• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kali Puja

উৎসব

বর্ধমানে ‘দূর্গা মাতা সঙ্ঘের’ কালীপুজোয় সাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানার মেলবন্ধন

১৭ বছরে পদার্পণ করলো ঐতিহ্যবাহী পুজো, মণ্ডপে ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির রূপে ফুটে উঠেছে বাংলার মাটির ঘ্রাণ।পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর সংলগ্ন হটুদেওয়ান এলাকার কালীপুজো এবারেও নজর কাড়ছে থিমে ও ভাবনায়। দূর্গা মাতা সংঘ এবারে তাদের কালীপুজোর ১৭তম বছরে পদার্পণ করলো। প্রতি বছরই অভিনব থিমের মাধ্যমে মাতৃ বন্দনাকে নতুন রূপে উপস্থাপন করে এই সংঘ। ২০২৫ এ তাঁদের থিমসাবেকিয়ানা ও বনেদীয়ানা, যার মর্মবাণীগ্রাম বাংলার বনেদীয়ানা, মাটির ঘ্রাণে মিশে যায়,সাবেকিয়ানায় মাতৃ বন্দনা, অন্ধকারে আলো ছায়।থিমের এই ভাবনা শুধু কথায় নয়, প্রতিটি ইট ও মাটির গায়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যের ছোঁয়া। শিল্পীদের সৃজনশীলতায় মণ্ডপে উঠে এসেছে এক পুরানো ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির প্রতিরূপ। বাড়ির ছাদে গজিয়ে উঠেছে বটগাছ, যার ঝুরি নেমে এসেছে বারান্দা ছুঁয়ে, আর দেওয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছেসব মিলিয়ে যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের এক নিঃশব্দ গল্প বলা হচ্ছে মণ্ডপের দেওয়ালে দেওয়ালে।তবে শুধু প্রাচীনতার ছায়া নয়, ভগ্নপ্রায় জমিদারবাড়ির এই চেহারাকে ঢেকে দেওয়া হয়েছে আধুনিকতার কোমল পরশে। মণ্ডপের চারপাশে ফুলের সাজ, আলোর মেলা ও রঙিন ব্যাকড্রপে এক চমকপ্রদ রূপ পেয়েছে মায়ের আবাস। যেন অতীত ও বর্তমানের মিলন ঘটেছে এক মঞ্চেযেখানে ঐতিহ্যের গন্ধে ভরে উঠেছে আধুনিকতার আলো।রবিবার সন্ধ্যায় দূর্গা মাতা সংঘর এই পুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক বুদ্ধদেব পান। তিনি উপস্থিত সকলকে দীপাবলির অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান। সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ ও সুন্দর প্রতিমা ও প্যান্ডালের ফুলের সাজ দেখে বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমাশাসক দূর্গা মাতা সঙ্ঘর ভুয়াশী প্রশংসা করেন। উদ্বোধন পর্বের পর পাড়ার কচিকাঁচা নিয়ে নাচ-গান-কবিতা সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দূর্গা মাতা সংঘ-র সম্পাদক তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে জানান, সোমবার রীতি মেনে কালীপুজোর আয়োজন করা হবে, ভক্তদের উপস্থিতিতে মাতৃ আরাধনায় মুখরিত হবে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার সংঘ-র সদস্য ও পরিবার বর্গের মধ্যে মায়ের ভোগ বিতরণ করা হবে। যেখানে প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ৮০০-র বেশি মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পুজো পর্বের সমাপ্তি হবে বুধবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে স্থানীয় প্রতিভা ছাড়াও বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।আয়োজক কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, এই থিমের মাধ্যমে আমরা আজকের প্রজন্মকে স্মরণ করাতে চাই সেই গ্রাম বাংলার গরিমাযেখানে ছিল বনেদিয়ানা, ঐতিহ্য আর মাটির ঘ্রাণে ভরা এক সহজ সরল জীবন। আধুনিকতার ভিড়ে সেই আবেগ যেন হারিয়ে না যায়, সেটাই আমাদের প্রয়াস।স্থানীয় বাসিন্দারাও উচ্ছ্বসিত। স্থানীয় বাসিন্দা রীনা বোধক জানান, প্রতি বছর এই পুজো যেন গোটা এলাকাটাকে নতুনভাবে একত্র করে। শুধু দেবী বন্দনা নয়, আমাদের শিকড়কে মনে করিয়ে দেয় এই আয়োজন। আমরা গোটা পাড়া চারদিন হই-হই করে কাটিয়ে দিই। ২০২৫-র দূর্গা মাতা সংঘর থিমের শিল্পী সুব্রত বৈরাগী, এবং তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন সংঘ-র সক্রিয় সদস্য সৌম্য দাস।হরিনারায়নপুরের এই কালীপুজো আজ শুধুই ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এক সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীকযেখানে দেবী কালী যেন শুধু অন্ধকারের বিনাশিনী নন, বরং ঐতিহ্যের রক্ষাকর্ত্রী, যিনি মাটির গন্ধে মিশে আছেন গ্রামীণ বাংলার প্রতিটি প্রাণে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
উৎসব

বর্ধমান শহরে ৫১ ফুটের কেদারনাথ মন্দির দেখতে ভক্তদের ঢল

কালীপুজোর ধারে-ভারে উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, নদীয়া জেলার দাপট থাকলেও আসতে আসতে বাঙালির ১২ মাসের ১৩ পার্বণের অন্যতম এই পুজো ক্রমশ জমজমাট আকার ধারন করেছে দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম জেলা পূর্ব-বর্ধমানে। সন্ধ্যা নামতেই আলোর উৎসব ও শক্তির আরাধনায় মেতে উঠেছেন জেলাবাসী। নানা ধরনের থিম থেকে জনপ্রিয় স্থাপত্যের অনুকরণে তৈরি পুজো মণ্ডপের পাশাপাশি, বেশ কিছু ঐতিহ্যশালী মন্দিরে এবারও জমজমাট শ্যামাপুজো।কালীপুজোর মণ্ডপেও থিমের ছড়াছড়ি। কোথাও দিল্লী-র লালকেল্লা তো আবার কোথাও দুর্গম অমরনাথ। সেই থিমের আশ্রয় নিয়েই জমজমাট পুজোর আয়োজন হয়েছে বর্ধমান শহরের বাজেপ্রতাপপুর সংলগ্ন হরিনারায়ণপুরের দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজোয়। ১৫তম বছরে তাঁদের নিবেদন রাঙা জবার সূত্রে গাঁথা। আকর্ষণ এই কেদারনাথ।। ভারতের বিখ্যাত তীর্থ যাত্রাগুলির মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান কেদারনাথ। কেদারনাথ পুণ্যভুমি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে গাড়োয়ালের হিমালয় পর্বতশ্রেণীতে অবস্থিত কেদারনাথ শহরে মন্দাকিনী নদীর তীরে স্থাপিত একটি শিব মন্দির। মন্দিরের ইতিহাসকে স্মরণ করে ভক্তদের ঢল নামে এই মণ্ডপে। পুজোর দিন সকাল থেকেই মন্দিরে ভক্তসমাগম শুরু হয়ে যায়। রাতে পুজোর বিশেষ আয়োজন করা হয়। এই পুজোয় ভক্তদের জমায়েতকে কেন্দ্র করে বর্ধমান শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখার জন্য বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ার পাঠানো হয়।দুর্গামাতা সংঘের কেদারনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপ দেখতে শহর ও শহরের আশপাশ থেকে প্রচুর মানুষের আগমন হচ্ছে। এবছরে তাঁদের মণ্ডপের উদ্বোধন করেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ স্বামী অজ্ঞেয়ানন্দ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা মহিলা থানা ইন্সপেক্টর-ইন-চার্জ বনানী রায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে তাঁরা এলাকার কচিকাঁচাদের নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। হোম মহাযজ্ঞ-এর মধ্যদিয়ে শ্যামা মায়ের আরাধনায় ব্রতী হন তাঁরা। পুজোর পরেরদিন সন্ধ্যায় মায়ের ভোগের আয়োজন করেন দুর্গা মাতা সংঘ, প্রায় সহস্রাধিক মানুষ মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন।১৫তম বছরে দুর্গা মাতা সংঘের ৫১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট কেদারনাথ মণ্ডপ দেখতে মানুষের ঢল নামে। স্থাপত্যের সাথে সাথে আলোর রোশনাই-এ সেজে উঠেছে তাঁদের মণ্ডপ। সংঘের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথাকে জানান, এবছরে তাঁদের পুজোর বাজেট প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। মূলত সদস্য চাঁদা ও কিছু সহৃদয় সংস্থা হাত বাড়িয়েছেন বলেই আমাদের মত ছোট্ট পাড়ায় বড় মাপের পুজো করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জনতার কথার মাধ্যমে সেই সমস্ত সহৃদয় ব্যক্তি ও সংস্থা কে ধন্যবাদ জানান। সাথে সাথে সংঘের প্রতিটি সদস্য কেও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দুর্গা পুজোর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এত বড় পুজোর আয়োজন করা খুবই কষ্টসাধ্য এক কাজ, তা সম্ভব হয়েছে একমাত্র ক্লাবের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য-ই।সংঘের অপর এক সদস্য তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, দেখতে দেখতে আমাদের পুজো ১৫তম বছরে পদাপর্ণ করল। নিছকই পুজোর আনন্দে পুজো করার নেশা নিয়ে শুরু করা দুর্গা মাতা সংঘের ছোট্ট পুজো ক্রমশ মহীরুহতে পরিণত হচ্ছে। এতে আগামীদিনে দায়ীত্বও অনেকগুন বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, আমাদের অনুভুতি অনেকটা জনপ্রিয় বাংলা কমেডি শোয়ে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়-র বিখ্যাত ডায়লগ ভালো হয়েছে, কিন্তু আরও ভালো করতে হবে-র মত। মানুষের চাহিদা পুরণের চ্যালেঞ্জ-ই সবচেয়ে প্রাধান্য আমাদের কাছে।দুর্গা মাতা সংঘের কালচারাল কমিটির প্রধান চঞ্চল চৌধুরি জানান, উদ্বোধনের দিন এলাকার কচিকাঁচারা কবিতা, গান, ছোট নাটিকা, নৃত্য-এ প্রায় ২৫ জন তাঁদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁরা আরও একটি জমজমাট গানবাজনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে বলে তিনি জানান।

নভেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজ্য

দীপাবলির মাঝ রাতে বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশানে মহা গণ্ডগোল, ত্রস্ত দর্শনার্থী

কালীপুজো ও দীপাবলির রাত দেড়টা নাগাদ বর্ধমানে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় ভাঙচুর ও তান্ডব চালালো বেশ কয়েকজন। অভিযোগ তারা সকলেই নিজেদের স্থানীয় তৃনমূল নেতা ও কর্মী বলে পরিচয় দেয়। এই ঘটনায় শ্মশান কালি মন্দির কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয়, তাদের মধ্যে তিনজন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গেছে। তান্ডবের ঘটনায় রাতে নির্মলঝিল মহাশ্মশান এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।বর্ধমান শহরের নির্মলঝিল মহাশ্মশানে কালিপূজো দেখতে ভির জমান বহু মানুষ, এবারও প্রচুর মানুষ উপস্থিত ছিলেন কালিপূজো দেখতে। পুজো কমিটির অভিযোগ, হঠাৎই নিজেকে তৃণমূল নেতা পরিচয় দেওয়া আকাশ সিং মদ্যপ অবস্থায় সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মহাশ্মশানে উপস্থিত হয়। কমিটির সদস্যদের সাথে দু-এক কথা হওয়ার পরেই ভাঙচুর চালায় মহাশ্মশান চত্বরে। ভেঙে দেওয়া হয় প্রায় ৫০ টি চেয়ার ও টেবিল। সেই সঙ্গে কমিটির ১০ জন সদস্যকে বেধারক মারধর করা হয় বলে তাঁদের অভিযোগ। এই তান্ডব লীলা দেখে মহাশ্মশানে আগত সকল দর্শনার্থীরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয়, মুহুর্তে শান্ত এলাকা রনক্ষেত্রের চেহারা নেয়। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত দুটো নাগাদ ঘটনাস্থলে আসেন ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসান্ন ব্যানার্জি। তিনি জানান, এই ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেননি। সম্পূর্ণ বিষয়টি এলাকা মানুষদের কাছে শুনেছেন তিনি। প্রশাসনের কাছে তিনি একটাই আবেদন রাখেছেন দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে করা ব্যবস্থা নেয়া হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং, মাটি হতে পারে উৎসব

উৎসবের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা এরাজ্যেও। কালীপুজোর আনন্দ মাটি করে দিতে পারে সিত্রাং। হাওয়া অফিসের চূড়ান্ত আপডেট, মঙ্গলবার ভোরেই আছড়ে পড়বে প্রবল শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। তবে গতি অনুযায়ী ল্যান্ডফল হবে বাংলাদেশের বরিশালে। কিন্তু এই ঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে উপকূলবর্তী জেলাগুলি ও দক্ষিণবঙ্গের একাংশে। ইতিমধ্যেই ভোর থেকে বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোড়ে সিত্রাং বাংলাদেশের তিনকোনা দ্বীপ ও সন্দ্বীপের মাঝামাঝি কোনও একটা জায়গায় আছড়ে পড়বে। এখানে ল্যান্ডফল না হলেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে এরাজ্যেও। পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়া সিত্রাংয়ের প্রভাব পড়বে দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনায়। বৃষ্টি হবে কলকাতাতেও।বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই শক্তি সঞ্চয় করেছে সিত্রাং, জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এদিন ভোর থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ভারি বর্ষণের সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সিত্রাং সমুদ্র থেকে স্থলভাগের কাছাকাছি আসতেই ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়বে।ইতিমধ্যেই জরুরি ভিত্তিতে সরকারি দফতরের ছুটি বাতিল করেছে নবান্ন। সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। পূর্ব মেদিনীপুর ও দুই ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। দুর্যোগ মোকাবিলায় সমস্তরকম ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া আগেই নিষেধ করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রতিপদেই কালীপুজো! উল্টোপুড়ান বর্ধমানের এই গ্রামে, জানুন সেই কাহিনী

এই গ্রামে কালীপুজো হয় প্রতিপদে, আর্থাৎ পুজোর আগের দিন রাতে। গ্রামের নাম তরুল। পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের এলাকায় এই তরুল গ্রাম। আড়াইশো বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই পুজো হয়ে আসছে।একটা বড় মাঠের মাঝখানে এই মন্দির। এখানেই নানা সহচর সহচরী নিয়ে দেবীর মূর্তি। জনশ্রুতি এই গ্রামের এক সাধিকাকে গ্রামের মানুষ দেবীর অংশ মনে করতেন। তাকে পুজো করা হয় এখানে। ভুত চতুর্দশীর রাতে ঘট তোলার পর পুজো শুরু হয়। সকালে হয় প্রসাদ বিতরণ। এই ভোগের পুরোটাই রান্না হয় তালপাতার জ্বাল দিয়ে। পরের দিন হাজার হাজার মানুষ ভোগের প্রসাদ খেতে আসেন। আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষের ঢল নামে।গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর আসল মাহাত্ম খাওয়াদাওয়ায়। খাওয়াই এই পুজোর মূল ব্যাপার। একে একদিন আগে পুজো আর তারপর পাত পেতে হাজার হাজার মানুষের খাওয়া। দুটোই অভিনব।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি সাংসদ স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী স্ত্রীর

সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে নিয়ে সরব হলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। তিনি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা তথা তার প্রাক্তন স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেন।তিনি বলেন, উনি তো কোথাও গুরুত্ব পান না। উনি যখন যে দলে থাকেন সেই দলকেই পাগল করে মারেন। তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন তখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা কথা বলেছেন। এখন তিনি যে দলে আছেন সেই দলের বিরুদ্ধে বলছেন। নিশ্চয় গুরুত্ব না পাবার মত কিছু করেছেন। তবে ওই দলে কদিন থাকবে তা নিয়েও তিনি সন্দিহান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি করতে আসা মানে পাবার জায়গা নয়। পদ চাই তা নয়।মানুষের জন্য কাজ করা।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের দূর্ল্লভা কালী একই অঙ্গে কালী, দুর্গা, চণ্ডী ও বিপত্তারিণী রূপে পূজিত

কালী, দুর্গা, চণ্ডী অথবা বিপত্তারিণী। বছরভর বিভিন্ন মরসুমে সব দেবীরই পুজো হয় এক মূর্তিতে। এমন ভাবেই তিন শতকেরও বেশি সময় ধরে বর্ধমান শহর লাগোয়া লাকুড্ডি এলাকায় দুর্লভা কালীর পুজো চলছে। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল, কালীপুজোর আগে এখন সেখানে সাজোসাজো রব।লোকশ্রুতি থেকে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজার আনুকুল্যেই দেবী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। একদা গোকুলানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক পরিব্রাজক সন্যাসী ঘুরতে ঘুরতে জঙ্গলে পরিপূর্ণ লাকুড্ডিতে হাজির হন। শুরু করেন দেবী আরাধনা। একদিন গোকুলানন্দ মন্দিরের পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তার পায়ে একটি পাথর ঠেকে। তখন তিনি ওই পাথর টিকে তুলে নিয়ে আসেন। এর পর মা কালী সন্যাসী গোকুলানন্দকে স্বম্নাদেশ দেয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করতে তারপর সন্ন্যাসী গোকুলানন্দ বর্ধমানে লাকুড্ডিতে তাল পাতার ছাউনী দিয়ে মন্দির তৈরি করে পাথরটিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। জড়ো হন ভক্তেরাও। কথিত রয়েছে, গোকুলানন্দের সাধনা ও বিভিন্ন দৈব শক্তির খবর যায় বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহতাবের দরবারেও। একদিন মহারাজ বিজয়চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে সন্যাসী গোকুলানন্দ কাছে পৌছান। তখন সন্যাসী গোকুলানন্দ মহারাজ বিজয়চাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। এরপর বিজয়চাঁদ মুগ্ধ হয়ে প্রায় দশ বিঘে জায়গার উপর একটি দালান মন্দির তৈরি করে দেন। পাশেই তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি শিব মন্দিরও। এ ভাবেই ধীরে ধীরে দেবী দূর্লভার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকায়।তবে দেবীর নাম দুর্লভা হওয়া নিয়েও একটি গল্প প্রচলিত আছে।বর্তমানে মন্দিরের পুরহিত মঙ্গলা ভট্টাচার্য জানান,.গোকুলানন্দ স্বামী মারা যাওয়ার পরে দুর্লভ ভট্টাচার্য নামে একজনকে পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা বিজয়চাঁদ। রাজ অনুগ্রহে মন্দির ও সম্পত্তিরও অধিকারী হন তিনি। এই দুর্লভ ভট্টাচার্যের নামেই দেবী এখানে ছুর্লভা নামে পরিচিত।ভষ্টাচার্য পরিবারের সূত্রে জানা গেল, দেবী এখানে শ্বেত পাথরের মুর্তিতে পুজীতা হন। তবে দেবীর মূর্তিটি প্রথমে মাটির ছিল। পরে তা অষ্টধাতুতে তৈরি করা হয়। তবে সেই মুর্তি চুরি যায়। তারপর মহারাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে দেবী বেলকাঠের মূর্তিতে পুজিতা হতেন। কিন্তু সময়ের ফেরে ওই বেলকাঠেও ঘুন ধরে। তারপর খানেকের মধ্যে তাতেও ফাটল ধরে। ছুবছর আগে রাজস্থান থেকে সাড়ে চার ফুট উচ্চতার শ্বেত পাথরের মূর্তিটি আনা হয় বলে জানান মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত মঙ্গল ভ্টাচার্য। দুর্গাপুজোর সময় এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে কালীপুজোর সময়মতো রাতভর পুজো হয়। প্রতিদিন নিত্যপুজোর সময় অন্নভোগ দেওয়া হয় এবং ওই দিন মন্দিরের ভিতরে ভক্তদের বসিয়ে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়। একসময় দেবী দুর্লভা কালী ডাকাত কালী নামেও পরিচিতি ছিল।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

চায়না আলোর দাপটে ম্রিয়মাণ মাটির দীপাবলীর মাটির প্রদীপ

এক সময় পুজোর আগে থেকেই শুরু হত দীপাবলীর জন্য মাটির প্রদীপ তৈরির কাজ। দুর্গা পুজো, লক্ষী পুজো পরপর পেরিয়ে গেলেও হুশ থাকতো না বর্ধমানের মৃত্শিল্পীদের। ঠিক সময় অর্ডারী মাল তৈরি করতে হবে। সেই জন্য নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু মূত্শিল্পীরা নন কার্যত গোটা পরিবার প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত থাকত। শুধুকি বর্ধমান শহর,শহর ছাড়িয়ে নীলপুরের মাটির প্রদীপ গোটা জেলায় এমন কি ভিন জেলাতেও পৌঁছে যেত। সময় বদলেছে,বদলেছে মৃতশিল্পীদের কাজের ধরণ। বদলেগেছে মানুষের চাহিদাও। ঝাচকচকে এলিডি টুনিতে মজেছে সকলো ব্রাত্য হয়ে পড়েছে মাটির প্রদীপ।এখন আর সেই রকম অর্ডার পাতি হয় না।চাহিদা কমে গেছে তবুও মৃত্শিল্পীরা প্রদীপ তৈরি করেন। বাপ-ঠাকুরদার পেশা কি করেই বা ছেড়ে অন্য পেশায় যাবে। তাই চাহিদা না থাকলেও প্রতি বছরই প্রদীপ তৈরি করেন। ছোট,পাতি,মাঝারি,সাজার সহ বিভিন্ন ধরণের প্রদীপ তৈরি করেন। এক সময় কালী পুজোর আগে নীলপুরের মৃৎশিল্পীদের উঠোনে পা ফেলার জায়গা থাকতো না। শরতের রোদ বৃষ্টি খেলার মাঝেই গোটা উঠোন জুড়ে দীপাবলীর প্রদীপ শুকানো হত। আগে গোটা পাড়ায় ৩০ ঘরের বেশী বাড়িতে প্রদীপ বানানো হত। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন মাত্র তিন থকে চারটি বাড়িতে প্রদীপ তৈরি হয়। নতুন প্রজন্ম জীবিকার টানে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন সংকটে মৃৎশিল্পীরা। বাজারে সল্প মূল্যের রীন টুনির হরেকরেকমবা দাপটে পিছিয়ে পড়েছে কুমোর পড়ার গরুর গাড়ি থুরি মৃত্শিল্পীরা।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

Kali Puja: "বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা", মানুষ ভিড় করছে দুর্গামাতা সংঘে

বাহির সর্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের শ্যামাপুজো এবার ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। বর্ধমান শহরের হাটুদেওয়ানের এই সংঘের এবারের থিম: বাংলার পূজার্চনা সাধকের আনাগোনা। দেবী কালীর সঙ্গে সাধকদের যোগ। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে দুর্গামাতা সংঘ।ত্রৈলঙ্গ স্বামী থেকে বামা খ্যাপা, রামকৃষ্ণ বা রামপ্রসাদ, কমলাকান্ত থেকে আগমবাগীশ বাদ নেই কোনও কালীসাধক-ই। অপরূপ সৌন্দর্যে শোলার কাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে থিমের বিষয়বস্তু। বুধবার পুজোর উদ্বোধন হয়েছে। পুজোর উদ্বোধন করেন পুর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল। পুজের আগের দিন থেকেই মানুষ ভিড় করেছে দুর্গামাতা সংঘের মন্ডপে।সংঘের সদস্য তারকনাথ মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তেরো বছর ধরে কালীপুজো করছি। এবার থিমে আমরা সব কালীসাধকদের একই ফ্রেমে রেখেছি। প্রথমত শ্যামাপুজোয় তাঁদের স্মরণ করা হল, দ্বিতীয়ত খ্যাতনামা কালীসাধকদের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সার্বিক ভাবে এলাকাবাসীর সহযোগিতা বরাবরই পেয়ে থাকি। করোনা আবহেও সবাই এগিয়ে এসেছে। রাজ্য সরকারের কোভিড বিধি মেনেই চলছে পুজোর কার্যক্রম।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kali Puja : কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী মৌলী দত্ত

আজ বাঙালির কালীপুজো। করোনা বিধি মেনে সকলে নিজেদের মতো করে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছেন। বাদ নেই তারকারাও। তারাও অভিনয়ের ব্যস্ত শিডিউল সামলেও কালীপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন। সেরকমই অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকের বর্ষা অর্থাৎ অভিনেত্রী মৌলী দত্ত তার এবারের কালীপুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন জনতার কথার সঙ্গে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কী প্ল্যান? মৌলীঃ কালীপুজোর আজ অপরাজিতা অপুর শুটিং ছিল। কিন্তু গুড লাক যে আমাকে আজ শুটিং-এ যেতে হয়নি। বাড়িটা গোছগাছ করলাম। সন্ধ্যেবেলায় প্রদীপ জ্বালালাম।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে?মৌলীঃ দেখো এবার বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ করেছে। আর আমার এমনিতেও শব্দবাজি ভালো লাগেনা। আমার বাড়িতে তো পেট আছে। ওরা খুব ভয় পায়। ইভেন রাস্তার কুকুর, বিড়াল, পাখিরা এরা শব্দবাজিতে খুব ভয় পায়। আমার আলোর বাজি মানে আতসবাজি খুব ভালো লাগে। আর প্রদীপ ও মোমবাতি এটা তো বেশ ভালো লাগে। গোটা বাড়ির লাইট অফ থাকবে আর প্রদীপ ও মোমবাতির আলোয় আলোকিত হবে এই বিষয়টা খুব ভালো লাগে। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় কি কি মিস করো? মৌলীঃ আমি ছোট থেকেই যেহেতু এই প্রফেশনে আছি তাই শুটিং-এই অলমোস্ট কালীপুজো কাটে। সেরকম কিছু মিস করিনা। তবে গতবছর করোনার সময় কাটোয়াতে ছিলাম আমার বাড়িতে। ওখানে জাগ্রত খেপি মায়ের মন্দির আছে। সেখানে সবাই আমরা যাই। সারাবছরই মায়ের কাঠামোটা থাকে। পুজোর সময় যেহেতু প্রতিমাটা তৈরি করা হয় সেটা দেখার জন্য সবাই ভিড় করে। সেটা মিস করি। মা আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যায়। শোভাযাত্রা যেটাকে বলে। রাত ১২টা-১টা অবধি জেগে থাকা যে মা কখন আসবে, অ্যানাউন্সমেন্ট হবে যে এবার খেপির মা যাবে। এটা মিস করি। এখানে থাকলে সেটা হয় না। ২০২০ তে বাড়িতে ছিলাম বলে হয়েছিল। জনতার কথাঃ কালীপুজোর কোনও মেমোরি শেয়ার করো। মৌলীঃ মেমোরি বলতে কালীপুজো নিয়ে খুব একটা মেমোরি কিছু নেই। কালীপুজো এরকমভাবেই কাটে। তবে এইবছর একটা ভালো জিনিস বলতে পারি আমি লাস্ট যে প্রোজেক্ট শেষ করেছিলাম যে প্রোজেক্টটা NT-1 স্টুডিওতে হতো। সেখানে কালীপুজো হয়। এইবছরও সেই স্টুডিও তে কাজ করছি। টুনি লাইট দিয়ে পুরোটা সাজানো রয়েছে। খুব ভালো লাগছে। তবে সেরকম মেমোরিস কিছু নেই।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Upasana Maitra: কালীপুজোর আড্ডায় জনতার কথায় অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র

তার অভিনয় শুরু হয় মডেলিং ও র্যাম্প ওয়াক দিয়ে। সেখান থেকে বাংলা ফিচার ফিল্ম খুঁজে বেড়াই তারে তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভোজপুরি ছবি করেছেন। বর্তমানে শুভেন্দু দাসের পরিচালনায় ওম্যান পাওয়ার এ অভিনয় করছেন। যার শুটিং খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। অভিনেত্রী উপাসনা মৈত্র জনতার কথার মুখোমুখি। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয় ছিল কালীপুজো ও ভাইফোটায় তার কি প্ল্যান। জনতার কথাঃ কেমন আছো?উপাসনাঃ আপাতত একটু ব্যালেন্স করেছি। করোনার জন্য যা ছিল এখন একটু ব্যালেন্স করেছি। জনতার কথাঃ এবারে কালীপুজোয় কি প্ল্যান?উপাসনাঃ আমার বাড়ির কালী হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত কালী। তো আমাদের এটা প্রপিতামহর আমল থেকে চলে আসছে। কালীপুজো আমার বাড়িতেই হয়। তো ওটাই করবো।জনতার কথাঃ কালীপুজোয় বাজি ফাটাতে ভালো লাগে? না কি প্রদীপ জ্বালানো পর্যন্তই ঠিক আছে?উপাসনাঃ না, আমি একটু আগাগোড়াই ডানপিটে টাইপের মেয়ে। তো আমি একটু কালীপটকা, বোম এগুলো ফাটাতে বেশি পছন্দ করি। তারাবাতি আমার খুব একটা ভালো লাগে না। এখন তো নিউজে শুনলাম হাইকোর্ট থেকে অর্ডার দিয়েছে এবছর শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। ঠিক আছে হাইকোর্ট যেটা অর্ডার দিয়েছে সেটাই মানবো। কিছু করার নেই। জনতার কথাঃ এবারে ভাইফোঁটায় কি করবে?উপাসনাঃ আই অ্যাম দ্য অনলি চাইল্ড অফ মাই পেরেন্টস। ভাই, বোন বলে তো কিছু নেই। তাই ভাইফোঁটা ব্যাপারটা নেই।

অক্টোবর ২৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জন্য শতবর্ষী বৃদ্ধার উন্মাদনা! গ্যালারিতে যা করলেন, মুহূর্তে ভাইরাল

লিওনেল মেসির ভক্তের সংখ্যা যে কতটা বিশাল, তার নতুন প্রমাণ মিলল বিশ্বকাপের মঞ্চে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে সীমাবদ্ধতা, সেখানে একশো বছর বয়সেও প্রিয় ফুটবলারের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সকলকে চমকে দিলেন এক বৃদ্ধা। ডালাসের গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই এখন সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে বসেছিলেন একশো বছর বয়সি পউলিনে কানা। ধবধবে সাদা চুল, গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি আর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, তিনি একশো বছর বয়সি মেসি-ভক্ত। সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।তবে পউলিনে শুধু মেসির ভক্ত হিসেবেই পরিচিত নন। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। নাতির সঙ্গে মজার ভিডিও বানিয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বহু বছর ধরেই তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়। তাঁর নাম রয়েছে বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসাই তাঁকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এর আগেও মেসির খেলা দেখতে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তখন একটি পোস্টারে মজার ছলে লিখেছিলেন, মেসি, তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সেই ছবিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হল না। বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে মাঠেও ছিল মেসি-ম্যাজিক। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। প্রথম গোলটি আসে দুর্দান্ত ফিনিশে, যা গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যা আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে।এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। ফলে একদিকে মাঠে ইতিহাস, অন্যদিকে গ্যালারিতে একশো বছর বয়সি ভক্তের আবেগ সব মিলিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির আসল সাফল্য শুধু গোল বা ট্রফিতে নয়, বরং এমন প্রজন্ম পেরোনো ভালোবাসায়। কারণ একশো বছরের এক বৃদ্ধা থেকে শুরু করে কোলে থাকা শিশুও যখন একই ফুটবলারের জন্য গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, তখন বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তার বিস্তার কতটা।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচেই বিস্ফোরক অভিযোগ! গোলটা কি আদৌ বৈধ ছিল?

বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনাকেও তুলে দিয়েছেন নকআউট পর্বে। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর গোল নয়, বরং সেই গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ফুটবল মহলের একাংশের প্রশ্ন, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মেসির প্রথম গোলটি কি আদৌ বৈধ ছিল?ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। ম্যাচের আটত্রিশ মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। কিন্তু গোল হওয়ার আগে মাঝমাঠে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরেই এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।অভিযোগ, গোল হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রিয়ার এক ফুটবলারের উপর ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার এক মিডফিল্ডার। সেই ঘটনায় রেফারি খেলা থামাননি। পরে সেই আক্রমণ থেকেই গোল আসে। ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, গোলের আগে আক্রমণ তৈরির পর্যায়ে যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল।এই বিতর্কে সরব হয়েছেন ডেনমার্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও। তাঁর মতে, গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই কারণে আক্রমণ শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনা ব্যবস্থাও এই বিষয়টি দেখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফুটবল মহলের একাংশের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের সিদ্ধান্ত আরও বেশি বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে যখন সেই গোলের মাধ্যমেই ইতিহাস গড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।এটাই অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষের অধিনায়কের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিল আলজেরিয়া।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি আবারও নিজের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে রেকর্ড গড়ার রাতেও বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ল না, তা বলাই যায়। এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গোলটি কি নিয়ম মেনেই হয়েছিল, নাকি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারত ম্যাচের গল্প?

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal