি নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, সরকারি আধিকারিকদের সাধারণত এভাবে সম্বোধন করা হয় না। রাজনৈতিক কোনও ব্যক্তিকেই সাধারণত দাদা বলা হয়ে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কুণাল লেখেন, আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির নামে কি কোনও বড় চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছিল? এই চ্যাট সত্যি হলে পুরো বিষয়টির গভীর তদন্ত হওয়া দরকার। তাঁর প্রশ্ন, ইডি-র তল্লাশি কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল?কুণাল ঘোষ আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দফতর থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল কি না, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সরকারি কাজের খবর কোন দাদাকে জানানো হল, সেটাও স্পষ্ট হওয়া দরকার। তিনি জানান, পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।এই প্রসঙ্গে বিজেপি কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই চ্যাট কারা করেছে, তারাই বলতে পারবে। কুণাল ঘোষ দলের হয়ে কথা বলেন, তাই এই বিষয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া নেই।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘শুধু টাকা আর হ্যাংলামি?’ মেসি বিতর্কে আয়োজকদের তোপ কুণাল ঘোষের

দর্শকাসন থেকে একের পর এক জলের বোতল ছোড়া হল। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হলেন লিয়োনেল মেসি। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় তারকাকে দেখতে পেলেন না বহু ভক্ত। ক্ষোভে ফেটে পড়ে মাঠে নেমে ভাঙচুর শুরু করেন অনেকে। এই ঘটনার পর প্রকাশ্যে আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকেই স্টেডিয়ামে থাকার কথা ছিল মেসির। মাঠ পরিক্রমাও করার কথা ছিল তাঁর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল শাহরুখ খানেরও। মেসি সময়মতো মাঠে পৌঁছলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যায়। গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া শুরু হয়। চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় মাঠজুড়ে।দর্শকদের অনেকেই জানান, চার মাস আগে টিকিট কেটেছেন তাঁরা। কেউ আবার ভোর ৪টে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এত অপেক্ষা আর টাকা খরচ করেও মেসিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি বহু মানুষ।এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষ লেখেন, আয়োজকদের ন্যূনতম পরিকল্পনাও ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, সবটাই কি শুধু টাকা আর ব্যবসা? কেন মেসিকে ঘিরে এত লোকের ভিড় রাখা হল? কেন মাঠ পরিক্রমার সময় মেসিকে একা এগোতে দেওয়া হল না? কেন গ্যালারির দর্শকদের বঞ্চিত করা হল? কুণালের মন্তব্য, এই ঘটনা কলকাতার জন্য লজ্জাজনক।তিনি আরও লেখেন, কয়েকজনের আদিখ্যেতার জন্য পুরো আয়োজন নষ্ট হয়ে গেল। মেসিকে দেখার বদলে কেউ কেউ নিজেকে জাহির করতেই ব্যস্ত ছিলেন। কুণাল স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১১ সালে এই যুবভারতীতেই খেলতে এসেছিলেন মেসি। তখন কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে বসে শান্তিপূর্ণভাবে খেলা দেখেছিলেন তিনি। সেদিন কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

বাবরি মসজিদ নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া! হুমায়ুনকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল, প্রকাশ্যে ‘আসল খেলা’ বললেন কুণাল ঘোষ

গত কয়েক মাস ধরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একাধিক মন্তব্যে অস্বস্তি বাড়ছিল দলের মধ্যে। তাঁকে বহুবার সতর্ক করা হলেও তিনি নিজের অবস্থান বদলাননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য দলনেতৃত্বকে আরও চাপে ফেলে। অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেস ঘোষণা করল, হুমায়ুন কবীরকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনিও কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।এই সিদ্ধান্তের পরে প্রশ্ন ওঠেশুধু মসজিদ তৈরির কথার জন্যই কি এমন কঠোর ব্যবস্থা? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানান, বিষয়টি শুধুমাত্র মসজিদ তৈরির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাঁর দাবি, বাংলায় যে কেউ নিজের জায়গায় মন্দির, মসজিদ বা যে কোনও ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি করতে পারেন। তার জন্য কাউকে কখনও শাস্তি দেয়নি তৃণমূল, ভবিষ্যতেও দেবে না।কুণালের কথায়, সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন ধর্মকে ব্যবহার করে কোনও রাজনৈতিক দল ভোটের আগে বিভাজনের চেষ্টা করে। যদি কেউ সেই ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বহিরঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায়, মেরুকরণ তৈরি করতে চায়, দলকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং দলবিরোধী কাজ করেসেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, শুধু মসজিদ তৈরির জন্য কাউকে বহিষ্কার করা হয়নি। এটা পুরোপুরি সংগঠন বিরোধী কাজের কারণে।কুণাল উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন কেউ গীতা পাঠের অনুষ্ঠান করলে গীতার বিরোধিতা তৃণমূল করে না, কিন্তু যদি সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটাই সমস্যা। মসজিদ তৈরি করাও অপরাধ নয়, কিন্তু যদি তার পিছনে অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত থাকে এবং তা রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয়, তবে তা তদন্তের বিষয়।এর আগে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমও বলেছিলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে যে রাজনীতি করবে, তার সঙ্গে তৃণমূল কোনও সম্পর্ক রাখবে না। হুমায়ুন কেন বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ তৈরির কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বিজেপির ভূমিকার অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটের আগে বিভাজন তৈরির জন্য বিজেপি এ ধরনের গদ্দার কার্ড ব্যবহার করে। এবারও সেই চেষ্টাই চলছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
কলকাতা

বিহারের ফল বাংলায় প্রভাব ফেলবে? কুণাল ঘোষের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক

আর মাত্র কয়েক মাস পরে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক সেই সময়েই বিহারে এনডিএ-র বিপুল আসনজয় বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি শিবিরে এখন একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছেবিহার পারলে বাংলা-ও পারবে। বিহারের জয়ের পর থেকেই গেরুয়া শিবিরের বহু নেতা প্রকাশ্যে দাবি করছেন, এবার পালা বাংলার।এই উচ্ছ্বাসের পাল্টা জবাব দিতে বেশি সময় নিলেন না তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যবাংলার মাটি আলাদা, বাংলার ভোটের চরিত্রও আলাদা। বিহারের ফল বাংলায় কপি-পেস্ট হবে না। রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছে আরেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া। বিহারে SIR শেষ হওয়ার পরই ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাংলাতেও ইতিমধ্যে SIR শুরু হয়ে গিয়েছে, আর সে কারণেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রক্রিয়া শেষ হলেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং অবশ্য দাবি করেছেন, বাংলায় SIR-এর প্রভাব বিজেপির পক্ষে যাবে।কিন্তু কুণাল ঘোষ এই দাবিকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন। বিহারের প্রাথমিক গণনা চলাকালীনই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে দেনবিহারের ভোট বাংলায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষের কাছে উন্নয়ন, ঐক্য, সম্প্রীতি, অধিকার, আত্মসম্মানএই সবই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আবারও আড়াইশোর বেশি আসন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।কুণালের অভিযোগ, বাংলায় SIR এবং তার সঙ্গে জড়িত নানা প্রক্রিয়ায় বিজেপি ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চক্রান্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও ক্ষমতার অপব্যবহারও হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা। তবে তৃণমূল যে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে BJP-র সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেবে, সেকথা তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন।এ প্রসঙ্গে কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কুণাল। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস যে বিজেপি বিরোধীতায় সম্পূর্ণ ব্যর্থবিহারের ফল আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল।বিজেপির হুমকিকে তিনি কড়া সুরে এদিন আক্রমণ করেছেন। বলেন, বিহার দেখিয়ে বাংলাকে হুমকি দেওয়ার কোনো মানে নেই। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান ও অধিকারকে আঘাত করে অন্য রাজ্যের উদাহরণ দেখালে ভোট পাওয়া যায় না। বাংলায় বছরজুড়ে একটাই নামমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উন্নয়ন-মডেল অনুসরণ করছে বহু রাজ্য। তাই বাংলার মানুষও সার্বিক স্বার্থেই তৃণমূলকে সমর্থন করে, ভবিষ্যতেও করবে। শেষেই বিজেপিকে কটাক্ষ করে কুণাল বলেনবাংলার সঙ্গে বিহারের কষ্টকল্পিত তুলনা করে সময় নষ্ট করবেন না।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজনীতি

বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের ৬ লক্ষের মেডিক্যাল বিল নিয়ে বিতর্ক, ব্যাট ধরলেন কুণাল

বিবাহ বিচ্ছেদ, বিধায়ক, তারপর সন্তান। এবার সন্তান হওয়ার পরও বিতর্ক যেন কিছুতে পিছু ছাড়ছে না বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে। এবার বিতর্কে তাঁর সন্তান হওয়ার মেডিক্যাল বিলের অর্থের পরিমান ও বিধানসভায় বিল জমা নিয়ে। কাঞ্চন ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। যতটা পেরেছেন কাঞ্চন মল্লিকের হয়ে ব্যাট ধরতে।কুণাল টুইটে বলেছন, কাঞ্চন মল্লিক তাঁর সন্তান হওয়ার বিষয়ে বিধানসভায় মেডিকেল বিল জমা দিয়েছেন বলে ট্রোলিং চলছে। এটা আপত্তিকর। কাঞ্চন কোনো বিল জমা দেননি। কাঞ্চন জনপ্রিয় মুখ। আরও নানা কারণে সম্প্রতি খবরে। সোশ্যাল মিডিয়াতে চর্চার কেন্দ্র। কিন্তু তাই বলে ঘটনা না জেনেবুঝে তাঁকে আক্রমণ, কটাক্ষ চলতে পারে না। বিধায়করা বিধানসভা থেকে মেডিকেল বিল পান। এটা নিয়ম বহির্ভূত নয়। কাঞ্চন শ্রীময়ীর সন্তানের জন্য ভাগীরথী নেওটিয়া দুলক্ষ টাকা বিল করেছে। ডাঃ প্রণব দাশগুপ্তর টিমের বিল চার লক্ষ টাকা। এই ছলক্ষ টাকার বিল নিয়ে কাঞ্চন বিধানসভায় খোঁজ নিয়েছেন উনি জমা দিতে পারেন কিনা। আলোচনা করেছেন। নিয়ম জেনেছেন। কিন্তু বিল জমা দেননি, Repeat, বিল জমা দেননি। তার আগেই তিনি বিল জমা দিয়েছেন বলে সমালোচনা শুরু।বিধানসভায় কাঞ্চন যে মেডিক্যাল বিল জমা দিয়েছেন বলে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তা খন্ডন করেছেন কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি বিল জমা নিয়ে খোঁজ নেওয়া বা বিল যদি দিতেন তাও কোনও দোষের নয় বলেই দাবি কুণালের। প্রাক্তন রাজ্যসভার সদস্যরে বক্তব্য, এখানে দুটো কথা। এক, যদি ডাক্তারবাবুদের বিল বেশি হয়, তাহলে কাঞ্চন বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কী করবেন? বিধানসভায় এসংক্রান্ত কোনো নিয়ম আছে কি না। দুই, এর আগে ওই হাসপাতাল এবং ওই ডাক্তারটিমের ক্ষেত্রে যদি কোনো বিল জমা পড়ে থাকে, তাহলে বিধানসভা কী করেছিল? আচমকা অত বেশি টাকার বিল পেয়ে বিধায়ক কাঞ্চন যদি বিধানসভায় খোঁজ নিয়ে থাকেন, দোষের নয়। জমা দিলেও দোষ হত না। বিধানসভা স্ক্রুটিনি করতে পারত। নিয়মনীতি অনুযায়ী চলত। কিন্তু কাঞ্চন বিল জমা দেননি, তাতেই এই খবর এবং কাঞ্চনকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা অনুচিত। কেন মেডিকেল বিল এত বেশি হবে, আলোচনাটা সেদিকে হওয়াটা জরুরি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপাল থেকে কুণাল ইস্যু, সাতসকালে নিজস্ব মেজাজে দিলীপ ঘোষ

শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃ ভ্রমণে আসেন বর্ধমান -দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। প্রাতঃ ভ্রমণকালীন স্বমহিমায় প্রাক্তন বঙ্গীয় বিজেপি সভাপতি, দিলেন বর্তমান ইস্যু সম্বন্ধীয় একের পর এক প্রশ্নের উত্তরঃরাজ্যপাল ইস্যুঃতৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত ব্যাক গ্রাউন্ড তৈরি করেছে। এগুলো তারাই করছে। সবাই জানে এই লোকেরা এই কারণেই ওখানে গেছে। পুরো স্ক্রিপ্ট তৈরি ছিল। তৃণমূল একাই চেঁচাচ্ছে। আর কারুর কোনো টেনশন নেই। কারণ আর সবাই জানে এর পিছনে কে আছে। তৃণমূল এবং সরকারের অপকীর্তির বিরুদ্ধে বললে এটা হয়। ওনার বিরুদ্ধে এখনও কোনো কেস করতে পারেনি ওরা। কালো পতাকা দেখিয়েছে, গো ব্যাক বলেছে। কিছু হয়নি। এখন এটাই শেষ অস্ত্র। তৃণমূল কথায় মহিলা মহিলা বলে। মহিলাদের সম্মান করেনা। তাদের ব্যবহার করে। এখানেও একজন মহিলাকে ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশ তো তদন্ত কমিটি করবেই। আমার বিরুদ্ধে আপনি একটা অভিযোগ করুন। তদন্ত দল তৈরি হয়ে যাবে। বাকি হাজার কোটি লুঠ খুন ধর্ষণ সেখানে কতজন গ্রেফতার হয়েছে? তারা বাড়ি থেকে তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা করে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছে। পুলিশ কি করেছে? পুলিশের কি যোগ্যতা? এবং সরকারের কি ইচ্ছা, সবই আমরা জানি। সম্মানীয় মানুষকে কীভাবে অপমান করতে হয়, তৃণমূল তা দেখিয়ে দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি সহ কাউকেই অপমান করতে ছাড়েনি। এমনকি হাইকোর্টের মহিলা বিচারকের স্বামী কে সিআইডি দিয়ে ডেকে পাঠিয়েছে। তৃণমূলের এই নিকৃষ্ট রাজনীতি একদিন তাদের পতনের কারণ হবে।কুনাল ঘোষ ইস্যুঃএসব মক ফাইট। এসব নিয়ে আমরা ভাবছি না। অন্নদাস দের কথার গুরুত্ব নেই। ওই বাড়িতে থাকব, খাবো, লাথি খাবো। ওখানেই থাকব। আবার মুখ খুলব, দুটো একসঙ্গে হতে পারে না। রাস্তায় নামুন। দম থাকলে বেরিয়ে এসে লড়াই করুন। পার্থ চ্যাটার্জি অনেক কিছু বলেছেন কুনাল নিয়ে। এটা ওদের পুরোনো ঝগড়া, বাড়ির ঝগড়া, স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া কেউ রাস্তায় নিয়ে আসে?৭ মে মুর্শিদাবাদে ভোটঃওখানে আইন শৃংখলা বলে কিছু নেই। মুর্শিদাবাদ কে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা করার চেষ্টা চলছে। সমস্ত ক্রিমিনাল এবং অ্যান্টি ন্যাশনাল অ্যাকটিভিটি ওখানে চলছে। তৃণমূল চায় ভোট টা ওদের দিয়ে দিক। বাকি যা খুশি হোক।বিজেপি কর্মীদের ওপর সিউড়িতে হামলাঃনতুন কিছু নয়। ভয় দেখানোর চেষ্টা। এই ভয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেই আজ বিজেপি এই জায়গায় পৌঁছেছে। এবার লাস্ট ধমক চমক চলছে। এরপর কি হবে আমরা ঠিক করব।দুই থানার ওসি বদলঃআরও অনেকে আছে। বর্ধমান জেলায় এরকম দুজন আছে। তাদেরকে আরও বেশ কিছু বছর চাকরি করতে হবে। দিদির আঁচলের তলায় বেশিদিন বসে থাকতে পারবেন না। তারপর খোলা মাঠে আসতে হবে। তখন আমরা হিসেব বুঝে নেব।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ভোটের লড়াই থেকে সরে আসার আহ্বান তৃণমূল নেতার, কেন এই অনুরোধ?

এবার সরাসরি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী হিসেবে কুণাল ঘোষ। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন বিচারপতিকে এই অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সকালে এই পোস্টটি করেছেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।কুণালের বার্তা, শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না। তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে। যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। শুভানুধ্যায়ী হিসেবে ভাবতে বললাম।শ্রী অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়,পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ।আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত।ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে।বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত।অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।তমলুকে @AITCofficial জিতবে।দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।যে আপনাকে তমলুক Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 17, 2024উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তমুলক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তমলুক থেকেই তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। সিপিএম ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিকে, ইতিমধ্যেই তমলুকে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এক দফায় আলোচনা সেরে এসেছেন অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে আগাগোড়া ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।বিজেপি এরাজ্যে প্রথম পর্বে ২০ টি কেন্দ্রে তাঁদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বাকি কেন্দ্রগুলিতে সম্ভবত শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেবে গেরুয়া দল। তবে তার আগে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির প্রতি এমন বার্তা দিয়ে কুণাল ঘোষের এমন পোস্ট রাজ্য রাজনীতিতে নয়া মাত্রা যোগ করেছে।

মার্চ ১৭, ২০২৪
রাজ্য

৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান? কুণাল ঘোষের বক্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান কি এবার পুলিশের জালে ধরা পড়তে চলেছে? ৫৩ দিন ধরে বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তবে এখনও তিনি রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করার পর এদিন টুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন শাহজাহান নিয়ে আদালতে ঘোষণার পর কুণালের টুইট, সাত দিনের মধ্যে শাহজাহান গ্রেফতার হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের এই ঘোষণায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তাহলে এখন কোথায় আছেন শেখ শাহজাহান? কোন ঘেরাটোপে রয়েছেন সন্দেশখালির বাঘ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।কুণালের বক্তব্য, শেখ শাজাহান গ্রেফতার নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেফতার হবে।কুণালের টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, শেখ শাহজাহানের মত দুষ্কৃতী তৃণমূলের সম্পদ। তাই তাঁকে কেউ ধরতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আসলে কাগজপত্র লোপাটের জন্য এতদিন শেখ শাহজাহানকে বাইরে রাখা হয়েছে।এদিকে সোমবার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুতরাং, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতারে যে আইনি বাধার কথা বিভিন্ন মহল থকে বলা হচ্ছিল তা কার্যত নস্যাৎ করে দিল খোদ উচ্চ আদালতই। আগামী সাত দিনে সন্দেশখালির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটে এবার নয়া ইস্যু 'ছাতা ধর' রাজনীতি

ছাতা এবার রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রবিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ একটি ছবি টুইট করে বলেন যে, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইয়ের মাথায় ছাতা ধরে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুদিন আগে অন্ডালের একটি নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। সেখানে দেখা যায় যে বিধায়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, তিনি ছাতা ধরে রয়েছেন বিধায়কের মাথায়। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কাঁকসায় তৃণমূলের একটি সভায় শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায়ের মাথায় পুলিশের ছাতা ধরার টুইট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পাল্টা টুইট কুনালের। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক লক্ষন ঘড়ূইয়ের পাল্টা কটাক্ষ, ওর কথায় কি উত্তর দেব, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা আসামী। পাশাপাশি তিনি বলেন আমি বিধায়ক, আমাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার নিরাপত্তা রক্ষীর। কিন্তু কে প্রভাত চ্যাটার্জী? প্রশ্ন তোলেন তিনি

জুলাই ০৩, ২০২৩
রাজ্য

ধুতি-পাঞ্জাবিতে ভাইরাল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কটাক্ষ কুণালের

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এখন বাংলার অতি পরিচিত নাম। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই বিচারপতি। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগের ঘুঘুর বাসা ভাঙতে তৎপর তিনি। একদিকে চাকরি বাতিল করেছেন, আবার চাকরি দিয়েছেন তিনি। এককথায় সম্প্রতি হাইকোর্টে যুগান্তকারী নির্দেশ ও রায় দেওয়ার জন্য তিনি পূজিত হয়েছেন আবার সমালোচিতও হয়েছেন। এবার সেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোচা দেওয়া ধুতি-পাঞ্জাবি পরা ছবি রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই ভাইরাল ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।বেশ কিছু দিন আগে রাজ্যের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিতর্কে জড়ান অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে দুটি নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে সরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তবে তিনি যে দমবার পাত্র নয় সেটা তিনি বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন।অপূর্ব।বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি।জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন....শূন্য শব্দটিও ভাল।শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর....কারা যেন শূন্য?? pic.twitter.com/NlXXGfuWIW Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) June 18, 2023শূন্য নামে একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ছবি তুলেছেন অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। সেই ছবি টুইট করে কুণাল ঘোষ লিখেছেন, অপূর্ব। বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি। জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন.শূন্য শব্দটিও ভাল। শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর.কারা যেন শূন্য??অভিজ্ঞমহলের প্রশ্ন, কেন এই শূন্য় বললেন কুণাল? তাঁদের ব্যাখ্যা, বামেরা এখনও বিধানসভায় শূন্য। এদিকে সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। সম্ভবত এই কারণেই শূন্যের সঙ্গে শূন্য় মিলিয়ে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। শেষমেশ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর!!

জুন ১৮, ২০২৩
রাজ্য

দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দল, তবে এখনই পথে নয়

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতারের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন ফিরহাদ হালিম, কুণাল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে ব্যবস্থা নেবে দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, আপাতত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াল দল।সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল নেতৃত্ব বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস অন্যায় করে না অন্যায় সহ্য করে না। এটা বিজেপির চক্রান্ত। আইন আইনের পথে চলবে। আদালতে ভরসা আছে তৃণমূল কংগ্রেসের। আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে পার্থর বিরুদ্ধে দল ও সরকার নিশ্চিতভাবে ব্যবস্থা নেবে।পাশাপাশি তাঁদের বক্তব্য, ইডি পশ্চিমবঙ্গে হানা দিলে ভাল? সেই ইডি সনিয়া, রাহুলকে ডাকলে প্রতিবাদ। এটা কী করে হয়। এদিকে বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়ে একাজ করছে। যার বাড়িতে টাকা মিলেছে তিনি তৃণমূলের কেউ নয়। দোষী প্রমান না হওয়ার আগে বিরোধিরা কেনও কথা বলতে পারে না। ২ মাস আগে বিজেপিতে গেলে এমন এ ঘটনা ঘটতো না। নৈতিক ভাবে আমরা মাথানত করব না। সারদা কর্তা চিঠি লেখা সত্বেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না শুভেন্দুর বিরুদ্ধ। তৃণমূলে থাকলে ব্যবস্থা নিত।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

টানা ১৫ ঘন্টা পার্থর বাড়িতে ইডি, চলছে তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, দায় নেবে না তৃণমূল

সকাল সাড়ে ৮টায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৮ জনের ইডি আধিকারিকের দল সেখানে বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে মন্ত্রীকে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আরেকজন ইডির আধিকারিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এর পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। আইনজীবীরা পার্থর বাড়িতে অপেক্ষা করছেন কথা বলার জন্য। এরই মাঝে দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসক এসে মন্ত্রীকে পরীক্ষা করেন।ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম আসছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 22, 2022এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকার পরিমান ২০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে ইডি। মনে করা হচ্ছে এবিষয়ে মন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৫ ঘন্টা মন্ত্রীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম, তাঁরাই জবাব দেবে। অর্থাৎ দল এবিষয়ে দায় ঝেড়ে ফেলল বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

'গোপনে সারদা কর্তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন শুভেন্দু, নিয়েছেন টাকা,' গ্রেফতারের দাবি কুণালের

দলের রাজ্য দফতরে নারদের টাকা নেওয়ার ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি করেছিল বিজেপি। এবার একই পরথে হাঁটল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রধান দফতরে সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের বক্তব্য শোনানো হল। সাংবাদিকদের দেখানো হল সুদীপ্ত সেনের চিঠি। এসব দেখিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতারির দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা সারদাকান্ডে অভিযুক্ত কুণাল ঘোষ এদিন বলেন, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে অভিযুক্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু চোর, ব্ল্যাকমেলার। সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে নগদে টাকা নিয়েছেন। বিজেপি করছে নিজেকে বাঁচাতে। আগের চিঠিতে সুদীপ্ত সেন লিখেছেন তিনি যখন রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়েছিলেন তখনও শুভেন্দু দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। বিজেপি অফিসে নারদার ফুটেজ দেখিয়ে গ্রেফতারের দাবি করা হয়েছিল। তদন্ত শুরু করে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বাদ ছিল শুধু শুভেন্দু।কুণালের দাবি, ৫০ লক্ষ টাকা কাঁথি পুরসভার নামে ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলেছেন সুদীপ্ত। শুভেন্দুকে গ্রেফতার করে তদন্ত করতে হবে। তৃণমূল নেতা তাপস রায় সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে শুভেন্দুকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান। শুভেন্দু ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপাল কিসের বিনিময়ে শুভেন্দুকে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এই বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত। যদিও শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছেন কুণালের কথার তিনি জবাব দেন না।

জুন ২৪, ২০২২
রাজ্য

কুণালের পাল্টা দিলেন ফিরহাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা

রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। বগটুইয়ের দুটি ঘটনা, ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এসএসসি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে বলেছেন, যা বলার পার্থদা বলবেন। তিনি সে সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মন্তব্যে এই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুণালের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নয় বলে শনিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী-নেতা অন্যায় করেনি? অন্যায় করবে না{ অন্যায় হয় না{ প্রসিডিওর মিসটেক হয় কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। পার্থদার ক্যাবিনেটে আমিও মন্ত্রী। যদি কোনও জায়গায় হয়, তাহলে যতটা দায়িত্ব পার্থদার ততটা দায়িত্ব আমারও। সুতরাং একটা কালেক্টিভ পরিবার। ওটা আমরা কারও কাছে কারও দায় ঠেলতে পারি না। আমি আমার মন্তব্য বললাম।কোনও আড়াআড়ি ভাঙার ব্যাপার না। ক্যাবিনেটের মেম্বার কুণাল নয়। আমরা যৌথ দায়িত্ব পালন করি। সেই দায়িত্ব ক্যাবিনেটের, এটা পার্থদার ব্যাপার নয়। এতবড় ক্যাবিনেট চলে কোথায় কী হচ্ছে সেটা একজন মন্ত্রীর পক্ষে জানা সম্ভব? আমি কর্পোরেশনে থাকি কোথায় অ্যাসেসমেন্টে ঘুস নিলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব? কোথাও ট্রেড লাইসেন্সে বেনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব? পার্থদার সঙ্গে কী সম্পর্ক আছে। হয় ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হবে। যে এনকোয়ারি হচ্ছে তা হবে।এর আগে অনুব্রত মন্ডল প্রসঙ্গেও কুণাল কটাক্ষ করেছিলেন। সেদিন তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, সিবিআই বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তলব করলে প্রয়োজনে ৫ মিনিট আগে গিয়েছি। অনুব্রত প্রসঙ্গে তাঁর চিকিৎসক বা আইনজীবী বলবেন বলে তিনি থেমে যাননি। শুক্রবার বলেছেন, ব্রাত্য এখন শিক্ষামন্ত্রী। তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যা বলার বলতে পারবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বা মুখপাত্র মানে তিনি দলের কথাই বলছেন এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ পার্টি লাইন বলাই তাঁর দায়-দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াতে তা পরখ করে নিতেই এমন মন্তব্য করেছেন দলের মুখপাত্র?

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে কী বলে এলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত?‌

লালহলুদের আইএসএলে খেলা যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে উদ্যোগ নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থাকে এনে দিয়েছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ক্লাবের তাঁবুর সংস্কারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। এবার সংস্কার হওয়া সেই তাঁবুর উদ্বোধন করবেন মমতা ব্যানার্জি। ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত হওয়ার পর সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন মোহনবাগানের নতুন সচিব দেবাশিস দত্ত। সঙ্গে ছিলেন সদ্য মনোনীত হওয়া নতুন সহ সভাপতি কুণাল ঘোষ। দুপুরে নবান্নে দুজনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার সময় মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত মুখ্যমন্ত্রীকে সংস্কার হওয়া তাঁবুর উদ্বোধন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মোহনবাগানের অমর একাদশের স্মারক তুলে দেন সচিব দেবাশিস দত্ত। মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষকে সুন্দর উতরীয় তুলে দেওয়া হয়। পরে দেবাশিস দত্ত বলেন, ক্লাব তাঁবু সংস্কার করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি, যাতে সংস্কার হওয়া ক্লাব তাঁবু উদ্বোধন করেন। উনি রাজি হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর সময় দিলেই উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, মোহনবাগান ক্লাবের নামেরর আগে এটিকে রয়েছে। এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির পর থেকেই এটিকে মোহনবাগান নামে আইএসএলে খেলছে সবুজমেরুণ। সদস্যসমর্থকরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন, মোহনবাগান নামের আগে থেকে এটিকে তুলে নেওয়া হোক। পরিবর্তে লগ্নিকারী সংস্থা আরপি গ্রুপের কোনও নাম বসানো হোক। এই নিয়ে সমর্থকরা অতীতে বিক্ষোভেও সামিল হয়েছিলেন। এই নিয়ে নাকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও কুণাল ঘোষের কথা হয়েছে। সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

কবীর সুমনকে ক্ষমা চাইতে বললেন কুনাল ঘোষ, কেন?

সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে বাংলা রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিদ্বজন পর্যন্ত হতবম্ব! সেখানে শোনা যাচ্ছে একজন সাংবাদিক আরেকজনের সাথে ফোনে বাক্যালাপ করছেন। দাবি করা হচ্ছে সেই দুই পক্ষের এক দিকে এক বহুজাতিক সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিক অপরদিকে যে কণ্ঠস্বর, সেটির সাথে বিশিষ্ট সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী ও তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কবির সুমনের কন্ঠের মিল আছে (যদিও জনতার কথা এই অডিও টির স্ত্যতা যাচাই করেনি)। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে টুইট করেন, যে অডিওটি ঘুরছে, সেটি যদি কবীর সুমনেরই হয়, তাহলে তা অতি আপত্তিকর এবং তীব্র প্রতিবাদযোগ্য। এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত, না চাইলে ব্যবস্থা হওয়া উচিত। জনপ্রিয় গায়ক বা প্রতিভাধর বুদ্ধিজীবী হলেই এ সব বলা যাবে, এটা হতে পারে না।ইতিমধ্যেই শনিবার সকালে কবির সুমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন সেখানে তিনি লেখেন, তিনি যা করেছেন, তা দরকার হলে আবার করবেন। পাশাপাশি লিখেছেন, ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে স্বাভাবিক ভাবেই আমি আক্রান্ত। এটাই হওয়ার কথা। আরও হবে। আমার যায়-আসে না। যা করেছি তা, দরকার হলেই, আবার করব। কবির সুমনের এই পোস্টের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিওটাকেই তিনি যে মান্যতা দিচ্ছেন, সেটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। যদিও কবির সুমন খুব সন্তর্পনেই ফোনে বাক্যবিনিময়ের ব্যপারটা এড়িয়ে গিয়েছেন, সে প্রসঙ্গ তিনি টানেননি তাঁর পোস্টে । এবং পোস্টটি তিনি পাবলিক করেননি, অর্থাৎ যে বা যাঁরা তাঁর ফ্রেন্ডলিস্টে থাকবে তারাই এটি দেখতে পারবেন।যে অডিওটি ঘুরছে, সেটি যদি কবীর সুমনেরই হয়, তাহলে তা অতি আপত্তিকর এবং তীব্র প্রতিবাদযোগ্য। এর জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত, না চাইলে ব্যবস্থা হওয়া উচিত। জনপ্রিয় গায়ক বা প্রতিভাধর বুদ্ধিজীবী হলেই এসব বলা যাবে, এটা হতে পারে না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) January 29, 2022তিনি তাঁর সেই পোস্টে আরও লিখেছেন, আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছিলেন, কিছুর পক্ষে যুক্তি দিতে যেও না। তোমার বন্ধুদের তা দরকার পড়বে না। তোমার শত্রুরা তা বিশ্বাস করবে না। সাংবাদিক, সংবাদমাধ্যম, শিল্পীর কোনও আলাদা স্বাধীনতা থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না। যে কোনও মানুষের যে অধিকার, তাদের অধিকার ততটাই। একটি বিশেষ চ্যানেল ও তার সাংবাদিকরা দিনের পর দিন যা করে যাচ্ছে, তার জবাব দিয়েছি উপযুক্ত ভাষায়। সুরসম্রাজ্ঞীর অপমানের বিরুদ্ধে যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল সেখানে কোন চ্যানেলের কোন সাংবাদিক কী করেছে, বলেছে আমি ভুলিনি।এর পর কবির লিখেছেন, সামগ্র দুনিয়ায় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকরা তাদের ইচ্ছেমতো পথে চলে। যে কোনও উপায় নেয়। যার হাতে চ্যানেল-কাগজ কিছু নেই, সে-ও তার ইচ্ছেমতো উপায় নেবে। এ বিষয়ে যাঁদের আগ্রহ, জার্মান কাহিনিকার হেনরিখ বোয়েল (Heinrich Boell)-এর লেখা The Lost Honour of Katharina Blum উপন্যাসটি পড়ুন। বইটি পড়া দরকার। একজন প্রাক্তন সাংবাদিক ও নিয়মিত পাঠক হিসেবে বলছি।এই প্রসঙ্গে কুনালের জোরালো প্রতিবাদের সাথে সাথে উল্লেখনীয় কবি ও গীতিকার শ্রীজাত-র ফেসবুক পোস্ট, তিনি সেখানে লিখেছেন, শিল্প আর শিল্পীর স্বাধীনতার আড়ালে যে যা খুশি করতে পারেন না। তিনি কবিরের-ই একটি গানেরর লাইনকে কোটেশন করে একটি সুবৃহৎ পোস্ট করেন বিরোধীকে বলতে দাও।ভাইরাল হওয়া ওই ফোনে কথাপোকথনের কোনও সুস্থ ও রুচিশীল মানুষের মুখ থেকে আস্তে পারে সেটা বিশ্বাস করাই কঠিন। ওপর দিকের ব্যাক্তিটি সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে বলেছিলেন, যেন তাঁর ওই কথা ব্রডকাস্ট করা হয়। সুমনের মত কণ্ঠের ব্যক্তিটি অভিযোগ করছিলেন যে, ওই চ্যানেল ও তাদের সহকারীরা প্রবীণ গায়িকা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে মেরে ফেলছেন। এবং সেই অভিযোগ সুমন-সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিক সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের পদ্ম-সন্মান ফিরিয়ে দেওয়ার সাংবাদিক বৈঠকেও জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল সন্ধ্যার মতো প্রবীন ও বিদগ্ধ শিল্পীকে পদ্মশ্রী-র মতো পুরস্কার নিতে বলাটা চরম অন্যায়। একজন নব্বই-উর্ধ ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারের এই আচরণে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। এরপরেই, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁকে এসএসকেএম হয়ে বর্তমানে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Kunal Ghosh Vs Adhikari's: কুণালের কটূক্তির প্রতিবাদ, মামলা শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দুর

ত্রিপুরার পর এ রাজ্যেও তৃণমূলের মুখপাত্র কুণালের বিরুদ্ধে মামলা। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেন অধিকারীরা৷ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির উদ্যোগে রাজ্যের শাসকদল শহিদ স্মরণে একটি সভার আয়োজন করে ৷ সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ, জয়া দত্ত, অখিল গিরি-সহ এক ঝাঁক রাজ্যের প্রথম সারির নেতা-নেত্রী । অভিযোগ, ওই মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ তাঁর পরিবারের উদ্দেশ্যে কটূক্তি করে মন্তব্য করেন তৃনমূল নেতা কুণাল ঘোষ ৷ তার ভিত্তিতেই কুণালের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছেন শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী৷ তবে মামলার বিষয়টি পাত্তা দিচ্ছেন না কুণাল৷অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ শুভেন্দুদের মীরজাফর, গাদ্দার-সহ একাধিক শব্দবাণে কটূক্তি শানান । তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ভাই সৌমেন্দু অধিকারী কাঁথি মহকুমা আদালতে কুণালে বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করলেন । তবে এনিয়ে বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেননি সৌমেন্দু ৷ বলেন, কুণাল ঘোষ কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা করেছি । আর বেশি কিছু বলব না, যা বলার আমার আইনজীবী বলবেন ।বেইমান, অকৃতজ্ঞ, বিভীষণ, মীরজাফর, সুবিধাবাদীকে গদ্দার বলা যাবে না?যাবে। বলেছি। বেশ করেছি।মামলা করেছে?চল্ ভাই কোর্টে দেখা হবে।তৃণমূলের আবেগ বিক্রি করে সব ভোগ করেছো। তারপর সিবিআই থেকে বাঁচতে বেইমানি।এখন বললে গায়ে লাগছে?বেগম.. জেহাদি.. এসব বলে যাবে আর রসগোল্লা খাওয়াব নাকি? Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021কাঁথি আদালতে এসিজেএম বিচারক শিবম মিশ্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । কেস ফাইল করাও হয়ে গিয়েছে ।তবে মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি পাত্তা দিতে চাইছেন না কুণাল ৷ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত কিছু জানি না । তবে আমি গতকাল যা বলেছি, ঠিক বলেছি । ওরা সব পদ তো তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই পেয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal