• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

'বঙ্গে আসছে বিজেপিই'! পিকে-র অডিও টেপ ফাঁস

চতুর্থ দফার ভোটপর্ব শুরুর আগেই প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) একটি অডিও টেপ সামনে আনলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভোট কুশলীকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাজ্যের ভোটে নরেন্দ্র মোদি, হিন্দুত্ব, মেরুকরণ, অবাঙালি ভোট বড় ফ্যাক্টর। বলতে শোনা গিয়েছে, মতুয়া ভোটের দুই তৃতীয়াংশ এবং সামগ্রিক হিন্দু ভোটের অর্ধেক বা তার বেশি বিজেপি-র পক্ষে পড়বে। অমিতের দাবি, ওই অডিওটি পিকের ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশ। পিকে অবশ্য কার্যত মেনে নিয়েছেন চ্যাটের কণ্ঠস্বরটি তাঁরই।এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রশান্ত শনিবার টুইটারে লিখেছেন, আমি খুশি, বিজেপি তাদের নেতার কথার চেয়ে আমার চ্যাটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কথার নির্দিষ্ট কিছু অংশ তুলে ধরে উত্তেজিত না হয়ে তাদের পুরো চ্যাটটি প্রকাশ্যে আনা উচিত। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ১০০ পেরোবে না। তিনি দাবি করেছেন, অডিও ক্লিপটিতে তাঁর ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশবিশেষ কেটে নিয়ে প্রকাশ করেছে। পুরো চ্যাটটি প্রকাশ করা হলে পরিষ্কার হবে তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন।অডিও ক্লিপে প্রশান্তকে বলতে শোনা গিয়েছে, ভোট থাকলে তা মোদির নামে রয়েছে। ভোট থাকলে হিন্দুত্বের নামে রয়েছে। মেরুকরণ, মোদি, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলোই ফ্যাক্টর। শুভেন্দু গেল, কী প্রশান্ত কিশোর এল, তা এখানে ধর্ত্যব্যের বিষয়ই নয়। মোদি এখানে জনপ্রিয়। ১ কোটি হিন্দিভাষী এবং ২৭ শতাংশ দলিত ভোটার পুরোপুরি বিজেপি-র সঙ্গে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ধর্মীয় মেরুকরণের গুরুত্বের কথাও।সেই সঙ্গে চ্যাটে একটি প্রশ্নের উত্তরে মতুয়া ভোটের গুরুত্বের কথা জানিয়ে প্রশান্ত বলেছেন, আমাদের সমীক্ষার হিসেব বলছে, লোকসভা নির্বাচনের মতো একতরফা না হলেও এখনও মতুয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ বিজেপি-র পক্ষে এবং ২৫ শতাংশ তৃণমূলের পক্ষে যাবে।তাঁদের সমীক্ষার ফল সম্পর্কে প্রশান্ত বলেন, আমরা ভোটারদের কাছে মূলত দুটি বিষয় জানতে চেয়েছিলাম প্রথমত, আপনি কাকে ভোট দেবেন। দ্বিতীয়ত, কে সরকার গড়বে। কে সরকার গড়বে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশই উত্তর দিয়েছেন, বিজেপি। কেন এমন উত্তর এসেছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রশান্ত। তাঁর কথায়, যাঁরা বিজেপি-কে ভোট দেবেন, তাঁরা তো বলছেনই, এমনকি বামেদের পক্ষে যে ১০-১৫ শতাংশ ভোটদাতা রয়েছেন তাঁদেরও দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। ওই বাম ভোটদাতাদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর প্রশ্নটাই প্রধান বলে দাবি প্রশান্তের। কারণ, ওই বাম ভোটদাতারা মনে করেন,বিজেপি সরকার গড়লে বামেদের সুদিন ফিরবে।চ্যাটে তিনি বলেছেন, তৃণমূল স্তরে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী আছেন। হতে পারে তাঁরা বাম থেকে বিজেপি-তে এসেছেন। কিন্তু এখন তাঁরা একনিষ্ঠ ভাবে বিজেপি-র হয়েই কাজ করছেন। একটি-দুটি জায়গা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনও এলাকা নেই, যেখানে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী নেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতি হলে তৃণমূল কত ভোট পেতে পারে? প্রশান্তের জবাব, আমার হিসেবে বিজেপি ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ হিন্দু ভোট পাবে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

আত্মরক্ষার্থেই গুলি, রিপোর্ট গেল কমিশনে

চতুর্থ দফার ভোটেও প্রাণহানি অব্যাহত। তবে এ বার অভিযোগের আঙুল ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে তা খারিজ করে দিলেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন তিনি।শনিবারের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের হাতে, তাদের গুলিতেই ভোটারদের মৃত্যুর তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল। এ সব নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, সেই সময় কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে বিবেক জানালেন, শীতলকুচির জোড়পাটকির যে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে কুইক রেসপন্স টিম পাঠানো হয়। এর পর দুপক্ষের সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু গ্রামের মানুষ তাদের ঘিরে ধরেন। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এমন রিপোর্টই বিবেক দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিবেকের এই যুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিবেকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গুলি চালিয়ে মানুষগুলিকে মেরে ফেলে এখন আত্মরক্ষা বলে চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা।শীতলকুচির সাধারণ মানুষও গোটা ঘটনার জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোড়পাটকির এক বাসিন্দার প্রশ্ন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে পায়ে গুলি চালাতে পারত কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদম নিশানা করে প্রত্যেকের বুকে গুলি লাগল কী ভাবে? স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বুথে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীই গুলি চালায়। তবে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তি এবং রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে জানিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

করোনাবিধি না মানলে বিনা নোটিসেই বন্ধ হতে পারে সভা-মিছিল

লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। ১ এপ্রিল থেকে গত দশ দিনে রাজ্যে সংক্রমণ তিনগুণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। চতুর্থ দফার ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে, শুক্রবার কমিশন জারি করেছে কঠোর নির্দেশিকা। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এইভাবে চলতে থাকলে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করার পথে যাবে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্বের নির্দেশ না মানা হলে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো নিষিদ্ধ করা হবে।উল্লেখ্য, কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু। দুইয়ের নিরিখে গতবছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। অন্তত রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য তাই বলছে। মানে, কুড়ির করোনাপর্বের সুচনালগ্নের রিরান শুরু হয়েছে একুশেও। এমতাবস্থায় আগেরবারের মতোই কোমরবেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। আগামী সপ্তাহেই স্বাস্থ্যদপ্তর ও কলকাতা পুরসভা যৌথভাবে মহানগরের ঘনবসতি এলাকায় ফের বুথ করে করোনা পরীক্ষা অভিযানে নামছে। তথ্য বলছে, গতবছরের ১৫ অক্টোবর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩,৭২০। তবে সেই সময়ে দৈনিক কোভিড পরীক্ষা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এখন পরীক্ষা কম। কিন্তু সংক্রমণ দ্রুত ছড়ানোর এমন চিত্রে চোখ বুলিয়ে যারপরনাই দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা দুষছেন আট দফা লম্বা ভোটকে। বিহার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের কোভিড বিধি মানার যে নির্দেশিকা ছিল সেটিই এবারে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে ফের জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার নতুন নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ওই নির্দেশিকা মেনে চলছে না রাজনৈতিক দলগুলি। যদি দেখা যায়, সভায় বা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরছে না এবং মঞ্চে নেতারা শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বিনা নোটিসেই নিষিদ্ধ করা হবে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই এখনও বিধানসভা ভোট শেষ হওয়া বাকি। রাজ্যে পরবর্তী চার দফার প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলিকে যে সতর্ক হতেই হবে তা এদিন রাতের নির্দেশিকায় স্পষ্ট।বড় বড় সভার ক্ষেত্রে সেটা হওয়া আদৌ কতটা সম্ভবপর তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফলে কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও কোনও ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বন্ধ হতে পারে। শুক্রবার রাতে কমিশনের এই নির্দেশিকার কথা জানাজানি হওয়ার পর চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নেতাদের কপালে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের এক কর্তার কথায়, কোভিড সংক্রমণ কলকাতার চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও ছড়িয়েছে। ভোটের কারণে কলকাতা থেকে যাঁরা জেলায় যাচ্ছেন তাঁদের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

বঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

ভোটের বঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তির পাশাপাশি নতুন করে চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে রাজ্যের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় লাফিয়ে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে নতুন করে কোভিড-১৯-এ সংক্রমিত ৩৬৪৮ জন। বৃহস্পতিবারও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮০০। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল প্রায় ৮০০। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের ৮ জনের। সংক্রমণের হারে সবচেয়ে এগিয়ে কলকাতা। এখানে দৈনিক আক্রান্ত ৬৭৫ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক কম। ২৪ ঘণ্টায় ১১৪৬ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। করোনা থেকে সুস্থতার হার এ নিয়ে দাঁড়াল ৯৫.২২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত মহামারির কামড়ে মৃত্যুর মুখে পড়েছেন রাজ্যের ১০,৩৭৮ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ১৮, ৬০৩, যা গত দিনের তুলনায় প্রায় ৩০০০ বেশি। কলকাতার পরই যেসব জেলার করোনা পরিসংখ্যানে মাথাব্যথা বাড়ছে, তা হল উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে একদিনেই সংক্রমিত হয়েছেন ৬৫৭ জন। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আচড়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবারই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় এই বৈঠকে ছিলেন না। বাংলার তরফে ছিলেন মুখ্যসচিব। তাতে নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয়েছে ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়েও। বাংলায় টিকাকরণের কী পরিস্থিতি, ভোটযুদ্ধের মাঝে সতর্কতা কতটা নেওয়া হচ্ছে, সেসব নিয়ে সংশয় থাকছে। তার উপর এই লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের আশঙ্কা বাড়ছে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

ভোটের আগের দিন উত্তপ্ত কসবা

ভোটের আগের দিনই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কসবা বিধানসভা কেন্দ্র। দিনেদুপুরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর উপর হামলার ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোটের কয়েকদিন আগে থেকেই কসবার ৬৭নং ওয়ার্ড এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার তাঁদের উপর চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের তরফে। তবে শুক্রবার এলাকার অশান্তির মাঝে এলাকায় কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি। ফলে নির্বাচনী আবহে কসবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একুশের ভোটে লড়ছেন তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান, বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। ৬৭ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবারই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি ঢুকে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। শুক্রবার সকালের দিকেও ছবিটা একই ছিল। রামঠিকারী মাঠ এলাকায় জনা ২০ যুবক বাইক নিয়ে একই কথা বলে তাঁদের। আর সেই হুমকি দিতে দিতেই তারা বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। সেখানে উপস্থিত এক যুবককে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলের দিকে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। শতরূপের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকদিন ধরে অশান্তির খবর পেয়েও উদাসীন থানা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কসবা থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তোলেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর অভিযোগ, তিনি নিজে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা এর প্রতিকার চেয়ে বিক্ষোভেও শামিল হয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ। এ নিয়ে পালটা ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, তৃণমূল নয়, বিজেপির তরফেই এলাকার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হয়েছে। ভোটের আগে বিজেপিই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে কসবায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
দেশ

অবশেষে মুক্তি পেলেন কোবরা কম্যান্ডো

অবশেষে মুক্তি পেলেন ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের হাতে বন্দি কোবরা কম্যান্ডো রাকেশ্বর সিং মিনহাস। গত সোমবার স্থানীয় এক সাংবাদিকের কাছ থেকে জানা যায়, রাকেশ্বর নাকি মাওবাদীদের হেপাজতে রয়েছেন। মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমা নাকি নিজে ফোন করেছিলেন ওই সাংবাদিককে। তাঁর ছবি প্রকাশ করে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালানোর প্রস্তাব দেয় মাওবাদীরা। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে বন্দি জওয়ানের মেয়ের একটি ভিডিও। সেই ভিডিওয় কান্না ভেজা গলায় বছর পাঁচেকের ছোট্ট মেয়েটির আবেদন শোনা গিয়েছে,আমার বাবা যেন তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। টিভি থেকে রাকেশ্বরের নিখোঁজ হওয়ার খবর পান বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী মীনা। রাকেশ্বরের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কার্যত ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। এমনকী জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিংকেও মীনা আবেদন করেছেন, দ্রুত তাঁর স্বামীকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুকে নোটিস নির্বাচন কমিশনের

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলে সম্বোধন করে কমিশনের কোপে পড়লেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার শুভেন্দুকে এ বিষয়ে শোকজ নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ নন্দীগ্রামে ভোটের শেষ প্রচারের দিন প্রতিপক্ষ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে মমতা বেগম বলে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তৃণমূল শিবির প্রথমেই তীব্র আপত্তি তোলে। এটা অসম্মানজনক বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। সেই অভিযোগ ভালভাবে খতিয়ে দেখে ভোট হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর শুভেন্দুর সেই মন্তব্যকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে চিহ্নিত করেল কমিশন। আর তারপরই শুভেন্দুকে নোটিস পাঠানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। যদিও কমিশনের এই শোকজ নোটিস নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শুভেন্দু অধিকারী কিংবা গেরুয়া শিবিরের কেউই।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের উপর হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১৬

দিলীপ ঘোষের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে কোচবিহারের শীতলকুচি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কমপক্ষে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বুধবার শীতলকুচিতে সভা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের। সেই সভা সেরে বেরনোর সময় দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, যে মাঠে তাঁর সভা হয়েছিল, সেখানেই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। দিলীপের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও দুটি বোমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আধলা ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তাঁর নিজের গায়েও ইটের আঘাত লেগেছে। কনভয়ের অন্য গাড়িতেও বোমা পড়েছে বলেও দাবি করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে নামে পুলিশ।অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে কলকাতায় কমিশনের বাইরে ধরনা দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও দলের নেতা-কর্মীরা। ফলে কোচবিহারের ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতাতেও। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতভর কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় বোমাবাজি করা হয়। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলের কর্মীরাই অভিযোগ করেছেন রাতে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবিষয়ে কোচবিহারের এসপি দেবাশিস ধর বলেন, গতকাল প্রায় ১৫০ জন ঘটনাস্থলে ছিল। রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপি জানিয়েছেন, এই ঘটনার কারণেই ভোটে শুধু কোচবিহারেই ১৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশন। থাকবে ৬ হাজার রাজ্যপুলিশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরাল কমিশন

ভোটের আবহেই দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দুই বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরিয়ে দিল কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, এঁদের তিনজনের বিরুদ্ধেই ভোটের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার দুই থানার পুলিশ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নিখিল নির্মলকে সরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিইও করা হয়েছে ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার সি মুরুগানকে। পূর্ব বর্ধমানের ডিইও করা হয়েছে শিল্পা গৌরীসারিয়াকে। তিনি ২০০৯ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে বসানো হয়েছে পশ্চিম বধর্মানের জেলার নির্বাচন আধিকারিকের পদে। কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই আধিকারিকদের সরানোর সিদ্ধান্ত।তবে শুধু নির্বাচনী আধিকারিকদের সরানো নয়। প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। সেই উদ্দেশ্যেই আগামী পর্বে কলকাতার যে এলাকায় নির্বাচন, সেই এলাকার দুটি থানার আধিকারিকদের বদলে দিয়েছে কমিশন। রিজেন্ট পার্ক থানার ওসি মৃণালকান্তি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী থানার ওসি প্রতাপ বিশ্বাসকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে। পরিবর্তে টালিগঞ্জে রাম থামা এবং মলয় বসুকে বাঁশদ্রোণী থানার ওসি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, টালিগঞ্জে এবার হেভিওয়েটেদের লড়াই। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন। লড়াইয়ে সিপিএমের দেবদূত ঘোষও। সম্ভবত, সে কারণেই এই কেন্দ্রে বিশেষ নজর কমিশনের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

সকালে ফের কেঁপে উঠল একাধিক জেলা

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হল উত্তরবঙ্গে। কেঁপে উঠল একাধিক জেলা। গতকাল রাতের পর আজ সকাল ৭টা ৭ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। এর প্রভাব দেখা যায় মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।প্রসঙ্গত, সোমবার রাত আটটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট নাগাদ একইভাবে কম্পন অনুভব করেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুর ও মালদহের বাসিন্দারা। এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গ্যাংটক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২। ৭ থেকে ৮ সেকেন্ড কম্পন অনুভূত হয়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক গ্রাস করে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের। মূলত বহুতল আবাসনের বাসিন্দারা নেমে আসেন রাস্তায়। কার্যত হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও এই কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। প্রাণহানিও ঘটেনি বলেই জানা যাচ্ছে।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই আজ সকালে নতুন করে কম্পন অনুভূত হয় এই জেলাগুলিতে। তবে, আজকের কম্পন ছিল একেবারেই মৃদু। এর উৎস বা মাত্রা কোনওটাই এখনও জানা যায়নি। এটা গতকালের ভূমিকম্পের আফটার শক হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, আজ ভোরেও অসমের তিনসুকিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ২,৭। এই ভূমিকম্পের জেরেই উত্তরবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল কিনা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

তৃতীয় দফার ভোটযুদ্ধে বিক্ষিপ্ত অশান্তি তিন জেলায়

বঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটযুদ্ধ। বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে দুদফার মোট ৬০ আসনের ভোটগ্রহণ পর্ব। আজ তৃতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া এই তিন জেলার মোট ৩১ আসনে ভোটগ্রহণ। ভাগ্য নির্ধারণ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর। সকাল থেকে ভোটের লাইনে উৎসাহী জনতার ভিড়। পাল্লা দিয়ে ভোট শুরুর পর থেকেঈ নানা অশান্তির খবর আসতে শুরু করেছে। অভিযোগ, তৃণমূল-বিজেপি উভয়পক্ষের। আসুন দেখে নেওয়া যাক কোথায় কোথায় অশান্তির পারদ চড়ছে।সকাল ৫.৫০: উলুবেড়িয়া উত্তরের তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল কর্মীর বাড়ির সামনে থেকে ইভিএম। ভোট লুটের চেষ্টা করছিলেন গৌতম ঘোষ নামে ওই কর্মী, অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ নিয়ে চূড়ান্ত উত্তেজনা এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।সকাল ৬: ভোট শুরুর আগেই হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নিহতের নাম মাধবী আদক। ছেলে বীরুর উপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালালে, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মা। ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাতেই মাধবীদেবীর মৃত্যু হয় বলে দাবি বিজেপির। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। সকাল ৬.১৬: ক্যানিং পশ্চিমের হিঞ্চেখালি গ্রামে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি।সকাল ৬.৩০: ক্যানিংয়ের জীবনতলার হেদিয়া গ্রামে আইএসএফ এজেন্টকে বুথে যেতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের অন্তর্গত দুর্গাপুরের ১২৭ নং বুথের ঘটনা। আইএসএফ-তৃণমূলের হাতাহাতিতে হেদিয়া গ্রামে চলল গুলি। ভোট শুরুর আগেই আতঙ্ক এলাকায়।সকাল ৬.৫৪: বাগনানে তৃণমূলের বুথ সভাপতির উপর হামলার অভিযোগ। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয় তাঁকে। জখম হয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি তিনি। অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০২: ভোট শুরুর আগে রাজনৈতিক অশান্তি হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে। ১৮৮ নং বুথে বিজেপি ও আইএসএফ এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।সকাল ৭.০৮: ক্যানিংয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে। ভর্তি হাসপাতালে। কাঠগড়ায় তৃণমূল।সকাল ৭.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে বাধাদানের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নেত্রা হাইস্কুলের বুথের বাইরেই বসে বিক্ষোভ প্রার্থী মইদুল ইসলামের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ঘণ্টা বুথে বসতে পারলে আমি কেন পারব না? প্রশ্ন মইদুলের। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সকাল ৭.২৮: বাগনানের দেউলটিতে বুথের বাইরে অতিরিক্ত জমায়েত। তা হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর। বুথের বাইরে উত্তেজনা। সকাল ৭.৩৫: তুলসিবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে ইভিএম উদ্ধারের ঘটনায় কড়া নির্বাচন কমিশন। সেক্টর অফিসারকে সাসপেন্ড। ৪ টি ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না, জানাল কমিশন। রিপোর্ট তলব করলেন ডেপুটি কমিশনার সুদীপ জৈন।সকাল ৭.৪১: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর বিধানসভার অন্তর্গত কুলেরদাঁড়ি অঞ্চলের ১০৭ বুথে বিরোধী এজেন্টদের বসতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে রাত থেকে চলছে বাড়ি ভাঙচুর, মারধর, খুনের হুমকি।সকাল ৭.৪৪: তারকেশ্বরের রামনগরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। ভোটের আগের রাতে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ২ জওয়ানের বিরুদ্ধে। তাকে ধরে গণপিটুনি উত্তেজিত জনতার। ভোরে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান স্থানীয়রা। কিন্তু থানা অভিযোগ গ্রহণ না করায় ফের বিক্ষোভ জনতার।সকাল ৭.৫৫: ক্যানিংয়ের তালদির কুমোরখালির বুথে ইভিএম বিভ্রাট। কুলতলির ২৩৮, ২৩৮এ, ২৩৯ বুথে রাত থেকে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, শুরু হয়নি ভোট। সকাল ৮.০১: উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি তারকা প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। সেখানে দাঁড়িয়ে জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়ালেন তিনি। পরে বুথে থাকা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা হয় তাঁর।সকাল ৮.১০: ভোটের দিনই বাসন্তীর সোনাখালিতে উদ্ধার ২ ড্রাম বোমা। এলাকায় উত্তেজনা।সকাল ৮.১৭: রায়দিঘি বিধানসভার উত্তর কুমড়োপাড়া ২১৩ ও ২১৪ নং বুথের ৬০ মিটারের মধ্যে ক্যাম্প করে ভোটারদের প্রভাবিত করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। সকাল ৮.৩৬: তারকেশ্বরের ১৪ নং বুথে বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তকে ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান কয়েকজন যুবকের। এ নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা। পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।সকাল ৮.৪৯: বারুইপুর পূর্বের বেলাগাছি, কানাপাড়ায় উত্তেজনা। ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটারদের অভয়বার্তা বাহিনীর জওয়ানদের।সকাল ৯.১৭: মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের লক্ষীকান্তপুরের চৌকিতলায় বিজেপির বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ তৃণমূলের। সাতগাছিয়া বিধানসভার ২০৫ ও ২০৬ নম্বর বুথে বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের মারধর করে তৃণমূল। ৫ জন আহত হন। সাতগাছিয়া বিধানসভার নোদাখালির আইমা এফপি স্কুলের বুথে বোমাতঙ্কও হয়েছে। সকাল ৯.৩৫: হাওড়ার শ্যামপুরে ১৭৩ নং বুথে তৃণমূলের ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। সকাল ১০.০৮: ডায়মন্ড হারবারের পূর্ব দাগিরায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার।সকাল ১০.১৯: হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে ফের অশান্তি। বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মহিলাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।সকাল ১০.২৬: তারকেশ্বর টাউনের ২৬০ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট পাপ্পু সিংকে বুথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ টাউন তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন সামন্তের বিরুদ্ধে। দুপক্ষের মধ্যে বচসা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট, ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন

বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ। অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বা পোস্ট মুছে ফেলার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। আপত্তিকর পোস্ট নিয়ে আজ সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর তরফে কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।তৃতীয় দফা ভোটের আগে সোমবার বিকেলে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কমিশনে যায়। সেখানে তথ্য প্রমাণ সহযোগে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়। অনিন্দ্য চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লাগাতার আপত্তিকর পোস্ট করতেন বলে অভিযোগ। সেই পোস্টের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের পোস্টের উপর নজর রাখার জন্য কমিশনের মিডিয়া মনিটরিং সেল রয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিডিয়া মনিটরিং সেলকে শুভেন্দুর অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই অভিযোগে, তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া মনিটরিং সেল ওই পোস্টগুলির উৎস খুঁজে বের করে। এবং যে জেলা থেকে এই পোস্টগুলি করা হয় সেখানে অভিযোগ পাঠানো হয়। জেলায় এই সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা অফিসাররা আপত্তিকর পোস্টগুলি সেন্সর করা বা মুছে ফেলার কাজ করে। জানা গিয়েছে, অনিন্দ্য চৌধুরী নামের ওই ব্যক্তির আপত্তিজনক পোস্টগুলো ইতিমধ্যেই মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এবং প্রয়োজনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
কলকাতা

‘মমতার পা ভেঙেছে, মন ভাঙতে পারেনি’, প্রচারে এসে বললেন জয়া

বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ নয়, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসে নিজেকে বাংলার মেয়ে হিসেবে তুলে ধরলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। বললেন, আমি জয়া বচ্চন। আগে জয়া ভাদুড়ি ছিলাম। বাবার নাম তরুণ কুমার ভাদুড়ি। আমরা প্রবাসী বাঙালি।রবিবারই কলকাতায় এসেছেন জয়া বচ্চন। সোমবার শুরু করলেন তৃণমূলের হয়ে প্রচার। তার আগে তৃণমূল ভবনে একদিকে দোলা সেন ও অন্যদিকে পূর্ণেন্দু বসুকে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। সেখানেই শুরুতে নিজেকে প্রবাসী বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেন জয়া। ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নির্বাচনী প্রচারে আসা নিয়ে শুরু থেকেই বহিরাগত অভিযোগে আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। সেখানে জয়ার প্রচারে অংশ নেওয়া নিয়ে যাতে গেরুয়াশিবির পাল্টা প্রশ্ন তুলতে না পারে সেই রাস্তাই যেন শুরুতে বন্ধ করে দিলেন জয়া।স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন জয়া। বলেন, অভিয়ন করতে আসিনি। যে কাজ দেওয়া হয়েছে, পালন করতে এসেছি। বলিউডের বাঙালি তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই বাংলায় প্রচারে নামিয়েছে বিজেপি। তার জবাব দিতেই জয়াকে তৃণমূল আসরে নামিয়েছে বলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর একটা পা বাংলায় ছিল, কিন্তু জয়ার তা ছিল না। সাংবাদিক বৈঠকে বেশির ভাগ সময়ই বাংলায় কথা বলেন জয়া। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি, বাংলার জল গানের দুটি লাইন পাঠও করেন জয়া।২০০৬ সালে জমি আন্দোলনের সময় থেকে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের। সেই দলেরই রাজ্যসভার সাংসদ জয়া। সে কথা বৈঠকের শুরুতেই মনে করিয়ে দেন দোলা সেন। দোলার কথার সূত্র ধরেই জয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলার গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই একা লড়ছেন মমতাজি। ওঁর মাথা ফাটিয়ে, পা ভেঙেও থামাতে পারেনি বিরোধীরা। ভাঙতে পারেনি হৃদয়। উনি বাংলাকে শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন। আমি জানি যে কাজটা উনি করতে চান, তা সম্পূর্ণ করবেন। শেষে মমতা বিরোধীদের জয়ার কটাক্ষ, মমতাকে যাঁরা বাজে কথা বলছেন, তাঁদের জন্য একটাই কথা, লজ্জা, লজ্জা!সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের আগে জয়াকে স্বাগত জানান রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। ছিলেন দোলা সেন ছাড়াও সমাজবাদী পার্টির এই রাজ্যের কয়েকজন নেতা। জয়ার মাথায় ছিল সমাজবাদী পার্টির লাল টুপি। নিজের দলের কথা উল্লেখ করে জয়া বলেন, অখিলেশজি আমাকে বলেছিলেন, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলকে সমর্থন করছে। আমাকে প্রচারে আসতে হবে। আমি খুব খুশি হয়েছি। অখিলেশ যাদব ও মমতাজিকে ধন্যবাদ জানাই। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার ধর্মকে আমি অপহরণ করতে দেব না। আমার গণতন্ত্রকে অপহরণ করতে দেব না। মমতা একজন মহিলা, যিনি সমস্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একা লড়াই করছেন। মহিলাদের জন্য নিরাপদতম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। সেটা তৈরি করেছেন মমতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 120
  • 121
  • 122
  • 123
  • 124
  • 125
  • 126
  • ...
  • 145
  • 146
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal