• ৮ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Itali

রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

শেষ মুহূর্তের প্রচারে রণক্ষেত্র! আহত তৃণমূল সাংসদকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদ মিতালি বাগের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে প্রচারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, গোঘাট হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা গাড়িতে পাথর ছোড়ে এবং ভাঙচুর চালায় বলে দাবি। এর পরেই দ্রুত তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিতালি বাগ। তিনি বলেন, তাঁর গাড়িতে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের নাটক করা হচ্ছে এবং মানুষ এসব বিশ্বাস করবে না।এদিকে গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। উভয় পক্ষের কর্মীদের হাতে লাঠি, বাঁশ ও ভাঙা কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের বিজয় মিছিলে কিশোরীর মৃত্যু, ৬ মাস পর চরম সিদ্ধান্ত তামান্নার মায়ের

ছয় মাস আগে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমায় প্রাণ হারিয়েছিল নাবালিকা তামান্না খাতুন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন তাঁর মা সাবিনা ইয়াসমিন। অবশেষে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। বর্তমানে তিনি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।পরিবারের দাবি, মেয়ের খুনের ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। এখনও সব অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। এই অনিশ্চয়তা এবং লাগাতার আতঙ্কের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে খাবার খাওয়ার পর সাবিনা ইয়াসমিন অতিরিক্ত কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে পলাশী মীরা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৩ জুন নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন তৃণমূলের বিজয় উৎসব চলাকালীন বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তামান্না খাতুনের। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, মোট অভিযুক্তের সংখ্যা আরও বেশি এবং অনেকেই এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা আদালতে চললেও বিচার আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে পরিবারে সংশয় রয়েছে।তামান্নার পরিবারের অভিযোগ, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা জামিনে ছাড়া পেয়ে গেলে ফের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের দিক থেকে নানা হুমকিও আসছে বলে দাবি। এই আতঙ্কেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তামান্নার মা।তামান্নার কাকা রবিউল শেখ বলেন, মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই সাবিনা ইয়াসমিন শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। নিয়মিত ওষুধ খেতেন। এখনও অনেক অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। যাঁরা ধরা পড়েছেন, তাঁরা জামিন পেলে ফের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় আর চাপই তাঁকে চরম অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
রাজ্য

BJP বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের আচমকা ব্রেন স্ট্রোক! ভর্তি হাসপাতালে

Agnimitra Paul:বিজেপির জনপ্রিয় বিধায়ক অগ্নিমিত্র পাল ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর দ্রুত এম বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।হাসপাতালে পৌঁছেই সিটি স্ক্যান করা হলে জানা যায়, তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। যদিও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপের কারণেই এই সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছে এবং নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।উল্লেখ্য, গতকাল বিধানসভা অধিবেশনে শাসক তৃণমূল ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে ব্যাপক গোলমাল হয়। এর জেরে বিজেপির পাঁচ বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল তাঁদের অন্যতম ছিলেন। সেই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর তাঁকে ছুটি দেওয়া হতে পারে। এর আগেও তিনি শারীরিক সমস্যার কারণে একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার কিছুদিন পর ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন এই বিজেপি বিধায়ক।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
রাজ্য

মালদার নিহত তৃণমূল নেতার বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, একান্তে কথা স্ত্রী চৈতলির সঙ্গে

মালদার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নিহত বাবলার সরকারের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন মমত। বাবলা সরকারারে অসম্পূর্ণ কাজ করবেন তাঁর স্ত্রী চৈতালি সরকার। সোমবার বাবলা সরকারের বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।সোমবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে প্রায় পৌনে এক ঘন্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লী এলাকার বাবলা সরকার বাড়িতে ছিলেন। সেখানেই নিহত তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গেই দীর্ঘক্ষণ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। হঠাৎ করে ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মহানন্দাপল্লীতে মুখ্যমন্ত্রীকে রাস্তায় দেখতে পেয়ে মানুষের ভিড় জমান। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাবলা আমার চিরকালের পরিচিত। একটা সময় মালদা থেকে সকালে কলকাতায় ফিরেছি। বাবলার ডাকে আবার রাতে চলে এসেছি মালদায়। এরকম অনেক ঘটনার সাক্ষী রয়েছি। বাবলার খুনের ঘটনার পর চৈতালির সঙ্গে দীর্ঘক্ষন আলোচনা করলাম। আমি নিজেও একা এসেছি। সঙ্গে কাউকে আনিনি। কতগুলো কথা চৈতালি আমাকে বলেছে। সেগুলি কানে এসেছে। যে যতই বড় হোক না কেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাবলার অসম্পূর্ণ কাজ চৈতালিকেই করতে হবে, এদিন জানিয়েছেন তিনি।এদিন মুখ্যমন্ত্রী মালদার রাজনীতিতে রহস্য দেখতে পাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, বাবলা নিরলস কর্মী ছিল। এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু মালদার রাজনীতিটা বুঝে উঠতে পারছি না। এখানে কিসের খেলা হচ্ছে, সেটাও আমাকে দেখতে হবে। কেন না এমএলএ, এমপি ভোট যখন আসছে তখন তৃণমূল হারছে। আর যেই পুরসভা অথবা কর্পোরেশন নির্বাচন হচ্ছে তখন সবাই জিতে যাচ্ছে। অনেক রকম খেলা চলছে। এরকম খেলা চললে তো মানুষের পক্ষে খারাপ হবে। কাউন্সিলরেরা জিতে যায়। অথচ এমএলএ এবং এমপি ভোটে দাঁড়ালে হেরে যায় । মালদার এই রাজনীতির রহস্যটাও আমাকে বুঝতে হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

কেমন আছে, মিঠুন চক্রবর্তী? তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে জানালেন শমীক

গতকালের তুলনায় আজ অনেক বেশি ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি জানিনা কিছু মানুষ কেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন তার দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য। আধঘন্টা গল্প হল। রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা ডাক্তাররা করেছে। বর্তমানে যেই সরকারটা আছে সেই সরকারটার ছবি বানাতে তাকে প্রয়োজন। ছবি উনি করবেন। এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে উনি করবেন। আমাদের পার্টির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে, দূর দূর পর্যন্ত যার এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। থানার পাশেই তাঁর বাড়ি। যাকে বলছে গ্রেফতার করেছে তাকে পুলিশ বলছিল একটু ম্যানেজ করার চেষ্টা করার জন্য পুলিশ তাঁকে বলেছে। আর শাহাজাহান, শিবু হাজরাদের ওদের কোলে বসিয়ে রেখেছে। এই নাটক কত দিন চলছে চলবে এখনো। সরকারটা কাজ চলছে তৃণমূলে, এইজন্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এগিয়ে বাংলা, এইরকম সরকারও নেই এরকম প্রদেশও নেই। এইজন্যেই এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে তার জন্যই মিঠুন দাকে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে।। শেখ শাহজাহানকে তলব করছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করছে ই ডি। তৃণমূল যখন চাইবে শাহজাহান তখন আত্মপ্রকাশ করবে। গতকাল একটি নাটক করল সাসপেন্ড করে, মানুষের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচার করে তাদের জীবন জীবিকা লুট করে যখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল না দল সাসপেন্ড করলো পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিল। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দল সাসপেন্ডও করতে পারবে না ওই একটি শোকজ করলে করতে পারে। আর যদি মনে হয় তৃণমূল সরকারটা যতদিন আছে ততদিন ওকে জামাই আদর করে রাখবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুর ১২.৩৫ নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অর্থনীতির অধ্যাপক নির্মলাদেবীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়েই বৃহস্পতিবার নির্মলাদেবীকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নোবেলজয়ী প্রফেসর অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। আমি গতকাল তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম। অধ্যাপক নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে প্রশিক্ষিত ছিলেন এবং কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সে অর্থনীতির প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রয়াত অধ্যাপক দীপক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমি নির্মলাদিকে ভালো করে চিনতাম এবং ওনার সঙ্গে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। তাঁর মৃত্যু আমাদের জনজীবনের এক বিরাট ক্ষতি। অভিজিৎ, অনিরুদ্ধ, এসথার ডুফলো সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি নির্মলাদির বন্ধু ও ছাত্রদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা।শুক্রবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছন নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুরু থেকেই ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল বলে গতকালই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গতকাল, শুক্রবারই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা হাসপাতালে, দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায়। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা অসুস্থ জানতে পেরেই তাঁকে দেখতে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী। নির্মলাদেবীর অবস্থা সঙ্কটজনক বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন এক্সবার্তায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অসুস্থতার খবর জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপিকা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা নোবেলজয়ী অধ্যাপক অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক জেনে আমি দুঃখিত। আমি এখন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যাচ্ছি। আসুন আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি।জানা গিয়েছে, সন্ধ্যার মুখে হাসপাতালে পৌঁছে রোগীর ঘরে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী। কেমন আছেন নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় সেবিষয়ে খোঁজখবর নেন তিনি। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

হঠাৎ বুকে ব্যথা! হাসপাতালে ভর্তি সূর্যকান্ত মিশ্র

আচমকা বুকে ব্যথা! নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।বুধবার রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। স্বাস্থ্য থেকে পঞ্চায়েত, বাম জমানায় দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী, পরবর্তীতে বিরোধী দলনেতা, নানা ভূমিকায় সূর্যকান্ত মিশ্রকে দেখেছে রাজ্য রাজনীতি। আগের দিন মুজফফর আহমেদ ভবনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র।স্বভাবতই এদিন বিভিন্ন মহল থেকে এই চিকিৎসক-নেতার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়। সেই উদ্বেগ নিরসন করে হাসপাতালের পক্ষে জানানো হয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন। সিপিএমের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের এই পলিটব্যুরো সদস্য আরও কিছুদিন এসএসকেএমে ভর্তি থাকবেন। চিকিৎসকরা তাঁকে নজরদারিতে রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন।আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরের কাছেই বেকবাগানে সূর্যকান্ত মিশ্রের মেয়ের বাড়ি। তিনি সেখানেই থাকেন। প্রতি বুধবার মুজফফর আহমেদ ভবনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক হয়। কিন্তু, এদিন (বুধবার) সকাল থেকেই শরীর খারাপ থাকায় সিপিএমের এই পলিটব্যুরো নেতা বৈঠকে যোগ দেননি। বদলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।কিছু দিন আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। গত বুধবার তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। ঠিক তার একসপ্তাহ পরেই হাসপাতালে ভর্তি করাতে হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভার এই সদস্যকে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য হাসপাতালে থাকাকালীন, দলের সঙ্গে হাসপাতালের সংযোগ রক্ষায় বড় ভূমিকা নিতেন সূর্যকান্ত মিশ্র।রাজ্য রাজনীতিতে সূর্যকান্ত মিশ্রর উত্থান ১৯৭৮ সালে। তিনি অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সভাধিপতি হয়েছিলেন। তারপর থেকে ক্রমশ রাজ্য রাজনীতিতে তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে ওঠেন। ২০১১ সালে বামেদের পরাজয়ের পর তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হন। ২০১৫ সালে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক পদে বসেন। ২০২২ সালের মার্চ অবধি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

আগস্ট ১৬, ২০২৩
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় মহিলা ক্রিকেটের ‘‌শচীনের’‌

৩৯ বছর বয়সেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দাপিয়ে খেলা চাট্টিখানি কথা নয়। তাও আবার মহিলা ক্রিকেটে। জুনিয়রদের টেক্কা দিয়ে সেই কঠিন কাজটা এতদিন ধরে করে চলেছিলেন মিতালি রাজ। অবশেষে তাঁর সেই পথ চলা শেষ হল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহিলা শচীন। আক্ষেপ নিয়েই ক্রিকেট থেকে সরে গেলেন মিতালি রাজ। বছর তিনেক আগে টি২০ ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল একদিনের বিশ্বকাপ জিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর। সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। এবছর মার্চে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল মিতালিদের। এবছর বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে মিতালি তাকিয়েছিলেন জীবনের শেষ বিশ্বকাপে স্বপ্নপূরণের দিকে। সতীর্থদের কাঁধে চেপে ভিকট্রি ল্যাপ দিচ্ছেন, সেই স্বপ্নই দেখেছিলেন। বলেও ছিলেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে আমার ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। কিন্তু তাঁর সেই ক্রিকেটজীবনের বৃত্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেল। শচীনের মতো ঝুলিতে অজস্র রেকর্ড মিতালি রাজের। মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান। গতবছরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেই ভেঙে দিয়েছেন শার্লট এডওয়ার্ডসের ১০২৭৩ রানের রেকর্ড। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ম্যাচে ৭ হাজারের বেশি রান। টানা ৭ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির অনন্য নজির। সবথেকে বেশি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড। পুরুষ ও মহিলা ক্রিকেটার মিলিয়ে দেশের মধ্যে প্রথম টি২০ ক্রিকেটে ২ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনো।Thank you for all your love support over the years!I look forward to my 2nd innings with your blessing and support. pic.twitter.com/OkPUICcU4u Mithali Raj (@M_Raj03) June 8, 2022এখানেই শেষ নয়। মিতালির মুকুটে রয়েছে আরও পালক। মহিলা ক্রিকেটে তিনিই প্রথম অধিনায়ক, যিনি দুদুটি একদিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, ২০০৫ ও ২০১৭ সালে। আর কী চাই? শচীনের মতোই মহিলাদের ক্রিকেটে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছেন মিতালি রাজ। পেয়েছেন অর্জুন পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মানও। এছাড়াও অনেক মিল রয়েছে। সীমিত ওভার ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত ওপেন করেছেন। শচীনের মতোই পার্ট টাইম লেগ স্পিনার।মিতালি রাজের ভারতীয় ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালের জুন মাসে। তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ভারত এবং বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে অবসর নিলেন। শেষ হল ২৩ বছরের যাত্রা। বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছিলেন মিতালি। ওই ম্যাচ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ভারত ওই ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু মিতালি ওই ম্যাচে ৮৪ বলে ৬৮ রান করেছিলেন। টুইটারে পোস্ট করা এক আবেগঘন পোস্টে মিতালি রাজ লিখেছেন আমি একটি ছোট মেয়ে হিসাবে নীল জার্সি পড়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। দেশের হয়ে খেলাটাই তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমার কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হয়ে থেকেছে। পথ সহজ ছিল না। কখনও খুব ভালো সময় গিয়েছে আবার এসেছে খারাপ সময়ও। তবে মাঠের প্রতিটি ঘটনা আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। আমার জীবনে প্রচুর চ্যালেঞ্জ এসেছে তবে সবসময় সব চ্যালেঞ্জকে আমি উপভোগ করেছি।মিতালি আরও বলেছেন, সমস্ত যাত্রার মতো, এটিও অবশ্যই একদিন না একদিন শেষ হত। সেটাই হল। আমি অবসর নিলাম ক্রিকেট থেকে। আমি যখনই মাঠে নেমেছি, ভারতকে জেতানোর জন্য আমি সেরাটা দিয়েছি। আমি মনে করি এখন আমার খেলার ক্যারিয়ারে ইতি টানার উপযুক্ত সময় কারণ দল এখন কিছু অত্যন্ত প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়ের হাতে রয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। আমি বিসিসিআই এবং জয় শাহ স্যারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ তাঁদের দারুণ সমর্থন পেয়েছি। প্রথমে একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং তারপর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে। এত বছর ধরে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি সম্মানের বিষয়। এটি অবশ্যই একজন ব্যক্তি হিসাবে আমাকে তৈরি করেছে এবং আশা করি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটকেও নতুন রূপ দিতে সাহায্য করেছে। ৩৯ বছর বয়সী মিতালি মহিলাদের ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং এই ফরম্যাটে তিনি ৭৮০৫ রান করেছেন। সেঞ্চুরির সংখ্যা ৭, হাফ সেঞ্চুরি ৬৪টি। ৮৯ টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ২৩৬৪ রান করেছেন মিতালি। ১৭টি হাপ সেঞ্চুরি। ১২ টেস্ট ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৬৯৯ রান। সেঞ্চুরির সংখ্যা ১টি।

জুন ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইতালিকে হারিয়ে কাতার বিশ্বকাপের মহড়া শুরু করলেন লিওনেল মেসিরা

বিশ্বকাপ জয়ের কি মহড়া শুরু করে দিল আর্জেন্টিনা? সাম্প্রতিককালে যেরকম ছন্দে রয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, কাতার বিশ্বকাপে বাজিমাত করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার পর এবার ফাইনালিসিমা খেতাব জিতে নিল আর্জেন্তিনা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের আগে এই জয় নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে লিওনেল মেসিদের। ৩০ ব্যবধানে জিতেছে আর্জেন্টিনা। তিনটি গোলের পেছনেই মেসির অবদান।কনমেবলউয়েফা কাপ অব চ্যাম্পিয়ন্স পুনরুজ্জীবন ঘটল ফাইনালিসিমার মাধ্যমে। গত বছর উয়েফা ও কনমেবল সম্মিলিতভাবে মউ স্বাক্ষরের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ১ জুন লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরো ও কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে একটা ম্যাচ হবে, যার নাম ফাইনালিসিমা। ১৯৮৫ সালে উরুগুয়েকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে কনমেবলউয়েফা কাপ অব চ্যাম্পিয়ন্স খেতাব জিতেছিল। ১৯৯৩ সালে ডেনমার্ককে টাইব্রেকারে ৫৪ ব্যবধানে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। ২৯ বছর পর আবার ইউরো কাপ জয়ী ও কোপা আমেরিকা জয়ীদের লড়াইয়ে জিতল আর্জেন্তিনা।২০২২ কাতার বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি ইতালি। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ফাইনালিসিমাতেও এদিন ছন্নছাড়া ফুটবল উপহার দিল আজুরিরা। অন্যদিকে, ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট নিয়ে খেলতে থাকে আর্জেন্তিনা। ৫ মিনিটের মাথায় ইটালির বক্সের সামান্য বাইরে মেসিকে ফাউল করেন জর্জিনহো। মেসির ফ্রিকিক দেওয়ালে লেগে ফিরে আসে। ২১ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইটালি। জিয়াঙ্কোমো রাস্পাদোরির ফ্রিকিকে মাথা ছোঁয়ান আন্দ্রে বেলোত্তি। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসের দক্ষতায় আর্জেন্টিনা বেঁচে যায়। সাত মিনিট পরেই অবশ্য এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। মেসির পাস থেকে গোল করেন মার্তিনেস। বিরতির সামান্য আগে আবার এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। গোলকিপার এমিলিয়ানোর পাস এসে পড়ে মার্তিনেসের পায়ে। তিনি সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দি মারিয়াকে পাস দেন। আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ উইঙ্গার গোল করতে ভুল করেননি।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমম তুলে নিয়ে এলেও ইতালির গোলকিপারের জন্য ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে আর মেসিদের ধরে রাখতে পারেনি ইটালি। মেসির পাস থেকে পরিবর্ত হিসাবে নামা ডিবালা আর্জেন্টিনার হয়ে তৃতীয় গোল করেন। খেলা দেখতে ওয়েম্বলিতে হাজির ছিলেন ৮৭ হাজার ১১২ জন দর্শক। তাঁদের সামনেই অনবদ্য ফুটবল উপহার দিয়ে স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত রাখল মেসির আর্জেন্তিনা। ২০১৯ সালের জুন থেকে এই নিয়ে টানা ৩২টি ম্যাচে অপরাজেয় আর্জেন্তিনা। প্রচুর আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সামনে খেতাব জিতে উচ্ছ্বসিত মেসি। তিনি বলেন, ঠঅনবদ্য ফাইনাল। ইতালির মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তির পরীক্ষাও হলো ভালোভাবেই।ট ভালো ম্যাচ খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়াই স্বস্তি দিচ্ছে এলএম টেনকে। আর্জেন্তিনার এখন পাখির চোখ বিশ্বকাপ জয়ের ৩৬ বছরের খরা মেটানোর।

জুন ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

স্থিতিশীল মাধবী মুখোপাধ্যায়

আপাতত স্থিতিশীল টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। শনিবার তাঁর এন্ডোস্কোপি করার পরিকল্পনা নিয়েছেন চিকিৎসকরা। রক্তাল্পতা এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকায় শুক্রবার আলিপু্রের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন চারুলতা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শুক্রবার একাধিক রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছিল অভিনেত্রীর। তবে আশঙ্কার মতো সেরকম কিছু হয়নি। সুগার পরীক্ষা ছাড়াও সোডিয়াম, পটাশিয়াম পরীক্ষা হয়েছে। শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ সামান্য কম থাকলেও তা আপাতত উদ্বেগের পর্যায়ে নয় বলেই চিকিৎসকদের মতামত। মাধবীদেবীর করোনা পরীক্ষাও করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। আলিপুরের হাসপাতালে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ৮০ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের চিকিৎসকেরাও তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। শরীরে রক্তাল্পতার কারণ পর্যবেক্ষণেই শনিবার এন্ডোস্কোপি করার ভাবনা নিয়েছেন চিকিৎসকরা। সব পরীক্ষার রিপোর্ট দেখার পরেই হাসপাতাল থেকে তাঁর ছুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান এক চিকিৎসক। শুক্রবার সকালে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় আলিপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালে। পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছিলেন চারুলতা। এছাড়া তাঁর একাধিক শারীরিক সমস্যাও রয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায় অসুস্থ, কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি

তিনি সত্যজিত রায়ের চারুলতা। বাংলা সিনেমার জগতে তাঁর অভিনয়ের ভক্তের সংখ্যা প্রচুর।সেই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায় শুক্রবার সকালে হটতাই অসুস্থ হয়ে পরেন।তাঁকে দ্রুত উডল্যান্ডস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নীরিক্ষা শুরু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। বেশ কিছুসময় ধরেই রক্তাল্পতায় ভুগছেন অভিনেত্রী। ৮০ বছর বয়সী অভিনেত্রীর সুগারের সমস্যাও রয়েছে। এছাড়াও বার্ধক্যজনিত একাধিক সমস্যায় ভুগছেন । এদিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করবার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তিনি মেডিসিন বিভাগে আপাতত ভর্তি রয়েছেন। তাঁর অসুস্থতার কারণ খতিয়ে দেখতে চিকিৎসকরা ইতিমধ্যেই একাধিক টেস্টও শুরু করেছেন। হাসপাতালের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এদিন জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে মাধবী মুখোপাধ্যায়ের পরিস্থিতি একদম স্থিতিশীল। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান বিশ্বজিত ঘোষদস্তিদারের আওতায় চিকিত্সাধীন রয়েছেন অভিনেত্রী।বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর পরিবারের তরফ থেকে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন। তাই সবরকম পরীক্ষানিরীক্ষার জন্যই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে মাধবী মুখোপাধ্যায়কে। দ্রুত শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠে বাড়ি আসবেন অভিনেত্রী, প্রার্থনা করছে তাঁর পরিবার থেকে শুরু করে অনুরাগীরা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ, ভর্তি বোলপুর হাসপাতালে

হাঁসখালির নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে দুজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এবার শান্তিনিকেতনে এক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। তার চিকিৎসা চলছে বোলপুর হাসপাতালে। দুদিন আগেই বোলপুরে আরেক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। এদিন বীরভূমে নির্যাতিতার গ্রামে যান জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী, বোলপুরের এসডিও অভিষেক রায় ও শান্তিনিকেতন থানার ওসি দেবাশিস পন্ডিত।জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার অদিত্যপুরে চড়কমেলা দেখতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ যুবক এই অপকর্ম করেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অন্ধকারের মধ্যে তাকে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়েছিল অভিয়ুক্তরা। নাবালিকার পরিবারের লোকজন শুক্রবার শান্তিনিকেতন থানায় ঘটনাটি জানায়। এরপর জেলা পুলিশ নড়েচড়ে বসে। ঘটনাস্থলে ছুটে যান এসপিসহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদ্বজনেরা। উদ্বিগ্ন জাতীয় মহিলা কমিশন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
বিদেশ

পোলান্ড সীমান্তের কাছে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় পড়ুয়া, ভর্তি হাসপাতালে

কিভ থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন ভারতীয় পড়ুয়া। কিভ থেকে পোলান্ড সীমান্তের দিকে আসার পথে এই পড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে কিভের একটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিভের একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং তাকে অবিলম্বে কিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।এর আগেও রুশ হামলার মুখে পড়ে প্রাণ হারান কর্নাটকের বাসিন্দা এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত পড়ুয়ার নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বিমান চালাচ্ছে বায়ুসেনা এবং দেশের বিমান সংস্থাগুলি। বৃহস্পতিবার থেকেই উদ্ধারকাজে নেমেছে এই বিমানগুলি। এদিকে যুদ্ধ কবলিত ভিন্ দেশ থেকে ঘরে ফেরার চেষ্টা। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে সর্বস্ব লুট। কনকনে শীতে গরম জামা-জুতো লুট করতেও কার্পণ্য করেনি লুটেরা। এমন অবস্থায় এক ইউক্রেনীয় পরিবারে তিন রাতের আশ্রয় মেলে। অবশেষে প্রবাসী বাঙালির সাহায্যে পোল্যান্ডের অ্যাম্বুল্যান্সে চড়ে সীমান্ত পার। জীবনের এমনই ঘটনাবহুল কয়েকটি দিন কাটিয়ে আজ, শুক্রবার পোল্যান্ড থেকে উড়ানে ফিরছেন অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা এক যুবক। ঘটনার আকস্মিকতায় বিধ্বস্ত যুবক পিছনের কটা দিন মনে করতেই বার বার আতঙ্কিত এবং উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
দেশ

বিষাদে মিশল বিয়েবাড়ির আনন্দ, উত্তরপ্রদেশ কুয়োয় পড়ে মৃত্যু ১৩ জনের

বিয়ের আনন্দেই নেমে এল বিপর্যয়। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে আনন্দে, নাচেগানে মাতোয়ারা ছিলেন সকলে, যারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন, পাশেই একটি সিমেন্টের স্ল্যাবের উপরে বসে পড়েন। যে সিমেন্টের স্ল্যাবের উপর বসেছিলেন একাধিক আমন্ত্রিত, তার নীচেই যে একটি পুরনো কুয়ো রয়েছে, তা জানা ছিল না। আচমকাই ওই সিমেন্টের স্ল্যাবটি ভেঙে পড়ায় কুয়োর মধ্যেই পড়ে যান ১৫ জনেরও বেশি। তৎপরতার সঙ্গে কুয়োর ভিতর থেকে উদ্ধার করা হলেও, ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত আরও ২ জন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরে। বুধবার রাতে একটি বিয়েবাড়িতেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।Kushinagar, Uttar Pradesh | Visuals from the spot where 13 women lost their lives during a wedding event last nightThe incident happened during a wedding program wherein some people were sitting on a slab of a well due to heavy load,the slab broke, police official said pic.twitter.com/LmPDQh3lOo ANI (@ANI) February 17, 2022পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কুশিনগরের ওই বিয়েবাড়িতে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলাকালীনই দুর্ঘটনাটি ঘটে। মূলত বেশ কয়েকজন মহিলা ও শিশুই সিমেন্টের স্ল্যাবর উপর বসেছিলেন। তারা বুঝতেই পারেননি যে নীচে একটি কুয়ো রয়েছে। অতিরিক্ত ভারের কারণেই আচমকা ওই স্ল্যাব ভেঙে পড়ে। উপরে যারা বসেছিলেন, তারা সকলে হুড়মুড়িয়ে কুয়োর ভিতরে ঢুকে যান। চিৎকার শুনে হুঁশ ফেরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাকিদের। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও আমন্ত্রিতদের সহযোগিতায় একে একে সকলকে তুলে আনা হয়। শরীরে কুয়োর পচা জল ঢুকে অনেকেই সংজ্ঞা হারিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ১১ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুইজনের গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানা গিয়েছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার খবর মিলতেই দ্রুত উদ্ধারকার্য শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আহতদের সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা নিয়েও প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

টিটাগড়ে বোমাবাজি, আহত শিশু

শনিবার দুপুরে টিটাগড়ে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে। টিটাগড়ের এমজি রয়াদ অঞ্চলে ঘটেছে এই ঘটনা। বিস্ফোরণে জখম হয়েছে ৪ বছরের এক শিশু। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে।শনিবার দুপুরের নিজের বাড়ির সামনে খেলতে খেলতে রাস্তার উল্টোদিকে চলে যায়। সেই সময়েই হঠাৎই বিকট আওয়াজ শোনা যায় ওই অঞ্চলে। এলাকার বাসিন্দারা ছুটে এসে শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় খুঁজে পায়। এরপরেই শিশুটিকে নিয়ে প্রথমে বিএন বোস হাসপাতাল এবং পরে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরিবারের তরফে জানান হয়েছে যে দিনেরবেলা শিশুটি রোজই ওখানে খেলতে আসে। কে বা কারা ওখানে বোমা রাখল নাকি অন্য কোনও জায়গা থেকে এসেছে ওই বোমা, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে টিটাগড় থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

বিষক্রিয়ায় মর্মান্তিক পরিণতি একই পরিবারের দুই শিশুর, হাসপাতালে ভর্তি ওই আরও চার

অজানা বিষক্রিয়ার ফলে মৃত্যু হল একই পরিবারের দুই শিশু সন্তানের। মৃতরা হল শুভঙ্কর ঘোষ (১২) ও রাহুল ঘোষ(৯)। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। অসু্স্থ হয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন পরিবারের আরও চার সদস্য। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায়। ঘটনা নিয়ে এলাকায় জনমানসে ব্যাপক চাঞ্চল্যও চড়িয়ে পড়েছে। প্রকৃত কি কারণে দুই শিশুর মৃত্যু হল তার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর বর্ধমানের রথতলা এলাকায় বাড়ি মৃত শিশুদের পরিবারের। খাবারে বিষক্রিয়ার অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে মৃত দুই শিশুর বাবা রবি ঘোষ, দিদি শর্মিলা ঘোষ, ঠাকুরমা সন্ধ্যা ঘোষ ও পিসি শমিষ্ঠা ঘোষ। রবি ঘোষ বর্ধমান সিএমওএইচ অফিসের গাড়ির চালক। এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়েই বাবা রবি ঘোষ বলেন, মঙ্গলবার রাতে তাঁদের বাড়িতে মাংস রান্না হয়। মাংস খাওয়ার পর থেকেই একে একে তাঁদের পরিবার সদস্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বুধবার সবার চিকিৎসা হলেও বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিবারের সবার অসুস্থতা বাড়ে। তাই সবাই এদিন সকালে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই পরিবারের দুই শিশু সন্তান শুভঙ্কর ও রাহুলের মৃত্যু হয়। মৃত শিশুদের দিদিমা আভা চন্দ্র বলেন, বাড়িতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়ায় ইঁদুর মারার বিষ দেওয়া হয়েছিল। আভাদেবীর অনুমান ইঁদুর মারার ওই বিষ কোনভাবে বাড়িতে রান্না হওয়া খাবারে মিশে যাওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে গেল। তার জেরে অকালে প্রাণ গেল তাঁর দুই নাতির। মৃতদের প্রতিবশী সৌরভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, অসুস্থ হয়ে পড়া ঘোষ পরবারের সদস্যদের তাঁরাই এদিন সকালে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কিন্তু ওই পরিবারের দুই শিশু সন্তান মারা যাবে এটা তাঁরা কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার তপস ঘোষ জানিয়েছেন, অজানা বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কি থেকে বিষক্রিয়া তা জানার জন্য এদিনই দুই শিশুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসলেই কি থেকে বিষক্রিয়া তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পাশবিক, নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ

বিয়ের পর থেকে গৃহবধূ যে দুটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শুধুমাত্র সেই কারণে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে রড, লাঠি ঢুকিয়ে নির্মম পাশবিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাঘনাপাড়ার বিজার গ্রামে। ঘটনা নিয়ে এলাকার অন্য মহিলারা প্রতিবাদে সোচ্চার হতেই গা ঢাকা দিয়েছে গৃহবধূর স্বামী তৌফিক শেখ। গুরুতর জখম অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে এদিনই কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন বাপের বাড়ির লোকজন। কালনা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শুরু হয়েছে অভিযুক্ত নিষ্ঠুর স্বামীর খোঁজ। স্বামীর এমন নিষ্ঠুরতার নিন্দা করেছে আপামর কালনাবাসী। গৃহবধূর বাবা ভোলা শেখ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে তাঁর মেয়ে শরিফার সঙ্গে বিয়ে হয় কালনার বিজারা গ্রামের যুবক তৌফিক শেখের। বিয়ের পর থেকে তাঁর মেয়ে যে দুটি সন্তানের জন্ম দেয় সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শরিফা পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় তার উপর বেজায় চটে যায় জামাই তৌফিক। সে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে দেয় তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। কখনও শরিফার যৌনাঙ্গে রড কিংবা লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে,আবার কখনও যৌনাঙ্গের পাশে সিরিশ কাগজ ঘষে দিত তৌফিক। ভোলা শেখ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, এত অত্যাচার চালিয়েও তাঁর জামাইয়ের নিষ্ঠুর স্পৃহা মিটতো না। সে নিজের স্ত্রীর বুকে পর্যন্ত বেপরোয়া ভাবে মারতো। বেশ কয়েক মাস ধরেই তৌফিক এই ভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। এমনকি শরিফাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেবে বলেও তৌফিক জানায়। শরিফা তাঁর স্মামীর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়। তার জন্য শরিফার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তৌফিক। গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দিয়ে শরিফাকে প্রাণে মারার চেষ্টাও করে জামাই। এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ শরিফা তাঁর স্বামীর নির্যাতনের কথা বাপের বাড়িতে জানায়। গৃহবধূর বাবা সহ বাড়ির অন্যরা শনিবার জামাই তৌফিকের বাড়িতে পৌছান। তাঁরা সেখান থেকে জখম অবস্থায় শরিফাকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। তারই মধ্যে গা ঢাকা দেয় তৌফিক। গৃহবধূ এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিনই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন মৌখিক ভাবে তৌফিকের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছেন। ভোলা শেখ বলেন, লিখত ভাবেও তাঁরা জামাই তৌফিকের নির্যাতনের কথা পুলিশের কাছে জানাবেন।গৃহবধূ জানিয়েছে, তিনি পর পর দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছ এটাই আমার অপরাধ। সেই কারণে আমার স্বামী নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রাণে মেরে দেওয়ার চেষ্টাও করেছে। নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়িতে স্বামীর কুকীর্তির কথা জানাতে বাধ্য হন, বলে তিনি জানিয়েছেন।কলনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক(এসডিপিও )সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে গিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনার বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ এখনও গৃহবধূর পরিবারের কেউ থানায় জমা দেননি। অভিযোগ পেলে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

তিন সপ্তাহেই বক্সা ছাড়ল বাঘিনী, বাঘ ফেরানোর উদ্যোগে বড় ধাক্কা

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হল নতুন করে অনিশ্চয়তা। বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা বাঘিনী টি ১৩৮ বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।গত ২ অক্টোবর সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে অত্যন্ত ঘটা করে বাঘিনীটিকে বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তার নাম রাখা হয় বিটিআর টিএফ-১। দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাঘের বসবাসের উপযোগী পরিবেশ তৈরি, পর্যাপ্ত শিকারের ব্যবস্থা এবং জলাশয় গড়ে তোলার কাজ হয়েছে বলে দাবি করেছিল বন দপ্তর। কিন্তু সেই উদ্যোগের পরেও বাঘিনীর অন্য জঙ্গলে চলে যাওয়ার ঘটনায় গোটা পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বন দপ্তর সূত্রের খবর, বক্সার জঙ্গলে ছাড়ার পর প্রথম দেড় সপ্তাহ বাঘিনীটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। পরে ধীরে ধীরে তার বিচরণক্ষেত্র বাড়তে থাকে। একসময় প্রায় ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ঘুরে অসম ও বাংলার সীমান্তবর্তী সংকোশ নদীর আশপাশে পৌঁছে যায় সে। শেষ পর্যন্ত তার গন্তব্য হয় অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যান।বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সঙ্গী বা মর্দা বাঘের সন্ধান কিংবা স্বাভাবিক বিচরণ প্রবৃত্তির কারণেই বাঘিনীটি বক্সা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বক্সায় বাঘের বংশবিস্তার ও স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে একাধিক বাঘ আনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে মাত্র একটি বাঘিনীকে এনে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।বাঘিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখতে তার গলায় পরানো হয়েছিল হাই-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও কলার। স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা তার অবস্থান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। তা সত্ত্বেও বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যদিও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যে সহজ নয়, সেই যুক্তিও সামনে আসছে। তবে এত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরেও বাঘিনীর গতিপথ নিয়ে বন দপ্তরের পরিকল্পনা ও নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বনকর্তার বক্তব্য, নজরদারির ব্যবস্থা থাকলেও বন্যপ্রাণীকে নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে আটকে রাখা সম্ভব নয়। তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুযায়ী সে অন্যত্র চলে যেতেই পারে।এদিকে বাঘিনীটিকে ঘিরে বন দপ্তরের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, একবার অসমের জঙ্গলের পথ চিনে নেওয়ার পর তাকে ফিরিয়ে আনা হলেও ভবিষ্যতে সে আবার একই পথে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের একটি বিশেষ দল অসমে পৌঁছে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। অন্যদিকে, অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে ইতিমধ্যেই ছয়টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাঘিনীটি স্থায়ীভাবে থেকে যায়, নাকি আরও গভীরে মানস ব্যাঘ্র প্রকল্পের দিকে চলে যায়, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।সব মিলিয়ে, বক্সায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার শুরুতেই এই ঘটনা বন দপ্তরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির দাবি এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বাঘিনীর অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া নতুন করে ভাবাচ্ছে বনকর্তা ও বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞদের। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বক্সায় বাঘ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বেহালায় প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে অমানবিকতার চরম নজির, বাবা-ছেলেকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় হাঁটানোর অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

কলকাতার বেহালায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক যুবক ও তাঁর বাবার উপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনজনকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো, মারধর এবং আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ ছড়ায়। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সরশুনা থানার অন্তর্গত বসুন্ধরা পার্ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। ওই যুবকের সঙ্গে তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। সেই আক্রোশ থেকেই যুবক ও তাঁর বাবাকে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটি নাবালিকা বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক ও তরুণীকে একসঙ্গে দেখতে পান তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর যুবককে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামার জড়িত থাকার দাবি উঠেছে। পরে যুবকের বাবাকেও ঘটনাস্থলে ডেকে পাঠানো হয়।অভিযোগ, সেখানে ছেলের সামনেই যুবকের বাবার হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁকে ভয় দেখানো হয়। ছেলেকে গুলি করতে হবে, না হলে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় হাঁটতে হবে, এমন শর্ত দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি। এরপর যুবক ও বাবাকে বিবস্ত্র করে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় যুবকের এক বন্ধুকেও মারধর করা হয় এবং একইভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সমাজমাধ্যমে ভিডিও ছড়াতেই উত্তেজনা বাড়েঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তরুণীর বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সরশুনা থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুলিশ পৌঁছনোর আগেই তরুণীর বাবা-সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, তরুণীর মামাকে স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তরুণীর বাবা ও মামা-সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অস্ত্র আইন ও বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলাজানা গিয়েছে, এই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরশুনা থানায় ২২২/২০২৬ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অস্ত্র আইনের ২৫(১বি)(ক) ধারা-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৯, ১১৮(১), ১১৭(২), ১২৭(২), ৩৫৬(২), ৩৫১(৩), ১৪০(৩) এবং ৩(৫) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পাশাপাশি, তরুণীর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। সূত্রের খবর, ঘটনার তদন্তে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকজন স্থানীয় সাক্ষীকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, নির্যাতনের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জোড়াফুলের দখল কার? ঋতব্রতদের ১০ দিনের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট, পালটা হলফনামার সুযোগ কালীঘাট শিবিরকেও

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘাসের উপর জোড়াফুল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি লড়াই এখনও অব্যাহত। এই বিতর্কের নিষ্পত্তির জন্য এবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে (ঋতব্রত শিবির) আরও ১০ দিন সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে, প্রতিপক্ষের জমা দেওয়া নথি ও হলফনামা খতিয়ে দেখে নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরও অতিরিক্ত ১০ দিন সময় পাবে। ফলে দুই পক্ষের নথি আদানপ্রদান ও পালটা বক্তব্য পেশের প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও সময় লাগবে। অন্যদিকে, আদালতে নথি জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কালীঘাটের তরফে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।নথি জমার সময়সীমা বাড়ল, কী বলল আদালত?সোমবার ছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দুই পক্ষের প্রয়োজনীয় নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা। আদালতের নির্দেশ মেনে কালীঘাট শিবির তাদের নথি জমা দিলেও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই অতিরিক্ত সময় চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী।আদালতে তাঁদের তরফে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার জন্য আরও কিছুটা সময় দরকার। দুর্গাপুজোর কারণে স্ট্যাম্প পেপার সংগ্রহ করতে সমস্যা হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি বলেও যুক্তি দেওয়া হয়। সেই কারণে আরও দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছিল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস।তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেন কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে চাওয়া দুই সপ্তাহের পরিবর্তে ১০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় আদালত। পাশাপাশি, ঋতব্রত শিবিরের জমা দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা পেশ করার জন্য কালীঘাট শিবিরকেও আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।উপনির্বাচনে আলাদা নাম-প্রতীক, কিন্তু স্থায়ী সমাধান কোথায়?তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের জেরে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। দলের পরিচিত নাম এবং দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রতীক নিজেদের দখলে রাখার প্রশ্নেই মূলত এই আইনি লড়াই।গত ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীকের ব্যবস্থা করেছিল। সেই সময় অস্থায়ী সমাধান হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নামে ফুটবল প্রতীক পায়। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বরাদ্দ হয় খাম প্রতীক।কিন্তু উপনির্বাচনের জন্য করা সেই ব্যবস্থা স্থায়ী সমাধান নয়। দলের পুরনো পরিচয় এবং ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি-পালটা দাবি অব্যাহত রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কোন পক্ষ শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতীকের অধিকার পাবে, তা নির্ধারণের আগে দুই শিবিরের বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক নথি খতিয়ে দেখতে চাইছে আদালত।হরিয়ানায় নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতরআদালতে নথি জমা দেওয়া নিয়ে যখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নথিপত্র দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়া হয় এবং সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।ঋতব্রতর দাবি, কালীঘাট শিবির ২৫ অক্টোবর, রবিবার রাতে চার্টার্ড বিমানে নিজেদের নথি দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ২৪ অক্টোবর, শনিবার সড়কপথে নথিপত্র নিয়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন। সেই নথি নিয়ে যাওয়ার সময় সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ হরিয়ানায় তাঁদের ট্রাক আটকানো হয় বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার।তাঁর আরও দাবি, ওই সময় নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে দলের কর্মীরা সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাট শিবিরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।চার্টার্ড সংস্কৃতি বনাম তৃণমূল স্তর, কটাক্ষ বিরোধী দলনেতারঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণের সুরও চড়িয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, একদিকে চার্টার্ড বিমানে নথি পাঠানোর ব্যবস্থা, অন্যদিকে দলের কর্মীদের সড়কপথে নথি নিয়ে যাওয়াএই দুই পরিস্থিতির মধ্যে যেন একটি সংঘাত তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতা ও গায়ের জোর দেখিয়ে সবকিছু দখল করার চেষ্টা করা হলেও তা সবসময় সফল হয় না।যদিও নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেদিকেও নজর থাকবে।পুরসভা নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক গুরুত্বকলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে আসায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। নির্বাচনের আগে দলের পরিচয় ও প্রতীকের প্রশ্নে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।এখন নজর সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারে কি না, তার পরিপ্রেক্ষিতে কালীঘাট শিবির কী পালটা বক্তব্য পেশ করে এবং শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার কার হাতে যায়সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। আপাতত আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় দুই শিবিরই।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
দেশ

মোদির বাবা তুলে খাড়গের কটাক্ষ, দেশজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ! ‘ভারতের অপমান’ বলে তীব্র আক্রমণ রাজনাথের

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মন্তব্য ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। খাড়গের নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া শিবির। বিতর্কে কংগ্রেসকে পালটা আক্রমণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়েরও।নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজনৈতিক মহল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করতে গিয়ে তাঁর বাবাকে নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্যে রাস্তায় নেমে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে, এই মন্তব্যকে ভারতের অপমান বলে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বিজেপির অভিযোগ, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমালোচনা করতে গিয়ে খাড়গে ব্যক্তিগত আক্রমণের সীমা অতিক্রম করেছেন। এই মন্তব্যের জন্য তাঁর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। শুধু ক্ষমাপ্রার্থনাই নয়, কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও তাঁকে সরে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির নেতা-কর্মীদের একাংশ।বিহার থেকে জম্মু, বেঙ্গালুরুবিক্ষোভে বিজেপিখাড়গের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোমবার বিহারে বড়সড় মিছিল বের করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান তোলা হয়। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খাড়গের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।একই ইস্যুতে উত্তেজনা ছড়ায় জম্মুতেও। সেখানে বিজেপি কর্মীরা খাড়গের পোস্টার পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি, আরও কয়েকটি রাজ্যে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।বিজেপির বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বিরোধিতা করতে গিয়ে কোনও ব্যক্তির পরিবারকে টেনে এনে আক্রমণ করা রাজনৈতিক শালীনতার পরিপন্থী। সেই কারণেই খাড়গের মন্তব্যের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছে দল।এটা ভারতের অপমান, খাড়গেকে নিশানা রাজনাথেরএই বিতর্কে কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্য, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। যে দল নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দেয়, সেই দলের সভাপতির মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করেছেন তিনি।রাজনাথের কথায়, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে এই মন্তব্যগুলি কোনও সাধারণ কংগ্রেস কর্মী বা যুব নেতা করেননি, বরং এমন এক দলের সভাপতি করেছেন, যে দলটি নিজেদের দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে।এখানেই থামেননি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। খাড়গের মন্তব্যকে দেশের মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, খাড়গের এহেন মন্তব্য আসলে ভারতের অপমান।রাজনাথের আরও অভিযোগ, নিজেদের ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করার পরিবর্তে কংগ্রেসের তরফে খাড়গের মন্তব্যকে সমর্থন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, এই ধরনের আচরণ রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তিক্ত করে তুলছে। ফলে শুধু খাড়গে নন, গোটা কংগ্রেস নেতৃত্বকেই এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে দাবি বিজেপি শিবিরের।কী বলেছিলেন খাড়গে? কোথা থেকে বিতর্কের সূত্রপাত?এই বিতর্কের সূত্রপাত রবিবার বিহারের পাটনায়। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সভায় বক্তৃতা করার সময়ই ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি।খাড়গে যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন উপস্থিত এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। তবে ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সম্পূর্ণ অংশ খাড়গে শুনতে পাননি বলে দাবি করা হয়েছে। তিনি কথাটির অর্থ বুঝেছিলেন অন্যভাবে। তাঁর কানে পৌঁছয়, মোদি কোথাও যাবেন না।এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সময় তিনি বলেন, মোদির বাপকেও যেতে হবে।খাড়গের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকতেই পারে, কিন্তু তাঁর বাবাকে টেনে এনে এমন মন্তব্য করা অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। এই বক্তব্যের জন্য খাড়গের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেছে গেরুয়া শিবির।রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কাঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে খাড়গের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করছে বিজেপি। অন্যদিকে, এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত আগামী দিনে কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধিতা নতুন নয়। তবে সেই বিরোধিতা ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছলে তা রাজনৈতিক শালীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। খাড়গের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কেও উঠে এসেছে সেই প্রশ্নই। এখন দেখার, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং বিজেপির ক্ষমাপ্রার্থনা ও পদত্যাগের দাবি নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে ফিরুক পাস-ফেল, মোবাইল নিষিদ্ধের পক্ষে সওয়াল শুভেন্দুর

স্কুলশিক্ষায় একাধিক পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুলে মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার উপরে জোর দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি (NCC) এবং এনএসএস (NSS) চালু করার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভার বিকাশ ঘটানোও জরুরি।রবিবার রামনগরে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণ নিয়েও কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্যও করেন মুখ্যমন্ত্রী।স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা এবং পাস-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের ইতিহাস, পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং আধুনিক ভাষার সঙ্গে পড়ুয়াদের পরিচিত করে তোলার উপরেও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, শিক্ষার পরিসর শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশের জন্য সহপাঠক্রমিক কার্যকলাপেও গুরুত্ব দিতে হবে।প্রতিটি স্কুলে ব্রতচারী, এনসিসি এবং এনএসএস ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তবলা, হারমোনিয়াম, গিটার, সেতার ও খঞ্জনির মতো বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও স্কুলে থাকা উচিত। পড়ুয়াদের মধ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শিক্ষানীতি নিয়েও আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এনসিসি তুলে দিয়ে জয় হিন্দ বাহিনী চালু করা হয়েছিল। ব্রতচারী কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভাষা ও শব্দের ব্যবহার নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রাজনীতি

জেল থেকে ফিরেই হুমকির অভিযোগ! আমোদপুরে তৃণমূল নেতাকে দড়ি বেঁধে ঘোরালেন স্থানীয়রা

বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার আমোদপুরে এক তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। জামিনে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফের বিভিন্ন জনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর পর পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। অভিযুক্তের নাম তাহিরুল শেখ। তিনি সাঁইথিয়া ব্লকের ভ্রমরকোল অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। ঘটনার খবর পেয়ে আমোদপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।ঘটনার সূত্রপাত সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের দিন। অভিযোগ, ওই দিন ভ্রমরকোল অঞ্চলের ৬৮ নম্বর বুথে বিজেপির নির্বাচিত বিধায়ক দেবাশিস ওঝার ছেলে, নির্বাচনী এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ বিজেপির কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা তাহিরুল শেখের নাম জড়ায়। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রায় দুমাস আগে জামিনে মুক্তি পান তিনি।বিজেপির অভিযোগ, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের দলের কর্মীদের হুমকি দিতে শুরু করেন তাহিরুল। রবিবার বেলার দিকে তিনি আমোদপুর লাগোয়া ঈশ্বরপুর গ্রামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রশান্ত সাধুর বাড়িতে যান। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তাঁকে ধরে কোমরে দড়ি বেঁধে আমোদপুর বাজার এলাকায় ঘোরান। পরে তাঁকে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির হাতে তুলে দেওয়া হয়।বিজেপির ভ্রমরকোল মণ্ডল সভাপতি সুদীপ ঘোষের দাবি, ভোটের দিন তাহিরুলের নেতৃত্বে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়েছিল। তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, জামিনে মুক্তির পর ফের বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই খবর পেয়েই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁরা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইউনুসের বক্তব্য, বিজেপি অনেক জায়গাতেই পুলিশের মদতে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করছে। তবে আমোদপুরের এই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের দিন বিজেপি নেতাদের মাথা ফাটানোর অভিযোগের জেরেই তাহিরুল জনরোষের মুখে পড়েছেন। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নেতার কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন। আমোদপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এবং ঘটনার নেপথ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

রং-তুলিতে সমাজের মুখ আঁকা থামল! প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী, বয়স ৮৭

ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে ১৪ মাসের লড়াই, সঙ্গে মূত্রনালির সংক্রমণকলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস শিল্পীর। চিত্রকলার পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও রেখেছিলেন স্বতন্ত্র ছাপ।বাংলার শিল্পজগতে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী। রবিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বিরল ধরনের ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই বিশিষ্ট শিল্পী। তার উপর মূত্রনালির সংক্রমণ এবং শারীরিক নানা জটিলতা ক্রমশ তাঁর অবস্থাকে সংকটজনক করে তোলে। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৪ মাস ধরে মাইলোপ্রোলিফেরেটিভ নিওপ্লাজম নামে এক ধরনের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। চলছিল কেমোথেরাপিও। শারীরিক অসুস্থতা বাড়তে থাকায় দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সংক্রমণের কারণে সেপসিসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসকদের সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন বর্ষীয়ান শিল্পী।ফরিদপুর থেকে কলকাতা, শিল্পী হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দাহারপাড়া গ্রামে জন্ম যোগেন চৌধুরীর। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। পরিবারের পরিবেশও তাঁর শিল্পীসত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর মা সুন্দর আল্পনা আঁকতেন। মায়ের সেই শিল্পচর্চা ছোট্ট যোগেনের মনে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ তৈরি করেছিল।দেশভাগের সময় পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এই শহরেই শুরু হয় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা। কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফ্টে পড়াশোনা করেন তিনি। শিল্পশিক্ষা শেষ করে হাওড়া জেলা স্কুলে অঙ্কন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরে ১৯৬২ সালে কলকাতার হ্যান্ডলুম বোর্ডে ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন। শিল্পচর্চার পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি।উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৬৫ সালে প্যারিসে পাড়ি দেন যোগেন চৌধুরী। ইউরোপীয় শিল্পধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয় সেই সময়। ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্য এবং পাশ্চাত্যের আধুনিক শিল্পভাবনার সংমিশ্রণ তাঁর কাজকে স্বতন্ত্র মাত্রা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের আর্ট গ্যালারির কিউরেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।ব্যঙ্গ, সমাজ ও রাজনীতিক্যানভাসে ধরা পড়ত সময়ের ছবিযোগেন চৌধুরীর শিল্পকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সমাজ ও রাজনীতির নানা অসংগতি তুলে ধরার ক্ষমতা। তাঁর ছবিতে কেবল রং, রেখা কিংবা অবয়বের প্রকাশ ঘটত না; ফুটে উঠত সমকালীন সমাজের নানা প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব ও বাস্তবতা। ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি সমাজের অসংগতিগুলিকে শিল্পের ভাষায় প্রকাশ করতেন। সেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।ভারতীয় ঐতিহ্য এবং ইউরোপীয় আধুনিক শিল্প আন্দোলনের প্রভাব তাঁর কাজে লক্ষ করা যায়। তবে প্রভাবের মধ্যেও নিজস্ব শিল্পভাষা নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সৃষ্টিতে মানুষের অবয়ব, অভিব্যক্তি এবং সামাজিক বাস্তবতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশ-বিদেশে তাঁর শিল্পকর্ম প্রশংসিত হয়েছে এবং বিভিন্ন সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন তিনি।দুর্গাপুজোর শিল্পভাবনাতেও ছিল তাঁর ছোঁয়াক্যানভাসের বাইরেও বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। বিভিন্ন সময়ে একাধিক দুর্গাপুজোর থিম এবং প্রতিমা-ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে বেহালা নূতন দল দুর্গাপুজোর প্রতিমার স্কেচ তৈরি করেছিলেন এই শিল্পী। পরের বছর ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্ক সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমার চালচিত্রের নকশাতেও তাঁর শিল্পভাবনার প্রতিফলন ঘটেছিল।বাংলার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে শিল্পের যে বিস্তৃত পরিসর তৈরি হয়েছে, সেখানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথাগত শিল্পচর্চা থেকে জনপরিসরের শিল্পবিভিন্ন ক্ষেত্রেই নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছিলেন তিনি।শিল্পের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেওচিত্রকর হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনও ছিল যোগেন চৌধুরীর। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ২০২০ সাল পর্যন্ত সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংসদীয় রাজনীতিতে উপস্থিতি তাঁকে অন্য পরিচিতিও দিয়েছিল।তবে তাঁর দীর্ঘ জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে থাকবে শিল্পচর্চা। রং, রেখা ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজকে দেখার যে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তৈরি করেছিলেন, তা ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণে হারালেন বাংলা তথা ভারতের শিল্পজগতের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃষ্টি, শিল্পভাবনা এবং সমাজকে দেখার স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও শিল্পপ্রেমীদের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকবে। মানুষটি চলে গেলেন, কিন্তু ক্যানভাসে রেখে গেলেন সময়, সমাজ ও মানুষের বহু না-বলা কথার চিহ্ন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দেশ

হস্টেলে আত্মহত্যা রুখতে বিশেষ ফ্যান! অতিরিক্ত ওজন পড়লেই খুলে যাবে, বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন

সুরাট: পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় অভিনব উদ্যোগ বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্টেলের ঘরে বিশেষ প্রযুক্তির সিলিং ফ্যান বসাল গুজরাটের সুরাটের বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Veer Narmad South Gujarat University)। আত্মহত্যার ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি এই বিশেষ ফ্যানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একটি স্প্রিং মেকানিজম। ফ্যানে অতিরিক্ত ওজন পড়লে সেটি খুলে নীচে নেমে আসবে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ফলে ফ্যানকে আত্মহত্যার কাজে ব্যবহার করা কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ সিলিং ফ্যানের পরিবর্তে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত এই ফ্যান ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হল, কোনও পড়ুয়া চরম মানসিক সংকটের মুহূর্তে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে সেই ঝুঁকি কমানো।বিশেষ স্প্রিং ব্যবস্থার কারণে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওজন পড়লে ফ্যানটি তার মাউন্টিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি। এর ফলে বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে এই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর, তা নির্ভর করবে যন্ত্রটির নকশা, নির্ধারিত ওজনসীমা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের উপর।#WATCH | Surat, Gujarat | Veer Narmad South Gujarat University installs anti-suicide ceiling fans, with special spring mechanism, in hostels, designed to detach under excessive weight and cut off the power supply. https://t.co/1GM7E91n3K ANI (@ANI) October 24, 2026শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়াশোনার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক পড়ুয়াই মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, কাউন্সেলিং এবং সময়মতো সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি।বিশেষ ফ্যান বসানোর এই উদ্যোগ হস্টেলের নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বিকল্প প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ। তবে আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়পড়ুয়াদের পাশে থাকা, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং প্রয়োজনে দ্রুত পেশাদার সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal