• ৫ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Idol

উৎসব

বর্ধমানে স্কুল ছাত্র তৃপ্তিময়ের তৈরি মূর্তির বোধন ষষ্টিতে

বর্ধমানের প্রাচীনতম ওয়ার্ড দামোদরের পাশে কাঞ্চন নগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় এর দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শ্রী তৃপ্তিময় ঘোষ বিগত আট বছর ধরে নিজের হাতে পারিবারিক দুর্গা ঠাকুর বানিয়ে নিজেই পুজো করে বর্ধমানবাসীকে স্তম্ভিত করেছে । এলাকার মানুষজন অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। তার এই প্রতিভা আরো বিকশিত হোক এবং তার সৌরভ পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়ুক যাতে, দেবী দুর্গা আমাদের শুধু লৌকিক দেবতাই নয় সমগ্র জাতির মা, যিনি এক ধারে নিজের সংসারকে রক্ষা করছেন অন্যদিকে সমগ্র পৃথিবীকে বিপদের হাত থেকে বাঁচাচ্ছেন।মানুষ ও প্রাণীকুল অর্থাৎ জীব বৈচিত্রের ইকোলজি প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করছেন। ড. সুভাষ চন্দ্র দত্ত, শিক্ষা রত্ন ও জাতীয় শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়, মনে করেন মাতৃরূপী নারী শক্তি যে পৃথিবীকে বাঁচাতে পারে তার আইকন হচ্ছেন আমাদের আরধ্যা দেবী দুর্গা দশভূজা। ১৯০৩ সালে কাঞ্চননগরে আশিটির বেশি দুর্গাপুজো হতো, এবং স্কুলেও দুর্গা পুজোর জন্য এক মাস ছুটি থাকত। এই আশিটি দুর্গা পুজোয় এলাকার অর্থনৈতিক সামাজিক অবস্থা ও এলাকার কৃষ্টি সংস্কৃতি আভিজাত্য ঐতিহ্য এর ধারক বাহক হিসাবে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বারবার দামোদরের ভয়াল বন্যাকে উপেক্ষা করে।তাই কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় এর কীর্তিমান ছাত্র তৃপ্তিময় ঘোষ এর নিদর্শন যা বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও এলাকার আভিজাত্যকে তুলে ধরেছে । তাদেরই পূর্বপুরুষ শ্রীযুক্ত নলিণাক্ষ ঘোষ মহাশয়, বিদ্যালয়ের প্রথম ট্রাস্টির নয় জন সদস্যের মধ্যে শুধু একজনই ছিলেন তাই নয়, তিনি সেই সময় ব্রিটিশ আমলে দীননাথ দাস মিডিল ইংলিশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কার্যভার গ্রহণ করেন, এবং সেই সময়ের বিদ্যালয়ের দুর্গাপুজোর সমস্ত দায়-দায়িত্ব প্রথম ডাক্তার ভূতনাথ দাস এর সঙ্গে ভাগ করে পরিচালনা করতেন। আমরা বিদ্যালয়ের তরফ থেকে তৃপ্তিময় ঘোষ ও তার পরিবারকে অসংখ্য শুভেচ্ছা বুক ভরা ভালবাসা জানাচ্ছি ও তার উদ্ভাবন শক্তি আরও বিকশিত ও প্রসারিত হোক এই কামনা করছি। তৃপ্তিময় জনতার কথাকে জানায়, আমি এই পূজা প্রথম শুরু করি শুধু দুর্গা মূর্তি দিয়ে। তারপর বিগত আট বছর ধরে, আমি এই প্রতিমা তৈরি করি। আমি কোনো মিস্ত্রির কাছে প্রতিমা তৈরি শিখিনি। আমার এই প্রতিমা তৈরিতে সাহায্য করেন আমার মা। এই পূজা তে সেইরকম কোনো উপকরণ লাগে না। আমি মনে করি যে মা কে পূজা করতে কোনো কিছু লাগে না শুধু যেটা লাগে সেটা হল ভক্তি ও ভালোবাসা। আমার এই পূজার মূল আকর্ষণ হল নবমীর দিন আমি আমার মা কে পূজা করি। আমি প্রথম পূজা শুরু করি ২ বছর ৫ মাস বয়স থেকে। আমি আমার বাড়ি তে দুর্গা পূজা করি, ও এক বার আমি কালী পুজো করে ছিলাম। আমার পড়াশোনার কোনো ক্ষতি হয় না । আমার বাবা এক জন ব্যবসায়ী আর আমার দাদু স্কুলের ট্রাস্ট বডির সদস্য ছিলেন ও দাদু র বাবা এই মিডিল ইংলিশ স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন। আমরা থাকি তেলি পাড়া, কাঞ্চন নগর এ। আমি দুর্গা, কালী, সরস্বতী মূর্তিও বানাতে পারি। এখানে উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে স্কুলের পূর্ব দিকে কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির এলাকা ও তেলিপাড়া-টি লাট সাহেব পাড়া বলে খ্যাত ছিল। বিদ্যালয়ে দুর্গা পুজোর বা লক্ষ্মী পূজো বা ষষ্ঠীতে পুজোর পূজারী ছিলেন অভয়পদ ভট্টাচার্যের পরিবার যাদের আদি বাড়ি ছিল বনতীর সুপুর, চিন্ময়পদ ভট্টাচার্য ছিলেন শেষ পূজারী। তাই ব্রিটিশ আমলের স্কুল ও ডিসপেন্সারি শুধুমাত্র গরিবদের জন্য লেখাপড়া ও স্বাস্থ্যের ধারক বাহক ছিল তাই নয়, পূজার মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় যে সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং জীব বৈচিত্র্য কে বাঁচিয়ে রাখার উত্তম পথপ্রদর্শক তা বারবার প্রমাণ করে। হয়তো সেই জন্যই এই ইকো ইস্কুলে কৃত্রিম পাখির বাসা বিদ্যালয় এর আভিজাত্য ঐতিহ্য ও সামাজিকতাকে তুলে ধরেছে, এবং লক্ষীর বাহন পেঁচা কোভিড পরিস্থিতিতে সমগ্র কাঞ্চন নগর তথা বর্ধমানবাসীকে সোশ্যাল ভ্যাকসিন হিসাবে কাজ করে প্যান্ডেমিকের হাত থেকে বাঁচিয়েছে। তথ্যসূত্র বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল যেখানে বলা হয়েছে বার্ণ আউল অ্যাক্ট এজ এ সোশ্যাল ভ্যাকসিন অথবা পেঁচা বায়ো ইন্ডিকেটার হিসাবে কাজ করে পরিবেশে এবং মহামারী থেকে রক্ষা করে।

অক্টোবর ২০, ২০২৩
রাজ্য

জোরকদমে প্রতিমা তৈরির কাজ চললেও কোভিডের যাঁতাকলে আটকে মৃৎশিল্পীরা

অতি মহামারী কোভিড শিথিল হলেও তার প্রভাব এখনো ছত্রে ছত্রে রয়ে গেছে। গত দুবছর লকডাউন ও কোভিডের যাঁতাকলে পড়ে দুর্গাপুজো বেশ ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু এখনও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বর্ধমানের মৃৎশিল্পীরা। মৃৎশিল্পী পাপ্পু পাল বলেন, পুজোর জন্য দুর্গা প্রতিমার বায়না যে হচ্ছে না তা নয়, তবে প্রতিমার বাজেট বাড়াতে চাইছে না কেউই। আসলে মানুষের হাতে পয়সা নেই।পুজোর আর মাস খানেক হাতে আছে। শিল্পীরাও থেমে নেই। জোরকদমে শহরের পালপাড়া থেকে পার্কাস রোড কিংবা নীলপুরে মৃৎশিল্পীরা সৃষ্টিতে মগ্ন। আবহাওয়া এবার তেমন খারাপ না থাকায় মূর্তি বানানোর কাজে তেমন ব্যাঘাত ঘটছে না। গত কয়েক বছরে হুহু করে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে বাজারে।তার থেকে বাদ যায়নি মৃৎশিল্পীরাও। প্রতিমা তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়েছে দেদার। মাটি থেকে খড় কিংবা বাঁশ থেকে দড়ি সবক্ষেত্রেই দাম উর্দ্ধমুখী। কিন্তু পুজো কমিটিগুলো বর্তমানে দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে।সাধারণত অগাষ্টের মধ্যেই বায়নাপত্র হয়ে যায়। কিন্তু এবছর যেন উল্টো চিত্র। অগাষ্ট মাসের শেষের দিকেও তেমন বায়নাপত্র হয়নি।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বিতর্কের মধ্যেই বিজয় তোরণের সামনে উন্মোচন রাজা-রানির মূর্তি

বিতর্কের মাঝেই উন্মোচন হল বর্ধমান শহরের বিজয় তোরণ তথা কার্জনগেটের সামনে রাজারানির মূর্তি। শনিবার বিকালে এই মূর্তি উন্মোচন করেন বিজয়চাঁদ মহতাবের প্রোপৌত্র জয়চাঁদ মহতাব।কার্জনগেটের পাশে বিকালে মণ্ডপ বেঁধে মূর্তি উন্মোচনের অনুষ্ঠান হয়। প্রথম থেকেই ছিলেন রাজা পরিবারের উত্তরসূরি তথা বিজয়চাঁদের প্রোপৌত্র জয়চাঁদ মহতাব। ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, উদ্যোক্তা তথা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার সহ অন্যান্যরা। তবে এই মূর্তি উন্মোচন ঘিরে বিতর্ক চলছিল। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক কার্জনগেট থেকে বিসি রোডের দিকে যাওয়ার রাস্তায় কার্জনগেটে ঠিক নীচে মূল স্তম্ভের নীচে জায়গাটি এই কার্জনগেটেই বসানো হয় মহারাজা বিজয়চাঁদ ও মহারানী রাধারানি দেবীর মূর্তি। ইট সিমেন্ট দিয়ে কার্জনগেটের নীচে তৈরি হয় বেদী। মূল কার্জনগেট আড়াল করে মূর্তি বসানো নিয়ে সরব হয়েছেন শহরবাসীর একাংশ।

আগস্ট ২১, ২০২২
রাজ্য

রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো, হাসি নেই প্রতিমা শিল্পীদের মুখে

একদিন পরেই বাঙালির ভ্যালেন্টাইন-ডে সরস্বতী পুজো। হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে উপলক্ষ্য করে অনুষ্ঠেয় অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রমতে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তের আগমন শুরু হয় এই পুজোর মাধ্যমেই। গেঁদা,গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা শোভিত শ্বেতবসনে দেবীর আবহনে মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০। প্রচলিত হিন্দু মতে এই দিন ঠাকুরের সামনে হাতে খড়ি দিয়ে অক্ষর পরিচয় হলে নাকি বিদ্বান হয়। কিন্তু সেই খড়িও নেই পাথরের স্লেটও নৈব নৈব চ। যাইহোক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তাতে আনন্দ উপভোগ করাতে কোনও বাধা নেই। গত বছর করোনার বিধিনিশেধ থাকায় স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল। যাদের অনুষ্ঠান তারাই ব্রাত্য থাকলে সেই অনুষ্ঠানের কোনও আমেজই থাকে না। তাই মূর্তি পুজোর সংখ্যা অনেকাংশেই কম ছিল।হিন্দু ধর্মের যেকোনও পুজোর মূল আকর্ষণ মূর্তি। সেই মুর্তী-র কারিগড় তথা প্রতিমা শিল্পী-রা মহাসঙ্কটের সন্মুখীন। গত ২০২০ থেকে করোনা মহামারীর কারণে জমায়েতের বিধিনিষেধ, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত অর্থনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসাতে বহু পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা শুধু প্রতিমা তৈরি করেই বা প্রতিমার সাজ-সরঞ্জাম তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আজ তাঁরা মহা সঙ্কটের মুখে।সরস্বতী পুজোশহর বর্ধমানের প্রবীন মৃৎ শিল্পী দ্বীনবন্ধু রানা, জনতার কথার প্রতিনিধিকে জানান, আমি প্রায় ৪০ বছর এই শিল্পের সাথে যুক্ত, এরকম ভয়ংকর সমস্যার মুখে কোনওদিন পড়তে হবে আগে ভাবিনি। তবে সরকার স্কুল কলেজ খুলে দেওয়াতে আগের বারের থেকে একটু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু অন্যান্য বছরের থেকে বিক্রিবাটা অনেকটাই কম। তিনি আরও জানান, অনান্য বছর এই সময় অর্ধেক ঠাকুর মণ্ডপে চলে যেত। ঠাকুরের আকৃতি একই কিন্তু কম দামে বেচতে হচ্ছে, যে ছোটো ঠাকুরগুলো আগের বার ১০০০-১২০০ টাকা তে বিক্রি করেছি ,সেই একই সাইজের ঠাকুর ৭৫০ টাকাতেও কেউ কিনতে চাইছে না। এদিকে কাঁচামালের দাম প্রায় শতকরা ৩০% থেকে ৪০% বেড়ে গিয়েছে।দ্বীনবন্ধু আরও বলেন, আমাদের পুঁজি কম থাকায় বর্ধমান শহর থেকেই ঠাকুরের সাজ কিনতে হয়, কলকাতা থেকে কিনলে আরও ২% দাম কম হত। তিনি বলেন, আমার পরিচিতি বড় ঠাকুরের কারিগর হিসাবেই। তিনি জানান, সে অর্থে কোনও বড় বাজেটের ঠাকুরের বায়না এবারে পাননি, তিনি সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকার বেশী ঠাকুর এবছর বানাননি। পুরনো অনেক ক্লাব পুজো বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেট পুজো প্রায় উঠেই গেছে। কলেজগুলোতে আগে বড় বড় প্রতিমার চাহিদা ছিল। কারোও কারোও ঠাকুরের বাজেট ছিল প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি, এখন তারাও ছোট ঠাকুর কিনছেন ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে।সরস্বতী পুজোজনতার কথা কলকাতায় ঠাকুরের সাজ সরঞ্জাম বিক্রেতাদের যোগাযোগ করে কাচামালের দাম বৃদ্ধির কারন জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, করোনার পর থেকেই নানাবিধ বিধিনিষেধের জন্য, চীন থেকে খুব কম পরিমাণ কাঁচামাল যেমন, কাপড়, রাংতা ইত্যাদি আসছে। আমদানি করা মালের দামও খুব বেড়ে গিয়েছে। তাই আমাদেরও দাম বাড়াতে হয়েছে। দীনবন্ধু রানার অক্ষেপ, সরকার করোনার আতিমারীর কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা বঞ্ছিত, আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ রইল, যদি সহৃদয় হয় কখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Durga Puja: সম্প্রীতির অনন্য নজির, মন্ডপে মন্ডপে ঠাঁই পায় নূর মহম্মদের প্রতিমা

সম্প্রীতির এ এক অনন্য নজির। মুসলিম কারিগড়ের তৈরি দুর্গা মূর্তি পুজিত হচ্ছে মন্ডপে মন্ডপে। নিজ সম্প্রদায় থেকে বাধা এলেও তাকে পাত্তা দেননি। বরং সম্প্রীতির উদাহরণ টেনে তাঁদের বোঝাতে চেষ্টা করেছেন। অন্য়দিকে মূর্তি গড়ার কাজ করেছেন একাত্ম হয়ে। কয়েক দশক ধরেই এই মৃৎ শিল্পীর কদর রয়েছে জেলাজুড়ে।পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নূর মহম্মদ চৌধুরী। প্রাথমিক বিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় থেকেই মূর্তি গড়ায় হাতেখড়ি। খেলার ছলে ছোট্ট নূর পুরনো কাঠামোয় বানিয়েছিল প্রতিমা। নূর মহম্মদ বলেন, প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। তখন বিভিন্ন প্যান্ডেলে পুজো হতো। প্রতিমা দেখতে যেতাম। সেই দেখতে দেখতে মনের ইচ্ছা জাগলো যে প্রতিমা বানাবো। পুরনো কাঠামো তুলে এনে খেলার ছলে প্রতিমা বানিয়ে ফেললাম। তারপর শিল্পী রাধাকৃষ্ণ সামন্তের সঙ্গে যোগোযোগ হয়। ওনার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতিমা গড়া শুরু করি। এখন বিভিন্ন ক্লাব, বিভিন্ন গ্রামের পুজোর প্রতিমা গড়ার কাজ করছি।স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে তাঁকে সঙ্গত দেনভিন ধর্মের হওয়ায় কোনও দিক থেকে বাধা আসেনি? বছর পঞ্চান্নর নূর মহম্মদের কথায়, বাধা যে একেবারে আসেনি তা নয়। আমাদের ধর্মের মৌলানারা একটু আধটু বাধা দিয়েছিলেন। আমি তাঁদের বোঝালাম, নজরুল ইসলাম যদি মুসলিম হয়ে শ্যামাসঙ্গীত গাইতে পারেন, ভক্তিমুলক কৃষ্ণের গান গাইতে পারেন, তাহলে আমি কেন মূর্তি বানাতে পারব না। বাংলাদেশের গোলাম রসুল বাউল শিল্পী। অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। না বুঝলে সেটা তাঁর ব্যাপার। তবে বাড়িতে কোনও সমস্যা নেই। বাড়ি থেকে বাবা-মা খুব সমর্থন করেছেন। এখন তো বাড়ির সবাই এর পিছনে কাজ করছে। দরকারে কাদা লেপে দিচ্ছে। এই মৃৎ শিল্পী জানান, এবার মোট ৮টা প্রতিমা তৈরি করছেন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুকয়েক দশক ধরে নূর মহম্মদের প্রতিমা পুজিত হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের মন্ডপে মন্ডপে। তাঁর স্ত্রী রীণা চৌধুরী প্রতিমা গড়ার কাজে যোগ্য সঙ্গত দেন। তিনি বলেন, বাড়ির কাজ আছে, লোকজনের রান্না আছে, তার বাইরে সময় পেলে কাজ করি। আমি সাপোর্ট না করলে কে করবে? আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। এই কাজ করে সংসার চালাই আমাদের ভাল লাগবে না? আমার বাবা জেনেই এই পরিবারে বিয়ে দিয়েছেন। প্রতিমা বানায় বলে অনেকে বাবাকে মেয়ে দিতে বারন করেছিল। কথা না শোনায় বাবাকে একঘরেও করেছিল।প্রতিমা তৈরি করলেও নিজ ধর্মের প্রতি অবহেলা করেন না নূর মহম্মদ। নিয়ম করে নামাজ পড়েন। মসজিদেও যান। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয়, মানুষ মানুষকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিক, এটাই চান নূর মহম্মদ।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপ

উত্তরাখণ্ডের এক মনোরম জায়গা চম্পাওয়াতের পবনদীপ রাজন যেন পড়ন্ত বিকালের পাহাড়ি এলাকার ঝলক শান্ত স্নিগ্ধ হাওয়া। তাঁর কন্ঠ মাধুর্যে মনমুগ্ধ গুনাগ্রাহীদের আশ্বস্ত করে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডলের বিজয়ী হলেন পবন। সারা ভারতের অসংখ্য সঙ্গীত প্রেমীর ভোটের নিরিখে বিজয়ী হন পবনদীপ, তাঁকে বিজয়ীর ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে ২৫ লাখের নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও মারুতি ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি ব্র্যান্ড নিউ মারুতি সুইফট গাড়ি উপহার স্বরুপ দেওয়া হয়।দীর্ঘ কয়েকমাসের কঠিন প্রতিযোগিতা শেষে যুগ্ম রানার্স আপ হন বাংলার অরুণিতা কাঞ্জিলাল এবং সায়লি কাম্বলে। বাংলার অসংখ্য মানুষের নয়নের মনি অরুণিতা তাঁর সুরের মায়াজালে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন সমগ্র অনুষ্ঠানে, সঙ্গীত বিশেষজ্ঞদের অনেকেই তাঁর মধ্যে শ্রেয়া ঘোষালের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। বাংলার মেয়ে অরুণিতার অসংখ্য গুনাগ্রাহী সারাটা দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর জয়ের আশায়, যে কোনও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী একজনই হয়, কিন্তু অরুণিতা রানার্স আপ হয়েও মানুষের মন জয় করে নিতে সমর্থ হয়েছেন।রবিবারের গ্র্যান্ড ফিনাল পর্বের মধ্যরাতে পবনদীপকে বিজয়ী ঘোষণা করার পর তাঁর পরিবারও উপস্থিত থেকে পাবনকে নিয়ে উচ্ছাস-আবেগে ভেসে যান। সমগ্র অনুষ্ঠান জুড়ে পবনদীপ বলিউডের বিভিন্ন গায়কের জনপ্রিয় গানগুলি তাঁর নিজের মতো করে পরিবেশন করে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন দর্শককুলকে। তাঁর সাথে বাংলার অরুণিতার বেশ কিছু রোমান্টিক গান এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে উপস্থিত দর্শক থেকে শুরু করে বিচারকরা পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে রোম্যান্টিক কিছু খোঁজার চেষ্টা করে গিয়েছেন। যদিও তাঁরা খুব সন্তর্পনে এই আলোচনা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখে নিজেদের উপস্থাপনাতেই ব্যস্ত ছিলেন।বিজয়ী ঘোষণার পর অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে পবনদীপ বলেন, ইন্ডিয়ান আইডল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা শিল্পীদের সম্মানের উচ্চশিখরে পৌছে দেয়। এটি আপনাকে যে ধরনের এক্সপোজার দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো কথা এই মুহূর্তে আমার মনে আসছে না। অতুলনীয়! শো চলাকালীন আমি একক ভাবে ও সহ শিল্পীদের সঙ্গে এবং বিভিন্ন বিখ্যাত প্রতিষ্টিত শিল্পীদের এত গান গাইতে পেরেছি, এবং আমাদের গাইড করার জন্য দেশের অন্যতম সেরা বিচারক এবং বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থেকেছেন। আমার ইন্ডিয়ান আইডল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার মূল কারণ ছিল অনেক কিছু শেখার চেষ্টা, বিজয়ী হওয়ার ইচ্ছায় আমি আসিনি। আমি কৃতজ্ঞ যে এই শোতে এত মাস কাটানোর পরে আমরা এখন প্লেব্যাকের জন্য প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন যে বেশ কয়েক মাস ধরে এখানে একসঙ্গে এতজন বন্ধুর সাথে থাকা, গান গাওয়া, খাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, রেওয়াজ করা, খুনসুটি করার পর শো ছেড়ে চলে যেতে হবে বলে আমরা সবাই ব্যাথিত ও ভারাক্রান্ত। এত মাস পরে, আমরা যখন বাক্স গোছাচ্ছি যে যার নিজের জায়গায় ফিরে যাবার জন্য, খুব মনখারাপ লাগাছে। শোটি আমাদের নতুন বাড়ি হয়ে উঠেছিল এবং মনে হচ্ছে যেন আমরা গতকালই এসেছি। এখন মনে হচ্ছে আরও কিছুদিন আমরা থেকে যেতে পারলে আরও বেশি আনন্দ হতো, আরও বেশী শিখতে পারতাম।চূড়ান্ত পর্বে কিয়ারা আডবাণী, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, দ্য গ্রেট খালি, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ এবং অন্যান্য বিশিষ্ঠরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিচারক হিসাবে হাজির ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী সোনু কাক্কর, হিমেশ রেশমিয়া, বিশাল দাদলানি এবং অনু মালিক।ফিনাল পর্বটি সঞ্চালনা করেন উদিত নারায়ণের সুপুত্র আদিত্য নারায়ণ, ভারতী সিং এবং হর্ষ লিম্বাচিয়া। ইন্ডিয়ান আইডলের সমাপ্তি অনুষ্ঠানটি টানা ১২ ঘণ্টা ব্যাপী চলছে এবং এটি কোনও রিয়েলিটি শোয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম। ফাইনালিস্ট পবনদীপ রাজন, অরুণিতা কাঞ্জিলাল, নিহাল তাওরো, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং শন্মুখপ্রিয়া রবিবারের পর্বে বিজয়ীর ট্রফির জন্য লড়াই করছেন।দ্য গ্রেট খালি সহ অন্যান্য বিশেষ অতিথিরা ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ পর্বের জন্য শোতে যোগ দিয়েছিলেন। আলকা ইয়াগনিক লতা মঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অলকা ও উদিত নারায়ণ -এর পুরনো দিনের ঝলক এই অনুষ্ঠানের উপরি পাওনা। বিচারক সোনু কক্করের সঙ্গে দানিশের বিখ্যাত সূফি শিল্পী নসরত ফতেহ আলি খানের গান এক অন্য মাত্রা পায়।ফিনাল পর্বে উপস্থিত থেকে সনি এন্টারটেইনমেন্ট নেটওয়ার্ক-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Chief Executive Officer ) এনপি সিং বলেন যে কোনও প্রতিযোগিতায় একজনই বিজয়ী হয়। কিন্তু প্রতিযোগিতা না হলে সেই বিজয়ীর মর্যাদা থাকে না। তিনি আরও বলেন, চুড়ান্ত পর্বের সকলেই বিজয়ী,প্রতিযোগিতার নিয়ম মেনে আমরা এক জনের নাম ঘোষণা করব। দীর্ঘ আট মাস ধরে চলা এই অনুষ্ঠানের সকল সদস্যকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

করোনা-বিধি মেনেই চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব

ঙ্গার ঘাটগুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের পালা শুরু হয়েছে মঙ্গলবার সকাল থেকেই। নির্বিগ্নে সমস্ত করোনা বিধি মেনে চলে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব। এর পাশাপাশি , গঙ্গার ঘাট পরিস্কার করার কাজও অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে করা হচ্ছে। নির্দেশ অনুযায়ী, মঙ্গল ও বুধবার প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে । এই কাজের জন্য অতিরিক্ত পৌরকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ, ডুবুরি, ডিজ়াস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন ঘাটগুলিতে ৷ যে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ করতে গঙ্গার ঘাটগুলিতে চালানো হচ্ছে কড়া নজরদারি। আরও পড়ুন ঃ বাইক বুক করে চালকের হাতে হেনস্থার শিকার বাঙালি যুবক এদিন সকালে বাজা কদমতলা ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্যবেক্ষণ করতে আসেন কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ সদস্য দেবাশিস কুমার। তিনি জানান , গতকালই কলকাতার ৫০ শতাংশ প্রতিমার নিরঞ্জন হয়েছে বিভিন্ন ঘাটে । বাজা কদমতলা ঘাটে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬০০ প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে । আজ দিনভর প্রতিমা নিরঞ্জন চলবে । দ্রুত প্রতিমা নিরঞ্জন করে ঘাটগুলি থেকে কাঠামো সাফাই করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে । পাশাপাশি, ১ ঘণ্টা অন্তর বাবুঘাট ও তার পার্শ্ববর্তী ঘাটগুলিকে জীবাণুমুক্তকরণের কাজ চলছে । যারা প্রতিমা নিরঞ্জন করতে আসছেন প্রত্যেককেই মাস্ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রচারের শুরুতেই বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘ডেবরায় আসার কথা ছিল না’—বলেই বিতর্কে রাজীব

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়লেন ডেবরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর ডেবরায় আসার কথা ছিল না।এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রার্থীর এমন মন্তব্যে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কর্মীদের সামনে রাজীব বলছেন, দল তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে এর আগে তাঁকে অন্য একটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। তাঁর কথায়, প্রথমে ডেবরায় আসার কথা ছিল না, অন্যত্র যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।এদিকে দলের তরফেও এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়নি। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটি বড় সমস্যা নয় এবং খুব দ্রুত সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে লড়াই করবে।উল্লেখ্য, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে অন্য কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং একটি আসনে প্রার্থীও হয়েছিলেন। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ডেবরার মানুষ স্থানীয় প্রার্থীই চান। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী আনতে হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটের শুরুতেই এই মন্তব্য ঘিরে ডেবরা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একাধিক কোপ, বিকৃত মুখ! তৃণমূল কর্মীর নৃশংস খুনে তোলপাড় এলাকা

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মাঝেই এবার এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবকের নাম মশিউর কাজি, বয়স ৩৮। তিনি হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।মিনাখাঁর সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে থাকা দেহে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ। পরে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতের ভাই জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর অভিযোগ, নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে। তিনি দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রথমে চেনা যায়নি। পরে অনেকক্ষণ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আগের দিন রাতে তিনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। সকালে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal