• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Galsi

রাজনীতি

গলসি ১ ব্লকের অদ্ভুত রাজনৈতিক সমীকরণ, একাধিকবার পরিস্থিতির পট-পরিবর্তন

এক সময় তাঁরা ছিলেন কার্যত গুরু-শিষ্য। পরে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। দুজনের মধ্যে শত্রুতাও চরমে ওঠে। দুই নেতার অবস্থান হয়ে যায় দুই মেরুতে। আর তাঁদের অনুগামীর সংঘাতে একাধিকবার রক্ত ঝরেছে ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে। তাঁরা হলেন তৃণমূলের জেলা কমিটির সহ সভাপতি সেখ জাকির হোসেন আর গলসি ১ ব্লকের জনাদর্ন চট্টোপাধ্যায়। গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে পর্যন্ত দ্বন্দ্ব চলেছে দুই নেতার মধ্যে। দলের একাংশ বলছেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকে গলসি ১ ব্লকে একই সঙ্গে ছিলেন ব্লক সভাপতি জনার্দন চ্যাটার্জী, বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, যুব নেতা পার্থ সারথি মণ্ডল এবং অনুপ চ্যাটার্জী সহ যুব, মহিলা, আইএনটিইউসি সভাপতিরা। আর ৯টি অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতিরাও ছিলেন জনার্দনবাবুর সঙ্গে৷ অন্যদিকে জাকিরকে দলে ব্রাত্য করে দেন জনার্দন, বলে অভিযোগ। সেই চিত্র বদলে যেতেই রাজনৈতিক চর্চাও বেড়েছে গলসিতে।তখনই জাকির হোসেন বুঝে গিয়েছিলেন তার অনুগামীরা টিকিট পাবে না। আর সেটাই সত্যি হয়। তাঁর অনুগামীরা টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন বলে দলের কিছু নেতার অভিযোগ। দলের অনেকেই বলছেন, শিক্ষা দিতে দলকে হারানোর জন্য পরিকল্পনা করেছিলেন জাকির ও তাঁর অনুগামীরা। গলসি তৃণমূল কংগ্রেস অফিসে এমনও জল্পনাও শোনা যায়। দলের টিকিট পাওয়া পার্থীদের হারাতে কোথাও সিপিএম, কোথাও কংগ্রেস এমনকি বিজাপির সঙ্গে তাঁর অনুগামীরা হাত মেলান। এমন আবহে পঞ্চায়েত ভোটের ফল প্রকাশের কয়েক মাসের মধ্যে জনার্দন আর জাকিরকে এক মঞ্চে দেখে দলে চলছে জোর গুঞ্জন। হঠাৎই দুই নেতার কাণ্ড দেখে এলাকার মানুষ তো বটেই, অবাক হচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীরাও। তাঁদের এই আঁতাতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রীতিমতো জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, জাকির যেমন পঞ্চায়েত ভোটের আগে ব্রাত্য হয়ে পড়েছিলেন। তেমনি, একটা সময় ছিল জাকির ও তাঁর অনুগামীদের দাপটে জনার্দনও কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। প্রায় গৃহবন্দি হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তখন ব্লকে জাকির আর যুব নেতা পার্থ সারথি মণ্ডলের অনুগামীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই ছিল। বহু রক্তারক্তি হয়েছে সেই সময়। সেই দ্বন্দ্ব মেটাতে জনার্দনকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে এসে ব্লক সভাপতি করে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। তখনই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের দ্বন্দ্ব প্রকট হয়।কিন্তু, এবার পঞ্চায়েত ভোটের পরেই ফের সমীকরণ বদল হল। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, জাকির আর জনার্দনের মধ্যে কী এমন হলো যে দুই মেরুতে থাকা দুই নেতাকে দুজন দুজনের হাত ধরতে হলো? রাজনৈতিক মহল বলছে, এলাকার নেতৃত্ব কায়েমকে কেন্দ্র করে সেই জাকিরের সঙ্গে জুটি বাঁধতে হয়েছে জনার্দনক। আবার গুরু শিষ্য এক হয়েই চলার চেষ্টা করছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্লকের এক নেতার কথায়, বর্তমানে দুই নেতাই অস্তিত্ব সংকটে। তাই পিঠ বাঁচাতে তাঁরা একই মঞ্চ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। দলের একাধিক মিটিং-এ পাশাপাশি চেয়ারে বসছেন। যা দেখে অনেকেই আবার বলছেন, হয়তো রাজনীতির নতুন সমীকরণ তৈরি হল গলসিতে। সেই ইঙ্গিতও মিলছে। দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, যুব সভাপতি পার্থ সারথি মণ্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জী ও ব্লক নেতা মহম্মদ মোল্লাদের এড়িয়ে চলছেন জনাদর্নবাবুরা। শুধু তাই নয়, এক সভাতে বিধায়কদের সঙ্গে একই সুতোতে বেঁধে বিডিও (গলসি ১) দেবলীনা দাসকেও আক্রমণ করছেন খোদ জানার্দনবাবু। যা নিয়ে জনার্দনবাবুদের রাজনৈতিক আর্দশ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।তাঁরা বলছেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে দোলন দত্ত নামে এক কর্মীকে বুদবুদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকান্তনগর সিটে টিকিট দেয় দল৷ দোলন জিতেও যান৷ এবং তার পরেই বুদবুদ পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে গণ্ডগোলে জড়িয়ে পড়েন৷ তাঁর বিরুদ্ধে সুকান্তনগরে যে কোনও জায়গা কেনাবেচা এবং বাড়ি তৈরি থেকে মোটা টাকা কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠে। এমনকি, তাঁর বিরুদ্ধে সুকান্তনগরে এক আর্মি অফিসার কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। শুধু তাই নয়, কাটমানি দিতে অস্বীকার করলে তার রড চুরি করেন দোলন, এমন অভিযোগ করেছিলেন ওই আর্মি অফিসার। বিষয়টি জানাজানি হতেই আর্মির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর থেকেও চাপ আসে দলের একাংশের কাছে৷ চাপে পড়ে রড চুরির কথা স্বীকার করে ক্ষমা চান দোলন। রড ফেরত দিতে বাধ্য হন৷ সেই দোলনকে এবার পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি করতে চেয়েছিলেন জনার্দনবাবু। দল তাঁর নাম মনোনীত করে। কিন্তু যাদের জনার্দনবাবু টিকিট দিলেন তারাই দোলনকে মানতে রাজি হল না৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি-র সাথে যোগযোগ রাখা জাকিরের সঙ্গে জনার্দনবাবুর ঘনিষ্ঠতা জনার্দনের অনুগামীরা মেনে নিলেন না৷ আর এই সব ক্ষোভ সহ সভাপতি নির্বাচনে পড়ল৷ তারই ফলস্বরূপ ভোটাভূটিতে অনুপবাবু দ্বিতীয়বার আবার সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন৷ দলের নির্দেশের বিরুদ্ধে ভোটাভুটি হলেও তা নিয়ে কোন প্রতিবাদ করেননি এমএলএ। তাই বিধায়কের সঙ্গে জনার্দন দূরত্ব বাড়ান, আর বিডিওর সঙ্গে অনুপের ভালো সম্পর্ক থাকাতে বিডিও হয়ে গেলেন জনাদর্নবাবুর চোখের বালি। তাই জনার্দনবাবু দলের শৃঙ্খলাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এমএলএ ও বিডিওদের বেহিসাবি আক্রমন শুরু করছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলেরও একাংশ বলছেন, শাসক দলের নেতার মুখে যদি বিডিওর বিরুদ্ধে অনৈতিক মন্তব্য হয় তা হলে বিরোধীরা এই প্রশাসনকে মানবে কেমন করে? তাই দ্রুত জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়ে পদক্ষেপ করুক এমনটাই চাইছেন তাঁরা।অভিযোগ, শুধু জনার্দন নন, প্রশাসন আর দলের নেতৃত্বকে বারবার ছোট করার চেষ্টা করেছেন জাকির। আর এই চেষ্টা চলে আসছে দল যখন থেকে তাঁকে ব্লক সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন সেই তখন থেকেই। তৃণমূলের এক নেতা বলেন, দলের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হেনস্তা করতে তাঁর কর্মসূচি মানকরে নবজোয়ারে অশান্তি পাকিয়েছিলেন জাকির ঘনিষ্ঠরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে, নবজোয়ার কর্মসূচি হয় মানকরে৷ সেই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন, দলের সর্ব ভারতীয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কর্মসূচির নোডাল অফিসারের দায়িত্ব পান অনুপ চ্যাটার্জী৷ তাই কর্মসূচি ভণ্ডুল করতে জাকির গোষ্ঠী ওঠে পড়ে লেগে যায় বলে দলেরই একাংশের অভিযোগ। বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর অনুগামীরা কর্মসূচি চলাকালীন মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, আর এই মারপিটের বিষয়ে খোঁজখবর অভিষেকের কানে পৌঁছায়৷ তার পরেই আরও দলের বিরোধী হয়ে যান জাকির। ওদিকে প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই সবাই যখন ধরে নিয়ে ছিলেন অনুষ্ঠান বাতিল তখন বুদবুদ থেকে তিনশো শ্রমিক নিয়ে গিয়ে সভাস্থল সভা করার উপযোগী করেন অনুপবাবু৷ তার এই কাজের জন্য দল সহ প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়ে নেন। দলের কর্মীদের দাবি, বহু প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নবজোয়ার কর্মসূচিতে অনুপকে আটকাতে পারেনি জাকিরবাবুরা। অনুপবাবু এবার পঞ্চায়েতে বুদবুদ বাজারের পিএস-৮ থেকে ১৮০০-এর বেশি ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন৷ তবে এর আগেও পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডে সহ সভাপতির পদ সামলেছেন অনুপবাবু। আর সেই সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যত রনংদেহি মূর্তি ধারণ করেছিলেন তিনি৷ তৃণমূলের প্রথম পঞ্চায়েত সমিতি, টোল থেকে আয় করত প্রায় ২০-২৫ লাখ৷ অনুপবাবু সেটাকে ১ কোটিতে নিয়ে যান৷ পারাজের ডিভিসির উপর কাঠের সাঁকোর অবৈধ টোল বন্ধ করে দেন৷ ডিভিসি-র উপর অবৈধ টোল অফিসে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন৷ আবার পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে ফের সহ সভাপতি হয়েছেন। মিষ্টি ব্যবহার এবং কাজের লোক হিসেবে ব্লকে জনপ্রিয় এই নেতাকে এবার দমাতে চান জনাদর্ন-জাকিররা এমনটাই দাবি তৃণমূলের বহু নেতার।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সহ ৩ নেতার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা, পুলিশের ভূমিকাতে ক্ষুব্ধ শাসক শিবিরের একাংশ

জনতার কথাঃ গলসি ১ ব্লকে গণনার দিন গণ্ডগোল। মারপিঠ হয়। বিরোধীদের অভিযোগ পেয়ে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করল পুলিশ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তরা পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে কোন তদন্ত না করেই পুলিশ প্রভাবিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, পুলিশের এই ভূমিকা ইতিমধ্যে তাঁরা দলকে জানিয়েছেন। ঘনিষ্ট মহলে পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামাল করার কথাও জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহসভাপতি তথা এবারের বিজয়ী প্রার্থী অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও মানকর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান তন্ময় ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছ বুদবুদ থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের গণনার দিন কংগ্রেস কর্মী তথা মানকর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী অসিত কুমার মুখ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের প্রার্থী জয়গোপাল দে কে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারধর করার। এমনকি অভিযোগকারীকে তাঁরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঘটনাটি ঘটে বুদবুদ বাজারে দুর্গাপুর যাবার বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায়। এবারে মানকর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী অসিত কুমার মুখার্জী পুলিশকে লিখিত এই অভিযোগ করেছেন। তাঁরও এই অভিযোগ ভিত্তিতে পুলিশ খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছেন।আর এখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের একটা বড়ো অংশ। তাঁরা বলছেন, এ দিন পর্যন্ত জনার্দনবাবু, অনুপবাবুদের বিরুদ্ধে একটি পিঁপড়ে মারার অভিযোগ নেই। ঘটনার সময় ওই এলাকাতেই তিনজনই ছিলেন না। তা হলে তাঁরা কী করে কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর করলেন?তাছাড়া এবার অনুপবাবু ১৭০০ বেশি ভোটে পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত হয়েছেন। তা হলে তিনি কেন কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর বা হুমকি দিতে যাবেন? তাদের আরও দাবি, অনুপবাবু বিরোধী বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রতন সাউয়ের বাড়িতে গিয়ে এজেন্টদের ডেকে নিয়ে এসে গণনা কেন্দ্রে বসিয়েছিলেন। তারপরেও অনুপবাবুর বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত। সূত্রের খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েতে সভাপতি পদটি সংরক্ষতি। তাই এবারও দলের একটা বড় অংশ অনুপবাবুকে পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব দিতে চাইছেন। সেখানেই দলের নেতাদের একাংশে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনুপবাবু ঘনিষ্টদের আশঙ্কা, এর সঙ্গে দলের একাংশ যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্ধ সেই নেতারা পুলিশ ও কংগ্রেসকে প্রভাবিত করে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে অনুপবাবুকে আটকাতে চাইছেন। এবং তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে বসার চক্রান্ত করছেন। এ ক্ষেত্রে আঙুল উঠেছে, গলসির দলের বিধায়ক নেপাল ঘরুইয়ের এক ঘনিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে। অনুপবাবুর ঘনিষ্ট তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে বহু লোকের জমায়েত করেছিলেন ওই নেতাই। কারণ, তাঁর হারের আশঙ্কা ছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন জনার্দনবাবুও। তিনি তাঁর কর্মীদের বলেছেন, পুলিশ তদন্ত করল না, অথচ খুনের চেষ্টা মামলা রুজু করে দিল। পুলিশ তদন্ত করলে সিসিটিভি ফুটেছে, মোবাইল লোকেশন সহ একাধিক তথ্য হাতে পেত। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ পেয়েই সরাসরি খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে দিল। ঘনিষ্ট মহলে অভিযুক্তদের দাবি, বুদবুদ থানার ওসি মনজিৎ ধারা তৃণমূলকে হারাতে প্রথম থেকেই বিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন। হেরে যেতেই তৃণমূলকে রুখতে কংগ্রেসকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করে তাঁদের ফাঁসানো চেষ্টা চালাছেন। বিষয়টি দলকে তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে হাইকোটে যাবার চিন্তাভাবনা করছেন তাঁরা। তবে তৃণমূলের অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ঠিক সে সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগে উঠল। ঘটনার জেরে এলাকায় শোরগোল পরেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিন গলসি ১ নং ব্লক বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ৮ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৮ জন বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান। জানা গেছে, ওই পঞ্চায়েতে ভিসিটি অর্থাৎ ভেক্টর ডিজিস কন্ট্রোল টিমের জন্য দুটি শুন্যপদ রয়েছে। অভিযোগ, সেই পদে নিয়োগের জন্য পঞ্চায়েত প্রধান নিজের ছেলের নামই রেজুলেশন করে পাঠান লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস।পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে ভিসিটি নিয়োগের জন্য আবেদন জমা করেছে এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক যুবতী। তবে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আচমকা টেলিফোনে গ্রাম সংসদ সভার মিটিং ডেকে সদস্য সদস্যাদের ফাঁকা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন প্রধান। তারপরই রেজুলেশন কপি বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পঞ্চায়েত প্রধানের এমন কাজে মুখ খুলেছে বিরোধী দল বিজেপি।তবে গলসি ১ নং ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি। লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুটি ভ্যাকেন্সি আছে। ওখান থেকে একটি রেজুলেশন পেয়েছিলাম। সেখানে দুইজনের নাম পাঠানো হয়েছিল। আজকে কয়েকজন এসে অভিযোগ করে গেছেন। তাঁরা বলছেন ওই মিটিং এ আমরা ছিলাম না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে অবৈধ বালি পাচার রুখল বর্ধমান জেলা পুলিস

রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে পাচার হচ্ছিল বালি পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চারটি বালি বোঝায় ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে গলসি থানার পুলিশ। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অতিরিক্ত বালি বোঝায় ট্রাক আটক করে পরিবহন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আবারও গলসি এলাকায় বালি চুরি প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোহগ্রাম গলসি রোডে হানা দেয় গলসি থানার পুলিশ। ওই সময় গাড়িগুলি গোহগ্রামের দিক থেকে আসছিল। পথেই পুলিশ ট্রাকগুলিকে থামালে চালকরা বালির কোন বৈধ্য কাগজ দেখাতে পারেনি। ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবী, পুলিশের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল বালি। তারা জানায়, কদিন আগে গোহগ্রামের পাশে গোপডাল এলাকায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে একটি ঘাট চালু হয়েছে। আর এতেই এলাকার কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে বালি পাচার শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা আগুন, হাসপাতালের স্টোররুম ভস্মীভূত

আচমকা আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।দমকলের দুটি ইজ্ঞিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। আগুনে স্টোররুম ভস্মীভূত হয়ে যায়। এমনকি স্টোররুমের সাটার লাগানো গেটও আগুনের লেলিহান শিখায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টোররুমে থাকা বেড ও বেশ কিছু নথিপত্রও পুড়ে যায় আগুনে।মঙ্গলবার দুপুর ১ টার সময় স্টোররুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের দেখে রুগীর আত্মীয় পরিজনরা।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান সর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া দেখে রুগী ও রুগীর আত্মীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা। আর এই ঘটনার জেরে গলসি ১ নং ব্লকে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। জানা গেছে, গলসি ১ নং ব্লকের ঘাগরা গ্রামের তৃণমূল কর্মী বকুল মোল্লাকে একা পেয়ে মেরে তার হাত পা ভেঙে দেয় দলের অপর গোষ্ঠীর লোকজন।আর এই ঘটনার জেরে এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দলীয় নেতা নেত্রীরা। রবিবার সন্ধা নাগাদ পুরসা গ্রামে তৃণমূল কর্মীসভা আয়োজন করেছিল ব্লক এসসি ওবিসি সেল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেখানে সকল অঞ্চলের অসংখ্য কর্মী যোগদান করেন। আর সেই সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। আর এতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তবে ছাত্র নেতা তাপস সোমকে থামিয়ে কর্মীদের শান্ত হওয়ার বার্তা দেন প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজনীতি

ফের শাসক দলের দলীয় কোন্দলে উত্তপ্ত পুর্ব-বর্ধমানের গলসি

ফের তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। রবিবার শাসকদলের বিবদমান দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে উপ্তত্ত হল গলসির ১ নম্বর ব্লকের ঘাগরা গ্রাম। গ্রামের তৃণমূল নেতা নূর আমিন মোল্লা ওরফে বকুলকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। মেরে তার দুহাত ও পা ভেঙে দেওয়া হয় বল তিনি জানান। তার অভিযোগ, রবিবার বেলা এগারোটা নাগাদ তিনি তার মেয়ের বিয়ের জন্য খাট কিনতে গিয়েছিলেন গ্রামেরই একটা ফার্নিচারের দোকানে। সেখানেই দলের অপর গোষ্ঠী জনা দশ পনেরো লোক চড়াও হয়ে তাকে টাঁঙি, রড ও দা দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। ঘটনার জেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যাশ। সেখান থেকে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

কাঠের সেতু ভেঙে লরি আটকে বিপত্তি গলসির পারাজে

ডিভিসি ক্যানালে কাঠের সেতু ভেঙে বিপত্তি। পূর্ব-বর্ধমানের গলসির পারাজে ডিভিসি সেচ ক্যানেলে লড়ির চলাচলের সময় কাঠের সেতু ভেঙে যায়। কাঠের চাতাল ভেঙে সেতুর মধ্যে আটকে গেল ১৪ চাকা ধান বোঝাই লরি। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা গেল ধান বোঝাই লরিটি।তবে ঘটনার জেরে ওই কাঠের সেতু দিয়ে যান চলাচল আপাতত বন্ধ। ভিনরাজ্য থেকে ধান বোঝাই করে গলসি এলাকায় যায় লরিটি। চালক প্রথমে ওই কাঠের সেতু পেড়িয়ে পারাজ গ্রামের পাশে একটি রাইস মিলে ধান খালি করতে গিয়েছিল। সেখানে ধান খালি না হওয়ায় লরিটি ওই রাস্তা লোড অবস্থায় ফেরত আসছিল। এরপর পারাজের ডিভিসি সেচ ক্যানেলের কাঠের সেতুতে উঠলে অত্যাধিক অজনের দরুন আচমকা সেতুর কাঠের পাটাতন ভেঙে যায়। এরপরই গাড়ির সামনের দিকে চাকা পাটাতনে ঢুকে যায়। তবে ঘটনায় কেউ জখম হয় নি।

অক্টোবর ২৯, ২০২২
রাজ্য

দামোদরে ডলফিন, নদী বক্ষে আপন মনে নানা খেলায় মত্ত, উৎসুক জনতার ভিড় পাড়ে

দামোদরে দেখা মিলল ডলফিনের, ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। রবিবার গলসির শিল্লাঘাটে হঠাৎ দেখা মেলে একটি ডলফিনের। সকালে ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ডলফিনটি মুখ তুলে নদীর জলে স্রোতের বিপরীত যেতে দেখেন তারা। জলে ডলফিনটিকে আপন মনে খেলা করতে দেখে ভিড় জমান উৎসুক মানুষজন। স্থানীয়রা বাসিন্দারা ঘটনা কৌতুহলের সঙ্গে উপভোগ করতে থাকেন। ডলফিনের খেলা করার দৃশ্য অনেকেই মোবাইল বন্দি করে রাখেন। এলাকার বাসিন্দারা বলেন বেলা দশটা থেকে দুপুরে পর্যন্ত ডলফিনটিকে দেখা যায়। তবে দুপুর আড়াইটার পর আর দেখা যায়নি ডলফিনকে। ডলফিনটি দামোদরের মাঝ বরাবর স্রোতের বিপরীত দিকে উঠে যাচ্ছিল। তাদের অনুমান, ডলফিনটি সমুদ্র বা অন্য কোনও বড় নদী থেকে দামোদরে এসেছে।ডলফিন দেখতে রবিবারের পর সোমবারও স্থানীয় বাসিন্দারা দামোদর পাড়ে ভিড় করেন। তবে এদিন আর ডলফিনের দেখা মেলে নি। এই বিষয়ে অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী জানান, আমরা নজর রেখেছি।আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের বনকর্মীদের সঙ্গে আমি নিজেও দামোদরে গিয়ে তদারকি করবো।

অক্টোবর ১০, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে শাসক দলের নেতা জড়ালেন 'খাস' কেলেঙ্কারীতে

খাস জমি নিজের বাবা মায়ের নামে পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ব্লকের ভূমি দপ্তরের কাজ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ। যা নিয়ে বারবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এবার গলসিতে ৬৭ শতক খাসজমি নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে খোদ গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কুর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গলসি ২ নম্বর ব্লক বিএলআরওকে লিখিত ভাবে অভিযোগে জানিয়েছেন গলসি ২ নম্বর ব্লকের মসজিদপুর গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুলমুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। অভিযোগে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কু তার সময়েই ওই দুর্নীতি করেছেন। তাদের দাবী, ক্ষমতা ও টাকার বলে ওই জমির পাট্টা বের করে নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করিয়েছেন রুবিমনি। তবে জমিটি এখনও তেঁতুল মুড়ি গ্রামের কয়েকজন চাষি চাষ করেন। অভিযোগকারীরা আরও জানিয়েছেন, বেলান মৌজায় অবস্থিত ওই জমিটির দাগ নম্বর ১০৫৪। গোরা জমিটির পরিমাণ ২ একর ৭৬ শতক। সেখান থেকেই ৬৭ শতক জমি পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছেতবে জমিটি এখনও স্থানীয় চাষিদের দখলেই রয়েছে। মূল্যবান ওই জমিটি গলসি-শিকারপুর রোডের পাশে অবস্থিত। বিষয়টি নিয়ে গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিএলআর প্রবোধ আড্ড এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল স্কুল পড়ুয়া সহ এলাকাবাসী

বেহাল রাস্তা অবস্থা। পাকা দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল এলাকার স্কুল পড়ুয়ারা সহ এলাকাবাসীরা। গলসি এক নম্বর ব্লকের লোয়া কৃষ্ণরামপুর অঞ্চলের মানুষের সাথে বেশকিছু স্কুল পড়ুয়ারা আন্দোলনে সামিল হয়। প্লাকার্ড হাতে তারা স্কুল না যাবার স্লোগান দিতে থাকে। তারা জানাই, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দুয়াটুকুড়ি থেকে অমরপুর যাবার পাঁচ ছয় কিমি রাস্তার বেহাল দশা। বিষয়টি নিয়ে তারা কয়েকবার গলসি ১ নং ব্লক বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাতে সুরাহা না মেলায় এদিন পথ অবরোধ করেছেন। তাদের দাবী ওই রাস্তার জন্য গ্রামে আসেনা অ্যাম্বুলেন্স। ফলে নিত্য দুর্ভোগ পরেন রোগী ও প্রসুতি মায়েরা। তাছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে কসবা রাধারানী হাই স্কুল ও লোয়া দিবাকর হাই স্কুলে পড়তে যায় এলাকার শতশত স্কুল পড়ুয়া। এমনকি ওই রাস্তা দিয়ে লোয়া ও পুরসা হাসপাতাল যেতে হয় এলাকার মানুষদের। গোটা রাস্তা জুড়ে বড়বড় গর্ত হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার নারানপুর, সোদপুর, কেন্দুয়াটুকুড়ি, সোদপুর মানা, জয়কৃষ্ণবাটি, কসবা, জাঁহাপুর, মৌগ্রামার সাত থেকে আট হজার মানুষ। এমনকি কসবায় ব্যাংক, পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিও অফিসে যেতে নিত্য সমস্যায় পরছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবী দ্রুত নতুন রাস্তা তৈরী করুক প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজনীতি

শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ঘরবাড়ি ভাঙচুর গলসিতে

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে গলসি ১ নম্বর ব্লকের পারাজ গ্রামে ভাঙচুর চলে। দুটি চালাঘর ও বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাতে গলসির রকোনা গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে খেলা ছিল। সেখানে এলাকার পারাজ অঞ্চল একাদশ ও উচ্চগ্রাম একাদশ মুখোমুখি হয়। পারাজ অঞ্চল চার গোলে জয়লাভ করে। বিজয়ী ট্রফি নিয়ে পারাজ গ্রামে ফিরলে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। এরপরই দুটি গোষ্ঠীর চারটি বাইক ভাঙচুর হয়। এর পাশাপাশি দুটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মুখে কুলুপ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসর নেতৃত্বর।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার বলি তিন

ফের জাতীয় সড়কে বলি। পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের গলসিতে পথ দুর্ঘটনায় নিহত হল তিন জন। মৃতদের নাম বাবুল কেনাই (৪৫)। মহাদেব বাগদী (২৮)। রাহুল বাগদী (১৮)। বাবুলের বাড়ি আউসগ্রামের মাঝের গ্রাম। মহাদেবের বাড়ি গলসি থানার অনুরাগপুর গ্রামে আর রাহুলের বাড়ি কাঁকসা থানার বাঁদরা গোপালপুর গ্রামে। মহাদেবের গ্রামে পুজো উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। তাই তিনি তার বেয়াই বাবুল কোনাইকে সঙ্গে নিয়ে কাঁকসার বাঁদরা গোপালপুরে গিয়েছিলেন তাদের আত্মীয় রাহুল বাগদীকে আনতে। সেখান থেকে অনুরাগপুর গ্রামে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার রাত আটটার সময় তারা যখন জাতীয় সড়কে ধরে পারাজ মোড়ের কাছে যান। ওই সময় পিছনের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা মারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন তিনজনই। দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে গলসি থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার জেরে অনুরাগপুরে গ্রামের পুজো উপলক্ষে হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

বোরজানের বারোমাস্যা, দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান

বছর বদলালেও দুর্দশার জীবন বদলায়নি বোরজানের। বছর দুই আগে ভেঙে পরে মাথার উপরে থাকা চালাঘরটি। বৃষ্টি হলেও সব জল ঢুকে পরে বাড়িতে। এরফলে বসত ভিটের ভাঙা ঘর আগলে নিত্য দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বাবলা গ্রামের বোরজান। দুঃখ আর যন্ত্রণা এখন নিত্য সঙ্গী তার। তার বড় প্রয়োজন মাথার উপরে একট ফালি ছাদ।সমস্যার বারোমাস্যা নিয়ে বারবার স্থানীয় গলসি গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে গেলে, সেখান থেকে কোন সুরাহা মেলে নি। এদিকে শারীরিক অসুবিধার জন্য উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই সপ্তাহের কয়েকদিন রেশনের চাল রান্না করে ও কয়েকদিন পরের বাড়িতে খাবার খেয়ে কোনরকম দুবেলা পেট চলান। কোন কোন দিন আবার উপসেও দিন কাটাতে হয় রোবজানকে।বোরজানের স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। ফলে ১৫ বছর আগে তার তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে চলে যায় তার শ্বাশুড়ি। সেখানেই তাদের লালন পালন করে মানুষ করছেন তার শ্বাশুড়ি। ছেলেরা এখন বেশই বড় হয়েছে। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করে। ছেলেদের উপার্জনে পরিবারের দিন ফিরলেও দুর্দশাগ্রস্ত বোরজানকে তারাও কেউই দেখেনা। এমনকি বোরজান শ্বশুরবাড়ি শিড়রাই গেলেও তাকে বের করে দেয় শ্বাশুড়ি। ফলে ভাঁঙা ঘরের অ্যাজবেস্টারের নিচে দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু দম্পতির

বজ্রপাতে মৃত্যু হল ক্ষেতমজুর দম্পতির। মৃতদের নাম বিষ্টুপদ বাগদি (৪৩) ও মমতা বাগদি (৪০)। পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভেঁপুর গ্রামের পুর্ব পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার সকালে তারা মাঠে ধান জমিতে আগাছা পরিস্কারের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের শেষে দুজনই বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটা একটা নাগাদ আচমকা বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হলে দুজনই জমিতে ছিটকে পরে যান। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে মাঠের এগোরো হাজারের বিদ্যুৎের খুঁটির তার ছিঁড়ে জমিতে পরে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। একটু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। তারা পুলিশে খবর দিলে দুরঘটনাস্থলে যায় গলসি থানার পুলিশ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। পুলিশ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান বজ্রপাতের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিষয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান সাউথ ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার সুমন পাল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের আগের পোলের পিন ইনসুলেটারে বাজ পরে তার কেটে যায়। তাছাড়া ওই জায়গার বিদ্যুৎের পোলে লাইটিং হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে না বাজ পড়ে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত না হলে বলা সম্ভব নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

স্থানীয় চাষিদের বিক্ষোভে বন্ধ মাটির তলায় গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর কাজ

ধানের জমিতে গ্যাসের পাইপ লাইন বসানোর কাজ আটকে দিলেন এলাকার চাষীরা। পাইপ বসানোর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিঘের পর বিঘে সদ্য রোপন করা ধান জমি। প্রতিবাদে তাই গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেডের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুড়িয়া গ্রামের চাষিরা। তাদের দাবী পাইপ লাইন বসানোর জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছে গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেড। সেই জমির মাটি খনন করায় তিন চার কিলোমিটার লম্বা একটি জলাশয় তৈরী হয়েছে মাঠের মধ্যে। এতেই বৃষ্টির ও সেচের জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এলাকার চার থেকে পাঁচশো বিঘে রোয়া ধানের জমির জলের তলায় চলে গেছে। বার বার বলার পরেও সেই জল নিকাশীর কোন ব্যবস্থা করেনি ওই সংস্থা।শুক্রবার কাজ শুরু হতেই এলাকার চাষিরা গিয়ে আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের জেরে কাজ বন্ধ করে মাঠ থেকে উঠে পড়েন পাইপ লাইনের কাজে কর্মরত শ্রমিকরা। পাশাপাশি পাইপ লাইন বসানোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মেশিনও তুলে নেওয়া হয় কোম্পানীর পক্ষ থেকে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিচারের দাবীতে থানায় বিক্ষোভ জানালেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শ'খানেক মানুষ

শুক্রবার সন্ধ্যায় দুটি ট্রাক্টর, দুটি চারচাকা ও বেশকিছু মোটর সাইকেল নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শখানেক মানুষ গলসি থানার উপস্থিত হন। উল্লেখ্য গত ২৬ জুন রবিবার গলসির ইরকোনাতে এক যুবকের ঝুলন্ত পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। গাম সুত্রে জানা যায় মৃত ওই যুবকের নাম সেখ মনিরুল(২৭)। তিনি গলসি থানার বন্দুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সেই ঘটনায় মৃতের পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। মৃতের বাবা ও ভাইয়ের অভিযোগ, খায়রুল সেখকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু দোষীদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। ওই ঘটনায় তারা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। গত ২৩ জুন বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ ছিল মনিরুল। পরিবারের লোকেরা বিভিন্ন আত্মীয় পরিজনদের কাছে খোঁজ খবর নেন। ওই বিষয়ে তারা গলসি থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরিও করেন। এরপরই, পাশের গ্রাম ইরকোনার একটি গোয়াল ঘরের দোতালার পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনিরুলের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের আটক করার দাবীতে আজ তাঁরা গলসি থানায় বিক্ষোভ জানাতে হাজির হয়।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে সমীকরণ চেঞ্জ, তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠীর উত্থান

শহিদ দিবসে মুখে গোষ্ঠী কোন্দলে দাঁড়ি টেনে তৃণমূলের ঐক্যের ছবি দেখা গেল গলসির ১ ব্লকে। রবিবার বিকেলে রামগোপালপুর বাজারে একুশে জুলাই প্রস্তুতি পথসভাতে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মাথা গলসি ১ ব্লকের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি জাকির হোসেন। জামালপুরের বিধায়ক (গলসির প্রাক্তন বিধায়ক) তথা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি অলোক মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান জাহির আব্বাস, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রোকেয়া বেগম প্রমুখ। জনার্দনবাবু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা সকলকে ডেকেছিলাম। জাকির হোসেন এসেছেন। সবাই দলের হয়ে লড়াই করবো। আর জাকিরবাবুর বক্তব্য, আমাদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি ছিল। তবে আমাকে ব্লক সভাপতি ডেকেছিলেন। জনার্দন দা আমার রাজনৈতিক গুরু। গুরুর ডাকে এসেছি। এবার গুরুশিষ্য এক সঙ্গে দলের কাজ করবো। যদিও বিরোধীদের দাবি, আজই নতুন গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সেই গোষ্ঠীর এক দিকে প্রধান জাকির, জনার্দন আর অন্যদিকে বিধায়ক নেপাল ঘরুই, দল যুব সভাপতি পার্থ মণ্ডল, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির এক জেলা নেতার দাবি, এবার তো গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের নতুনগোষ্ঠীর খেলা হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি,গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নতুন নয়। দলের বিভাজন তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তখন এক গোষ্ঠীর মাথায় ছিলেন জনার্দনবাবু আর অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষে ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পরেশ পাল। মাঝে দুজনেই রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। সেই সময়ে দলের ব্লক সভাপতি দায়ীত্ব সামলদেন জাকির হোসেন। আর দলের ব্লক যুব সভাপতির পদে আসীন ছিলেন পার্থ মণ্ডল। তখন এক গোষ্ঠীর একটি মাথা হয়ে যান জাকিরবাবু আর অপর গোষ্ঠীর শীর্ষে থেকে যান পার্থবাবু। কিন্ত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জাকিরকে সরিয়ে এক প্রকার ঘর থেকে তুলে এনে জনার্দনবাবুকে ব্লক সভাপতির পদে বসিয়ে দেন। সেই থেকেই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের সম্পর্কের অবনতি শুরু। তারপরে ব্লকে একাধিক বার একাধিক গ্রামে অশান্তির ঘটনা ঘটে। লাগাতার বোমা গুলিগালা চলে। শনিবার সন্ধ্যাতেও খলসেগড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। ভাঙচুর হয় বাইক, টোট সহ দলীয় কার্যলয়। এই পরিস্থিতির জন্যও জাকির গোষ্ঠী এবং জনার্দন গোষ্ঠী পরস্পরকে দোষারোপ করে।দলের একাংশের দাবি, ক্রমে এই কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের প্রচার নিয়েও বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছিল। গলসি বিধানসভার দলীয় প্রার্থী নেপাল ঘরুই সমর্থনে পৃথক প্রচার চালায় দুই গোষ্ঠী।দলীয় কর্মীদের দাবি, দলের ক্রমাগত দ্বন্দ্বের ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে গলসি বিধানসভাতে বিজেপি থেকে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।লোকসভাতে পিছিয়ে থাকা তার উপর দলের চরম গোষ্ঠী কোন্দল বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কে ভাবিয়ে তুলেছিল বলে দাবি তাঁদের। তাঁরা জানান, এমন পরিস্তিতি তৈরি হয় অলোক মাঝিকে গলসি বিধানসভা থেকে সরিয়ে তার পরিবর্তে নেপাল ঘরুইকে ২০২১ সালে প্রার্থী করতে হয়। সেই সময় বহু পরিশ্রম করে তৃণমূলকে বৈতরণী পার হতে হয়েছে। গলসিতে তৃণমূল জিতলেও গোষ্ঠীকোন্দল কিছুতেই থামছিল না। জেলার এক নেতার দাবি, এই পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থেই বিবদমান দুই নেতাকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। সামনে পঞ্চায়েত, বছর দুয়েকের মধ্যে আবার লোকসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে দলের দ্বন্দ্ব মিটানোই লক্ষ্য। কিন্তু, তা হয়ে উঠছিল না। এ দিন মিছিলের পরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জেলা নেতৃত্ব। হাঁফ ছাড়েন অলোকবাবুও। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের এই টিম গলসি বিধানসভা জিতিয়ে দিদির হাতে তুলে দিয়েছিল। আবার এক মঞ্চে তারা। খুব ভালো লাগছে। অলোক বাবু আশাবাদী হলেও এদিন সভাতে দেখা যায়নি, গলসির বিধায়ক নেপাল ঘরুই, ব্লকের যুব সভাপতি পার্থবাবুকে, দলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা আর গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলের একাংশের দাবি, তাঁরা জাকিরবাবু বিরোধী হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল মিটিংও করছেন। জাকিরবাবু আর জনার্দনবাবুকে এক করতে গিয়ে নতুন একটা গোষ্ঠীর জন্ম করে দিয়ে গেলেন অলোকবাবু এমনটাই অভিযোগ দলের নীচু তলার বহু কর্মীর।

জুলাই ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে বড় খবর বাংলাদেশ থেকে! আরও দুই মামলায় জামিন, তবে এখনই মুক্তি নয়

বাংলাদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে আরও দুটি মামলায় জামিন পেলেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।আইনজীবী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় পুলিশি কাজে বাধা এবং ভাঙচুরের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। সেই দুই মামলাতেই এ দিন জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তবে এই জামিনের পরেও এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাঁর জামিন এখনও স্থগিত রয়েছে।বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট জামিন দিয়েছে। অন্য দুটি মামলায় জামিনের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে। ফলে একাধিক মামলায় আইনি লড়াই এখনও চলছে।২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর জামিনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।এর পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের উপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগেও একাধিক মামলা হয়। সেই মামলাগুলির মধ্যেই কয়েকটিতে এখন আদালত থেকে জামিন মিলছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির ঘটনায় ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। দিল্লির তরফে বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল।২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেফতার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে।ভোটের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের একাধিক মামলায় জামিনের বিষয়টিও নতুন করে নজরে এসেছে।তবে দুই মামলায় জামিন পেলেও এখনও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ফলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কবে জেল থেকে মুক্তি পাবেন, তা নির্ভর করছে বাকি মামলাগুলির আদালত-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য আচমকা কড়া নিয়ম! বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় ঢুকতে লাগবে সরকারি অনুমতি

বন্যাবিধ্বস্ত নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে বলেন্দ্র শাহর সরকার। সরকারি অনুমতি ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন না বিদেশি সাংবাদিকেরা। সেখানে যেতে হলে সরকারি অনুমতিপত্রের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিও সঙ্গে রাখতে হবে।নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটেকোশি এবং ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিদেশি সাংবাদিকদের আগে সরকারি দপ্তর থেকে অনুমোদন নিতে হবে। নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে সেই আবেদন করতে হবে।আবেদনের সময় সাংবাদিকদের বৈধ ভিসা বা প্রবেশের অনুমতিপত্র-সহ পাসপোর্টের অনুলিপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি যে সংবাদমাধ্যমে তিনি কাজ করেন, সেই সংস্থার সুপারিশপত্রও প্রয়োজন হবে। যে দেশ থেকে সাংবাদিক নেপালে এসেছেন, সেই দেশের দূতাবাস বা বিদেশ মন্ত্রকের সুপারিশপত্রও জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে সাংবাদিক হিসাবে নিজের পরিচয়পত্রও দেখাতে হবে।নেপাল প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদন খতিয়ে দেখার পর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদন দেওয়া হবে। সেই অনুমোদনের মেয়াদ থাকবে ১৫ দিন। বিদেশি সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য একটি বিশেষ সাহায্যকেন্দ্রও চালু রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।তবে আচমকা বিদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে এত কড়া নিয়ম কেন জারি করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নেপাল সরকারের তরফে এর নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। ফলে নতুন নির্দেশকে ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে চিনকে ঘিরে। কারণ, যে এলাকাগুলিতে বন্যার খবর সংগ্রহে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ উত্তর নেপালের তিব্বত সীমান্তের কাছে। এই কারণে নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা থেকেই বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে চিনের চাপে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।এর আগে বন্যাবিধ্বস্ত ওই এলাকায় বিদেশি সাহায্য নিয়েও নেপাল সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছিল বলে জানা যায়। পরে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। এবার বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নিয়ম জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসের পর ত্রিশূলী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বান নামে বলে জানা গিয়েছে। তার জেরে উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার জেরে বহু মানুষ নিখোঁজ এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩৪৪ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ ও নিখোঁজদের সন্ধান চলতে থাকায় এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতার মধ্যেই বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে নেপাল সরকারের নতুন নির্দেশিকা তাই নতুন করে নজর কেড়েছে। নিরাপত্তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় রয়েছে, তা নিয়ে এখন জল্পনা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

মোদীর শোকবার্তার পরই কংগ্রেসের আক্রমণ! সত্য নিকেতন বাড়ি ধস নিয়ে দিল্লিতে চাপানউতোর

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছজনকে। তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকবার্তায় তিনি জানান, দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে।এই দুর্ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেসও। দলের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাড়ি ধসের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।দিল্লির বাড়ি ধসের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। দিল্লি পৌরনিগমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এই দুর্ঘটনার দায় নিয়ে পৌরনিগমের কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।বিরোধীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু হওয়ার আগেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের আন্দোলনে নামানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্পষ্ট নয়।বাড়ি ধসের ঘটনায় মৃতদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, বাড়িটির নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ঠিক কী কারণে ছতলা বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা জানতে তদন্তের দিকেও নজর রয়েছে।এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিয়ে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সত্য নিকেতন এলাকায় শোকের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মিরিকে পাহাড় ধসের পর ভয়াবহ আশঙ্কা! নদী আটকে তৈরি বিশাল জলাধার, ঘরছাড়া ৩৩ পরিবার

পাহাড় জুড়ে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ল দার্জিলিংয়ের মিরিকে। শনিবার থেকে মিরিক বস্তি-দুই এলাকার রংভং নদীর কাছে শুরু হয়েছে ভূমিধস। পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নেমে নদীতে পড়ায় তার স্বাভাবিক গতিপথ আটকে গিয়েছে। এর ফলে নদীর জল জমে তৈরি হয়েছে বিশাল কৃত্রিম হ্রদের মতো পরিস্থিতি।এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নতুন করে ধস নেমে যদি কোনও ভাবে ওই জলাধারের অংশ ভেঙে যায়, তা হলে আচমকা হড়পা বান নেমে নীচের এলাকায় বিপদ তৈরি হতে পারে। সেই আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই নদী লাগোয়া এলাকা থেকে পরিবারগুলিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানিয়েছেন, ভূমিধসের খবর পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার ও পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকও করা হয়েছে।মিরিকের পাহিলাগাঁও স্কুলদারা-দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের লাবারবোটার লোয়ার পালজারগাঁও এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ৩৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপ রংভং নদীতে গিয়ে পড়েছে। ফলে নদীর জল স্বাভাবিক ভাবে নীচে নামতে পারছে না।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হ্রদের কাছাকাছি থাকা ৩৩টি পরিবারকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের স্থানীয় লেপচা কমিউনিটি হলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় রাজ্য ও কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা দল পাঠানো হয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ দল। উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজে অন্যান্য দলও নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকেও তলব করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না।নদী বিশেষজ্ঞ এবং ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কৃত্রিম হ্রদের মধ্যে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ জল কী ভাবে নিরাপদে বের করে দেওয়া যায়, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। জলরাশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও পরীক্ষা করা হচ্ছে।রংভং নদী পাহাড় থেকে নেমে সমতলে বালাসন নদীর সঙ্গে মিশেছে। ফলে কৃত্রিম হ্রদের কোনও অংশ আচমকা ভেঙে গেলে নীচের বিস্তীর্ণ এলাকায় তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। তবে এই মুহূর্তে হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় হবেই, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।দার্জিলিংয়ের সাংসদও জানিয়েছেন, কৃত্রিম হ্রদ ভেঙে বিপর্যয় ঘটবে কি না, এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। আগাম সতর্কতা হিসাবে নদী সংলগ্ন বিপজ্জনক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে মিরিকে ভূমিধস এবং রংভং নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের নজর এখন কৃত্রিম হ্রদের জলস্তর, নতুন করে ধস নামার সম্ভাবনা এবং নীচের এলাকার নিরাপত্তার দিকে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠে ভক্তদের জন্য সুখবর! পাঁচশো টাকার কুপন নয়, এবার মোবাইলেই মিলবে দর্শনের টিকিট

তারাপীঠ মন্দিরে দর্শনের নিয়মে বড় বদল। রবিবার থেকেই বন্ধ হয়ে গেল কাগুজে ভিআইপি কুপন। তার বদলে চালু হল ডিজিটাল টিকিটের ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করে ভক্তেরা এবার মা তারার ভিআইপি দর্শন করতে পারবেন।এতদিন তারাপীঠ মন্দিরে ভিআইপি দর্শনের জন্য পাঁচশো টাকার কাগুজে কুপন সংগ্রহ করতে হত। সেই কুপন নিয়ে ভক্তদের নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়াতে হত। এবার সেই ব্যবস্থায় বদল এনে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যার কথা মাথায় রেখেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রশাসন এবং মন্দির কমিটির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভক্তদের সুবিধার জন্য কাগুজে কুপনের বদলে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলক ভাবে পাঁচশো ভক্তের জন্য অনলাইনে ভিআইপি টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সময় বেছে নিয়ে টিকিট কাটার ব্যবস্থাও চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্দির কর্তৃপক্ষের আশা, ডিজিটাল ব্যবস্থায় কাগুজে কুপনের ঝামেলা কমবে। একই সঙ্গে ভিআইপি দর্শনের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে। রবিবার থেকেই নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গিয়েছে।কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলানো এবং দর্শনের ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতেই এবার নতুন পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।এক সেবাইত জানিয়েছেন, সকলের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাঁর কথায়, এর ফলে তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। কৌশিকী অমাবস্যার দিন একটি বিনামূল্যের লাইন থাকবে এবং অন্য একটি লাইনে টাকা দিয়ে দর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।ওই সেবাইতের আরও দাবি, কৌশিকী অমাবস্যার দিন কোনও সেবাইত, মন্ত্রী বা আমলাও গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে বিশেষ দিনে ভক্তদের দর্শন ব্যবস্থায় যাতে কোনও বৈষম্য না থাকে, সে দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।সব মিলিয়ে কৌশিকী অমাবস্যার আগে তারাপীঠ মন্দিরে দর্শন ব্যবস্থায় এই পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। এখন নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা কতটা সফল হয় এবং ভক্তদের কতটা সুবিধা হয়, সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে রবিবারের দুপুরে বিপর্যয়! মুহূর্তে ভেঙে পড়ল ছয়তলা বাড়ি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার

দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি ছয়তলা বাড়ি। বাড়িটি পিজি আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা হত বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে বহু মানুষ ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। ফলে ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুপুর দেড়টা নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে বাড়িটি। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধুলোয় ঢেকে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। অন্তত ১২টি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য এক্সকাভেটরও নামানো হয়েছে। আরও ভারী যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে।উদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যা নিয়ে অবশ্য প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সরকারি এক প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ছজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য দিকে পুলিশের তরফে তিন জনকে উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে ঠিক কত জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কত জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সত্য নিকেতন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। এলাকায় বহু পড়ুয়া থাকেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় ওই পিজিতে অন্য দিনের তুলনায় বেশি পড়ুয়া ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িটির ভিতরে প্রায় ৫০ জন থাকতে পারেন। যদিও এই সংখ্যা প্রশাসনের তরফে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে হাত লাগান। উদ্ধারকারী দল পৌঁছনোর আগেই তাঁরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে থাকা এক পড়ুয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকারও শোনা গিয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মা। তাঁর দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আটকে থাকা প্রত্যেককে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পাশের বাড়িটিও খালি করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে থাকলে তাঁদের নিরাপদে বের করে আনাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।তবে ঠিক কী কারণে ছয়তলা বাড়িটি আচমকাই ভেঙে পড়ল, তা এখনও জানা যায়নি। বাড়িটির কাঠামোগত কোনও সমস্যা ছিল কি না, নির্মাণে কোনও ত্রুটি হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনাতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই মুহূর্তে সত্য নিকেতনে উদ্ধারকাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না এবং তাঁদের কত দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই নজর প্রশাসনের।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কাদের ফেরাবে তৃণমূল, কাদের নয়? কুণালের মন্তব্যে প্রকাশ্যে এল দলের অবস্থান

বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে আরও জোরাল হয়েছে দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের ঘরে ফেরার জল্পনা। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া অনেক বিধায়ক এবং সাংসদ এখনও দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, দল ছেড়ে যাওয়া সকলেই একই রকম নন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এখনও যোগাযোগ রাখছেন। কয়েক জন বিধায়ক ও সাংসদ বিভিন্ন কারণে দল ছেড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।কুণালের দাবি, বিধায়কদের মধ্যে কয়েক জন দুর্নীতি বা নানা অভিযোগ আড়াল করতে দল ছেড়েছেন। আবার কেউ পুরনো মামলার কারণে ভয় পেয়েছেন। কয়েক জনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলা করে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সেই কারণেও অনেকে দল ছেড়েছেন বলে জানান কুণাল।আরও দাবি, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েক জনের সঙ্গে তৃণমূলের এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যেও তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন। তবে সবাইকে এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।কুণালের ব্যাখ্যা, দলত্যাগী কোনও বিধায়ককে প্রকাশ্যে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করানোর পর তাঁর এলাকায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হলে তৃণমূলের পক্ষে নিয়মিত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ বর্তমানে বিজেপির কথা শুনছে। সাংসদদের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।কুণাল আরও বলেন, দলত্যাগী কয়েক জন এখনও অন্য দলে থাকলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা তৃণমূলের পক্ষে সুবিধাজনক। কারণ, তাঁদের মাধ্যমে সেখানকার নানা খবরও পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে সব নেতার জন্য তৃণমূলের দরজা খোলা নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন কুণাল। কারও নাম না করে তিনি বলেন, বিশেষ কয়েক জন এমন কাজ করেছেন, যাঁদের আর দলে ফেরানোর প্রশ্ন নেই। তাঁরা কালীঘাটের আশপাশে এলে দলের কর্মী-সমর্থকেরা তাঁদের গুড়-বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কুণালের এই মন্তব্যে তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা অনুব্রত মণ্ডলের পুরনো গুড়-বাতাসা মন্তব্যের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে। ফলে তাঁর বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এ দিকে কুণালের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কুণাল ঘোষ প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করেন। উল্টে কুণালদের সঙ্গে থাকা অনেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও পাল্টা দাবি করেন তিনি।ফলে এক দিকে কুণাল ঘোষের দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি, অন্য দিকে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা বক্তব্যদুই মন্তব্য ঘিরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সত্যিই দল ছেড়ে যাওয়া কোনও বিধায়ক বা সাংসদ তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন কি না, এখন সেই প্রশ্নই সামনে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
উৎসব

ন্যাচারাল সিটিতে সাবেকিয়ানার আবাহন, মহিলা পুরোহিতের পৌরোহিত্যে দুর্গাপুজোর অভিনব উদ্যোগ

বর্ধমান: বহুতলের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেও শিকড়ের টান অমলিন। শহুরে ব্যস্ততার আবরণ সরিয়ে বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, সাবেকিয়ানা এবং উৎসবের আবেগকে ছুঁয়ে দেখতে এবার অন্যরকম উদ্যোগ নিয়েছে বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ রোডের ন্যাচারাল সিটি আবাসন। ২০২৬ সালে আবাসনের একাধিক পুজোর বদলে সকলকে এক ছাতার তলায় এনে আয়োজিত হচ্ছে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজো। আর সেই পুজোর মূল ভাবনা সাবেকিয়ানা।এবার ন্যাচারাল সিটি সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির পুজো পা দিচ্ছে অষ্টম বর্ষে। আনুমানিক ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাজেটের এই পুজোয় আবাসনের প্রায় ২২০টি পরিবার সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন। তবে এই পুজো শুধুমাত্র দেবীর আরাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়াস, সম্প্রীতির বার্তা এবং নারীশক্তির উদযাপন।সাবেকি জমিদারবাড়ির আবহে দেবীর আরাধনাএবারের পুজোর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ গ্রামীণ বাংলার জমিদারবাড়ির সাবেকি দুর্গাপুজোর আদলে আয়োজন। আধুনিক আবাসনের পরিসরেই তৈরি হবে সেই চেনা আবহযেখানে পুজোর আড়ম্বরের চেয়ে গুরুত্ব পাবে রীতি, ঐতিহ্য ও আবেগ।সনাতন রীতিনীতি মেনে হবে দেবীর আরাধনা। প্রতিমাতেও থাকবে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাবেকি মূর্তি এবং ডাকের সাজে সেজে উঠবেন মা দুর্গা। আধুনিকতার ঝলমক নয়, বরং বাংলার চিরপরিচিত পুজোর স্মৃতি ও নস্টালজিয়াকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা থাকবে গোটা আয়োজনজুড়ে।তবে এবারের পুজোর সবচেয়ে অভিনব দিক নিঃসন্দেহে মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য। বর্ধমান শহরে মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে দুর্গাপুজো পরিচালনার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী। পুজো কমিটির ভাবনা নারী শক্তির উদয় হোক। পুরুষতান্ত্রিকতার প্রচলিত ধারণাকে পাশে সরিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও নারীর সমান অধিকার ও সক্ষমতার বার্তা পৌঁছে দিতে চায় কমিটি।বহুতলে থাকলেও নজর সবসময় মাটির দিকেশারদ পত্রিকা উপ-কমিটির কনভেনর সুদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধনই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আধুনিক নিশ্চয়ই হয়েছি, কিন্তু ঐতিহ্য বা সাবেকিয়ানা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারি না। আমরা যতই বহুতলে থাকি না কেন, আমাদের নজর থাকে সবসময় মাটির দিকে।মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, পুজো মানেই পুরুষ পুরোহিতএই পুরুষতান্ত্রিক ধারণার বিরুদ্ধে একটা বার্তা দিতে চাই আমরা। মহিলারাও পারেন, এই স্পিরিটটাকে সামনে আনতেই এবার মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে পুজো করানোর সিদ্ধান্ত।শুধু পুরোহিতের ক্ষেত্রেই নয়, পুজোর আয়োজক কমিটিতেও রয়েছে মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আবাসনের মহিলাদের নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পুজো কমিটি। অর্থাৎ দেবীর আরাধনার পাশাপাশি বাস্তবেও নারীশক্তির উত্থানকে সামনে আনতে চাইছে ন্যাচারাল সিটি।এক আবাসন, এক পুজোঐক্যের নতুন বার্তাঅন্যান্য বছর ন্যাচারাল সিটি আবাসনে একাধিক দুর্গাপুজোর আয়োজন হলেও ২০২৬ সালে সেই ছবি বদলেছে। এবার সমস্ত বিভাজন ভুলে আবাসনের পরিবারগুলিকে একত্রিত করে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের মধ্যেও রয়েছে সাবেকিয়ানার মূল বার্তাবৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। ভিন্ন মত, ভিন্ন পছন্দ কিংবা ভিন্ন পারিবারিক পরিসরকে অতিক্রম করে উৎসবের আনন্দে সবাইকে একত্রিত করাই এই পুজোর অন্যতম লক্ষ্য।মিডিয়া কমিটির সেক্রেটারি সন্দীপন ঘোষ জনতার কথাকে জানান, এবারের পুজোর থিম সাবেকিয়ানা, যার মূল বার্তা বৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। তাঁর কথায়, পুরোপুরি সনাতনী রীতিনীতি মেনে সাবেকি প্রতিমা এবং ডাকের সাজে সাজবে মা দুর্গা।তিনি জানান, পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে পঞ্চমী থেকে। পুজোর প্রতিটি দিনই আবাসিকদের জন্য থাকবে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। সন্ধ্যা নামলেই আবাসন চত্বর হয়ে উঠবে নাচ, গান, নাটক-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ। আবাসনের বাসিন্দারাই এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ফলে উৎসবের আনন্দ যেমন থাকবে, তেমনই আবাসিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতির বন্ধনও আরও দৃঢ় হবে।উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবএই পুজোর সঙ্গে প্রকাশিত হতে চলেছে একটি শারদ পত্রিকাও। নাম অর্ঘ। আবাসনের বাসিন্দাদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হবে এই পুস্তিকা। তাঁদের ভাবনা, লেখনী, স্মৃতি এবং অনুভূতির মধ্য দিয়ে পুজোর আবহ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।পুজো কমিটির বক্তব্যে উঠে এসেছে একটি সুন্দর দর্শন উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবকে খুঁজে নেওয়া। অর্থাৎ দেবীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, স্মৃতি, সংস্কৃতি, আনন্দ এবং সম্মিলিত অংশগ্রহণকেই উৎসবের আসল সার্থকতা হিসেবে দেখতে চাইছে কমিটি।৪ সেপ্টেম্বর খুঁটিপুজোয় শুভ সূচনাআগামী শারদোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১৫ আগস্ট ২০২৬ থেকেই। আর পুজোর প্রারম্ভিক সূচনা হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর, জন্মাষ্টমীর দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে খুঁটিপুজো। সেই থেকেই ধীরে ধীরে সেজে উঠছে ন্যাচারাল সিটি আবাসন।পুজো কমিটির সম্পাদক মলয় কুমার রায়, সচিব আরিজিত দত্ত এবং কনভেনার অনিন্দিতা ব্যানার্জি দত্ত-সহ কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্রায় ২২০টি পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এবারের পুজো যে শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনক্ষেত্রে পরিণত হতে চলেছে, তার আভাস মিলছে প্রস্তুতির শুরু থেকেই।আধুনিক বহুতলের আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার মধ্যেও মাটির গন্ধ, পুরনো দিনের স্মৃতি আর বাংলার চিরচেনা পুজোর আবেগকে ফিরিয়ে আনার এই প্রয়াস তাই নিছক একটি থিমের আয়োজন নয়। সাবেকিয়ানার হাত ধরে ন্যাচারাল সিটি যেন খুঁজে নিতে চাইছে তার শিকড়কেআর সেই শিকড়ের সঙ্গে জুড়ে দিতে চাইছে আগামী প্রজন্মকে।নারীর পৌরোহিত্য, সাবেকি প্রতিমা, ডাকের সাজ, জমিদারবাড়ির পুজোর আবহ এবং ২২০ পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণসব মিলিয়ে বর্ধমানের শারদোৎসবের মানচিত্রে এবার আলাদা করে নজর কাড়তে চলেছে ন্যাচারাল সিটির এই সাবেকিয়ানার দুর্গাপুজো।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal