• ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

I‌ndia vs Pakistan : আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের হার নিয়ে খোঁচা ইমরান খানের!‌

বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে পকিস্তান। ভাবখানা এমন, যেন বিশ্বকাপ জিতেই গেছে। হবে নাই বা কেন, কোনও দিন বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারেনি। এই প্রথম বিশ্বকাপে জয়। পাকিস্তানের কাছে তাই অন্যমাত্রা পেয়েছে কোহলিদের হারানো। উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি ভারতকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি পাকিস্তানিরা। স্বয়ং সে দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানও ভারতকে খোঁচা দিয়েছে। রিয়াধে এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন ইমরান খান। সেই অনুষ্ঠানে ইমরান বলেন, মধ্য এশিয়ার বাজার ধরতে গেলে আফগানিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখা দরকার। চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলে ভাল হত। কিন্তু রবিবার বিশ্বকাপে ভারতকে বিধ্বস্ত করার পর ওদের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির কথা এখন বলা যাবে না। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে পরোক্ষভাবে কোহলিদের বিশ্বকাপে হারানো নিয়ে খোঁচা দেন ইমরান। প্রাক্তন জোরে বোলার শোয়েব আখতারও ভারতের হার নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েননি। রবিবারের ম্যাচে আগে হরভজন সিং বলেছিলেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানের ওয়াকওভার দেওয়া উচিত। কারণ বিশ্বকাপে তো কখনও জেতেনি। এবারও হারবে। বিরাট কোহলিরা ১০ উইকেটে হারের পর ভাজ্জিকে খোঁচা দিয়েছেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেছেন, ভাজ্জি পারছে এই পরাজয় সহ্য করতে। আইপিএলে দারুণ বোলিং করেছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সলমন বাট বরুণ চক্রবর্তীকে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন, বরুণ যে বোলিং করেছেন তা পাকিস্তানের রাস্তর ক্রিকেটে হামেশাই হয়ে থাকে। এটা নয় যে বরুণ ভালো বোলার নয়। কিন্তু ওর যে বৈচিত্র্য, তার সঙ্গে পরিচিত পাক ব্যাটাররা। ওকে সহজেই খেলেছে বাবর ও রিজওয়ান। পাকিস্তানের এক কৌতুক-অভিনেতা ইয়াসির হোসেন বিরাট কোহলির একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে আইপিএলে শরীরচর্চার ফাঁকে কোহলি নাচছেন। সেটির ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি পাঞ্জাবি গান লেপে দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, পাকিস্তানিদের তরফে ফতেহ মুবারক জানাই। বেটার লাক নেক্সট টাইম ইন্ডিয়া! ম্যাচের মতোই অসাধারণ কোহলির নাচ।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 WC-Virat kohli : পাকিস্তানের কাছে হেরে কেন মেজাজ হারালেন বিরাট কোহলি?‌

রবিবার ভারতপাকিস্তান ম্যাচ শেষে বাবর আজমের সঙ্গে হাত মেলানোর পর বুকে টেনে নেন পাকিস্তানের ওপর ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ানকে। পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটাররা ছুটে এসে ঘিরে ধরেন ভারতীয় দলের মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শোয়েব মালিকরা ছবি তোলেন ধোনির সঙ্গে। দারুণ সৌভাতৃত্বের পরিচয়। কিন্তু মাঠের বাইরে মেজাজ হারালেন ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। এই প্রথম টি২০ বিশ্বকাপে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোহলি। অধিনায়ক হিসেবে এটাই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচেই চিরশত্রু পাকিস্তানের কাছে হারতে হয়েছে। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এটাই প্রথম পরাজয়। মেজাজ এমনিতে খারাপ ছিল। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও খারাপ করে দেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক। কোহলির কাছে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক জানতে চান, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জন্যই কি হারতে হয়েছে ভারতকে? পাকিস্তানের ওই সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারান কোহলি।রাগত সুরেই কোহলি বলেন, বাইরে থেকে অনেকেই অনেক কিছু মনে করে থাকেন। বাস্তব সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই। মাঠে নেমে চাপটা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রতিপক্ষকে কোনও দল কখনও হালকাভাবে নিয়ে মাঠে নামে না। পাকিস্তানের মতো দল যে কোনও প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিতে পারে। এই সত্যটাকে সকলের মেনে নেওয়া উচিত। আমরা কখনোই মনে করি না এই একটা ম্যাচ জিতলেই সব পাওয়া হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কোহলি আশাবাদী। তিনি বলেন, আমরা খারাপ খেললে সেটা মেনে নিই। বিপক্ষকে কৃতিত্ব দিতে কুন্ঠিত হই না। হারার পর নজর ঘোরানোর জন্য অন্যরকম কিছু করতে চাই না। ত্রুটিগুলো খুঁজে বার করে সেগুলো সংশোধন করার দিকে নজর দিই।রোহিত শর্মার পরিবর্তে ঈশান কিষানকে খেলানো যেত কিনা, সে প্রশ্নের জবাবে কোহলি বিরক্তি প্রকাশ করে পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন ওই সাংবাদিককে, আপনার কী মনে হয়? আপনার মতামত জানতে চাইছি। আপনি কি টি২০ ক্রিকেটে রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে মাঠে নামতে পারতেন? আমরা সেরা দল নিয়েই খেলতে নেমেছিলাম। পাকিস্তানকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিতে অবশ্য ভোলেননি কোহলি। তিনি বলেন, পাকিস্তান সব বিভাগেই আমাদের পর্যুদস্ত করেছে। আমাদের ম্যাচে কোনও সুযোগই দেয়নি। আমরা চাপ তৈরির চেষ্টা করেছিলাম। তার জবাব দেওয়ার জন্য ওরা খুব ভালভাবে প্রস্তুত ছিল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Band : ব্যান্ড লাভারদের নতুনত্বের স্বাদ দিচ্ছে মরফিন-ইন্ডিয়া

বর্তমানে শহর কলকাতার অলিতে-গলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে ব্যান্ড। একটা সময় ব্যান্ড বা বাংলা ব্যান্ড নিয়ে সবার মধ্যে যে ক্রেজটা ছিল সেই ক্রেজে একটু হলেও ভাটা পড়েছে। তবে কিছু কিছু এমন ব্যান্ড রয়েছে যারা এই ব্যান্ডের দুর্দিনের মধ্যেও আশার আলো দেখাচ্ছে। এর মধ্যে যে শুধু নামী ব্যান্ডই রয়েছে তা নয় কিছু নতুন ব্যান্ডও নিজেদের মতো করে সকলের সামনে তাদের গান প্রেজেন্ট করছে।শহর কলকাতার বুকে এরকমই একটি ব্যান্ডের নাম মরফিন-ইন্ডিয়া। তবে এই ব্যান্ডটা একদম নতুন নয়। মরফিন-ইন্ডিয়ার পথচলা শুরু হয় ২০১৩ সালে। ব্যান্ডের সদস্য ৪ জন। ভোকালিস্ট নীলাঞ্জন মৈত্র, ড্রামসে সুশোভন দাস, ব্যাস এ বিকাশ দাস এবং গিটারে গৌতম গোলদার।২০১৯ সাল থেকে এই ব্যান্ড কলকাতার বিভিন্ন নামকরা হোটেলে পারফর্ম করেছে এবং দর্শকদের যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন সল্টলেকের একটি নামকরা হোটেলে এই ব্যান্ডের পারফরম্যান্স দেখার জন্য অনেকেই ভিড় করেছিলেন। এছাড়া খুব শীঘ্রই আরও বেশ কিছু ভালো পারফরম্যান্স শ্রোতা ও দর্শকদের উপহার দেবে মরফিন ইন্ডিয়া।এই ব্যান্ডের গিটারিস্ট গৌতম গোলদার জানালেন,২০১৩ থেকে আমাদের ব্যান্ডের পথচলা শুরু হয়। তখন থেকে আমরা কলকাতা বেসড কম্পিটিশনগুলো অ্যাটেন্ড করতাম। সেখানে ভালো রেসপন্স পেয়েছি। সেখান থেকে আমরা কলেজগুলোতে পারফর্ম করা শুরু করি। আফটার প্যান্ডামিক আমরা প্রাইভেট শো বা প্রাইভেট ইভেন্টগুলো অ্যাটেন্ড করছি।কলকাতায় যখন বড় বড় ব্যান্ডগুলো দলছুট হয়ে যাচ্ছে, নতুন ব্যান্ডগুলোর মধ্যে ক্রিয়েটিভিটির খামতি দেখাচ্ছে সেখানে মরফিন-ইন্ডিয়া নতুন আলো দেখাচ্ছে। যে আলোর পথ অনুসরণ করে হয়তো আরও অনেক ব্যান্ড তাদের আলো খুঁজে নেবে। দর্শকরা আরও অনেক ভালো ভালো ব্যান্ডের খোঁজ পাবে।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: বিশ্বকাপে প্রথম ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস বদলে দিলেন বাবর আজমরা

বিশ্বকাপ মানেই ভারতের আধিপত্য। সে একদিনের বিশ্বকাপই হোক কিংবা টি২০। ভারতের বিরুদ্ধে কখনও জয় পায়নি পাকিস্তান। ইতিহাস পাল্টে দিলেন বাবর আজমরা। রবিবার দুবাইয়ে টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে এই প্রথম বিশ্বকাপে জয় পেল পাকিস্তান। দুর্দান্ত বল করে ম্যাচের নায়ক শাহিন আফ্রিদি। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর লক্ষ্য ছিল রান তাড়া করে খেলা। পাশাপাশি রাতের শিশিরের কথাও মাথায় রেখেছিলেন। দলের অধিনায়ককে হতাশ করেননি পাকিস্তান বোলাররা। প্রথম ওভারেই আঘাত। ম্যাচের চতুর্থ বলেই শাহিন আফ্রিদির দুরন্ত ইয়র্কার রোহিত শর্মার প্যাডে আছড়ে পড়তেই দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল ভারতের। রোহিত (০) যখন সাজঘরের রাস্তা ধরেন ভারতের রান ১। এক ওভার পরেই আউট লোকেশ রাহুল (৩)। তিনিও সেই শাহিন আফ্রিদির শিকার। পাকিস্তানের এই জোরে বোলার যে ডেলিভারিতে বোল্ড করেন, এক কথায় স্বপ্নের বল। সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত কমেন্ট্রি বক্সে বসে বলেন, ম্যাজিক ডেলিভারি। খেলা সত্যিই দুঃসাধ্য। তিন ওভারের মধ্যেই ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে ভারত। ভেসে উঠছিল ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালের স্মৃতি। সেই ম্যাচেও ৩ ওভারে ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। ভারতকে শুরুতে ধাক্কা দিয়েছিলেন মহম্মদ আমির। আর টি২০ বিশ্বকাপে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি।কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ১টা ৪ ও ১টা ৬ মেরে পাল্টা চাপ তৈরি করতে চেয়েছিলেন সূর্যকুমার (৮ বলে ১১)। হাসান আলির অফস্টাম্পের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কোহলি ও ঋষভ পন্থ। ঋষভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন কোহলি। জুটিতে ওঠে ৫৩। ৩০ বলে ৩৯ রান করে সাদাব খানের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ঋষভ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি ৪ ও ২টি ৬। রবীন্দ্র জাদেজাও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৩ বলে ১৩ রান করে তিনি হাসান আলির বলে আউট হন।অন্যপ্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট পড়লেও ধৈর্য হারাননি কোহলি। প্রকৃত নেতার মতোই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত সেই শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কোহলি। ৪৯ বলে ৫৭ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ১টি ৬। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান তখন ১৮.৪ ওভারে ১৩৩। হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১১) ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান তোলে ভারত।পাকিস্তানে লক্ষ্য ছিল ভারতকে এমন রানে আটকে রাখা, যাতে লড়াই করতে সুবিধা হয়। সেই লক্ষ্যে তারা সফল। ভান্ডারে ১৫১ রানে পুঁজি নিয়ে জিততে গেলে শুরুতেই বিপক্ষকে ধাক্কা দেওয়াটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা। তবে পাকিস্তানের দুই ওপেনারে প্রশংসাও করতে হবে। দারুণ সতর্কভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পাকিস্তান তোলে ৪৩। ১০ ওভারে পৌঁছে যায় ৭১ রানে। দুই ওপেনার বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। ভারতীয় বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি। টি২০ ক্রিকেটে কেন তিনি র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে রয়েছেন বুঝিয়েস দিলেন। ধীরস্থিরভাবে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৭.৫ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন মহম্মদ রিজওয়ান। ৫২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক বাবর আজম। এই প্রথম বিশ্বকাপের আসরে ভারতের বিরুদ্ধে জয় পেল পাকিস্তান।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

virat kohli : কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটারের স্ত্রী?‌ সত্যিই আজব ব্যাপার

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান লড়াই। আর কোহলির হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন কিনা পাকিস্তানের এক ক্রিকেটারের ঘরণী! সত্যিই অবাক হওয়ার কথা। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের ওই ঘরণী বিরাট কোহলির হয়ে গলা ফাটালেও নিজের স্বামীর দেশেরই জয় চান। সত্যিই আজব ব্যাপার। পাঠকবর্গের খুব জানতে ইচ্ছে করছে কোন ক্রিকেটারের ঘরণী বিরাট কোহলির ভক্ত? তাঁর নামই বা কী। এবার খোলসা করা যাক।পাকিস্তানের জোরে বোলার হাসান আলির স্ত্রী শামিয়া আরজু কোহলির দুর্দান্ত ভক্ত। শামিয়ার কোহলি প্রেমের মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। কারণ কোহলির আবেগ,আগ্রাসনে মুগ্ধ অগনিত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু ক্রিকেট প্রেমীই বা বলি কি করে। ক্রিকেটের বাইরেও অনেক ভক্ত রয়েছে কোহলির। নিজগুনে মহিলাদের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক।শামিয়া আরজুর কোহলি প্রীতির মধ্যে রয়েছে অন্যরকম গল্প। আদতে ভারতের মেয়ে শামিয়া আরজু। হরিয়ানার ছান্দেনি গ্রামে বেড়ে ওঠা। ফরিদাবাদের মানব রচনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি টেক পাশ করেন। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর জেট এয়ারওয়েজে এয়ার হোস্টেস হিসেবে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে কাজ করার পর এমিরেটস এয়ারলাইনসে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দেন। দুবাইতে কর্মরত অবস্থাতেই হাসান আলির সঙ্গে পরিচয়। দুবছর ধরে চলে প্রেম পর্ব। তারপর বিয়ে। ২০১৯ সালে দুবাইতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজনে।তিনি যে বিরাট কোহলির ভক্ত ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে শামিয়া আরজু জানাতে দ্বিধা করেননি। বিরাটের ব্যাটে সাফল্য চাইলেও হাসান আলির স্ত্রী অবশ্য পাকিস্তানের জয় চান। পাকিস্তানের আর এক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের স্ত্রী সানিয়া মির্জা অবশ্য শামিয়া আরজুর মতো খুল্লামখুল্লা নন। ভারতপাকিস্তান ম্যাচের আগে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও অনেক দুরে সরে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শামিয়া আরজু তাঁর কোহলি প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Kohli : পাকিস্তান ম্যাচের আগে কেন এতটা বিনয়ী বিরাট কোহলি

শনিবারই বেজে গেল টি২০ বিশ্বকাপের দামামা। রবিবারই সেই বহু কাঙ্খিত মহারণ। টি ২০ বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুবাইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। বাবর আজমের দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে বিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন বিরাট কোহলি। পাকিস্তান ম্যাচের প্রথম একাদশ নিয়ে অবশ্য ধোঁয়াশা রেখে দিলেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন।বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানের দিক থেকে এগিয়ে থেকেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বিরাট কোহলির দল। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এখনও একটা ম্যাচেও হারেনি ভারত। তবে রবিবারের ম্যাচে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। বিপক্ষ শিবিরকে অবশ্য যথেষ্ট সমীহ করছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পাকিস্তান যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে আমরাও ভাল পরিকল্পনা করেছি। সেই পরিকল্পনাগুলি সফলভাবে প্রয়োগ ঘটাতে পারলে জিততে সমস্যা হবে না। জিততে গেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবসময় সেরাটা দিতে হবে। ওদের দলেও বেশ কয়েকজন ভাল ক্রিকেটার রয়েছে। যারা ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারে। এদিকে, ম্যাচের আগের দিনই ১২ জনের দল ঘোষণা করে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য দল নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেই দিয়েছে। প্রথম একাদশ নিয়ে কোহলি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, এখনই দলের কম্বিনেশন প্রকাশ করব না। মাঠে নামার জন্য দলের প্রত্যেকেই তৈরি। সবাই জানে মাঠে কার কী ভুমিকা রয়েছে। কম্বিনেশন না বললেও এটা নিশ্চিত যে বোলার হার্দিক পান্ডিয়াকে পাচ্ছে না ভারত। ব্যাটার হিসেবেই তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কোহলির কথাতে তারই ইঙ্গিত মিলেছে। ভারত অধিনায়ক বলেন, হার্দিকের ফিটনেস এখন ভাল জায়গায় রয়েছে। আশা করছি এই বিশ্বকাপেই বোলিং করতে পারবে। তবে ৬ নম্বরে এত দ্রুত হার্দিকের বিকল্প পাওয়া কঠিন। ওর ব্যাটিংয়ের ওপর দলের আস্থা রয়েছে। হার্দিকের ইনিংস কতটা মূল্যবান আমরা জানি। কোহলি খোলসা না করলেও ব্যাটিং অর্ডারে রোহিত ও লোকেশ রাহুল শুরুতে থাকছেন। তিনে কোহলি, চারে সম্ভবত ঋষভ পন্থ, পাঁচে সূর্যকুমার যাদব, ছয়ে হার্দিক পান্ডিয়া। স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে থাকছেন রবীন্দ্র জাদেজ। দুই জোরে বোলার যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামি। দুই স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Ind vs Eng Test : ম্যাঞ্চেস্টারের ভারত–ইংল্যান্ড স্থগিত টেস্ট হবে সামনের বছর জুলাইয়ে

ভারতীয় দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সেপ্টেম্বরে ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। ২০২২র জুলাইয়ে আবার সেই টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নয়, এই টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে এজবাস্টননে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ডের পঞ্চম টেস্ট যখন স্থগিত হয়ে যায়, তখন ২১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়েছিল ভারত। বাতিল হওয়ার পর টেস্টের ভবিষ্যত নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ইংল্যান্ড চেয়েছিল তাদের জয়ী ঘোষণা করা হোক। ভারতীয় শিবির রাজি হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়ে বাতিল টেস্ট ম্যাচের জন্য সবরকম ক্ষতিপূরণ দেবে। পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছিল, ২০২২ সালের সফরে গিয়ে একটা অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচও খেলতে রাজি। আর যদি স্থগিত হয়ে যাওয়া টেস্ট খেলতে হয়, তাহলে তা ওই ৫ টেস্টের সিরিজের অংশ বলে গন্য হবে না। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তারা আইসিসির ডিসপুট রেজিলিউশন কমিটির কাছে সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য আবেদন জানায়। অবশেষে ইংল্যান্ড বোর্ডেরই জয় হল। কারণ, তারা চেয়েছিল ভারত আবার ইংল্যান্ডে গিয়ে অসমাপ্ত সিরিজ খেলুক। অর্থাৎ আগামী বছর ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে জো রুটদের বিরুদ্ধে খেলতে হবে বিরাট কোহলিদের। এই টেস্টের পরই নিশ্চিত হবে ভারত সিরিজ জিতল কিনা। ১ জুলাই থেকে এজবাস্টনে হবে অনু্ষ্ঠিত হবে অসমাপ্ত টেস্ট। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ফু ফাইটার্স ও রেড হট চিলি পেপার্সের কনসার্ট রয়েছে। তাই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের পরিবর্তে এজবাস্টনে টেস্ট সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ১ জুলাই থেকে স্থগিত হওয়া টেস্ট হবে বলে ভারতইংল্যান্ড সীমিত ওভারের ক্রিকেট সিরিজও এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে। একদিনের ম্যাচের পরিবর্তে এজবাস্টনে ৯ জুলাই টি২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 WC -Wasim Akram : আক্রামের মতে কোহলির সমকক্ষ হতে বাবর আজমের সময় লাগবে

ভারতপাকিস্তান দ্বৈরথের আগে সবসময় তুলনায় চলে আসেন দুই দলের অধিনায়ক। ২৪ অক্টোবর বিশ্বকাপ অভিযানে নামবে ভারত ও পাকিস্তান। দুই দেশের মহারণের আগেই তুলনায় টানা শুরু হয়ে গেছে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মধ্যে। কারও মতে বিরাট কোহলি পাকিস্তান অধিনায়কের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। কেউ আবার মনে করছেন, দুজনের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ওয়াসিম আক্রাম মনে করেন, কোহলির সমকক্ষ হতে বাবার আজমের সময় লাগবে। বাবর এখন উন্নতির পর্যায়ে রয়েছে। আক্রাম বলেছেন, বিরাট কোহলি, কোহলিই। ওর সঙ্গে এই মুহূর্তে কারও তুলনা করা উচিত নয়। কোহলি বিশ্ব ক্রিকেটে আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে। প্রচুর রান করেছে। দেশকে দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাবর আজম সবে মাত্র একবছর হল দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে একটা কথা বলব, দক্ষতার দিক থেকে বাবর দুর্দান্ত। সব ধরণের ফর্ম্যাটে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে। নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টা ভালভাবে শিখছে। দ্রুত শেখার ক্ষমতা আছে। এই মুহূর্তে বিরাট কোহলির সঙ্গে বাবরের তুলনা করাটা ঠিক হবে না। কোহলি এখন যে অবস্থায় আছে বাবর ভবিষ্যতে নিশ্চিতভাবেই সেইদিকে এগিয়ে যাবে। মাত্র এক বছর হল সব ধরণের ফরম্যাটে দেশকে নেতৃত্বে দিচ্ছেন বাবর আজম। ইতিমধ্যেই তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা প্রশংসিত হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের র্যাঙ্কিংয়েও কোহলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। টি২০ ক্রিকেটে বিশ্বকাপের পরেই দেশের নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তর কথা ঘোষণা করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে অবাক ওয়াসিম আক্রাম। তিনি বলেছেন, টি২০ ক্রিকেটে বিরাট কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে আমি অবাক। তবে একটা কথা বলব, বর্তমান পরিস্থিতিতে একসঙ্গে তিন ধরণের ফরম্যাটে খেলা খুবই কঠিন। আর আইপিএল তো চতুর্থ ফরম্যাট। এই প্রতিযোগিতাতেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো চাপ থাকে। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ব্যর্থ হলেই মালিকদের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তবে টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছাড়ায় কোহলির লাভ হবে বলে মনে করছেন ওয়াসিম আক্রাম। তাঁর যুক্তি, এর ফলে কোহলি অনেক চাপমুক্ত হয়ে ভরডরহীন ক্রিকেট খেলতে পারবে।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli vs Babar Azam : কোহলি–বাবর মুখোমুখি লড়াইয়ে কে এগিয়ে?‌ টি২০ বিশ্বকাপের আগে দ্বৈরথে দুই অধিনায়ক

২৪ অক্টোবর আগামী রবিবার টি২০ বিশ্বকাপের দ্বৈরথ ভারত ও পাকিস্তানের। ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন বিরাট কোহলি, অন্যদিকে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন বাবর আজম। টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে এই দুজন প্রথমবার মুখোমুখি হবেন। এতদিন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। অন্যদিকে, পাকিস্তান বেশ কয়েকজনের নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচ এলেই তুলনা এসে যায় দুই দলের অধিনায়কের। বিরাট কোহলি ও বাবর আজমও অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম নন।টি২০ ফরম্যাটে বিরাট কোহলির থেকে এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। টি২০ আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে এই মুহূর্তে বাবর আজম রয়েছেন দু নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন চার নম্বরে। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন বাবর আজম। আইসিসির বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক রয়েছেন ১ নম্বরে। অন্যদিকে বিরাট কোহলি রয়েছেন দুই নম্বরে। শুধু মাত্র টেস্ট ক্রিকেটেই বাবর আজমের থেকে এগিয়ে রয়েছেন কোহলি। তাও আবার খুব বেশি এগিয়ে নেই। কোহলি রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে, আর বাবর আজম রয়েছেন সাত নম্বরে।বিরাট কোহলির পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও বাবর আজমের নেই। এই প্রথম টি২০ ফরম্যাটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবেন বাবর আজম, তাও আবার অধিনায়ক হিসেবে। আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে বাবার আজম ৬১ ম্যাচে ২২০৪ রান করেছেন। গড় ৪৬.৮৯, স্ট্রাইক রেট ১৩০.৬৪। সর্বোচ্চ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১২২। ১টি শতরান ও ২০টি অর্ধশতরান রয়েছে বাবরের। ২০২১ সালে ১৭ ম্যাচে ৫২৩ রান করেছেন, সর্বোচ্চ ১২২। গড় ৩৭.৩৫, স্ট্রাইক রেট ১৩২.৭৪। ১টি শতরান ও ৪টি অর্ধশতরান রয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন বিরাট কোহলি। প্রথম খেলেছিলেন ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কায় টি২০ বিশ্বকাপে। ৬১ বলে অপরাজিত ৭৮ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন। ওই বছরই দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজে বেঙ্গালুরুতে ৯ রান করেছিলেন কোহলি। আমেদাবাদে করেন ২৭। ২০১৪ সালে ঢাকায় টি২০ বিশ্বকাপে ৩৬ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন কোহলি। ২০১৬ সালে এশিয়া কাপে ৫১ বলে ৪৯ রান করে ম্যাচের সেরা হন বিরাট কোহলি। ২০১৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপে ইডেনে ৩৭ বলে অপরাজিত ৫৫ রান করেন তিনি। ম্যাচের সেরাও হয়েছিলেন। সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ২৫৪ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৮। গড় ৮৪.৬৬, স্ট্রাইক রেট ১১৮.৬৯। ২টি অর্ধশতরান রয়েছে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌India vs Pakistan : ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে কোন দুজন ক্রিকেটার পার্থক্য গড়ে দেবেন?‌ জানতে পড়ুন

ক্রিকেট মাঠে ভরতপাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই অন্য উত্তেজনা। প্রচন্ড চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হয় দুদেশের ক্রিকেটারদের। তবে সবথেকে বেশি চাপে থাকেন দুই দেশের অধিনায়ক। ব্যর্থ হলেই সমালোচনার তির ধেয়ে আসে তাঁদের দিকে। কারণ, অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ২৪ অক্টোবর টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মস্তিষ্কই ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন পাকিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শদাতা ম্যাথু হেডেন।অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন ভারতপাকিস্তান ম্যাচে দলকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়াটাই আসল ব্যাপার। অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হেডেন বলেছেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে দুই দেশের অধিনায়কের ভুমিকা। এই ম্যাচে দলকে সুচারুভাবে পরিচালনা করাই আসল। অধিনায়কের সামান্য ভুল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেবে। আরব আমীরশাহীর পরিবেশে ছোটখাট ভুলই মারাত্মক হয়ে দাঁড়াবে।হেডেন মনে করেন, অধিনায়কদের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স দলের সাফল্যে খুব একটা প্রভাব ফেলে না। এই ব্যাপারে তিনি তুলে ধরেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের উদাহরণ। আইপিএলে ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ এই দুই অধিনায়ক। অথচ তাঁদের নেতৃত্বে আইপিএল ফাইনালে উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। হেডেন বলেছেন, আইপিএলেমহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স খুবই খারাপ ছিল। ব্যাট হাতে রান পায়নি। কিন্তু দুজনই দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিয়েছিল।পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করছেন বলে মনে করেন হেডেন। তাঁর মতে ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্বকাপে দুই দেশের অধিনায়ককেই চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বলে হেডেন মনে করেন। তাঁর কথায়, দলকে জেতানোর জন্য কোহলি ও বাবরের ওপর চাপ থাকবে। বাবর অবশ্য দলকে খুব ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছে। ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। আশা করছি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও নিজেকে মেলে ধরবে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নেতা রোহিত, বল হাতে কোহলি, প্রস্তুতি ম্যাচে চমক ভারতের

টি২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চমক ভারতের। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ধরে নয়, চমক এল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির হাত ধরে। বিরাট কোহলি মাঠে থাকতেও অ্যারন ফিঞ্চের দলের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড রোহিত শর্মার হাতে। এখানেই শেষ নয়, অধিনায়ক রোহিত বল করতে ডাকেন বিরাট কোহলিকে। চমক ছাড়া আর কীই বা বলবেন? বিশ্বকাপে তাহলে কি ষষ্ঠ বোলারের দায়িত্ব পালন করবেন কোহলি? এদিন বল হাতে হয়তো তার মহড়া দিয়ে নিলেন।২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামা আগে প্রথম একাদশ গুছিয়ে নেওয়ার এটাই শেষ সুযোগ ছিল ভারতের কাছে। ফিল্ডিং করতে নামলেও ব্যাটার কোহলিকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকেও। নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। এদিনও তিনি বোলিং করেননি। টসের সময় রোহিত বলেছিলেন, হার্দিক কয়েকদিনের মধ্যেই নেটে বোলিং শুরু করবে। আশা করছি প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই বোলিং করার মতো জায়গায় চলে আসবে। ষষ্ঠ বোলারের অভাব মেটাতেই হয়ত বল হাতে তুলে নেন কোহলি। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে দেন ১২ রান।এদিন ভারতের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও ডেভিড ওয়ার্নার ব্যর্থ। মাত্র ১ রান করে তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন। মিচেল মার্শ (০), অ্যারন ফিঞ্চও (৮) ব্যর্থ। স্টিভ স্মিথ (৫৭), ম্যাক্সওয়েল (৩৭), স্টয়নিসের (অপরাজিত ৪১) দাপুটে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫২ তোলে অস্ট্রেলিয়া। এদিন বরুণ চক্রবর্তীকে খেলানো হয়েছিল। ২ ওভারে তিনি ২৩ রান দেন। শার্দূল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজারা বল হাতে নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও নজর কাড়লেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাহুল চাহাররা।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাটিং অর্ডারে এদিন কিছুটা রদবদল করা হয়েছিল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রোহিত। এই জুটিই বিশ্বকাপে ওপেন করবেন। জুটিতে ওঠে ৬৮। লোকেশ ৩৯ রান করে আউট হন। তিন নম্বে নেমে সূর্যকুমার যাদেব ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। রোহিত শর্মা ৬০ রান করে অবসর নেন। হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.৫ ওভারে ১৫৩/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

DHONI-INDIYA : ধোনিকে ড্রেসিংরুমে পেয়ে উদ্দীপ্ত টিম ইন্ডিয়া

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সহজ জয় পেয়েছে ভারত। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান। রান পেয়েছেন ৪ নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋষভ পন্থও। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটাররা পরীক্ষিত হলেও চিন্তা থেকে গেছে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতিতে ম্যাচে প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার শেষ সুযোগ।সবকটি টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবারও তিনি ভারতের ড্রেসিংরুমে থাকবেন। তবে মেন্টর হিসেবে। এটাই উদ্দীপ্ত করছে কোহলি ব্রিগেডকে। ধোনির ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্ক দলের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত গোটা দল। যেমন ওপেনার লোকেশ রাহুল বলেছেন, ধোনির আবার দলের সঙ্গে যোগ দেওয়াটা দারুণ ব্যাপার। আমরা তাঁর অধিনায়কত্বে খেলেছি। তখনও ধোনিকে আমরা মেন্টর হিসেবেই দেখতাম। যখন ধোনি অধিনায়ক ছিলেন তখনও তাঁর ড্রেসিংরুমের উপস্থিতি আমাদের ভালো লাগত। ভালো লাগত তাঁর শান্ত স্বভাব। যেভাবে চাপের মুখেও ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান তা শিক্ষণীয়। ধোনিকে ভারতীয় দলে আমাদের মধ্যে পেয়ে যেমন পরিস্থিতি উপভোগ করছি, তেমনই অনেক মজাও হচ্ছে।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে খেলানো হয়নি রোহিত শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তীকে। শার্দুল ঠাকুরকে দিয়ে বোলিংও করাননি বিরাট। তিনি বলেছিলেন, প্রথম ম্যাচের প্রথম একাদশ প্রায় ঠিকই রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচে সকলকেই ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ দিয়ে দেখে নেওয়া হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে এই তিন ক্রিকেটারকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই ম্যাচেই প্রথম একাদশ ঠিক করে নিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। যশপ্রীত বুমরা প্রথম একাদশে থাকবেনই। মহম্মদ শামি ইংল্যান্ড ম্যাচে দারুণ বোলিং করে চাপ বাড়িয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমারের উপর। ইংল্যান্ড ম্যাচে ভুবি চার ওভারে ৫৪ রান দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে তৃতীয় সিমার হিসেবে খেলানো হতে পারে শার্দুল ঠাকুরকে।স্পিনার হিসেবে ভাবা হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা, বরুণ চক্রবর্তী ও রাহুল চাহারকে। তবে অনেকে মনে করছেন, অভিজ্ঞতার নিরিখে চাহারের পরিবর্তে অশ্বিনে আস্থা রাখতেই পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে হার্দিক পাণ্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা ভারতের পারফরম্যান্সে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই দাবি তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক কপিল দেবের।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌apil Dev-Hardik Pandya: কপিলের মতে, হার্দিক বোলিং না করলেও প্রভাব পড়বে না

অলরাউন্ডার হিসেবে ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। অথচ বিশ্বকাপে তাঁর বল করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পিঠে চোটের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। এমনকি আইপিএলেও তাঁকে বল হাতে দেখা যায়নি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪ অক্টোবর বিশ্বকাপ অভিযানে নামার আগে হার্দিকের বোলিং করতে না পারাটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।অনেকের মতে বিশ্বকাপে টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং না করেন, তাহলে ভারতের কাছে সেটা বড় ধাক্কা। কারণ বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব অবশ্য মনে করছেন, হার্দিক বোলিং না করলেও কোনও প্রভাব পড়বে না। হার্দিকের অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো বোলিং শক্তি ভারতীয় দলের রয়েছে। কপিলদেব বলেছেন, অলরাউন্ডার দলের মধ্যে থাকলে পার্থক্য গড়ে দেয়। বিশ্বকাপে হার্দিক যদি বোলিং নাও করে, তবুও ভারতের সাফল্যে প্রভাব পড়বে না। হয়তো বিরাট কোহলির কাছে বোলিং অপশন কমে যাবে। দলে অলরাউন্ডার থাকলে অধিনায়কের হাতে অপশন বেড়ে যায়, একজন বোলার ব্যর্থ হলে অলরাউন্ডারের হাতে বল তুলে দিতে পারে।কপিলদেব আরও বলেছেন, হার্দিকের মতো প্রতিভা দলের সম্পদ। যদি ২ ওভারও বোলিং করতে পারে তাহলে দলে অনেকটা ফ্লেক্সিবিলিটি আসবে। তবে আমার মনে হয় ওর অভাব মিটিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা ভারতীয় দলের রয়েছে। পিঠে চোট থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বোলিং করছেন না। আইপিএল চলাকালীন নেটে বোলিং করলেও ম্যাচে করেননি। কপিলদেব মনে করেন, একজন অলরাউন্ডারের পক্ষে সম্পূর্ণ চোট সারিয়ে মাঠে ফেরা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। আত্মবিশ্বাস ফিরতে সময় লাগে। তাঁর কথায়, যদি নেটে ৪০৫০টা বল করতে পারে, তাহলে ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। না হলে কিন্তু ম্যাচে বোলিং করার মতো আত্মবিশ্বাস ফিরবে না।আইপিএলে বোলিং না করলেও অনেকে আশা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করবেন হার্দিক। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য তাঁর হাতে বল তুলে দেননি কোহলি। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। এই ম্যাচেও সকলের নজর থাকবে হার্দিকে ওপর। যদি তিনি বোলিং না করেন, সত্যিই সমস্যায় পড়তে হবে ভারতকে। কারণ বিরাট কোহলির হাতে বোলিং অপশন কমে যাবে। হার্দিককে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলালে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হবে ভারতকে।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : প্রস্তুতি ম্যাচে ভারত জিতলেও প্রশ্ন থেকে গেল হার্দিককে নিয়ে

টি২০ বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচগুলোতে সব দলের লক্ষ্য থাকে টিম কম্বিনেশন দেখে নেওয়া। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচে সকলের নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বোলিং না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও সম্পূর্ণ সুস্থ তো হার্দিক? আইপিএলে একটা ম্যাচেও বোলিং করেননি। প্রস্তুতি ম্যাচে বোলিং করেন কিনা সেটাই ছিল দেখার। না, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও বল হাতে দেখা গেল না হার্দিককে। বিশ্বকাপে তঁার বল করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেল। হার্দিক পরীক্ষায় পাশ না করলেও, উত্তীর্ণ ঈশান কিষান। তাঁর সামনেও ছিল বড় পরীক্ষা। ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মার সঙ্গে কে জুটি বাঁধবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। যদিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামার আগে টস করার সময়ই কোহলি ধোঁয়াশা দূর করে দিয়েছিলেন রোহিতের সঙ্গী হিসেবে লোকেশ রাহুলের নাম ঘোষণা করে। তিন নম্বরে নামবেন কোহলি নিজে। তাহলে ঈশান কিষান? হয়তো প্রথম একাদশের বাইরেই থাকতে হবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে যেভাবে ব্যাটিং করলেন, তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা কঠিন হবে। এদিন ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় (১৭) ও জস বাটলার (১৮)। মহম্মদ সামি প্রথম ব্রেক থ্রু দেন বাটলারকে তুলে নিয়ে। জেসন রয়কেও তিনি ফেরান। দাওইদ মালানকে (১৮) আউট করেন রাহুল চাহার। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো ও লিভিংস্টোন। লিভিংস্টোনকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন সামি। বুমরার দুরন্ত ইয়র্কারে বোল্ড হন বেয়ারস্টো (৪৯)। শেষ দিকে মঈন আলির (২০ বলে অপরাজিত ৪৩) ঝড়ে ২০ ওভারে ১৮৮/৫ রানে পৌঁছয় ইংল্যান্ড। ব্যাট করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান দারুণ শুরু করেছিলেন। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮২। এরপর মার্ক উডের বলে আউট হন লোকেশ রাহুল (২৪ বলে ৫৪)। ঈশান কিশান ৪৬ বলে করেন ৭০। দুই ওপেনার দাপট দেখালেও গেলেও প্রস্তুতি ম্যাচে রান নেই কোহলি ( ১৩ বলে ১১), সূর্যকুমারদের (৮) ব্যাটে। লোকেশ ও ঈশানই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। বাকি কাজ সারেন ঋষভ পন্থ (১৪ বলে অপরাজিত ২৯) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১০ বলে অপরাজিত ১২)। ১ ওভার বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয় ভারতের (১৯২/৩)।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌‌20 World Cup : কোহলির নেতৃত্বে ভারত কি বিশ্বকাপ জিততে পারবে? ভবিষ্যতবানী ইঞ্জিনিয়ারের

মাস খানেক আগেই বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পরই এই ফর্ম্যাটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন। সেই অর্থে এটাই কোহলির কাছে নেতা হিসেবে শেষ বিশ্বকাপ। দেশের অধিনায়ক হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত কোনও আইসিসির কোনও টুর্ণামেন্টে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। অধিনায়ক হিসেবে শেষ টি২০ বিশ্বকাপে ছাপ রেখে যেতে মরিয়া হবেন কোহলি। ভারতের প্রাক্তন উইকেটকিপার ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারও মনে করছেন কোহলির নেতৃত্বে ভারত এবার বিশ্বকাপ জিতবে। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার বলেছেন, এবছর টি২০ বিশ্বকাপ জেতার দারুণ সুযোগ আছে কোহলির কাছে। বড় টুর্ণামেন্টে ভারত বরাবরই প্রভাব দেখিয়ে এসেছে। এবারও দেখাবে। কোহলির নেতৃত্বেই ভারত এবার চ্যাম্পিয়ন হবে। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারে খুব ভাল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কোহলি। এই ভারতীয় দলে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, যশপ্রীত বুমরা, ঋষভ পন্থরা যে কোনও পরিস্থিতিতে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। কোহলির নেতৃত্বেরও দারুণ প্রশংসা করেছেন ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার। তিনি বলেন, বিরাট দুর্দান্ত অধিনায়ক। দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কদের আসনে অনায়াসে ওকে বসানো যায়। কোহলির এনার্জি, পরিকল্পনা, প্রভাব বিস্তার করার দক্ষতা, নিজেকে প্রয়োগ ক্ষমতা এককথায় অসাধারন। দলের শক্তির রসদ জোগাড় করে। জেতার জন্য সবসময় ক্ষুধার্ত থাকে। রানের প্রচুর খিদে রয়েছে। এই কারণেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। ওর জন্যই দলের ফিটনেস লেভেল দুর্দান্ত। সতীর্থদের কাছ থেকে সেরাটা বার করে নিয়ে আসার ব্যাপারে কোহলির জুড়ি মেলা বার বলেও মনে করেন ভারতের এই প্রাক্তন উইকেটকিপার। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, কোন সময় সতীর্থদের কীভাবে ব্যবহার করতে হয় কোহলি খুব ভালভাবেই জানে। দলে বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনারকে পেয়েছে। এদের মধ্যে বুমরা, হার্দিক অন্যতম। টি২০ বিশ্বকাপের জন্য নিজের মতো করে দলটাকে সাজিয়ে নিয়েছে। আমার বিশ্বাস, কোহলির নেতৃত্বেই ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : টি২০ বিশ্বকাপের আগে কোহলিদের কী পরামর্শ দিলেন সৌরভ?‌

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের খেলা শুরু হয়েছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ২০০৭এ মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে খেতাব অধরা থেকে গেছে। প্রতিবারই অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিযোগিতায় খেলতে নামে ভারত। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। অধিনায়ক হিসেবে এবছরই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির। খেতাব জিততে মরিয়া কোহলি। এবছরও অন্যতম ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে ভারত। মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। নিজের দেশকে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে অভিহিত করে একগুচ্ছ পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সৌরভ গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতীয় দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো প্রতিভা রয়েছে। তবে একটু পরিণতিবোধ দরকার। বিশ্বকাপে একগুচ্ছ ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকেটাররা যদি শুরু থেকেই ভেবে নেয় যে চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছে, সেটা বোকামি হবে। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে হবে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ফাইনালে জিততে হবে। তার জন্য ধাপে ধাপে এগোতে হবে। কাজটা কিন্তু ততটা সহজ নয়। কোনও টুর্নামেন্টে নামলেই চ্যাম্পিয়ন হওয়াও যায় না। একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজেদের খেলায় পরিণতভাব দেখানোটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুরু থেকেই যদি চ্যাম্পিয়নের কথা মাথায় ঢুকে যায়, তাহলে ফোকাস ঠিক রাখতে পারবে না। সৌরভ আরও বলেছেন, ভারতের এই দলে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। রান করা বা উইকেট নেওয়ার দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটাররাই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছে। মানসিকভাবে ভাল অবস্থায় থাকলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব। ভারতীয় দলে যে প্রতিভার ছড়াছড়ি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তঁার কথায়, দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই। প্রত্যেকের ব্যাট হাতে রান তোলার দক্ষতা রয়েছে, বল হাতে উইকেটও তুলে নিতে পারে। বিশ্বকাপ জিততে এসেছি এমন মানসিকতা নিয়ে ব্যাটিংয়ের সময় গার্ড নেওয়া উচিত নয়। তাতে গোটা প্রক্রিয়াটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যায়। যে বলের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সেটা কতটা সঠিকভাবে খেলা যায় তার ওপর ফোকাস রাখা উচিত। ফাইনালে ওঠা না পর্যন্ত এমনটাই করতে হবে। আইপিএলের পরেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি২০ বিশ্বকাপ। আইপিএলের ম্যাচগুলি যেখানে খেলা হয়েছে সেখানেই হবে বিশ্বকাপের খেলা। তবে তাতে পিচগুলি মন্থর হবে না বলেই ধারণা সৌরভের। তবে শারজার উইকেট মন্থর আচরণ করতে পারে মনে করছেন তিনি। সৌরভের কথায়, শারজার উইকেটে একটু কম রান উঠতে পারে। দুবাইয়ে সেই সমস্যা নেই। আইপিএল ফাইনালেও উইকেট ভাল আচরণ করেছে। তবে সবথেকে ভাল উইকেট আবু ধাবিতে। বিশ্বকাপের আদর্শ উইকেট।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : মেসিকে স্পর্শ সুনীলের, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আধিপত্য ভারতের

লিগ পর্বে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে একসময় ফাইনালে ওঠাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র। অবশেষে নেপালকে ৩০ ব্যবধানে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আধিপত্য বজায় রাখল ভারত। এই নিয়ে ৮ বার চ্যাম্পিয়ন হল। ২০১৫ সালে কেরলে আফগানিস্তানকে হারিয়ে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালেও গোল করে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করলেন সুনীল। নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেছিলেন, তাঁর দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী, তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নয়। সুনীল ছেত্রিরা যে সত্যিই আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই তার প্রমাণ মিলেছে। লিগ পর্যায়ের মতো এদিনও রক্ষণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নেপাল। ওই ম্যাচের না হয় আলাদা উদ্দেশ্য ছিল। ১ পয়েন্ট পেলেই ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে যেত নেপাল। ফাইনালে তো আর সেই ব্যাপার ছিল না। আসলে নেপাল কোচ আব্দুল্লাহ আলমুতাইরির লক্ষ্য ছিল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে রক্ষণ শক্ত করে প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলা। রক্ষণে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন নেপাল কোচ। ফলে বারবার আক্রমণে উঠে গিয়েও তিন কাঠি খুঁজে পাচ্ছিলেন না সুনীল ছেত্রি, মনবীর সিংরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ঝড় তুলেছিল ভারত। ৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। মহম্মদ ইয়াসিরের দুরপাল্লার শট আংশিক প্রতিহত করেন নেপাল গোলকিপার লিম্বু। ফিরতি বল যায় অনিরুদ্ধ থাপার কাছে। তাঁর শট আবার বাঁচান নেপাল গোলকিপার। ৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল করার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। নোয়াং শ্রেষ্ঠা কাজে লাগেতে পারেননি। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও নেপাল পেনাল্টি বক্সে রক্ষণের ভুলে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন মনবীররা। তবে প্রথমার্ধে সবথেকে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। ডানদিক থেকে মহম্মদ ইয়াসিরের ভেসে আসা সেন্টার সুবিধাজনক জায়গা থেকেও জালে রাখতে পারেননি সুনীল। তাঁর ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। মালদ্বীপের বিরুদ্ধে লিগের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় ফাইনালে রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন না ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাঁর পরিবর্তে দল পরিচালনা করেন সহকারী কোচ বেঙ্কটেশ। ম্যাচের বিরতিতে তাঁর পেপ টকই বদলে দেয় ভারতীয় দলকে। প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন স্টিম্যাক। তাঁর পরামর্শেই দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ভারত। শুরু থেকেই গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠেন সুনীলরা। মাঝখান দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে কোনও ফায়দা না ওঠায় দুপ্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মহম্মদ ইয়াসির, প্রীতম কোটালরা। ফলও পেয়ে যায়।ম্যাচের ৪৯ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ভারত। ডান প্রান্ত দিয়ে উঠে এসে সেন্টার করেন প্রীতম কোটাল। দুর্দান্ত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে লিওনেল মেসিকে স্পর্শ করেন তিনি। দেশের হয়ে দুজনের গোল সংখ্যাই ৮০। এক মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ান সুরেশ সিং। মহম্মদ ইয়াসিরের কাছ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত শটে তিনি গোল করেন। ৯০ মিনিটে ভারতের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সাহাল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rahul Dravid : টি২০ বিশ্বকাপের পর দ্রাবিড়ের হাতেই যাচ্ছে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব

টি২০ বিশ্বকাপের পরপরই শেষ হচ্ছে ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ। তাঁর পরিবর্তে কে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে চলছিল জোর কল্পনা। ভেসে উঠছিল একাদিক নাম। সেই তালিকায় যেমন ভারতীয় কোচদের নাম ছিল, তেমনই ছিল বিদেশি কোচদের নাম। শেষ পর্যন্ত সবাইকে টপকে রবি শাস্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন রাহুল দ্রাবিড়। শুক্রবারই তঁার হাতে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রাহুল দ্রাবিড়ও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেনদীর্ঘদিন অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। পাশাপাশি ভারতীয় এ দলের দায়িত্বও তাঁর ওপর অর্পন করা হয়। পরে তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকডেমির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কয়েকমাস আগে শ্রীলঙ্কা সফরে তঁাকে শিখর ধাওয়ানদের কোচ করে পাঠানো হয়েছিল। তখন থেকেই সিনিয়র দলের হেড কোচ হিসেবে রাহুল দ্রাবিড়ের নাম ভেসে উঠেছিল। কয়েকটা সূত্র থেকে জানা গিয়েছিল, তিনি নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন। এরপর অনিল কুম্বলে, ভিভিএস লক্ষ্মণ, মাহেলা জয়বর্ধনে, টম মুডিদের নাম উঠে আসে। টম মুডি নিজেও ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দ্রাবিড়ই হতে চলেছেন।শুক্রবার দুবাইয়ে আইপিএল ফাইনাল চলাকালীনই আলোচনায় বসেছিলেন ভারতীয় বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। বৈঠক থেকেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনিই দ্রাবিড়কে রাজি করান। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব নিতে রাজি ছিলেন না দ্রাবিড়। তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ডিরেক্টরের দায়িত্বই সামলাতে চেয়েছিলেন। অনেক টালবাহনার পর শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন। তঁার সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দ্রাবিড়কে বছরে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে বোর্ডের এক সূত্র থেকে জানা গেছে।দ্রাবিড়কে হেড কোচ করার পাশাপাশি পরশ মামরেকেও সিনিয়র দলের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভরত অরুণের পরিবর্তে তাঁকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাহুল দ্রাবিড় ও পরশ মামরে জুটি বেঁধে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছেন। সেই জুটিকেই আবার ভারতীয় সিনিয়র দলে দেখা যাবে। হেড কোচ ও বোলিং কোচ পরিবর্তন হলেও ব্যাটিং কোচে কোনও বদল ঘটছে না। বিক্রম রাঠোরের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করার পথে হাঁটছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Final-Sunil Chettri : মেসিকে স্পর্শ নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীল ছেত্রির

বয়স বাড়লেও দক্ষতায় এখনও মরচে ধরেনি। পরপর দুটি মরণবাঁচন ম্যাচে দলের ত্রাতা হয়ে উঠেছিলেন। গোল করে দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তুলেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেই সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই ৪ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন। এই মুহূর্তে দেশের জার্সি গায়ে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৯। লিওনেল মেসির থেকে ১ গোল পেছনে। ফাইনালে ১ গোল করলেই সুনীল ছেত্রি ধরে ফেলবেন আর্জেন্টিনার তারকাকে। ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলকে চ্যাম্পিয়ন করাই লক্ষ্য সুনীলের। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, কাজ এখনও শেষ হয়নি।এক সময় ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। আর এখন খেতাব জয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আরও একবার আধিপত্য কায়েম করার মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। শনিবার ফাইনালে সামনে নেপাল। নেপালকে হারালেই ৮ বার খেতাব জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। অন্যতম ফেবারিট হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে নেমেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। কিন্তু বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর দুটি ম্যাচে ড্র অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল ভারতকে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচে নেপাল ও মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। শেষ দুটি ম্যাচে জ্বলে উঠে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রি। ফাইনালে নেপালের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে ভারত। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে নেপালের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ইগর স্টিম্যাকের দল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ২২ বার। এরমধ্যে ভারত জিতেছে ১৫ বার, নেপাল জিতেছে দুটি ম্যাচে। ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও ভারতের অনুকূলে। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। একটা ড্র হয়েছিল, একটায় ভারত জিতেছিল। গ্রুপ লিগের ম্যাচেও ভারত জিতেছিল। ফলে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে ভারত এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অবশ্য স্বস্তিতে নেই ভারতীয় শিবির। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না কোচ ইগর স্টিম্যাক। চোটের জন্য ফারুখ চৌধুরি, ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ফাইনালে মাঠে নামতে পারবেন না। লাল কার্ড দেখায় নেই শুভাশিস বোসও। বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। লিগ পর্যায়ে নেপালের বিরুদ্ধে জিতলেও ফাইনালে মাঠে নামার আগে ফুটবলাররা যাতে আত্মতুষ্টিতে না ভোগে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি স্টিম্যাকের। ফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, দলের মধ্যে কোনও প্রকার আত্মতুষ্টি ঢুকতে দিইনি। আমাদের কী করতে হবে তা জাই। আত্মবিশ্বাস ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম লাইন রয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করে ফুটবলাররা যাতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী না হয়ে পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। লিগের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে, দাবি করেছেন স্টিম্যাক। তিনি বলেন, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ফুটবলাররা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। নেপাল আমাদের কাছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। শেষ দুটি ম্যাচ জিতে ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। তবে আমার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। গোলের জন্য সেই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রির দিকে তাকিয়ে ভারতীয় শিবির।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ...
  • 40
  • 41
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal