• ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gathering

রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Mumbai Omicron: ওমিক্রন আক্রান্ত ১৭, মুম্বইয়ে জারি ১৪৪ ধারা

মুম্বইয়ে জারি ১৪৪ ধারা।মহারাষ্ট্রে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এক দিনেই তিন জন আক্রান্তের হদিশ মেলায় এ বার বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল মুম্বই পুলিশ। দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩২। তার মধ্যে মহারাষ্ট্রেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ জন। দুদিনের জন্য কোনও বড় জমায়েত, মিছিল করা যাবে না। শনিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে ৪৮ ঘণ্টার জন্য। অর্থাৎ রবিবার পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে।শুক্রবার সাড়ে তিন বছরের একটি শিশু-সহ সাত আক্রান্তকে চিহ্নিত করে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। তাঁদের মধ্যে তিন জন তানজানিয়া, ব্রিটেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সম্প্রতি মুম্বইয়ে ফিরেছেন। রাজ্যের মোট ওমিক্রন আক্রান্তের মধ্যে মুম্বইয়ে পাঁচ জনের দেহে এই ভাইরাস মিলেছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে।১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুম্বই, পুণে এবং নাগপুর বিমানবন্দর দিয়ে ৬১ হাজার ৪৩৯ জন বিদেশ থেকে মহারাষ্ট্রে ঢুকেছেন। তাঁদের মধ্যে ৯ হাজার ৬৭৮ জন ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে এসেছেন বলে জানিয়েছেন বৃহন্মুম্বই পুরসভা। মুম্বইয়ে যে সাত জনের দেহে ওমিক্রনের হদিশ মিলেছে, তাঁদের মধ্যে চার জনের দুটি টিকা নেওয়া ছিল। তাঁরা প্রত্যেকেই উপসর্গহীন। অন্য দিকে, বাকি তিন জনের দেহে মৃদু উপসর্গ ধরা পড়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

High Court: কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজোয় উপচে পড়বে ভিড় ! মামলা হাইকোর্টে

দূরত্ববিধি বজায় রেখে বাঙালিকে দুর্গাপুজোয় আনন্দ করার অনুমতি দিয়েছিল বলেছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশে না মেনে উৎসবপ্রেমী মানুষের ভিড়ের ঢল নেমেছিল রাস্তায়।রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ গত কয়েক সপ্তাহে বেশ কিছুটা উর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় পর কালীপুজো, ছট, জগদ্ধাত্রী পুজোর মতো উৎসব আসন্ন। এখন কী হবে প্রশ্ন তুলে উদ্বেগের কথা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অজয় দে নামে এক ব্যক্তি। দুর্গাপুজোর মাত্রাছাড়া ভিড়ের প্রসঙ্গ টেনে আসন্ন কালীপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আবেদনের শুনানিতেই দুর্গাপুজোয় ভিড়ের কারণ জানতে চেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। সোমবার আবেদনটির শুনানি ছিল বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ এবং বিচারপতি আনন্দকুমারের অবকাশকালীন বেঞ্চে। বেঞ্চ ওই ব্যক্তিকে ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মামলা করার অনুমতি দিয়েছে।বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শিবকান্ত প্রসাদ। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি আবেদনের শুনানিতে তিনি রীতিমতো বিরক্তির সুরেই বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ মানা দরকার বলেই মনে করেনি কেউ। দুর্গাপুজোয় যথেচ্ছ ভিড় হয়েছে। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করাও হয়নি। হাইকোর্টের নির্দেশ এ ভাবে প্রকাশ্যে অমান্য করার কারণ কী?

নভেম্বর ০১, ২০২১
বিদেশ

ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী বড় বড় ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ’: হু

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। হু বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলি কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।আসলে, প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে।দূরত্ব বিধি তো মানা হয়ইনি, উলটে বড়বড় রাজনৈতিক তথা ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে এদেশে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এ হেন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো সুপার স্প্রেডার ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা, এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলিকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করল হু।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে হু জানতে পেরেছে যে, ভারতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বড় বড় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় জমায়েত। বিশেষ করে, এই জমায়েতগুলিতে ন্যুনতম কোনওরকম দূরত্ববিধি না মানার জন্য বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি। তবে, এই সমাবেশগুলির জন্য ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

মে ১৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশে সরকার বদল আর সঙ্গে সঙ্গেই বড় সিদ্ধান্ত, খুলছে ভিসার দরজা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে। তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই আবার বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর স্বস্তির বার্তা পাচ্ছেন দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশএর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী জয়ের শুভেচ্ছা জানান। শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওম বিড়লা। এরপরই কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বাড়ে এবং ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে সব ধরনের ভিসা পরিষেবা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সিলেটের কনস্যুলার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই পর্যটন ভিসা-সহ অন্যান্য ভিসা চালু করা হবে। বর্তমানে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা ও বিশেষ শ্রেণির ভিসা দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে তা আরও বিস্তৃত করা হবে।উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা পরিষেবা ধাপে ধাপে বন্ধ হয়ে যায়। জুলাইয়ের অশান্ত পরিস্থিতি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আগমনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরে ঢাকাসহ একাধিক শহরে ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে প্রতিদিনের ভিসা অনুমোদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্থগিত করা হয়েছিল। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের তরফেও ভারতের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে পরিষেবা সীমিত করা হয়। তবে নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ শুরু হয়েছে এবং ভিসা পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্তকে সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মেলেনি, এবার যুব সাথীর লাইনে এমএ পাশ তরুণী

বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনের জটিলতায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠল হুগলির চুঁচুড়া এলাকার এক শিক্ষিতা যুবতীর ক্ষেত্রে। এমএ পাশ করার পরও চাকরি না পেয়ে বাড়িতে বসে রয়েছেন তানিয়া মণ্ডল দাস। তিনি জানান, পদবি পরিবর্তনের কারণে দুবার আবেদন করেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাননি। তাই নতুন আশায় এবার রাজ্যের যুব সাথী প্রকল্পে আবেদন করেছেন। তবে তাঁর মনে এখনও আশঙ্কা, পদবি সংক্রান্ত একই সমস্যায় এই প্রকল্পের সুবিধাও হাতছাড়া হতে পারে। তানিয়া বলেন, পড়াশোনা শেষ করেও কাজ না পাওয়ায় আর্থিকভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চাকরির পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করতেও খরচ হয়, তাই এই ভাতা পেলে কিছুটা সাহায্য হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাতার থেকে চাকরি পেলে আরও ভালো হতো, কারণ কেউ অন্যের উপর নির্ভর করে থাকতে চান না। তানিয়ার শিক্ষাজীবন শুরু হুগলির হুগলি মহসিন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার মাধ্যমে। পরে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিয়ের আগে তাঁর পদবি ছিল মণ্ডল, কিন্তু বিয়ের পর তা পরিবর্তিত হয়ে দাস হওয়ায় বিভিন্ন নথিতে ভিন্নতা তৈরি হয়েছে। মাধ্যমিকের প্রবেশপত্র ও ভোটার পরিচয়পত্রে পুরনো পদবি থাকলেও আধার, ব্যাঙ্কের নথি ও বিবাহের শংসাপত্রে নতুন পদবি থাকায় পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্থানীয় পুর প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ জানান, প্রয়োজনীয় নথির সংশোধন করলে সুবিধা পেতে অসুবিধা হবে না এবং কোনও সমস্যা হলে পুরসভা সহযোগিতা করবে। তানিয়ার মতো অনেক মহিলার ক্ষেত্রেই বিয়ের পর পদবি পরিবর্তনকে ঘিরে এমন সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্তরে সমাধানের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য? বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ফের বড় আইনি লড়াই

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্য সরকারকে বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের। সেই কারণে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন এবং অনশন কর্মসূচি চালিয়েছিলেন কর্মীরা। পরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এর বেঞ্চ বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে পঁচিশ শতাংশ বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে এবং একত্রিশ মার্চের মধ্যে বাকি পঁচাত্তর শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অভিযোগ, এই নির্দেশ কার্যকর করতে এখনও কোনও উদ্যোগ নেয়নি রাজ্য সরকার। গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি জারি হওয়া আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ জারির এক সপ্তাহ পরও বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় মামলাকারীরা ফের আইনি পথ বেছে নিয়েছেন এবং নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেছেন। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্য সরকারের মধ্যে শীর্ষ আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না। তাঁর দাবি, নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আবেদনও করা হয়নি এবং প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাবেই কর্মীরা বাধ্য হয়ে আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রকল্পে নাম লিখালেন বিজেপি নেত্রী, সামনে আসতেই তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষিত যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভাতার রাজনীতি করে ভোটে প্রভাব ফেলতে চাইছে সরকার। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই হুগলির আরামবাগ এলাকায় যুব সাথীর ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনে দেখা গেল বিজেপি নেত্রী সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তকে। শুক্রবার গোঘাট দুই নম্বর ব্লক অফিসে লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। তিনি জানান, ছেলের জন্য ফর্ম জমা দিচ্ছেন, তবে নথিতে গ্রাহক হিসেবে তাঁর নিজের নামই দেখা যায়। ক্যামেরার সামনে তিনি বলেন, বহু শিক্ষিত যুবক এখনও বেকার, তাঁদের তথ্য নথিভুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এই অর্থ কোনও দলের নয়, সরকারের, তাই সকলের প্রাপ্য বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রকল্প চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক বেকার যুবকযুবতীর চাকরির আবেদন করতে অর্থের অভাব থাকে, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। গোঘাট দুই ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সৌমেন দিগার বলেন, সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে বিরোধীরাও আগ্রহ দেখাচ্ছেন। যদিও বিজেপির তরফে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে ঘটনাটি ঘিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ভোটের আগে এই ছবি নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
দেশ

শুনানিই নয়, এক ঝটকায় খারিজ আবেদন, বেলডাঙা মসজিদ ঘিরে নতুন উত্তাপ

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণ ঘিরে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলেও তা শুনতে রাজি হল না ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহেতার বেঞ্চ আবেদনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এর পর বাধ্য হয়ে মামলাকারী নিজের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন।জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় বাবরের নামে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাবরের নামে ধর্মীয় স্থাপনা তৈরি বন্ধের দাবি তুলে আদালতে করা আবেদনে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবী শুনানির সময় নির্মাণ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট বিতর্কের কথাও তুলে ধরেন।তবে আদালত এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে নারাজ হওয়ায় আবেদনটি খারিজ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরই বেলডাঙায় বাবরের নামে মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। সেই অনুযায়ী গত ছয় ডিসেম্বর বিপুল জনসমাগমের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। পরে এগারো ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যেই মসজিদ নির্মাণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।সমস্ত ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয় স্তরেও মতবিরোধ স্পষ্ট হচ্ছে। আদালতের অবস্থানের পর ভবিষ্যতে এই ইস্যু কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

দলের আপত্তি সত্ত্বেও মসজিদ নির্মাণে সাহায্য, নতুন করে চর্চায় তৃণমূল নেতা

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চায় উঠে এলেন হুমায়ুন কবীর। বিভিন্ন বিরোধী নেতার সঙ্গে বৈঠক এবং প্রকাশ্যে মতামত দেওয়ার পর এবার বাবরি মসজিদ ইস্যু নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এরই মধ্যে মসজিদ নির্মাণের জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ রমজান মাসের প্রথম দিনেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জন্য এক লক্ষ এগারো হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্যাঙ্ক চেকের মাধ্যমে মসজিদ ট্রাস্টের নামে ওই অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার নামে চেক প্রদান করা হয়। এর আগে এই মসজিদ নির্মাণের সমর্থনে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। এবার সমর্থনের পাশাপাশি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতায় বিতর্ক আরও বেড়েছে।কয়েক দিন আগে এক সভা থেকে সফিউজ্জামান শেখ দাবি করেছিলেন, জেলার মানুষই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই অনুদান দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জেরে কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করা হয়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণের মতো বিষয় নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিতে পারে এবং ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো দল সমর্থন করে না। তৃণমূলের তরফে বারবার স্পষ্ট করা হয়েছে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দল ভালো চোখে দেখছে না। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা নিয়েই আপত্তি রয়েছে শাসকদলের একাংশের।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal