• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Inaguration

দেশ

কৃষিক্ষেত্রে নয়া অধ্যায়, ১০০ টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষকদের সুবিধার্থে, শনিবার দেশের বিভিন্ন শহর ও টাউনে ১০০টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিষাণ ড্রোনের সাহায্যে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করতে সুবিধা হবে কৃষকদের। এই কিষাণ ড্রোনের সূচনাকে আধুনিক কৃষি সুবিধার ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায় বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক কৃষি সুবিধার লক্ষ্যে একটি নতুন অধ্যায়। আমি নিশ্চিত এই সূচনা শুধুমাত্র ড্রোন সেক্টরের উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হবে না, বরং সীমাহীন সম্ভাবনার পরিধিও খুলে দেবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আমাকে বলা হয়েছে, গরুড়া অ্যারোস্পেস আগামী ২ বছরে ১ লক্ষ মেড ইন ইন্ডিয়া ড্রোন তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে। এর ফলে যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান এবং নতুন সুযোগ তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, এদিন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রিমোটের বোতাম টিপে কিষাণ ড্রোন যাত্রার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, অসম, রাজস্থান ও তেলঙ্গানায় ড্রোন যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।মোদির মতে, ড্রোন শব্দটি শুনলেই অনেকে মনে করেন এটির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনও না কোনও যোগ রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কেবল ওই ক্ষেত্রেই আবদ্ধ নেই ড্রোনের ব্যবহার। একবিংশ শতাব্দীতে ড্রোনের ব্যবহার কৃষি ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা করেছে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সরকার ড্রোন সেক্টরে নতুন দিগন্ত খুলতে সময় নষ্ট করেনি। বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বাস করে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে ফেলতে তাঁরা এগিয়ে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমার সরকার বাজেট ও নীতিগত পদক্ষেপে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।মোদি জানান, আগামী দুবছরের মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে এক লক্ষ ড্রোন তৈরি করতে চাইছে ভারত। পাশাপাশি স্বামীত্ব যোজনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গ্রামের চাষিদের মধ্যে জমির মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ওষুধ, টিকা ও পণ্য পরিবহণের লক্ষ্যে চালকহীন যান ব্যবহারের লক্ষ্য সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের আধুনিকীকরণের উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্র। এবার ড্রোনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

Modi: শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদি

শহরে ক্যানসার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুক্রবার এই হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন মোদি।PM Narendra Modi to inaugurate the second campus of Chittaranjan National Cancer Institute in Kolkata tomorrow: PMO pic.twitter.com/gFPUpZv9Ig ANI (@ANI) January 6, 2022নিউ টাউনে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন এই হাসপাতালে থাকছে ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাধুনিক সব সুযোগসুবিধা। থাকবে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধাও। সঙ্গে থাকার কথা রোগীর আত্মীয়দের থাকার জন্য অতিথিনিবাস, চিকিৎসকদের আবাসন। ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালে থাকছে ৭৫০টি শয্যা। শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তারই উদ্বোধন করবেন মোদি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন হলে শহরের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Khela Hobe: নেতাজি ইন্ডোরে খেলা শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী

হুইল চেয়ারে বসে ফুটবল ছুড়ে দিচ্ছেন তিনি। তাতেই কাড়াকাড়ি পড়ে যেত মুহূর্তের মধ্যে। ছেলে, পুরুষ, মহিলা, বল ধরতে ছুটে যেতেন সকলেই। আদ্যোপান্ত রাজনৈতির সেই খেলাকেই এ বার পাকাপাকি ভাবে বাঙালির জীবনে প্রতিষ্ঠা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে খেলা হবে দিবসের সূচনা করলেন তিনি। আর সেই মঞ্চ থেকে প্রচারের সময়কার ভঙ্গিতেই বল ছুড়ে দিলেন দর্শকের দিকে।আরও পড়ুনঃ মনপ্রীতরা কি পারবেন ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটাতে?১৯৮০ সালে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ ঘিরে সংঘর্ষ বাধে। তাতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। ওই দিনটির স্মরণেই খেলা হবে দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করেন মমতা। তার সূচনা করে ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে থাকা ক্লাবগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মমতা। জার্সি এবং ১ লক্ষ ফুটবলও উপহার দেওয়া হয়।নেতাজি ইন্ডোরে সোমবার মমতা বলেন, খেলা ছাড়া জীবন চলে না। খেলার মধ্য দিয়েই ঐক্য, সম্প্রীতি, সংহতি, সুস্বাস্থ্য এবং সভ্যতা গড়ে ওঠে। মমতা আরও বলেন, এই খেলা হবে কর্মসূচিকে কার্যকর করতে হবে। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যেখানেই যেতাম, চিৎকার শুরু হয়ে যেত খেলা হবে, খেলা হবে। বাংলার মানুষ খেলা হবে স্লোগানকে ভালবেসে ফেলেছেন। এখন তো দেশের সংসদেই খেলা হবে রব উঠছে। স্লোগান শোনা যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানেও। গোটা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে খেলা হবে স্লোগান।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

21st July: শহিদ দিবসেই দেশ তথা বিশ্বের বাঙালি পাঠকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু 'জাগো বাংলা'র

প্রতিবছরই ২১ জুলাই দিনটিকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এই দিন পালন করেছিল তারা। এবারও তার অন্যথা হবে না। যদিও জনসভা না করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই দিন পালন করা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যমেই বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার তাঁর বক্তব্য শুধুমাত্র রাজ্যের গণ্ডির মধ্যেই থাকবে না। তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে রাজধানী দিল্লি-সহ ত্রিপুরা, অসম, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, ওডিশা, বিহার এবং পঞ্জাবে।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়আর এদিনই তৃণমূলের দলীয় মুখপত্রকে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিক করার আনুষ্ঠানিক সূচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে কালীঘাটে তৃণমূলের ২১ জুলাই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তার লোগো উদ্বোধন করবেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে সামনে আসবে নতুন সংস্করণের প্রথম দিনের ইপেপার। কবে থেকে দৈনিক হিসাবে তা ছেপে বেরোবে, মমতা নিজে তার ঘোষণা করবেন।আরও পড়ুনঃ ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকেরদলের মুখপত্রের দৈনিক সংস্করণ শুরু করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই এই দৈনিক সংস্করণ নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠক হবেন গোটা দেশ তথা বিশ্বের বাঙালিরা। এ রাজ্যের পাশাপাশি থাকবে জেলার খবর, দলের প্রতিদিনের কর্মসূচি এবং তা নিয়ে খবর, প্রবন্ধ, দলের সাংসদবিধায়কদের লেখা। প্রতিদিন আলাদা আলাদা বিষয় নিয়ে থাকবে ফিচার পাতা। শনি ও রবিবার বিশেষ ক্রোড়পত্র। খেলার পাতাকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হবে। থাকবে দলের স্লোগান। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে সাপ্তাহিক জাগো বাংলার প্রকাশ শুরু হয়। প্রথমে এই মুখপত্রের সম্পাদক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। বর্তমানে তার সম্পাদক পার্থ চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। সেই কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা নিজেই। সেই সময় তিনি ছিলেন যুব কংগ্রেস নেত্রী। এরপর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল গড়েন তিনি। কিন্তু, সেই দিনের কথা স্মরণ করে তৃণমূল গড়ার পরও শহিদ দিবস পালন করেন নেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ব্রিগেড ময়দানে বড় করে ওই সমাবেশ করেছিলেন তিনি। তবে করোনার জন্য এবার আর তা জনসভা করে পালন করা হবে না। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখবেন মমতা।;আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাই থেকে দৈনিক হচ্ছে তৃণমূলের মুখপত্রআর এবার সেই দিবসের পাল্টা কর্মসূচির করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। একুশের নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করে আসছে তারা। এই কর্মসূচিকে সফল করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। রাজ্যের সব জায়গায় ইতিমধ্যেই বার্তা পাঠানো হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি জেলা দপ্তরে বড় স্ক্রিন লাগিয়ে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে বলা হয়েছে। সব জায়গাতে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তৃণমূলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই কর্মসূচি তারা কতটা সফল করতে পারে এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Student's Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা হল । বুধবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ওই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের সুবিধা পাবেন।স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কি ধরনের সুবিধা ও কোন শর্তে ঋণ পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে৷ এর জন্য কোনও জামিন লাগবে না৷ রাজ্য সরকারই ঋণের জামিনদার থাকবে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলবমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পরই এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ এর পর স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে৷ এমনকী, বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস -এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাঁরা, তাঁরাও এই ঋণ নিতে পারবেন৷ তিনি বলেন, রাজ্যে বসবাসকারী যে কোনও ভারতীয় ছাত্রছাত্রী এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ রাজ্য, রাজ্যের বাইরে এমন কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্যও এই ঋণ কাজে লাগানো যাবে৷সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষার কোর্স ফি, টিউশন ফি, হোস্টেল ফি ইত্যাদি ছাড়াও কম্পিউটার- ল্যাপটপ-এর মত শিক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ পাওয়া যাবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে অনেকেই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না।তাদেরকে সুযোগ করে দিতেই আবেদন জানানোর বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য যাতে আবেদনকারীরা পর্যাপ্ত সময় পান সেদিকে তাকিয়ে ওই সময় সীমা ১৫ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও আবেদনকারী চাইলে একবারেই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন৷ আবার চাইলে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে৷মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে অনলাইনে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করা যাবে৷ সাধারণ ব্যাংক ছাড়াও কো অপারেটিভ ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ পাওয়া যাবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাবা মায়েদের আর কোনও চিন্তা থাকবে না, বাচ্চাদের মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াতে হবে না৷ ঋণ পাওয়ার জন্য জুতোর শুকতলা খুইয়ে যাবে না৷ ছাত্রছাত্রীদের বলব টাকা পয়সার কথা না ভেবে মন দিয়ে পড়াশোনা করো৷ বাবা মায়েদেরও বলব চিন্তা করবেন না৷ আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবেই৷ তবে ভ্যাকসিন কাণ্ডের উদাহরণ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিব-সহ সরকারি আধিকারিক এবং ব্যাংকগুলিকেও সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, এই ক্রেডিট কার্ডের নামে যাতে কোনওরকম প্রতারণা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে৷ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোনও জালিয়াতের খপ্পরে পড়বেন না।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে দিলীপের দাবি, বাংলার মানুষকে ভুগতে হবে এই প্রকল্পের জন্য। তিনি আরও বলেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড থেকে নজর ঘোরাতেই এমনটা করা হল।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

আজ বঙ্গে মোদি, বাংলায় টুইট করলেন নিজেই

প্রায় বছর দশেকের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে আজ দরজা খুলছে দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর। সোমবার বিকেলে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । মূল অনুষ্ঠান হবে হুগলির সাহাগঞ্জে। সেখানেই থাকবেন মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার মনোজ জোশীও। থাকছেন মেট্রোর ইঞ্জিনিয়ার এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। সরকারি প্রোটোকল মেনে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। যদিও তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না বলেই খবর। উদ্বোধনকে সামনে রেখে দক্ষিণেশ্বর স্টেশনটিকেও সাজানো হয়েছে। বঙ্গে আসার কয়েক ঘণ্টা আগে বাংলায় টুইট করে প্রকল্প উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। সঙ্গে বাংলায় তিনি অন্যান্য প্রকল্পের কথাও জানিয়েছেন।সোমবার থেকেই নোয়াপাড়ার সঙ্গে জুড়বে বরাহনগর এবং দক্ষিণেশ্বর। ফলে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ পর্যন্ত যুক্ত হয়ে যাচ্ছে পাতালপথে। এ নিয়ে রবিবার বাংলাতে টুইটও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশনদুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা রয়েছে। যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরও সহায়ক হবে। এই স্টেশনগুলোতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া।টুইটে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে মা কালীর দুটি পবিত্র মন্দির কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। এই মন্দিরগুলো প্রাণবন্ত ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীক।সোমবার উদ্বোধন হলেও যাত্রীদের জন্য ওই স্টেশনগুলি চালু হবে অর্থাৎ মঙ্গলবার। নয়া স্টেশন যুক্ত হলেও সর্বোচ্চ ভাড়ায় কোনও বদল হচ্ছে না। ফলে কবি সুভাষ থেকে ২৫ টাকাতেই পৌঁছনো যাবে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত। আপনারা জেনে খুশি হবেন, বরাহনগর ও দক্ষিণেশ্বরের নবনির্মিত স্টেশন দুটিতে অনেক অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে যা সহজ জীবনযাত্রার জন্য আরো সহায়ক হবে । এই স্টেশনগুলিতে রয়েছে দৃষ্টিনান্দনিকতার ছোঁয়া। pic.twitter.com/MLMka3iw01 Narendra Modi (@narendramodi) February 21, 2021

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

আজ হলদি নদীর তিরে মোদি

রাজ্যের ভোট ঘোষণা যে কোনও মুহূর্তে। তার ঠিক আগেই, বঙ্গ দখলের লক্ষ্যে বিজেপির প্রচার কোন সুরে বাঁধা থাকবে তা ঠিক করে দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে দিয়েই কার্যত শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভোট প্রচার। কারণ, হোক না রাজ্যের কুর্সি দখলের লড়াই, দলের কাছে তিনিই মুখ। তাই আজ, রবিবার হলদিয়ার হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে তিনি কী বার্তা দেন সে দিকে যেমন তাকিয়ে রয়েছে রাজ্য বিজেপি, তেমনই শাসকদল তৃণমূলও। হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে রাজনৈতিক সভার পর মোদির সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ আছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। তবে নবান্ন সূত্রে শনিবার পর্যন্ত তাঁর এই অনুষ্ঠানে আসার কোনও খবর নেই।যে জেলা থেকে মোদির তথা বঙ্গ বিজেপির প্রচার সফর শুরু হচ্ছে, তার এবার বাড়তি গুরুত্ব নন্দীগ্রামের জন্য। এবং এই সভার উপর প্রচারের একটু হলেও বেশি লাইট অবশ্যই যার জন্য, তিনি হলেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি শাসক শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানোর পর বিভিন্ন জেলায় সভা করলেও হলদিয়ায় নতুন ভূমিকায় প্রথম পা রাখবেন মোদির সভামঞ্চেই। এই সভামঞ্চের লাগোয়া যে অনুষ্ঠানস্থল সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন তিনটি বড় প্রকল্পের, যা কিছুটা বদলে দেবে হলদিয়ার আর্থিক পরিস্থিতি এবং শিলান্যাস করবেন আরও একটি বড় প্রকল্পের। সেই সরকারি মঞ্চে আবার থাকতে পারেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। থাকবেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ একগুচ্ছ নেতা-নেত্রী।তবে কারা থাকবেন মোদির মঞ্চে অথবা কাদের জায়গা হবে লাগোয়া ভিআইপির চেয়ারগুলিতে, তার চেয়েও বড় কথা হল প্রধানমন্ত্রী আজ কী বার্তা দেন এবং কতখানি আক্রমণ শানান রাজ্যের শাসকদলকে লক্ষ্য করে। তুলে ধরেন কোন কোন ইস্যু।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal