• ২২ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Galsi

রাজনীতি

গলসি ১ ব্লকের অদ্ভুত রাজনৈতিক সমীকরণ, একাধিকবার পরিস্থিতির পট-পরিবর্তন

এক সময় তাঁরা ছিলেন কার্যত গুরু-শিষ্য। পরে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। দুজনের মধ্যে শত্রুতাও চরমে ওঠে। দুই নেতার অবস্থান হয়ে যায় দুই মেরুতে। আর তাঁদের অনুগামীর সংঘাতে একাধিকবার রক্ত ঝরেছে ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে। তাঁরা হলেন তৃণমূলের জেলা কমিটির সহ সভাপতি সেখ জাকির হোসেন আর গলসি ১ ব্লকের জনাদর্ন চট্টোপাধ্যায়। গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে পর্যন্ত দ্বন্দ্ব চলেছে দুই নেতার মধ্যে। দলের একাংশ বলছেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকে গলসি ১ ব্লকে একই সঙ্গে ছিলেন ব্লক সভাপতি জনার্দন চ্যাটার্জী, বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, যুব নেতা পার্থ সারথি মণ্ডল এবং অনুপ চ্যাটার্জী সহ যুব, মহিলা, আইএনটিইউসি সভাপতিরা। আর ৯টি অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতিরাও ছিলেন জনার্দনবাবুর সঙ্গে৷ অন্যদিকে জাকিরকে দলে ব্রাত্য করে দেন জনার্দন, বলে অভিযোগ। সেই চিত্র বদলে যেতেই রাজনৈতিক চর্চাও বেড়েছে গলসিতে।তখনই জাকির হোসেন বুঝে গিয়েছিলেন তার অনুগামীরা টিকিট পাবে না। আর সেটাই সত্যি হয়। তাঁর অনুগামীরা টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন বলে দলের কিছু নেতার অভিযোগ। দলের অনেকেই বলছেন, শিক্ষা দিতে দলকে হারানোর জন্য পরিকল্পনা করেছিলেন জাকির ও তাঁর অনুগামীরা। গলসি তৃণমূল কংগ্রেস অফিসে এমনও জল্পনাও শোনা যায়। দলের টিকিট পাওয়া পার্থীদের হারাতে কোথাও সিপিএম, কোথাও কংগ্রেস এমনকি বিজাপির সঙ্গে তাঁর অনুগামীরা হাত মেলান। এমন আবহে পঞ্চায়েত ভোটের ফল প্রকাশের কয়েক মাসের মধ্যে জনার্দন আর জাকিরকে এক মঞ্চে দেখে দলে চলছে জোর গুঞ্জন। হঠাৎই দুই নেতার কাণ্ড দেখে এলাকার মানুষ তো বটেই, অবাক হচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীরাও। তাঁদের এই আঁতাতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে রীতিমতো জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, জাকির যেমন পঞ্চায়েত ভোটের আগে ব্রাত্য হয়ে পড়েছিলেন। তেমনি, একটা সময় ছিল জাকির ও তাঁর অনুগামীদের দাপটে জনার্দনও কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। প্রায় গৃহবন্দি হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তখন ব্লকে জাকির আর যুব নেতা পার্থ সারথি মণ্ডলের অনুগামীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই ছিল। বহু রক্তারক্তি হয়েছে সেই সময়। সেই দ্বন্দ্ব মেটাতে জনার্দনকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে এসে ব্লক সভাপতি করে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। তখনই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের দ্বন্দ্ব প্রকট হয়।কিন্তু, এবার পঞ্চায়েত ভোটের পরেই ফের সমীকরণ বদল হল। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, জাকির আর জনার্দনের মধ্যে কী এমন হলো যে দুই মেরুতে থাকা দুই নেতাকে দুজন দুজনের হাত ধরতে হলো? রাজনৈতিক মহল বলছে, এলাকার নেতৃত্ব কায়েমকে কেন্দ্র করে সেই জাকিরের সঙ্গে জুটি বাঁধতে হয়েছে জনার্দনক। আবার গুরু শিষ্য এক হয়েই চলার চেষ্টা করছেন তাঁরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্লকের এক নেতার কথায়, বর্তমানে দুই নেতাই অস্তিত্ব সংকটে। তাই পিঠ বাঁচাতে তাঁরা একই মঞ্চ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। দলের একাধিক মিটিং-এ পাশাপাশি চেয়ারে বসছেন। যা দেখে অনেকেই আবার বলছেন, হয়তো রাজনীতির নতুন সমীকরণ তৈরি হল গলসিতে। সেই ইঙ্গিতও মিলছে। দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় বিধায়ক নেপাল ঘোরুই, যুব সভাপতি পার্থ সারথি মণ্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চ্যাটার্জী ও ব্লক নেতা মহম্মদ মোল্লাদের এড়িয়ে চলছেন জনাদর্নবাবুরা। শুধু তাই নয়, এক সভাতে বিধায়কদের সঙ্গে একই সুতোতে বেঁধে বিডিও (গলসি ১) দেবলীনা দাসকেও আক্রমণ করছেন খোদ জানার্দনবাবু। যা নিয়ে জনার্দনবাবুদের রাজনৈতিক আর্দশ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।তাঁরা বলছেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে দোলন দত্ত নামে এক কর্মীকে বুদবুদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকান্তনগর সিটে টিকিট দেয় দল৷ দোলন জিতেও যান৷ এবং তার পরেই বুদবুদ পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে গণ্ডগোলে জড়িয়ে পড়েন৷ তাঁর বিরুদ্ধে সুকান্তনগরে যে কোনও জায়গা কেনাবেচা এবং বাড়ি তৈরি থেকে মোটা টাকা কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠে। এমনকি, তাঁর বিরুদ্ধে সুকান্তনগরে এক আর্মি অফিসার কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। শুধু তাই নয়, কাটমানি দিতে অস্বীকার করলে তার রড চুরি করেন দোলন, এমন অভিযোগ করেছিলেন ওই আর্মি অফিসার। বিষয়টি জানাজানি হতেই আর্মির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর থেকেও চাপ আসে দলের একাংশের কাছে৷ চাপে পড়ে রড চুরির কথা স্বীকার করে ক্ষমা চান দোলন। রড ফেরত দিতে বাধ্য হন৷ সেই দোলনকে এবার পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি করতে চেয়েছিলেন জনার্দনবাবু। দল তাঁর নাম মনোনীত করে। কিন্তু যাদের জনার্দনবাবু টিকিট দিলেন তারাই দোলনকে মানতে রাজি হল না৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি-র সাথে যোগযোগ রাখা জাকিরের সঙ্গে জনার্দনবাবুর ঘনিষ্ঠতা জনার্দনের অনুগামীরা মেনে নিলেন না৷ আর এই সব ক্ষোভ সহ সভাপতি নির্বাচনে পড়ল৷ তারই ফলস্বরূপ ভোটাভূটিতে অনুপবাবু দ্বিতীয়বার আবার সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন৷ দলের নির্দেশের বিরুদ্ধে ভোটাভুটি হলেও তা নিয়ে কোন প্রতিবাদ করেননি এমএলএ। তাই বিধায়কের সঙ্গে জনার্দন দূরত্ব বাড়ান, আর বিডিওর সঙ্গে অনুপের ভালো সম্পর্ক থাকাতে বিডিও হয়ে গেলেন জনাদর্নবাবুর চোখের বালি। তাই জনার্দনবাবু দলের শৃঙ্খলাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে এমএলএ ও বিডিওদের বেহিসাবি আক্রমন শুরু করছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলেরও একাংশ বলছেন, শাসক দলের নেতার মুখে যদি বিডিওর বিরুদ্ধে অনৈতিক মন্তব্য হয় তা হলে বিরোধীরা এই প্রশাসনকে মানবে কেমন করে? তাই দ্রুত জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়ে পদক্ষেপ করুক এমনটাই চাইছেন তাঁরা।অভিযোগ, শুধু জনার্দন নন, প্রশাসন আর দলের নেতৃত্বকে বারবার ছোট করার চেষ্টা করেছেন জাকির। আর এই চেষ্টা চলে আসছে দল যখন থেকে তাঁকে ব্লক সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন সেই তখন থেকেই। তৃণমূলের এক নেতা বলেন, দলের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হেনস্তা করতে তাঁর কর্মসূচি মানকরে নবজোয়ারে অশান্তি পাকিয়েছিলেন জাকির ঘনিষ্ঠরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে, নবজোয়ার কর্মসূচি হয় মানকরে৷ সেই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন, দলের সর্ব ভারতীয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কর্মসূচির নোডাল অফিসারের দায়িত্ব পান অনুপ চ্যাটার্জী৷ তাই কর্মসূচি ভণ্ডুল করতে জাকির গোষ্ঠী ওঠে পড়ে লেগে যায় বলে দলেরই একাংশের অভিযোগ। বিভিন্ন অজুহাতে তাঁর অনুগামীরা কর্মসূচি চলাকালীন মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে তাঁরা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, আর এই মারপিটের বিষয়ে খোঁজখবর অভিষেকের কানে পৌঁছায়৷ তার পরেই আরও দলের বিরোধী হয়ে যান জাকির। ওদিকে প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই সবাই যখন ধরে নিয়ে ছিলেন অনুষ্ঠান বাতিল তখন বুদবুদ থেকে তিনশো শ্রমিক নিয়ে গিয়ে সভাস্থল সভা করার উপযোগী করেন অনুপবাবু৷ তার এই কাজের জন্য দল সহ প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়ে নেন। দলের কর্মীদের দাবি, বহু প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নবজোয়ার কর্মসূচিতে অনুপকে আটকাতে পারেনি জাকিরবাবুরা। অনুপবাবু এবার পঞ্চায়েতে বুদবুদ বাজারের পিএস-৮ থেকে ১৮০০-এর বেশি ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন৷ তবে এর আগেও পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ডে সহ সভাপতির পদ সামলেছেন অনুপবাবু। আর সেই সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যত রনংদেহি মূর্তি ধারণ করেছিলেন তিনি৷ তৃণমূলের প্রথম পঞ্চায়েত সমিতি, টোল থেকে আয় করত প্রায় ২০-২৫ লাখ৷ অনুপবাবু সেটাকে ১ কোটিতে নিয়ে যান৷ পারাজের ডিভিসির উপর কাঠের সাঁকোর অবৈধ টোল বন্ধ করে দেন৷ ডিভিসি-র উপর অবৈধ টোল অফিসে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন৷ আবার পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে ফের সহ সভাপতি হয়েছেন। মিষ্টি ব্যবহার এবং কাজের লোক হিসেবে ব্লকে জনপ্রিয় এই নেতাকে এবার দমাতে চান জনাদর্ন-জাকিররা এমনটাই দাবি তৃণমূলের বহু নেতার।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সহ ৩ নেতার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা, পুলিশের ভূমিকাতে ক্ষুব্ধ শাসক শিবিরের একাংশ

জনতার কথাঃ গলসি ১ ব্লকে গণনার দিন গণ্ডগোল। মারপিঠ হয়। বিরোধীদের অভিযোগ পেয়ে শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করল পুলিশ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তরা পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে কোন তদন্ত না করেই পুলিশ প্রভাবিত হয়ে মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, পুলিশের এই ভূমিকা ইতিমধ্যে তাঁরা দলকে জানিয়েছেন। ঘনিষ্ট মহলে পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামাল করার কথাও জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায়, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহসভাপতি তথা এবারের বিজয়ী প্রার্থী অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও মানকর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান তন্ময় ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছ বুদবুদ থানার পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটের গণনার দিন কংগ্রেস কর্মী তথা মানকর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থী অসিত কুমার মুখ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের প্রার্থী জয়গোপাল দে কে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারধর করার। এমনকি অভিযোগকারীকে তাঁরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ঘটনাটি ঘটে বুদবুদ বাজারে দুর্গাপুর যাবার বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায়। এবারে মানকর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী অসিত কুমার মুখার্জী পুলিশকে লিখিত এই অভিযোগ করেছেন। তাঁরও এই অভিযোগ ভিত্তিতে পুলিশ খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছেন।আর এখানেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদলের একটা বড়ো অংশ। তাঁরা বলছেন, এ দিন পর্যন্ত জনার্দনবাবু, অনুপবাবুদের বিরুদ্ধে একটি পিঁপড়ে মারার অভিযোগ নেই। ঘটনার সময় ওই এলাকাতেই তিনজনই ছিলেন না। তা হলে তাঁরা কী করে কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর করলেন?তাছাড়া এবার অনুপবাবু ১৭০০ বেশি ভোটে পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত হয়েছেন। তা হলে তিনি কেন কংগ্রেস প্রার্থীকে মারধর বা হুমকি দিতে যাবেন? তাদের আরও দাবি, অনুপবাবু বিরোধী বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রতন সাউয়ের বাড়িতে গিয়ে এজেন্টদের ডেকে নিয়ে এসে গণনা কেন্দ্রে বসিয়েছিলেন। তারপরেও অনুপবাবুর বিরুদ্ধে এই চক্রান্ত। সূত্রের খবর, গলসি ১ পঞ্চায়েতে সভাপতি পদটি সংরক্ষতি। তাই এবারও দলের একটা বড় অংশ অনুপবাবুকে পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে দায়িত্ব দিতে চাইছেন। সেখানেই দলের নেতাদের একাংশে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনুপবাবু ঘনিষ্টদের আশঙ্কা, এর সঙ্গে দলের একাংশ যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্ধ সেই নেতারা পুলিশ ও কংগ্রেসকে প্রভাবিত করে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসিয়ে অনুপবাবুকে আটকাতে চাইছেন। এবং তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি পদে বসার চক্রান্ত করছেন। এ ক্ষেত্রে আঙুল উঠেছে, গলসির দলের বিধায়ক নেপাল ঘরুইয়ের এক ঘনিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে। অনুপবাবুর ঘনিষ্ট তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে বহু লোকের জমায়েত করেছিলেন ওই নেতাই। কারণ, তাঁর হারের আশঙ্কা ছিল। কংগ্রেসের সঙ্গে পুলিশের আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন জনার্দনবাবুও। তিনি তাঁর কর্মীদের বলেছেন, পুলিশ তদন্ত করল না, অথচ খুনের চেষ্টা মামলা রুজু করে দিল। পুলিশ তদন্ত করলে সিসিটিভি ফুটেছে, মোবাইল লোকেশন সহ একাধিক তথ্য হাতে পেত। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ পেয়েই সরাসরি খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে দিল। ঘনিষ্ট মহলে অভিযুক্তদের দাবি, বুদবুদ থানার ওসি মনজিৎ ধারা তৃণমূলকে হারাতে প্রথম থেকেই বিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন। হেরে যেতেই তৃণমূলকে রুখতে কংগ্রেসকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করে তাঁদের ফাঁসানো চেষ্টা চালাছেন। বিষয়টি দলকে তাঁরা জানিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে হাইকোটে যাবার চিন্তাভাবনা করছেন তাঁরা। তবে তৃণমূলের অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ। পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, আইন মেনে পদক্ষেপ করা হয়েছে।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ঠিক সে সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগে উঠল। ঘটনার জেরে এলাকায় শোরগোল পরেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিন গলসি ১ নং ব্লক বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ৮ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৮ জন বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান। জানা গেছে, ওই পঞ্চায়েতে ভিসিটি অর্থাৎ ভেক্টর ডিজিস কন্ট্রোল টিমের জন্য দুটি শুন্যপদ রয়েছে। অভিযোগ, সেই পদে নিয়োগের জন্য পঞ্চায়েত প্রধান নিজের ছেলের নামই রেজুলেশন করে পাঠান লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস।পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে ভিসিটি নিয়োগের জন্য আবেদন জমা করেছে এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক যুবতী। তবে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আচমকা টেলিফোনে গ্রাম সংসদ সভার মিটিং ডেকে সদস্য সদস্যাদের ফাঁকা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন প্রধান। তারপরই রেজুলেশন কপি বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পঞ্চায়েত প্রধানের এমন কাজে মুখ খুলেছে বিরোধী দল বিজেপি।তবে গলসি ১ নং ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি। লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুটি ভ্যাকেন্সি আছে। ওখান থেকে একটি রেজুলেশন পেয়েছিলাম। সেখানে দুইজনের নাম পাঠানো হয়েছিল। আজকে কয়েকজন এসে অভিযোগ করে গেছেন। তাঁরা বলছেন ওই মিটিং এ আমরা ছিলাম না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে অবৈধ বালি পাচার রুখল বর্ধমান জেলা পুলিস

রাতের অন্ধকারে অবৈধ ভাবে পাচার হচ্ছিল বালি পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চারটি বালি বোঝায় ট্রাক বাজেয়াপ্ত করেছে গলসি থানার পুলিশ। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অতিরিক্ত বালি বোঝায় ট্রাক আটক করে পরিবহন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে আবারও গলসি এলাকায় বালি চুরি প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গোহগ্রাম গলসি রোডে হানা দেয় গলসি থানার পুলিশ। ওই সময় গাড়িগুলি গোহগ্রামের দিক থেকে আসছিল। পথেই পুলিশ ট্রাকগুলিকে থামালে চালকরা বালির কোন বৈধ্য কাগজ দেখাতে পারেনি। ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবী, পুলিশের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে পাচার করা হচ্ছিল বালি। তারা জানায়, কদিন আগে গোহগ্রামের পাশে গোপডাল এলাকায় সরকারি অনুমোদন নিয়ে একটি ঘাট চালু হয়েছে। আর এতেই এলাকার কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে বালি পাচার শুরু করেছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা আগুন, হাসপাতালের স্টোররুম ভস্মীভূত

আচমকা আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।দমকলের দুটি ইজ্ঞিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। আগুনে স্টোররুম ভস্মীভূত হয়ে যায়। এমনকি স্টোররুমের সাটার লাগানো গেটও আগুনের লেলিহান শিখায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টোররুমে থাকা বেড ও বেশ কিছু নথিপত্রও পুড়ে যায় আগুনে।মঙ্গলবার দুপুর ১ টার সময় স্টোররুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের দেখে রুগীর আত্মীয় পরিজনরা।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান সর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া দেখে রুগী ও রুগীর আত্মীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজনীতি

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা

গলসিতে তৃণমুলের দলীয় কর্মীসভায় বিস্ফোরক দলেরই নেতা নেত্রীরা। আর এই ঘটনার জেরে গলসি ১ নং ব্লকে প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। জানা গেছে, গলসি ১ নং ব্লকের ঘাগরা গ্রামের তৃণমূল কর্মী বকুল মোল্লাকে একা পেয়ে মেরে তার হাত পা ভেঙে দেয় দলের অপর গোষ্ঠীর লোকজন।আর এই ঘটনার জেরে এদিন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন দলীয় নেতা নেত্রীরা। রবিবার সন্ধা নাগাদ পুরসা গ্রামে তৃণমূল কর্মীসভা আয়োজন করেছিল ব্লক এসসি ওবিসি সেল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। যেখানে সকল অঞ্চলের অসংখ্য কর্মী যোগদান করেন। আর সেই সভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দলের নেতা নেত্রীরা। আর এতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তবে ছাত্র নেতা তাপস সোমকে থামিয়ে কর্মীদের শান্ত হওয়ার বার্তা দেন প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজনীতি

ফের শাসক দলের দলীয় কোন্দলে উত্তপ্ত পুর্ব-বর্ধমানের গলসি

ফের তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। রবিবার শাসকদলের বিবদমান দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে উপ্তত্ত হল গলসির ১ নম্বর ব্লকের ঘাগরা গ্রাম। গ্রামের তৃণমূল নেতা নূর আমিন মোল্লা ওরফে বকুলকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। মেরে তার দুহাত ও পা ভেঙে দেওয়া হয় বল তিনি জানান। তার অভিযোগ, রবিবার বেলা এগারোটা নাগাদ তিনি তার মেয়ের বিয়ের জন্য খাট কিনতে গিয়েছিলেন গ্রামেরই একটা ফার্নিচারের দোকানে। সেখানেই দলের অপর গোষ্ঠী জনা দশ পনেরো লোক চড়াও হয়ে তাকে টাঁঙি, রড ও দা দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। ঘটনার জেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যাশ। সেখান থেকে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

কাঠের সেতু ভেঙে লরি আটকে বিপত্তি গলসির পারাজে

ডিভিসি ক্যানালে কাঠের সেতু ভেঙে বিপত্তি। পূর্ব-বর্ধমানের গলসির পারাজে ডিভিসি সেচ ক্যানেলে লড়ির চলাচলের সময় কাঠের সেতু ভেঙে যায়। কাঠের চাতাল ভেঙে সেতুর মধ্যে আটকে গেল ১৪ চাকা ধান বোঝাই লরি। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা গেল ধান বোঝাই লরিটি।তবে ঘটনার জেরে ওই কাঠের সেতু দিয়ে যান চলাচল আপাতত বন্ধ। ভিনরাজ্য থেকে ধান বোঝাই করে গলসি এলাকায় যায় লরিটি। চালক প্রথমে ওই কাঠের সেতু পেড়িয়ে পারাজ গ্রামের পাশে একটি রাইস মিলে ধান খালি করতে গিয়েছিল। সেখানে ধান খালি না হওয়ায় লরিটি ওই রাস্তা লোড অবস্থায় ফেরত আসছিল। এরপর পারাজের ডিভিসি সেচ ক্যানেলের কাঠের সেতুতে উঠলে অত্যাধিক অজনের দরুন আচমকা সেতুর কাঠের পাটাতন ভেঙে যায়। এরপরই গাড়ির সামনের দিকে চাকা পাটাতনে ঢুকে যায়। তবে ঘটনায় কেউ জখম হয় নি।

অক্টোবর ২৯, ২০২২
রাজ্য

দামোদরে ডলফিন, নদী বক্ষে আপন মনে নানা খেলায় মত্ত, উৎসুক জনতার ভিড় পাড়ে

দামোদরে দেখা মিলল ডলফিনের, ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। রবিবার গলসির শিল্লাঘাটে হঠাৎ দেখা মেলে একটি ডলফিনের। সকালে ডলফিনটিকে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ডলফিনটি মুখ তুলে নদীর জলে স্রোতের বিপরীত যেতে দেখেন তারা। জলে ডলফিনটিকে আপন মনে খেলা করতে দেখে ভিড় জমান উৎসুক মানুষজন। স্থানীয়রা বাসিন্দারা ঘটনা কৌতুহলের সঙ্গে উপভোগ করতে থাকেন। ডলফিনের খেলা করার দৃশ্য অনেকেই মোবাইল বন্দি করে রাখেন। এলাকার বাসিন্দারা বলেন বেলা দশটা থেকে দুপুরে পর্যন্ত ডলফিনটিকে দেখা যায়। তবে দুপুর আড়াইটার পর আর দেখা যায়নি ডলফিনকে। ডলফিনটি দামোদরের মাঝ বরাবর স্রোতের বিপরীত দিকে উঠে যাচ্ছিল। তাদের অনুমান, ডলফিনটি সমুদ্র বা অন্য কোনও বড় নদী থেকে দামোদরে এসেছে।ডলফিন দেখতে রবিবারের পর সোমবারও স্থানীয় বাসিন্দারা দামোদর পাড়ে ভিড় করেন। তবে এদিন আর ডলফিনের দেখা মেলে নি। এই বিষয়ে অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী জানান, আমরা নজর রেখেছি।আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের বনকর্মীদের সঙ্গে আমি নিজেও দামোদরে গিয়ে তদারকি করবো।

অক্টোবর ১০, ২০২২
রাজ্য

এবার বর্ধমানে শাসক দলের নেতা জড়ালেন 'খাস' কেলেঙ্কারীতে

খাস জমি নিজের বাবা মায়ের নামে পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠলো প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ব্লকের ভূমি দপ্তরের কাজ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ। যা নিয়ে বারবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে এবার গলসিতে ৬৭ শতক খাসজমি নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করে নেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে খোদ গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কুর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই গলসি ২ নম্বর ব্লক বিএলআরওকে লিখিত ভাবে অভিযোগে জানিয়েছেন গলসি ২ নম্বর ব্লকের মসজিদপুর গ্রামপঞ্চায়েতের তেঁতুলমুড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। অভিযোগে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গলসি ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি রুবিমনি কিস্কু তার সময়েই ওই দুর্নীতি করেছেন। তাদের দাবী, ক্ষমতা ও টাকার বলে ওই জমির পাট্টা বের করে নিজের বাবা ও মায়ের নামে রেকর্ড করিয়েছেন রুবিমনি। তবে জমিটি এখনও তেঁতুল মুড়ি গ্রামের কয়েকজন চাষি চাষ করেন। অভিযোগকারীরা আরও জানিয়েছেন, বেলান মৌজায় অবস্থিত ওই জমিটির দাগ নম্বর ১০৫৪। গোরা জমিটির পরিমাণ ২ একর ৭৬ শতক। সেখান থেকেই ৬৭ শতক জমি পাট্টা রেকর্ড করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছেতবে জমিটি এখনও স্থানীয় চাষিদের দখলেই রয়েছে। মূল্যবান ওই জমিটি গলসি-শিকারপুর রোডের পাশে অবস্থিত। বিষয়টি নিয়ে গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিএলআর প্রবোধ আড্ড এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল স্কুল পড়ুয়া সহ এলাকাবাসী

বেহাল রাস্তা অবস্থা। পাকা দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল এলাকার স্কুল পড়ুয়ারা সহ এলাকাবাসীরা। গলসি এক নম্বর ব্লকের লোয়া কৃষ্ণরামপুর অঞ্চলের মানুষের সাথে বেশকিছু স্কুল পড়ুয়ারা আন্দোলনে সামিল হয়। প্লাকার্ড হাতে তারা স্কুল না যাবার স্লোগান দিতে থাকে। তারা জানাই, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দুয়াটুকুড়ি থেকে অমরপুর যাবার পাঁচ ছয় কিমি রাস্তার বেহাল দশা। বিষয়টি নিয়ে তারা কয়েকবার গলসি ১ নং ব্লক বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাতে সুরাহা না মেলায় এদিন পথ অবরোধ করেছেন। তাদের দাবী ওই রাস্তার জন্য গ্রামে আসেনা অ্যাম্বুলেন্স। ফলে নিত্য দুর্ভোগ পরেন রোগী ও প্রসুতি মায়েরা। তাছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে কসবা রাধারানী হাই স্কুল ও লোয়া দিবাকর হাই স্কুলে পড়তে যায় এলাকার শতশত স্কুল পড়ুয়া। এমনকি ওই রাস্তা দিয়ে লোয়া ও পুরসা হাসপাতাল যেতে হয় এলাকার মানুষদের। গোটা রাস্তা জুড়ে বড়বড় গর্ত হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার নারানপুর, সোদপুর, কেন্দুয়াটুকুড়ি, সোদপুর মানা, জয়কৃষ্ণবাটি, কসবা, জাঁহাপুর, মৌগ্রামার সাত থেকে আট হজার মানুষ। এমনকি কসবায় ব্যাংক, পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিও অফিসে যেতে নিত্য সমস্যায় পরছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবী দ্রুত নতুন রাস্তা তৈরী করুক প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজনীতি

শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ঘরবাড়ি ভাঙচুর গলসিতে

শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে গলসি ১ নম্বর ব্লকের পারাজ গ্রামে ভাঙচুর চলে। দুটি চালাঘর ও বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার রাতে গলসির রকোনা গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে খেলা ছিল। সেখানে এলাকার পারাজ অঞ্চল একাদশ ও উচ্চগ্রাম একাদশ মুখোমুখি হয়। পারাজ অঞ্চল চার গোলে জয়লাভ করে। বিজয়ী ট্রফি নিয়ে পারাজ গ্রামে ফিরলে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। এরপরই দুটি গোষ্ঠীর চারটি বাইক ভাঙচুর হয়। এর পাশাপাশি দুটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মুখে কুলুপ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসর নেতৃত্বর।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার বলি তিন

ফের জাতীয় সড়কে বলি। পূর্ব বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের গলসিতে পথ দুর্ঘটনায় নিহত হল তিন জন। মৃতদের নাম বাবুল কেনাই (৪৫)। মহাদেব বাগদী (২৮)। রাহুল বাগদী (১৮)। বাবুলের বাড়ি আউসগ্রামের মাঝের গ্রাম। মহাদেবের বাড়ি গলসি থানার অনুরাগপুর গ্রামে আর রাহুলের বাড়ি কাঁকসা থানার বাঁদরা গোপালপুর গ্রামে। মহাদেবের গ্রামে পুজো উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। তাই তিনি তার বেয়াই বাবুল কোনাইকে সঙ্গে নিয়ে কাঁকসার বাঁদরা গোপালপুরে গিয়েছিলেন তাদের আত্মীয় রাহুল বাগদীকে আনতে। সেখান থেকে অনুরাগপুর গ্রামে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। সোমবার রাত আটটার সময় তারা যখন জাতীয় সড়কে ধরে পারাজ মোড়ের কাছে যান। ওই সময় পিছনের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা মারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন তিনজনই। দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে গলসি থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার জেরে অনুরাগপুরে গ্রামের পুজো উপলক্ষে হওয়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

বোরজানের বারোমাস্যা, দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান

বছর বদলালেও দুর্দশার জীবন বদলায়নি বোরজানের। বছর দুই আগে ভেঙে পরে মাথার উপরে থাকা চালাঘরটি। বৃষ্টি হলেও সব জল ঢুকে পরে বাড়িতে। এরফলে বসত ভিটের ভাঙা ঘর আগলে নিত্য দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বাবলা গ্রামের বোরজান। দুঃখ আর যন্ত্রণা এখন নিত্য সঙ্গী তার। তার বড় প্রয়োজন মাথার উপরে একট ফালি ছাদ।সমস্যার বারোমাস্যা নিয়ে বারবার স্থানীয় গলসি গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে গেলে, সেখান থেকে কোন সুরাহা মেলে নি। এদিকে শারীরিক অসুবিধার জন্য উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই সপ্তাহের কয়েকদিন রেশনের চাল রান্না করে ও কয়েকদিন পরের বাড়িতে খাবার খেয়ে কোনরকম দুবেলা পেট চলান। কোন কোন দিন আবার উপসেও দিন কাটাতে হয় রোবজানকে।বোরজানের স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। ফলে ১৫ বছর আগে তার তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে চলে যায় তার শ্বাশুড়ি। সেখানেই তাদের লালন পালন করে মানুষ করছেন তার শ্বাশুড়ি। ছেলেরা এখন বেশই বড় হয়েছে। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করে। ছেলেদের উপার্জনে পরিবারের দিন ফিরলেও দুর্দশাগ্রস্ত বোরজানকে তারাও কেউই দেখেনা। এমনকি বোরজান শ্বশুরবাড়ি শিড়রাই গেলেও তাকে বের করে দেয় শ্বাশুড়ি। ফলে ভাঁঙা ঘরের অ্যাজবেস্টারের নিচে দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু দম্পতির

বজ্রপাতে মৃত্যু হল ক্ষেতমজুর দম্পতির। মৃতদের নাম বিষ্টুপদ বাগদি (৪৩) ও মমতা বাগদি (৪০)। পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভেঁপুর গ্রামের পুর্ব পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার সকালে তারা মাঠে ধান জমিতে আগাছা পরিস্কারের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের শেষে দুজনই বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটা একটা নাগাদ আচমকা বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হলে দুজনই জমিতে ছিটকে পরে যান। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে মাঠের এগোরো হাজারের বিদ্যুৎের খুঁটির তার ছিঁড়ে জমিতে পরে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। একটু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। তারা পুলিশে খবর দিলে দুরঘটনাস্থলে যায় গলসি থানার পুলিশ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। পুলিশ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান বজ্রপাতের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিষয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান সাউথ ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার সুমন পাল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের আগের পোলের পিন ইনসুলেটারে বাজ পরে তার কেটে যায়। তাছাড়া ওই জায়গার বিদ্যুৎের পোলে লাইটিং হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে না বাজ পড়ে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত না হলে বলা সম্ভব নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা, উৎপাদন ব্যাহত

শ্রমিক হরতাল, কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে সামিল শ্রমিক পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শনিবার কাজ বন্ধ রেখে গলসির ভাসাপুলের রাধেশ্যাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ গেটে আন্দোলনে সামিল শ্রমিকরা। ঘটনার জেরে কারখানার গেটে আটকে যায় মালবাহী বেশ কয়েকটি ট্রাক। আন্দোলনকারী শ্রমিক নুরনবী মল্লিক, কাজী বদরে আলম, সেখ আজাদরা বলেন, তাদের বেশ কয়েক মাসের ছুটির টাকা দিচ্ছেন না কারখানা কর্তৃপক্ষ। লেবার সর্দারও আশা দিয়ে বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা বিষয়টি লিখিত ভাবে জানতে বলে। সেই নিয়ে তারা কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে আবেদনও করেন। তারপরও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন হরতাল করে মিলের গেটে বসে পড়েন কয়েকশো শ্রমিক। তাদের প্রাপ্তির দাবীতে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কারখানায় কমবেশি চারশো জন শ্রমিক কাজ করেন। তারা টানাই, কাটাই, মুটিয়া, ডেলি লেবার ও বয়লারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। কিছুদিন আগে ভয়াবহ আগুন লাগায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে ওই কারখানায়। বর্তমানে ভিতরে মজুত থাকা ও নষ্ট হওয়া ব্রান বিক্রি করছে কর্তৃপক্ষ। এখন সেইসব কাজই তারা করছেন। এদিনের আন্দোলনের জেরে তাও একরকম বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়ে কারখানার এক কর্তা জানান, গোটা কারখানার মজুতঘর পুড়ে যাবার পর তারা বীমার বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। সেইভাবে সময় দিতে পারছেন না। তারা ওই বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কারখানার লেবার সর্দার মোনজ যাদব বলেন, তিনি বেতন দিচ্ছেন না এমনটি নয়। তাঁরর দাবী, কারখানার সাথে শ্রমিকদের চুক্তি ভিত্তিক কাজ করান তিনি। সেই চুক্তিতে শ্রমিক প্রতিনিধিও আছেন। বর্তমানে কারখানা থেকে টাকা না পাওয়ার জন্য তিনি শ্রমিকদের ছুটির বেতন দিতে পারেননি। কারখানা থেকে টাকা পেলেই সব মিটিয়ে দেবেন।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

স্থানীয় চাষিদের বিক্ষোভে বন্ধ মাটির তলায় গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর কাজ

ধানের জমিতে গ্যাসের পাইপ লাইন বসানোর কাজ আটকে দিলেন এলাকার চাষীরা। পাইপ বসানোর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিঘের পর বিঘে সদ্য রোপন করা ধান জমি। প্রতিবাদে তাই গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেডের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুড়িয়া গ্রামের চাষিরা। তাদের দাবী পাইপ লাইন বসানোর জন্য জমি অধিগ্রহণ করেছে গেইল ইণ্ডিয়া লিমিটেড। সেই জমির মাটি খনন করায় তিন চার কিলোমিটার লম্বা একটি জলাশয় তৈরী হয়েছে মাঠের মধ্যে। এতেই বৃষ্টির ও সেচের জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এলাকার চার থেকে পাঁচশো বিঘে রোয়া ধানের জমির জলের তলায় চলে গেছে। বার বার বলার পরেও সেই জল নিকাশীর কোন ব্যবস্থা করেনি ওই সংস্থা।শুক্রবার কাজ শুরু হতেই এলাকার চাষিরা গিয়ে আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের জেরে কাজ বন্ধ করে মাঠ থেকে উঠে পড়েন পাইপ লাইনের কাজে কর্মরত শ্রমিকরা। পাশাপাশি পাইপ লাইন বসানোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মেশিনও তুলে নেওয়া হয় কোম্পানীর পক্ষ থেকে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

বিচারের দাবীতে থানায় বিক্ষোভ জানালেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শ'খানেক মানুষ

শুক্রবার সন্ধ্যায় দুটি ট্রাক্টর, দুটি চারচাকা ও বেশকিছু মোটর সাইকেল নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শখানেক মানুষ গলসি থানার উপস্থিত হন। উল্লেখ্য গত ২৬ জুন রবিবার গলসির ইরকোনাতে এক যুবকের ঝুলন্ত পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। গাম সুত্রে জানা যায় মৃত ওই যুবকের নাম সেখ মনিরুল(২৭)। তিনি গলসি থানার বন্দুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সেই ঘটনায় মৃতের পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। মৃতের বাবা ও ভাইয়ের অভিযোগ, খায়রুল সেখকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু দোষীদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। ওই ঘটনায় তারা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। গত ২৩ জুন বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ ছিল মনিরুল। পরিবারের লোকেরা বিভিন্ন আত্মীয় পরিজনদের কাছে খোঁজ খবর নেন। ওই বিষয়ে তারা গলসি থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরিও করেন। এরপরই, পাশের গ্রাম ইরকোনার একটি গোয়াল ঘরের দোতালার পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনিরুলের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের আটক করার দাবীতে আজ তাঁরা গলসি থানায় বিক্ষোভ জানাতে হাজির হয়।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

গলসিতে সমীকরণ চেঞ্জ, তৃণমূলের নতুন গোষ্ঠীর উত্থান

শহিদ দিবসে মুখে গোষ্ঠী কোন্দলে দাঁড়ি টেনে তৃণমূলের ঐক্যের ছবি দেখা গেল গলসির ১ ব্লকে। রবিবার বিকেলে রামগোপালপুর বাজারে একুশে জুলাই প্রস্তুতি পথসভাতে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মাথা গলসি ১ ব্লকের সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় ও প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি জাকির হোসেন। জামালপুরের বিধায়ক (গলসির প্রাক্তন বিধায়ক) তথা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি অলোক মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান জাহির আব্বাস, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রোকেয়া বেগম প্রমুখ। জনার্দনবাবু বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, আমরা সকলকে ডেকেছিলাম। জাকির হোসেন এসেছেন। সবাই দলের হয়ে লড়াই করবো। আর জাকিরবাবুর বক্তব্য, আমাদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি ছিল। তবে আমাকে ব্লক সভাপতি ডেকেছিলেন। জনার্দন দা আমার রাজনৈতিক গুরু। গুরুর ডাকে এসেছি। এবার গুরুশিষ্য এক সঙ্গে দলের কাজ করবো। যদিও বিরোধীদের দাবি, আজই নতুন গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সেই গোষ্ঠীর এক দিকে প্রধান জাকির, জনার্দন আর অন্যদিকে বিধায়ক নেপাল ঘরুই, দল যুব সভাপতি পার্থ মণ্ডল, গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপির এক জেলা নেতার দাবি, এবার তো গলসি ১ ব্লকের তৃণমূলের নতুনগোষ্ঠীর খেলা হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি,গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নতুন নয়। দলের বিভাজন তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তখন এক গোষ্ঠীর মাথায় ছিলেন জনার্দনবাবু আর অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষে ছিলেন প্রাক্তন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পরেশ পাল। মাঝে দুজনেই রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। সেই সময়ে দলের ব্লক সভাপতি দায়ীত্ব সামলদেন জাকির হোসেন। আর দলের ব্লক যুব সভাপতির পদে আসীন ছিলেন পার্থ মণ্ডল। তখন এক গোষ্ঠীর একটি মাথা হয়ে যান জাকিরবাবু আর অপর গোষ্ঠীর শীর্ষে থেকে যান পার্থবাবু। কিন্ত ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব জাকিরকে সরিয়ে এক প্রকার ঘর থেকে তুলে এনে জনার্দনবাবুকে ব্লক সভাপতির পদে বসিয়ে দেন। সেই থেকেই জনার্দনের সঙ্গে জাকিরের সম্পর্কের অবনতি শুরু। তারপরে ব্লকে একাধিক বার একাধিক গ্রামে অশান্তির ঘটনা ঘটে। লাগাতার বোমা গুলিগালা চলে। শনিবার সন্ধ্যাতেও খলসেগড়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারি হয়। ভাঙচুর হয় বাইক, টোট সহ দলীয় কার্যলয়। এই পরিস্থিতির জন্যও জাকির গোষ্ঠী এবং জনার্দন গোষ্ঠী পরস্পরকে দোষারোপ করে।দলের একাংশের দাবি, ক্রমে এই কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের প্রচার নিয়েও বিবাদ প্রকাশ্যে এসেছিল। গলসি বিধানসভার দলীয় প্রার্থী নেপাল ঘরুই সমর্থনে পৃথক প্রচার চালায় দুই গোষ্ঠী।দলীয় কর্মীদের দাবি, দলের ক্রমাগত দ্বন্দ্বের ফলে গত লোকসভা নির্বাচনে গলসি বিধানসভাতে বিজেপি থেকে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিল তৃণমূল।লোকসভাতে পিছিয়ে থাকা তার উপর দলের চরম গোষ্ঠী কোন্দল বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কে ভাবিয়ে তুলেছিল বলে দাবি তাঁদের। তাঁরা জানান, এমন পরিস্তিতি তৈরি হয় অলোক মাঝিকে গলসি বিধানসভা থেকে সরিয়ে তার পরিবর্তে নেপাল ঘরুইকে ২০২১ সালে প্রার্থী করতে হয়। সেই সময় বহু পরিশ্রম করে তৃণমূলকে বৈতরণী পার হতে হয়েছে। গলসিতে তৃণমূল জিতলেও গোষ্ঠীকোন্দল কিছুতেই থামছিল না। জেলার এক নেতার দাবি, এই পরিস্থিতিতে দলের স্বার্থেই বিবদমান দুই নেতাকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। সামনে পঞ্চায়েত, বছর দুয়েকের মধ্যে আবার লোকসভা ভোট। এই পরিস্থিতিতে দলের দ্বন্দ্ব মিটানোই লক্ষ্য। কিন্তু, তা হয়ে উঠছিল না। এ দিন মিছিলের পরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জেলা নেতৃত্ব। হাঁফ ছাড়েন অলোকবাবুও। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ২০১৬ সালের এই টিম গলসি বিধানসভা জিতিয়ে দিদির হাতে তুলে দিয়েছিল। আবার এক মঞ্চে তারা। খুব ভালো লাগছে। অলোক বাবু আশাবাদী হলেও এদিন সভাতে দেখা যায়নি, গলসির বিধায়ক নেপাল ঘরুই, ব্লকের যুব সভাপতি পার্থবাবুকে, দলের সংখ্যালঘু সেলের জেলা সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা আর গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়কেও। দলের একাংশের দাবি, তাঁরা জাকিরবাবু বিরোধী হয়ে উঠেছে। এক সঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতে মিছিল মিটিংও করছেন। জাকিরবাবু আর জনার্দনবাবুকে এক করতে গিয়ে নতুন একটা গোষ্ঠীর জন্ম করে দিয়ে গেলেন অলোকবাবু এমনটাই অভিযোগ দলের নীচু তলার বহু কর্মীর।

জুলাই ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সোনার দামে ভূমিকম্প! কৌশিকী অমাবস্যার দিনে হলুদ ধাতুর দরে বাজারে সুনামি

Gold Price Today: ফের বাড়ল সোনা-রুপোর দাম। ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (IBJA)-এর তথ্য অনুযায়ী, ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৫৪২ টাকা বেড়ে প্রায় ১.৫৪ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এক কেজি রুপোর দামও বেড়েছে ৩,৩০৭ টাকা। ফলে প্রতি কেজি রুপোর দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩৯ লক্ষ টাকা।চলতি বছরে সোনা ও রুপোর দামে একাধিকবার ওঠানামা দেখা গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ১.৩৩ লক্ষ টাকা। সেখান থেকে বর্তমানে দাম বেড়ে হয়েছে প্রায় ১.৫৪ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ বছরের শুরু থেকে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ২১ হাজার টাকা বেড়েছে।অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রতি কেজি রুপোর দাম ছিল প্রায় ২.৩০ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২.৩৯ লক্ষ টাকা।জানুয়ারিতে তৈরি হয়েছিল রেকর্ডএর আগে ২৯ জানুয়ারি সোনা ও রুপোর দামে সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.৭৬ লক্ষ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর দাম প্রায় ৩.৮৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। পরে অবশ্য দুই মূল্যবান ধাতুর দাম কিছুটা কমে যায়।বাজার বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.৭০ লক্ষ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর দাম প্রায় ৩ লক্ষ টাকায় পৌঁছতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি এবং বিনিয়োগকারীদের চাহিদার মতো একাধিক বিষয়ের উপর নির্ভর করে সোনা ও রুপোর প্রকৃত দাম পরিবর্তিত হতে পারে।আজ শহরভেদে ২৪ ক্যারেট সোনার দামগুডরিটার্নসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ দেশের বিভিন্ন শহরে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দামে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৪,৪৫০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে একই পরিমাণ সোনার দাম ১,৫৪,৩৫০ টাকা। কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৪,৩০০ টাকা।২২ ক্যারেট সোনার দাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রেও শহরভেদে সামান্য ফারাক রয়েছে। দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪১,৫৯০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে দাম ১,৪১,৪৯০ টাকা।অন্যদিকে, কলকাতা, মুম্বই, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪১,৪৪০ টাকা।১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত?১৮ ক্যারেট সোনার দামেও শহরভেদে পার্থক্য রয়েছে। দিল্লি ও লখনউয়ে ১০ গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৫,৮৭০ টাকা। ভোপাল ও আহমেদাবাদে দাম ১,১৫,৭৭০ টাকা।মুম্বই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং রায়পুরে ১০ গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৫,৭২০ টাকা। তবে চেন্নাইয়ে ১৮ ক্যারেট সোনার দাম তুলনামূলক বেশি, ১,১৯,১৪০ টাকা।অর্থাৎ, ২৪ ও ২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে আজ দিল্লি ও লখনউয়ে দাম সবচেয়ে বেশি। আর ১৮ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে চেন্নাইয়ে দাম সর্বোচ্চ।গয়না কেনার আগে কী কী দেখবেন?সোনার গয়না কেনার সময় প্রথমেই তার বিশুদ্ধতা যাচাই করা জরুরি। BIS বা ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের হলমার্কযুক্ত সোনা কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়। হলমার্কের মাধ্যমে সোনার বিশুদ্ধতা ও ক্যারেট সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।গয়না কেনার আগে একাধিক উৎস থেকে সেই দিনের সোনার দাম যাচাই করে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। ২৪, ২২ এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম আলাদা হওয়ায় কোন ক্যারেটের গয়না কিনছেন, তা নিশ্চিত করুন। পাশাপাশি গয়নার ওজনও ভালোভাবে যাচাই করে নিন।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে মেকিং চার্জ। সোনাকে গয়নায় রূপান্তরের জন্য নেওয়া এই অতিরিক্ত চার্জ দোকানভেদে আলাদা হতে পারে। তাই গয়না কেনার আগে মেকিং চার্জ কত, তা জেনে নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে দরদাম করে নেওয়া ভালো।এছাড়া সোনার দামের সঙ্গে GST, মেকিং চার্জ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য খরচ যোগ হতে পারে। ফলে দোকানে গিয়ে গয়নার চূড়ান্ত দাম অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ ঘিরে হঠাৎ অনিশ্চয়তা! কেন সূচি বদলের আবেদন দিল্লি পুলিশের?

নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা। সেই সম্মেলনের মধ্যেই ১৩ সেপ্টেম্বর অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত ও আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের কারণে ম্যাচটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ব্রিকস সম্মেলনে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াত থাকবে। তাঁদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য দিল্লিতে বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থা করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে একই দিনে কয়েক হাজার দর্শককে নিয়ে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ।এই কারণেই ম্যাচের দিন বদলের জন্য দিল্লি ক্রিকেট সংস্থাকে অনুরোধ করেছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় রেঞ্জের উপ-পুলিশ কমিশনার ডিডিসিএ-কে একটি চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থা থাকবে।পুলিশের আশঙ্কা, ১৩ সেপ্টেম্বরের ম্যাচ দেখতে প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ হাজার দর্শক অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আসতে পারেন। ফলে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াতের সঙ্গে সাধারণ দর্শকদের বিপুল ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম এবং তার আশপাশের এলাকাতেও এমনিতেই যানবাহন ও পথচারীদের চাপ থাকে। ম্যাচের সময় অতিরিক্ত গাড়ি চলাচল এবং বিভিন্ন জায়গায় পার্কিংয়ের চাপ বাড়লে রাস্তার জায়গা আরও কমে যেতে পারে। ফলে যানজটের আশঙ্কাও বাড়বে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিশেষ করে বিএসজেড মার্গ, মাতা সুন্দরী কলেজ, রাজঘাট এবং বাল ভবনের আশপাশে অতিরিক্ত পার্কিং হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। পাশাপাশি অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, ডিডিইউ মার্গ, মিন্টো রোড, কমলা মার্কেট এবং সংলগ্ন এলাকাতেও যান চলাচলের উপর বাড়তি চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুধু যানজট নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পুলিশের কাছে বড় চিন্তার বিষয়। ব্রিকস সম্মেলনের কারণে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশের বহু কর্মীকে বিদেশি প্রতিনিধি এবং ভিভিআইপি-দের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, রাস্তা পরিষ্কার রাখা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন জায়গায় পথ পরিবর্তনের ব্যবস্থা সামলাতে হবে। তার মধ্যে হাজার হাজার দর্শকের ক্রিকেট ম্যাচ হলে বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে মনে করছে পুলিশ।এই পরিস্থিতিতে ডিডিসিএ-কে ১৩ সেপ্টেম্বরের ম্যাচটি পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়ার পর সুবিধামতো অন্য কোনও দিনে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, ম্যাচের সূচি বদলানো হলে সীমিত সংখ্যক কর্মী দিয়েই নিরাপত্তা ও যান চলাচল আরও ভালো ভাবে সামলানো সম্ভব হবে।এখন ডিডিসিএ এই অনুরোধে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর ক্রিকেটমহলের। ম্যাচের দিন বদলাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ব্রিকস সম্মেলনের কারণে ১৩ সেপ্টেম্বরের ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ ঘিরে যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর উৎকণ্ঠায় আকুল মুকুল পুত্র, ভ্রমণ সংস্থার ভূমিকা নিয়েও এবার সরব শুভ্রাংশু

নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে এখনও বহু পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। সেই নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের কাঁচরাপাড়ার বাসিন্দা তথা প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার আশায় দুই সন্তানকে নিয়ে অপেক্ষা করছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। এই পরিস্থিতিতে নেপালে নিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধান এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে ভ্রমণ সংস্থা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্টে শুভ্রাংশু রায় দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায় চলো যাই নামে একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে নেপালে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নেপালে পৌঁছনোর পর পর্যটকদের দায়িত্ব নেয় সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস। এরপর তিব্বত সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বে ছিল লাসা নামে একটি চিনা ভ্রমণ সংস্থা।ভ্রমণ সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নশুভ্রাংশুর অভিযোগ, কিছু সংবাদমাধ্যম এবং ভ্রমণ সংস্থা নিখোঁজ পর্যটকদের জীবিত না থাকার বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছে। যদিও এই দাবি সত্যি ধরে নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।বিশেষ করে সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এবং লাসা সংস্থার মধ্যে শেষ কী কথোপকথন হয়েছিল, তা প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। পাশাপাশি যে বাসে নিখোঁজ পর্যটকদের থাকার কথা বলা হচ্ছে, সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়োর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বাসে থাকা প্রত্যেক পর্যটকের পাসপোর্ট ও ছবি প্রকাশ করে তাঁদের পরিচয় যাচাই করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।ভারত সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিনিখোঁজ পর্যটকদের সন্ধানে ভারত সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপের আবেদন করেছেন শুভ্রাংশু রায়। তাঁর দাবি, চিন-তিব্বত সীমান্তে ওই দিন কতজন ভারতীয় পর্যটক ইমিগ্রেশন করেছিলেন, সেই তথ্য প্রকাশ করা হোক। এ বিষয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।শুভ্রাংশুর আশঙ্কা, ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় ঘটনাটিকে হয়তো যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। দুর্গাপুজোর মরশুম সামনে রেখে পর্যটন ব্যবসার ক্ষতি এড়াতে যাতে ঘটনার প্রকৃত তথ্য কোনওভাবে চাপা না পড়ে, সেই বিষয়েও সতর্ক করেছেন তিনি।ডিএনএ পরীক্ষা নিয়েও উদ্বেগনিখোঁজ পর্যটকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে তা নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবিও তুলেছেন শুভ্রাংশু। তাঁর বক্তব্য, পরীক্ষা হলে তা অন্তত দুবার এবং ভারত সরকারের উদ্যোগে করা উচিত। চিন ও নেপালের ব্যবস্থাপনায় ডিএনএ পরীক্ষা হলে প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্ন থেকে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।এর পাশাপাশি, বিপর্যয়ের সঠিক সময় নিয়েও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন শুভ্রাংশু। ভারত, নেপাল না কি তিব্বত সীমান্ত কোন সময় ও কোথায় মূল ঘটনা ঘটেছিল, তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। চিনে ফেসবুক ও টুইটারের মতো সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার সীমিত থাকায় সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সামনে আনারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।৩২ জনই সুস্থ আছেন, আশাবাদী শুভ্রাংশুসমস্ত অনিশ্চয়তার মধ্যেও স্ত্রী-সহ নিখোঁজ ৩২ জন পর্যটককে নিয়ে আশাবাদী শুভ্রাংশু রায়। তাঁর বিশ্বাস, নিখোঁজ ৩২ জনই হয়তো চীন-তিব্বত সীমান্তের কোনও অজানা এলাকায় নিরাপদে রয়েছেন।নিজের পরিবারের পাশাপাশি নিখোঁজ বাকি পরিবারগুলির কথাও উল্লেখ করে সকলের কাছে তাঁদের জন্য প্রার্থনা করার আবেদন জানিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
কলকাতা

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় যাত্রী পরিষেবায় রেলের বিরাট উদ্যোগ, একাধিক স্টেশনে সম্পূর্ণ নয়া কাজ

দৈনন্দিন যাত্রীদের যাত্রা আরও আরামদায়ক, সুবিধাজনক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন যাত্রী পরিষেবার উন্নয়নে কাজ করে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে শিয়ালদহ দক্ষিণ সেকশনের বিভিন্ন স্টেশনে সম্প্রতি একাধিক যাত্রীবান্ধব উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।বাঘাযতীন স্টেশনে বুকিং অফিসের সামনে একটি নতুন যাত্রী শেড স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে টিকিটের জন্য লাইনে অপেক্ষারত যাত্রীরা বিশেষ করে বৃষ্টি ও প্রবল রোদের সময় যথেষ্ট স্বস্তি পাবেন। এছাড়াও, প্ল্যাটফর্ম নং ১ ও ২-এ স্পষ্ট ও সুদৃশ্য প্ল্যাটফর্মের নামের বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে যাত্রীরা সহজেই তাঁদের নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করতে পারবেন।সুভাষগ্রাম স্টেশনে ফুট ওভার ব্রিজ (FOB)-এর শেড নির্মাণের কাজও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে যাত্রীরা প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে আরও ভালো সুরক্ষা পাবেন এবং দৈনন্দিন যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে।এই সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ স্টেশনগুলিতে যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে শিয়ালদহ ডিভিশনের নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নত আশ্রয়, সহজ পথনির্দেশ এবং আরও সুবিধাজনক যাত্রার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজো ঘিরে রণক্ষেত্র ইউআইটি, বর্ধমানের ইউআইটিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ক্লাস

বিশ্বকর্মা পুজোকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্রগোষ্ঠীর বিবাদ চরমে উঠল বর্ধমানের ইউআইটিতে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজের সমস্ত ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইউআইটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুনীল কারফর্মার। একই সঙ্গে কলেজের ভিতরে থাকা দুটি ছাত্রাবাসও খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিন নির্দিষ্ট ছাত্রের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ। ঘটনায় জখম ছাত্ররাও পৃথক অভিযোগ করেছেন। দুটি অভিযোগ একত্র করে তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ চত্বরে চলছে পুলিশি টহল।ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবি, ইউআইটিতে সরকারি ভাবে কোনও ছাত্র সংসদ নেই। তবে যে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘাত, উভয় পক্ষই নিজেদের এবিভিপি-র সঙ্গে যুক্ত বলে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো আয়োজনের জন্য দুই পক্ষই পৃথক ভাবে আবেদন করেছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষ দুটি আবেদনই মঞ্জুর করে।অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যায় এক পক্ষ তাঁকে ঘেরাও করে দাবি করে, তাদের পুজোটিই একমাত্র পুজো হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কলেজ চত্বরে দুই গোষ্ঠীর শতাধিক করে সদস্য মুখোমুখি হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ।এরপরই অধ্যক্ষের ঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং আক্রান্ত ছাত্রদের দাবি, দুই পক্ষের সঙ্গেই এবিভিপির যোগ রয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সংগঠনের সাংগঠনিক পদেও রয়েছেন। অভিযোগ, বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পিস্তল, বাঁশ ও লাঠি হাতে হামলা চালানো হয়। অধ্যক্ষের ঘরের পিছনের দরজা ভেঙে ঢোকারও অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের দাবি, পিস্তলের বাঁট এবং পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরিস্থিতির চাপে কয়েকজন শৌচাগারের ভিতর আশ্রয় নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, আক্রান্ত ছাত্রদের একাংশের দাবি, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের তরফে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করতে চাওয়া হলেও তাঁদের পুজো স্থগিত রাখতে বলা হয়েছিল। সেই বিষয়টি জানতে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় সপ্তম সিমেস্টারের এক সক্রিয় এবিভিপি সদস্য অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেন। তবে মারধরের কোনও চিহ্ন দেখাতে না পারায় অধ্যক্ষ তাঁর অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি বলে দাবি আক্রান্তদের।যদিও গোটা ঘটনায় এবিভিপির যোগ অস্বীকার করেছেন সংগঠনের বর্ধমান মহানগরের সম্পাদক সুশোভন চৌধুরী। তাঁর দাবি, ইউআইটিতে এবিভিপির কোনও সংগঠনই নেই। যে প্যাড ব্যবহার করে পুজোর অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, তার সঙ্গেও এবিভিপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কথায়, প্যাড যে কেউ বানাতে পারে। ওই প্যাড আদৌ এবিভিপির অনুমোদিত কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার জেরে ইউআইটির পঠনপাঠন আপাতত বন্ধ। কলেজ চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
রাজ্য

শেষ বার কথা হয়েছিল ২৫ আগস্ট রাতে, তারপরই নিখোঁজ! শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে বড় দাবি শুভ্রাংশুর

নেপালের বিপর্যয়ের পর প্রায় পনেরো দিন কেটে গেলেও এখনও কোনও সন্ধান মেলেনি মুকুল রায়ের পুত্রবধূ এবং শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের। তাঁকে নিয়ে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। তবে শুভ্রাংশুর দাবি, শর্মিষ্ঠা সুস্থই রয়েছেন। তাঁর অনুমান, চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এলাকায় হয়তো রয়েছেন তাঁর স্ত্রী। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় নিখোঁজদের পরিবারগুলির মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।গত ২১ আগস্ট হাওড়া থেকে একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। নেপালে পৌঁছনোর পর কয়েক বার স্বামীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৫ আগস্ট রাতে শেষ বার শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছিল শর্মিষ্ঠার। তার পরের দিন, ২৬ আগস্ট সকাল থেকেই হড়পা বানের কারণে নেপালের পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে। খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু আর কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শর্মিষ্ঠার খোঁজে পরিবারের তরফে থানায় যোগাযোগ করা হয়। ভবানী ভবন, বিদেশ মন্ত্রক এবং দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালানো হলেও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। এর মধ্যেই শর্মিষ্ঠার ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফলে পরিবারের মধ্যে আরও বড় দুশ্চিন্তা তৈরি হয়।এর মধ্যেই গত সোমবার রাতে শুভ্রাংশুর ফেসবুকের ডিসপ্লে ছবি ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়। দেখা যায়, স্ত্রী শর্মিষ্ঠার সঙ্গে নিজের একটি ছবি ব্যবহার করেছেন তিনি। তবে ছবিটি ছিল সাদা-কালো। নিখোঁজ শর্মিষ্ঠার কোনও খবর না পাওয়ার মধ্যে এমন ছবি কেন ব্যবহার করা হল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকে এটিকে অশুভ ইঙ্গিত বলেও মনে করতে থাকেন।এই বিষয়ে শুভ্রাংশুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস বলেন, এখনও শর্মিষ্ঠার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কেন শুভ্রাংশু ওই ছবি দিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলেও জানান।এর পর অবশ্য শুভ্রাংশু আবার তাঁর ডিসপ্লে ছবি বদলে দেন। ফলে শর্মিষ্ঠাকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা আরও বেড়ে যায়। যদিও পরিবারের তরফে এখনও কোনও দুঃসংবাদের কথা নিশ্চিত করা হয়নি।শুভ্রাংশুর বক্তব্য অনুযায়ী, শর্মিষ্ঠা সুস্থ রয়েছেন এবং চিন-তিব্বত সীমান্তের কোনও এলাকায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর দাবি, নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার কারণেই নিখোঁজদের পরিবারগুলির মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাই অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তাই দিয়েছেন তিনি। শর্মিষ্ঠার প্রকৃত অবস্থান কোথায়, তিনি নিরাপদে রয়েছেন কি না এবং কবে তাঁর সন্ধান মিলবে, এখন সেই প্রশ্নের উত্তরই খুঁজছে পরিবার।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
দেশ

ফের পাহাড় ভাঙল সিকিমে! রিম্বি-ইউকসম সড়কে নামল বিশাল ধস, ভারী বৃষ্টিতে বাড়ছে আতঙ্ক

সিকিমের পাহাড়ে যেন বিপদ কাটতেই চাইছে না। রবিবার সকালে উত্তর সিকিমে ভূমিধসের জেরে চ্যাকুং চু এবং তিস্তা নদীর গতিপথ আটকে গিয়ে হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই আতঙ্ক পুরোপুরি কাটার আগেই পশ্চিম সিকিমের রিম্বিতে ফের বড়সড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটল। রিম্বি-ইউকসম প্রধান সড়কের উপর পাহাড়ের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ায় ওই পথে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। ফলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউকসম-তাশিডিং এলাকার রিম্বি গ্রামে বিশাল ভূমিধস নেমেছে। পাহাড় থেকে মাটি ও পাথর নেমে এসে রিম্বির সঙ্গে ইউকসম এবং খেচুপরিকে যুক্ত করা প্রধান সড়কটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদার স্রোতও বয়ে যায়। বিপুল পরিমাণ মাটি, পাথর এবং ধ্বংসস্তূপে রাস্তার একটি বড় অংশ ঢেকে গিয়েছে।ভূমিধসের জেরে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি এমনই যে ওই এলাকা দিয়ে হেঁটেও যাতায়াত করা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের পাদদেশ এবং আশপাশের কয়েকটি বাড়িও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বৃষ্টি আরও বাড়লে নতুন করে ভূমিধস হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।রিম্বি-ইউকসম সড়কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পর্যটকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হল, ধস নামার পরও পাহাড়ের ক্ষতিগ্রস্ত ঢাল পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। তাই রাস্তার কাছাকাছি থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢাল পরীক্ষা করা হোক এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাতেই এই এলাকায় একই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই শুধু ধসের মাটি-পাথর সরিয়ে রাস্তা খুলে দিলেই স্থায়ী সমাধান হবে না।স্থানীয়দের মতে, ভবিষ্যতে ভূমিধসের ঝুঁকি কমাতে পাহাড়ের ঢাল সুরক্ষিত করা, পাহাড় সংরক্ষণ এবং স্থায়ী নিরাপত্তা পরিকাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন। প্রশাসন বর্তমানে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। তবে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের ঢাল নিরাপদ ঘোষণা না করা পর্যন্ত ওই এলাকায় যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ থাকতে পারে।অন্যদিকে রবিবার সকালে চ্যাকুং চু-তে ভূমিধসের কারণে তিস্তা নদীর গতিপথ যে অংশে আটকে গিয়েছিল, সেটি পরে খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে তাতেও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। আরও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার ওই এলাকা পরিদর্শন করে প্রশাসনের একটি দল।চুংথাংয়ের মহকুমা শাসক অরুণ ছেত্রীর নেতৃত্বে ওই দলটি এলাকা ঘুরে দেখে। পরিদর্শনের সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সীমান্ত সড়ক সংস্থার আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রবিশ অত্রি, ক্যাপ্টেন সুরজ এবং রাজস্ব বিভাগের কর্মীরা। দলটি ভূমিধসের উৎসস্থল এবং ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ের ঢাল পরীক্ষা করে। পাশাপাশি ওই এলাকায় আরও ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে কি না এবং টুং-পারটেম সড়ক নির্মাণের কাজে এর প্রভাব পড়তে পারে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হয়।ফলে উত্তর সিকিমে তিস্তার গতিপথ আটকে যাওয়ার আতঙ্কের পর পশ্চিম সিকিমে রিম্বির ভূমিধস নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তার উপর চলছে ভারী বৃষ্টি। ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আরও ধস নামার আশঙ্কা নিয়ে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
বিদেশ

গালওয়ানের ক্ষত এখনও তাজা, তার মধ্যেই দিল্লিতে শি! মোদির সঙ্গে বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে চর্চা

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বৃহস্পতিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শির ভারত সফরের কথা নিশ্চিত করেছে বেজিং।ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে চিনের প্রেসিডেন্টের। ফলে সাত বছর পর ফের ভারতে আসছেন শি জিনপিং। তাঁর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এটাই হতে চলেছে শির প্রথম ভারত সফর।সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। যদিও এমন বৈঠক হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের সামরিক উত্তেজনা, কূটনৈতিক দূরত্ব এবং অর্থনৈতিক টানাপড়েনের পর দুই দেশই সম্পর্কের উন্নতির রাস্তা খুঁজতে পারে।ভারত ও চিনের সম্পর্কে অবিশ্বাসের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন রয়েছে। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ সেই সম্পর্কে আরও বড় ধাক্কা দেয়। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান নিহত হন। চিনও তাদের বাহিনীর চার জনের মৃত্যুর কথা সরকারি ভাবে স্বীকার করেছিল।গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্কে দ্রুত অবনতি ঘটে। সীমান্তে সেনা মোতায়েন, অরুণাচল প্রদেশ সংলগ্ন এলাকা নিয়ে টানাপড়েন এবং একাধিক কূটনৈতিক বিরোধ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, ব্রিকসের মঞ্চে কি মোদি এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে? যদি বৈঠক হয়, তবে সীমান্ত সমস্যা, সামরিক উত্তেজনা এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তবে বৈঠকের বিষয়বস্তু বা তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এর আগে কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল মোদি এবং শি জিনপিংকে। সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে করমর্দন হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়নি।এবার দিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, সেদিকেই নজর থাকবে। গালওয়ানের পর প্রথম বার ভারতে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য বৈঠক ভারত-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও বার্তা দেয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal