• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Home Minister

রাজ্য

সীমান্তের নিরাপত্তায় নজর, ফের বাংলায় অমিত শাহ! শিলিগুড়িতে বড় বৈঠক ঘিরে তৎপর প্রশাসন

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ফের বঙ্গ সফর ঘিরে তৎপরতা শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন তিনি। দুদিনের এই সফরে শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তবে এবারের সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ এবং ভারত-নেপাল সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে শিলিগুড়ি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকেনস নেক নামে পরিচিত এই করিডরের কাছাকাছি রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের সীমান্ত। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগের ক্ষেত্রেও শিলিগুড়ি করিডরের গুরুত্ব অপরিসীম। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা, নজরদারি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলার মতো বিষয় নিয়ে বৈঠকের জন্য শিলিগুড়িকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।অমিত শাহের সফরকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা শিলিগুড়িতে পৌঁছে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। রাজ্য পুলিশের প্রধান সিদ্ধার্থ নাথ গুপ্ত-সহ একাধিক আধিকারিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যাতায়াতের রাস্তা থেকে শুরু করে বৈঠকের স্থানসব ক্ষেত্রেই বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, গত ১০০ দিনে রাজ্যে পুলিশের কাজ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট প্রস্তুত করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের কার্যকলাপ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য সেই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে।এর পাশাপাশি দেশে কার্যকর হওয়া তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন রাজ্যে কীভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, তা তুলে ধরতে বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। অমিত শাহের সফরে সেই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। নতুন আইনের প্রয়োগ, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব এবং পুলিশের কাজের ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছেপ্রদর্শনীতে সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরা হতে পারে।তবে সফরের মূল আকর্ষণ সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিএসএফ এবং সশস্ত্র সীমা বল বা SSB-র শীর্ষ আধিকারিকরা সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন। ভারত-বাংলাদেশ এবং ভারত-নেপাল সীমান্তে বর্তমানে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সীমান্তে নজরদারি কতটা কার্যকর এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজনমূলত এই বিষয়গুলিই আলোচনায় উঠে আসতে পারে।সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, পাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং অবৈধ যাতায়াতের মতো বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে সীমান্ত পরিস্থিতির একটি সমন্বিত চিত্র তুলে ধরা হবে বলে জানা গিয়েছে।সফরের প্রথম দিন, অর্থাৎ শুক্রবার, অমিত শাহ সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করতে পারেন। এরপর শিলিগুড়িতে SSB জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তাঁদের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি এবং কর্তব্য পালনের অভিজ্ঞতা নিয়েও আলোচনা করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।এর পর তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত প্রদর্শনীর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। রাজ্যে এই আইনগুলির বাস্তবায়নের চিত্র সরাসরি তুলে ধরার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুলিশের আধুনিকীকরণ নিয়েও বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শিত হতে পারে।শনিবার সকালে শিলিগুড়িতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অমিত শাহ। সেখানে বিএসএফ, SSB এবং রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। ভারত-বাংলাদেশ ও ভারত-নেপাল সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নজরদারি আরও বাড়ানো এবং নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত হতে পারে।সব মিলিয়ে অমিত শাহের এই সফর শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। উত্তরবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং নতুন ফৌজদারি আইন বাস্তবায়নএই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করেই এবারের বঙ্গ সফরের কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। ফলে শিলিগুড়ির বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রের তরফে নতুন কী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়ঃ অমিত শাহ

এরাজ্যে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রাজ্যের কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। অনেকেই জেল খাটছেন। এই ভ্রষ্টাচার আটকাতে গেলেই মোদি সরকারকে দরকার । মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার এবং রোডশো করতে এসে এভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মালদা এসে রোড শো করেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইংরেজবাজার শহরের ফোয়ারা মোড় থেকে রবীন্দ্র এভেনিউ এলাকার রবীন্দ্রমূর্তির কাছেই রোড-শো শেষ হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে হুডখোলা গাড়িতে পাশে নিয়ে এই রোড-শো করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও দলীয় ঝান্ডায় সামিল হন দলীয় নেতা, কর্মীরা।এদিন তীব্র দাবদহের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার শহরের প্রাণকেন্দ্র ফোয়ারা মোড় থেকে রথবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোয়ের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সকাল গড়িয়ে দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার নামে মালদা বিমানবন্দরে। এরপরে সেখান থেকে কনভয় নিয়ে সরাসরি শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকার সভা মঞ্চে চলে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই শুরু হয় এই রোড শো। এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এরাজ্যে একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির কাছে ধরা পড়েছে। এই বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয় । এর থেকে আর নিন্দাজনক কি হতে পারে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বল ভারত গড়ে তোলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আরও বলেন, উজ্জ্বল ভারত গড়তে গেলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গেলে এনআরসি এবং সিএএ দরকার। ভ্রষ্টাচার বন্ধ করতে হবে। বেকারত্ব দূর করতে হবে। যেটা গত দুইবারের ক্ষমতায় থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকার করেছেন। এরাজ্যে তৃণমূল সরকার শুধু দুর্নীতি আর ভ্রষ্টাচার করে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটাই ভাষা সেটাই হচ্ছে আপনাদের ভোট । এই ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থীকে অন্তত এক লক্ষেরও বেশি ভোট দিয়ে জয়ী করতে হবে। এদিন মালদায় রোড-শো করার সময় মালদার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি। আর এত দাবদাহের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । তিনি বলেন, আপনাদের জনজোয়ার এবং স্লোগান বলে দিচ্ছে এই বাংলায় বিজেপি প্রচুর আসন পাবে । একইভাবে মালদার দুটো আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপির দুই প্রার্থী। এই রোড-শো করার পর এই দিন মালদা থেকে হেলিকপ্টার করেই পূর্ণিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ফের বাংলায় লোকসভার টার্গেট দিয়ে গেলেন অমিত শাহ

তিনি প্রথমে বলেছিলেন, বাংলায় ৩৫ আসন চাই। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর প্রথমবার বাংলায় নির্বাচনী সভা থেকে বাংলায় টার্গেট কমিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, ২০১৪ সালে বাংলার মানুষ দুটি আসন দিয়েছিল। ২০১৯-এ সেটা বেড়ে হয়েছিল ১৮, এবার ২০২৪-এ ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করতে হবে। যাতে বিজেপির গোটা দেশে আসন ৩৭০ পেরিয়ে যায়।বুধবার বালুরঘাটে নির্বাচনীয় সভায় এসে নয়া লক্ষ্যমাত্রা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিছুদিন আগে পর্যন্তও ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রার কথা বলেছিলেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, বাংলায় ৪২-এ ৪২ করতে হবে। তবে শাহ এদিন বললেন, ৩০ আসন চাই। আর বাংলায় বিজেপি ৩০ আসন পেরোলে কী হবে সেটাও জানিয়ে দিলেন তিনি। বললেন, বিজেপি অসমে অনুপ্রবেশ খতম করেছে। বাংলায় লোকসভা ভোটে ৩০ আসন পেলে এখানে সীমান্ত টপকে কোনও পরিন্দা বা পাখিও ঢুকতে পারবে না।কীভাবে ভোটে দেবেন সেটাও বলেছেন জনতাকে। বলেছেন, স্নান করে শিবের পুজো করে ১৯ তারিখে পদ্মপ্রতীকে বোতাম টিপতে হবে। এদিনের সভায় ভিড় দেখে খুশি প্রকাশ করেছেন অমিত শাহ। তিনি বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে বলেন, আপনার ভোটের ফল তো এখানেই হয়ে গেল। বলেছেন, এত রাগে বালুরঘাটে বোতাম টিপবেন যেন কলকাতায় মমতা দিদির গায়ে কারেন্ট লাগে।বাংলায় সিএএ নিয়ে শাহ বলেছেন, হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।কয়েকদিন আগেই ভূপতিনগরে বোমা বিস্ফোরণে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের ধরতে এসে আক্রান্ত হন এনআইএ আধিকারিকরা। সরাসরি এনআইএ শাহের অধীনে পড়ে। এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেছেন, সবাইকে উল্টো ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৪
রাজ্য

সিপিএম বিজেপির বি-টিম,' বাংলা নয়, দিল্লি দেখুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি মমতার

এদিন দলের নয়া রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠক হয় তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ভবনে। এদিকে দুদিনের বাংলা সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জনসভায় নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহকে কড়া জবাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মনুষ পরিষেবা না পেলে কেন পাচ্ছে না দেখতে হবে। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। ভুল করলে খারাপ লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী। ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। এদিন অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে টানা আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।কাটমানি, অত্যাচার নিয়ে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী। মমতা বলেন, কাটমানির সংজ্ঞা কী? গ্যাস, ডিজেলের দাম বাড়ছে। সেই টাকাটা কোথায় যাচ্ছে? পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, সিপিএম বিজেপির বি টিম। ওরা বিজেপির লিংক।এরাজ্যে অশান্তি নিয়ে অমিত শাহর অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, আগে নিজের দিকে তাকান। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি দেখুন, বাংলার দিকে তাকাতে হবে না। জাহাঙ্গিরপুরী, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের দিকে তাকান। রাজ্যে কী ভাবে অশান্তি লাগে তাতে উৎসাহ দিচ্ছেন। আমাকে গাইড করতে হবে না। দেশকে ভাঙতে চাইছে আর ঘরে বসে সিবিআই, ইডি, আয়কর দফতর ছাড়া কোনও কাজ করেছেন না। সিএএ লাগু নিয়ে মমতার হুঙ্কার, বাংলায় সিএএ চালু হবে না। কাদের ভোটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েছেন? তাঁরা কী দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন তোলেন মমতা

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

অত্যাচার, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি বন্ধ হয়নি বাংলায়, শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

বিধানসভা নির্বাচনের এক বছর পরে এরাজ্যে এসে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে টানা তোপ দাগেন অমিত শাহ। তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেও তৃণমূল কংগ্রেস যে শোধরায়নি সেকথাও জানিয়ে দেন শাহ। তাঁর হুঙ্কার এখানে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে বিজেপি। করোনা আবহ কেটে গেলেই সিএএ চালু হবে বলেও জানিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তৃণমূল সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে বলে শাহর দাবি।অমিত শাহ বলেন, বাংলার মানুষ বলুন সিন্ডিকেটরাজ, দুর্নীতি কী বন্ধ হয়েছে? তারপরও কী অত্যাচার বন্ধ হয়েছে? অত্যাচার বন্ধ না হলে বিজেপি লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের ওপর অত্যাচার, সিন্ডিকেটরাজ, কাটমানি চললে বিজেপি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবে। তৃতীয়বার ক্ষমতা এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও শোধরাননি।ভোটপরবর্তী হিংসার কথাও উঠে আসে অমিত শাহর বক্তব্যে। বাংলায় আইনের শাসন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, মানবাধিকার কমিশনও বলছে বাংলায় আইনের কোনও শাসন নেই। ২২ মার্চ থেকে বাংলায় ৮১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দেশে কোথাও কিছু হলে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছেন দিদি। বীরভূমে মহিলা-শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। সেখানে কেন প্রতিনিধিদল পাঠানো হল না। বীরভূম কী বাংলায় নয়। হাঁসখালিতেও কেন প্রতিনিধি দল গেল না।এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার বাংলার অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের অত্যাচার বন্ধ না করা অবধি শান্তিতে বসতে পারব না।

মে ০৫, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
দেশ

বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি, অমিত শাহ, বিষণ্ণ রাষ্ট্রপতি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র-পতনে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিংবদন্তী গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিবেষ্টিত ছিল বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে।বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত ছিল পরিবেষ্টিত, সুন্দরভাবে বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে। তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব সবাই মিস করবেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত, পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।Shri Bappi Lahiri Jis music was all encompassing, beautifully expressing diverse emotions. People across generations could relate to his works. His lively nature will be missed by everyone. Saddened by his demise. Condolences to his family and admirers. Om Shanti. pic.twitter.com/fLjjrTZ8Jq Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার সকালে বাপ্পি লাহিড়ীর মৃত্যুর দুঃসংবাদ শুনেই শোকে ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রপতি। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, শুধু দেশ নয় বিশ্বেও বাপ্পি লাহিড়ীর গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে।বুধবার সকালে শোকপ্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একজন অতুলনীয় গায়ক ও সুরকার। তাঁর গান শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর স্মরণীয় গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে বহুদিন। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা।Shri Bappi Lahiri was a matchless singer-composer. His songs found popularity not only in India but abroad. His diverse range included youthful as well as soulful melodies. His memorable songs will continue to delight listeners for long time. Condolences to his family and fans. President of India (@rashtrapatibhvn) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল ভারতীয় সঙ্গীত জগতে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মিউজিকের দশা আর দিশা দুটোই বদলে গিয়েছিলেন এই বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি। ডিস্কো সঙ্গীতের অবিসাংবাদিত রাজা তিনি। বাপ্পি লাহিড়ী প্রয়াত হয়েছেন মঙ্গলবার মধ্যরাতে।Pained to learn about the passing away of legendary singer and composer, Bappi Lahiri Ji. His demise leaves a big void in the world of Indian music. Bappi Da will be remembered for his versatile singing and lively nature. My condolences to his family and admirers. Om Shanti. Amit Shah (@AmitShah) February 16, 2022বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে টুইট করে শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, কিংবদন্তী গায়ক এবং সুরকার বাপি লাহিড়ীর মৃত্যু সংবাদে আমি শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাপি দা তাঁর বহুমুখী গানের প্রতিভা এবং প্রাণবন্ত প্রকৃতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

Tripura: ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ মমতার

সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে এসএসকেএম হাসপাতালে সোমবার দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ওই দুই যুব নেতাকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন সুদীপ ও জয়া। ত্রিপুরায় আক্রান্ত হলেও ওই যুব নেতাদের ওই রাজ্যে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ। এদিন তাঁদের চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকহাসপাতালে মমতা বলেন, ত্রিপুরায় পাথর মারা হয়েছে, গুলি চালিয়েছে। যুব নেতাদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পুলিশের সামনে মেরেছে। ওরা মারল ওরাই আবার আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করল। সেখানে একটা দানবীয় দল সরকার চালাচ্ছে। ত্রিপুরায় আমাদের জখম কর্মীদের ৩৬ ঘন্টা চিকিৎসা হয়নি, তাঁদের জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্ররোচনায় এসব হয়েছে। না হলে এত সাহস কোথা থেকে পায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ওরা বাংলায় এসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ত্রিপুরা তো পাশের রাজ্য। বিজেপি নিজের রাজ্যে সেবা দিতে পারে না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরত্রিপুরায় দলীয় কর্মী ও অভিষেকের ওপর হামলা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, অভিষেকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। সবটাই পুলিশের সামনে হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এত সাহস হয় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ করেছেন। মমতার দাবি, ত্রিপুরা যাওয়ার উড়ানে পাশের সিট রিজার্ভ করে গুন্ডাদের দিয়ে অভিষেকের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রীম ক্ষতিপূরণ নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ মমতার

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের এরাজ্যের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় এ রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওডিশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন । সেখানে এ রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আয়তনের দিক থেকে বৃহৎ এই রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা অযৌক্তিক বলে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। গতবছরের আম্ফান পর্বে কেন্দ্রীয় সহায়তা বাবদ প্রতিশ্রুত অর্থসাহায্য ও ঠিকমতো মেলেনি বলেও তিনি আজ অভিযোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর নবান্নে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আম্ফানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছর আম্ফানের সময় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণহানি রোখা গিয়েছিল। এবারও একই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪ হাজার ত্রাণশিবির খুলে লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অতিমারির আবহে ত্রাণ শিবির গুলিতে করোনা বিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, নবান্ন এবং উপান্ন কাল থেকে ৪৮ ঘণ্টা সারাক্ষণ নজরদারি চলবে। উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য দল তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারক করবেন। দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ব্লক ব্লকে সচেতনতা মূলক প্রচার এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সমুদ্রের না যাওয়ার বিষয়ে নিরন্তর প্রচার চালানোর জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

গুচ্ছ প্রতিশ্রুতির মাঝে সোনার বাংলা গড়ার শাহি ডাক

কখনও বলেছেন রাজ্যে কার্যকর হবে কৃষক সম্মান নিধি, কখনও আবার আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। এমনকী, রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে লক্ষাধিক কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবার নামখানা থেকে পরিবর্তন যাত্রা সূচনার আগে আরও এক বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।মঞ্চে উপস্থিত সমস্ত নেতৃত্বকে এবং উপস্থিত জনতাকে সম্ভাষণ করে তিনি নিজের বক্তব্য শুরু করেন। ● আজ আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের দিন। আজ আমি গঙ্গাসাগর দর্শন করে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ● বাংলায় পরিবর্তন করার জন্য আমরা আজ সবাই উপস্থিত হয়েছি। আজ পরমহংস শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের এবং শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মদিন। খুবই শুভময় দিন আজ। ● আজ পরিবর্তন যাত্রার পঞ্চম দফায় শুরু হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গের সব বিধানসভায় যাবে এই যাত্রা। সব বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই আমরা তৃনমূলকে উৎখাত করব। ● এই যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা নিয়ে আসছে। বড় বড় মিছিল, ১৫০০ অধিক সভা এবং সব বুথের কর্মী অংশগ্রহণ করবেন। ● এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা করার, তৃনমূলের সিন্ডিকেট শেষ করার লড়াই।● সিন্ডিকেট করেন যারা তাঁরা সাহায্য মানুষ পর্যন্ত পৌঁছতে দেয় না। এই সিন্ডিকেট রাজ আপনারা বদলাবেন তো? পরিবর্তন করবেন তো?● আমাদের লক্ষ্য হল বাংলায় পরিবর্তন। গরিব জনতার পরিবর্তন, মা বোনদের পরিবর্তন। এই জন্য এই যাত্রা। জেলেদের, আদিবাসীদের কাটমানি না দিতে হয় তার জন্য এই যাত্রা। ● প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আম্ফানের সময় যাতে আপনার বরাদ্দ কেউ না নিতে পারে তাই এই যাত্রা। তুষ্টিকরণ বন্ধ করে, দুর্গা পূজা, সরস্বতী পূজা, রাম নবমী যাতে ভালোভাবে পালন করা যায় তাকেই পরিবর্তন বলে।● এই পরিবর্তন শুধু ক্ষমতা বদলের পরিবর্তন নয়। গঙ্গাসাগরের পরিবর্তন, এখানে মৎস্যজীবী, আদিবাসীদের অবস্থা বদলানোর জন্য পরিবর্তন। ● যতদিন মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আছেন বাংলায় আইন শৃঙ্খলা উন্নতি হতে পারে না। ● কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বতে বড় ইঞ্জিন সরকার গঠিত হয়েছে। কিন্তু এখানে তাকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আপনারা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠিত করুন যারা কেন্দ্রের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। ● বন্ধুগণ, এখানে আর্থিক ব্যবস্থা এত করুন এখানে সপ্তম পে কমিশন পাননা সরকারি কর্মীরা। বিজেপি সরকার গঠিত হলে সপ্তম পে কমিশন চালু হবে।● শিক্ষকরা কোমর পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে নিজেদের দাবি ন্যায় জানাচ্ছেন। আমি শিক্ষক ভাইবোনদের জানাতে চাই ক্ষমতায় এসে যাতে আপনারা ন্যায় পান তার জন্য আমরা কমিটি গঠন করব। ● মৎস্যজীবীদের জন্য ৬০০০ টাকা করে দেওয়া হবে মৎস্যজীবী সম্মান নিধি। মৎস্যজীবীদের জন্য একটি অর্গানাইজেশন গঠন করা হবে যাতে মৎস্যজীবীরা সঠিক দাম পান। তার জন্য একটি মন্ত্রণালয় বানানো হবে। ● ২৪ পরগনায় তৈরি হবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ হাব। ● গঙ্গাসাগরকে পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক পিঠস্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ● গঙ্গাসাগরের মেলাকে আন্তরাষ্ট্রীয় রূপে গড়ে তোলা হবে যাতে দেশে বিদেশে মানুষ আসেন। ● তৃনমূল অল্প দিনে কিছু যোজনা ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু কিছুই হয়নি। ইন্টিগ্রেটেড ফিসারি জোন তৈরি হয়নি। সুন্দরবনকে আলাদা জেলার কথা বললেও তা হয়নি। ঝড়খালীতে পর্যটন গড়ে ওঠেনি। আমফানের পর মোদিজির পাঠানো টাকা তৃণমূলের গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে। ● আমি সবাইকে বলছি, বিজেপি সরকার গঠিত হলেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে যারা আম্ফানে দুর্নীতি করেছে তাদের জেলে পাঠানো হবে। ● মোদিজি ৩৫০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু কিছু হয়নি। তৃণমূলের একটাই কল্যাণ। ভাইপোর কল্যাণ। ● এটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। বিজেপি ক্ষমতায় এসেই জিরো ক্যাজুয়ালটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করবে। যাতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারও প্রাণ না যায়। ● বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় আমাদের ১৩০ অধিক বিজেপি কার্যকর্তার মৃত্যু হয়েছে। মমতা দিদি আপনার গুন্ডা কর্তৃক মৃত ১৩০ অধিক কর্মীর বলিদান ব্যর্থ যাবে না। রাজ্যজুড়ে প্রবল পরাক্রমে পদ্ম ফুটবে।● যে গুন্ডারা আজ লুকিয়ে আছে তাদের বলছি বিজেপি পাতাল থেকে খুঁজে বের করে আপনাদের জেলে পাঠাবে।● নিবার্চনে তৃণমূলের গুন্ডা থাকবে না।● বাংলার উন্নয়নের জন্য মোদি প্রভূত টাকা পাঠান। কিন্তু সিন্ডিকেট খেয়ে নেয় টাকা। ● কংগ্রেস আমলে ৫ বছরে বাংলার জন্য ১ লক্ষ ৩২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। ● মোদি সরকার ৩ লক্ষ ৫৯ কোটি টাকা দিয়েছে।● কিন্তু গ্রামে গ্রামে কিছুই পৌঁছয় না। ভাইপো আর তার গুন্ডা খেয়ে নিয়েছে সব। সব তদন্ত হবে। ● মমতা ব্যানার্জি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে পারেনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করবে। ● দুর্গাপূজার জন্য আদালত থেকে অনুমতি নিতে হয়। সরস্বতী পূজা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়। জয় শ্রীরাম শুনলে দিদির অপমান লাগে। জয় শ্রীরাম আমাদের পরিবর্তনের প্রতীক ।● এই পরিবর্তন যাত্রাকে আপন করে নিন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটা সুযোগ দিন সোনার বাংলা গড়ে তোলার। পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়ে দেব।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

রাসমেলা ময়দান থেকে মমতাকে খোঁচা অমিত শাহর

কোচবি্হারের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। খোঁচা দিয়ে বললেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনের আগে আমাদের শূন্য দিচ্ছিলেন, এখন নিজেই নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে লড়বেন না ওখানে লড়বেন, নাকি দুটি আসনে লড়বেন। বুঝে উঠতে পারছেন না। কোচবিহারের রাসমেলার ময়দান থেকে তিনি গগনভেদী জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। বলেন, এত জোরে ধ্বনি তুলুন সবাই। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, রামনাম উচ্চারণ করে গর্ববোধ করেন। কিন্তু মমতাজির তাতে আপত্তি। কারণ, উনি তোষণের রাজনীতি করেন। তবে ভোট শেষ হতে হতে আপনিও জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলবেন।রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর দুই মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় দলের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মমতা। কিন্তু অমিত শাহ তার ব্যাখ্যা দিলেন নিজের মতো করে। বলে দিলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত নন বলেই নিজের জন্য নিরাপদ আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারের সভা থেকে তাঁর খোঁচা,লোকসভা ভোটের আগে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে আমরা কুড়িটির বেশি আসন জিতব। দিদি আমাদের বলেছিলেন আমরা নাকি শূন্য পাব। আজ উত্তরবঙ্গ থেকে রাজু সিং বিস্তা, নিশীথ প্রামাণিকরা সাংসদ হয়ে গিয়েছেন। আর আপনি নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে দাঁড়াবেন না ওখানে দাঁড়াবেন, এক জায়গায় লড়বেন না দুই জায়গায় লড়বেন, বুঝতেই পারছেন না।#WATCH | Mamata didi keeps on quarrelling with Modi ji, she even quarrelled during Subhash babus program. It was Subhash babus event, you could have refrained from politics there: Union Home Minister Amit Shah in Coochbehar pic.twitter.com/iCFWzW65ou ANI (@ANI) February 11, 2021

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

‘বিজেপি বহিরাগতদের এনে ব়্যালি করছে’, দাবি অনুব্রতর

ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা গোটা রাস্তাতেই ব্যান্ড বাজছে। বাড়ির উপর থেকে ফুল পড়ছে। জনজোয়ারে ভেসে এগিয়ে চলেছেন অমিত শাহ। পরে শাহের জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে যেন জনতার বাঁধ ভাঙল। বোলপুরে এ দিন অমিত শাহের মেগা ব়্যালিতে ভিড় ছিল উপচে পড়া। তবে, একে আমল দিতে নারাজ খোদ বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। উল্টে এখানেও বহিরাগত তত্ত্ব হাজির করলেন নেত্রীর আস্থাভাজন কেষ্ট। দলীয় বঙ্গধ্বনী কর্মসূচির মাঝেই নিজস্ব কায়দায় বললেন, বিজেপি বহিরাগতদের এনে এই ব়্যালি করছে। আমি জেলার লোক নিয়ে মিছিল করি। কয়েকটা ব্লক নিয়ে মিছিল করলেই এর থেকে বেশি ভিড় জমিয়ে দিতে পারি। আরও পড়ুন ঃ রোড শোতে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের এখানেই থেমে থাকেননি অনুব্রত। উল্টে কিছুটা চ্যালেঞ্জের সুরেই তাঁর দাবি, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সভা শুরু হবে। প্রতিটা ব্লকে ৮০ হাজার করে লোক থাকবে। এরপরই তৃণমূল নেত্রীর পদযাত্রার প্রসঙ্গ উত্থাপ করে তিনি বলেন, মমতাদির সবা-মিছিল হলে পাঁচ-ছয়টা ব্লক থেকে মিছিল তাতেই চার-পাঁচ লাখ লোক হয়ে যায়। এসব আমাদের কাছে কোনও ব্যাপার নয়। বিজেপির এ দিনের কর্মসূচিতে যে ভিড় হয়েছে তাতে কি তিনি ভীত? অনুব্রত মণ্ডল বলেন, আমিত শাহ রোজ আসুন। এতে তৃণমূলের কোন ক্ষতি হবে না। উৎসাহিত হবে দলের কর্মীরা। একই সঙ্গে বলেন, শুভেন্দু হোক বা অন্য কেউ- তৃণমূল ছাড়লে ক্ষতি দলত্যাগীদের। ফের বাংলার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

রোড শো’তে উপচে পড়া ভিড়, হুডখোলা গাড়ি থেকে পরিবর্তনের ডাক শাহের

রবিবার অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে রোড শো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্মীদের ভিড় এতটাই ছিল এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লেগে গেল এক ঘণ্টারও বেশি। শুধু তাই নয় রাস্তার দুপাশে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের ভিড় এতটাই ছিল যে রাস্তার দুপাশে দড়ি দিয়ে আটকে রাখা যাচ্ছিল না কর্মী-সমর্থকদের। রীতিমতো পুলিশকে বেগ পেতে হয় কর্মী-সমর্থকদের আটকানোর জন্য। অমিত শাহের রোড শো এর একদম প্রথমে ছিলেন বীরভূমের পুলিশ সুপার। হুডখোলা গাড়িতে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে এদিন রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো মুডে দেখা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রোড শো-র প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত গোলাপের পাপড়ি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়তে ছুঁড়তে গেলেন অমিত শাহ। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে বিমলের সভার আগে আদিবাসীদের হুঁশিয়ারি আগুন জ্বলবে এরপর হুডখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে সুর চড়ালেন অমিত শাহ। বলেন, এরকম রোড শো জীবনে দেখিনি। এটা ঐতিহাসিক। ডাকবাংলো মোড় থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত রোড শোতে ভিড় প্রসঙ্গে বার্তা দেন শাহ। মেদিনীপুরের পর বীরভূমে অনুব্রতর গড়ে ফের পরিবর্তনের বার্তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। এছাড়াও বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসলে সোনার বাংলা গড়ার ডাক শাহের। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, তোলাবাজি বন্ধে পরিবর্তন দরকার। বিজেপি বাংলার উন্নয়ন করবে। রোড শো ঐতিহাসিক। এরকম র্যালি আগে দেখিনি। মোদিজির প্রতি ভালবাসা দেখছি। হিংসা বদলে বদল জরুরি। ভাইপোর দাদাগিরি বন্ধ হবে। অমিতের দাবি, বাংলার উন্নয়ন করবে বিজেপির সরকারই। বলেন, যেখানে বিজেপির শাসন, সেখানেই উন্নয়ন। উন্নয়নের রাস্তা থেকে সরে গিয়েছে বাংলা। পাশাপাশি মানুষের কাছে বিজেপিকে ভোটে জয়ী করার আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, এতদিন তো কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, তৃণমূলকে দেখলেন। কিন্তু তাতে কি অবস্থার কোনও বদল হয়েছে? বিজেপিকে একটি বার সুযোগ দিন, সোনার বাংলা গড়ব।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বোলপুরের বাউল বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ অমিত শাহর

শ্যমবাটিতে বাউল শিল্পী বাসুদেব দাসের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্দিষ্ট সময়ের খানিকটা পরেই অমিত শাহ পৌঁছন বাউল বাসুদেবের বাড়িতে। সেখানকার শিবমন্দিরে প্রথমে পুজো দেন। এরপর দাওয়ায় এসে বসেন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন বাড়ির মেয়েরা। তোমায় হৃদমাঝারে রাখব গান শুনে মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়, অনুপম হাজরা প্রমুখ। কথা ছিল, বোলপুরে গেলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেবারে স্থানীয় খাবার খাবেন বাউল পরিবারে। আরও পড়ুন ঃ ৭০ বছর পর ঐতিহাসিক সাফল্য ভারত সরকারের সেইমতো রবিবার অতিথি আপ্যায়ণের জন্য সকাল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয় রতনপল্লির বাউল বাসুদেব দাসের পরিবারে। পাতে ছিল, ভাত, মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, পালং শাকের তরকারি, আলু পোস্ত, চাটনি। কলাপাতায় এই সব পদ সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নিজের গলায় একখানা গানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোনান শিল্পী। মাটির দাওয়ায় বসেই তা বেশ উপভোগও করলেন অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ

লাল মাটির বোলপুরে অমিত শাহর কর্মসূচি ঘিরে সাজো সাজো রব। শাহী পোস্টার এবং কাটআউটে ছেয়ে গিয়েছে বোলপুরের চারদিক। বোলপুরে সকালেই পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পৌঁছানোর পর উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর সঙ্গীত ভবনে যান শাহ। সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শকাসনে বসে অনুষ্ঠান দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। শান্তিনিকেতনে ভিজিটর্স বুকে নিজের প্রতিক্রিয়া লেখেন তিনি। সেখান থেকে বাংলাদেশ ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। আরও পড়ুন ঃ কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায় অমিত শাহ বলেন, আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত করতে শান্তিনিকেতন তৈরি করা হয়েছিল। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। তাই এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর। কদিকে বাঙলি মনন-আবেগকে নাড়া দেওয়া, অন্যদিকে হিন্দুত্বের মোড়কে বিজেপির প্রচার। এই দুয়ের লক্ষ্যে ভোটের আগে এবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

বিধানসভা ভোটের আগে দলের বৈঠকে সংগঠন মজবুতের উপর জোর অমিত শাহের

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। শনিবার রাতে নিউটাউনের হোটেলের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নেতা-কর্মীদের হোম টাস্ক বেঁধে দিলেন অমিত শাহ। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিজেপির রাজ্য নেতাদের সমস্ত কর্মসূচি বেধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যার মধ্যে সবচেয়ে জরুরি বুথস্তরে সংগঠন মজবুত করা। কীভাবে হবে সেই কাজ? ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনির কাজে কর্মীদের বাড়ি-বাড়ি যেতে হবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে শুভেন্দুর শ্লোগান তোলাবাজ ভাইপো হঠাও পাশাপাশি প্রতি বুথে পাঁচটি করে দেওয়াল লিখন করাতে হবে। এককথায়, এবার মাঠে নেমে গা ঘামাতে হবে বিজেপির বুথস্তরের কর্মীদের। যা দেখে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল স্তরে ঘর গুছিয়ে তৃণমূলকে মাত দিয়ে চাইছেন শাহ। সেদিকে নজর রেখেই রাজ্যে আগামীদিনে শুভেন্দুকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এমনকী, নির্বাচনী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্বও পেতে পারেন তিনি। নিউটাউনের বৈঠকেই অমিত শাহ জানিয়েছেন, নতুন বছরে জানুয়ারি মাসে তিনদিন রাজ্যে আসবেন তিনি এবং জে পি নাড্ডা।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায়

মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একাধিক কর্মসূচির মাঝে মধ্যাহ্নভোজ সারতে বালিজুড়ি গ্রামে কৃষক পরিবারে পৌঁছলেন তিনি। পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান তাঁকে। মেদিনীপুরের বালিজুড়ির কৃষক ঝুনু ওরফে সনাতন সিংয়ের বাড়িতে তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। মাটি দিয়ে নিকোনো বাড়িতে সূক্ষ্ম হাতে আঁকা হয়েছিল আলপনা। এছাড়াও লেখা হয় স্বাগতম। শুক্রবার সকাল থেকে গেরুয়া শিবিরের নেতাকর্মীদের আনাগোনা লেগেই ছিল। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছিল নিরাপত্তারক্ষীদের। শনিবার দুপুর দেড়টার কিছু পরে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কৃষক সনাতনের মাটির বাড়ির সামনে এসে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়। সেই সময় তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সনাতনের পরিজনেরা। আরও পড়ুন ঃ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের পরিবারের মহিলা সদস্যরা শঙ্খধ্বনি দিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অল্প কিছুক্ষণ আলাপচারিতা সারেন অমিত শাহ। বসেন বাড়ির সামনে থাকা খাটিয়ায়। তারপর ধীরে ধীরে সনাতন সিংয়ের বাড়ির দাওয়ায় গিয়ে পৌঁছন অমিত শাহ। মাটিতে বসে কলাপাতায় খাবার খান তিনি। তাঁর মেনুতে ছিল লাউ মুগডালের বিশেষ পদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খাওয়ানো হয় ভাত, রুটি, উচ্ছে ভাজা, পটল ভাজা, বেগুন ভাজা, খসলা শাকের ভাজা, লাউ মুগডাল, শুক্তো, চাটনি ও পাঁপড়। ছিল স্যালাড এবং টক দই। পরিমাণে অল্প হলেও সব পদই খান তিনি। তাঁর সঙ্গে একই পংক্তিতে বসে ওই খাবার খান দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয়রাও।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ অমিত শাহের

ক্ষুদিরাম বোস যতটা বঙ্গ থেকে ছিলেন ততটা ভারতবর্ষের এবং পন্ডিত রাম প্রসাদ বিসমিল ততটাই উত্তরপ্রদেশ থেকে, যতটা পশ্চিমবঙ্গ থেকে। পশ্চিম মেদিনীপুরে শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এই মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আমরা দেশের জন্য মরার সুযোগ পাইনি, তবে আমরা দেশের জন্য বেঁচে থাকার সুযোগ পেয়েছি। আসুন আমরা সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ করি এবং তাঁর নির্ধারিত পথে চলি এবং দেশের বিশিষ্ট প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ও সুরক্ষিত ভারত গড়ে তুলি। আজ আমি সেই সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের জন্মস্থানে আসার সৌভাগ্য পেয়েছি যিনি দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর সর্বস্ব ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁর জন্মস্থানে এসে এখানের মাটি, হাওয়ার স্পর্শ কপালে পেয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। স্বাধীনতা সংগ্রামে পশ্চিমবঙ্গ ও বাঙালি পুত্রদের অবদান ভারত কখনই ভুলতে পারে না। ক্ষুদিরাম বোস ছিলেন এই ঐতিহ্যের বাহক। তিনি এমন সাহসী যুবক ছিলেন, যিনি কেবল ১৮ বছর বয়সে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করে হাতে গীতা নিয়ে ফাঁসির দড়িকে চুম্বন করার সাহস দেখিয়েছিলেন। এ সময় তাঁর জনপ্রিয়তা সারা দেশে এত বেশি ছিল যে কিছু তাঁতি ধুতিতে ক্ষুদিরাম বোস লিখতে শুরু করেছিলেন এবং তিনি বাংলার যুব সমাজের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়েছিলেন। ফাঁসির দড়ি গলায় পরার আগে শহীদ ক্ষুদিরাম বোস দ্বারা উচ্চারিত বন্দে মাতরমের স্লোগানটি বঙ্গ ও ভারতের যুবকদের মুক্তির স্বপ্নে পরিণত হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা যে এই দিনে মহান দেশপ্রেমিক পন্ডিত রাম প্রসাদ বিসমিল, আশফাক উল্লা খান এবং ঠাকুর রওশন সিংকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। আজ এই তিন সাহসীদের শহীদ দিবসও। তিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। আজ আমি সেই তিন সাহসী শহীদকেও প্রণাম জানাই। আমি যখন বাংলায় এসেছি, এখানে এসে এই মাটির মাটি মাথায় রেখে নতুন চেতনা এবং নতুন শক্তি অনুভব করছি। আমি আজ থেকে এখানকার তরুণদের বলতে চাই যে আমরা দেশের জন্য মরার সুযোগ পাই নি, তবে অবশ্যই দেশের জন্য বাঁচার সুযোগ পেয়েছি। আসুন আমরা সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসকে স্মরণ করি এবং তাঁর নির্ধারিত পথে চলি এবং দেশের বিশিষ্ট প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী, শক্তিশালী ও সুরক্ষিত ভারত গড়ে তুলি। আমি আবারও সাহসী শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাঁকে প্রণাম জানাই। বছরের পর বছর ধরে, তাঁর সর্বোচ্চ ত্যাগ দেশের যুব সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে, তাদের পক্ষে দেশের জন্য বেঁচে থাকার প্রতিশ্রুতি নিতে এবং যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের সংকল্পকে শক্তিশালী করতে বাধ্য করবে। তাদের পরিবারের পায়ে মাথা নত করে আমি আবারও আমার কথা শেষ করি। এছাড়াও তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীর সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি কামনায় মেদিনীপুরের মা সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে প্রার্থনা করেন। মা কালীর ঐশ্বরিক আশীর্বাদই পারে সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ নিশ্চিত করতে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে বড় খবর বাংলাদেশ থেকে! আরও দুই মামলায় জামিন, তবে এখনই মুক্তি নয়

বাংলাদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে আরও দুটি মামলায় জামিন পেলেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।আইনজীবী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় পুলিশি কাজে বাধা এবং ভাঙচুরের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। সেই দুই মামলাতেই এ দিন জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তবে এই জামিনের পরেও এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাঁর জামিন এখনও স্থগিত রয়েছে।বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট জামিন দিয়েছে। অন্য দুটি মামলায় জামিনের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে। ফলে একাধিক মামলায় আইনি লড়াই এখনও চলছে।২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর জামিনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।এর পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের উপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগেও একাধিক মামলা হয়। সেই মামলাগুলির মধ্যেই কয়েকটিতে এখন আদালত থেকে জামিন মিলছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির ঘটনায় ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। দিল্লির তরফে বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল।২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেফতার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে।ভোটের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের একাধিক মামলায় জামিনের বিষয়টিও নতুন করে নজরে এসেছে।তবে দুই মামলায় জামিন পেলেও এখনও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ফলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কবে জেল থেকে মুক্তি পাবেন, তা নির্ভর করছে বাকি মামলাগুলির আদালত-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য আচমকা কড়া নিয়ম! বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় ঢুকতে লাগবে সরকারি অনুমতি

বন্যাবিধ্বস্ত নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে বলেন্দ্র শাহর সরকার। সরকারি অনুমতি ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন না বিদেশি সাংবাদিকেরা। সেখানে যেতে হলে সরকারি অনুমতিপত্রের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিও সঙ্গে রাখতে হবে।নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটেকোশি এবং ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিদেশি সাংবাদিকদের আগে সরকারি দপ্তর থেকে অনুমোদন নিতে হবে। নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে সেই আবেদন করতে হবে।আবেদনের সময় সাংবাদিকদের বৈধ ভিসা বা প্রবেশের অনুমতিপত্র-সহ পাসপোর্টের অনুলিপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি যে সংবাদমাধ্যমে তিনি কাজ করেন, সেই সংস্থার সুপারিশপত্রও প্রয়োজন হবে। যে দেশ থেকে সাংবাদিক নেপালে এসেছেন, সেই দেশের দূতাবাস বা বিদেশ মন্ত্রকের সুপারিশপত্রও জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে সাংবাদিক হিসাবে নিজের পরিচয়পত্রও দেখাতে হবে।নেপাল প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদন খতিয়ে দেখার পর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদন দেওয়া হবে। সেই অনুমোদনের মেয়াদ থাকবে ১৫ দিন। বিদেশি সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য একটি বিশেষ সাহায্যকেন্দ্রও চালু রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।তবে আচমকা বিদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে এত কড়া নিয়ম কেন জারি করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নেপাল সরকারের তরফে এর নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। ফলে নতুন নির্দেশকে ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে চিনকে ঘিরে। কারণ, যে এলাকাগুলিতে বন্যার খবর সংগ্রহে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ উত্তর নেপালের তিব্বত সীমান্তের কাছে। এই কারণে নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা থেকেই বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে চিনের চাপে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।এর আগে বন্যাবিধ্বস্ত ওই এলাকায় বিদেশি সাহায্য নিয়েও নেপাল সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছিল বলে জানা যায়। পরে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। এবার বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নিয়ম জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসের পর ত্রিশূলী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বান নামে বলে জানা গিয়েছে। তার জেরে উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার জেরে বহু মানুষ নিখোঁজ এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩৪৪ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ ও নিখোঁজদের সন্ধান চলতে থাকায় এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতার মধ্যেই বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে নেপাল সরকারের নতুন নির্দেশিকা তাই নতুন করে নজর কেড়েছে। নিরাপত্তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় রয়েছে, তা নিয়ে এখন জল্পনা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

মোদীর শোকবার্তার পরই কংগ্রেসের আক্রমণ! সত্য নিকেতন বাড়ি ধস নিয়ে দিল্লিতে চাপানউতোর

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছজনকে। তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকবার্তায় তিনি জানান, দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে।এই দুর্ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেসও। দলের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাড়ি ধসের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।দিল্লির বাড়ি ধসের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। দিল্লি পৌরনিগমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এই দুর্ঘটনার দায় নিয়ে পৌরনিগমের কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।বিরোধীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু হওয়ার আগেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের আন্দোলনে নামানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্পষ্ট নয়।বাড়ি ধসের ঘটনায় মৃতদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, বাড়িটির নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ঠিক কী কারণে ছতলা বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা জানতে তদন্তের দিকেও নজর রয়েছে।এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিয়ে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সত্য নিকেতন এলাকায় শোকের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মিরিকে পাহাড় ধসের পর ভয়াবহ আশঙ্কা! নদী আটকে তৈরি বিশাল জলাধার, ঘরছাড়া ৩৩ পরিবার

পাহাড় জুড়ে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ল দার্জিলিংয়ের মিরিকে। শনিবার থেকে মিরিক বস্তি-দুই এলাকার রংভং নদীর কাছে শুরু হয়েছে ভূমিধস। পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নেমে নদীতে পড়ায় তার স্বাভাবিক গতিপথ আটকে গিয়েছে। এর ফলে নদীর জল জমে তৈরি হয়েছে বিশাল কৃত্রিম হ্রদের মতো পরিস্থিতি।এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নতুন করে ধস নেমে যদি কোনও ভাবে ওই জলাধারের অংশ ভেঙে যায়, তা হলে আচমকা হড়পা বান নেমে নীচের এলাকায় বিপদ তৈরি হতে পারে। সেই আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই নদী লাগোয়া এলাকা থেকে পরিবারগুলিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানিয়েছেন, ভূমিধসের খবর পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার ও পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকও করা হয়েছে।মিরিকের পাহিলাগাঁও স্কুলদারা-দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের লাবারবোটার লোয়ার পালজারগাঁও এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ৩৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপ রংভং নদীতে গিয়ে পড়েছে। ফলে নদীর জল স্বাভাবিক ভাবে নীচে নামতে পারছে না।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হ্রদের কাছাকাছি থাকা ৩৩টি পরিবারকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের স্থানীয় লেপচা কমিউনিটি হলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় রাজ্য ও কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা দল পাঠানো হয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ দল। উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজে অন্যান্য দলও নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকেও তলব করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না।নদী বিশেষজ্ঞ এবং ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কৃত্রিম হ্রদের মধ্যে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ জল কী ভাবে নিরাপদে বের করে দেওয়া যায়, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। জলরাশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও পরীক্ষা করা হচ্ছে।রংভং নদী পাহাড় থেকে নেমে সমতলে বালাসন নদীর সঙ্গে মিশেছে। ফলে কৃত্রিম হ্রদের কোনও অংশ আচমকা ভেঙে গেলে নীচের বিস্তীর্ণ এলাকায় তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। তবে এই মুহূর্তে হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় হবেই, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।দার্জিলিংয়ের সাংসদও জানিয়েছেন, কৃত্রিম হ্রদ ভেঙে বিপর্যয় ঘটবে কি না, এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। আগাম সতর্কতা হিসাবে নদী সংলগ্ন বিপজ্জনক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে মিরিকে ভূমিধস এবং রংভং নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের নজর এখন কৃত্রিম হ্রদের জলস্তর, নতুন করে ধস নামার সম্ভাবনা এবং নীচের এলাকার নিরাপত্তার দিকে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠে ভক্তদের জন্য সুখবর! পাঁচশো টাকার কুপন নয়, এবার মোবাইলেই মিলবে দর্শনের টিকিট

তারাপীঠ মন্দিরে দর্শনের নিয়মে বড় বদল। রবিবার থেকেই বন্ধ হয়ে গেল কাগুজে ভিআইপি কুপন। তার বদলে চালু হল ডিজিটাল টিকিটের ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করে ভক্তেরা এবার মা তারার ভিআইপি দর্শন করতে পারবেন।এতদিন তারাপীঠ মন্দিরে ভিআইপি দর্শনের জন্য পাঁচশো টাকার কাগুজে কুপন সংগ্রহ করতে হত। সেই কুপন নিয়ে ভক্তদের নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়াতে হত। এবার সেই ব্যবস্থায় বদল এনে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যার কথা মাথায় রেখেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রশাসন এবং মন্দির কমিটির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভক্তদের সুবিধার জন্য কাগুজে কুপনের বদলে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলক ভাবে পাঁচশো ভক্তের জন্য অনলাইনে ভিআইপি টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সময় বেছে নিয়ে টিকিট কাটার ব্যবস্থাও চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্দির কর্তৃপক্ষের আশা, ডিজিটাল ব্যবস্থায় কাগুজে কুপনের ঝামেলা কমবে। একই সঙ্গে ভিআইপি দর্শনের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে। রবিবার থেকেই নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গিয়েছে।কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলানো এবং দর্শনের ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতেই এবার নতুন পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।এক সেবাইত জানিয়েছেন, সকলের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাঁর কথায়, এর ফলে তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। কৌশিকী অমাবস্যার দিন একটি বিনামূল্যের লাইন থাকবে এবং অন্য একটি লাইনে টাকা দিয়ে দর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।ওই সেবাইতের আরও দাবি, কৌশিকী অমাবস্যার দিন কোনও সেবাইত, মন্ত্রী বা আমলাও গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে বিশেষ দিনে ভক্তদের দর্শন ব্যবস্থায় যাতে কোনও বৈষম্য না থাকে, সে দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।সব মিলিয়ে কৌশিকী অমাবস্যার আগে তারাপীঠ মন্দিরে দর্শন ব্যবস্থায় এই পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। এখন নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা কতটা সফল হয় এবং ভক্তদের কতটা সুবিধা হয়, সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে রবিবারের দুপুরে বিপর্যয়! মুহূর্তে ভেঙে পড়ল ছয়তলা বাড়ি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার

দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি ছয়তলা বাড়ি। বাড়িটি পিজি আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা হত বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে বহু মানুষ ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। ফলে ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুপুর দেড়টা নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে বাড়িটি। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধুলোয় ঢেকে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। অন্তত ১২টি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য এক্সকাভেটরও নামানো হয়েছে। আরও ভারী যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে।উদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যা নিয়ে অবশ্য প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সরকারি এক প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ছজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য দিকে পুলিশের তরফে তিন জনকে উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে ঠিক কত জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কত জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সত্য নিকেতন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। এলাকায় বহু পড়ুয়া থাকেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় ওই পিজিতে অন্য দিনের তুলনায় বেশি পড়ুয়া ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িটির ভিতরে প্রায় ৫০ জন থাকতে পারেন। যদিও এই সংখ্যা প্রশাসনের তরফে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে হাত লাগান। উদ্ধারকারী দল পৌঁছনোর আগেই তাঁরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে থাকা এক পড়ুয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকারও শোনা গিয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মা। তাঁর দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আটকে থাকা প্রত্যেককে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পাশের বাড়িটিও খালি করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে থাকলে তাঁদের নিরাপদে বের করে আনাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।তবে ঠিক কী কারণে ছয়তলা বাড়িটি আচমকাই ভেঙে পড়ল, তা এখনও জানা যায়নি। বাড়িটির কাঠামোগত কোনও সমস্যা ছিল কি না, নির্মাণে কোনও ত্রুটি হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনাতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই মুহূর্তে সত্য নিকেতনে উদ্ধারকাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না এবং তাঁদের কত দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই নজর প্রশাসনের।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কাদের ফেরাবে তৃণমূল, কাদের নয়? কুণালের মন্তব্যে প্রকাশ্যে এল দলের অবস্থান

বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে আরও জোরাল হয়েছে দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের ঘরে ফেরার জল্পনা। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া অনেক বিধায়ক এবং সাংসদ এখনও দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, দল ছেড়ে যাওয়া সকলেই একই রকম নন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এখনও যোগাযোগ রাখছেন। কয়েক জন বিধায়ক ও সাংসদ বিভিন্ন কারণে দল ছেড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।কুণালের দাবি, বিধায়কদের মধ্যে কয়েক জন দুর্নীতি বা নানা অভিযোগ আড়াল করতে দল ছেড়েছেন। আবার কেউ পুরনো মামলার কারণে ভয় পেয়েছেন। কয়েক জনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলা করে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সেই কারণেও অনেকে দল ছেড়েছেন বলে জানান কুণাল।আরও দাবি, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েক জনের সঙ্গে তৃণমূলের এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যেও তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন। তবে সবাইকে এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।কুণালের ব্যাখ্যা, দলত্যাগী কোনও বিধায়ককে প্রকাশ্যে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করানোর পর তাঁর এলাকায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হলে তৃণমূলের পক্ষে নিয়মিত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ বর্তমানে বিজেপির কথা শুনছে। সাংসদদের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।কুণাল আরও বলেন, দলত্যাগী কয়েক জন এখনও অন্য দলে থাকলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা তৃণমূলের পক্ষে সুবিধাজনক। কারণ, তাঁদের মাধ্যমে সেখানকার নানা খবরও পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে সব নেতার জন্য তৃণমূলের দরজা খোলা নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন কুণাল। কারও নাম না করে তিনি বলেন, বিশেষ কয়েক জন এমন কাজ করেছেন, যাঁদের আর দলে ফেরানোর প্রশ্ন নেই। তাঁরা কালীঘাটের আশপাশে এলে দলের কর্মী-সমর্থকেরা তাঁদের গুড়-বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কুণালের এই মন্তব্যে তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা অনুব্রত মণ্ডলের পুরনো গুড়-বাতাসা মন্তব্যের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে। ফলে তাঁর বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এ দিকে কুণালের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কুণাল ঘোষ প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করেন। উল্টে কুণালদের সঙ্গে থাকা অনেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও পাল্টা দাবি করেন তিনি।ফলে এক দিকে কুণাল ঘোষের দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি, অন্য দিকে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা বক্তব্যদুই মন্তব্য ঘিরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সত্যিই দল ছেড়ে যাওয়া কোনও বিধায়ক বা সাংসদ তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন কি না, এখন সেই প্রশ্নই সামনে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
উৎসব

ন্যাচারাল সিটিতে সাবেকিয়ানার আবাহন, মহিলা পুরোহিতের পৌরোহিত্যে দুর্গাপুজোর অভিনব উদ্যোগ

বর্ধমান: বহুতলের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেও শিকড়ের টান অমলিন। শহুরে ব্যস্ততার আবরণ সরিয়ে বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, সাবেকিয়ানা এবং উৎসবের আবেগকে ছুঁয়ে দেখতে এবার অন্যরকম উদ্যোগ নিয়েছে বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ রোডের ন্যাচারাল সিটি আবাসন। ২০২৬ সালে আবাসনের একাধিক পুজোর বদলে সকলকে এক ছাতার তলায় এনে আয়োজিত হচ্ছে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজো। আর সেই পুজোর মূল ভাবনা সাবেকিয়ানা।এবার ন্যাচারাল সিটি সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির পুজো পা দিচ্ছে অষ্টম বর্ষে। আনুমানিক ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাজেটের এই পুজোয় আবাসনের প্রায় ২২০টি পরিবার সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন। তবে এই পুজো শুধুমাত্র দেবীর আরাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়াস, সম্প্রীতির বার্তা এবং নারীশক্তির উদযাপন।সাবেকি জমিদারবাড়ির আবহে দেবীর আরাধনাএবারের পুজোর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ গ্রামীণ বাংলার জমিদারবাড়ির সাবেকি দুর্গাপুজোর আদলে আয়োজন। আধুনিক আবাসনের পরিসরেই তৈরি হবে সেই চেনা আবহযেখানে পুজোর আড়ম্বরের চেয়ে গুরুত্ব পাবে রীতি, ঐতিহ্য ও আবেগ।সনাতন রীতিনীতি মেনে হবে দেবীর আরাধনা। প্রতিমাতেও থাকবে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাবেকি মূর্তি এবং ডাকের সাজে সেজে উঠবেন মা দুর্গা। আধুনিকতার ঝলমক নয়, বরং বাংলার চিরপরিচিত পুজোর স্মৃতি ও নস্টালজিয়াকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা থাকবে গোটা আয়োজনজুড়ে।তবে এবারের পুজোর সবচেয়ে অভিনব দিক নিঃসন্দেহে মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য। বর্ধমান শহরে মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে দুর্গাপুজো পরিচালনার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী। পুজো কমিটির ভাবনা নারী শক্তির উদয় হোক। পুরুষতান্ত্রিকতার প্রচলিত ধারণাকে পাশে সরিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও নারীর সমান অধিকার ও সক্ষমতার বার্তা পৌঁছে দিতে চায় কমিটি।বহুতলে থাকলেও নজর সবসময় মাটির দিকেশারদ পত্রিকা উপ-কমিটির কনভেনর সুদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধনই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আধুনিক নিশ্চয়ই হয়েছি, কিন্তু ঐতিহ্য বা সাবেকিয়ানা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারি না। আমরা যতই বহুতলে থাকি না কেন, আমাদের নজর থাকে সবসময় মাটির দিকে।মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, পুজো মানেই পুরুষ পুরোহিতএই পুরুষতান্ত্রিক ধারণার বিরুদ্ধে একটা বার্তা দিতে চাই আমরা। মহিলারাও পারেন, এই স্পিরিটটাকে সামনে আনতেই এবার মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে পুজো করানোর সিদ্ধান্ত।শুধু পুরোহিতের ক্ষেত্রেই নয়, পুজোর আয়োজক কমিটিতেও রয়েছে মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আবাসনের মহিলাদের নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পুজো কমিটি। অর্থাৎ দেবীর আরাধনার পাশাপাশি বাস্তবেও নারীশক্তির উত্থানকে সামনে আনতে চাইছে ন্যাচারাল সিটি।এক আবাসন, এক পুজোঐক্যের নতুন বার্তাঅন্যান্য বছর ন্যাচারাল সিটি আবাসনে একাধিক দুর্গাপুজোর আয়োজন হলেও ২০২৬ সালে সেই ছবি বদলেছে। এবার সমস্ত বিভাজন ভুলে আবাসনের পরিবারগুলিকে একত্রিত করে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের মধ্যেও রয়েছে সাবেকিয়ানার মূল বার্তাবৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। ভিন্ন মত, ভিন্ন পছন্দ কিংবা ভিন্ন পারিবারিক পরিসরকে অতিক্রম করে উৎসবের আনন্দে সবাইকে একত্রিত করাই এই পুজোর অন্যতম লক্ষ্য।মিডিয়া কমিটির সেক্রেটারি সন্দীপন ঘোষ জনতার কথাকে জানান, এবারের পুজোর থিম সাবেকিয়ানা, যার মূল বার্তা বৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। তাঁর কথায়, পুরোপুরি সনাতনী রীতিনীতি মেনে সাবেকি প্রতিমা এবং ডাকের সাজে সাজবে মা দুর্গা।তিনি জানান, পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে পঞ্চমী থেকে। পুজোর প্রতিটি দিনই আবাসিকদের জন্য থাকবে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। সন্ধ্যা নামলেই আবাসন চত্বর হয়ে উঠবে নাচ, গান, নাটক-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ। আবাসনের বাসিন্দারাই এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ফলে উৎসবের আনন্দ যেমন থাকবে, তেমনই আবাসিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতির বন্ধনও আরও দৃঢ় হবে।উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবএই পুজোর সঙ্গে প্রকাশিত হতে চলেছে একটি শারদ পত্রিকাও। নাম অর্ঘ। আবাসনের বাসিন্দাদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হবে এই পুস্তিকা। তাঁদের ভাবনা, লেখনী, স্মৃতি এবং অনুভূতির মধ্য দিয়ে পুজোর আবহ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।পুজো কমিটির বক্তব্যে উঠে এসেছে একটি সুন্দর দর্শন উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবকে খুঁজে নেওয়া। অর্থাৎ দেবীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, স্মৃতি, সংস্কৃতি, আনন্দ এবং সম্মিলিত অংশগ্রহণকেই উৎসবের আসল সার্থকতা হিসেবে দেখতে চাইছে কমিটি।৪ সেপ্টেম্বর খুঁটিপুজোয় শুভ সূচনাআগামী শারদোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১৫ আগস্ট ২০২৬ থেকেই। আর পুজোর প্রারম্ভিক সূচনা হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর, জন্মাষ্টমীর দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে খুঁটিপুজো। সেই থেকেই ধীরে ধীরে সেজে উঠছে ন্যাচারাল সিটি আবাসন।পুজো কমিটির সম্পাদক মলয় কুমার রায়, সচিব আরিজিত দত্ত এবং কনভেনার অনিন্দিতা ব্যানার্জি দত্ত-সহ কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্রায় ২২০টি পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এবারের পুজো যে শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনক্ষেত্রে পরিণত হতে চলেছে, তার আভাস মিলছে প্রস্তুতির শুরু থেকেই।আধুনিক বহুতলের আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার মধ্যেও মাটির গন্ধ, পুরনো দিনের স্মৃতি আর বাংলার চিরচেনা পুজোর আবেগকে ফিরিয়ে আনার এই প্রয়াস তাই নিছক একটি থিমের আয়োজন নয়। সাবেকিয়ানার হাত ধরে ন্যাচারাল সিটি যেন খুঁজে নিতে চাইছে তার শিকড়কেআর সেই শিকড়ের সঙ্গে জুড়ে দিতে চাইছে আগামী প্রজন্মকে।নারীর পৌরোহিত্য, সাবেকি প্রতিমা, ডাকের সাজ, জমিদারবাড়ির পুজোর আবহ এবং ২২০ পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণসব মিলিয়ে বর্ধমানের শারদোৎসবের মানচিত্রে এবার আলাদা করে নজর কাড়তে চলেছে ন্যাচারাল সিটির এই সাবেকিয়ানার দুর্গাপুজো।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal