• ২২ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Govt

রাজ্য

মায়ের কোল থেকে শিশুচুরি, প্রশ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা, সিসিটিভি দেখে খোঁজ পুলিশের

ভরদুপুরে সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে মায়ের কোল থেকে ১১ দিনের কন্যা শিশুকে চুরি করে চম্পট। এই ঘটনার পর মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় মালদার মোথাবাড়ির বাঙ্গিটোলা সরকারি গ্রামীণ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা। সোমবার দুপুর নাগাদ এমন ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্ত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মেয়েকে না পেয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন ওই নবমাতৃকা মনিকা বিবি। পরে স্থানীয়রা জল ছিটিয়ে ও সান্ত্বনা দিয়ে তাঁকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন।গুরুতর অভিযোগ জানিয়ে মনিকা বিবি মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হাসপাতালে লাগানো সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, এক মধ্যবয়স্ক মহিলা মনিকার কোল থেকে শিশুটিকে নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সেই ছবি সংগ্রহ করে আশপাশের সব থানায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মোথাবাড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুলতানটোলা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের ও মনিকা বিবির সদ্যোজাত কন্যা সন্তান শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে এদিন হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আউটডোরের বেঞ্চে বসে ছিলেন মনিকা। ওই সময় শিশুটি কান্না শুরু করলে একটি অচেনা মহিলা এগিয়ে এসে বলেন, তিনি নাকি শিশুর কান্না থামাতে সাহায্য করবেন। শিশুকে কোলে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনিকা চিকিৎসকের ডাকে এগিয়ে যান। আর সেই সুযোগেই শিশুকে নিয়ে গা-ঢাকা দেয় ওই মহিলা।মনিকা অভিযোগে জানান, মেয়ের ঠান্ডা লেগেছিল, খুব কান্না করছিল। ওই মহিলা বলেছিল কোলে নিয়ে চুপ করাবে। আমি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে যেতেই সে আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায়। একই অভিযোগ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও। শিশুটির কাকা আশরাফুল হক বলেন, সরকারি হাসপাতালে কোনও নিরাপত্তা নেই। ভরদুপুরে বাচ্চা চুরি হয়ে গেল! এখানে যে এমন অপরাধ চক্র সক্রিয়, তা বুঝতেই পারিনি।মোথাবাড়ি থানার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানান, সিসিটিভি পরীক্ষা করেই তদন্ত শুরু হয়েছে। আশেপাশের থানাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। থানা এলাকার বিশেষ নজরদারি চলছে কারণ ওই হাসপাতাল থেকে খুব কাছেই গঙ্গার ওপারে ঝাড়খণ্ডের সীমানা। কালিয়াচক এলাকাও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্ট দেখা গেয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।মালদা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ্ত ভাদুড়ি বলেন, ঘটনাটি উদ্বেগজনক। পুলিশ তদন্ত করছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভঙ্গুর। দিনে-দুপুরে এত লোকজনের সামনে থেকে শিশু চুরি। এমন ঘটনা প্রমাণ করে হাসপাতালে পাহারা বা নজরদারির কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেই। বহু রোগীর আত্মীয়ই বলছেন, চুরি চক্র সক্রিয় থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এখন পুলিশের প্রধান লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব নবজাতককে উদ্ধার করা এবং অভিযুক্ত মহিলাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা। ইতিমধ্যেই ছবি ও তথ্য সব থানায় পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করার আশাতেই ব্যাকুল পরিবার।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

প্রফি়ডেন্ট ফান্ডে (EPFO) টাকা তোলায় বিরাট পরিবর্তন, এখন ‘বিশেষ পরিস্থিতিতেও’ মিলবে অর্থ

কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা (EPFO) তাদের ৩০ কোটিরও বেশি সদস্যের জন্য উত্তোলনের নিয়মে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। সংস্থার কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ড (CBT)-এর ২৩৮তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এখন থেকে অর্থ উত্তোলন তিনটি প্রধান বিভাগে সহজ করা হবে অপরিহার্য চাহিদা (অসুস্থতা, শিক্ষা, বিবাহ), আবাসন চাহিদা এবং বিশেষ পরিস্থিতি।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিবাহ ও শিক্ষার জন্য আংশিক উত্তোলনের সীমা যথাক্রমে ৫ বার ও ১০ বার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগে এই সীমা ছিল মাত্র তিনবার। একইসঙ্গে, বিশেষ পরিস্থিতি বিভাগে সদস্যরা কোনও কারণ উল্লেখ না করেই অর্থ তুলতে পারবেন। আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, লকআউট, বেকারত্ব বা মহামারির মতো কারণ দেখাতে হতো। যার ফলে অনেক দাবি বাতিল হতো।এছাড়া, আবাসন সংক্রান্ত উত্তোলনের জন্য ন্যূনতম চাকরির মেয়াদ ৫ বছর থেকে কমিয়ে ১২ মাস করা হয়েছে। শিক্ষা ও বিবাহের জন্য ন্যূনতম মেয়াদ ৭ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সদস্যদের তহবিলের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ ব্যালান্স হিসাবে বজায় রাখতে হবে, যা অবসরকালীন সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই পদক্ষেপ সদস্যদের ৮.২৫ শতাংশ সুদহার বজায় রেখে বেশি নমনীয়তা দেবে এবং আংশিক অর্থ তোলার দাবির ১০০ শতাংশ স্বয়ংক্রিয় নিষ্পত্তি নিশ্চিত করবে।একই সভায় EPFO বোর্ড EPFO ৩.০ প্রকল্পের অংশ হিসেবে একটি ডিজিটাল রূপান্তর কাঠামোও অনুমোদন করেছে। এতে থাকবে ক্লাউড-নেটিভ, API-ভিত্তিক সিস্টেম, ERP ও কোর ব্যাংকিং একীভূতকরণ যা দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি, বহুভাষিক স্ব-পরিষেবা এবং বেতনসংযুক্ত স্বয়ংক্রিয় অবদান সম্ভব করবে।তহবিল ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে, EPFO শীঘ্রই ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) সুপারিশ নিয়ে আলোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করবে। আরবিআই ইপিএফওকে ইকুইটি বিনিয়োগ বাড়িয়ে রিটার্ন উন্নত করার পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ধীরে ধীরে বৈচিত্র আনতে পরামর্শ দিয়েছে।বর্তমানে ইপিএফও নতুন আয়ের ১৫% ইকুইটিতে, ৪৫৬৫% সরকারি বন্ডে এবং ২০৪৫% কর্পোরেট ঋণে বিনিয়োগ করে। আরবিআই কর্পোরেট বন্ড বিনিয়োগের সীমা তুলে দিয়ে আরও নমনীয় বিনিয়োগ নীতির পরামর্শ দিয়েছে। EPFO-র নতুন পদক্ষেপকে সরকার সহজলভ্য, নিরাপদ এবং ভবিষ্যত-প্রস্তুত কর্মচারী সঞ্চয় কাঠামো গঠনের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন মোদী, শিক্ষা থেকে হিংসা উঠে এল ভাষণে

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলিপুরদুয়ারের জনসভায় কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। এই সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন মোদী। পাশাপাশি তাঁর ভাষণে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদ, মালদার হিংসার কথা, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ বলেও উল্লেখ করেছেন মোদী।বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী বলেন, মুর্শিদাবাদ, মালদায় যা হল তা এখানকার সরকারের নির্মমতা। দাঙ্গায় গরিব মা-বোনেদের জীবনভরের পুঁজি লুঠ হয়ে গেল। তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে, গুন্ডাদের খোলামেলা ছুট দিয়ে রেখেছে সরকার। সরকারে থাকা লোকজন, পার্টির লোকজন মানুষের ঘর চিহ্নিত করে জ্বালাচ্ছে, পুলিশ দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছে। এখানে কী পরিস্থিতি চলছে সেটা কল্পনাও করতে পারছি না। সরকার এভাবে চালাতে হয়? গরিব মানুষের উপর অত্যাচার হলেও সরকারের ভ্রুক্ষেপ নেই। সব কিছুতেই এখানে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। বাংলার মানুষেরও আর তৃণমূলের সরকারের উপর ভরসা নেই। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ একাধিক সংকটে জেরবার বলেও দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একের পর এক ইস্যু তুলে ধরতে থাকেন নরেন্দ্র মোদী। এই ইস্যুতেও তৃণমূল পরিচালিত সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মোদী। তাঁর কথায়, সংকটে জেরবার বাংলা। প্রথম সংকট, একদিকে হিংসা-অরাজকতা চলছে। দ্বিতীয়, মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে। তৃতীয়ত, যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে, কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। চতুর্থত, বেপরোয়া দুর্নীতি চলছে। পঞ্চম সংকট হল, এই রাজ্যের গরিবের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে শাসকদলের রাজনীতি।এরই পাশাপাশি অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা যা করেছে, সারা ভারতের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের লোকেদেরও তুমুল আক্রোশ ছিল। আপনাদের সেই আক্রোশ আমি ভালোই বুঝেছি। জঙ্গিরা আমাদের মা-বোনেদের সিঁদুর মোছানোর দুঃসাহস দেখিয়েছিল। আমাদের বীর সেনারা ওদের সিঁদুরের শক্তি কী সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। আমরা জঙ্গি ঘাটি ধ্বংস করেছি। পাকিস্তান এটা কল্পনাও করতে পারিনি। জঙ্গিদের ঠিকানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন শিক্ষা পাবে পাকিস্তান কল্পনাও করেনি। সন্ত্রাসের লালন পালন করে পাকিস্তান। ১৯৪৭-এর পর থেকেই ভারতে সন্ত্রাস পাকিস্তানের। বাংলাদেশে পাকিস্তানের অত্যাচার ভোলবার নয়। তিনবার পাকিস্তানকে ঘরে ঢুকে মেরেছে ভারত।SSC-এর নিয়োগ দুর্নীতির জেরে এই রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে। শাসকদল তৃণমূলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী পাহাড়-প্রমাণ এই দুর্নীতিতে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে বেনজির নিশানা করেছেন নমো।প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, তৃণমূলের নেতারা এত বড় পাপ করেও নিজেদের ভুল মানতে নারাজ। হাজার-হাজার পরিবারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলা হয়েছে। গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েদের অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেও তৃণমূলের নেতারা মানতে নারাজ। বাংলায় হাজার-হাজার শিক্ষকের কেরিয়ার বরবাদ। এখানকার যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে। কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। বেপরোয়া দুর্নীতি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার মানুষের বিশ্বাস কমছে।

মে ৩০, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গা পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যানের ঢেউ আছড়ে পড়ল পূর্ব বর্ধমানে, এবার কালনার সংহতি ক্লাবের!

দুর্গা পুজোর সরকারি অনুদান ফেরানোর তালিকা বেড়ে হলো ৮ । তালিকায় যুক্ত হল পূর্ব-বর্ধমান জেলার নাম। রাজ্য সরকারের দেওয়া দুর্গা পুজোর অনুদান নিতে অস্বীকার করল পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা সংলগ্ন পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব। যদিও সংগঠকদের তরফে দুর্গা পুজোর সরকারি অনুদান নিতে অস্বীকার করার কোনও যথাযথ কারণ ক্লাবের তরফে জানানো হয়নি। স্থানীয় থানাকে দেওয়া চিঠিতে উল্লিখিত আছে, অনিবার্য কারণের জন্য চলতি বছরে অনুদান তারা নেবে না।ইতিমধ্যে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ৭টি দুর্গা পুজো কমিটি সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করে স্থানীয় সরকারি দপ্তরে জানিয়ে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই ক্লাবগুলি ঘোষণা করে দিয়েছিলো যে তাঁরা আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েই তার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব।সংহতি ক্লাবের লেটারহেডে কালনা থানার আই সি-কে চিঠি পাঠিয়ে ক্লাবের সম্পাদক সঞ্জীব গুপ্ত তাঁদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। সেই চিঠিতে সঞ্জীব গুপ্ত লিখেছেন, অনিবার্য কারণ বশত এইবছর সংহতি ক্লাব সরকারি অনুদান গ্রহণ করতে পারবে না। তাঁরা প্রস্তাব দিয়েছে যে, তাঁদের জন্য ধার্য করা অনুদানের টাকা গরিব কল্যাণ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যায় করলে তাঁরা কৃতজ্ঞ থাকবেন।পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব-এর পক্ষ থেকে প্রশাসন কে জানানো হয়েছে যে, দূর্গা পুজোয় পুলিশের যাবতীয় বিধি, নিয়ম এবং নির্দেশিকা মেনেই তাঁরা পুজো আয়োজন করবে। এবং সরকারের যাবতীয় অনুমতি নিয়েই আগের বছরগুলির ন্যায় তাঁরা পুজো আয়োজন করবে।এর আগে হুগলির চারটি ক্লাব উত্তরপাড়ার বৌঠান সঙ্ঘ, উত্তরপাড়া শক্তি সঙ্ঘ, আপনাদের দুর্গাপুজো এবং কোন্নগরের মাস্টারপাড়া সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি সরকারি অনুদান গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল। তাঁরা প্রত্যেকেই আরজি কর-এ কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। একই সুরে পুজোর অনুদান বয়কট করেছে জয়নগর মজিলপুর পুরসভার ৭ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, মুর্শিদাবাদের কৃষ্ণপুর সন্ন্যাসীতলা মহিলা দুর্গোৎসব কমিটি এবং কলকাতার মুদিয়ালি আমরা কজন ক্লাব। প্রত্যাখ্যানের তালিকা বেড়ে আট হলেও পূর্ব সাতগেছিয়ার সংহতি ক্লাব তাঁদের দুর্গা পুজোর অনুদান ফেরানোর কারণ তাঁরা ব্যক্ত করেননি।পুজোর অনুদান প্রত্যাখ্যানকারী ক্লাব গুলির মূল বক্তব্য, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার বিচার চায় তারা। তাঁরা জানান ইতিমধ্যে এই মর্মে ক্লাবের তরফে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পুজোয় রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুদানের পাশাপাশি অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার খরচাও মকুব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আগেরবছর ৬৬ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এই বছর থেকে ছাড়ের পরিমাণ বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

গদীতে আসীন হয়েই বাংলাকে টাকা পাঠাল মেদী, সারা দেশে বন্টন ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা

তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর পরই নানা খাতে টাকা বরাদ্দ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে কৃষকদের জন্য়, এবার রাজ্যগুলিতে করের অতিরিক্ত কিস্তির টাকার অনুমোদন দিল এনডিএ সরকার। সোমবারই নয়াদিল্লিতে প্রথম বৈঠকে বসে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। আর সেদিনই দেশের সমস্ত রাজ্যগুলিকে করের টাকার অতিরিক্ত কিস্তি দিল মোদী সরকার। এদিকে জুন মাসের করের টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। সারা দেশে রাজ্যগুলিকে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।এই টাকার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও ভাগ পেয়েছে। প্রায় ১০,৫১৩ কোটি টাকা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দীর্ঘ বছর ধরেই রাজ্য় দাবি করে আসছে রাজ্যের খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে না। বকেয়া আদায়ের জন্য় দিল্লিতে গিয়ে ধর্নাও দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবার লোকসভার ভোটের অন্যতম ইস্যু ছিল কেন্দ্রীয় বঞ্চনা। সব থেকে বেশি টাকা পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ। নিয়মানুযায়ী রাজ্যগুলিকে করের ভাগ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। যাক পোষাকী নাম ট্যাক্স ডেভোলিউশন। আয়কর-সহ অন্যান্য খাতে রাজ্যগুলি থেকে কেন্দ্র যা আয় করে, তার একটি অংশ রাজ্যকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে টাকা দেয় কেন্দ্র। উত্তরপ্রদেশ পেয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টকা। তার পরেই রয়েছে বিহার। তাদের দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।কর কাঠামোর টাকার কত অংশ কোন রাজ্য পাবে সেটি ঠিক করার অন্যতম মানদণ্ড হল সে রাজ্যের জনসংখ্যা। সেই বিচারে উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি পেয়েছে। জনসংখ্যার বিচারে করের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বাংলা পেয়েছে ১০,৫১৩ কোটি টাকা।অন্তর্বর্তী বাজেটে এই ডেভোলিউশন খাতে ১২ লক্ষ ১৯ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। জুন মাসে দেওয়া হল এক লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

আধার কার্ড ছাড়াই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন মানুষ, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

না জানিয়ে অনেকের আধার কার্ডের লিঙ্ক কেটে দেওয়া হচ্ছে। বর্ধমানের জামালপুরের ৫০ জনের কাটা হয়েছে। বীরভূমেও কাটা হচ্ছে। আগে বলেছিল আধার না থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হবে না। তুমি কোন অধিকারে না জানিয়ে আধার কার্ড বাতিল করছ? লজ্জা লাগে না। ভোটের আগে মানুষ যাতে ব্যাঙ্কের ঋণ, ব্যাঙ্কের মাধ্যমের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা না পায়, বিনামুল্যে রেশন না পায় তার জন্য তোমাদের চক্রান্ত। আমি পরিস্কার বলে যাচ্ছি নো আধার কার্ড। আধার কার্ড না থাকলেও আমাদের কোন প্রকল্প বাতিল হবে না।আধার কার্ড নিয়ে রবিবার সিউড়িতে এভাবেই কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আধার কার্ডের তোয়াক্কা না করে প্রয়োজনে নতুন পোর্টাল বানিয়ে প্রকল্পের টাকা মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা আমাদের কার্ডের মাধ্যমে রাজ্য সরকার চালিয়ে যাব। আর দিল্লির মুখকে ভোঁতা করে দেব। আপনারা ভয় পাবেন না। আমি আছি। বাংলার একটি প্রকল্পও বাতিল হবে না। যদি দেখি আধার কার্ড নিয়ে ওদের কোন ছলনা আছে তাহলে বাংলার একটি প্রকল্পকেও আমি আধারের সঙ্গে সংযোগ করতে দেব না। যাদের আধার কার্ড বাতিল করা হচ্ছে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানাবেন। বিকল্প কি করা যায় আমরা দেখব। আর ব্যাঙ্ক যদি মনে করে আধার কার্ড না হলে টাকা দেব না। দরকার হলে ব্যাঙ্ক ছাড়াই কাজ করব। আমাদেরও তো কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক আছে। আমদের অন্যান্য সংস্থা আছে। কোন মানুষ যাতে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন সেটা দেখার গ্যারেন্টি রইল আপনাদের কাছে। এন আর সি নিয়ে মানুষকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আবার এনআরসি করতে শুরু করছে। আবার ক্যা ক্যা শুরু করেছে। মাসখানেকের মধ্যে ভোট ঘোষণা হবে। তার আগে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষের নাম যাতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে সেটা দেখার জন্য সকলকে করছি।এক দেশ, এক ভোট প্রসঙ্গে মমতা বলেন, কেন্দ্র বলছে ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন। তার মানে কি রাষ্ট্রপতি শাসন? আমরা বুঝে নেব। লড়ে নেব। দেখিয়ে দেব আমরা খেলতেও জানি, আদায় করে নিতেও জানি। তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, আর কেন্দ্রের কাছে ভিক্ষা চাইব না। মাথা নত করব না। তবে চ্যালেঞ্জ তো করবই। আমাদের টাকা তুমি তুলে নিয়ে যেতে পারবে না। রাজ্যের টাকা রাজ্য পাবে।অনুব্রত মণ্ডলের জেল বন্দি প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, যদি কেউ মনে করে বিনা বিচারে জেলে পুড়ে ভোট করবেন তাহলে মানুষ ক্ষমা করবে না। নির্বাচন কমিশন যদি বিজেপির হয়ে কাজ করে তাহলে আমরাও আন্দোলন করে বুঝে নেব। জরুরি অবস্থায় ইন্দিরা গান্ধি প্রায় ২১০০ লোককে জেলে ভোরে রেখেছিলেন। ভেবেছিলেন আমরা সবটাই জিতব। কিন্তু হেরে গিয়েছিলেন দুর্ভাগ্যবশত। এখন কংগ্রেস সিপিএম আর বিজেপি দুর্ভাগ্যবশত বাম শাম রাম এক হয়ে গিয়েছে। এদের মানুষ ক্ষমা করবে না।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
দেশ

কেন্দ্রীয় নয়া প্রকল্পে আধুনিকীকরণ বাংলার ৩৭টি রেল স্টেশনে

রেলের উন্নয়নে দেশব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের ১৩০০ স্টেশনের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০৮টি রেলস্টেশনের পুনর্বিকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রেল। এই তালিকায় রয়েছে এই রাজ্যের ৩৭টি স্টেশন। রবিবার এই স্টেশনগুলোর পুনর্বিকাশের কাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।মেদী বলেন, বিকাশের পথে ভারত তার যাত্রা শুরু করেছে। নতুন উদ্যম, নতুন প্রেরণা, নতুন সঙ্কল্পের সঙ্গে আজ ভারতীয় রেল নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় ভারতের প্রায় ১৩০০ রেলস্টেশনের উন্নয়ন হবে। স্টেশনগুলো আরও আধুনিক হবে। আজ থেকেই ৫০৮টি স্টেশনের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে গেল।এরাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি জলপাইগুড়ি রয়েছে এই প্রকল্পে। এই জেলায় সর্বাধিক আটটি স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে। বিকাশের তালিকায় রয়েছে বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি এবং নিউ মাল স্টেশন। এরপর বর্ধমানের পাঁচটি স্টেশনেও আধুনিকীকরণ হবে। নদিয়া জেলার চারটি স্টেশন নতুন রূপ পাবে।। এ ছাড়াও জেলাভিত্তিক তালিকায় আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, হুগলির তিনটি করে রেলস্টেশনের আধুনিকীকরণ হবে। অমৃত ভারত স্টেশন হবে কোচবিহারের দিনহাটা। আধুনিকীকরণের তালিকায় রয়েছে শিয়ালদহ।পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার কোন কোন স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে?আলিপুরদুয়ার (৩)দলগাঁও, ফালাকাটা, নিউ আলিপুরদুয়ারবর্ধমান (৫)অণ্ডাল জংশন, বর্ধমান, আসানসোল, কাটোয়া, পাণ্ডবেশ্বরবীরভূম (২)বোলপুর (শান্তিনিকেতন), রামপুরহাট জংশনকোচবিহার (১)দিনহাটাউত্তর দিনাজপুর (৩)আলুয়াবাড়ি, ডালখোলা, কালিয়াগঞ্জহুগলি (৩)অম্বিকা কালনা, শেওড়াফুলি জংশন,তারকেশ্বরজলপাইগুড়ি (৮)বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি, নিউ মাল জংশনকলকাতা (১)শিয়ালদহমালদা (২)মালদহ টাউন, সামসিমুর্শিদাবাদ (৩)আজিমগঞ্জ, বহরমপুর কোর্ট, নিউ ফরাক্কা জংশননদিয়া (৪)কৃষ্ণনগর সিটি জংশন, বেথুয়াডহরি, নবদ্বীপ ধান, শান্তিপুরউত্তর ২৪ পরগনা (২)ব্যারাকপুর জংশন, চাঁদপাড়া

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি, তবু কর্মবিরতিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করা সত্বেও কর্মবিরতির দাবিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে লাগাতার ধরনা চালিয়ে যাচ্ছে যৌথ মঞ্চ। উল্লেখ্য, এই মঞ্চ আগামীকাল সোমবার ও পরশু মঙ্গলবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। সরকারি কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার সার্কুলার জারি করায় অর্থ দফতরের প্রধান সচিব মনোজ পন্থকে আইনি নোটিসও পাঠিয়েছে তারা। রাজ্য নোটিশে জানিয়েছে, অফিসে না এলে চাকরি জীবনে ছেদ পড়বে, কাটা হবে একদিনের বেতনও। উল্লেখ্য়, বাজেট অধিবেশনে মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দেন সরকারি কর্মীদের ৩ শতাংশ ডিএ বাড়বে সামনের মার্চ থেকে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যে টেট ১১ ডিসেম্বর, প্রাথমিকে শূন্য পদে ১১ হাজার নিয়োগের সম্ভাবনা

আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রাথমিকে টেটের দিন ঘোষণা করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের অ্যাড হক কমিটির সভাপতি গৌতম পাল জানিয়েছেন, পুজোর আগে চলতি সপ্তাহে জারি করা হবে টেটের বিজ্ঞপ্তি।লক্ষ্মীপুজোর পর থেকে প্রাথমিকের টেটের জন্য নির্দিষ্ট একটি পোর্টাল চালু হবে। ওই পোর্টালে পরীক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদনের পদ্ধতি পরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হবে।১১ হাজারের বেশি শূন্যপদে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। এক্ষেত্রেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, নিয়োগ জট কেটে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের উপর ভরসা রাখুন। উনিই নিয়োগ সংক্রান্ত সব জট ছাড়াতে পারবেন।এদিন ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে ২০২০ সালে প্রাথমিকে নিয়োগের পর এখনও যে শূন্যপদগুলি রয়ে গিয়েছে সেখানে ৩৯২৯ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালতে ২ ঘন্টার কর্মবিরতি, দাবি মহার্ঘভাতার

৩১ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার দাবিতে ২ ঘন্টা কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে নামলো বর্ধমান আদালতের কর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে শামিল হলেন তারা। এদিন কোর্ট চত্ত্বরে মিছিলও করেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলন কারীরা জানিয়েছেন, যেভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাচ্ছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আয় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে।মহামান্য হাইকোর্ট মহার্ঘ ভাতা দেবার কথা বললেও বিভিন্ন অজুহাতে বকেয়া প্রায় ৩১ শতাংশ ভাতা দেওয়া হচ্ছেনা নানান অজুহাতে। দ্রুত এই মহার্ঘভাতা দেবার দাবীতেই তাদের এই আন্দোলন বলে জানাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা জজ আদালতের কর্মীরা। এদিন আদালতের ২৬০ জন কর্মীই এই কর্মবিরতিতে শামিল হন।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

মৃত ব্যক্তির নামে বাংলা আবাস যোজনার ঘর অনুমোদন করিয়ে টাকা লুট - ফের কাঠগড়ায় তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত

কেউ মারা গিয়েছেন প্রায় আট বছর আগে। আবার কেউ পাঁচ বছর আগে মারা গিয়েছেন। কিন্তু তাতে আর কি যায় আসে বাংলা আবাস যোজনার অর্থ লুটেরাদের।কাগজে কলমে এই সকল মৃত ব্যক্তিদের নামে বাংলা আবাস যোজনার ঘর অনুমোদন করিয়ে লুট কে নেওয়া হল সেই ঘরের টাকা। এমন ঘটনা জানাতে পরেই সোমবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা ১ ব্লকের বিডিও-র দ্বারস্থ হলেন মৃতর পরিজনরা। তাঁরা এই দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত স্থানীয় নান্দাই গ্রাম পঞ্চায়েতকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। ব্লক প্রসাসন অভিযোগের তদন্ত করে কি ব্যবস্থা নেয় সে দিকেই এখন তাকিয়ে মৃতর পরিজনরা।বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে কালনার নান্দাই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে এই প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ উঠলো এমটা নয়।চার দিন আগেই কিছু প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালানো ব্যক্তি বাংলা আবাস যোজনার ঘরের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিডিও কে অভিযোগ জানান। নান্দাই পঞ্চায়েতের দুপসা গ্রাম নিবাসী প্রতিবন্ধী মহসীন মণ্ডল ওই দিন প্রশাসনকে জানান ,কাগজে কলমে তিনি বাংলা আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছেন ঠিকই।কিন্তু ঘরের টাকা তিনি পান নি। দুর্নীতি করে তাঁর আই ডি নম্বর ব্যবহার করে ঘরের টাকা অন্য ব্যক্তি হাতিয়ে নিয়েছে। এই দুর্নীতিতে নান্দাই পঞ্চায়েতের প্রধান ও গ্রাম সদস্য যুক্ত বলেও ওই দিন প্রশাসনকে জানান মহসীন মণ্ডল। একই দিনে নান্দাই পঞ্চায়েতের আশ্রম পাড়া নিবাসী বুলু দেবনাথও একইরকম অভিযোগ এনে ওই বিডিওর দ্বারস্থ হন। তিনিও বাংলা আবাস যোজনায় এই আর্থিক দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান ও ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার কে কাঠগড়ায় তোলেন।এই ঘটনার পর চার দিন কাটতে না কাটতে এদিন ফের বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে নান্দাই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে আরো চঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন একাধীক বাসিন্দা। স্থানীয় দুপসা গ্রাম নিবাসী ভ্যাবল মোল্লা এদিন বিডিওকে জানান, তাঁর মা নুরনাহার বিবি ১০১৪ সালের ৩০ জুলাই মারা গিয়েছেন। তার পর কাগজে কলমে তাঁরা মায়ের নামে বাংলা আবাস যোজনার ঘর অনুমোদন হয়। কিন্তু ঘরের টাকা তাঁরা কেউ পান নি। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, তাঁর মায়ের নামে অনুমোদিত হওয়া ঘরের টাকা অন্য জন হাতিয়ে নিয়েছেন। ভ্যাবল মোল্লা ছাড়াও স্থানীয় কুতিরডাঙা মিবাসী শিখা মধু এদিন বিডিওকে অভিযোগে জানান, তাঁর বাবা মহাদেব মধু ২০১৭ সালে মারা যান। তার পরে তাঁর বাবার নামে বাংলা আবাস যোজনার ঘর অনুমোদন হলেও ঘরের টাকা তাঁরা পান নি। জালিয়াতি করে অন্যজন তাঁর বাবার নামে অনুমোদিত হওয়া ঘরের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই দুই জন ছাড়াও কুতিরডাঙা নিবাসী সুশীলা বিশ্বাসও একই ধরণের অভিযোগ করেছেন। এমন কি প্রকৃত গৃহহীন কে বঞ্চিত রেখে দোতলা বাড়িতে বসবাস করা অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি নিজের স্ত্রীর নামে বাংলা আবাস যোজনার ঘরের টাকা তুলে নিয়েছেন বলে এদিন অনেকে অভিযোগ করেছেন।এদিকে বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে একের পর এক এমন বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে আসতেই মুখ লুকিয়েছেন নান্দাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুমুর ঘোষ ও উপ-প্রধান লিয়াকত শেখ। বিষয়টি নিয়ে এদিও তাঁরা কেউই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হতে চান না । বিডিও (কালনা- ১) সেবন্তী বিশ্বাস এদিন জানান, অভিযোগের তদন্ত করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশাকরা যাচ্ছে তদন্তে খুব তাড়া তাড়ি সত্য সামনে আসবে। তদন্তে অনিয়ম কিছু ধরা পড়লে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
রাজ্য

অবৈধ বালি খাদান ও ওভারলোড গাড়ি নিয়ে সরব তৃণমূলের একাংশ, বর্ধমানে হামলার মুখে সরকারি আধিকারিকরা, ছড়াল উত্তেজনা

নদ-নদী থেকে বালি লুট ও বালির ওভার লোডিং বন্ধে প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কে কার কথা শোনে। মুখ্যমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন তার কোন কিছুই পূর্ব বর্ধমান জেলায় মানা হচ্ছে না বলে এতদিন জেলাবাসী অভিযোগ করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি নিয়ে খোদ খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ জেলা প্রশাসনের দফতরে অভিযোগ জানালেন। পাশাপাশি জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা ভূতনাথ মালিকও ওভারলোড বালির লরি চলাচল নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তারই মধ্যে বৃহস্পতিবার বর্ধমানের ইদিলপুরের বালি খাদানে বালির গাড়ির চালান চেক করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন ভূমি দফতরের আধিকারিকা। যা নিয়ে প্রশাসনিক মহলেও তোলপাড় পড়ে গিয়েছে।খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ শ্যামল কুমার পাঁজা ১ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের দফতরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। ওই অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, খণ্ডঘোষের শশঙ্গা অঞ্চলে দামোদর নদে বেশ কয়েকটি অবৈধ খাদান চলছে। তার মধ্যে গৈতানপুর মৌজায় থাকা একটি অবৈধ বালি খাদান দীর্ঘদিন যাবৎ ধারাবাহিক ভাবে অনুপম পাঁজা নামে এক ব্যক্তি চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জানুয়ারি খণ্ডঘোষ বিএলআরও এবং এসডিএলআরও দফতরের আধিকারিকগণও ওই বালি খাদান খতিয়ে দেখতে আসেন। সবকিছু খতিয়ে দেখে তাঁর প্রমাণ করেন খাদানটি সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবেই চলছে। তার পরেও ওই অবৈধ খাদান থেকে আরও বেশি পরিমাণে খননকার্য চলছে। শ্যামলবাবু তাঁর অভিযোগে আরও জানিয়েছেন, এলাকার মানুষজন অবৈধ বালি খাদান বন্ধ করার কথা অনুপম পাঁজাকে বলেছিলেন। প্রত্যুত্তরে অনুপম পাঁজা এলাকার মানুষজনকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তাঁর খাদান নিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না। অনুপম পাঁজার এমন বক্তব্যে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ওই অবৈধ বালি খাদান নিয়ে যে কোনওদিন এলাকায় বড়সড় অশান্তির ঘটনা ঘটে যেতে পারে।এমন আশঙ্কার কথাও প্রশাসনকে জানিয়েছেন, খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব কর্মাধ্যক্ষ।অবৈধ বালি খাদানযদিও এইসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন অনুপম পাঁজা। তিনি বালির চালান দেখিয়ে দাবি করেন বৈধ ভাবে লিজ পেয়েই তিনি তাঁর খাদান চালাচ্ছেন। তাঁর খাদান অবৈধ বলে যিনি দাবি করছেন তিনি সঠিক বলছেন না। বিএলআরও দফতরের লোকজন একদিন তাঁর বালি খাদান মাপজোক করতে এসেছিলেন। সেই কাজে তিনিও তাঁদের সাহায্য করেছিলেন। কোনও অনিয়ম ধরা পড়ার কথা বিএলআরও দফতরের কেউ তাঁকে জানায়নি। অনুপম পাঁজা এও জানান, শ্যামল পাঁজা এমন অভিযোগ আগেও তাঁর বিরুদ্ধে করেছিলেন। কারণ ওনার ব্যক্তিগত কিছু দাবিদাওয়া আছে। যা তিনি পূরণ করেননি। তাই শ্যামল পাঁজা প্রশাসনের কাছে এইসব মিথ্য অভিযোগ করছেন বলে অনুপম পাঁজা মন্তব্য করেছেন। খণ্ডঘোষ ব্লকের বিএলআরও রোহিত রঞ্জন ঠাকুর জানিয়েছেন, শশঙ্গা অঞ্চলে অবৈধ বালি খাদান চলছে এমন কোন অভিযোগের এদিন পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ ব্লক ভূমি দফতরে কিছু জানাননি। তবে তাঁরা অনুপম পাঁজার খাদান নিয়ে এনকোয়ারি করে ছিলেন। সব খতিয়ে দেখে তাঁরা অনিয়ম কিছু পাননি। সেই রিপোর্ট জেলার ভূমি আধিকারিককে (এডিএম এলআর ) পাঠিয়ে দিয়েছেন।পরে এসডিএলআরও দফতর থেকেও আধিকারিকরা এসে অনুপম পাঁজার খাদান খতিয়ে দেখে যান। ওনারা কি রিপোর্ট দিয়েছেন সেই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে খণ্ডঘোষের বিএলঅরও জানিয়েছেন।অবৈধ বালি খাদান চলার অভিযোগ শুধু খণ্ডঘোষের বাসিন্দারাই অভিযোগ তুললেন এমনটা নয়।জামালপুরের জোড়বাঁধ, পুলমাথা ও সারাংপুর এলাকায় অবৈধ বালিখাদান চলছে বলে ইতিপূর্বে জেলা প্রশাসনের দফতরে অভিযোগ জমা পড়েছিল।এখনও জোড়বাঁধ এলাকায় দামোদর থেকে দেদার চলছে বালি লুট। এই বিষয়ে ওই বালি খাদানের প্রাক্তন লিজ হোল্ডার বাসুদেব মাজি ওরফে হোবেকে ফোন করা হলে তিনি জানান, জোড়বাঁধে দামোদর থেকে বালি তোলার লিজ এবার কেউ পায়নি। তাই তিনি জোড়বাঁধ থেকে বালি তোলেন না। স্থানীয় কাঁঠালতলা এলাকায় যাঁর বালি খাদান রয়েছে তাঁরাই জোড়বাঁধ থেকে এখন বালি তোলেন। বালি কারবারি বাসুদেব মাঝির এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় জোড়বাঁধে দামোদর থেকে বালি লুটের অভিযোগ মোটেই অসত্য নয়। জোড়বাঁধের পাশাপাশি জামালপুরের বেরুগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দারাও অবৈধ বালিখাদান ও ওভারলোড বালির লরি চলাচল নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বেরুগ্রাম অঞ্চলেও প্রকাশ্যে অবৈধ বালি খাদান চলছে। বিষয়টি জানার পর সম্প্রতি জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক নিজে ব্লকের ভূমি দফতরে গিয়ে অবৈধ বালি খাদান বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এই অঞ্চলে দামোদরে নৌকা নামিয়েও বালি তুলে পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে পুলিশি অভিযানে বালি চোর ধরা পড়ার পর। বেরুগ্রাম অঞ্চলের ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা ছাড়াও ভূতনাথ মালিক অভিযোগ করেছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে শয়ে শয়ে ওভারলোড পাথর ও বালির লরি কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাওয়ার সড়ক পথ দিয়ে যাতায়াত করছে। বহু সংখ্যায় ওভারলোড বালির লরি যাতায়াতের কারণে সদ্য তৈরি হওয়া ওই পাকা পিচ রাস্তা সম্পূর্ণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে। অথচ প্রশাসনের কেউ এই বিষয়টি নিয়ে হেলদোল দেখাচ্ছেন না। ক্ষুব্ধ জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক বলেন, রাস্তা বাঁচাতে এরপর হয়তো জামালপুরের জনপ্রতিনিধিদেরই পথে নেমে ওভারলোড বালি ও পাথরের লরি ধরতে হবে।সরকার ওভারলোড গাড়ি চলাচল বন্ধে কড়া বার্তা দেওয়ার পরেও কিভাবে ওভার লোড বালির লরি সড়ক পথে চলাচল করছে তা নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার বলেও ভূতনাথ মালিক জানিয়েছেন।বিরোধীরা যদিও দাবি করেছে, কোথায় কিভাবে বালি লুট হচ্ছে তার সবই জানেন পুলিশ ও শাসক দলের জনপ্রতিনিধিরা। তার পরেও জনপ্রতিনিধিদের যে সব অভিযোগ করছেন সেটা নাটক ছাড়া আর কিছু নয়। জনপ্রতিনিধিদের আনা এইসব অভিযোগের মাঝেই বৃহস্পতিবার বর্ধমানের ইদিলপুরে বালি ঘাটে বালির চালান খতিয়ে দেখতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হলেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। চালান বিহীন বালি বোঝাই একটি ট্র্যাক্টর ধরা নিয়ে বালিঘাটে থাকা লোকজন ভূমি দফতরের আধিকারিদের উপরে চড়াও হয়। তাঁরা আধিকারিকদের গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ডিএসপি(হেডকোয়ার্টার) অতনু ঘোষালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে ধরপাকড়। কয়েকদিন আগে তেলিপুকুর সংলগ্ন এলাকায় বলিঘাট পরিদর্শনে এগিয়ে একই ভাবে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন ভূমি দফতরের আধিকারিকরা। অভিযানে বেরিয়ে বারে বারে ভূমি দফতরের আধিকারিকদের এইভাবে হেনস্থার শিকার হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসনের কর্তারা। অতিরিক্ত জেলা শাসক (এডিএম এলআর) ঋদ্ধি ব্যানার্জী জানিয়েছেন, খণ্ডঘোষের শশাঙ্গা অঞ্চলে অবৈধ বালি খাদান চলছে এমন অভিযোগ কেউ তাঁকে জানায়নি। তবে গৈতানপুরে থাকা অনুপম পাঁজার বালি খাদান নিয়ে খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মাধ্যক্ষ অভিযোগ করেছিলেন। বিএলআরও এবং এসডিএলআরও দফতরের আধিকারিকরা ওই খাদান নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। রিপোর্ট এখনও দেখা হয়নি। রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরে ওই খাদানের বিষয়ে জানাতে পারবেন। জামালপুরের জোড়বাঁধ ও বেরুগ্রাম অঞ্চলে অবৈধ ভাবে বালি খাদান চলা ও কালাড়াঘাট থেকে পলেমপুর যাওয়ার রাস্তায় ওভারলোড বালির গাড়ি অতিমাত্রায় চলছে এমন অভিযোগও কেউ তাঁর দফতরে জানায়নি। আভিযোগ পেলে কড়া ব্যবস্থা নেবেন বলে অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়েছেন। এদিনের ইদিলপুরের ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, বালির গাড়ির চালান দেখতে চাইলেও বালির গাড়ির লোকেদের গাত্রদাহ হচ্ছে। সেই জন্য তারা বারে বারে ভূমি দফতরের লোকজনের উপর চড়াও হচ্ছে। এদিনের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে বলে অতিরিক্ত জেলাশাসক জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Suspended Festival: করোনা আবহে স্থগিত বর্ধমান পৌরসভার বার্ষিক উৎসব

করোনা আবহে আপাতত বর্ধমানে বর্ধমান পৌর উৎসব স্থগিত ঘোষণা করে দিল বর্ধমান পৌরসভা। আবার কবে এই উৎসব হবে তা এখনও জানায়নি পৌর কতৃপক্ষ। জানুয়ারিতেই বর্ধমান পৌর উৎসব হওয়ার কথা ছিল, মেলার জন্য ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। মেলা পরিচালনা জন্য যোগ্য সংস্থার কাছে থেকে দরপত্র নেওয়ার পদ্ধতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। মেলার বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বংশগোপাল টাউন হলে শহরের নাগরিক বৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষদের নিয়ে এক সভা আয়োজন করা হয় বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে।বর্ধমানের উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, করোনার বিধিনিষেধ জারি রয়েছে রাজ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা খুব জরুরি। আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে এই উৎসব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে। এই মুহুর্তে মানুষের স্বাস্থ্যই পৌরসভার কাছে মূল প্রাধান্য।এই মুহুর্তে বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় করোনা আক্রান্তের খবর আসছে। মনে করা হচ্ছে করোনা-র তৃতীয় ঢেউ যেভাবে সারা বিশ্বে আছড়ে পরেছে তাঁর থেকে এই শহরও বাদ যাবে না। উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, আমাদের সদা সতর্ক থাকতে হবে, মাস্ক না পড়ে বাইরে বেরোবেন না, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। শরীর খারাপ বুঝলে পৌর-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

School Open in Kalna: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পূর্ব বর্ধমানে বেসরকারি স্কুলে মৌখিক পরীক্ষা, ক্ষুব্ধ প্রশাসন

নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্য সরকার সোমবার থেকে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করেছে। কিন্তু সেই সরকারী নির্দেশকে উপেক্ষা করে মঙ্গলবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হল পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধরা এলাকার একটি বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে। এই ঘটনা কথা জেনে বেজায় ক্ষুব্ধ হন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ। তিনি ওই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যকালনার মহিষমর্দিনী গার্লস ইন্সটিটিউশন ও কালনা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের কিছু পড়ুয়া এদিন বিদ্যালয়ে এসেছিল প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে রিহার্সালের জন্য। আবার বই জমা দেওয়ার জন্যও কিছু পড়ুয়া স্কুলে আসে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের ফিরিয়ে দেয়। তারই মধ্যে এদিন উল্টো চিত্র ধরা পড়ে কালনার জিউধরার বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে এই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে একাদশ ও সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Smart City: দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরা

প্রাথমিকপর্বে বাছাইয়ের পর ১০০ টি স্মার্ট সিটির মধ্যে থেকে সুরাট এবং ইন্দোরকে ২০২০ সালে তাদের সামগ্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সেরার পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়েছে। সেরা রাজ্যের পুরস্কার পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ। মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু যথাক্রমে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য ২০১৯-এ সুরাট স্মার্ট শহরগুলির মধ্যে একক ভাবে সেরার স্থান পেয়েছিল। এই প্রথম কেন্দ্রীয় গৃহ ও নগরউন্নয়ন মন্ত্রক স্মার্ট শহরগুলির সামগ্রিক পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এবং তাতে কার্যকরী ভূমিকার জন্য রাজ্যগুলিকেও পুরস্কৃত করেছে। উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের নিজস্ব উন্নয়ন খাতে আরও সাতটি শহরকে স্মার্ট শহর হিসাবে তুলে আনার জন্য প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে। শহরগুলি হল মীরাট, গাজিয়াবাদ, অযোধ্যা, ফিরোজবাদ, গোরক্ষপুর, মথুরা-বৃন্দাবন এবং সাহারানপুর।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে গৃহ ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কোভিড নিয়ন্ত্রণে অভিনব উপায় অবলম্বনের জন্য যৌথ ভাবে দুটি শহরকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। মহারাষ্ট্রের কল্যাণ-ডোম্বিভালি এবং উত্তরপ্রদেশের বারাণসী এই পুরষ্কার পুরস্কৃত।শুক্রবার স্মার্ট সিটি মিশনের ছয় বছরের স্মরণে এই পুরষ্কারগুলি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে চণ্ডীগড় প্রথম স্থান পেয়েছে। মন্ত্রকের মতে, মিশনের আওতাধীন মোট প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১.৭৮ লক্ষ কোটি টাকার ৫,৯২৪ টি প্রকল্প আনুমদন দেওয়া হয়েছে, এবং প্রায় ১.৪৬ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫,২৩৬টি প্রকল্পের কাজের আদেশ (Work Order) দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ৪৫,০৮০ কোটি টাকার ২,৬৬৫ টি প্রকল্প সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু প্রকল্পের কাজ চলছে।আরও পড়ুনঃ মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশমন্ত্রক বলেছে যে ৭০ টি স্মার্ট সিটি তাদের ইন্ট্রিগ্রেটেড কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টার (Integrated Command and Control Centres -ICCCs) তৈরি করেছে এবং ওইগুলি কোভিড পরিস্তিতিতে ওয়াররুম হিসাবে কাজ করছে এবং মিশনের আওতায় নির্মিত অন্যান্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো। এগুলি দেশের ১০০ স্মার্ট সিটির জুড়ে তৈরি করা হচ্ছে।এখন পর্যন্ত ৩১০ স্মার্ট রোড প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে এবং আরও ৪৫৯ টি প্রকল্প দরপত্র বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় নিষিদ্ধ একধিক ইরানি ওয়েবসাইটমন্ত্রণাধীন ক্লাইমেট স্মার্ট সিটিস অ্যাসেসমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক (সিএসসিএএফ) ২.০-এর রিপোর্টে পাঁচটি অঞ্চলে ১২৬ টি শহরের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করে নয়টি শহরকে পুরস্কৃত করা হয়, শহরগুলি হল সুরাট, ইন্দোর, আহমেদাবাদ, পুনে, বিজয়ওড়া, রাজকোট, বিশাখাপত্তনম, পিম্পরি-চিঞ্চোড় এবং বরোদা।

জুন ২৫, ২০২১
রাজনীতি

করোনায় মৃতের পরিবারে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি চাই, কেন এমন দাবি শুভেন্দুর?

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের পরিবারের একজনকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর সপক্ষে যুক্তিও খাঁড়া করেছেন তিনি। গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে। শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে।সম্প্রতি কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বিশিষ্ট সাংবাদিক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অঞ্জন ও আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দুই ভাই। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। এখন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা। শুভেন্দুর অভিযোগ, অঞ্জনের স্ত্রী তথা আলাপনের ভ্রাতৃবধূ অদিতি বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন দফতরে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বেতন দিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে। ২৪ মে ওই দফতরে তাঁকে অ্যাডভাইসর করা হয়েছে। যে প্রশাসনিক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার পৌরোহিত্য করেছেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু। অঞ্জনবাবুকে তিনি পছন্দ করতেন বলেও জানিয়েছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁর দাবিও রেখেছেন।এই প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যে পুলিশ, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের কোভিড-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা জারি রয়েছে। মৃতের প্রতি পরিবারের একজন সদস্যকে ১ লক্ষ ১০ হাকার টাকা বেতনের চাকরি দিতে হবে।

জুন ০৩, ২০২১
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চাকরি নেবে শীতলকুচির আনন্দ বর্মনের পরিবার

অবশেষে রাজ্য সরকারের দেওয়া চাকরি নিতে চলেছে কোচবিহারে ভোটের দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত কিশোর বিজেপি কর্মী আনন্দ বর্মনের পরিবার। আনন্দর দাদা গৌতম বর্মনই রাজ্যের দেওয়া হোমগার্ডের চাকরি নেবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল কোচবিহারে ভোটের দিন শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় প্রথমবার ভোট দিয়ে বুথ থেকে বেরনোর সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে আনন্দর মৃত্যু হয়। তাঁকে দলীয় কর্মী বলে দাবি করে গুলি করে খুনের অভিযোগে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলে বর্মন পরিবার এবং জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।পরদিনই মাথাভাঙার জোড়পাটকিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনন্দ-সহ জোড়পাটকিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃতদের পরিবারকে চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি দপ্তরে রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয়ে ছেলের খুনের জন্য তৃণমূলকে দুষে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চাকরি নেবেন না বলে জানান আনন্দর মা বাসন্তী বর্মন। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফের শপথগ্রহণের পরদিন বৃহস্পতিবারই শীতলকুচিতে গুলিতে মৃত পাঁচ জনের পরিবারেরই একজন করে সদস্যকে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ওই পাঁচ পরিবারের সদস্যরা কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই মাসখানেকের মাথায় কার্যত সুর বদলালেন সন্তানহারা সেই মা। আনন্দ বর্মনের মা বাসন্তী বর্মন এদিন বলেন, আমরা পুরনো কোনও কথা ধরে রাখতে চাইছি না। মুখ্যমন্ত্রী চাকরি দিচ্ছেন। সেই চাকরি আমরা নেব। তাঁর দেওয়া অর্থসাহায্যও গ্রহণ করব। আনন্দ বর্মনের দাদা গৌতম বর্মন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সকলের। তাই তিনি যখন নিহত পাঁচজনের পরিবারকেই সহযোগিতা করছেন, তাহলে অবশ্যই সেই সহযোগিতা নেব। দোষীদের শাস্তির দাবিও করছি। পুলিশ তদন্ত করছে অবশ্যই দোষীদের শনাক্ত করবে।

মে ০৮, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর পথেই এগোচ্ছেন রাজীব

মন্ত্রিত্বের পর এবার বিধায়ক পদও ছাড়লেন। শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে তাঁর সামনে পদত্যাগপত্র লিখে জমা দেন ডোমজুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে এদিনও তৃণমূলনেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক।এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপি যোগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন রাজীব। উল্লেখ্য, রবিবার হাওড়ার ডুমুরজলায় জনসভা আছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর। সেই মঞ্চেই পদ্ম পতাকা হাতে দেখা যেতে পারে রাজীবকে। ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভার রিপ্লে দেখা যেতে পারে হাওড়ায়। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার সময় রাজভবন থেকে বেরিয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল দেখা গিয়েছিল রাজীবের। এদিনও বিধানসভায় যথেষ্ট আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। দলনেত্রীর ছবিও ছিল তাঁর কাছে। শুভেন্দু অধিকারী দুদিন আগেই পুরনো সঙ্গী রাজীবকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুভেন্দু তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার আগে বিজেপি নেতারা তাঁকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানাত। সেই একই পথে কি রাজীবও? সেটাই মূল প্রশ্ন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
রাজনীতি

রাজীবকে পদ্মশিবিরে সরাসরি আহ্বান শুভেন্দুর

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদ্মশিবিরে আসতে আহ্বান জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন হাওড়ার ডোমজুড়ের এই তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, আড়াই বছর আগে তাঁকে না জানিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখনই নাকি তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিরস্ত করেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই দলীয় নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।বুধবার শ্যামবাজারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অফিসে গিয়ে রাম মন্দির নির্মান কল্পে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিধি জমা দেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দেন, এই টাকা সাংসদ হিসাবে যে পেনশন পান সেখান থেকেই দেওয়া হয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, আমি আশা করছি রাজীব বিজেপিতে আসবে। আমার ব্যক্তিগতভাবে বন্ধু। আমরা তাহলে একসঙ্গে কাজ করতে পারব। খুব ভাল হবে।এদিকে রাজ্যে সভা করতে আসছেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এর আগে তিনি জনসভা করেছেন মেদিনীপুর শহরে। ওই সভায় শুভেন্দু অধিকারী সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ওই দিন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলও যোগ দিয়েছেন। এই সপ্তাহেই অমিত শাহ এরাজ্যে আসছেন। একাধিক কর্মসূচি আছে অমিত শাহর। তিনি আসা মানেই ফের তৃণমূলের উইকেট পড়ে যাওয়া বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যে অমিত শাহর আসার আগের দিন ২৯ জানুয়ারি দলীয় বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরইমধ্যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপিতে আসতে প্রকাশ্যে আহ্বান জানালেন শুভেন্দু। এখন দেখার বিষয় রাজীব ঘাসফুল ছেড়ে কবে পদ্মফুলে ঠাঁই নেয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় নির্দেশ! রাতেই প্রকাশ পাবে সম্পূরক তালিকা

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বিচারবিভাগের তত্ত্বাবধানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই মতো জুডিশিয়াল অফিসারদের নজরদারিতে কাজ চলছে। শুনানিতে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৯ লক্ষের বেশি আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, বাকি প্রায় ছাব্বিশ হাজার আবেদনও খুব শীঘ্রই মিটিয়ে ফেলা হবে এবং সোমবারের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা চলছে।আদালতে জানানো হয়, বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেও মালদহে প্রায় আট লক্ষ মানুষের আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আবেদনকারীদের স্বীকৃতি পত্র দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নোডাল অফিসারের উপর থাকবে।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি চিঠি দেখানোর জন্য আদালতে মোবাইল ব্যবহার করেন, যা নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে ধরা হয়। একইসঙ্গে অ্যাপিল ট্রাইব্যুনালের পরিকাঠামো ও বিচারকদের পারিশ্রমিক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ওয়েবসাইটে আবেদন জমা দেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই এবং অনেক ক্ষেত্রে জমা দেওয়া নথির কোনও রসিদ দেওয়া হয়নি।আদালত জানায়, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের বক্তব্য অবশ্যই শোনা উচিত এবং কেন নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা জরুরি এবং সেই দিকেই নজর রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে কাউকে ভোটাধিকার দেওয়া যাবে না।রাজ্যের তরফে আবেদন করা হয়, যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে, তাঁদের অন্তত ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই চলছে এবং যাঁরা অসন্তুষ্ট, তাঁরা আপিল করতে পারেন।শুনানিতে রাজনৈতিক বিতর্কও উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর কিছু মন্তব্য আদালতে তুলে ধরা হয়। কমিশনের আইনজীবী দাবি করেন, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে, রাজ্যের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি ভিডিও দেখিয়ে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনাল দ্রুত সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করবে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হবে। প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে বলা হয়েছে এবং সমস্ত আবেদন ডিজিটাল স্বাক্ষর সহ প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালত আরও জানায়, শুধুমাত্র কলকাতায় নয়, জেলা স্তরেও আবেদন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারের দফতর থেকেও আপিল জমা নেওয়া যাবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে রসিদ দিতে হবে।কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতের মধ্যেই সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে আপলোড করা হবে। একটি বিশেষ ক্ষেত্রে নন্দলাল বসুর নাতির আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯ তারিখের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ১৩ এপ্রিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ! কেন্দ্রীয় বাহিনী মহিলাদের তল্লাশি করবে, দাবি মমতার

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে রাজ্যে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তার নামে মহিলাদেরও তল্লাশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর জন্য একটি বিশেষ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মমতা প্রশ্ন তোলেন, বুথের ভিতরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, আর বুথ এজেন্টদের বাইরে রাখা হবে কেন। তাঁর কথায়, ভোট তো কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে না, তাই তাদের বুথের ভিতরে থাকার প্রয়োজন কী। তিনি অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এখানে সেই রকম কিছু করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি সংস্থা নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে না পারেন।এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আইটিবিপি এবং বিএসএফের আধিকারিকরা এসে জানিয়েছেন, মহিলাদেরও শারীরিক তল্লাশি করা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হলে মানুষ যেন তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দেয়।মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সরাসরি প্ররোচনামূলক এবং সংবিধানের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং যারা এমন কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তাদের জনসভা করার অধিকার এবং প্রার্থীপদও বাতিল করা উচিত।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, মহিলাদের তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

মমতার মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক, আদালতে ভিডিও পেশ, উত্তপ্ত শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে মোথাবাড়ি ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিল এনআইএ। রিপোর্ট জমার আগে দিল্লিতে নিজেদের সদর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক করেন সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন শুনানিতে ভারচুয়ালি হাজির হন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মালদহের জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারও। আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে জোর সওয়াল জবাব চলে।শুনানির কয়েক ঘণ্টা আগে নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় এক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে হামলার ষড়যন্ত্র হতে পারে। সেই বক্তব্যও আদালতে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ডি এস নায়ডু একটি ভিডিও ক্লিপ জমা দেন এবং এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষের আইনজীবী তুষার মেহতা রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বিচারকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং সাহায্য চাইছেন। রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো কাজ না করলে প্রয়োজন হলে আদালত হস্তক্ষেপ করবে বলেও জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিন এক নজিরবিহীন ঘটনায় প্রধান বিচারপতি নিজে আদালতে মোবাইল ব্যবহার করে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি দেখান। শুনানিতে আগের নির্বাচনের হিংসার প্রসঙ্গও উঠে আসে। কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীরা জানান, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উচিত নয় এবং আদালতের নজরদারি প্রয়োজন।এনআইএ-র রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মোট বারোটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত স্থানীয় থানার পুলিশ করায় তদন্তে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মত সংস্থার। তাই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ তাদের হাতে তুলে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, প্রয়োজন হলে এনআইএ নতুন করে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে পারে এবং সেই অনুযায়ী বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে আগের মামলাগুলির সমস্ত তথ্যও আদালতে দিতে হবে।রাজ্যের তরফে হলফনামা জমা দিয়ে জানানো হয়েছে, পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত তাদের এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে।ঘটনার সূত্রপাত পয়লা এপ্রিল। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় মালদহের কালিয়াচকে ক্ষোভ ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিচারকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে কয়েকজন বিচারককে একটি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকও ছিলেন। গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিষয়টি পৌঁছে যায় সুপ্রিম কোর্টে এবং তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, মালদহের পুলিশ সুপার ও জেলাশাসককে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়। সেই অনুযায়ী সোমবার তাঁরা আদালতে ভারচুয়ালি হাজিরা দেন।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ড্রোন ঘিরে প্রাণনাশের চক্রান্ত! বর্ধমানের সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

ভোটের আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মালদহে সভা থেকে ফেরার সময় তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। গত সপ্তাহে মালদহে একটি সভা শেষে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে তাঁর নজরে আসে একটি ড্রোন। সেটি তাঁর হেলিকপ্টারের খুব কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল বলে জানান তিনি। তখনই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।সোমবার পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ে একটি সভা থেকে তিনি আরও সরব হন। মমতার দাবি, ওই ড্রোনের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত এবং হেলিকপ্টার ভেঙে পড়তে পারত। তাঁর কথায়, এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বিহারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর জীবন নাশের উদ্দেশ্যেই কি এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল? একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে চুপ করানো যাবে না এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবেন।মালতীপুরে যাওয়ার সময় ড্রোনটি হেলিকপ্টারের সামনে চলে আসার পরই তিনি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এদিনের সভা থেকে নাম না করে এই ঘটনার জন্য তিনি বিজেপির দিকেই ইঙ্গিত করেন।অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সহানুভূতি পাওয়ার রাজনীতি করছেন। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এভাবে অভিযোগ করা বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নয়।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রতিষ্ঠা দিবসে মোদীর বিস্ফোরক ভাষণ! কংগ্রেসকে নিশানা, বাংলার হিংসা নিয়ে বড় মন্তব্য

বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে দেশের মানুষের উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দলের কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, বিজেপি সবসময় দেশের সেবাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং সেই আদর্শেই এগিয়ে চলেছে। তাঁর কথায়, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং পরিবেশ রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি দাবি করেন, এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারে একমাত্র বিজেপিই।প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, তারা শুধুমাত্র একটি পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং অন্যদের প্রতি অবিচার করেছে। অন্যদিকে বিজেপি সকলকে যথাযোগ্য সম্মান দেয়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সম্মানে পরাক্রম দিবস পালন করা হচ্ছে, আন্দামানে তাঁর নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে আজাদ হিন্দ বাহিনীকে সম্মান জানানো হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে এগোচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। নকশাল ও মাওবাদ দমনে সাফল্য এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত গড়ার লক্ষ্যেই দেশকে একসূত্রে বাঁধার কাজ চলছে। নতুন শিক্ষা নীতিতে মাতৃভাষায় শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে আনার ক্ষেত্রে সরকার সফল হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা একসময় অসম্ভব বলে মনে করা হত, তা বিজেপির দৃঢ় সংকল্পে সম্ভব হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে দেশের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রই প্রাধান্য পেয়েছিল, কিন্তু বিজেপি স্থিতিশীল নীতি ও শাসনের উদাহরণ তৈরি করেছে। মানুষ এখন বিশ্বাস করে যে বিজেপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা পূরণ করে। মহিলাদের ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সংগঠন এবং রাজনীতিতে মহিলাদের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন, দেশের একতা ও উন্নয়নই বিজেপির মূল পরিচয়। জোট রাজনীতিতেও বিজেপি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বহু সরকারে অংশ নিয়েও বিজেপি সবসময় জনসেবাকে প্রাধান্য দিয়েছে, যার ফলে মানুষের বিশ্বাস বেড়েছে।১৯৮৪ সালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেই সময় কংগ্রেস বিপুল জয় পেলেও মানুষের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা কমতে শুরু করে। তখনই ক্ষমতার রাজনীতির পরিবর্তে সেবার রাজনীতির উপর মানুষের বিশ্বাস তৈরি হয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় বহু কর্মী নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে হিংসাকে রাজনীতির অংশ করা হয়েছে। তবুও বিজেপি কর্মীরা ভয় পায়নি এবং আজও দেশসেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। কঠিন সময়েও কর্মীরা জেলে যেতে ভয় পাননি এবং নিজেদের আদর্শে অটল থেকেছেন। জরুরি অবস্থার সময় দমন-পীড়ন ও নানা ষড়যন্ত্রের মুখেও তারা পিছিয়ে যায়নি। তাদের সংকল্প ও পরিশ্রমের ফলেই আজ বিজেপি এই জায়গায় পৌঁছেছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal