• ৯ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Homage

রাজ্য

বইয়ের মাধ্যমে সত্যজিত রায়কে শ্রদ্ধা জানালেন পরিচালক সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী

তাঁর প্রথম বই প্রকাশ পেয়েছিল ইংরেজি ভাষায়। নাম - ফিল্ম ডিরেক্টর`স ওয়ার্ল্ড। বইয়ের বিষয় ছিল পৃথিবীর পঁচিশ জন চিত্র-পরিচালকের জীবন এবং চলচ্চিত্র। তার মধ্যে ভারতবর্ষ থেকে একমাত্র সত্যজিৎ রায় ছিলেন সেই তালিকায়। ওই বইটির কাজ করতে গিয়ে মনে হয়েছিল এই পঁচিশজনের প্রত্যেক পরিচালককে নিয়ে এক একটা বই লেখা যেতে পারে।বিষয় সত্যজিৎ রায়চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক সৌম্যদীপ ঘোষ চৌধুরী। প্রিয়তম পরিচালক সত্যজিৎ রায়। সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মদিনের কথা মাথায় রেখে তাঁকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্র করা শুরুও করেছিলেন বছর দুয়েক আগে। প্রায় ৭০ শতাংশ শুটিং হয়ে যাওয়ার পর করোনার কারণে ছবির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সেই ছবি করার সূত্রে সত্যজিৎ রায় ও তাঁর কাজ নিয়ে বিস্তারিত ভাবে গবেষণা করতে হয় তাকে। এরপর ছবিটি সময়ের মধ্যে শেষ করার আর কোন উপায়ন্তর দেখতে না পেয়ে তিনি এই বইটি লেখার কথা ভাবেন।বিষয় সত্যজিৎ রায়এই বইতে মানুষ সত্যজিৎ রায়ের জীবনে ঘটা বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা আছে। সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র নিয়ে, তাঁর লেখা, আঁকা নিয়ে বেশ কিছু বই আছে। কিন্তু রক্ত মাংসের মানুষ সত্যজিৎ রায় প্রায় অধরাই থেকে গেছে সাধারণ মানুষের কাছে। সৌম্যদীপ চেষ্টা করেছেন একজন আপাত সাধারণ মানিক ডাকনামের আড়ালে বেড়ে ওঠা সত্যজিৎ রায় নামক অসাধারণ বিশ্ববিখ্যাত মানুষটিকে ছোঁয়ার। তিনি সফল হয়েছে কিনা তা সময় এবং পাঠক বলবে বলে জানিয়েছেন।বিষয়-সত্যজিৎ রায় তাঁর দ্বিতীয় প্রকাশিত বই। এই বইটি সত্যজিৎ রায়ের শততম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশ করার জন্যে বিশেষ ভাবে তার বইয়ের প্রকাশক ঋতবাক - এর সুস্মিতা বসু সিং এবং রাজা মুখোপাধ্যায়ের কাছে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাতে চান।বিষয় সত্যজিৎ রায়বইমেলায় বইটি প্রকাশ পাওয়ার কিছু আগে থেকেই এই বইটি নিয়ে পরিচালক ও লেখকের পরিচিত পাঠক মহলে কিছু কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। তার একটি কারণ নিশ্চিত ভাবে সত্যজিৎ রায় হলেও দ্বিতীয় কারণটি বইটির প্রচ্ছদ। সৌম্যদীপ সিনহা এই বইয়ের প্রচ্ছদ করে তাঁকে চিরকাল ঋণী হয়ে থাকতে বাধ্য করেছে। বেশ কিছু মানুষ বইটি পড়েছেন এবং যথেষ্ট উৎসাহ প্রকাশ করেছেন।

মে ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা", বলেছিলেন জ্যেঠু

আসতে আসতে বাংলা তথা ভারতবর্ষের আকাশটা ক্রমশ তারা শূন্য হয়ে যাচ্ছে। চলে গেলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বংলা গানের সুরলোকে আবার আঘাত। ছয়ের দশক থেকে শুরু করে সাত ও আটের দশকের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকারেরা একে এক করে বিদায় নিচ্ছেন। চলে গেলেন প্রবাদ প্রতিম সুরকার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, জ্যেঠু-র সুরারোপিত আশা ভোঁসলের গাওয়া ও পাখি উড়ে আয়, যদি কানে কানে কিছু বলে বধুয়া, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া এমন একটা ঝড় উঠুক সহ অজস্র গান আজ কানের কাছে ভেসে বেড়াচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরেই জেঠু বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শুনেছি মাঝে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফেরেন সুরকার। তারপর......ইদানিং যে খুব যোগাযোগ ছিল তা নয়। তবে আমার ছেলেবেলা থেকে শুরু হওয়া সঙ্গীত জীবনে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ ঘটে ছিল বেশ কয়েকবার। অভিজিৎ জেঠু বাবার পূর্বপরিচিত হলেও আমার সাথে পরিচয় এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায়। তিনি বিচারক। তারপর অনেক বার দেখা হয়েছে। তখন আমার বয়স ১০বছর হারমোনিয়াম বাজাতে জানলেও অদ্ভুত আব্দার ছিল বাবা বাজিয়ে দেবে। ছেলেমানুষ সুলভ অদ্ভুত বেয়ারা জেদ ও ছিল, বাবাকে বাজাতে না দিলে, বলতাম তানপুরায় গাইব। নেহাত বাচ্চা বলে কতৃপক্ষ তাড়িয়ে দেয়নি।এই রকমই এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতাই জেঠু বলে ছিলেন,বেশ বেশ গাক না সুরের উপর ওর দখলটা দেখি। সেই থেকেই শুরু পরিচয়। হ্যাঁ.... আমি ভুল লিরিক্স, খারাপ কন্ডাক্ট এর পর ও তৃতীয় স্থান পাই। বছর খানেক পর আবার দেখা একটি প্রতিযোগিতায়। তখন ও বাবার সাথে দেখে জেঠু বলেছিলেন বাবার একমাত্র কন্যা একটু আদুরে হয়, তবে লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা। কথাটা যে কত দামী আজ বুঝি। কত বার কথা হয়েছে ফোনে। ভালো থেকো জেঠু গানে থেকো। পুরোনো ছবি এই দিল্লি-মুম্বাই-পুনা টু কলকাতা ইঁদুর দৌড়ে কে জানে কোথায়। কিছু মানুষের ছবি মনে উজ্জ্বল হয়ে থেকে যায়।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

সুরলোকে বিলিন হয়ে যাওয়া লতা,সন্ধ্যা ও বাপ্পি স্মরণে হোম-যজ্ঞ, প্রার্থনা

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারত হারিয়েছে সুরের জগতের তিন নক্ষত্র লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ীকে। সুরের জগতের এই তিন নক্ষত্রের প্রয়াণে আজও শোকাতুর গোটা দেশবাসী। শুক্রবার এই তিন সংগীত শিল্পীকে স্নরণ করে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় হল হোম যজ্ঞ ও প্রার্থনা। যার উদ্যোক্তা পূর্ববর্ধমানের জামালপুরের বসুন্ধরা উৎসব কমিটি। প্রয়াত তিন শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বসুন্ধরা উৎসব কমিটি এদিন তাদের কৃষি, পুষ্প ও হস্ত শিল্প প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে। উৎসব প্রাঙ্গনে উপস্থিত হওয়া সকল সংগীত প্রেমী মানুষজনও এদিন সংগীত জগৎতের তিন নক্ষত্রের ছবিতে পুষ্পার্ষ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান। উৎসব প্রাঙ্গনও মাতোয়ারা থাকে তিন সংগীত শিল্পীর সুর মুর্ছনাতে।জামালপুরের শুঁড়েকালনার বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি প্রতি বছর শীতের মরশুমে কৃষি, পুষ্প, হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা ও মেলার আয়োজন করে। এই বছর তা ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। সিঙ্গারকোন রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ স্বামী মুক্তানন্দ সহ বিশিষ্ট জনেরা এদিন বসুন্ধরা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আগামী ১০ দিন ধরে চলবে বসুন্ধরা উৎসব।বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ পাল বলেন, চলতি মাসে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশ সুরের জগৎতের তিন নক্ষত্রকে হারিয়েছে। তাঁদের কণ্ঠের জাদু যুগের পর যুব মুগ্ধ করে গিয়েছেন ভারত সহ গোট বিশ্বের সংগীত প্রেমীদের। লতা মঙ্গেশকারের মতন সুরসাম্রাজ্ঞীর প্রয়াণ দেশের সুর জগৎতের অপূরণীয় ক্ষতি। সুরসাম্রাজ্ঞীর মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতে চির ঘুমের দেশে চলে যান গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পরের দিনেই চির ঘুমের দেশে চলেযান সংগীত জগৎতের আর এক নক্ষত্র বাপ্পি লাহিড়ী। প্রদীপ পাল জানান, দেশের এই তিন সংগীত নক্ষত্রের স্মরণে এবছরের বসুন্ধরা উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে। তাঁদের স্মরণে প্রার্থনা ও আত্মার শান্তি কামনায় হোম যজ্ঞের মধ্য দিয়েই এদিন উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়। উৎসবে উপস্থিত হয়ে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার, জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামাণিক সহ সকল মানুষজন তিন স্বনামধন্য শিল্পীর ছবিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রদীপ পাল বলেন, উৎসব প্রাঙ্গণ আগামী ১০ দিন এই তিন সংগীত নক্ষত্রের সুর মুর্ছনাতেই মাতোয়ারা থাকবে।হোম যজ্ঞে অংশ নেওয়া দিলীপ ভট্টাচার্য্য জানান, প্রয়াত লতা মঙ্গেশকার, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ী স্মরণে এদিন উৎসব প্রাঙ্গণে হোম যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। সেখানে তাঁরা সাত জন ব্রাহ্মণ মিলে হোম যঞ্জ ও চণ্ডীপাঠের মধ্যদিয়ে কিংবদন্তি শিল্পীদের আত্মার শান্তি কামনায় ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনা করেছেন। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, হোম যজ্ঞ,চণ্ডীপাঠ,শঙ্খ ও উলুর ধ্বনির মধ্যদিয়ে প্রয়াত তিন কিংবদন্তি শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের যে আয়োজন বসুন্ধরা উৎসব কমিটি করেছে তা প্রকৃত অর্থেই নজিরবিহীন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

Khudiram Bose: বিপ্লবীর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে বাংলায় টুইট করে তিনি ক্ষুদিরামের উদ্দেশে প্রণাম জানান। এর আগেও বাংলায় টুইট করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এদিন ফের বাংলার অমর বিপ্লবীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বাংলাতেই টুইট করলেন তিনি।যখন বন্দে মাতরম্ ধ্বনিও রাজদ্রোহের সামিল ছিল, তখন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সাহস ও দেশপ্রেম বৃটিশ শাসনের শিকড় নাড়িয়ে দিয়েছিল। ভয় পেয়ে অল্প বয়সেই ব্রিটিশরা তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। দেশের জন্য তাঁর ত্যাগ, নিষ্ঠা ও বলিদান প্রশংসনীয়।এমন অমর শহিদকে শত কোটি প্রণাম। pic.twitter.com/2ShYVa1pBi Amit Shah (@AmitShah) August 11, 2021সকালে টুইটারে শাহ লেখেন, যখন বন্দে মাতরম্ ধ্বনিও রাজদ্রোহের সামিল ছিল, তখন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সাহস ও দেশপ্রেম বৃটিশ শাসনের শিকড় নাড়িয়ে দিয়েছিল। ভয় পেয়ে অল্প বয়সেই ব্রিটিশরা তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। দেশের জন্য তাঁর ত্যাগ, নিষ্ঠা ও বলিদান প্রশংসনীয়। এমন অমর শহিদকে শত কোটি প্রণাম।প্রসঙ্গত, এর আগে গত ডিসেম্বরে ক্ষুদিরাম বসুর মাসির বাড়িতে থাকা ক্ষুদিরামের মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন অমিত শাহ। কথাও বলেছিলেন ক্ষুদিরামের বংশধরদের সঙ্গে। তাঁদের উত্তরীয় দিয়ে সম্মান প্রদান করেছিলেন তিনি। ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর পোস্টে ক্ষুদিরামের ছবিতে লেখা রয়েছে প্রয়াণ দিবসে সশ্রদ্ধ প্রমাণ।

আগস্ট ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক? ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রচার করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলায় ভোট প্রচারের শেষ কর্মসূচি নিয়ে কিছুটা আভাস মিললেও প্রথম কর্মসূচি এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, আগামী ছাব্বিশ মার্চ থেকেই বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, এপ্রিলের শুরুতেই উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। বিশেষ করে শিলিগুড়িতে তাঁর একটি রোড শো হওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এই কর্মসূচি নিয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ গরম হচ্ছে। কবে, কোথা থেকে প্রচার শুরু হবে, তা জানতে আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সব মিলিয়ে মোদীর বাংলায় আগমন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আজই বেরোচ্ছে সাপ্লিমেন্টরি তালিকা! আপনার নাম আছে তো? নাহলে বিপদ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে ভোটার তালিকার প্রথম সম্পূরক তালিকা। এই তালিকায় প্রায় আটাশ লক্ষ ভোটারের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে (Supplementary List)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ফলে এখনও প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম বাকি রয়েছে (Supplementary List)।কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মোট নামের প্রায় চল্লিশ শতাংশ বাদ দেওয়া হতে পারে। সেই হিসেবে প্রথম সম্পূরক তালিকাতেই প্রায় দশ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে (Supplementary List)। এই তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।এই তালিকায় দুটি ভাগ থাকবে। একটি অংশে থাকবে নতুন করে যুক্ত হওয়া ভোটারদের নাম, অন্য অংশে থাকবে যাদের নাম বাদ গিয়েছে তাদের তালিকা। ফলে একই তালিকার মধ্যেই সংযোজন এবং বিয়োজনদুই ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।সাধারণ মানুষ অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই এই তালিকা দেখতে পারবেন। অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খোঁজা যাবে। সেখানে রাজ্য এবং বছর নির্বাচন করে সম্পূরক তালিকার অপশনে গিয়ে পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নাম খুঁজতে হবে। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও এই তথ্য পাওয়া যাবে (Supplementary List)।অফলাইনে তালিকা দেখতে চাইলে জেলাশাসকের দফতর, উপযুক্ত প্রশাসনিক অফিস অথবা স্থানীয় বুথে গিয়ে তা দেখা যাবে। প্রতিটি বুথেই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।যদি কারও নাম বাদ পড়ে, তাহলে তা তালিকার বিয়োজন অংশে দেখা যাবে। নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট ট্রাইবুনালে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে গঠিত একাধিক ট্রাইবুনালে এই বিষয়ে আবেদন জানানো যাবে।এই তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও উদ্বেগ দুইই বাড়ছে। কারণ ভোটার তালিকায় নাম থাকা বা না থাকা সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

১৪.২ কেজির এলপিজিতে ভর্তি গ্যাস নাও দেওয়া হতে পারে! সঙ্কটে নতুন করে ভাবছে কেন্দ্র

হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার ভারতে পৌঁছাতে শুরু করলেও এলপিজি সঙ্কট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা নিতে পারে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য যে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাতে পূর্ণ পরিমাণ গ্যাস দেওয়া নাও হতে পারে।জানা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে একটি সিলিন্ডারে প্রায় দশ কেজি গ্যাস ভরে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে কম গ্যাস দিয়ে বেশি সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে বণ্টন করা সম্ভব হবে। সীমিত মজুতের কারণে যাতে সবাই গ্যাস পায়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে।ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভারতে গ্যাস সরবরাহেও। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আসে। ফলে সরবরাহে সামান্য বাধা এলেই সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।গত সপ্তাহে কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে, তা দিয়ে কিছুদিন চাহিদা মেটানো সম্ভব। তবে নতুন করে কবে গ্যাস আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনেক জাহাজ এখনও পারস্য উপসাগরে অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।ভারতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার হয়। সাধারণত একটি পূর্ণ সিলিন্ডার এক মাসেরও বেশি সময় চলে যায়। কিন্তু যদি গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা কম দিন চলবে। যদিও এতে সবার মধ্যে গ্যাস বণ্টন সহজ হবে।এছাড়া যদি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হয়, তাহলে তার দামও সেই অনুযায়ী কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব পড়তে পারে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের ধাক্কা! এক লহমায় ধসে পড়ল শেয়ার বাজার, উধাও লক্ষ কোটি টাকা

যুদ্ধের উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়ল শেয়ার বাজারে। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার সংঘাতের জেরে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। সেই সঙ্গে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে এসেছে শেয়ার বাজারেও। সপ্তাহের প্রথম দিনেই বাজার খুলতেই বড় ধস নামল।সোমবার সকালে বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্রুত নেমে যায় সেনসেক্স। সকাল প্রায় সাড়ে নটার সময় সূচক নেমে দাঁড়ায় প্রায় তেহাত্তর হাজারের সামান্য উপরে। এক ধাক্কায় প্রায় দেড় হাজার পয়েন্ট পড়ে যায়। একই সময়ে নিফটিও চারশোর বেশি পয়েন্ট হারিয়ে বাইশ হাজার সাতশোর কাছাকাছি নেমে আসে।এই ধসের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সংস্থাই লাভের মুখ দেখেছে। তেলের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার শেয়ারের দাম কিছুটা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বড় ব্যাঙ্কের শেয়ারে পতন দেখা গিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাপ স্পষ্ট, একাধিক সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে।অটোমোবাইল এবং ভোক্তা পণ্যের সংস্থাগুলিও এই ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারেনি। একাধিক বড় সংস্থার শেয়ারের দাম কমেছে। নির্মাণ এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রের সংস্থাগুলির শেয়ারেও পতন দেখা গিয়েছে।এই পতনের জেরে বাজার থেকে এক ধাক্কায় বিপুল অর্থ উধাও হয়ে গিয়েছে। কয়েক লক্ষ কোটি টাকার সমপরিমাণ মূল্য কমে গিয়েছে বলে হিসাব মিলছে। কয়েক দিন আগেও যে বাজার মূলধন ছিল অনেক বেশি, তা আজ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।শুধু ভারতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার বাজারেও বড় পতন হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।শেয়ার বাজারের পাশাপাশি সোনার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে দাম। রুপোর দামও কমেছে। তবে বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে তেলের ক্ষেত্রে। তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে এবং এক মাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে। এমনকি অতীতের বড় তেল সঙ্কটের থেকেও এই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজে চমক! জাহাজ ছাড়তে কোটি কোটি টাকা নিচ্ছে ইরান?

যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্বকে চাপে রাখছে ইরান। তবে এই কড়াকড়ির মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু সেই অনুমতির বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নেওয়া হচ্ছে বলেই দাবি উঠেছে।সূত্রের খবর, প্রতিটি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হতে প্রায় দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হচ্ছে ইরানকে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় উনিশ কোটি টাকা। এই অর্থকে যুদ্ধ খরচের অংশ হিসেবেই দেখছে তেহরান।একটি বিদেশি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইরানের জাতীয় সুরক্ষা কমিটির সদস্য আলাদিন বোরোজের্দির বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, যুদ্ধের বিপুল খরচ সামলাতে হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির কাছ থেকে এই অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর উপর ইরানের কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়েছে। ইরানের নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে তারা বিশ্ব অর্থনীতির উপর চাপ বজায় রাখবে। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়।তবে এই উত্তেজনার মধ্যেও ভারতকে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে ভারতে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটি ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।কিন্তু এই ছাড়ের পেছনে আর্থিক লেনদেন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। তবুও ইরানের নেতার মন্তব্যের পর নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই ধরনের অর্থ লেনদেন ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফলে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রানওয়েতে দমকল গাড়ির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য! মৃত্যু দুই পাইলটের

নিউ ইয়র্কের একটি ব্যস্ত বিমানবন্দরে বড়সড় দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে গেটের দিকে এগোচ্ছিল একটি যাত্রীবাহী বিমান। সেই সময় রানওয়েতে একটি দমকল গাড়ির সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পাইলট এবং সহকারী পাইলট গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। দমকল গাড়িতে থাকা দুই পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।জানা গেছে, মন্ট্রিয়াল থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বিমান ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। সেই সময় প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে সেটি দমকল গাড়িতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে। তবুও শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।এই দুর্ঘটনার পরই বিমানবন্দরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। কিছু সময়ের জন্য সমস্ত বিমান ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। পরে আগত এবং প্রস্থানের সব বিমান অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় বা আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের ওয়েবসাইটেও এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়।দুর্ঘটনার সময় বিমানে প্রায় একশো জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা পৌঁছে যান। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে বিমানের সামনের অংশে ক্ষতির চিহ্ন দেখা গিয়েছে।এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, এই বিমানবন্দরে আগে থেকেই ভিড় এবং নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কর্মীসংকটের কারণে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। অনেক কর্মী কাজ বন্ধ রেখেছিলেন এবং যারা কাজ করছিলেন, তাঁদেরও বেতন সংক্রান্ত সমস্যা ছিল।এই পরিস্থিতির পেছনে কেন্দ্রীয় স্তরে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতা দায়ী বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা সংস্থার কাজেও তার প্রভাব পড়েছে। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে সমস্যা দেখা দেয়।এই ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

আবার মৃত্যু, আবার অভিযোগ! আর জি করে স্ট্রেচার না পেয়ে রোগীর প্রাণ গেল?

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল আর জি কর হাসপাতাল। কয়েক দিন আগেই লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন অভিযোগ সামনে এল। এবার স্ট্রেচার না পাওয়ায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ সামন্ত। হাসপাতালের অব্যবস্থার কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই নিয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে।নিমতার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্ত বুকে ব্যথা নিয়ে ভোর রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের দাবি, ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে তিনি শৌচালয়ে যেতে চান। তখন তাঁকে জানানো হয়, কাছাকাছি শৌচালয় নেই, প্রায় একশো মিটার দূরে যেতে হবে। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় তাঁরা স্ট্রেচার চেয়েও পাননি। বাধ্য হয়ে অসুস্থ অবস্থাতেই হেঁটে যেতে হয় তাঁকে।পরিবারের দাবি, শুধু হেঁটে যাওয়াই নয়, শৌচালয়ে পৌঁছতে গিয়ে তাঁকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতেও হয়। কিন্তু শৌচালয়ে পৌঁছনোর আগেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, বারবার অনুরোধ করলেও হাসপাতালের কেউ তাঁদের সাহায্য করেনি।এই ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও স্ট্রেচার দেওয়া হয়নি বলেই এই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাকেই দায়ী করছেন তাঁরা।এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন গুরুতর অসুস্থ একজন রোগীকে এত দূরের শৌচালয়ে যেতে বলা হল, কেন তাঁকে হেঁটে যেতে বাধ্য করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের হাসপাতালগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। তিনি সরকারের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

মার্চ ২৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার লোডশেডিং হয়ে যেতে পারে ভবানীপুরে! কর্মিসভা থেকে বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

গত পাঁচ বছর ধরে রাজ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছেই। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই ভবানীপুরে দলের কর্মিসভায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার কর্মীদের উদ্দেশে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ভোট মিটে গেলেই যেন কেউ বাড়ি না চলে যান, কারণ লোডশেডিং করে দেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, স্ট্রং রুমের ওপরেও কড়া নজর রাখতে হবে (Mamata Banerjee)।আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একুশ সালের মতোই এবারও এই কেন্দ্রে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তাঁদের মধ্যে সরাসরি লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। পরে সেই ফল নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা এবং লোডশেডিংয়ের অভিযোগও তোলেন।পাঁচ বছর পর আবারও ভবানীপুরে এই দুই নেতার লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিন কর্মিসভায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের বলেন, অন্তত ষাট হাজার ভোটে জেতাতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি সবাইকে আত্মতুষ্টি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন (Mamata Banerjee)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এদিন আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শেষ হলেও সতর্ক থাকতে হবে। তাঁর কথায়, যেকোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং স্ট্রং রুমে নজর রাখা জরুরি। কেন্দ্র এবং বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, তারা সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস দিতে পারে না, কিন্তু নির্বাচনের সময় টাকা বিলি করে। এছাড়া যদি ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ যায়, তবে তৃণমূল আইনি সাহায্য করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।ভোট শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূলের পরবর্তী লক্ষ্য হবে দিল্লি অভিযান, ভবানীপুরের কর্মিসভা থেকেই সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মার্চ ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal