• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

দেশ

বায়ুসেনার ট্যাবলোয় শোভা বাড়ালেন রাফালের প্রথম মহিলা পাইলট শিবাঙ্গী সিং

৭৩ তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এই বছরও রাজধানীর রাজপথে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছিল। এই কুচকাওয়াজে দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। এইবার সেই কুচকাওয়াজেই অংশগ্রহণ করলেন ভারতের প্রথম মহিলা যুদ্ধবিমান ফাইটার যিনি রাফাল যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন। বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশগ্রহণ করেন শিবাঙ্গী সিং। শিবাঙ্গী হলেন দ্বিতীয় মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট যিনি বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন। এর আগে ভাবনা কান্ত বায়ুসেনার ট্যাবলোতে মহিলা যুদ্ধবিমান পাইলট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।The first woman fighter pilot on the Rafale combat aircraft, Flight Lieutenant Shivangi Singh at the Indian Air Force (IAF) tableau today.#RepublicDayParade pic.twitter.com/vXDFVlAI12 ANI (@ANI) January 26, 2022২০১৭ সালে শিবাঙ্গী সিং ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। তাঁকে ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট দ্বিতীয় ব্যাচে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়ার আগে শিবাঙ্গী মিগ-২১ বাইসন বিমান উড়িয়েছিলেন। শিবাঙ্গী বারাণসীর বাসিন্দা। পঞ্জাবের আম্বালায় অবস্থিত আইএএফকে এর গোল্ডেন অ্যারোস স্কোয়াড্রনের অংশ তিনি। ২০২০ সালে, শিবাঙ্গী সিং একটি কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। এবং রাফাল পাইলট হিসাবে নির্বাচিত হন। তিনিই প্রথম মহিলা পাইলট যিনি রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
সম্পাদকীয়

'মেরা দেশ মহান হ্যায়'...... প্রজাতান্ত্রিক দেশ কতটা এগিয়েছে

প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবস, দেশ প্রেমিক দিবস কত কিছু ঘটা করে পালন করা হয়। ফাইভ জি-র যুগে এসবের প্রচার বেড়েছে। সোশাল মিডিয়া ছয়লাপ হচ্ছে দেশপ্রেমের বাণীতে। নানা বাণী আওড়াচ্ছেন দেশ নেতারা। কিন্তু ভিন গ্রহে যান পাঠাক বা শয়ে শয়ে উপগ্রহ প্রেরণ করুক আদৌ দেশ কতটা এগিয়েছে সেই প্রশ্ন সবার আগে। মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের সুব্যবস্থা কী আজও দেশ করতে পেরেছে? এটাই মূল প্রশ্ন। অযথা ভাষনবাজি বন্ধ হওয়া দরকার। দেশের পতাকা বহণ করার জন্য যে শক্তি অর্জন করা দরকার তা আজ কজনের মধ্যে রয়েছে, সেই প্রশ্ন নিয়েই বড় বিতর্ক। মেরা দেশ মহান হ্যায়......ফ্রি-তে রেশন, সরকারি অনুদান তারপরেও দেশের কোটি কোটি মানুষ ক্ষুদার্থ। কোনও পরিসংখ্যান ঘাঁটার দরকার নেই, এলাকায় এলাকায় ঘুরলেই এই দৃশ্য পরিলক্ষিত হবে। কত মানুষ আজও খালি আকাশের নীচে বাস করে বা ফুটোফাটা ঘরে বাস করে তা-ও বলার দরকার নেই। গরিব-গুর্বো মানুষগুলিই এর জ্বলন্ত উদাহরণ। গরিবী হটাও-এর দাবি করে নির্বাচনে লড়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, দেশের মানুষ আজ কী দেখতে পাচ্ছেন? দেশ বা রাজ্যের শাসকদলগুলি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে লড়াই করেছিল। বাস্তব কী কথা বলছে তা বোধহয় মনে করালেই যথেষ্ট। তাহলে অন্নের সংস্থান কোথা থেকে হবে। রেশনের চাল-ডাল সেদ্ধ করার বাকি যোগান কোথা থেকে আসবে, কাঁচা চিবিয়ে খেলেই হল আর কী! যে লোকগুলি পতাকা উত্তোলন করে বড় বড় ভাষণ দিচ্ছে তাঁর পাশের বাড়ির লোকটা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছে, অর্থের অভাবে পড়াশুনা করতে পারছে না, অতিকষ্টে পড়াশুনা করেও কাজ জুটছে না। এটাই আজ সব থেকে বড় বাস্তব। জোর গলায় বলছে, মেরা দেশ মহান হ্যায়.......মানুষ যেমন এখন ভয়ঙ্কর আত্মকেন্দ্রীক তেমনই রাজনীতির একটা বড় অংশ পকেট ভরতেই ব্যস্ত। অভিজ্ঞ লোকেরা তো বলেই ফেলছে সব থেকে বড় ব্যবসা এখন রাজনীতি। যাঁরা ভোটে দাঁড়ায় তাঁদের পেশা লেখা রয়েছে হয় সমাজসেবা অথবা রাজনীতি। কেউ কী বলতে পারেন এভাবে কার কতা টাকা রোজগার হতে পারে? তাঁদের স্ত্রীদের কাছে আরও অর্থ এবং সম্পদ রয়েছে। আজ একজন কাউন্সিলরের অর্থ ও সম্পত্তির পরিমান শুনে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরাও ভিমরি খাচ্ছেন। যদিও এটা কিন্তু একদিনে হয়নি। শ্রেণি সংগ্রাম করতে গিয়েও কেউ কেউ ক্রোড়পতি হয়েছেন বামআমলে। কোনও পিছিয়ে পড়া পরিবারের গরু-ছাগল বাদ দিয়ে সকলেই চাকরি জুটিয়ে নিয়েছেন। খোঁজ করলে এসবও মিলবে। পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার দৌড় দেখলে বোঝা মুশকিল হয় না কেন আকর্ষণ ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একটা টিকিট পেতে। পেশাগত ভাবে সফল হলে তিনিও সমাজের কথা ভুলে যান। নিজ পরিবার ছাড়া কারও স্বার্থ নিয়ে তাঁরাও ভাবিত নয়। অথছ সমাজ না থাকলে,সাধারণ মানুষের যোগান দেওয়া অর্থে পড়াশুনা না করলে তিনি পেশাদার হতে পারতেন না।একজন সাধারণ মানুষ হিসাবে কেউ হাসপাতালে যাক, একজন মানুষ কোনও সরকারি দফতরে গিয়ে দেখুক। কী অসাধারণ ব্যবস্থাপনা! অসহায় পরিস্থিতি কাকে বলে তা টের পেতে বাধ্য। অনলাইনে জন্ম-মৃত্যুর সার্টিফিকেট নিয়ে নেতা-মিডিয়া হইহুল্লোর জুড়ে দেয়। এদিকে ঘাটালের এক কিশোর বাবার মৃত্যুর সার্টিফিকটে নিতে গিয়ে মহানগরের রাস্তা যখন কান্নায় ভেজায় তখন তাঁর খোঁজ কে রাখে? এসবের কোনও সমাধান আছে কি প্রশ্ন সেটাই। ১০ কোটি লোকের একটা ঘটনা কোনও মিডিয়া তুলে ধরলে সেটা কখনও সার্বিক হয় না। প্রচারের ঢক্কা নিনাদেই দেশ আজ শিখরে পৌঁছিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে স্বাভাবিক সমাজ ব্যবস্থার কোনও লক্ষণ চোখে পড়ছে না। মেরা দেশ মহান হ্যায়......প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের সঙ্গে প্রজাদের হিতের কথা ভাবা দরকার। গরিবী হটানোর স্লোগান না দিয়ে গরিবের জন্য কাজ করা দরকার। ভাষণ না দিয়ে গরিবী দূর করার প্রকল্প নিয়ে তা বাস্তবায়িত করতে হবে। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য সহ হাজারো কার্ড না করে চিকিৎসার উপযোগী ব্যবস্থাপনা তৈরি করুক। সব থেকে বড় বিষয় এক সময় বামেদের দাবি ছিল অর্থনৈতিক ভিত্তিতে সংরক্ষনের, তারাও এখন ওইসব দাবি নিয়ে পথে নামে না। এখন জাত-পাত তস্য জাত-পাতের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চলছে রাজ্য তথা দেশে। কেন অর্থনীতিতে পিছিয়ে পড়াদের জন্য রাষ্ট্র ভাববে না। মানুষের জন্যই রাষ্ট্র, মানুষ মানুষের জন্য, একথা যতদিন বাস্তবায়িত না হবে ততদিন টুইট বার্তা বা পতাকা তুলে দেশের কোনও উন্নয়ন হবে না। যে উন্নয়ন ঘটেছে তা নিয়ে লাফালাফি করার কিছু নেই। বিশ্বের বহু দেশ নানা ক্ষেত্রেই ভারতের থেকে এগিয়ে গিয়েছে। তবুও মেরা দেশ মহান হ্যায়.......

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

প্রজাতন্ত্র দিবস ও ভারতের সংবিধান, জানা ইতিহাসের আজানা দিক গুলি জেনে নিন এক ঝলকে

১৯৫০ থেকে প্রত্যেক বছর ২৬ জানুয়ারি দিনটি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে মহাসমারোহে পালিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। দীর্ঘকাল বৈদেশিক অনুশাসনে থাকার জন্য ভারতের কোনও নিজস্ব স্থায়ী সংবিধান ছিল না। সে কারণে ব্রিটিশ সরকারের ১৯৩৫ সালের গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট-এর সংশোধিত সংস্করণ অনুযায়ী স্বাধীন ভারত শাসিত হত।১৯৫০-এ গণপরিষদের সদস্যদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হচ্ছে ভারতের সংবিধানদেশ চালাতে গিয়ে নানা জায়গায় ঠোক্কর খেতে হচ্ছিল তৎকালীন নেহেরু সরকারকে, ভীষণভাবে ভারতের নিজস্ব সংবিধানের প্রয়োজন দেখা দিতে শুরু করে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরে সংবিধান সভার ঘোষণা করা হয়, সেই সভায় সংবিধান সভার সদস্যদের নির্বাচন করে নেওয়া হয়। ডঃ বি আর আম্বেদকর, জওহরলাল নেহরু, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল, মৌলানা আবুল কালাম আজাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বজনগ্রাহ্য জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে সংবিধান সভা তৈরি করা হয়। বাবাসাহেব আম্বেদকরের নেতৃত্বে ভারতে স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি খসড়া কমিটি গড়ে তোলা হয় ১৯৪৭-র ২৯ অগস্ট। সে বছরেই ৪ নভেম্বর খসড়া কমিটি সদস্যরা সংবিধান সভায় ভারতীয় সংবিধানের একটি খসড়া জমা দেয়।নন্দলাল বসুর স্কেচ ও প্রেম বিহারী নারায়ণ-র হাতের লেখাপ্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ# ১৯৫০ র ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে ভারতের সংবিধান কার্যকরী হয়। # এই সংবিধান পৃথিবীর দীর্ঘতম হাতে লিপিবদ্ধ করা সংবিধান।# ২৫১ পাতার এই গ্রন্থটির ওজন প্রায় তিন কেজি ৭৫০ গ্রাম।# সর্বমোট ৩০৮ জন সদস্য বিশিষ্ট এক প্যানেল ১৯৫০এ ২৪শে জানুয়ারি সংবিধানে স্বাক্ষর করে তাঁর বৈধতা দেন।# মোট ২২টি ভাষায় সংবিধান লিপিবদ্ধ আছে। # প্রখ্যাত ক্যালিগ্রাফিস্ট প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদা পন্ডিত জহরলাল নেহরুর অনুরোধে বিনা পারিশ্রমিকে টানা ছয় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেন। # আইন কানুন লিপিবদ্ধ করা ছাড়াও এই বইয়ে অনেক নকশা আঁকা আছে, সেই নকশার বেশীরভাগ-টাই এঁকেছেন প্রবাদপ্রতিম শিল্পী নন্দলাল বসু ও তৎকালীন শান্তিনিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা।# প্রজাতন্ত্র দিবসের আট কিলোমিটারের কুচকাওয়াজ শুরু হয় রাইসিনা হিল থেকে। প্রত্যেক বছর একজন রাষ্ট্র নায়ক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১৯৫০ সালে প্রথমবারের অনুষ্ঠানেএসেছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ। উল্লেখ্যঃ এই বারে কোভিড-১৯ বারবাড়ন্তের জন্য কোনও বিদেশী রাষ্টনায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।# প্রজাতন্ত্র দিবসের যে কুচকাওয়াজের ট্যাবলোগুলি আমরা দেখি, তার সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় পাঁচ কিলোমিটার।# যে রাস্তায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়, সেই রাস্তার আদি নাম কিংসওয়ে। পরে সেই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে হয় রাজপথ।# ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন ইর্ভিন স্টেডিয়াম (বর্তমানে নাম পরিবর্তন করে ন্যাশনাল স্টেডিয়াম)-এ আয়োজিত হয়েছিল। সে সময়ে ইর্ভিন স্টেডিয়ামের চারদিকে কোনও প্রাচীর ছিল না ফলে সেখান থেকে লালকেল্লা পরিষ্কার দেখা যেত।# জাতীয় সংগীতের সময়ে ২১টি তোপধ্বনি করা হয়। জাতীয় সংগীতের শুরু থেকেই এই তোপধ্বনি দেওয়া শুরু হয় ও ৫২ সেকেন্ডের জাতীয় সঙ্গীত সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এরও সমাপ্তি ঘটে।# প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন থিমের ট্যাবলো অংশগ্রহণ করে। প্যারেডে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌ-সেনা ও বায়ুসেনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

শহর বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির পর পূর্ব বর্ধমানের ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা পর্যালোচনা শুরু পুলিশের

এ যেন চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে এমন অবস্থা। বর্ধমানে ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও একজনও দুস্কৃতির নাগাল পায়নি পুলিশ। তবে এই ঘটনার পর জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। সেই মতো গত দুদিন ধরে চলছে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের নিয়ে পুলিশ কর্তাদের বৈঠক। যেমনটা মঙ্গলবার হল জেলার খণ্ডঘোষ, ভাতার, পূর্বস্থলী ও কালনা থানায়। এত কিছুর পরেও ব্যাঙ্কে দুস্কৃতী হানা রোখা যায় কিনা তার উত্তর ভবিষ্যতেই মিলবে বলে মত ওয়াকাবহাল মহলের। ব্যাঙ্কের সুরক্ষা বিষয়ক যে বিষয়গুলি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় তা যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষা বিষয়ক মিটিং তাঁরা করেছেন ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে। মূলত ব্যাঙ্কের ইমার্জেন্সি এলার্ম ও সিসিটিভি সচল রাখা সহ ব্যাঙ্কে আর্মড সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ ইত্যাদি বিষয় গুলি নিয়ে মিটিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার নম্বর, দমকল কেন্দ্রের নম্বর, সিকিউরিটি এজেন্সির নম্বর ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জায়গায় টাঙ্গিয়ে রাখার কথা কর্ত্পক্ষকে বলা হয়েছে। এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাঙ্কের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়গুলি নিয়ে মিটিংয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার এই দুদিনে কালনা মহকুমার নাদনঘাট , মন্তেশ্বর ,পূর্বস্থলী , কালনা প্রভৃতি থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এমন আলোচনা সম্পূর্ণ হয়েছে বলে এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন। ইতিপূর্বে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারাও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সেরেছেন।এদিন ভাতার ও খণ্ডঘোষ থানাতেও ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। একই বিষয় নিয়ে এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিন)সুপ্রভাত চক্রবর্তী এদিন মেমারি থানায় এলাকার ব্যাঙ্ক ও পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষকে নিয়ে মিটিং করেন। শহর বর্ধমানে ডাকাতির ঘটনা এই প্রথম ঘটলো এমনটা নয় ।ইতিপূর্বে ২০২০ সালের ১৭ জুলাই দিনেদুপুরে শহর বর্ধমানের বিসিরোড এলাকায় থাকা স্বর্ণঋণ দান সংস্থাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তার আগে ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে বৈদ্যনাথ ক্যাটরায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক শাখা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লুট হয়। আর গত শুক্রবার সাত সকালে বর্ধমানের কার্জনগেট সংলগ্ন বৈদ্যনাথ ক্যাটরার বাজারের দোতলায় থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে হানা দেয় সশস্ত্র ডাকাত দল।তারা ব্যাঙ্কে থাকা গ্রাহকদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বসিয়ে রেখে ও ব্যাঙ্ক কর্মীদের মারধোর করে ৩৩ লক্ষ টাকা লুট করেনিয়ে বিনা বাধায় পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময়ে ব্যাঙ্কের মূল গেটে তালাও লাগিয়ে দেয় মুখ ঢাকা থাকা দুস্কৃতিরা। এই ডাকাতির ঘটনার পর তড়িঘড়ি সিট গঠন করে তদন্তে নামার কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন । দুস্কৃতিদের নাগাল পেতে ঘটনার দিন জেলার বিভিন্ন সড়ক পথে শুরু হয় নাকা চেকিং। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমনকি ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনার পর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ দুস্কৃতিদের একজনেরও নাগাল পায় নি ।তারই মধ্যে এখন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন থানা এলাকায় থাকা ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের সঙ্গে মিটিং করে চলেছেন পুলিশ কর্তারা ।এই প্রসঙ্গে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ,তাহলেকি এতদিন জেলার ব্যাঙ্ক গুলির সুরক্ষা নিয়ে পুলিশ সে ভাবে মাথা ঘামায় নি ? বর্ধমানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যাবার পর পুলিশ কর্তারা জেলার ব্যাঙ্কগুলির সুরক্ষায় খামতি খুঁজে পেলেন? এই সব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলাবাসীর মুখে মুখে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে আগ্নেআস্ত্র সহ দু’জন গ্রেফতার

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের তৎপরতায় বানচাল হল দুস্কৃতীদের নাশকতার ছক। মঙ্গলবার সকালে যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে বিপুল আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করলো জেলার নাদনঘাট থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম কুতুবউদ্দিন মণ্ডল ও মনসুর মণ্ডল। তাদের মধ্যে কুতুবউদ্দিনের বাড়ি মুর্শিদাবাদের ডোমকলের শাহজাদা গ্রামে। অপর ধৃত মনসুর নাদনঘাটের গোকর্ণ গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে তিনটি রাইফেল, দুটি ওয়ানশটার, নগদ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফেন উদ্ধার হয়েছে। নাদনঘাট থানার পুলিশ সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই দুই ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। দুস্কৃতীরা কোথা থেকে, কি উদ্দেশ্যে এত আগ্নেআস্ত্র জোগাড় করে বাসে চাপিয়ে নিয়ে কোথায় যাচ্ছিল সেই বিষয়টি পুলিশ কর্তাদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। এই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৭ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে এখনও ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় দুষ্কৃতীরা অধরাই থেকে গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে যে কোনও ধরণের নাশকতার ছক বানচাল করতে রাজ্য জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একই কারণে জেলার নাদনঘাট থানার পুলিশও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে নাকা চেকিং শুরু করে। যাত্রীবাহী বাসে আগ্নেআস্ত্র পাচার হবে এমন খবর গোপন সূত্র মাধ্যমে আগেভাগেই পুলিশের কাছে পৌছায়। এই খবর আসার পরেই কালনা মহকুমার বিভিন্ন থানা এলাকার মোড়ে মোড়ে এদিন সকাল থেকে নাকা চেকিং আরও জোরদার করে পুলিশ। নাদনঘাট থানার পুলিশও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক ছিল। এদিন সকালে নাদনঘাট থানার পুলিশ হেমায়েতপুর মোড়ে বর্ধমানগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের পথ আটকে বাসের ভিতর তল্লাশি চালানো শুরু করে। তল্লাশিতে বাসে থাকা দুই দুস্কৃতির কাছ থেকে উদ্ধার হয় তিনটি রাইফেল, দুটি ওয়ান শটার সহ নগদ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন। দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি আগ্নেআস্ত্র গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ।এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, তদন্তের প্রয়োজনে দুই দুস্কৃতিদের এদিন আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুস্কৃতিরা কোথা থেকে আগ্নেআস্ত্র নিয়ে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল সেই বিষয়টি জানতে ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : সিংহের আশার সঞ্চার, কর্কটের সম্পদহানি

মেষ/ARIES: বুদ্ধিভ্রম হতে পারে।বৃষ/TAURUS: বাতের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: সহানুভূতি লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: সম্পদহানি হতে পারে।সিংহ/LEO: আশার সঞ্চার হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন।তুলা/ LIBRA: নতুন উদ্যোগ শুরু করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অপবাদ জুটতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: উৎফুল্লতা লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ব্যবসায় লাভ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আত্মীয় বিবাদ হতে পারে।মীন/ PISCES: অর্থলাভ করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

পদ্ম-সম্মান ফেরালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়! আর কে কে পদ্ম পাচ্ছেন দেখে নিন

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দেওয়া পদ্মসম্মান কি গ্রহণ করবেন বাংলার শেষ কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী? মঙ্গলবার রাত থেকে সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। বুদ্ধদেব নিজেই সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁর পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কেউ এক জন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেওয়া হয়। বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না। পরে খবর জেনে পত্রপাঠ সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছেন। রাতে তাঁর তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হবে। পাশাপাশি পদ্মশ্রী সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ও।#UPDATE | In a statement, former West Bengal CM Buddhadeb Bhattacharjee says he will not accept the Padma Bhushan award https://t.co/YiEYyxTNGH ANI (@ANI) January 25, 2022সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার সন্ধেয় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হল দেশের প্রথম সেনা সর্বাধিনায়ক জেনারেল বিপিন রাওয়াত। চারজনকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করল কেন্দ্র। এই তালিকায় নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রভা আত্রে (কলা)। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের তালিকায় রয়েছেন তিনজন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং (সামাজিক অবদান), উত্তরপ্রদেশের রাধেশ্যাম খেমকা (শিক্ষা ও সংস্কৃতি)। পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্যনারায়ণ নাদেলা এবং অ্যালফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই। একই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুনাওয়ালার বাবা সাইরাস পুনাওয়ালা। সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদও সম্মানিত হয়েছেন এই সম্মানে। বাংলা থেকে কলাক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ সম্মান পাচ্ছেন অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা অ্যান্ড সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণও পাচ্ছেন পদ্ম সম্মান।Microsoft CEO Satya Nadella, Alphabet CEO Sundar Pichai, SII MD Cyrus Poonawalla to be conferred with Padma BhushanOlympians Neeraj Chopra, Pramod Bhagat Vandana Kataria, and singer Sonu Nigam to be awarded Padma Shri pic.twitter.com/J5K9aX9Qxz ANI (@ANI) January 25, 2022বাংলা থেকে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় নাম রয়েছে দুজনের। তাঁরা হলেন প্রহ্লাদ রাই আগরওয়াল এবং সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞান)। অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াও পেয়েছেন এই সম্মান।পদ্ম-বিজয়ী

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বব ডিলানের গানের স্বত্ব কিনলো সনি

গত ডিসেম্বর ৪০ কোটি ডলারে নিজের লেখালেখির স্বত্ব ইউনিভার্সাল মিউজিকের কাছে বিক্রি করেন বব ডিলান। এবার সনির কাছে বিক্রি করলেন তাঁর যাবতীয় গানের স্বত্ব। ২০২১ সালের জুলাইয়ে এই চুক্তি হলেও সেটা সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। ডিলান বা সনি কোনো পক্ষই চুক্তিতে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ করেনি। সংগীতবিষয়ক ম্যাগাজিন বিলবোর্ডএই বিষয়ে জানিয়েছে ডিলানের রেকর্ডিং স্বত্ব কিনতে সনির কলম্বিয়া রেকর্ডসকে ২০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্য দিতে হয়েছে। মোটের ওপর বছরে এক কোটি ৬০ লাখ ডলার বার্ষিক মুনাফা হিসাব করে এই চুক্তি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংগীত জগতের সবচেয়ে বড় চুক্তি এটি। এই চুক্তির আওতায় ১৯৬০-এর দশকে মুক্তি পাওয়া ডিলানের ক্লাসিক অ্যালবামগুলো থেকে ২০২০ সালে মুক্তি পাওয়া সবশেষ অ্যালবাম রাফ অ্যান্ড রাউডি ওয়েসও পড়বে। সব মিলিয়ে ৩৯ অ্যালবাম ও ১৬ বটলেগ সিরিজ, লাইভ পারফরম্যান্সের সংকলন, অসংখ্য সিঙ্গেল ও অপ্রকাশিত গানের স্বত্ব পেল সনি। অপ্রকাশিত গান নিয়ে ভবিষ্যতে সংকলন প্রকাশ করার অনুমতিও আছে তাদের। চুক্তি সম্পর্কে সনি মিউজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান রব স্ট্রিঞ্জার বলেন, বব ডিলানের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কলম্বিয়া রেকর্ডসের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্ক। কম্পানি বব ও তাঁর টিমের সঙ্গে কাজের ফের কাজের সুযোগ তৈরি করতে পেরে ভীষণ উত্তেজিত। এটা তাঁর সংগীতকে এই সময়ের ভক্ত ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সহজলভ্য করবে। আমরা তাঁর সঙ্গে ৬০ বছর সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভীষণভাবে গর্বিত।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র ও কমিশনকে কড়া নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

শিয়রেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলি জোর কদমে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইস্তেহারে ভোটমুখী রাজ্যগুলির প্রতি তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছে। এই আবহে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনগণের উদ্দেশে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবা বা প্রকল্পের ঘোষণা করে। সেই ঘোষণা সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেই নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা এক মামলার শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি হিমা কোহলী। সেখানে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, সীমিত পরিসরের মধ্যে আমরা নির্বাচন কমিশনকে নীতিনির্দেশিকা প্রণয়ন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের নির্দেশের পর তারা একটি মাত্র বৈঠক করে। তারা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চেয়েছে। তবে তার পরে কী হয়েছে, আমি জানি না।সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় বলে অভিহিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, ফ্রিবি বাজেট প্রতিদিনের বাজেটের থেকে অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। তাই এই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে। ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করতে বলেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কেবলমাত্র একটি বৈঠকই করেছে। এবং তার ফলাফল অজানা।মামলাকারীর আবেদন, যে রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের নির্বাচনী প্রতীক বাজেয়াপ্ত করা ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার ব্যাপারে কমিশনকে নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত। হলফনামায় মামলাকারী এ-ও দাবি করেছেন, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের অর্থ অপচয় করে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তা ছাড়া ভোটের আগে এই ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে যাতে রাজনৈতিক দলগুলি বিরত থাকে, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের আর্জি জানান তিনি।শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বাজেট যে ভাবে মূল বাজেটকে ছাপিয়ে যাচ্ছে তা চিন্তারই বটে। এর পর সংশ্লিষ্ট মামলায় কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

সাধারণতন্ত্র দিবসে রেড রোডে কড়া নিরাপত্তা

প্রজাতন্ত্র দিবস ঘিরে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ছে কলকাতা। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড হবে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ থাকবে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা থাকবেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে থাকবেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হবে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং থাকবে।প্যারেডে এবার মূল আকর্ষণ নেতাজির ট্যাবলো। ইতিমধ্যেই তা প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছে। দিন কয়েক আগেই নেতাজি ট্যাবলোকে রেড রোডের কুচকাওয়াজে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লির অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের নেতাজি ট্যাবলো বাদ পড়ার পরেই রেড রোডের কুচকাওয়াজে নেতাজি ট্যাবলো রাখার সিন্ধান্ত নেওয়া হয় রাজ্য সরকারের তরফে।রেড রোডে কড়া নিরাপত্তা কীভাবে সাজানো হয়েছে জানুন-১। কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়।২। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গাকে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শহরজুড়ে চলবে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে।৩। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড বাংকার থাকবে।৪। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকবে।৫।১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকবে। মোটরবাইক প্যাট্রোল টিম ৮ টি।৬। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন থাকবে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম।৭। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।৮। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলবে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত বিজেপি বিধায়কের ছেলে-সহ ৭ ডাক্তারি পড়ুয়া, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বিজেপি বিধায়কের পুত্র-সহ আরও ৬ জনের।মৃতরা সকলেই ডাক্তারি পড়ুযা।সোমবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওয়ার্ধা থেকে দেওলি অভিমুখে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেই সময় সেলসুরার কাছে একটি সেতু থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা সাতজনেরই। তাঁরা সকলেই সাওয়াঙ্গি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া।Maharashtra | 7 medical students, including BJP MLA from Tirora constituency Vijay Rahangdales son Avishkar Rahangdale, died after their car fell from a bridge near Selsura around 11.30 pm on Monday (January 24) pic.twitter.com/Hc9WC7sZvx ANI (@ANI) January 25, 2022ঘটনায় টুইটে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাশাপাশি, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন নমো। টুইটেই জানিয়েছেন মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।Pained by the loss of lives due to an accident near Selsura in Maharashtra. In this hour of sadness, my thoughts are with those who have lost their loved ones. I pray that those injured are able to recover soon: PM @narendramodi PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022দুর্ঘটনায় মৃতদের মধ্যে অন্যতম মহারাষ্ট্রের তিরোরা বিজেপি বিধায়ক বিজয় রাহাংদালের পুত্র আবিষ্কার রাহাংদালে। পবন শক্তি নামে আরও একজন ছিলেন প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। বাকি চারজন ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।PM @narendramodi announced that Rs. 2 lakh each from PMNRF would be given to the next of kin of those who have lost their lives in the accident near Selsura. Those who are injured would be given Rs. 50,000. PMO India (@PMOIndia) January 25, 2022

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজারের নীচে, চিন্তায় রাখলো মৃত্যু

ফের রাজ্যে অনেকটা কমে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৪৬ জন। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা গতকালের থেকে অনেকটা কমেছে। এদিন রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১,৪২১ জনের। এদিন মোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩,২১৪ জনের। ফের কমেছে পজিটিভিটি রেটও। তবে এদিনও করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এদিকে ক্রমশ রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কমেছে। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ৮.৮৪, গতকাল ছিল ৯.৫৩ শতাংশ। কয়েকদিন আগেই পজিটিভিটি রেট ছিল ৩০ শতাংশের ওপর।করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ব্য়াপক হারে কমছে, কমছে পজিটিভিটি রেটও কিন্তু করোনা সংক্রিমত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০-এর ঘরেই আছে। এদিন রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের, গতকাল ছিল ৩৬ জন। শনিবার করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃ্ত্যু হয়েছিল ৩৭ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় এদিন সর্বাধিক ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত হয়ে। কলকাতায় এদিন মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। কলকাতায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমে গিয়েছে ৫শোর নীচে। সোমবার কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৬ জন। গতকাল ছিল ৯৭৩।কোন জেলায় কত সংক্রমণকলকাতা ৯৭৩উত্তর ২৪ পরগনা ৬৭৮দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৭৮হাওড়া ১৭২পশ্চিম বর্ধমান ১৩৪পূর্ব বর্ধমান ১৫৩হুগলি ২৮০বীরভূম ৩০০নদিয়া ২৫০মালদা ৯১মুর্শিদাবাদ ১১৮পশ্চিম মেদিনীপুর ১৯৮পূর্ব মেদিনীপুর ৪৮পুরুলিয়া ৭০দার্জিলিং ২৪১বাঁকুড়া ১৭৫জলপাইগুড়ি ২৯৫উত্তর দিনাজপুর ৯৪দক্ষিণ দিনাজপুর ১৫৬ঝাড়গ্রাম ৫২কোচবিহার ১৬৯আলিপুরদুয়ার ৯৬কালিম্পং ২

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মিথুনের ক্লান্তি, ধনুর বিপদাশঙ্কা

মেষ/ARIES: লাঞ্ছনাভোগ করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: শুভ যোগাযোগ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: ক্লান্তিবোধ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বন্ধুবিরোধ হতে পারে।সিংহ/LEO: অপ্রিয়ভাজন হতে পারেন।কন্যা/VIRGO: মানহানি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: লাম্পট্য করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: স্থান পরিবর্তন করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: বিপদাশঙ্কা হতে পারে।মকর/CAPRICORN: প্রতারিত হতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: সম্মানহানি হতে পারে।মীন/ PISCES: অপব্যয় করতে পারেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কেন ব্যর্থ দল?‌ ব্যাখা দিলেন হেডস্যার রাহুল দ্রাবিড়

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চরম লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকে। হোয়াইট ওয়াশের কালিমা গায়ে লেপে দেশে ফিরতে হচ্ছে লোকেশ রাহুলের দলকে। কেন এইরকম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকে? ভারতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় মনে করছেন, অলরাউন্ডারের অভাবেই ভুগতে হয়েছে দলকে। যোগ্য অলরাউন্ডার না থাকায় দলে সঠিক ভারসাম্য তৈরি হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন।সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে দ্রাবিড় বলেন, দলের সাফল্য ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। এই ভারতীয় দলে সঠিক ভারসাম্য ছিল না। চোট ও ফিটনেস সমস্যার জন্য হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজার মতো অলরাউন্ডারদের পাওয়া যায়নি। এরাই এতদিন ৬৭ নম্বরে দলের ভারসাম্য বজায় রেখে এসেছে। চোট ও ফিটনেস সমস্যা কাটিয়ে ওরা ফিরে এলে দলের ভারসাম্য ও গভীরতা বাড়বে। ফিটনেস সমস্যার জন্য দল থেকে বাদ পড়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। নির্বাচকরা চেয়েছিলেন হার্দিকের পরিবর্তে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে দেখে নিতে। কিন্তু দুটি ম্যাচে সুযোগ পেলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। আর জয়ন্ত যাদবও রবীন্দ্র জাদেজার অভাব মেটাতে পারেননি। রাহুল দ্রাবিড় মনে করছেন চোট সারিয়ে রবীন্দ্র জাদেজা ফিরে এসে দলের অপশন অনেকটাই বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, ৬, ৭ নম্বরে রবীন্দ্র জাদেজা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। চোট সারিয়ে ফিরে এলে ৬ নম্বরে ব্যাট করবে। তখন আমাদের হাতে অপশন আরও বেড়ে যাবে। পাশাপাশি ভেঙ্কটেশ আয়ারের উন্নতির দিকেও তাকিয়ে রাহুল দ্রাবিড়। তিনি বলেন, দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে গেলে ভেঙ্কটেশকে আরও উন্নতি করতে হবে। একই সঙ্গে দলের ব্যর্থতার জন্য মিডল অর্ডারের ব্যর্থতাকেও দায়ি করেছেন রাহুল দ্রাবিড়। লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বে ভারত একটি টেস্ট ও ৩টি ম্যাচে হারলেও দ্রাবিড় তাঁর পাশেই রয়েছেন। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে রাহুল আরও পরিণত ও উন্নত হতে পারবেন বলে আশাবাদী দ্রাবিড়। শ্রেয়স আইয়ার বা ঋষভ পন্থের খেলায় যে তিনি সন্তুষ্ট নন তা বোঝা গিয়েছে কোচের কথায়। দ্রাবিড় বলেন, দেশের হয়ে খেলার সময় দল যদি ধারাবাহিকভাবে সুযোগ ও দলে নিরাপত্তা দেয় তাহলে বড় রান করাটাও কাম্য। তবু যতটা পারা যায় দলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য। শ্রেয়স উইকেটে থাকার পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, বড় রানও আসেনি।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

রেল পুলিশের তৎপরতায় বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার ২২৭ টিয়া পাখি

রেল পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই বর্ধমান স্টেশন থেকে উদ্ধার হল দুই শতাধিক টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রেল পুলিশ একবাল খাঁন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তার বাড়ি শহর বর্ধমানের আলুডাঙা এলাকায়। ধৃতকে সোমবার পেশ করা হয়েছে বর্ধমান আদালতে। রেল পুলিশ এদিন ২২৭টি টিয়া পাখি তুলে দিয়েছে বর্ধমান বন দফতরের হাতে। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টিয়া পাখিগুলিকে ব্যাগ বন্দি করে ডাউন দানাপুর এক্সপ্রেসের জেনারেল কামরায় চাপিয়ে বর্ধমানে আনা হচ্ছিল। সোমবার সকালে ট্রেনটি বর্ধমান স্টেশনে দাঁড়াতেই রেল পুলিশ ট্রেনের কামরায় চেকিং চালায়। ওই সময়ে একটি কামরায় চটের ব্যাগে বন্দি অবস্থায় কিছু রয়েছে দেখে রেল পুলিশের সন্দেশ হয়। রেল পুলিশ ব্যাগ খুলে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় ২২৭ টি টিয়া পাখি। টিয়া পাখি পাচারের অভিযোগে কামরা থেকেই রেল পুলিশ একবাল খাঁনকে গ্রেফতার করে। বর্ধমান রেঞ্জের বন আধিকারিক নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, আরপিএফ ২২৭ টি টিয়া পাখি উদ্ধার করেছে। টিয়া পাচারের অভিযোগে ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করা হয়েছে। আদালতে নির্দেশ পেলে উদ্ধার হওয়া টিয়া পাখিগুলি ছেড়ে দেওয়া হবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, কোথায় কোথায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে জেনে নিন

প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা কয়েক গুন বাড়ানো হল কলকাতা মেট্রোতে। ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হল। মেট্রোরেলের পক্ষ থেকে প্রায় সাড়ে ৮০০ রেলপুলিশের কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।১. বিভিন্ন স্টেশনে মোতায়েন থাকবে রেল পুলিশের কর্মীরা। সময় ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। নির্দিষ্ট দিনে যাতে কোনও রকম নাশকতামূলক ঘটনা কলকাতা মেট্রোতে না ঘটে, সেই কারণে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।২. বেশ কয়েকটি কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে, যাতে বিপদ বুঝলেই সতর্ক হওয়া সম্ভব হয়। প্রতিটি টিমে থাকবেন ৫ থেকে ৬ জন করে নিরাপত্তাকর্মী।৩. মহিলা এবং শিশু যাত্রীদের জন্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিশেষ মহিলা সিকিউরিটি টিম তৈরি করা হয়েছে। তাঁরাও স্টেশনগুলিতে উপস্থিত থাকবেন।৪. স্নিফার ডগ প্রস্তুত রাখা হচ্ছে স্টেশনগুলিতে। নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চায় না কর্তৃপক্ষ।৫. একই সঙ্গে মেট্রোর যে সমস্ত সম্পত্তি রয়েছে সেগুলোর যাতে ক্ষতি না হয় তার জন্য পর্যাপ্ত নজরদারি রাখা হচ্ছে কলকাতা মেট্রো রেলের পক্ষ থেকে।৬. মেট্রোতে যে সমস্ত ইলেকট্রিক ইনস্টলেশন রয়েছে সেগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তা রাখা হচ্ছে।৭. কলকাতা মেট্রো রেল লাইনের ওপর বিশেষ নজরদারি থাকবে। পরিষেবা শুরু হওয়ার আগে এবং পরিষেবা শেষ হওয়ার পর রাখা হবে নজরদারি। মেট্রোরেলের কারশেডেও নজর রাখা হবে।কলকাতা মেট্রো রেলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রত্যুষ ঘোষ জানিয়েছেন, নাশকতা মূলক কার্যকলাপ যাতে কলকাতা মেট্রোতে না ঘটে এবং তা রুখতে সম্পূণর্ প্রস্তুত থাকছেন তাঁরা।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত চাষি পুলিশের দ্বারস্থ

ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক চাষি। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। প্রতারিত চাষি সুশান্ত সাহানা প্রতারণার ঘটনার সবিস্তার উল্লেখ করে জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে চাষ করা জামালপুরের কৃষক মহলের। চাষি সুশান্ত সাহানা জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি জামালপুরের শুড়েকালনা স্টেট ব্যাঙ্কের একজন গ্রাহক। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আলু চাষের স্বার্থে কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য তিনি নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ব্যাঙ্কে আবেদন করেন। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিভিন্ন কাগজপত্রে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়ার পর কয়েকদিন বাদে লোনের টাকা তুলে নেওয়ার কথা বলেন। ৮৩ হাজার টাকা লোন স্যাংশন হয়েছে বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন। সেই মতো আবেদন করার কিছুদিন বাদে সুশান্ত বাবু লোনের টাকা ব্যাঙ্কে তুলতে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার তাঁকে বলেন, লোনের টাকা আপনি তুলেনিয়ে গিয়েছেন। আবার কিসের লোন পাবেন।ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের মুখ থেকে এমন কথা শুনে মাথায় হাত পড়ে যায় চাষি সুশান্ত সাহানার। ফের পরেরদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যাঙ্ক লোনের টাকা তিনি তোলেননি। তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে দেখার জন্য সুশান্ত বাবু ওইদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে পুনরায় অনুরোধও করেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে বসিয়ে রেখে জানিয়ে দেন পরের সপ্তাহে এসে খোঁজ নিতে। অভিযোগ, ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এই ভাবে সুশান্ত বাবুকে দুমাস ধরে ঘোরায়।সুশান্তবাবু জানিয়েছেন, এরপর ফের একদিন লোনের টাকা না পাওয়ার কথা জানাতে তিনি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে হুমকি দিয়ে তাঁকে ব্যাঙ্ক থেকে একপ্রকার তাড়িয়ে দেয়। সুশান্তবাবু দাবি করেন, ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পরে রবিবার জামালপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ কর্তা বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রকৃত কি ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হবে। স্টেট ব্যাঙ্ক শুড়েকালনা শাখার ম্যানেজার মৃত্যুঞ্জয় কুমারকে এদিন ফোন করা হলে তিনি যদিও নিশ্চিৎ ভাবে বলতে পারেননি সুশান্ত সহানা কেসিসি লোনের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে নিয়েছেন, না তোলেননি। তবে তিনি বলেন , সুশান্তবাবু ব্যাঙ্কে এসেছিলেন। ওনাকে আমি সময় দিতে পারিনি। ব্যাঙ্কের সিসিটিভি টেকনিশিয়ান কোভিড পরিস্থিতির জন্য আসতে পারেনি বলে সিসিটিভি ফুটেজ এখনও দেখা হয়ে ওঠেনি। নথি সহ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে হবে। সঠিক কি হয়ে আছে তা খতিয়ে দেখে ওই গ্রাহককে ডেকে পাঠাবেন বলে ম্যানেজার জানিয়েছেন। ছবি প্রতারিত চাষি ও ব্যাঙ্ক ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • ...
  • 141
  • 142
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal