• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Gajol

রাজ্য

গাজোল মহাবিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন, মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করার আহ্বান

গাজোল মহাবিদ্যালয়ে পালিত হল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। মালদার এই মহাবিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত অধ্যাপক-অধ্যাপিকা-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত প্রানবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের স্বাগত জানান গাজোল মহাবিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির কনভেনার রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপিকা ডঃ অপর্ণা দেবনাথ মানবাধিকারের সার্বজনীনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের ভূমিকা এবং তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গাজোল মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডঃ নিরঙ্কুশ চক্রবর্তী এবং বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় অধ্যাপক, অধ্যাপিকাগণ।এই অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজোল ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার (বিডিও) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস (WBCS-Exe.), গাজোল থানার ইনস্পেক্টর-ইন-চার্জ অশিষ কুণ্ডু এবং ইংলিশ বাজার পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুমালা আগরওয়ালা।সুমালা আগরওয়ালা সমাজের উন্নয়নে মানবাধিকারের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, মানবাধিকার সচেতনতা সমাজে সমতা, সহমর্মিতা ও মানবিকতা গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। বিভিন্ন দৃষ্টান্তের মাধ্যমে তিনি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে এসে এই মূল্যবোধ সমাজে ছড়িয়ে দিতে বলেন। বিডিও বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, মানবাধিকার কেবল একটি নথিভুক্ত অধিকার নয়, এটি মানুষের মর্যাদা বাঁচিয়ে রাখার একটি অবিচ্ছেদ্য শর্ত। সমাজের প্রতিটি স্তরে মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করাই আজকের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। তিনি সরকারি বিভিন্ন কল্যাণ প্রকল্পে মানবাধিকারের প্রতিফলন কীভাবে ঘটে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষকদের পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষার্থীও মানবাধিকার বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মহম্মদআকিদুল হক, ডঃ সুপার্থ ঘোষ, ডঃ অমিত প্রসাদ, সহ আয়োজক কমিটি। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সৌজন্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সমাজকে আরও মানবিক ও ন্যায়সম্মত করে তোলার সংকল্প গ্রহণ করা হয়।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

৪০০ পার করার স্বপ্ন দেখছে, ২০০ পার করে দেখাক, বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার

ইতিমধ্যে রাজ্যের তিন লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আরও ৩ কেন্দ্রে নির্বাচন রয়েছে। চড়কিপাক খাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মালদায় জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দিল্লি দখলে ৪০০ পার করার স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। আমি বলছি আগে ২০০ আসন পার করে দেখান, তারপরে সাঁতার কাটবেন। হাতে গোনা কয়েকটি রাজ্য ছাড়া কোথাও ভোট নেই আপনাদের । তাহলে এত লম্পঝম্প কিসের। এবারে দিল্লি দখলে মানুষ আমাদের পাশেই থাকবে।মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, বিজেপিকে কেন ভোট দেবেন? ওরা মানুষের জন্য কি করেছে? মালদার এক বিজেপি সাংসদ খগেনবাবু পাঁচ বছরের ২৫ কোটি টাকা পেয়েছে। একটা পয়সাও উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করেনি। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা কথা বলে ভোট পাওয়া যায় না। উন্নয়নই শেষ কথা। আপনারা করে দেখাতে পারেননি। কিন্তু আমরা করে দেখিয়েছি। এদিন দুপুরে উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন ব্যানার্জির সমর্থনে গাজোল কলেজ সংলগ্ন মাঠেই নির্বাচনী জনসভা বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। জনসভার শেষে ধামসা, মাদলের সঙ্গে আদিবাসীদের সাথে নৃত্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।এদিনের এই নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন ব্যানার্জিকে সামনে রেখেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চান। এই জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম নূর, দলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী, তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস প্রমূখ।এদিন মালদায় আরেকটি জনসভা করেন মমতা। মানিকচক বিধানসভা কেন্দ্রের এনেয়াতপুরে দক্ষিণ মালদার তৃণমূল প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হানের সমর্থনে আরেকটি নির্বাচনী সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।এদিন গাজোলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণ ভারত, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান সহ একাধিক রাজ্যে বিজেপির ভোট নেই। তাহলে ওদের এত কিসের দাম্ভিকতা । লোকসভার ৫৪৩ টি আসনের মধ্যে গতবার ওরা পেয়েছিল ৩০৩টি আসন । এবার স্বপ্ন দেখছে ৪০০ আসন পার করার। আমি বলছি ২০০ আসন পার করে দেখান। তারপরে সাঁতার কাটবেন। দিল্লি এবার আপনাদের দখলে যাবে না।এদিন পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন , মালদার যারা পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন, তারা নির্বাচনের সময় অন্তত এসে ভোটটা দিয়ে যান। নইলে পরে দেখবেন হয়তো বিজেপির ওই সরকার আপনাদের সাথে দুষ্টুমি করে নামটাই হয়তো বাদ দিয়ে দিবে। আর তখন এনআরসি এবং সিএএ ছকে ফেলে আপনাদেরকে নিয়ে ছলনা করা হবে। তবে আমি বেঁচে থাকতে এই বাংলায় এনআরসি হতে দেব না। মনে রাখবেন আমি বাংলার রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তাই ওরা আজকে এত ভয় পাচ্ছে।এদিন নির্বাচনী সভায় মুখ্যমন্ত্রী গণিখান চৌধুরী প্রসঙ্গে বলেন, বরকতদা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন ওনার সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। উনাকে আমি শ্রদ্ধা করি। এক সময় মানুষ ওনাকে ভোট দিয়েছেন তার কাজের জন্য। কিন্তু এখন আবার কি। অনেক তো হলো। আমরা তো বরকত সাহেবের ভাগ্নি মৌসুম নূরকে এর আগে টিকিট দিয়েছিলাম। এখন মৌসম রাজ্যসভার সাংসদ।

এপ্রিল ২০, ২০২৪
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ১০ দিনের মাথায় গণনা কেন্দ্রে মিলল ব্যালট বাক্স, গাজোলে বিক্ষোভ বিজেপির

ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের পুরো ১০ দিনের মাথায়ও ব্যালট বাক্সের গ্যাঁড়াকল কাটছে না। মঙ্গলবার মালদার গাজোলের একটি স্কুল তালাবন্দি শ্রেণিকক্ষে উদ্ধার হল তিনটি প্রশাসনের শীল করা ব্যালট বাক্স। এদিন সকালে এই ঘটনা জানাজানি হতেই তুমুল রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গাজোল ব্লক এলাকায়। বিজেপি নেতৃত্ব পুলিশ ও প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছে। এরপরই এদিন সকাল থেকেই গাজোলে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ, পথ অবরোধ শুরু হয়। প্রায় আধ ঘন্টা ধরে চলে বিজেপির কর্মসূচি। এই ঘটনায় সাংসদ খগেন মুর্মু গাজোল থানার আইসি এবং সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।একইসঙ্গে বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কারচুপি করে গাজোলের ওই ৮৩ নম্বর বুথে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মালদা জেলা পরিষদের গাজোল এলাকার নির্বাচিত প্রার্থী দীনেশ টুডুর অভিযোগ, বিজেপি হতাশায় ভুগে উল্টোপাল্টা বকছে। বিজেপি ব্যালট বাক্স লুঠ করার পর ওই স্কুলের ক্লাসরুমে রেখে দিয়ে গেছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে সরগরম গাজোল।জানা গিয়েছে, গাজোল ব্লকের হাজীনাকু মহম্মদিয়া হাইস্কুলে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্র করা হয়েছিল। এদিন ওই স্কুলের একটি ক্লাস রুম থেকেই শীল প্যাক ওই তিনটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার হয়েছে। যদিও ওই স্কুলের ৮৩ নম্বর বুথে ব্যালট বাক্স লুঠ হওয়ার অভিযোগে ৯ জুলাই পুনঃনির্বাচন হয়েছিল। আর এই ঘটনার পরের এদিন মঙ্গলবারে তিনটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গাজোল থানার পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। গাজোল হাজিনাকু মহম্মদীয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ননীগোপাল বর্মন জানিয়েছেন, নির্বাচন মিটে যাওয়ার পর ব্লক প্রশাসনের নির্বাচনী এজেন্সির লোকেরা গত কয়েকদিন ধরে স্কুলের তদারকি চালাচ্ছিল। তাদের কোনো খুঁটিনাটি জিনিস পড়ে আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছিল। এরপরেই ব্লক প্রশাসনের অফিস থেকে আসা কর্মীরাই দেখতে পান একটি ক্লাস রুমের ঘরে তালা বন্দি রয়েছে। যদিও সেই ঘরের চাবি আমাদের কাছে ছিল না। সেই ব্লক প্রশাসনের কর্তারা ঘরের তালা ভাঙতেই এই তিনটি ব্যালাট বাক্স নজরে আসে। গাজোলের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন জানিয়েছেন, তৃণমূলীরা কিভাবে এবারের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে কারচুপি করেছে, সন্ত্রাস চালিয়েছে তা এদিনের ব্যালট বাক্স উদ্ধারের ঘটনায় প্রমাণ। এই ৮৩ নম্বর বুথে ভোটের দিন ব্যালট বাক্স পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার পরের দিন ৯ জুলাই আবার পুনর্নির্বাচন হয়। সেখানে বিজেপি পরাজিত হয়েছে। তৃণমূল এইভাবে কারচুপি করেই জয়ী হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে দায়ী করছি। গাজোল ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, আপাতত ওই তিনটি ব্যালট বাক্স বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

মালদহের মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এসে এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন

মালদহের গাজলের মৃতের বাড়িতে এসে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। এসসি কমিশনের চেয়ারম্যানের হুসিয়ারী ডিএম এম এসপিকে তলব করা হবে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।গাজোলে মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এলেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুন হালদার। বুধবার রহস্য মৃত্যু হয় গাজরের বহিরগাছি এলাকার বাসিন্দা ধনঞ্জয় সরকারের। এই ঘটনায় বহিরগাছি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি কর্মীর পরিবারের তরফে। আজ সকালে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আসেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার। কথা বলেন পরিবারের সাথে। এরপর গাজল বিডিও অফিসে বিডিও এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সাথে বৈঠক করেন তিনি। যদিও পরিবারের দাবি প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।ধনঞ্জয় সরকারের বাড়িতে গিয়ে অরুন হালদার তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন কথা বলেন। তাদের অভিযোগের পর কেন এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর তিনি সেখান থেকে গাজলের বিডিও অফিসে আসেন। সেখানে ডিএম, এসপি-কে তলব করলেও তাঁরা আসেন নি। তিনি বলেন, তাঁরা না আসায় চরম অপমানিত হয়েছি। আমাকে বিডিও সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তাঁরা কেন পরিবারের সাথে কথা বলেনি সোজন্য সাক্ষাৎ করেছি।এসসি কমিশনের ভাইস ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ওই পরিবার বিচার পাবে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি। কিন্তু মালদায় এসে চূড়ান্ত অসৌজন্যমূলক ব্যবহার পেলাম। ডিএম এসপি দেখা পর্যন্ত করতে আসলেন না। ডিএম এসপিকে তলব করব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি সেদিন পরিষ্কার ভাষায় বলেন, রাজনীতি করতে আমি এখানে আসিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

দিঘার মন্দিরের প্রসাদ বিতরণেও টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ! তদন্তে নেমে কী পেল লালবাজার?

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ থেকে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালনপর্যটন দফতরের একাধিক কাজের বরাত পেয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। গত পাঁচ বছরে এমন অন্তত ১৫০টি টেন্ডারের খোঁজ পেয়েছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযোগ, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই তিনটি সংস্থাকেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি এ বার পর্যটন দফতরের টেন্ডার নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক দাবি, গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৫০টি টেন্ডার পেয়েছে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যুক্ত তিনটি সংস্থা। এই টেন্ডারগুলির মোট আর্থিক মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।লালবাজার সূত্রে খবর, বিভিন্ন সময়ে ব্যানার লাগানো, রেড রোডে কার্নিভালের আয়োজন, রাস্তা সাজানো, অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিন পালন, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিলির মতো কাজের জন্য টেন্ডার দিয়েছিল পর্যটন দফতর। গোয়েন্দাদের দাবি, এই কাজগুলির অধিকাংশের বরাত পেয়েছে ওই তিনটি সংস্থা। সংস্থাগুলির সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেগুলির উপর প্রাক্তন মন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই তদন্তের মধ্যেই বুধবারও লালবাজারে হাজিরা দেননি ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন। এর আগে মঙ্গলবারও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সে দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ান তিনি। বুধবার ফের তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার তাঁকে আবার হাজির হতে বলা হয়েছে। এ বারও হাজির না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে। প্রয়োজনে গ্রেফতারির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।গোয়েন্দাদের দাবি, ইন্দ্রনীলের সংস্থার সঙ্গে তাঁর মেয়ের সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা আবার ইন্দ্রনীলের সংস্থায় ফিরে যায় কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই আভেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা।সূত্রের খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, দুর্নীতির বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সব জানেন, তিনি নিজে কিছু জানেন না। এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনে তাঁর স্ত্রীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত অভিযোগে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে লালবাজার। এই মামলায় নতুন এমপিও আইন প্রয়োগ করা যায় কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করছেন তদন্তকারীরা। তবে টেন্ডার বণ্টন বা আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনও বেআইনি কাজ হয়েছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট হবে না।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তারির পর উধাও ছিলেন ‘ঘনিষ্ঠ’ শুভ, শেষ পর্যন্ত কোথা থেকে ধরল পুলিশ?

পুজোর পাস বিক্রির মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভ। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলায় তিনি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ইন্দ্রনীল গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শুভ। তিনি ইন্দ্রনীলের সংস্থা মাস আর্ট-এর সচিব ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে যায়। বুধবার রাতে মধ্য কলকাতার পোদ্দার কোর্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল।এই গ্রেপ্তারি নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তেরা কোটি কোটি টাকা চুরি করেছেন। ইন্দ্রনীলকে ডাকাত এবং ধ্রুবজ্যোতিকে নিকৃষ্টতম চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, পুজোর পাস বিক্রির পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন কাজের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের লজ সংস্কার, বইমেলা, গানমেলা এবং চলচ্চিত্র উৎসবের মতো সরকারি অনুষ্ঠানের কাজ ঘনিষ্ঠ সংস্থাগুলিকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অভিযোগ, সেই টাকা ইন্দ্রনীল নিজে এবং তাঁর আত্মীয়দের সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, মন্ত্রিত্বের প্রভাব খাটিয়ে ইন্দ্রনীল তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংস্থাকে সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দিতেন। আদালতে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তিন জনের গোপন জবানবন্দি ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে মাস আর্ট সোসাইটি, গিডি ক্রিয়েশন, থার্ড আই ক্রিয়েশন এবং রূপকার নামে কয়েকটি সংস্থার নাম। অভিযোগ, বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠানের কাজের বরাত পেত এই সংস্থাগুলি। তদন্তকারীদের দাবি, একটি পর্যায়ে গিডি ক্রিয়েশন ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল। থার্ড আই ক্রিয়েশন-এর হাতে যায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার কাজ। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এই সংস্থার অনুষ্ঠান আয়োজনের আগের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে অভিযোগ।অন্য দুটি সংস্থাকেও আলাদা খাতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাজ দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, থার্ড আই ক্রিয়েশন ৩৬ কোটি ৯ লক্ষ ১৪ হাজার টাকার এবং রূপকার ৮ কোটি ২১ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকার কাজের বরাত পেয়েছিল।তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, গিডি ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী ও মেয়ের অ্যাকাউন্টেও কাটমানির টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। গিডি ক্রিয়েশন থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা এবং থার্ড আই ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট-এর অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া, গিডি ক্রিয়েশন থেকে ইন্দ্রনীলের মেয়ের অ্যাকাউন্টে ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, মোট ২০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরও বিপুল পরিমাণ কাটমানি লেনদেনের তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

‘মবোক্রেসি গণতন্ত্রের বিকল্প নয়’, কৃষ্ণনগরে দাঁড়িয়ে কাদের নিশানা করলেন শমীক?

কৃষ্ণনগরেও বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রা। বুধবার এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তথাকথিত ককরোচ পার্টির নেতাদের কুশপুতুল এবং আরশোলার প্রতীকী মূর্তি পোড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। দেশের অখণ্ডতা ও সংহতি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।সমাবেশ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন শমীক। তাঁর অভিযোগ, পরিবারতন্ত্র থেকেই দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের জন্ম হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছে। তাঁর আরও দাবি, বিদেশি মদতে কিছু শক্তি দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। টুকরে টুকরে গ্যাং-এর সদস্যেরা সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে চাইছে।শমীকের কথায়, ভারতের গণতন্ত্রের ভিত অনেক গভীর। কোনও ভাবেই উচ্ছৃঙ্খল জনতার শাসন গণতন্ত্রের বিকল্প হতে পারে না। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে বাম ও কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী শক্তি হিসেবে বাম ও কংগ্রেস কার্যত গুরুত্ব হারিয়েছে। তাঁর দাবি, ওই দুই দল তৃণমূলের কাছে নিজেদের সঁপে দিয়েছে। অন্যদিকে, জনসমর্থন হারিয়ে তৃণমূলও রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি করেন শমীক। তাঁর বক্তব্য, রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বাংলার মানুষ বোমা-বারুদের রাজনীতি চান না। তাঁরা চান শিল্প, কারখানা এবং কাজের সুযোগ। রাজ্যে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান না থাকায় বহু যুবককে কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সমাবেশে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ দেবনাথও বক্তব্য রাখেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও কয়েক জন বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতকে অশান্ত করার ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কাজ কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং বামপন্থীদের সমালোচনা করে অভিজিতের দাবি, জাতীয়তাবাদী ও সনাতনী সমাজ একজোট হলে দেশবিরোধী শক্তিকে বাংলা তথা দেশ থেকে সরাতে বেশি সময় লাগবে না।কৃষ্ণনগরের এই সমাবেশ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যে সাধারণ মানুষের অধিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

দুবাই থেকে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে! ১৭ নভেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

দুবাই থেকে দেশে ফিরতেই হবে টুলু মণ্ডলকে। আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ভারতে ফেরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। পাথর পাচার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে দুবাইয়ে রয়েছেন।বীরভূমে পাথর পাচার ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা পুলিশ। অভিযোগ, সরকারি কর্মীদের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশ করে খনিজ পরিবহণের জন্য প্রয়োজনীয় ডিসিআর এড়িয়ে যেতেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে সেই অঙ্ক প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বলে দাবি তদন্তকারীদের।এই মামলায় পুলিশের তৎপরতা বাড়তেই এলাকা ছেড়ে চলে যান টুলু। পরে তিনি দুবাইয়ে আশ্রয় নেন বলে জানা গিয়েছে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টে তাঁর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তিনি জানান, আদালতের রক্ষাকবচ পেলে দেশে ফিরতে রাজি টুলু। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুলুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে।আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে মুকুল বলেন, টুলু মণ্ডল দাউদ ইব্রাহিম নন। তিনি দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিয়ে দুবাইয়ে বৈধ ব্যবসা করছেন।এর পরেই রাজ্য পুলিশের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি শী নাগুর বেঞ্চ। রাজ্য পুলিশের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, টুলু দেশে ফিরলে আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা হবে না। তবে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ১৭ নভেম্বরের মধ্যে টুলুকে ভারতে ফেরার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি আদালত জানায়, ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। এই সময়ের মধ্যে পরবর্তী রক্ষাকবচের জন্য স্থানীয় আদালতে আবেদন করতে হবে টুলুকে।ফলে আপাতত দুবাই ছেড়ে দেশে ফিরতে হবে টুলু মণ্ডলকে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা পাথর পাচার ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত চলবে। মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বিগ বস বাংলায় ফিরতেই রাজবীরের চুমু! নন্দিনীকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ দাসের মা

বিগ বস বাংলার দুর্গে ফিরলেন নন্দিনী দত্ত। তবে সাধারণ ভাবে নয়, ভূত জুলির সাজে। মঙ্গলবারের পর্বে তাঁকে দেখেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রাজবীর। জড়িয়ে ধরে চুমুতে ভরিয়ে দেন নন্দিনীকে। কিন্তু তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ আচরণ মোটেই পছন্দ হয়নি অভিনেতা সৌরভ দাসের মায়ের। তাঁর মতে, প্রেমেরও একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর ও নন্দিনী সেই সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছেন।রবিবারের পর্বে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দর্শকদের ভোটে বিগ বস বাংলার দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন নন্দিনী। সেই খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর-সহ অন্য প্রতিযোগীরা। দুর্গ ছাড়ার আগে প্রেমিকাকে চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছিলেন রাজবীর। তবে পরে জানা যায়, নন্দিনী আসলে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়েননি। তাঁকে দুদিনের জন্য রাখা হয়েছিল গোপন ঘরে।মঙ্গলবার রাতে ভূত জুলির সাজে ফের মূল দুর্গে প্রবেশ করেন নন্দিনী। জানা যায়, বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে ফিরেছেন তিনি। নন্দিনীকে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন রাজবীর। তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে শুরু করেন। তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে আগেও আপত্তি জানিয়েছেন অনেকে। খোদ সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এ বার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেতা সৌরভ দাসের মা। তাঁর কথায়, মিষ্টি প্রেম হতেই পারে। কিন্তু এটা একটা নোংরামির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চরম বাড়াবাড়ি হচ্ছে। সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিত। রাজবীর আর নন্দিনী সেই সীমাটাই পার করে গিয়েছে। শো দেখাই ছেড়ে দেব ভেবেছিলাম।বিগ বস বাংলার ঘরে রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই শোয়ের পারিবারিক চরিত্র বজায় রাখা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মিলবে সিএএ শংসাপত্র?

মতুয়াদের নাগরিকত্বের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। রবিবার ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শুনানি শেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের আবেদনকারীদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। নাগরিকত্ব পাওয়ার পর যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের নাম ফের তোলার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিককে নিয়োগ করেছে নবান্ন।সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে আবেদনের ক্ষেত্রেও সম্প্রতি কিছুটা সুবিধা হয়েছে। আগে আবেদনের সঙ্গে বাংলাদেশি নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে না পেরে অনেকেই আবেদন করতে পারছিলেন না। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার সেই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ায় সিএএ-তে আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বনগাঁ মহকুমায় ৪২ হাজার ৭৮২ জন সিএএ-তে আবেদন করেছেন। গোটা উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় আবেদনকারীর সংখ্যা ৯২ হাজার ছাড়িয়েছে। মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আবেদন করার আগ্রহ বেড়েছে। অনেকেই ফর্ম পূরণ করছেন। ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।সিএএ-তে আবেদন করার পরেও দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের শংসাপত্রের অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। কারও শুনানি হয়ে গিয়েছে, আবার কারও আবেদন এখনও প্রশাসনিক দফতরে পড়ে রয়েছে। কবে নাগরিকত্ব মিলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল আবেদনকারীদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এত দিন প্রয়োজনীয় কর্মী ও পরিকাঠামোর অভাবে আবেদন এবং শুনানির কাজে দেরি হচ্ছিল। ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তেন অনেকে। শুনানির জন্য দূরে জেলাশাসকের দফতরেও যেতে হত। নথি যাচাই করতেও সময় লাগছিল। নতুন ব্যবস্থায় মহকুমা স্তরেই ফর্ম পূরণ ও শুনানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে আবেদনকারীদের হয়রানি কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কাজে ১২ জন প্রবেশনারি আইএএস আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্তেও খুশি মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেই।হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, উদ্বাস্তু মতুয়াদের মধ্যে নতুন করে আনন্দ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, আগে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, মতুয়াদের নাগরিকত্ব সুরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বসাবেন না। সিএএ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন তিনি তা বসিয়েছেন বলেও জানান অসীম।বাগদার নতুন আবেদনকারী নরোত্তম বিশ্বাসের কথায়, আগে তিনি সিএএ নিয়ে আশঙ্কার কারণে আবেদন করেননি। তাঁর দাবি, আগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড থাকলেই নাগরিকত্ব প্রমাণ করা যায়। কিন্তু পরে দেখেছেন, অনেকে সিএএ-তে আবেদন করেও নাগরিকত্ব হারাননি। তাই তিনিও আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এ দিন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ, ঠাকুরনগর, বাগদা ও গাইঘাটা-সহ মতুয়া অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় মিছিল বের হয়। ডঙ্কা, কাঁসি ও নিশান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মতুয়া ভক্তদের একাংশ। নদিয়ার বিভিন্ন এলাকাতেও একই ছবি দেখা যায়। হরিণঘাটায় উদ্বাস্তু মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষ ডঙ্কা ও কাঁসর বাজিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। তাঁদের সঙ্গে উৎসবে যোগ দেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারও।দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র না পাওয়া এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় অনিশ্চয়তায় ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ। এ বার প্রশাসনিক তৎপরতায় সেই সমস্যা কতটা মেটে, সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীকে খুন করে কাটা মুণ্ডু কোলে নিয়ে মন্দিরে বসে স্বামী! শিউরে উঠলেন প্রতিবেশীরা

তখনও ভোরের আলো পুরোপুরি ফোটেনি। ফুল তুলতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন কয়েক জন। মন্দিরের চত্বরে গিয়ে তাঁরা দেখেন, এক যুবক দুহাত তুলে বসে রয়েছেন। তাঁর কোলে এক মহিলার কাটা মুন্ডু। তা থেকে তখনও রক্ত ঝরছে। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম সীমা সরকার ঘোষ। তাঁর স্বামী রিন্টু ঘোষকে আটক করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বুধবার সকালে মন্দিরের চত্বরে রিন্টুকে দুহাত তুলে বসে থাকতে দেখেন তাঁরা। প্রথমে অন্ধকারের মধ্যে বিষয়টি স্পষ্ট বুঝতে পারেননি কেউ। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর কোলে স্ত্রীর কাটা মুন্ডু। অভিযোগ, এর পর মন্দির থেকে নেমে হাতে কাটা মুন্ডু নিয়ে এলাকায় ঘুরতে শুরু করেন তিনি। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ সীমার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তাঁর স্বামী রিন্টুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দাঁ-ও উদ্ধার করেছে পুলিশ।কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে দাম্পত্য অশান্তির জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।সীমার দাদার দাবি, তাঁর জামাইবাবু একটি সংস্থায় ঠিকাদার হিসাবে কাজ করতেন। কিছু দিন আগে তাঁর চাকরি চলে যায়। তার পর থেকেই আচরণে বদল আসে রিন্টুর। তিনি ধর্মের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েন এবং নিরামিষ খাওয়া শুরু করেন। তবে বোনের সঙ্গে জামাইবাবুর বড় কোনও অশান্তির কথা তিনি জানতেন না বলেই জানিয়েছেন সীমার দাদা।পুলিশের গাড়িতে বসে রিন্টুকে বলতে শোনা যায়, আমি সাইকো! সাইকো হয়ে গিয়েছি। আগে ঠিকাদারির কাজ করতাম। চাকরিটা চলে গেল। আমাকে কোনও সুযোগ দিল না। বউকে তো সত্যি কথাই বলেছিলাম। ওর কাছে লুকোনোর কিছু ছিল না।তদন্তকারীদের দাবি, রিন্টুর কথাবার্তায় একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। তাঁর মানসিক অবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা জানতেও চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। আপাতত পুরো ঘটনার তদন্ত করছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬
দেশ

সোনম ওয়াংচুকের স্কুলে তালা! হঠাৎ কেন বন্ধের নির্দেশ দিল লাদাখ প্রশাসন?

জমি নিয়ে আইনি জটিলতায় বন্ধ হয়ে গেল সোনম ওয়াংচুকের স্কুল। লাদাখের ফিয়াংয়ে অবস্থিত ডেজার্ট ফ্লাওয়ার স্কুল-এর সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জমি সংক্রান্ত মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত স্কুলের কোনও কাজ চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে লাদাখে।প্রশাসনের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ছাড়পত্র ছাড়াই স্কুলটি চালানো হচ্ছিল। সেই কারণেই গত ১ নভেম্বর লেহর তহশিলদার দফতর থেকে স্কুল বন্ধ রাখার নোটিস পাঠানো হয় সোনমের স্ত্রী তথা হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গীতাঞ্জলি জে আংমোকে।এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভসকে বরাদ্দ করা ১,০৭৬ কানাল জমি। জমির পরিমাণ প্রায় ১৩৪.৫ একর। এর সঙ্গে রয়েছে আরও এক মারলা জমি। প্রশাসন ওই জমির বরাদ্দ বাতিল করে। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জম্মু ও কাশ্মীর হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় সোনমের প্রতিষ্ঠান। মামলাটি এখনও আদালতে বিচারাধীন।প্রশাসনের পাঠানো নোটিসে ২২ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দিন গীতাঞ্জলি লেহর ডেপুটি কমিশনারকে চিঠি লিখে স্কুলের প্রস্তাবিত পরিচালন সমিতির সদস্যদের জন্য অনাপত্তিপত্র চেয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সেই ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই স্কুলে ক্লাস শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।প্রশাসনের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাই মামলার চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত স্কুলের কাজকর্ম চালানো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সমস্ত কার্যকলাপ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান এবং তার প্রতিনিধিদের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। এমন কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না, যার প্রভাব আদালতে চলা মামলার উপর পড়তে পারে।ফলে আপাতত আদালতের রায়ের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে সোনম ওয়াংচুকের প্রতিষ্ঠানকে। জমি নিয়ে আইনি জট না কাটলে কবে আবার স্কুলের কাজকর্ম শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal