• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jammu And Kashmir

দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে ‘বড় সাফল্য’—২৩ বছরের পুরনো মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিল নিরাপত্তাবাহিনী। প্রায় তিন দশক পুরনো একটি মামলায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জাভেদ মিরকে। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগরে ভয়াবহ হিংসার ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাভেদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূল মাথা ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী।১৯৯৬ সালের ঘটনায় অভিযোগ, কাশ্মীরের এক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মৃত কমান্ডারের দেহ নিয়ে শ্রীনগরে মিছিল করছিলেন জাভেদ ও তাঁর সঙ্গীরা। নাজ ক্রসিং এলাকায় সেই মিছিল হঠাৎই চরম উগ্র হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালানো হয়। জাভেদের নেতৃত্বেই সেই হামলা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই সময় বহু পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন। এই ঘটনাতেই জাভেদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।পুলিশের দাবি, ৯০-এর দশকে জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF)-এর শীর্ষ কমান্ডারদের অন্যতম ছিলেন জাভেদ মির। উপত্যকাজুড়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগ ছিল। সংগঠনের প্রধান ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন বলেও মনে করা হয় তাঁকে। ইয়াসিন মালিক বর্তমানে বায়ুসেনার চার কর্মীকে খুনের মামলায় কারাবন্দি। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর কেন্দ্র সরকার JKLF-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।এদিকে, গত সোমবার এই একই মামলায় শ্রীনগর পুলিশ আর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা শাকিল আহমেদ বকশিকেও গ্রেপ্তার করেছে। যদিও JKLF অস্ত্র ছাড়ার ঘোষণা করেছিল, তার পরেও জাভেদ মির বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের সূত্র ধরে নতুন করে চাঞ্চল্য! কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় একযোগে NIA হানা

সোমবার ভোররাতেই জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা, শোপিয়ান এবং কুলগাম জেলার আটটি এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। হঠাৎ এই অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে হওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একটি হোয়াইট কলার টেরর মডিউল-এর খোঁজেই এই তল্লাশি অভিযান।সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শোপিয়ানে মৌলবী ইরফান আহমেদ ওয়াগের বাড়িতেও তল্লাশি চালান এনআইএ আধিকারিকরা। এই মৌলবীকে গত অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে এনআইএর হেফাজতেই রয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা হোয়াইট কলার টেরর নেটওয়ার্কের মূল মাথা সে-ই হতে পারে।এছাড়াও শ্রীনগরে জইশের পোস্টার ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত আদিল র্যাদারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি যোগাযোগের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। ধৃত কয়েকজন চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই সূত্র ধরেই রবিবার দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ থাকতে পারে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে এই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে সম্ভবত পাকিস্তানি গুপ্তচর শেহজাদ ভাটির যোগ রয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের আগেই ‘সুইসাইড বোমার’ হওয়ার প্রস্তুতি! জেরায় ফাঁস দানিশের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেনএমনই সন্দেহে পাকড়াও করা হল উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাশির বিলাল ওয়ানিকে, যাঁকে দানিশ নামেই চিনত গোটা শ্রীনগর। এনআইএ-র একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে প্রথমে তাঁকে শ্রীনগরেই আটক করে। পরে জেরা চলতে থাকতেই উঠে আসে বিস্ফোরণের দিনেদুজনের ভূমিকাসহ একাধিক চমকে দেওয়া তথ্য। দিন তিনেক আগে অনন্তনাগে গোপনে লুকিয়ে থাকা দানিশকে পাকড়াও করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা টেবিলে বসেই উমরের সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি। শুধু পরিকল্পনাই নয়আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন দানিশ নিজেও। শেষ মুহূর্তে কোনও অজানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় শ্রীনগরের এই যুবক।তদন্তকারীদের কাছে দানিশ স্বীকার করেছেন, কাশ্মীরের একটি মসজিদে উমরের সঙ্গে প্রথম আলাপ। সেখান থেকেই সম্পর্ক ঘনিয়ে ওঠে। উমরের প্রভাবেই তাঁর মনে জিহাদের পথে পা বাড়ানোর ইচ্ছা জন্মায়। ধীরে ধীরে আত্মঘাতী হামলার জন্য নিজের মনকে তৈরি করতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীরাও বিস্মিতকারণ দানিশ বুদ্ধিমত্তায় ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় অত্যন্ত চৌকস। ড্রোন, রকেট-লঞ্চারের মতো জটিল অস্ত্র তৈরি করতে তাঁর দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে জেরায়। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত মারাত্মক বিস্ফোরক তৈরিও দানিশই নাকি করেছিলেন, যা পরে তিনি তুলে দেন উমরের হাতে।এখন দফায় দফায় জেরা চলছে। দানিশের কাছ থেকে বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যের অজানা সুত্র। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি পতন ঘটে দানিশের পরিবারের উপরছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তাঁর বাবা। বাড়ির মধ্যেই আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গোটা এলাকায় নেমে আসে স্তব্ধতা ও শোকের ছায়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

‘শিক্ষিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক’! ডাক্তারদের জইশ সংযোগে কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন অভিযান। তদন্তে উঠে এসেছে এক অভাবনীয় তথ্য এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল তথাকথিত হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল, যেখানে যুক্ত ছিলেন একাধিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী। এই মডিউল জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ একাধিক জেলায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। শোপিয়ান, কুলগাম ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। মূল অভিযুক্ত মৌলভি ইরফান, যিনি শ্রীনগরের সরকারি মেডিকেল কলেজের এক প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই গোপনে জঙ্গি মগজধোলাইয়ের কাজ চালাতেন এই মৌলভি।তদন্তে আরেকটি ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টে। গোটা ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি হয়েছিল একই মডিউলের মাধ্যমে।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আটক আরও তিন জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীও। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের যোগ মিলেছে পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে এক নতুন ধরণের সন্ত্রাসের চিত্র যেখানে অস্ত্র নয়, শিক্ষা ও প্রভাব ব্যবহার করা হচ্ছিল ভয় ছড়ানোর অস্ত্র হিসেবে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

Modi-Kashmir: মোদির ডাকা বৈঠকে কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ফেরানোর আশ্বাস

২০১৯-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর প্রথমবার ফারুক আব্দুল্লা, মেহবুবা মুফতিদের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। গত কয়েকদিন ধরে তাই উপত্যকা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। বৃহ্স্পতবার দিল্লিতে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলল সেই বৈঠক। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর যে সব নেতাদের দীর্ঘ দিন বন্দি করে রাখা হয়েছিল, তাঁরাও এ দিন সব সমস্যার কথা খুলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন কাশ্মীরের নেতারা। সূত্রের খবর, কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়েছে এ দিন। সূত্রের খবর এ দিন বৈঠকে প্রধানমনন্ত্রী বলেছেন, ঠিক সময়ে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডএ দিন বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট করে উপত্যকায় নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কাশ্মীর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এ দিনের বৈঠক সম্পর্কে মোদি বলেছেন, কাশ্মীরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক আদতে উন্নয়নের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কাশ্মীরের নেতাদের তিনি বলেছেন, কাশ্মীরের মানুষ, বিশেষত যুব সমাজের আশা পূরণ করা হবে।এ দিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে কাশ্মীরের আপনি পার্টির নেতা আলতাফ বুখারি বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, কাশ্মীরে ভোটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমরা কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বুখার বলেন, ভাল পরিবেশে আজ কথাবার্তা হয়েছে।একই কথা বলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুজনেই আশ্বাস দিয়েছেন যত শীঘ্র সম্ভব রাজ্যের তকমা ফেরানো হবে ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। দিল কি দূরি ও দিল্লি কি দূরি মেটানোর পথে যে কেন্দ্র এগোচ্ছে সে কথাও জানিয়েছেন ওমর আবদুল্লা।বৈঠকে শেষে মেহবুবা মুফতি জানান, তিনি বৈঠকে ৩৭০ ধারা বা স্পেশ্যাল স্টেটাস ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা কাশ্মীরের আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। আমরা এই স্টেটাস পাকিস্তান থেকে পাইনি, ভারত সরকার আমাদের দিয়েছে। নেহরু আমাদের দিয়েছেন। তাই আমরা চাই কয়েক মাস লাগুক বা বছর, ৩৭০ ধারা ফেরাতেই হবে।অন্যদিকে, বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ দিন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈঠকে প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কাশ্মীরের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই আমরা। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হবে কাশ্মীরে।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Jammu-Kashmir-Modi: উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক মোদির

ফের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার শিরোনামে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। আজ, উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), যা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর দুই আগে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নিজে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। আজ বিকেল ৩টে নাগাদ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিকভাবে উপত্যকাকে আরও শক্তিশালী করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় কেন্দ্র। ফলে আলোচনার অভিমুখ হতে পারে তাও।আবার দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগাভাগির জেরে অঞ্চলগুলির পুনর্বিন্যাসে (delimitation) জোর দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসতে পারে।সবমিলিয়ে, দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকের গুরুত্ব নানাবিধ, যেদিকে তাকিয়ে সেখানকার আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর২০১৯ সালের অগাস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খারিজ করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার যথাযথ উন্নয়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-প্রতিযুক্তি রয়েছে এখনও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের সুফল উপত্যকাবাসী আদৌ কতটা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনাও রয়েছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর উপত্যকায় বাড়তি নজর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বৃহস্পতিবার তিনি জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিতে ডেকেছেন বৈঠকে। উপত্যকার মোট ৮ টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রতিনিধি হাজির থাকবেন মোদির বাসভবনের এই আলোচনায়। থাকবেন গুপকার জোটের (Gupkar Alliance) নেতারা অর্থাৎ ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, পিডিপির মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। গুপকার জোটের মুখপাত্র তথা উপত্যকার দীর্ঘদিনের সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি। বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি জানিয়েছেন, আগে শুনব কেন্দ্র কী প্রস্তাব দেয়। তারপর আমরা ভেবেচিন্তে ঠিক করব, কোন পথে এগোবে আলোচনা।আসলে, এই বৈঠকের গুরুত্ব জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক মহলের কাছে অন্যরকম। অনেকেরই দাবি, ৩৭০ ধারা অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হোক। এদিনের বৈঠকে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবি রাখতে পারেন। বিশেষত কংগ্রেস এই দাবির পক্ষেই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবে বলে সূত্রের খবর। আবার উপত্যকায় নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিও হতে পারে আলোচনার মুখ্য বিষয়।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Terrorist attack: উপত্যকায় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ ১ জঙ্গি

ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। রাতভর চলা সংঘর্ষের শেষে বুধবার সকালে নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরের নৌগাওঁ এলাকায় জঙ্গিদের একটি ঘাঁটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই অভিযান চালায় ফৌজ, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথদল। জওয়ানদের উপস্থিতি জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালান জওয়ানরাও। রাতভর চলা তুমুল সংঘর্ষের পর বুধবার সকালে এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এখনও সংঘর্ষস্থলে আরও এক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তার সন্ধানে অভিযান চলছে। ওই এলাকায় ঢোকার ও বের হওয়ার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। সে কোন জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবার সোপোরের (Sopore) আরামপোরায় একটি চেকপোস্টে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। ওই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী এবং দুজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন নিরাপত্তা আধিকারিকও। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে বেশ বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল ভারত। গতমাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সন্ত্রাসবাদীদের। সেই গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছিল কুখ্যাত তিন লস্কর জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

সীমান্তে শহিদ জওয়ান

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান । বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে আচমকাই গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেয় ভারতও। সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনার ছোঁড়া গুলিতে শহিদ হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম লক্ষ্ণণ। এই নিয়ে নতুন বছরে চার জন জওয়ানের মৃত্যু হল পাক সেনার হামলায়।সেনার এক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, এদিন অন্যান্য বারের মতোই কোনও প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। তখনই তাদের ছোঁড়া গুলিতে মারাত্মক জখম হন ওই জওয়ান। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শহিদ জওয়ান সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, লক্ষ্ণণ ছিলেন একজন সাহসী, অনুপ্রাণিত ও কর্তব্যনিষ্ঠ সৈনিক। তাঁর ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য দেশ তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা ছিলেন লক্ষ্মণ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
দেশ

সোপিয়ান থেকে ধৃত ৩ মাদ্রাসা শিক্ষক

জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে ৩ মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করা হল। ধৃতদের নাম আবদুল বাট, মহম্মদ ইউসুফ ওয়ানি ও রউফ বাট। তাদের পিএসএ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তাদের ওই মাদ্রাসা থেকে জঙ্গি দলে যোগ দিয়েছে ১৩ পড়ুয়া। সোপিয়ান, অনন্তনাগ ও কুলগামের বহু ছাত্র ওই মাদ্রাসাটিতে পড়াশোনা করে। সোপিয়ানের ওই মাদ্রাসাটি থেকে পাস করেছিল সাজাদ বাট। এই সাজাদই ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায়। আরও পড়ুনঃ দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমলেও বিপদ এখনও কাটেনি, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর কাশ্মীর জোনের আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, মাদ্রাসাটি চালায় কাশ্মীরে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামি। সিরাজ-উলুম ইমাম সাহিব নামে ওই মাদ্রাসার ৩ শিক্ষকের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মাদ্রাসাটি বহুদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে ছিল। প্রয়োজন হলে ওই মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal