• ১৯ পৌষ ১৪৩২, সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ISL

রাজ্য

বোমা-গুলির লড়াইয়ে প্রাণ গেল ১২ বছরের কৌসেরার! ইসলামপুরে তীব্র উত্তেজনা

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর। বোমাবাজি ও গুলির মাঝেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক নাবালিকার। শনিবার গভীর রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম কৌসেরা বেগম। বয়স ১২ বছর। সে ইসলামপুর থানার মাটিকুণ্ডা ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঝলঝলি এলাকার বাসিন্দা। কৌসেরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই রফিক আলম ও নুর আলমের মধ্যে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ চলছিল।মৃত নাবালিকার বাবা জাহিদ আলম রফিক আলমের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে নুর আলমের অনুগামীরা জাহিদ আলমের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় একের পর এক বোমা ফাটানো হয় এবং গুলিও চলে। এই হামলার মধ্যেই ছররা গুলিতে গুরুতর জখম হয় কৌসেরা।তড়িঘড়ি নাবালিকাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নাবালিকার মৃত্যুর খবর ছড়াতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।রবিবার সকালেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল চলছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়াল বলেন, পুরনো জমি বিবাদ থেকেই এই অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি এলাকায় যাবেন। ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেন্ডুক শেরপা বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
বিদেশ

দিল্লির কায়দায় ইসলামাবাদের আদলতের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১২ জনের

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজনীতি

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড শান্তনু সেন ও আরাবুল ইসলাম, কেন এই সিদ্ধান্ত?

তৃণমূল কংগ্রেস সাসপেন্ড করল ভাঙরের আরাবুল ইসলাম ও ডা. শান্তনু সেনকে। এই সাসপেনশন নিয়ে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু সেনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে মূলত বিতর্কের সূত্রপাত হয়। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়ে দেন, তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরাবুল ইসলাম ও শান্তনু সেনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দলবিরোধী কাজের জন্য এই দুই নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। শান্তনু দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট বলেই খবর। সাসপেন্ড হওয়ার পর শান্তনু সেন বলেছেন, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সেনাপতি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি যখন যা দায়িত্ব দিয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। আজও বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছি। তার ৩ ঘন্টার মধ্যে সাসপেন্ড হয়েছি। আমি নাকি আন্দোলনটাকে উসকে দিয়েছি। এখানে থামেননি প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি বলেছেন, আমি বুঝেই উঠতে পারছি না, দলের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করলাম! সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলের কথা ভেবেছি। পেশার কাজের বাইরে কেবল তৃণমূলের কাজ করেছি। তার পরেও কেন এই পদক্ষেপ, বুঝতে পারছি না।এদিকে জামিন পাওয়ার পরও ভাঙড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েন আরাবুল ইসলাম। গত ১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূলের দলীয় পতাকা উত্তোলনের সময় গোষ্ঠীসংঘর্ষে জড়ান আরাবুল। প্রাক্তন বিধায়ককে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর কর্মীরা। বিধায়ক শওকত মোল্লার ভাঙড় দখল করে দাদাগিরি করতে চাইছে বলে দাবি করেন আরাবুল ইসলাম। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডা. সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন শান্তনু সেন। আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু সেনের অবস্থানের পর তাঁকে তৃণমূলসের মুখপাত্র পদ থেকে সরানো হয়, তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডক্টর সামিটের মূল হোতা ছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকেই সাসপেন্ড করল তৃণমূল কংগ্রেস। শান্তনুর বক্তব্য, বারবার দল পাল্টাইনি। আমি কখন দলবিরোধী কাজ করলাম? আমার নেতৃত্ব সেটা বলে দিলে ভালো লাগতো। আমার বিরুদ্ধে ভুল বোঝানো হয়েছে। এদিন কংগ্রেস থেকে ভায়া বিজেপি হয়ে দলে যোগ দেওয়া জয়প্রকাশ মজুমদার এই সাসপেন্ড ঘোষণা করায় কটাক্ষ করেছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

শুভেন্দু-দিলীপ সাক্ষাতে নয়া জল্পনা, জন্মদিনে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে শুভেচ্ছা কুণালের

লোকসভার ফল বের হওয়ার পর বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপির বিজেপির প্রার্থীর বক্তব্যে আগুন ঝড়ছিল। দলে তাঁর বিরুদ্ধে কাঠি করা হয়েছে। তাঁর জয়ী আসন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিলীপের বক্তব্যের নিশানায় কে ছিলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী না সুকান্ত মজুমদার? তা নিয়ে কম জল্পনা ছড়ায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার নিজের জন্মদিনে সটান গিয়ে হাজির হয়েছেন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এর আগে এদিন জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছিল সল্টলেকে এমএলএ-এমপি আদালতে।দীর্ঘদিন পর বিধানসভায় গেলেন দিলীপ ঘোষ। শুভেন্দুর ঘরেই পালন করা হয় দিলীপ ঘোষের জন্মদিন। দিলীপ ঘোষের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে দেন শুভেন্দু। নিজে হাত দিয়ে শুভেন্দু মিষ্টি খাইয়ে দেন দিরীপ ঘোষকে। দিলীপবাবুও মিষ্টি মুখ করান শুভেন্দুকে। রীতিমতো স্লোগান দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষের নামে। তবে কি শুভেন্দু-দিলীপ ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান ঘটল? এই সাক্ষাতের মধ্যে ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল। দুবছরের মধ্যে লোকসভা নির্বাচন। সেদিকে প্রধান লক্ষ্য বিজেপির। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন সাংসদ তথা গেরুয়া দলের লড়াকু নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। লকেট লিখেছেন, লড়াকু নেতা, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ মহাশয়ের জন্মদিনে প্রণাম এবং শুভেচ্ছা জানাই।এদিকে আজ সকালেই সল্টলেকে MLA-MP কোর্টে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা হয় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের। দুজনেই সেখানে গিয়েছিলেন হাজিরা দিতে। দিলীপ ঘোষকে দেখে এগিয়ে যান কুণাল। দুজনকে করমর্দন করতেও দেখা যায়। বিজেপি নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তবে বিধানসভায় শুভেন্দুর ঘরে দিলীপের সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০১, ২০২৪
রাজ্য

দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করালেন বিধানসভার অধ্যক্ষ, শুভেন্দুর তোপ

রাজ্যপালকে শপথের জন্য প্রয়োজন পড়ল না। অবশেষে বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকার। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় উপনির্বাচনে জয়ী দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করান বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। তবে এদিন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় নন, দুই তৃণমূল বিধায়ককে শপথ বাক্য পাঠ করাতে দেখা গিয়েছে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আশিসবাবু জানিয়েছিলেন তিনি শপথ বাক্য পাঠ করাবেন না। মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা এবং কলকাতা লাগোয়া বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হন রেয়াত হোসেন সরকার এবং সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয়ের পরেও বেশ কিছুদিন তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়নি। বহু বিতর্কের শেষে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে।ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকার এবং বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানান, অধ্যক্ষ বিধানসভায় হাজির থাকতে তিনি শপথ গ্রহণের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। তিনি নিজেই অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুই বিধায়ককে শপথ গ্রহণ করানোর জন্য আবেদন করেন।রাজ্য বিধানসভায় দুই তৃণমূলের বিধায়কের শপথ গ্রহণের সময় জয় বাংলা স্লোগান তুলতে দেখা যায় তৃণমূলের বিধায়কদের। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধানসভার অধিবেশন চালু রয়েছে। তাই বিধায়কদের শপথ গ্রহণের ব্যাপারে চিঠিতে যে নির্দেশ রাজ্যপাল দিয়েছিলেন তা এদিন মান্যতা পায়নি। বিধানসভার রুলস অফ বিজনেসের ২ নম্বর অধ্যায়ের ৫ নম্বর ধারা মেনে তিনি জয়ী বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। যদি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই শপথ অনুষ্ঠানকে বেআইনি বলে দাবি করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

১০ জনে খেলেও প্রথমবার আইএসএল লিগ-শিল্ড চাম্পিয়ান মোহনবাগান

ইতিহাস তৈরি করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। আইএসএল প্রতিযোগিতার দশ বছরের ইতিহাসে মোহনবাগান এই প্রথম লিগ-শিল্ড জিতল মোহনবাগান। বাংলা নববর্ষের দিন বার পুজো করে দ্বিতীয় দিনেই সাফল্য। সোমবার কোলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের মহারণে মুম্বই সিটি এফসি-কে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দিল। মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো এবং জেসন কামিংস।খেলার শেষ মুহুর্তে মুম্বই এফসির একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের। ২০২৩ এ আইএসএলের ট্রফি মোহনবাগান জয়লাভ করলেও লিগ-শিল্ড কখনও জেতেনি তারা। আন্তোনিয়ো হাবাসের দলের অধরা স্বপ্নও পূরণ হয়ে গেল ২০২৪ এ। মোট ২২ টি ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ-শিল্ড শেষ করল তারা। আইএসএল ট্রফি জিতে ডাবল করার সুযোগ এখন মোহনবাগানের সামনে।খেলার শুরু থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে মোহনবাগান রক্ষণভাগকে বিব্রত করতে থাকে মুম্বাই এফসি। আক্রমনের চাপে বেশ কয়েকটি কর্নার আদায় করে নিয়েছে মুম্বাই। খেলার ১৭ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন শুভাশিস।LISTON COLACO SENDS THE CROWD CRAZY!!! 🔥🔥🔥Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema , @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3AbGTl#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/97oz51PuGo Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024২৮ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে খেলার প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে মোহনবাগান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাবাসের দল। বক্সের বাঁদিকে বল পেয়েছিলেন কোলাসো। তাঁর সামনে ছিলেন মুম্বাইয়ের বিপিন সিংহ। বিপিনকে এক ঝটকায় ডানদিকে মচ্র দিয়ে বাঁদিক দিয়ে বল কাটিয়ে নিয়েই সোজা জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন।খেলার প্রথম দিকেই গোল পেয়ে যাওয়ায়, যুবভারতীর মোহন সমর্থদের প্রবল হর্ষ ধ্বনিতে তখন কান পাতা দায়। সবুজ-মেরুনে সমর্থকে ভরা যুবভারতী তখন মোহনবাগানের ঘরের মাঠ। আনুমানিক ৪৬ হাজার ফুটবল প্রেমী এদিন যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে হাজিত হয়েছেন। বলাবাহুল্য তাঁরা সকলেই ছিলেন মোহনবাগান সমর্থক।গোল খেয়ে পেছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি মুম্বাই এফসি। বারবার প্রতি আক্রমণে এসে বিব্রত করতে থাকে বাগানিদের। এই রকমই এক আক্রমণ থেকে গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় তারা। গোলের সিজোগ নষ্ট করে মুম্বইয়ের ছাংতে। মুম্বাইয়ের পেরেদা দিয়াজ় বল ভাসিয়েছিলেন মোহনবাগানের বক্সে ছাংতের উদ্দেশে। কিন্তু সেই ছাংতে বলের আন্দাজ বুঝতে পারেননি। ছাংতে বলে ঠিক মতো পা লাগাতে না পারায় কোনও অঘটন ঘটেনি।খেলায় গতি আনতে মুম্বই এফ সি খেলোয়াড় বদল করে। তারা তিরিকে বসিয়ে সেই জায়গায় নামলেন ইয়াকুব ভজতাস।৬১ মিনিটে মোহনবাগান ও দু - দুটি বদল করে, সবুজ-মেরুন সাদিকু এবং কাউকোকে তুলে নেয়। তদের জায়গায় হাবাস নামান কামিন্স এবং হামিল-কে।CHECKMATE ♟️🃏Watch #ISL 2023-24 live on @JioCinema, @sports18 @vh1india 👉 https://t.co/lCKd3Ab93N#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন #ISL10 #LetsFootball #ISLonJioCinema pic.twitter.com/1XnEdAeicz Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) April 15, 2024গোলের ব্যবধান কম থাকায় দুদলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টায় মরীয়া হয়ে ওঠে। মুম্বাইয়ের আক্রমণের ঝাঁঝ প্রতিহত করতে খেলার গতিকে মন্থর করে দিতে হাবাসে মোহনবাগান নানা আছিলায় সময় নষ্টের চেষ্টা করছে। এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে তারা গতি মন্থরতার স্ট্রেটেজি নিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এদিকে মুম্বাই ও খেলার ঝাঁজ বাড়াতে প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গেছে বারবার। কিন্তু মোহনবাগানের জমাট রক্ষণে প্রতিহত হয়ে ফিরে এসেছে সেই সমস্ত আক্রমণ।দুই দলের দুজন হলুদ কার্ড দেখেন! মোহনবাগানের দীপক টাংরি এবং মুম্বইয়ের ভান নিফ। খেলার ৮০ মিনিটে আবার গোল মোহনবাগানের। বাগানের হয়ে গোল করলেন পরিবর্ত খেলোয়াড় জেসন কামিন্স। মুম্বইয়ের মাঝমাঠে বল পেয়েছিলেন পেত্রাতোস, তিনি বল বাড়ান কামিন্সকে লক্ষ্য করে। কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে মুম্বইয়ের রক্ষণভাগ তখন অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে। কামিন্স বল ধরে তাড়াহুড়ো না করে, দেখে শুনে বল জালে জড়িয়ে দেন। মহোনবাগান এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে।খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হবার ১ মিনিট আগে ৮৯ মিনিটে মুম্বই এফ সি ১ টি গোল শোধ করে। মুম্বাইয়ের হয়ে গোলটি করেন ছাংতে। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন ছাংতে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
সম্পাদকীয়

মুসলিম তোষন: সোনার পাথর বাটি

চৈত্র এলেই বঙ্গ বাসীর মন উচাটন হয় পয়লা বৈশাখের জন্য। রুখু সুখু চৈত্রের দায়িত্ব বৈশাখের জন্য মঞ্চ সাজিয়ে প্রস্থান করা। আর দুদিন বাদেই বাংলা পয়লা বৈশাখ উদযাপন করতে মন্দিরে, রেস্তোরাঁয় লাইনে দাঁড়াবে। এবার আবার তারপরেই ভোটের লাইনে দাঁড়াবে বঙ্গভূমি। যদিও নির্বাচনটা সারা দেশে। তবু দেশটার নাম যেহেতু ভারতবর্ষ, তাই দেশ এক হলেও প্রতি প্রদেশেই সাজানো থাকে বৈচিত্র্যের ডালি। এই বৈচিত্র্যের কারনেই প্রতিটি রাজ্যে ভোট, ভোটার, ভোটের প্রতিশ্রুতি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি, শান্তি, অশান্তি সব কিছুর ই ক্যানভাস আলাদা। এই যেমন আমাদের বাংলা।এখানে ভোট এলেই শাসকদল তৃণমূলের ভোট শক্তির দুই স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা হয়। চলে তর্ক, বিতর্ক। এই দুই স্তম্ভ কে কি ভাবে কাছে টেনে তৃণমূলকে দুর্বল করা যায় তার কৌশল খোঁজে বিরোধীরা। সবাই জানে এই দুই স্তম্ভ হল দুই ম। মুসলিম এবং মহিলা ভোটার। যদিও আমরা কেউ কেউ এক দেশ, এক nation, এক নেতার নীতি প্রতিষ্ঠার জন্য গলা ফাটাই। আবার কেউ কেউ এর বিরোধিতায় বৈচিত্র্যময় ভারতের ছবি তুলে ধরে প্রতিযুক্তি সাজায়। তবে এই দুই অংশের সমর্থন পেতে যতই শুম্ভ নিশুম্ভ যুদ্ধ চলুক, পরিসংখ্যান বলছে আখেরে তারা যে তিমিরে ছিলেন সেই তিমিরেই রয়েছেন। ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু এদের অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন হয় না। অথচ পরিবর্তনের নামে সুবিধা বিলোনোর প্রতিযোগিতা চলে। সুবিধা বিলোনোর সেই সব প্রকল্পের গালভরা নাম ও দেওয়া হয়। প্রকল্পের সরণি বেয়ে হাতে কিছু অর্থ আসে। অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সামাজিক সুরক্ষা, নির্যাতন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিক্ষার সুযোগ, সুস্থ পরিবেশ, ভদ্রস্থ কাজের সুযোগ, বৈষম্য দূর করা, সু-বেতন অর্থাৎ মানব উন্নয়নের যাবতীয় মাপকাঠিতে এই দুই অংশের পিছিয়ে থাকার কাল আর ফুরোয় না। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়তি যন্ত্রনা হল সমস্যার গলা জলে দাঁড়িয়েও তোষনের অভিযোগে বিদ্ধ হওয়া।শাসক, বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই মনে করে মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুন না কেন তাঁরা এক ভাবে চলেন। এক ভাবে ভাবেন। এক ভাবে দিন কাটান। এক ভাবে ভোট দেন। তাই একটা গতিশীল, চিন্তাশীল জনগোষ্ঠীর ভোট ভিক্ষুকদের কাছে পরিচিতি পায় ভোট ব্যাঙ্ক শিরোনামে। তাই এক দেড় দশক আগেও মুসলিম ধর্ম গুরুদের গুরুত্ব বাড়তো। ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা তাঁদের দরজায় পৌঁছে যেতেন। মনে করতেন ধর্ম গুরুরা দাওয়ায় দাঁড়িয়ে হাঁক পাড়লেই মুসলিমরা দলে দলে গিয়ে তাঁদের নির্দেশ মত রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন। এই ভাবনা থেকেই মুসলিম সমাজের উন্নয়নের জন্য মুয়াজ্জিমদের জন্য ভাতা বাড়ানো হয়। যদিও ভাতা বাড়ানোর পরে তাঁদের অনেকের উপার্জন কিছুটা কমে গিয়েছে। ভাতা বাড়ানোর পরে কয়েকজন মুয়াজ্জিমের সঙ্গে কথা বলে ছিলাম। হিন্দুদের যেমন বিভিন্ন পুজা পার্বনে, বিবাহে ও শ্রাদ্ধশান্তিতে পুরোহিতের প্রয়োজন পড়ে, মুসলিম সমাজেও তাই। এই সবক্ষেত্রেই যজমানদের দক্ষিণা ধরে দিতে হয়। কিন্তু ওই মুয়াজ্জিমরা জানিয়ে ছিলেন অনেক সময় দক্ষিণা পর্বে তাঁদের শুনতে হয়েছে, সরকার তো তোমাদের ভাতা বাড়িয়েছে তাহলে আমরা আবার দেব কেন? বঙ্গে মুসলিম তোষনের অভিযোগ বাম আমলেও ছিল। অথচ সেই সময় সাচার কমিটির রিপোর্ট মুসলিম সমাজের পশ্চাদপদতার যে ছবি তুলে ধরেছিল তাতে সরকার কে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল। সেই ছবি টা আজও বদলায় নি। অথচ পথে ঘাটে শোনা যায় তোষনের ফলে মুসলিমদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সত্যিই কি তোষন হয়? বাস্তব অবস্থা কিন্তু উল্টো কথা বলছে। ২০১১ সালের জনগননা বলছে এই রাজ্যে জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ মুসলমান। ২০২১ সালে জনগননার কথা থাকলেও হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান বর্তমানে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ মুসলমান হতে পারে। সাম্প্রতিক নানা সমীক্ষায় দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের সংকট বেড়ে চলার ছবি ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কথা হলে বলতেই হয় যে রাজ্যে নাগরিক জীবনের সুযোগ সুবিধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কাজ ও কাজের পরিবেশে ঘাটতি রয়েছে। এই অবস্থায় যদি সত্যিই মুসলিম তোষন হত তাহলে তিরিশ শতাংশ মুসলিম বাকি ৭০ শতাংশের থেকে এগিয়ে থাকতো। মানব উন্নয়নের মাপকাঠিতে কে কোথায় দাঁড়িয়ে তার জানতে সরকারি স্তরে নানান সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষা গুলির ফল বলছে মানব উন্নয়নের সব মাপকাঠিতেই হিন্দুদের মধ্যে পশ্চাদপদ অংশের থেকেও মুসলমানরা পিছিয়ে রয়েছেন।এই তথ্য আমার মত অর্বাচীনের কল্পনা প্রসূত নয়। জাতীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য সমীক্ষা, শিশু মৃত্যুর হার, periodic labour force য়ে পরিসংখ্যান হাতের নাগালেই রয়েছে। যে কেউ চাইলেই দেখতে পারেন। সেখানে দেখতে পাবেন, কোনক্ষেত্রেই মুসলমানরা এগিয়ে নেই। বরং হিন্দুদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। অবশ্য একথা বলার উদ্দেশ্য এই নয় যে হিন্দুরা খুব ভালো আছেন। তাঁরাও অত্যন্ত সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারে হিংসা ও বিদ্বেষে গা না ভাসিয়ে সবারই উচিত শাসক, বিরোধী সব পক্ষের কাছেই সার্বিক উন্নয়নের খতিয়ান চাওয়া। যাতে উন্নয়নের মাপকাঠিতে যে সব ঘাটতি রয়েছে তা দূর করার জন্য রাজনৈতিক দল গুলির সঠিক উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
দেশ

পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না হলে মোটা টাকা জরিমানা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অসুখ সারানোর বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো বিজ্ঞাপনের কারণে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর ২১সে নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের বেঞ্চ, অবিলম্বে পতঞ্জলির এই মিথ্যা বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ সংস্থাটি অমান্য করে চলেছে বলে অভিযোগ ওঠে, ফলে এই বিষয় নিয়ে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ সে মার্চ মঙ্গলবার ভুয়ো বিজ্ঞাপন নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু বাবা রামদেব ও সংস্থার পরিচালক অধিকর্তা আচার্য বালাকৃষ্ণকে তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আসানউদ্দিন অমানুল্লার বেঞ্চে এই মামলাটি ওঠে। এই মামলায় পতঞ্জলি সংস্থার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুকুল রোহিতেগি এবং বিপক্ষে ছিলেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশনের আইনজীবী পি এস পাটোয়ালিয়া। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি হিমা কোহলি জানতে চান, সুপ্রিম কোর্টের নোটিস অবমাননার কারণ। আইনজীবী রোহিতেগি জানান, জবাব দেওয়া হয়নি। প্রতুত্তরে বিচারপতি কোহলি জানান, আমরা এই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আপনারা জবাব দেননি, ফলে নির্দেশ ও পরিণতির বিষয়টি সামনে আসে এরপরই যোগগুরু বাবা রামদেবকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের অভিযোগ, পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ অ্যালোপ্যাথি ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি রোগ নিরাময়েরও ভুল দাবি করে চলেছেন। সেই সব বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে ও সংস্থার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়ার জন্য সুপ্রিমকোর্টের কাছে আবেদন করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশন। নভেম্বর মাসে এই মামলার শুনানির সময় বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও চিকিৎসা ব্যাবস্থার অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য পতঞ্জলি সংস্থাকে ভৎসনা করেছিল সুপ্রিমকোর্ট। বিচারপতি আমানুল্লা জানান, ভবিষ্যতে এই প্রচার চালানো হলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক বার্তা দেন। জরিমানার বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে রামদেব জানিয়েছেন, কিছু চিকিৎসক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার সংস্থা পতঞ্জলিকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন। শুধু পতঞ্জলিই নয়, আয়ুর্বেদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এক সাংবাদ মাধ্যমে রামদেব বলেছেন, যদি আমরা মিথ্যাবাদী হই, তবে ১০০০ কোটি টাকা জরিমানা করুন। আমরা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের হানা, লক্ষ লক্ষ উদ্ধার বিধায়কের বাড়ি থেকে

নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে আবারও টাকা পাহাড় মিললো। এবার মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে মিলল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। টাকা গুণতে মেশিন আনেন তদন্তকারীরা। বিপুল পরিমাণ এই টাকার উৎসের খোঁজ শুরু করেছে সিবিআই। তবে বিধায়কের দাবি, একটি জমি বিক্রি করেই এই টাকা পেয়েছেন তিনি। জাফিকুল ইসলামের এই দাবির পিছনে সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।রাজ্যজুড়ে আজ ফের একবার ম্যারাথন তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতার একাধিক এলাকার পাশাপাশি কোচবিহার ও মুর্শিদাবাদে তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তেই দিকে দিকে চলে এই অভিযান। মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা।সেই বাড়িতেই তল্লাশিতে মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রের দাবি। তবে বিধায়ক নিজে দাবি করেছেন, এই টাকা একটি জমি বিক্রি মাধ্যমে তাঁর কাছে এসেছে। যদিও তৃণমূল বিধায়কের এই দাবির পিছনে আদৌ সত্যতা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগা জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।জানা গিয়েছে, জাফিকুল ইসলামের বেশ কয়েকটি কলেজ রয়েছে। বিএড এবং ডিএড-এর পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে তাঁর। এদিন বেশ কিছুক্ষণ তাঁর বাড়িতে তল্লাশির পর ওই বাড়িতে ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের ডাকে সিবিআই। আনা হয় টাকা গোনার মেশিন। সূত্রের খবর মোট ২৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি থেকে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল জাফিকুলের।

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও মেয়েকে ৯ কোটি ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর! ফেরত মেলেনি কানাকড়িও

রেশন দুর্নীতির তদন্তে পরতে পরতে রহস্যে মোরা। নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দারা। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও ধৃত চাল ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের সম্পর্ক কতটা গভীর তা জানাতে গিয়েই আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইডির আইনজীবী। এই দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী ও বাকিবুরের জেরা চলছে। আদালতে ইডির আইনজীবীর দাবি, সেই জেরাতেই সামনে এসেছে ভয়ংকর তথ্য। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, সুদ এবং সিকিউরিটি ছাড়াই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র স্ত্রী ও মেয়েকে ৯ কোটি ঋণ দিয়েছিলেন বাকিবুর! এখনও পর্যন্ত সেই ঋণের কানাকড়িও মেটানো হয়নি।কেন এই ঋণ প্রদান? এর নেপথ্যে গভীর রহস্য দেখছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শনিবার রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত চাল ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে আদালতে তোলা হয়েছিল। ঋণের কথা বলে বাকিবুরের জামিনের বিরোধিতা করেন ইডির আইনজীবী। শেষপর্যন্ত এদিন ২২ নভেম্বর পর্যন্ত বাকিবুরের জেল হেফাজত মঞ্জুর হয়েছে। প্রয়োজনে জেলে গিয়েও এবার তাঁকে জেরা করতে পারবেন ইডির গোয়েন্দারা।নিজেদের দাবির সপক্ষে এদিন আদালতে একাধিক নথিও পেশ করেছেন ইডির আইনজীবী। ইডির দাবি, খুব ঘনিষ্ঠতা না থাকলে কেন কেউ কোনও কাগজ ছাড়াই অচেনা কাউকে ৯ কোটি টাকা ঋণ দেবে? ইডির সূত্রের খবর, রেশনের দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে ভুয়ো কৃষক সংগঠন তৈরি করা হয়েছিল। কৃষকদের নামে রয়েছে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। যা অনেকটাই নাকি নিয়ন্ত্রণ করতেন চাল ব্যবসায়ী বাকবুর।উল্লেখ্য, ফার্মারস ফোরাম নামে একটি কৃষক সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছিল এ রাজ্যে। তখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই। এই কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন চালকল মালিক বাকিবুর রহমান।রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে ইডির গোয়েন্দারা বাকিবুর রহমানের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থা। ইডি সূত্রে দাবি, ৬টি এমন সংস্থা রয়েছে যেখানে আটা বণ্টন দুর্নীতির টাকা ঢুকেছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য এনপিজি রাইসমিল প্রাইভেট লিমিটেড। এই সংস্থায় ঢুকেছিল ১০ কোটি ৩০ লক্ষ ৯৭ হাজার ১০০ টাকা। সূত্রের খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পর খাদ্য দফতরের পোর্টালে এই সংস্থাকে হোল্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়াও কলকাতা, রাজারহাট ও এ রাজ্যে বাকিবুরের ৯ টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে বলে খবর। দুবাইতেও তাঁর নাকি ২টি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও দাবি ইডি সূত্রের।শনিবার দুপুরে ইডি দফ্তরে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ির পরিচারক রাম স্বরূপ শর্মা। যদিও তার দাবী তিনি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের খাবার নিয়ে এসেছেন। বেশ কিছুক্ষন পর তিনি ইডি দফ্তর থেকে বেরিয়ে আসেন। এর পর তিনি জানান, আমি কোম্পানির ব্যপারে কিছু বলতে পারবো না। আমার কিছু জানা নেই। তবে আমার কেষ্টপুরে একটি ফ্ল্যাট আছে। আমি লোন হিসাবে নিয়েছি এবং পাঁচ লাখ টাকা শোধও করেছি। সাহেব এর কাছ থেকে নিয়েছি। লকডাউন এর আগে নিয়ে ছিলাম। বাকি টাকা মাসে মাসে দিচ্ছি। আমার কাছ থেকে সাদা কাগজে সই করিয়ে ছিল আমি করেছিলাম। যারা এসেছিলো তাদের চিনি না সাহেব এর নাম করে বলেছিলো। অনেক বছর আগে এসেছিলো। সইটা উল্টোডাঙা দিকে রাস্তায় সই করিয়েছিলো। বলেছিলো সাহেব পাঠিয়েছে এটা তোমায় করে দিতে হবে। সাহেব বলতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথা বলছিলো। ইডি ডেকেছিল আমি কথা বলেছি। সত্যি কথা যেটা যেটা ছিল সেটাই বলেছি। যা যা জিজ্ঞাসা করেছে আমি বলেছি। ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি।

নভেম্বর ১১, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এবার একসঙ্গে কি পরিকল্পনা অরিজিৎ ও রূপমের? সুরের মূর্চ্ছনায় মাতবে কলকাতা!

নিউটাউনের কনসার্টে অরিজিত সিং ও রূপম ইসলামের যুগলবন্দি দেখেছিল দর্শকরা। তাঁদের গান মোহিত করেছিল স্রোতাদের। সোশাল মিডিয়ায় অরিজিৎ সিং ও রূপম ইসলাম তাঁদের ফেস বুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। অরিজিতের গলা বসে গিয়েছে। রূপমই কথা বলেছেন। কার্যত অরিজিৎ তাতে সায় দিয়েছেন। রূপম বলেছেন, এর আগে অরিজিতের কনসার্টে অতর্কিতে গান করাটা প্লানিং ছিল না। আজ যে দাঁড়িয়ে আছি অনেক দিন ধরে কথা ছিল একসঙ্গে পাশাপাশি দাঁড়াব। একসঙ্গে কাজ করব। অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছে আমরা কি একসঙ্গে কাজ করব? কি বলছ অরিজিত? অরিজিত বলেন, একসঙ্গে কাজ করব বলেই তো এখানে। তারপরই গিটারে রূপমের গানের ধুন তোলেন অরিজিত। এই এক মিনিট আটান্ন সেকেন্ডের ভিডিওটি রীতিমতো সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রূপম ইসলামের কথায়, অনেক দিন ধরেই দেখা হওয়ার কথা ছিল। কখনও ও স্টেজে আমি অডিটোরিমে, আবার কখনও আমি স্টেজে ও অডিটোরিমে। শেষমেষ আমরা একসঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩
রাজ্য

খুদে স্কুল পড়ুয়াদের রসগোল্লা খাইয়ে রসগোল্লা দিবস পালন তৃণমূল নেতা অপার্থিব ইসলামের

ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখতে গ্রামের আটচালায় শতাধিক খুদে পড়ুয়াকে নিয়ে বসলো রসগোল্লার পাঠশালা। বাংলার রসগোল্লার খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে। ২০১৮ সালে জিআই স্বীকৃতি মেলার পর থেকে প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর দিনটিকে রসগোল্লা দিবস হিসেবে পালিত হয় ঠিকই।কিন্তু এই বিশেষ দিনটির তাৎপর্য ও রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাস সম্পর্কে খুদে পড়ুয়ারা এখনও সেভাবে ওয়াকিবহাল নয়। তা জানাতে মঙ্গলবার শতাধিক খুদে স্কুল পড়ুয়াকে রসগোল্লা খাইয়েই রসগোল্লার সৃষ্টি ইতিহাসের পাঠ দিলেন পূর্ব বর্ধমানে খণ্ডঘোষের জনপ্রতিনিধিরা। একবারে শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তাঁরা খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরলেন রসগোল্লার সৃষ্টি কর্তার পরিচিতি ও কাহিনী।বাংলার প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন গুলির অন্যতম হল রসগোল্লা। এই রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাসও বহু প্রাচীন। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী নদীয়া জেলার হারাধন ময়রাকে রসগোল্লার প্রথম সৃষ্টিকর্তা বলে ধরা হয়।তবে কলকাতার বাগবাজারের নবীনচন্দ্র দাস ওরফে নবীন ময়রাকে আধুনিক স্পঞ্জ রসগোল্লার প্রথম সৃষ্টিকর্তা বলে ধরা হয়।১৮৬৮ সালে নবীন ময়রাই গোটা পৃথিবীতে রসগোল্লার পরিচিতি ঘটিয়ে ছিলেন বলে ধরা হয়। তাই তাঁকেই রসগোল্লার কলম্বাস বলে উল্লেখ করা হয় ।ছানা, ময়দা ও চিনি সহযোগে তৈরি রসগোল্লা নিয়ে গর্ববোধ করেন না এমন কোন বাঙালি মেলাই ভার।এই রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতি (Geographical Indication) পেতেও পশ্চিমবঙ্গকে মিষ্টি লড়াইয়ে সামিল হতে হয় ওড়িষ্যার সঙ্গে।শেষ পর্যন্ত বাংলাই ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর জয় করে জিআই স্বীকৃতি।রসগোল্লার এই গর্বের ইতিহাস খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরতে মঙ্গলবার বিকেলে খণ্ডঘোষের জনপ্রতিনিধিরা বাদুলিয়া গ্রামের পীড়তলার আটচালায় একটি শিক্ষা মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।সেই অনুষ্ঠানে শিক্ষকের ভূমিকায় সামিল হন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্য অপার্থিব ইসলাম।তাঁর সঙ্গে সহ শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেন অপর জেলাপরিষদ সদস্য তথা স্কুল শিক্ষক বিশ্বনাথ রায় ,সগড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুখেন্দু পাল ,স্কুল শিক্ষক অনাবিল ইসলাম এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী শেখ কামাল উদ্দিন। প্রায় শতাধিক স্থানীয় স্কুল পড়ুয়া আটচালায় রসগোল্লার ইতিহাস বিষয়ের পাঠ নিতে উপস্থিত হয়। তাদের সবার হাতে প্রথমে রসগোল্লা তুলেদেন আপার্থিব ইসলাম সহ অন্য সকল জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকরা।তাঁরা তার পর খুদে পড়ুয়াদের রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাস নিয়ে পাঠদান শুরু করেন।তাঁরা রসগোল্লার সৃষ্টিকর্তার পরিচিতি,রসগোল্লা সৃষ্টির সময়কাল,কি কি উপকরণ দিয়ে কি ভাবে রসগোল্লা তৈরি হয় এবং ওড়িষ্যার সঙ্গে কতটা মিষ্টি যুদ্ধের পর বাংলার রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতী লাভ করে,সেইসব কিছুই খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরেন।বাংলার গৌরবের রসগোল্লার ইতিহাস নিয়ে শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের পাঠদান অভিভাবক মহলের প্রশংসা কুড়োয়।পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল তাঁদের দলীয় কর্মীদের ভোট রাজনীতির পাঠ দিচ্ছেন।তা না করে এমন সময়ে হঠাৎ করে গ্রামের আটচালায় খুদে পড়ুয়াদের রসগোল্লা নিয়ে পাঠদানের কি প্রয়োজন হল? এই প্রশ্নের উত্তরে অপার্থিব ইসলাম বলেন, বাংলার রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। তার পর থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে বাংলার রসগোল্লার প্রসিদ্ধি। তার জন্য প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর রসগোল্লা দিবস পালিত হয়।এই রসগোল্লা দিবস পালনে শহর এলাকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা উৎসাহ দেখালেও গ্রাম বাংলায় তেমনটা হয় না। সেই কারণে গ্রামের খুদে পড়ূয়ারাও জানতে পারে না কেন বাংলার রসগোল্লা বিখ্যাত? রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাসটাই বা কি?অপার্থিব বাবু বলেন,আজকের খুদে পড়ুয়ারা বাংলার আগামী ভবিষ্যৎ। তাঁরা যদি বাংলার গর্বের রসগোল্লা সমন্ধে অন্ধকারে রয়ে থা তবে আগামী দিনে বাংলার রসগোল্লার ইতিহাসটাই মানুষের মনথেকে মুছে যাবে।সেটা যাতে না হয় তাই এদিন খুদে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই এর অনুমতিহীন সভা ঘিরে চাঞ্চল্য

ভারতের গণতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের (ডিওয়াইএফআই) ধর্মতলা অভিযানের ডাকে সারা দিতে ইসলামপুর আলুয়াবাড়ি রোড জংশন স্টেশন থেকে কর্মী সমর্থকরা সোমবার ট্রেনে চেপে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। ডিওয়াইএফআই নেতা গৌতম বর্মন ও সামী খান জানান আনিস খানের ইনসাফ সবাই যোগদানের জন্য তারা যাচ্ছেন। কলকাতার ধর্মতলায় সেখানে উপস্থিত থাকবেন বামফ্রন্টের রাজ্য সভাপতি মঃ সেলিম ও ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখার্জী সহ একাধিক নেতৃত্ব। উলেখ্য ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এই সভার কোনও অনুমতি কলকাতা পুলিসের তরফের দেওয়া হয়নি। অনুমতিহীন এই সভা ঘিরে আবার কলকাতায় গোলমালের আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কৃষ্ণার পরিবর্ত হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারকে নিল এটিকে মোহনবাগান

রবিবারই রয় কৃষ্ণার বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তার ২৮ ঘন্টার মধ্যেই রয় কৃষ্ণার বিকল্প খঁুজে নিল এটিকে মোহনবাগান। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলারকে সই করিয়ে চমক বাগান কর্তাদের। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা স্ট্রাইকার দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান।রয় কৃষ্ণ ও ডেভিড উইলিয়ামস এই মরসুমে দল ছেড়েছেন। এই দুজন দল ছাড়ায় একজন ভালমানের স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন বাগান কর্তারা। যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন। দিমিত্রি পেত্রাতোসকে দিয়ে কাজ সিদ্ধ করতে পারবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার ছাড়া ফরোয়ার্ডেও খেলতে পারদর্শী। সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদা থেকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে সই করাল এটিকে মোহনবাগান। যদিও গত মরসুমে তিনি আল ওয়েদার জার্সিতে খেলেননি। আল ওয়েদা থেকে তিনি লোনে এ লিগের ক্লাব ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে খেলেছিলেন।২০১০-১১ মরসুমে সিডনি ফুটবল ক্লাবের হয়ে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন দিমিত্রি। এরপর যোগ দেন মালয়েশিয়ার ক্লাব কেলান্তানে। ২০১২১৩ মরশুম কেলান্তানের হয়ে খেলার পর এ লিগের দল ব্রিসবেন রোয়ার তাঁকে সই করায়। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ব্রিসবেনের হয়েই খেলেন দিমিত্রি। ২০১৭ সালে কোরিয়া লিগের দল উলসান হুন্ডাই সই করায় তাঁকে। ৬ মাস খেলে ওই বছরই দিমিত্রি যোগ দেন নিউক্যাসেল জেটসে। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত নিউক্যাসেল জেটসে খেলার পর তিনি সৌদি আরবের ক্লাব আল ওয়েদায় সই করেন। সেখান থেকেই গত বছর লোনে খেলেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। সিডনি থেকে এবার তিনি এটিকে মোহনবাগানে।He comes from Australia, hes played in Korea and Saudi Arabia! 🤩Mariners, give a warm welcome to Dimitrios Petratos, our new number 9! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/WBuLoc00Rh ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) July 18, 2022অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হয় ২০১৮ সালে। এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ তিনি খেলেছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে ২৩ জনের দলে থাকলেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি। তাঁর বাবা অ্যাঞ্জেলো খেলেছেন সিডনি অলিম্পিক্স এফসির হয়ে। ইতিমধ্যেই নতুন মরসুমের জন্য পাঁচ বিদেশি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগানে। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে এলেন দিমিত্রি। নিজের দীর্ঘ ফুটবল কেরিয়ারে ক্লাবের জার্সিতে হোক কিংবা দেশের হয়ে স্ট্রাইকার, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা উইঙ্গার বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কার্ল ম্যাকহিউকে ছেড়ে দেবে এটিকে মোহনবাগান?‌ তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে

আইএসএলে তিরির অবর্তমানে এটিকে মোহনবাগানের ডিফেন্সকে দারুণ নির্ভরতা দিয়েছিলেন কার্ল ম্যাকহিউ। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেও দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সামনের মরশুমে কোপ পড়তে চলেছে এই বিদেশি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের ওপর। তাঁকে না রাখার পথে হাঁটছে সবুজমেরুণ কর্তারা।সামনের মরশুমের জন্য দারুণভাবে দল গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। দল অনেকটাই ঢেলে সাজাচ্ছে। শূন্যস্থান ভরাট করার জন্য স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি নতুন বিদেশি ফুটবলার নেওয়ার দিকেও নজর দিয়েছে। তিরির বিকল্প হিসেবে কয়েকদিন আগে চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন হামিলের সঙ্গে। এরপরই সই করিয়েছে পল পোগবার দাদা ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে। এই দুই ফুটবলারই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। চোট পেয়ে ৮ মাস মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়া তিরিকে আবার দারুণ পছন্দ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। চোট সারিয়ে ফিট হয়ে গেলে তাঁকেও দলে রাখতে চান ফেরান্দো।ইতিমধ্যেই ব্রেন্ডন হামিল, ফ্লোরেন্টিন পোগবার সঙ্গে চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। সঙ্গে তিরি যোগ হলে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার। অন্যদিকে জনি কাউকো এবং হুগো বোমাসকে ছাড়বে না এটিকে মোহনবাগান। সময় যত গড়িয়েছে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছেন জনি কাউকো। রয় কৃষ্ণা ও ডেভিড উইলিয়ামস দল ছাড়ায় নতুন বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ফলে কার্ল ম্যাকহিউয়ের জায়গা নেই। ম্যাকহিউকে দলে রাখতে গেলে বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে পারবেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। ফলে তাঁকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।শুধু কার্ল ম্যাকহিউ নন, সন্দেশ ঝিংঘানকেও ছেড়ে দিতে পারে এটিকে মোহনবাগান। কারণ জুয়ান ফেরান্দো ৩৫২ ছকে দল সাজাতে পছন্দ করেন। তাঁর সেই সিস্টেমে সন্দেশ খাপ খাওয়াতে পারবেন না। জুয়ান ফেরান্দো রক্ষণে যে ব্রেন্ডন হামিল ও ফ্লোরেন্টিন পোগবার ভরসা করবেন, এই দুই ফুটবলারকে দলে নেওয়াতেই তার প্রমাণ। এটিকে মোহনবাগানের এক কর্তা বলছিলেন, কোচের পরিকল্পনা অনুসারেই আমরা দল সাজাচ্ছি। ওর পরামর্শ অনুসারেই নতুন ফুটবলার নেওয়া হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
রাজ্য

নয়া কমিটি গঠনেও অস্বস্তি ত্রিপুরা তৃণমূলে, পৃথক বৈঠক কোর কমিটির সদস্যর

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নয়া রাজ্য কমিটি গঠন করার পরও দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটেনি। বরং কোর কমিটির অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছেন। প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও অনেকে গড়হাজির ছিলেন। সূত্রের খবর, কমিটি গঠনের পরের দিনই রবীন্দ্রপল্লীতে কোর কমিটির সদস্য আশিস দাসের বাড়িতে তৃণমূলের একাংশ বৈঠকে বসে। সেখানে হাজির ২৫ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন এক্সিকিউটিভ সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছু বলেননি প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস।আশিস দাসের বাড়ির বৈঠকে পায়ের দিকের তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হঠাৎ পায়ের ছবি কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, তাহলে কী নতুন কোনও দলের যাত্রা শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়। কারণ, তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ কর্তাকে নিয়ে এর আগে বেশ কয়েকবার নিজের ক্ষোভ সোশাল মিডিয়ায় উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির এই প্রাক্তন বিধায়ক। কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি ছেড়ে আসার পর টানা চার মাস তিনি প্রায় বসেছিলেন। দলও তাঁকে কোনও গুরুত্ব দেয়নি বলেই তাঁর দাবি। ওই নেতৃত্ব দ্বারা ত্রিপুরায় পরিবর্তন আসবে না বলেই আশিসবাবু ঘনিষ্ঠ মহলে মন্তব্য করেছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে ওই নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হওয়া খুবই শক্ত। সেক্ষেত্রে দলের বাইরে পৃথক ভাবে নিজের বাসভবনে বৈঠক করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে একাংশের বক্তব্য, এই বৈঠক করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন আশিস দাস।নব গঠিত রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠকএদিকে আরেক কোর কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিংকেও ত্রিপুরা তৃণমূলের কোনও বৈঠকে দেখা যাচ্ছে না। শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কারণেই তিনি আসতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন। তবে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর যথেষ্ট সদ্ভাব রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, এমনকী ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আশিসলাল সিংয়ের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। এদিকে তৃণমূলের নয়া রাজ্য সভাপতি সুবল ভৌমিক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন এমন খবর তিনি জানেন না। প্রয়োজনে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেবেন তিনি।তৃতীয়বার বঙ্গ বিজয়ের পর ত্রিপুরায় হানা দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের গোষ্ঠীকলহ নিয়ন্ত্রণে না আনতে আদপে ফায়দা হবে বিজেপির। যে ভাবে দলকে না জানিয়ে পৃথক বৈঠক করছেন কোর কমিটির সদস্য, আরেক কোর কমিটির সদস্য অন্য দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সেক্ষেত্রে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে সেই গোয়ার ফলফালের রিপিট যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আদৌও সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে পারবে ‘‌শ্রী–হীন’‌ ইস্টবেঙ্গল?‌

মঙ্গলবারই চিঠি দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে চিঠি দিয়ে ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। ফলে নতুন করে দল গঠনে আর কোনও বাধা নেই লালহলুদ কর্তাদের। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের উছন্দমতো দল গড়তে পারবেন। নিজেদের ইচ্ছেমতো প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন। ইস্টবেঙ্গল শ্রীহীন হওয়ায় একটা প্রশ্ন ময়দানে ঘুরপাক খাচ্ছে। সামনের মরশুমে আদৌও কি আইএসএলে খেলতে পারবে লালহলুদ? আশাবাদী ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন লগ্নিকারী সংস্থা খুঁজে সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে বদ্ধপরিকর তাঁরা। শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং সত্ত্ব ফেরত পাওয়ার পর বুধবার ক্লাব তাঁবুতে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সাংবাদিক সম্মেলনে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁরা যে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলছেন, সেকথাও জানান। সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলার ব্যাপারে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, আশা করছি ইস্টবেঙ্গল সামনের মরশুমে আইএসএল খেলবে। আমরা সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছি। বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে যাবে। বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা করতে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তারা দু-দুবার বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষই আইনি বিষয়গুলি দেখাশোনা করছে। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম সোহবান এই মুহূর্তে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর ২০ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা। তারপরই দুই পক্ষের চুক্তির বিষয়টা চূড়ান্ত হবে। যদিও শোনা যাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ শ্রী সিমেন্টের মতো মূল স্পনসর হবে না। তারা সহযোগী স্পনসর হিসেবে থাকতে চায়। আরও বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। চলতি মাসের মধ্যেই স্পনসরের বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এদিকে, গতবছরের দলের ১১ জন ফুটবলারের বেতন বকেয়া রয়েছে। সেই বকেয়া বেতন শ্রী সিমেন্ট মেটাবে কিনা, এখনও নিশ্চিত নয়। এদিন কার্যকরী কমিটির সভায় ঠিক হয়েছে, শ্রী সিমেন্টকে বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হবে। কর্তাদের আশা শ্রী সিমেন্ট ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিলিয়ে দেবেন। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার জন্য শ্রী সিমেন্টকে ধন্যবাদ। আশা করছি ফুটবলারদের যে বেতন বাকি আছে, তাও মিটিয়ে দেবে। এই নিয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরে পেয়ে এখন থেকেই দলগঠনে নামতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁদের লক্ষ্য সন্তোষ ট্রফি থেকে ফুটবলার বাছাই করা। সেই লক্ষ্যে ক্লাবের দুই ফুটবলারকে কেরালা পাঠানো হচ্ছে। এবছর দল গঠনে প্রাক্তন ফুটবলারদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে চান লালহলুদ কর্তারা।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মাদক, তেল না কি রাজনীতি? মাদুরো আটক ঘিরে বিশ্ব রাজনীতিতে ঝড়

এক সময় বাস চালাতেন। সেখান থেকেই দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের শুরু। ধাপে ধাপে ক্ষমতার শিখরে উঠে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো। সেই মাদুরোকেই শনিবার আটক করেছে মার্কিন সেনা। তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। কিন্তু কী ভাবে বাসচালক থেকে রাষ্ট্রপতি হলেন মাদুরো? আর কেনই বা তাঁর উপর এতটাই ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প?১৯৬২ সালের ২৩ নভেম্বর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে জন্ম নেন নিকোলাস মাদুরো। তাঁর বাবা ছিলেন একজন শ্রমিক নেতা। স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় মাদুরোর। ছাত্র সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ১৯৮৬ সালে আদর্শগত শিক্ষা নিতে তিনি কিউবায় যান। কয়েক বছর সেখানে কাটানোর পর দেশে ফেরেন। সেই সময় থেকেই কিউবান সরকারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।ভেনেজুয়েলায় ফিরে এসে মাদুরো কাজ শুরু করেন কারাকাসের মেট্রো ব্যবস্থায় বাসচালক হিসেবে। সেখানেই শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন এবং ধীরে ধীরে ইউনিয়ন নেতা হয়ে ওঠেন। নব্বইয়ের দশকে ভেনেজুয়েলার গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁকে বামপন্থী কট্টর নেতা হিসেবে চিহ্নিত করে।১৯৯২ সালে সেনা অফিসার হুগো চাভেজ সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটাতে গিয়ে ব্যর্থ হন এবং জেলে যান। ১৯৯৪ সালে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান চাভেজ। এরপর রাজনীতিতে ফিরে এসে তিনি একটি শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেই আন্দোলনেই যোগ দেন মাদুরো। বাসচালকের চাকরি ছেড়ে তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। অল্প সময়েই হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে ওঠেন মাদুরো।১৯৯৯ সালে চাভেজ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন। তাঁর সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন মাদুরো। ২০০৬ সালে তিনি বিদেশমন্ত্রী নিযুক্ত হন। সেই সময় তাঁকে চাভেজের ডান হাত হিসেবেই দেখা হত। ২০১৩ সালে চাভেজের মৃত্যুর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন নিকোলাস মাদুরো।কিন্তু মাদুরোর শাসনকালেই দেশ ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি আকাশছোঁয়া হয়। খাদ্য ও ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। লক্ষ লক্ষ মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়ে। প্রায় ৭৭ লক্ষ ভেনেজুয়েলাবাসী দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয় মাদুরো সরকার।অভিযোগ ওঠে, সরকারের সমালোচনা করলেই মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। বিরোধীদের জেলে ভরা হচ্ছে এবং বন্দিদের উপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। দেশের ভিতরে ও বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন মাদুরো। আন্তর্জাতিক মহল ভেনেজুয়েলার উপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপায়।২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন। তখন থেকেই মাদুরোর সঙ্গে তাঁর সংঘাত শুরু। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার উপর কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আমেরিকার অভিযোগ, নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন মাদুরো। পাশাপাশি, মাদক পাচার চক্র চালানো এবং অবৈধ অভিবাসন বাড়ানোর অভিযোগও তোলে ট্রাম্প সরকার। ট্রাম্পের দাবি, মাদুরো ভেনেজুয়েলার গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন।আমেরিকার বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই মাদুরো সরকারের পতন জরুরি হয়ে উঠেছিল। সেই কারণেই গত কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলে একাধিক নৌযানে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আমেরিকার দাবি, ওই নৌযানগুলি মাদক পাচারে যুক্ত ছিল। যদিও মাদুরো সরকারের দাবি, ওই হামলায় বহু নিরীহ মৎস্যজীবীর প্রাণ গিয়েছে।এর মধ্যেই ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করে মার্কিন নৌবাহিনী। মাদুরোর অভিযোগ, আসলে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল সম্পদের উপর নজর রয়েছে আমেরিকার। শেষ পর্যন্ত মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসের মামলা দায়ের করে তাঁকে নিউ ইয়র্কে আটক করা হয়েছে। সেখানেই ফেডারাল আদালতে তাঁর বিচার হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ডোমিসাইল বাতিলের অভিযোগ! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সংঘাত রাজ্য-কমিশনের

ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বাতিল করা হচ্ছে এই অভিযোগে চরম হয়রানির মুখে পড়ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রাজ্য সরকারের দাবি, অনানুষ্ঠানিক ভাবে জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট আর ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত নির্দেশ বা আইনি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ ভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। রাজ্যের আপত্তি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।এর আগেও গত নভেম্বর মাসে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা। সেই চিঠিতে এসআইআর-এর প্রথম ধাপে চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বাংলা সহায়ক কেন্দ্রের কর্মীদের ব্যবহার না করার কমিশনের নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।রাজ্যের অভিযোগ, কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদেরও শুনানির জন্য সশরীরে হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী তাঁরা ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সম্পূর্ণ যোগ্য। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক চরম অসুবিধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠায় কলকাতা পুরসভায় এই শংসাপত্রের জন্য আবেদন হঠাৎ বেড়ে যায়। পুরসভার সদর দফতর ও বিভিন্ন বরো অফিসে প্রতিদিনই দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৮০টি করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের আবেদন জমা পড়ছে। সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দফতর থেকে কলকাতার সমস্ত কাউন্সিলরের কাছে একটি বিস্তারিত নির্দেশিকাও পাঠানো হয়।এই প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কালনায় অভিযোগ ওঠে, পৌরসভার একটি ওয়ার্ডের ৩২ জন ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকা হলেও তাঁদের কাছে থাকা পুরনো বাড়ির দলিল মানা হয়নি। নতুন করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। অথচ সেই শংসাপত্রই এখন বাতিল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, শুনানির কারণ না জানিয়েই ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। প্রবীণ, অসুস্থ ও শারীরিক ভাবে অক্ষম মানুষকেও ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকী ভিন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বানান বা বয়স সংক্রান্ত সামান্য ভুলের জন্যও নতুন করে নথি যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা কার্যত অসম্ভব। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত তালিকা উপেক্ষা করে অভিজ্ঞতাহীন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের মাইক্রো অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ। এই ত্রুটিগুলি অবিলম্বে সংশোধন না হলে সম্পূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহের বৈঠকের পরেই কি চুপ দিলীপ? জল্পনা তুঙ্গে

খড়গপুরে চা-চক্রে বসে সাংবাদিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ আর সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্যামেরায় কথা বলবেন না। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতির এই ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই ঘোরাফেরা করছে প্রশ্ন ।বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তার পরদিনই রাম মন্দির প্রসঙ্গে তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। বৃহস্পতিবার দিলীপ বলেন, মন্দির-মসজিদ ইস্যু ভোটের ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলে না। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি অযোধ্যার রাম মন্দির এবং বাংলার মন্দির প্রসঙ্গ টানেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফৈজাবাদ আসনে বিজেপির হার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় মন্দির তৈরি করলেই যে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত, এমন ভাবা ভুল।এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়ে রাজ্য বিজেপি। দলীয় সূত্রের দাবি, দিলীপের বক্তব্যে শীর্ষ নেতৃত্ব খুশি হয়নি। শুক্রবারই তাঁকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। সূত্রের খবর, অমিত শাহের তরফে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছেও বার্তা যায় নেতাদের যেন অহেতুক মন্তব্য না করতে বলা হয়। এমনকী শাহ নিজেই বুঝিয়ে দেন, সমস্ত তথ্য তাঁর হাতেই রয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, বুধবারের সেই বৈঠকে অমিত শাহ দলীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিলীপের মন্তব্য ভাল ভাবে নেননি শাহ, এমনটাই দাবি দলীয় সূত্রের। সেই কারণেই কি এবার পাকাপাকি ভাবে মুখ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন দিলীপ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।শুক্রবার সল্টলেকের বিজেপি দফতরে ঢোকার সময় দিলীপ বলেছিলেন, যা বলার সকালে বলেছেন। যদিও তার পরেও শনিবার পর্যন্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খড়গপুরে চা-চক্রে সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, আর ক্যামেরার সামনে কথা বলবেন না। পরিস্থিতি বুঝেই কি আরও বিতর্ক এড়াতে এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে চাপানউতোর চলছেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

অন্য দেশের প্রেসিডেন্ট বন্দি আমেরিকায়! আন্তর্জাতিক আইন ভাঙার অভিযোগ

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স তুলে নিয়ে যাওয়ার পর রবিবার নিউ ইয়র্কের একটি জেলে আটক রাখা হয়েছে। শনিবার ভেনেজুয়েলায় এই অভিযান চালানো হয়। নতুন বছরের শুরুতে নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বামমনস্ক রাজনীতিক জোহরান মামদানি। তাঁর শহরের জেলেই মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ অংশের একটি জেলে মাদুরো দম্পতিকে বন্দি রাখা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, মাদুরোর সরকার আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে মাদক-সন্ত্রাস, অস্ত্র পাচার-সহ একাধিক ধারায় মাদুরো, তাঁর স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোট ছজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরোকে অবৈধ শাসক বলে আখ্যা দিলেও আপাতত এই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেপ্তারির কথা জানানো হয়েছে। তবে অন্য দেশের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে আটক করার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন দেশ এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে দাবি করছে।এদিকে ভেনেজুয়েলায় জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার মধ্যরাতে হামলার পরেও মার্কিন সেনা পুরোপুরি দেশ ছাড়েনি। মাঝে মাঝেই ভেনেজুয়েলার আকাশে মার্কিন সামরিক বিমান উড়তে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে আরও বড় কোনও সামরিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। কলোম্বিয়ার অনুরোধে এই বৈঠকের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য চিন এবং স্থায়ী সদস্য রাশিয়াও এই বৈঠকের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

১৯৮৯-এর পানামার পর ফের ইতিহাস! ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান

শনিবার ভেনেজুয়েলায় বড়সড় সামরিক হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের কথা স্বীকার করে জানান, এটি ছিল ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক সামরিক আক্রমণ। তাঁর দাবি, এই অভিযান মার্কিন আইনরক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর উপর চাপ বাড়াচ্ছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার অভিযোগ, মাদুরো সরকার মাদক পাচার চক্র এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যার ফলে সেই অপরাধ আমেরিকার মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে ভেনেজুয়েলা সরকার।এই হামলাকে লাতিন আমেরিকায় আমেরিকার প্রথম সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, ১৯৮৯ সালের পর। ওই বছর পানামায় সামরিক অভিযান চালিয়ে তৎকালীন শাসক ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অভিযান এখনও মার্কিন সামরিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ অপারেশন জাস্ট কজ নামে পানামায় সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মার্কিন সেনা অংশ নিয়েছিল। সরকারি হিসেবে, সেই অভিযানে ৫১৪ জন পানামার সেনা ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, মৃতের সংখ্যা হাজারের কাছাকাছি ছিল। আমেরিকারও ২৩ জন সেনা প্রাণ হারান।সেই সময় পানামার শাসক নরিয়েগা আশ্রয় নিয়েছিলেন ভ্যাটিকানের দূতাবাসে। তাঁকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে দূতাবাসের বাইরে জোরে জোরে রক গান বাজিয়েছিল মার্কিন সেনা। এই অভিনব কৌশল বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত ১১ দিন পর নরিয়েগা আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে মাদক পাচারসহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।এবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে কি না, তা নিয়েই উদ্বেগ বাড়ছে। ভেনেজুয়েলা নিয়ে আমেরিকার এই সামরিক পদক্ষেপ লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-এর পর সবচেয়ে বড় হামলার ছক? উত্তর ক্যারোলিনায় আইএসের পরিকল্পনা ফাঁস

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ধৃত যুবক ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। বর্ষবরণের রাতে উত্তর ক্যারোলিনার একটি খাবারের দোকান এবং জনবহুল এলাকায় ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল সে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশকর্মীদের উপরও হামলা চালানোর ছক ছিল অভিযুক্তের। এই গোটা ষড়যন্ত্রই ইসলামিক স্টেটের মদতে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছে এফবিআই।শেষ মুহূর্তে এই ভয়ংকর নাশকতা বানচাল করে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এই ঘটনায় একটি বিবৃতি জারি করেছে তারা। এফবিআই প্রধান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কাশ প্যাটেল জানান, বর্ষবরণের রাতে একটি সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা রোখা গিয়েছে এবং এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে ছিল ইসলামিক স্টেট।এফবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রিস্টিয়ান নাবালক থাকাকালীন থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিল। সামাজিক মাধ্যমে একাধিকবার ইসলামিক স্টেটের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেই সূত্রেই ইউরোপের একাধিক আইএস হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার। তাদের প্ররোচনাতেই আমেরিকায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল সে।তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একাধিক ধারাল অস্ত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে হাতে লেখা একটি নোট, যেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, নতুন বছরে হামলা ২০২৬। এই তথ্য সামনে আসার পর আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।৯/১১-এর পর আমেরিকাকে ফের রক্তাক্ত করার ছক কষেছিল ইসলামিক স্টেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টকে এবং তদন্ত এখনও চলছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

মাদুরো কি আমেরিকার হাতে বন্দি? ওয়াশিংটনের কাছে প্রমাণ চাইল ভেনেজুয়েলা

আশঙ্কাই সত্যি হল। শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি এখনও পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেনি।ভেনেজুয়েলার এক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানিয়েছেন, মাদুরোকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনও তথ্য নেই। তিনি স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনের কাছে মাদুরো জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি।তবে মার্কিন সেনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। নিজের এক্স হ্যান্ডলে মাইক লি লেখেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে চলা একাধিক ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে বন্দি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের তালিকায় রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন নয়। সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান এলাকায় বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। তার পরই মাদুরো অভিযোগ করেন, আমেরিকা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ শুরু করেছে এবং জোর করে দেশের শাসনব্যবস্থা বদলাতে চাইছে।গত মাসে ভেনেজুয়েলা ও সংলগ্ন এলাকার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভাণ্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয় সেখানে।সম্প্রতি চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে মাদুরো সরকারের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ভেনেজুয়েলার এক বন্দরে মার্কিন হামলার দাবি করে সিএনএন। অভিযোগ ছিল, ওই বন্দর ব্যবহার করে মাদক পাচার করা হচ্ছিল। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal