• ৯ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jammu

দেশ

জম্মুতে চাঞ্চল্য! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জম্মুতে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জম্মুর গ্রেটার কৈলাস এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ফারুখ আবদুল্লা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। সেই সময় খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা ঘেরাটোপে বিয়েবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেই সময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার মধ্যে ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। এরপর খুব কাছ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।তবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের কমান্ডোরা দ্রুত তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ফলে গুলিটি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই ফারুখ আবদুল্লা এবং রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে আটক করেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তের নাম কমল সিং জমওয়াল বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, গত প্রায় কুড়ি বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে যে বন্দুকটি ছিল সেটিও তাঁর নিজের এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত।এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এত কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে হামলাকারী এত কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের আগেই বড় সাফল্য! বিল্লাওয়ারে খতম জইশ জঙ্গি

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে নিহত হল এক জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কাঠুয়া জেলার বিল্লাওয়ার এলাকায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সেনা এবং সিআরপিএফ একসঙ্গে অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ওই পাক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে উপত্যকায় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সংক্রান্ত কিছু নির্দিষ্ট তথ্য নিরাপত্তা সংস্থার হাতে আসে। এর পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর জুড়ে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করা হয়। তারই ফল হিসেবে বিল্লাওয়ারে এই সাফল্য মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, প্রায় দশ দিন আগেই বিল্লাওয়ার এলাকায় জঙ্গিদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছিল। সেনার দাবি, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এক জঙ্গি সেখানে আত্মগোপন করে রয়েছে এমন তথ্য মিলতেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বাহিনী। ফলে অভিযানের সময় পালানোর কোনও সুযোগ পায়নি ওই জঙ্গি।একই সঙ্গে কিশ্তওয়ার জেলার পাহাড়ি জঙ্গল এলাকাতেও সেনার অভিযান চলছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেটি গভীর জঙ্গল ও খাড়া পাহাড়ে ঘেরা। সেখানে সইফুল্লা ও আদিল নামে দুই জইশ জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর মিলেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, চার দিন আগে কিশ্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহিদ হন। সেই ঘটনার পর কিশ্তওয়ারে অভিযান আরও তীব্র করা হয়েছে। তল্লাশি চালিয়ে সেনা জঙ্গিদের একটি গোপন ডেরারও খোঁজ পেয়েছে। গাছের আড়ালে এমন ভাবে বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল যে, বাইরে থেকে তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব। বাঙ্কারটি এমন কৌশলে বানানো, যাতে উল্টো দিক থেকে হামলা হলেও সহজে প্রতিরোধ করা যায়।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি, তল্লাশি শুরু সেনার

জম্মুর উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে আছে প্রায় ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় সেনা তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। উপত্যকার কিস্তওয়ার ও দোদা জেলায় শুরু হয়েছে জঙ্গিদমন অভিযান।সূত্রের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সেনার অভিযান বাড়ায় পাক জঙ্গিদের স্থানীয় নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই কারণে তারা পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়েছে। শীতকালে সেই সব জায়গা বরফে ঢাকা থাকে এবং জনবসতিও নেই। তাই জঙ্গিরা নিরাপদে লুকোনোর জন্য পাহাড়ি এলাকা বেছে নিয়েছে।সেনা সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর লক্ষ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দ্রুত নিধন করা। নইলে তারা সুযোগ পেলে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে হামলা চালাতে পারে।প্রসঙ্গত, এপ্রিলে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর সেনা পাল্টা অভিযান চালিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে নটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনার এই অভিযানের পর পাকিস্তানি সেনাও ভারতে হামলা চালায়, তবে দুদেশ সীমান্তে দিন দুয়েকের টানাপড়েনের পর সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে ‘বড় সাফল্য’—২৩ বছরের পুরনো মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিল নিরাপত্তাবাহিনী। প্রায় তিন দশক পুরনো একটি মামলায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জাভেদ মিরকে। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগরে ভয়াবহ হিংসার ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাভেদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূল মাথা ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী।১৯৯৬ সালের ঘটনায় অভিযোগ, কাশ্মীরের এক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মৃত কমান্ডারের দেহ নিয়ে শ্রীনগরে মিছিল করছিলেন জাভেদ ও তাঁর সঙ্গীরা। নাজ ক্রসিং এলাকায় সেই মিছিল হঠাৎই চরম উগ্র হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালানো হয়। জাভেদের নেতৃত্বেই সেই হামলা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই সময় বহু পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন। এই ঘটনাতেই জাভেদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।পুলিশের দাবি, ৯০-এর দশকে জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF)-এর শীর্ষ কমান্ডারদের অন্যতম ছিলেন জাভেদ মির। উপত্যকাজুড়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগ ছিল। সংগঠনের প্রধান ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন বলেও মনে করা হয় তাঁকে। ইয়াসিন মালিক বর্তমানে বায়ুসেনার চার কর্মীকে খুনের মামলায় কারাবন্দি। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর কেন্দ্র সরকার JKLF-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।এদিকে, গত সোমবার এই একই মামলায় শ্রীনগর পুলিশ আর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা শাকিল আহমেদ বকশিকেও গ্রেপ্তার করেছে। যদিও JKLF অস্ত্র ছাড়ার ঘোষণা করেছিল, তার পরেও জাভেদ মির বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের সূত্র ধরে নতুন করে চাঞ্চল্য! কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় একযোগে NIA হানা

সোমবার ভোররাতেই জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা, শোপিয়ান এবং কুলগাম জেলার আটটি এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। হঠাৎ এই অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে হওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একটি হোয়াইট কলার টেরর মডিউল-এর খোঁজেই এই তল্লাশি অভিযান।সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শোপিয়ানে মৌলবী ইরফান আহমেদ ওয়াগের বাড়িতেও তল্লাশি চালান এনআইএ আধিকারিকরা। এই মৌলবীকে গত অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে এনআইএর হেফাজতেই রয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা হোয়াইট কলার টেরর নেটওয়ার্কের মূল মাথা সে-ই হতে পারে।এছাড়াও শ্রীনগরে জইশের পোস্টার ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত আদিল র্যাদারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি যোগাযোগের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। ধৃত কয়েকজন চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই সূত্র ধরেই রবিবার দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ থাকতে পারে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে এই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে সম্ভবত পাকিস্তানি গুপ্তচর শেহজাদ ভাটির যোগ রয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের আগেই ‘সুইসাইড বোমার’ হওয়ার প্রস্তুতি! জেরায় ফাঁস দানিশের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেনএমনই সন্দেহে পাকড়াও করা হল উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাশির বিলাল ওয়ানিকে, যাঁকে দানিশ নামেই চিনত গোটা শ্রীনগর। এনআইএ-র একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে প্রথমে তাঁকে শ্রীনগরেই আটক করে। পরে জেরা চলতে থাকতেই উঠে আসে বিস্ফোরণের দিনেদুজনের ভূমিকাসহ একাধিক চমকে দেওয়া তথ্য। দিন তিনেক আগে অনন্তনাগে গোপনে লুকিয়ে থাকা দানিশকে পাকড়াও করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা টেবিলে বসেই উমরের সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি। শুধু পরিকল্পনাই নয়আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন দানিশ নিজেও। শেষ মুহূর্তে কোনও অজানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় শ্রীনগরের এই যুবক।তদন্তকারীদের কাছে দানিশ স্বীকার করেছেন, কাশ্মীরের একটি মসজিদে উমরের সঙ্গে প্রথম আলাপ। সেখান থেকেই সম্পর্ক ঘনিয়ে ওঠে। উমরের প্রভাবেই তাঁর মনে জিহাদের পথে পা বাড়ানোর ইচ্ছা জন্মায়। ধীরে ধীরে আত্মঘাতী হামলার জন্য নিজের মনকে তৈরি করতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীরাও বিস্মিতকারণ দানিশ বুদ্ধিমত্তায় ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় অত্যন্ত চৌকস। ড্রোন, রকেট-লঞ্চারের মতো জটিল অস্ত্র তৈরি করতে তাঁর দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে জেরায়। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত মারাত্মক বিস্ফোরক তৈরিও দানিশই নাকি করেছিলেন, যা পরে তিনি তুলে দেন উমরের হাতে।এখন দফায় দফায় জেরা চলছে। দানিশের কাছ থেকে বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যের অজানা সুত্র। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি পতন ঘটে দানিশের পরিবারের উপরছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তাঁর বাবা। বাড়ির মধ্যেই আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গোটা এলাকায় নেমে আসে স্তব্ধতা ও শোকের ছায়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

‘শিক্ষিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক’! ডাক্তারদের জইশ সংযোগে কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন অভিযান। তদন্তে উঠে এসেছে এক অভাবনীয় তথ্য এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল তথাকথিত হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল, যেখানে যুক্ত ছিলেন একাধিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী। এই মডিউল জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ একাধিক জেলায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। শোপিয়ান, কুলগাম ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। মূল অভিযুক্ত মৌলভি ইরফান, যিনি শ্রীনগরের সরকারি মেডিকেল কলেজের এক প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই গোপনে জঙ্গি মগজধোলাইয়ের কাজ চালাতেন এই মৌলভি।তদন্তে আরেকটি ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টে। গোটা ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি হয়েছিল একই মডিউলের মাধ্যমে।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আটক আরও তিন জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীও। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের যোগ মিলেছে পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে এক নতুন ধরণের সন্ত্রাসের চিত্র যেখানে অস্ত্র নয়, শিক্ষা ও প্রভাব ব্যবহার করা হচ্ছিল ভয় ছড়ানোর অস্ত্র হিসেবে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
দেশ

সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, শ্রীনগর জুড়ে বিষ্ফোরণ, শহরে শহরে ব্ল্যাক আউট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ বিরতির কথা ঘোষণা করেছিলেন। তার তিন ঘণ্টার মধ্যেই সেই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। ফের গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। শ্রীনগর, জম্মুর আকাশে ড্রোন দেখা যায়। বিষ্ফোরণের শব্দ শোনা যায় শ্রীনগরে। পাশাপাশি সীমান্তে আর্টিলারি ফায়ারের শব্দ শোনা গিয়েছে। এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার কয়েক ঘন্টা পরেই শ্রীনগর জুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।ভারত ও পাকিস্তান সম্পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা আলোচনার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে উভয় দেশ। শনিবার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ভারত ও পাকিস্তান একটি পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সংঘর্ষ বিরতিতে সম্মত হয়েছে। দুর্দান্ত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেওয়ায় উভয় দেশকে অভিনন্দন। ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক মিনিট পরেই, পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন পাকিস্তান এবং ভারত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকরভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তান সর্বদা তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সাথে আপস না করে এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে! ভারতের তরফে বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রিও সংঘর্ষ বিরতির প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন। বিকেল ৫টা থেকে দুই দেশ আর কোন সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না। আলোচনার পর জানিয়ে দিল ভারত। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, সামরিক কর্মকর্তাদের স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রে সকল ধরণের তৎপরতা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের ডিজিএমওরা ১২ মে আবার কথা বলবেন বলে শনিবার সন্ধ্যায় ঘোষণা করেছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি।বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান আজ সব ধরণের সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ভারত সর্বদা সকল ধরণের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় এবং আপোষহীন অবস্থান বজায় রেখেছে। ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।এই সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না। তিন ঘণ্টার মধ্যে ফের গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। এমনকী ড্রোন হানা আবার শুরু করে। সীমান্তে কিছুক্ষণ বিরতির পর পাকিস্তান গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। তারপরই দুই পক্ষই ফায়ারিং শুরু করে দেয়। জম্মু-কাশ্মীর, পঞ্জাব ও রাজস্থানের একাধিক শহরে ফের ব্ল্যাক আউট শুরু হয়ে যায়। শহরগুলি অন্ধকারাচ্ছন হয়ে পড়ে। এই সময়ে ড্রোন হামলা শুরু করে পাকিস্তান। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে ওই ড্রোনগুলি ধংস করে ভারতের সেনা।

মে ১০, ২০২৫
রাজ্য

জঙ্গির গুলিতে ঝাঝরা দার্জিলিংয়ের ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা, "দেশের জন্য শহিদ"- গর্বিত বাবা

জঙ্গীদের গুলিতে শহিদ হলেন রাজ্যের এক বীর সেনা জওয়ান। সোমবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীরের ডোডায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হয়েছেন দার্জিলিংয়ের লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা। ক্যাপ্টেনের বয়স হয়েছিল মাত্র ২৭ বছর। ব্রিজেশ থাপার মৃত্যুতে শোকের ছায়া গোটা শৈলশহরে।ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধেয় ডোডা থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে দেশা বনাঞ্চলের উরারবাগীতে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এনকাউন্টার শুরু হলে সন্ত্রাসবাদীরা পালানোর চেষ্টা করে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে তাদের তাড়া করেন সেনার একটি দল৷ রাত ৯টা নাগাদ ফের এনকাউন্টার শুরু হয়। গুরুতর আহত হন এক গ্রুপ ক্যাপ্টেন-সহ চার সেনা জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়৷ আরেক সেনা জওয়ানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহিদের মধ্যে একজন দার্জিলিং এর ব্রিজেশ থাপা। সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে অফিসার-সহ চার সেনা সদস্য এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সদস্য আহত হয়েছেন৷ প্রাথমিকভাবে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এনকাউন্টার চলে। ব্রিজেশ থাপার শহিদ হওয়ার খবর ইতিমধ্যে সেনা আধিকারিকদের তরফে তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।পরিবার সূত্রে খবর, ১৭ জুলাই অর্থাৎ বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে আনা হবে। এরপর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভিবাদন জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে দার্জিলিংয়ের লেবংয়ে তাঁর জন্মভূমিতে নিয়ে যাওয়া হবে। ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা বলেন, ছোট থেকেই ব্রিজেশের সেনার প্রতি খুব টান ছিল। নিজেকে সেইভাবেই তৈরি করেছিল। কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছেন।জানা গিয়েছে, ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ সার্ভিস স্কিমে কর্মরত রয়েছেন। ব্রিজেশের বাড়িতে সদস্য বলতে বাবা ছাড়াও রয়েছেন মা নীলিমা থাপা ও দিদি নিকিতা থাপা। নিকিতা থাপা বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গীত নিয়ে পড়াশুনো করছেন। ভাইয়ের শহিদ হওয়ার খবর পেতেই তিনিও বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।ব্রিজেশ থাপার জন্ম লেবংয়ে ৷ তিনি প্রাথমিক পড়াশুনো করেন দার্জিলিংয়ে৷ তবে বাবার সেনায় অন্যত্র পোস্টিংয়ের কারণে ব্রিজেশ বাকি পড়াশুনো রাজ্যের বাইরে থেকেই সারেন। শেষে মুম্বই থেকে নিজের উচ্চশিক্ষা শেষ করেন তিনি। সেখানকার কলেজ থেকে বিটেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। ২০১৮ সালে তিনি ওই ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাতে যোগ দেন।ব্রিজেশ দুবছর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর তাঁকে এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি করা হয়। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন। নিজের ট্রুপ নিয়ে ডোডা থেকে প্রায় চার ঘণ্টা দুরত্বে একটি অভিযানে যাওয়ার সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা হয়। আর সেই হামলাতেই প্রাণ হারান ব্রিজেশ।

জুলাই ১৬, ২০২৪
দেশ

জম্মুর আকাশে ফের ড্রোন নজরদারি, বিএসএফের গুলিতে ফিরল পাকিস্তানে

ফের একবার ড্রোন দিয়ে উপত্যকায় নজরদারির অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এ বার জম্মুর আরএস পুরা সেক্টরের কাছে ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিলল পাকিস্তানি ড্রোনের দেখা। শনিবার ভোরে সেই ড্রোন দেখামাত্রই গুলি চালায় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বা বিএসএফ। বিএসএফ জানিয়েছে, শনিবার ভোর তখন ৪টে ১০ মিনিট নাগাদ আকাশে ভোঁ-ভোঁ আওয়াজ শুনেই সতর্ক হয়ে যায় বাহিনী। আকাশে চোখ যেতেই ড্রোনটিকে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিএসএফ। মোট ২৯ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর পর পাকিস্তান ভূখণ্ডের দিকে ফিরে যায় ড্রোনটি। তবে ইতিমধ্যেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে বিএসএফ।সেনার তরফে জানানো হয়েছে, আর্নিয়ার আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে একটি সন্দেহজনক ড্রোন দেখা গিয়েছে। ভারতীয় ভূখণ্ডের ১৫০ মিটারের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল এই পাক ড্রোনটি। তবে তা দেখামাত্রই গুলি চালায় বিএসএফ। কিছুক্ষণ বাদেই ড্রোনটি পাকিস্তানের দিকে ফিরে যায়।

মার্চ ০৫, ২০২২
দেশ

Pak Drone: আইইডি ভর্তি পাক ড্রোনের হামলার ছক বানচাল

সীমান্তে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র পাচারের ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে ফের একবার ড্রোনের মাধ্যমে হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় পুরো ছক বানচাল হয়ে যায়। জম্মুতে হামলার আগেই গুলি করে নামানো হয় একটি পাকিস্তানি ড্রোন। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। আরও পড়ুনঃ বালি খাদান নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, জম্মুর আখনুর সেক্টরে বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম ড্রোনটি চোখে পরে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় পুলিশ। ড্রোনটিকে গুলি করে নামানো হয়। দেখা যায় ড্রোনটি পাকিস্তানের এবং তাতে রয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক আইইডি। জম্মু বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার মতোই কোনও বড়সড় নাশকতার ছকে ড্রোনটিতে বিস্ফোরক ভরে ভারতে পাঠান হয়েছিল বলে একপ্রকার নিশ্চিত সেনা ও পুলিশ। The Hexacopter was shot down around six kilometres inside the border, approximately 5 kilograms of explosives recovered: Jammu and Kashmir Police pic.twitter.com/Nw6mn3X1gv ANI (@ANI) July 23, 2021প্রথমে জম্মুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা। এরপর উপত্যকার আকাশে দেখা যাচ্ছে একের পর এক সন্দেহজনক ড্রোন। সেনার বিভিন্ন অতি স্পর্শকাতর এলাকার কাছেও ধরা পড়ছে চালকবিহীন এই সমস্ত উড়ো যান। মাটির পাশাপাশি এবার উপত্যকার আকাশেও কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সেনা। ফলে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি ড্রোনকে নষ্ট করা হয়েছে। এমনকী, দিল্লিতেও জারি হয়েছে ড্রোন হামলার সকতর্কতা।

জুলাই ২৩, ২০২১
দেশ

Jammu-Drone: ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোন

ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোন। শুক্রবার খুব ভোরে জম্মুর আরনিয়া সেক্টরে ড্রোনটি দেখা গিয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, পাকিস্তানের (Pakistan) দিক থেকে ড্রোনটি (Drone) আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। সতর্ক ছিল বিএসএফ। দেখামাত্রই ড্রোনের উপর গুলি চালায় বিএসএফ কর্তারা। সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের দিকে ফিরে যায় ড্রোনটি।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ প্রসঙ্গত, জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরক হামলার পরেও একাধিকবার জম্মুর আকাশে দেখা গিয়েছে ড্রোন (Drone)। বুধবার ভোর রাতে দুবার কালুচক ও কুঞ্জয়ীনী এলাকায় ড্রোনের দেখা মিলেছে, সেনা সূত্রে এমনটাই খবর। বিগত চারদিনে প্রায় সাতটি ড্রোনের হদিশ মিলেছে জম্মুতে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) এই ড্রোন হামলা নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছে নয়াদিল্লি। এই ধরনের নাশকতা যে ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ, তা উল্লেখ করেই সরব হয় ভারত। অন্যদিকে, সীমান্ত-সহ জম্মুতে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। উল্লেখ্য, সহজলভ্য ড্রোনের কারণে সীমান্তে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান নারবানে। আর গত কয়েকদিন ক্রমাগত পাক ড্রোনের ঘোরাফেরায় সীমান্তরক্ষীবাহিনীর মধ্যে তৎপতা বেশি দেখা দিয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
দেশ

Jammu Airport Blast: চিনা ড্রোনের মাধ্যমে জম্মু বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণ

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু বিমানবন্দর (Jammu Airport) চত্বর। শনিবার রাত দুটো নাগাদ বিমানবন্দরে বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত টেকনিক্যাল এরিয়ায় (Air Force Station) জোড়া বিস্ফোরণ হয়। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজন জিহাদিকে গ্রেপ্তার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আইইডি উদ্ধার হয়েছে। বিমানবন্দরে কোনও জঙ্গি সংগঠনের বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাশ্মীরের এক শপিং মল থেকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে একজন লস্কর-ই-তইবার সদস্য বলে খবর। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।জম্মু বিমানবন্দরে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জোড়া বিস্ফোরণের জন্য চিনা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বলেই উঠে এসেছে তদন্তে। এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চিনে তৈরি ড্রোন পাকিস্তান হয়ে ভারতে ঢুকে এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখছেন এনআইএ আধিকারিকরা। এই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ফ্ল্যাট থেকে বোমা উদ্ধারশনিবার রাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনায় তেমন বড় কোনও ক্ষতি না হলেও দেশের কোনও সামরিক ঘাঁটিতে এই প্রথম এই ধরনের হামলা হল। এই ঘটনার পিছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, স্টেশনে মোতায়েন বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারগুলিকেই নিশানা করা হয়েছিল। কোনও ভাবে ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বোমা বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে।জম্মু বিমানবন্দরে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জোড়া বিস্ফোরণের জন্য চিনা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বলেই উঠে এসেছে তদন্তে। এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চিনে তৈরি ড্রোন পাকিস্তান হয়ে ভারতে ঢুকে এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখছেন এনআইএ আধিকারিকরা। এই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার রাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনায় তেমন বড় কোনও ক্ষতি না হলেও দেশের কোনও সামরিক ঘাঁটিতে এই প্রথম এই ধরনের হামলা হল। এই ঘটনার পিছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, স্টেশনে মোতায়েন বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারগুলিকেই নিশানা করা হয়েছিল। কোনও ভাবে ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বোমা বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। এদিকে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঠিক সেই সময় বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর করেছে। আরও পড়ুনঃ টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদিরাত দুটোয় রোজকার মতোই কাজকর্ম চলছিল জম্মু বিমানবন্দর এলাকায়। এই এয়ারপোর্টেই রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার ফোর্স স্টেশন-সতওয়ারি। বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত সেই অংশের একটি বিল্ডিংয়ে বিস্ফোরণ হয়। সূত্রের খবর, বাড়িটির ছাদ ভেঙে পড়ে। বিকট আওয়াজ শুনেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিমানবন্দরের কর্মীরা। ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে ওঠার আগেই আরও একটি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণে দুজন জখম হয়েছেন। যদিও সে কথা স্বীকার করেনি বায়ুসেনা বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জম্মু বিমানবন্দরের বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত অংশে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে তাতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তদন্ত চলছে। এদিকে এই ঘটনার পরই নরওয়াল এলাকা থেকে এক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে ৫ কেজি আইডি উদ্ধার হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভূস্বর্গে ফের বড়সড় কোনও নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। ইতিমধ্যে কাশ্মীরের এক শপিং মল থেকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে একজন লস্কর-ই-তইবার সদস্য বলে খবর। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এদিকে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঠিক সেই সময় বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর করেছে। বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ কি নাশকতামূলক আচরণ নাকি অন্য কিছু, খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

জুন ২৭, ২০২১
দেশ

Modi-Kashmir: মোদির ডাকা বৈঠকে কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা ফেরানোর আশ্বাস

২০১৯-এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পর প্রথমবার ফারুক আব্দুল্লা, মেহবুবা মুফতিদের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। গত কয়েকদিন ধরে তাই উপত্যকা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। বৃহ্স্পতবার দিল্লিতে সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলল সেই বৈঠক। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর যে সব নেতাদের দীর্ঘ দিন বন্দি করে রাখা হয়েছিল, তাঁরাও এ দিন সব সমস্যার কথা খুলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন কাশ্মীরের নেতারা। সূত্রের খবর, কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়েছে এ দিন। সূত্রের খবর এ দিন বৈঠকে প্রধানমনন্ত্রী বলেছেন, ঠিক সময়ে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডএ দিন বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোট করে উপত্যকায় নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কাশ্মীর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। এ দিনের বৈঠক সম্পর্কে মোদি বলেছেন, কাশ্মীরের নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক আদতে উন্নয়নের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কাশ্মীরের নেতাদের তিনি বলেছেন, কাশ্মীরের মানুষ, বিশেষত যুব সমাজের আশা পূরণ করা হবে।এ দিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে কাশ্মীরের আপনি পার্টির নেতা আলতাফ বুখারি বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, কাশ্মীরে ভোটের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমরা কাশ্মীরকে রাজ্যের তকমা ফিরিয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বুখার বলেন, ভাল পরিবেশে আজ কথাবার্তা হয়েছে।একই কথা বলেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুজনেই আশ্বাস দিয়েছেন যত শীঘ্র সম্ভব রাজ্যের তকমা ফেরানো হবে ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। দিল কি দূরি ও দিল্লি কি দূরি মেটানোর পথে যে কেন্দ্র এগোচ্ছে সে কথাও জানিয়েছেন ওমর আবদুল্লা।বৈঠকে শেষে মেহবুবা মুফতি জানান, তিনি বৈঠকে ৩৭০ ধারা বা স্পেশ্যাল স্টেটাস ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা কাশ্মীরের আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। আমরা এই স্টেটাস পাকিস্তান থেকে পাইনি, ভারত সরকার আমাদের দিয়েছে। নেহরু আমাদের দিয়েছেন। তাই আমরা চাই কয়েক মাস লাগুক বা বছর, ৩৭০ ধারা ফেরাতেই হবে।অন্যদিকে, বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ দিন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈঠকে প্রত্যেকেই সংবিধানের প্রতি গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তিনি টুইটে লিখেছেন, কাশ্মীরের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই আমরা। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হবে কাশ্মীরে।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Jammu-Kashmir-Modi: উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক মোদির

ফের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার শিরোনামে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। আজ, উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), যা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর দুই আগে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নিজে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। আজ বিকেল ৩টে নাগাদ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিকভাবে উপত্যকাকে আরও শক্তিশালী করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় কেন্দ্র। ফলে আলোচনার অভিমুখ হতে পারে তাও।আবার দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগাভাগির জেরে অঞ্চলগুলির পুনর্বিন্যাসে (delimitation) জোর দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসতে পারে।সবমিলিয়ে, দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকের গুরুত্ব নানাবিধ, যেদিকে তাকিয়ে সেখানকার আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর২০১৯ সালের অগাস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খারিজ করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার যথাযথ উন্নয়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-প্রতিযুক্তি রয়েছে এখনও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের সুফল উপত্যকাবাসী আদৌ কতটা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনাও রয়েছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর উপত্যকায় বাড়তি নজর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বৃহস্পতিবার তিনি জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিতে ডেকেছেন বৈঠকে। উপত্যকার মোট ৮ টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রতিনিধি হাজির থাকবেন মোদির বাসভবনের এই আলোচনায়। থাকবেন গুপকার জোটের (Gupkar Alliance) নেতারা অর্থাৎ ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, পিডিপির মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। গুপকার জোটের মুখপাত্র তথা উপত্যকার দীর্ঘদিনের সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি। বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি জানিয়েছেন, আগে শুনব কেন্দ্র কী প্রস্তাব দেয়। তারপর আমরা ভেবেচিন্তে ঠিক করব, কোন পথে এগোবে আলোচনা।আসলে, এই বৈঠকের গুরুত্ব জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক মহলের কাছে অন্যরকম। অনেকেরই দাবি, ৩৭০ ধারা অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হোক। এদিনের বৈঠকে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবি রাখতে পারেন। বিশেষত কংগ্রেস এই দাবির পক্ষেই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবে বলে সূত্রের খবর। আবার উপত্যকায় নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিও হতে পারে আলোচনার মুখ্য বিষয়।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Terrorist attack: উপত্যকায় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ ১ জঙ্গি

ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। রাতভর চলা সংঘর্ষের শেষে বুধবার সকালে নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরের নৌগাওঁ এলাকায় জঙ্গিদের একটি ঘাঁটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই অভিযান চালায় ফৌজ, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথদল। জওয়ানদের উপস্থিতি জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালান জওয়ানরাও। রাতভর চলা তুমুল সংঘর্ষের পর বুধবার সকালে এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এখনও সংঘর্ষস্থলে আরও এক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তার সন্ধানে অভিযান চলছে। ওই এলাকায় ঢোকার ও বের হওয়ার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। সে কোন জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবার সোপোরের (Sopore) আরামপোরায় একটি চেকপোস্টে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। ওই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী এবং দুজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন নিরাপত্তা আধিকারিকও। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে বেশ বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল ভারত। গতমাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সন্ত্রাসবাদীদের। সেই গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছিল কুখ্যাত তিন লস্কর জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত দিল্লি-পঞ্জাব-সহ উত্তর ভারতে

শুক্রবার রাতে তীব্র ভূমিকম্প কেঁপে উঠল জম্মু, অমৃতসর, দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের একাধিক এলাকা। রিখটার স্কেলে ভূকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১। স্বাভাবিকভাবেই এমন তীব্র কম্পনে চূড়ান্ত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনও হতাহতের খবর নেই।এদিন রাত ঠিক ১০টা ৩১ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্প অনুভূত হয় জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড ও নয়ডার একাধিক জায়গা। ১০.৩৪ মিনিটে পঞ্জাবের অমৃতসরে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.১। প্রথমে জানা যায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল অমৃতসরে মাটির ১০ কিলোমিটার নিচে। যদিও পরে বিশেষজ্ঞরা জানান, এর কেন্দ্রস্থল তাজিকিস্তান। সেখানে ১০.৩১ মিনিটে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৩। উত্তর ভারতে কম্পন অনুভূত হওয়া এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। কোনওপ্রকার লিফটে উঠতে বারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, ফের কম্পন অনুভব করলে বহুতলের বাসিন্দারা যেন বাইরে বেরিয়ে আসেন। কিংবা খাটের নিচে আশ্রয় নেন।জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এদিকে টুইটারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল লেখেন, দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সকলে নিরাপদে থাকুন, এই কামনা করি।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইজরায়েলের পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভয়াবহ হামলা! আতঙ্কে বিশ্ব, তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। ইজরায়েলের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। ডিমোনা এবং আরাদ এলাকার দুই পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হামলার পর থেকেই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে প্রথমে ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পরমাণু কেন্দ্রের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। কিছুক্ষণ পর আরাদ এলাকার আর একটি পরমাণু কেন্দ্রের দিকেও হামলা চালানো হয়। তবে সরাসরি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। তার বদলে কাছাকাছি বহুতল আবাসনে আঘাত হানে, ফলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।এই হামলার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায় জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তার সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনারই পালটা জবাব হিসেবে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

অভয়ার মাকে জেতাতে সিপিএমকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ! বামমনস্ক চিকিৎসকের মন্তব্যে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ

এক সময় বামপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বামেদের হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে বদল এসেছে। ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এবার পানিহাটির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী অভয়ার মায়ের সমর্থনে সরাসরি বাম প্রার্থীকে আক্রমণ করলেন তিনি।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর উচিত প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, ভোট কাটাকুটির ফলে যাতে অভয়ার মা কোনওভাবে হার না যান, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কলতান তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনুরোধ করবেন প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে।কলতান দাশগুপ্ত আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত। আন্দোলনের সময় তিনি জেলেও ছিলেন। নির্বাচনের আগে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তবে অভয়ার মা-বাবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কলতান এবং বামেদের বিরুদ্ধে তাঁদের সুর চড়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্যে বামেদের কোনও শক্তি নেই এবং তাদের ভোট দিলে তা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেরই সুবিধা করে দেবে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তৃণমূলকে ঠেকাতে হলে বিরোধী ভোট এক জায়গায় থাকা দরকার। শুধু কলতান নয়, তাঁর বাবার কাছেও আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেকে বোঝানো উচিত যাতে সে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মত তাঁর।অন্যদিকে, অভয়ার মা-বাবা বিজেপির প্রার্থী হতে চাওয়ায় বাম মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁরাও বামেদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মেয়ের বিচার বিলম্বিত হওয়ার পিছনেও বামেদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও এই সব মন্তব্যে নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ নন। তিনি বলেন, অভয়ার মা-বাবা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, রাজ্যে এখন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।সব মিলিয়ে পানিহাটির নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে এবং এই ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal