• ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Habra

রাজ্য

ভোটের আগেই হাবড়ায় ইডির হানা! একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভোররাতের তল্লাশি

দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগেই ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে উত্তর চব্বিশ পরগনার হাবড়ায় রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে একাধিক চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই এই অভিযান শুরু হয়। হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডে চাল ব্যবসায়ী সমীর চন্দের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। কোথা থেকে চাল কেনা হয়, কী দামে বিক্রি হয় এবং বাজারে কীভাবে সরবরাহ করা হয়, সেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একই দিনে হাবড়ার শ্রীনগর রোডে আরও এক চাল ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। সেখানে পৌঁছে কিছু সময় বাইরে অপেক্ষার পর ভিতরে ঢুকে শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। পরিবারের সদস্যদেরও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় হাবড়ার অন্তত তিনজন চাল ব্যবসায়ীর নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক দলে ভাগ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অভিযোগ, রেশন সামগ্রী কালোবাজারিতে বিক্রি করা হচ্ছিল এবং বিপুল আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার ঘটনাও সামনে এসেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগেই এই অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা রয়েছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যাঁকে এই একই মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল।শনিবার ভোরের এই অভিযানের সময় অধিকাংশ পরিবারই ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বারবার দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা। এখনও পর্যন্ত অভিযান চলছে বলে খবর।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ছাত্রদের টিসির বদলে টাকা তোলার অভিযোগ, তৃণমূল শিক্ষক নেতাকে ঘিরে তোলপাড়

ছাত্রছাত্রীদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট বা টিসি দেওয়ার বদলে মাথাপিছু ৩০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে হাবরা হিজলপুকুর এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রনীল মিত্রর বিরুদ্ধে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা শিক্ষক সেলের সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।চতুর্থ শ্রেণি পাশ করার পর উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য পড়ুয়াদের টিসি প্রয়োজন হয়। অভিভাবকদের অভিযোগ, সেই শংসাপত্র দেওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে দাবি করা হয়েছে। কোনও সরকারি রশিদ ছাড়াই এই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যাঁরা টাকা দিতে পারছেন না, তাঁদের টিসি আটকে রাখা হয়েছে বলেও দাবি অভিভাবকদের।এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ শুধু অর্থ তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্কুলের পঠনপাঠন নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত সময়মতো স্কুলে আসেন না এবং স্কুলে শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে।এছাড়াও টিসি সংক্রান্ত নথিতেও একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে বলে অভিযোগ। অভিভাবকদের দাবি, ২০২৬ সালে দেওয়া টিসিতে সাল লেখা রয়েছে ২০২৫। কোথাও আবার নাম ও অন্যান্য তথ্যেও ভুল রয়েছে। এই ভুলের কারণে অন্য স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করাতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনার জেরে প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। হাবরা পৌরসভার পৌরপ্রধান নারায়ণচন্দ্র সাহা বলেন, টিসি দেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তবে দলীয় স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি দাম বলেন, তৃণমূল ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় এখন ৩০০ টাকাও তুলছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল দুর্নীতিই শেখায়, আর শিক্ষক সেলের নেতা সেটাই করে দেখাচ্ছেন।যদিও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রনীল মিত্র সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মোট ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন ৩ জয়ী তৃণমূল প্রার্থী, হতবাক বিচারপতি

এক জন নয় তিন জন তৃণমূল প্রার্থী জয়ের ব্যবধান বুথের মোট ভোটার সংখ্যাকে ছাপিয়ে গিয়েছে৷ বুথের মোট যা ভোটার সংখ্যা, তার থেকেও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন ওই তিন তৃণমূল প্রার্থী। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগণার হাবড়া-২ ব্লকে৷ সেখানে গ্রাম পঞ্চায়েতের তিন জন তৃণমূল প্রার্থীর জয়ের এমন অস্বাভাবিক ব্যবধান দেখে এ দিন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা৷ হাবড়া-২ নম্বর ব্লকের বিডিওর রিপোর্ট তলব করা হয়েছে ৪ঠা অগাস্টের মধ্যে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেও এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা৷হাবড়া-২ ব্লকের তিন জন তৃণমূল প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান তাঁদের বুথের মোট ভোটারের থেকে বেশি, এমন অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন মহম্মদ নুরউদ্দিন সহ বেশ কয়েকজন৷মামলাকারীদের অভিযোগ, হাবড়া-২ ব্লকের মালিবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ জয়ী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, সংশ্লিষ্ট বুথের মোট ভোটারের থেকে বেশি৷ যেমন ৮৩ নং পার্টে মোট ভোটার ১,৪৮৮। অথচ ওই বুথে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী রোকেয়া বিবি পেয়েছেন ১,৫৩০ ভোট৷ আবার অন্য একটি বুথে, মোট ভোটার সংখ্যা ১,৫৩৯। সেখানে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী জেসমিনা খাতুন পেয়েছেন ১,৬৩১ ভোট। আর একটি বুথে, মোট ভোটারের সংখ্যা ১,৪৮১৷ সেখানে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ১,৭৮২ ভোট।কমিশনের ভোটার তালিকার থেকেও বেশি ভোট ব্যালট বক্সে পড়ল কীভাবে? শুনানিতে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীদের একাংশ। এর পরেই বিডিও ও কমিশনের রিপোর্ট তলব করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা৷পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে নানা কারচুপির অভিযোগ সামনে আসছে। নিউ টাউনের জ্যাংড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের একটি বুথে অস্বাভাবিক ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি৷ ওই বুথে স্থানীয় বাসিন্দারা ভোট বয়কট করেন বলে দাবি৷ অথচ সেই বুথেই ভোট পড়ে ৯৫ শতাংশ৷ বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী৷ ভোটাররা ভোট বয়কট করলে কীভাবে ৯৫ শতাংশ ভোট পড়ল? সেই প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি৷ এ ক্ষেত্রেও ঘটনার কথা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২৩
রাজ্য

MA English Chaiwali-Tuktuki Das : হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল ‘‌এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি’‌র দোকান?‌

বাবা ভ্যান চালক। মা ছোট্ট মুদির দোকান চালান। বাবা চেয়েছিলেন মেয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করুক। বাবার স্বপ্নপূরণ করার আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন টুকটুকি দাস। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দূরশিক্ষা বিভাগে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তরও পাশ করেন। কিন্তু কালের ফেরে চাকরি জোটেনি।চাকরি জোটাতে না পেরে সংসারের হাল ধরতে এই বছর নভেম্বরের শুরুতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবড়া স্টেশনের দুনম্বর প্ল্যাটফর্মে চায়ের দোকান খোলেন। দোকানের নাম দেন এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি। চায়ের দোকান খোলার ব্যাপারে টুকটুকি দাস অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ইউ টিউবে প্রফুল্ল বিল্লোরের এমবিএ চাওয়ালা দেখে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল টুকটুকি দসের এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি। সংবাদমাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি হয়। মিডিয়ার দৌলতে দ্রুত খ্যাতি লাভ করেন টুকটুকি। দোকানকে আস্তে আস্তে বড় করেন।কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তা অনেকের চক্ষুশূল হয়। বুধবার সকালে হঠাৎই রেল প্রশাসন ও আরপিএফ কর্মীরা টুকটুকি দাসের নতুন দোকান ভাঙচুর করে। স্থানীয় হকার্স ইউনিয়নের অভিযোগ, বিজেপি নেতৃত্বের অঙ্গুলি হেলনে রেল প্রশাসন টুকটুকি দাসের দোকান ভেঙে দিয়েছে। রেল আধিকারিকরা অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। রেল আধিকারিকদের দাবি, হাবড়া স্টেশনে টুকটুকি দাসের পুরনো দোকান রয়েছে। সেটা বাদ দিয়ে তিনি আবার নতুন দোকান তৈরি করেছেন। স্টেশনের জায়গা কম থাকায় কাউকে আর নতুন করে দোকান তৈরি করার অনুমতি দেওয়া হয় না। সেই কারণেই টুকটুকি দাসের দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যেসব দোকান আগে থেকে রয়েছে, সেগুলিই থাকবে। টুকটুকি দাসের দোকান ভাঙা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা ধসের পর বড় ঝাঁকুনি! রাজ্যজুড়ে নির্মীয়মাণ ইমারতে কাজ বন্ধের নির্দেশ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারাতলার ভয়াবহ নির্মাণ বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আপাতত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারতের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী একত্রিশে জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলির স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও নকশা যাচাই করা হবে। সবুজ সংকেত মিললেই আবার শুরু হবে কাজ।বুধবার তারাতলার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে একটি বিশেষ পরিদর্শন দল গঠন করা হবে। এই দল নির্মীয়মাণ ইমারতের নকশা, নির্মাণের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। কোথাও ত্রুটি ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ও হিমঘর ধসে পড়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েন। খবর পাওয়ার পরই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসে পড়া নির্মাণের নকশায় ত্রুটি ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের নকশা এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা নতুন করে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে।তারাতলার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

চলন্ত লোকালে রক্তাক্ত মৃত্যু! দরজা বন্ধ করা নিয়ে ঝগড়া, যাত্রীর বুকে পরপর কোপ

চলন্ত লোকাল ট্রেনে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়াল মুম্বইয়ে। দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত খুনে পরিণত হল। ট্রেনের মধ্যেই ছুরির আঘাতে মৃত্যু হল বাইশ বছরের যুবক মায়াঙ্ক রমেশ লোহারের।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে চার্চগেট থেকে নাল্লাসোপারা অভিমুখী দ্রুতগতির লোকাল ট্রেনে ওঠেন মায়াঙ্ক। আন্ধেরি স্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ার পরই আর এক যাত্রীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কি শুরু হয়। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ রাখা হবে কি না, তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।প্রথমে বচসা হলেও পরে তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে মায়াঙ্কের উপর একের পর এক আঘাত করতে শুরু করে অভিযুক্ত। ট্রেনের কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলে যায় যে কেউ তাঁকে রক্ষা করতে পারেননি।ট্রেন বোরিভেলি স্টেশনে পৌঁছতেই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে যাত্রীরা কামরার ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মায়াঙ্ককে দেখতে পান। রেল পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখতে শুরু করে।অবশেষে বুধবার বিকেলে অভিযুক্ত রোশান সুবর্ণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিম রেলও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।চলন্ত ট্রেনের মধ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ফের একবার যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিল। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভিড়ভাট্টার লোকালে যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

চিৎকার, ধুলো আর ধ্বংসস্তূপ! তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কন্ট্রোলরুম খুলল নবান্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের ছাদ ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ জোরকদমে চলছে। ইতিমধ্যেই কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রশাসন দ্রুত তৎপর হয়। নবান্নের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল আটকে থাকা মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদে উদ্ধার করা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবহণ দফতরের জন্য একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই কয়েকটি লোহার বিম নড়ে যায় এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরও কাজ বন্ধ না করে কাঠামো মেরামতের চেষ্টা চলছিল। সেই সময় আচমকাই গোটা ছাদ ও লোহার কাঠামো ভেঙে পড়ে।ঘটনার সময় বহু শ্রমিক ভিতরে কাজ করছিলেন। সেখানে একটি অস্থায়ী অফিসও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।বর্তমানে ক্রেন, গ্যাস কাটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতির সাহায্যে লোহার বিম কেটে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা করছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চললেও এখনও বহু মানুষের খোঁজ মেলেনি বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। তারাতলার এই দুর্ঘটনা ঘিরে গোটা এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার ভাইকে ঘিরে যা দাবি করলেন এক প্রবীণ মহিলা

রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর জনসাধারণের অভিযোগ শোনার কর্মসূচিতে উঠে এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রঞ্জনা হাজরা দাবি করেছেন, তাঁর পৈতৃক সম্পত্তির একাধিক অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন।রঞ্জনা হাজরা জানান, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁদের পরিবারের কিছু পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বহু বছর ধরে সেই সম্পত্তিগুলি দখলের চেষ্টা চলেছে এবং কয়েকটি জায়গা দখলও হয়ে গিয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি জায়গা দখল করে সেখানে প্রথমে ব্যবসা এবং পরে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি সম্পত্তি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে বলে অভিযোগ তাঁর।অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি বারবার প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি। উল্টে বিভিন্ন সময় তাঁকে হেনস্তা ও চাপের মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে অতীতে পুলিশের কাছেও গিয়েছিলেন। তবে তাঁর দাবি, কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে তিনি সমস্ত অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর রঞ্জনা হাজরা জানান, তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পর আবারও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের সম্পত্তি বিতর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন প্রশাসন এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেফতারের আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন মানস ভুঁইঞা! হঠাৎ কী এমন ঘটল?

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে মানস ভুঁইঞা। চাকরি দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসতেই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সম্ভাব্য গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই তিনি আদালতের কাছে রক্ষাকবচ চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, এক মহিলাকে সেচ দফতরের বাংলোয় চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় বলেও দাবি অভিযোগকারীর। পরে ওই মহিলা কিছুদিন কাজও করেন। এমনকি বেতনও পান। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে আর কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়।এই পরিস্থিতিতেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মানস ভুঁইঞা। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর পক্ষ থেকে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকেই আগাম আইনি সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেই আবহে মানস ভুঁইঞার আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক সূত্রের।

জুন ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal