• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IES

রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

হোটেল থেকে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বর্ধমানে

প্রেমিক প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বর্ধমানের তিনকোনিয়া এলাকার একটি হোটেল থেকে। রবিবার বিকেলে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আত্মঘাতী যুগলের নাম মহাদেব মাঝি(২০) ও প্রিয়াঙ্কা মিত্র। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়া জেলায়। তবে বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা মিত্র বর্ধমান শহরের ইছলাবাদ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া থাকতো বলে জানা গেছে।হোটেল কর্মী তাপস কান্তি মণ্ডল বলেন, শনিবার বিকেলে মহাদেব মাঝি হোটেলের চার তলায় একটি রুম ভাড়া নেন। রবিবার সকাল ১০ টার সময় একটি মেয়েকে সঙ্গে হোটেলের রুমে ঢোকেন। হোটেল কর্মীরা জিজ্ঞাসা করলে মহাদেব মাঝি জানায় এটি তার বোন হয়। এখুনি চেক আপ করবো।কিন্তু তারপর দীর্ঘক্ষণ হোটেলের রুম না খোলায় হোটেল কর্মীদের সন্দেহ হয়। তারা ডাকাডাকি করলেও ভিতর থেকে কোন সাড়া পায় নি। তখন বর্ধমান থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।হোটেল কর্মীরা জানান, দুজনকে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে। দুজনের গলায় মালা ছিল। রুম থেকে একটি সিঁদুরের কৌটা পাওয়া যায়। তাদের অনুমান রবিবারই হোটেলের রুমে তারা মালা বদল করে বিয়ে করে। রুম থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। ডিএসপি ট্রাফিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়ায়। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে হোটলের ভূমিকা নিয়েও। কেন এতক্ষণ পর থানায় খবর দেওয়া হয় হোটেল থেকে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্ধে পুলিস

বাড়ির পরিত্যক্ত ঘর থেকে দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার কে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদার চাঁচলের কলিগ্রাম এলাকায়। খবর পেয়ে গতকাল রাতে দেহ দুটি উদ্ধার করেছে চাঁচল থানার পুলিশ। কেন এই আত্মহত্যা, তা নিয়ে ধন্ধে সবাই। এনিয়ে এখনও থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের না হলেও রহস্যের কিনারা করতে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।মৃত দম্পতির নাম যোগেন রক্ষিত (৫২) ও সোনামনি রক্ষিত (৪৩)। যোগেনবাবু জমি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। তাঁরা নিঃসন্তান। কলিগ্রামে পৈতৃক পুরোনো বাড়িতে বসবাস করতেন এই দম্পতি। গতকাল রাতে ওই বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে তাঁদের ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তাঁরা যোগেনবাবুদের আত্মীয়দের খবর দেন। খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানাতেও। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ওই দম্পতি ওই বাড়িতেই থাকতেন। প্রতিবেশীদের সাথে তেমন যোগাযোগ রাখতেন না তারা।যোগেনবাবুর ভাইপো ছোটন রক্ষিত জানান, কাকু-কাকিমা একাই থাকতেন। তাঁদের ছেলেমেয়ে নেই। নিঃসঙ্গ ছিলেন। কারও সঙ্গে সেভাবে মেলামেশাও করতেন না। কাকু জমির ব্যবসা করতেন। কাকিমা বাড়িতেই থাকতেন। রাতে তাঁদের প্রতিবেশীরা আমাদের এই খবর দেন। এসে দেখি, কাকু-কাকিমা দুজনেই গলাই দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছেন। ব্যবসার জন্য বাজারে কোনও ঋণ ছিল কিনা জানা নেই। কাকু-কাকিমার মধ্যে কোনওদিন অশান্তির খবরও শোনা যায়নি। কেন এমন হল, বুঝতে পারছি না।স্থানীয় বাসিন্দা সৌমেন রায়চৌধুরী বলছেন, শুনলাম, এক বয়স্ক দম্পতি নিজের বাড়িতেই আত্মঘাতী হয়েছেন। লোকজনের মুখে শুনেছি, তাঁদের অনেক দেনা হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটাতে তালা মারা থাকত। তাঁদের দেখাও যেত না। তাঁরা কারও সঙ্গে মিশতেনও না। এখন শুনছি, বাড়িতে তালা মারা থাকলেও তাঁরা এখানেই থাকতেন। এর বাইরে আমাদের আর কিছু জানা নেই।চাঁচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে গতকাল রাতেই দেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশের তরফে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। আজ দুটি মৃতদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋষভ ও হার্দিকের দাপটে একদিনের সিরিজও ভারতের

ঋষভ পন্থের অসাধারন ব্যাটিং, হার্দিক পান্ডিয়ার দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরমেন্স। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজ জিতে নিল ভারত। সিরিজের ফল ভারতের পক্ষে ২১। জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪২.১ ওভারেই জযের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। একসময় ৭২ রানে ৪ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। সেখান থেকে হার্দিক পান্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের ১১৫ বলে ১৩৩ রানের পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনও পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জস বাটলারের দল। ৪৫.৫ ওভারে ২৫৯ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জস বাটলার সর্বাধিক ৬০ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৪ উইকেট, যুজবেন্দ্র চাহাল ৩টি ও মহম্মদ সিরাজ দুটি উইকেট পান।শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ১২ রানে ২ উইকেট হারায়। জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট দুজনকে ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই আউট করেন মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের এই দুই ব্যাটারই তিন বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। চার উইকেট পড়ে গিয়েছিল ৭৪ রানে। সেখান থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেন মঈন আলি ও জস বাটলার। অধিনায়ক বাটলারের ৮০ বলে ৬০ রানের ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও দুটি ছয়। সাতটি চারের সাহায্যে ওপেনার জেসন রয় করেন ৩১ বলে ৪১। মঈন আলি দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে করেন ৪৪ বলে ৩৪। ৩৩ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন নয়ে নামা ক্রেগ ওভার্টন। বেন স্টোকস ২৯ বলে ২৭, লিয়াম লিভিংস্টোন ৩১ বলে ২৭ রান করেন। ১৫ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড উইলি।জয়ের জন্য ২৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ২.১ ওভারে দলগত ১৩ রানের মাথায় শিখর ধাওয়ান রিস টপলির প্রথম শিকার হন। ৩ বলে ১ রানে শিখর ধাওয়ান আউট হন। চারটি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ১৭ করেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ২২ বলে ১৭ রান করেন, তিনি তিনটি চার মারেন। ৮.১ ওভারে ৩৮ রানে ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়েছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে-র শেষে ১০ ওভারে স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৪৩। ১৬.২ ওভারে সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ১৬) ক্রেগ ওভার্টনের বলে কট বিহাইন্ড হন। ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঋষভ ও হার্দিক। ৫৫ বলে ৭১ রান করে আউট হন হার্দিক। ১১৩ বলে ১২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টপলি।

জুলাই ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘এনক্রিপ্টেড’, আজ থেকে ক্লিক অ্যাপে ওয়েব সিরিজটি দর্শকদের জন্য

পরিচালক সৌপ্তিক সি-এর খেলা শুরু-র পর দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড এর প্রিমিয়ার হয়ে গেল জাঁকজমকপূর্ণভাবে। উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। এই গল্প দুই বোনের। দিয়া ও তানিয়া। তবে নিছক সামাজিক গল্প নয়, এই ওয়েব সিরিজ মনে করিয়ে দেয় কয়েক বছর আগে উঠে আসা ব্লু হোয়েল বা মোমো-র মত আতঙ্ককে। অজানা কোনও গেমের আতঙ্কে জড়িয়ে তছনছ হয়ে যায় অনেকগুলো জীবন। এই গল্পই বলবে এনক্রিপ্টেট। এই ওয়েব সিরিজের মুখ্যভূমিকায় রয়েছেন পায়েল সরকার ও ঐশ্বর্য্য সেন । ছবি সুরের দায়িত্বে রয়েছেন অম্রাল চক্রবর্তী। কাহিনি ও পরিচালনা সৌপ্তিক সি, প্রযোজনা রণিতা দাস। অভিনয়ে পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখোপাধ্যায়, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ ও রনিতা দাস।গল্পের প্রেক্ষাপট কিছুটা এমন, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয় এবং খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপ ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী কাজ করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ পাবে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী কাজ করে ফেলে। এর মধ্যে একটি ছিল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে খুন করা। উল্লেখ্য সৌপ্তিক এর খেলাশুরু দর্শকমহলে বেশ ভালো জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ এনক্রিপ্টেড নিয়েও উত্তেজনা তুঙ্গে। আজ থেকে ক্লিক এ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা দেখতে পাচ্ছেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ ‘রক্তপলাশ’

কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ। প্রযোজনা করেছে ডার্ক এনার্জি।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত, উৎসব মুখার্জি, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পন্ডিত, দিপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবী তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাসগুপ্ত ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। এই ওয়েব সিরিজের প্রিমিয়ার হয়ে গেল সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটিউটে।জঙ্গলমহলে অবস্থিত সুরম্য ফক্সহোল রিসোর্টে বেড়াতে আসা সমাজের সাতজন বিশিষ্ট উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় রক্তপলাশ সিরিজের গল্প। শুরুতে সবাই ভ্রমণবিলাসে মজে গেলেও, নৈশ আড্ডায় রিসোর্ট মালিকের প্ররোচনায় গল্পের পরতে পরতে সেই বিশিষ্টজনেদের অতীত জীবনের লুকোনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজকর্মের ইতিহাস সামনে আসে দর্শকের। এরই মধ্যে জঙ্গলে নিছক ছুটি কাটাতে আসা, আপাতভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলি হঠাৎ করেই আধাসামরিক বাহিনী ও একদল চরমপন্থীর লড়াইয়ে মাঝে পড়ে। তখনি সভ্য যাপনের শহুরে মুখোশ খুলে গিয়ে তাঁদের ভেতরে থাকা স্বার্থপর জান্তব চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলো ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে।সাতজন ব্যক্তিমানুষের আভ্যন্তরীণ সাদা-কালোর দ্বন্দগুলো উন্মুক্ত হতে না হতেই তারা রিসোর্টে বন্দি হয়ে পড়েন মুক্তিপনের টোপ হিসেবে। প্রশ্ন ওঠে একজোট হয়ে সাতজনের বাঁচার লড়াইয়ে সামিল হবার। চরমপন্থীরা সময় দেয় ঘন্টা চারেক। প্রশাসনের তরফে নিযুক্ত হন এক সরকারি মধ্যস্থতাকারী। কিন্তু সে সাত বিশিষ্টজনের অবস্থা হয় সঙ্গিন। তাঁদের মধ্যে কেই বা করলেন বিশ্বাসঘাতকতা? কি ছিল তাঁদের পুরোনো পাপ? কেনই বা তাঁদের পণবন্দী হতে হলো চরমপন্থীদের হাতে? কিভাবে প্রশাসন পৌঁছবে তাঁদের কাছে? বন্দিরা কি আদৌ চরমপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পাবেন? আদিম জঙ্গলের উপদ্রুত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই টানটান রোমাঞ্চ ও রহস্যের গল্প আরো গভীরে গিয়ে জানা যাবে ক্লিক এর নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ

সৌপ্তিক সি নির্দেশিত Sthalantar Films and Entertainment P Ltd প্রযোজিত ক্লিক ওরিজিনালসের আগামী ওয়েব সিরিজের মোশন লোগো প্রকাশ্যে এল। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী প্রমুখ।এনক্রিপটেড সিরিজটি দিয়া ও তানিয়া নামের দুই বোনের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। যেখানে আমরা দেখতে পাই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তানিয়া মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং এই আসক্তির কারণে তার প্রচুর অর্থব্যয় হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তানিয়া আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে খুব সহজে টাকা আয়ের উপায় খুঁজতে থাকে। ঠিক এই সময়ে একটি আইটি কোম্পানির ডার্ক ডেয়ার শীর্ষক অ্যাপ্লিকেশন তানিয়ার হাতে এসে পরে। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারিকে কিছু সাহসী টাস্ক করার নির্দেশ দেয়, যা করতে পারলে ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট অর্থ লাভ করে। তানিয়া নিজের মাদকের খরচ তুলতে এই অ্যাপ এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কিছু সাহসী টাস্ক করে ফেলে যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর খুন ও থাকে।যথারীতি তানিয়া গ্রেপ্তার হয় এবং পুলিশি হেফাজতে তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার হলে সে আত্মহত্যা করে। এদিকে বোনের রহস্য মৃত্যুর কারণ খুঁজতে শহরে উপস্থিত হয়, তানিয়ার দিদি দিয়া। ঘটনাচক্রে দিয়ার সাথে আলাপ হয় তদন্তকারী অফিসার এসিপি হেমা সিং ও রিপোর্টার সোহাগের সাথে। দিয়া তাদের কাছ থেকে জানতে পারে এই ডার্ক ডেয়ার অ্যাপ টি কিভাবে তাঁর বোনের মতো লক্ষ লক্ষ্য যুবক যুবতী কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য থেকে দিয়া নিশ্চিত হয় যে তাঁর বোন একটি ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। সে তাঁর বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে ওঠে। এবার সে নিজেই প্ল্যান করে এই চক্রান্তের পর্দা ফাঁস করতে ময়দানে নামে। দিয়া কি পারবে এই কুখ্যাত অ্যাপ্লিকেশনটির এনক্রিপটেড কোড এর মাস্টারমাইন্ড কে খুঁজে বের করতে? এটা কি পরিকল্পিত চক্রান্ত, নাকি পূর্বতন কোনো অপরাধীর ধারাবাহিক অপরাধ! ডার্ক ওয়েব এর অন্তর্জালে জড়িয়ে পড়া এই রোমহর্ষক থ্রিলার দেখা যাবে নতুন ওয়েব সিরিজে। যে ওয়েব সিরিজ নিয়ে শুরু হয়েছে উন্মাদনা।এর আগে সৌপ্তিকের পরিচালিত খেলা শুরু ক্লিক-এ জনপ্রিয় হয়। অনেক দর্শকদেরই পছন্দ হয়েছিল এই ওয়েব সিরিজটি। এবার নতুন ওয়েবে সৌপ্তিক দর্শকদের মন কতটা জিতে নিতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২২
দেশ

আজ মধ্যরাত থেকে কমছে ডিজেল, পেট্রোল ও গ্যাসের দাম, শুল্ক কমাল কেন্দ্র

ভর্তুকি যুক্ত উজ্জ্বলা গ্যাসের প্রতি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে আরও ভর্তুকির ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন টুইট করে জানালেন এই কথা। সে সমস্ত গ্রাহক উজ্জ্বলা গ্যাস ব্যবহার করেন তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন বছরে ১২টি সিলিন্ডারের জন্য।অর্থমন্ত্রী আরও জানান নতুন দাম আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে। পেট্রল ও ডিজেলের দামও কমবে বলে তিনি জানান। তিনি জানান পেট্রলের লিটার প্রতি ৮ টাকা ও ডিজেলের লিটার প্রতি ৬ টাকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরফলে প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম কমবে সাড়ে ৯ টাকা এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমবে ৭ টাকা। পাশাপাশি উজ্জ্বলা গ্যাস সিলিন্ডারে ২০০ টাকা করে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে বছরের ১২টি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে। এর ফলে ৯ কোটি গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।6/12 @PMOIndia has specifically asked all arms of the government to work with sensitivity and give relief to the common man.Keeping in line with @PMOIndia @narendramodi s commitment to help the poor common man, TODAY, we are announcing more steps to help our people. Nirmala Sitharaman (@nsitharaman) May 21, 2022সীতারামন টুইটে আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এক্সাইস ডিউটি এই মুল্য হ্রাসের কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলস্বরূপ সারা বছরে ১ লক্ষ কোটি টাকা কোষাগার থেকে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইট করে সারা দেশের সমস্ত রাজ্যকে একই ভাবে শুল্ক কমানোর আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী টুইটে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় সিলিন্ডার প্রতি ২০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষনায় জন্য কেন্দ্রীয় কোষাগার থেকে বছরে আরও ৬১০০ কোটি টাকা খরচ হবে।কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজ্য সরকারগুলি কতটা এগিয়ে আসে সেই দিকেই তাকিয়ে সাধরণ জনসাধারন। যেভাবে সারা দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে, অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের মতে এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও রাশ টানবে। তাঁরা কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

মে ২১, ২০২২
রাজ্য

কর্মী ঘাটতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পূর্ব-বর্ধমান সহ রাজ্যের ৪৯০ টি লাইব্রেরির খবরে নড়ে চড়ে বসলো রাজ্য

গ্রন্থাগার অনেক থাকলেও নেই গ্রন্থাগারিক বা গ্রন্থাগার কর্মী। আর তার কারণেই তালা পড়ে গিয়েছে খোদ রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর নিজের জেলা পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগ্রারে। আর সারা রাজ্যে তালা পড়েছে ৪৯০ টি গ্রন্থাগারে। এছাড়াও কর্মী হীনতার কারণে রাজ্যের সর্বত্রই এখন দুরাবস্থায় ধুঁকছে গ্রামীন গ্রন্থাগার গুলি। তা নিয়ে হতাশ বাংলার বই প্রেমিরা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হলেও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী দাবি করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।যুগযুগ ধরেই বলা হয়ে আসছে অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হল বই। আর গ্রন্থাগার অর্থাৎ লাইব্রেরি হল সেই বইয়েরই আবাসস্থল। তাই মূলত বাঙালির বই পড়ার আগ্রহ থেকেই রাজ্যে ১৫০০টির মতোন গ্রামীন গ্রন্থাগারের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৫১ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেড় শতাধীক গ্রন্থাগার গুলি পরিচালনার জন্যে সরকারী ভাবে প্রথম থেকেই ৩৪০ জন স্টাফ অনুমোদিত হয়ে আছে। আগে ছিলেনও তাই। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে ২৬২ জন কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের শূণ্য পদে নতুন করে আর কোনও নিয়োগ হয় নি। ফলে এখন পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৮ জন।একই কারণে গোটা রাজ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার কর্মীর ঘটতি। দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে ৪ হাজারের বেশী গ্রন্থাগার কর্মীর পদ এখন শূন্য হয়ে রয়েছে। তারমধ্যে প্রায় হাজারের বেশী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান) শূন্য পদ রয়েছে ।এত বিশাল সংখ্যক গ্রন্থাগার কর্মীর ঘাটতির কারণেই এখন কার্যত ধুঁকছে পূর্ব বর্ধমান সহ গোটা রাজ্যের গ্রামীণ গ্রন্থাগার গুলি।কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগার গুলির দুরাবস্থা কাটার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূল সরকার তৃতীয় বার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর। গত বছরের জুলাই মাসে রাজ্য সরকার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেয়। ২০২১ এর আগষ্ট মাস থেকে গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে রাজ্যের গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, প্রথম দফায় ৭৩৮ টি গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ হবে। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিও সেই কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল আজও যেমন দেখা যায়নি, কাজের কাজও কিছু হয়নি। এমনটাই অভিযোগ, দুর্দশাগ্রস্ত গ্রন্থাগার গুলির পরিচালন কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরা এও জানান, সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাজ্যের ২৩ জেলা মিলিয়ে মোট ৭৩৭ টি গ্রামীণ লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারও যদি ঘোষণা মতো কাজ না হয় তবে আরো বহু পাঠাগারে তালা পড়ে যাবে।জেলা গ্রন্থাগারিক (পূর্ব বর্ধমান) নির্মাল্য অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রন্থাগার কর্মীর সীমাহীন ঘাটতির কারণে জেলায় এখন প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বাকি গ্রন্থাগার গুলি কোনরকমে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন চালু রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র সম্পদ টুকু বাঁচিয়ে রাখার জন্যে। তাও সব জায়গায় গ্রন্থাগারিক দিয়েই যে গ্রন্থাগার চালু রাখা যাচ্ছে, এমনটাও নয়। সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার জন্যে এক একজন গ্রন্থাগার কর্মী বা গ্রন্থাগারিককে এখন একাধীক গ্রন্থাগারের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এমনকি বহু গ্রন্থাগারিক পদ শূন্য থাকায় বেশীরভাগ জায়গায় গ্রন্থাগার কর্মীদেরকেই গ্রন্থাগার সামলাতে হচ্ছে ।তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা জেলার গ্রন্থাগার গুলির অন্যতম একটি হল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। দেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক আগে ১৯৩৬ সালে এই পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে ঐতিহ্যশালী এই পাঠাগারটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলছিল। কিন্তু গত ৭ মাস কাল যাবৎ এই পাঠাগারটির দরজা তালা বন্ধ হয়েই পড়ে রয়েছে। কারণও সেই একটাই। এই পাঠাগারের পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মী অবসর নেওয়ার পর তাঁদের শূন্য পদ আজও পূরণ হয় নি। পাঠাগারটির পরিচালন কমিটির সভাপতি অরুপ মল্লিক ও যুগ্ম সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন,স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। কর্মী শূণ্যতার কারণে সেই পাঠাগারের দরজায় যে তালা পড়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধীকবার জানানো হয়েছে। তবে এখনও অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা হয় নি। একই রকম পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর ব্লকের জাড়গ্রামের মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগার। পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মীরা অবসর নেওয়ার পর এখন একজন মাত্র দপ্তরী কাম বুক বাইন্ডার এই পাঠাগারটির হাল ধরে আছেন। ওই বুক বাইন্ডারই অন্য পাঠাগার সামলে সপ্তাহে ১-২ দিন মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগারটি খুল বসছেন। এমন দুরাবস্থায় ধুঁকছে জেলার আরো অনেক পাঠাগার। তাই স্বাভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, কবে কাটবে বাংলার গ্রামীন পাঠাগার গুলির এই দুরাবস্থা?এরই উত্তর পাবার জন্যে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা মন্তেশ্বরের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কাগজে কলমে রাজ্যে লাইব্রেরির সংখ্যা ২৪৮০টি। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ১৫০০টি লাইব্রেরি। তবে ২৬ টি লাইব্রেরির কোন অস্তিত্বনেই। ২৪৫৪ টি লাইব্রেরির মধ্যে ৪৯০ টি লাইব্রেরি এখন বন্ধ রয়েছে কর্মীর অভাবে। ১৯০০ কিছু বেশী লাইব্রেরি এখন চালু রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ লাইব্রেরি এখন অ্যাডিশনাল চার্জে চলছে। মন্ত্রী জানান, লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদ পূরণে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্যে ৭৩৭টি লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঠিকঠাক কাজ চললে আগামী চার মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে ফিলাপ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটা হয়েগেলে অ্যাডিশনাল চার্জ আর কাউকে নিতে হবে না। পাশাপাশি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি এও জানান, আমফানে রাজ্যের লাইব্রেরি গুলির প্রায় ১০ লক্ষ বই নষ্ট হয়েছে। আর কোথায় কিভাবে বই নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায় ইঙ্গিত মিলেছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন লাইব্রেরী খোলা থাকার দিন এবার এবার শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে শুধু মাত্র প্রতি সপ্তাহের রবিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।

মে ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অরুণ রায়ের হাত ধরে ওয়েব সিরিজে জ্যোতি বসু

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসুকে এবার ওয়েব সিরিজে দেখতে পাবেন দর্শকরা। পরিচালনার দায়িত্বে হীরালাল সেন, এগারো ও ৮/১২-এর পরিচালক অরুণ রায়। অরুণ রায় সবসময় ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। এবার নতুন একটি ভাবনা নিয়ে আসছেন তিনি।জ্যোতি বসুকে নিয়ে গৌতম ঘোষের একটি তথ্যচিত্র রয়েছে। কিন্তু ওয়েব সিরিজটা এই প্রথম। জ্যোতি বসুর জীবনের গল্প কোনও সিনেমার থেকে কম নয়। জানা যাচ্ছে, সিরিজে জ্যোতি বসুর রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও আলোকপাত করছে।যদিও সিরিজ নিয়ে এখন কিছু জানা যায়নি অরুণ রায়ের কাছ থেকে। পরিচালক আর প্রযোজকের মধ্যে কথাও হয়ে গেথে। সব ঠিক থাকলে জলদি কাজ শুরু হবে। সিরিজের নাম জানিয়ে অফিসিয়াল ঘোষণাও হয়ে যাবে।ওয়েবে জ্যোতি বসুর চরিত্রে কে অভিনয় করবেন তার খোঁজ চলছে। যার হাইট, শরীর জ্যোতি বসুর সঙ্গে খাপ খায় সেরকম কোনো অভিনেতাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রস্থেটিক ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে।

মে ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন ওয়েব সিরিজ 'চক্র'

পরিচালক অভিষেক-এর নির্দেশনায় আসতে চলেছে নতুন বাংলা ওয়েব ধারাবাহিক। এই ওয়েব সিরিজটির নাম চক্র। অর্চি নগর নামে একটি জায়গায়, রাজনৈতিক নেতা অজয় শর্মা ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে, হয়ে ওঠেন এলাকার ভগবানজি। তাঁর অন্ধকার অতীতকে আড়ালে রেখে ক্ষমতা ও রাজনৈতিক পদ হাসিল করার লক্ষে তিনি হাজারো অপরাধ করে চলেন অবলীলাক্রমে। এবং তাঁর এই অপরাধের ধারক ও বাহক হিসাবে পাশে পান তাঁর ছেলে মহেন্দ্রকে, যে একজন দেহ ও মাদক ব্যবসায়ী। পরিবারের ব্যতিক্রম শুধু অজয়ের মেয়ে। যায় হোক, অজয়ের সঙ্গে বিপক্ষীয় দলনেতার ঝামেলা, পরে অজয়, তার দুই সন্তানের আকস্মিক মৃত্য, ও সেই অস্বাভাবিক ঘটনাগুলির তদন্ত করতে আসা পুলিশ অফিসারের কিছু অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে দানা বাঁধছে এই সিরিজের কাহিনী। ওয়েব ধারাবাহিকটি মূলত থ্রিলার। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন সাহেব ভট্টাচার্য, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌলমী দাস, জন ভট্টাচার্য প্রমুখ। ওয়েব সিরিজটি আসছে ডিজিপ্লেক্সে। এই বিষয়ে পরিচালক অbhishek জানিয়েছেন, চক্র হল এমন একটি ওয়েব সিরিজ, সেখানে শুরু থেকে শেষ অবধি একটা টানটান উত্তেজনা, একটা থ্রিল রয়েছে। সিরিজের শেষটাও খুব অন্যরকম হতে চলেছে। পুরোপুরি অন্য ধরনের একটা গল্প। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।

মে ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব সিরিজ 'লার্জ পেগ'

মুক্তি পেল অংশুমান ব্যানার্জী পরিচালিত এবং ওসেনিক মিডিয়া সল্যুশন, কলাবতী প্রোডাকশন, এবং কোয়ান্টাম অ্যান্ড শেডস প্রযোজিত আসন্ন ওয়েব সিরিজ লার্জ পেগ-এর ট্রেলার। এই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে পরিচালক সকলেই। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীতমা দে, পায়েল রায়, সারা এম. নাথ সহ আরো অনেক নতুন এবং পরিচিত মুখদের। এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈকত ঘোষ ও প্রত্যূষা সরকার। সংগীত নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন সমীক কুন্ডু এবং চিত্রগ্রহণে রয়েছেন শান্তনু ব্যানার্জী। লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজটি একটি সাইকোলজিকাল থ্রিলার। এই ওয়েব ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে একজন লেখকের জীবনে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা; তার জীবনে একাধিক নারীর আনাগোনা, এবং তাঁদের প্রভাবে তৈরী হওয়া রহস্য― এই নিয়েই এই ওয়েব ধারাবাহিকটির মূল উপজীব্য। ওয়েবটি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে নামকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রক্তপলাশ'-এর প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল

KLIKK OTT প্ল্যাটফর্মে পরিচালক হিসাবে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ আসছে সেটার ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রকাশ্যে এল রক্তপলাশ-এর প্রথম পোস্টার। তবে এই সিরিজে সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা না গেলেও ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একরত্তি একটি মেয়ে। তার চোখে মুখে ভয়ের ছাপ। পিছনে হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে দুজন। তাঁদের পরিচয় অবশ্য স্পষ্ট নয়।সুত্র মারফত জানা যায়, একবিংশতি-র ভয়ঙ্কর রমহর্ষক জঙ্গলমহলের ওপর আধারিত এই কাহিনি। মেদনীপুরের জঙ্গলমহলের সুরমা ফক্সহোল রিসর্টে সমাজের বিশিষ্ট সাতজন ব্যক্তি ঘুড়তে আসাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই কাহিনী। প্রথমদিকে সকলে বেড়ানোর আন্দে মজে গেলেও রাতের আড্ডায় তাঁদের অতীতের অনৈতিক ঘটনা একে একে সামনে আসতে থাকে ঘটনা পরম্পরায়। আর সাথে সাথেই ছুটি কাটাতে এসে সাম্রিক বাহিনী ও চরমপন্থীদের লড়াইয়ে মাঝে পড়ে তাঁদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়ে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের এই ওয়েব সিরিজের চরিত্রায়ণেও বৈচিত্র্য রয়েছে। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত। এদের পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন উৎসব মুখোপাধ্যায়, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পণ্ডিত, দীপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবি তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
দেশ

রেকর্ড দাম পেট্রল-ডিজেলের, ১৬ দিনে ১৪ বার মূল্য বৃদ্ধি

বেড়েই চলেছে পেট্রল-ডিডেলের দাম। রেকর্ড সংখ্যক ১৬ দিনে ১৪ বার বাড়ল জ্বালানী তেলের দাম। ইতিমধ্যে রাজ্যের ৬ জেলায় ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। পেট্রলের দাম পার করছে ১১৫ টাকা। উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালীন দাম বাড়েনি পেট্রল-ডিজেলের। নির্বাচন মিটতেই লাগামছাড়া দাম বেড়ে চলেছে পেট্রপণ্যের। দোহাই দেওয়া চলছে আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের জন্য তেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কলকাতায় পেট্রলের দাম বাড়ছে ৮৪ পয়সা। এবার কলকাতায় এক লিটার পেট্রল কিনতে গুনতে হবে ১১৫টাকা ১২ পয়সা। এদিকে কলকাতায় ডিজেলের দাম বাড়ছে ৮১পযসা। কলকাতায় এক লিটার ডিজেল কিনতে ৯৯টাকা ৮৩পয়সা লাগবে। এদিকে শুধু পেট্রপণ্যের দাম বাড়েনি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে নিয়মিত। ভোজ্য তেল থেকে বিভিন্ন খাদ্যশস্যের ক্রয় করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করছে বিরোধী দলগুলো। পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, রাজ্য সরকার শুল্ক কমালে এরাজ্যে দাম কমবে পেট্রল-ডিজেলের। পাশাপাশি অন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে বলেই এই মূল্যবৃ্দ্ধি, বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব। যুক্তি, পাল্টা যুক্তি যাই দেওয়া হোক না কেন পেট্রপণ্যসহ নানান নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। অধিকাংশ দেশবাসীর এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর পরিস্থিতি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোট এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় রাজনৈতিক দলগুলো। ভোট পেরনোর পর সব ভোকাট্টা। জীবনযুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় আমআদমিকে।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প বলবে চরকি

মা ও তার সন্তানের ভালোবাসার টানাপোড়নের গল্প বলতে আসছে চরকি। হাওয়া বয় চরকির পাখায়,হাওয়া বয় জীবন শাখায়। জীবনের গল্প তুলে ধরা হবে চরকি-র মাধ্যমে।স্বভূমী এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে ডঃ প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনায় তুহিন সিনহার পরিচালনায় তৈরি হয়েছে চরকি ওয়েব সিরিজটি। হাসির রাজা খরাজ মুখার্জীকে এখানে এক অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। রিমির চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রেয়াসা ঘোষ,অনন্তর চরিত্রে অভিনয় করছেন ডঃ প্রবীর ভৌমিক ও চরকি চরিত্রে অভিনয় করেছে দেবকন্যা হাজরা।এছাড়াও তপন রায়,কাজু হালদার,বনশ্রী রায়,অনুসূয়া পাত্র,ইতি দাস,শতাব্দী দাস,অরিত্র আরও অনেকে এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন পার্থ রক্ষিত। চরকি ওয়েব সিরিজটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : কর্কটের অভিষ্টসিদ্ধি, মিথুনের দায়িত্ববৃদ্ধি

মেষ/ARIES: লাভের আশা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: কর্মে সাফল্য পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: অভীষ্টসিদ্ধি হতে পারে।সিংহ/LEO: ফাটকা ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: বাড়তি আয় হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বজনের সান্নিধ্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অস্থিরতা ভাব জন্মাতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: প্রশংসিত হতে পারেন।মকর/CAPRICORN: উন্নতির যোগ রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিত্তহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: আঘাত পেতে পারেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

অনুদান নিলেই মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বীরভূমে বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন দিলীপ

দুর্গাপুজোর আগে বীরভূমে সরকারি অনুদান এবং পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাঁইথিয়ায় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। ছবি না লাগালে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন বলে অভিযোগ।মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। পুজোর মুখে সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর বিষয়টি কীভাবে যুক্ত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিরোধীদের তরফেও এই মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়।বিতর্কের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, সরকারি অনুদান নেওয়া পুজো কমিটিগুলির মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও নির্দেশ বর্তমান সরকার দেয়নি। তিনি দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে এমন শর্ত দেওয়া হত। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে অনুদান পাওয়া যেত না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বর্তমান সরকার এই ধরনের কোনও নির্দেশ দেয়নি। তাঁর কথায়, পুজো কমিটিগুলি যেন ভালোভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। সরকারি অনুদানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোকে বাধ্যতামূলক করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।দিলীপ ঘোষের সুরেই বক্তব্য রাখেন বিজেপির আর এক শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, পুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে সরকারের তরফে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি অনুদান পাওয়ার সঙ্গে এই ধরনের কোনও শর্ত জুড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি জানান।প্রসঙ্গত, আগের সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এবং সরকারি প্রচারের ছবি দেখা যেত। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিরাপদে গাড়ি চালানোর প্রচার-সহ নানা সরকারি বার্তা পুজোর মণ্ডপে তুলে ধরা হত। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে বীরভূমের বিজেপি নেতার মন্তব্য এবং দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এক দিকে জেলা স্তরের নেতার তরফে ছবি লাগানোর কথা বলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্য দিকে দলের শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, এমন কোনও সরকারি নির্দেশ নেই।ফলে সরকারি অনুদান নিলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আপাতত জিইয়ে রইল। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভ্যন্তরীণ অবস্থান নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal