• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

High Court

কলকাতা

NHRC Report: ভোট পরবর্তী হিংসায় মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট, পালটা মমতা

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টে বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদল। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো ভোট পরবর্তী হিংসায় কবলিত রাজ্যের একাধিক জায়গা ঘুরে আলাদতে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যে আইনের শাসন নয়, শাসকের শাসন চলছে।এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই ক্ষোভে রীতিমতো ফেটে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পালটা তোপ দেগে তিনি বলেন, কমিশনের নামে মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে আদালতে।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংমানবাধিক কমিশনের এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি তোলা হলে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আদালতে জমা পড়া রিপোর্ট কেন প্রকাশ্যে এল সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ পক্ষাপাতমূলক একটা রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। উত্তরপ্রদেশের নদী থেকে লাশ গঙ্গায় ভেসে আসার সময় মানবাধিকার কমিশন কোথায় থাকে। যদিও বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন, কোনও মন্তব্য করব না। কিন্তু যা হয়নি তা নিয়ে মিথ্যা প্রচার চলছে। উত্তরপ্রদেশ বিজেপি শাসিত রাজ্য বলে ওদের সাত খুন মাফ। ভোটের আগে যে হিংসা হয়েছে তখন নির্বাচন কমিশন দায়িত্বে ছিল। বিজেপি হার হজম করতে পারছে না। তাই হারের পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইসব অভিযোগ তুলছে।আরও পড়ুনঃ জেএমবি-কাণ্ডে ধৃত মূল লিঙ্কম্যানভোট পরবর্তী হিংসার যে যে অভিযোগ রাজ্যে উঠেছিল, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের ঘুরে দেখে একটি রিপোর্ট জমা দিতে বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রিপোর্টই বৃহস্পতিবার আদালতে জমা পড়ে। রিপোর্টে উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হিংসার ঘটনায় যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রতি রাজ্য সরকার চরম উদাসীন আচরণ দেখিয়েছে। এখানেই শেষ নয়। হিংসার ঘটনার কারণে একাধিক পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে। খুন, অস্বাভাবিক মৃত্যু ও ধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বাইরে মামলা হওয়া বাঞ্ছনীয় বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার কমিশন। এর পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে একটি সিট গঠন করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। যারা আহত বা মৃত, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিশন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: নন্দীগ্রামের ভোট সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি, ভিডিও সংরক্ষিত রাখতে হবে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামলা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এ দিন এই মামলায় সমস্ত পার্টিকে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া গণনাকেন্দ্রে যে রিটার্নিং অফিসার ছিলেন তাঁকে ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিসের একটি করে কপি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মামলার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব নথি সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে চলছে এই মামলার শুনানি।আরও পড়ুনঃ কাপ্পার কবলে এবার রাজস্থানও নন্দীগ্রামের ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন রেজিস্টার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশনে কোন ত্রুটি নেই। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ভোট সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে নির্দেশ দেয় আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ অগস্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশন মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে। বিচারপতি চন্দের সঙ্গে বিজেপি যোগের অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অন্য বেঞ্চে সরানোর আর্জি করেন। বিচারপতি কৌশিক চন্দকেও চিঠি দেন। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি চন্দ। একইসঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন তিনি। সোমবার এজলাস বদল হয়। মামলা ওঠে বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

জুলাই ১৪, ২০২১
কলকাতা

High Court: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। এবার অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাত দিনের মধ্যে মুখবন্ধ খামে তা জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্রভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, অভিজিতের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল নমুনা সংগ্রহ করবে। তার পর সেই নমুনা পাঠানো হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই নমুনা পরীক্ষা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অভিজিতের দেহ শনাক্ত করার জন্য এই পরীক্ষা জরুরি বলেই জানিয়েছেন বিচারপতিরা। আরও পড়ুনঃ রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উল্লেখ্য, গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিতের। তাঁর পরিবার অভিযোগ করে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অভিজিৎকে। গত ২ জুলাই হাইকোর্ট অভিজিতের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁরা নিশ্চিত হয়ে পারছেন না যে মৃতদেহটি অভিজিতেরই। তার পরেই এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: নন্দীগ্রাম মামলা কী শুনবেন কৌশিক চন্দ? বুধবার রায়

ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাশে। কিন্তু বিচারপতি কৌশিক চন্দ বিজেপি ঘনিষ্ঠ, এমন দাবি করে মামলা সরানোর আর্জি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৪ জুন সেই আবেদনের শুনানি হয়েছিল। কেন কৌশিক চন্দের এজলাস থেকে মামলা সরানোর কথা বলা হচ্ছে, তা তুলে ধরেন মমতার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আগামী বুধবার সেই আবেদনের রায় দেবে হাইকোর্ট। অর্থাৎ বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানাবেন, তিনি মামলাটি নিজের এজলাশে রাখছেন কি না।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে লাইনচ্যুত আপ হাওড়া-রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের বগি, অল্পে রক্ষাআগেই সংশ্লিষ্ট বিচারপতির ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী মহলের একাংশও ডেপুটেশন দিয়ে জানিয়েছিলেন, কোনওভাবেই যেন বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে এই মামলার শুনানি না হয়। তবে তারপরও বিচারপতি চন্দের এজলাসেই মামলার শুনানি চলে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেগত ২৪ জুন মমতার আবেদনের পক্ষে সওয়াল করেন অভিষেক মনু সিংভি। তিনি জানান, বিচারপতি চন্দের নিজেরই এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ানো উচিৎ৷ মামলার নিরপেক্ষতা নিয়ে কেন সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে, বিচারপতি চন্দ তা অভিষেক মনু সিংভির কাছে জানতে চান। বিচারপতিও বলেন, মমতার আইনজীবীর তালিকায় যদি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য থাকতে পারে, তাহলে বিচারপতির ক্ষেত্রে অসুবিধা কোথায়?

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

TET Exam: উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ

আইনি জটে ফের আটকে গেল উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলা জমা পড়েছে আদালতে। তার ভিত্তিতে আপাতত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এক দিন আগেই যদিও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ পুজোর আগে নিয়োগপ্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু আদালতের নির্দেশে এদিন ১৪ হাজার ৩৩৯ পদে নিয়োগ আটকে গেল। আগামী ৯ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসকমঙ্গলবারই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ, ইন্টিরভিউয়ের তালিকা তৈরিতে বেনিয়ম হয়েছে। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে ইন্টারভিউয়ে ডাক, তার কোনও উল্লেখই নেই সাইটে। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ করা হচ্ছে না। বেশি নম্বর পেয়েও অনেকে ইন্টারভিউয়ে ডাক পাচ্ছেন না। তাতেই নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এ নিয়ে বুধবার বিকেলেই জরুরি বৈঠকে বসছে স্কুল সার্ভস কমিশন (এসএসসি)। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে।

জুন ৩০, ২০২১
রাজ্য

নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন

হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে ভোটপরবর্তী হিংসায় অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলতে সোমবার বর্ধমান সার্কিট হাউসে আসেন মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই ও তাঁর টিম ।পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও নির্যাতিতরা বর্ধমান সার্কিট হাউসে এদিন হাজির হয়েছিলেন। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত তিনি মোট ১৭২ জনের সঙ্গে কথা বলেন । অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভিযোগ, ফোন নম্বর, ঠিকানা কমিশনের সদস্যরা নথিবদ্ধ করেন। আরও পড়ুনঃ দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদনএদিকে অভিযোগ নথিভুক্তকরণ চলার মাঝেই কয়েকজন অত্যাচারিতা কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন, জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে চাওয়ায় তাঁদের নানারকমভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছ পুলিশের তরফে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই সার্কিট হাউসের ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে পুলিশ কর্তাদের সামনে হাজির হন রাজুলবেন এল দেশাই । স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার তো মনে হচ্ছে কোনও না কোনওভাবে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা শুধু নজরদারি করুন। এই বিষয়ে পুলিশ সুপার কামনাশীস সেনের যদিও দাবি, পুলিশ কাউকে আটকায়নি। তবে কোভিড-বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই আরও বলেন, অত্যাচারিতদের বক্তব্য শোনা হচ্ছে। এটা গোপন ব্যাপার। হাইকোর্টে এর রিপোর্ট জমা করতে হবে।

জুন ২৯, ২০২১
দেশ

Narad-Supreme Court: মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশ

নারদ মামলায় (Narada case) কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দায়ের করা হলফনামা গ্রহণ করতে হবে হাইকোর্টকে (Calcutta HC)। এই মর্মে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৯ জুন, মামলার পরবর্তী শুনানির দিনই তা গ্রহণ করতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটককে নতুন করে হলফনামা জমা দিতে হবে। তা রেকর্ডও করতে হবে। এমনই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নারদ মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারগিল থেকে ধৃত ৪ পড়ুয়ামুখ্যমন্ত্রীদের জবাবি হলফনামা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। সময়ের মধ্যে হলফনামা পেশ করা হয়নি, এই যুক্তিতে তাঁদের হলফনামা উচ্চ আদালত তা খারিজ করে। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২১ তারিখ নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও, শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। তৈরি হয় নতুন বেঞ্চ। বিচারপতি বিনীত শরণ ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর নতুন বেঞ্চ তৈরি করে শুনানি হয়। এরপর শুক্রবার নারদ মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, কলকাতা হাইকোর্টকে এই হলফনামা গ্রহণ করতে হবে। নতুন করে হলফনামা পেশ করতে হবে এবং তার রেকর্ড রাখতে হবে।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Nandigram Case: নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিত

নন্দীগ্রাম মামলা অন্যত্র সরানো হবে কি না, তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC) শুনানি শেষে আজ রায়দান হল না। বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে মামলা অন্যত্র সরানোর আর্জি সংক্রান্ত আবেদনের শুনানির কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। এদিনের মতো রায়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা এই মুহূর্তে দুটি মামলার শুনানি চলছে। প্রথমত, মামলাটি অন্য বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তরের। দ্বিতীয়, নন্দীগ্রামের ভোট ফলাফলের পুনর্গণনার। তবে বৃহস্পতিবার প্রথম মামলার শুনানিই হয়েছে। দ্বিতীয় বিষয়টি ধরা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় মামলাকারীকে হাজির থাকতে হয়। তাই বৃহস্পতিবারের শুনানিতে ভার্চুয়ালি এজলাসে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে সওয়াল করেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। সূত্রের খবর, তিনি শুরুতেই বিচারপতির কাছে মামলা স্থানান্তরের আবেদনের পক্ষে কথা বলেন। তাঁর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একাধিকবার আবেদন করা সত্ত্বেও কেন মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন না বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তাতে বিচারপতি জানান, এই মামলা শুনতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।

জুন ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Narad-Case: এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

নারদ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ তাঁর হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদলতে মামলা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামিকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার হবে শুনানি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরমে মাসের ১৭ তারিখ নারদ মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের তিন বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তারপরই নিজাম প্যালেসে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। সেখানে প্রায় ৬ ঘণ্টা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।দপ্তরের বাইরে ভিড় এত বেড়ে যায় যে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করে সেই ভিড় সামলাতে হয়। এই ঘটনাকে খুব একটা ভাল চোখে দেখেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে চাপ তৈরি করছে দল। সিবিআই আধিকারিকদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে পৌঁছয় কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলায় মুখ্যমন্ত্রীকে পার্টি করে মামলা করে সিবিআই। তারপরই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে হলফনামা দায়ের করার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। তারপরই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Post poll violence: রাজ্যের আর্জি খারিজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) মামলায় কলকাতার হাইকোর্টের (Calcutta HC) নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। আগের নির্দেশই বহাল রাখল উচ্চ আদালত। সোমবার দিনের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। আবেদন শোনার পর তাঁরা তা খারিজ করে দেন। ১৮ জুনের নির্দেশ বহাল রাখেন। যুক্তি হিসেবে জানানো হয়, রাজ্যকে আগে সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। তাই সেই ভার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) হাতে দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। গত ১৮ তারিখ, শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তাতে স্থগিতাদেশ চেয়ে রবিবার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তাঁর আবেদন ছিল, এখনই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে না জড়িয়ে রাজ্যকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। আরও পড়ুনঃ ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবকএদিন মামলার শুনানির শুরুতেই বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, এর আগে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের নেতৃত্বে একটি কমিটিও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ঘরে ফেরানো তো হয়ইনি, এমনকী এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগই সেভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। রাজ্য সরকারের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ উচ্চ আদালত।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Post-poll violence: হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানাতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবারই তিনি আবেদন জানাতে পারেন বলে খবর। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HC) আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপরই স্থগিতাদেশ চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২ মে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপির (BJP) অভিযোগ, ব্যাপক হিংসা চলছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন শাসকদলের কর্মীরাই। বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পড়ছেন। কেউ কেউ ভিনরাজ্যেও পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একটা নির্বাচিত সরকার আসার পর এ ধরনের হিংসা কাম্য নয় বলেও একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলাও দায়ের করেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মামলার শুনানিতে ভিনরাজ্যে চলে যাওয়া বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের ফেরানো নিয়ে পদক্ষেপ করতে মানবাধিকার কমিশনের তত্বাবধানে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই কমিটি বিশেষ কাজই করেনি। এখনও ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো যায়নি। এমনকী এ বিষয়ে রাজ্য সরকারও যথেষ্ট উদসীনতার পরিচয় দিয়েছে। অথচ এই সমস্যা সমাধানে রাজ্যেরই সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা, এমনই উল্লেখ করেছেন বিচারপতিরা।

জুন ২০, ২০২১
কলকাতা

Sarada Scam: ৭ বছর পর জামিন দেবযানীর

সারদা (Sarada scam) মামলায় জামিন পেলেন অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়। শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে এ রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে জামিনের অনুমতি দেয়। তবে অন্যান্য রাজ্যে যে সারদা মামলা রয়েছে, তাতে দেবযানী থাকবেন অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবেই। শনিবার এমনই জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta HC) বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। অসম, ওডিশায় সারদার বেশ কয়েকটি মামলা চলছে এখনও। আর সে কারণেই জামিন পেলেও তাঁর জেলমুক্তি নিয়ে জটিলতা থাকছে। তবে ৭ বছর পর সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস-সহ একাধিক মামলার খাঁড়া আর রইল না দেবযানীর মাথার উপর।২০১৩ সালে সারদা মামলায় ২২ এপ্রিল কাশ্মীর থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এবং তাঁর ছায়াসঙ্গী দেবযানী মুখোপাধ্যায় (Debjani Mukherjee)। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে সারদা ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস মামলায় অভিযুক্ত হন দেবযানী। তিনি রাজ্যের সমস্ত মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। এই মামলা চলছিল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এই মুহূর্তে যাবতীয় চিটফান্ড মামলার সমস্ত শুনানি চলছে তাঁর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চেই। দেবযানীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই সময় চায়। কিন্তু হাইকোর্ট সময় দিতে চায়নি। শনিবার এই মামলায় বিশেষ বেঞ্চ বসানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই বেঞ্চেই জামিন মঞ্জুর হয় দেবযানীর। আদালত সূত্রে খবর, ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মিলেছে জামিন।তবে এখনই জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না সারদার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। কারণ, এ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় ১০০ টিরও বেশি মামলা রয়েছে দেবযানীর বিরুদ্ধে। সেসব চার্জশিট জমা পড়েনি এখনও। এছাড়া গুয়াহাটি, ভুবনেশ্বরেও চলছে মামলা। তাই আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

High Court: নন্দীগ্রাম মামলায় 'পক্ষপাতদুষ্ট' বিচারপতিকে সরানোর আবেদন মমতার

ভোটের লড়াই এখন পৌঁছে গিয়েছে সোজা হাইকোর্টে(High court)। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী করা মামলায় এ বার বিচারপতিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এবং যে বিচারপতির এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে তা সরানোর আবেদন জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। বিচারপতি কৌশিক চন্দের (Kaushik Chanda) এজলাস থেকে মামলা সরানোর আবেজন জানিয়ে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে একটি চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bannerjee) আইনজীবী। এদিকে, নন্দীগ্রাম মামলা বিচারপতি চন্দের এজলাসে পাঠানোর প্রতিবাদে মুখে কালো মাস্ক এবং হাতে পোস্টার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আইনজীবীরা। পোস্টারে লেখা ছিল, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতি করবেন না।বিচারপতি কৌশিক চন্দের ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেছেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে, এমন দাবি তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে।ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া চিঠিতে মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কোনও আইনজীবী বিচারপতি হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। কৌশিক চন্দ আইনজীবী থেকে বিচারপতির পদে উন্নীত হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও এই বার্তা গিয়েছিল এবং সেই সময় তিনি আপত্তি তুলেছিলেন। যেহেতু কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি সমর্থক ছিলেন তাই মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে বিচারপতির পদে উন্নীত করা নিয়ে আপত্তি ছিল।যদিও তারপর বিচারপতির পদে শপথ নেন কৌশিক চন্দ। ঠিক এখানেই মমতার প্রশ্ন, যেখানে স্পর্শকাতর মামলাটি খোদ একজন বিজেপি প্রার্থীর জয়ের বিরুদ্ধে, সেখানে এই বিচারপতি কী ভাবে মামলাটি শুনতে পারেন! তিনি শুনলেও রায় পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, শুক্রবার মামলাটি এজলাসে উঠলে আইনজীবীদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এ দিন দেখা যায়, যখন হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের হয় সেদিনই আপত্তি তোলেন মমতা।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Nandigram: ভোট পুনর্গননার মমতার আবেদনের শুনানি পিছল

নন্দীগ্রামের (Nandigram) নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি আজ হল না কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC)। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সূত্রের খবর, আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি। তবে আজ মামলাটি গৃহীত হয়েছে।এর মধ্যে এই মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে এখনও আবেদনের প্রতিলিপি পাঠানো হয়নি। সেই কাজও সম্পূর্ণ করতে হবে। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)কাছেও মামলার নোটিস পাঠাতে হবে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দেন, এই সব আইনি প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধের পর হাইকোর্টে তিনি নিজেই মামলাটি দায়ের করেন। তা বিশেষ মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটি গ্রহণের পর শুনানি স্থগিত করে দিয়েছেন বিচারপতি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mithun Chakraborty: ডায়লগ মামলায় মহাগুরুকে জেরা পুলিশের

মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chackraborty) ভার্চুয়াল জিজ্ঞাসাবাদ করল মানকিতলা থানার পুলিশ। নির্বাচনী প্রচারে আপত্তিকর মন্তব্য করার জেরেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হল মাহাগুরুকে। জানা গিয়েছে, ১৫ মিনিট ধরে মিঠুন চক্রবর্তীকে প্রশ্ন করেন মানিকতলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা।মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে, সিনেমার এই বিখ্যাত ডায়গল ব্যবহার করেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর ও শান্তি বিঘ্নিত করার অভিযোগে মানিকতলা থানায় অভিযোগ জমা পড়ে মহাগুরুর বিরুদ্ধে। ভারতীয় দন্ডবিধির ১৫৩(এ), ৫০৪,৫০৫ একাধিক ধারায় এফআইএর রুজু হয়। এরপর হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন মিঠুন চক্রবর্তী।হাইকোর্টই মিঠুন চক্রবর্তীকে মামলায় সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এরপর ভার্চুয়ালি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মানিকতলা থানার পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছেন, এই মন্তব্য করার প্রেক্ষিত কী? আর এই মন্তব্যের আড়ালে কি কোনও উদ্দেশ্য ছিল কি না তাও জানতে চান মানিকতলা থানার তদন্তকারী আধিকারকিরা।একুশের নির্বাচনের ঠিকে আগেই ব্রিগেডের মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন পদ্ম পতাকা। সেসময় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অসংখ্য মানুষের ভিড়। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল আবার মহাগুরু ভক্তও। সেখানে দর্শকদের ইচ্ছায় নিজের সিনেমার বিখ্যাল ডায়লগ বলেছিলেন মহাগুরু। এরপর বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলতে একাধিক রোড শো, সভা করেছেন মহাগুরু। সেখানেও ২০১৪ সালের তাঁর সিনেমার এই বিখ্যাত ডায়লগ বলেছেন মহাগুরু। কিন্তু তাতেই হল বিপত্তি।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

নারদ কাণ্ডে ৪ হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন

নারদ কাণ্ডে ধৃত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দিল আদালত। আরও পড়ুন: ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল কার্যত লকডাউনের মেয়াদশুক্রবার সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতা হাইকোর্টে শুরু হয় শুনানি। শুরুতেই সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, পুরো মামলাটাই শোনা হোক। তবে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের তরফে বলা হয়, মূল আবেদনের সঙ্গে যদি কোনও সংযুক্ত আবেদন থাকে তবে তা ১৪ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হয়। শুনানির শুরুতে সেই একই দাবিতে অনড় থাকেন অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবীরা। সেই অনুযায়ী শুনানির শুরুতেই অন্তর্বর্তী জামিনের মামলা আগে শোনা হয়। তারপরই ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে ওই চার হেভিওয়েটের জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তবে বেশ কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, ওই চার হেভিওয়েটকে মামলার তদন্তকারী আধিকারিকদের সহযোগিতা করতে হবে। বর্তমানে করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে যেহেতু নানা বিধিনিষেধ জারি রয়েছে তাই আপাতত ভার্চুয়ালি সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। তবে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হওয়ার পর সশরীরে উপস্থিত থেকেও তদন্তে সহযোগিতা করতে হতে পারে। বর্তমানে আর গৃহবন্দি থাকতে হবে না তাঁদের। বাইরে বেরিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারবেন তাঁরা। যে কোনও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখিও হতে পারবেন ওই চার হেভিওয়েট। তবে মামলার বিষয়ে কোনও মুখ খুলতে পারবেন না মন্ত্রী-বিধায়করা।

মে ২৮, ২০২১
কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

হাইকোর্টে আজ স্থগিত নারদ মামলার শুনানি

বিশেষ কারণে আজ নারদ মামলার শুনানি হচ্ছে না। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হতে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে নোটিস দিয়ে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণে আজ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বসছে না। তাই নারদ মামলার শুনানি বৃহস্পতিবারের মতো স্থগিত। ফলে ধৃত চার নেতা ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়দের আরও একদিন হেপাজতে থাকতে হবে।কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে খবর, অন্য কোনও বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হোক আজই, এই আবেদন জানাবেন অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবীরা। সেক্ষেত্রে সেই আবেদন গৃহীত হয়ে দুপুর ২টোর পর শুনানি হয় কি না, সেদিকে নজর সবপক্ষের। তবে এমন ঘটনা খানিকটা অনভিপ্রেত বলেই মত আইনজ্ঞ মহলের। এত স্পর্শকাতর একটা মামলার শুনানি মাঝপথে থাকাকালীন একদিনের জন্য় স্থগিত হয়ে যাওয়ায় অনেকেই নানা রহস্য খুঁজে পাচ্ছেন। বিশেষত হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতি সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তি। যাতে লেখা শুধুমাত্র অনিবার্য কারণবশত ফার্স্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ বসছে না। মামলার গুরুত্ব এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তা অন্যত্র সরানো নিয়েও সিবিআইয়ের আবেদনটিও শোনার কথা ছিল বিচারপতিদের। তবে বুধবার দ্বিতীয় ইস্যু নিয়েই প্রায় আড়াই ঘণ্টা সওয়াল-জবাব চলে। ফলে জামিন মামলার শুনানি কার্যত হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। যার জেরে মামলার ভবিষ্যৎ এই মুহূর্তে বেশ অনিশ্চয়তার মুখে। বন্দিদশাও বেড়ে চলেছে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এঁদের মধ্যে একমাত্র ফিরহাদ হাকিম প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। বাকি তিনজন অসুস্থ হওয়ায় ভর্তি এসএসকেএমে।

মে ২০, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal