• ৪ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IJA

রাজ্য

আইজেএ এর উদ্যোগে সাংবাদিকতা কর্মশালা বর্ধমানে

প্রতি বছরের মতো এবারও সাংবাদিক সংগঠন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে হয়ে গেল সাংবাদিকতা বিষয়ে কর্মশালা। রবিবার বর্ধমান বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বর্ধমান জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং বিবেকানন্দ কলেজের সহযোগিতায় এই কর্মশালায় পঞ্চাশ জন অংশ নেন।কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশংকর মন্ডল । ছিলেন এভারেস্ট বিজয়ী সৌমেন সরকার, কাউন্সিলার ও সমাজসেবী রাসবিহারী হালদার, বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ অনিমেষ দেবনাথ, ওই কলেজের গণ জ্ঞাপন বিভাগের প্রধান বিনয় হাজরা, আইজেএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারকনাথ রায় প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইজেএর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অরূপ লাহা। সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সভাপতি স্বপন মুখার্জি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জগন্নাথ ভৌমিক। কর্মশালায় ৫১ জন ছাত্র ছাত্রী অংশ নেয়। ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, ডিজিটাল এবং প্রিন্ট মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই কর্মশালায়। প্রশিক্ষণ দেন তন্ময় প্রামাণিক, জয়প্রকাশ দাস, পার্থ চৌধুরী ও শুভেন্দু সাঁই। এদিন বৃক্ষবন্ধু সমন্বয় দলের পক্ষ থেকে অতিথিদের হাতে একটি করে গাছের চারা উপহার হিসাবে দেওয়া হয়।

জুলাই ২৮, ২০২৫
রাজ্য

বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশিস আইচের (বাচ্চুদা) প্রয়াণ

ক্ষণিকের আলাপ হয়েছিল। এক আলাপেই আপন করতে সময় নেননি তিনি। তবে গতকালের খবরে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গিয়েছিল। বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশিস আইচ আর নেই। তবে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল বাচ্চুদা নামেই। এক আলাপেই তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাকে টেনেছিল। সেদিন সঙ্গে ছিলেন আরেক বিশিষ্ট সাংবাদিক রজত রায়। এই দুজনের কথাবার্তা শুনে একেবারে মাটির মানুষ মনে হয়েছিল। দেবাশিস আইচের বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। ভর্তি ছিলেন নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শুক্রবার বিকেলে শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেন। কলকাতার মানুষ হলেও মফস্বলের সঙ্গে ছিল তাঁর নাড়ির টান। এমনকী উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সের জঙ্গলভূমি থেকে চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন তিনি। সেখানে ছুটে যেতেন মাঝে মাঝেই। সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষের কথা বলতেন। জীবন-যাপনও ছিল একেবারে সাধারণ। খাসখবর থেকে আকাশবাংলা, সকালবেলা, কলকাতা টিভি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেছেন। অসমের গৌহাটিতে একটি বাংলা সংবাদপত্রের সহসম্পাদক হিসাবে কাজ করেছেন। শেষের দিকে যুক্ত ছিলেন গ্রাউন্ড জিরো, ভিডিও ভলান্টিয়ার্সের সঙ্গেও। দেবাশিস আইচের লেখা কবিতার বইও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। যাই হোক ৭ অগাষ্ট ২০২২-এর দুপুরে বাচ্চুদার বক্তব্য শুনেছিলাম রাজ কলেজের সভাঘরে। সেদিন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসেসিয়েশন, বর্ধমান শাখার উদ্যোগ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। রজত রায়, দেবাশিস আইচ ও নির্ণয় ভট্টাচার্য, তিনজনই ভালো বক্তব্য রেখেছিলেন। এই ধরনের সেমিনারে অভিজ্ঞরা বক্তব্য় রাখলে অনেক অজানা বিষয় জানাও যায়। যাই হোক সেদিন সেমিনার শেষ হওয়ার পর বাচ্চুদার সঙ্গে আলাপ হল। এক আলাপেই কত আপন করে নিয়েছিলেন। মনে হয়েছিল কতবছর ধরে যেন আমাদের পরিচয়। স্বল্প সময়েই অনেক কথা হয়েছে। ভালো থাকবেন বাচ্চু দা।

জুন ২২, ২০২৪
কলকাতা

বগটুইয়ের নথি এল সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে

রামপুরহাটের অস্থায়ী সিবিআই-এর ক্যাম্প থেকে নথি নিয়ে আসা হল ফিজিও কমপ্লেক্স এর সিবিআই দপ্তরে। বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই সিবিআই এর তরফ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইকে দোষারোপ করেছে তাঁর পরিবার। সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।সিবিআই কাস্টাডিতে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্য়তম অভিযুক্ত লালন শেখের। এই ঘটনার পর সিবিআই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছে সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতায় পৌঁছে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মিটিং করেন তিনি। বুধবার সকালে আবার ফিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে এসে পৌঁছেছেন অজয় ভাটনগর। পাশাপাশি রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে একাধিক নথি এবং হার্ডডিস্ক মনিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেক এর সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বোরো ও রবি চাষে ডিভিসি-র জল কবে থেকে কতটা এবং কত দিন ধরে দেওয়া হবে জেনে নিন

আগামী বোরো ও রবির মরশুমে ডিভিসির জল বন্টন করা নিয়ে সোমবার এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়ে গেল বর্ধমান জেলা সার্কিট হাউসে। ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠক। এই বৈঠকে পাঁচটি জেলার আধিকারিকরা অংশ নেন। এছাড়াও কৃষি দপ্তর ও ডিভিসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর থেকে বোরো চাষে জল দেওয়া শুরু হবে। ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে রবিচাষের জল দেওয়া। বিজয় ভারতী জানান, এবারে মোট ২.৩৫ লক্ষ একর ফিট জল পাওয়া যাবে। গত মরশুমে এই পরিমাণ ছিল ৩.৩০ লাখ একর। গতবারের চেয়ে এবারে প্রায় ১০ শতাংশ এলাকায় কম জল মিলবে। এই পরিমাণ গতবারের চেয়ে কিঞ্চিৎ কম হলেও তাতে তেমন বড় অসুবিধা হবে না বলে মনে করেন আধিকারিকরা। তিনি জানান, পশ্চিম বর্ধমানে ১৬৫০ একর ফিট; বাকুড়ায় ১০০০০ একর ফিট, হুগলী জেলায় ২০০০০ একর ফিট এবং হাওড়া জেলায় ২৮০০ একরে জল দেওয়া হবে।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় ভারতীর নেতৃত্বে আজ আগামী বোরো ও রবি চাষের জন্য জেলায় কবে থেকে কতটা জল ছাড়া তার সিদ্ধান্ত হলো। তিনি জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ৪৭৫৫০ একর ফিট জল দেওয়া হবে। প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ১লা ডিসেম্বর সভাধিপতি পক্ষ থেকে একটা মিটিং আছে, সেখানে সিদ্ধান্ত হবে কোন কোন ক্যানালে কবে কতটা জল ছাড়া হবে। তিনি জানান, ২৬ ডিসেম্বর যে জল ছাড়া হবে তা ২৮ ডিসেম্বর নাগাদ পূর্ব বর্ধমানে এসে পৌছাবে। এছাড়া ২৫ জানুয়ারি থেকে রবি চাষের যে জল দেওয়া হবে তা শেষ হবে ৩০ এপ্রিল। জানা গেছে বোরো চাষে ১০ দিন অন্তর মোট ৫ বার জল দেওয়া হবে। রবিতে দেওয়া হবে মোট ৩ বার।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার!

বুধবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও পূর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাপতি দেবু টুডু বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে সমস্ত নেতাদের স্নায়ুতন্ত্র এত দুর্বল যে কে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তা বুঝতে পারছেন না, সে দলের না থাকাই ভাল। তিনি তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আগেকার দিনে যাত্রাপালায় একজন বিবেক থাকত। নীতিকথা শুনিয়ে যেত এটাও সে রকম। তোয়ালে মুড়ে টাকা না নিলেই হল।তিনি সৌমিত্র খানের প্রসঙ্গে বলেন,পঞ্চায়েতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দলে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তার সাথে আলোচনা হয় না। আমাকে সভাপতি করার আগেও হয়নি। তিনি আরও বলেন,অনন্ত মহারাজ রাজনৈতিক নেতা নন। তার কাছে কেউ যেতে পারেনমমিনপুরের প্রস্নগ টেনে বলেন, রাজ্যের আদালত নির্দেশ দিয়েছে। এন আই এ তদন্ত করছে। যারা অ্যারেস্ট হবার যোগ্য অ্যারেস্ট হবে। তিনি মল্লিকার্জুনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই প্রসঙ্গে বলেন, মল্লিকার্জুন কংগ্রেস সভাপতি হলেন। এমন একটা জাহাজে উনি ক্যাপ্টেন হলেন যেটা থেকে সবাই পালাচ্ছে। তবে মোদীজি আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, সেই শপথ গ্রহণ সভায় বিরধী নেতা হিসাবে তাঁকে স্বাগত।সুকান্ত মাজ্যমদার আজ বলেন, পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ না থাকলে উবে যাবে। আজ শিলিগুড়ির কাওয়াখালী গ্রাউন্ডে উত্তরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিঙ্গুর থেকে টাটাকে সিপিএম তাড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, উনি তো মাঝে মাঝেই মিথ্যে কথা বলেন। এটা নতুন কিছু নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিজয়া সন্মিলনী ঘিরে গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব চরমে বর্ধমানের মেমারীতে

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনে গড় হাজির পূর্ব বর্ধমানের মেমারী শহরের একাধিক নেতৃত্ব। শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত পূর্ণ তির্যক মন্তব্যে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।মেমারী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও মেমারি পৌরসভার একাধিক নেতৃত্বর অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। এমন কি অনুপস্থিত ছিলেন মেমারী পৌরসভার পৌর প্রধান স্বপন বিষয়ী ও উপ পৌরপ্রাধান সুপ্রীয় সামন্ত।এ বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন ঘোষালের অভিযোগ, ২০২১ সালে যারা বিজেপি জিতবে বলে উল্লাস করেছিল, তারা আজকে অনুপস্থিত আছে। ২১ সালে যারা সিপিএম এবং বিজেপির সাথে টক্কর লাগিয়ে লড়াই করেছিল তারা সবাই আছে।কার্ডে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান এর নাম নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সাংগঠনিক ব্যাপার, এখানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান নাম থাকার কোনো ব্যাপার নেই। পুরসভার কোন অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যানের নাম থাকত। তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের এই সম্মেলনকে আটকাবার জন্য আজকে যারা আসেনি তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে। সিপিএমের আমলে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস কে ভোট দিতে যেমন বাধা দেওয়া হতো, আটকে দেওয়া হতো, ঠিক তেমনি ভাবে একটি সম্মেলনে না আসার জন্য আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে। যারা অনুপস্থিত তারাই ভয় দেখিয়েছে। তবে যারা আটকাচ্ছে তারা তৃণমূল কিনা জানি না। যারা বিজেপির সাথে আঁতাত করে ২১ সালে বিধায়ককে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাই আজকে ব্যারিকেড করেছে।যদিও এই বিষয়ে মেমরি পৌরসভার পৌর প্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান কোন কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একটু দেরিতে পৌঁছেছি এখানে, অনুপস্থিতির বিষয়টি দেখতে পাচ্ছি তবে কারণ কি এখনও জানি না, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজদের দল। কোন নেতার সাথে থাকলে বেশি ভাগবাটোয়ারা পাওয়া যাবে সেই নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কোন্দল আছে। সেকারণে সব নেতারা একসাথে থাকতে পারে না।শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেমারীর কৃষ্টি প্রেক্ষা গৃহে মঙ্গলবার বিকেলে বিজয়া সম্মেলন ও দলীয় প্রবীণ নেতৃত্বদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে মেমারী পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২জন কাউন্সিলর থাকলে ও গড়হাজির ছিলেন বাকি ১৪ জন কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজনীতি

দ্বিতীয় বার জেলা সভাপতি হয়ে কেষ্ট গড়ে বিজয়া সম্মিলনীতে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়

জেলা সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম পূর্ব বর্ধমানের কোন দলীয় সভায় হাজির হলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল জেলে যাওয়ার পর আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের দলীয় সংগঠন সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর শুক্রবার প্রথম আউশগ্রামে দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশ নিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। এবং তাৎপর্যপূর্ন ভাবে সেই যাত্রা শুরু অনুব্রত গড় বলে ক্ষ্যাত আউশগ্রাম।শুক্রবার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী ছিল গেরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে। এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বুথস্তরের কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় রেখে চলার বার্তা দিলেন। পাশাপাশি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য প্রস্তুতির পাশাপাশি গুরুদায়িত্ব হিসাবে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা প্রশাসনিকভাবে পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে পড়লেও বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত আউশগ্রাম। এই বিধানসভা এলাকায় দলীয় সংগঠন এতদিন ধরে সামলাছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তিনি গরুপাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা নেতৃত্বকে আউশগ্রাম এলাকায় সংগঠন দেখার দায়িত্ব দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অসিত মাল, জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্যনেত্রী জয়া দত্ত, আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার, বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক ও যুব নেতা তথা জেলা-যুব সম্পাদক বর্ধমানের রাসবিহারী হালদার।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
কলকাতা

'দুর্গাপুজোয় গান্ধিজিকে অসুর, জনগণ জবাব দেবে,' বললেন মমতা

এবার রাজ্যে দুর্গাপুজোয় ৫০ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে। পুজোয় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় সব থেকে বেশি। বৃহস্পতিবার উত্তীর্ণ সভাঘরে দলের বিজয়া সম্মেলনীতে একথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মায়ের আরাধনা শেষ করে লড়াই শুরু করছি। চারটে ডান্ডা নিয়ে গেলেন মনে করলেন তৃণমূল উঠে গিয়েছে, এত সোজা নয়। উতৎসব মরসুমে এসব করি না।কলকাতায় অসুরকে গান্ধির রূপ দিয়েছিল একটি পুজো কমিটি। তা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল। থানায় অভিযোগও হয়েছিল। শেষমেশ সেই রূপের পরিবর্তন করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, কথায় কথায় বলেন বাংলায় দুর্গাপুজো হয়না, সরস্বতী পুজো হয় না। এদিকে গান্ধিজিকে অসুর বানিয়ে দিলেন। এটা লজ্জার বিষয়। আমরা জানতে পারিনি। গোপনে করে দিয়েছে। মা দুর্গা গান্ধিজিকে মারছে। পরে তা সরানো হয়েছে। পুজোর সময় আমি কাউকে কিছু বলিনি। শুনলে সবার দুঃখ হবে। প্রতিবাদ করতে শুরু করবে। জনগণই এর জবাব দেব।এদিন ফের কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইডি, সিবিআইযের হাতে নানা সময়ে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও জেলবন্দি হয়ে আছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ ক্ষমতায় আছ। এজেন্সি দেখাচ্ছ। কাল যখন ক্ষমতায় থাকবে না তখন এজেন্সি তোমার ঘরে ঢুকে দুকান মূলে দেবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
কলকাতা

বিজয়া সম্মিলনীতে ডাক না পাওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের গোসাঁ, চরম কটাক্ষ বিরোধীদের

তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়া তাপসের জোড়া মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দুই তাপসই উত্তর ২৪পরগনার বিধায়ক। একজন আদি কংগ্রেসের অন্যজন সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়ের বিস্ফোরক মন্তব্যের পর বোমা ফাটালেন নিউটাউন-রাজারহাটের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। বুধবার নিউটাউনে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় নিজেকে অপমানিত বোধ করছেন স্থানীয় এই বিধায়ক। তিনি মর্মাহত। তাপসের কটাক্ষ, দলে দুটি শ্রেণি, বাবু ও চাকর। চাকরেরা ডাক পান না। আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিতেই পড়ি। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল ও বিরোধীদের প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কটাক্ষ করে আগুনে ঘি ঢেলেছেন নিউটাউন-রাজারহাটের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। এর আগে উত্তর কলকাতার তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়। বুধবার সন্ধেয় ইকো পার্কে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনীতে একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকলেও ব্রাত্য ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁরই বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন হলেও তাঁকেই সেখানে ডাকেননি উদ্যোক্তারা। তাতেই গোসাঁ হয়েছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়।স্বভাবতই এই ঘটনায় হতাশ তৃণমূল বিধায়ক। দলের প্রতি একরাশ অভিমান পড়েছে তাঁর গলায়। তাপস চট্টোপাধ্যায় বলেন,দলে দুটি শ্রেণি, বাবু ও চাকর। চাকরেরা ডাক পান না। আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিতেই পড়ি। আমার বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় এই অনুষ্ঠান হয়েছে। তবে আমি এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছু জানি না। আগেও ডাক পাইনি। সেবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েও সদুত্তর পাইনি। ওখানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন আমি কি তাঁদের মধ্যেও পড়ি না? দলে বাবু ও চাকরদের শ্রেণির মধ্যে আমি বোধ হয় দ্বিতীয় শ্রেণিভুক্ত। তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল।এই বিজয়া সম্মিলনীতে ডাক না পাওয়ায় তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্তকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তাপস চট্টোপাধ্যায়। সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁর বক্তব্যে। সব্যসাচী দত্তের সঙ্গে তাপস চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক বরাবরই অম্লমধুর। একাধিকবার পরষ্পরকে পরষ্পরের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেও দেখা গিয়েছে। যদিও দলের শীর্ষ নেতাদের হস্তক্ষেপে বিতর্ক বাড়েনি। তাঁকে বারবার বিজয়া সম্মিলনীতে ব্রাত্য রাখায় পরোক্ষে সব্যসাচীরই হাত দেখছেন তাপস, অন্তত তাঁর কথাবার্তায় সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট হয়েছে।তাপসের মন্তব্য, যাঁরা বলেছিলেন আর কটা দিন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলেছিলেন তাঁরা ডাক পান। আমি ডাক পাই না। দিনরাত পরিশ্রম করা অপরাধ কিনা জানি না। বিষয়টা খুব অপমানের। স্থানীয় বিধায়ককে বাদ দেওয়া হল। আমি সিপিএম থেকে এসেছি বলে হয়তো এখনও আমার বিশ্বাসযোগত্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তড়িঘড়ি বিষয়টি নিয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে।এদিকে তাপসের ওই অনুষ্ঠানে ডাক না পাওয়াকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, বিধায়ক মদন মিত্র গুরুত্ব দিতে নারাজ। এমন ঘটনা ঘটতেই পারে বলে প্রবীণ দুই নেতা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তবে, মদন মিত্র বলেন, তবে নিজেকে গালমন্দ করেছে তাপস, তবে আমি বলবো যেন আত্মহত্যা না করে। খেলা অনেক বাকি। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওই দলে তো সবাই কর্মচারী। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, বেশি তেলা আদায় করতে পারছে না বলে রেগে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও আশীর্বাদ চাইছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বিসর্জনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা-জলপাইগুড়ির মাল নদীতে হরপা বানে মৃত ৮, উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর

বিজয়াতে ঘোর বিষাদের মেঘ জলপাইগুড়িতে। প্রতিমা বিসর্জনে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। হঠাৎ হরপা বানে ভেসে গিয়েছে বহু মানুষ। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যে হরপা বানের তোড়ে ভেসে গিয়ে ৪ মহিসাসহ ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে মোট কত জন ভেসে গিয়েছে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। রাতে দুর্ঘটনা ঘটনায় উদ্ধারকার্যে সমস্যা হয়। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মাল নদীতে। গতকাল, দশমীর বিসর্জন পর্ব চলছিল। নদী ও আশেপাশে বহু মানুষ জড় হয়েছিল। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আচমকা হরপা বান চলে আসে। কিছু বোঝার আগেই জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায় বহু মানুষকে। চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন উপস্থিত সকলে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। নদীতে আটকে পড়া ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী বুলু চিক বারাইক আশঙ্কা করছেন, মাল নদীতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার জেরে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রবল জলের স্রোতে বেশ কিছু মানুষ ভেসে গিয়েছেন। জলপাইগুড়ির মাল নদীতে ভয়ঙ্কর এই দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। মৃত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
রাজ্য

তমলুকের টোলপ্লাজায় নবান্ন অভিযানের দিন তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস

১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানকে ঘিরে পূর্ব মেদিনীপুরের সোনাপাত্যা টোলপ্লাজায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে আকবরকে মারধোর করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ওই একই জায়গায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌমেন কুমার মহাপাত্র স্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে সোনাপ্যত্যা টোল প্লাজা থেকে মিলন নগর বাজার পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয়। এবং এর পাশাপাশি প্রধান কে যারা মারধোর যারা করে ছিলেন, তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছিলেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তমলুক থানার পুলিশ সুরজিৎ ধাড়া, টোটন মাইতি, কার্তিক হাজর, সুমন জানা, পার্থপ্রতিম মান্না, বিবেকানন্দ বেরা, চিন্তা মনি মাইতি, মিলন অধিকারী, ও অরুন মল্লিককে 147/148/149/341/323/325/307/379/506 জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করে।কিন্তু এই জামিন অযোগ্য ধারায় মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে সেই একই জায়গায় পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিল এলাকার বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। উপস্থিত তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জি, সহ-সভাপতি আশিক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র মাইতি সহ জেলা ও রাজ্যস্তরের একাধিক নেতৃত্বরা।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

নবান্ন অভিযানে বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর পুলিসি অত্যাচারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও কর্মসুচী

গত ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন চলো কর্মসূচিতে বিজেপি কার্যকর্তাদের উপর পুলিশের অত্যাচার এবং পরবর্তী সময়ে রাজ্য জুড়ে পুলিশী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালো বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ।শুক্রবার দুপুরে বর্ধমান টাউন হল চত্ত্বর থেকে মিছিল করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বর্ধমান থানার সামনে জড়ো হয়। থানা ঘেরাও করে চলে বিক্ষোভ। চলে পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগানও। আধঘন্টা বিক্ষোভ চলার পর বর্ধমান থানায় ডেপুটেশন দেওয়া হয়। বিক্ষোভ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেয় জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

পুলিশ ইচ্ছা করলে গুলি চালাতে পারত, শান্তিপূর্ণ ভাবে ম্যানেজ করেছেঃ মমতা

ফের বিজেপির নবান্ন অভিযান নিয়ে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, পুলিশ ইচ্ছা করলে গুলি চালাতে পারত। সংযত ভাবে আচরণ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ম্যানেজ করেছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর বিজেপির আক্রমণের নিন্দাও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নবান্ন অভিযানে কলকাতায় বিজেপি কর্মীদের মারধরে গুরুতর জখম কলকাতা পুলিশের এসিপি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর হাত ভেঙেছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ওই পুলিশ কর্তার অস্ত্রোপচার করতে হবে। মমতার বক্তব্য, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন হতেই পারে। গণতন্ত্রে সবার আন্দোলন করার অধিকার আছে। কিন্তু ট্রেন ভাড়া করে গুন্ডা আনবে? বাইরের রাজ্য থেকে ট্রেনে করে লোক নিয়ে এসেছে। ব্যাগে করে বোম নিয়ে আসব, বন্দুক নিয়ে আসব, মাথা ফাটাবো।নবান্ন অভিযানে এমজি রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধারনার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের জেরে দোকান-পাট বন্ধ রাখতে হয়েছে। নবান্ন অভিযানে ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষতি হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে মন্তব্য করেছেন। মমতা বলেন, আন্দোলনের জেরে বড়বাজার, মঙ্গলাহাট বন্ধ ছিল। পুজোর আগে ব্যবসায়ীদের বড় ক্ষতির মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার, পুড়ে ছাই পুলিশের গাড়ি

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে কলকাতা ও হাওড়ার বেশ কিছু এলাকায় মঙ্গলবার ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায়। নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে হাওড়া ও কলকাতা। এমজি রেডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে ব্যাপক ইঁট বৃষ্টি চলল পুলিশের ওপর। গ্রেফতার করা হয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহাকে।শুভেন্দু গ্রেফতাররের পর আন্দোলনের গতি বাড়ে সাঁতরাগাছিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যারাকপুর থেকে বাড়তি বাহিনী আসে সাঁতরাগাছিতে। পুলিশকে লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর ছুড়তে থাকে বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা দাবি করতে থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছাড়তে হবে। তা নাহলে আন্দোলন জারি থাকবে। সন্ধ্যার পর শুভেন্দু সহ অন্যরা লালবাজার থেকে ছাড়া পায়। শুভেন্দু জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশে তাঁদের পুলিশ ছাড়তে বাধ্য হয় বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি আগামিকাল আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার কলেজ স্ক্যোয়ার থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। হাওড়ামুখী রবীন্দ্র সেতুতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল, রাখা হয়েছিল জলকামানও। মিছিল রবীন্দ্রসেতুর মুখে পৌঁছানো মাত্র তা ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বিজেপি কর্মীরা ইঁট ছুড়তে থাকে পুলিশকে লক্ষ্য করে। পাল্টা ইঁট ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকেও।হাওড়া ময়দান, সাঁতরাগাছি ও রবীন্দ্র সেতু তিন জায়গাতেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। কলকাতায় ফিরে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা এমজি রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর কলকাতার একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজেপির রাজ্য দফতরের কাছেও পুলিশকে ছুটে যেতে হয়। সেখানেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। রাজ্য বিজেপি মঙ্গলবার তিন দিক থেকে নবান্ন অভিযান শুর করে। সাঁতরাগাছির দিক থেকে অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, হাওড়া ময়দান থেকে দলের রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার ও হাওড়া রবীন্দ্র সেতুর দিকে সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে শুভেন্দুর গ্রেফতারি নিয়েই তোলপাড়় রাজনৈতিক মহল।সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহা সহ অন্যরা। ছবিতে দেখা যায় বিরোধী দলনেতার পিঠের দিকে হাত বাড়িয়ে ওই মহিলা পুলিশ কর্মী বলতে থাকেন চলুন। শুভেন্দু বলে ওঠেন, ডোন্ট টাচ মি। ডোন্ট টাচ মাই বডি। ইউ আর লেডি, আই এম মেল। আপনি লেড গায়ে হাত দেবেন না। জেন্টস পুলিশ ডাকুন। তখন ডিসি সাউথ আকাশ মেঘারিয়া বলেন, পুলিশ তো পুলিশই হয়। লেডিস জেন্টস হয় না। তারপর তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। বিরোধী দলনেতার ওই মন্তব্যের পর তৃণমূল বলতে শুরু করে, আন্দোলনের ময়দান থেকে পালিয়ে গিয়েছেন শুভেন্দু। এই নেতাকে কর্মীরা কী করে ভরসা করতে পারে বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতারঃ সুকান্ত

বিজেপি-র নবান্ন অভিযানের মিছিলে যগদান করার মুহুর্তেই গ্রেপ্তার করা হয় দলের তিন প্রথম শ্রেনীর নেতৃত্ব শুভেন্দু, লকেট ও রাহুল সিনহাকে। তাদের গ্রেফতার করে লালাবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে হাওড়া স্টেশনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে উত্তেজনা। হাওড়া স্টেশনেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিতে শোনা যায় তাঁকে। মিছিল করে নবান্নের উদ্দেশে যাত্রা শুরু বিজেপি রাজ্য সভাপতির।সুকান্ত বলেন, গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এমারজেন্সির সময় যে ধরনের ব্যরিকেড করা হয়েছিল সেই একই জিনিস দেখতে পেলাম কলকাতার রাস্তায়। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির নবান্ন অভিযান সফল করতে মরিয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে রাজ্য পুলিশও তা রুখতে কোনও রকম খামতি রাখেননি।আর এই দুয়ের মাঝে পড়ে নাজেহাল দশা সাধারণ মানুষের। যাঁরা রাস্তায় নেমেছেন রুটিরুজির জন্য কিংবা যাঁর ঘরের মানুষটাকে এদিন হাসপাতালে না নিয়ে গেলেই নয়, তাঁরা কার্যত দিশাহারা। নবান্ন অভিযান ঘিরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা, অর্থাৎ হাওড়া থেকে আন্দুল থেকে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। সাঁতরাগাছিতে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়েছে। দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্সও। নবান্ন অভিমুখে যতগুলি রাস্তা, এদিন কার্যত সবই রুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে যুদ্ধক্কালীন প্রস্তুতি পুলিশের! প্রস্তুত জলকামান, বজ্র, ড্রোনেও নজরদারী

সকাল থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে হাওড়া, ও কলকাতার পুলিস। বিজেপির নবান্ন অভিযান কর্মসূচি রুখতে বিশাল বাহিনী নিয়ে তৈরি এই দুই জেলার পুলিশ। মঙ্গলবার ভুর থেকে তারা রাস্তায় নেমে পড়েছে। কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে নবান্ন এলাকা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মিছিল আটকাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে । রাস্তার গুলিকে গার্ড রেলিং দিয়ে ঘিরে ফেলেছে তারা।শহরের বিভিন্ন দিক থেকে বিজেপির নবান্ন-অভিযান মিছিল রুখতে ৫টি জলকামান নিয়ে প্রস্তুত পুলিস। এর সাথে থাকছে দুটি বজ্র। ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারী চালানো হচ্ছে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়। যানানো যাচ্ছে, গেরুয়া বাহিনীর এই নবান্ন অভিযান কর্মসূচির কোনও অনুমতি দেয়নি হাওড়া পুলিশ। সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, তারা জানতেন এই অভিযানের অনুমতি পুলিস তাদের দেবেন না। তিনি এটাও জানিয়েছে, পুলিশি অনুমোদনের অপেক্ষায় তা নেই। সব বাধা উপেক্ষা করেই বিজেপির এই নবান্ন অভিযান সফল হবে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সমগ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজরদারিতে রয়েছেন বিশেষ কমিশনার দময়ন্তী সেন। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন দুজন করে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যাতে কোনও খামতি না থাকে তাঁর জন্য আরও ১৮ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিককে রাখা হয়েছে।যারা হাওড়া ও কলকাতা অভিমুখে যাবেন তাদের উদ্দশ্যে পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত দ্বিতীয় হুগলি সেতু ( বিদ্যাসাগর সেতু) এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত হাওড়া ব্রিজ (রবীন্দ্র সেতু) দিয়ে যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শহরে যে সমস্ত মালবাহী গাড়ি ঢোকে সেটাও পুলিসের তরফ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষের ভয়ঙ্কর ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

জলপাইগুড়ি তে শুভেন্দু'র সভা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতর

রাজ্য জুড়ে চলা বিজেপির তোলা দুর্নীতি বিরোধী ঝড়ে জলপাইগুড়ি থেকে বেশ খানিকটা হাওয়া তুলে দিলেন শুভেন্দু, আর তাতেই কি সভা শেষ হতেই তৃণমূল নেতাদের বয়ান জারির প্রতিযোগিতা শুরু।১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযান। তার আগে জেলায় জেলায় চষে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য বিজেপির নেতারা। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে আসেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি শহরে পদযাত্রা শেষে সভা করলেন শুভেন্দু। নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতিতে শুভেন্দু অধিকারীর জলপাইগুড়ি সফর ঘিরে দিন কয়েক ধরেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে পারদ চড়ছিল। আগেই শুভেন্দুর কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি ও উপপুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। এদিন সকালে শুভেন্দু অধিকারী শহরে ঢোকার আগেই বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করে রাস্তায় নামতে দেখা যায় তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের। চোর চোর চোর টা শিবিরবাবু ছেলেটা নামাঙ্কিত ফ্লেক্স শহরের বিভিন্ন স্থানে টাঙিয়ে দেন টিএমসিপি ও যুব তৃণমূলের সদস্যরা। যদিও স্থানীয় তৃণমূলীদের সমালোচনাকে পাত্তা দিলেন না শুভেন্দু।তৃণমূল জেলা যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে ছোড়া বলে সম্বোধন করে সাংবাদিকদের কাছে শুভেন্দু বলেন, ভাইপোর টাকা তোলে এক ডাকাত আছে এখানে। যদিও এই প্রসঙ্গে জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতা যখন আমার সমালোচনা করে তখন বুঝতে হবে, এখন সে আর অভিষেক ব্যানার্জীর মোকাবিলা করার মতো জায়গায় নেই।অপরদিকে জেলার আরেক তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাস শুভেন্দু বাবুর করা মন্তব্য প্রসঙ্গে অনেক কথার মধ্যে রাজবংশী ভাষায় বলা একটি কথা দিয়েই বাকিটা বোঝানোর চেষ্টা করেন, কৃষ্ণ দাস বলেন, চোরের মায়ের ডাঙ্গর গলা।শুধু যে জলপাইগুড়ির তৃণমূল নেতৃত্বই শুভেন্দুর সভা নিয়ে প্রীতিক্রিয়া দিতে ব্যাস্ত নয় সেটাও লক্ষ্য করা যায়, জলপাইগুড়ির সভার আগে শুভেন্দু অধিকারী আলিপুরদুয়ারে বিজেপি দলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বিকেলে, সেই সভা সমাবেশকে কটাক্ষ করে সম্প্রতি সম্পত্তি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হবার পর থেকে বর্তমানে রাজনৈতিক ভাবে কিছুটা ব্যাকফুটে থাকা এসজেডি এর চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা সৌরভ চক্রবর্তী ও নিজের প্রতিক্রিয়া ভিডিও রেকর্ডিং করে সংবাদ মাধ্যমের হাতে পৌঁছে দেন। সেখানে তিনি, শুভেন্দু অধিকারীর উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, একজন চূড়ান্ত ফ্রাষ্ট্রেটেড ছেলে শুভেন্দু, নিজে কিছু করতে পারেনি তাই সবাইকে চোর বলে বেড়াচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির চোর ধরো জেলে ভরো কর্মসূচির মহা মিছিল হাবড়ায়

১৩ আগস্ট বিজেপি-র নবান্ন অভিযান। আর তারই সমর্থনে এক মহা মিছিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা থানার হাবড়ার রাজপথে, হাবরার দেশবন্ধু পার্ক থেকে জয়গাছি সুপারমার্কেট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার পদযাত্রা করল বিজেপি। এদিনের মিছিলে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত করে পাশাপাশি জেলা নেতৃত্ব সহ রাজ্যের বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সরকারের একাধিক বিষয় মন্তব্য করেন। কি বললেন তিনি শোনাবো। মিছিলে কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে বর্ধমান শহরে প্রচার শুরু

পুপুর্ব নির্ধারিত ৭ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযান, সেই অভিযান লক্ষ করে জোর কদমে দেওয়াল লেখন শুরু বর্ধমান শহরে, বর্ধমানের ৯ নং ওয়ার্ড কালিবাজার এলাকায় চলে দেওয়াল লেখন, দেয়াল লিখতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা সহ বিজেপির কর্মী সমর্থকরা, অভিজিৎ তা জানান, গোটা জেলা জুড়ে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ এবং ১৩ই সেপ্টেম্বর জেলা থেকে পচুর কর্মী সমর্থক নবান্ন অভিযানে যোগ দিতে সামিল হবেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী সমর্থক নয়, প্রচুর সাধারণ মানুষও ওই অভিযানে আমাদের ডাকে সারা দিয়ে উপস্থিত থাকবেন।প্রসঙ্গত, রাজ্য বিজেপি এর আগে ঠিক করেছিল ৭ সেপ্টেম্বর হবে নবান্ন অভিযান। কিন্তু ঘোষণার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে স্থানীয় নেতৃত্বরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানান ওই দিন করম পরব। তাই তড়িঘড়ি দিন পরিবর্তন করে নতুন দিন স্থির করে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

গরুপাচার মামলায় অনুব্রতর ১০ দিনের পুলিস হেপাজত, আদালতের নির্দেশে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে

গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে ২০ আগস্ট অবধি সিবিআই হেপাজতের নির্দেশ দিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বোলপুরের বাসভবনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাতেই সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ও প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী হাজির হয় বোলপুরে। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে প্রথমে আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা করান।আসানসোল ইএসআই হাসপাতাল তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাঁকে কুলটি থানার অন্তর্গত শীতলপুরের ইসিএল গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিলো দূর্গাপুরে এনআইটিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। অনুব্রত মন্ডলকে আদালতে পেশ করার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুনানি চলে। শুনানির শেষে অনুব্রতকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতেহেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ জানান, হেফাজতে থাকাকালীন অনুব্রত মণ্ডল অসুস্থ হলে তাঁকে কলকাতার সেনাবাহিনীর কম্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হবে। তিনি আরও জানান ইতিমধ্যেই ওই হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের চাঞ্চল্য আইআইটি খড়গপুরে! ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত

আইআইটি খড়গপুরে ফের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পড়ুয়ার নাম জয়বীর সিং দোড়িয়া। একুশ বছর বয়সী এই ছাত্র মেনুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। তিনি আইআইটি খড়গপুরের নেহেরু হলে থাকতেন।শনিবার সকালে নেহেরু হলের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর বাড়ি গুজরাতের আহমেদাবাদে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ষোলো মাসে এই নিয়ে আটজন পড়ুয়া ও গবেষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল আইআইটি খড়গপুরে। এর মধ্যে সাতটি ঘটনাই ঘটেছে ক্যাম্পাসের ভেতরে। পাঁচজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল রেললাইনের ধারে। সেই ঘটনাও ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নেহেরু হল থেকে তিনি কীভাবে অন্য একটি হলের ছাদে পৌঁছলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কখন তিনি বেরিয়েছিলেন, তা জানতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।একাধিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বস্তি বিশ্বে! হরমুজ প্রণালী খুলতেই তেলের বাজারে নয়া আশার আলো

অবশেষে বিশ্বের জন্য বড় স্বস্তির খবর এল। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে Iran। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের জেরে এই জলপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তেল, গ্যাস সহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনে আর বাধা থাকছে না বলে মনে করা হচ্ছে।লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ফের হরমুজ প্রণালী চালু করার কথা জানানো হয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন এই সংঘর্ষবিরতি কার্যকর থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে। তবে নির্দিষ্ট রুট মেনেই জাহাজ চলাচল করতে হবে, যা আগেই ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা ঘোষণা করেছিল।ইরানের এই ঘোষণায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জানান।তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এখনও বলবৎ থাকবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। এর ফলে ভারতের মতো দেশ, যারা ইরান থেকে সরাসরি তেল আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে।উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠে এবং গ্যাসের বাজারেও চাপ বাড়ে। এখন হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় সেই সঙ্কট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal