• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kali

রাজনীতি

নতুন তৃণমূল কেমন হবে? প্রকাশ্যে জানালেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

ফর নতুন তৃণমূল নিয়ে বক্তব্য রাখলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার জলপাইগুড়ির জনসভায় তৃণমূল সাংসদ ঘোষণা করলেন নতুন তৃণমূলের অবয়ব। অভিষেক বলেন, ১২ জুলাই নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা বলেছিলাম। নতুন তৃণমূল মানে পুরনো তৃণমূল বাদ নয়। মানুষ যেমন তৃণমূলকে চাইছে তেমন দল করতে হবে। পঞ্চায়েতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন হবে। আমরা ভোট চাইব, বিরোধীরাও ভোট চাইবে। মানুষ যাকে চাইবে ভোট দেবে। সারাবছর মানুষের পাশে থাকলে নিশ্চিতভাবে তৃণমূলই জিতবে।একইসঙ্গে অভিষেক জানিয়ে দেন, যে তৃণমূল ২০১১-তে সিপিএমের মতো শক্তিতে উৎখাত করেছিল। শ্রমিক-কৃষকদের দাবিদাওয়া আদায় করতে আন্দোলন করবে, মানুষের জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিকর। সেই তৃণমূল দেখতে চায় মানুষ। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের হুঁশিয়ারি, কেউ যদি কোনওরকম ব্যক্তি স্বার্থে দলকে ব্যবহার করে দল তাঁর পাশে দাঁড়াবে না। আমি দেখলাম মমতা বা দলের ওপর কোনও রাগ নেই। কিছু স্থানীয় নেতার ওপর রাগ রয়েছে। তাই নতুন তৃণমূলের কথা বলছি।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
দেশ

মহাসমারোহে পালিত হল হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ি'র ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বর্ষপুর্তি উৎসব

বঙ্গ সংস্কৃতির ইতিহাস অতি প্রাচীন। কথায় আছে, কয়েকজন বাঙালি একজোট হলেই, হয় একটা পুজো করে, নাহলে একটা নাটক, নিদেন পক্ষে কোনও গানবাজনার আসর তো বসবেই। প্রবাসী বাঙালি একাত্মবোধ একটু বেশী। কর্মসুত্রে বাঙালিকে বহু দুর দুড়ান্তে যেতে হয়েছে, কখনও কখনও দেশে বাইরেও। যেখানেই তাঁরা গিয়েছে সেখানে কোনও না কোনও নিদর্শন রেখে এসেছেই। বাঙালীর দিল্লী ভ্রমণ মানে যেমন চিত্তরজ্ঞন পার্ক কালি বাড়ি সে লিস্টে থাকবেই। মুম্বাইয়ে তো একাধিক বাঙ্গালী অ্যাসোসিয়েশন অতি জনপ্রিয়। সেরকমই এক বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন হায়দ্রাবাদ কালি বাড়ি। শহরটার নাম শুনলেই মনে আসে সম্রাট নিজামুদ্দিন র নাম। মহান সম্রাটের সেই শহরের প্রাণকেন্দ্রে কালি পুজোকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির উদাসীনতা কেবল বাঙ্গালি-ই দেখাতে পারে।১৯৭২-রে কয়েকজন বাঙালি যাঁদের অধিকাংশই সেনাবাহিনী এবং রেলওয়ের কর্মী ছিলেন তাঁরা বিবেকানন্দপুরম, সৈনিকপুরীতে দেবী কালীর মন্দির স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁরা ১৯৭৪ এর ১১ আগস্ট ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেই মন্দিরটি ২৮ আগস্ট ১৯৭৬ রে হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ি নামে দেবী কালীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। এই সংগঠনটিক মূলত সেখানকার বসবাসকারী বাংলাভাষি বাঙালি সম্প্রদায়ের জন্য একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক পীঠস্থানে পরিণত হয়েছেঅমাবস্যা ও পূর্ণিমায় বিশেষ পূজার পাশাপাশি প্রত্যহ তিনবার প্রতিমার পূজার্চনাও করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক বছর জাঁকজমকপূর্ণভাবে ভাবে দুর্গাপূজা ও কালীপূজা করা হয়। এছাড়াও আরও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজার্চনা করা হয় যেমন, লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা, সরস্বতীপূজা। এছাড়া সারা বছর বাঙ্গালী বিভিন্ন উৎসব সাড়ম্বরে পালন করা হয়ে থাকে। বাংলা নববর্ষ, রবীন্দ্র জয়ন্তীও এই মন্দির প্রাঙ্গণে পালিত হয়। সেই সব বিশেষ দিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।প্রিয়াংশী রায়, অহনা মজুমদার, শিক্ষা জানা, রাজন্যা ব্যানার্জী২৮ আগস্ট হায়দ্রাবাদ কালীবাড়ির ৪৬ তম বর্ষপুর্তি পালন করা হল মহাসমারোহে। সঙ্গীত, নৃত্যনুষ্ঠান সহ নানা অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয় এই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সমাবেশে। অনেক অনুষ্ঠানের মধ্যে নজর কারে শিব তান্ডব নৃত্য নাটক। নৃত্য বিশারদ মধুশ্রী রায়চৌধুরি তাঁর ছাত্রছাত্রী দের নিয়ে এই নৃত্যনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই ধরনের বিষয়ে তাঁর উদ্ভাবনীতা ও পোষাক নির্বাচন সত্যিই মনে দাগ কেটে যায়। নৃত্য পারদর্শিতায় যে নাম গুলো প্রথমেই মনে আসে তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রিয়াংশী রায়, অহনা মজুমদার, শিক্ষা জানা, রাজন্যা ব্যানার্জী, তেজস্বিনী সেনগুপ্ত ও চাতুর্য। নাম গুলো পড়ে আপনাদের মনে হতেই পারে এ যেন বাংলার কোনও এক যায়গার কোনও অনুষ্ঠান। এখানেই বাঙালির মাহাত্য। সেটা নিউ জার্সী হোক বা হায়দ্রাবাদ বাঙ্গালিয়ানায় ভরপুর।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

'মা কালি' বিতর্কে কড়া সমালোচনা করলেন টলিউডি অভিনেত্রী

ভারতীয় চিত্র পরিচালক লীনা মানিমেকালাইয়ের তথ্যচিত্রের একটি পোস্টারে দেবী কালী রূপে এক মহিলাকে ধূমপান করতে দেখা যায়। সেই পোস্টার নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে বেফাঁস কথা বলে ফেলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্র। যার জেরে আসমুদ্র হিমাচল রে রে শুরু করে দেন। তাঁর করা সেই মন্তব্য নিয়ে দানা বাঁধে নতুন এক বিতর্ক। মহুয়ার করা মন্তব্য নিয়ে কড়া বিবৃতি দেই ভারতীয় জনতা পার্টি। তাঁর মন্তব্য নিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানাতে শুরু করে বিজেপি। সাংসদের দল সর্বভারতীয় তৃণমূলের তরফেও টুইট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, তৃণমূল দল মহুয়ার বক্তব্যকে সমর্থন করছে না।চিত্র জগতের পক্ষ থেকেও এই মন্তব্য নিয়ে বিবৃতি দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। ইতি মধ্যে মৌবনি সরকার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের, তিনি লিখেছেন আমি একবার মা কালীর উপর একটি সংক্ষিপ্ত সঙ্গীত চলচ্চিত্র তৈরি করেছিলাম, যা আমি শেয়ার করব, কিন্তু রাজনীতিবিদরা যারা নিজেদের অত্যন্ত স্মার্ট মনে করে বক্তব্য রাখেন, আমার কাছে মা কালী শুধুমাত্র একজন মহিলা যিনি মদ্যপান করেন..., ইত্যাদি ইত্যাদি, দয়া করে আগে নিজেদেরকে শিক্ষিত করুন তারপর মা কালী সম্পর্কে বলার সাহস দেখান। এটা লজ্জার যে আপনি বাংলার, যেখানে মা কালী দেবীরুপে পুজিত হন এবং আপনার নিজের সাংস্কৃতির প্রতি সত্যিই অকৃতজ্ঞ, সেকারনে আপনাকে আরও স্মার্ট বা শিক্ষিত করে তুলতে পারে না। আপনাদের মত এমন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ভোট দিতে এবং সমর্থন করতে আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত যার যারা নিজেদেরকে ঈশ্বরের ওপরে মনে করেন। তিনি আরও বলেন আমার মনে হয় আমরা ইতিমধ্যেই এর জন্য অনেক মূল্য পরিশোধ করছি।২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিন্দু দেবতা শিব কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে বিপাকে ফেলেছিলেন বর্তমান তৃনমূল কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। সম্প্রতি বিজেপির অপসারিত যুবনেত্রী নুপুর শর্মা-র মন্তব্য ঘিরে সারা দেশ জুড়ে অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি হয়। তৃনমূল সংসদ মহুয়া মিত্র সেই একই পথে হেঁটে ধর্মীয় ভাবাবেগকে আবার আযাচিত ভাবে আঘাত হানলেন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।এখানে উল্লেখ্য হিন্দু দেবতা মা কালী কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তৃণমূল সাংসদের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যেরা বৌবাজার থানায় বুধবার দুপুরে মোট ৫৬টি অভিযোগ দায়ের করেন। মহুয়ার গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

জুলাই ০৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা সফল করতে প্রস্তুতি বৈঠক রায়ানে

আগামী ২৭ জুন বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মের ময়দানে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহিদ দিবস। এই দুই অনুষ্ঠানকে সফল করতে বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ময়দানে নেমে পড়েছে। দেওয়াল লিখন থেকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করছে। বৃহস্পতিবার রায়ান অঞ্চলে সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই সভায় বক্তব্য রাখেন বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত। এদিন তৃণমূলের কর্মীসভা ছিল ভিড়ে ঠাসা। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, ডাঙাপারা অঞ্চলের তৃণমূল সদস্য সেখ জামাল, কার্ত্তিক, রিন্টু, সেখ সিরাজ। কাকলি তা গুপ্ত বলেন, এক দেড়শো নয়, এলাকার সমস্ত মানুষকে নিয়ে এগ্রিকালচার ফার্মে পৌঁছাতে হবে আগামী ২৭ জুন। আমাদের এখানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা হচ্ছে। দায়িত্ব অনেক বেশি। ১০০ দিনের কাজে মোদী সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করছে। সেই দাবি জোরালো করতে হবে। ২৭ জুন মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে বর্ধমানে সাজো সাজো রব। ওই দিনই প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আইনুল হক

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হলেন আইনুল হক। এদিন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার দফতরে চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত আইনুল হকের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে স্বাগত জানান। এর আগে বর্ধমান পুরসভার প্রশাসনিক পদে ছিলেন তিনি। তার আগে ছিলেন বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানও।বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী রবীরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হওয়ার পর বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থা তথা বিডিএ-র চেয়ারম্যান পদটি ফাকা ছিল। পরে কাকলি গুপ্তাকে চেয়ারম্যান করা হয়। এবার আইনুল হককে ভাইস চেয়ারম্য়ান করা হল। বর্ধমানবাসী মনে করছে, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বর্ধমানে এবার প্রকৃত উন্নয়ন হবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজনীতি

জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা

চার পুরনিগমের ভোটগ্রহণের দিন শনিবার। এদিনই জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে দলের সর্বস্তরে যে গণ্ডগোল ও মনোমালিণ্যের পালা চলছে তা নিয়েই আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আগামিকাল কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিকেল ৫ টা নাগাদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুব্রত বক্সী ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ চলছে। একাধিক জেলার নেতারা রয়েছেন দ্বিধাবিভক্ত, সেই পরিস্থিতির সামাল কীভাবে দিতে হবে তা নিয়ে বিস্তরা আলোচনা হতে পারে। এছাড়াও দলের বর্তমানে একাধিক নীতি নিয়ে চিন্তায় জেলার নেতারা। নতুন নিয়ম কার্যকর না হলেও পুরানো নিয়ম বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে বারবার সুব্রত বক্সী ও পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোন আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। দলে আদৌ এক ব্যক্তি এক পদ নীতি বজায় থাকবে কি না তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও ইদানিং সৌগত রায়, মদন মিত্র কিংবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিভিন্ন আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাও উঠবে এই জরুরি বৈঠকে। এছাড়াও আগামী দিনে জাতীয় স্তরে দলের সংগঠন কীভাবে এগোবে, তা নিয়েও রূপরেখা তৈরি করতে আলোচনা হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায় নেই স্থানীয় বিধায়ক, দায়িত্বে কাকলি

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার (BDA) নতুন চেয়ারপার্সন ঘোষণা করলো রাজ্য পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতর। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তিতে একজন চেয়ারপার্সন ও ৯ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু নতুন কমিটিতে সদস্য পর্যন্ত করা হয়নি বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।এর আগে বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পর পদটি দীর্ঘদিন ফাঁকা ছিল। বিডিএ-র দায়িত্ব দূরের কথা সদস্য়ও করা হয়নি বর্ধমানের বিধায়ক খোকন দাসকে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন চেয়ারপার্সন হয়েছেন কাকলি তা গুপ্ত। ৯ জন সদস্যের মধ্যে রয়েছেন, পুর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের প্রতিনিধি, পৌর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিনিধি, পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক, পুর্ব-বর্ধমান পুলিশসুপার, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান, বর্ধমান উত্তর বিধানসভার বিধায়ক নিশীথ মালিক, শুভব্রত মুখোপাধ্যায় ও বিডিএর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার।প্রসঙ্গত কাকলি তা গুপ্ত দীর্ঘদিন তৃণমূল দলের সক্রিয় রাজনীতির সাথে যুক্ত। তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত-কর্মাধক্ষের দ্বায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমানে তিনি বর্ধমান-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে আজ কালীঘাটে অখিলেশের দূত কিরণময় নন্দ

মঙ্গলবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসছেন সমাজবাদী পার্টি নেতা কিরণময় নন্দ। সপা নেতার তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে যোগী রাজ্যের ভোটে তারা প্রার্থী দেবে না। বরং তাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির প্রতি। অখিলেশের দূত এবং এ রাজ্যের প্রাক্তন মৎসমন্ত্রী কিরণময় নন্দের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কিরণময় নন্দ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাবেন। কালীঘাটে বিকেল সাড়ে ৪টের সময় এই বৈঠক হবে। বৈঠক শেষে দু দলের তরফে কোনও যৌথ বিবৃতি উঠে আসে কি না সেদিকে নজর থাকবে সমস্ত মহলের। উল্লেখ্য ২০২১ সালে বাংলায় বিধানসভা ভোটের সময় সপা নেত্রী জয়া বচ্চন এসেছিলেন এ রাজ্যে। তৃণমূলের হয়ে কলকাতায় প্রচার করেছিলেন তিনি। কিরণময় নন্দও প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের সমর্থনে। নন্দীগ্রামে প্রচার করেছিলেন তিনি। অর্থাৎ বাংলার ভোটের সময় সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলের প্রতি তাদের সমর্থন স্পষ্ট করেছিল দলের নেতৃত্বকে পাঠিয়ে। এবার তারই পাল্টা ছবি দেখা যেতে পারে।উত্তরপ্রদেশ ভোটে বিজেপিকে হারাতে মরিয়া সমাজবাদী পার্টি। সেই লড়াইয়ে তৃণমূলের পাশে থাকার বার্তাই এদিনের বৈঠকের পর উঠে আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

Kalighat Temple: করোনার বাড়বাড়ন্তে বন্ধ হল কালীঘাটের গর্ভগৃহে প্রবেশ

করোনার উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হল। কেবলমাত্র পালা করা সেবাইতরাই পূজা করতে পারবেন। তাঁরাই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। আগামী ১১ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। করোনা সংক্রমণের কারণে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক স্তরে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। দ্রুত গতিতে করোনা ছড়ানোয় মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক স্তরে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, একটি মিটিং করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১১-২৬ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে মন্দির। সাধারণ দর্শনার্থীরা ২ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকে ৪ নম্বর গেট দিয়ে বের হতে পারবেন। দুটি গেটই খোলা থাকবে। স্যানিটাইজার টানেল দিয়ে যেতে হবে।কোভিড গাইডলাইন মেনে মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তবে গর্ভগৃহে ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা শুরু করেছে পুলিশ। মন্দিরে ঢোকার ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা কড়াভাবে নজর রাখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Kali Puja: "বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা", মানুষ ভিড় করছে দুর্গামাতা সংঘে

বাহির সর্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের শ্যামাপুজো এবার ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। বর্ধমান শহরের হাটুদেওয়ানের এই সংঘের এবারের থিম: বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা। দেবী কালীর সঙ্গে সাধকদের যোগ। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে দুর্গামাতা সংঘ।ত্রৈলঙ্গ স্বামী থেকে বামা খ্যাপা, রামকৃষ্ণ বা রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত থেকে আগমবাগীশ বাদ নেই কোনও কালীসাধক-ই। অপরূপ সৌন্দর্যে শোলার কাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে থিমের বিষয়বস্তু। বুধবার পুজোর উদ্বোধন হয়েছে। পুজোর উদ্বোধন করেন পুর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল। পুজের আগের দিন থেকেই মানুষ ভিড় করেছে দুর্গামাতা সংঘের মন্ডপে।সংঘের সদস্য তারকনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তেরো বছর ধরে কালীপুজো করছি। এবার থিমে আমরা সব কালীসাধকদের একই ফ্রেমে রেখেছি। প্রথমত শ্যামাপুজোয় তাঁদের স্মরণ করা হল, দ্বিতীয়ত খ্যাতনামা কালীসাধকদের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এলাকাবাসীর সহযোগিতা বরাবরই পেয়ে থাকি। করোনা আবহেও সবাই এগিয়ে এসেছে। রাজ্য সরকারের কোভিড বিধি মেনেই চলছে পুজোর কার্যক্রম।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kali Puja : কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী মৌলী দত্ত

আজ বাঙালির কালীপুজো। করোনা বিধি মেনে সকলে নিজেদের মতো করে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছেন। বাদ নেই তারকারাও। তারাও অভিনয়ের ব্যস্ত শিডিউল সামলেও কালীপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন। সেরকমই অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকের বর্ষা অর্থাৎ অভিনেত্রী মৌলী দত্ত তার এবারের কালীপুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন জনতার কথার সঙ্গে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কী প্ল্যান? মৌলীঃ কালীপুজোর আজ অপরাজিতা অপুর শুটিং ছিল। কিন্তু গুড লাক যে আমাকে আজ শুটিং-এ যেতে হয়নি। বাড়িটা গোছগাছ করলাম। সন্ধ্যেবেলায় প্রদীপ জ্বালালাম।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে?মৌলীঃ দেখো এবার বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে। আর আমার এমনিতেও শব্দবাজি ভালো লাগেনা। আমার বাড়িতে তো পেট আছে। ওরা খুব ভয় পায়। ইভেন রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখিরা এরা শব্দবাজিতে খুব ভয় পায়। আমার আলোর বাজি মানে আতসবাজি খুব ভালো লাগে। আর প্রদীপ ও মোমবাতি এটা তো বেশ ভালো লাগে। গোটা বাড়ির লাইট অফ থাকবে আর প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় আলোকিত হবে এই বিষয়টা খুব ভালো লাগে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কি কি মিস করো? মৌলীঃ আমি ছোট থেকেই যেহেতু এই প্রফেশনে আছি তাই শুটিং-এই অলমোস্ট কালীপুজো কাটে। সেরকম কিছু মিস করিনা। তবে গতবছর করোনার সময় কাটোয়াতে ছিলাম আমার বাড়িতে। ওখানে জাগ্রত খেপি মায়ের মন্দির আছে। সেখানে সবাই আমরা যাই। সারাবছরই মায়ের কাঠামোটা থাকে। পুজোর সময় যেহেতু প্রতিমাটা তৈরি করা হয় সেটা দেখার জন্য সবাই ভিড় করে। সেটা মিস করি। মা আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যায়। শোভাযাত্রা যেটাকে বলে। রাত ১২টা-১টা অবধি জেগে থাকা যে মা কখন আসবে, অ্যানাউন্সমেন্ট হবে যে এবার খেপির মা যাবে। এটা মিস করি। এখানে থাকলে সেটা হয় না। ২০২০ তে বাড়িতে ছিলাম বলে হয়েছিল। জনতার কথাঃ কালীপুজোর কোনও মেমোরি শেয়ার করো। মৌলীঃ মেমোরি বলতে কালীপুজো নিয়ে খুব একটা মেমোরি কিছু নেই। কালীপুজো এরকমভাবেই কাটে। তবে এইবছর একটা ভালো জিনিস বলতে পারি আমি লাস্ট যে প্রোজেক্ট শেষ করেছিলাম যে প্রোজেক্টটা NT-1 স্টুডিওতে হতো। সেখানে কালীপুজো হয়। এইবছরও সেই স্টুডিও তে কাজ করছি। টুনি লাইট দিয়ে পুরোটা সাজানো রয়েছে। খুব ভালো লাগছে। তবে সেরকম মেমোরিস কিছু নেই।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

High Court: কালী-দর্শনে নয়া কী কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট?

দীপাবলিতে বাজি ফাটানোর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরে সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্টের সেই নির্দেশ খারিজ হয়ে যায়। এবার হাইকোর্টে শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশই বহাল থাকল। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কালী পুজো বা দীপাবলিতে কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজিই ফাটানো যাবে। ২ ঘণ্টার জন্য মিলবে বাজি ফাটানোর অনুমতি। বাজি ফাটানো যাবে রাত ৮ টা থেকে ১০ টা।দর্শকদের জন্য পুজো মণ্ডপে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। কোভিডের দুটি টিকা নেওয়া থাকলেও পুজো মণ্ডপে অবাধে ঢুকতে পারবেন না কেউ। বুধবার স্পষ্ট নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে পুজো মণ্ডপে ভিড় নিয়ন্ত্রণের আবেদন করে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল আদালতে। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই রায় দিল হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ।এ বার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এবং বিচারপতি কেসাং ডোমা ভুটিয়ার বেঞ্চের নির্দেশ, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোয় মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় রোখার জন্য সব রকম জরুরি পদক্ষেপ করতে হবে। শুধু মাস্ক পরা বা দুটি টিকা নেওয়া থাকলেই পুজো মণ্ডপে অবাধে ঢোকা যেতে পারে না। সাধারণ মানুষেরও কিছু দায়িত্ব থাকা উচিত।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Upasana Maitra: কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র

তার অভিনয় শুরু হয় মডেলিং ও র্যাম্প ওয়াক দিয়ে। সেখান থেকে বাংলা ফিচার ফিল্ম খুঁজে বেড়াই তারে তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভোজপুরি ছবি করেছেন। বর্তমানে শুভেন্দু দাসের পরিচালনায় ওম্যান পাওয়ার এ অভিনয় করছেন। যার শুটিং খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র জনতার কথার মুখোমুখি। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয় ছিল কালীপুজো ও ভাইফোটায় তার কি প্ল্যান। জনতার কথাঃ কেমন আছো?উপাসনাঃ আপাতত একটু ব্যালেন্স করেছি। করোনার জন্য যা ছিল এখন একটু ব্যালেন্স করেছি। জনতার কথাঃ এবারে কালীপুজোয় কি প্ল্যান?উপাসনাঃ আমার বাড়ির কালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত কালী। তো আমাদের এটা প্রপিতামহর আমল থেকে চলে আসছে। কালীপুজো আমার বাড়িতেই হয়। তো ওটাই করবো।জনতার কথাঃ কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে ভালো লাগে? না কি প্রদীপ জ্বালানো পর্যন্তই ঠিক আছে?উপাসনাঃ না, আমি একটু আগাগোড়াই ডানপিটে টাইপের মেয়ে। তো আমি একটু কালীপটকা, বোম এগুলো ফাটাতে বেশি পছন্দ করি। তারাবাতি আমার খুব একটা ভালো লাগে না। এখন তো নিউজে শুনলাম হাইকোর্ট থেকে অর্ডার দিয়েছে এবছর শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। ঠিক আছে হাইকোর্ট যেটা অর্ডার দিয়েছে সেটাই মানবো। কিছু করার নেই। জনতার কথাঃ এবারে ভাইফোঁটায় কি করবে?উপাসনাঃ আই অ্যাম দ্য অনলি চাইল্ড অফ মাই পেরেন্টস। ভাই, বোন বলে তো কিছু নেই। তাই ভাইফোঁটা ব্যাপারটা নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fire Cracker: কালীপুজো ও দীপাবলীতে বাজি ফাটাতে জারি নির্দেশিকা, কী সেই নির্দেশিকা?

কালীপুজো এবং দীপাবল এবং ছট পুজোয় বাজি ফাটানোর নিয়ম বেঁধে দিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। উৎসবের দিনগুলোতে কতক্ষণ বাজি ফাটানো যাবে, তা স্পষ্ট ভাবে জানাল পর্ষদ।দীপাবলির বাজি বাজারে এসে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো পরিবেশবান্ধব বাজিই ফাটাতে হবে, আরও একবার নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। পরিবেশ বান্ধব বাজি ফাটানোর নোটিস জারি করল রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।প্রসঙ্গত, কালীপুজো ও দীপাবলিতে আতসবাজি ফাটানোর গত বছরের নির্দেশ বহাল রাখার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কোভিড আবহে ২০২০ সালে রাজ্যে শব্দবাজি-সহ সবরকমের আতসবাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই রায় দেওয়া হয়েছিল। করোনা আবহে এই রায় অত্যন্ত কার্যকরী হয়েছিল।রাজ্যের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র পরিবেশবান্ধব আতসবাজিই বিক্রি করা হবে। রাত ৮-১০টা পর্যন্ত এই বাজি ফাটানো যাবে। ছট পুজোতেও কেবল ২ ঘণ্টাই এই বাজি ফাটানো যাবে। পাশাপাশি ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের অনুষ্ঠানে কোন সময়ে বাজি ফাটানো যাবে, সেই সময় সীমাও ধার্য করে দিল রাজ্য সরকার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্রিসমাস ও বর্ষশেষের রাতে ১১.৫৫ মিনিট থেকে সাড়ে বারোটা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব আতসবাজি ফাটানো যাবে।পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে আতসবাজি বিক্রি ও ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পুরোপুরি তা বন্ধ না করে নিরাপদ ও কম শব্দ উত্পন্ন করে সেই ধরনের বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

LandSlide: ধসে বিচ্ছিন্ন পাহাড়, চরম ভোগান্তিতে আটকে থাকা পর্যটকরা

একদিকে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দেবভূমী। অন্যদিকে বৃষ্টিতে অবরুদ্ধ পাহাড়। মাটি আলগা হয়ে ধস নেমেছে বহু জায়গায়। বন্ধ বেশ কিছু রাস্তা। দার্জিলিং, কালিম্পঙের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন। তার ফলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকরা। হাজার হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন পাহাড়ে। কোনও ভাবেই সমতলে ফিরতে পারছেন না তাঁরা।আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল উত্তরাখণ্ডে আটকে চুঁচুড়ার রায় পরিবারদার্জিলিং, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁও, কোলাখাম, রিশপে আটকে রয়েছেন পাঁচ থেকে ছহাজার পর্যটক। টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে। তার ফলে গাড়ি চলাচল বন্ধ। বিকল্প রোহিণী রোড ধরে চলছে গাড়ি। ত্রিবেণীর কাছে রাস্তার উপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। চিত্রেতে ধস নেমে রাস্তায় বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। লাভা থেকে গোরুবাথান যাওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ। শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর বালাসন সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সেতুর উপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।বিভিন্ন দিকের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাহাড় ছেড়ে বেরতে পারছেন না পর্যটকরা। পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত দুদিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা নেই। ফলে মোবাইলে চার্জ নেই বেশির ভাগ পর্যটকের। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না পরিবারের অন্য সদস্যরা। শিলিগুড়ি পুলিশের তরফে টুইট করে বলা হয়েছে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে ২৯ মাইলের কাছে বড় ধস হয়েছে। রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগবে। তাই শিলিগুড়ি থেকে ছোট গাড়িগুলিকে করোনেশন সেতু, তিস্তা ও রংপোর দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।দার্জিলিঙের জেলাশাসক এস পুন্নমবলম বলেন, বহু জায়গায় বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় ছোট ছোট ধস নেমেছে। ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে একটি বড় ধস নেমেছে। যদিও বিকল্প রাস্তা খোলা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে যাতায়াত চলছে।এখন পর্যন্ত বিপর্যয়ে এক জনের মৃত্যুর খবর এসেছে।

অক্টোবর ২০, ২০২১
কলকাতা

BJP: মমতার দুয়ারে লাশ নিয়ে বিজেপি, ধুন্ধুমার কালীঘাট চত্বর

ভবানীপুরে দলীয় প্রার্থীর মৃতদেহ নিয়ে মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়লেন রাজ্যের বিজেপি নেতারা। পুলিশের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে রাস্তার উপরেই শুরু হয় অবস্থান-বিক্ষোভ। এদিকে, বিজেপি নেতার মৃত্যুতদন্তে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে সিবিআই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা বুধবার মারা যান। ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি আহত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসার জন্য ভর্তি ছিলেন ঠাকুরপুকুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। মঙ্গলবার সেখানেই মারা যান তিনি। মানসের দেহ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিছিল করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি-র নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ অর্জুন সিং, ভবানীপুর উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালরা।আরও পড়ুনঃ অত্যাচার, নির্যাতন না হলে বিজেপি ৩০টা আসনও পেত না, দাবি মমতারকালীঘাটে বিক্ষোভ করতে করতে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে এগিয়ে যান বিজেপি নেতারা। এসপ্ল্যানেড ছাড়িয়ে ভবানীপুর হয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে মৃত বিজেপি নেতার দেহ নিয়ে উপস্থিত হন সুকান্ত মজুমদাররা। প্রবল বিক্ষোভে থমকে যায় রাস্তা। প্রবল যানজট শুরু হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। সেখানে ফের একপ্রস্থ ঝামেলা শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। পুলিশ সেই মিছিল আটকালে শুরু হয় অশান্তি। এর পর মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির অদূরে মানসের দেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন সুকান্তেরা। প্রসঙ্গত, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর বুধবার ভবানীপুরে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়েই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছিলেন সুকান্ত। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনা ঘটল।বেশ কিছুক্ষণ ধরে ঝামেলা চলার পর মৃতদেহ সরায় পুলিশ, এরপর মৃত বিজেপি নেতার দাহকার্যের জন্য ক্যাওড়াতলা রওনা দেন নেতারা।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন মগরাহাটের বিজেপি প্রার্থী মানস সাহা। তারপর থেকেই শুরু হয় শারীরিক অসুস্থতা। তার পর এদিন সকালে হাসপাতালে প্রাণ হারান বিজেপির মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের প্রার্থী মানস সাহা। বিজেপি নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ফের একবার রাজ্যের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে সরব হন সুকান্ত মজুমদাররা।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

TMC joining: ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরে

মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগেই বিজেপির তরফের ঘোষণা করা হয়েছিল ফাটলের কোনও সম্ভাবনা নেই দলের অন্দরে। কিন্তু দুদিনের মাথায় আবারও ছন্দপতন বিজেপিশিবিরে। পদ্মশিবির ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দিলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক সৌমেন রায় শনিবার তৃণমূলের ভবনে গিয়ে দলীয় মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন তৃণমূলে।প্রায় দুমাস আগে সৌমেন জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে অবশ্য সৌমেন বিজেপিতেই আছেন বলে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। কিন্তু মাঝেমধ্যেই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উধাও হয়ে যাওয়া নিয়ে গুঞ্জন চলছিল বিজেপির অন্দরে। শেষ পর্যন্ত শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সৌমেন তৃণমূলে যোগ দেন। সূত্রের খবর, যেদিন বাগদার বিজেপি বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস তৃণমূলে যোগ দেন, সে দিনই সৌমেন রায়েরও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটু অপেক্ষা করেই তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে, সৌমেন রায়ও আগে তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু বাকি দলবদলুদের মতো ভোটের আগে তিনিও তৃণমূলে যোগ দেন। তৃণমূলে শামিল হয়ে সৌমেন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই তৃণমূলে আছি। ঘটনাচক্রে আমি বিজেপির টিকিটে দাঁড়িয়ে জয়লাভ করি। কিন্তু আমার মন-প্রাণ তৃণমূল কংগ্রেসেই পড়ে ছিল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানাআজকের দলবদলের পরে বাংলার বিধানসভায় বিজেপির আরও শক্তিক্ষয় হল বলা চলে। কারণ বিধানসভা ভোটে ৭৭ আসনে জয়লাভের পর নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার বিধায়ক পদ ত্যাগ করেন। এরপর প্রথমে মুকুল রায় ও পরবর্তী সময় তন্ময় ঘোষ ও বিশ্বজিৎ দাসও দলত্যাগ করেন। এ বার চলে এলেন সৌমেন রায়ও। ফলে বিজেপি যে আরও দুর্বল হল, তা বলাই যায়। ফলে বর্তমানে রাজ্য বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৭ থেকে কমে হল ৭১।সৌমেন রায়ের দল পরিবর্তন নিয়ে অবশ্য বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপি সূত্র বলছে, এই দলবদল নিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব মাথা ঘামাচ্ছেন না। তাঁরা ধরেই নিচ্ছেন, যে সকল নেতারা তৃণমূল থেকে এসে বিধায়ক হয়েছেন, তাঁরা দলে ফিরে যাবেন। খানিকটা এমন ভেবে নিয়েই এবার সামনের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
কলকাতা

Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে লাগু নতুন নিয়ম

এবার থেকে জোড়া করোনা টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট টেম্পল কমিটি। করোনা সংক্রমণে তৃতীয় ঢেউ আগামী অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত আকার নিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন পূর্বাভাসই দেওয়ার পরেই, মন্দিরের সেবায়েতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেই মর্মে সোমবার রাতে বৈঠকে বসে তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর জেলা বিচারক চৈতালি দাস চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ তথা টেম্পল কমিটির সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী প্রমুখ। সূত্রের খবর, বৈঠকে আলিপুর জেলা বিচারক মন্দির কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জানতে চান, সরকারি কোভিডবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা। টেম্পল কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, কোভিড সংক্রমণ রুখতে গত এক বছরে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের নিজস্ব তহবিল থেকে যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে মন্দিরে আসা ভক্তকুলের চাপে বহু ক্ষেত্রেই সেইসব জিনিসের ক্ষতি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রে জীবনযুদ্ধের গল্প নিয়ে শুভেন্দুপ্রসঙ্গত, কালীঘাট মন্দির পরিচালনার প্রশাসনিক দায়িত্ব আলিপুর জেলা বিচারকের হাতে। তাই তিনি এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই ২২ জুন খুলে দেওয়া হয়েছিল কালীঘাট মন্দিরের দরজা। ২১ জুন কালীঘাট টেম্পল কমিটির সিদ্ধান্ত নেয়, সকাল ছটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির। পরে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত খোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু, তখনও মন্দিরের গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল কমিটি। সংক্রমণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে মন্দিরের প্রশাসনিক তথা পুজো সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জোড়া টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা জোড়া টিকা নেবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি কোভিডবিধি যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখে চলতে হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
কলকাতা

Kalighat: আজ থেকে দুবেলা খোলা কালীঘাট মন্দির

আজ থেকে দুবেলার জন্যই খুলে দেওয়া হচ্ছে কালীঘাট মন্দির। পাশাপাশই গর্ভগৃহে ঢোকা থেকেও উঠে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। সেখানে ঢুকেই পুজো দিতে পারবেন দর্শনার্থীরা। তবে করোনা বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফে। পুজো দেওয়া ঘিরে যাতে ভিড় না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষকে।এর আগে, গত ২২ জুন মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের জন্য। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্তই মন্দির খোলা রাখা হচ্ছিল। নিষেধ ছিল গর্ভগৃহে প্রবেশ। সোমবার থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। মন্দির কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ হালদার জানিয়েছেন, সোমবার থেকে দুবেলা মন্দির খোলা থাকছে, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা। তবে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি ঢোকা যাবে না।

জুলাই ৩১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal