• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Javelin

খেলার দুনিয়া

৯০ মিটারের লক্ষ্যভেদ করেও, দোহায় চ‍্যাম্পিয়ন হতে পারলেন না অলিম্পিক্স সোনাজয়ী নীরজের

ভারতীয় জ্যাভলিন তারকা নীরজ চোপরা ২০২৫ দোহা ডায়মন্ড লিগে তার ক্যারিয়ারের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছেন। তিনি প্রথমবার ৯০ মিটার সীমা অতিক্রম করে ৯০.২৩ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন নিক্ষেপ করেন, যা তার ব্যক্তিগত সেরা এবং ভারতের নতুন জাতীয় রেকর্ড। এই কৃতিত্বের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের ২৫তম এবং এশিয়ার তৃতীয় অ্যাথলেট হিসেবে ৯০ মিটার ক্লাবে প্রবেশ করেন।এই প্রতিযোগিতায় চোপরা তার তৃতীয় প্রচেষ্টায় এই রেকর্ড গড়েন। তবে, জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার শেষ রাউন্ডে ৯১.০৬ মিটার নিক্ষেপ করে প্রথম স্থান অধিকার করেন, ফলে চোপরা রৌপ্য পদক পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।এই রেকর্ড অর্জনের পর চোপরা বলেন, আমি আবারও ৯০ মিটারের বেশি নিক্ষেপ করতে পারি, যা তার আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তার এই কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অসাধারণ কৃতিত্ব তার কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং আবেগের ফলাফল। ভারত গর্বিত।A spectacular feat! Congratulations to Neeraj Chopra for breaching the 90 m mark at Doha Diamond League 2025 and achieving his personal best throw. This is the outcome of his relentless dedication, discipline and passion. India is elated and proud. @Neeraj_chopra1 pic.twitter.com/n33Zw4ZfIt Narendra Modi (@narendramodi) May 17, 2025এই কৃতিত্ব চোপরার ক্যারিয়ারের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, এবং তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের দিকে এগিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

মে ১৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বর্ষা শেষে বর্শায় সোনা গাঁথল সোনার ছেলে নীরজ, ইতিহাস গড়ে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে প্রথম স্বর্ণপদক

প্রথম ভারতীয় হিসাবে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড মিটে জ্যাভলাইন সোনার পদক জিতলেন নীরজ চোপরা। চূড়ান্ত পর্বে ফাইনালে ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে ইতিহাস গড়লেন অলিম্পিক্সের সোনাজয়ী ভারতেরএই সোনার ছেলে।নীরজের ট্রাম্প কার্ড সাধারণত প্রথম থ্রোয়েতেই লুকানো থাকে। ফাইনালে সেই কার্ড কাজে না এলেও সোনা পেতে কোনও অসুবিধা হয়নি। ফাইনালে নীরজের প্রথম থ্রো ফাউল হয়। নীরজ তাঁর দ্বিতীয় থ্রোতেই ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে বিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। ঠিক যেমন যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৮৮.৭৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়ে এক থ্রোয়েই বাজিমাত করে দিয়েছিলেন। সেই এক থ্রোয়েই নীরজ প্যারিস অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনও করে ফেলেছেন।.@Neeraj_chopra1 brings home a historic gold for India in the javelin throw 👏#WorldAthleticsChamps pic.twitter.com/YfRbwBBh7Z World Athletics (@WorldAthletics) August 27, 2023কিন্তু ফাইনালে প্রথম থ্রোটি ফাউল করে ফেলেন নীরজ। দ্বিতীয় থ্রোতে আর কোনও ভুল করেননি তিনি। সারা দেশের রাত জাগা সফল করে ৮৮.১৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুঁড়েই উল্লাসে চিৎকার করে ওঠেন। প্রতিপক্ষের পরিসংখ্যান তার জানায় ছিল। তাই হয়ত নিজে বুঝতে পেরে গিয়েছিলেন যে, তাঁকে টপকানো একটু চাপ আছে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন পাকিস্থানের নাদিম, তিনি ৮৭.৮২ মিটার দুরুত্বে জ্যাভলিন ছোঁড়েন। ভারতের ওপর দুই প্রতিযোগী জেনা ও মানু যথাক্রমে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেন। জেনার সর্বোচ্চ দূরত্ব ছিল ৮৪.৭৭, এটি তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ এবং মানু ছোঁড়েন ৮৪.১৪ মিটার।অলিম্পিক্সে অ্যাথলেটিক্সে সোনা পদক প্রাপ্তির পর থেকেই নীরাজ চোপরার ওপর দেশ বাসীর আশা ক্রমশ উর্ধমুখী হয়ে উঠেছে। দেশের একজন ক্রীড়াবিদ হিসাবে তার সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা সর্বাধিক। ইন্সটাগ্রামে নীরজের ফলোয়ার ছয় মিলিয়ন। নীরজের জন্য ২০২১ সালের ৭ অগস্ট দিনটি ভারতীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে। অলিম্পিক্সে অ্যাথলেটিক্সে দেশকে সোনা এনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভারতের সোনার ছেলে।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ১০০০ শতাংশ বেড়ে গেল নীরজ চোপড়ার দাম!‌ কোহলিদের সঙ্গে এক আসনে

ক্রিকেট না খেলেও বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মাদের সঙ্গে এক আসনে বসতে চলেছেন নীরজ চোপড়া? অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে ছবিটা। অলিম্পিক যাওয়ার আগে নীরজ চোপড়ার ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট যা ছিল, তা থেকে বেড়েছে ১০০০ শতাংশ। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই বাস্তব। আশা করা হচ্ছে ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট থেকে প্রতি বছর নীরজ চোপড়ার এখন আয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।নীরজ চোপড়ার এই আয় বৃদ্ধি কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে তিনি দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে সোনা জিতেছেন। আর ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে প্রথম। সুতরাং তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার যে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে নীরজ চোপড়ার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়িয়ে নিয়েছে তাঁর জনসংযোগ বিষয় দেখাশোনাকারী সংস্থা JSW। এই সংস্থাটিই সোনাজয়ী অ্যাথলিটের জনসংযোগ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করে।দেশে ক্রিকেটের বাইরে নীরজ চোপড়াই প্রথম ক্রীড়াবিদ, যার ব্র্যান্ড ভ্যালু দ্রুত এতটা বেড়েছে। অলিম্পিকে সোনাজয়ী এই অ্যাথলিটের সঙ্গে চুক্তি করার জন্য আরও পাঁচছটি সংস্থা অপেক্ষা করে আছে। নীরজের জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা জেএসডব্লুর এক কর্তা বলেছেন, নীরজ চোপড়ার এনডোর্সমেন্ট ফি ১০ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। যে সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, তার বাইরে আরও পাঁচছটি সংস্থা নীরজ চোপড়াকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করতে চায়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিলাসবহুল অটো এবং পোশাক ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। অলিম্পিকে সোনাজয়ী এই অ্যাথলিট ইতিমধ্যেই বাইজু, টাটা এআইএ লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং একটি শীর্ষ ফার্মাসিউটিকালের সাথে চুক্তি করেছেন। এছাড়া জিলেট, এক্সন মোবাইল এবং মাসল ব্লেজেরও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নীরজ চোপড়া।নতুন সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হলে নীরজ চোপড়ার এনডোর্সমেন্ট থেকে বছরে আয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। যা তাঁকে বিরাট কোহলিই, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মাদের সঙ্গে এই আসনে বসাবে। এই মুহূর্তে কোহলি প্রতি বছর ১ থেকে ৫ কোটি টাকা এনডোর্সমেন্ট থেকে আয় করেন। ধোনির এনডোর্সমেন্ট থেকে আয় প্রায় তেমনই। এদের দুজনের থেকে অবশ্য কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন রোহিত শর্মা। ক্রিকেটের বাইরে অন্য কোনও খেলার ক্রীড়াবিদ এনডোর্সমেন্ট থেকে এত অর্থ উপার্জন করেননি। অলিম্পিকে একটা সোনাই বদলে দিয়েছে নীরজ চোপড়ার জীবন। কোহলিদের পাশাপাশি এখন তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে আইকন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Para Olympics : নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপো

জ্যাভেলিনে দেশ যে অনেকটাই এগিয়েছে, অলিম্পিক গেমসেই তার প্রমাণ মিলছে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভেলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ কুমার। প্যারালিম্পিকেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখলেন ভারতের জ্যাভেলিন থ্রোয়াররা। টোকিও প্যারালিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্ট থেকে দুটি পদক জিতল ভারত। দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। একই ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন সুন্দর সিং গুর্জর। ২০১৬ সালের রিও প্যারালিম্পিকে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। তাঁকে নিয়ে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হল দেবেন্দ্রকে। পুরুষদের এফ ৪৬ বিভাগে রুপো জিতেছেন তিনি। রুপো জেতার পথে দেবেন্দ্র বর্শা নিক্ষেপ করেন ৬৪.৩৫ মিটার। এটাই তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ দুরত্ব অতিক্রম করা। অন্যদিকে ৬২.৫৮ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সুন্দর সিং গুর্জর। এটা তাঁর মরশুমের সেরা দুরত্ব অতিক্রম করা। তিনজন ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট টোকিও গেমসে যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। দেবেন্দ্র, সুন্দর ছাড়াও ছিলেন অজিত। এদিন প্রতিযোগিতায় প্রথম প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.২৮ মিটার। অন্যদিকে সুন্দর সিং গুর্জর ছোঁড়েন ৬২.৫৮ মিটার। এই দুজনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন অজিত। তিনি ছোঁড়েন ৫৬.১৫ মিটার। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.৬২ মিটার। তৃতীয় প্রচেষ্টায় নিজের রেকর্ড ছাপিয়ে তিনি ছোঁড়েন ৬৪.৩৫ মিটার। কিন্তু শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগী দীনেশ প্রিয়ান হেরাথ মুদিয়ানসেলাজে বিশ্বরেকর্ড ভেঙে তাঁর তৃতীয় প্রচেষ্টায় ছোঁড়েন ৬৭.৭৯ মিটার।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াঅন্যদিকে, প্রথম প্রচেষ্টায় ভাল ফল করলেও তৃতীয় ও চতুর্থ প্রচেষ্টায় ফাউল করেন সুন্দর সিং গুর্জর। তাঁর পঞ্চম থ্রোতে ৬৪.০১ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জয় নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে অজিত প্রথম প্রচেষ্টায় যে দুরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করেছিলেন, বাকি প্রচেষ্টায় তাকে ছাপিয়ে যেতে পারেননি। শেষ প্রচেষ্টায় তিনি ছোঁড়েন ৫২.৩৬ মিটার। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ কুমারে সোজা জয় তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে দাবি করেছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। প্যারালিম্পিকে রুপো জেতার পর তিনি বলেন, নীরজের সোনা জয় দেশের জ্যাভেলিন থ্রোয়ারদের প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছে। আমাকেও দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। টোকিও প্যারালম্পিকের পর আশা করছি জ্যাভেলিন থ্রো দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হবে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া

টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করেছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসেই চলেছেন। বাড়ছে স্বীকৃতির তালিকাওয। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি, সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন। এবার আরও বড় সম্মান দিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নীরজের নামে একটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুণেতে সাদার্ন কমান্ডের আর্মি স্পোর্টস ইন্সটিটিউটের নামকরণ করা হবে নীরজের নামে। আগামী ২৩ অগস্ট, সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসবেন। সেনাবাহিনির প্রধান এমএম নরাবণে এবং সাদার্ন আর্মি কমান্ডারের লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএস নৈনেরও হাজির থাকার কথা। নীরজ নিজেও হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরঅলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের হয়ে প্রথম সোনা জেতা নীরজ চোপড়া শুধু দেশ নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও গর্বিত করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত। রাজপুতানা রাইফেলসে সুবেদার পদে কাজ করেন। ২৩ বছরের অ্যাথলিটকে নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্বের শেষ নেই। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ পুনের সেনা স্টেডিয়াম নীরজের নামে চিহ্নিত হতে চলেছে। এর আগে টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করা নীরজ চোপড়ার সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ করেছিলেন সেনাপ্রধান নারাভানে। ২৩ বছরের অ্যাথলিটের পরিবার সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার উন্নত পরিকাঠামোর আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামটি নীরজের নামে নামাঙ্কিত করে তাঁকে অনন্য সম্মান দিতে চলছে ভারতীয় সেনা। পুনের এই আর্মি স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল। স্টেডিয়ামে সিন্থেটিক ট্র্যাকের পাশাপাশি দর্শকদের বসার জায়গাও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াটোকিও অলিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টের ফাইনালে ৮৭.৫৮ মিটার দূরত্ব বর্শা নিক্ষেপ সক্ষম হয়েছিলেন নীরজ চোপড়া। সোনা জিতে দেশের মুখ তিনি উজ্জ্বল করেছিলেন। টোকিও অলিম্পিকের ওই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও প্রথম হয়েছিলেন নীরজ। ওই রাউন্ডে ৮৬.৬৫ দূরত্বে বর্শা ছুঁড়েছিলেন ভারতের গর্ব। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জেতা অ্যাথলিটের পরবর্তী লক্ষ্য ৯০ মিটার দূরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করা। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও দেশের হয়ে সোনা জিততে চান নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরভারতের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া। একই সঙ্গে ১২১ বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া ইভেন্টের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে ভারত। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জিতেছিলেন শুটার অভিনব বিন্দ্রা। নীরজের হাত ধরে ১৩ বছর পর ফের একই রকম সফলতার স্বাদ পেল দেশ।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Neeraj Chopra : নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?‌

তিনি কোনও বলিউডি তারকা নন। দেশের কোনও রাজনৈতিক নেতাও নন। কিংবা ক্রিকেট, ফুটবলের কোনও সুপারস্টারও নন। সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে তাঁর যে অনুরাগীর সংখ্যা বেশি থাকবে এমন প্রত্যাশা করাটাই অন্যায়। অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে আবহ। নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা একলাফে পৌঁছে গেছে আড়াই লক্ষর বেশি।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে যাওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা ছিল ৫০এরও কম। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার পর ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের এই পোস্টার বয়কে ফলো করতে শুরু করেন অনেকেই। আর সেই সংখ্যাটাআ রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো জায়গায় পৌঁছে গেছে। ইতিমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষর কাছাকছি পৌঁছে গেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?সোনা জয়ী এই অ্যাথলিট অবশ্য অনুসরণ করেন মাত্র ১৬০ জনকে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন বলিউডের দুই অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও রনদীপ হুডা। রুপোলি পর্দার এই দুই তরকাকে ফলো করার বড় কারণ হল দুজনেই খেলাধুলা ও শরীরচর্চা ভালবাসেন। পঞ্চাশ বছর পার করলেও অক্ষয় কুমার এখনও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। রনদীপ হুডাও সময় পেলেই সাঁতার এবং ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সময় কাটান। এক সময় জাতীয় স্তরে সাঁতার ও ঘোড়সওয়ারিতে পদকও জিতেছিলেন রনদীপ হুডা। তাই নীরজের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এই দুই অভিনেতা। নীরজ চোপড়ার অনুসরনের তালিকায় এই দুজন ছাড়াও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, বীজেন্দ্র সিংহ, দীপক পুনিয়া, বক্সার মনোজ কুমার, মীরাবাই চানুর মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ‌আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ার

মাস দেড়েক আগে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী অ্যাথলিট মিলখা সিং। খুব অল্পের জন্য তিনি স্বপ্নপূরণ করতে পারেননি। ১৯৬০ রোম অলিম্পিকে এগিয়ে থেকেও ২০০ মিটার দৌড়ে ফটো ফিনিশে চতুর্থ হয়েছিলেন। অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন হাতছাড়া হয়েছিল। জীবনের শেষবেলায় চেয়েছিলেন টোকিও অলিম্পিকে তাঁর সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হোক। মৃত্যুর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতীয় অ্যাথলিটদের গলায় সোনার পদক দেখতে চান। তাঁর ইচ্ছে পূরণ হল। কিন্তু দেখে যেতে পারলেন না মিলখা সিং। অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে দেশকে সোনা এনে দিয়ে সেই মিলখা সিংকেই উৎসর্গ করলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া১২১ বছর পর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে জ্যাভেলিনে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন নীরজ চোপড়া। ইতিহাস রচনাকারী জ্যাভলিন থ্রোয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা দেশ। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জয়ের আবেগে ভেসেছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। আবেগতাড়িত হয়েছেন নীরজ নিজেও। শুধু মিলখা সিংকে নিজের সোনা উৎসর্গ করে থেমে থাকেননি, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন আবেগে কেঁদে ফেলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াঅলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে কেবলমাত্র সোনাজয়ী দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। তিন পদকজয়ী দেশের মধ্যে সবার ওপরে থাকে সোনাজয়ী দেশের জাতীয় পতাকা। পুরস্কার বিতরণীর ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় নীরজ নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকটোকিও অলিম্পিকের জ্যাভলিন থ্রো-র ফাইনালে কেবল সোনা জেতাই লক্ষ্য ছিল না নীরজ চোপড়ার। শনিবার তিনি দেশের হয়ে আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। অলিম্পিক রেকর্ড ভাঙতে চেয়েছিলেন। তা না হলেও বিশ্বমঞ্চে ভারতকে সম্মানিত করতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে মনে করছেন নীরজ চোপড়া। নীরজের দুর্দান্ত জয়ে উচ্ছ্বসিত হন স্টেডিয়ামে হাজির তাঁর কোচ সহ অন্যান্য ভারতীয়রা। সেখান থেকেই এক তেরঙা সংগ্রহ করে তা গায়ে জড়িয়ে এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছুটে বেড়ান আনন্দে আপ্লুত নীরজ। জড়িয়ে ধরেন প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও। ভারতীয় অ্যাথলিটকে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানান একে একে সব দেশের জ্যাভলিন থ্রোয়াররা।

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gold Medal:টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া

প্রথমবার অলিম্পিকে নেমেই বাজিমাত নীরজ চোপড়ার। টোকিওতে পুরুষদের জ্যাভেলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। ১২১ বছর পর ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে পদক এল ভারতের। ১৩ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতলেন কোনও ভারতীয়। টোকিও অলিম্পিকে পোস্টার বয় হলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকপদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। নীরজ চোপড়াকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছিল গোটা দেশ। প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল যোগ্যতা অর্জন পর্বের পারফরমেন্স। গ্রুপ এর যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিনি ৮৬.৬৫ মিটার ছুঁড়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন। ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাপকাঠি ছিল ৮৩.৫০ মিটার। প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৬.৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন নীরজ চোপড়া। প্রথম থ্রো করার পরই তিনি নিশ্চিত হয়ে যান ফাইনালের ব্যাপারে। তারপরই প্রতিযোগিতার এরিনা ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতশনিবার ফাইনালে প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৭.০৩ মিটার ছোঁড়েন নীরজ। দ্বিতীয় প্রচেষ্টাতে তিনি ৮৭.৫৮ মিটার ছোঁড়েন। টোকিও অলিম্পিকে সোনা জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছিল জার্মানির জোহানেস ভেটেরকে। তিনি নীরজের ধারেকাছে পৌঁছতে পারেননি। ভেটের ছোঁড়েন ৮২.৫২ মিটার। ৮৬.৬৭ মিটার ছুঁড়ে রুপো পেয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের জ্যাকুব ভালদেজ। ব্রোঞ্জ জিতেছেন চেক প্রজাতন্ত্রেই ভিটেস্লাভ ভেসেল। তিনি ছুঁড়েছেন ৮৫.৪৪ মিটার।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে সোনা জিতলেও নিজের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছতে পারেননি নীরজ কুমার। এই বছরই পাতিয়ালায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান গ্রাঁ প্রিতে ৮৮.০৭ মিটার ছুঁড়ে টোকিও অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। বছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ সোনা হাতছাড়া হলেও রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করলেন রবি১৯০০ সালে শেষবার অ্যাথলেটিক্সে পদক জিতেছিল ভারত। সেবার দুটি রুপো জিতে দেশকে গর্বিত করেছিলেন নর্মান প্রিচার্ড। তারপর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে ভারতের কোনো পদক আসেনি। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকে ব্যক্তিগত ইভেন্টের প্রথম সোনা এসেছিল। শুটিংয়ে সোনা জিতে নজির গড়েছিলেন অভিনব বিন্দ্রা। ১৩ বছর পর আবার অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা এল। টোকিওতে ইতিহাস রচনা করলেন ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া।ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেছেন।History has been scripted at Tokyo! What @Neeraj_chopra1 has achieved today will be remembered forever. The young Neeraj has done exceptionally well. He played with remarkable passion and showed unparalleled grit. Congratulations to him for winning the Gold. #Tokyo2020 https://t.co/2NcGgJvfMS Narendra Modi (@narendramodi) August 7, 2021

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Kumar : পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো–র ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমার

পদক জয়ের সম্ভাবনা নিয়েই টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া। পদক জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল করলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট। পৌঁছে গেলেন পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোএর ফাইনালে। গ্রুপ এর যোগ্যতা অর্জন পর্বে তিনি ৮৬.৬৫ মিটার ছুঁড়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়েছেন। অন্যদিকে, ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন আর এক জ্যাভলিন থ্রোয়ার শিবপাল সিং। এই প্রথম অলিম্পিকে নেমেছেন নীরজ চোপড়া। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে তাঁর কাছে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকটাই। সেই প্রত্যাশাপূরণের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ার। ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাপকাঠি ছিল ৮৩.৫০ মিটার। প্রথম প্রচেষ্টাতেই ৮৬.৬৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেন নীরজ চোপড়া। প্রথম থ্রো করার পরই তিনি নিশ্চিত হয়ে যান ফাইনালের ব্যাপারে। তারপরই প্রতিযোগিতার এরিনা ছেড়ে বেরিয়ে যান। নিজের সেরা দূরত্ব অতিক্রমের থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। আশা করা যায় ফাইনালে নিজের সেরা পারফরমেন্স দেবেন। গ্রুপ এতে নীরজের সঙ্গেই নেমেছিলেন সোনা জয়ের অন্যতম দাবিদার জার্মানির জোহানেস ভেটের। তিনি যোগ্যতা অর্জন পর্বে ছুঁড়েছেন ৮৫.৬৪ মিটার। আর তৃতীয় হয়েছেন ফিনল্যান্ডের লাসি এটেলাটালো। তিনি ছোঁড়েন ৮৪.৫০ মিটার। অন্যদিকে, ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ শিবপাল সিং। গ্রুপ বিতে তিনি তিনটি প্রচেষ্টাতেই যোগ্যতামান অতিক্রম করতে পারেননি। তিনটি প্রচেষ্টাতে তিনি ছোঁড়েন যথাক্রমে ৭৬.৪০, ৭৪.৮০ ও ৭৪.৮১ মিটার।নীরজ চোপড়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁকে ঘিরে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গোটা দেশ। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ চোপড়া চমক দেখালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বছর চারেক আগেই ভারতের এই অ্যাথলিট বড় আসরে সাড়ম্বরে আগমনের বার্তা দিয়েছিলেন। ২০১৬তে অনূর্ধ্ব ২০ আইএএএফ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে চমকে দিয়েছিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ৮৬.৪৮ মিটার ছুঁড়ে জুনিয়র বিশ্বরেকর্ডও গড়েছিলেন নীরজ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে সোনা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ারকে। ২০১৭ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০১৮ কমনওয়েলথ গেমস ও এশিয়ান গেমসেও দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন নীরজ চোপড়া।

আগস্ট ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal