• ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospital

রাজ্য

Drowned in Ajay : পিকনিকে এসে অজয়ের চেরাবালিতে তলিয়ে গেল এক, আশঙ্কাজনক দুজন হাসপাতালে

করোনা বিধিনিষেধের মধ্যেই পিকনিক করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে পড়লো একটি পরিবার। খাওয়া-দাওয়ার আগে অজয় নদের জলে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায় পিকনিক দলের ৩ জন। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে অজয় নদ থেকে উদ্ধার করে বিকালে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজনের হদিশ এখনও মেলেনি। ডুবুরির দল জলে নেমে তল্লাশি জারি রাখলেও তলিয়ে যাওয়া একজনের হদিশ এখনও পাওয়া যায়নি। চরম উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন পরিবার সদস্যরা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের পলিগ্রাম পঞ্চায়েতের নবগ্রাম এলাকার একটি পরিবারের ১২ জন এদিন পালিগ্রামের অজয় নদের ধারে পিকনিক করতে যায়। সেই পিকনিক দলে থাকা সুমনা খাতুন(১৪), সোহানা খাতুন(২০) এবং আসিফ শেখ(১৬) দুপুরে অজয় নদে স্নান করতে নামে। স্নান করার সময়েই অজয়ের চোরাবালির মধ্যে পড়ে তিন জনই তলিয়ে যায়। ওই সময়ে আসিফ কোনক্রমে জল থেকে পাড়ের কাছে এসে পৌছায়। তা দেখে পরিবারের লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে গ্রামবাসীরা সাহায্যের জন্য এগিয়ে যায়। তারাই জলে নেমে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সোহানাকে উদ্ধার করেন।আসিফ ও সোহানাকে আশাঙ্কাজন অবস্থায় পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সুমনা খাতুনকে উদ্ধার করা যায়নি। এই খবর পেয়েই মঙ্গলকোট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। খবর দেওয়া হয় ব্লকের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে। ডুবুরি নিয়ে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অজয় নদে তলিয়ে যাওয়া সুমনার খোঁজ শুরু করে। মঙ্গলকোটের বিডিও সহ অন্য আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধার কাজ তদারকি করেন।মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী জানান, দুঃখজনক ঘটনা । তবে প্রশাসনকে বলবো অতিমারির সময়কালে অজয়নদের পাড়ে কেউ যাতে আর পিকনিক না করে সেই বিষয়টি দেখার জন্য।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
কলকাতা

Modi: শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদি

শহরে ক্যানসার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুক্রবার এই হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন মোদি।PM Narendra Modi to inaugurate the second campus of Chittaranjan National Cancer Institute in Kolkata tomorrow: PMO pic.twitter.com/gFPUpZv9Ig ANI (@ANI) January 6, 2022নিউ টাউনে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন এই হাসপাতালে থাকছে ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাধুনিক সব সুযোগসুবিধা। থাকবে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধাও। সঙ্গে থাকার কথা রোগীর আত্মীয়দের থাকার জন্য অতিথিনিবাস, চিকিৎসকদের আবাসন। ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালে থাকছে ৭৫০টি শয্যা। শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তারই উদ্বোধন করবেন মোদি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন হলে শহরের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Manosi : হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত

২০২২ এর শুরুতেই পরপর তারকাদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। বলিউড থেকে টলিউড অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেরকমই নতুন বছরের শুরুটা অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত ও তার ভক্তদের জন্য চিন্তার কারণ গেল। কারণ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। যদিও তার হাসপাতালে ভর্তির কারণ কোভিড নয়। ফুড পয়জনিং-এর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। বর্তমানে মুম্বই-এর জেনিথ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। অসুস্থ হওয়ার পর একাই অটো করে হাসপাতালে যান। যদিও এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন জানিয়েছেন তিনি। কয়েকমাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। মানসী সেনগুপ্ত কলকাতায় ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। কি করে বলবো তোমায় ধারাবাহিকে পায়েল সেনের চরিত্র এখনও ভুলতে পারেনি দর্শকরা। লেগেটিভ চরিত্র হলেও সেটা দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। এরপর উমা ধারাবাহিকে ঈশিতার চরিত্রে নজর কেড়েছেন মানসী। বর্তমানে তিনি কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছেন একটি হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য। খুব শীঘ্রই শশী-সুমিত মিত্তলের আসন্ন হিন্দি সিরিয়ালে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন মানসী। তাই এখন পুরোপুরি মুম্বইবাসী মানসী। ধারাবাহিক ছাড়া সম্প্রতি রাজা চন্দের ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি তে অভিনয় শেষ করেছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Sourav Ganguly: করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভর্তি দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Chopper Crash: ৭ দিনের লড়াইয়ে হার মানলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং

সাত দিনের অসম লড়াই শেষ। ৮ ডিসেম্বর কুন্নুরে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত ব্যক্তি, গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং অবশেষে প্রয়াত হলেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত আরোহী বরুণের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Group Captain Varun Singh served the nation with pride, valour and utmost professionalism. I am extremely anguished by his passing away. His rich service to the nation will never be forgotten. Condolences to his family and friends. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021গত ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর সুলুর থেকে ওয়েলিংটন যাওয়ার উদ্দেশে আকাশে উড়েছিল সেনার এমআই-১৭, ভি- ৫ হেলিকপ্টার। সওয়ারি হিসেবে ছিলেন সস্ত্রীক সিডিএস বিপিন রাওয়াত-সহ ১৪ জন। বেলা ১২টা ৪০ নাগাদ নীলগিরির একটি চা বাগানের উপর আচমকাই ভেঙে পড়ে কপ্টার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটি একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর তাতে আগুন ধরে যায়। তার পর আরও একটি গাছে ধাক্কা মেরে মাটিতে আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় সস্ত্রীক সিডিএস-সহ সকলের মৃত্যু হলেও বেঁচে গিয়েছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং। তাঁর শরীরের ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী ওয়েলিংটনের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় বেঙ্গালুরুর সেনা হাসপাতালে।IAF is deeply saddened to inform the passing away of braveheart Group Captain Varun Singh, who succumbed this morning to the injuries sustained in the helicopter accident on 08 Dec 21. IAF offers sincere condolences and stands firmly with the bereaved family. Indian Air Force (@IAF_MCC) December 15, 2021ছেলে জয়ী হয়েই ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন বরুণের বাবা প্রাক্তন কর্নেল কে পি সিং। কিন্তু টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত হেরেই গেলেন বরুণ সিং।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

BMC: "বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য", ক্ষোভপ্রকাশ মন্ত্রীর

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান হওয়ার পর আধিকারিকদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সেরে নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার মন্ত্রী জানিয়ে দেন আগামি ৮ ডিসেম্বর রোগী কল্যান সমিতি প্রথম অফিসিয়াল বৈঠকে বসবে। এদিনের বৈঠকে হাসপাতালের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে অবগত হন স্বপন দেবনাথ। ওই দিন কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে তাও এদিন স্থির হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভুত উন্নতি করেছে। একথা বলেও স্বপন দেবনাথ জানিয়ে দেন, এখনও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। স্বপন দেবনাথ বলেন, উন্নত মানের স্বাস্থ্য পরিষেবার কাজ অব্যাহত থাকলেও তবু তো কিছু খামতি আছে, ঘাটতি আছে বেশ কিছু জায়গায়। সেগুলো নিয়ে আগামি ৮ তারিখের বৈঠকে আলোচনা হবে। এদিন আলোচনায় শিশু বিভাগ, এক্সরে, এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ টোটোর দৌরাত্ম্য নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে ঢোকার মুখে টোটোর দৌরাত্ম্য রয়েছে। টোটোর জন্য হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে যেতে পারছেন না। তাঁকে নেমে রাস্তায় যানজট সরাতে হচ্ছে। রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে ঢুকতে পারছে না। এখানে যানজট একটা বড় সমস্যা। এটা নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা দরকার। পিডব্লুডির সঙ্গেও কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
কলকাতা

Swapan Debnath: গুরুতর অসুস্থ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গুরুতর অসুস্থ রাজ্যের প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বপন দেবনাথ। খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। মন্ত্রীর রক্তচাপ কম থাকায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।মঙ্গলবার কলকাতায় নিজের দপ্তরেই ছিলেন তিনি। দুপুরে আচমকা শ্বাসকষ্ট হয় তাঁর। বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। চিকিৎসক এসে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। ইসিজি করা হয় বর্ষীয়ান এই মন্ত্রীর। হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তাঁর রক্তচাপ কমে গিয়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হয়। প্রথমে নিউটাউনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হবে।বর্ধমানের রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত মুখ বর্ষীয়ান স্বপনবাবু। মমতার মন্ত্রিসভায় প্রথম দিন থেকেই মন্ত্রিত্বের ভার সামলাচ্ছেন স্বপনবাবু। রাজনীতির বাইরেও অন্য রকম পরিচিতি রয়েছে স্বপনবাবুর। পূর্ব বর্ধমান জেলার এই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার যাত্রার প্রতি ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। নিজেও যাত্রায় অভিনয় করেছেন। এমনকী যাত্রাদলের প্রযোজক হিসেবেও সমানতালে কাজ করেছেন স্বপন দেবনাথ।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Uttarpara State General Hospital: হাসপাতালের বাইরের নর্দমায় পড়ে রোগীর আর্ত চিৎকার!

অমানবিক দৃশ্য উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। নর্দমায় পড়ে রোগী! হাতে স্যালাইনের চ্যানেল, চিৎকার করছেন, বাঁচাও বাঁচাও করে! এমনই আজব ঘটনা ঘটেছে হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। রোগীর চিৎকারে ছুটে এসে তাঁকে নর্দমা থেকে উদ্ধার করেন অন্য রোগীর পরিবারের লোকজন।জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বালি নিমতলা এলাকার এক ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যু হলে, এলাকাবাসী দেহ নিতে আসে। হাসপাতালে যখন তাঁরা ঢুকছেন, সেইসময়ই তাঁরা শুনতে পান, কেউ একজন বাঁচাও, বাঁচাও করে চিৎকার করছে।প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক জানিয়েছেন, হাসপাতালের পাশে নর্দমা থেকে সেই চিৎকার আসছিল। চিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে দেখি, একজন নর্দমায় পড়ে রয়েছেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেল করা। তারপর ওই রোগীকে তুলে নিয়ে আসি আমরা। কর্তব্যরত নার্সকে ডেকে আনি। তাঁকে আবার হাসপাতালের মেল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।কী করে ওই রোগী নর্দমায় পড়লেন? এ প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। ওই রোগীর দাবি, তাঁকে নাকি খুনের চক্রান্ত করা হচ্ছে! তাই তাঁকে উপর থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট কথা, কেউ ফেলে দেয়নি ওই রোগীকে। কিন্তু কী করে সে হাসপাতালের বাইরে গেল? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Mumbai Hospital Fire: মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে আগুন, মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ করোনা রোগীর

আগুনে পুড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের ঘটনা। এলাকার একটি হাসপাতালে আগুন লাগার জেরে মৃত্যু হল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)-এ থাকা অন্তত ১০ জন কোভিড রোগীর। আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।महाराष्ट्र के अहमदनगर के सिविल अस्पताल में आग लगने से हुई हृदयविदारक दुर्घटना से अत्यंत व्यथित हूँ। दुःख की इस घड़ी में मेरी संवेदनाएं शोक संतप्त परिवारों के साथ हैं व ईश्वर से घायलों के शीघ्र स्वस्थ होने की प्रार्थना करता हूँ। Amit Shah (@AmitShah) November 6, 2021মুম্বই থেকে প্রায় আড়াইশো কিলোমিটার দূরে আহমেদনগরের সিটি সিভিল হাসপাতালে শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। দমকল বিভাগের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিটের কারণেই ওই অগ্নিকাণ্ড।সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলাশাসক রাজেন্দ্র ভোঁসলে জানান, যেখানে আগুন লাগে সেই ওয়ার্ডটি কোভিড রোগীদের জন্য। ১৭ জন রোগী সেখানে ভর্তি ছিলেন বলেই খবর। সেখানেই ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার দিন সকালে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। ১০ জনই মারা গিয়েছেন। বাকিদের অন্য হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।প্রবল ধোঁয়ার শ্বাসরোধ হয়েই আইসিইউ-তে থাকা রোগীদের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর। খবর পেয়েই দ্রুত উদ্ধারের কাজ শুরু করেন পুলিশ ও দমকলকর্মীরা। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ।नगर येथे जिल्हा रूग्णालयात आयसीयू कक्षात लागलेल्या भीषण आगीची घटना अतिशय धक्कादायक आणि मनाला व्यथित करणारी आहे.या घटनेत मृत्यू झालेल्यांच्या कुटुंबीयांसोबत माझ्या शोकसंवेदना आहेत. त्यांच्या दु:खात मी सहभागी आहे. जखमींना लवकर बरे वाटावे, अशी मी प्रार्थना करतो. #AhmednagarFire https://t.co/WEmRk4n18Y Devendra Fadnavis (@Dev_Fadnavis) November 6, 2021এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে টুইট করেন মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ফড়নবিশ লেখেন, খুবই হতাশার খবর এসেছে নগর থেকে। নগর সিভিল হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা নিজেদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। যাঁরা আহত তাঁরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন সেই কামনা করি। এই ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্ত করতে হবে। যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Burdawan: বর্ধমান হাসপাতালে ৯ সদ্যোজাতর মৃত্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ

বেশ কয়েকমাস ধরেই শিশুদের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্ধমান হাসপাতালেও প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শিশু ভর্তির সংখ্যা। চলতি মাসে ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছে ৯ জন শিশু। সব থেকে খারাপ অবস্থা ছয় মাসের নীচের শিশুদের। বর্ধমান হাসপাতালে মারা যাওয়া নয় শিশুর প্রত্যেকের বয়স ছয়মাসের নীচে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও একটি এ আর আই ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে ।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ১২০ শয্যার জেনারেল ওয়ার্ড ছাড়াও , হাসপাতালে খোলা হয়েছে ৬৫ শয্যার এ আর আই ওয়ার্ড। বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা প্রায় ১৩০৷ যার মধ্যে অর্ধেকের বয়স ছয়মাসের নীচে৷ হাসপাতালের শিশু বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে সবথেকে সমস্যায় সদ্যোজাত শিশুরা। শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জানান, সদ্যোজাত শিশুরা সাধারণ ঠান্ডা লাগার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হচ্ছে এবং জটিল আকার ধারণ করছে। যদিও পরিস্থিতি হাতের নাগালেই আছে বলে দাবি শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েকের। তিনি বলেন, চলতি মাসে প্রায় ১২০০ শিশু ভর্তি হয়েছিল। নয় জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ওষুধ অক্সিজেন, বেড পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। আরও একটি ওয়ার্ড খোলা হচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Corona Outbreak: হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, উদ্বিগ্ন চিকিৎসকমহল

তৃতীয় ঢেউ না এলেও রাজ্যে ধীরে ধীরে বাড়ছে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলিতেও বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগী ভর্তি। অথচ গত এক সপ্তাহ আগেও চিত্রটা ছিল অন্য রকম। সাত দিন আগে যেখানে রাজ্যজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০-র আশপাশে ছিল, এখন সেটাই হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এ সব দেখে চিকিৎসক ও সংক্রমণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, উৎসবমুখর বাঙালিকে এ বার ভিড়ের মূল্য চোকাতে হবে! চোকাতেও হচ্ছে সেই মূল্য। বাড়ছে আতঙ্ক।আরও পড়ুনঃ কুমিল্লার ঘটনায় শনাক্ত মূল অভিযুক্ত!গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩০। মাঝখানের দুদিন সামান্য কমলেও রবিবার থেকে তা ফের ঊর্ধ্বমুখী। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, রবিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। সোমবার তা বেড়ে হয় ৬৯০। এবং মঙ্গলবার সেই সংখ্যাই পৌঁছয় ৭২৬-এ। বুধবার আবার এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৬৭। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা শহর কলকাতার। গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় করোনা সংক্রমণ ছিল ১০২। বুধবার তা পৌঁছেছে ২৪৪-এ। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন শহরে। পুরসভার দেওয়া তথ্যে সব থেকে উদ্বেগের বিষয়, দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পরেও শুধু কলকাতায় ১৬৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহলও।

অক্টোবর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shweta Tiwari : হাসপাতালে শ্বেতা তিওয়ারি

হাসপাতালে ভর্তি শ্বেতা তিওয়ারি। খতরো কে খিলাড়িতে ডেয়ার ডেভিল স্ট্যান্ট করে সকলের মন জিতেছিলেন শ্বেতা। ওজন কমিয়ে সকলকে অবাকও করে দিয়েছিলেন কেপটাউনে শুটে যাওয়ার আগে। শ্বেতা নিজের ইনস্টা স্টোরিতে ফোটো আর ভিডিও আপলোড করেন। সেখানেই এক অনুরাগীর নজরে আসে শ্বেতার হাতে ফিট করা স্যালেইনের চ্যানেলে। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সকলেই।যদিও শ্বেতার টিমের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। একদম ফিট আছেন তিনি। শারীরিক দুর্বলতা ও ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়ার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এখন ভালো আছেন। খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতাল থেকেও ছেড়ে দেওয়া হবে।শ্বেতার টিমের তরফ থেকে একটি অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়েছে। সেই স্টেটমেন্টে জানানো হয়েছে, আমরা অনেক ফোন ও মেসেজ পাচ্ছি। সকলেই শ্বেতা তিওয়ারিকে নিয়ে চিন্তিত। দূর্বলতা ও লো-প্রেসারের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। বারবার ট্র্যাভেল করার কারণে তিনি ঠিকমতো বিশ্রাম পাননি। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণেও শরীর খারাপ করেছে। ভালোবাসা ও উষ্ণ শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য সকলকে অনেক ধন্যবাদ। শ্বেতাকে জলদি ছেড়ে দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: বেড ঘাটতির কারণে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ঠাঁই হয়েছে কাটোয়া হাসপাতালের মেঝেতে

শিশুদের জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সংখ্যা বেড়ে চললেও বাড়েনি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা। তাই জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল ভর্তি হওয়া অনেক শিশুর ঠাই হয়েছে মেঝেতে। অসুস্থ শিশুদের মেঝেতে রেখেই চলছে চিকিৎসা। চাহিদা অনুয়ায়ী শিশু ওয়ার্ডে বেড কম থাকার কথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি চিকিৎসাধীন শিশুর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে সারা বছরই রোগীর চাপ থাকে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পাশাপাশি প্রতিবেশী জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদীয়া থেকে রোগীরা চিকিৎসা করাতে এই হাসপাতালে আসেন। তারই মধ্যে বর্তমান জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে কাটোয়া হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় এখন তিল ধারনের জায়গা নেই কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হয় ৮৫ টি শিশু। বুধবার বিকাল পর্যন্ত ৫০ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকে। অথচ শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২০ তেই থমকে রয়েছে। তার কারণে অসুস্থ শিশুর ঠাঁই হয়েছে ওয়ার্ডের মেঝেতেই।আরও পড়ুনঃ পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এই বিষয়ে জানান, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের চাহিদার কথা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসঘটিত জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। রোজ রোজ শিশু রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। তাই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Patient : চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট

এক আধ টাকার ক্ষয় ক্ষতি নয়। চিকিসাধীন থাকা এক প্রৌঢ় রোগী ভাঙচুর চালিয়ে নষ্ট করে দিয়েছেন হাসপাতালের এইচডিইউ ওয়াডের ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম।এমনটা জেনে সকলের অবাক লাগাটাই স্বাভাবিক।কিন্তু বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্থমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। প্রৌঢ় রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক রাতের তাণ্ডবে ১৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হওয়া সংক্রান্ত রিপোর্ট সোমবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী মহলে যথেষ্টই উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রীহাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুণবাবুর সোডিয়াম পটাসিয়াম ঘাটতি ধরা পড়ে।সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎতই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করেদেন। তাকে বিরতে করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুই নার্সও আক্রান্ত হন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে দেন। এছাড়াও এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অন্য নানা দামি মেশিনপত্র তিনি মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে নষ্ট করে দেন। রোগী অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। অরুণ বাবুর রুদ্রমূর্তি দেখে এরপর কেউ তাঁকে বিরত করার শাহস আর দেখাননি। হাসপাতালের সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়াররা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডবলীলা দেখতে বাধ্য হন। পরের দিন ওই রোগীকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।আরও পড়ুনঃ ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজনকাটোয়া হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, ক্ষয় ক্ষতির সবিস্তার রিপোর্ট তিনি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠিয়েছেন। ভাঙচুরের কারণে পরিষেবা সাময়িক ভাবে ব্যহত হলেও জরুরিকালীন ভিত্তিতে টেকনিশিয়ানদের ডেকে কাজ করানো হয়। তারপর থেকে এখন স্বাভাবিক পরিষেবা চলছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Unknown Fever: মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশু

অজানা জ্বরের বলি ফের এক শিশু। রবিবার গভীর রাতে ফের মৃত্যু হল আরও এক শিশুর। জানা গিয়েছে শিশুটির বয়স মোটে ১ মাস ৬ দিন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মালদা মেডিক্যাল কলেজের মাতৃমা বিভাগে প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয় ওই শিশু। রবিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে বেডের অভাব। বেড না পেয়ে একই বিছানায় অন্য আক্রান্তদের সঙ্গে রেখেই চিকিৎসা করাতে হয়েছিল ওই শিশুকন্যাকে। চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির এমনই অভিযোগ। সূত্রের খবর, মেডিক্যাল কলেজে শনিবার পর্যন্ত ১৬৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বেডের সংখ্যা ১২০। আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেনমেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৈষ্ণবনগর থানার চক বাহাদুরপুরের বাসিন্দা প্রকাশ মণ্ডলের নবজাতক পুত্র আচমকাই জ্বরে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, রক্তে সংক্রমণের দরুণ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। যদিও, ঠিক কীভাবে সেই সংক্রমণ হল তা কিন্তু স্পষ্ট বলতে পারছেন না চিকিৎসকেরা। তবে, এই শিশুটিরও অন্যান্যদের মতো একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার পর বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু, তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নিয়ে গত পাঁচদিনে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মোট ৮ টি শিশুর মৃত্যু হল।উল্লেখ্য, রাজ্যে শিশুদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Elderly Patient: কাটোয়া হাসপাতালে বৃদ্ধ রোগীর বেনজির তান্ডব, ভেঙে চুরমার লক্ষ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সামগ্রী

ভাঙচুর চালিয়ে হাসপাতালের এইচডিইউ বিভাগের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম ভেঙে নষ্ট করে দিল চিকিৎসাধীন এক রোগী। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বৃদ্ধ রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোর সময়ে তাঁকে বিরত করতে গিয়ে জখম হন এইচডিইউ বিভাগে কর্তব্যরত দুই নার্স। রোগীর তাণ্ডবে দুই নার্সকে জখম হতে দেখে হাসপাতালের আর কোন কর্মী ওই রোগীর কাছে ঘেঁষার সাহস দেখাননি। চিকিৎসাধীন রোগীর এমন তাণ্ডবের জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী মহলে। কি কারণে রোগী এত ভায়লেন্ট হয়ে উঠলেন সেই বিষয়টি চিকিৎসকদের ভাবিয়ে তুলেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি কাটোয়া শহরের গোয়ালপাড়া এলাকায়। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। পরিবারের লোকজন গত শনিবার সকালে অরুণবাবুকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালে তাঁর বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় অরুনবাবুর সোডিয়াম, পটাসিয়ামের ঘাটতি ধরা পড়ে। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ড থেকে হাই ডিপেনেন্সি ইউনিটের(এইচডিইউ) ৬ নম্বর বেডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেলও গোঁজা ছিল। সেই অবস্থাতেই একটি কাটের তুল হাতে নিয়ে শনিবার রাতে তিনি হঠাৎই রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। এরপরেই তিনি হাসপাতালের এইচডি ইউনিটে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেন। এইচডিইউ বিভাগে শনিবার রাতে কর্মরত থাকা এক নার্স বলেন, শনিবার রাতে রোগীর তাণ্ডবের ঘটনা তিনি কোনদিন ভুলতে পারবেন না। ওই রাত তাঁদের চরম আতঙ্কে ও উৎকন্ঠার মধ্যে কাটাতে হয়েছে। তাঁদের চোখের সামনেই দামি ও গুরুত্বপূর্ণ বহু চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভেঙে চুরমার করে দেন। ভয়ে আতঙ্কে তাঁরা কিছুই করতে পারেননি। অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থেকে তাঁদের সব দেখতে হয়। রোগী অরুণবাবু হঠাৎ কেন এমন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন তাও তাঁদের অজানা বলে ওই নার্স জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটটি(এইচডিইউ) চালু হয়। প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যের উন্নত যন্ত্রপাতি তখন এইচডিইউ বিভাগে বসানো হয়েছিল। ওই এইচডিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা রোগী অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে দেন। বেড থেকে উঠে একটি কাঠের টুল হাতে নিয়ে তিনি তান্ডব শুরু করে দেন। ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়ার যন্ত্রগুলি তিনি একে একে ভেঙে ফেলেন। কোনরকমে তাঁর হাত থেকে টুলটি কেড়ে নেওয়া গেলেও তাঁকে রোখা যায়নি। এরপর খালি হাতেই তিনি এইচডিইউ বিভাগে থাকা কম্পিউটারের সিপিইউ, মনিটরসহ অনান্য মেশিনপত্র মাটিতে আছড়ে ভেঙে দেন। অক্সিজেন ভর্তি সিলিন্ডার ও ওষুধের প্যাকেটও তিনি ফেলে দেন। অরুণবাবুকে বিরত করতে গিয়ে কর্তব্যরত দুজন নার্সও আক্রান্ত হন। তারপর আর কেউ তাঁকে বিরত করতে যাওয়ার সাহস করেননি। হাসপাতালের নার্স, সিকিউরিটি গার্ড, সিভিক ভলেন্টিয়ারা সবাই কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওই রোগীর তান্ডব লীলা দেখতে বাধ্য হন। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীরাজ রায় জানান, তিনি তাঁর চাকুরি জীবনে এমন ঘটনা এই প্রথম দেখলেন। এইচডিইউ বিভাগের অনেক দামি দামি মেশিনপত্র ওই রোগী ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ওই রোগী ভাঙচুর করে নষ্ট করে দিয়েছেন। ঘটনার সবিস্তার রিপোর্ট জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।চিকিৎসাধীন ওই রোগী রাতে হঠাৎই কেন এত ভায়োলেন্ট হয়ে উঠলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সুপার জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Kamarhati: কামারহাটিতে ডায়রিয়ায় মৃত ২, আক্রান্ত ৭০ জনের বেশি

কামারহাটিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৭০ জনের বেশি। তার মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে। ইতিমধ্যেই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই মহিলার। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সোমবার রাতে নজনকে ভর্তি করা হয়েছে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মঙ্গলবার বমি ও পেটের সমস্যা নিয়ে আরও অনেককে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। মূলত জল থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।আরও পড়ুনঃ স্কুল খোলার আগে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীরসূত্রের খবর, কামারহাটি পুরসভার ১, ২, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়েছে। জল থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে মনে করছে পুরসভাও। কামারহাটি পুরসভার মুখ্য প্রশাসক গোপাল সাহা জানিয়েছেন, কেএমডিএ-এর জল প্রকল্প এবং কামারহাটি জুটমিলের পরিবাহিত জল থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, পুরসভার পক্ষ থেকে আক্রান্ত এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিশেধক দেওয়া হচ্ছে। এই পাঁচ ওয়ার্ডে পুরসভার সরবরাহ করা জল ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে বাসিন্দাদের। জলের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কামারহাটি পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের বক্তব্যের সঙ্গে অবশ্য সহমত নন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, ডায়রিয়া হয়েছে বলে শোনা গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে এমন নিশ্চিত তথ্য নেই। আমি শুনেছি চেয়ারম্যান বলেছেন, জল থেকে হয়েছে। এটা চেয়ারম্যানকে দোষ দেব না। চেয়ারম্যান তো বিশেষজ্ঞ নন। উনি আবেগের বশে বলেছেন। এটা আমার গর্ব যে উনি নিজের ঘাড়ে দোষ নিয়েছেন। তবে আমি মানতে রাজি নই।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Theft : করোনা ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে

কোভিড ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ উঠলো হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভুঁড়ি এলাকায়। ভুঁড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী কর্মী উৎপল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কোভিডের ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাঁরা ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার গলসি ২ ব্লকের বিডিও এবং আদড়াহাটী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উৎপল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর।গলসির ভুঁড়ি এলাকার বাসিন্দা গোপিনাথ মুখোপাধ্যায়, রাজু মল্লিক, আসগর মল্লিকরা জানান, বুধবার ভুঁড়ি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের ক্যাম্প ছিল। সেখানে ১৯৭ জনের ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭ জন ভ্যাকসিন পাননি। তাঁদের পরের ক্যাম্পের দিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়ে টোকেন দেন হাসপাতাল কর্মী উৎপল ঘোষ ও আশা কর্মীরা। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ২৭ জন লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন না পেলেও ওইদিন সাতটি ভ্যাকসিন উৎপল তাঁর বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল কর্মী উৎপল সরকারি ভ্যাকসিন বিক্রি করেন বলেও বাসিন্দরা অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে আদড়াহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জসিমউদ্দিন হাজারীকে ফেন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Hospital Waste : দূষণ ছড়ানোয় হাসপাতালের বর্জ্য সুপারের অফিসের সামনে ফেলে দিয়ে পালালো বাসিন্দারা

হাসপাতালের বর্জ্য থেকে ছড়ানো দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। প্রতিবাদ স্বরূপ তাঁরাই ওই বর্জ্য তুলে এনে ফেলে দিলেন হাসপাতাল সুপারের অফিসের সামনে। অতিমারি সময়কালে দূষণ নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের এমন প্রতিবাদ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মহলে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল সুপার বৃহস্পতিবার কাটোয়া থানার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। বর্জ্য সাফ করা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা এরপর নেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাসিন্দারা।কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ রাখার ঘরের পিছন দিকে সাইকেল স্ট্যান্ডের কাছেই রয়েছে হাসপাতালের বায়ো মেডিকেল ওয়েষ্টেজ(বর্জ্য) ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা। ছাউনি দিয়ে ঘেরা ওই জায়গায় রয়েছে ঢাকনা দেওয়া পাত্র।সেখানেই হাসপাতালের যাবতীয় বর্জ্য সামগ্রী ফেলার কথা। ওই আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য একটি এজেন্সিকে দায়িত্বও দেওয়া রয়েছে। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওয়েষ্টেজ কালেকশন সেন্টারে জমা হওয়া আবর্জনা দীর্ঘদিন পরিষ্কার করা হয়নি। তার করণে ঢাকনা দেওয়া পাত্র ছাপিয়ে গিয়েছে হাসপাতালের বায়োমেডিকেল ওয়েষ্টেজে। বর্তমানে ওই সমস্ত বর্জ্য বাইরে স্তুপাকার হয়ে রয়েছে। অতিমারির সময়কালে হাপাতালের ওইসব বর্জ্য থেকে দূর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি দূষণও ছড়াচ্ছে। এছাড়াও কাক ও কুকুর ওইসব বর্জ্য মুখে করে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতাল লাগোয়া বাসিন্দাদের বাড়িতে নিয়েনিয়ে গিয়েও ফেলছে। ওইসব বর্জ্য থেকেও রোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বাসিন্দা মহলে।বাসিন্দারা দাবি করেন বিষয়টি নিয়ে তাঁরা বার বার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দূষণের কারণে অতিষ্ঠ হওয়া এলাকার প্রতিবাদিরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়াতে বুধবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ বেশ কিছু ওই বর্জ্য তুলে এনে সুপারের অফিস ঘরের সামনে ফেলেদিয়ে চলে গায়েব হয়ে যান। তখন যদিও হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় অফিসে ছিলেন না। হাসপাতাল কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ হন। এদিন বিষয়টি নিয়ে সুপার কাটোয়া থানার পুলিশেরও দৃষ্টি আকর্ষণও করেছেন বলে খবর। হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এদিন বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য সময়মতো তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে এজেন্সি রয়েছে তারা ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করবেন বলেই আশ্বাস দিয়েছিল। একই সঙ্গে সুপার বলেন, তাঁর অফিসের সামনে যারা আবর্জনা ফেলে দিয়ে গিয়েছে তাঁদের চিহ্নিত করে থানায় লিখিত অভিযোগ জানাবেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
কলকাতা

SSKM: ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?

এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal