• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gun Salute

কলকাতা

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পঞ্চভূতে বিলীন হলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

বুধবার সন্ধ্যায় পঞ্চভূতে বিলীন হলে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিদায়ের সঙ্গে পরিসমাপ্তি ঘটল একটি অধ্যায়ের। এর আগে শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার তাঁর দেহ নিয়ে আসা হয় রবীন্দ্রসদনে। সেখানে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পীর দেহে পরিয়ে দেন উত্তরীয়। তিনি ছাড়াও শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজন। রবীন্দ্রসদনে ছিলেন বিশিষ্ট এই শিল্পীর কন্যা সৌমী মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মাতৃস্নেহে তাঁকে কাছে টেনে নেন। শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্রসদন পৌঁছন প্রবীণ বামনেতা বিমান বসু। শ্রদ্ধা নিবেদনপর্ব শেষ হলে শিল্পীর নিথর দেহ কালীঘাটের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। অন্তিম যাত্রায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ যাত্রায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পা মেলান বহু মানুষ। রাস্তার দুধারে শুধু কালো মাথার ভিড়। বিকেল ছটা নাগাদ শিল্পীর দেহ পৌঁছয় কালীঘাটে। সেখানে তাঁকে দেওয়া হয় গান স্যালুট। কালীঘাটে অন্ত্যেষ্টি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কার্যত এদিন তাঁকে দেখা গেল অভিভাবকের ভূমিকায়। শিল্পীর অন্তিম যাত্রার সঙ্গে অনেকেই তুলনা করেন বাঙালির ম্যাটিনি আইডল উত্তম কুমারের শেষ যাত্রা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Dilip Kumar: পাকিস্তান ছেড়ে এদেশেই থেকে গেলেন ইউসুফ ওরফে দিলীপ

দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভোগার পরে বুধবার অজানার দেশে চলে গেলেন অভিনেতা দিলীপ কুমার। কিন্তু মৃত্যুর পরেও রয়ে গিয়েছে বেশ কিছু প্রশ্ন, মহম্মদ ইউসুফ খান কেন হিন্দু নাম নিয়ে দিলীপ কুমার হয়েছিলেন?দুটি কারণ শোনা যায় এই নাম ও পদবি বদলের পিছনে। একটি ভয়, একটি প্রেম। তবে আরও একটি কারণ ছিল বলে মনে করা হয়। যেটি অবশ্য দিলীপ কুমার কখনও নিজের মুখে স্বীকার করেননি। যদিও তৃতীয় কারণটিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সময়ের আলোচনায়। বলা হয়, হিন্দু দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই এই নামবদল। বাস্তবের ইউসুফকে বলিউড চিনতে পারে স্বাধীনতার বছর ১৯৪৭ সালে জগনু ছবিতে অভিনয়ের পরে। তবে তার অনেক আগেই ১৯৪৪ সালে প্রথম ছবি। সেই জোয়ার ভাটা ছবির প্রযোজক ছিলেন দেবিকা রানি। দেবিকাই নাকি, ইউসুফ খানকে দিলীপ কুমার নাম নিতে বলেছিলেন। তাই অভিনেতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি নতুন নামে পরিচিতি পেতে থাকেন। তবে বাড়ি থেকে পালিয়ে আসা ইউসুফ অভিনয় শুরু করার পরে বাবা যাতে জানতে না পারেন তার জন্য নাম বদলেছিলেন বলেও শোনা যায়। এমনটা নাকি কোনও একটি সাক্ষাৎকারে নিজেই বলেছিলেন দিলীপ। তবে দেবিকা রানির ইচ্ছার কথাই লিখে গিয়েছেন দিলীপ।আরও পড়ুনঃ বলিউডে নক্ষত্রপতন, প্রয়াত দিলীপ কুমারবাবার সঙ্গে ঝগড়া করে পাকিস্তান ছেড়েছিলেন। পাকিস্তানেই পড়ে রইল পুরনো বসতবাড়ি, আত্মীয় পরিজন। এদেশে এসে হয়েছিলেন দিলীপ।এদেশেই থেকে গেলেন। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের সুতো ছিন্ন হয়নি। বার বার খোঁজ নিয়েছেন। প্রয়োজনে সে দেশেও গিয়েছেন। বার বার যখন ভারত-পাকিস্তান সীমানা উত্তপ্ত হয়েছে, কপালে ভাঁজ পড়েছে দিলীপ কুমারের। দুই দেশের শান্তি ফেরাতে বহু বার এগিয়ে এসে প্রতিক্রিয়াও দিয়েছেন তিনি। তবে জীবনের শেষপর্যন্ত এই দেশের মাটি, বলিউড আঁকড়েই পড়েছিলেন তিনি। এদেশকে বড্ডই ভালবাসতেন তিনি। এদেশই তাঁর স্বপ্নপূরণ করেছে। আর এদেশেই সমাহিত হলেন তিনি। এদিন, চোখের জলে দিলীপকুমারকে বিদায় জানাল ভারতীয় সিনেমা জগত্। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হল দিলীপকুমারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অংশ হিসেবেই গান স্যালুট দেওয়া হয় শিল্পীকে। দিলীপকুমারের শেষযাত্রায় অংশ নেন অগণিত মানুষ।

জুলাই ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় কিংবদন্তী অভিনেতা  সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে

কিংবদন্তী অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানো হল। রবিবার সন্ধ্যে ৬ টা ৪৫ মিনিটে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে গান স্যালুট দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হল শেষকৃত্য। সন্ধে ৭টা নাগাদ পঞ্চভূতে বিলীন হলেন কিংবদন্তী শিল্পী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। গান স্যালুটের সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে পৌলমী বসু। এদিন অভিনেতার মৃত্যুর পর তার কন্যা পৌ্লমী চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে দুপুর দুটো নাগাদ তাঁর মরদেহ গলফগ্রীনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনরা। বেশ কিছুক্ষণ তাঁর মৃতদেহ সেখানে রাখার পর সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়কে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা। সেখান থেকে সাড়ে তিনটে নাগাদ দু ঘণ্টার জন্য অভিনেতার মরদেহ রবীন্দ্র সদনে নিয়ে আসা হয়। প্রিয় অভিনেতাকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে রবীন্দ্র সদন চত্বরে ভিড় উপচে পড়ে। সেখানে তাকে বহু মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে বিদায় জানাতে সেখানে সিনেমা জগতের কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ রবীন্দ্র সদন থেকে বেরয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মরদেহ শায়িত শববাহী গাড়ি। গন্তব্য কেওড়াতলা মহাশ্মশান। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন টলিউড শিল্পী- পরিচালকদের কিংবদন্তী শিল্পীর শেষযাত্রায় পা মেলালেন অগণিত ভক্ত, অনুরাগীরা। শেষযাত্রায় মানুষের ঢল। জয়ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে চলেছেন সবাই। তাঁর শেষযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন শাসক দলের নেতানেত্রীদের পাশাপাশি বিজেপি , বাম ও কংগ্রেসের নেতারাও। পদযাত্রায় পা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, রুক্মিণী মৈত্র ও রাজ চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন বিমান বসু, সুজন চক্রবর্তীও। গান গাইলেন ইন্দ্রনীল সেন, অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরই লেখা কবিতা পাঠ করলেন কৌশিক সেন। সৌ্মিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
উৎসব

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে মা দুর্গাকে গান স্যালুট দিয়ে বিদায়

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে তিনশ বছরের অধিক সময় ধরে মায়ের আরাধনা হয়ে আসছে ৷ এই পুজোর বিশেষত্ব হল , গান স্যালুট দিয়ে দশমীতে মাকে বিদায় জানানো হয়৷ বিজয়া দশমীর দিন সিঁদুর খেলা শেষে মায়ের ঘট বিসর্জন সেরে গান স্যালুটে দেবীকে বিদায় জানায় রায় পরিবারের সদস্যরা ৷ যেখানে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সাথে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। আরও পড়ুনঃ আজ দশমী , আড়ম্বরহীনভাবেই চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি এই বিষয়ে রায় পরিবারের তরফ থেকে বাচ্চু রায় জানিয়েছেন, ক্ষত্রিয় পরিবার হিসাবে তাদের পুজোর এই রীতি বংশ পরম্পরায় চলে আসছে ৷ একইসঙ্গে পরিবারের মহিলাদেরও ছোট থেকে আত্মরক্ষার স্বার্থে বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ তাই তারাও দেবীকে বিদায় জানাতে এই রীতিতে অংশগ্রহণ করেন ৷ এদিন কুলটির বেলরুই গ্রামে রায় পরিবারের দেবীকে বিদায় জানানোর সময় গান স্যালুটের অনুষ্ঠান দেখতে সাধারণ মানুষ ভিড় করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

নাগরিকত্বে সামান্য সন্দেহ হলেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ! সুপ্রিম কোর্টে বড় দাবি নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব নির্ধারণ না করা পর্যন্ত সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার কি থাকবে না।এর জবাবে কমিশনের আইনজীবী জানান, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যাঁরা ভারতীয় নাগরিক নন, তাঁদের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে, তা নিশ্চিত করা। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা তাঁকে দেশছাড়া করার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।শুনানিতে কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়, নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট ইআরও কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তার মানে এই নয় যে ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, এমন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে হয়ে যাচ্ছে।এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের শুরু হবে প্রধান বিচারপতির এজলাসে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন ও দোলা সেন শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি আদালতে অভিযোগ করেন, এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশ সমাজমাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসারদের কাজের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।এছাড়াও তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা লিখিত প্রমাণ তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়েও প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। এই বিষয়গুলি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি একই অভিযোগ তুলেছিলেন।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ

কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ এই মামলার শুনানির পর জানান, তৃণমূলের অভিযোগ আদালতে টেকেনি।এ দিন কেন্দ্রের পক্ষে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে জানান, ইডি কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর দাবি, আইপ্যাক সংস্থার ডিরেক্টরের বাড়ি ও দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তল্লাশির সময় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশীস চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তা হলে তিনি যে তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করলেন, সেই তথ্যের উৎস কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রের আইনজীবী।ইডির সওয়ালে আরও বলা হয়, যেসব নথির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। ফলে ইডির বিরুদ্ধে নথি বাজেয়াপ্ত করার অভিযোগ ঠিক নয়। এমনকি ইডির আইনজীবী মন্তব্য করেন, যদি কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়, তা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সেই মামলায় পক্ষ করা উচিত।এই যুক্তির ভিত্তিতেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তৃণমূলের করা মামলা খারিজ করে দেন। তবে ইডির তরফে দায়ের করা আলাদা মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।রায় ঘোষণার পর রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, তৃণমূলের কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। সেই কারণেই আদালত এই মামলা খারিজ করেছে। অন্যদিকে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে তারা কোনও নথি নেয়নি। যে কাগজপত্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল, সেগুলি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিয়ে গিয়েছেন। আদালতে এই সব যুক্তি উঠে আসায় বিষয়টি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বুঝেই শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বলা হয়, নথি বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে মামলা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ নেই। তার পরেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

গরিবের টাকা কবে মিলবে? একশো দিনের কাজ নিয়ে হাইকোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ

একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা দ্রুত শ্রমিকদের হাতে পৌঁছনোই আদালতের প্রধান লক্ষ্যএমনই পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল স্পষ্ট জানান, যত দ্রুত সম্ভব গরিব মানুষরা যেন তাঁদের প্রাপ্য টাকা পান, সেটাই আদালতের উদ্দেশ্য। আদালতের মতে, যাঁরা মনরেগার আওতায় কাজ করেন, তাঁরা মূলত গরিব মানুষ, তাই তাঁদের টাকার ব্যবস্থা করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কেন্দ্র যত অভিযোগই করুক না কেন, সবার আগে শ্রমিকদের টাকা দেওয়া উচিত। অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল জানান, এই প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাই দোষীদের শাস্তি দেওয়া ও তদন্ত চালানো জরুরি। কেন্দ্রের দাবি, গোটা দুর্নীতির সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন যুক্ত থাকায় রাজ্যের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।শুনানির সময় আইনজীবী অশোক চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন এই মামলা করার উদ্দেশ্য কী। সেই সময় বিচারপতি জানান, এই মামলার সঙ্গে আদালত অবমাননার আরও একটি মামলা একসঙ্গে শোনা হবে। আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, অগাস্ট মাস থেকে অপেক্ষা চলছে, অন্তত শ্রমিকদের স্কিমের টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। আর কতদিন দেরি হবে। তাঁর বক্তব্য শুনে বিচারপতি বলেন, আদালতও চায় শ্রমিকদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছাক।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে বকেয়া টাকা কেন্দ্রকে মেটাতে হবে। তবে রাজ্যের অভিযোগ, টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র নানা শর্ত চাপাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রের লেবার বাজেটের শর্ত কোনওভাবেই মানা হবে না। মনরেগার কাজ ফের কীভাবে শুরু করা হবে, তা নিয়েও রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অনৈতিকভাবে কেন্দ্র এই টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষ তাঁদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। এটা কোনও দয়া নয়, এটা তাঁদের অধিকার। অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চেয়েছে গরিব মানুষ যেন টাকা পান। তবে একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছে, টাকা যেন সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কেন্দ্রের দাবি, হিসাবেই গরমিল থাকায় টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মজয়ন্তী পালনে ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ, সংবর্ধনা শিক্ষক সমাজকে

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করল ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। এদিন সকালে প্রভাতফেরিতে অংশ নেয় কয়েক শো মানুষ। বিশেষ সজ্জিত ট্যাবলো প্রভাতফেরিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। স্বামীজির গলায় মাল্যদান করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ক্লাবের পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের সভাপতি অরুন নন্দী।এদিন বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি এলাকার ১২জন কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও ৯ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সোমবার সন্ধ্যায় ক্লাব প্রাঙ্গনে আবৃত্তি, সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজক ক্লাবের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা, সহ সম্পাদক আশুতোষ দে বলন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করেছি নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।এছাড়া সারাবছর নানা সমাজসেবা মূলক কাজ করে আমাদের ক্লাব। রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবির নিয়মিত ভাবে আয়োজন করে ক্লাব। স্বামীজি সংঘের কার্যকর্তা অনুপম গাইন, সঞ্জু সাহা, খোকন সরকার, কালাচাঁদ দে সহ অন্যদের সক্রিয় ভূমিকায় দিনভর অনুষ্ঠান সার্বিক সফলতা পেয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে আর নয়! ভারতীয়দের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা, ফিরতে বলল কেন্দ্র

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। নাগরিক গণআন্দোলনে উত্তাল ইরানে আপাতত ভারতীয়দের যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা এই মুহূর্তে ইরানে রয়েছেন, তাঁদেরও যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানে কোনও ভারতীয় নাগরিকের যাত্রা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে পর্যটক, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী-সহ ইরানে থাকা সমস্ত ভারতীয়কে যে কোনও উপায়ে ভারত ফিরে আসতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকায় বিক্ষোভ চলছে, সেগুলি এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।ইরানে থাকা ভারতীয়দের নিজেদের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং জরুরি নথি সব সময় সঙ্গে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেও বলা হয়েছে। যাঁরা এখনও দূতাবাসে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জরুরি যোগাযোগের জন্য বিশেষ ফোন নম্বর এবং ইমেল পরিষেবাও চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানে তীব্র আন্দোলন চলছে। ভেঙে পড়া অর্থনীতি, চরম আর্থিক সঙ্কট এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমন করতে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইরান সরকার। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফাঁসির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। খবর অনুযায়ী, আজই প্রথম কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ঘটনায় মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিক্ষোভকারীদের পিছু না হটার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সাহায্য আসছে। তবে সেই সাহায্য কী ধরনের, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal